Blog

  • ‘ধুরন্ধর ২’: ১৭ দিনে কত আয়, ধরাছোঁয়ার বাইরে ব্লকবাস্টার

    ‘ধুরন্ধর ২’: ১৭ দিনে কত আয়, ধরাছোঁয়ার বাইরে ব্লকবাস্টার

    বলিউডের স্পাই থ্রিলার ছবি ‘ধুরন্ধর ২’ মুক্তির ১৭ দিন পার করতেই বক্স অফিসে দারুণ সফলতা দেখিয়েছে। স্যাকনিল্কের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ছবিটি মুক্তির তৃতীয় শনিবারে প্রায় ২৫.৬৫ কোটি টাকা আয় করেছে। বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রথম সপ্তাহ শেষে ছবিটির সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৭४.১৭ কোটি টাকার বিশাল রেকর্ডে। এর পরের সপ্তাহগুলোতেও আয় অব্যাহত থাকায়, দ্বিতীয় সপ্তাহে আরও ২৬৩.৬৫ কোটি টাকা যোগ হয়। এখন পর্যন্ত মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৫০ কোটি টাকার কাছাকাছি, এবং ধারাবাহিক জনপ্রিয়তার কারণে মনে করা হচ্ছে, শীঘ্রই এটি ১,০০০ কোটি টাকার ক্লাবে প্রবেশ করবে। এই ছবিটি এখন পর্যন্ত ‘আরআরআর’, ‘কোলকি ২৮৯৮ এডি’, ‘কেজিএফ: চ্যাপ্টার ২’, ‘জওয়ান’, ‘পাঠান’, ‘স্ত্রী ২’ ও ‘অ্যানিমেল’ এর মতো ব্লকবাস্টার ছবির লাইফটাইম কালেকশনকে ছাড়িয়ে গেছে। তবে শীর্ষ তালিকায় ওঠার জন্য এখনও কিছু রেকর্ড ভেঙে দিতে হবে, যেমন ‘বাহুবলী ২: দ্য কনক্লুশন’ ও ‘পুষ্পা ২: দ্য রাইজ’। প্রথম পর্বে রণবীর সিং হুমাজা নামে একজন ভারতীয় গুপ্তচরের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। দ্বিতীয় কিস্তিতে পুলিশ অফিসার জাসকিরাত সিং রাঙ্গির উত্থান ও তার গল্প দেখানো হয়েছে, কী পরিস্থিতিতে সে দুর্ধর্ষ গুপ্তচর হামজা আলি মাজারিতে রূপান্তরিত হয়। আদিত্য ধর পরিচালিত এই স্পাই অ্যাকশন থ্রিলারে অভিনয় করেছেন রণবীর সিং ছাড়াও অর্জুন রামপাল, মাধবন, সঞ্জয় দত্ত, রাকেশ বেদী ও সারা অর্জুন। এ ছাড়া দানিশ পান্ডো ও উদয়বীর সান্ধুর মতো শিল্পীর পাশাপাশি রয়েছে অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতমের ক্যামিও, যা একটি বিশেষ চমক হিসেবে তৈরি।

  • কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিমকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিমকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার

    হত্যাচেষ্টা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও স্টান্ট রাইডার আরএস ফাহিমের গ্রেপ্তারি নিশ্চিত হয়েছে। আজ সোমবার, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে তাকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এক হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখান। শুনানি চলাকালে আদালতে উপস্থিত ছিলেন ফাহিম নিজে, পাশাপাশি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষের প্রভাবশালী আইনজীবী মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন তার গ্রেপ্তারির পক্ষে শুনানি করেন। শুনানি শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেওয়া হয় এবং পুলিশ প্রহরায় তাকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়।

    এর আগে, রোববার (২৯ মার্চ) বিকেল চারটার সময় রাজধানীর মিরপুরের চিড়িয়াখানার সামনে থেকে জনতা ও কিছু শিক্ষার্থী তাকে আটক করে। পরে তাকে শাহ আলী থানায় নেয়া হয় এবং পরে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়। এরপর ৩০ মার্চ গুলশান থানায় মো. ইমরান নামে এক ব্যক্তির হত্যাচেত্রের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং কারাগারে পাঠানো হয়।

    সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরের Biccha এলাকা থেকে মিছিল করছিলেন আন্দোলনকারীরা। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সেখানে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে, যার ফলশ্রুতিতে মাসুদ হোসাইন নামে একজন আহত হন। তিনি পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন এবং বুকে ইনফেকশন ধরা পড়ায় তার অস্ত্রোপচার করা হয়।

    অন্যদিকে, গত বছরের ২৪ আগস্ট মুক্তিপ্রাপ্ত আলোচিত এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও বেসরকারি টেলিভিশনের মালিক নাসির উদ্দিন সাথীর ছেলে তৌহিদ আফ্রিদিকে বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া এক হত্যাচেষ্টা মামলায় জড়ানো হয়। এই ঘটনা তাকে তরুণ প্রজন্মের মাঝে জনপ্রিয় করে তোলে। গত বছরের জুলাইয়ে আন্দোলনের সময় তার নাম বারবার আলোচনায় আসে, যেখানে তিনি বিভিন্ন স্টান্ট ও স্টাইলের মাধ্যমে জনমত গঠন করেছেন। এই আন্দোলনের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন মতামত উঠে আসছে।

  • বোর্ড সভায় আরও এক পরিচালক পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    বোর্ড সভায় আরও এক পরিচালক পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) আবারও পরিচালক পদে退াগের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ শনিবার ডিপ্লোম্যাটিক ও ডিসিপ্লিনারি কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন ফাইয়াজুর রহমান। তিনি বোর্ড সভা শেষে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন। ফাইয়াজুর রহমান তার পদত্যাগের কারণ হিসেবে ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, অন্য কোনও জটিলতা বা কারণ নেই, শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অজুহাতেই তিনি পদ ছাড়ছেন। তিনি গত বছরের অক্টোবরে ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হন। তার এই পদত্যাগের ফলে বোর্ডে পদত্যাগকারী পরিচালকের সংখ্যা এখন চারজন। এর আগে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে মনোনীত ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল, বিসিবির পরিচালক আমজাদ হোসেন ও ইশতিয়াক সাদেক নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এবারে আরও একজন পরিচালক তার পদ থেকে প্রত্যাহার করেছেন। সব পরিচালকেরই মূল কারণ ব্যক্তিগত কারণ বললেও, বিসিবি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও পদত্যাগপত্র গ্রহণের ঘোষণা দেয়নি।

  • শিরোপা জয় নিয়ে বাংলার যুবারা ঘরে ফিরল

    শিরোপা জয় নিয়ে বাংলার যুবারা ঘরে ফিরল

    উন্নত অক্ষরে বাংলাদেশ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে ছিল দেশের নতুন সাহসী ফুটবল তারকা দলের জন্য। অনূর্ধ্ব-২০ দলের ইতিহাসে এক অন্যতম সাফল্য হিসেবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অপরাজিত থেকে তারা ফিরলেন দেশের গর্বের ম্যাচধারীরূপে। এই খেতাবের গৌরব নিয়ে তারা দেশে ফিরেছেন ছাদখোলা বাসে করে, যেখানে দেশের মানুষ তাদের স্বাগত জানাচ্ছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস এবং熱ুর সাথে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাল-সবুজ পতাকার মাঝে ট্রফিসহ চ্যাম্পিয়নরা অবতরণ করেন, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণ—সবাই একসঙ্গে প্রস্তুত ছিলেন এই আনন্দ উদযাপনের জন্য। প্রতিমন্ত্রী ও ক্রিকেটের কিংবদন্তি আমিনুল হক নিজে উপস্থিত থেকে দলের অধিনায়ক মিঠু চৌধুরীকে পুষ্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানান। এ সময় বাফুফে সহ-সভাপতি ও ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান তাঁর সাথে ছিলেন। একদিকে রাজধানীর রাজপথে শত শত ফুটবলপ্রেমী ভিড় করে থাকেন, অন্যদিকে বাঙালির মুখে এখন জয়োল্লাস। দেশের ফুটবল ইতিহাসে এই প্রথম পুরুষ দলের জন্য ছাদখোলা বাসের সংবর্ধনা দেওয়া হলো। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে হাতিরঝিলের দিকে যাত্রা শুরু করে বিজয়ী দলের ফুটবলাররা। সেখানে তারা সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করেন, হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। পুরো এলাকা এখন আলোকসজ্জায় আচ্ছন্ন, ভিড় দেখছে রঙের ঝলক। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো পতাকায় মোড়া এবং পোস্টারে সজ্জিত, যেখানে জয়ী এই তরুণরা দেশের গৌরবের গল্প বলে যাচ্ছেন। বাফুফের আয়োজনে অ্যাম্ফিথিয়েটারে এক জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে, যা আরো অনেক স্মরণীয় করে রাখবে দেশের ফুটবল ইতিহাসকে।

  • আসিফ নজরুলকে নিয়ে বিসিবির বড় বিবৃতি

    আসিফ নজরুলকে নিয়ে বিসিবির বড় বিবৃতি

    বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এক বিতর্কিত অধ্যায়ের শেষ মুহূর্তে পৌঁছানোর উপলক্ষ্যে বিসিবির পক্ষ থেকে স্পষ্টতা জানানো হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ২০২৬ সালে ভারতের পরিবর্তে কোথায় খেলবে তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা চলছিল, তবে এখন বোর্ড ও খেলোয়াড়দের পক্ষ থেকে একান্তই সত্য কথাগুলো বলা হলো। গতকাল শনিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির পরিচালকরা বললেন, ক্রিকেটাররা বিশ্বকাপে অংশ নিতে চেয়েছিল, কিন্তু তখনকার অন্তর্বর্তী সরকারের রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত তার পথে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে খেলোয়াড় ও বোর্ডের মধ্যে আলোচনার সুযোগ হয়নি।

    এর আগে কল্পনাপ্রবাণ ঘটনার সূচনা হয় কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার মধ্য দিয়ে। আইপিএল ২০২৬-এ এই পেসারকে কেনা হলেও হঠাৎ করে তাকে রিলিজ করার সিদ্ধান্তে দেশে ও বাইরেও আলোচনা ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর সরকার নিরাপত্তার অজুহাতে ক্রিকেটের এই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ এড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এই ইস্যুতে সবচেয়ে বেশী সক্রিয় ছিলেন তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, যিনি প্রথমে দাবি করেছিলেন যে ক্রিকেটাররা ভারতে যেতে চায়নি। পরে বিসিবি কর্তারা সেই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি তাদের জানা বা আলোচনা করার সুযোগ হয়নি।

    বিসিবির পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘খেলোয়াড়দের কাছ থেকে আমরা পরিষ্কার সিগন্যাল পেয়েছি, আলোচনা হয়নি।’ আবার নাজমুল আবেদিন ফাহিম জানান, মুস্তাফিজের ইস্যুর পর বোর্ড প্রথমে কিছু চিন্তা করেছিল। তারা আশা করছিল, ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হবে এবং প্রয়োজনীয় আশ্বাস ও সমঝোতা হবে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত আসায় বোর্ডের আর কোনো বিকল্প রিসোর্স ছিল না।

    ফাহিম আরও জানান, ‘২৩ তারিখে বিপিএল ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনায় ম্যাচগুলো দেরিতে শেষ হয়, ফলে আমাদের ঢাকায় ফিরে আসতে হয়। আমাদের সামর্থ্য ছিল আরও দুই দিন সময় নিয়ে চট্টগ্রামে খেলা চালানোর, কিন্তু সেটা করা সম্ভব হয়নি। সবকিছু ছাপিয়ে আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ। আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলাম, কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্ত অবরুদ্ধ করায় আমাদের আর কিছু বলার সুযোগ ছিল না। বিশ্বকাপে যাওয়ার ব্যাপারে আমাদের মতামত গুরুত্ব পায়নি।’

    এছাড়াও মোখসেদুল কামাল বাবু স্পষ্টভাবে বলেন, ‘বোর্ড অবশ্যই বিশ্বকাপ খেলার পক্ষে ছিল। আমাদের কেউই পরিকল্পনা করেননি যে, কেউ খেলবে না। সবাই আশা করছিলাম। তবে, বিসিবির দায়িত্বশীলরা জানিয়ে দেন, কোথাও থেকে কোনো আলোচনা বা সম্মতি আসেনি। এভাবেই সরকারের সিদ্ধান্ত জয়লাভ করে এবং বাংলাদেশের ম্যাচগুলো যে ভারত থেকে অন্য কোথাও সরানোর কথা থাকলেও আইসিসি তা প্রত্যাখ্যান করে। শেষ পর্যন্ত স্কটল্যান্ডকে বাংলাদেশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

  • আসিফ মাহমুদ কেন তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হননি, ব্যাখ্যা দিলেন

    আসিফ মাহমুদ কেন তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হননি, ব্যাখ্যা দিলেন

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে গত মাসে গঠিত হয়েছিল একটি স্বচ্ছন্দ্য তদন্ত কমিটি, যা দেশের বিভিন্ন ক্লাবের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছে। তবে এ বিষয়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একজন সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, তদন্ত কমিটির সামনে আসেননি।

    আসিফ মাহমুদ তার স্পষ্ট ব্যাখা দিয়েছেন কেন তিনি তদন্ত কমিটির জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নেননি। নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে তিনি লিখেছেন, ‘আমি কেন বিসিবি সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটির সাক্ষাৎকারে সাড়া দিইনিঃ প্রথমত, এই কমিটি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বিসিবির ওপর এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে মন্ত্রণালয় তদন্ত করছে। দ্বিতীয়ত, তদন্ত কমিটির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তৃতীয়ত, উচ্চ আদালতে বিচারাধীন কোন বিষয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে, যেখানে তদন্ত কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট সবাই আদালত অবমাননা করছেন। চতুর্থত, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বোর্ড পরিচালকদের পরবর্তী বোর্ডে সদস্যপদ পাওয়ার লোভ দেখাচ্ছেন এবং লোভে রাজি না হলে intimidation করে পদত্যাগ করাচ্ছেন।’

    আসিফ আরও যোগ করেন, ‘উচ্চ আদালতে বিচারাধীন বিষয়ের কারণে আমাকে তদন্তের জন্য সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়া সম্ভব নয়। আমি নৈতিকভাবে এবং আইনি দিক থেকে এই ধরনের আদালতবিরোধী কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পারব না। তাই আমি এই কোনও তদন্তের সাক্ষাৎকারের নোটিশে সাড়া দিইনি।’

    প্রসঙ্গত, গত ১১ মার্চ, এক সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এক তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছিল এনএসসির মাধ্যমে। মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। এই কমিটি নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রতিবেদন জমা দেয়, যা দেশের ক্রিকেটে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

    গত বছর ৬ অক্টোবর, ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবের কিছু সংগঠক বিসিবির নির্বাচন বর্জন করে। এর ফলে দেশের ক্লাব ক্রিকেটের কার্যক্রম অচল হয়ে পড়ে। հատկապես, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) এখনো মাঠে গড়ানো হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ক্রিকেটপ্রেমীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন।

  • সাফ চ্যাম্পিয়নরা পাবেন মাসে লাখ টাকা করে বেতন

    সাফ চ্যাম্পিয়নরা পাবেন মাসে লাখ টাকা করে বেতন

    বাংলাদেশের যুব ফুটবল দল টানা দ্বিতীয়বারের মতো অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয় করলো। ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে এই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জনের পর, তারা শনিবার (৪এপ্রিল) রাতে দেশে ফিরলে তাদের জন্য অনুষ্ঠিত হয় উষ্ণ সংবর্ধনা। বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে করে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটারে। সেখানে এক জমকালো অনুষ্ঠানে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং কর্মকর্তাদের সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে তাঁদের জন্য বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণাও দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ঘোষণা করেন, চ্যাম্পিয়ন দলের প্রত্যেক ফুটবলারের জন্য যথাক্রমে ১ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হবে। পাশাপাশি ঢাকানগরীর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও আর্থিক প্রণোদনার ঘোষণা আসে। তবে সবচেয়ে বড় চমকটি ছিল যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের মুখ থেকে। তিনি জানিয়েছেন, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারের বিস্তারিত ঘোষণা হবে राष्ट्रीय ক্রীড়া দিবসে, যেখানে ফুটবলাদের জন্য বিশেষ কিছু অপেক্ষা করছে। অবশেষে, আজ জাতীয় ক্রীড়া দিবসে সুখবর আসলো। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, অনূর্ধ্ব-২০ সাফ জয়ী ফুটবলারদের জন্য প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা করে বেতন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই ঘোষণায় তরুণ ফুটবলাদের জন্য এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো, যা তাদের স্বপ্নের পথকে আরও উজ্জ্বল করবে।

  • ইরান যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল

    ইরান যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল

    এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতে নিরসনের জন্য পাকিস্তান কর্তৃক পাঠানো একটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো হলেও, তা ইরান স্বত্বে প্রত্যাখ্যান হয়েছে। তেহরান মনে করছে যে এই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি বাস্তবিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভবিষ্যতে হামলার সুযোগ তৈরি করে দেয়, যেখানে তারা নিজেদের শক্তি পুনর্গঠনের জন্য প্রস্তুতি নেয়। ইরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে এই ধরনের যুদ্ধবিরতি কেবল চাপ বাড়িয়ে দেয় এবং মূল সমস্যা সমাধানে অন্য কিছু নয়।

    সোমবার (৬ এপ্রিল) তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এই বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ১৫-দফা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব অযৌক্তিক এবং গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি উল্লেখ করেন, ইরান তার অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, সময়সীমা বেঁধে বা যুদ্ধাপরাধের হুমকি দিয়ে আলোচনায় বসা যায় না। এর ফলে তেহরান বলেছে, এই ধরনের আলোচনা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

    বাঘাই আরও বলেন, “অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মানে হলো শত্রুপক্ষের শক্তি পুনর্গঠন এবং আবারো হামলা করার সুযোগ সৃষ্টি করা। এমন পদক্ষেপ কোনো সুস্থ দেশই গ্রহণ করবে না।” তিনি যোগ করেন, জাতিসংঘ প্রায়ই শক্তিশালী দেশের হাতিয়ার হয়ে ওঠে, তাই নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে ইরানের অবশ্যই সজাগ থাকতে হবে।

    এছাড়াও, প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান যে, মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে পাঠানো প্রস্তাব অনুযায়ী, ইরান তার স্বার্থের ভিত্তিতে কিছু শর্ত নির্ধারণ করেছে, যা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

    প্রথমে, গতকাল রাতে পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তাদের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘর্ষ নিরসনের জন্য একটি রূপরেখা প্রস্তাব করেছে। এই পরিকল্পনায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও বৃহৎ চুক্তির জন্য দৃষ্টি দেয়া হয়েছে।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী দ্রুত খোলা এবং চুক্তির ব্যাপক আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এ চুক্তি ‘ইসলামাবাদ চুক্তি’ নামে পরিচিত, যেখানে দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা হবে এবং তিনটি পর্যায়ে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে।

  • মঙ্গলবারের সময়সীমা শেষ, ইরানের প্রস্তাব যথেষ্ট নয়: ট্রাম্প

    মঙ্গলবারের সময়সীমা শেষ, ইরানের প্রস্তাব যথেষ্ট নয়: ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার ঘোষণা করেছেন যে, মঙ্গলবারের মধ্যে ইরানের কাছ থেকে উপস্থাপন করা নতুন প্রস্তাবের জন্য শেষ সুযোগ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই সময়সীমা পার হয়ে গেলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে। ট্রাম্প আরও বলেন, যদিও ইরান যুদ্ধ বন্ধের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে, তবে তার কাছে তা যথেষ্ট মনে হয়নি। তারা যদি তা অনুসারে কাজ করে, তাহলে যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হতে পারে। তিনি বিশ্বাস করেন যে, ইরান ‘সদিচ্ছা’ নিয়ে আলোচনা করছে।

    প্রথমে যেমন হরমুজ প্রণালি খোলার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করেছিলেন, তেমনি এবারেরও মঙ্গলবারের শেষ তারিখ দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি আরও বলেন, তার কাছে অনেক বিকল্প রয়েছে এবং যদি তারা এখনই না মানে, তবে দেশের সঙ্গে দীর্ঘ সময়ের জন্য ক্ষতি হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি তারা এখনই মানতে না চায়, তবে তাদের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির লক্ষ্য সফল হবে না। তবে, ইরান এই ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

    সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্বীকার করেন যে, তার প্রশাসন গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করতে অস্ত্র পাঠিয়েছিল। তিনি জানিয়েছেন, এই অস্ত্রগুলো জনগণের আত্মরক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু কারা তা নিয়ন্ত্রণ করছে, তা স্পষ্ট করেননি।

    ইরানের বিশাল তেল সম্পদ নিয়ে ট্রাম্প বলেন, আমেরিকানরা চাইলে দেশের বাইরে থেকে সব তেল দখল করে নিত, যা অর্থনৈতিক দিক থেকে লাভজনক হতো। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ধ্বংস করে দিচ্ছে, বলছেন, আমি এটা করতে চাই না, কিন্তু আমরা তাদের নিশ্চিহ্ন করছি। তার মতে, ইরানের কোনও সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র বা অবকাঠামো থাকবে না। তিনি বলছেন, এই যুদ্ধের লক্ষ্য হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র থেকে দূরে রাখা।

    বিশ্বের আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালানো একটি যুদ্ধাপরাধ। তবে ট্রাম্প এই বিষয়গুলোকে অগ্রাহ্য করে বলেন, যারা এই যুদ্ধের বিরোধিতা করছেন তারা ‘নির্বোধ’। তিনি মনে করেন এই যুদ্ধের একমাত্র লক্ষ্য হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র নিরোধে বাধ্য করা, যাতে বিশ্বের শান্তি বজায় থাকে।

  • ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: এক রাতেই ইরানকে ধ্বংস করা সম্ভব, হতে পারে মঙ্গলবারই

    ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: এক রাতেই ইরানকে ধ্বংস করা সম্ভব, হতে পারে মঙ্গলবারই

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইচ্ছে করলে এক রাতেই ইরানকে ধ্বংস করে দিতে পারেন তিনি, আর সে রাতটি হতে পারে আগামী মঙ্গলবার। সোমবার (৬ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসের সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে কোনওطرفে ছাড় দেওয়া হবে না, আর সম্প্রতি সে উদ্দেশ্যই এগিয়ে নিতে তিনি প্রস্তুত। তিনি আরও বলেন, যদি আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে কোনো সমঝোতা বা যুদ্ধবিরতি না আসে, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, যেমন বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ অন্যত্র ব্যাপক হামলা চালাতে পারে। তাঁর ভাষায়, ‘এক রাতেই ইরানের পুরো দেশ শেষ করে দেওয়া সম্ভব, আর সেই রাতটি হয়তো আগামীকালও হতে পারে।’ এই মন্তব্যের ফলে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে। একই সময়ের ব্রিফিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানান, ইরানের বিরুদ্ধ চলমান অভিযান এখন সবচেয়ে বড় আকারে পৌঁছেছে এবং মঙ্গলবার পর্যন্ত আরও ব্যাপক হামলা চালানো হতে পারে। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মার্কিন পাইলটের উদ্ধার অভিযানে অনেক বিপদজনক পরিস্থিতি মোকাবিলা করে তারা সফল হয়েছেন। ট্রাম্প জানান, ভূপাতিত হওয়ার পর ইরানের পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে থাকা ওই মার্কিন পাইলটকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই উদ্ধার অভিযানে শত শত মার্কিন সেনা অংশ নেন এবং অত্যন্ত সূক্ষ্ম কৌশল কাজে লাগানো হয়। গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র পরিচালক জন রেটক্লিফ জানান, তারা একটি ‘প্রতারণামূলক অভিযান’ চালিয়েছিলেন যাতে ইরানের মনোযোগ অন্য দিকে ফেলা যায় এবং পাইলটের বাস্তব অবস্থান গোপন রাখা যায়। পরে শনিবার সকালে নিশ্চিত হয় যে, পাইলটটি জীবিত থাকেন এবং পাহাড়ের গুহায় লুকিয়ে আছেন। এর পরে, অপ্রতিরোধ্য নিশ্চয়তা নিয়ে জানা যায়, শত্রুর চোখ এড়িয়ে তিনি সিআইএর নজরে ছিলেন। গত শুক্রবার নিখোঁজ হওয়া ওই পাইলটকে রোববার সকালে সফলভাবে উদ্ধার করা হয়। ট্রাম্প বলেন, মার্কিন সেনাদের তৎপরতায়, নির্দিষ্ট কৌশল ও অসাধারণ দক্ষতার মাধ্যমে তারা শত্রুকে প্রতিহত করে পাইলটকে উদ্ধার করে, কোন ক্ষয়ক্ষতি ছাড়া ইরানের এলাকা ত্যাগ করে। অবশেষে, এই পুরস্কারজনিত অপারেশনে পাইলট একটি জরুরি ট্রান্সপন্ডারের মাধ্যমে তাঁর অবস্থান জানালে, তিনি প্রথমে বলেছিলেন—‘ঈশ্বর মহত্ম্ব’। এই ঘটনাই বার্তা দিয়েছে যে, মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রস্তুত আরও বড় আক্রমণের জন্য, যদি প্রয়োজন হয়।