Blog

  • খুলনায় একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু

    খুলনায় একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু

    গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে দুজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে বিভাগে আরও ৬১ শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। শনিবার খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মুজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    বিভাগের স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ মে পর্যন্ত, অর্থাৎ এক মহন্যা সময়ের মধ্যে, খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় মোট ৩,০৫১ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। এর মধ্যে ১১৩ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মারা গেছে ১৯ শিশু।

    বিশেষ করে কুষ্টিয়া জেলায় হাম আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যেখানে হাসপাতাল ভর্তি হয়েছে ১,১২৬ শিশু। এছাড়া যশোরে ৩৮৪, মাগুরায় ৩৭২, খুলনায় ৩৭২, মেহেরপুরে ১৭৬, সাতক্ষীরায় ১২৭, ঝিনাইদহে ১৮৩, নড়াইলে ১৩৬, বাগেরহাটে ৮৮ এবং চুয়াডাঙ্গায় ৯০ জন শিশু চিকিৎসাধীন।

    অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬১ শিশু। এই সময়ে ঝিনাইদহ ও মেহেরপুরে একজন করে শিশু মারা গেছে। হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের মধ্যে কুষ্টিয়ায় ২৮, খুলনায় ১৫, চুয়াডাঙ্গায় ৩, মাগুরায় ৮, ও মেহেরপুরে ৭ শিশু রয়েছে।

    সরকারি স্বাস্থ্য সূত্র বলছে, পরিস্থিতি মোকাবেলায় নজরদারি ও চিকিত্সা অব্যাহত রয়েছে। দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জনগণের প্রতি সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছেন।

  • চিতলমারীতে ইউএনও ও শিক্ষা কর্মকর্তাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

    চিতলমারীতে ইউএনও ও শিক্ষা কর্মকর্তাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

    বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আল মুরাদসহ মোট সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। এই মামলার মূল বিষয় হলো, চর কচুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার নির্বাচনী তফশীল স্থগিতের ঘটনা। ভুক্তভোগী অভিভাবকরা অভিযোগ করছেন যে, এই স্থগিতাদেশ অবৈধ ও বেআইনী, যা আইননানুগ নয় এবং নীতিপন্থী।

    মামলার সূত্রে জানা গেছে, চর কচুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার এডহক কমিটির মেয়াদ আগামী ৮ জুন শেষ হচ্ছে। এরপর নতুন কমিটি গঠনের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে মনোনীত হন। কিন্তু, তার বদলীর কারণে অফিসের সহকারী হিসেবে দায়িত্বে থাকা আল মুরাদ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর তিনি ৯ এপ্রিল মাদ্রাসার নির্বাচনী তফশীল জারী করে, যা পরে তিনি স্থগিত করেন। অভিভাবকরা মনে করেন, এই স্থগিতাদেশ অনৈতিক, বেআইনী এবং ন্যায়বিরুদ্ধ।

    মামলার অন্য বিবাদীরা হলেন মাদ্রাসার সুপার শেখ মোঃ বাকী বিল্লাহ, এডহক কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান, শিক্ষক প্রতিনিধি মুহাম্মদ লিয়াকত আলী, অভিভাবক সদস্য মোঃ কামরুল হাসান, ও বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার।

    আবেদনকারীরা জানাচ্ছেন, ভোটার তালিকা অনুমোদনের পরে নির্বাচনের জন্য প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগের জন্য তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন। এই আবেদন অনুযায়ী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করেন। তবে, তফশীল অনুযায়ী সব কার্যক্রম সম্পন্ন হলেও, নির্বাচনের আগে ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অভিযোগ, তিনি নির্বাচনী তফশীল স্থগিত করেছেন, যা তারা অগত্যা অমান্য করেননি বলে দাবি করছেন।

    শেখ মোঃ বাকী বিল্লাহ আরও জানান, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার এই সিদ্ধান্ত অবৈধ এবং অপ্রজ্ঞাত, যা তিনি আদালতে দেখিয়েছেন। অন্যদিকে, আল মুরাদ দাবি করেন, আদালত থেকে নোটিশ পেয়েছেন এবং নির্বাচনী তফশীলের স্থগিতাদেশ যথাযথভাবে কার্যকর করেছেন।

    অপর দিকে, চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার বলেন, এই মামলার বিষয় সম্পর্কে তার কোনো জানাশোনা নেই এবং তিনি এখনও আদালতের নোটিশ পাননি।

  • খুলনায় র‌্যাবের ঝটিকা অভিযান চালিয়ে ৪ জন গ্রেফতার

    খুলনায় র‌্যাবের ঝটিকা অভিযান চালিয়ে ৪ জন গ্রেফতার

    খুলনায় র‌্যাব-৬ এর ঝটিকা অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করেছে। এই অভিযান অনুষ্ঠিত হয় গত শুক্রবার রাতের সময় সোনাডাঙ্গা থানার এলাকায়। গ্রেফতারকৃতরা সবাই বিভিন্ন পেশার, যারা মোটা অঙ্কের অর্থ ও অপরাধের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বোতিয়াঘাটা উপজেলার ইমদাদুল ইসলামের ছেলে দ্বীন ইসলাম, যিনি দ্বীনু নামে পরিচিত; খুলনা সদর থানার বাসিন্দা বাবু হাওলাদারের ছেলে হাসিব হাওলাদার; শহিদুল ইসলামের ছেলে আবিদ হাসান, যিনি আবুজার নামে পরিচিত; এবং সোনাডাঙ্গা থানার বাসিন্দা আব্দুল জলিলের ছেলে মোঃ রাসেল। ر‌্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতরা ভয়ভীতি প্রদর্শন, নগরীতে মাদক ব্যবসা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে রয়েছেন। এই চারজনের বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলা চলমান রয়েছে। দ্বীনুকে বোতিয়াঘাটা থানায় এবং হা‌সিব, আবুজার ও রাসেলকে খুলনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে, যেখানে তাদের বিস্তারিত তদন্ত শুরু হবে।

  • রবীন্দ্রনাথের জীবনীচর্চার কেন্দ্র হিসেবে পিঠাভোগ গড়ে তোলা হবে

    রবীন্দ্রনাথের জীবনীচর্চার কেন্দ্র হিসেবে পিঠাভোগ গড়ে তোলা হবে

    খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, রূপসার পিঠাভোগকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনীচর্চার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেই সাথে গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতা ও পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য কেবল বাংলার সংস্কৃতি ও ভাষার জন্য গৌরবের বিষয়ই নয়, বরং এটি মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, শান্তি ও সৌন্দর্যের এক চিরন্তন দিকনির্দেশনা। তিনি তার সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে যুগে যুগে বাঙালির মন, চিন্তা ও চেতনাকে আলোড়িত করে এসেছে। কবিগুরুর কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধের মাধ্যমে তিনি এমন এক মানবিক সমাজের স্বপ্ন দেখিয়েছেন যেখানে মানুষে মানুষে বিভেদ থাকবে না। ধর্ম, বর্ণ, জাতি বা মতের ভিন্নতা মানুষকে আলাদা করতে পারবে না।

  • প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র অনুষ্ঠিত, পুরস্কার বিজয়ীরা ঘোষণা

    প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র অনুষ্ঠিত, পুরস্কার বিজয়ীরা ঘোষণা

    ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই ড্র’য়ে প্রথম পুরস্কার অর্জনকারী সিরিজের নম্বর হলো ০০০১০৩৫, যা তারা ছয় লাখ টাকার বিজয়ী। দ্বিতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত নম্বরটি ০০৪৭৭৪৮, যার মূল্য তিন লাখ ২৫ হাজার টাকা। এছাড়া, তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে দুইটি নম্বর পেয়েছেন বিজয়ীরা: ০৫৩৮২৮৯ ও ০৬৭৫৩৮২, যেগুলোর মূল্য এক লাখ টাকা। চতুর্থ পুরস্কার যায় দুটি নম্বরে: ০৪০০৪৫১ ও ০৫৬৭৬৪৪, প্রত্যেকটির মূল্য ৫০ হাজার টাকা।

    এই ড্র বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রাইজবন্ডের জন্য মোট ৮৪টি সিরিজের মধ্যে ৪৬টি সিরিজের সংখ্যা এই ড্র’র জন্য জারী হয়, যার মধ্যে প্রাথমকভাবে নানা সাধারণ নম্বর নিশ্চিত হয়। ড্র’টি একক সাধারণ পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়, যেখানে প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর নির্ধারিত হয়। এই সিরিজগুলো হলো বর্ণানুসারে: কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক ,খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, খঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, খশ, খষ, খস, খহ, গক, গখ, গগ, গঘ, গঙ, গচ, গছ, গজ, গঝ, গঞ, গট, গঠ, গড, গঢ, গথ, গদ, গন, গফ, গব, গম, গল, গশ, গষ, গপ, গস, গহ, ঘক, ঘখ, ঘগ, ঘঘ, ঘঙ, ঘচ। এই সিরিজগুলো এ ড্র’এর আওতাভুক্ত।

    এছাড়া, পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে পাবেন ৪০ জন বিজয়ী। তাদের নম্বরগুলো হলো: ০০২১৭৪৯, ০২১৭৪১৯, ৪৬১৪৭২, ০৫৮৮৯৬৬, ০৭৪৯৭৪০, ০০২২১৮১, ০২৪৬০৪৫, ০৪৬২০৫৬, ০৫৯৬৩৪৬, ০৭৫৯৯০৮, ০০৫৬৩৭৮, ০২৯৬৪০২, ০৪৭৮০১৫, ০৬০০৪৪০, ০৭৭২৭৭৩, ০০৯২৩৫৬, ০৩১১১৩০, ০৪৮০৫৬৭, ০৬০৭৩৪৯, ০৮১৩৬৫৯, ০১৪৪৫৬৭, ০৩৫৬৯৪২, ০৫১২০২৪, ০৬৩৯৩৬৭, ০৮৪৮০৪۶, ০১৫৫৩৯৮, ০৩৯৩২৭৭, ০৫৫১২২১, ০৬৪২০০২, ০৮৪৯৬১৪, ০১৫৫৯৩৪, ০৪১৩৫০১, ০৫৬৪৭৬০, ০৬৫০১১৯, ০৯২২৫৯৭, ০১৭৫৭৯২, ০৪৫২৪৪১, ০৫৭৩৮৬৫, ০৬৮৮৭৭৩ এবং ০৯৪৭৬৬৫।

  • এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী আয় ছাড়াল ৩ বিলিয়ন ডলার

    এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী আয় ছাড়াল ৩ বিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিল মাসে দেশের প্রবাসীরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। এখনও পর্যন্ত এ ماهে তারা মোট ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার (৩ দশমিক ০০২ বিলিয়ন ডলার) রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন, যা এই সময়ের মধ্যে এক শ্রেণীর অনুকরণীয়। এই সংখ্যাটি প্রচুর অর্থের সংবেদনশীলতা অনুভব করাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, এ এপ্রিল মাসের ২৯ দিনে প্রতিদিন গড়ে ১০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার করে রেমিট্যান্স এসছে। বিশেষ করে ২৯ এপ্রিল alone এসেছে ৯৪ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে অর্থাৎ এপ্রিল ২০২৫-এ রেমিট্যান্স ছিল ২৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

  • এপ্রিলে রেমিট্যান্স এলো ৩১৩ কোটি ডলার

    এপ্রিলে রেমিট্যান্স এলো ৩১৩ কোটি ডলার

    সদ্য বিদায়ী এপ্রিলে দেশে এসেছে প্রায় ৩১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের অর্থনৈতিক ধারা দৃঢ় করায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ১০ কোটি ৪২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। এই তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন, এপ্রিলে রেমিট্যান্সের প্রবাহ গত বছরের একই সময়ের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। গেল বছর একই মাসে দেশে এসেছিল ২৭৫ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। অর্থাত্‍ বছর হিসাবে রেমিট্যান্সে ১৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ৫.৩ শতাংশের মতো বৃদ্ধি ঘটেছে।

    এছাড়া, এই অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশেও এসেছে ২ হাজার ৯৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের হেমমতো, মার্চ মাসে রেকর্ড সংখ্যক ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার পাঠানো হয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড।

    অভিবাসীরা জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার পাঠিয়েছেন। অন্য মাসগুলোর ধারাবাহিকতা বলছে, ডিসেম্বরের রেমিট্যান্স ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, নভেম্বরের ছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার। অক্টোবর ও সেপ্টেম্বর মাসে যথাক্রমে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার। এরপর আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে পাঠানো হয়েছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

    প্রবাসীদের পাঠানো মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ এই বছর জুড়ে হয়েছে বিশাল, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে একেবারে নতুন মাইলফলক। এই অর্থ এখন পর্যন্ত ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক নম্বর সর্বোচ্চ রেকর্ড।

  • বাংলাদেশে সোনার দাম কমেছে, ভরি কত টাকা?

    বাংলাদেশে সোনার দাম কমেছে, ভরি কত টাকা?

    দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা, যেখানে জানানো হয়েছে যে এবারের পরিবর্তন অনুযায়ী প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৫৮ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। এর ফলে, ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার ভরি এখন দুই লাখ ৪০ হাজার টাকায় নেমে এসেছে, যা গত সোমবার (৪ মে) ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকার থেকেঅ কম।

    বুধবার (৫ মে) সকালে বাজুস এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই দামহ্রাসের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নতুন দর সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

    সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার মূল্য কমার ফলে দেশের বাজারেও দাম কমে গেছে। বেঁধে দেওয়া মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরি দাম এখন নির্ধারিত হয়েছে দুই লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। অন্যান্য ক্যারেট অনুযায়ী মূল্য হলো: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২৯১ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য এক লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা।

    অন্যদিকে, বিশ্ব বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির প্রভাব থাকলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার এক ভরি দাম এখনও ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৯০ টাকা আর সনাতন পদ্ধতির রুপার বিক্রির দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।

    বিশ্ববাজারে মার্কিন-ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে বর্তমানে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে তার মূল্য কমে আসছে। আন্তর্জাতিক মার্কেটের যখন থেকে মূল্য ওঠানামা করেছে, তখন থেকে দর ধীরে ধীরে পতনশীল হয়েছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ৪৫০০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত জানুয়ারির ৩০ তারিখে এই দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার, আর ২৯ জানুয়ারি এটি soaring করে ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে পৌঁছেছিল।

  • সোনার দামে ফের বড় ধরনের বৃদ্ধি

    সোনার দামে ফের বড় ধরনের বৃদ্ধি

    বাংলাদেশে আবারও বড় ধরনের ধাক্কা লাগছে সোনার বাজারে। বাংলাদেশের জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি ভরি সোনার মূল্য সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, মানসম্পন্ন (২২ ক্যারেট) সোনার এক ভরি দাম আবারও বেড়ে আজ দুই লাখ ৪৪ হাজার টাকায় পৌঁছেছে, যা আগের দিন ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১০টার সময় বাজুস এই দাম ঘোষণা করেছে এবং এটি কার্যকর হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার মূল্য বৃদ্ধির কারণে দেশের বাজারে এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন দামে, ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরি নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। এছাড়াও অন্য ক্যারেটের দামে পরিবর্তন এসেছে; ২১ ক্যারেটের সোনার দাম ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা।

    এর সঙ্গে রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা এখন বেড়ে ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দামের সর্বনিম্ন হ্রাস হয়নি—৩ হাজার ৫৫৮ টাকায় আটকা রয়েছে।

    বিশ্ব বাজারে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সোনার দাম আন্তর্জাতিকভাবে ঊর্ধমুখী। মূল্যবৃদ্ধির কারণে দর ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম উঠেছে ৪ হাজার ৭০০ ডলার, যা আগে ছিল ৫ হাজার ২১০ ডলার (৩০ জানুয়ারি) এবং ৫ হাজার ৫৫০ ডলার (২৯ জানুয়ারি)।

    গত মাসের শেষের দিকে বিশেষ করে ২৯ জানুয়ারি সকালে, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ক্রমশ বাড়তে থাকায় বাংলাদেশেও দাম ছুঁয়েছে রেকর্ড। তখন এক ভরি সোনার দাম হঠাৎ ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই দামে সোনার দাম এতটাই বেড়ে গেছে যে আগে কখনো এত বেশি বৃদ্ধি দেখা যায়নি।

  • দেশবিরোধী গোষ্ঠীগুলো সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর চেষ্টা করবে: নাহিদ

    দেশবিরোধী গোষ্ঠীগুলো সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর চেষ্টা করবে: নাহিদ

    পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির চিট ফান্ড ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, কিছু দেশবিরোধী ও স্বার্থবিরোধী গোষ্ঠী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে, তারা নানা ধরনের উসকানি দিয়ে জাতির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে। তাই আমাদের সবাইকে এই পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকতে হবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাহসী স্মৃতি হলে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন নাহিদ।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় হলেও এর প্রভাব বাংলাদেশের ওপরও পড়তে পারে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেখানে লাখ লাখ ভোটারের নাগরিকত্ব বাতিল ও ভোটাধিকার হরণের অভিযোগ উঠছে। এই ভোটারদের মধ্যে মুসলমান ও মতুয়া সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য সংখ্যক। তিনি আরও বলেন, আমি সংসদেও উল্লেখ করেছি, পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর নানা নির্যাতন চালানো হচ্ছে, তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও অনুভূত হতে পারে। তিনি জানান, নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম, মতুয়া, দলিত ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নতুন করে প্রতিহিংসা ও অত্যাচার বাড়ছে।

    নাহিদ ইসলামের সতর্কবার্তা, দেশের স্বার্থবিরোধী ও বিরোধীদলীয় গোষ্ঠীগুলো নানা উসকানি, চক্রান্ত ও প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক বিভাজন সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। তিনি সবাইকে এই পরিস্থিতিতে সর্তক থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর বাংলাদেশের দায়িত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—সব ধর্মের নাগরিকের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় আমাদের সক্রিয় হতে হবে।

    নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, বাংলাদেশকে এমন একটি রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে যেখানে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সবচেয়ে বেশি নিরাপদ বোধ করবে। তিনি মুসলমান, দলিত, মতুয়া ও অন্যান্য সকল সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে নতুন অন্তর্ভুক্ত হওয়া নেতাকর্মীদের স্বাগত জানিয়ে দলীয় ঐক্য ও শক্তিশালী অবস্থানের উপর গুরুত্ব অন্যত্র তুলে ধরেন নাহিদ। তিনি বলেন, ‘আমাদের নিজেদের মধ্যে কোনো দ্ব›দ্ব থাকা চলবে না। যে কোনো স্থান থেকে আসুক না কেন, জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ঐক্যই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।’

    বক্তব্য শেষ করে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন, ‘আমরা কি সবাই একসঙ্গে থাকব?’ এর জবাবে নেতাকর্মীরা একসঙ্গে উচ্চারণ করেন, ‘ইনশাআল্লাহ’।