Blog

  • ফ্ল্যাটের অনুদানের পরে আরও এক কোটি নগদ দেবে সরকার — ওসমান হাদির পরিবারকে মোট দুই কোটি

    ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির পরিবারকে জীবিকা নির্বাহের জন্য সরকারি হিসেবে আরও এক কোটি টাকা দেওয়া হবে। এর আগে অর্থ বিভাগের মাধ্যমে ঢাকায় ফ্ল্যাট কেনার জন্য এক কোটি টাকার অনুদান অনুমোদন করা হয়েছিল; এ দুটি অনুদান মিলিয়ে পরিবারটি মোট দুই কোটি টাকা পাবেন।

    বৃহস্পতিবার নয়; বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়–সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকের পর আর্থিক উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, সরকারের পক্ষ থেকে ওসমান বিন হাদির পরিবারের বিষয়ে দুইটি অর্থায়ন করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে ঢাকার লালমাটিয়ার ‘দোয়েল টাওয়ার’ থেকে এক হাজার ২১৫ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনার জন্য এক কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হবে। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টার দফতর থেকে আলাদাভাবে নগদ এক কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে, যা পরিবারের জীবনযাত্রা চালানোর কাজে ব্যবহার করা হবে।

    অর্থ বিভাগের দাখিল করা নথিপত্র অনুযায়ী গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ফ্ল্যাট কেনার অনুদানের জন্য আবেদন করে; পারিবারিক পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার শর্তে সেই অনুদান অনুমোদন করা হয়েছে। সরকারি অনুদান কেনা ফ্ল্যাটটি হাদির স্ত্রী ও সন্তানরা ব্যবহার করবেন।

    পটভূমি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন শরিফ ওসমান বিন হাদি। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা পরের দিন ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় তাঁকে গুলি করা হয়। আহত অবস্থায় প্রথমে ঢাকার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে অস্ত্রোপচার করা হয়; পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর এবং ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

    নিহতের অভিযোগের প্রধান আসামি এবং ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সাল করিম পুলিশের তথ্যানুযায়ী বর্তমানে ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে জানানো হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয়ভাবে এক দিনের শোক পালন করা হয়। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নেওয়ার প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

    একই সময়ে হাদির ভাই ওমর বিন হাদিকে ১৫ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে তিন বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

  • মাইলস্টোন ট্রাজেডি: ৬ মাস ও ৩৫ অপারেশনের পর বাড়ি ফিরেছেন আবিদুর রহিম

    রাজধানীর উত্তরায় বিমান বিধ্বস্ত ঘটনায় দগ্ধ হয়ে ছয় মাস চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পঞ্চম শ্রেণির leerling আবিদুর রহিম (১২)। তিনি জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট থেকে বুধবার (২১ জানুয়ারি) রিলিজ পেয়েছেন, খবরটি নিশ্চিত করেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক নাসির উদ্দিন এক সংবাদ সম্মেলনে।

    অধ্যাপক নাসির উদ্দিন জানান, রহিম গত বছরের ২১ জুলাই থেকে তাদের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মোট ছয় মাস—প্রায় ১৮০ দিন—চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে। রহিমের শরীরের প্রায় ২২ শতাংশ দগ্ধ হয়ে ছিল; এ ছাড়াও তিনি ইনহেলেশান বার্নে ভুগেছেন এবং মুখ ও দুই হাতে দাগ ও পোড়া ছিল। ঘটনার সময় সে ক্লাসরুমের সামনের দিকে বসেছিল।

    রফিক জানান, তার অবস্থাও ছিল ক্রিটিক্যাল—শুষ্কভাবে বলতে গেলে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল পাঁচ দিন, এরপর হাই-ডিপেনডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) ছয় দিন এবং কেবিনে প্রায় ১৭২ দিন চালিয়ে চিকিৎসা ক্ষমতা বজায় রাখা হয়েছে। দুই হাতের তত্পরতার কারণে তাকে ফ্যাসেকটমি করা হয়—অর্থাৎ নষ্ট হওয়া চামড়া অপসারণ করে হাত রক্ষা করার প্রয়াস নেয়া হয়েছিল। সামগ্রিকভাবে তিনি ৩৫টি অস্ত্রোপচারের মধ্যে পড়েছেন; এর মধ্যে ২৩টি ছোট ধরনের অপারেশন এবং চামড়া প্রতিস্থাপন বা গ্রাফটিং করা হয়েছে ১০ বার। মুখ ও হাতের ফ্ল্যাক কভারেজের কাজও করা হয়েছে।

    পরিচালক বলেন, এতদিন হাসপাতালের বেডে থাকার ফলে সূর্যালোক পায়নি এবং শারীরিক বিভিন্ন জটিলতা এসেছে; তাই বহুমুখী থেরাপি ও নিয়মিত ফলো-আপ প্রয়োজন হবে। তিনি জানান, ইনস্টিটিউটে মোট ৩৫ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল এবং রহিম তাদের মধ্যে সর্বশেষ রিলিজ পাওয়া রোগী। তিনি চিকিৎসা দলের, নার্সদের ও অন্যান্য কর্মীদের আত্মনিয়োগী ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান—অনেকেই স্বপ্রণোদিত হয়ে কাজ করেছেন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী এই চিকিৎসার ব্যয় সরকার বহন করেছে, ফলে হাসপাতাল বাইরে থেকে সরাসরি আর্থিক অনুদান নেয়া হয়নি।

    অধ্যাপক নাসির উদ্দিন আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মানের ওষুধ ও ড্রেসিং মٹریয়াল ব্যবহার করতে হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বড় ঘটনার চিকিৎসা দেওয়ার জন্য উন্নত মানের উপকরণ সরবরাহের ব্যবস্থা করার কথা মন্ত্রণালয়ের কাছে বলা হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদেরও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং আশ্বাস দেন যে চিকিৎসা সেবা না থেমে প্রয়োজনীয় সমস্ত থেরাপি ও সাপোর্ট দেওয়া হবে।

    আবিদের বাবা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ছেলেকে ছয় মাস চিকিৎসার পর বাড়ি পাচ্ছি—এ কথাটি ভাষায় প্রকাশ করা মুশকিল। ছেলে বলেছে, ‘আজকে আমার ঈদের মতো লাগছে।’ তিনি হাসপাতাল স্টাফদের সহনশীলতা ও যত্নের কথা স্মরণ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে সরকারের কাছে তিনি আহত ও নিহতদের ক্ষতিপূরণ পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়ে বলেন, ঘোষিত ক্ষতিপূরণ এখনও পুরোপুরি পাওয়া যায়নি এবং ভবিষ্যতে প্রচুর চিকিৎসা ব্যয় ভুগতে হতে পারে, যার দায়িত্ব তারা একা বহন করতে পারবেন না।

    সংবাদ সম্মেলনে আবিদ আবদারভাবে বলেন, ‘আজ আমি হাসপাতাল থেকে চলে যাচ্ছি’—এই কথাই বলে তিনি কেঁদে ভেঙে পড়েন। অনুষ্ঠানে হাসপাতালের যুগ্মপরিচালক অধ্যাপক ডা. মারুফুল ইসলাম, জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমানসহ চিকিৎসক ও নার্সরা উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ওপর পড়ে বিধ্বস্ত হলে জাতীয় বার্নে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ জন মারা যান এবং অসংখ্য আহতের মধ্যে প্রায় ৩৬ জন চিকিৎসা নেন। ইনস্টিটিউট বলেছে, যারা ইতোমধ্যে হাসপাতাল থেকে রিলিজ পেয়েছেন তাদেরও অন্তত দুই বছর নিয়মিত চিকিৎসা ও ফলো-আপ প্রয়োজন হবে।

  • ঠাকুমার চরিত্রে অভিনয় করছেন শ্রাবন্তী, নতুন ওয়েব সিরিজে দেখা যাবে তাকে

    ঠাকুমার চরিত্রে অভিনয় করছেন শ্রাবন্তী, নতুন ওয়েব সিরিজে দেখা যাবে তাকে

    ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি এবার ওটিটি প্ল্যাটফর্মে অভিনয় করছেন এক বিশেষ চরিত্রে—‘ঠাকুমা’। তবে এটি কোনো জনপ্রিয় কার্টুন বা রূপকথার গল্প নয়, বরং একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারার ওয়েব সিরিজ। এই সিরিজের নাম ‘ঠাকুমার ঝুলি’, যেখানে তিনি নাতনির ভূমিকায় অভিনয় করবেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিব্যাণী মন্ডলের সঙ্গে।

    সম্প্রতি ভারতের জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘হইচই’ তাদের নতুন বছরের সিরিজের তালিকায় এই প্রজেক্টটির নাম ঘোষণা করেছে। মূল গল্পটি আবর্তিত হবে একজন ঠাকুমা ও তার নাতনির মধ্যে বিশেষ এক সম্পর্কের দিকে। এর আগে শ্রাবন্তীকে মা বা স্ত্রীর চরিত্রে দেখা গেলেও, এবারই প্রথম তাকে এমন বয়সী বা ঠাকুমার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে। পর্দায় তার নতুন লুক এবং প্রিয় নায়িকার এই ভোলবদল দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে, যারা এই পরিবর্তন দেখতে আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছেন।

    ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চা থাকলেও, বর্তমানে শ্রাবন্তী তার ক্যারিয়ার নিয়েই পুরোদমে ব্যস্ত। সম্প্রতি তিনি পরিবারের সঙ্গে গোয়া ভ্রমণ শেষ করে কলকাতায় ফিরে এসেছেন। জানা গেছে, চলতি মাসে তিনি এই ওয়েব সিরিজের শুটিং শুরু করবেন। সুতরাং, প্রিয় নায়িকার বৃদ্ধা লুকস ও নতুন চরিত্রের জন্য দর্শকরা অপেক্ষা করছেন।

    গত বছরে তার অভিনীত জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ফুলকি’ দর্শকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছিল। এবার তিনি আবারও ভিন্ন এক রূপে, এক নতুন লুকসায়, দর্শকদের মন জয় করে তুলতে প্রস্তুত।

    এদিকে ছোট পর্দার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ফুলকি’ দিয়ে পরিচিতি পাওয়া দিব্যাণী মন্ডলও এই সিরিজে থাকছেন এক বড় চমক হিসেবে। শ্রাবন্তীর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন, যা দর্শকদের জন্য আরও রোমাঞ্চকর করে তোলে।

  • তাৎসানের আকুতি: আমাকে একটু বাঁচতে সাহায্য করুন

    তাৎসানের আকুতি: আমাকে একটু বাঁচতে সাহায্য করুন

    বিচ্ছেদ ও ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েনের খবর প্রকাশের পর থেকেই বেশ আলোচনায় আছেন জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদপত্রে তার ব্যক্তিগত জীবনের অবর্ণনীয় পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করতে থাকে। সংবাদমাধ্যমের ফোনকলের চাপ তার জন্য মানসিকভাবে অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা তিনি একেবারেই উপভোগ করছেন না। তিনি বারবার প্রকাশ করেছেন যে, এই মুহূর্তে তিনি শান্তি ও স্বস্তি চেয়ে থাকেন।

    সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তাহসান বলেন, ‘প্রচুর সংবাদ হচ্ছে। আসলে আমি একটু শান্তি চাই। আমার জন্য একটু বাঁচার সুযোগ দেওো।’ এই পরিস্থিতিতে তিনি আহ্বান জানান উপযুক্ত সমর্থনের।

    এর আগে তাহসান জানিয়েছিলেন, তার স্ত্রী রোজা আহমেদের সঙ্গে আলাদা জীবন যাপন শুরু করার পর থেকেই তার জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে। তিনি আরো জানান, গত সেপ্টেম্বর মাসে তিনি অস্ট্রেলিয়া ট্যুরে যাচ্ছেন। সেই ট্যুরের আগে থেকেই তারা আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তের পর থেকে তিনি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে অনেকটা দূরে ছিলেন, গান থেকে বিরত থাকেন। এখন সময় কাটছে নিজের মতো করে একা ঘুরে বেড়ানো, বই পড়া ও ট্রাভেল করে। এই একাকিত্বে তার মনোযোগ থাকে নিজের নীরবতায়।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই সময়ে তার সঙ্গী ছিল বই, যা তাকে মানসিকভাবে কিছুটা শান্তি দিয়েছে।

    তাহসান খান ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ে পেশায় একজন মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে ঘর বাঁধেন। রোজা একজন পেশাদার ব্রাইডাল মেকআপ শিল্পী, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করছেন। নিউইয়র্কে তার নিজস্ব মেকআপ প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, তাহসান খান এর আগে ২০০৬ সালে অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। দীর্ঘ ১১ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর এই সম্পর্ক ২০১৭ সালে আলাদা হয়ে যায়।

  • রাফসান-জেফার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ

    রাফসান-জেফার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ

    দীর্ঘ সময় ধরে গুঞ্জন жана ভক্তরাই কৌতূহলী ছিলেন তারা কি সত্যিই একসঙ্গে থাকছেন। অবশেষে তাদের এই জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটলো। জনপ্রিয় উপস্থাপক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফসান সাবাব এবং আলোচিত সংগীতশিল্পী জেফার রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন, তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এই দুই তারকা একসাথে বসবাস শুরু করেছেন এবং নতুন জীবনের পথচলা শুরু করেছেন।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাশাপাশি তারা নিজেই এই গুরুত্বপূর্ণ খবরটি নিশ্চিত করেছেন। রাফসান নিজেই একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘পারিবার ও প্রিয়জনের সঙ্গে আমরা নতুন এক জীবনের সূচনা করলো। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া ও আশীর্বাদ করবেন। আজ আমাদের দুজনের জীবন এক হয়েছে, শুরু হলো একসাথে সুন্দর এক পথচলা।’

    শোবিজাঙ্গণে তাদের এই ঘনিষ্ঠতা দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত হলেও, তারা সব সময়ই ব্যক্তিগত রেখেছিলেন সম্পর্কের বিষয়টি। তবে আজকের এই বিবাহের ঘোষণা দিয়ে সেই রহস্যের শেষ হলো। ভক্তরা আনন্দে ভাসছেন এবং নবদম্পতিকে তাদের নতুন জীবনের জন্য শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

    রাফসান সাবাব দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন ইভেন্ট ও শোয়ের মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। অন্যদিকে, জেফার রহমান তার গায়কি ও ফ্যাশন সেন্সের জন্য তরুণ প্রজন্মের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। এই দুই সফল মানুষের নতুন জীবন শুরু হওয়া বিনোদন জগতে একটি নতুন মেজাজ যোগ করলো।

  • চিত্রনায়িকা জয়শ্রী কবির প্রয়াণে শোকের ছায়া

    চিত্রনায়িকা জয়শ্রী কবির প্রয়াণে শোকের ছায়া

    দুই বাংলার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা জয়শ্রী কবির আজ বিশ্বাসঘাতক অসুখের কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। গত ১২ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে তিনি মারা যান। এই দুঃখজনক খবর তার ভাগ্নে জাভেদ মাহমুদ সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। তিনি লিখেছেন, “আমার মামি জয়শ্রী কবির, যিনি একজন খ্যাতিমান নায়িকা, এককালের ‘মিস কলকাতা’ প্রতিযোগিতার বিজেতা, লন্ডনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তিনি সত্যজিৎ রায়ের উল্লেখযোগ্য সিনেমা ‘প্রতিদ্ব›দ্বী’, আলমগীর কবিরের ‘সীমানা পেরিয়ে’, ‘রুপালি সৈকতে’, ‘সূর্য কন্যা’তে অভিনয় করেছিলেন।”

  • অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন

    অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন

    ঢালিউডের সোনালী যুগের অন্যতম দাপুটে নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক ক্যানসারের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন, এবং আজ বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। শেষ পর্যন্ত তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) চলে গেছেন পৃথিবীর বিদায় নেন।

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন। প্রখ্যাত এই অভিনেতা ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশোয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরে তার পরিবারসহ পাঞ্জাবে চলে যায়, কিন্তু নিয়তি তাকে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে উন্নীত করে।

    জানানো হয়েছে যে, জাভেদ ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন পাশাপাশি বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। গেল বছর এপ্রিলেও তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় তিনি মারা যান।

    তার স্ত্রী ডলি চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আজ সকালে তার শারীরিক অবস্থা মারাত্মকভাবে খারাপ হয়ে পড়ে। সাধারণত তাকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। কিছুদিন ধরেই বাসায় চিকিৎসা চলছিল। হাসপাতালে এসে চিকিৎসকরা জানান, তার সারা শরীর ঠান্ডা। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় যেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

    অভিনেতা হিসেবে তার প্রথম পরিচয় ঘটে ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ি জিন্দেগি’ দিয়ে। তবে তার ভাগ্য বদলের খোলসা ঘটে ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’ সিনেমায়। এই ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা। সেই সিনেমার মাধ্যমেই তার বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে। পরিচালক মুস্তাফিজ তার নাম রাখেন জাভেদ।

    এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি, একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা করে তিনি দর্শকদের হৃদয়ে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে নিজের স্থান করে নেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

    জাভেদের পুরো নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। তিনি নৃত্য পরিচালনা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন, পরে নায়ক হিসেবে জনপ্রিয়তা পান। শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজস্ব আলাদা পরিচিতি গড়ে তুলেন।

    সত্তুর ও আশির দশকের সময়কালেই জাভেদ মানেই ছিল পর্দায় বিদ্রূপাত্মক নাচ ও অ্যাকশনের অসাধারণ সংমিশ্রণ। তার মৃত্যুতে বাংলার চলচ্চিত্রের একটি যুগের শেষ হলো। দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে ভুগে নিভৃতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এই গুণী শিল্পী।

    তার উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী, আবদুল্লাহ ইত্যাদি।

  • শেষ বলের ছক্কায় সিলেটকে বিদায় করে রংপুর কুইইকালিফায়ার নিশ্চিত

    শেষ বলের ছক্কায় সিলেটকে বিদায় করে রংপুর কুইইকালিফায়ার নিশ্চিত

    রংপুর রাইডার্সের জন্য কঠিন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে সিলেট টাইটান্সকে শেষ মুহূর্তে হারিয়ে কোয়ালিফায়ার পর্যায়ে প্রবেশের ব্যাপারে বিশ্বস্ততা অর্জন করলো। ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে রংপুরের ব্যাটসম্যানরা খুব একটা ভালো করতে পারেননি, ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১১ রান সংগ্রহ করে। এই লক্ষ্য সন্দেহাতीतভাবে কম হলেও, রংপুরের বলিং অ্যালাইনমেন্টও শুরুতে কিছুটা চাপ সৃষ্টি করেছিল সিলেটের জন্য। তবে দলনেতা মেহেদী হাসান মিরাজ ও প্রশিক্ষিত ব্যাটসম্যান স্যাম বিলিংসের জুটিতে রংপুরের বোলিংকে সামাল দেন তারা, ধীরে ধীরে ম্যাচে নিজেদের পক্ষে আনেন। বিশেষ করে বিলিংস ২৯ রান করেন, আর মিরাজ ১৮ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। অন্যদিকে, পারভেজ হোসেন ইমন ১৮, আরিফুল ইসলাম ১৭ ও আফিফ হোসেন ৩ রান করেন। শেষআসরে, ৬ রান প্রয়োজন ছিল দলের জন্য, তখনই অবশ্য ব্যতিক্রমী এক সিদ্ধান্ত নেন ক্রিস ওকস। ফাহিম আশরাফের ভাষায় বলটি ফেঙ্কিগে ফেলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন ইংলিশ তারকা ওকস। ফলে, এই জয় রংপুরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, কারণ তা তাদেরকে কোয়ালিফায়ার খেলার একদম শেষ রক্ষা করে দেয়। অন্যদিকে, সিলেটের ব্যাটিং শুরুতেই বেশ চাপে পড়ে। মাত্র ১১১ রানে পুরো টিম আউট হয়, যেখানে সিলেটের সর্বোচ্চ স্কোর হয় ৩৩ রান (রিয়াদ), খুশদিল শাহ ৩০। ব্যাটসম্যানরা বেশি সময় উইকেটে টিকে থাকলেও, সতর্কভাবে ব্যাটিং করার জন্য তারা কৃতিত্ব পেতেন। বললে, সিলেটের বলিংয়ে খালেদ আহমেদ চার উইকেট নেন, আর ওকস ও নাসুম আহমেদ দু’থেকে দুটি করে উইকেট নেন। অবশেষে, শেষ বলে দরকার ছিল ৬ রান। এমতাবস্থায়, ক্রিস ওকসের সাহসী ব্যাটিংয়ে দীর্ঘ শট হাঁকিয়ে ছক্কা মারেন এবং দলের জয়ের গল্প লিখে দেন। এর ফলে রংপুর ১৫৭ রানে পৌঁছে যায় এবং সুপার লিগে যাওয়ার পথে তারা সফলতা অর্জন করে।

  • খুলনা উপ-আঞ্চলিক শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান

    খুলনা উপ-আঞ্চলিক শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান

    খুলনা উপ-আঞ্চলিক স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ৫৪তম শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গতকাল মঙ্গলবার বিকালে খুলনা জিলা স্কুল ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খুলনা অঞ্চল উপ-পরিচালক এস, এম সাজ্জাদ হোসেন। সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খুলনা অঞ্চল উপ-পরিচালক মোঃ কামরুজ্জামান। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার খোন্দকার রুহুল আমীন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক মোঃ ইনামুল ইসলাম এবং খুলনা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ফারুকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং নেতৃত্বদানের দক্ষতা entwickeln হয়। শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও নজর দিতে হবে যাতে শিক্ষার্থীরা इलेक्ट्रনিক ডিভাইসের অতিরিক্ত ব্যবহারে মনোযোগ না দেয়। অতিথিরা খুলনাঞ্চলে খেলাধুলার ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে সকল খেলোয়াড় ও প্রশিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান। শেষে অতিথিরা বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

  • কুয়েটে ‘শাহ্ সিমেন্ট-কুয়েট ইন্টার ডিপার্টমেন্ট ফুটসাল টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ও পুরস্কার বিতরণ

    কুয়েটে ‘শাহ্ সিমেন্ট-কুয়েট ইন্টার ডিপার্টমেন্ট ফুটসাল টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ও পুরস্কার বিতরণ

    খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ‘শাহ্ সিমেন্ট-কুয়েট ইন্টার ডিপার্টমেন্ট ফুটসাল টুর্নামেন্ট-২০২৬’ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। এই জমজমাট টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে ইলেকট্রিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) ডিপার্টমেন্টকে ১-০ গোলে পরাজিত করে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। উক্ত সমাপনী অনুষ্ঠানটি মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলাধুলা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর, প্রফেসর ড. মোঃ মাকসুদ হেলালী, যিনি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ), প্রফেসর ড. বি. এম. ইকরামুল হক। টুর্নামেন্টের বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছে চ্যাম্পিয়ন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, রানার্স-আপ ইসিই বিভাগ, ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড আইইএম বিভাগ, মান অফ দ্য ফাইনাল মিজাইল (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং), বেস্ট প্লেয়ার মোঃ আহাসান হাবিব আশিক (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং), বেস্ট রাইজিং প্লেয়ার মোঃ ইমরুল হাসান (এমএসই), বেস্ট গোলকিপার ফাহিম ফয়সাল (এমএসই), এবং টপ স্কোরার যৌথভাবে আহনাফ তাজওয়ার সাদী (সিএসই) ও রবিউল ইসলাম (ইউআরপি)। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকগণ, শাহ্ সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও জনতা ব্যাংক পিএলসি প্রতিনিধিরা। উল্লেখ্য, এই টুর্নামেন্টটি শুরু হয় ৮ জানুয়ারি এবং এটি পরিচালিত হয়েছে শাহ্ সিমেন্ট ও জনতা ব্যাংকের স্পনসরশিপে, এবং সার্বিক আয়োজনে ছিল কুয়েটের ছাত্র কল্যাণ অফিস।