Blog

  • বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী

    বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনার ব্যর্থতার পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন দেখা গেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার কোথাও এক সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে নিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে মূল্যবান ধাতুটি।

    বিশ্লেষকরা বলছেন শক্তিশালী ডলার এবং তেলের মূল্য বৃদ্ধিই এই পতনের প্রধান কারণ। তেলের দাম বাড়ায় মুদ্রাস্ফীতির ভাবনা জোরালো হচ্ছে, ফলে চলতি বছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যায় — আর সেটা স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

    রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ০.৪% কমে প্রতি আউন্সে ৪,৭২৬.৬৪ ডলারে দাঁড়ায়। দিনের শুরুতে এটি ৭ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন ৪,৬৪৩ ডলারে নেমে গিয়েছিল। জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার ০.৮% কমে ৪,৭৪৮.৭০ ডলারে বন্দোবস্ত হয়।

    ডলার সূচক ০.৩% শক্তিশালী হয়ে ওঠার পাশাপাশি তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে দৃঢ় হয়েছে। এতে আমদানিকারী দেশগুলোর মুদ্রায় ডলার-নির্ধারিত স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়েছে, যা চাহিদা ও দামের ওপর নেতিবাচক চাপ তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে জয় করে বলা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালীতে অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে—এটিও তেলের মূল্য এবং বাজারের অনিশ্চয়তা বাড়ানোর আর একটা কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।

    কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, ‘‘শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় যুদ্ধবিরতির আশা ভেঙে পড়েছে। এর ফলে ডলার এবং তেলের দাম বেড়েছে, যা স্বর্ণের ওপরে চাপ সৃষ্টি করেছে।’’

    রয়টার্স উল্লেখ করেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল-ইরান সংঘাত শুরুর পর থেকে স্পট গোল্ডের দাম ১১%—এর বেশি কমেছে। সাধারণত ভূরাজনীতি ও মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ স্বর্ণের প্রতি চাহিদা বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু উচ্চ সুদের হার এবং শক্তিশালী ডলার স্বর্ণের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

    বাজার অংশগ্রহণকারীরা বলছেন, জ্বালানির উচ্চমূল্য মুদ্রাস্ফীতি ত্বরান্বিত করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছে সুদের হার বাড়ানোর পথ খুলে দিতে পারে, ফলে চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা খুবই সীমিত হয়ে পড়েছে—এটিই মূল্যবান ধাতুগুলোর ওপর চলমান চাপের মূল কারণ।

  • আরাগচি: ইসলামাবাদ আলোচনায় চুক্তি ছিল ‘মাত্র কয়েক ইঞ্চি দূরে’

    আরাগচি: ইসলামাবাদ আলোচনায় চুক্তি ছিল ‘মাত্র কয়েক ইঞ্চি দূরে’

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ইসলামাবাদে গত সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলা আলোচনা চলাকালীন তেহরান একটি চুক্তির মাত্র কয়েক ইঞ্চি দূরে ছিল। তিনি এই মন্তব্য এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে করেছেন।

    আরাগচি বলেছেন, গত ৪৭ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে অনুষ্ঠিত নিবিড় আলোচনায় ইরান আন্তরিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জড়িয়েছিল যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে। কিন্তু চুক্তির ঠিক কাছাকাছি পৌঁছানোর সময়ই তাদের সামনে চরম অবস্থান, বারবার শর্ত পরিবর্তন এবং অবরোধের মতো বাধার সম্মুখীন হতে হয়। তিনি বলেন, ‘কোনো শিক্ষাই গ্রহণ করা হয়নি।’

    পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত ওই আলোচনা মোট ২১ ঘণ্টা চলে। দীর্ঘ এই ম্যারাথন বৈঠকের পরও কোনো চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছায়নি দুই পক্ষ, যার ফলে দুই সপ্তাহের নাজুক যুদ্ধবিরতি ঝুঁকির মুখে পড়ে।

    আলোচনাগুলো শনিবার থেকে শুরু হয়ে রোববার ভোর পর্যন্ত চলেছিল। এটি ছিল এক দশকেরও বেশি সময় পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রথম সরাসরি বৈঠক — আর তৎসঙ্গে ইরানের বিপ্লবের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রথম আলোচনা হিসেবে এই বৈঠককে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

    আরাগচির মন্তব্যগুলো ইঙ্গিত দেয় যে আলোচনার সময় অনেক নৈকট্য থাকা সত্ত্বেও কূটনীতিক ও রাজনৈতিক বাধা চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছতে বাধা দিয়েছিল। এখনো পরিস্থিতি অনিশ্চিত হাতে রয়েছে এবং ভবিষ্যতে কূটনৈতিক প্রয়াস চালিয়ে যাওয়ার গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।

  • দর্শনা রেলস্টেশনে ১০টি স্বর্ণের বারসহ এক পাচারকারী আটক

    দর্শনা রেলস্টেশনে ১০টি স্বর্ণের বারসহ এক পাচারকারী আটক

    দর্শনা রেলস্টেশন থেকে অবৈধভাবে পাচারের সময় ১০টি স্বর্ণের বারসহ এক পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের মোট ওজন ১ কেজি ১৬৬ গ্রাম এবং আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

    ঘটনা সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে ঘটে। চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, ভারতে স্বর্ণ পাচারের সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির একটি টহলদল দর্শনা রেলস্টেশনে অবস্থান নেয়। এ সময় একজন ব্যক্তি ভারতের দিকে যাওয়ার সময়ে বিজিবিকে থামার সংকেত পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধাওয়া করে আটক করা হয়।

    আটক ব্যক্তির নাম আলমগীর খান (৫৫)। তিনি দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা মোবারকপাড়া গ্রামের মৃত বাদল খানের ছেলে। বিজিবি সদস্যরা তাকে তল্লাশী করে কোমরে মোড়ানো অবস্থায় ১০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে।

    লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান আরও জানান, উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের বারগুলোর মোট ওজন ১ কেজি ১৬৬ গ্রাম এবং আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এই ঘটনায় বিজিবি একটি মামলা দায়ের করবে এবং উদ্ধারকৃত স্বর্ণ চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারি অফিসে জমা রাখা হবে।

    আটক আলমগীরকে প্রয়োজনীয় আইনগত کارروয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • কেসিসি প্রশাসক: বাজার সংস্কার ও নতুন বাজার নির্মাণ প্রকল্প আসন্ন বাজেটে

    কেসিসি প্রশাসক: বাজার সংস্কার ও নতুন বাজার নির্মাণ প্রকল্প আসন্ন বাজেটে

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু রবিবার সকালে দৌলতপুর এলাকার বিভিন্ন খাল ও ড্রেনের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। বর্ষার আগে শহরে জলাবদ্ধতা রোধে কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের লক্ষ্যে তিনি নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে যাচ্ছেন।

    পরিদর্শন শেষে সাংবাদিক ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ নগরী উপহার দিতে বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই নির্দিষ্ট কাজগুলো শেষ করতে হবে। ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি; একই সঙ্গে বাজার ব্যবস্থাপনা ও বাজারে স্যানিটেশন ব্যবস্থা আধুনিক ও কার্যকর করতে হবে।

    তিনি জানান, বাজার পরিচালনা কমিটির নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করে বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সেই আলোচনায় বাজারগুলোর সংস্কারসহ নতুন বাজার নির্মাণ প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব আসন্ন বাজেটে রাখা হবে।

    কেসিসি প্রশাসক দৌলতপুর বাজার ও সংলগ্ন নদী, দৌলতপুর পাইকারী কাঁচা বাজার, পাবলা কারিগর পাড়া ড্রেন, বিজিবি অফিস সংলগ্ন ড্রেন এবং ক্ষুদ্র খালের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন স্থানের পরিকাঠামো সরেজমিনে পরীক্ষা করেন। তিনি জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এবং যানজট ও বাধা কম রাখতে ফুটপথ দখলমুক্ত রাখার জন্য ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।

    পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন কেসিসি’র প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনিছুজ্জামান, কঞ্জারভেনসী অফিসার (প্রকৌশলী) মো. আনিসুর রহমান, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, বাজার কর্মকর্তা শেখ শফিকুল হাসান দিদার, সমাজসেবক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ মোসারেফ হোসেন, দৌলতপুর বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি শেখ আসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. নান্নু মোড়ল প্রমুখ।

  • নাসুমের বকেয়া দাবির প্রসঙ্গে সিলেট টাইটান্সের স্পষ্ট ব্যাখ্যা

    নাসুমের বকেয়া দাবির প্রসঙ্গে সিলেট টাইটান্সের স্পষ্ট ব্যাখ্যা

    বিপিএলের সর্বশেষ আসরে সিলেট টাইটান্সের হয়ে খেলেছেন নাসুম আহমেদ। গত এক সাক্ষাৎকারে নাসুম জানান, তিনি দল থেকে এখনও ৩৫ লাখ টাকা পাচ্ছেন না—এই দাবির পর সিলেট টাইটান্স কর্তৃপক্ষ একটি অফিসিয়াল বিবৃতি দিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখার পর বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছে।

    টাইটান্সের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রকাশিত কিছু সংবাদে তথ্যের অসামঞ্জস্য দেখা গেছে এবং তা পাঠকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। বিষয়টি পরিষ্কার করতে তারা নিম্নলিখিত পয়েন্টগুলো তুলে ধরেছে:

    ১) চুক্তিভিত্তিক পরিশোধ: বিপিএল ২০২৫-২৬ মৌসুমের খেলোয়াড়দের বকেয়া সংক্রান্ত বিষয় গত মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কার্যালয়ে চূড়ান্তভাবে মিটে গেছে। চুক্তি অনুযায়ী নাসুম আহমেদের মোট পাওনা ছিল ৩৫ লাখ টাকা (বি-ক্যাটাগরি) এবং ফ্র্যাঞ্চাইজিটি ইতোমধ্যেই ওই অর্থ পরিশোধ করেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে নাসুমের নামে সিলেট টাইটান্সের কোনো বকেয়া নেই, উল্লেখ করেছে দলটি।

    ২) মৌখিক বোনাসের ব্যাখ্যা: নিলামের আগে খেলোয়াড়দের সঙ্গে পারিশ্রমিক ও বোনাস নিয়ে কিছু মৌখিক আলোচনা হয়েছিল। সেগুলোতে শর্ত ছিল—দল চ্যাম্পিয়ন হলে অতিরিক্ত বোনাস দেওয়া হবে। দল কাঙ্খিত ফল পায়নি, তাই ওই মৌখিক বোনাস দেওয়ার কোনো আইনি বা চুক্তিমূলক বাধ্যবাধকতা নেই। সিলেট টাইটান্স বলেছে যে সব আর্থিক লেনদেন মূলত স্বাক্ষরিত চুক্তিপত্র অনুযায়ী করা হয়েছে।

    ৩) চেক ও পেমেন্ট পদ্ধতি: টাইটান্স জানায়, নাসুম নিজে ব্যাংক চেক নিতে চাননি এবং সরাসরি নগদে পরিশোধের অনুরোধ করেছিলেন। সেই অনুযায়ী তার অর্থ নগদে দেওয়া হয়। টুর্নামেন্ট চলাকালীন নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে অগ্রিমভাবে দেওয়া কিছু চেক অন্যান্য খেলোয়াড়রা পেমেন্ট বুঝে নিয়ে ফেরত দিয়েছিলেন, কিন্তু নাসুম এখনও সেগুলো ফেরত দেননি। এছাড়া বিসিবি কার্যালয়ে পাওনা বুঝে নেওয়ার দিন তিনি উপস্থিত ছিলেন না—এগুলোও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    বিবৃতিতে সিলেট টাইটান্স আরও বলেন, তারা সবসময় খেলোয়াড়দের পেশাদার মর্যাদা ও প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। চুক্তি অনুযায়ী নাসুমের সব প্রদেয় টাকা পরিশোধ করা হয়েছে এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছে আর কোনো অর্থ বাকি নেই। দলটি আশা করছে, এই বিবৃতির পর বিষয়টি নিয়ে যেসব ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে সেগুলো দূর হবে।

  • খুবিতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত

    খুবিতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের আয়োজনে রোববার অনুষ্ঠিত হলো বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬। দিনব্যাপী উন্মুক্ত ও উৎসবমুখর এই কর্মসূচিতে মোট ২০টি ইভেন্টে শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

    প্রতিযোগিতা শেষ করে বিকাল ৫টায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বাকলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, খেলাধুলায় অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্সাহ ও সাম্প্রদায়িক বন্ধন গড়ে তুলে এবং তাদের নেতৃত্বগুণ ও স্ববিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উপাচার্য আরও বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণরা জাতীয় পর্যায়ে আরও বেশি ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বাড়াবে বলে তিনি প্রত্যাশা প্রকাশ করেন। তিনি অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও আয়োজনকারী বিভাগের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

    পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ আশরাফুল আলম। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের উপ-পরিচালক এস এম জাকির হোসেন।

    এইবারের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ছাত্রীদের দলগত ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয় স্থাপত্য (আর্কিটেকচার) ডিসিপ্লিন, যা তাদের জন্য গৌরবের বিষয় হিসেবে ইতিবাচক সাড়া ফেলে। ছাত্রদের ব্যক্তিগত ইভেন্টে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন রসায়ন ডিসিপ্লিনের অনিক গোলদার ও ফার্মেসি ডিসিপ্লিনের সম্রাট। আর ছাত্রীদের ব্যক্তিগত ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন শিক্ষা ডিসিপ্লিনের সাজিয়া মাহিন মিথী।

    গতকাল সকাল ১০টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বেলুন, ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি প্রফেসর ড. মোঃ আশরাফুল আলম এবং সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান। উদ্বোধনী ও বিভিন্ন পর্বের অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শুভদীপ গোলদার ও এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের অনিন্দিতা বিশ্বাস।

    অনুষ্ঠানজুড়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন; মাঠ জুড়ে চিৎকার-তালিতে জমে ওঠে উৎসবের আমেজ। আয়োজক শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সংশ্লিষ্টরা কার্যক্রম সুসংহতভাবে পরিচালনা করেন বলে উপস্থিতিরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

  • রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আজ শেষ বিদায় — আশা ভোসলে আর নেই

    রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আজ শেষ বিদায় — আশা ভোসলে আর নেই

    ভারতীয় সংগীতের এক উজ্জ্বল অধ্যায়ের সমাপ্তি হলো বৃহস্পতিবার নয়, গেল রোববার—কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোসলে ৯২ বছর বয়সে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর মৃত্যু সংবাদে সংগীত ও চলচ্চিত্র জগৎ স্তব্ধ; ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে গভীর শোক নেমে এসেছে।

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আগের রাতেই অসুস্থ হয়ে পড়লে আশা ভোসলেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সংক্রমণ ও বয়সজনিত জটিলতায় তিনি লড়াই করছিলেন; শেষ পর্যন্ত একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়াই মৃত্যুর কারণ হয়েছে।

    পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, আজ বিকেল ৪টায় মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় হবে তাঁর শেষকৃত্য। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা জানিয়েছেন। গতকাল সন্ধ্যায় মরদেহ নেওয়া হয় লোয়ার পারেলের ভাসভবনে; সেখানে আজ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ভক্ত-অনুরাগীরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। গায়িকার ছেলে আনন্দ ভোসলে জানিয়েছেন, ‘যাঁরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে চান, তাঁরা বেলা ১১টা থেকে তাঁর বাসভবনে আসতে পারেন।’ পরিবারের দফতর থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘শেষদর্শন সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত, এরপর বিকেল ৪টায় শিবাজি পার্কে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে।’

    আশা ভোসলের সৃষ্টি ও সঙ্গীতজীবন ছিল অসামান্য দীর্ঘায়ু- সাত দশকেরও বেশি সময়ে তিনি গান করেছেন ১২ হাজারেরও বেশি। হিন্দির পাশাপাশি ২০-র বেশি ভাষায় তিনি গেয়েছেন; গজল, শাস্ত্রীয় ও আধুনিক ধারাতেও তাঁর দখল চিরস্মরণীয়। তাঁর সর্বোচ্চ জাতীয় স্বীকৃতি—দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, পদ্মবিভূষণসহ একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত ছিলেন তিনি। তাঁর কণ্ঠস্বর আজও বহু কালজয়ী গানে সবার মনে বেঁচে আছে।

    আশার প্রয়াণে বলিউড ও দক্ষিণী চলচ্চিত্রের অসংখ্য তারকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক ব্যক্ত করেছেন। মনোজ বাজপেয়ী লিখেছেন, ‘আমাদের অনেকের মতো আমিও আশাজির গান শুনে বড় হয়েছি। তাঁর কণ্ঠ আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে এবং মুগ্ধ করেছে। তাঁর গান চিরকাল আমাদের সঙ্গে থাকবে।’ দক্ষিণি তারকা রামচরণ বলছেন, ‘ভারতীয় সংগীতের জন্য এটি অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর কণ্ঠ ছিল খাঁটি জাদু।’ মিলিন্দ সোমান তাঁকে ‘একজন কিংবদন্তি’ হিসেবে স্মরণ করেছেন। শাহরুখ খান, কাজল, শ্রেয়া ঘোষাল, কারিনা কাপুর খান, ভিকি কৌশল, রাম গোপাল ভার্মা, আনু মালিক, কমল হাসান, জুনিয়র এনটিআর সহ আরও বহু নাম প্রকাশ্যে শোক জানিয়েছেন।

    গতকাল রাত থেকেই আশা ভোসলের বাসভবনে ভিড় করেছেন শিল্পী, পরিচিতজন ও শ্রদ্ধাশীলরা; সেখানে দেখা গেছে জাভেদ আখতার, শাবানা আজমি, এ আর রহমান, বিদ্যা বালন প্রমুখকে।

    সংগীতপ্রেমীদের অন্তরে আশা ভোসলের যে জায়গা, সেটি সহজে পূরণ হবে না। তাঁর বহুমাত্রিক কণ্ঠ, অসংখ্য হিট গান ও ভিন্নধর্মী সুরের নিপুণ সমন্বয় ভবিষ্যত প্রজন্মকেও অনুপ্রাণিত করে যাবে।

  • রুনা লায়লা: ‘এমন শিল্পী আর জন্মাবে না’ — আশা ভোঁসলেকে স্মরণ

    রুনা লায়লা: ‘এমন শিল্পী আর জন্মাবে না’ — আশা ভোঁসলেকে স্মরণ

    ভারতের কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে রোববার চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর সংবাদ শোনায় সংগীত অঙ্গনে গভীর শোক নেমে এসেছে।

    উপমহাদেশ তথা আন্তর্জাতিক সংগীতজগতের অন্যতম নিবিষ্ট শিল্পী রুনা লায়লা আশা ভোঁসলের প্রয়াণে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, “পৃথিবীর বড় বড় দুইজন কিংবদন্তি শিল্পী পরপর চলে গেলেন। লতা মঙ্গেশকর দিদি ২০২২ সালে চলে গেলেন, আর এখন আশা দিদিও চলে গেলেন। এমন শিল্পী আর এই পৃথিবীতে জন্মাবে না। আমার কাছে মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাই শূন্য হয়ে গেল।”

    রুনা লায়লা ব্যক্তিগত স্মৃতিও শেয়ার করেন। তিনি বলেন, “তারা দুজনেই আমাকে ভীষণ স্নেহ করতেন — মায়ের মতো। এই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।” তিনি জানান, শেষবার দেখা হয়েছিল তাঁর রচিত গান ‘চলে যাওয়া ঢেউগুলো আর ফিরে আসেনি’-এর রেকর্ডিংয়ের সময়। পরে ফোনে যোগাযোগ হয়েছে, কিন্তু কয়েকদিন ধরেই ভাবছিলেন—আবার কথা বলব; আজ করব, কাল করব—শেষ পর্যন্ত আর করা হলো না। “শেষ কথাটাও বলা হলো না,” তিনি আফসোস করে বলেন।

    রুনা লায়লা আরও যোগ করেন, “যখন মনে হয়েছিল দিদিকে ফোন করি, যদি তখনই করতাম, তাহলে হয়তো আজ এই আফসোসটা থাকত না। নিজের ভেতরে খুব কষ্ট হচ্ছে—এই কষ্ট সত্যিই ভাষায় প্রকাশের নয়।”

    আশা ভোঁসলে গত শনিবার সন্ধ্যায় বুকে ব্যথা নিয়ে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তিযেগেছিলেন। তাকে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি সেরে উঠতে পারেননি।

    টানা সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে আশা ভোঁসলে ভারতীয় সংগীতের এক কিংবদন্তি হিসেবে রাজত্ব করেছেন। হাজার হাজার গান ও অসংখ্য কালজয়ী সুর তিনি উপহার দিয়েছেন, যা বহু প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে। তাঁর প্রয়াণে একটি সোনালি অধ্যায়ের সমাপ্তি হলো; তবে তার সুর ও কণ্ঠমান জীবন্ত থেকে যাবে।

  • শাকিব খানের আইডিয়ায় নির্মিত হচ্ছে নতুন সিনেমা ‘রকস্টার’

    শাকিব খানের আইডিয়ায় নির্মিত হচ্ছে নতুন সিনেমা ‘রকস্টার’

    তাণ্ডব সিনেমার পর এবার আবারো শাকিব খান ও সাবিলা নূর জুটি হিসেবে অভিনয় করছেন নতুন ছবি ‘রকস্টার’-এ। যদিও এই সিনেমার জন্য সাবিলার অভিনয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি, তবে শুটিং শুরুর সময় সেট থেকে ফাঁস হওয়া এক ভিডিওতে তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে। এবার সিনেমার পরিচালক আজমান রুশো এটি নিশ্চিত করে বললেন যে, সিনেমাটির নায়িকা হিসেবে সাবিলা নূরই থাকছেন। তিনি আরও জানালেন, শাকিব খানের সঙ্গে পরামর্শ করেই সাবিলাকে এই চরিত্রে নেওয়া হয়েছে।

    পরিচালক আজমান রুশো বলেন, ‘আমার মনে হয়েছিল, রকস্টার চরিত্রের জন্য সাবিলাই সেরা। শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা করে আমি নিশ্চিত হয়েছি যে, তিনি এই চরিত্রের জন্য খুবই উপযুক্ত। তার জন্য কাস্টিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং সিনেমাটির সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা করেই নেওয়া হয়।’

    রুশো আরও জানান, এই সিনেমার মূল ভাবনা ও গল্প নির্মিত হয়েছে শাকিব খানের আইডিয়ায়। তিনি নিজে একজন মিউজিশিয়ান ছিলেন এবং আগে বিভিন্ন গান ও মিউজিক্যাল পারফরম্যান্সের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। শাকিব খানের এমন একটি চরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছা পরিচালকের কাছে প্রকাশের পর তিনি এই গল্পের উপর ভিত্তি করে ছবির চিত্রনাট্য লেখেন। রুশো বলেন, ‘প্রাথমিক আলাপের সময়ে শাকিব ভাই আমাকে বললেন, পর্দায় তিনি একজন রকস্টার হতে চান। তাঁর এই ইচ্ছা শুনে আমি যেন স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো লাগছিল। কারণ, আমি নিজেও একজন মিউজিশিয়ান। আমি তখন সমাজের বিভিন্ন মিউজিশিয়ানের জীবন নিয়ে গবেষণা করতাম এবং তাদের জীবনের ব্যাপারে জানতে আগ্রহী ছিলাম। এই গল্পটি সেই জীবনবোধকে তুলে ধরার দারুণ এক সুযোগ।’

    ‘রকস্টার’ সিনেমার নাম ও পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই এর প্রতি বেশ আলোচনা ও গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে অনেকের ধারনা ছিল এটি বলিউডের জনপ্রিয় ‘রকস্টার’ ছবির সঙ্গে মিল আছে। তবে নির্মাতা রুশো এ বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে বলেন, ‘ইমতিয়াজ আলীর ‘রকস্টার’ আমি খুবই পছন্দ করি। এ ছাড়া ‘রকস্টার’ নামে অনেক সিনেমা হয়েছে, যার মধ্যে এই ছবির কোন সম্পর্ক নেই। আমাদের সিনেমার নামটি অন্যভাবেই আলাদা।’

    গল্পের ব্যাপারে রুশো বলেন, ‘এটি একজন রকস্টারের জীবন কাহিনী, যেখানে রয়েছে পারিবারিক ভালোবাসা, ট্র্যাজেডি এবং জীবনের সংগ্রাম। সব মিলিয়ে এটি একটি মানব জীবনের গল্প।’

    ‘রকস্টার’ সিনেমার নির্মাণ কাজ পরিচালিত হচ্ছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেডের ব্যানারে। চিত্রনাট্য লিখেছেন আয়মান আসিব স্বাধীন।

  • আশা ভোঁসলে হাসপাতালে ভর্তি, অবস্থা সংকটাপন্ন

    আশা ভোঁসলে হাসপাতালে ভর্তি, অবস্থা সংকটাপন্ন

    ভারতের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতাল তাঁকে নেওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি এবং বর্তমানে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) রয়েছেন।

    হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতীত সামদানি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, শনিবার হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের ঘটনা ঘটে এবং দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাঁর অবস্থা এখনও স্থিতিশীল কি না, সেই বিষয়ে চিকিৎসকরা স্পষ্ট কর Finn করেননি।

    আশা ভোঁসলের এই অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভক্তদের মাঝে দুশ্চিন্তার সৃষ্টি হয়েছে। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিগত কয়েক বছর ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভোগা এই গায়িকার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

    আশা ভোঁসলে দীর্ঘ কর্মজীবনে ভারতীয় সংগীতের জগতকে সমৃদ্ধ করেছেন অসংখ্য স্বামীখ্যা সৃষ্টি করে। তিনি ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মান ‘দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার’ অর্জন করেছেন এবং পদ্মভূষণসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কারপেয়ে সম্মানিত হয়েছেন। এছাড়াও তিনি বহু জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন, যা তাকে ভারতের প্লেব্যাক সংগীতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সম্মানিত কণ্ঠশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

    আশা ভোঁসলের সংগীত ক্যারিয়ার শুরু ১৯৪৩ সালে, এবং আট দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সংগীতপ্রেমীদের মন জয় করেছেন। তাঁর জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘দম মারো দম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘পিয়া তু আজা’, আর গীতিকারদের জন্য দীর্ঘতর আধুনিক মেলোডিয়াস গান ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’। গিনেস বুকের রেকর্ড অনুযায়ী, আশা ভোঁসলে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি স্টুডিও রেকর্ড করা শিল্পী।