Blog

  • গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, যদি সরকার গণরায়কে উপেক্ষা করে আগাতে চায় তালে জনগণ তা মেনে নেবে না। তিনি এ মন্তব্য করেন বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনকালের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে যারা শক্তিশালী ভূমিকা রেখেছে, বহুবার দেখা গেছে—তারা যখনই গণরায়ের বিরুদ্ধে গিয়েছে, তখনই ইতিহাসের পাতায় থেকে মুছে গেছে। ‘‘আপনারা দেখেছেন, অনেকেই মহাপরাক্রমশালী ছিলেন, শক্তিশালী ছিলেন, কিন্তু যখন তারা গণরায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, তারা ইতিহাস থেকে হারিয়ে গেছে।’’

    তিনি ১৯৭০ সালের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তখনও জনগণের রায় স্বীকৃতি না দেওয়ায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। অনুরূপভাবে ১৯৯০ সালের গণআন্দোলন স্বৈরাচ্যকে উৎখাত করে গণতান্ত্রিক পরিবর্তন আনে। দীর্ঘ ১৭ বছরের দমন-পীড়নের পরও যদি জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে শাসন কায়েমের চেষ্টা করা হয়, সেটি শেষ পর্যন্ত গণআন্দোলনের সামনে টিকতে পারে না—মতো তার।

    আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, ‘‘এখনও যদি গণরায় ও গণভোটের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয় এবং তা উপেক্ষা করে সরকার এগোতে চায়, তাহলে জনগণ তা গ্রহণ করবে না।’’

    তিনি গণভোটে বিপুলসংখ্যক মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে উল্লেখ করে বলেন, ‘‘এত রক্তের বিনিময়ে যে সংস্কার ও নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন শহীদের পরিবাররা, বাবা-মা ও আহত মুক্তিযোদ্ধারা দেখেছেন, সেটি বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি এই জনরায় বাস্তবায়ন না করা হয়, তাহলে যে ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে—তারা রাস্তায় নামতে দ্বিতীয় বার ভাববে না।’’

    সুতরাং তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে আবেদন করেন—জনগণের পাশে এসে সবাই মিলেমিশে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার তাগিদ কার্যকর করুন। অন্যথায় স্বাধীনতা রক্ষার কথা বলে আবারও জনগণ মাঠে নামতে বাধ্য হতে পারে, এমন সতর্কতা তার বক্তব্যের শেষাংশে ছিল।

  • আয়কর রিটার্ন জমানোর শেষ সময় ৩১ মার্চ

    আয়কর রিটার্ন জমানোর শেষ সময় ৩১ মার্চ

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ব্যক্তিগত করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমানোর সময়সীমা শেষ হতে মাত্র সাত দিন বাকি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন জমা দেওয়ার সব কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

    সাধারণত প্রতি বছর সময়সীমা ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত থাকলেও এবারে তিন দফায় সময় বাড়িয়ে শেষ সময় ৩১ মার্চ করা হয়েছে। এনবিআর জানিয়েছে এবারের জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক; তাই করদাতারা ঘরে বসে নির্দিষ্ট পোর্টালে ই-রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিনেও অনলাইন সিস্টেম চালু থাকবে।

    এনবিআর সূত্রে জানা গেছে বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখের বেশি টিআইএনধারী আছেন। করযোগ্য আয় থাকলে তাদের রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। এখন পর্যন্ত প্রায় ৪১ লাখ করদাতা রিটার্ন জমা দিয়েছেন এবং ৫০ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে রিটার্ন জমা করার জন্য নিবন্ধন করেছেন।

    অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার পদ্ধতি সহজ: প্রথমে এনবিআরের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ভিজিট করে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের পর ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে ফর্ম পূরণ করে রিটার্ন সাবমিট করতে হবে। কোনো কাগজপত্র আপলোড করার বাধ্যবাধকতা নেই; প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করলেই হবে।

    একই প্ল্যাটফর্মে অনলাইনে কর পরিশোধের ব্যবস্থা আছে। ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডে ছাড়াও বিকাশ, রকেট, নগদসহ বিভিন্ন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে কর পরিশোধ করা যাবে।

    কর বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে রিটার্ন জমালে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে এবং তা জরিমানা বা আইনি জটিলতার দিকে নিয়ে যেতে পারে। তাই সময় নিয়ে আগে থেকে রিটার্ন প্রস্তুত করে পাঠানোর অনুরোধ করা হচ্ছে।

    রিটার্ন জমোানোর আগে করদাতাদের নিয়মিত কিছু কাজ করার পরামর্শ দিচ্ছেন—আয়-ব্যয়ের হিসাব আগেই প্রস্তুত রাখা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করা, অনলাইন সিস্টেমে লগইন করে তথ্য যাচাই করা এবং সাবমিট করার আগে সব তথ্য আবার পরীক্ষা করা। প্রয়োজনে কর পরামর্শকের সহায়তা নেওয়াও জরুরি।

    কর প্রশাসন মনে করিয়ে দিয়েছে, সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই রিটার্ন দাখিল করলে করদাতারা ঝামেলা ও জরিমানা থেকে রক্ষা পেতে পারবেন এবং অনলাইন ব্যবস্থার সুবিধা পুরোপুরি ভোগ করতে পারবেন।

  • ক্রেডিট কার্ডের গাইডলাইন হালনাগাদ — সর্বোচ্চ ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    ক্রেডিট কার্ডের গাইডলাইন হালনাগাদ — সর্বোচ্চ ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    ব্যাংকিং সেবা আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন ক্রেডিট কার্ড গাইডলাইন জারি করেছে। রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।

    দৈনন্দিন জীবন ও নিত্যপ্রয়োজনে নগদ বহন না করেই ব্যয় পরিশোধের জন্য ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার সরবরাহ ও জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ায় খাতটির নীতিমালা হালনাগাদ করার প্রয়োজন দেখা দেয়। গাইডলাইনটি পুরোনো বিধান পর্যালোচনা করে তৈরি করা হয়েছে যাতে কার্ড সেবার পরিধি সম্প্রসারণের সঙ্গে সাথে জটিলতা কমানো যায়।

    নতুন নির্দেশনায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে এবং ভোক্তা অধিকার, দায়িত্বশীল ঋণ প্রদান ও নগদবিহীন লেনদেনের জন্য স্বচ্ছ পরিবেশ গড়ে তোলায় গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। গাইডলাইনে প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, ক্রেডিট কার্ডের শ্রেণিভেদ, গ্রাহক যোগ্যতার মানদণ্ড, ঋণসীমা ও সুদের হার নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্য গোপনীয়তা ও অধিকার সংরক্ষণ, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা- এসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    গাইডলাইনের অন্যতম বড় পরিবর্তন হলো ক্রেডিট কার্ডের সর্বোচ্চ বিতরণযোগ্য ঋণসীমা বাড়ানো। পূর্বে যেখানে সর্বোচ্চ সীমা ছিল ২৫ লাখ টাকা, তা বাড়িয়ে এখন ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনিরাপদ (অসিকিউার্ড) ঋণের সর্বোচ্চ সীমাও ১০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা করা হয়েছে।

    এছাড়া গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি, কার্ডপ্রদান সংক্রান্ত বিল পরিশোধে জটিলতা এবং বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে গাইডলাইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন যোগ করা হয়েছে। ফলে গ্রাহক সেবা দ্রুততর ও নিরাপদ হওয়ার সঙ্গে ব্যাংকগুলোর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাও শক্তিশালী হবে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে।

    গাইডলাইন বাস্তবায়ন ও পরিবেশনার ক্ষেত্রে ব্যাংক/প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত নির্দেশনা মেনে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করতে বলা হয়েছে, যা ধাপে ধাপে কার্যকর হবে এবং গ্রাহক সুবিধা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

  • ইরান আমাকে সর্বোচ্চ নেতা করে দিতে চেয়েছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প

    ইরান আমাকে সর্বোচ্চ নেতা করে দিতে চেয়েছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প

    মুখ্যমন্ত্রী মাত্রিক এক দাবি করেছেন — যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, ইরানের নেতারা আনানুষ্ঠানিকভাবে তাকে দেশের পরবর্তী ‘সর্বোচ্চ নেতা’ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। (সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে)

    ট্রাম্প বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ একটি রিপাবলিকান তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বলেন, “তারা আমাদের কাছে স্পষ্টভাবে বলেছে—আমরা আপনাকে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা করতে চাই। আমি বলেছি, না, ধন্যবাদ। আমি এটা চাই না।” তিনি আরও দাবী করেন যে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এতটুকু জিতেছে যে তা আগে কেউ দেখেনি।

    একই অনুষ্ঠানে ট্রাম্প আরও বলেন যে যুদ্ধবিরতি ও যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে এবং ইরান চুক্তিতে যেতে মরিয়া, তবে তাদের ভয় কাজ করছে—তারা মনে করে নিজের দেশের লোকেরা তাদের এ সিদ্ধান্তে শাস্তি দেবে।

    তবে তেহরান থেকে এসব দাবি সরাসরি নাকচ হয়েছে। ইরানের যৌথ সামরিক কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাকারি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, “আপনার জাতীয় অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব কি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে আপনি নিজেকে নিয়ে আলাপ-আলোচনা শুরু করেছেন? আমাদের মতো মানুষ আপনার সঙ্গে কোনো চুক্তি করবে না — এখনো না, কখনো না।”

    মার্কিন গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, ওয়াশিংটন পাকিস্তানসহ কিছু মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে তেহরানকে একটি ১৫ দফার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছিল ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত করা, হিজবুল্লাহসহ বিভিন্ন প্রক্সি গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন বন্ধ করা এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার মতো শর্তগুলো মেনে নেওয়া।

    এদিকে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে যে তেহরান ওই মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে নিজা—একটি পাঁচ দফার পাল্টা প্রস্তাব পাঠিয়েছে এবং জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে যুদ্ধে সমাপ্তি ইরানের শর্তে হবে।

    সংক্ষিপ্তভাবে, ট্রাম্পের গেরুয়া বক্তব্য ও ইরানের কঠোর প্রত্যাখ্যান—দুইপক্ষের এই তর্কস্বরূপ কূটনৈতিক সমঝোতা কতটা বাস্তবসম্ভব হবে, তা সময়ের সঙ্গে স্পষ্ট হবে।

  • অন্ধ্রপ্রদেশে বাস-টিপার সংঘর্ষে আগুন ছড়িয়ে নিহত ১৩

    অন্ধ্রপ্রদেশে বাস-টিপার সংঘর্ষে আগুন ছড়িয়ে নিহত ১৩

    অন্ধ্রপ্রদেশের মার্কাপুরাম এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোরে বাস ও টিপার লরির সংঘর্ষের পর বাসে আগুন লেগে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাটি সকাল প্রায় ছয়টার দিকে ঘটে বলে জানায় স্থানীয় প্রশাসন।

    ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন; প্রাথমিকভাবে প্রায় ২০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশের বার্তায় বলা হয়েছে, তাদের মধ্যে প্রায় আটজনকে জীবন্ত দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে এবং কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক যাত্রী বাসের ভেতরেই আটকা পড়ে দগ্ধ হন। ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (ডিএসপি) নাগরাজু জানান, উদ্ধারকারী দল দ্রুত কাজ করছে এবং আহতদের কাছাকাছি প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করা হয়েছে।

    ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটি ‘হরিকৃষ্ণ ট্রাভেলস’-এর এবং এটি তেলেঙ্গানার নির্মল থেকে নেল্লোর উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। সড়কে একটিভ টিপার লরির সঙ্গে সংঘর্ষের পরই বাসে আগুন ধরে যায়।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং নিহতের পরিবারকে দুই লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ ও আহতদের জন্য প্রতি জনে ৫০ হাজার রুপি করে আর্থিক সহায়তা বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন।

    অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন. চন্দ্রবাবু নাইডু দুর্ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে আহতদের দ্রুত ও উপযুক্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং ঘটনা সম্পর্কিত তদন্ত করে বিস্তারিত প্রতিবেদন পেশ করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। উপমুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণও আহতদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং ঘটনার জন্য তিনি গভীরভাবে মর্মাহত।

    আইটি মন্ত্রী নারা লোকেশ ও তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেভন্ত রেড্ডি মর্মাহত হয়ে নিহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। তারা দু’রাজ্যের প্রশাসনকে সমন্বয় করে আহতদের সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিত করারও নির্দেশ দিয়েছেন।

    স্থানীয় সরকারি আধিকারিকরা বলছেন, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার জন্য তদন্ত শুরু করা হয়েছে। প্রতিটি বিষয় খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজন হলে মৃতের সংখ্যা ও আহতদের তালিকা পর্যালোচনা করা হবে।

    সূত্র: এনডিটিভি

  • মোংলা বন্দরে ৫৬তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

    মোংলা বন্দরে ৫৬তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

    মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে যথাযথ মর্যাদায় ৫৬তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে।

    স্বাধীনতা দিবসের মূল অনুষ্ঠান সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে জাতীয় ও বন্দরের পতাকা উত্তোলন, বন্দরের জাহাজ ও নৌযানসমূহকে জাতীয় পতাকা দিয়ে সজ্জিত করা হয়। এছাড়া কিছু জাহাজ সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয় যাতে তারা বন্দরের কার্যক্রম ও পরিবেশ সরাসরি উপভোগ করতে পারেন। একই সঙ্গে মোংলা বন্দর হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের জন্য উন্নতমানের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।

    এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় কর্তৃপক্ষের সভাকক্ষে অবসরপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন গ্রহণ করেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) কমডোর মো. শফিকুল ইসলাম সরকার। সভায় উপস্থিত ছিলেন কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) (যুগ্মসচিব) ড. এ. কে. এম. আনিসুর রহমান, সকল বিভাগীয় ও উপ-বিভাগীয় প্রধান, বন্দরের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী, মবক’র অবসরপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধারা, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন ও সিবিএর নেতারা।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আলোচনা বক্তব্যে কমডোর মো. শফিকুল ইসলাম সরকার বলেন, স্বাধীনতার ৫৬ বছরে দেশ ব্যাপক উন্নয়ন অর্জন করেছে এবং সেই উন্নয়নের ছোঁয়া মোংলা বন্দরেও পড়েছে। তিনি আরও বলেন, বন্দরের এ উন্নয়নে দ্রুততা আনতে এবং জাতীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে বন্দরের প্রতিটি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

    উদযাপন শেষে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের লক্ষ্য বাস্তবায়ন, মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য এবং জাতির শান্তি ও মোংলা বন্দরের উন্নতির প্রত্যাশায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল এবং অংশগ্রহণকারীরা এ উপলক্ষে আত্মবিশ্বাস আর একাত্মতার বার্তা দেন।

  • রাজস্থান বিক্রিতে ওয়ার্ন পরিবারের ভাগ্য: প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা

    রাজস্থান বিক্রিতে ওয়ার্ন পরিবারের ভাগ্য: প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা

    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের প্রথম মৌসুমে শিরোপা জেতা রাজস্থান রয়্যালস ফ্র্যাঞ্চাইজি বিক্রির ফলে কিংবদন্তি স্পিনার শেন ওয়ার্নের পরিবার বড় অঙ্কের অর্থ পেতে চলেছে।

    আইপিএলের শুরুতে রাজস্থানের অধিনায়ক থাকার পাশাপাশি দলের ক্রিকেট পরিচালনার দায়িত্বও হাতে নিয়েছিলেন ওয়ার্ন। চুক্তির একটি বিশেষ শর্তে তিনি প্রতি মৌসুমে রাজস্থানের হয়ে খেললে ০.৭৫ শতাংশ করে মালিকানা পাবেন—রয়েছেন যেখানে চার মৌসুম খেলায় তার মোট মালিকানা দাঁড়ায় ৩ শতাংশ।

    সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক কনসোর্টিয়ামের কাছে আনুমানিক ১.৬৩ বিলিয়ন ডলারে (প্রায় ১৫,২৯০ কোটি টাকা) বিক্রি হয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। এই হিসেব অনুযায়ী ওয়ার্নের ৩ শতাংশ শেয়ারের মূল্য প্রায় ৪৫০–৪৬০ কোটি টাকার কাছাকাছি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ওয়ার্নের পরিবার আইপিএলের চলতি মৌসুম শেষ হওয়ার পর শেয়ার বিক্রি করে এ অর্থ গ্রহণ করতে পারবে; তবে তার নির্ধারক একটি শর্ত হলো ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)-র অনুমোদন।

    শেন ওয়ার্ন ২০২২ সালের ৪ মার্চ থাইল্যান্ডে হৃদরোগে মারা যান। মাঠে তার অসাধারণ কীর্তিকলাপ ছাড়াও এমন ভবিষ্যতদর্শী চুক্তি বিগত দুই দশক ধরে তার দূরদর্শিতার প্রমাণ—ফলস্বরূপ তার অনুপস্থিতিতেও পরিবারের জন্য শতকোটি টাকার আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে এমার্জিং মিডিয়া গ্রুপের নেতৃত্বে মনোজ বাদাল কর্তৃক মাত্র ৬৭ মিলিয়ন ডলারে রাজস্থান কিনে নেওয়া হয়েছিল। ওয়ার্নের সেই চুক্তিই আজকের এই বড় ফলাফল আনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

  • পদ্মা বাসডুবিতে শোক: সাকিব, তামিমসহ তারকারা

    পদ্মা বাসডুবিতে শোক: সাকিব, তামিমসহ তারকারা

    পদ্মা নদীতে বাস ডুবির মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো দেশ শোকাহত। স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনার করুণ চিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে; সেখানে স্বজনহারাদের আহাজারি ও মরদেহ উদ্ধারের হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখা গেছে।

    আগে থেকেই শোকে মর্মাহত হয়েছেন দেশের ক্রিকেট তারকারাও। সৌহার্দ্য পরিবহনের ডুবে যাওয়া বাসটির ছবি নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে পোস্ট করে তামিম ইকবাল লিখেছেন, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক মানুষকে দোয়ায় রেখেছি। আল্লাহ তাদের পরিবারকে ধৈর্য ও আরোগ্য দান করুন।’ পোস্টের সঙ্গে থাকা ছবিগুলোতে কালো শোকাবহ আবহ দেখা গেছে এবং তিনি উল্লেখ করেছেন যে ২০২৬ সালের ২৫ মার্চকে স্মরণ করা হবে।

    সাকিব আল হাসিনাও ফেসবুকে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘গতকালকের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গভীরভাবে মর্মাহত। নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারগুলোকে আন্তরিক সমবেদনা। নিখোঁজদের দ্রুত সন্ধান ও উদ্ধার হোক। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন।’

    নুরুল হাসান সোহান ও লিটন দাসসহ অনেকে সামাজিক মাধ্যমে নিজের কষ্ট ও চিন্তা প্রকাশ করেছেন। সোহান লিখেছেন, ফেরিঘাটে আজকের ঘটনাটি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়, তিনি নিজেও প্রতিদিন একই পথ দিয়ে চলাচল করেন—আজ হয়তো তিনি সেখানে থাকতে পারতেন। লিটন দাস দেশজুড়ে চলমান দুর্ঘটনার খবরে গভীরভাবে মর্মাহত হয়ে তাদের পরিবারের জন্য প্রার্থনা করেছেন। বেঙ্গালি ফুটবল তারকা রুবেলও প্রশ্ন তুলেছেন কেন ঈদে ও ছুটির সময় আমাদের দেশে দুর্ঘটনার সংখ্যা বেশি হচ্ছে—এটা কি অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যর্থতা, নাকি অসচেতনতার ফল?

    প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে উঠার সময় পল্টুন ছিঁড়ে নদীতে ছিটকে পড়ে। অনেক যাত্রী ফেরিতে ওঠার আগে বাস থেকে নেমে থাকা থাকায় তাদের জীবন রক্ষা পেয়েছে; কেউ কেউ সাঁতরে তীরে উঠলেও অনেকে তাদের মা, বাবা, ভাইবোনকে হারিয়েছেন। এখন পর্যন্ত পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা ২৩টি মরদেহ উদ্ধার করেছেন এবং উদ্ধার ও উদ্ধারকাজ চলছে।

    দুর্ঘটনাগুলোর ধারাবাহিকতায় রেল ও লঞ্চ দুর্ঘটনাসহ অন্যান্য প্রাণহানির খবরে অনেক পরিবারের ঈদের আনন্দ আঁধারগ্রস্ত হয়েছে—এই বাস্তবতাই দেশের মানুষকে গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলেছে। ঘটনার পর উদ্ধার ও জরুরি চিকিৎসা কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা হয়েছে এবং প্রার্থনা ও সমবেদনা জানানো হচ্ছে নিহতদের পরিবারের প্রতি।

  • বিয়ের আট মাসেই প্রতারণা ধরা পড়ে: মৌসুমী হামিদ

    বিয়ের আট মাসেই প্রতারণা ধরা পড়ে: মৌসুমী হামিদ

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদের সংসার officially ভেঙে গেছে — এই খবর সংবাদমাধ্যমকে তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন। বছর দু’য়েকের পরিচয়ের পর লেখক-নাট্যকার আবু সাইয়িদ রানা সঙ্গে ২০২৪ সালের ১২ জানুয়ারি পারিবারিক সম্মতিতে বিয়ে করেছিলেন মৌসুমী। তবে এরপরই পারিবারিক অনৈক্যের সূত্র ধরে তাদের পথ আলাদা হওয়ার নীরবতা ভাঙলেন অভিনেত্রী।

    প্রাথমিকভাবে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে অনিচ্ছুক ছিলেন মৌসুমী, কিন্তু পরে তিনি বেশ বিস্তারিতভাবে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন। তাঁর বক্তব্য, বিয়ের আট মাসের মাথায় প্রথমবার স্বামীর প্রতারণা ধরা পড়ে। ‘‘বিয়ের আট মাসের মাথায় প্রথম প্রতারণা করে। এরপর আরও কয়েকবার প্রতারণা ধরা পড়ে। আমি সংসারের কথা ভেবে তাতে চোখ বন্ধ করতাম, এড়িয়ে যেতাম। কিন্তু এইবার বিষয়টা বেশ সিরিয়াস—প্রমাণসহ ধরা পড়েছে। তাই আর আমি সহ্য করতে পারিনি। আমার মনে হয়েছে, যথেষ্ট। আর নয়।’’

    মৌসুমীর অভিযোগের বিপরীতে আবু সাইয়িদ রানা বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি জানান, ‘‘মাস চারেক ধরে আমরা আলাদা থাকছি। একসঙ্গে থাকতে পারছি না, তাই আলাদা থাকছি। এই বিষয়ে আপাতত আর কিছু বলছি না।’’

    দুই পরিবারে আলোচনার পর এবং পারিবারিক সম্মতিতে তাদের বিয়ে হয়েছে—তখন মৌসুমী জানিয়েছিলেন, ‘‘রানার সঙ্গে আমার দুই বছরের পরিচয়। এরপরই আমরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিই।’’ এখন সেই সম্পর্কই আনুষ্ঠানিকভাবে শেষের পথে চলে এসেছে বলে স্থির হয়েছে।

    পেশাগত জীবনে মৌসুমী লাক্স সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অনুগামী অর্জন করে মিডিয়ায় প্রবেশ করেন। ছোটপর্দায় নিয়মিত কাজ করে তিনি জনপ্রিয়তা পান, পাশাপাশি কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে কাজ করে প্রশংসা পেয়েছেন। বর্তমানে এই ব্যক্তিগত বিবাদ নিয়ে সংবাদ মাধ্যম এবং অনুগামীদের মধ্যে উদ্বেগ ও আলোচনা চলছে।

  • প্রেক্ষাগৃহ সমস্যার পর অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ল শাকিব খানের ‘প্রিন্স’

    প্রেক্ষাগৃহ সমস্যার পর অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ল শাকিব খানের ‘প্রিন্স’

    প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনী জটিলতা কাটার আগেই নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে শাকিব খান অভিনীত আলোচিত সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’কে ঘিরে। চলতি সপ্তাহে কয়েকটি হলে টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে শো শুরু না হওয়ায় দর্শকরা ক্ষুব্ধ হন; কিছু ক্ষেত্রে উত্তেজনা ছড়িয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও জানা গেছে।

    সার্ভারের ত্রুটির ফলে দেশের কোনো কোনো হলে নির্ধারিত সময়ে সিনেমাটি দেখানো যায়নি। টিকিট হাতে থাকা দর্শকরা বিলম্ব ও বাতিল প্রদর্শনীর কারণে কড়া প্রতিক্রিয়া দেখায়, যা প্রযোজক ও হলে কর্মরত স্টাফদের জন্য বড় চাপ সৃষ্টি করেছে।

    এ অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুকে সিনেমার একাধিক দৃশ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। এসব ভিডিও মূলত হলে বসে মোবাইল ফোনে ধারণ করা ‘হল প্রিন্ট’—যা ছবির পাইরেসি ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে এবং মুক্তির পরে আশানুরূপ আর্থিক আয় ও সুরক্ষায় নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

    পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদের নির্মাণে শুরু থেকেই দর্শকের আগ্রহে থাকা এই ছবিটি মুক্তির পরই এই অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যার মুখে পড়েছে। নির্মাণ টিম ও প্রযোজকরা হতাহতের প্রতিক্রিয়া ও অনলাইন লিক রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা করছেন বলে সূত্রে জানা গেছে।

    ছবির গল্প মেজবাহ উদ্দিন সুমনের, যার কেন্দ্রে ৯০-এর দশকের ঢাকার প্রসিদ্ধ গ্যাংস্টার কালা জাহাঙ্গীরের জীবনদান প্রভাবিত। শাকিব খান এখানে প্রধান ভূমিকায়; এতে তাসনিয়া ফারিণ প্রথমবারের মতো শাকিবের বিপরীতে দেখা গিয়েছেন। পাশাপাশি জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু, ইন্তেখাব দিনার, রাশেদ মামুন অপু ও ড. এজাজসহ অনেকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন।

    এই সংকট পরিচালনা ও প্রযোজনা দলের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। চলচ্চিত্রটি নিয়ে আগ্রহ ও প্রত্যাশা থাকা সত্ত্বেও প্রদর্শন ও কপিরাইট সুরক্ষায় اکنো সংশ্লিষ্টদের দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি মনে হচ্ছে।