Blog

  • নারী বিপিএল: ভেন্যু বাড়ালো, চূড়ান্ত দুই দল ঘোষণা

    নারী বিপিএল: ভেন্যু বাড়ালো, চূড়ান্ত দুই দল ঘোষণা

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ইতিহাস রচনা করতে যাচ্ছে—প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে নারী ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ‘নারী বিপিএল’। মাঠের লড়াই হবে আগামী ৪ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত।

    আগের পরিকল্পনায় টুর্নামেন্টটি মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়াম ও চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আয়োজনের কথা ছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্তে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামও ভেন্যু হিসেবে যোগ করেছে বিসিবি, ফলে ভেন্যু বেড়েছে তিনটিতে। প্রাথমিকভাবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ও প্রথম ম্যাচও বগুড়াতেই হওয়া সম্ভাব্য বলে জানানো হয়েছে; সূত্রে বলা হচ্ছে, ডাঃ জুবাইদা রহমান উদ্বোধনকারীর দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

    এবারের বিপিএলে মোট তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি অংশ নেবে। জাতীয় দলের তিন তারকাকে আইকন ক্রিকেটার হিসাবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে—নিগার সুলতানা জ্যোতি, নাহিদা আক্তার ও সোবহানা মোস্তারি। প্রতিটি আইকন ক্রিকেটারের জন্য সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা এবং তারা তাদের নিজ নিজ দলের নেতৃত্ব দেবেন।

    টুর্নামেন্টের ‘প্লেয়ার্স ড্রাফট’ আয়োজন করা হবে আগামী ১৪ মার্চ, রাজধানীর এক হোটেলে। ইতোমধ্যে তিনটি দলের মধ্যে দুইটোর নাম চূড়ান্ত হয়েছে—রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও চিটাগং পাইরেটস। তৃতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি কেনার দৌড়ে বেশি এগিয়ে আছে বিপিএলের পরিচিত নাম রংপুর রাইডার্স।

    নারী বিপিএল হওয়ার ফলে দেশের মহিলা ক্রিকেটে নতুন সুযোগ তৈরি হবে—ট্যালেন্টকে সামনে আনতে, আইকনদের নেতৃত্বে তরুণরা অভিজ্ঞতা লাভ করবে এবং ভক্তদের জন্যও উৎসব মুখর দিন শুরু হবে। যদি সময়সূচি ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা আগের মতো জমে ওঠে, এটি নারী ক্রিকেটের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হবে।

  • লাইভে আত্মহত্যার চেষ্টা করা ইউটিউবার অনুরাগে জ্ঞান ফিরেছে

    লাইভে আত্মহত্যার চেষ্টা করা ইউটিউবার অনুরাগে জ্ঞান ফিরেছে

    পারিবারিক অশান্তির জেরেই লাইভে আত্মহত্যার চেষ্টা করা ভারতীয় ইউটিউবার ও ‘বিগ বস’-খ্যাত রাইডার অনুরাগ ডোভালের জ্ঞান ফিরেছে। তাকে আইসিইউ থেকে সাধারণ বেডে স্থানান্তর করা হয়েছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘আজকের পত্রিকা’ জানিয়েছে, শনিবার (৭ মার্চ) দিল্লি-মেরঠ এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ি চালানোর সময় ‘শেষ ড্রাইভে’ ঘোষণা দেন অনুরাগ। এরপর তিনি ১৫০ কিলোমিটারেরও বেশি গতি বাড়িয়ে গাড়িটি ডানদিকে ঘুরিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে রাস্তার ডিভাইডারে ধাক্কা দেন এবং দুর্ঘটনার শিকার হন।

    লাইভ করলে প্রায় ৮২ হাজার দর্শক তার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন; সেই ভক্তদের সামনে তিনি না ফেরার দেশে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। আহত অবস্থায় অনুরাগকে প্রথম মেরਠের সুভরতি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিস্থিতি গুরুতর হলে তাকে দ্রুত আর এক হাসপাতলে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা শঙ্কামুক্ত বলে জানানো হয়েছে এবং তাকে আইসিইউ থেকে সাধারণ বেডে স্থানান্তর করা হয়েছে।

    দুর্ঘটনার আগে আপলোড করা এক ভিডিওতে অনুরাগ বলেছিলেন যে, পছন্দের মেয়েকে বিয়ে করার প্রসঙ্গে কয়েকদিন ধরেই পরিবারের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। মানসিক চাপে তিনি গভীর হতাশায় ভুগছিলেন এবং আত্মহত্যার কথাও ভাবছিলেন, এই সিদ্ধান্ত হলে তাতে তার পরিবারকে দায়ী করার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।

    অনুরাগ ডোভাল ১৯৯৭ সালের ৩ মে দেরাদুনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন জনপ্রিয় মোটোভ্লগার; ইউটিউবে তার চ্যানেলে প্রায় ৭.৯ মিলিয়ন এবং ইনস্টাগ্রামে ৭.৪ মিলিয়নেরও বেশি অনুসারী আছে। হাই-এনার্জির ট্রাভেল ভ্লগ এবং মোটরসাইকেল রাইডিং ভিডিওর মাধ্যমে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন, এবং ‘বিগ বস ১৭’-এর প্রতিযোগী হিসেবে অংশ নিয়ে মূলধারার বিনোদন জগতে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন।

  • বিদেশি মদ উদ্ধার মামলায় আসিফ আকবর খালাস

    বিদেশি মদ উদ্ধার মামলায় আসিফ আকবর খালাস

    কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরকে চার বোতল বিদেশি মদ নিজের হেফাজতে রাখার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালত তাকে খালাস দিয়েছেন।

    ঢাকার ২য় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী সোমবার (৯ মার্চ) শুনানি শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় আসিফকে খালাস ঘোষণা করেন।

    আসামিপক্ষের আইনজীবী প্রদীপ কুমার দেবনাথ এই তথ্য নিশ্চিত করেন। শুনানির সময় আসিফ আকবর আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং রায়ের পর গণমাধ্যমকে তিনি ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে জানান।

    মামলার ইতিহাসে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ৬ জুন তেজগাঁও থানার অন্তর্গত পান্থপথস্থ আর্ব এন্টারটেইনমেন্টের অফিস থেকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় আসিফ আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার অফিস কক্ষে চার বোতল অবৈধ বিদেশি মদ পাওয়া যায়। পরবর্তী পরীক্ষার জন্য ওই মদ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পাঠানো হয়।

    লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ নিজের দখলে রাখার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই সিআইডি পুলিশের সাইবার তদন্ত শাখার উপ-পরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সিকদার তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর তদন্তকারী অফিসার, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) উপ-পরিদর্শক মো. জামাল উদ্দিন ওই মামলায় চার্জশিট দাখিল করেন।

    আদালত ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করার আদেশ দেন। মামলার প্রক্রিয়ার মধ্যে তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এর আগে ৩ মার্চ আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন ও রায় ঘোষণার জন্য ৯ মার্চ নির্ধারণ করেন, যে দিন রায় দেন বিচারক।

  • ভোজ্যতেলের দাম বাড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত

    ভোজ্যতেলের দাম বাড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত

    বাজারে তেলের পর্যাপ্ত মজুদ থাকার কারণে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ার কোনো শঙ্কা আছে না বলে নিশ্চিত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ‘ভোজ্যতেলের সার্বিক সরবরাহ পরিস্থিতি’ পর্যালোচনা বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাজারে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টন তেল মজুদ রয়েছে এবং আরও প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টন পণ্যের চালান পাইপলাইনে আছে। তিনি আরও বলেন, ভোক্তাদের চাহিদা মেটাতে সরবরাহ লাইন ও আমদানি কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে; এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খুলে দেয়া এবং পণ্যের আগমনও অব্যাহত রয়েছে।

    খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, ‘‘কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে সরবরাহস্থানে চাপ দেখা দিচ্ছে মূলত আতঙ্কিত হয়ে অনেকে অতিরিক্ত কেনাকাটা করার কারণে। তাই অযথা ভয়ভীতি না ছড়িয়ে শর্বরকমের পণ্যভাণ্ডার না করার আহ্বান জানাই।’’ তিনি ভোক্তাদের সতর্ক করে বলেন, ভয়ভীতিতে অতিরিক্ত কেনাকাটা করলে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিতে পারে।

    তবে মন্ত্রীর এই আশ্বাসের মুখে সত্ত্বেও রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটসহ কয়েকটি এলাকায় সয়াবিন তেলের তীব্র সংকট থাকার কথা স্থানীয় দোকানদাররা জানিয়েছেন। মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্টরা এই প্রদেশিক ত্রুটিগুলো দ্রুত পর্যবেক্ষণ করে সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন।

    বৈঠকে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান, মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালসহ শীর্ষ ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি বা মজুদ করে চাহিদা বাড়ানোর যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    মন্ত্রী নিজে বাজারে রাতদিন পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং অবহিত করেছেন যে বড় মুদি ও রিটেইল শপগুলোতে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে তেল বিক্রি হচ্ছে; তবে কয়েকটি ছোট দোকানে মূল্য বাড়ানোর চেষ্টা দেখা গেছে। দেশের জ্বালানি তেল বা গ্যাসের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রেও কোন মৌলিক সংকট নেই, তাই ‘‘সংকট’’ শব্দটি ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো উচিত হবে না।

    সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি আরও জোরদার করেছে এবং তেলের মজুদ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সকল প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে মন্ত্রী একাধিকবার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি সাধারণ জনগণকে গুজবে কান না দেবার অনুরোধ জানান এবং প্রয়োজন ছাড়া বেশি কেনাকাটা না করার পরামর্শ দেন।

  • একই ব্যক্তিকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার পথ খুলল সরকার

    একই ব্যক্তিকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার পথ খুলল সরকার

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ স্বাধীনতা পুরস্কার সংক্রান্ত নির্দেশাবলি সংশোধন করে একই ব্যক্তিকে পুনরায় পুরস্কার দেওয়া সম্ভব করার পথ খুলেছে। বিভাগ গতকাল রোববার স্বাধীনতা পুরস্কার সংক্রান্ত নির্দেশাবলির অনুচ্ছেদ ৭.১১ সংশোধন করে অফিস আদেশ জারি করেছে।

    সংশোধিত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আগে যেখানে বলা ছিল কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় জাতীয় পর্যায়ের এই পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা হবে না, এখন সেখানে শর্তসহ ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে। বিধিতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পুরস্কারপ্রাপ্তির পরে যদি অন্য কোনো ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখেন বা প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করে, তবে অন্তত ২৫ বছর পর পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা যাবে।

    এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পটভূমিতে এবারের পুরস্কার প্রত্যায়নের তালিকায় রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠান। তালিকায় থাকা একজন হলেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী, যিনি ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছিলেন। অতীতে একই ব্যক্তিকে ভুলবশত দুইবার মনোনয়ন দেওয়া হলে তাদের নাম তালিকায় থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এবারে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নাম যাতে আবার ভুলভাবে বাদ না পড়ে, সে কারণে নির্দেশাবলি অনুকূলে সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধনীটি প্রয়োগ হলে ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে পুনরায় পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা যাবে, যা জাতীয় পর্যায়ের বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি বহুমুখী ও সময়োপযোগী করায় সহায়ক হবে।

  • মনিরা শারমিনের নেতৃত্বে ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আত্মপ্রকাশ

    মনিরা শারমিনের নেতৃত্বে ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আত্মপ্রকাশ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। আজ রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

    নাহিদ ইসলামের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, সংগঠনের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু এবং মুখ্য সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নুসরাত তাবাসসুম।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, যদিও জাতীয় নারীশক্তি এনসিপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে কাজ করবে, তবুও তারা নারীদের অধিকার, নিরাপত্তা, বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং সাইবার বুলিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্বাধীনভাবে কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

    তিনি আরও বলেন, বিশ্বের ইতিহাসে নারীদের অধিকার অর্জন সবই আন্দোলন ও সংগ্রামের ফল। ভোটাধিকার থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকারের ক্ষেত্রে নারীরা বারবার লড়াই করে অবস্থান তৈরি করেছেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ থেকে সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান—সব আন্দোলনেই নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

    নাহিদ অভিযোগ করেন, এসব আন্দোলনে অনেক সময় নারীরাই সবচেয়ে বেশি সঙ্গৃহীত ও সহিংসতার শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্রীদের ওপর আক্রমণের ঘটনা আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করেছে। বহু নারী তখন লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন। তিনি বলেন, যদিও জুলাই আন্দোলনে প্রচুর নারী রাজপথে ছিলেন, পরে রাজনীতিতে তাদের উপস্থিতি কমে গেছে। এর পেছনে সামাজিক বাস্তবতা, পারিবারিক চাপ ও অনলাইন সাইবার বুলিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে; অনেক নারী এসব কারণে রাজনীতি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

    নাহিদ বলেন, এসব কথাই মাথায় রেখেই আলাদা একটি প্ল্যাটফর্ম প্রয়োজন যেখানে নারীরা নিজেদের ইস্যু নিয়ে মুক্তভাবে কথা বলবেন এবং সংগঠিত হবেন। জাতীয় নারীশক্তি সেই লক্ষ্য নিয়েই গঠিত। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, নারীদের বিরুদ্ধে চলমান সহিংসতা ও সাইবার বুলিং নির্মূল করতে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে এবং অপরাধীরা–দলমত নির্বিশেষে–আইনের আওতায় আনতে হবে।

    অনুষ্ঠানে নেতারা জানিয়েছেন, শিগগিরই জাতীয় নারীশক্তির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে এবং সারাদেশে সংগঠনের শাখা কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে। এই আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ‘সাম্প্রতিককালে নারীর প্রতি ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিকার এবং ধর্ষণের বিচার’ শীর্ষক আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে মনিরা শারমিন ও নুসরাত তাবাসসুম উপস্থিত ছিলেন। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে ডা. মাহমুদা আলম মিতু উপস্থিত থাকতে পারেননি। অনুষ্ঠানে সাবেক আন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার ও জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া অন্যান্য নারীরাও উপস্থিত ছিলেন।

  • দিঘলিয়ার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদকে ছাত্রদল থেকে বহিষ্কার

    দিঘলিয়ার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদকে ছাত্রদল থেকে বহিষ্কার

    খুলনা জেলা শাখার অন্তর্গত দিঘলিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শনিবার থেকে এই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

    একই সিদ্ধান্তে কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার অষ্টগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আল মাহমুদ মোস্তাককেও সংগঠনের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। উভয়ের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    বঙ্গবন্ধু ছাত্রদলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল) সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এই বহিষ্কারাদেশ অনুমোদন করেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শৃঙ্খলা ও নীতিমালার লঙ্ঘন সহ্য করা হবে না এবং ব্যবস্থাগ্রহণের মাধ্যমে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করা হবে।

  • বাজুসের ঘোষণা: প্রতি ভরিতে সোনার দাম কমলো সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা

    বাজুসের ঘোষণা: প্রতি ভরিতে সোনার দাম কমলো সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা করেছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত সোনার দাম কমানো হয়েছে। এতে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার ভরির দাম দুই লাখ ৬৫ হাজার টাকার নিচে নেমে এসে এখনই নিয়ন্ত্রিত হয়েছে।

    বাজুস সোমবার (০৯ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়। নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সমিতি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দামের পতনের কারণে স্থানীয় বাজারে দাম কমিয়েছে তারা।

    নতুন নির্ধারিত দামগুলো হলো — ২২ ক্যারেট: এক ভরি ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা; ২১ ক্যারেট: এক ভরি ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকা; ১৮ ক্যারেট: এক ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম: ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকা।

    রুপার দামও কমেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা; ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৬৫ টাকা; ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা।

    বিশ্ববাজারে গত সপ্তাহে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংক্রান্ত উত্তেজনার কারণে সোনার দাম বেড়ে গিয়েছিল। তবে বর্তমানে বাজারে দরপতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার মূল্যের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারে এখন প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম রয়েছে ৫,০৯০ ডলার; যেখানে গতকাল ছিল ৫,১৭০ ডলার। পূর্বে ৩০ জানুয়ারি ছিল ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫,৫৫০ ডলার।

    উল্লেখ্য, মাসের শুরুতে বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে দেশের বাজারেও দাম দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছিল। গত ২৯ জানুয়ারিতে বাজুস একবারে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম রেকর্ড পরিমাণে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় নিয়ে গিয়েছিল, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যা হিসেবে অ্যাকর্ড করা হয়। ঐ সময়ের সেই একক বাড়ি এতোটাই ব্যতিক্রম—আগের যুগে এতো বাড়ানো হয়নি।

  • জ্বালানির দাম দুই বছরে শীর্ষে — বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অশনি সংকেত

    জ্বালানির দাম দুই বছরে শীর্ষে — বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অশনি সংকেত

    মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার তীব্রতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম গত দুই বছরের সর্বোচ্চ স্থরে পৌঁছেছে। কাতারের জ্বালানি মন্ত্রী সাদ আল-কাবি সতর্ক করেছেন যে উপসাগরীয় তেল-গ্যাস রফতানিকারক দেশগুলো কয়েক দিনের মধ্যে উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হতে পারে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে বড় ধাক্কা দিতে পারে।

    ফাইনান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাবি বলেন, চলমান সংঘাত স্বাভাবিক পরিস্থিতি থেকে দ্রুত বেরিয়ে গেলে তা বিশ্ব অর্থনীতিকে বিধ্বস্ত করে দিতে পারে। শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ৯%-এর বেশি বেড়ে প্রতি ব্যারেল প্রায় ৯৩ ডলারে পৌঁছায় — যা ২০২৩ সালের শরতের পর সর্বোচ্চ।

    জ্বালানি বিশ্লেষকেরা বলছেন, তেলের দাম বাড়লে সাধারণ মানুষের জীবনে সরাসরি প্রভাব পড়বে। পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হিটিং, খাদ্য উৎপাদন ও আমদানিকৃত পণ্যের দামও দ্রুত বাড়তে পারে। কাতার এনার্জি জানিয়েছে তাদের এলএনজি উৎপাদন কেন্দ্র সামরিক হামলার কারণে অস্থায়ীভাবে বন্ধ আছে; কাবি সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধে যদি কয়েক সপ্তাহ স্থায়ীত্ব পায় তেলদামের মূল্য প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলারে পৌঁছতে পারে।

    কাবি আরও বলেন, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বিশ্বব্যাপী জিডিপি প্রবৃদ্ধি দমে যাবে, জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া হবে এবং কলকারখানায় উৎপাদন বন্ধ হওয়ার ফলে পণ্যের ব্যাপক সংকট দেখা দেবে।

    বিশ্ববাজারে পরিস্থিতির একটি বড় কারণ হলো হরমুজ প্রণালী — যেখানে মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। গত সপ্তাহে ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাতের পর এই সংকীর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ফলত চীন, ভারত ও জাপানসহ তেল আমদানিতে নির্ভর দেশগুলোর জন্য সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

    রাইস্ট্যাড এনার্জির বিশ্লেষক হোর্হে লিওন এই অবস্থা ‘বাস্তব ঝুঁকি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের সামনে এমন এক সংকটের সন্ধিক্ষণ যেখানে বলা কঠিন এটি সাময়িক নাকি দীর্ঘমেয়াদি প্রত্যাহার। যদি সরবরাহ দুই সপ্তাহের বেশি বন্ধ থাকে, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব পড়বে।

    যুক্তরাজ্যের বাজার তদারকি সংস্থা সিএমএ এবং জ্বালানি নিয়ন্ত্রক অফিস অব জেনারেল এনার্জি মার্কেটস (অফজেম) পরিস্থিতি নজরদারি করছে। ইতোমধ্যেই ব্রিটেনে পেট্রল ও ডিজেলের দাম ১৬ মাসের সর্বোচ্চতে উঠেছে।

    বিশ্লেষকরা মনে করান যে উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে কিছুদিনের তেল মজুদ থাকলেও তা সিমিত। মজুদ ফুরিয়ে গেলে এবং উৎপাদন ব্যাহত হলে বিশ্ববাজার কষ্টে পড়ে যাবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অনেক সরকার জরুরি তেল মজুদ বাজারে ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে — ঠিক যেভাবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় করা হয়েছিল।

    সামগ্রিকভাবে, যদি সংঘাত শিগগির না থামে তাহলে তেলের স্বল্পমেয়াদি শক বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়াবে, সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে দেবে এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে ধাক্কা দেবার সম্ভাবনা থাকবে।

  • ইরানের হামলার ছবি-ভিডিও শেয়ার: কাতারে ৩১৩ গ্রেপ্তার

    ইরানের হামলার ছবি-ভিডিও শেয়ার: কাতারে ৩১৩ গ্রেপ্তার

    ইরানের হামলার ছবি ও বিভ্রান্তিকর তথ্য শেয়ার করার অভিযোগে কাতার যেন্‍ো ৩১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার এক বিবৃতি দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা বিভিন্ন স্থানে ভিডিও ধারণ ও তা প্রচার করেছেন এবং এমন গুজব ও ভুয়া তথ্য ছড়িয়েছেন যা জনমনে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। আটককৃতদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন বলে মন্ত্রণালয়ের অপরাধ তদন্ত বিভাগের আওতাধীন অর্থনৈতিক ও সাইবার অপরাধ দমন বিভাগ জানিয়েছে।

    এর আগে ইরান, ইসরায়েলি-মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে বিমানবন্দর, সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি স্থাপনা ও আবাসিক অঞ্চল লক্ষ্য করে হামলা চালানোর কথা জানায়। এই চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় অঞ্চলে সংবেদনশীল ছবি এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশকারীদের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি বেড়েছে।

    মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোতেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গত ৬ মার্চ বাহরাইন জানিয়েছে, ইরানি হামলার প্রভাব নিয়ে ভিডিও ধারণ ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর দায়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কুয়েতেও ৭ মার্চ পরিস্থিতি নিয়ে উপহাস করে ভিডিও তৈরির অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় এবং সৌদি আরবও ঘটনার স্থান, নিখুঁত বস্তু বা ধ্বংসাবশেষের ছবি-ভিডিও ধারণ, প্রকাশ বা প্রচারের বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে এবং অনির্ভরযোগ্য তথ্য পুনরায় প্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। তবু সামাজ‌্যিক যোগাযোগমাধ্যম এবং গ্রুপ চ্যাটে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির ছবি-ভিডিও ছড়াতে দেখা গেছে।

    সূত্র: এএফপি।