Blog

  • মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা আবেদন

    মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা আবেদন

    ঢাকার উত্তরা এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীদের নিহতের ঘটনায় তদন্তে নামলো পুলিশ। এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করেছেন নিহত শিক্ষার্থীর পরিবারের প্রতিনিধি। বিশেষ করে, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মাদ ইউনুস, সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খানসহ মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে রাজধানীর এক আদালতে, মৃত্যুবরণকারী শিক্ষার্থীর পিতা উসাইমং মারমা এ মামলার আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরবর্তী তদন্তের জন্য অপেক্ষা করার নির্দেশ দেন।

    আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বাদীর পক্ষের আইনজীবী এ কে এম শারিফ উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা প্রত্যেকে দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য যথাযথ দায়িত্ব পালন করেননি বা নড়াচড়া করেননি, যার ফলে এই মৃত্যু ঘটেছে।

    আসামিদের মধ্যে আরও রয়েছেন: এয়ার ভাইস মার্শাল মোর্শেদ মুহাম্মাদ খায়ের উল আফসার, গ্রুপ ক্যাপ্টেন রিফাত আক্তার জিকু, মাইলস্টোন স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল মোহাম্মদ জিয়াউল আলম, উপদেষ্টা নূরনবী (অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল), স্কুলের প্রশাসনিক প্রিন্সিপ্যাল মাসুদ আলম, স্কুল শাখার প্রিন্সিপ্যাল রিফাত নবী, রাজউকের চেয়ারম্যান, উত্তরা ফিল্ড সুপারভাইজার, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব সিদ্দিক জুবায়ের, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, সাবেক শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা ডা. রেজোয়ানা হাসান এবং সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    মামলার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে অবহেলা জনিত মৃত্যুসহ প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ২১ জুলাই দুপুরে উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দোতলা ভবনে বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এই দুর্ঘটনায় মোট ৩৬ জন নিহত এবং ১২৪ জন আহত হন। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ ছিল পাইলটের উড্ডয়নে ত্রুটি এবং উড়ানের নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা।

  • সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা মূল্যে ব্যাগ, ড্রেস ও ফুটওয়্যার বিতরণের উদ্যোগ

    সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা মূল্যে ব্যাগ, ড্রেস ও ফুটওয়্যার বিতরণের উদ্যোগ

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন যে, দেশের জন্য অত্যন্ত আনন্দের খবর হলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা মূল্যে পাটের তৈরি ব্যাগ, ড্রেস ও ফুটওয়্যার সরবরাহের কার্যক্রম দ্রুত কার্যকর হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুগুলোর জন্য মানসম্পন্ন ও ব্যবহার উপযোগী জুতা ও পোশাক তাদের কাছে পৌঁছে দিতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (০৭ মে), সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত দেশের শীর্ষস্থানীয় লেদারগুডস ও ফুটওয়্যার প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে এক যুগ্ম সভায় প্রতিমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায়, সরকার প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য এই সুবিধাজনক উপহার দ্রুত দিয়ে তাদের মর্যাদার সঙ্গে শিক্ষালাভে সহায়তা করছে।

    প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের জন্য কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং বাস্তবায়ন দ্রুত এগিয়ে যাবে। সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্পন্ন জুতা বিতরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠান তাদের সিএসআর এর আওতায় এই প্রকল্পে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস প্রদান করেছেন।

    প্রাথমিকভাবে দেশের প্রতিটা উপজেলায় দুটি করে সরকারি বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিশুদের মধ্যে প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থী এই উপকরণ পাবেন। এই পাইলট প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো শুধুমাত্র বিতরণ নয়, বরং এটি একটি মর্যাদাপূর্ণ ও সমন্বিত সহায়তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। এজন্য জুতার মান, ডিজাইন, উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং গুণগত মানের মধ্যে সমন্বয় অপরিহার্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    সভায়, জুতার মান ও মানদণ্ড নিশ্চিত করার জন্য একটি প্রযুক্তিগত ও মানদণ্ড নির্ধারণী কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। এতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞ, লেদার ইনস্টিটিউট, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধিরা থাকবেন। টেকনিক্যাল এক্সপার্টদের সম্পৃক্ততা, ডিজাইন ও মান যাচাইয়ে আরও গুরুত্বারোপ করা হয়, যেন আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য হয়।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বুটেক্স, অ্যাপেক্স, প্রাণ-আরএফএল, বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিনিধিরা, পাশাপাশি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুরা সুন্দর, মানসম্পন্ন ও মর্যাদাপূর্ণ পোশাক পাবে, যা তাদের আত্মসম্মান ও শিক্ষাগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ফারজানার আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ফারজানার আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

    আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদন মঞ্জুর করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলামের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশনা বুধবার (৭ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন।

    দুদকের পক্ষ থেকে এদিন অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম আদালতকে অবহিত করেন যে, ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে, যেখানে স্বামী, পুত্র ও তৃতীয় ব্যক্তির মাধ্যমে হয়তো অবৈধ অর্থের লেনদেন হয়েছে। এই বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়োগ করা হয়েছে।

    অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ফারজানা ইসলাম ও তার স্বামী মো. আখতার হোসেন এই আয়কর দাতা এবং তাদের বিপুল পরিমাণ অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদ গোপন করার সম্ভাবনা রয়েছে।

    অডিটে আরও বলা হয়, তদন্তের স্বার্থে তাদের নামের মূল আয়কর নথি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি বা কপি জব্দের প্রয়োজন। সেজন্য আদালত এই আদেশ দিয়েছেন, যাতে পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী তদন্তের কাজ সম্পন্ন করা যায়।

  • রাজধানীর সব ভবনে সৌর প্যানেল বসানোর উদ্যোগ

    রাজধানীর সব ভবনে সৌর প্যানেল বসানোর উদ্যোগ

    বিদ্যুতের চাপ কমানোর জন্য রাজধানী ঢাকার প্রতিটি ভবনে সৌর বিদ্যুৎ (সোলার প্যানেল) বসানোর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এই উদ্যোগের মাধ্যমে nationale বিদ্যুতের চাপ কমানো এবং অবকাঠামো উন্নত করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারের এই লক্ষ্য সম্পর্কে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও নির্মাণ সরঞ্জামবিষয়ক বিআইআইডি এক্সপো উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, নতুন নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে সৌর শক্তির ব্যবহাকে সহজতর করা হবে। এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আগামী জুনের মধ্যে সরকারি আদেশ জারি করে নতুন নীতিমালা কার্যকর করা হবে।

    মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের নেতৃত্বের অভাবে এখন পর্যন্ত ব্যাপকভাবে সৌর ব্যবস্থা সম্প্রসারণ সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমান সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে সৌর ও উইন্ড এনার্জির গুরুত্ব বাড়াতে চায়। এ সময় তিনি বলেন, বর্তমানে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি হয়নি।

    এর আগে, ৫ মে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে তিনি জানান, সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে আগামী পাঁচ বছরে ৫ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করার। প্রথম ধাপে, আগামী তিন মাসের মধ্যে দেশের সব জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সৌর প্যানেল স্থাপন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    অতিরিক্তভাবে, সরকারের লক্ষ্য ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ হিসেবে ৮০৯.৫ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেছেন, জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমাতে, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করতে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা উন্নত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ২০২৮ সালে জাতীয় গ্রিডে এই ৮০৯.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সংযুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

  • মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার শর্ত নিয়ে আলোচনা চলছে: নুর

    মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার শর্ত নিয়ে আলোচনা চলছে: নুর

    প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর জন্য সরকার ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে, দেশটির অর্থনৈতিক ও নীতিগত কিছু শর্ত পূরণ না হওয়ায় এখনো কাজটি সেরে ওঠেনি। শর্তগুলো নিয়ে দু’দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে, যেখানে ইতিবাচক অগ্রগতি হলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খুলে দেয়া সম্ভব হবে।

    শুক্রবার দুপুরে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে আয়োজিত এক অভিবাসী সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। নুরুল হক নুর উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় খোলার জন্য অতীতে মধ্যস্থতাকারী ও উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সাথে দুই দেশের পক্ষ থেকে সফর ও আলোচনা হয়েছে। তবে, এখনও কোন সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি। মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে দশটি শর্ত দেয়া হয়, এর মধ্যে কিছু শর্তের জন্য প্রচেষ্টায় থাকলেও, কিছু এজেন্সি এই শর্ত পুরোপুরি পূরণ করতে পারেনি। সেটি অনুযায়ী, মোট ৪২৩টি এজেন্সির তালিকা প্রস্তুত করা হয়। তবে, সব এজেন্সিই শর্ত পূরণে সক্ষম হয়নি।

    প্রতিমন্ত্রী জানান, যদি মালয়েশিয়ার দেওয়া দশটি শর্ত সম্পূর্ণভাবে মানা হয়, তবে দেশের বেশ কিছু রিক্রুটিং এজেন্সি সাময়িকভাবে তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে। এর ফলে বাংলাদেশে কার্যরত অধিকাংশ এজেন্সি এই শর্ত করতে অপারগ হবে। তাই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে শর্তগুলো নিয়ে মোক্ষম আলোচনায় বসে সমন্বয় করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। পরে, ছয়টি মূল শর্তের পাশাপাশি অতিরিক্ত কিছু মানদণ্ড নির্ধারিত হয়, এবং সেই অনুযায়ী ৪২৩টি এজেন্সির তালিকা মালয়েশিয়ায় পাঠানো হয়।

    প্রতিমন্ত্রীর মতে, দেশে বর্তমানে অনুমোদিত এজেন্সির সংখ্যা প্রায় দুই হাজার হলেও, তাদের মধ্য থেকে মাত্র ৪৫০ থেকে ৫০০টি কার্যক্রমের জন্য যোগ্যতা রাখে। বাকিদের মধ্যেও কিছু লাইসেন্সপ্রাপ্ত এজেন্সি প্রতারণা বা স্ক্যাম সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। এর ফলে, এজেন্সিগুলোর কার্যকারিতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা সংকটে পড়ে।

  • চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায়

    চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায়

    চীন বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব আরও গভীর এবং বাস্তব সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বেইজিংয়ে বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এসব প্রতিশ্রুতি দেন এবং দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন।

    বৈঠকে উভয় পক্ষ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং বৈঠক শেষে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। ওয়াং ই বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বকে আরও মজবুত করতে চায় বেইজিং এবং পারস্পরিক রাজনৈতিক আস্থা ও বাস্তব সহযোগিতা জোরদারে তাদের আগ্রহ রয়েছে। তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে থাকতে চায়।

    ওয়াং ই আরও জানান, চীন বাংলাদেশে একতা ও স্থিতিশীলতা রক্ষা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন পুনরুজ্জীবিত করা এবং সাধারণ জনগণের জীবনমান উন্নয়নে বাংলাদেশের নতুন সরকারের উদ্যোগকে সমর্থন করছে। তিনি বলেন, চীন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার করে বাংলাদেশকে সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

    দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্র হিসেবে চীন অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, পানি সংরক্ষণ, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, সবুজ উন্নয়ন ও ডিজিটাল অর্থনীতিকে উল্লেখ করেছে। পাশাপাশি চীন বলেছে, বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগকে সমর্থন করতে তারা বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উচ্চমানের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্প সমন্বয় করতে প্রস্তুত। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, চীনের উন্নয়নমূলক সম্পর্ক কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয় এবং তৃতীয় পক্ষ এসব সম্পর্ককে বিঘ্নিত করতে পারবে না।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও চীন দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং চীন সবসময় বাংলাদেশের আস্থাভাজন অংশীদার। তিনি জানান, নতুন সরকার চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও নিবিড় করতে আগ্রহী এবং তাইওয়ান ইস্যুতে বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে চীনের পাশে আছে—বাংলাদেশ এক চীন নীতি অনুসরণ করে এবং চীনের জাতীয় পুনর্মিলনের আকাঙ্ক্ষাও বাংলাদেশ সমর্থন করে।

    ড. খলিলুর রহমান চীনের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতাকে সাধুবাদ জানিয়ে বলছেন, বাংলাদেশ সম্পর্ককে সার্বিকভাবে আরও গভীর করে двountryয়েককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ চীনা বিনিয়োগকে স্বাগত জানায় এবং চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য স্থিতিশীল ও উপযুক্ত ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

  • নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন

    নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন

    ঢাকার একটি আদালত ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তাঁর স্ত্রী তামিমা সুলতানা (তাম্মি) বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণার দিন ১০ জুন নির্ধারণ করেছেন। বুধবার (৬ মে) অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে উভয় পক্ষের যুক্তি-প্রতিযোগিতা শেষে রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করা হয়।

    বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান সাক্ষ্য-প্রমাণের পর আসামিদের সর্বোচ্চ দণ্ড দাবি করেন। বিপরীতে আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু তাদের নির্দোষ দাবি করে খালাসের আবেদন করেন। উভয় পক্ষই শুনানিতে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

    ঘটনার সূত্রপাত ঠিক করা হয়েছে ২০২১ সালের দিকে। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তাম্মির সাবেক স্বামী রাকিব হাসান ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। বিবরণে বলা হয়েছে, তাম্মি ও রাকিবের বিবাহ হয়েছে ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি এবং তাদের একটি আট বছরের মেয়েও আছে। তাম্মি পেশায় কেবিন ক্রু। ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও নাসিরের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি রাকিবের নজরে আসে এবং পরে পত্রপত্রিকায় ব্যাপারটি জানতে পারেন।

    আভিযোগে বলা হয়েছে, রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান থাকতেই তাম্মি নাসিরকে বিয়ে করেছেন, যা ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইনের পরিপ্রেক্ষিতে অবৈধ। এছাড়া তাম্মিকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে। এই অনৈতিক ও আইনবিরুদ্ধ সম্পর্কের ফলে রাকিব ও তাদের কন্যা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছেন এবং রাকিবের উপর অপূরণীয় মানহানির ক্ষতিও হয়েছে, দাবি করেছেন মামলা করার সময় তিনি।

    অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয় ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২-এ। মামলায় নাসিরের শাশুড়ি সুমি আক্তারকে পরে অব্যাহতি দেওয়া হয়। দুই পক্ষই বিভিন্ন আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন আবেদন করেন। এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুর্শিদ আহাম্মেদ উভয় পক্ষের রিভিশন নামঞ্জুর করে মামলাটি চলবে বলে নির্দেশ দেন এবং সুমি আক্তারের অব্যাহতি বহাল রাখেন।

    মামলায় মোট ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে এবং সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয় ১৬ এপ্রিল। এছাড়া মামলার মধ্যে আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাম্মির সাফাই সাক্ষীর জবাব শেষে আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ৬ মে দিন ধার্য করেন; ওই দিনই উভয় পক্ষ যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১০ জুন নির্ধারণ করা হয়।

  • নিজামির পুত্র, হাজী শরীয়তুল্লাহর বংশধর ও ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’রা এনসিপিতে যোগ

    নিজামির পুত্র, হাজী শরীয়তুল্লাহর বংশধর ও ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’রা এনসিপিতে যোগ

    জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর মতিউর রহমান নিজামীর ছোট ছেলে ড. মোহাম্মদ নাদিমুর রহমান, ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়তুল্লাহর বংশধর আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন, গাজীপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক এমএএইচ আরিফ ও ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’ সংগঠনের সদস্যরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলামোটরে রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারের এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের কথা জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ড. মোহাম্মদ নাদিমুর রহমান বর্তমানে তুরস্কের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত থাকায় সশরীরে উপস্থিত ছিলেন না; তিনি অনলাইনের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন। আয়োজকরা দাবি করেন, ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’ দলের প্রায় চার হাজার সদস্য এনসিপিতে যোগ দিয়েছে, যদিও ওই অনুষ্ঠলে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৫০ জন সদস্য।

    হাজী শরীয়তুল্লাহর বংশধর আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যে বলেন, ‘‘হাজী শরীয়াতুল্লাহ কোনো রাজা ছিলেন না; তিনি দেশের সাধারণ কৃষক জনতার নেতা ছিলেন। নেতা আর রাজা হওয়ার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য আছে। আমি এনসিপিতে একজন কর্মী হিসেবে থেকে দলের নীতির সঠিকতা বজায় রাখতে কাজ করব। যদি কোনো নেতা ভুল পথে চলে, দল থেকে আমরা তাঁকে ফেরাতে কাজ করবো; যদি দলের কোন সিদ্ধান্ত অন্যায় হয়ে থাকে, সেখানে আমি ন্যায়ের পক্ষে কথা বলবো এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াবো।’’

    এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, ‘‘দেশের পথ হারানো রাজনীতির হাল ধরবে এনসিপি। সংসদে যারা প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার পরিচয় দিচ্ছে—তাদের কাজ ভালো ফল দেবে না। আমরা অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি।’’

    দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম_bn(সারজিস আলম?) অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোকে বর্তমান শাসকদল নিজেদের ভাগবাটোয়ারা ও লুটপাটের মঞ্চ বানানোর চেষ্টা করছে। তিনি দ্রুত সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান এবং বললেন এগুলো এ বছরের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত।

    দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সরকারকে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ‘‘বর্তমান সরকার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং তা সংসদে উলঙ্গভাবে প্রকাশ করেও লজ্জা পায় না। ইতিহাস সাক্ষী—যারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে, শেষমেষ জনগণের দ্বারা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘হোসাইন মুহাম্মদ এরশাদের মতো প্রশাসক নিয়োগে দেশ চালানোর চেষ্টা যারা করে—they are attempting the same model—and তারেক রহমানও এরশাদের পথেই যেতে চাইছে; তারা গণতন্ত্রকে কেবল তাদের রাজনৈতিক সুবিধার একটি হাতিয়ার বানিয়েছে।’’

    সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে নতুন যোগদানকারীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে দলীয় নেতৃত্ব ও নতুন সদস্যদের মধ্যে স্বাগত ও সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতাও অনুষ্ঠিত হয়।

  • ১০ মে এনসিপি ঘোষণা করবে উপজেলা চেয়ারম্যান ও মেয়র প্রার্থীর তালিকা

    ১০ মে এনসিপি ঘোষণা করবে উপজেলা চেয়ারম্যান ও মেয়র প্রার্থীর তালিকা

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, শনিবার ৩০ এপ্রিলের মধ্যে দলের হয়ে ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় উপজেলা চেয়ারম্যান এবং পৌরমেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার ভাবনা ছিল। তবে ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক কিছু কারণে সেই সময়সীমা মানা সম্ভব হয়নি, ফলে ঘোষণা পিছিয়ে গেছে।

    তিনি বলেন, আমরা এখন আশা করছি আগামী ১০ মে’র মধ্যে এনসিপি প্রাথমিকভাবে সমর্থিত উপজেলার চেয়ারম্যান ও মেয়র প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করতে পারব।

    সারজিস আলম আজ (০৫ মে), রাজধানীর বাংলামোটর রূপায়ন টাওয়ারস্থ দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে রাজনৈতিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকদের যোগদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে যোগদানের প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, দলকে শক্তিশালী করে স্থানীয় পর্যায়ে এককভাবে প্রতিযোগিতা করার প্রস্তুতি চলছে।

    তিনি আরও জানান, এ মাসের মধ্যেই সাতটি সিটি কর্পোরেশনে এনসিপি সমর্থিত মেয়রপ্রার্থীদের নাম জানানো হবে। বর্তমানে তারা একটি ১১ দলীয় জোটে থাকা সত্ত্বেও একদিকে বিরোধী দল হিসেবে সংসদে ভূমিকা পালন করছে, অন্যদিকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হয়ে এককভাবেও ভোট প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।

    সারজিস আলম অভিযোগ করেন, বিএনপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি টানাটানি করে পিছিয়ে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে এবং ইতোমধ্যে জেলা ও সিটি কর্পোরেশন পর্যায়ে প্রশাসন প্রদানের কাজ করছে। তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে এখন কোন কার্যকর উপজেলা চেয়ারম্যান নেই; তারা ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করার জন্য পুরোনো কৌশল আবার শুরু করেছে এবং এমন কথাও শুনতে পাচ্ছি যে উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করার চেষ্টা চলছে।

    এই ধরনের পদক্ষেপ তারা নিলে তা তাদের জন্য ক্ষতিকর হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি এবং দাবি করেছেন, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনের ব্যবস্থা এ বছর থেকেই সম্পন্ন করা উচিত।

  • এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ৩১২ কোটি ৭০ লাখ ডলার

    এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ৩১২ কোটি ৭০ লাখ ডলার

    সদ্য শেষ হওয়া এপ্রিল মাসে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছে ৩১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ কোটি ৪২ লাখ ডলার হয়ে দাঁড়ায়—এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

    গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৭৫ কোটি ২০ লাখ ডলার, ফলে বছর ব্যবধানে প্রবাহ বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৯৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯.৫০ শতাংশ বৃদ্ধি।

    এক নজরে মাসভিত্তিক কিছু পরিসংখ্যান: মার্চে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার—এটি এক মাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড। ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার। ডিসেম্বরে এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ; নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।

    আগস্ট ও জুলাইয়ে এসেছে যথাক্রমে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার; সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের রেমিট্যান্স ছিল যথাক্রমে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ thousand ও ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ thousand ডলার।

    এদিকে, গণ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ৩০.৩২ বিলিয়ন (অর্থাৎ ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ) মার্কিন ডলার—যা কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রাপ্তি হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।