Blog

  • সরকার ভুল করলে নারী এমপিরাও সোচ্চার হবেন: হামিদুর রহমান আযাদ

    সরকার ভুল করলে নারী এমপিরাও সোচ্চার হবেন: হামিদুর রহমান আযাদ

    জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, সরকার যদি ভুল পথে পরিচালিত হয় বা জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নেয়, সে পরিস্থিতিতে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যরাও বিরোধীদলের সঙ্গে একসঙ্গে সোচ্চার হয়ে ভূমিকা পালন করবেন। তিনি এই মন্তব্য করেন মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনে জামায়াত জোটের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে।

    আযাদ বলেন, ১৩টি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য তারা সংমিশ্রিত তালিকা জমা দিয়েছে এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে এখানে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকবে না। ‘‘এই ১৩টি আসন ১৩টি তালিকার ভিত্তিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার কথা; আমরা আশা করি সেভাবেই ফলাফল আসবে,’’ তিনি বলেন।

    তিনি জানান কমিশনের সঙ্গেও এ বিষয় নিয়ে আলাপ হয়েছে এবং বললেন, ‘‘নির্বাচন সরাসরি হয়ে গেছে এবং পার্লামেন্ট চলছে। পার্লামেন্টে সময়মতো যাওয়া হলে নারী প্রতিনিধিত্বের প্রত্যাশা পূরণ হবে। কমিশন যেন কোনো ভিন্ন পরিস্থিতি সৃষ্টি না করে—এটাই আমরা প্রত্যাশা করছি এবং কমিশনও আশ্বস্ত করেছে।’’

    আযাদ আশা প্রকাশ করেন মনোনীত ১৩ জন নারী এমপি ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব করবেন। তিনি বলেন, ‘‘দেশের ও জাতির স্বার্থ রক্ষায় আইন প্রণয়নসহ সবকিছুর ক্ষেত্রে তারা সংসদের পূর্ণ সুবিধা ও ক্ষমতা ব্যবহার করবেন; সংবিধান তাদের এই সুযোগ দিয়েছে।’’

    তিনি আরও বলেন, এই নারী সদস্যরা বিরোধী মঞ্চে স্থান নিয়ে দেশ গঠনে ও জাতি গঠনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবেন। ‘‘পার্লামেন্টে আমাদের নীতিমালা হচ্ছে ন্যায়সঙ্গত ও জনকল্যাণকামী কাজগুলোর পাশে থাকা; দেশের স্বার্থে জনগণের সঙ্গে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য,’’ তিনি জানান এবং উল্লেখ করেন যে বিরোধীদলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান এ বিষয়টি ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন।

    সরকার ভুল সিদ্ধান্ত নিলে বিরোধীদলীয় অন্য সদস্যদের মতো নারী এমপিরাও সরবরাহে অংশ নেবেন—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে আযাদ বলেন, ‘‘৭৭ জনের সঙ্গে ১৩ জন যুক্ত হলে মোট ৯০ জন বিরোধীদলীয় সদস্য একসঙ্গে ভূমিকা পালন করবে।’’

    গণভোট-বিষয়ক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘‘গণভোটের রায় অনুযায়ী সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ গঠিত হওয়ার কথা ছিল; তা না হওয়ায় আমরা পার্লামেন্ট এবং রাজপথ—উভয় জায়গায় প্রতিবাদ করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও করব।’’

    মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি জানান, জামায়াতে সংসদে এক পরিবারের দুই সদস্যের নীতির কারণে আমিরের সহধর্মিণীকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়নি; বদলে শহীদ পরিবারের নেতার মা ও সমাজের বিভিন্ন পেশার ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারদের মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

    এনসিপির প্রার্থী মুনিরা শারমিন সম্পর্কে চলমান বিতর্ক নিয়ে তিনি বলেন, সরকারি চাকরি থেকে অবসরগ্রহণের তিন বছরের শর্ত পূরণ না হলে মনোনয়ন বাতিল হবে—এমন আশঙ্কা থাকলেও তাঁর বিশ্বাস মনোনয়নপত্র বাতিল হবে না।

    চূড়ান্ত সময়সূচি সম্পর্কে আযাদ স্মরণ করিয়ে দেন — মনোনয়নপত্র বাছাই ২২ ও ২৩ এপ্রিল, আপিল ২৬ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।

  • বিএনপি সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দিলো সংখ্যালঘু চার নারী

    বিএনপি সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দিলো সংখ্যালঘু চার নারী

    বিএনপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের চারজন নারীকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে। সোমবার নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে এই মনোনয়নের ঘোষণা দেন দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। মনোনীত চারজনের নাম হলো নিপুণ রায় চৌধুরী, আন্না মিনজ, সুবর্ণা শিকদার ও মাধবী মারমা।

    দলীয় নেতৃত্ব বলছেন,今回 মনোনয়নে সামাজিক ও সম্প্রদায়িক প্রতিনিধিত্বের দিকটিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে নজরকারা হলেন আন্না মিনজ—তিনি উন্নয়নকর্মী ও আদিবাসী ওঁরাও (ওড়াও/ওরাও) সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। আন্না বর্তমানে ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম) হিসেবে কর্মরত এবং নাটোরে সাংসারিকভাবে থাকেন। তিনি বলেন, সুবিধাবঞ্চিত খ্রিস্টান সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। তাঁর স্বামী জন গোমেজ বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্মবিষয়ক সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

    সুবর্ণা শিকদার গোপালগঞ্জ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি একজন শিক্ষক এবং মঠুয়া বহুজন সমাজ ঐক্যজোটের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেন। মনোনয়ন ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি দাবি ছড়ানো হয়—তারা বলছিলেন সুবর্ণা স্থানীয় আওয়ামী লীগ কমিটির সঙ্গে জড়িত। এসব বিষয়ে সুবর্ণা গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমি বিএনপি’র একজন সমর্থক; আমি কোনো আওয়ামী লীগ বা অন্য কোনো স্থানীয় কমিটির সদস্য নই।’ তাঁর স্বামী পদ্মনাভ ঠাকুর একসময় যুবদলের নেতা ছিলেন।

    মাধবী মারমা বান্দরবান থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি বান্দরবান জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং দলের মহিলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত।

    দলের শীর্ষ নেতারা জানান যে এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ গড়া—তাহলেই সংরক্ষিত আসনে সবাইকে সমানভাবে প্রতিনিধিত্ব দেয়া সম্ভব হবে।

  • রেমিট্যান্সের প্রবাহ তীব্র: ১৯ দিনে দেশে ২.১৩ বিলিয়ন ডলার

    রেমিট্যান্সের প্রবাহ তীব্র: ১৯ দিনে দেশে ২.১৩ বিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিলের প্রথম ১৯ দিনে দেশে এসেছে ২.১৩ বিলিয়ন বা ২১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এতে দৈনিক গড় প্রবাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি ১৯ লাখ ডলার। এই তথ্য সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান।

    মুখপাত্র জানিয়েছেন, গত বছরের একই সময়ে দেশে এসেছিল ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় এ বছর রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২০ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।

    একই সূত্র জানায়, গত মার্চে একক মাস হিসেবে রেকর্ড ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে—দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ এক মাসের প্রবাহ। ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পৌঁড়ায়। ডিসেম্বরে ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ, অক্টোবরেই ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ এবং সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় মুদ্রার প্রস্তুত বিনিময় হারে উঠানামা হয়েছে। ফলে প্রবাসীরা দেশের কাছে পাঠানো প্রত্যেক ডলারের বিনিময়ে তুলনামূলকভাবে বেশি টাকা পাচ্ছেন, যা রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে সহায়ক হয়েছে।

    অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে জানাচ্ছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দীর্ঘায়িত হয় তবে তা বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় তারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তভাবে রাখা ও প্রয়োজনীয় নীতি সম্প্রসারণের পরামর্শ দিয়েছেন।

  • এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে দেশে এসেছে ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে দেশে এসেছে ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে বৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা — মোট ১৮০ কোটি ডলার। প্রতি ডলার ১২৩ টাকার হারে এটিকে দেশের মুদ্রায় রুপান্তর করলে পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এটি প্রায় ১৬.২ শতাংশ বেশি, জানায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

    চলতি অর্থবছরের শুরু যাওয়া জুলাই থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ২ হাজার ৩৪৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার। তুলনায় আলোচনা সময়ের রেমিট্যান্স বৃদ্ধি হয়েছে ২০.২ শতাংশ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের সুবিধাজনক উন্নতি রেমিট্যান্স বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এসব পদক্ষেপ বৈধ পথে অর্থ প্রবাহ বাড়িয়েছে বলে তারা মনে করেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী চলতি অর্থবছরের রেমিট্যান্স প্রবাহ মাসভিত্তিতে ছিল:

    জুলাই — ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার

    আগস্ট — ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার

    সেপ্টেম্বর — ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার

    অক্টোবর — ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার

    নভেম্বর — ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার

    ডিসেম্বর — ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার

    জানুয়ারি — ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার

    ফেব্রুয়ারি — ৩০২ কোটি ডলার

    মার্চ — ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার

    পরিসংখ্যানগুলো দেখায় যে বছরের প্রথম নয় মাসে ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থান আরও মজবুত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

  • ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পকে সতর্ক করল পাকিস্তান

    ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পকে সতর্ক করল পাকিস্তান

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার আলোচনার প্রস্তুতি চলাকালীন পাকিস্তান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জনসমক্ষে আক্রমণাত্মক বা জুলুমি ভাষা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের বরাতে ইসলামাবাদ থেকে ট্রাম্পের কাছে এই বার্তা পৌঁছানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    পাকিস্তান এই আলোচনা সফল করতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় কাজ করছে। মধ্যস্থতা কার্যক্রমকে সফল করতে ট্রাম্পকে সংযত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে, যাতে আলোচনার পরিবেশ উত্তেজনাহীন রাখা যায়।

    রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে একজন পাকিস্তান কর্মকর্তা বলেন, তারা ইরানের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছেন এবং পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে আগামী এক-दুই দিনের মধ্যে ইরানের প্রতিনিধিদল আলোচনায় অংশ নেবে। সূত্রটি জানান, তেহরান ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে পাকিস্তান নিবিড় যোগাযোগ রাখছে, বিশেষ করে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এই যোগাযোগে জোর দেওয়া হচ্ছে।

    অপরদিকে ট্রাম্প বারবার বলেছেন যে তিনি আলোচনায় তাড়াহুড়ো করবেন না, তবু একই সঙ্গে দাবি করছেন দ্রুত একটি চূড়ান্ত চুক্তি হবে এবং তা ২০১৫ সালের জেসিপিওএ চুক্তির চাইতেও ভালো হবে। তিনি বলেছেন, ইরান নিয়ন্ত্রণশূন্য হলে দেশের পারমাণবিক সক্ষমতা ত্যাগ করতেই হবে এবং এই বিষয়ে কোনো ছাড় হবে না। ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে ইরান প্রতিদিন প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে এবং যদি চুক্তি না হয়, যুদ্ধ পুনরায় শুরু হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন।

    তবে তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র যেন অবরোধ প্রত্যাহার না করে তারা কোনো আলোচনায় বসবে না। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পাকিস্তান ও রাশিয়ার সঙ্গে ফোনালাপে মন্তব্য করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধপূর্ণ ও অবৈধ আচরণ কূটনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

    সব মিলিয়ে কূটনৈতিক চেষ্টাগুলো তীব্র তবে সংবেদনশীল অবস্থায়—পাকিস্তান মধ্যস্থতার মাধ্যমে পরিস্থিতি নরম করার চেষ্টা করছে, আর ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনার ফল কী হবে তাতে বিশ্ব জুড়ে নজর আছে।

  • ইরানের ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধার ‘দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া’ হবে: ট্রাম্প

    ইরানের ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধার ‘দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া’ হবে: ট্রাম্প

    প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের কাছে থাকা ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধার করতে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। তিনি বলেন, ২০২৫ সালের জুনে পরিচালিত ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর কারণে ইরানের নিউক্লিয়ার সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে থাকা ইউরেনিয়াম‑ধূলি অনেকটাই ধ্বংস হয়ে গেছে; তাই তা খোঁজে বের করে পুনরুদ্ধার করা সহজ হবে না।

    গত সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “অপারেশন মিডনাইট হ্যামার চলাকালে ইরানের নিউক্লিয়ার স্থাপনাগুলোতে থাকা ইউরেনিয়াম‑সংক্রান্ত পদার্থগুলো বড় ধরনেরভাবে নষ্ট হয়েছে। সেগুলো পুনরুদ্ধার করতে আমাদের দীর্ঘ ও জটিল উদ্যোগ নিতে হবে।”

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ৬ জুন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএএএ) জানায়, ইরানের কাছে প্রায় ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম রয়েছে এবং এর প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত এনরিচ করা আছে। আইএএএ সতর্ক করেছে, যদি এই ইউরেনিয়ামের বিশুদ্ধতার হার ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ওঠানো যায় তাহলে তা দিয়ে একাধিক পরমাণু অস্ত্র তৈরির পথ খুলে যেতে পারে।

    আইএএএ-এর ঐ ঘোষণার ছয় দিন পর ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে সামরিক কার্যক্রম শুরু করে এবং তার কয়েক দিনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রও ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ শুরু করে। উভয় অভিযান প্রায় ১২ দিন চলার ফলে ইরানের নানান পরমাণু স্থাপনাগো কঠোরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তখনও দেশটির পরমাণু মজুদে মোট নিয়ন্ত্রণ অর্জন করতে পারেনি।

    এদিকে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে যে সামরিক অভিযান শুরু করেছে তার মূল লক্ষ্যও ইরানের ইউরেনিয়াম হস্তগত করাই—যা ট্রাম্পের মতে দীর্ঘ ও জটিল কাজ হবে।

    সূত্র: এএফপি, আনাদোলু এজেন্সি

  • খুলনায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৩৬০ পরীক্ষার্থী

    খুলনায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৩৬০ পরীক্ষার্থী

    খুলনায় যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমান (দাখিল ও ভোকেশনাল) পরীক্ষার প্রথম দিন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। খুলনা জেলা প্রশাসনের আইসিটি ও কল্যাণ শাখা সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিন মোট ৩৬০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন না।

    অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে এসএসসিতে ১৬৬ জন, দাখিলে ১৫৯ জন এবং এসএসসি ভোকেশনালে ৩৫ জন ছিলেন। এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৬,৭০০ জন এবং পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল খুলনা ও মহানগরীর ৯৫টি কেন্দ্রে। বিভাগের প্রতি শ্রেণির কেন্দ্র ও পরীক্ষার্থীসংখ্যা অনুযায়ী এসএসসির ৫৪টি কেন্দ্রে অংশগ্রহণের কথা ছিল ২১,৫১৭ জনের, দাখিলের ১৪টি কেন্দ্রে ৩,৫৮২ জন এবং এসএসসি ভোকেশনালের ২৭টি কেন্দ্রে ১,৬০১ জনের।

    আজ মঙ্গলবার প্রথম দিনে এসএসসি’র বাংলা (আবশ্যিক) ১ম পত্র, দাখিলের কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ এবং এসএসসি ভোকেশনালের বাংলা-২ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষাগুলো সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সময়ে চলে।

    জেলা প্রশাসনের আইসিটি ও কল্যাণ শাখা জানিয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে সাধারণত কোন বড় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি এবং পরিবেশ নিয়ন্ত্রিত ছিল।

    তুলনামূলকভাবে দেখা যায়, গত বছর এখানে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২৭,৫১৪ জন; তাই এবারের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় ৮১৪ জন কম।

  • কুষ্টিয়ায় ব্রাশফায়ার ও শটগানের গুলিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ ১০ গুলিবিদ্ধ

    কুষ্টিয়ায় ব্রাশফায়ার ও শটগানের গুলিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ ১০ গুলিবিদ্ধ

    কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সোমবার গভীর রাতে ব্রাশফায়ার ও শটগানের গুলিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রবিউল ইসলামসহ ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দু’জনকে গুরুতর অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড় গ্রামে রাত সাড়ে ১২টার দিকে। স্থানীয়রা জানান, একদল মুখোশধারী দুষ্কৃতকারী এসময় স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রবিউল ইসলামকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি চিৎকার করেন। রবিউলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে গেলে দুষ্কৃতকারীরা ব্রাশফায়ার ও শটগান নিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে এবং পরিবারের কয়েকজনসহ আশপাশের লোকজনকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ চালায়।

    গুরুতর আহত রবিউল ইসলাম (৩৬) উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মো. হাফেজ প্রামাণিকের ছেলে এবং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক। গুলিবিদ্ধ অন্যদের মধ্যে আছেন সোহেল রানা (৪৫), তাঁর স্ত্রী তমা খাতুন (২৬), কামরুল ইসলাম (৩৭), মুন্নি (২৪), রুনা খাতুন (২৭), মিতা খাতুন (৩০), তৌহিদুল ইসলাম (৩০) ও তাঁর স্ত্রী মেরিনা (২৫)।

    দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি; অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    স্থানীয়দের উদ্বেগ ও আহতদের দ্রুত চিকিৎসা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

  • টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কেলেঙ্কারি: লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং ও কানাডা অধিনায়ককে ঘিরে আইসিসি তদন্ত

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কেলেঙ্কারি: লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং ও কানাডা অধিনায়ককে ঘিরে আইসিসি তদন্ত

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কড়া তদন্তে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কানাডা দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তোলায় আইসিসি অ্যান্টি-করাপশন ইউনিট গভীর তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তে উঠে এসেছে নিশ্ছিদ্র উদ্বেগ সৃষ্টিকারী কিছু তথ্য।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ভারতীয় গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাংকে বিশ্বের মঞ্চে সরাসরি গুটিয়ে ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ করা হচ্ছে। বিশেষত কানাডা ও নিউজিল্যান্ডের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোকে কেন্দ্র করে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। আইসিসি বর্তমানে কানাডা অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়ারের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখছে।

    জিজ্ঞাসাবাদের সূত্রে জানা যায়, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে গ্রুপ ম্যাচে বাজওয়ারের করা একটি ব্যয়বহুল ও অস্বাভাবিক ওভার থেকেই প্রথম সন্দেহ সৃষ্টি হয়। স্পট-ফিক্সিংয়ের শঙ্কায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তার মোবাইল ফোনও তল্লাশি করা হয়।

    কানাডিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (সিবিসি) এক তদন্তাত্মক প্রতিবেদনে সরাসরি লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম উঠে এসেছে। উক্ত গ্যাংকে কানাডা সরকার ইতিমধ্যেই সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে, তাদের বিরুদ্ধে অন্যতম অভিযোগ রয়েছে দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের লক্ষ্য করে চাঁদাবাজি, গুলি ও সহিংসতা।

    প্রতিবেদন আরও জানায়, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সারে শহরের একটি রেস্তোরাঁয় প্রায় ২৫ জন ক্রিকেটারের একত্রিত হওয়ার সময় সেখানে দুটি ব্যক্তি নিজেকে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দেন এবং বাজওয়া ও আরেক তরুণ খেলোয়াড়কে উন্নতি না দেয়ার হুমকি দেন। ঘটনার এক সময় ‘নোয়া’ নামে এক ব্যক্তি নিয়েও হুমকির কথা প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে যারা একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।

    তদন্তকারীদের ধারণা, এই সিন্ডিকেট প্রশাসন ও খেলোয়াড়দের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিজেদের পছন্দের লোক বসিয়ে ম্যাচ প্রভাবিত করতে চাইত। বিশেষত দিলপ্রীত বাজওয়ারকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগে হঠাৎ অধিনায়ক করা নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে যে হুমকি-তথ্যচাপ প্রয়োগ করে তাকে দলে রাখা ও পরে নেতৃত্বে বসানো হয়েছে।

    সিবিসি প্রতিবেদনে বর্তমানে ক্রিকেট কানাডার সভাপতি অরবিন্দর খোসার নামও এসেছে; তাদের দাবি, হুমকি দেয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। খোসা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন এগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার সুনাম নষ্টের চেষ্টা। খোসা জানিয়েছেন তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট আমজাদ বাজওয়ারের সঙ্গে রেস্তোরাঁয় ঘটনার বিষয় নিয়ে কথা বলেছিলেন, যদিও আমজাদ বিষয়টি জানেন না বলে দাবি করেছেন।

    প্রতিবেদন আরও উল্লেখ করেছে যে ক্রিকেট প্রশাসনের কিছু সিন্দিকেট সদস্য বাজওয়ারকে ক্ষমতায় আনতে বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন। ‘নোয়া’ বলেন তিনি ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন তারা ম্যাচ ফিক্সিং করে অর্থ উপার্জন করতে চেয়েছিল, আর তাই তারা তাকে ক্ষমতায় আনতে আগ্রহী ছিল।

    এছাড়া প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কানাডার সাবেক কোচ খুররম চোহানকে সাবেক সভাপতি আমজাদ বাজওয়া, সিইও সালমান খান ও বোর্ড সদস্য রানা ইমরান ম্যাচের নির্দিষ্ট অংশ ফিক্স করতে বলেছিলেন বলে অভিন্ন অভিযোগ আছে।

    অবশ্য এই মুহূর্তে অনেক অভিযোগই তদন্তাধীন এবং আইসিসি কিংবা অন্য কোনও কার্যত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি। সংশ্লিষ্ট কেউ যদি অভিযোগ অস্বীকার করে থাকেন সেটাও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। তদন্ত চলছে, প্রমাণ-প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে—এমনটাই বলতে দেখা যাচ্ছে আইসিসি সূত্রকে।

    এই ঘটনার ফলে ক্রিকেট কানাডা, খেলোয়াড় ও প্রশাসনের ওপর চাপ বেড়েছে এবং বিশ্বের ক্রিকেটপ্রেমীরা উৎসাহ-উদ্দীপনাহীন পরিস্থিতি সম্পর্কে অনুসরণ করে চলেছেন। পূর্ণতূল্য তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা দাঁড়ালে কঠোর হস্তে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

  • তামিম জানালেন: জুনের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে হবে বিসিবি নির্বাচন

    তামিম জানালেন: জুনের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে হবে বিসিবি নির্বাচন

    সাবেক জাতীয় অধিনায়ক তামিম ইকবাল এখন শুধু মাঠের নেতা নন, তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটে প্রশাসনিকভাবে দায়িত্বও নিচ্ছেন। সোমবার বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ চলার সময় প্রেসবক্সে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েই তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী জুনের প্রথম কিংবা দ্বিতীয় সপ্তাহেই বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    তামিম বলেন, অ্যাডহক কমিটির তিন মাসের মেয়াদ ৭ জুলাই শেষ হওয়ার আগেই নির্বাচন সম্পন্ন করতে চান তিনি। তার লক্ষ্য— নির্বাচনের মাধ্যেমে বোর্ডে দ্রুত স্থায়িত্ব ফিরিয়ে আনা এবং কোনোরকম প্রশাসনিক ব্যাঘাত এড়ানো।

    পটভূমি হিসেবে জানানো হয়, গত ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলমান বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া তামিমকে বলা হয়েছিল, তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

    গত বছরের অক্টোবরেই শেষবার বিসিবি নির্বাচন হয়েছিল। তখন তামিমের নেতৃত্বে একটি প্যানেল পরিচালক পদে মনোনয়ন দিয়েছিল, পরে তিনি সেই মনোনয়ন থেকে সরে আসেন। এবার অ্যাডহক কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে গিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি তিনি নিজে তদারকি করছেন।

    তামিম ও তার টিম চান— মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সময়মত নির্বাচন করে স্থায়ী পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হোক। তারা মনে করেন এভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেটে প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা দ্রুত ফিরবে এবং খেলাধুলার স্বাভাবিক সূচি বজায় থাকবে।