Blog

  • সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে সোলার প্ল্যান্ট বসানো হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে সোলার প্ল্যান্ট বসানো হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে সোলার প্ল্যান্ট বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে ওমেরার সঙ্গে সোলার প্ল্যান্ট সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হল বাংলাদেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ধাপে ধাপে সৌর বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ২ হাজার মেগাওয়াটের সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। এই উদ্যোগের প্রথম ধাপ হবে রেসিডেন্সিয়াল স্কুলগুলো থেকে, যেখানে ওপেক্স মডেলে সোলার এনার্জি ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।

    আনন্দের পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার মান উন্নত করে তাদের সময়টিকে আরও কার্যকরী করা হবে। পাশাপাশি, পরীক্ষার সেশনজট এবং সময় অপচয় কমাতে দ্রুততম কার্যক্রম গ্রহণের পথে এগোচ্ছে সরকার।

    শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শুধু জিপিএ-৫ ভিত্তিক শিক্ষার উপর নির্ভর না করে, বাস্তবজ্ঞান অর্জন ও কর্মমুখী দক্ষতা সম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এ উদ্দেশ্যে শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে, যেন শিক্ষার্থীরা কল্যাণমুখী ও জীবন দক্ষতার সঙ্গে নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে।

  • তথ্যমন্ত্রী: দাড়ি ও টুপি পরায় সন্দেহের চোখে দেখা হত

    তথ্যমন্ত্রী: দাড়ি ও টুপি পরায় সন্দেহের চোখে দেখা হত

    তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, এক সময় দাড়ি রাখা ও টুপি পরিধান করলেও মানুষ সন্দেহের চোখে দৃশ্যমান হত। তিনি এ কথা বলেন বুধবার (১৩ মে) উত্তরায় অনুষ্ঠিত মাসব্যাপী ইসলামি প্রতিযোগিতা ‘আলোকিত মাহে রমাদান’ এর চূড়ান্ত বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে। মন্ত্রী আরও বলেন, পরিকল্পিতভাবে নাটক করে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আক্রমণ করে ধর্মীয় বিবাদের সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে আজকের এই অনুষ্ঠানটি দেশের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির প্রমাণ দেয়। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের বোঝা হয়তো বর্তমান সরকার ৩০ লাখ কোটি টাকা ঋণের চাপ বহন করছে। বিগত সরকারের দুর্বল অর্থনীতি এখনো দেশের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার পুনরুদ্ধারে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে বলেও জানান তিনি। তবে এই সময়ের মধ্যে কেউ যেন রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টি করতে না পারে, এই বিষয়েও সচেতন করার জন্য অনুরোধ করেন তিনি। শেষে তিনি বলেন, যদি সবাই একত্রিত না থাকি, তবে আধিপত্যশীল আওয়ামীলীগের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব নয়।

  • এপ্রিল মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫১০, মোট দুর্ঘটনা ৫২৭

    এপ্রিল মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫১০, মোট দুর্ঘটনা ৫২৭

    গত এপ্রিলে সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৫১০ জন। এক মাসে মোট সংঘটিত হয়েছে ৫২৭টি সড়ক দুর্ঘটনা, যার ফলশ্রুতিতে আহত হয়েছেন ১ হাজার ২৬৮ জন। এছাড়া রেলপথে ৫৪টি দুর্ঘটনায় নিহত ৪৯ জন এবং নৌপথে পাঁচ দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়, যেখানে চারজন মারা যান। সব মিলিয়ে সড়ক, রেল ও নৌপথে মোট ৫৮৬টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৫৬৩ জন আর আহত হয়েছেন ১ হাজার ২৭৯ জন।

    বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পাঠানো এক প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার (১৩ মে) এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী সংবাদমাধ্যমে পাঠানো প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন। তারা জানিয়েছেন, গণমাধ্যমের দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল পর্যবেক্ষণ করে এসব তথ্য সংগ্রহ করেছে। তবে এটাই সম্পূর্ণ ছবি নয়, কারণ দুর্ঘটনার অধিকাংশই সংবাদপত্রে প্রকাশ হয় না, ফলে প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে বলে মনে করেন সংগঠনটি।

    এপ্রিলে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে, যেখানে ১৩৫টি দুর্ঘটনায় নিহত হন ১৩৭ জন এবং আহত হয়েছেন ২৬৩ জন। অন্যদিকে, কম দুর্ঘটনার তালিকায় রয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগ, যেখানে ১৭টি দুর্ঘটনায় ১৮ জন মারা গেছেন এবং আহত হয়েছেন ৬৪ জন।

    প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ৯৯ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৮২ জন পথচারী, ৫৬ জন শিক্ষার্থী, ৫২ জন নারী, ৪৭ শিশু, ২৫ জন পরিবহন শ্রমিক, তিনজন চিকিৎসক, দুইজন বিজিবি সদস্য, পাশাপাশি একজন পুলিশ, একজন বিমানবাহিনী সদস্য এবং একজন সাংবাদিক। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ আটজনের প্রাণহানি ঘটেছে।

    দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে জাতীয় মহাসড়কে—মোটের ৩৮.৫১ শতাংশ। এরপর রয়েছে আঞ্চলিক মহাসড়ক যেখানে ৩১.৪৯ শতাংশ, এবং ফিডার রোডে ২২.৯৬ শতাংশ দুর্ঘটনা। এছাড়া ঢাকা মহানগরীতে ৫.৬৯ শতাংশ, চট্টগ্রাম মহানগরীতে ০.৭৫ শতাংশ ও রেলক্রসিংয়ে ০.৫৬ শতাংশ দুর্ঘটনা রেকর্ড হয়েছে।

    সংগঠনটি দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করে— মহাসড়কে মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশার অতিরিক্ত চলাচল; রোড সাইন বা মার্কিং এর অভাব; রেলক্রসিংয়ে হঠাৎ বাস উঠে আসা; মাঝখানে রোড ডিভাইডার না থাকা; গাছপালার আড়ালে দৃষ্টির প্রতিবন্ধকতা; সড়ক নির্মাণের ত্রুটি; নানাবিধ যানবাহনের ত্রুটি; যানবাহনের চালনাকানুনের লঙ্ঘন; উল্টোপথে যানবাহন চালানো; সড়কে চাঁদাবाजी; পণ্যবাহী যানবাহনের যাত্রী পরিবহন; অদক্ষ চালক ও ফিটনেসহীন যানবাহন; অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন; দ্রুত গতি ও দীর্ঘ সময় চালনা— এ সকল কারণ।

    নিরাপদ সড়ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাজানো হয়েছে সাতচল্লিশ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে বেশ কিছু সুপারিশ, যেমন— প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য স্মার্ট পদ্ধতি চালু করা; মোবাইলের মাধ্যমে ভাড়ার নিয়ম চালু; মহাসড়কগুলোতে রাতে আলোকসজ্জা; প্রশিক্ষিত চালকের সংখ্যা বাড়ানো; বিআরটিএ এর অনুমোদিত ড্রাইভিং স্কুল থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া বাধ্যতামূলক; সড়ক পরিবহন সেক্টরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করা; মহাসড়কে সার্ভিস লেন চালু করা; চাঁদাবাজি বন্ধ ও চালকদের বেতন-পরিশ্রমের নিশ্চয়তা প্রদান; ফুটপাত এবং পথচারীদের জন্য নিরাপদ পাড়াপড়ার ব্যবস্থা; রোড সাইন ও মার্কিং স্থাপনের উপর গুরুত্বারোপ; আধুনিক বাসের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা ও বিএআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি; মানসম্পন্ন সড়ক নির্মাণ ও নিয়মিত রোড সেফটি অডিট চালানো। এছাড়া, সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে একটি বিশেষ দুর্ঘটনা গবেষণা ইউনিট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়েছে।

    সর্বোপরি, প্রতিবেদনে পরিবহন সেক্টর বিষয়ে ব্যাপক সংস্কার ও আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়েছে, যাতে এসব দুর্ঘটনা প্রতিরোধ সম্ভব হয় এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

  • ফ্লাইওভারে ঝুলছিল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ

    ফ্লাইওভারে ঝুলছিল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ

    চট্টগ্রাম নগরীর সাগরিকা ফ্লাইওভারে এক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিস্তারিত পোস্টে বিভিন্ন দাবি ওঠে, যেখানে বলা হয় এটি পরিকল্পিত হত্যা এবং দেশের রাজনীতির সঙ্গে সংগঠনের সম্পৃক্ততা। তবে পুলিশ জানায়, এসব তথ্য ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর। পুলিশের মতে, এটা আত্মহত্যার ঘটনা।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত তিনটার দিকে স্থানীয়রা খবর দিলে পাহাড়তলী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত ব্যক্তি ছিলেন কাউসার আহমেদ, তিনি আকবর শাহ থানার ছাত্রলীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক। সংগঠনের পক্ষ থেকেও নিশ্চিত করা হয়, তিনি একই সংগঠনের সদর দফতরের সদস্য ছিলেন। নিহতের পরিবারের মূল ধারণা, এটি সময়ের আগেই উছিলা ও মানসিক উদ্বেগের কারণে আত্মহত্যা।

    এমনকি আকবর শাহ থানার ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত শোকবার্তায়, মরদেহের রহস্যজনক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে, পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তি বিএসআরএম কোম্পানীর নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। পরিবার জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক আঘাত ও হতাশায় ভুগছিলেন। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি, ফলে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা। তবে, নিরাপত্তার জন্য ময়নাতদন্ত করা হয়েছে এবং পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে।

    পাশাপাশি, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে কিছু প্রচারণা ও গুজব ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দাবী করা হয় যে ব্যক্তি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে পুলিশের ধারণা, এই ধরনের দাবিই প্রোপাগান্ডা। স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, নিহত ব্যক্তি মূলত মানসিক চাপ ও হতাশার ফলে আত্মহত্যা করেছেন, এবং এই বিষয়টি তদন্তাধীন।

  • জাতি গঠনে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    জাতি গঠনে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    জাতি গঠন ও দেশের উন্নয়নে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সক্রিয় সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    আজ মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। তিনি বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শেখারও পরামর্শ দেন, যাতে আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ে।

    অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ১৫৬ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন; তাদের মধ্যে ১৭ জন সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বটি তাৎপর্যপূর্ণ ও ভয়েসফুল ছিল—প্রধানমন্ত্রী হাসিমুখে বেশিরভাগ প্রশ্নের উত্তর দেন এবং নানা উদ্যোগের কথা জানান।

    ঢাবি চারুকলা অনুষদের অঙ্কন ও চিত্রায়ণ বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী কাবেরী আজাদ সরকারের শিল্পবাজার প্রসারের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে কাবেরীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রত্যাশা অনুযায়ী সবকিছু একদিনে হয় না; স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আপনাদের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ভূমিকা বড়—সোশ্যাল মিডিয়া হোক বা অন্য মাধ্যম। অপিনিয়ন তৈরিতে আপনাদের অংশগ্রহণ জরুরি। রাজনীতিকে সংসদে নিয়ে আসতে হবে; শুধু রাজপথে হৈচৈ করে কিছু নির্মাণ করা সম্ভব নয়।’

    শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন মোবাশেরুজ্জামান হাসান। তিনি হলে থাকার সমস্যা, চাকরির অনিয়ম, প্রশ্নফাঁস ও স্বজনপ্রীতির উদ্বেগ তুলে ধরেন। উত্তরে প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি ও অর্থপাচারের ঘটনাগুলো নির্মমভাবে তুলে ধরে বলেন, অতীতের ব্যাপক অনিয়ম ও পাচারের কারণে সরকারের সব সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব হচ্ছে না। তিনি রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের দুর্নীতি, বিভিন্ন অর্থ পাচারসহ বড় বড় অনিয়মের উদাহরণ দেন এবং জানান, ‘জিরো টলারেন্স’ বাস্তবে সহজ নয়; তবে দুর্নীতিরোধে ধাপে ধাপে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের অন্যান্য দিকগুলোও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে—শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক প্রবণতা, বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক মান, লাইব্রেরি ও হলে আসন সমস্যা ইত্যাদি নিয়ে তিনি দীর্ঘ আলোচনা করেন। শিক্ষক নিয়োগে মেধাভিত্তিক ব্যবস্থা ও অনুকূল পাবলিকেশন নীতির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি ভিসিকে এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়ার অনুরোধ করেন।

    এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতায় একটি দৃষ্টান্তবর্ণনাও ছিল—তিনি জানান, ব্রিটিশ পার্লামেন্ট দেখার সময় যে ‘গাইডেড টুল সিস্টেম’ দেখেছিলেন, সেই অনুপ্রেরণায় বাংলাদেশে স্কুল পড়ুয়াদের পার্লামেন্টে নিয়ে গিয়ে ইতিহাস, সেশন ও বিল্ডিংয়ের ঐতিহ্য প্রদর্শনের উদ্যোগ নেয়ার কথা বলেছেন। ইতিমধ্যে ঢাকার স্কুলগুলোর শিশুদের আনতে শুরু করা হয়েছে; ধীরেসুস্থে অন্যান্য জেলার শিক্ষার্থীরাও আনা হবে বলেও জানান তিনি।

    দেশের ভাষা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রশ্নে আল আমিন নামের আরেক শিক্ষার্থীর উদ্বেগের প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাষা সংরক্ষণ মূলত পরিবার ও মানসিকতার ব্যাপার। নিজের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, তার পরিবারের সদস্য বিদেশে থেকেও দেশীয় পরিচয় রাখতে পেরেছেন—এটি পারিবারিক অভ্যাস ও মানসিকতার ফল। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইংলিশ মিডিয়াম পড়ার পাশাপাশি মাতৃভাষার ব্যবহার বাড়ানোর প্রয়োজন আছে।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ১৭ বছরের অন্তর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার স্মৃতি স্মরণ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসটা হাঁটতে হাঁটতে দেখার ইচ্ছে ছিল, যদিও সেই সৌভাগ্য হয়নি। অনুষ্ঠানে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উষ্ণ আলাপ চালিয়ে যান—‘আপনারা কেমন বাংলাদেশ চান, আমরা কী করতে পারি, আপনারা কী করতে পারেন’—এই প্রশ্নগুলোর ওপর ভিত্তি করে আজকের আলোচনার কথা জানান।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত “বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ” শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধন করেন। পরে বেলা পৌনে বারোটায় তিনি সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের মিলনায়তনে পৌঁছে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ও মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর পাশে উপস্থিত ছিলেন। শেষে উপাচার্য ও সিন্ডিকেট সদস্য প্রধানমন্ত্রীর হাতে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন।

  • ৩৪১ পুলিশ সদস্যকে ‘পুলিশ ফোর্স এক্সেমপ্লারি গুড সার্ভিস ব্যাজ-২০২৫’ দিয়ে সম্মাননা

    ৩৪১ পুলিশ সদস্যকে ‘পুলিশ ফোর্স এক্সেমপ্লারি গুড সার্ভিস ব্যাজ-২০২৫’ দিয়ে সম্মাননা

    পুলিশ বাহিনীর ৩৪১ জন সদস্যকে ‘‘পুলিশ ফোর্স এক্সেমপ্লারি গুড সার্ভিস ব্যাজ-২০২৫’’ দিয়ে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালের ১ মার্চ থেকে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক এবং প্রশংসনীয় সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের এ ব্যাজ প্রদান করা হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) তাদেরকে ব্যাজ পরিয়ে দেন। অনুষ্ঠানে পাশাপাশি পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কারও বিতরণ করা হয়।

    অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার অভিযানের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে গত ১ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত সফল ইউনিটগুলোকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। ফলাফল অনুযায়ী:

    ক) গ্রুপে — চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ প্রথম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ দ্বিতীয় ও কুমিল্লা জেলা পুলিশ তৃতীয়।

    খ) গ্রুপে — কক্সবাজার জেলা পুলিশ প্রথম, কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ দ্বিতীয় ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ তৃতীয়।

    গ) গ্রুপে — রাজবাড়ী জেলা পুলিশ প্রথম, মাগুরা জেলা পুলিশ দ্বিতীয় ও এপিবিএন তৃতীয়।

    ঘ) গ্রুপে — র‍্যাব-১১, নারায়ণগঞ্জ প্রথম, র‍্যাব-১৫, কক্সবাজার দ্বিতীয় ও র‍্যাব-২, ঢাকা তৃতীয়।

    ঙ) গ্রুপে — ডিবি, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ প্রথম, তেজগাঁও বিভাগ (ঢাকা মেট্রোপলিটন) দ্বিতীয় ও মিরপুর বিভাগ (ঢাকা মেট্রোপলিটন) তৃতীয়।

    মাদকদ্রব্য উদ্ধারের দিক থেকে ২০২৫ সালের ফলাফলেও বিভিন্ন গ্রুপে সেরা ইউনিটদের পুরস্কৃত করা হয়েছে:

    ক) গ্রুপে — ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ প্রথম, কুমিল্লা জেলা পুলিশ দ্বিতীয় ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ তৃতীয়।

    খ) গ্রুপে — ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ প্রথম, কক্সবাজার জেলা পুলিশ দ্বিতীয় ও হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ তৃতীয়।

    গ) গ্রুপে — লালমনিরহাট জেলা পুলিশ প্রথম, শেরপুর জেলা পুলিশ দ্বিতীয় ও গাজীপুর জেলা পুলিশ তৃতীয়।

    ঘ) গ্রুপে — র‍্যাব-১৫ (কক্সবাজার) প্রথম, র‍্যাব-৯ (সিলেট) দ্বিতীয় ও র‍্যাব-১১ (নারায়ণগঞ্জ) তৃতীয়।

    ঙ) গ্রুপে — ওয়ারী বিভাগ (ঢাকা মেট্রোপলিটন) প্রথম, তেজগাঁও বিভাগ দ্বিতীয় ও মতিঝিল বিভাগ তৃতীয়।

    চ) গ্রুপে — হাইওয়ে পুলিশ প্রথম, রেলওয়ে পুলিশ দ্বিতীয় ও এপিবিএন তৃতীয়।

    শিল্ড প্যারেড প্রতিযোগিতায় যৌথ মেট্রোপলিটন দল প্রথম স্থান অর্জন করেছে, দ্বিতীয় হয়েছে এপিবিএন দল এবং তৃতীয় হয়েছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ দল। অনুষ্ঠানে আইজির ব্যাজ, শিল্ড প্যারেড পুরস্কার এবং অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার সংক্রান্ত সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

    আইজিপি অনুষ্ঠানে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ একটি ঐতিহ্যবাহী ও পেশাদার বাহিনী; দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমন করতে পুলিশ পুরো জোরে কাজ করে যাচ্ছে। আজকে পুরস্কারপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা তাদের সাহস, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে সেই ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন। তিনি দেশের কল্যাণে পুলিশ সদস্যদের আরও আন্তরিক ও নিষ্ঠাবান হয়ে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান।

  • গোলাম পরওয়ার: উন্নয়নে সরকার করছে চরম বৈষম্য

    গোলাম পরওয়ার: উন্নয়নে সরকার করছে চরম বৈষম্য

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেছেন, সরকার উন্নয়নের ক্ষেত্রে চরম বৈষম্যমূলক আচরণ করছে। তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের স্বার্থে সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক করার বিষয়টি সবচেয়ে যৌক্তিক ও জরুরি।

    শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করার পথে ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নামার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হালিম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান ও সহ-সভাপতি গোলাম রব্বানী।

    গোলাম পরওয়ার বলেন, সৈয়দপুর বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক করলে বৃহত্তর রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হবে। কিন্তু যদি শুধু নির্দিষ্ট নির্বাচিত এলাকার সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা হলে সেটি একটি বড় অন্যায় হবে।

    তিনি আরও বলেন, বিএনপি নির্বাচিত এমপিদের এলাকাকে প্রাধান্য দিয়ে নানা উন্নয়ন প্রকল্প বন্টন করছে; ফলে কিছু ক্ষেত্রে নতুন উপজেলা বা বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে, যা সার্বিক জাতীয় গুরুত্ব বিবেচনায় হওয়া উচিৎ নয়। ‘‘প্রবাদ আছে, যে যায় লঙ্কায় সেই হয় রাবণ,’’ বলে মন্তব্য করে তিনি বাস্তবিক পরিস্থিতি তেমনই দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।

    গোলাম পরওয়ার দাবি করেন, বিএনপি ৭০ শতাংশ জনমতকে উপেক্ষা করে প্রতারণার রাজনীতি করছে। নির্বাচনের আগে যারা “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে ছিলেন, তারা এখন গণভোটের রায় অস্বীকার করছেন। সরকার যদিও বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, বাস্তবে গণভোটের রায় মানা হচ্ছে না—এটিকে তিনি ‘‘জনগণের সঙ্গে মহাপ্রতারণা’’ হিসেবে অভিহিত করেন। তাঁর মতে, বিএনপি যদি জনস্বার্থে এমন ব্যাকপাস খেলতে থাকে, তা হলে তা শুধু দলের জন্যই নয়, দেশের জন্যও ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে।

    গণমাধ্যম সম্পর্কিত প্রশ্নে গোলাম পরওয়ার বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় যারা স্বাধীন সাংবাদিকতার কথা বলতেন,現在 তাদের মধ্যে অনেকে বিভিন্ন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে নেওয়া, সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুত করা ও হয়রানির সঙ্গে জড়িত আছেন। বিশেষত সরকারসমালোচক সাংবাদিকদের টার্গেট করা হচ্ছে—এটি তিনি কঠোরভাবে নিন্দা করেছেন।

    বিমানবন্দরে গোলাম পরওয়ার ও তাঁর সফরসঙ্গীদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মাওলানা আব্দুল মুনতাকিম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম ও জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মনিরুজ্জামান জুয়েল। এছাড়া সৈয়দপুর উপজেলা জামায়াতের আমির শফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাজহারুল ইসলাম, শহর আমির শরফুদ্দিন খান, সেক্রেটারি মাওলানা ওয়াজেদ আলী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের শহর সভাপতি আব্দুল মোমিনসহ শতাধিক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    পরবর্তীতে গোলাম পরওয়ার ও তার সফরসঙ্গীরা সড়কপথে পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

  • এনসিপি ঘোষণা করলো ১০০ প্রাথমিক প্রার্থী

    এনসিপি ঘোষণা করলো ১০০ প্রাথমিক প্রার্থী

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রাথমিকভাবে ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভার জন্য সমর্থিত প্রার্থী ঘোষণা করেছে। রোববার (১০ মে) বিকেলে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

    সারজিস আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য দলের কাছে হাজারের বেশি আবেদন পৌঁছেছিল। প্রথম ধাপে আজ ১০০ জন — ৫০ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৫০ জন পৌরসভার মেয়র প্রার্থী — ঘোষণা করা হল। তিনি জানান, ঈদের আগেই, অর্থাৎ এই মাসের ২০ তারিখে দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং নাম ঘোষণা করার এই প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।

    তিনি আরও বলেন, এনসিপি দেশের নানা এলাকার যোগ্য, গ্রহণযোগ্য ও নির্দোষ নেতাদের সুযোগ দেবে, এমনকি অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরাও যাচাই-বাছাইয়ের পর এনসিপির সমর্থন পেতে পারেন। দলের নীতিমালা ও সার্বিক যাচাই-বাছাই শেষে অন্য দল থেকে যোগ দিতে চাইলে তাদেরকেও সুযোগ দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

    ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে জেলা ও বিভাগভিত্তিক তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

    খুলনা বিভাগ:

    কুষ্টিয়ার কুমারখালী — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম বাদশা। ভেড়ামারা — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: জান্নাতুল ফেরদৌস টনি। বাগেরহাট, চিতলমারি — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইশতিয়াক হোসেন। ফকিরমারি — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: লাবিব আহমেদ। মোংলা — পৌরসভার মেয়র প্রার্থী: মো. রহমত উল্লাহ। বাগেরহাট পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: সৈয়দ মোর্শেদ আনোয়ার। যশোর, বাঘারপাড়া — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইয়াহিয়া জিসান। নোয়াপাড়া — পৌরসভা মেয়র প্রার্থী: শাহজাহান কবির। খুলনা, চালনায় — মেয়র প্রার্থী: এস এম এ রশিদ। চুয়াডাঙ্গা সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: খায়রুল বাশার বিপ্লব। জীবননগর পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: সোহেল পারভেজ। মেহেরপুর, গাংনী পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: শাকিল আহমেদ। ঝিনাইদহ পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: তারেকুল ইসলাম।

    রংপুর বিভাগ:

    পঞ্চগড়, তেঁতুলিয়া — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. হাবিবুর রহমান (হাবিব)। বদায়/বোদা? (বোধ হয় বোদা) — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: শিশির আসাদ। দেবীগঞ্জ — পৌর মেয়র প্রার্থী: মাসুদ পারভেজ। ঠাকুরগাঁও, রাণীশংকৈল — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: গোলাম মর্তুজা সেলিম। দিনাজপুর, ফুলবাড়ি — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইমরান চৌধুরী নিশাত। বোচাগঞ্জ — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মাওলানা এম এ তাফসির হাসান। ফুলবাড়ি পৌরসভা — পৌর মেয়র প্রার্থী: শিহাব হোসেন। ঘোড়াঘাট — পৌর মেয়র প্রার্থী: মো. আব্দুল মান্নান। হাকিমপুর — পৌর মেয়র প্রার্থী: রায়হান কবির।

    নীলফামারী ও কুড়িগ্রাম এলাকায়:

    নীলফামারী, জলঢাকা — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আবু সাইদ লিয়ন। নীলফামারী সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ড. কামরুল ইসলাম। কুড়িগ্রাম সদর — পৌর মেয়র প্রার্থী: মো. মাসুম মিয়া। লালমনিরহাট, কালিগঞ্জ — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: শাহ সুলতান নাসির উদ্দিন আহমেদ। রংপুর সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মণ। গাইবান্ধা, সাদুল্লাপুর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: খাদিমুল ইসলাম।

    রাজশাহী বিভাগ:

    রাজশাহী, গোদাগাড়ি — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. আতিকুল রহমান। চাঁপাইনবাগঞ্জ, গোমস্তাপুর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আবু মাসুদ। নওগাঁ, নেয়ামতপুর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: বিশাল আহমেদ। বাদলগাছি — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আসাদ মোর্শেদ আজম। ধামুরহাট — পৌর মেয়র প্রার্থী: মাহফুজার রহমান চৌধুরী (রুবেল)। বগুড়া, শিবগঞ্জ — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. জাহাঙ্গীর আলম। দুপচাঁচিয়া — পৌরসভা মেয়র প্রার্থী: আবু বক্কর সিদ্দিক। বগুড়া সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: এ এম জেড শাহরিয়ার। নাটোর সদর — পৌরসভা মেয়র প্রার্থী: আব্দুল মান্নান। পাবনা, চাটমোহর — পৌরসভা মেয়র প্রার্থী: খন্দকার আক্তার হোসেন। সিরাজগঞ্জ, উল্লাপাড়া — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ আদনান। উল্লাপাড়া পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: ইঞ্জিনিয়ার আল-মামুন লিয়ন।

    সিলেট বিভাগ:

    হবিগঞ্জ, আজমিরীগঞ্জ — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. কামাল আহমেদ। হবিগঞ্জ সদর — পৌরসভা মেয়র প্রার্থী: মাহবুবুল বারী চৌধুরী। মৌলভীবাজার, রাজনগর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: খালেদ হাসান। কুলাউড়া — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আবু রুকিয়ান। সিলেট, কোম্পানিগঞ্জ — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ওবায়েদ আহমেদ। কানাইঘাট — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: বোরহান উদ্দিন ইউনূস। ওসমানীনগর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: হাজি মো. মোশাহিদ আলী। জৈন্তাপুর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: জাকারিয়া। গোয়াইনঘাট — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মনসুরুল হাসান।

    ময়মনসিংহ বিভাগ:

    শেরপুর সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইঞ্জিনিয়ার মো. লিখন মিয়া। শেরপুর সদর পৌর — মেয়র প্রার্থী: নূর ইসলাম। জামালপুর সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: অ্যাডভোকেট আবু সাইদ মো. শামিম। নেত্রকোণা, খালিয়াজুড়ি — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. মুশফিকুর রহমান মিন্টু। বারহাটা — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: শফিকুল হক চৌধুরী (বাবলু)। নেত্রকোণা সদর — পৌরসভা মেয়র প্রার্থী: সোহাগ মিয়া প্রিতম। ময়মনসিংহ, তারাকান্দা — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল ইসলাম। ভালুকা — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: নূরুল ইসলাম। হালুয়াঘাট — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আবু হেলাল। ধোবাউড়া — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. সাইফুল্লাহ।

    ঢাকা বিভাগ (উত্তর):

    কিশোরগঞ্জ সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আহনাফ সাইদ খান। তাড়াইল — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইকরাম হোসেন। করিমগঞ্জ পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: খায়রুল কবির। সাভার — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: শাহাবদুল্লাহ রনি। মানিকগঞ্জ সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আরিফুল ইসলাম। দৌলতপুর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আবু আব্দুল্লাহ। টাঙ্গাইল, কালিহাতি — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মেহদী হাসান। টাঙ্গাইল পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: মাসুদুর রহমান রাসেল। ভূঞাপুর পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: হাসান ইমাম তালুকদার। শফিপুর পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: মাওলানা আনসার আলী। নরসিংদী সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: সাইফ ইবনে সারওয়ার। গাজীপুর, কালিগঞ্জ — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: শোয়েব মিয়া।

    ঢাকা বিভাগ (দক্ষিণ):

    নারায়ণগঞ্জ, সেনারগাঁও — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: তুহিন মাহবুব। মুন্সিগঞ্জ, সিরাজদিখান — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আলী নেওয়াজ।

    ফরিদপুর বিভাগ:

    নগরকান্দা — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: রেজাউল করিম সবুজ। নগরকান্দা পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: নাজমুল হুদা। ফরিদপুর পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: সাইদ খান। মাদারীপুর পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: মো. হাসিবুল্লাহ। গোপালগঞ্জ পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: ফেরদৌম আমেনা।

    এনসিপি জানিয়েছে যে তারা প্রার্থীদের আরও যাচাই-বাছাই করে ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত তালিকা প্রকাশ করবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিত্বে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের খোঁজে কাজ চালিয়ে যাবে। সংবাদ সম্মেলনে দলের নেতারা ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ ও স্থানীয় উন্নয়নের অঙ্গীকার পুনরায় জোর দিয়েছেন।

  • অর্থমন্ত্রী: আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না

    অর্থমন্ত্রী: আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আর্থিক খাতসহ সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক সেক্টরে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না এবং এসব প্রতিষ্ঠান শতভাগ পেশাদারভাবে পরিচালিত হবে। তিনি মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

    অনুষ্ঠনায় বিএসআইসির চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন সভাপতিত্ব করেন। বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান ও বিএবির চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার।

    মন্ত্রী বলেন, সরকারের কোনো রাজনৈতিক নিয়োগ বা প্রভাব এখানে কার্যকর হবে না; সিদ্ধান্ত গ্রহণ, বিনিয়োগ ও পরিচালনায় পুরোপুরি স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখা হবে। তিনি জানান, যে পরিমাণ মূলধন নিয়ে এই কোম্পানি যাত্রা শুরু করেছে ভবিষ্যতে তা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং এটি কেবল একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান নয়, বরং দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে দৃশ্যমান করে তুলতে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

    আলোচনা কালে তিনি দেশের তরুণ প্রজন্মের দুইটি প্রধান সমস্যা — তহবিলের অভাব ও জামানত প্রদানের অক্ষমতা — তুলে ধরে বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে এই সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠার পথ তৈরি করা হয়েছে। বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া হবে স্বচ্ছ, দক্ষ ও পেশাদার।

    অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এই কর্মসূচিটি তাদের রাজনৈতিক ম্যানিফেস্টোর সঙ্গে সুস্পষ্টভাবে সম্পৃক্ত। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগিয়ে এক কোটির বেশি মানুষের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিই সরকারের লক্ষ্য। বিশেষ করে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি বা সৃজনশীল অর্থনীতির जरिये গ্রামীণ ও শহরের যুবসমাজকে মূলধারার অর্থনীতির সাথে সংযুক্ত করা হবে।

    পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগ পরিবেশের সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় পার করছি। পুঁজিবাজারে সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় ডিরেগুলেশনের দিকে এগোচ্ছি। বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে দক্ষ ব্যক্তিদের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। দেশি-বিদেশি বড় ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন দাতৃসংস্থা আমাদের সঙ্গে কাজ করছে।

    মন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের ব্যাংক ও প্রাইভেট সেক্টরের আন্ডার-ক্যাপিটালাইজেশন দূর করতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি শুধু ব্যাংকিং খাতে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং আন্তর্জাতিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানগুলোকেও বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করবে।

    শেষে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় এই প্রকল্পের সফলতার জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত সাপোর্ট দেবেই এবং দেশের কয়েকটি ব্যাংক একত্রে এই ভেঞ্চার ক্যাপিটাল উদ্যোগ নিয়েছে, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।

  • বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়ালো ৩৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে

    বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়ালো ৩৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ এখন দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সুপারিশকৃত বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুসারে রিজার্ভের পরিমাণ হয়েছে ২৯ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার — এই তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সোমবার বিকেলে নিশ্চিত করেছেন।

    মুখপাত্র জানান, বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে সোমবার দেশের রিজার্ভ ছিল দুই হাজার ৯৫৬ কোটি ৫৬ lakh ৬০ হাজার ডলার (প্রায় ২৯.৫৬ বিলিয়ন)। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজ হিসাব অনুযায়ী মোট রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৪২২ কোটি ৬৩ লাখ ৩০ হাজার ডলার (প্রায় ৩৪.২২ বিলিয়ন)।

    এর আগে রোববার এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু) মার্চ ও এপ্রিল মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করে মোট ১৫১ কোটি ৪৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার। ওই বিল পরিশোধের পর আইএমএফভিত্তিক বিপিএম-৬ হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল দুই হাজার ৯৪৭ কোটি ৯২ লাখ ৭০ হাজার ডলার; ব্যাংকের নিজ হিসাব অনুযায়ী তখন রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৪১৪ কোটি ২০ হাজার ডলার।

    তুলনামূলকভাবে দেখতে গেলে, গত ৭ মে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৯৬ কোটি ৪০ হাজার ডলার এবং ব্যাংকের নিজ হিসাব অনুযায়ী ছিল তিন হাজার ৫৬১ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার। এই পরিসংখ্যানগুলো দেখায় রিজার্ভে সাময়িক ওঠা-নামা হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক লেনদেন ও ক্লিয়ারিং বার্তার প্রতিক্রিয়ার প্রভাবকে প্রতিফলিত করে। বাংলাদেশ ব্যাংক সময়সাপেক্ষভাবে দেশের রিজার্ভ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে চলেছে।