Blog

  • প্রয়াত কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে

    প্রয়াত কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে

    ভারতের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। আজ রোববার মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। আশা ভোঁসলের মৃত্যুর খবর তার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে নিশ্চিত করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস এবং আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় আশা ভোঁসলে অসুস্থ অনুভব করেন। পরে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। তখনই দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের আপ্রাণ প্রচেষ্টার পরে রোববার দুপুরে তিনি চিরতরে চলে যান। ১৯৩৩ সালে জন্মগ্রহণ করা এই শিল্পী ভারতের সংগীত জগতে এক অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। কেরিয়ার শুরু থেকেই তিনি একাধারে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, আধুনিক গান, গজল ও ক্যাবারে পরিবেশনায় দক্ষতা অর্জন করেন। তার কণ্ঠের প্রতিটি গান আনাড়ি থেকে শুরু করে প্রজন্মের প্রজন্মকে মুগ্ধ করেছে। তিনি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে হিন্দি, বাংলা ও আরও বিভিন্ন ভাষায় হাজার হাজার গান গেয়েছেন, যা আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে তাজা স্মৃতি হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে কবিতা, গূঢ় গানের জন্য তাঁর নাম আজও জ্বলজ্বল করে। আশা ভোঁসলে শনিবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে তিনি লিখেছেন, “আশা ভোসলেজি হাসপাতালে ভর্তি শুনে আমি গভীর চিন্তায় ছিলাম। আমি তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।” তার দীর্ঘ কর্মজীবনে ভারতীয় সংগীত জগতে তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। দেখে নেওয়া যায়, তিনি ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মান দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারসহ পদ্মবিভূষণ, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ বহু সম্মাননা ও স্বীকৃতি পেয়েছেন। ১৯৪৩ সালে ক্যারিয়ারের সূচনা থেকে শুরু করে আট দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সংগীতের মাধ্যমে শ্রোতাদের মন জয় করেছেন। তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘দম মারো দম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘পিয়া তু আ বো তো আজা’ ও ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’— যা এখনও সংগীতপ্রেমীদের মনে দাগ কেটে আছে। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি স্টুডিও রেকর্ড করা শিল্পী হিসেবে পরিচিত। তাঁর অনবদ্য সংগীতের অবদান এবং অসংখ্য জনপ্রিয় গানের জন্য তিনি ইতিমধ্যেই অমর হয়ে রয়েছেন।

  • শাকিব খানের ধারণায় নির্মিত হচ্ছে নতুন সিনেমা ‘রকস্টার’

    শাকিব খানের ধারণায় নির্মিত হচ্ছে নতুন সিনেমা ‘রকস্টার’

    সিনেমা জগতে নতুন বছর শুরু হয়েছে এক সুন্দর খবরের মাধ্যমে। জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান নিজেই ধারণা দিয়েছেন একটি নতুন সিনেমা নির্মিত হবে, যার নাম ‘রকস্টার’। এর আগে তাঁকে নায়ক হিসেবে দেখা গেলেও এবার সিনেমার গল্প ও প্রেক্ষাপটের সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

    ‘তাণ্ডব’ সিনেমার পর, এই দুই ছবিতে আবারও জুটি হিসেবে দেখা যাবে শাকিব খান ও সাবিলা নূরকে। যদিও এখন পর্যন্ত সাবিলার অভিনয়ের প্রামাণ্য ঘোষণা আসেনি, তবে শুটিং সেট থেকে ফাঁস হওয়া এক ভিডিওতে তাঁদের একসঙ্গে দেখা গেছে। এবার পরিচালক আজমান রুশো নিশ্চিত করেছেন, ‘রকস্টার’ সিনেমার নায়িকা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাবিলা নূর। এর পাশাপাশি তিনি জানালেন, শাকিব খানের সঙ্গে পরামর্শের মাধ্যমে তাঁকে এই চরিত্রে নেওয়া হয়েছে।

    পরিচালক বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে, ‘রকস্টার’ চরিত্রের জন্য সাবিলাই উপযুক্ত। শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান। সকল কিছু মিলিয়ে আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে, সাবিলা এই ভূমিকায় পারফেক্ট। শুধু অভিনেত্রী নির্বাচন নয়, সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্তে শাকিব ভাইয়ের মতামত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

    শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে রুশো আরও জানান, ‘আমরা এর গল্প শাকিব খানের আইডিয়ায় তৈরি করছি। তিনি নিজে করোনে এই চরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। এরপর গল্পের কাঠামো গড়িয়ে সিনেমার চিত্রনাট্য লেখা শুরু হয়। সিনেমার শুটিং চলাকালীন শাকিব ভাই আমাকে একদিন বললেন, তিনি ‘রকস্টার’ চরিত্রে অভিনয় করতে চান। এটা শুনে মনে হলো, যেন স্বপ্ন সত্যি হতে যাচ্ছে। কারণ, নির্মাণের আগে আমি নিজে একজন মিউজিশিয়ান ছিলাম। সেই সময় আমি বিভিন্ন মিউজিশিয়ানদের জীবন ও কাজের ওপর জোরে আলোচনা করতাম। তাঁদের কষ্ট-আনন্দে অনুপ্রাণিত হয়েছি। এবার সেইভাবেই একটি গল্প আমাদের চোখের সামনে পর্দায় আনতে পারছি।’

    ‘রকস্টার’ সিনেমার নাম ও পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই বিভিন্ন গুঞ্জন শুরু হয়, বলিউডের বিখ্যাত ‘রকস্টার’ সিনেমার সঙ্গে এর মিল থাকার দাবি ওঠে। এই বিষয়টি অবশ্য নির্মাতা রুশো অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘ইমতিয়াজ আলীর ‘রকস্টার’ সিনেমা আমার খুব পছন্দের, তবে এই সিনেমার সঙ্গে অন্য কোনও সিনেমার সরাসরি সংযোগ নেই। পাশাপাশি এই নামের আরও ২২-২৩টি সিনেমা এখনো নির্মিত হয়েছে। আমার সিনেমার নামও ‘রকস্টার’, তবে এটা কারো সিনেমা থেকে অনুপ্রেরণা নেয়া নয়।’

    নির্মাতা আরও জানান, ‘এই সিনেমার গল্প একজন রকস্টারের জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে। এখানে রয়েছে পরিবার, ভালোবাসা, ট্র্যাজেডি—সত্যিই এটি জীবনযাত্রার গল্প।’

    ‘রকস্টার’ নির্মিত হচ্ছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেডের ব্যানারে। চিত্রনাট্য লিখেছেন আয়মান আসিব স্বাধীন। এই সিনেমা নতুন ট্রেন্ডের সঙ্গে দর্শকদের মন জয় করবে বলেও আশা করে নির্মাণ দল।

  • খুলনা, বগুড়া ও ফতুল্লায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরানোর পরিকল্পনা

    খুলনা, বগুড়া ও ফতুল্লায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরানোর পরিকল্পনা

    গত এক দশক ধরে দেশের সব আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ ঢাকায়, চট্টগ্রামে এবং সিলেটে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এবার দেশের ক্রিকেটে নতুন এক উদ্যোগ নিচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), যা অতীতের ঐতিহ্য ফিরে পাওয়ার অভিপ্রায়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান এডহক কমিটির নেতৃত্বে, বিশেষ করে তামিম ইকবালের পরিচালনায়, বগুড়া, খুলনা ও ফতুল্লার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেডিয়ামে আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে।

    বগুুড়ায় সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছিল ২০১৬ সালে, যেখানে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে আন্তর্জাতিক খেলা হয়নি, কেবলমাত্র নারী ক্রিকেট দলের একটি ম্যাচ হয়েছে। খুলনার স্টেডিয়ামে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছিল ২০১৬ সালে, যেখানে বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি খেলেছিল। অন্যদিকে, ফতুল্লার মাঠে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৪ সালে, যেখানে বাংলাদেশ আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ওয়ানডে খেলেছিল।

    শুক্রবার এডহক কমিটির গাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান রফিতুল ইসলাম বাবু বলেন, এই মাঠগুলোকে সংস্কার করে আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এগুলো একসময় দেশের গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যু ছিল। তবে দীর্ঘদিন খেলা না হওয়ায় তা স্বীকৃতি হারিয়েছে। আমাদের প্রয়োজন বহু মাঠের, তাই এগুলো সচল করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে আসার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।’

    তিনি আরও জানান, শুধু সংস্কার নয়, বরং অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক উইকেট এবং প্রয়োজনীয় সুবিধা উপভোগের মাধ্যমে মাঠগুলোকে আন্তর্জাতিক মানের করে তুলতে কাজ চলছে। এর ফলে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ঐতিহ্য রক্ষা ও বিকশিত হওয়ার এক নতুন দিগন্ত খুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তারা।

  • ব্রাজিলের কাছে ৩ গোলের হারতে হলো আর্জেন্টিনাকে, ম্যাচের পর হাতাহাতি

    ব্রাজিলের কাছে ৩ গোলের হারতে হলো আর্জেন্টিনাকে, ম্যাচের পর হাতাহাতি

    যেকোনো পর্যায়ে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচের উত্তেজনা সবসময়ই আলাদা রকমের। লাতিন আমেরিকার অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপের আজ (শনিবার) মুখোমুখি লড়াইয়ে ব্রাজিলের সেলেসাওরা ৩-০ ব্যবধানে জয় লাভ করে। এই জয়ের মাধ্যমে ব্রাজিল আগামী নভেম্বরের অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে ফেলেছে, অন্যদিকে আর্জেন্টিনা এই সুযোগ হাতছাড়া করল।

    তবে হার সত্ত্বেও, আর্জেন্টিনা ‘বি’ গ্রুপে দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে, তাদের পয়েন্ট ৬। তাদের পিছনে অবস্থান করছে ভেনেজুয়েলা ও বলিভিয়া (প্রতিটি ৪ পয়েন্ট), এবং পেরু রয়েছে ০ পয়েন্টে। গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে, আর্জেন্টিনা যদি বলিভিয়াকে হারাতে পারে, তবে তারা সেমিফাইনাল এবং বিশ্বকাপের টিকিট পাবে। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল (রোববার)রাত ২টায়।

    ম্যাচের শেষ দিকে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা হাতাহাতিতে জড়ায়। এই অশান্তির মধ্যে আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় তোবিয়াস গয়তিয়া লাল কার্ড পেয়ে বহিষ্কৃত হন, যার ফলে পরবর্তী ম্যাচে তিনি বলিভিয়ার বিপক্ষে খেলতে পারবেন না।

    ব্রাজিলের হয়ে এই ম্যাচে দুটি গোল করেন রিকেলমে হেনরিক এবং একটি গোল করেন এদুয়ার্দো কন্সেকাও। এই চলমান চ্যাম্পিয়নশিপে এখন পর্যন্ত অপরাজিত থাকায় ব্রাজিলের পয়েন্ট ৯, আর তারা বি গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে। রোববার শেষ হবে গ্রুপপর্ব, যেখানে আর্জেন্টিনা বলিভিয়া এবং ব্রাজিল ভেনেজুয়েলা ম্যাচগুলো খেলবে।

    উল্লেখ্য, প্যারাগুয়েতে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্ট থেকে মোট সাতটি দল কাতারে অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল সরাসরি সেমিফাইনালে পৌঁছাবে, আর বাকি তিনটি দল স্থান নির্ধারণে প্লে-অফে মুখোমুখি হবে।

  • সাতক্ষীরায় নীতিহীন কমিটি গঠনের প্রতিবাদে ১২ নেতার পদত্যাগ

    সাতক্ষীরায় নীতিহীন কমিটি গঠনের প্রতিবাদে ১২ নেতার পদত্যাগ

    সাতক্ষীরা জেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্রীড়াদলের নবগঠিত কমিটির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমেছেন সেখানে অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। তারা মনোভাব প্রকাশ করেছেন, এই কমিটি গঠনে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা থাকেনি, বরং সুবিধাভোগী ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের স্থান দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত ও আয়োজকরা স্থানীয় খেলোয়াড় ও সংগঠকদের মতামত উপেক্ষা করে এই কমিটি তৈরি করায় তারা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

    প্রথমত, কেন্দ্রীয় আহবায়ক নিযাজ মোর্শেদ এবং সদস্য সচিব মো: জাহেদ পারভেজ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এই কমিটিতে প্রকৃত মাঠপর্যায়ের খেলোয়াড় ও যোগ্য সংগঠকদের বদলে সুবিধাভোগীর স্থান দেওয়া হয়েছে বলে নেতাদের যুক্তি। বিশেষ করে, খুলনা কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্রীড়াদলের কেন্দ্রীয় সদস্য মো: হুমায়ুন কবির ডাবলুসহ কোনো পরামর্শ নেওয়া হয়নি। বরং এত দিন ক্ষমতার সুবিধা নেওয়া কিছু বিতর্কিত ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ পদ পান।

    স্বেচ্ছায় ও স্বজ্ঞানে পদত্যাগকার নেতৃবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন মো: অহিদুজ্জামান আকাম্য, ইকবাল কবির খান, মো: মাসুদ, তাপস কুমার সরকার, মো: আরিফুল ইসলাম রিপন, মো: মহাসিন, জি এম মাহমুদুল হক লালটু, মো: হযরত আলী, মো: শামীম হাসান সাঈদ, সুকুমার দাশ বাচ্চু, মো: শরিফুল ইসলাম, মো: অজিয়র রহমান ও মো: সাইফ হাসান মুকুল।

    বলেন তারা, এই দুর্নীতিগ্রস্ত কমিটির মাধ্যমে দলের স্বার্থ ও কার্যক্রম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে দলের নেতাকর্মীরা রাজপথে থেকে দলের দুর্দিনে সংগ্রাম করে গেছেন, তবে এই বিতর্কিত কমিটির কারণে তাদের কাজে অংশগ্রহণে অনিচ্ছুক মনে করছে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতার অভাবে। নেতারা তাদেনি অবিলম্বে এই কমিটি বাতিল করে, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের দ্বারা নতুন একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

    অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি গুলাম ফারুক বাবুকে আহবায়ক ও মীর তাজুল ইসলাম রিপনকে সদস্য সচিব করে ৭১ সদস্যের কমিটি প্রকাশের পর থেকে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা আলোচনা ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    একদিকে, জেলাযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্ত করেছেন ক্ষোভ, তারা লিখেছেন, ‘যারা অতীতের দিনগুলোতে আওয়ামী লীগ থেকে সুবিধা নিয়েছেন, সেই বলেই এখন সাতক্ষীরায় সব কমিটির নেতৃত্ব যেন তারা’। অন্যদিকে, ‘বিএনপি নেটওয়ার্ক সাতক্ষীরা’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট করা হয়েছে, যেখানে বিতর্কিত ব্যক্তিদের ছবি দিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, ‘এটা যদি হয় নেতৃত্ব, তাহলে ত্যাগীদের কোথায় ঠাঁই?’ এই বিষয়গুলো স্থানীয় ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • খুলনায় প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    খুলনায় প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    খুলনায় প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৫-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এবং খুলনা জেলা ভাবে ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাইম ব্যাংকের পিএলসি খুলনা শাখার এসভিপি ও শাখা প্রধান মোঃ নাহিদুল ইসলাম। প্রধান উদ্বোধকের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংকের দৌলতপুর শাখার এসভিপি ও শাখা প্রধান তাজবীন আলম খান, এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শাহ্ আসিফ হোসেন রিংকু, এসএম জাকির হোসেন রিপন, মোঃ বেলাল হোসেন, বিভাগীয় কোচ মোঃ মনোয়ার আলী মনু, জেলা কোচ মোঃ সামছুল আলম রনি, আজিজুর রহমান জুয়েলসহ বিভিন্ন স্কুলের কোচ ও শিক্ষকগোষ্ঠী। দেশের বিভিন্ন স্কুলের অংশগ্রহণে এই প্রতিযোগিতা তরুণ ক্রিকেটারদের প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশা করেছেন। উদ্বোধনী দিনে খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও উৎসাহ দেখা যায়, যা পুরো অনুষ্ঠানে প্রাণের দোলা সৃষ্টি করে। সূচনা খেলায় গাজী মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মুখোমুখি হয় ইসলামাবাদ কলেজিয়েট স্কুলের। চলমান এ টুর্নামেন্টের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটাররা নিজেদের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হচ্ছে।

  • নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্য বাংলাদেশের দল ঘোষণা, চমকের কোন স্থান নেই

    নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্য বাংলাদেশের দল ঘোষণা, চমকের কোন স্থান নেই

    নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সীমিত ওভারের দুটি ফরম্যাটের সিরিজ খেলতে যাচ্ছে। এ সিরিজে প্রথম দুটি ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে। এই ম্যাচের জন্য আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচক প্যানেল দল ঘোষণা করেছেন। ঘোষিত দলে কোনও নতুন মুখ বা চমক থাকছে না।

    সবশেষ পাকিস্তান সিরিজে বাংলাদেশের যে ক্রিকেটাররা অংশ নিয়েছিল, তাদের সবকটাই কালেক্টিভভাবে কিউই সিরিজের স্কোয়াডে থাকছেন। অর্থাৎ, কোনও ক্রিকেটার বাদ পড়েছেন বা নতুন করে যুক্ত হননি। পাকিস্তান সিরিজে পারফরম্যান্সে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া সত্ত্বেও, আফিফ হোসেন, সাইফ হাসানসহ বেশ কিছু নির্ভরযোগ্য ক্রিকেটার থাকছেন এই সিরিজে। এ ছাড়া, নির্ভরযোগ্য ক্রিকেটার নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন দাসও দলের সঙ্গে রয়েছেন।

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ খেলতে আগামী ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশে পৌঁছাবে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। ওয়ানডে ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে মিরপুরে ১৭, ২০ ও ২৩ এপ্রিল। এরপর টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচ হবে চট্টগ্রামে ২৭ ও ২৯ এপ্রিল, এবং শেষ ম্যাচটি হবে মিরপুরে ২ মে।

    দুই দল এই লড়াইটি ওয়ানডে দিয়ে শুরু করবে। আগে নির্ধারিত সময় বিকেল ৩টায় ম্যাচ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য নতুন সময় বেলা ১১টার পরিবর্তে নির্ধারিত হয়েছে। একইভাবে, টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের সময় পরিবর্তিত করে বিকেল ৩টায় করা হয়েছে, যা আগে নির্ধারিত ছিল সন্ধ্যা ৬টা।

    প্রথম দুই ওয়ানডেতে বাংলাদেশের স্কোয়াডে আছেন মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, লিটন দাস, আফিফ হোসেন, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা।

  • যুদ্ধে যা হয়নি, আলোচনায় তা অর্জনের চেষ্টা করেছে ইরান বলে দাবি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

    যুদ্ধে যা হয়নি, আলোচনায় তা অর্জনের চেষ্টা করেছে ইরান বলে দাবি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

    ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ আলোচনা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক সম্পন্ন হয়নি। এই আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ায় শেষমেশ কোনো শান্তি বা সমঝোতা চুক্তি সই না করেই দুই পক্ষই প্রত্যাবর্তন করেন। এখনো ইরানের প্রতিনিধি দল আনুষ্ঠানিক কোনও সংবাদ সম্মেলন করেনি, তবে তাদের সূত্রের কাছ থেকে সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ জানিয়েছে যে, হরমুজ প্রণালি, পরমাণু প্রকল্পসহ বিভিন্ন বিষয়ে মত পার্থক্যের কারণেই এই বৈঠকের ফলাফল সফল হয়নি। ফার্স নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের প্রতিনিধি দলের সূত্র, ‘হরমুজ প্রণালি, শান্তিপূর্ণ প্রকল্পসহ বিভিন্ন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর শর্ত ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী দৃষ্টিভঙ্গিই এই ব্যর্থতার মূল কারণ। তারা যুদ্ধের মাধ্যমে যা কিছু অর্জন করতে পারেনি, আলোচনার মাধ্যমে সেসব দখল করার চেষ্টা করেছিল।’ গত দু’বছর ধরে ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছিল। এই বিষয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটন সংলাপ চালায়। তবে ২৭ ফেব্রুয়ারি এই আলোচনা কোনও চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে অপারেশন শুরু করে, সেইসঙ্গে একই কালে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লাইয়ন’ নামে সামরিক অভিযান চালায়। উত্তেজনা প্রশমনের জন্য দুই পক্ষ ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে। এর ধারাবাহিকতায় ১১ এপ্রিল দুই দেশের সরকারী প্রতিনিধিরা আবার আলোচনা করেন, যা কোনও চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়।

  • ২১ ঘণ্টা আলোচনায়েও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা অসম্ভব: ভ্যান্স

    ২১ ঘণ্টা আলোচনায়েও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা অসম্ভব: ভ্যান্স

    যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেছেন, দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনার পরও ইরানের সঙ্গে কোন চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি দুই পক্ষ। এর ফলে, যুক্তরাষ্ট্র এখন পাকিস্তান ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। এই আলোচনা গত রবিবার (১২ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সৌজন্যে সরাসরি বৈঠক দুই দিনের বেশি সময় ধরে চলে। এই সময়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তবে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন ভ্যান্স।

    ভ্যান্স তাঁর বক্তৃতায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এবং ফিল্ড মার্শাল মুনিরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং জানান, পাকিস্তানি প্রতিনিধিরা অসাধারণ কাজ করেছেন, অসংগতির জন্য তাদের দায়ী নয়। তিনি বলেন, আমাদের আলোচনা বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে হয়েছে এবং আমাদের বিশ্বাস, এটি একটি ইতিবাচক অগ্রগতি। তবে দুঃখের বিষয়, আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।

    ভ্যান্স মন্তব্য করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‘সৎ উদ্দেশ্য’ নিয়েই ওই আলোচনায় গিয়েছিল। তিনি বলেন, আমরা নমনীয় মনোভাব প্রদর্শন করেছি, পিসিপার মতোই আন্তরিক ছিলাম। তবে, দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হলে যা হয়, সেটি হয়নি, যা দুঃখজনক। তিনি একে ‘আসন্ন প্রস্তাব’ হিসেবে উল্লেখ করেন, যা ‘বোঝাপড়ার একটি প্রক্রিয়া’। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ইরানের পক্ষ এটি গ্রহণ করবে।

    আলোচনার সময়, ভ্যান্স জানিয়েছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বেশ কয়েকবার কথা বলেছেন—সম্ভবত ছয় বা বারো বার। এই সময়ে, তাঁর সাথে ছিলেন ট্রাম্পের জামাতা ও হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে নিযুক্ত বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, যারা ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধিদলের অংশ ছিলেন।

    সূত্র: বিবিসি

  • ইরানে ইসরায়েলের অভিযান এখনও শেষ হয়নি বললেন নেতানিয়াহু

    ইরানে ইসরায়েলের অভিযান এখনও শেষ হয়নি বললেন নেতানিয়াহু

    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এখনো শেষ হয়নি, যদিও বর্তমানে বিরতি অবস্থায় রয়েছে। তিনি এই কথা জানান গতকাল শনিবার, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বৈঠকের সময়ে একটি ভিডিওবার্তায়। নেতানিয়াহু হিব্রুভাষায় বলেছেন, “আমাদের এখনও অনেক কিছু করার আছে। তবে এখন পর্যন্ত যা অর্জিত হয়েছে, তা ঐতিহাসিক.”

    তিনি ভিডিওবার্তায় ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর কারণ এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা খামেনিকে হত্যার পেছনের কারণও ব্যাখ্যা করেছেন। নেতানিয়াহু বললেন, “ইরানে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সক্ষমতা তারা খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। যদি এই অস্ত্র তৈরি করতে পারত, তবে প্রতিদিন শত শত পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে পারত, যা আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হতো।”

    তিনি আরও বলেন, “(আয়াতুল্লাহ) খামেনি চেয়েছিলেন যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও পরমাণু বোমা প্রকল্পগুলোকে মাটির নিচে গভীর পরিবেশে স্থানান্তর করা হয়, যেন মার্কিন বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ বি-২ এর নাগাল না পায়। এই পরিস্থিতিতে আমরা চুপচাপ বসে থাকতে পারিনি।”

    উল্লেখ্য, দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। এ প্রসঙ্গে ২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ২১ দিন রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়। কিন্তু সেই আলোচনায় কোনো চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

    এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান শুরু হয়, একই সময়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে নিজেদের অস্ত্রোপচার চালায়। এই যুদ্ধের প্রারম্ভে ইরানের উচ্চ পদস্থ নেতা আয়তুল্লাহ খামেনি নিহত হন। তার স্ত্রী, কন্যা ও নাতি আহত হন বা নিহত হন।

    সোমবারের একটি কূটনৈতিক উদ্যোগে, ৭ এপ্রিল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে। তারপর ১১ এপ্রিল দুই দেশের সরকারী প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনাসঙ্গের বৈঠক হয়, যা কোনও চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়।

    শনিবারের ভিডিওবার্তায় নেতানিয়াহু আরও ঘোষণা করেন, “ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ইতোমধ্যেই ইরানে অনেক সফলতা অর্জন করেছে, এবং সামনে আরও সাফল্য অর্জন করতে চায়। ইরানে এখনও ইউরেনিয়াম রয়েছে, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কথায়, ইসরায়েল সমর্থন করে। ট্রাম্প বলেছিলেন, অথবা তারা চুক্তিতে এসে এই উপাদান সরিয়ে ফেলবে, আর না হলে অন্য উপায়ে তা অপসারণ করা হবে।”

    সূত্র: বিবিসি, এএফপি