Blog

  • সংসদ যেন কারও চরিত্রহননের কেন্দ্র না হয় — জামায়াত আমির

    সংসদ যেন কারও চরিত্রহননের কেন্দ্র না হয় — জামায়াত আমির

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন সংসদ যেন কারও চরিত্রহননের জায়গায় পরিণত না হয় এবং আলোচনা দেশের মানুষের কল্যাণের ওপর কেন্দ্রীভূত থাকে।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যে তিনি বলেন, অতীতে সংসদে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও চরিত্রহনের জন্য অপ্রয়োজনীয় সময় ব্যয় হয়েছে; ফলে জনগণের কল্যাণমূলক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা স্তরহীন হয়েছে। নতুন সংসদে সেই মন্দ নিয়ম আর পুনরাবৃত্তি না হলে ভালো হয়, এমনটাই তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

    স্পিকারের প্রতি সরাসরি মনোনিবেশ করে ডা. শফিকুর বলেন, ‘‘আপনার কাছে আমরা সরকারি দল বা বিরোধী দল—সবকিছুকে আলাদা করে দেখার আশা রাখি না; আমরা আপনার কাছ থেকে ন্যায়বিচার ও সমতা পাব বলে আশা করি। জাতির কল্যাণে আমরা যেসব প্রশ্ন তোলতে চাই, সেগুলো বলার সুযোগ পেতে চাই।’’

    তিনি আরও বলেন, ‘‘আপনার নেতৃত্বে সংসদকে গতিশীল দেখতে চাই। অতীতে যে দোষের নজির গড়া হয়েছে, সেটি নতুন করে সৃষ্টি না হওয়া প্রত্যাশা করি। আজকের সংসদে অনেক নতুন ও তরুণ সদস্য এসেছেন। বয়সে আমি একটু বড় হলেও মানসিকভাবে আমি একজন তরুণেই গণ্য হই; তাই আমি তাদেরই অংশ মনে করি।’’

    ডা. শফিকুর রহমান স্পিকারের কাছে অনুরোধ করে বলেন, ‘‘এই সংসদ যেন আর কারও চরিত্রহননের কেন্দ্রে পরিণত না হয়। আপনার প্লাটফর্ম থেকে কেউই এমন সামান্যতম সুযোগও পেলে চলবে না।’’

    বক্তব্যের শেষ অংশে তিনি আবারও ন্যায়বিচার দাবি করেন এবং অতীতের নির্যাতন, হত্যা ও গুমের ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘‘জুলাই অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময় অনেকে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, জীবন দিয়েছেন এবং গুম হয়েছেন। তখন আমাদের স্লোগান ছিল ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। আজও আমি সেই স্লোগান দিতে চাই—আমরা ন্যায়বিচার চাই।’’

  • শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি: ১৭ বছরের জঞ্জাল বিএনপিকে পরিষ্কার করতে হবে

    শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি: ১৭ বছরের জঞ্জাল বিএনপিকে পরিষ্কার করতে হবে

    পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, গত ১৭ বছরের জমে থাকা জঞ্জাল বিএনপিকে পরিষ্কার করতে হবে। বর্জ্য-আবর্জনা সরানো আমাদের অগ্রাধিকার—এটাই এখন করতে হবে।

    শুক্রবার (১৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারি বাজার এলাকায় খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী জানান, যেহেতু আমরা এক নির্বাচিত সরকার, তারেক রহমানের নেতৃত্বে সব কাজ সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়ন করা হবে এবং বিভাগগুলোতে শহীদদের সম্মানও নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে খাল দখলমুক্তকরণে বিশেষ জোর দেওয়া হবে।

    তিনি বলেন, খাল খনন কাজ শুরু হলে সচেতন নাগরিক ও স্থানীয়দের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন। ‘‘দেশপ্রেমিক সরকার হিসেবে আমরা সর্বস্তরের মানুষদের সহমত ও সহযোগিতা চাই,’’ মন্ত্রী যোগ করেন।

    মন্ত্রী আরও জানান, ১৬ মার্চ দিনাজপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কাহারোল উপজেলার বলরামপুরে প্রায় সাড়ে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ সাহাপাড়া খাল খননের আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন তিনি। এছাড়া সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে লক্ষ্মীপুরে তিনটি খাল পরিদর্শন করা হয়েছে।

    শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, সবচেয়ে জরুরি কাজ হচ্ছে খালে জমে থাকা বর্জ্য-আবর্জনা প্রথমে পরিষ্কার করা এবং অবৈধ দখলমুক্ত করা। এ কাজ যদি না করা হয়, তাহলে জনগণ প্রকৃত সুফল পাবেন না; খাল পুনরুদ্ধার হলে জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে।

  • খেলাপি ঋণ আদায় ত্বরান্বিত করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে নির্দেশনা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    খেলাপি ঋণ আদায় ত্বরান্বিত করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে নির্দেশনা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    কেন্ড্রীয় ব্যাংক খেলাপি ঋণের বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তফসিলি ব্যাংকগুলোকে দক্ষ মধ্যস্থতাকারী (মেডিয়েটর) নিয়োগের নির্দেশনা জারি করেছে। বুধবার প্রকাশিত সার্কুলারে বলা হয়েছে, আদালতে মামলা করার আগে ‘প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা’ পদ্ধতিতে বিরোধ সমাধান করলে মামলার জট কমবে এবং দ্রুত আর্থিক পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে।

    নতুন নীতির মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) প্রক্রিয়ার আওতায় ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে মোট খেলাপি ঋণের অন্তত ১ শতাংশ আদায় করে নিবিড় ফলাফল দেখাতে বলা হয়েছে। সময়সীমা নির্ধারণের এ উদ্যোগকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক(bank) খাতের তারল্য ও আর্থিক স্থিতি উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। বর্তমান অনাদায়ীকৃত ঋণের পরিস্থিতিতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জনকে জাতীয় পর্যায়ে ঋণ পুনরুদ্ধারের কার্যক্রমে সহায়ক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    সার্কুলারটি ২০২৪ সালের ২২ মে জারি করা বিএরপিডি সার্কুলার নং-১১-এর ধারাবাহিকতা রক্ষা করে but নতুন নির্দেশনায় আদালতে মামলা দায়েরের আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে। এছাড়া অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ ও দেউলিয়া আইন, ১৯৯৭-এর আওতায় যেতে পারে এমন মামলাগুলোরও আদালতে যাওয়ার আগেই সমাধানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশ দিয়েছে যে, মধ্যস্থতাকারীদের পছন্দ করতে হবে বিদ্যমান আইন অনুসারে গঠিত বিশেষায়িত মধ্যস্থতা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্যানেল থেকে। ঐ প্যানেলে সাধারণত অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা আর্ভুক্ত থাকবেন।

    সার্কুলারে মধ্যস্থতাকারী নির্বাচনের জন্য দশটি যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্যানেল সদস্যপদ যাচাই, মধ্যস্থতাকারীর নিরপেক্ষতা, পেশাগত সুনাম, বিশেষজ্ঞ দক্ষতা, মধ্যস্থতা সংক্রান্ত জ্ঞান, প্রমাণিত অভিজ্ঞতা, পরিষ্কার আইনি রেকর্ড, আর্থিক সততা, খেলাপি ঋণের গ্রাহক না হওয়া এবং পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতা।

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকগুলোকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে কঠোর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে; নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হলফনামা ও অঙ্গীকারপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি এই মধ্যস্থতা সুবিধা সম্পর্কে গ্রাহকদের সচেতন করতে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, আদালতের বাইরে দ্রুত সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করে দীর্ঘস্থায়ী আইনি প্রক্রিয়ার বিকল্প হিসেবে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এ থেকে ব্যাংক খাতের ঋণ পুনরুদ্ধার বাড়বে, আর্থিক সুশাসন শক্তিশালী হবে এবং মামলার ব্যস্ততা কমে বিচারপ্রণালীও আরও ফলপ্রসূ হবে।

  • ভরিতে সোনার দাম ছাড়াল ২ লাখ ৭০ হাজার

    ভরিতে সোনার দাম ছাড়াল ২ লাখ ৭০ হাজার

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সোনার দাম বাড়িয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে প্রকাশ করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, এবার প্রতি ভরিতে দামে দুই হাজার টাকারও বেশি বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বাড়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) বিভিন্ন ক্যারেটের দাম হয়েছে—২২ ক্যারেট: ২,৭০,৪৩০ টাকা; ২১ ক্যারেট: ২,৫৮,১২৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট: ২,২১,২৬৬ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১,৮০,৬১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। প্রতি ভরিতে রুপার দাম ১৭৫ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬,৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৬,৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫,৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪,০৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বজুসের এই সংশোধিত মূল্য ঘোষণায় গহনা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তে প্রভাব পড়তে পারে এবং বাজারে দাম সম্পর্কে সতর্কতা তৈরি হতে পারে।

  • পশ্চিম ইরাকের আকাশে কেসি-১৩৫ ট্যাংকার বিধ্বস্ত, ৪ মার্কিন সেনা নিহত

    পশ্চিম ইরাকের আকাশে কেসি-১৩৫ ট্যাংকার বিধ্বস্ত, ৪ মার্কিন সেনা নিহত

    পশ্চিম ইরাকের আকাশে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং (ট্যাংকার) বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, বিমানে থাকা ছয়জন ক্রুর মধ্যে চারজন মারা গেছেন এবং বাকি দুজন গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    ঘটনাকে কেন্দ্র করে আগেই রাজনৈতিক বিতর্ক মাথা তুলেছে। ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ঘোষণা দিয়েছে, তারা বা তাদের সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো বিমানটিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ভূপাতিত করেছে। ইরান-সমর্থিত ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ নামের গোষ্ঠীও হামলার দায়িত্ব নেয়ার দাবি করেছে এবং বলেছে, আক্রমণে বিমানে থাকা ছয়জনই নিহত হয়েছেন।

    তবে যুক্তরাষ্ট্র এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে বিমানটি যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনো অপ্রতিরোধ্য কারণে বিধ্বস্ত হওয়ার সম্ভাবনা তদন্ত করা হচ্ছে; এটি কোনো শত্রুপক্ষীয় হামলা বা ফ্রেন্ডলি ফায়ারের ফল নয়—যাইহোক ঘটনার সঠিক কারণ জানতে পেন্টাগন উচ্চস্তরের তদন্ত শুরু করেছে।

    এতে করে মধ্যপ্রাচ্যে যেসব পেছনের রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা রয়েছে, তা আরও তীব্রতার আশঙ্কা তৈরি করেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামের যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি বিশেষ অভিযানের পর থেকে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ছে; এ অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে কয়েকজন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। একই সময়ে বিভিন্ন রিপোর্টে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অভ্যন্তরে লক্ষণীয় হামলা চালিয়েছে।

    কেসি-১৩৫ বিমানের গুরুত্ব বিবেচনায় এর বিধ্বস্ত হওয়া সামরিক ও নাভিক্যাল অপারেশনসমূহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। বোয়িং নির্মিত এই ট্যাংকারগুলো দীর্ঘদিন ধরেই মার্কিন বিমানবাহিনীর জ্বালানি সরবরাহের মেরুদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে; তারা হাওয়ায় থাকা অবস্থায় যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমানকে জ্বালানি যোগায়, ফলে দীর্ঘ পাল্লার অভিযান সম্ভব হয়।

    পেন্টাগন এখন ঘটনার পূর্ণ তদন্ত চালাবে এবং তদন্তের ফল অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, এমনটি জানিয়েছে সেনাবাহিনী কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও ঘটনার প্রকৃত কারণ প্রকাশ না করা পর্যন্ত আঞ্চলিক উদ্বেগ ও কূটনৈতিক উত্তাপ অব্যাহত থাকতে পারে।

  • যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে সমুদ্রবন্দি রুশ তেলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল

    যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে সমুদ্রবন্দি রুশ তেলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল

    যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে সমুদ্রে আটকে থাকা রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে। ট্রেজারি সেক্রেটারি ও অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দেন। সিদ্ধান্তটি চালু করা হয়েছে বিশ্বজ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণ এবং সরবরাহ সংকট নির্মূলের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে।

    বেসেন্ট এক্স প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টে বলেছেন, এই ছাড় একটি সীমিত পরিসরে করা উদ্যোগ এবং এটি রাশিয়ান সরকারি তহবিলে উল্লেখযোগ্য কোনো আর্থিক সুবিধা দেবে না। ট্রেজারির তথ্য অনুযায়ী এই ছাড় আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

    ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে বিশ্লেষকরা উদ্বৃত্ত জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাব কমানোর কৌশল হিসেবে দেখছেন। বেসেন্ট আরও বলেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিশ্বের জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং গৃহস্থালির ভোগ্যতেলের চাপ কমাতে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিচ্ছেন। তিনি যুক্ত করেন যে ট্রাম্পের নীতির ফলে যুক্তরাষ্ট্রে তেল ও গ্যাসের উৎপাদন রেকর্ড স্তরে পৌঁছেছে, যা আমেরিকানদের জ্বালানি খরচ কমাতে সহায়ক হবে।

    এ পদক্ষেপটি ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে অন্যান্য বিধিনিষেধ শিথিলের প্রায় এক সপ্তাহ পর এসেছে। শিথিলতা ঘোষণার ফলে ভারতকে ৩০ দিনের জন্য রুশ তেল কেনার সুযোগ দেয়া হয়েছিল। এছাড়া গত বুধবার ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি দেশীয় সরবরাহ ও কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ থেকে ১৭২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়বেন।

    এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে কংগ্রেসের মধ্যে প্রতিক্রিয়া তীব্র। সিনেটের ব্যাংকিং, হাউজিং ও আরবান অ্যাফেয়ার্স কমিটির একদল ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর পদক্ষেপের ব্যাখ্যা চেয়ে কমিটির চেয়ারম্যান সিনেটর টিম স্কটকে চিঠি পাঠিয়েছেন। সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন এবং কমিটির অন্যান্য সংখ্যালঘু সদস্যরা বেসেন্টের সঙ্গে একটি সংসদীয় শুনানির আহ্বানও জানিয়েছেন।

    একই সময়ে ইরান-সংক্রান্ত উত্তেজনা জ্বালানির বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের ওপর সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় জ্বালানির মূল্য ইতিমধ্যে বেড়েছে। প্রসঙ্গত, ইরান হরমুজ প্রণালীকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে এবং নবর্নির্বাচিত সর্বোচ্চ নেতার বক্তব্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে যে প্রয়োজনে এই পথে পরিবহন বন্ধ রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হবে।

    ট্রাম্প প্রশাসন বলছে এই সাময়িক শিথিলতা ও অন্যান্য পদক্ষেপ মিলিয়ে তারা মূল্যস্ফীতি রোধ এবং আমেরিকান ভোক্তাদের ওপর জ্বালানির বোঝা কমাতে চাইছে। সংসদে চলমান প্রশ্নউত্তর ও আগামী দিনগুলোতে পদক্ষেপের বাস্তব প্রভাবই চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করবে এই নীতির দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব কী হবে।

  • খুলনায় প্রতি ৫০০ টন বর্জ্যের মধ্যে ১৫% প্লাস্টিক ও ১০% ই‑বর্জ্য

    খুলনায় প্রতি ৫০০ টন বর্জ্যের মধ্যে ১৫% প্লাস্টিক ও ১০% ই‑বর্জ্য

    নগরীর ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই‑বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি সভা গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) কর্তৃক প্রেরিত “ডিমান্ড ফর জাস্টিস” শীর্ষক নোটিশের প্রেক্ষিতে কেসিসি এই সভার আয়োজন করে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, পরিবেশবাদী সংগঠন বেলা এবং বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

    সভায় জানানো হয়, গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী খুলনায় প্রতি ৫০০ টন বর্জ্যের মধ্যে প্রায় ১৫ শতাংশ প্লাস্টিক (প্রায় ৭৫ টন) এবং ১০ শতাংশ ই‑বর্জ্য (প্রায় ৫০ টন) রয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, এই হার প্রতি বছর ২০–৩০ শতাংশ অনুপাতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ই‑বর্জ্য মাটি, পানি ও বায়ু দূষণের পাশাপাশি কৃষি ভূমির উর্বরতা ক্ষতিগ্রস্ত করা, শ্বাস‑প্রশ্বাসের সমস্যা সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ানো পর্যন্ত নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে—এসব বিষয় সভায় বিশেষভাবে উত্থাপিত হয়।

    সভায় ই‑বর্জ্য আলাদা করে সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ওপর জনসচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়। জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ই‑বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে প্রচারপত্র বিতরণ করা, বিলবোর্ডে প্রচারণা চালানো এবং কেসিসি ছাড়াও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে ব্যাপকভাবে প্রচার কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়। প্রতিটি ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ওয়ার্ড পর্যায়েও ব্যাপক প্রচারণা পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করে ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণ করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    সভায় ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবহার কমানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয় এবং পণ্যের জীবচক্র শেষ হওয়ার পর তাদের সঠিকভাবে সংগ্রহ ও পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ নিশ্চিত করার জন্য নিয়মিত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়—বিশেষত বর্তমানে নির্মাণাধীন বর্জ্য রিসাইক্লিং প্ল্যান্টে ই‑বর্জ্যের পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থা রাখা জরুরি বলে মত প্রকাশ করা হয়।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, “মহানগরীকে ঝুঁকিমুক্ত, সবুজ ও স্বাস্থ্যসম্মত শহরে রূপান্তর করা হবে—এর প্রথম ধাপ হলো সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ। বর্জ্য সংগ্রহকারী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সকলকে পরিকল্পনার আওতায় এনে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।”

    সভায় উপস্থিত ছিলেন কেসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ মুজিবুর রহমান, চীফ প্ল্যানিং অফিসার আবির উল জব্বার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শরীফ শাম্মিউল ইসলাম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর জাহান, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনিচুজ্জামান, শেখ মোঃ মাসুদ করিম, কনজারভেন্সি অফিসার ও প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান, মোঃ অহিদুজজামান খান, আর্কিটেক্ট রেজবিনা খানম, ভেটেরিনারি সার্জন ড. পেরু গোপাল বিশ্বাস, আইটি ম্যানেজার শেখ হাসান হাসিবুল হক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদ, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ।

    বিকেলে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে কেসিসির পূর্ত বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক পৃথক সভায় মিলিত হন। সেখানে তিনি নগরীতে চলমান প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি ও বাস্তব সমস্যা পর্যালোচনা করেন। তিনি জলাবদ্ধতা নিরসনকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বিদ্যমান ড্রেন ব্যবস্থার যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবহার করেই এই সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে। একই সঙ্গে নগর সম্প্রসারণ, ময়ূর নদের সংস্কার, রিভারসাইড সড়ক নির্মাণ ও ক্ষতিগ্রস্ত শহর রক্ষা বাঁধ মেরামতের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

    বিকেলের সভায় কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, চীফ প্ল্যানিং অফিসার আবির উল জব্বার, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনিচুজ্জামান, শেখ মোঃ মাসুদ করিম, সিসিএইউডি প্রকল্পের টিম লিডার ক্যামেরুন লে, মেহেদী হাসানসহ সহকারী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও কার্যকরি কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • এক ম্যাচ বাকি রেখে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

    এক ম্যাচ বাকি রেখে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

    মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এক ম্যাচ বাকি রেখে সিরিজ জয়ের উদ্দেশ্য নিয়ে স্বাগতিক বাংলাদেশ শুরুতেই পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে। ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে।

    সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে নিয়েছিল। তাই একটি ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জয়ের দারুণ সুযোগ পেয়ে এসেছে টিম টাইগার্স। বিশ্বকাপের আগে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতির জন্য এই সিরিজটি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বাংলাদেশ হারাতে চায় না। প্রথম ম্যাচের পর একাদশ অপরিবর্তিত রেখেছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।

    অন্যদিকে অতিথি পাকিস্তান সিরিজে টিকে থাকার ব্যাপারে আগ্রাসী। তাদের দলে এক পরিবর্তন করা হয়েছে — স্পিনার আবরার আহমেদের জায়গায় পেসার হারিস রউফকে জায়গা দেওয়া হয়েছে।

    সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের পেসার নাহিদ রানা চমক দেখিয়েছেন; ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি, যা পাকিস্তানের টপঅর্ডার ভেঙে দিয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচ নিয়েও আশাবাদী বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তিনি বলেন, ‘এটা দুর্দান্ত শুরু ছিল। অনেকদিন পর আমরা ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছি। চ্যালেঞ্জিং হলেও সবাই পরিস্থিতি ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছে। আশা করি খেলোয়াড়দের কঠোর পরিশ্রমে আমরা সিরিজ জিততে পারব।’

    বাংলাদেশ একাদশ: সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাওহিদ হৃদয়, আফিফ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, রিশাদ হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা।

    পাকিস্তান একাদশ: সাহিবজাদা ফারহান, মাজ সাদাকাত, শামিল হোসেন, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটকিপার), সালমান আগা, হুসেইন তালাত, আবদুল সামাদ, ফাহিম আশরাফ, শাহিন আফ্রিদি (অধিনায়ক), মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, হারিস রউফ।

  • পাকিস্তানি পেসার সালমান মির্জা কেন সাংবাদিক ও এআরওয়াই নিউজকে আইনি নোটিশ পাঠালেন

    পাকিস্তানি পেসার সালমান মির্জা কেন সাংবাদিক ও এআরওয়াই নিউজকে আইনি নোটিশ পাঠালেন

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কায় এক নারী হোটেলকর্মীর সঙ্গে বাজে আচরণের অভিযোগে নামে উঠেছিল পাকিস্তানি বাঁহাতি পেসার সালমান মির্জার বিরুদ্ধে। সেই খবরটি প্রথম প্রচার হলে সালমান তা কড়া ভাবে অস্বীকার করেন এবং সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদককে বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।

    গত রাতে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সালমান হাশমি নামের ওই সাংবাদিক ও এআরওয়াই নিউজকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানাচ্ছেন। তিনি সেখানে লিখেছেন, প্রকাশিত প্রতিবেদন মিথ্যা, মনগড়া ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। খবরটি সত্য না হওয়ায় এবং কোনো রকম জরিমানা করা না হওয়ার পরও তাঁর, পিসিবি ও পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সালমান পোস্টে আইনি নোটিশের তিনটি কপি জুড়ে দেন। নোটিশে বলা হয়েছে, পিসিবি তাদের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডলে (X) প্রকাশ্যে অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছে এবং ঘটনার কোনো প্রমাণ নেই। এজন্য ওই সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে সালমান সংবাদমাধ্যমকে তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, সত্য যাচাই না করে সস্তা কদর্য সাংবাদিকতা করা গ্রহণযোগ্য নয় এবং কোনো মিডিয়া প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের অভিযোগ প্রচার করতে পারবে না।

    বিষয়টি আগে ৪ মার্চ টেলিকম এশিয়া স্পোর্ট একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয়েছিল যে বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কায় একজন পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে হোটেলকর্মীর সঙ্গে অনুপযুক্ত আচরণের কারণে জরিমানা করা হয়েছে। ওই সময়ে ক্রিকেটারের নাম গোপন রাখা হয়েছিল। পরে পাকিস্তানির মাধ্যমে সালমান মির্জার নাম উঠে আসে, যা তিনি বারবার প্রত্যাখ্যান করেছেন।

    বর্তমানে সালমান মির্জা আইনি পথে যুক্ত হয়ে নিজের সুনাম রক্ষা করতে চাইছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি এখন পর্যন্ত ১৭টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া কীভাবে এগোবে, সেটাই এখন নজর কাড়ছে।

  • বিদেশি মদ মামলায় খালাস পেলেন আসিফ আকবর

    বিদেশি মদ মামলায় খালাস পেলেন আসিফ আকবর

    কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরকে বিদেশি মদ নিজের হেফাজতে রাখার অভিযোগে দায়ে খালাস দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকার ২য় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী শুনানি শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় আসিফকে খালাস দেন।

    আসিফের পক্ষে থাকা আইনজীবী প্রদীপ কুমার দেবনাথ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। মামলার শুনানি শেষে আসিফ নিজে আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং রায়ের পর গণমাধ্যমকে তিনি ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে জানান।

    ঘটনার সূত্রপাত ২০১৮ সালের ৬ জুন, when তেজগাঁওয়ের পান্থপথে অবস্থিত আর্ব এন্টারটেইনমেন্ট অফিস থেকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় আসিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। তৎক্ষণাৎ তার অফিস কক্ষে চার বোতল বিদেশি টাকিলা মদ পাওয়া যায়; সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। পরে লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ নিজের দখলে রাখার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই সিআইডি পুলিশের সাইবার তদন্ত শাখার উপ-পরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সিকদার তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

    তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর সিআইডির উপ-পরিদর্শক মো. জামাল উদ্দিন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়ে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলাটির অভিযোগগঠন করে বিচার শুরু করার নির্দেশ আদালত ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর দেন। মামলার ходе আদালত তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন এবং ৩ মার্চ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে রায়ের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করা হয়।

    আদালত অভিযোগ প্রমাণে উকিলানা সন্দেহ পোষণ করায় আসিফ আকবরকে খালাসের রায় দেন।