Blog

  • জ্বালানি অনিশ্চয়তায় পোশাক খাতের ক্রয়াদেশ স্থগিত, উদ্বেগ বাড়ছে

    জ্বালানি অনিশ্চয়তায় পোশাক খাতের ক্রয়াদেশ স্থগিত, উদ্বেগ বাড়ছে

    দেশে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় বিদেশি ক্রেতারা নতুন ক্রয়াদেশ স্থগিত করছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম (পারভেজ) চৌধুরী। তিনি warned যে আগামী দুই থেকে তিন মাসে জ্বালানি পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে দাঁড়াতে পারে।

    বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় তিনি বলেন, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে জুলাই ও আগস্ট মাসে রফতানিমুখী বেশ কিছু ক্রয়াদেশ ইতোমধ্যে ধীরগতিতে এসেছে, অনেক বড় ক্রেতা নেতিবাচক সঙ্কেত পাঠাচ্ছে এবং কিছু অর্ডার ভারতসহ অন্যান্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার ঝুঁকিও দেখা যাচ্ছে।

    তিনি আরও জানান, ঢাকা অফিসগুলো পরিস্থিতি সামলাতে চেষ্টা করলেও ক্রেতাদের শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা নতুন অর্ডার দেওয়ার ব্যাপারে পিছু হটছেন। এই অনিশ্চয়তার কারণে তৈরি পোশাক খাতসহ দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের খাতগুলো বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

    প্রসঙ্গত, ব্যবসায়িক পরিবেশকে কার্যত আন্দাজ করে নিয়েই বিসিআই সভাপতি বর্তমান কর কাঠামোকে ব্যবসাবান্ধব নয় বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, লাভ-লোকসান নির্বিশেষে এক শতাংশ হারে ন্যূনতম কর পরিশোধের বাধ্যবাধকতা অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য ভার হয়ে দাঁড়িয়েছে; বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে মুনাফা না থাকলেও কর দিতে হচ্ছে, যা তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন করে দিচ্ছে।

    এ প্রসঙ্গে তিনি ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব দেন এবং রপ্তানি আয়ের ওপর উৎস কর কমানোর আহ্বান জানান। তবে এনবিআর চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান শিল্পবান্ধব উৎস কর কমানোর প্রস্তাবটি নাকচ করেন, এমন তথ্যও সভায় উঠে আসে।

    আয়কর আইন ২০২৩-এর ১৪৭ ধারা নিয়ে বিসিআই সভাপতির উদ্বেগও ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি বলেন, কর যাচাইয়ের নামে কোনো প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম বা নথিপত্র জব্দ করার অনির্দিষ্ট ক্ষমতা ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করছে এবং এটি ব্যবসার পরিবেশে অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে।

    প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) দাবি করে ব্যাংক আমানতের মুনাফার ওপর উৎস কর ২০ শতাংশ থেকে নামিয়ে ১০ শতাংশ করার এবং নিট সম্পত্তির ওপর আরোপিত সারচার্জ ধাপে ধাপে বাতিল করার সুপারিশ করেছে। তারা করের বোঝা বাড়ানোর পরিবর্তে ব্যবসা-সহায়ক কর কাঠামো গড়ে তোলার জোরও দিয়েছেন।

    শিল্পপ্রতিষ্ঠান নেতারা সতর্ক করেছেন যে, যদি জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল না হয় এবং কর কাঠামো সহজীকরণ না করা হয়, তাহলে দেশের রপ্তানিখাতের প্রতিযোগীতামূলক সক্ষমতা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। তাদের মতে দ্রুত সমন্বিত নীতি গ্রহণ না করলে বিদেশি ক্রেতাদের ধীরগতি ও অর্ডার সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে রপ্তানিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

  • এপ্রিলের প্রথম ২২ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২.৪২ বিলিয়ন ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ২২ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২.৪২ বিলিয়ন ডলার

    রেমিট্যান্স প্রবাহের ইতিবাচক ধারা চলতি এপ্রিলেও বজায় রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এই মাসের প্রথম ২২ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন প্রায় ২.৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২৪১ কোটি ৭০ লাখ ডলার)। বর্তমান বাজারমূল্য ধরে (প্রতি ডলার ১২২ টাকা) এটি গ্রহণ করলে মূল্যমান দাঁড়ায় প্রায় ২৯ হাজার ৪৮৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র এই তথ্য প্রকাশ করে।

    গত বছরের একই সময় বাংলাদেশের কাছে এসেছিল ২০৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। তুলনা করলে দেখা যাচ্ছে, চলতি বছরের প্রথম ২২ দিনে রেমিট্যান্স আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৬ কোটি ৪০ লাখ ডলর বা প্রায় ৪ হাজার ৪৪০ কোটি ৮০ লাখ টাকা বেশি এসেছে।

    বাংলাদেশে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এ বছর মার্চে রেকর্ড করা হয়েছিল; সেই সময়ে দেশে আসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছিল গত বছরের মার্চে (৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার), তৃতীয় সর্বোচ্চ হয়েছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে (৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার) এবং চতুর্থ সর্বোচ্চ হিসেবে আছে চলতি বছরের জানুয়ারির ৩১৭ কোটি ডলার।

    অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট যদি দীর্ঘায়িত হয় তাহলে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়তে পারে। তাই তারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থানে রাখতে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি বাড়াতে পরামর্শ দিয়েছেন।

    রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রা জোগান ও জনগণের আয় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলছে; বর্তমানে এই প্রবাহ টিকিয়ে রাখতে ও ঝুঁকি সামলাতে নীতিনির্ধারকদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

  • মুখ-ঠোঁট দগ্ধ, প্লাস্টিক সার্জারির পরামর্শ পাওয়া গেছে: মোজতবা খামেনির চিকিৎসা অবস্থা

    মুখ-ঠোঁট দগ্ধ, প্লাস্টিক সার্জারির পরামর্শ পাওয়া গেছে: মোজতবা খামেনির চিকিৎসা অবস্থা

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ইরান নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনির মুখমণ্ডল ও ঠোঁট দগ্ধ হয়ে গেছে এবং তাঁকে সুস্থ করতে প্লাস্টিক সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে।

    প্রতিবেদনটি ইরানের ঘনিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের কয়েকজন কর্মকর্তা ও রাজনীতিবিদ আবদোলরেজা দাভারির বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় মোজতবাকে গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে—এক পা উড়ে যাওয়ার মতো বিদীর্ণ আঘাত, একটি বাহু গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং মুখমণ্ডল ও ঠোঁটে চরম দগ্ধের ফলে কথা বলা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকেরা বলেন, পূর্ণরূপে সুস্থ হতে হলে প্লাস্টিক সার্জারি এবং দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসন দরকার হবে।

    কীভাবে এবং কোথায় তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন—এটি নিয়েও নিউইয়র্ক টাইমস সরাসরি পরিষ্কার করে বলেনি। উল্লেখ করা হয়েছে, নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কারণে মোজতবার চিকিৎসা গোপনীয় কোনো স্থানে করা হচ্ছে এবং তাকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য গোয়েন্দা নজরদারি থেকে রক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, যিনি নিজে একজন হার্ট সার্জন, বর্তমানে মোজতবার চিকিৎসার তত্ত্বাবধান করছেন। গুরুতর আহত হওয়ার কারণে মোজতবা এখন ভিডিও বার্তা দিতে বন্ধ রেখেছেন; তিনি প্রায়ই লিখিত বার্তায় যোগাযোগ রাখছেন।

    পটভূমি: ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র নীতিকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযান চালায়—নিউইয়র্ক টাইমস ওই অভিযানের প্রসঙ্গ আলোচনা করেছে। অভিযানের প্রথম দিনেই মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, তাঁর স্ত্রী এবং মোজতবার পরিবারের নির্দিষ্ট সদস্যদের নিয়ে কিছু প্রতিবেদন প্রকাশ পেয়েছিল; তবে এসব দাবির স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি এবং নিউইয়র্ক টাইমস সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে সতর্ক অবস্থান রক্ষা করেছে।

    কিছু আন্তর্জাতিক মাদকমাধ্যম পূর্বে জানিয়েছে যে মোজতবাকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উদ্যোগে মস্কো নিয়ে যাওয়া হয়ে থাকতে পারে—তবে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে সেই তথ্যটি উল্লেখ নেই।

    দাভারি ও আরও কয়েকজন সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোজতবা শারীরিকভাবে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে তিনি এখন সহকর্মী ও উপদেষ্টাদের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। তর্কাতীতভাবে দেশের নীতিনির্ধারণে ইরান ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, তবে সিদ্ধান্তগুলি মোজতবাকে জানিয়েই বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, এনডিটিভি অনলাইন

  • ইরান হরমুজ প্রণালী থেকে ভারতগামী দুই জাহাজ জব্দের ভিডিও প্রকাশ

    ইরান হরমুজ প্রণালী থেকে ভারতগামী দুই জাহাজ জব্দের ভিডিও প্রকাশ

    ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালিতে ভারতগামী দুইটি জাহাজ জব্দের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। জব্দ হওয়া জাহাজ দুটি হলো ‘ইপামিনোন্ডাস’ ও ‘এমএসসি ফ্রান্সেসকা’।

    প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানি পতাকাবাহী দ্রুতগতির স্পিডবোট জাহাজগুলোর দিকে এগিয়ে আসে। পরে মুখোশধারী ও অস্ত্রধারী নৌসেনারা এই জাহাজগুলোতে উঠে নিয়ন্ত্রণ নেন। ভিডিওতে ওই অভিযানটি দ্রুত ও তৎপরতার সঙ্গে পরিচালিত হওয়ার দৃশ্য ধরা পড়েছে।

    ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল-সংযুক্ত সংবাদমাধ্যম নূর নিউজ জানিয়েছে, সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় ‘ইপামিনোন্ডাস’কে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এক সময় ‘ইউফোরিয়া’ নামের আরেকটি জাহাজও নিশানায় পড়লে তা থেমে যায়। খবরটিতে বলা হয়েছে, একই পরিস্থিতিতে ‘এমএসসি ফ্রান্সেসকা’-কেও লক্ষ্যমাত্রা করা হয়েছিল।

    আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে হরমুজ প্রণালিতে নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে ওই দুইটি জাহাজ শনাক্ত করে থামিয়ে দেয়া হয়। সংস্থাটি দাবি করেছে যে ‘এমএসসি ফ্রান্সেসকা’ ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট মালিকানাধীন এবং ‘ইপামিনোন্ডাস’ নেভিগেশন ব্যবস্থায় কারসাজির মাধ্যমে সমুদ্র নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলে চলছিল।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে আরোপিত বিধিনিষেধ অমান্য করা বা নিরাপদ নৌচলাচল ব্যাহত করার যেকোনো প্রচেষ্টাকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।

    বিশ্ববাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে জাহাজ জব্দের ঘটনা আন্তর্জাতিক সমুদ্রসচেতনতা ও বাণিজ্যিক যানবাহনের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এ নিয়ে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া কেমন হবে তা পরবর্তী সময়ে পরিষ্কার হবে।

  • শৈলকুপায় বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০

    শৈলকুপায় বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০

    ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে শনিবার সকালে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে মহন শেখ (৬৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত ও কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনা ঘটে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে। মাটিতে তৈরী দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে আহতদের মধ্যে অনেকে গুরুতর অবস্থায় রয়েছেন। আহতদের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মনোহরপুর ইউনিয়নে আধিপত্য সৃষ্টিকে কেন্দ্র করে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তরিকুল ইসলাম (সাদাত) ও জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আবু জাহিদ চৌধুরীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ কারণে ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউপি সদস্য সের আলী সাদাতের পক্ষে, আর সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান (দুলাল) আবু জাহিদের পক্ষে সমর্থক সংগ্রহ করে এলাকায় শক্তি প্রদর্শন শুরু করেন।

    দুই পক্ষের বিবাদ আরো তীব্রতর হওয়ার সূত্রধর বলে অভিযোগে বলা হচ্ছে, গত রাতে সাদাতপক্ষের সমর্থকরা পাশের লক্ষিপুর গ্রামে একটি সামাজিক সভা শেষে বাড়ি ফেরার পথে মশিউর সমর্থক আজিজ খারের ছেলে লিটন খায়ের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সের আলীর সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মহন শেখের বাড়িতে হামলা চালায় এবং মুহূর্তেই উভয়পক্ষের সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

    সংঘর্ষে গুরুতর জখম হয় মহন শেখসহ কমপক্ষে ৩০ জন। পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মহন শেখকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন—আব্বাস মোল্লা, ছালামত আলী, সাকিল হোসেন, মিল্টন খন্দকার, আসাদ বিশ্বাস, বসরত হোসেন, জমির বিশ্বাস, ফরিদুল শেখ, ওয়াসিম বিশ্বাস, মিন্টু হোসেন, আসাদুল বিশ্বাস, পিকুল হোসেন, আসিক শেখ, বিপ্লব বিশ্বাস, হৃদয় হোসেন, আমিরুল ইসলামসহ অনেকে।

    জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবু জাহিদ চৌধুরী অভিযোগ করেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। গতকাল রাতে তাদের এক সমর্থকের উপর হামলার পর থানায় অভিযোগ করলেও প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা না নেয়ার কারণে বৃহস্পতিবার পুনরায় হামলা চালিয়ে মহন শেখকে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

    অন্যদিকে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তরিকুল ইসলাম (সাদাত) সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রবিউল ইসলাম বলেন, মাধবপুরে সংঘটিত ঘটনাটি সামাজিক সূত্রে উদ্ভূত সহিংসতা; এখানে যুবদলের সরাসরি কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

    নিহত মহন শেখের ছোট ভাই আফসার উদ্দিন শেখ জানান, সকালে তার ভাই দোকানে চা খেতে যাচ্ছিলেন। সে সময় হঠাৎ ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সের আলীর সমর্থকরা তার উপর হামলা চালায়।

    শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, সামাজিক আধিপত্যকে কেন্দ্র করে মাধবপুর গ্রামে সংঘর্ষ হয়েছে এবং এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযুক্তদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান চলছে।

  • যশোরে ক্রমাগত লোডশেডিং: ঝিকরগাছায় বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

    যশোরে ক্রমাগত লোডশেডিং: ঝিকরগাছায় বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

    যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভার কাটাখাল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চরম বিদ্যুৎ সংকটে এলাকাবাসী বেগতিক। তারা অভিযোগ করেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, যার ফলে দিনযাপন ও পড়াশোনা দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে।

    বিদ্যুৎ সরবরাহে স্থায়ী সমাধান এবং পৌরসভার লাইনের সঙ্গে ফিডারের সঠিক সংযুক্তি দাবিতে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয়রা ঝিকরগাছা পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। স্লোগান নিয়ে শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন; কিছু সময়ের জন্য অফিসের কাজকর্মও স্থবির হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, দীর্ঘদিনের ভোগান্তি সইতে না পেরে তারা হঠাৎ করে অফিস ঘেরাও করেন। বিক্ষোভকারীরা জানান, প্রায় চার বছর আগে ফিডার পরিবর্তনের পর থেকেই তারা নিয়মিত বৈদ্যুতিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ফেজ সমস্যা থাকায় সামান্য বাতাস বা ঝোড়ো বৃষ্টিতেই বিদ্যুৎ চলে যায় এবং ঘণ্টায় ঘণ্টা পরে না-ও ফেরে। তারা দ্রুত ফিডার বা ফেজ পরিবর্তনের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান দাবি করেছেন।

    কাটাখাল কলোনির বাসিন্দা মোঃ জালাল হোসেন বলেন, “২৪ ঘণ্টায় আমরা দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাই। কখন আসে, কখন যায় কিছুই ঠিক নেই। বৃহস্পতিবার ভোরে বিদ্যুৎ চলে যায়; ১১টায় মাত্র দুই মিনিট পাওয়া গিয়েছিল, পরে দুপুর ২টার দিকে আধা ঘণ্টার মতো আসে, তারপর আবার চলে যায়। রাতেও একই অবস্থা।”

    এসএসসি পরীক্ষার্থী সোহানা খাতুন অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের পড়াশোনায় বড় অসুবিধা হচ্ছে এবং ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। স্থানীয়রা আরও বলেন, গাছের পাতাও নড়লেই বিদ্যুৎ চলে যায়—এখানে গ্রাহকরা ‘চরম অবহেলার’ শিকার হচ্ছেন।

    ঝিকরগাছা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম জানান, এ এলাকার বিদ্যুৎ সমস্যা দীর্ঘদিনের; কর্তৃপক্ষকে বহুবার জানিয়েও কোনো সঠিক সমাধান হয়নি।

    ঝিকরগাছা থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করে। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমস্যাটি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।

    যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, ঝিকরগাছা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার গোলাম কাদির জানান, সমস্যাটি মূলত টেকনিক্যাল; দ্রুত একটি টেকনিশিয়ান টিম পাঠিয়ে বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সার্বিকভাবে বিদ্যুৎ সংকট একটু বেশি তবুও সবাইকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ করা হয়েছে।

    স্থানীয়রা বলছেন, অল্প সময়ের প্রতিশ্রুতি নয়—দ্রুত ও স্থায়ী সমাধি না হলে তাদের আন্দোলন তীব্র করার হুঁশিয়ারি রয়েছে।

  • খুলনায় স্কুল ও মাদ্রাসার বালক-বালিকা অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

    খুলনায় স্কুল ও মাদ্রাসার বালক-বালিকা অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

    যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৫-২৬ এর আওতায় খুলনা জেলা ক্রীড়া অফিসের ব্যবস্থাপনায় গতকাল বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে খুলনা জেলার বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার বালক-বালিকাদের জন্য অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা শিক্ষা অফিসার এস এম ছায়েদুর রহমান। তিনি ফেস্টুন ও বেলুন উড়ে পাঠ করে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় ফুটবল কোচ শেখ আশরাফ হোসেন, অ্যাথলেটিক্স কোচ মো. আমির আলী, মো. আবুবক্কার এবং শেখ ইদ্রিস আলী। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা (খুলনা) মো. আলীমুজ্জামান।

    অনুষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রীড়া চর্চা ও প্রতিযোগিতামূলক দক্ষতা বাড়াতে সহায়ক হিসেবে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয় এবং অংশগ্রহণকারীরা উৎসাহসহ অংশ নেয়।

  • শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে সিরিজে সমতায় বাংলাদেশ নারী দল

    শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে সিরিজে সমতায় বাংলাদেশ নারী দল

    রাজশাহীতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতায় ফিরেছে সফররত দলটি। প্রথম ম্যাচ জিতে ১-০ এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ নারী দল, কিন্তু নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বে দ্বিতীয় ম্যাচের জয়ের ধারা ধরে রাখতে পারেনি তারা। সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ম্যাচ আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

    শ্রীলঙ্কা নির্ধারিত ১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে স্থির সূচনা পেয়েছিল; ওপেনার হাসিনি পেরেরা মাত্র ৫ রানে ফিরলেও ইমেশা দুলানি দিয়ে ৮ রান আসে। অধিনায়ক চামিরা আতাপাতু আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ৩৯ বলে ৪০ রান করেন, তার ইনিংসটি আটটি চারে সাজানো ছিল।

    চতুর্থ উইকেটে হারশিথা সামারাবিক্রমা ও হানসিমা করুুনারত্নের ৭৭ রানের জুটিই জয় হাতছানি দেয় সফরকারীদের। কেউ জেতা অবস্থায় ছিলেন না—করুনারত্নে ৪০ ও সামারাবিক্রমা ৫০ রানে আউট হন। পরে কৌশানি মাত্র ৪ রানে ফেরেন। শেষ পর্যন্ত কাভিশা ও নীলাক্ষীর জুটি ম্যাচ বাংলাদেশকে দিয়ে ছাড়ে না এবং শ্রীলঙ্কা চার উইকেটের জয় তুলে নেয়।

    বাংলাদেশের পক্ষে বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন নাহিদা আক্তার, তিনি চারটি উইকেট নেন। সুলতানা খাতুন ও রিতুমনি একজন করে উইকেট তুলেন।

    এর আগে ব্যাট করা সিদ্ধান্ত নেয়ায় ম্যাচে আক্রমণ শুরু করেছিল বাংলাদেশের ওপেনিং ব্যাটিং—but তা জমে উঠতে পারেনি। নিগার জ্যোতির টস জয়ের পর দলের টপঅর্ডার ভেঙে পড়ে; মাত্র চার রানে দুই ব্যাটার ফিরে যান—জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ২ রানে ও শারমিন আক্তার শূন্য রানে আউট হন।

    ক্যাপ্টেন নিগার নিজে একপ্রান্ত ধরে রাখতে থাকলেও তিনি পাশে সমর্থন পাচ্ছিলেন না। দীর্ঘ সংগ্রামে জ্যোতি ১০১ বল খেলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন, তার ব্যাটে চারটি চার ছিল। দলীয় সংগ্রহে আরও ছিলেন শারমিন সুলতানা ২৫, সোবহানা মোস্তারি ৫, স্বর্ণা আক্তার ১৬, রিতুমনি ১৭, নাহিদা আক্তার ২০, রাবেয়া খান ১৫, মারুফা আক্তার ১ ও সুলতানা খাতুন ১। বাংলাদেশ ইনিংস থামে ১৬৫ রানে।

    বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আতাপাতুই সবচেয়ে বেশি তিনটি উইকেট নেন, এছাড়া তিনজন বোলার দুটি করে উইকেট নেন।

    সংক্ষেপে, সিরিজ এখন ১-১ সমান। দ্বিতীয় ম্যাচে হতাশা কাটিয়ে তৃতীয় লড়াইয়ে সুযোগ থাকবে প্রতিরক্ষা ও পরিবর্তনের—to দেখতে হবে কোন দল শান্তি বজায় রেখে সিরিজ নিজের করে নেয়।

  • ঘরেই মাথা ঘুরে পড়ে অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কার আকস্মিক মৃত্যু

    ঘরেই মাথা ঘুরে পড়ে অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কার আকস্মিক মৃত্যু

    উত্তরপ্রদেশের পরিচিত মুখ, অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা সিরোহীর জীবন অকালেই থেমে গেল। মঙ্গলবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। বয়স ছিল ৩০ বছর।

    সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক আটটায় হঠাৎ তার মাথা ঘোরা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তিনি মাথা ঘুরে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং মাথায় আঘাত পান। দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    দিব্যাঙ্কা বুলন্দশহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং পরিবারের সঙ্গে গাজিয়াবাদে বসবাস করতেন। বুধবার সকালে গাজিয়াবাদে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রযোজক জিতু, শিল্পী বিকাশসহ হরিয়ানভি চলচ্চিত্র জগতের বহু পরিচিত মুখ এসে তাকে শ্রদ্ধা জানান।

    পড়াশোনায়ও তিনি ছিলেন সংগ্রামী—চৌধুরী চরণ সিংহ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করার পর সিকিমের এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছিলেন। আঞ্চলিক বিনোদন অঙ্গনে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান তৈরি করছিলেন; বিশেষ করে গায়ক মাসুম শর্মার সঙ্গে একাধিক মিউজিক ভিডিওতে কাজ করে তিনি নজর কেড়েছিলেন।

    সামাজিক মাধ্যমেও তার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এক সাক্ষাৎকারে দিব্যাঙ্কা বলেছিলেন, ছোটবেলা থেকেই অভিনয় ও নাচের প্রতি তার গভীর আগ্রহ ছিল, আর নিজের অনন্য অভিব্যক্তি দিয়ে ভাইরাল হওয়াই তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।

    দিব্যাঙ্কার আকস্মিক মৃত্যু regional বিনোদন জগতকে শোকাচ্ছন্ন করেছে। তাঁর অনুরাগী ও সহকর্মীরা শোক প্রকাশ করেছেন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

    সূত্র: বলিউড লাইফ

  • গম পাচার মামলায় ইডির তলবে নায়িকা ও সাবেক সাংসদ নুসরাত জাহান

    গম পাচার মামলায় ইডির তলবে নায়িকা ও সাবেক সাংসদ নুসরাত জাহান

    ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) অভিনেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য নুসরাত জাহানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রেশন দুর্নীতি ও সীমান্ত মাধ্যমে খাদ্যশস্য পাচারের একটি মামলায় তিনি কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে নির্ধারিত দিনে হাজিরা দেওয়ার জন্য ডাকা হয়েছেন।

    তদন্তকারী সূত্র জানায়, করোনা সময় সীমান্তবর্তী অঞ্চলে একাধিক ট্রাক আটক করা হয়েছিল, যেখানে অভিযোগ করা হয় সরকারি রেশনজাতীয় গম ও চাল বেআইনিভাবে বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছিল। সেই সময় নুসরাত বসিরহাট থেকে সাংসদ ছিলেন; তাই তদন্তকারীরা তার ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইছে।

    ইডির তলবটি কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নয়, বরং তদন্তের অংশ হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা নির্দেশনা, বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত নুসরাত জাহানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    এই তলবের পর গম পাচার ও রেশন দুর্নীতির মামলাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে এবং তদন্তের দিকটি এখন নজরকাড়া প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।