Blog

  • সংবিধান সংস্কার ও গণভোট বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    সংবিধান সংস্কার ও গণভোট বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    সংবিধান সংস্কার পরিষদ আহ্বান এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট দেশের প্রতিটি অঞ্চলে চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

    মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারে যৌথ বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, সরকার জনগণের ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা ও সমালোচনার মুখে উপহাস করছে এবং নির্বাচনের আগে দলের মধ্যে গঠিত ঐকমত্য ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

    মামুনুল হক অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসনের পথে এগোচ্ছে। সাধারণ মানুষের কষ্ট-দুঃখ তুলে ধরলে গ্রেফতারের মতো কার্যক্রম করা হচ্ছে। এসবের বিরুদ্ধে নব্য ফ্যাসিবাদ রুখে দিতে তারা সব ধরনের সংগ্রাম চালিয়ে যাবে।

    তিনি আরও বলেন, গণভোটের রায় যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করা হবে। কর্মসূচির সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ৯ এপ্রিল বিকেলে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ কাজ শুরু হবে। ১১ এপ্রিল সারা দেশের উপজেলা ও থানায় বিক্ষোভমিছিল করা হবে। ১২ এপ্রিল প্রতিটি জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হবে এবং ১৩ এপ্রিল ঢাকায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে একটি জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার বিরোধীদলকে রাজপথের আন্দোলনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিএনপির কর্মকাণ্ডে জাতি হতবাক ও বিস্মিত বলে তিনি মন্তব্য করেন। মিয়া গোলাম পরওয়ার দাবি করেন যে গণভোটের রায় সংক্রান্ত বিএনপির ‘নোট অব ডিসেন্ট’ ইতিমধ্যেই স্থগিত রয়েছে এবং সংসদে একাধিক ব্যক্তির আচরণই এখন সংবিধান সংকটের সৃষ্টি করছে।

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, জ্বালানি সংকটের মতো বিষয় নিয়ে সংসদে বিরোধীদলকে বক্তব্য রাখতে দেয়া হয় না এবং দিল্লির বিরোধী অবস্থান গ্রহণকারীদের অপসংস্কার বা ‘রাজাকার’ খেতাব দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। শেষে মিয়া গোলাম পরওয়ার বিএনপিকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ করার আহ্বান জানান।

  • সোনার দামে বড় লাফ: ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়লো

    সোনার দামে বড় লাফ: ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়লো

    দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম অনেকটাই বেড়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকা। নতুন এই দাম আজ থেকেই কার্যকর হবে।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ায় এবং সার্বিক অবস্থার বিবেচনায় মূল্যবান ধাতুটির দর পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী অন্যান্য ক্যারেটের সোনার দাম হচ্ছে: ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৪০ হাজার ৯২০ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৬ হাজার ৫১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা।

    সোনার পাশাপাশি রুপার দামেও বাড়তি দেখা গেছে। ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে: ২২ ক্যারেট (প্রতি ভরি) ৫ হাজার ৮৯০ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৭৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৬১৬ টাকা।

  • সিএসআর ব্যয় অর্ধেকে নেমে এসেছে, ১৭ ব্যাংক লোকসানে

    সিএসআর ব্যয় অর্ধেকে নেমে এসেছে, ১৭ ব্যাংক লোকসানে

    ২০২৪ সালের আর্থিক পরীক্ষায় দেশের ব্যাংক খাতের কাঁপুনি স্পষ্ট। বছরভর টাকার সংকট ও আর্থিক চাপের ফলে ১৭টি বাণিজ্যিক ব্যাংক নিট মুনাফা অর্জন করতে পারেনি। আর যারা মুনাফা করেছে, তাদের আয়ও প্রত্যাশিত স্তরে নেই—ফলে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে ব্যয় ব্যাপকভাবে কমেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৫ সালের (জানুয়ারি–ডিসেম্বর) প্রতিবেদিত সময়সীমায় দেশের ৬১টি বাণিজ্যিক ব্যাংক যৌথভাবে সিএসআর খাতে মাত্র ৩৪৫ কোটি ৫ লাখ টাকা ব্যয় করেছে। এটি আগের বছরের তুলনায় ২৭০ কোটি ৯১ লাখ টাকা বা প্রায় ৪২ শতাংশ কম। গত এক দশকে এটিই সিএসআর খাতে সবচেয়ে কম ব্যয়।

    তুলনায় দেখা যায়, ২০১৫ সালে সিএসআর ব্যয় ছিল ৫২৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা; এবারের ব্যয় সেই বছরের তুলনায় প্রায় ১৮২ কোটি টাকা (৩৪.৫৭ শতাংশ) কমে নিম্নমুখী প্রবণতা ইঙ্গিত করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালে ব্যাংকগুলো সিএসআর-এ ৬১৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা খরচ করেছিল—এটাও ২০২৩ সালের চেয়ে ৩০৮ কোটি টাকা (৩৩ শতাংশ) কম। ২০২৩ সালে ব্যয় ছিল ৯২৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা এবং ২০২২ সালে ১,১২৯ কোটি টাকা; অর্থাৎ দুই বছরের ব্যবধানে সিএসআর ব্যয় প্রায় ৫১৩ কোটি টাকা বা ৪৫ শতাংশের বেশি কমে গেছে।

    খাতশিক্ষিতরা বলছেন, ব্যাংকিং সেক্টরে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি রাজনৈতিক অস্থিরতা, ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও সরকার পরিবর্তনের প্রভাব বড় ধরনের ধাক্কা দেয়। সেই সময় বিভিন্ন ব্যাংকে অনিয়ম, লুটপাট ও অর্থ পাচারের তথ্য প্রকাশ্যে আসায় কাগজে-কলমে দেখানো মুনাফার বিপরীতে প্রকৃত আর্থিক চিত্র বেরিয়ে আসে। খেলাপি ঋণ বাড়ায় প্রকৃত লোকসান সামনে আসে এবং বিশেষত শরিয়াভিত্তিক কয়েকটি ব্যাংক বড় ধরনের চাপের মুখে পড়ে। দুর্বল ব্যাংকগুলোর স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পরবর্তীতে সরকার একাধিক ব্যাংক একীভূতও করার উদ্যোগ নেয়।

    ব্যাংকারদের একজন মন্তব্য করেন যে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনও সিএসআর ব্যয়ের পতনের এক বড় কারণ। রাজনৈতিক সরকারের সময় বিভিন্ন পর্যায় থেকে অনুদান বা সহযোগিতার চাপ থাকত; শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সামাজিক কর্মকাণ্ডে ব্যাংকগুলোকে ব্যয় করতে বলা হতো। ২০২৪ সালের জুলাই–অগাস্টের ঘটনা এবং সরকার পরিবর্তনের পর সেই চাপ অনেকটাই কমে গিয়েছে, ফলে ব্যাংকগুলো এখন তুলনামূলকভাবে সংযতভাবে সিএসআর বাজেট নির্ধারণ করছে।

    অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সিএসআর-এ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অপরিহার্য। রাজনৈতিক প্রভাব বা চাপের কারণে অনেক সময় এই অর্থ অনুৎপাদনশীল কাজে ব্যয় হয়, যা সামাজিক দায়িত্বের মূল উদ্দেশ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের দিকনির্দেশনায় ব্যাংকগুলোকে তাদের নিট মুনাফার একটি অংশ সিএসআর খাতে ব্যয় করতে বলা হয়েছে—এর মধ্যে ৩০ শতাংশ শিক্ষা, ৩০ শতাংশ স্বাস্থ্য এবং ২০ শতাংশ পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ব্যয় করার নির্দেশ রয়েছে; বাকি ২০ শতাংশ অন্যান্য খাতে ব্যয় করা যাবে। কিন্তু বাস্তবে নির্দেশনা মানা হচ্ছে না। ২০২৫ সালে ব্যাংকগুলো সবচেয়ে বেশি—৩৬ শতাংশ—ব্যয় করেছে ‘অন্যান্য’ খাতে; শিক্ষায় ব্যয় হয়েছে ২৮.৫৩ শতাংশ এবং পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে মাত্র ১০ শতাংশ।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আলোচিত সময়ে ১১টি ব্যাংক একটাও সিএসআর খাতে অর্থ ব্যয় করেনি। তাদের মধ্যে রয়েছে—জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।

    এছাড়া ২০২৪ সালে লোকসানে থাকা ব্যাংকগুলোর তালিকায় আছে জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, এবি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান। এই সীমান্তে থাকা কয়েকটি ব্যাংক সত্ত্বেও ছয়টি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংক সিএসআর খাতে কিছু ব্যয় করেছে—রবে এসংগে রয়েছে এবি ব্যাংক, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, এনআরবিসি এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক।

    মোটকথা, ব্যাংক খাতের আর্থিক দুরবস্থা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা সিএসআর ব্যয়ে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। নতুন পরিস্থিতিতে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও লক্ষ্যভিত্তিক ব্যয়ের মাধ্যমে সিএসআর কার্যক্রমকে পুনরায় সক্রিয় ও ফলপ্রসূ করতে হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

  • ট্রাম্পের যুদ্ধ ক্ষমতা সীমিত করতে সিনেটে ভোট আগামী সপ্তাহে

    ট্রাম্পের যুদ্ধ ক্ষমতা সীমিত করতে সিনেটে ভোট আগামী সপ্তাহে

    মার্কিন সিনেটে আগামী সপ্তাহে একটি ভোটের আয়োজন করা হচ্ছে যা উদ্দেশ্য হলো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরবর্তী কোনো সামরিক হামলার আগে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে বাধ্য করা। সিনেটের বিরুদ্ধ দলীয় নেতা চ্যাক শুমার বুধবার (৮ এপ্রিল) এই ঘোষণা দিয়েছেন বলে রয়টার্স জানিয়েছে।

    শুমার বলেন, কংগ্রেসকে তার সাংবিধানিক কর্তৃত্ব পুনরায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে—বিশেষ করে যে মুহূর্তগুলো এতটাই বিপজ্জনক। তার ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে ট্রাম্প দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। এর আগে ট্রাম্প তেহরানকে অবরুদ্ধ হওয়া হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার আল্টিমেটামও দিয়েছিলেন।

    শুমার ট্রাম্পের ভাষা ও পদক্ষেপকে কড়াভাবে সমালোচনা করে তাকে ‘উন্মাদ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন, ইরানকে দুর্বল করতে বা তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্য বাড়ার বিষয়টিও উদ্বেগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

    আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের আওতায় থাকা ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন বেসামরিক নাগরিকদের জন্য অপরিহার্য অবকাঠামোতে হামলা নিষিদ্ধ করে। পরিস্থিতির তীব্রতা এবং বেসামরিক প্রাণহানির ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় শুমার ও অন্যান্য ডেমোক্র্যাট নেতারা কংগ্রেসের ভূমিকা জোরালো করার পক্ষেই রয়েছেন।

    ইরান বারবার তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে। ট্রাম্প প্রশাসন meanwhile এই সংঘাতকে একটি চূড়ান্ত বিজয় হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছে। হোয়াইট হাউস দাবি করেছে যে সীমিত সামরিক অপারেশন নির্দেশ দেওয়া ট্রাম্পের আইনগত অধিকার এবং মার্কিন সার্বভৌমত্ব রক্ষার অংশ।

    গত কয়েক মাসে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাটরা বারবার চেষ্টা করেছেন যাতে ট্রাম্প বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করার আগে কংগ্রেসের অনুমতি নিতে বাধ্য করা হয়, কিন্তু তাতে সফল হননি। কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের — যারা উভয় কক্ষে সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠ— বেশিরভাগই ট্রাম্পের নীতিকে সমর্থন করে এসেছে।

    মার্কিন সংবিধানে বলা আছে যুদ্ধ ঘোষণা করার কর্তৃত্ব কংগ্রেসের হাতে, তবে সংবিধানগত এই বিধান প্রথাগতভাবে স্বল্প মেয়াদী অভিযানের ক্ষেত্রে বা যদি দেশ কোনো তাৎক্ষণিক হুমকির সম্মুখীন হয় তখন পুরোপুরি প্রয়োগ করা হয় না বলে ব্যাখ্যা করা হয়।

    অন্যদিকে প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাটিক নেতা এবং নিউইয়র্কের প্রতিনিধি হাকিম জেফ্রিস বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করার বিষয়ে প্রতিনিধি পরিষদেও ভোট হওয়া উচিত। সিএনএনকে তিনি বলেন, ‘‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই বেপরোয়া এবং ইচ্ছাকৃত সংঘাতের স্থায়ী অবসান প্রয়োজন।’’

    সামনের সপ্তাহে সিনেটে যে ভোট হবে, তা কংগ্রেস ও প্রেসিডেন্টের মধ্যে ক্ষমতা শৃঙ্খলাকে কেন্দ্র করে চলমান রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে নতুন মাত্রা যোগ করবে—এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে বিদেশে সামরিক পদক্ষেপ নেবে তার ওপর তা সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।

  • খুলনায় পহেলা বৈশাখ উদযাপন: শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মেলা

    খুলনায় পহেলা বৈশাখ উদযাপন: শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মেলা

    পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করে খুলনায় নানা সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। খুলনা জেলা প্রশাসন আনন্দঘন ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে দিবসটি পালনের জন্য পৃথক–পৃথক আয়োজন করেছে।

    উৎসবের সূচনা হবে সকাল আটটায় খুলনা রেলওয়ে স্টেশন প্রাঙ্গণ থেকে বের হওয়া বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা দিয়ে। শোভাযাত্রাটি শহিদ হাদিস পার্কে এসে শেষ হবে। শোভাযাত্রার পরে সকাল সাড়ে নয়টায় শহিদ হাদিস পার্কে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুরস্কার বিতরণ ও দিনব্যাপী লোকজ মেলার আয়োজন করা হবে, যেখানে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী শৈল্পিক পরিবেশ ও পারফরম্যান্স দেখা যাবে।

    বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার এবং প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর যৌথভাবে শিশুদের জন্য চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে। প্রতিযোগিতা ও অনুষ্ঠানগুলোর নির্দিষ্ট সময়সূচি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুসারে সম্পন্ন করা হবে।

    ঐদিন খুলনা জেলা কারাগার, হাসপাতাল ও শিশু পরিবারসমূহে দেশীয় ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশন করা হবে এবং শিশু পরিবারগুলোর শিশুদের নিয়ে ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক আয়োজন থাকবে। কারাগারে বন্দিদের তৈরি বিভিন্ন দ্রব্যের প্রদর্শনী, কারাবন্দীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশন ও নাট্য প্রদর্শনীও হবে। এগুলো সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির সঙ্গে ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতার সংযোগ ঘটায়।

    সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিজেদের ব্যবস্থাপনায় উৎসবমুখর পরিবেশে নববর্ষ উদযাপন করবে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে বৈশাখের বিভিন্ন বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতা, গল্পবলা, ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা দেশীয় সংস্কৃতি ও রীতিনীতি সম্পর্কে জানার সুযোগ পায়।

    খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর পালনের দিন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে। ১৩ এপ্রিল বিভাগ ও জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে—শিববাড়ি মোড়, রেলওয়ে স্টেশন, শহিদ হাদিস পার্কসহ—ঐতিহ্যবাহী আলপনা আঁকা হবে, যা শহরের উৎসবমুখর রূপকে আরও উজ্জ্বল করবে।

    অঞ্চলভিত্তিকভাবে সকল উপজেলা ও ইউনিয়নেও স্থানীয়ভাবে অনুরূপ কর্মসূচি পালিত হবে, যাতে নববর্ষের আনন্দ সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায়। জেলা প্রশাসন আমজনতাকে নিরাপদ ও আনন্দময়ভাবে উৎসব উদযাপনে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

  • টাইব্রেকারে হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের টিকিট

    টাইব্রেকারে হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের টিকিট

    বাংলাদেশ ১৯৭৮ সাল থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে এশিয়ান গেমসে অংশ নিয়ে আসছে। মূলত পুরুষ হকি দেশের জন্য এশিয়ান গেমসে নিয়মিত উপস্থিতির অন্যতম প্রধান ক্রীড়া বিভাগের একটি। তবে এবারের জাপানের আইচি এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের হকির অংশগ্রহণ একপর্যায়ে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত স্থান নির্ধারণী প্লে-অফে হংকংকে টাইব্রেকারে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে যোগ দেওয়ার স্বস্তি পেয়েছেন আমিরুলরা।

    নির্ধারিত সময়ের ম্যাচটি ৪-৪ গোলে শেষ হলে খেলা টাইব্রেকারে যায়। টাইব্রেকারের প্রথম শটে রকি গোল করার চেষ্টা মিস করলে বাংলাদেশই প্রথমে অনুশকিত অবস্থায় পড়েন। যদিও পরিস্থিতি কাজে লাগাতে পারছিল না হংকং, বাংলাদেশ গোলরক্ষক বিপ্লব কুজুরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ দলের জন্য চোখে পড়ার মতো ছিল।

    সাধারণ সময়ে ম্যাচটি ছিল উত্থান-পতনের মিশ্রণ। প্রথম পাঁচ মিনিটে রকির পেনাল্টি কর্নার ও আমিরুলের পেনাল্টি স্ট্রোকে বাংলাদেশ দ্রুত ২-০ এগিয়ে যায়। এক মিনিট পর পেনাল্টি কর্নার থেকে হংকং বয়স কমিয়ে ২-১ করে। প্রথমার্ধ শেষে বাংলাদেশ ২-১ লিড নিয়েই বিশ্রামে ফিরেছিল।

    তৃতীয় কুয়ার্টারে হংকং সমতা আনে, কিন্তু ৪১ মিনিটে আশরাফুলের পেনাল্টি কর্নারে বাংলাদেশ আবার এগিয়ে যায়। চতুর্থ কুয়ার্টারের শুরুতে হংকং ফের সমতা ফিরিয়ে দেয়। মাত্র এক মিনিটের মধ্যে আশরাফুল পুনরায় গোল করে দেশকে আগাতে সাহায্য করেন, কিন্তু হংকং পরে একটি পেনাল্টি স্ট্রোকে সফল হয়ে স্কোর ৪-৪ করে দেয়। শেষ দশ মিনিটে বাংলাদেশ তিনটি পেনাল্টি কর্নার পেলেও সেগুলো থেকে গোল করতে ব্যর্থ হলে ম্যাচটি টাইব্রেকারে ঢুকে যায়।

    টাইব্রেকারে মোট পাঁচ-৫টি শটই নিজেদের ভাগ্যে নির্ধারণী হয়। রকির প্রথম শট মিস করলেও পরে জয় ও ফজলে রাব্বি গুরুত্বপূর্ণ শটে জালে বল জড়ো করে বাংলাদেশের দিকে ঝোঁক ফিরিয়ে আনেন। শেষ শটে ফজলে রাব্বির সফল শটই বাংলাদেশকে টাইব্রেকারে ৩-২ জয় এনে দেয় এবং ফলে দলটি এশিয়ান গেমসে খেলতে পারবে।

    বাংলাদেশ historically এশিয়ান গেমসের হকিতে কয়েকবার রানার-আপ ও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব রাখে, তবে চলতি টুর্নামেন্টে দল মোটেই ভালো ফুটে ওঠেনি। এ পরিস্থিতিতে প্লে-অফে জিতেই মূল টুর্নামেন্ট নিশ্চিত করা বড় স্বস্তির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোচ ও খেলোয়াড়দের মতে, দুর্বল পারফরম্যান্সের মধ্যে টাইব্রেকারে সংগ্রহ করা এই জয় ভবিষ্যতের জন্য আত্মবিশ্বাস যোগাবে।

  • বুলবুলের অভিযোগে আইসিসি নীরব, তামিমের কমিটিকে নিয়েই ভারত আশাবাদী

    বুলবুলের অভিযোগে আইসিসি নীরব, তামিমের কমিটিকে নিয়েই ভারত আশাবাদী

    সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বে নতুন করে সক্রিয় হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সিদ্ধান্তে গঠিত ১১ সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তামিমের অধীনে বোর্ড ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে। এ বছর শেষের দিকে ভারতীয় দলের বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণও জানানো হয়েছে—যা দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্ক মেরামতের প্রথম সংকেত হিসেবে দেখছেন অনেকেই।

    বর্তমান ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে ভারতের বাংলাদেশ সফর অনুষ্ঠিত হলে द्वিপাক্ষিক সিরিজ পুনরায় চালু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। বোঝা হচ্ছে, এটি ঢাকার নতুন প্রশাসনের কূটনৈতিক একটি প্রয়াস, যাতে সাম্প্রতিক উত্তেজনা কাটিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সৌহার্দ্য ফিরিয়ে আনা যায়।

    দুই দেশের সম্পর্ক তখনই সবচেয়ে উত্তপ্ত পরিসরে পৌঁছায়, যখন নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে বাংলাদেশ ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়। ওই সিদ্ধান্তের পর ভারত ম্যাচ আয়োজন সংক্রান্ত বাংলাদেশের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে এবং বাংলাদেশকে প্রতিস্থাপিত করে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে নেয়—এসব ঘটনায় দুই বোর্ডের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাড়ে।

    তামিম নেতৃত্বাধীন ওই ১১ সদস্যের কমিটিকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজনের দুর্ত্তায় দেওয়া হয়েছে। এটি বিসিবির প্রশাসনিক রূপান্তরের অংশ, যার পরিণামে সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে পদচ্যুত করা হয়।

    পদচ্যুতির পরে বুলবুল আইসিসির কাছে হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি পাঠান; তিনি দাবি করেছেন তার অপসারণ সরকারি হস্তক্ষেপ ও আইসিসির নীতিমালার লঙ্ঘন। তবে আইসিসি সূত্রগুলো বলছে, বুলবুলের আবেদন তেমন গুরুত্ব পাবে না—কারণ তার অবস্থানে কিছু অসঙ্গতি রয়েছে।

    অন্যদিকে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় বুলবুল আইসিসিকে জানিয়েছিলেন যে সরকার নির্দেশনা দেয়ার কারণে দল ভারতে যেতে পারেনি। সেই একই সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি এখন আইসিসির সুরক্ষা খুঁজছেন—এমন দ্বৈত অবস্থানকে আইসিসির এক শীর্ষ কর্মকর্তা ভারতের সংবাদমাধ্যমকে আশ্চর্যের সাপেক্ষণে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন। তিনি অনামের অনুরোধে বলেছেন, “এটি সত্যিই আশ্চর্যজনক। একই বোর্ড সভাপতি, যিনি কিছুদিন আগে আইসিসির সঙ্গে চুক্তি থাকা সত্ত্বেও সরকারের দোহাই দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যাননি, এখন নিজের পদ সংরক্ষণের জন্য সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ করে আইসিসির সুরক্ষা চাচ্ছেন—এটা অবাক করার মতো।”

    বিসিবির নতুন কমিটি ও তামিমের উদ্যোগ কিভাবে এগোবে এবং দুই দেশের ক্রিকেট রাজনীতিতে কী ফল নিয়ে আসে, তা আগামী কিছু সপ্তাহের মধ্যে স্পষ্ট হবে বলেexpect করা হচ্ছে।

  • মোহাম্মদপুরের হত্যাচেষ্টা মামলায় আরএস ফাহিমকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো

    মোহাম্মদপুরের হত্যাচেষ্টা মামলায় আরএস ফাহিমকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিমকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানান ঢাকার এক ম্যাজিস্ট্রেট আজ সোমবার। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের কক্ষে শুনানি শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেয়া হয়।

    আদালতে হাজির করা হলে তদন্ত কর্মকর্তা এবং মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন তাঁর পক্ষে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করে তাকে পুলিশ হেফাজতে আদালতের হাজতখানায় নেয়া হয়।

    এর আগে রোববার (২৯ মার্চ) বিকেল চারটায় রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে থেকে জনতা ও একদল শিক্ষার্থী আরএস ফাহিমকে আটক করে। তাদের উদ্দেশে তাকে শাহআলি থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হলেও পরে তাকে গুলশান থানা হস্তান্তর করা হয়। পরে ৩০ মার্চ গুলশান থানা তাকে মো. ইমরান হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

    সূত্র জানিয়েছে, গত ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুর বছিলা এলাকার র‌্যাব কোয়ার্টারের সামনে মিছিলে বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে গুলির ঘটনা ঘটে। ঘটনায় মাসুদ হোসাইন আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় বুকে সংক্রমণসহ জটিলতা দেখা দেয়, পরে অপারেশন করা হয়।

    গত বছরের ২৪ আগস্টও আলোচিত ঘটনা ঘটেছিল; তখন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও বেসরকারি টিভির মালিক নাসির উদ্দিন সাথীর ছেলে তৌহিদ আফ্রিদিকে বরিশাল থেকে আটক করে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত একটি হত্যাকাণ্ডের মামলায় জড়ানো হয়েছিল। তৎকালীন ঘটনায় তরুণ স্টান্ট রাইডার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিমের নামও সমালোচনায় উঠে আসে এবং আন্দোলনে তিনি যে অবস্থান নিয়েছিলেন, তা নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা দেখা গেছে।

  • পানমশলা বিজ্ঞাপন মামলায় সালমান খান পেলেন সাময়িক রেহাই

    পানমশলা বিজ্ঞাপন মামলায় সালমান খান পেলেন সাময়িক রেহাই

    বলিউড তারকা সালমান খান যে পানমশলা বিজ্ঞাপন রিপোর্ট নিয়ে বহুদিন ধরে মামলার সঙ্গে জড়িত, সে মামলায় সাময়িক রেহাই পেয়েছেন। রাজস্থান হাই কোর্ট জয়পুর জেলা উপভোক্তা কমিশন-২-এর আগামী ১৩ এপ্রিলের হাজিরার নির্দেশ স্থগিত করেছেন।

    অভিযোগ তদন্তের শুনানিতে নিয়মিত হাজিরা না দেওয়ার কারণে আগে আদালত সালমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। তবে হাই কোর্টের স্থগিতাদেশের ফলে ওই নির্ধারিত দিনে কমিশনের কাছে হাজিরা দেওয়া থেকে তিনি আপাতত মুক্তি পেলেন।

    এই মামলা দায়ের করেছিলেন যোগেন্দ্র সিংহ বাদিয়াল। বাদিয়ালের দাবি, একটি পানমশলা পণ্যের বিজ্ঞাপনে সালমান কাজ করেছিলেন এবং বিজ্ঞাপনগুলোতে পণ্যকে ‘জাফরান বা তবক মিশ্রিত এলাচ’ ও ‘জাফরান মিশ্রিত পানমশলা’ হিসেবে প্রচার করা হলেও বাস্তবে তা সত্য নয়—যা ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করতে পারে এবং নিরাপত্তার ভুয়া ধারণা তৈরি করে।

    এই অভিযোগের ভিত্তিতে বছরের শুরুতে উপভোক্তা কমিশন ওই পণ্যগুলোর প্রচারে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু পরে জয়পুর ও কোটার মতো শহরে বিলবোর্ডসহ বিজ্ঞাপন দেখা যাওয়ার পর কমিশন মনে করে তাদের আদেশ অমান্য করা হয়েছে এবং সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হয়।

    মামলাটিতে তদন্ত ও শুনানী চলমান থাকবে; আদালতের এই স্থগিতাদেশ আপাতত নির্ধারিত হাজিরা নিয়েই প্রযোজ্য। অন্যদিকে, সালমান বর্তমানে তার নতুন ছবি ‘মাতৃভূমি’ নিয়ে ব্যস্ত—যার শুটিং ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে; ছবিটির প্রাথমিক নাম ছিল ‘ব্যাটেল অফ গলওয়ান’।

  • ২ থেকে ৩ হওয়ার সুখবর দিলেন রাশমিকা

    ২ থেকে ৩ হওয়ার সুখবর দিলেন রাশমিকা

    ভারতীয় তারকা জুটি রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডার বিয়ে হয়েছে দেড় মাস আগে। এই সুখকর মুহূর্তে তারা একটি রহস্যময় পোস্ট শেয়ার করে সকলের Aufmerksamkeit আকর্ষণ করেছেন, যা নেটমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। ভক্ত ও নেটিজেনরা নানা কল্পনা করছে, সম্ভবত এই দম্পতির পরিবারে নতুন অতিথি আসার দিন কাছাকাছি।

    সম্প্রতি রাশমিকা তার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি অ্যানিমেটেড ভিডিও প্রকাশ করেন। এই ভিডিওতে দেখা যায়, মাঝখানে একজন পুরুষ ও তার পাশে একজন নারী দাঁড়িয়ে আছেন, আর তাদের পাশেই একটি কার্টুন চরিত্র দেখা যাচ্ছে, যা সূর্যমুখীর মতো রঙে রঙিন।

    ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘নাও ইটস আস থ্রি’, অর্থাৎ ‘আমরা এখন দুই থেকে তিন’। সাথে রয়েছে একটি ভালোবাসার ইমোজি। এই পোস্টের পর থেকেই ভক্ত ও অনুসারীদের মধ্যে উৎসাহ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকের মনে প্রশ্ন উঠেছে, হয়তো এই দম্পতি শিশু আসার খবর শেয়ার করতে চেয়েছেন। তবে বর্তমানে তাদের পক্ষ থেকে এবিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের উদয়পুরে এক জমকালো বিবাহ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। এই দম্পতির বিয়ের এক মাস পূর্ণ হওয়ায় সম্প্রতি তারা অন্ধ্রপ্রদেশের একটি মন্দিরে পূজাও করেছেন। ঠিক তখনই রাশমিকা প্রকাশ করেন এই রহস্যময় পোস্ট।

    তবে, শুধু প্রশংসাই নয়, কিছু কিছু মন্তব্যে নেতিবাচক কথাও উঠে এসেছে। কেউ কেউ বলিউডের আলিয়া ভাটের উদাহরণ টেনে তাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কিন্তু অন্যদিকে, অনেক ভক্ত মনে করেন, এই পোস্ট হয়তো তাদের অন্য কোনও প্রকল্প বা কাজের পদক্ষেপের অংশ। বিশেষ করে, ‘টেরিবলি টাইনি’ নামে এক ক্রিয়েটিভ অ্যাকাউন্টকে ট্যাগ করার কারণে অনেকেই মনে করছেন, এটা সম্ভবত নতুন কোন অভিনয় বা প্রোমোশনাল স্ট্রাটেজির অংশ।