Blog

  • ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের স্বর্ণযুগের খ্যাতনামা অভিনেতা ও নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে চিকিৎসা শেষে আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি মৃত্যুকালে বয়স ছিলেন ৮২ বছর।

    মৃত্যুর খবরটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। জাভেদের স্ত্রী ডলি চৌধুরী জানান, আজ সকালে তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হয়। হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা চলছিল, পরে বাড়িতেও চিকিৎসা চলছিল। আজ দুই নার্স এসে জানান, শারীরিক অবস্থার কারণে তাঁর গায়ের তাপ অনুভূত হচ্ছিল না। এরপর অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ইলিয়াস জাভেদের জন্ম ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে। পরে সপরিবারে পাঞ্জাবে চলে যান, পরে জীবনের ছন্দ তাঁকে টেনে আনে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে। অভিনেতার আসল নাম ছিল রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস।

    তিনি ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ি জিন্দেগি’র মাধ্যমে নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় অভিষিক্ত হন। কিন্তু রোল বদলে দেন ১৯৬৬ সালের ‘পায়েল’—এই ছবিতে তাঁর বিপরীতে অভিনেত্রী শাবানা অভিনয় করেছিলেন এবং পরিচালক মুস্তাফিজ তাঁকে ‘জাভেদ’ নামে পরিচিত করেন।

    নৃত্যশৈলী ও নাচের দক্ষতাকে কেন্দ্র করে ইলিয়াস জাভেদ দর্শকদের মনে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে বিশেষ স্থান করে নেন। পরবর্তী সময়ে একের পর এক ব্যবসাসফল ছবিতে অভিনয় করে ৭০ ও ৮০-এর দশকের দর্শকদের হৃদয়ে বিশেষ ছাপ রেখে যান। নৃত্য পরিচালনা থেকে তার চলচ্চিত্রভরা ক্যারিয়ার গড়ে ওঠে এবং পরে তিনি নায়ক হিসেবেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। জীবনে তিনি শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন।

    ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দীর্ঘদিন নানা শারীরিক জটিলতা ও ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন।

    জাভেদ অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে: মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী ও আবদুল্লাহ।

    ইলিয়াস জাভেদের প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের এক প্রজন্মের স্মৃতি হারালো। শিল্পী পরিবার ও ভক্তদের প্রতি সহমর্মিতা জানাচ্ছি।

  • ওশিওয়ারায় গুলির ঘটনায় গ্রেফতার বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান

    ওশিওয়ারায় গুলির ঘটনায় গ্রেফতার বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান

    মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা এলাকায় এক আবাসিক ভবনে গুলিবর্ষণের ঘটনায় বলিউড অভিনেতা ও সমালোচক কামাল আর খান, যিনি কেআরকে নামে বেশি পরিচিত,কে মুম্বাই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাকে শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) আদালতে পেশ করার কথা রয়েছে।

    পুলিশ সূত্র ও ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওশিওয়ারার ওই আবাসিক এলাকায় চার রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং সন্দেহের ভিত্তিতে কেআরকে-কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিনেতা স্বীকার করেছেন যে গুলিগুলো তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকেই ছোড়া হয়েছে। তবে তিনি দাবি করেছেন যে কাউকে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য তার ছিল না। তার কথায়, বন্দুক পরিষ্কার করার পর সেটি ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করতে বাড়ির সামনে থাকা ম্যানগ্রোভ বনের দিকে গুলি করেছিলেন। বাতাসের গতিবেগের কারণে গুলিগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশের একটি আবাসিক ভবনে গিয়ে লাগে—এটাই তার ব্যাখ্যা।

    পুলিশ জানিয়েছে তারা ঘটনার পুরোপরি পরিবেশনা যাচাই করছে এবং সিসিটিভি, শোনা-পরিচিতদের বয়ান ও অন্যান্য প্রমাণাদি পরীক্ষা করে তদন্ত চালাচ্ছে। ঘটনার ফলে স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন ও নিরাপত্তা নিয়ে সংঘর্ষাজনিত প্রশ্ন তুলেছেন।

    কামাল আর খান বলিউডে একটি বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। ২০২২ সালে তিনি এক যৌন হেনস্তার মামলায় গ্রেপ্তার হন এবং সামাজিক গণমাধ্যমে তারকাদের নিয়ে কটাক্ষ এবং উসকানিমূলক মন্তব্যের কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক মানহানি ও আইনি মামলা রয়েছে।

    ঘটনার তদন্ত চলছে; পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রমাণসমূহের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে কি অভিযোগে মামলা করা হবে তা আদালতে তার হাজতির সময় স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

  • আবু সাঈদ হত্যার ট্রাইব্যুনালের রায় যেকোনো দিন

    আবু সাঈদ হত্যার ট্রাইব্যুনালের রায় যেকোনো দিন

    চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রসিকিউশনের এবং আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। এই মামলার রায় ঘোষণা করার জন্য ট্রাইব্যুনাল এখন প্রস্তুত, এবং তা যেকোনো দিন ঘোষণা হতে পারে।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিরের নেতৃত্বে দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অপর সদস্য হিসেবে ছিলেন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

    অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার এই মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচার চলমান ছিল। যুক্তিতর্কের শেষ বক্তব্যের পর এখন রায় দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, যা যেকোনো সময়ে ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।

    মঙ্গলবার সকালেই বিচার কার্যালয়ে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলামসহ আরও কিছু আইনজীবী। অপরদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা ছিলেন অ্যাটর্নি আজিজুর রহমান দুলু, আবুল হাসান ও অন্যরা।

    গত ২১ জানুয়ারি থেকে যুক্তিতর্কের কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২৫ জানুয়ারি শেষ হয়। এই তিন দিনের মধ্যে মামলার সব গুরুত্বপূর্ণ দিক বিশ্লেষণ করা হয়। সাথে ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শন করা হয় বেরোবি ক্যাম্পাসের মূল ফটকের CCTV ফুটেজ, যা juli ২০২৪ সালে আবু সাঈদ হত্যার সময় ধারণ করা হয়। এই ভিডিওগুলো থেকে আসামিরা কোথায় ছিলেন এবং তাদের কার্যক্রম বিস্তারিতভাবে শনাক্ত করা হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, মামলায় ৩০ আসামির সর্বোচ্চ সাজা দাবি করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের মক্কেলদের বেকসুর খালাসের জন্য যুক্তি উপস্থাপন করেন।

    আজ সকালেই কারাগার থেকে ছয় আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরা হলেন– এএসআই আমির হোসেন, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ। তবে, আরও ২৪ জন পলাতক রয়েছেন, যার মধ্যে বেরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদ রয়েছেন।

    প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয় ২০২২ সালের আগস্টে। এর আগে, ৬ আগস্ট, মামলার ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল-২। পলাতক আসামিদের জন্য স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান ছিল। তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনও জমা দেওয়া হয় ২৪ জুন, যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।

  • নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও ডিম ছোড়ার অভিযোগ

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও ডিম ছোড়ার অভিযোগ

    ঢাকা-৮ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেছেন, তাকে আবারও ডিম ছুড়ে মারা হয়েছে এবং হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে শান্তিনগর হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে নির্বাচনি প্রচারণার জন্য যাওয়ার পথে তাকে এই হামলার শিকার হতে হয়। খবর অনুযায়ী, তিনি সকার থেকে শান্তিনগরের মাঝখানে তার নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এর সময় হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজের সামনে গেলে কিছু দুর্বৃত্ত তাকে ডিমের আঘাতে আঘাত করে। পরিস্থিতি খারাপ দেখে তিনি তৎক্ষণাৎ ক্যাম্পাসের ভেতরে প্রবেশ করেন এবং সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, আমি আজ আমার ওপর ডিম ছোড়া হয়েছে, হামলারও চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের জন্য এমন বাংলাদেশ আমরা চাই না। আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। হারানোর ভয়ে এইসব সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালানো হচ্ছে। তিনি জনগণের কাছে আহ্বান জানিয়ে বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বাতিল করুন। মির্জা আব্বাসকে উদ্দেশ্য করে বলেন, সন্ত্রাস বন্ধ করুন। হাবিবুল্লাহ কলেজ মাঠে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলাচ্ছে—এ বিষয়ে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। ভোটের দিন ১২ তারিখে সবাই যেন একত্রিত হয়ে গণজোয়ার সৃষ্টি করে দেশের জন্য নতুন সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে সব সন্ত্রাস ও গুন্ডামি রুখে দেবো। আমি সকলের কাছে অনুরোধ করব, সন্ত্রাস বন্ধ করুন ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কাজ করুন। দুপুর ২টায় ডিম ছোড়ার প্রতিবাদে ফকিরাপুলে দলের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন এবং বিকেল চারটায় বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেন নাসির উদ্দীন পাটওয়ারী।

  • রংপুর-১ থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মঞ্জুম আলীর মনোনয়ন বাতিল

    রংপুর-১ থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মঞ্জুম আলীর মনোনয়ন বাতিল

    রংপুর-১ আসনে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে আজিমপুর উচ্চ আদালত তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছে, ফলে তিনি এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

    মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন এই আপিল বেঙ্গে এই আদেশ দেন। শুনানিতে মঞ্জুম আলীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, মোহাম্মদ হোসেন লিপু, সৈয়দ মামুন মাহবুব ও ব্যারিস্টার শামিম হায়দার পাটোয়ারী। বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল।

    এ সময় বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, ২১ জানুয়ারি হাইকোর্ট রংপুর-১ আসনের (গঙ্গাচড়া ও রসিকের ১-৯ নম্বর ওয়ার্ড) প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন। আপিল বিভাগ এই আদেশকে বহাল রেখেছে।

    উল্লেখ্য, ১৭ জানুয়ারি এই আসনে মঞ্জুম আলীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা হয়েছিল। এরপর নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন।

    জানা যায়, নির্বাচনের আশেপাশে ব্যাপক আলোচনা ও অভিযোগের মধ্যে, দ্বৈত নাগরিকত্বের উল্লেখ থাকা নিয়ে মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাইয়ে রংপুরের রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়ন বাতিল করেন। এরপর তিনি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।

    শুনানির সময় প্রথমে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে গেলে, পরে আবার পুনর্বিবেচনার আবেদন করে মঞ্জুম আলী। ১৭ জানুয়ারি এই আবেদন বিবেচনায় এসে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

    রংপুর-১ আসনে এই অভিযোগের পাশাপাশি অন্যান্য প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন– বিএনপির মোকাররম হোসেন সুজন, জামায়াতে ইসলামীর রায়হান সিরাজী, ইসলামী আন্দোলনের এটিএম গোলাম মোস্তফা, এনসিপির আল মামুন, গণঅধিকার পরিষদের হানিফুর রহমান, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের আহসানুল আরেফিন, ইসলামিক ফ্রন্টের মো. আনাস ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. মমিনুর রহমান।

  • কারাবন্দিদের বৈষম্য ও মানবাধিকার নিশ্চিতের importance: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    কারাবন্দিদের বৈষম্য ও মানবাধিকার নিশ্চিতের importance: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী কারাবন্দিদের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, কারাগারে বন্দিদের মৌলিক মানবাধিকার রক্ষা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এই কাজের মাধ্যমে তারা সংশোধিত নাগরিক হিসেবে সমাজে ফিরতে পারে। তিনি বলেন, কারা নিরপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে, কেননা এই দুই বিষয় পরস্পর পরিপূরক। এর জন্য প্রশিক্ষিত, মানবিক ও দায়িত্বশীল কারারক্ষীদের ভূমিকা অপরিহার্য।

  • চট্টগ্রামে র‍্যাব কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ডের মামলায় আরও দুই আসামি গ্রেফতার

    চট্টগ্রামে র‍্যাব কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ডের মামলায় আরও দুই আসামি গ্রেফতার

    চট্টগ্রামের জঙ্গি আক্রমণে আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরে নিহত র‍্যাব-৭ এর উপ-সহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মো. মিজান ও তার সহযোগীকে র‍্যাব-৭ গ্রেফতার করেছে। এ নিয়ে মোট তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করা হলো। র‌্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালের তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

    এর আগে, শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে একই মামলায় অভিযুক্ত কালা বাচ্চুকে জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূল এলাকার একটি বাজার থেকে গ্রেফতার করেন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। এর আগে, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গি সলিমপুরে অভিযানের সময়ে র‍্যাবের কর্মকর্তা ও সদস্যরা হামলার শিকার হন। ওই দিন বিকেলে পতেঙ্গা ব্যাটালিয়নের এক র‍্যাব টিম আসামি গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালানোর সময়ে স্থানীয় দুর্বৃত্তরা তাদের আড়াল করে বেদম মারপিট করে। ওই হামলায় চট্টগ্রাম র‍্যাবের উপ-সহকারী পরিচালক মো. তওহীদ নিহত হন। এছাড়াও চারজন আহত হন, যারা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। উল্লেখ্য, নিহত তওহীদ র‍্যাবের ডেপুটেশনে বিজিবি থেকে যোগ দিয়েছিলেন।

    বিশ্লেষকদের মতে, গত বছর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর পাহাড় দখল নিয়ে সশস্ত্র সংঘর্ষ ও অঘোষিত অস্থিরতা বেড়েছে। এ সময় ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসন বারবার অভিযান চালালেও, পাহাড়ি এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতার কারণে কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সরকারি খাস জমিতে কারাগার, আইটি পার্কসহ কয়েকটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থাকলেও জমির স্বার্থ উদ্ধার না হওয়ায় কোন প্রকল্পই এখনো অগ্রসর হয়নি।

  • ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের বাধা নিষেধ, নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ ইসির

    ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের বাধা নিষেধ, নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ ইসির

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) সোমবার একটি পরিপত্র জারি করে জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণমাধ্যমকর্মীদের সংবাদ সংগ্রহে কোনোভাবে বাধা দেওয়া যাবে না এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাংবাদিকদের নির্বিঘ্নে কাজ করার সুযোগ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্পূর্ণ সহযোগিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিপত্রের কপি বিভাগীয় কমিশনার, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকদের পাঠানো হয়েছে।

    পরিপত্রে মূল নির্দেশনাগুলো সংক্ষেপে এমন—

    ১) অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সুবিধার্থে ইসি সাংবাদিক নীতিমালার নিয়ম অনুযায়ী পরিচয়পত্র জারি করবে।

    ২) গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের অনুচ্ছেদ ২৯(গ) অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদনপ্রাপ্ত সাংবাদিকরা তাদের পরিচয়পত্রসহ নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করবেন।

    ৩) নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী ইসি প্রদত্ত বৈধ কার্ডধারী সাংবাদিকরা সরাসরি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন।

    ৪) সাংবাদিক পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকারের জন্য প্রার্থী/গণমাধ্যমকর্মীরা https://pr.ecs.gov.bd/ পোর্টালে আবেদন করতে পারবেন। অনুমোদিতরা অনলাইনে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সম্বলিত কিউআরকোড/হলোগ্রামযুক্ত পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার ডাউনলোড করে মুদ্রণ করতে পারবেন; এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানানো হবে।

    ৫) নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকারের যথার্থতা যাচাই করার অধিকার রাখবেন।

    ৬) গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের অনুচ্ছেদ ৮৪(ক) অনুযায়ী, নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত অনুমোদিত কোনো সাংবাদিককে কেউ বাধা দিলে বা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে, তাকে শারীরিক বা সরঞ্জামগত ক্ষতি করলে/কোরে করার চেষ্টা করলে সে ব্যক্তি অপরাধী বিবেচিত হবে এবং যথাযথ শাস্তিতে দণ্ডিত হবেন।

    ৭) ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাংবাদিকদের কাজ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করবে।

    ৮) ভোটকেন্দ্রে সংবাদ সংগ্রহের সময় জায়গার সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করে প্রিজাইডিং অফিসার সংবাদকর্মীদের সঙ্গে সমঞ্জসতা রেখে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়তা করবেন।

    ইসি উল্লেখ করেছে যে সাংবাদিকরা নির্দিষ্ট পরিচয়পত্র বহন করলে তাদের কাজ করতে বিবিধ অপ্রত্যাশিত বাধার মুখে পড়তে হবে না এবং বাধা প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

  • কারাবন্দিদের প্যারোলে মুক্তি: নতুন নীতিমালা জারি

    কারাবন্দিদের প্যারোলে মুক্তি: নতুন নীতিমালা জারি

    সরকার কারাবন্দিদের প্যারোলে মুক্তি সংক্রান্ত নতুন নীতিমালা জারি করেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কারা-২ শাখা থেকে প্রকাশিত এই নির্দেশিকায় প্যারোলে মুক্তির শর্ত, সময়সীমা এবং মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।

    নতুন নীতিমালার মূল দিকগুলো প্রতিবেদনটিতে নিম্নরূপ উপস্থাপিত করা হয়েছে:

    1. সাধারণ নীতি:

    – ভিআইপি বা অন্যান্য শ্রেণির কয়েদি/হাজতি বন্দিদের নিকট আত্মীয়—যেমন বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি, স্বামী/স্ত্রী, সন্তান এবং আপন ভাইবোন—মৃত্যু হলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া যাবে।

    – এছাড়া কোনো আদালতের আদেশ বা সরকারের বিশেষ সিদ্ধান্ত থাকলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে অতিরিক্ত পরিস্থিতিতেও প্যারোল মঞ্জুর করা যেতে পারে। উভয় ক্ষেত্রেই প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ও দূরত্ব বিবেচনায় সময় নির্ধারণ করবেন।

    2. পুলিশ প্রহরা:

    – প্যারোলে মুক্ত থাকা অবস্থায় বন্দিকে সার্বক্ষণিক পুলিশ প্রহরায় রাখতে হবে।

    3. সময়সীমা:

    – প্যারোলের অনুমোদিত সময়সীমা সাধারণত ১২ ঘণ্টার বেশি হবে না। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে সরকার সময়সীমা বাড়ানো বা কমানোর ক্ষমতা সংরক্ষণ করবে।

    4. ভ্রমণ ও মঞ্জুরির এলাকা:

    – কোনো বন্দি যদি তার নিজের জেলার কেন্দ্রীয়/জেলা/বিশেষ কারাগার বা সাব-জেলে আটক থাকেন, তবে মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ ঐ জেলার ভেতরে যেকোনো স্থানে প্যারোল মঞ্জুর করতে পারবেন।

    – যদি বন্দি তার নিজের জেলায় না থেকে অন্য জেলায় আটক থাকেন, তাহলে গন্তব্যের দূরত্ব বিবেচনায় মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ প্যারোল মঞ্জুর করতে পারবেন। তবে দুর্গম এলাকা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, দূরত্ব ও নিরাপত্তাসহ অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নিয়ে কর্তৃপক্ষ প্যারোল মঞ্জুর বা না-মঞ্জুর করার সিদ্ধান্ত নেবেন।

    5. কারাগারে ফেরত পাঠানো:

    – কারাগারের ফটকে পুলিশ প্যারোলে মুক্ত বন্দিকে গ্রহণ করে অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যে তাকে পুনরায় কারাগারে ফিরিয়ে আনবেন।

    6. প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ:

    – সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

    7. পূর্বের নীতিমালার বাতিল:

    – ২২-০৯-২০০৭ ও ০৪-০৩-২০১০ তারিখে কারা-২ শাখা থেকে জারি করা পূর্ববর্তী নীতিমালা দুটি বাতিল করা হয়েছে (স্মারক নং যথাক্রমে স্ব: ম:(কারা-২)/বিবিধ-১৬/২০০৭/৩৮৮ ও স্ব: ম:(কারা-২) বিবিধ-১৬/২০০৭/৭৭)।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্ণিত নতুন নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশনাটি নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক বিবেচনা মাথায় রেখে প্যারোল প্রক্রিয়া আরও সুসংগঠিত করবে বলে মন্ত্রণালয় আশা করছে।

  • শফিকুর রহমান: নারীদের প্রতি কুদৃষ্টি দেখলে চোখ উপড়ে ফেলা হবে

    শফিকুর রহমান: নারীদের প্রতি কুদৃষ্টি দেখলে চোখ উপড়ে ফেলা হবে

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান বলেছেন, তারা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান যেখানে নারীদের মর্যাদা নিশ্চিত থাকবে। এজন্য তিনি সতর্ক করে বলেন — নারীদের প্রতি কুদৃষ্টি দেখলে সেই চোখ উপড়ে ফেলা হবে।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ শহরের ওয়াজির আলী হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা ও উপজেলার হাজারো নেতা-কর্মী ও শুভাশ্রয়ী। সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ হাদি ওসমানের ইনকিলাব মঞ্চসহ সেখানে উপস্থিত সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জানালো।

    বক্তব্যে শফিকুর রহমান মায়েদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘‘মায়েদের ঋণ আমরা কখনো শোধ করতে পারব না। তাদের দিকে যারা খারাপ দৃষ্টিতে তাকাবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়া হবে।’’ তিনি বলেন, গত আন্দোলনে অনেকেই স্বামী, স্ত্রী, সন্তান, বোন ও পিতা হারিয়েছেন; তাদের কষ্ট তিনি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন এবং বলেন যারা কথাগুলো বলেছে তাদেরই পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে নির্মম আচরণ হয়েছে।

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, অনেক মানুষকে তুলে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে, কিছু পরিবারের এখনও তাদের প্রিয়জনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। ‘‘অপরাধ ছিলো শুধু অন্যায়-অপশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলা—এই অভিযোগ তুলে কুসংস্কার ও অবিচারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেন আমির।’’

    শফিকুর রহমান বলেন, বিভিন্ন স্থানে জোর করে পকেট কাটা, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অভিযোগ আছে; তিনি এসব ফিরে না পেলে কঠোর আচরণ করা হবে বলে জোর দেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে জামায়াত ক্ষমতায় এলে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো হবে, চাঁদাবাজি বন্ধ করা হবে এবং বেকারদের জন্য যোগ্যতা ভিত্তিক কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

    তিনি বলেন, প্রত্যেক জেলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হবে এবং শুধুমাত্র কলেজ না রেখে উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবল গড়ে তোলা হবে। বেকারদের ভাতা দিয়ে অপমান করা হবে না, তাদের যোগ্যতা স্বীকার করে চাকুরি ও প্রশিক্ষণের সুযোগ দেয়া হবে—এই প্রতিশ্রুতি তিনি দেন।

    সমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতারা ও স্থানীয় প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বাবস্থাপনা করেন ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমির ও ঝিনাইদহ-২ আসনের জোট প্রার্থী মাওলানা আলী আজম মো. আবু বকর। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও যশোর–কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হোসাইন। পাশাপাশি ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) প্রার্থী এএসএম মতিউর রহমান, ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর) প্রার্থী অধ্যাপক মতিয়ার রহমান এবং ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদর কিছু ইউনিয়ন) প্রার্থী মাওলানা আবু তালিবও বক্তব্য দেন।

    জনসভায় মানুষের ঢল এতটাই ছিল যে সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা আসে এবং বিকেলে মাঠ জনসঘন হয়ে ওঠে; বিভিন্ন বাহনে আনাগোনা করার ফলে শহরে এক ধরনের যানজটও তৈরি হয়েছিল। চুয়াডাঙ্গা থেকে আমিরের আগমন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় এবং তিনি ৬টা ৫৫ মিনিটে মঞ্চে এসে প্রস্তাবিত রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি ও নীতিগুলো তুলে ধরেন।

    বক্তৃতা শেষে তিনি জেলা পর্যায়ের চার প্রার্থীর পরিচয় করিয়ে দান করেন ও তাদের হাতে দাড়িপাল্লা তুলে দেন।