Blog

  • ফকিরহাটে বাস চাপায় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু

    ফকিরহাটে বাস চাপায় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু

    ফকিরহাটে মহাসড়ক পার হওয়ার সময় বাসের চাপায় মো: ছাহাদ (১১) নামের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনা ঘটে খুলনা-ঢাকা মহাসড়কের বৈলতলী এলাকায়। নিহত মো: ছাহাদ বৈলতলী গ্রামের মো: জাহাঙ্গিরের ছেলে। তিনি স্থানীয় ফকিরহাট এল-পি উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। তার এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে, পরিবার ও স্কুলের সবাই শোকাহত।

    প্রতিবেশীরা জানায়, বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে মো: ছাহাদসহ তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বাসে করে ঢাকায় থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। বৈলতলী এলাকায় পৌঁছালে ছাহাদ বাস থেকে নেমে রাস্তা পার হচ্ছিল। হঠাৎ অজ্ঞাত একটি দ্রুতগামী বাস তাকে চাপা দিয়ে দ্রুত স্থান ছেড়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    মোল্লাহাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আসাদুজ্জামান হাওলাদার জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনার বিষয়ে তিনি অবগত। দুর্ঘটনা কীভাবে ঘটেছে তা খতিয়ে দেখছেন এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

  • সুন্দরবনকে বিষমুক্ত করতে কড়া নজরদারি ও নীতিমালা আসছে

    সুন্দরবনকে বিষমুক্ত করতে কড়া নজরদারি ও নীতিমালা আসছে

    সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ, সাতক্ষীরা রেঞ্জের আয়োজনে অনুষ্ঠানে খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার, পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রাহমাতুল্লাহ পলাশ, যুগ্ম আহ্বায়ক ড. মনিরুজ্জামান, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

  • শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আকাশ ছোঁয়ার সুযোগ অপরিহার্য

    শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আকাশ ছোঁয়ার সুযোগ অপরিহার্য

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম আজ বুধবার (১ এপ্রিল) আনুমানিক দুপুর ১২টায় কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) ডিসিপ্লিনের ক্লাস পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনের সময় তিনি শ্রেণীকক্ষে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের পাঠদানের পদ্ধতি, মনোযোগ ও পাঠ্যবিষয় সম্পর্কে খোঁজ গ্রহণ করেন।

    উপাচার্য শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন হলো নিজেকে গড়ে তোলার জন্য সবচেয়ে মূল্যবান সময়। এই সময় থেকেই আমাদের জীবন লক্ষ্য ও কক্ষপথ নির্ধারণ করতে হবে। এজন্য নিয়মিত পড়াশোনা ছাড়াও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ। এতে নেতৃত্বগুণ বিকাশের পাশাপাশি মানসিক চাপ ও হতাশা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিশ্বকে দ্রুত পরিবর্তন করছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে টিকে থাকতে হলে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করতে হবে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের সামর্থ্য তুলে ধরতে এবং জায়গা করে নিতে হলে এআইসহ আধুনিক প্রযুক্তিগুলি সম্পর্কে পারদর্শী হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে পর্যায়ক্রমে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    পরিদর্শনকালে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরলে উপাচার্য সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে শোনেন এবং এসব সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।

  • বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন আবার ৩৪ বিলিয়ন ডলার থেকে নিচে নেমে এসেছে। রোববার দিনের শেষে দেশের মোট রোজা রোজা ছিল বলে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার।

    আরিফ হোসেন খান বলেন, এই অবনমন প্রধাণত বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমদানিযোগ্য পণ্য ও জিনিসপত্রের মূল্য পরিশোধের কারণে ঘটেছে। তবে ভালো প্রবাসী আয়ের প্রবাহের কারণে রিজার্ভের ওপর চাপ কিছুটা কমে এসেছে। অন্যথায়, রিজার্ভ আরও কমে যেতে পারত। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে রিজার্ভের অবস্থা মোটামুটি সন্তোষজনক।

    প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৬ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার, আর আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী ছিল ২৯ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্তঃস্থ মূল বা ‘নিট’ রিজার্ভের তথ্যে জানা যায়, বর্তমানে প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলার মতো রয়েছে, যা দেশের প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট।

    বর্তমানে এই রিজার্ভ দিয়ে গড়ে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার মাসিক আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব, যা মোটামুটি পাঁচ মাসের আমদানি প্রয়োজনীয়তা ঢাকতে সক্ষম। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী, কোন দেশের জন্য তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো রিজার্ভ থাকা আবশ্যক। এই দিক থেকে বাংলাদেশ এখনো নিরাপদে রয়েছে। তবে, এই রিজার্ভ দেশের অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।

  • প্রবাসী আয়ের নতুন রেকর্ড: ২৮ দিনে ৩৩৩ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে রেমিট্যান্স

    প্রবাসী আয়ের নতুন রেকর্ড: ২৮ দিনে ৩৩৩ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে রেমিট্যান্স

    চলতি মার্চ মাসে দেশের প্রবাসী আয়ের ইতিহাসে নতুন এক রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। মাত্র ২৮ দিনের ব্যবধানে বাংলাদেশে পাঠানো রেমিট্যান্স আকারে এসেছে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা সাধারণত এক মাসের চেয়েও বেশি। এভাবে এটি দেশের অর্থনীতিতে সংখ্যালঘু এক নজির স্থাপন করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, মার্চের ২৮ দিনে দেশের প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন এই বিশাল পরিমাণে রেমিট্যান্স, যা আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে এপ্রিল মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার পাঠানো হয়েছিল। অর্থাৎ, চলতি মাসে এই সংখ্যার মধ্যে আরও বৃদ্ধি দেখা গেছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, রমজান ও ঈদের সময়ে সাধারণত প্রবাসীদের অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বেড়ে যায়। এছাড়াও, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনা চলমান থাকায় অনেক প্রবাসী তাদের সঞ্চিত অর্থ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দেশে ফিরিয়ে আনছেন। এর ফলে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনীতি শক্তিশালী হচ্ছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত এখন পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৫৭৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে, যা আগের বছর একই সময়ের চেয়ে ১৮.৮ শতাংশ বেশি। এর পাশাপাশি, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আনুমানিক ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩৩ হাজার কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠানো হয়েছে, এই অর্থবছরটি এখন পর্যন্ত দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

    তবে, বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক করছে যে, ইরান-সংক্রান্ত সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তা প্রবাসী আয়ের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, সংঘাত দ্রুত শেষ হলে নেতিবাচক প্রভাব কমে যাবে। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী সংঘর্ষ হলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে, যা দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য ব্যাহত করতে পারে।

    অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের মোট প্রবাসী আয়ের প্রায় ৪৭ শতাংশ আসে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে। এই অঞ্চলের অর্থনীতির ওপর কোনও ধরনের সংকটের প্রভাব সরাসরি বাংলাদেশের কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স প্রবাহকে প্রভাবিত করতে পারে। ফলে, এই অঞ্চলের কোনো বিশৃঙ্খলা বা সংঘর্ষ দেশের অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

  • দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছে

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছে

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মোট ৩৪ হাজার ৫৭ দশমিক ৪৮ মিলিয়ন ডলার বা ৩৪ দশমিক ০৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য প্রকাশ করেন।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশের মোট গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ দশমিক ০৫ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ এর আওতায় রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৩৫৯ দশমিক ০৭ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২৯ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার।

    আগের সপ্তাহে, অর্থাৎ ২৯ মার্চ পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৩ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার।

    নিট রিজার্ভের হিসাব করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে, যেখানে মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিয়ে প্রকৃত বা নিট রিজার্ভের পরিমাণ নির্ণয় করা হয়। এই রিজার্ভের বৃদ্ধি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ভালো খবর বলে মনে করা হচ্ছে।

  • রাজস্ব দুর্বলতা বাজেট বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: সিপিডি

    রাজস্ব দুর্বলতা বাজেট বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: সিপিডি

    সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) মনে করছে, দীর্ঘদিন ধরে দেশের রাজস্ব আহরণের দুর্বলতা বাজেটের সফল বাস্তবায়নের বড় বাধা। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় যথাযথভাবে না হলে দেশের উন্নয়নমূলক ব্যয় এবং মোট অর্থনৈতিক পরিকল্পনাগুলো প্রভাবিত হয়ে আরও চাপের মুখোমুখি হবে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডিতে আয়োজিত ‘নতুন সরকারের প্রথম বাজেট নিয়ে ভাবনা’ শীর্ষক এক আলোচনায় এই বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়, যেখানে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি সতর্ক করে বলছেন, জ্বালানি আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পেলে চলতি হিসাবের ঘাটতি বেড়ে যাবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে সর্তকতা অবলম্বন জরুরি। ড. ভট্টাচার্য আরও জানান, দীর্ঘ দিন ধরে রাজস্ব আহরণের দুর্বলতা দেশের বাজেট বাস্তবায়নের পথে বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব সংগ্রহে ব্যর্থতা অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় চাপ সৃষ্টি করছে যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তিনি জানিয়েছেন, অতিরিক্ত ঋণের বোঝা, জ্বালানি সংকট এবং বৈশ্বিক বাজারের অস্থিতিশীলতার কারণে দেশের অর্থনীতি সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে, নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অবশ্যই বাস্তবসম্মত ও প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক হওয়া জরুরি। এসব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা এখনো করের আওতায় আসেননি, তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, পাশাপাশি করের আওতা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষের ওপর করের চাপ কমানোর বিষয়েও নজর দিতে হবে। সরকারের অনুমোদিত ব্যাংক ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়ের দিকেও গুরুত্ব দেন তিনি, কারণ এসব প্রতিষ্ঠান যদি নিজেদের আয় বাড়াতে না পারে, তাহলে ভর্তুকি চালিয়ে যাওয়ার ব্যয়বহুলতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠবে।

  • করদাতাদের জন্য চলবে সারা বছর আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুবিধা

    করদাতাদের জন্য চলবে সারা বছর আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুবিধা

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান জানিয়েছেন, এখন থেকে করদাতারা বছরের যে কোনো সময়ই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্তের ফলে করদাতারা আরও সুবিধা পাবেন, বিশেষ করে যারা সময়মতো রিটার্ন জমা দেন তাদের জন্য। সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য প্রদান করেন মঙ্গলবার। চেয়েছেন, আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াটি চার ধাপে ভাগ করে সহজ করে তোলা হবে।

  • নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর আন্তরিক ক্ষমা ও ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর আন্তরিক ক্ষমা ও ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনের পর থেকে জনপ্রিয়তা ধরে রাখছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তার বিভিন্ন মন্তব্য ও বক্তব্যের কারণে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনায় এসে ভাইরাল হয়েছিলেন। আজ বুধবার সকালে এক পোস্টে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তাঁর কথাবার্তা বা কাজের কোনও ক্ষতি বা অপ্রিয়তা যদি কেউ অনুভব করে থাকেন, তবে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চেয়েছেন।

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে উল্লেখ করেছেন, সম্প্রতি তিনি বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সাথে কিছু গভীর ও আন্তরিক আলোচনা করেছিলেন। এসব আলোচনা থেকে তিনি সুন্দর ও নির্মল দিকনির্দেশনা পেয়েছেন, যেখানে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে বিরত থাকা, অপ্রয়োজনীয় কথা এড়ানো এবং গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাওয়া।

    তিনি বলেন, ‘আমি বিনয় ও শ্রদ্ধার সঙ্গে সেই পরামর্শগুলো মেনে চলছি এবং আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করছি। আমি বিশ্বাস করি, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য আমি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই।’

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও যোগ করেছেন, ‘যদি কোনও কথাবার্তা বা কাজের কারণে কেউ অসুবিধা বা কষ্ট পেয়েছেন, আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাচ্ছি। আপনারা যেভাবে আমার জন্য দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ দিচ্ছেন, সেগুলো আমার এগিয়ে চলার শক্তি।’

    উল্লেখ্য, তিনি গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই আত্মিক যাত্রার সূচনা করেন। তিনি প্রার্থনা করেন, আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে ক্ষমা করেন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করেন।

  • ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’, জামায়াতের আমিরের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা শেষে দাবি

    ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’, জামায়াতের আমিরের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা শেষে দাবি

    মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রদর্শিত শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। এটি রাষ্ট্রের জন্য একটি সর্বোচ্চ আচার এবং আমাদের সবারই উচিত যথাযথ ভাবে এদিন শ্রদ্ধা জানানো। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে স্মৃতিসৌধে মোনাজাতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই বক্তব্য করেন তিনি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা আমাদের বীর শহীদদের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেছি যাতে দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা রক্ষা হয় এবং শান্তি ও রহমত বর্ষিত হয়। তিনি আরো বলেন, আমরা চাই আধুনিক, অহিংস ও দুর্নীতিমুক্ত একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে, যেখানে কোনো ধরনের বৈষম্য থাকবে না। এই জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি দেশবাসীর প্রতি সুন্দর ও শক্তিশালী জাতির স্বপ্নের জন্য শুভেচ্ছা ও বার্তা ব্যক্ত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের বেশ কয়েকজন নেতা – নায়েবে আমिर এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি ও অন্য নেতারা।