Blog

  • বাংলাদেশিসহ নথিবিহীন প্রায় ৫ লাখকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন

    বাংলাদেশিসহ নথিবিহীন প্রায় ৫ লাখকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন

    স্পেনের প্রগতিশীল জোট সরকার নথিবিহীন প্রায় ৫ লাখ অভিবাসীকে বৈধ করা শুরু করার জন্য একটি ডিক্রি অনুমোদন করেছে। মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত এই সিদ্ধান্তে উল্লেখ করা হয়েছে, বহু দেশের মতো আমলাতান্ত্রিক কড়াকড়ি বাড়ার সময় স্পেন ঠিক উল্টো পথ বেছে নিচ্ছে।

    অন্তর্ভুক্তি, সামাজিক নিরাপত্তা ও অভিবাসন মন্ত্রী এলমা সাইজ এটিকে বর্তমান প্রশাসনের জন্য একটি ‘‘মাইলফলক’’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘এরা আমাদের সমাজের অংশ—তাদের সন্তানরা আমাদের স্কুলে পড়ে, তারা আমাদের শহর ও রাস্তায় জীবন আনে। আজ তাদের পূর্ণ অধিকার ও নিশ্চয়তা দেওয়া হবে, যাতে তারা দায়িত্বশীলভাবে সমাজের সঙ্গে একীভূত হতে পারে।’’

    ডিক্রির আওতায় শর্ত পূরণ করার পর আবেদনকারীরা আবাসন ও কাজের অনুমতিপত্র পাবেন। পাশাপাশি তাঁদের একটি সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর এবং বসবাস করার অঞ্চলের জন্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কার্ডও দেওয়া হবে। প্রশাসন জানিয়েছে, এই রেগুলারাইজেশন প্রাথমিকভাবে এক বছরের জন্য কার্যকর থাকবে; এক বছর পরে সংশ্লিষ্টরা অভিবাসন বিধিমালার অন্যান্য শ্রেণিতে যেতে পারবেন, ফলে ধাপে ধাপে পুরো ব্যবস্থার সঙ্গে তারা একীভূত হবেন।

    আবেদনের শর্তাবলি স্পষ্ট করা হয়েছে—প্রার্থীদের প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে এবং ১ জানুয়ারি, ২০২৬-এর আগে স্পেনে প্রবেশ etmiş থাকতে হবে। আবেদনকারীদের টানা কমপক্ষে পাঁচ মাস স্পেনে বসবাসের প্রমাণ দিতে হবে। যদি পরিবারের প্রথম পর্যায়ের আত্মীয়, জীবনসঙ্গী বা নিবন্ধিত সঙ্গী থাকে, তাদের আবেদনও একসঙ্গে বিবেচনা করা হবে। আবেদন করার সময়সীমা জুনের শেষ দিন, অর্থাৎ ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

    আবেদনকারীদের অপরাধমূলক রেকর্ড যাচাই করা হবে: নিজ দেশে কোনো অপরাধে জড়িত না থাকার সনদ জমা দেওয়ার জন্য তাদের এক মাস সময় দেওয়া হবে। যারা তা জমা দিতে ব্যর্থ হবেন, তাদের ক্ষেত্রে স্প্যানিশ সরকার প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে এসব নথি সংগ্রহ করবে।

    প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ, যারা বর্তমানে চীন সফরে আছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন যে এই উদ্যোগ সংসদে আনা সম্ভব হয়েছে শত শত সংগঠন এবং ৬ লাখেরও বেশি মানুষের প্রচেষ্টার কারণে। উল্লেখ্য, স্পেনে নাগরিক উদ্যোগে কোনো বিল সংসদে তোলার জন্য কমপক্ষে ৫ লাখ স্বাক্ষর প্রয়োজন।

    এই ডিক্রি আসে এমন সময় যখন পার্লামেন্টে অনুরূপ একটি বিল আটকে পড়ার পর সরকার অভিবাসন আইন সংশোধনের কাজে ডিক্রি জারি করেছে। প্রধান বিরোধী দল রক্ষণশীল পপুলার পার্টি (পিপি) ইতোমধ্যেই এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করার ঘোষণা দিয়েছে, যদিও ২০২৪ সালে পার্লামেন্টে অনুরূপ ধারার জন্য তারা সমর্থন জানিয়েছিল—সেই সময়ে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল, কট্টরপন্থী দল ভক্স ছাড়া অধিকাংশ দলই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়।

    পিপির উপ-সাধারণ সম্পাদক আলমা এজকুরা বলেন, ‘‘আইন মেনে চলা ব্যক্তিদের জন্য এটি ক্ষতিকর এবং ভবিষ্যতে আসতে ইচ্ছুকদের উৎসাহিত করবে; একই সঙ্গে নাগরিকরা দেখছেন যে জনসেবা খাতে চাপ বাড়ছে।’’ ভক্স নেতা সান্তিয়াগো আবাসকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেছেন, তিনি স্প্যানিশদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং ‘‘আক্রমণকে’’ ত্বরান্বিত করছেন।

    মন্ত্রী সাইজ এসব সমালোচনার বিরুদ্ধে বলেন, বিশ্বজুড়ে কট্টর ডানপন্থী অভিবাসনবিরোধী ঢেউয়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে স্পেন ‘‘আলোকবর্তিকা’’ হয়ে থাকবে। তিনি যোগ করেছেন, ‘‘আজ আমাদের দেশের জন্য একটি বড় দিন।’’

  • ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস: ইরান চীনের গুপ্তচর স্যাটেলাইট ব্যবহার করছে

    ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস: ইরান চীনের গুপ্তচর স্যাটেলাইট ব্যবহার করছে

    ব্রিটিশ সংবাদপত্র ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস বুধবার (১৫ এপ্রিল) প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ইরান গোপনে চীনের একটি গুপ্তচর স্যাটেলাইট ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো পর্যবেক্ষণ ও লক্ষ্য নির্ধারণের ক্ষমতা বাড়িয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই স্যাটেলাইট প্রযুক্তির সাহায্যে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা আমেরিকান ঘাঁটিগুলোকে চিহ্নিত করে নজরদারি করা সম্ভব হয়েছে।

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে স্যাটেলাইট-সমর্থিত গোয়েন্দা তথ্য ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান শনাক্ত করা এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যগুলো নির্ধারণে নতুন সুবিধা দিয়েছে। এই কারণে ইরানের সামরিক সক্ষমতা এবং নজরদারি ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন ও ইরানের কূটনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা দৃঢ় হয়েছে—বিশেষত স্যাটেলাইট প্রযুক্তি, তথ্য বিনিময় ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে। এ ধরনের উন্নত নজরদারি সক্ষমতা বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নীতির সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

    ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত দাবিগুলোতে সরকার বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিক্রিয়া আলাদা করে তুলে ধরা হয়নি; তাই পূর্ণ চিত্র বোঝার জন্য আরও তদন্ত ও যাচাই প্রয়োজন। তবে রিপোর্টটি অঞ্চলের নিরাপত্তা ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত ও কূটনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • চিতলমারীতে স্থগিত ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু; ৬৯৬ পরীক্ষার্থীর ১৯৮ অনুপস্থিত

    চিতলমারীতে স্থগিত ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু; ৬৯৬ পরীক্ষার্থীর ১৯৮ অনুপস্থিত

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে নিরাপত্তা বজায় রেখে সুন্দর পরিবেশে ২০২৫ সালে স্থগিত থাকা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা বুধবার (১৫ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে। প্রথম দিন বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চলে। উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা পরীক্ষাকেন্দ্রে সতর্ক অবস্থায় ছিলেন।

    উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যানুসারে মোট পরীক্ষার্থী ৬৯৬ জন, যার মধ্যে ছাত্রী ৪৩৬ জন এবং ছাত্র ২৬০ জন। প্রথম পরীক্ষাদিন বাংলা বিষয়ে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯৮ জন পরীক্ষার্থী—এদের মধ্যে ছাত্রী ১৩৭ জন এবং ছাত্র ৬১ জন। দুইটি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় মোট উপস্থিত ছিলেন ৪৯৮ জন। বাংলা প্রশ্নপত্রে কোনো বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি।

    কেন্দ্র কার্যক্রমে চিতলমারী সরকারি এস এম মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার খান। একে ফায়জুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রধান শিক্ষক মোঃ মোহিতুল ইসলাম।

    চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার বলেন, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে। তিনি জানান, পরীক্ষার নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রগুলোর চারপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং প্রত্যেক কেন্দ্রেই প্রয়োজনীয় চেয়ারম্যান ও চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    পরীক্ষার সূচি অনুযায়ী আগামী ১৬ এপ্রিল ইংরেজি, ১৭ এপ্রিল প্রাথমিক গণিত এবং ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হয়ে আড়াই ঘণ্টা ধরে চলবে।

  • খুলনায় বাস-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দম্পতি নিহত

    খুলনায় বাস-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দম্পতি নিহত

    খুলনার দৌলতপুর থানার রেলিগেট এলাকায় বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দু’জন নিহত হয়েছেন। ঘটনা ঘটে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ফুুলতলা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে থাকা রয়েল পরিবহনের একটি বাস রেলিগেটে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে ছুটে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে।

    নিহতরা হলেন বাটিয়াঘাটা উপজেলার ভাদগাতি এলাকার বাসিন্দা মহিউদ্দিন শেখের ছেলে তানভীর হাসান শেখ (৩১) ও তার স্ত্রী লামিয়া বেগম (২৮)। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই বা তৎক্ষণাৎ তাদের মারাত্মক আঘাত লাগে; পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

    দৌলতপুর থানা পুলিশের কর্মকর্তা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর উপস্থিত লোকজন দ্রুত আহতদুটিকে হাসপাতালে পাঠায় এবং ঘাতক বাসটিকে আটক করা হয়। কিন্তু বাসের চালক গাড়ি ফেলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ঘাতক চালককে এখনও ধরে নেওয়া যায়নি, তবে বাস জব্দ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা সাপেক্ষে মরদেহ পরিবারকে হস্তান্তর করা হবে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহত দম্পতি তাদের এলাকায় পরিচিত ও পরিবারের একক আয়ের উৎস ছিলেন, ফলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • পিএসএলে জিম্বাবুয়ের ব্লেসিং মুজারাবানিকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা

    পিএসএলে জিম্বাবুয়ের ব্লেসিং মুজারাবানিকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা

    পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) কর্তৃপক্ষ জিম্বাবুয়ের পেসার ব্লেসিং মুজারাবানিকে দুই বছরের জন্য লিগে খেলতে নিষিদ্ধ করেছে। পিএসএল বলেছে, মিড টুর্নামেন্টে অন্য লিগে যোগ নেওয়া পেশাদারি আচরণের গুরুতর লঙ্ঘন এবং ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক লিগগুলোর স্বচ্ছতা ও নিয়ম রক্ষা করার জন্য এ ধরনের শাস্তি জরুরি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, কোনো খেলোয়াড় যদি এক ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে বেঁধে থাকা অবস্থায় অন্য কোথাও যোগ দেয়, তাহলে তার পেশাদারি আচরণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং দুই বছরের নিষেধাজ্ঞাই ওই লঙ্ঘনের তীব্রতা প্রমাণ করে।

    ২০২৬ সালের নিলামে মুজারাবানি প্রথমে কোনো দলের নাম পাননি। পরে তিনি ইসলামাবাদ ইউনাইটেডে শামার জোসেফের বদলি হিসেবে সুযোগ পান। কিন্তু এরপরই মাঝপথেই পিএসএল ছেড়ে আইপিএলে যোগ দেওয়ায় সমস্যায় পড়েন তিনি। আইপিএলে মুজারাবানিকে সুযোগ পেয়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্স—বিবৃতিতে বলা হয়েছে মুজারাবানির আইপিএলে খেলার সুযোগ এসেছে মোস্তাফিজুর রহমানের কারণে; জানুয়ারিতে বিসিসিআইয়ের নির্দেশে মোস্তাফিজকে কলকাতা থেকে বাদ দেয়ার পর মুজারাবানিকে বিকল্প হিসেবে নেওয়া হয়। মুজারাবানি তাই পিএসএল ত্যাগ করে আইপিএলে চলে যান, যা পিএসএলের তত্ত্বাবধায়কদের মতে অনাকাঙ্ক্ষিত শিষ্টাচারণের লঙ্ঘন।

    আইপিএলে মুজারাবানি এবারের মরসুমে এখনও পর্যন্ত ২ ম্যাচ খেলেছেন। তাঁর ইকোনমি ১০.৭১ এবং মোট ৪ উইকেট আছে—এসব উইকেটের সবাই এসেছে এক ম্যাচে, ২ এপ্রিল ইডেন গার্ডেনসে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে তিনি ৪ ওভারে ৪১ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন। তবু কলকাতা নাইট রাইডার্স বর্তমানে ১০ দলের মধ্যে তলানিতে আছে; ৪ ম্যাচে কেবল ১ পয়েন্ট পেয়েছে তারা। আজ সন্ধ্যা বাংলাদেশ সময় ৮টায় চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও চেন্নাই সুপার কিংসের ম্য়াচে কলকাতা প্রথম জয়ের চেষ্টা করবে।

    পিএসএলে খেলোয়াড়দের অন্য লিগে চলে যাওয়ার কারণে আগে থেকেই শাস্তির নজির রয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার করবিন বশকে আগে পিএসএল থেকে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল; তখন তিনি পেশোয়ার জালমির হয়ে খেলায় নামার পর মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে লিজাড উইলিয়ামসের বিকল্প হিসেবে নেওয়া হয়েছিল বলে তাকে শাস্তি দেওয়া হয়। মুজারাবানির সঙ্গে এইবার আরও কয়েকজন—স্পেনসার জনসন ও দাসুন শানাকাও পিএসএল ছেড়ে আইপিএলে যোগ দিয়েছেন; তবে তাদের বিরুদ্ধে কি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

  • চোখের জলেই চিরবিদায় — পঞ্চভূতে বিলীন হলেন আশা ভোসলে

    চোখের জলেই চিরবিদায় — পঞ্চভূতে বিলীন হলেন আশা ভোসলে

    প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে আর নেই। সোমবার বিকেলে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্ক শ্মশানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। শেষকৃত্যে মুখাগ্নি দেন তাঁর ছেলে আনন্দ ভোসলে। খবরটি প্রথম প্রকাশ করে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

    গতকাল সকাল থেকেই মুম্বাইয়ের লোয়ার পারলের আশার বাড়িটি ভিড় দ্বারা পরিপূর্ণ ছিল। সেখানে সমবেতদের ছায়া উৎসবের নয়, শোকের কালো আবহে ঢেকে ছিল। বড় বোন লতা মঙ্গেশকরের কন্যা মীনা খাড়িকরসহ চলচ্চিত্র, সঙ্গীত ও ক্রীড়া জগতের অসংখ্য পরিচিত মুখ সেখানে উপস্থিত ছিলেন — অভিনেতা আমির খান, ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার, সঙ্গীত পরিচালক এ আর রহমান, জাভেদ আলী, অভিনেত্রী টাবু, আশা পারেখ, নীল নীতিন মুকেশ, জ্যাকি শ্রফসহ আরও অনেকে। রাজনৈতিক অঙ্গনের বহু বর্ষীয়ান নেতাও শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় করেন।

    বাসভবনে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আশার দেহ শ্রীমুখ শববাহী গাড়িতে রেখে শিবাজি পার্ক শ্মশানে নেওয়া হয়। তাঁর প্রিয় সাদা-হলদি রঙের ফুলে শববাহী যান সাজানো ছিল। রাস্তার দু’ধারে হাজার হাজার ভক্ত-অনুরাগী দাঁড়িয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান; অনেকেই চোখের জল ফেলেন। শ্মশানে বিনোদন, রাজনীতি ও ক্রীড়া অঙ্গনের প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।

    আশা ভোসলে গত ১১ এপ্রিল অসুস্থ হয়ে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন। রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স ছিল ৯২ বছর।

    সংগীতজীবন শুরু করেছিলেন ১৯৪৩ সালে।八 দশকেরও বেশি সময়জুড়ে অত্যন্ত উজ্জ্বল ক্যারিয়ার কাটিয়েছেন আশা ভোসলে। শুধু হিন্দি সিনেমাই নয়, তিনি ২০টিরও বেশি ভারতীয় ভাষায় এবং কয়েকটি বিদেশি ভাষাতেও গান রেকর্ড করেছেন। মোট মোটামুটি ৯২৫টিরও বেশি সিনেমায় গান গেয়েছেন; কৌতুকের ছলে বলা হয়, তাঁর গানের সংখ্যা ১২ হাজারেরও ওপর। ২০০৮ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত করে। ২০১১ সালে গিনেস বুকে তিনিই সর্বাধিক সংখ্যক গান রেকর্ডকারী হিসেবে ঘোষণা পান।

    ব্যক্তিগত জীবনেও তাঁর গল্প ছিল গৌরবময় ও টানাপোড়েনময়। প্রথম বিয়ে করেন গণপতরাওর সঙ্গে; তখন তাঁর বয়স মাত্র ১৬ বছর, আর গণপতরাওর ছিল ৩১ বছর। ১৯৬০ সালে সেই সংসার ভেঙে যায়। পরে ১৯৮০ সালে গায়ক আরডি বর্মনের সঙ্গে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন; ১৯৯৪ সালে আরডি বর্মন মৃত্যুবরণ করেন।

    সঙ্গীতের অগণিত রূপে আনন্দ দিয়েছেন, প্রজন্মে প্রজন্মে প্রভাব রেখেছেন—আশা ভোসলের সৌরভ আর প্রতিভা সহজে মুছে যাবে না। বহু শ্রোতার হৃদয়ে তাঁর কণ্ঠ হয়ে থাকবে চিরস্থায়ী স্মৃতি।

  • আশা ভোঁসলের শেষবিদ্যায় কেন যাননি সালমান ও শাহরুখ?

    আশা ভোঁসলের শেষবিদ্যায় কেন যাননি সালমান ও শাহরুখ?

    সুরসম্রাজ্ঞী আশা ভোঁসলের শেষ বিদায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হয়। তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় গোটা বলিউড স্তব্ধ হয়ে কাঁদছিল—রণবীর সিংসহ বহু তারকা সামিল ছিলেন। তবুও দুই সুপারস্টার সালমান খান ও শাহরুখ খান সেখানে উপস্থিত ছিলেন না, যা অনেকের মধ্যে ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে খবর পাওয়া গেছে, শেষ rites-এর সময় উভেই মুম্বাইতেই ছিলেন। কিন্তু তাদের অনুপস্থিতির পেছনে মূল কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় আনা। দুই পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়া হয়নি।

    তারপরও আশা ভোঁসলের প্রয়াণে দুজনেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন। শাহরুখ লিখেছেন, “এটা খুবই দুঃখজনক যে আশা তাই চলে গেলেন। তাঁর কণ্ঠ ভারতীয় সিনেমার একটি অমোঘ স্তম্ভ ছিল, এবং আগামী প্রজন্ম পর্যন্ত তার ছাপ থাকবে।” সালমান লেখেন, “এটি ভারতের সংগীতজগতের একটি বিশাল ক্ষতি। আশা জির গান আমার হৃদয় কে ছুঁয়েছে—এক অপূরণীয় কণ্ঠ, যা ভবিষ্যত প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।”

    আশা ভোঁসলে ১২ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন। আগের দিন ১১ এপ্রিল তিনি শারীরিকভাবে অস্বস্থি বোধ করলে বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলেন। প্রথমদিকে আশা করা হচ্ছিল তিনি সেরে উঠবেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

    আশা ভোঁসলের গায়নশৈলী ও কীর্তি আজীবন স্মরণীয় থাকবে—তার অবদান ভারতীয় সংগীতের ইতিহাসে অম্লান।

  • আশা ভোঁসলের মৃত্যুসংবাদে শোকের ছায়া সংগীত জগতে

    আশা ভোঁসলের মৃত্যুসংবাদে শোকের ছায়া সংগীত জগতে

    ভারতের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে রোববার চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়। শনিবার সন্ধ্যায় বুকে ব্যাথা অনুভব করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন আশা। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকার পরও সংবেদনশীল এই শিল্পীর জীবনযাত্রা শেষ হয়।

    আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে সংগীত এক গভীর শোকের ছায়ায় ঢেকে গেছে। তার এই শোকাবহ সংবাদ নিজেকে সামলাতে পারেননি উপমহাদেশের অন্যতম কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লা। তিনি গণমাধ্যমে বলেন, “পৃথিবীর বড় বড় দুইজন কিংবদন্তি শিল্পী পরপর চলে গেলেন। লতা মঙ্গেশকর দিদি গত বছর চলে গেলেন, আর এখন আশা দিদিও অত💐তৎ চলে গেলেন। এমন শিল্পী এই পৃথিবীতে আর কেউ জন্ম নেবে না বলে মনে হয়। আমার জন্য মনে হচ্ছে, আমার পৃথিবীটাই এখন খালি।”

    তিনি ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন, বললেন, “তাদের দুজনেই আমাকে মা থেকে যেন বেশি স্নেহ করতেন। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমার শেষ দেখা হয়েছিল তাঁর সঙ্গে যখন আমি আমার গাওয়া গানের রেকর্ডিং করছিলাম—‘চলে যাওয়া ঢেউগুলো আর ফিরে আসেনি’। এরপর ফোনে যোগাযোগ হলেও কিছুদিন পর আবার কথা বলতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আর সে সুযোগ হয়ে ওঠেনি। শেষ কথাগুলোও বলা হলো না।”

    রুনা লায়লা আরও যোগ করেন, “যখন মনে হচ্ছিলো দিদিকে ফোন করব, যদি তখনই করে থাকতাম, হয়তো আজ এই আফসোসটা থাকত না। এই কষ্টটা ভাষায় প্রকাশ করা সত্যিই কঠিন।”

    আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে সংগীতের জগতে এক যুগের অবসান ঘটল। তিনি কয়েক দশকের ক্যারিয়ারে হাজারো জনপ্রিয় গান ও অসংখ্য কালজয়ী সুর উপহার দিয়ে অজস্র প্রজন্মের হৃদয়ে আজও শক্ত مقام ধরে রেখেছেন। তার এই প্রয়াণে এক সোনালি অধ্যায়ের অবসান ঘটল। সংগীতের এই মহা শিল্পীর অবদান চিরকাল স্মরণীয় থাকবে।

  • আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য কবে জানালেন পরিবার

    আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য কবে জানালেন পরিবার

    প্রসিদ্ধ সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে দীর্ঘ আট দশকেরও বেশি সময় ধরে সংগীতের জগতে নিজেদের আলাদা স্থান করে নিয়েছিলেন। উল্লেখযোগ্য তার কণ্ঠের মাধুর্য্য ও বহুমুখী প্রতিভার জন্য। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

    হাসপাতালের সূত্র ও পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতার কারণে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    আশা ভোঁসলের ছেলে আনন্দ ভোঁসলে জানিয়েছেন, আগামী সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। তিনি আরও বলেছেন, ‘মা আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। এর আগে, সকাল ১১টায় তাঁর নিজ বাসভবন ‘কাসা গ্রান্দে’তে মরদেহ রাখা হবে যেখানে ভক্ত ও গুণগ্রাহীরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। এরপর বিকালে শিবাজি পার্কে সংগীতপ্রেমীদের শেষ সৌজন্য দেখানো হবে।’

    আশা ভোঁসলের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ১২ হাজারেরও বেশি গান রেকর্ড করেছেন তিনি। প্রজন্মের পর প্রজন্মের তারকারা— মিনা কুমারী, মধুবালা, কাজল, ঊর্মিলা মাতন্ডকর— সকলের জন্য তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন। অজস্র ধরনের গান— গজল থেকে পপ এবং ক্লাসিক্যাল— সবখানে ছিল তাঁর বিস্ময়কর উপস্থিতি।

    ১৯৪৩ সালে ক্যারিয়ার শুরু হয়ে, তিনি সংগীতপ্রেমীদের উপহার দিয়েছেন জনপ্রিয় বহু গান, যেমন ‘দাম মারো দাম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘পিয়া তুমি আ তো আজা’ ও ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’সহ। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, তিনি বিশ্বের অন্যতম বেশি স্টুডিও রেকর্ড করা শিল্পী।

    হিন্দি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তাঁর বিশিষ্ট অবদান স্বীকার করে দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার ও পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে সংগীতপ্রেমী ও সংশ্লিষ্ট মহল গভীর শোক প্রকাশ করেছেন, তাঁর শৈল্পিক জীবন ও অবদানের জন্য আবেগঘন শ্রদ্ধা।

  • আশা ভোসলেকে আজ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়

    আশা ভোসলেকে আজ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়

    ভারতীয় সংগীতের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়ের অবসান ঘটল। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে ৯২ বছর বয়সে মুম্বইয়ে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর প্রয়াণে সংগীত জগতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    গতকাল রোববার মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন থাকাকালীন তিনি মারা যান। আগের রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, সংক্রমণ ও বয়সজনিত জটিলতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি; শেষ পর্যন্ত একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়ার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়।

    পরিবারের মাধ্যমে জানানো হয়, আজ সোমবার বিকেল ৪টার দিকে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শিবাজি পার্কে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। সম্পন্ন হয়েছিলেন তাঁর বড় বোন লতা মঙ্গেশকরের শেষকৃত্যও এই পার্কে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবিস অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

    গতকাল সন্ধ্যায় তাঁর মরদেহ লোয়ার পারেলে পরিবারের বাসভবনে নেওয়া হয়। আজ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ভক্ত ও অনুরাগীরা সেখানে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন। গানের ছেলে আনন্দ ভোসলে বলেন, ‘যাঁরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে চান, তাঁরা সকাল ১১টা থেকে তাঁর বাসভবনে আসতে পারেন।’ পরিবারের বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘শেষদর্শন সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত হবে, এরপর বিকেল ৪টায় শিবাজি পার্কে তাঁর শেষকাজ সম্পন্ন হবে।’

    সাত দশকের বেশি ক্যারিয়ারে আশা ভোসলে একাধিক হাজার গান গেয়েছেন। হিন্দি ছাড়াও তিনি ২০টির বেশি ভাষায় গান করে বিশ্বজুড়ে শ্রোতাদের মন জয় করেছেন। গজল, শাস্ত্রীয়, আধুনিক—সব ধরনের গানেই ছিল তাঁর দখল ও পারদর্শিতা।

    ভারতীয় চলচ্চিত্রজগতের সর্বোচ্চ সম্মান দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, পদ্মবিভূষণ ও আরও অনেক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন আশা। তাঁর কণ্ঠে থাকা অসংখ্য কালজয়ী গান আজও জনপ্রিয়।

    আশার এই প্রয়াণে বলিউড ও দক্ষিণী চলচ্চিত্রের বহু তারকা শোক প্রকাশ করেছেন। শাহরুখ খান, কাজল, শ্রেয়া ঘোষাল, কারিনা কাপুর খান, ভিকি কৌশল, রাম গোপাল ভার্মা, অন্যতম মালিক, কমল হাসান, জুনিয়র এনটিআরসহ অনেকে সামাজিক মাধ্যমে শোক জানিয়েছেন।

    অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ী বলেছেন, ‘আমাদের অনেকের মতো আমি ওঁর গান শুনে বড় হয়েছি। তাঁর কণ্ঠ আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে এবং মুগ্ধ করেছে। তাঁর গান চিরকাল আমাদের সঙ্গে থাকুক।’ দক্ষিণী তারকা রামচরণও মন্তব্য করেছেন, ‘ভারতীয় সংগীতের জন্য এটি অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর কণ্ঠ ছিল একেকটি জাদুর মতো।’

    এছাড়া মিলিন্দ সোমান তাঁকে স্মরণ করেছেন একজন কিংবদন্তি হিসেবে। শ্রদ্ধা কাপুর ও আরও অনেকের শোকবার্তায় মনোভাব প্রকাশ পায়।

    গতকাল রাত থেকেই আশা ভোসলের বাসভবনে নানা বিশিষ্টজনের ভিড় জমতে থাকে। তাঁদের মধ্যে ছিলেন জাভেদ আখতার, শাবানা আজমি, এ আর রাহমান, বিদ্যা বালানসহ আরও অনেকে।