Blog

  • জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরি

    জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরি

    জাতীয় সংসদের ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে তীব্র কথাবার্তা বলেছেন বিএনপির সাংসদ মনিরুল হক চৌধুরী। রোববার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে তিনি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস এবং সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়ে মন্তব্য করেন।

    মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার পর এক সময় এক মেধাবী তরুণ শ্রেণি এসেছে, যারা জাসদ (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল) গঠন করেছিল; কিন্তু অতিরঞ্জনের ফলে তা দেশের জন্য ক্ষতিকর হয়েছে। তিনি ভাষায় যোগ করে বলেন, আমাদের উচিত সবকিছু ধৈর্য ও বোদ্ধামূলক দৃষ্টিতে উপলব্ধি করার তৌফিক কামনা করা।

    তিনি বিশেষভাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করে বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি দলের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং তখন দেশের স্বার্থে বেগম খালেদা জিয়া অনেক প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে জামায়াতের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখেছিলেন। মনিরুল হক চৌধুরী বললেন, কিছু লোক যেন মনে করেন যে গত পনেরো-বিশ বছর দেশে বিএনপি ছিল না; আসলে দেশনেত্রীর সেই ভূমিকা ভোলা উচিত নয়।

    সাংসদ বলেন, এখনকার রাজনৈতিক পরিসরে কখনো কখনো তিনি কষ্ট পান—কোন ভাষায় কথা বলবেন তা বুঝতে পারেন না; কারণ, আগে যাদের বিরুদ্ধে কথা বলতেন তাদের চিনতেন, কিন্তু আজকার বিরোধীদলকে তিনি সেভাবে চেনেন না। তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমান যে সময় কঠিন নির্বাচনের কথা বলেছিলেন অনেকেই তখন তা বুঝছিলেন না, পরে নির্বাচনের বাস্তবতা প্রকাশ পেলেই বোঝা গেছে কতটা কঠিন ছিল।

    মনিরুল হক চৌধুরী আরও বলেন, এত বড় সংখ্যায় সংসদে আসার পর কৃতজ্ঞতা জানাতে যাদের কথা প্রথম আসা উচিত তারা হচ্ছেন জামায়াতে ইসলামির নেতারা; তবু আজকার বিতর্কে আমাদের সম্পর্কে প্রশ্ন উঠছে—বিশেষ করে যারা মুক্তিযোদ্ধা জীবিত আছেন তাদের সম্পর্কে অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা হচ্ছে, এবং মুক্তিযুদ্ধকে অন্য কোনো ঘটনার সমকক্ষ হিসেবে উপস্থাপন করা গেলেই সেটি অগ্রহণযোগ্য।

    রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি স্বাধীনতার পরের তরুণ নেতাদেরও শ্রদ্ধা জানান, বিশেষত এনসিপির যেসব নেতারা কমবয়সী হলেও সাহসী ভূমিকা নিয়েছেন—এদের প্রতি সম্মান জানানোর আহ্বান জানান। সংসদে তার ভাষণ ছিল ইতিহাসের বিচার, রাজনৈতিক নৈতিকতা ও মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা সংরক্ষণ নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশের মিশ্রিত আবেদন।

  • আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩১ মার্চ

    আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩১ মার্চ

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ব্যক্তি করদাতাদের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ হতে আর মাত্র সাত দিন আছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, সকল করদাতাদের আগামী ৩১ মার্চের মধ্যেই রিটার্ন জমা দেওয়ার সব ব্যবস্থা সম্পন্ন করতে হবে।

    সাধারণত শেষ সময় ৩০ নভেম্বর হলেও এবার সময় তিন দফায় বাড়িয়ে সমাপ্তি ৩১ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে। এনবিআর জানিয়েছে 이번বার অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, ফলে করদাতারা তাদের বাড়ি থেকেই এনবিআরের নির্ধারিত পোর্টালে ই-রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। অনলাইন সেবা সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিনেও চালু থাকবে।

    এনবিআর সূত্রে জানা গেছে বর্তমানে দেশজুড়ে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখের বেশি টিআইএনধারী আছেন। করযোগ্য আয় থাকলে তাদের রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। এখন পর্যন্ত আনুমানিক ৪১ লাখ করদাতা রিটার্ন জমা দিয়েছেন এবং ৫০ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের জন্য নিবন্ধন করেছেন।

    কিভাবে অনলাইনে রিটার্ন দেবেন: প্রথমে এনবিআরের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের পরে ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে। অনলাইনে জমা দেওয়ার সময় কোনো কাগজপত্র আপলোড করতে হয় না; কেবল প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সঠিকভাবে ভরাট করলেই চলে। একই সঙ্গে অনলাইনেই কর পরিশোধ করার সুবিধা রয়েছে—ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড ছাড়াও বিকাশ, রকেট, নগদসহ বিভিন্ন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে ট্যাক্স ভাড়া করা যায়।

    বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়া করে রিটার্ন জমা দিলে ভুল হওয়ার আশંકা বেশি থাকে, যা জরিমানা ও আইনি জটিলতার কারণ হতে পারে। তাই সময় থাকতেই রিটার্ন প্রস্তুত করে জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

    রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে করদাতাদের জন্য কিছু প্রাথমিক প্রস্তুতি: আয়-ব্যয়ের হিসাব আগে থেকে প্রস্তুত রাখা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখা, অনলাইন সিস্টেমে লগইন করে তথ্য যাচাই করা এবং জমা দেওয়ার আগে সব তথ্য একবার ছাড়াই খতিয়ে দেখা। প্রয়োজন হলে কর পরামর্শকের সহায়তা নিন।

    এনবিআর আশা করছে যারা সময়ের আগেই রিটার্ন জমা দেবেন তারা ঝামেলা এড়াতে পারবেন এবং অনলাইন ব্যবস্থার সুবিধা পুরোপুরি ভোগ করতে পারবেন।

  • ক্রেডিট কার্ডের নতুন গাইডলাইন: ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    ক্রেডিট কার্ডের নতুন গাইডলাইন: ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পরিচালনায় আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে নতুন গাইডলাইন জারি করেছে। রোববার এই তথ্য জানিয়েছে ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।

    দৈনন্দিন লেনদেনে নগদ বহনের বিকল্প হিসেবে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বাড়ায় এবং সেবার পরিধি সম্প্রসারণ পাওয়ায় পুরনো নীতিমালা হালনাগাদ করে একটি পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা আনা হয়েছে। নতুন গাইডলাইনে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা ও বিরোধ নিষ্পত্তি সহ বিভিন্ন দিককে শক্তিশালী করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    গাইডলাইনে ক্রেডিট কার্ড সম্পর্কিত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে— প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, কার্ডের প্রকারভেদ, গ্রাহকের যোগ্যতার মাপকাঠি, ক্রেডিট সীমা ও সুদের হার নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন পদ্ধতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা ও অধিকার সুরক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বিতরণযোগ্য সর্বোচ্চ ঋণসীমা বাড়ানো হয়েছে। আগে যেখানে সর্বোচ্চ ঋণসীমা ছিল ২৫ লাখ টাকা, তা now বেড়ে ৪০ লাখ টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনিরাপদ (আনসিকিউর্ড) ঋণের সীমা ১০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন নির্দেশনায় গ্রাহকের অভিযোগ, কার্ড জালিয়াতি বা অনিয়ম, কার্ডের মাধ্যমে হওয়া লেনদেন পরিশোধে যে জটিলতা সৃষ্টি হয় তা নিরসন এবং বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিমার্জন ও নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এই গাইডলাইন প্রয়োগের মাধ্যমে ক্রেডিট কার্ড খাতে ঝুঁকি কমানো, দায়িত্বশীল ঋণ প্রদান উৎসাহিত করা এবং নগদবিহীন আর্থিক লেনদেনের জন্য একটি স্বচ্ছ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। ব্যাংক ও সমন্বিত অর্থপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন নিয়মাবলী মেনে চলতে বলা হয়েছে।

  • পাকিস্তান ইরানের কাছে পৌঁছে দিল যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব

    পাকিস্তান ইরানের কাছে পৌঁছে দিল যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব

    পাকিস্তান ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পৌঁছে দিয়েছে। আলজাজিরার সঙ্গে যোগাযোগকারীরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    আলজাজিরার প্রতিবেদক ওসামা বিন জাভেদ জানিয়েছেন, পাকিস্তানের উচ্চপদস্থ এক সূত্র তাদের জানিয়েছে যে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তুতকৃত একটি নথি পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ইরানিদের কাছে তুলে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে ইরানের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষা করা হচ্ছে।

    সূত্রটি বলছে, এ পদক্ষেপ উত্তেজনা কমানো এবং ভবিষ্যতে সরাসরি কথোপকথনের সুযোগ তৈরি করার প্রচেষ্টার অংশ। আগামী দিনগুলোতে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠকও হতে পারে বলে খবর পাওয়া গেছে।

    তুরস্কও এ প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে ধারা পৌঁছেছে। রয়টার্সকে তুরস্কের ক্ষমতাসীন একে পার্টির পররাষ্ট্র বিষয়ক সহসভাপতি হারুন আরমাগান বলেছেন, আঙ্কারা তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ‘বার্তা আদান-প্রদানের ভূমিকা’ পালন করছে।

    আরমাগান বলেন, তুরস্কের উদ্দেশ্য হচ্ছে উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং সরাসরি আলোচনার পথ সযত্নে তৈরি করা। তিনি আরও বলেছেন যে তুরস্কের উভয় দেশের সঙ্গে ঘন সম্পর্ক রয়েছে এবং অন্যান্য কয়েকটি দেশের সঙ্গে মিলিত হয়ে দেশটি সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।

    আলজাজিরা ও রয়টার্সের সূত্র ধরে পাওয়া এসব তথ্য এখন পর্যন্ত প্রাথমিক; ইরানের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। সূত্র: আলজাজিরা, রয়টার্স।

  • আমরা জিতেছি, তাদের আর কিছু নেই: ট্রাম্প

    আমরা জিতেছি, তাদের আর কিছু নেই: ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ইতিমধ্যেই জয়ী হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা বিজয়ী হয়েছি। এ যুদ্ধে ইতোমধ্যেই আমাদের জয় এসেছে। আমরা তাদের নৌবাহিনীকে ধ্বংস করেছি… বিমানবাহিনী, অস্ত্রাগার এবং বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলা করেছি।”

    ট্রাম্প আরও বলেন, এত দ্রুত জয় আসায় মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ খানিকটা ‘হতাশ’ও হয়েছেন। তিনি সমকালীন সংবাদমাধ্যমগুলিকে ভুয়া খবর ছড়ানোয়ের অভিযোগ তোলেন এবং মন্তব্য করেন, “নিউইয়র্ক টাইমস, এবিসি, সিবিএসিসহ অনেক সংবাদমাধ্যম ভুয়া খবর ছড়াচ্ছে; কিন্তু সত্য হলো—আমরা জয় পেয়েছি।”

    প্রেসিডেন্ট জানান, এখন ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং তাদের (“ইরান”) একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ইচ্ছে রয়েছে। ট্রাম্প বলেন, “তারা এখন এমন অবস্থায় আছেন—যা তাদেরকে সুবিধা দেয়। দেখুন, তারা নৌবাহিনী হারিয়েছে, বিমানবাহিনী নেই, যোগাযোগব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে। এক কথায় যা ছিল, সব ধ্বংস হয়ে গেছে। তাদের আর কিছুই নেই।”

    ট্রাম্প আরও দাবি করেন যে ইরানে কার্যকরভাবে সরকারের পরিবর্তন হয়েছে এবং বর্তমানে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তারা আগের নেতাদের থেকে ‘অনেকটা ভিন্ন’। তিনি বলেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের সঙ্গে সংলাপে যুক্ত রয়েছেন ভিস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।

    পটভূমি হিসেবে উল্লেখ্য, তেহরান ও ওয়াশিংটন ম্যাচে ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রുവരി পর্যন্ত সংলাপ হয়, যা ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। এর পর ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে; একই সঙ্গে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে অভিযান চালাতে শুরু করে।

    কিছু আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউএস-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নিহত হয়েছেন এবং বহু সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; একই সঙ্গে নিহতের সংখ্যা দুই হাজারের বেশি বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি এবং বিভিন্ন সূত্রে বিবরণ ভিন্ন রকম।

    অপরদিকে ইরানও প্রতিরোধ ও পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরান মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয় দেশের (সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান) মুঠোফোন ও মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, এবং এসব আক্রমণ এখনও হলছেই বলে জানানো হয়েছে।

    তবে গতকাল এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, যুদ্ধ থামাতে ইরানকে ১৫ দফার প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং পাকিস্তানের মাধ্যমে প্রস্তাবটি তেহরানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে—এ তথ্য সূত্রে এএফপি’র উদ্ধৃতি রয়েছে। এই প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ নৈতিকতা নিয়ে আলোচনা চলমান।

  • সাতক্ষীরায় হেলমেট, লাইসেন্স ও কাগজপত্র ছাড়া মোটরসাইকেলে তেল বিক্রি বন্ধ

    সাতক্ষীরায় হেলমেট, লাইসেন্স ও কাগজপত্র ছাড়া মোটরসাইকেলে তেল বিক্রি বন্ধ

    সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক হেলমেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। আদেশটি বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল থেকে জেলার প্রতিটি পেট্রোল পাম্পে কার্যকর করা হয়।

    জানা গেছে, ঈদের পর থেকেই জেলায় পাম্পগুলোতে তেলের সরবরাহ আছে; তবু তেলের সমস্যা টালমাটাল হচ্ছে না। প্রতিদিন সকালের মুহূর্ত থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের সামনে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। অনেক চালক সিরিয়াল নেবার জন্য রাতভর পাম্পের আশপাশে ঘুমিয়ে থাকেন।

    বুধবার সকালে মহেশ্বর কাটি, বুধহাটা, ধুলিহর ভাই ভাই, এবি খান, মোজাহার, মজুমদার, সোনালী, আলিপুর ও কপোতাক্ষসহ জেলার বহু পাম্পে খুলনা থেকে তেল আসার অপেক্ষায় শত শত মোটরসাইকেল লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও প্রতি মোটরসাইকেলে সীমিতভাবে ৩০০–৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। শহরের এবি খান পাম্পে দীর্ঘ লাইনের কারণে ব্যাপক যানজট তৈরি হওয়ায় পথচারী ও অন্যান্য যানবাহনের চলাচলে বিঘ্ন পড়ছে।

    একই সঙ্গে শহর ও আশপাশের খোলা বাজারে অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অভিযোগও উঠেছে। কিছু খুচরা দোকানে পেট্রোল লিটারপ্রতি ২৫০–৩০০ টাকা এবং অকটেন ৩০০–৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি। পাম্প থেকে তেল না পেয়ে অনেকে অতিরিক্ত মূল্য দিয়ে কেনাকাটা করতে বাধ্য হচ্ছেন।

    এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসন পাম্পগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে—হেলমেট ছাড়া, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা বৈধ কাগজপত্র না থাকলে মোটরসাইকেলে তেল দেয়া হবে না। জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতা এ নির্দেশনাগুলো নিশ্চিত করে বলেন, জেলার পাম্পগুলোতে তেলের সরবরাহ মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে; কিন্তু একসঙ্গে কয়েকশো মোটরসাইকেলের ভিড় পরিস্থিতি অব্যবস্থাপনার কারণ হচ্ছে। তাই ভিড় ও যানজট রোধে কাগজপত্র যাচাই করে তেল বিক্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    জেলার motorists-দের অনুরোধ করা হয়েছে—হেলমেট পরিধান এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সঙ্গে রাখতে, যাতে ত্বরিতভাবে তেল সরবরাহ পাওয়া যায় এবং যানজট কমে। জেলা প্রশাসন ভবিষ্যতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

  • চিতলমারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ঢাকার বাসিন্দা মোঃ বাবু মোল্লা নিহত

    চিতলমারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ঢাকার বাসিন্দা মোঃ বাবু মোল্লা নিহত

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ঢাকার বাসিন্দা মোঃ বাবু মোল্লা (৪৩) নিহত হয়েছেন।

    ঘটনা বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে চিতলমারীর কলাতলা ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় ঘটে। নিহত বাবু মোল্লা মোটরসাইকেল (ঢাকা মেট্রো-ল-৬৫-০৬০৬) চালিয়ে চিতলমারী সদরে আসছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশের কাছে জানা গেছে, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বেপরোয়া গতির লোকাল বাস তাঁকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

    নিহত বাবু মোল্লা ঢাকার দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মাতুয়াইল এলাকার মৃত নাছির মোল্লার ছেলে। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য উদ্ধৃত করে চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নজরুল ইসলাম ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

    ওসি মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক বাসটি আটক করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য উদ্ধার করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

  • বিসিবি ঘোষণা করেছে স্বাধীনতা দিবস প্রদর্শনী ম্যাচের লাল ও সবুজ দল

    বিসিবি ঘোষণা করেছে স্বাধীনতা দিবস প্রদর্শনী ম্যাচের লাল ও সবুজ দল

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ‘ইন্ডিপেনডেন্স ডে এক্সিবিশন ক্রিকেট ম্যাচ ২০২৬’ শিরোনামে একটি বিশেষ টি-টোয়েন্টি প্রদর্শনী ম্যাচ আয়োজন করছে। এই অনুষ্ঠানীয় ম্যাচে মাঠে নামবে লাল দল ও সবুজ দল।

    ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৬ মার্চ সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। সাবেক ক্রিকেটারদের মুখোমুখি করে আয়োজনটিকে থ্রিল এবং নস্টালজিয়ায় পূর্ণ করার পরিকল্পনা নিয়েছে বোর্ড। ইতিমধ্যে দুই দলের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে।

    সবুজ দল (ম্যানেজার: ফারুক আহমেদ, কোচ: খন্দকার ওয়াহিদুল ঘনি): শাহরিয়ার নাফিস, জাভেদ ওমর বেলিম, হান্নান সরকার, নাদিফ চৌধুরী, ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স, তুষার ইমরান, শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ, মোহাম্মদ সেলিম, তালহা জুবায়ের, আনোয়ার হোসেন মনির, আব্দুর রাজ্জাক, হাসিবুল হোসেন শান্ত, জামাল উদ্দিন বাবু ও হাসানুজ্জামান ঝরু।

    লাল দল (ম্যানেজার: রকিবুল হাসান, কোচ: মোহাম্মদ সারওয়ার ইমরান): জাহাঙ্গীর আলম, মেহরাব হোসেন অপি, মোহাম্মদ আশরাফুল, নাসির উদ্দিন ফারুক, মোহাম্মদ রফিক, মোহাম্মদ এহসানুল হক, খালেদ মাহমুদ পাইলট, আনোয়ার হোসেন (উইকেটকিপার), তারেক আজিজ খান, মাহবুবুল আলম রবিন, ডলার মাহমুদ, ইলিয়াস সানি, মুশফিকুর রহমান বাবু ও সাজ্জাদ আহমেদ শিপন।

    বিসিবি জানিয়েছে, স্বাধীনতা দিবসের প্রাসঙ্গিকতা ও গুরুত্বকে ফুটিয়ে তুলতেই এবং সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটারদের একসঙ্গে এনে সাধারণ ভক্তদের জন্য একটি স্মরণীয় আয়োজন করতে এই ম্যাচের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে মাঠেও থাকবে উচ্ছ্বাস, আর দর্শকরা দেখবে পুরনো দিনের অনেক মুহূর্তকে নতুন রঙে।

  • রাজস্থান বিক্রিতে শেন ওয়ার্নের পরিবার পাচ্ছে প্রায় ৪৫০–৪৬০ কোটি টাকা

    রাজস্থান বিক্রিতে শেন ওয়ার্নের পরিবার পাচ্ছে প্রায় ৪৫০–৪৬০ কোটি টাকা

    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের প্রথম মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন রাজস্থান রয়্যালসের সঙ্গে শেন ওয়ার্নের পূর্বের চুক্তিই তাঁর পরিবারের জন্য বড় আর্থিক সুবিধা এনে দেবে। ঐতিহ্যবাহী ওই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক নয়—যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক কনসোর্টিয়ামের কাছে প্রায় ১.৬৩ বিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়েছে, যা প্রায় ১৫,২৯০ কোটি টাকার সমপরিমাণ বলে ধারনা করা হচ্ছে।

    ওয়ার্ন ছিলেন রাজস্থানের প্রথম বছরগুলোর অধিনায়ক ও দলটিকে পরিচালনা করার অনুষঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন। সাবেক এই অস্ট্রেলীয় স্পিনার তার চুক্তিতে একটি বিশেষ ধারা রেখেছিলেন—প্রতি মৌসুমে রাজস্থানের হয়ে খেললে তিনি ০.৭৫ শতাংশ মালিকানা পাবেন। তিনি রাজস্থানের হয়ে মোট চার মৌসুম খেলেছিলেন, ফলে তাঁর মোট শেয়ার দাঁড়ায় ৩ শতাংশ।

    ফ্র্যাঞ্চাইজি বিক্রির বর্তমান মূল্যে ওই ৩ শতাংশ অংশের মূল্য আনুমানিক ৪৫০–৪৬০ কোটি টাকার রেঞ্জে দাঁড়ায়। ফলে ওয়ার্নের পরিবার এই বিক্রয় থেকে বড় অঙ্কের টাকা পাওয়ার যোগ্য হবে। তবে পারিবারিক পাওনা পাওয়ার আগে কয়েকটি আনুষ্ঠানিকতা আছে—আইপিএলের চলতি মৌসুম শেষ হওয়ার পর শেয়ার হস্তান্তর ও অর্থ গ্রহণ করা সম্ভব হলেও এর জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)-র অনুমোদন লাগবে।

    শেন ওয়ার্ন ২০২২ সালের ৪ মার্চ থাইল্যান্ডে হৃদরোগে প্রয়াত হন। মাঠের মধ্যেও তিনি ছিলেন কিংবদন্তি, মাঠের বাইরেও ছিলেন দূরদর্শী—দীর্ঘদিন আগের সেই চুক্তিই আজ তাঁর পরিবারকে আর্থিক নিরাপত্তা দেয়ার উপকরণ হিসেবে কাজ করছে।

    উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে এমার্জিং মিডিয়া গ্রুপ মনোজ বাদালের নেতৃত্বে মাত্র ৬৭ মিলিয়ন ডলারে রাজস্থান রয়্যালস কিনেছিল, যা পরবর্তী দশকে খেলাধুলার বিশাল জনপ্রিয়তা ও বাজার বৃদ্ধির সঙ্গে বহুগুণ বেড়ে যায়।

  • জয়পুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিউজপ্রেজেন্টার ও মডেল-অভিনেত্রী হর্ষিল কালিয়ার মৃত্যু

    জয়পুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিউজপ্রেজেন্টার ও মডেল-অভিনেত্রী হর্ষিল কালিয়ার মৃত্যু

    জয়পুরে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় জনপ্রিয় নিউজ প্রেজেন্টার, মডেল ও অভিনেত্রী হর্ষিল কালিয়া মারা গেছেন। শুক্রবার (২৩ মার্চ) রাতে ঘটে যাওয়া এই দূর্ঘটনায় ছেলে প্রাপ্তবয়স্ক বয়সে তিনি না পৌঁছিয়ে মাত্র ৩০ বছর বয়সে প্রাণহারান, যা শোবিজ এবং সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া ফেলেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল গত ২৩ মার্চ রাত প্রায় ১১টা ৩০ মিনিটে শিপ্রা পথ রোডে। কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন কালিয়া; তখন তার গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মধ্যেকার ডিভাইডারে ধাক্কা খায় এবং উলটে যায়।

    দুর্ঘটনার সিসিটিভিতে দেখা গেছে, ডিভাইডারে ধাক্কা লাগার পর গাড়িটি বাম দিকে উলটে যায়। ঘটনাস্থলে থাকা স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে গাড়িটি সোজা করে তাকে উদ্ধার করেন এবং কাছাকাছি একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক নির্ণয়ে প্রধানত মাথায় গুরুতর আঘাতের ফলে তার মৃত্যু হয়েছে।

    পুলিশ ইতোমধ্যে দুর্ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। তারা যাচাই করছে গাড়িটি অতিরিক্ত গতিতে ছিল কিনা, নাকি কোনো অন্য গাড়ি ওভারটেক করার চেষ্টা করছিল—তথ্যগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    হর্ষিল কালিয়া জয়পুরভিত্তিক শোবিজে সক্রিয় ছিলেন; মডেলিং, উপস্থাপনা ও অভিনয়—তিনটি ক্ষেত্রেই তিনি পরিচিত ছিলেন। তাকে ডিজনি প্লাস হটস্টারের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘ক্রাইম নেক্সট ডোর’-এ দেখা গেছে, যেখানে অনুপ্রীয়াহ গোয়েঙ্কা, জশপাল শর্মা, সাহিল ভাইদ ও ভৎসল শেঠের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন।

    নিউজ প্রেজেন্টার হিসেবেও শিপ্রাহীন অনলাইন ও টেলিভিশন কাজ করা কালিয়া একাধিক রাজস্থানি মিউজিক ভিডিওর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি ‘মিস দিভা রাজস্থানি ২০২১’ এবং ‘মিস পিঙ্ক সিটি’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথম রানার-আপ হন, যা তাকে স্থানীয়ভাবে আরেকটু সামনে এনে দেয়।

    তার অকালপ্রয়াণে শোবিজের মানুষের মধ্যে কাঁদা-ছলনা ও শ্রদ্ধার অভিব্যক্তি ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে ঘটনার বিস্তারিত জানানো হবে তদন্ত শেষে।