Blog

  • সালমান খানকে মামলার থেকে সাময়িক মুক্তি

    সালমান খানকে মামলার থেকে সাময়িক মুক্তি

    চলতি বছর ধরে ঘাড়ের উপর পানমশলা বিজ্ঞাপনের মামলার চাপে থাকছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় তারকা সালমান খান। একের পর এক শুনানিতে অনুপস্থিত থাকার কারণে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন তার বিরুদ্ধে। তবে এবার সুপ্রিমোর কাছ থেকে তিনি সাময়িক রেহাই পেলেন।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আগামী ১৩ তারিখ জয়পুর জেলা উপভোক্তা কমিশনের সামনে হাজির হওয়ার কথা ছিল সালমানের। কিন্তু এই নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দিলেন রাজস্থান হাই কোর্ট। ফলে, নির্ধারিত দিনে তিনি কমিশনে উপস্থিত না হয়েই এ কাজে থেকে রেহাই পেলেন।

    বিষয়টি নিয়ে জানা গেছে, সালমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন যোগেন্দ্র সিংহ বাদিয়াল। তিনি দাবি করেন, একটি পানামশলা বিজ্ঞাপনে কাজ করার সময় পণ্যগুলোকে ‘জাফরান বা তবক মিশ্রিত এলাচ’ এবং ‘জাফরান মিশ্রিত পানামশলা’ বলে উল্লেখ করা হলেও, এগুলো আসলে তেমন কিছু নয়। এর ফলে ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করে মানসম্মত পণ্য হিসেবে বিক্রি করার অপপ্রয়াস চালানো হয়েছে।

    অভিযোগের ভিত্তিতে বছরের শুরুতেই উপভোক্তা কমিশন এই পণ্যগুলোর জোরালো প্রচারে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পরে জয়পুর এবং কোটার মতো শহরে বিলবোর্ড ও অন্যান্য বিজ্ঞাপন দেখা যেতে শুরু করে, যা কমিশনের নজরে আসতেই বোঝা যায় তারা আদেশ অমান্য করেছে।

    বর্তমানে সালমান খান ব্যস্ত তার নতুন ছবি ‘মাতৃভূমি’র শুটিং নিয়ে, যেটির কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রথমে এর নাম ছিল ‘ব্যাটেল অফ গলওয়ান’। তবে এই প্রজেক্টে তার কাজের ফাঁকে এই মামলার সাময়িক মুক্তির খবর তার ভক্তকুলের জন্য বড় সুখবর।

  • ভিয়েতনামের কাছে হারিয়ে স্বপ্ন ভেঙে গেল বাংলাদেশের

    ভিয়েতনামের কাছে হারিয়ে স্বপ্ন ভেঙে গেল বাংলাদেশের

    থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এএফসি উইমেন’স অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভিয়েতনাম ছিল একটি শক্তিশালী দল। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের লড়াই জমে উঠেছিল। প্রতিযোগিতার তিনটি গ্রুপে চারটি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম জন্য জন্য এই ম্যাচ ছিল অনেক কিছু। গ্রুপের অন্য দুই দল চীন ও থাইল্যান্ড ইতিমধ্যে কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করে ফেলেছে, তাই এই ম্যাচের ফলাফল খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল বাংলাদেশের জন্য। তবে বাংলাদেশের আশা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত তারা পারলো না। গ্রুপের তৃতীয় দল হিসেবে শেষ করে জাতিকে হতাশ করে তারা। কারণ ভিয়েতনাম জিতল—a victory that kept their hopes alive and eliminated Bangladesh from the tournament।

    ম্যাচের প্রথমার্ধে বাংলাদেশ কিছু দুর্দান্ত সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করছিল। ১৩ মিনিটে সাগরিকা সতীর্থের থ্রু পাসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গোলকিপারকে একা পেয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু শটটি ঠিকমত হয়নি। ২৬ মিনিটে আবারও উজ্জ্বল আক্রমণে এগিয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ, তবে অফসাইডে পড়ে গেলেন সাগরিকা, বলে চলে যায় গোলরক্ষকের কাছে। অন্যদিকে, ভিয়েতনাম শেষের দিকে আক্রমণ বাড়াতে থাকলে বাংলাদেশ রক্ষণদলে চাপ পড়ে। ২৯ মিনিটে এনগান থি থানের শট ক্রসবারের উপরে দিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর, ৩৩ মিনিটে ভিয়েতনামের চাপ সামলেও, বাংলাদেশের মিলি আক্তার দুর্দান্ত রক্ষার মাধ্যমে গোলের সম্ভাবনাকে রক্ষা করেন।

    দ্বিতীয়ার্ধে ভিয়েতনাম এগিয়ে যায়। ৫৩ মিনিটে থি থুই লিনহের দক্ষ হেডে ভুলে যায় বাংলাদেশের রক্ষা। এরপর ৮৬ মিনিটে, সতীর্থের আড়াআড়ি ক্রসে, থি থুই লিনের হেডটি পোস্টের বাইরে গেলে ব্যবধান দ্বিগুণ হওয়া থেকে রক্ষা পায় বাংলাদেশ। এর আগেও, এই টুর্নামেন্টের অন্যান্য ম্যাচের মতো, বাংলাদেশের চোখে স্বপ্ন দেখতে দেখা শেষ হয়ে যায়। প্রথমবারের মতো উইমেন’স এশিয়ান কাপের মতো আয়োজনের এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে, তিন ম্যাচে সবখানে হারে তারা। গ্রুপ পর্ব থেকে এবারও বিদায় নিতে হয় তাদের। এই হারে বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলারের স্বপ্নভঙ্গ হয়, তবে এই যুদ্ধের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধ করবে।

  • মাঠ থেকে প্রশাসনে: তামিমের মূল লক্ষ্য বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ফেরানো

    মাঠ থেকে প্রশাসনে: তামিমের মূল লক্ষ্য বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ফেরানো

    ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুকালে দাঁড়িয়েছিলেন তামিম ইকবাল। তার সুস্থতার খবর পেয়ে সবখানে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছিল, সবাই জানতে আগ্রহী হয়েছিল তার অবস্থা কেমন। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠার মাধ্যমে সবাই স্বস্তি পেয়েছিল। তবে ঠিক এক বছর পর আবারও এপ্রিল মাসে তামিমের জীবনবোধে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হলো। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তিনি এলেন অ্যাডহক কমিটির বাস্তব দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে। জাতীয় দলের তৃতীয় অধিনায়ক হিসেবে খেলোয়াড়ি জীবনের শেষের পর এবার তিনি বোর্ডের সর্বোচ্চ পদে বসেছেন। প্রথম প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেই তার লক্ষ্য স্পষ্ট করে বলেছিলেন—বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ফেরানো। তার মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের ক্রিকেটের ক্ষত গুলি সারানো এবং পুনরায় গর্বের জায়গায় নিয়ে আসা।

  • তামিমের নেতৃত্বাধীন এডহক কমিটি ‘অবৈধ’ দাবি করে বিসিবির আগের সভাপতি বুলবুলের হস্তক্ষেপ চান

    তামিমের নেতৃত্বাধীন এডহক কমিটি ‘অবৈধ’ দাবি করে বিসিবির আগের সভাপতি বুলবুলের হস্তক্ষেপ চান

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ নির্বাচনে গোপন তদন্ত কমিটি বিরূপ মত গ্রহণ করেছে, যা অনিয়ম ও দুর্বলতার ভিত্তিতে গঠিত। এই কমিটি, যা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) দ্বারা গঠিত, অভ্যন্তরীণ তদন্তের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় দুর্বলতা ও কারসাজির দিকগুলো উন্মোচন করেছে। এর ফলে বিসিবির সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়েছেন, তার অধীন পরিচালনা পর্ষদকে ভেঙে দিয়ে নতুন ১১ সদস্যের এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, এই নতুন কমিটি অবৈধ এবং তার অধীন বোর্ডের কার্যক্রম অর্থহীন।

    বুলবুল আরও অভিযোগ করেছেন, সরকারের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে তার পরিচালনা পর্ষদকে ভেঙে নতুন এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি আইসিসির কাছ থেকে এ হস্তক্ষেপের বিষয়ে নীরবতা প্রকাশ করে, জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তির ক্ষতি হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, বিসিবির স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই নির্বাচন ও তদন্তের কোনও গ্রহণযোগ্যতা বা আইনগত ভিত্তি নেই। বাবদে, বাংলাদেশ ক্রিকেটের ওপর সরকারি হস্তক্ষেপের প্রবণতা ও রাজনৈতিক প্রভাবের বিরুদ্ধে তিনি সরব হয়েছেন।

    বুলবুল বলেন, তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত এডহক কমিটি সংবিধানের পরিপন্থী এবং আইসিসির নিয়ম লঙ্ঘন করে গঠিত হয়েছে, যা তিনি ‘সাংবিধানিক অভ্যুত্থান’ হিসেবে দেখছেন। এই কমিটিকে তিনি ‘ভুয়া সংস্থা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি বোর্ডের স্বাধিকার ও আইনি বৈধতা লংঘন করেছে।

    তিনি আবারো নিশ্চিত করেছেন, বিসিবি বা আইসিসি এই কমিটিকে স্বীকৃতি দেবে না এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ক্রিকেটের দুর্বল ছবি ফলপ্রসূ হচ্ছে। তার মতে, সরকারের হস্তক্ষেপ তরুণ ক্রিকেটারদের ভবিষ্যতকেও অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলছে। তিনি তড়িৎ হস্তক্ষেপের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান এবং অবিলম্বে এই অবৈধ কমিটিকে বাতিল করার দাবি করেন। সবশেষে, বুলবুল উল্লেখ করেছেন, যতক্ষণ না হাইকোর্ট অন্য কোন সিদ্ধান্ত দেয়, ততক্ষণ তিনি বিসিবির বৈধ সভাপতি হিসেবে থাকবেন।

  • দারুল কুরআন দাখিল মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

    দারুল কুরআন দাখিল মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব জাতি গঠনে অতুলনীয়। একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের উচিত পরবর্তী প্রজন্মকে ধর্মীয় শিক্ষায় আলোকিত করে গড়ে তুলা। তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় শিক্ষাই একজন সন্তানকে একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। এ কারণে তিনি অভিভাবকদের বলেন, যেন তারা নিজ সন্তানের জন্য এই শিক্ষাকার্যক্রমে ভর্তি হতে উৎসাহিত হন এবং এর গুরুত্ব বুঝে সচেতনতায় এগিয়ে আসেন।

    প্রশাসক বুধবার সকালে নগরীর খালিশপুরে কেসিসি পরিচালিত দারুল কুরআন দাখিল মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা প্রদান করেন। তিনি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সেইসঙ্গে সকলের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনে শিক্ষকদের আরো বেশি আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান।

    তাঁর ভাষ্য, এই মাদ্রাসায় বর্তমানে ১ম থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী পাঠ গ্রহণ করছে। চলতি বছর ৫ম শ্রেণিতে নয়জন এবং ৮ম শ্রেণিতে দু’জন শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুলে ও সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি লাভ করেছে। অনুষ্ঠানে তিনি বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। নেতৃবৃন্দের মধ্যে তিনি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা ব্যক্ত করেন।

    উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার সুপার (ভারপ্রাপ্ত) নাজমুন্নাহার বেগম, বিশেষ অতিথিরা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেসিসি’র সাবেক কাউন্সিলর আবু সালেক ও মাস্টার শফিকুল আলম, সাবেক শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা এসকেএম তাছাদুজ্জামান, খালিশপুর কলেজিয়েট গার্লস স্কুলের অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুল আলম এবং সমাজসেবক মোঃ জাহিদুর রহমান রিপন। এ ছাড়াও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বড় מספרে উপস্থিত ছিলেন।

  • আইসিসির নীরবতা ও তামিমের আস্থা: ভারত বাংলাদেশের ক্রিকেট সম্পর্কের নতুন দিশা

    আইসিসির নীরবতা ও তামিমের আস্থা: ভারত বাংলাদেশের ক্রিকেট সম্পর্কের নতুন দিশা

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের পরিস্থিতি নতুন করে উত্তেজনা ও প্রত্যাশার জন্ম দিচ্ছে। সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে গঠিত ১১ সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বোর্ডের কার্যক্রম জোরদার হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে, তামিমের নেতৃত্বে বোর্ড ভারত সফরে যাওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং এ বছরের শেষের দিকেই ভারতীয় দলকে বাংলাদেশে আক্রোশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগ দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্কের পুনরুদ্ধার ও সৌহার্দ্য ফেরানোর একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপটি সাম্প্রতিক দুই দেশের মধ্যে গড়ে ওঠা অসন্তোষ কাটিয়ে আন্তঃদেশীয় সম্পর্ক উন্নয়নের পথে এক নতুন প্রত্যয়। দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের ক্রিকেটের মধ্যে অবনতি ঘটে যাওয়ার পর, যখন বাংলাদেশ নিরাপত্তার বিষয় তুলে টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়, তখন পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়। বিশেষ করে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজনে অস্থিরতা দেখা দেয়, যেখানে আইসিসি বাংলাদেশে না এসে স্থানীয় বোর্ডের অনুরোধে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এই ঘটনায় দুই দেশের বোর্ডের মধ্যে উত্তেজনা চরমে ওঠে।

    নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তামিমের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের এই আংশিক বোর্ড আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজনের দায়ভার গ্রহণ করেছে। এটি বোর্ডের প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কার করার অংশ, যেখানে সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে দায়িত্ব থেকে সরানো হয়। তার বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে আইসিসির কাছে হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি লিখলেও, আইসিসি সূত্রগুলো বলছে, তার আবেদন খুবই গুরুত্ব পাবে না, কারণ তার অবস্থানে বেশ কিছু অসঙ্গতি রয়েছে।

    প্রায় একই সময়ে, সেদিন বুলবুল আইসিসিকে বলেছিলেন, সরকারি নির্দেশনায় দল ভারতে যেতে পারেননি। এখন তিনি আবার একই সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইসিসির সুরক্ষা পেতে চান। আইসিসির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘এটি সত্যিই আশ্চর্যজনক। এই সেই বোর্ড সভাপতি যিনি আগে আইসিসির চুক্তি সত্ত্বেও সরকারী হস্তক্ষেপের ভয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে পারেননি, এখন আবার সরকারি হস্তক্ষেপের বিষয়টিতে আইসিসির সহায়তা চাইছেন।’

    এখন দ্রুত পদক্ষেপ ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে আশা করা হচ্ছে, বাংলাদেশের ক্রিকেট আবারও নিজেকে নতুন উচ্চতায় দেখতে পাবে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি হবে, যা দুই দেশের সকল ক্রিকেটপ্রেমীর জন্যই সুখবর।

  • শেহবাজের এক্সবার্তা কি অন্য কেউ লিখে দেন, প্রশ্ন ফোর্বসের

    শেহবাজের এক্সবার্তা কি অন্য কেউ লিখে দেন, প্রশ্ন ফোর্বসের

    ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংকটের মধ্যে মঙ্গলবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের এক্সপোস্ট নিয়ে উঠেছে বড় প্রশ্ন। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর পোস্টের সত্যতা আর কোথাও তিনি নিজে লেখেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ জাগছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওই বার্তার লেখা কি কোনো পাকিস্তানি কর্মকর্তা বা অন্য কেউ করেননি, নাকি এগুলো শরিফের নিজস্ব ধারণা বা বক্তব্য, তা স্পষ্ট নয়।

    প্রায়ই চুক্তি বা সংকটের সময় রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে বার্তা পৌঁছানো হয়। তবে এই অনুরোধের আগে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এক্স-এ এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পাঠান, যেখানে তিনি ভারতের সঙ্গে চলমান পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য অপেক্ষা করার আবেদন করেন। তিনি স্বর্ণমূর্তি টেলিগ্রামে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উদ্দেশে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য কূটনৈতিক পথে অগ্রসর হওয়া জরুরি, এবং তিনি ট্রাম্পের কাছে ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করতে অনুরোধ করেন। এর কিছু সময় পর ট্রাম্প নিজেই এই সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধের প্রেক্ষিতে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন।

    তবে এই বার্তার খসড়া কপি পেয়ে ফোর্বস প্রশ্ন তোলে, এই বার্তা কি সত্যিই শরিফ নিজে লেখেছেন নাকি অন্য কারো লেখা? প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে, ওই পোস্টের নিচে তারুর নামের পাশে ‘@সিএমশেহবাজ’ লেখা রয়েছে, যা শরিফের নিজস্ব পরিচিতি নয় বলে মনে করা হচ্ছে। অনেক বিশ্লেষক এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী এই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন যে, হয়তো এই খসড়া পোস্টটি পাকিস্তানি কোনো কর্মকর্তার বা অন্য কারো দ্বারা লেখা হয়েছে।

    এ বিষয়ে ফোর্বস পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করলেও কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি। সুতরাং, এই ব্যাপারে স্পষ্টতর তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, দেশের নেতাদের বার্তা ও এ ধরনের খসড়া পোস্টের পেছনে কে বা কারা থাকছেন, তা নিয়ে তদন্ত ও আলোচনা চলছে।

  • হরমুজ খুলে দেওয়া হলো, জাহাজ চলাচল শুরু

    হরমুজ খুলে দেওয়া হলো, জাহাজ চলাচল শুরু

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধবিরতির পর গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আবার খোলা হয়েছে। বুধবার, ৮ এপ্রিল, দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসার সঙ্গে সঙ্গে এ অঞ্চলের জাহাজ চলাচল শুরু হয়। বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এই পরিস্থিতির তথ্য নিশ্চিত করেছে মেরিন ট্রাফিক নামের প্রতিষ্ঠান। হরমুজ দিয়ে যাওয়া প্রথম দুটি জাহাজের মধ্যে একটি ছিল গ্রিসের পতাকাবাহী, অন্যটি লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী।

    মেরিন ট্রাফিক তাদের এক্স+(এক্সে) মাইক্রো ব্লগে লিখেছে, “মালিকানাধিকার প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, গ্রিসের আন্তর্জাতিক মান সময় রাত ৮টা ৪৪ মিনিটে ‘এনজে আর্থ’ জাহাজটি হরমুজ প্রণালীর অতিক্রম করে। অন্যদিকে, লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘ডেটোনা বিচ’ ভোর ৫টা ২৮ মিনিটে বন্দর আব্বাস থেকে রওনা হয় এবং আন্তর্জাতিক মান সময় অনুযায়ী সকাল ৬টা ৫৯ মিনিটে হরমুজ পার করে।

    এর আগে, দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ফলে হরমুজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটটি আবার চালু করেছে, যার মাধ্যমে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। তবে এখন থেকে সেখান দিয়ে চালানো প্রত্যেক জাহাজ থেকে ইরান টোল আদায় করবে। এর সঙ্গে, ওমানও আগে ঘোষণা দিয়েছিল যে, হরমুজ দিয়ে চলা কোনো জাহাজ থেকে অর্থ সংগ্রহ করবে না। তবে পরে ওমান জানায়, তারা হরমুজ দিয়ে চলা জাহাজ থেকে কোনো অর্থ আদায় করবে না।

    প্রায় তিন মাস আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালায়। এরপরই ইরান হরমুজ বন্ধ করে দেয়। যুদ্ধের আগে, এই প্রণালীটি আন্তর্জাতিক জলসীমা হিসেবে বিবেচিত হত, যেখানে কোনো দেশ অর্থ আদায় করতে পারত না। এখন থেকে, ইরান এই রুটে চলাচলকারী জাহাজগুলো থেকে টোল আদায় করবে।

    সূত্র: এএফপি

  • লেবাননে হামলা বন্ধ না করলে ইসরায়েলকে কঠোর জবাব দেবে ইরান

    লেবাননে হামলা বন্ধ না করলে ইসরায়েলকে কঠোর জবাব দেবে ইরান

    ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চললেও লেবাননে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। দখলদার বাহিনীর শতাধিক বিমান হামলায় বর্তমানে রাজধানী বৈরুত ও দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বহু মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে অবিলম্বে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের জন্য কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, ‘আমরা যদি আমাদের প্রিয় লেবাননের ওপর হামলার পরিমাণ কমাতে না পারি, তবে এই অঞ্চলের দুষ্ট অপশক্তির বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।’ অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র জানিয়েছে, ‘লেবাননে ইসরায়েলি হামলা ও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন বন্ধের জন্য আমরা আজকের দিনটি শেষ সীমা হিসেবে নির্ধারণ করছি। যদি এই আক্রমণ অব্যাহত থাকে, তাহলে আগামী শুক্রবারের আলোচনা বাতিল বলে বিবেচিত হবে এবং আমরা তাতে অংশ নেব না।’ আরও এক উচ্চপদস্থ ইরানি কর্মকর্তা আল কাবাসের সাথে কথোপকথনে বলেছেন, ‘লেবাননে ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের জবাবে আমরা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেব। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের এই ঘটনা প্রতিরোধে পুরো অঞ্চল জুড়ে কঠোর সত্তা থাকা প্রয়োজন। ইসরায়েল কথায় কি মানে, তা তারা শুধুমাত্র বুলেট দিয়ে প্রতিহতই করা যাবে।’ পাশাপাশি, ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজে একজন অজ্ঞাত সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টা জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। পরিস্থিতি এখন খুবই উত্তেজনাপূর্ণ, এবং যদি আরও বিস্তারিত তথ্য আসে, তা অবশ্যই জানানো হবে। অন্যদিকে, লেবাননে ইসরায়েলি হামলার কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলে আবারও বাধা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন ইরানি সংবাদ মাধ্যম। ফার্স নিউজে বলা হয়েছে, বুধবার সকালে ইরানের অনুমতি নিয়ে দুটি তেলবাহী ট্যাংকার এই গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীর মধ্য দিয়ে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছিল, তবে এখন এই ট্রাফিক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর আগে, দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি থাকাকালীন মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে লেবাননের রাজধানী বৈরুত ও দক্ষিণাঞ্চলে একযোগে ১০০টিরও বেশি বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে বহু মানুষ নিহত ও আহত হন। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেছেন, তাদের সেনাবাহিনী হিজবুল্লাহর কেন্দ্রস্থলের ওপর আকস্মিক আরোপ করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, ‘আমরা নাঈম কাসেমের মতো শীর্ষ সন্ত্রাসী নেতাকে হত্যা করতে বাধ্য হয়েছি। আমাদের চুক্তি অনুযায়ী, ইরানের স্বার্থে হামলা অব্যাহত থাকবে।’ লেবাননের রেড ক্রস জানিয়েছে, তাদের ১০০টির বেশি অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত হামলা ও আহতদের চিকিৎসায় কাজ করে যাচ্ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাকান নাসেরেদ্দিন আল জাজিরাকে বলেছেন, ‘বৈরুত ও অন্যান্য এলাকায় ইসরায়েলের হামলার ফলে হাসপাতালগুলোতে আহত ও নিহতের সংখ্যা ব্যাপকহারে বাড়ছে।’ লেবাননের আনুষ্ঠানিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার ব্যুরো প্রধান মাজেন ইব্রাহিম বলেছেন, ১৯৮২ সালে ইসরায়েলে বৈরুত আক্রমণের কথাই মনে পড়ছে। তখনো এমনসব এলাকাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল, যেখানে সাধারণ হিজবুল্লাহর সঙ্গে কোনও সম্পর্ক থাকত না। প্রধানমন্ত্রীর নওয়াফ সালাম বলেছেন, ইসরায়েল ভয়ঙ্করভাবে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাকে টার্গেট করে সাধারণ মানুষের জীবন নাকোচ করছে। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, ‘ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করে যুদ্ধ চালাচ্ছে, মানবিক আইনকে উপেক্ষা করছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে উপেক্ষা করে নিজের মতেই যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।’ তিনি সকল আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক শক্তিকে এই আগ্রাসন বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ইরানের ওপর হামলা চালায়। এর জবাবে ইরানও পাল্টা হামলা করে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েল লক্ষ্য করে ব্যাপক আক্রমণ চালানো হয়। এরপরই, লেবানিজ সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি আক্রমণের প্রতিশোধ হিসেবে তেহরানেSupport linkে আরও আক্রমণ চালাতে প্রস্তুতি নেয়। গত ৩৯ দিন ধরে চলা এই সংঘর্ষ শেষ হওয়ার জন্য পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এই চুক্তিতে দাবি করা হয়, যুদ্ধের সমস্ত রণাঙ্গনে সংঘাত বন্ধ করতে হবে। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে আঞ্চলিক কূটনৈতিক চাপের মাধ্যমে লেবাননে যুদ্ধস্থগিতের বন্দোবস্ত করা হয়। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক মাধ্যমে জানান, লেবাননসহ সবক্ষেত্রে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। তবে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, ‘লেবাননে যুদ্ধবিরতির বিষয়টি এ চুক্তির অংশ নয়।’

  • ইরানের আশপাশে থাকবে মার্কিন সেনারা: ট্রাম্প

    ইরানের আশপাশে থাকবে মার্কিন সেনারা: ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে, যুদ্ধবিরতির মধ্যে থাকলেও ইরানকে ঘিরে মার্কিন সামরিক শক্তির অবস্থান অব্যাহত থাকবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি তেহরান যুদ্ধবিরতি শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও শক্তিশালী হামলা চালাতে প্রস্তুত। খবর রয়টার্সের।

    বুধবার ট্রাম্পের ভাষানুযায়ী, সমস্ত মার্কিন জাহাজ, বিমান এবং সেনা সদস্যরা যাতে ইরান এবং তার আশপাশের এলাকায় অবস্থান করে থাকেন, যতক্ষণ না চুক্তির সব শর্ত সম্পূর্ণভাবে মানা হচ্ছে। তিনি আরো সতর্ক করে বলেন, যদি তারা চুক্তি মানতে ব্যর্থ হয়, তবে আবারও বৃহৎ ও ভয়াবহ গোলাবর্ষণের হুঁশিয়ারি দেওয়া হবে।

    অন্যদিকে, এরই মধ্যে ইরান জানিয়েছে, লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ আক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্থায়ী শান্তি চুক্তির আলোচনা শুরু করা এখন অযৌক্তিক। ওই হামলায় শত শত মানুষের জীবন হানি হয়েছে।

    ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বড় আকারের মতভিন্নতা দেখা দিয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ প্রক্রিয়া বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। তবে, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুদ্ধবিরতি শর্ত অনুযায়ী ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চালিয়ে যেতে পারবে।

    অতিরিক্ত ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা হিসেবে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে আগামী শুক্রবার পাকিস্তানে এক আলোচনা বৈঠকের স্থিতি নির্ধারিত হয়েছে, যেখানে স্থায়ী শান্তির পথে অগ্রগতিের চেষ্টা করাও হবে।