Blog

  • শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে সিরিজে সমতায় বাংলাদেশ নারী দল

    শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে সিরিজে সমতায় বাংলাদেশ নারী দল

    রাজশাহীতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতায় ফিরেছে সফররত দলটি। প্রথম ম্যাচ জিতে ১-০ এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ নারী দল, কিন্তু নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বে দ্বিতীয় ম্যাচের জয়ের ধারা ধরে রাখতে পারেনি তারা। সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ম্যাচ আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

    শ্রীলঙ্কা নির্ধারিত ১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে স্থির সূচনা পেয়েছিল; ওপেনার হাসিনি পেরেরা মাত্র ৫ রানে ফিরলেও ইমেশা দুলানি দিয়ে ৮ রান আসে। অধিনায়ক চামিরা আতাপাতু আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ৩৯ বলে ৪০ রান করেন, তার ইনিংসটি আটটি চারে সাজানো ছিল।

    চতুর্থ উইকেটে হারশিথা সামারাবিক্রমা ও হানসিমা করুুনারত্নের ৭৭ রানের জুটিই জয় হাতছানি দেয় সফরকারীদের। কেউ জেতা অবস্থায় ছিলেন না—করুনারত্নে ৪০ ও সামারাবিক্রমা ৫০ রানে আউট হন। পরে কৌশানি মাত্র ৪ রানে ফেরেন। শেষ পর্যন্ত কাভিশা ও নীলাক্ষীর জুটি ম্যাচ বাংলাদেশকে দিয়ে ছাড়ে না এবং শ্রীলঙ্কা চার উইকেটের জয় তুলে নেয়।

    বাংলাদেশের পক্ষে বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন নাহিদা আক্তার, তিনি চারটি উইকেট নেন। সুলতানা খাতুন ও রিতুমনি একজন করে উইকেট তুলেন।

    এর আগে ব্যাট করা সিদ্ধান্ত নেয়ায় ম্যাচে আক্রমণ শুরু করেছিল বাংলাদেশের ওপেনিং ব্যাটিং—but তা জমে উঠতে পারেনি। নিগার জ্যোতির টস জয়ের পর দলের টপঅর্ডার ভেঙে পড়ে; মাত্র চার রানে দুই ব্যাটার ফিরে যান—জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ২ রানে ও শারমিন আক্তার শূন্য রানে আউট হন।

    ক্যাপ্টেন নিগার নিজে একপ্রান্ত ধরে রাখতে থাকলেও তিনি পাশে সমর্থন পাচ্ছিলেন না। দীর্ঘ সংগ্রামে জ্যোতি ১০১ বল খেলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন, তার ব্যাটে চারটি চার ছিল। দলীয় সংগ্রহে আরও ছিলেন শারমিন সুলতানা ২৫, সোবহানা মোস্তারি ৫, স্বর্ণা আক্তার ১৬, রিতুমনি ১৭, নাহিদা আক্তার ২০, রাবেয়া খান ১৫, মারুফা আক্তার ১ ও সুলতানা খাতুন ১। বাংলাদেশ ইনিংস থামে ১৬৫ রানে।

    বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আতাপাতুই সবচেয়ে বেশি তিনটি উইকেট নেন, এছাড়া তিনজন বোলার দুটি করে উইকেট নেন।

    সংক্ষেপে, সিরিজ এখন ১-১ সমান। দ্বিতীয় ম্যাচে হতাশা কাটিয়ে তৃতীয় লড়াইয়ে সুযোগ থাকবে প্রতিরক্ষা ও পরিবর্তনের—to দেখতে হবে কোন দল শান্তি বজায় রেখে সিরিজ নিজের করে নেয়।

  • ঘরেই মাথা ঘুরে পড়ে অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কার আকস্মিক মৃত্যু

    ঘরেই মাথা ঘুরে পড়ে অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কার আকস্মিক মৃত্যু

    উত্তরপ্রদেশের পরিচিত মুখ, অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা সিরোহীর জীবন অকালেই থেমে গেল। মঙ্গলবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। বয়স ছিল ৩০ বছর।

    সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক আটটায় হঠাৎ তার মাথা ঘোরা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তিনি মাথা ঘুরে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং মাথায় আঘাত পান। দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    দিব্যাঙ্কা বুলন্দশহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং পরিবারের সঙ্গে গাজিয়াবাদে বসবাস করতেন। বুধবার সকালে গাজিয়াবাদে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রযোজক জিতু, শিল্পী বিকাশসহ হরিয়ানভি চলচ্চিত্র জগতের বহু পরিচিত মুখ এসে তাকে শ্রদ্ধা জানান।

    পড়াশোনায়ও তিনি ছিলেন সংগ্রামী—চৌধুরী চরণ সিংহ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করার পর সিকিমের এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছিলেন। আঞ্চলিক বিনোদন অঙ্গনে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান তৈরি করছিলেন; বিশেষ করে গায়ক মাসুম শর্মার সঙ্গে একাধিক মিউজিক ভিডিওতে কাজ করে তিনি নজর কেড়েছিলেন।

    সামাজিক মাধ্যমেও তার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এক সাক্ষাৎকারে দিব্যাঙ্কা বলেছিলেন, ছোটবেলা থেকেই অভিনয় ও নাচের প্রতি তার গভীর আগ্রহ ছিল, আর নিজের অনন্য অভিব্যক্তি দিয়ে ভাইরাল হওয়াই তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।

    দিব্যাঙ্কার আকস্মিক মৃত্যু regional বিনোদন জগতকে শোকাচ্ছন্ন করেছে। তাঁর অনুরাগী ও সহকর্মীরা শোক প্রকাশ করেছেন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

    সূত্র: বলিউড লাইফ

  • গম পাচার মামলায় ইডির তলবে নায়িকা ও সাবেক সাংসদ নুসরাত জাহান

    গম পাচার মামলায় ইডির তলবে নায়িকা ও সাবেক সাংসদ নুসরাত জাহান

    ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) অভিনেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য নুসরাত জাহানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রেশন দুর্নীতি ও সীমান্ত মাধ্যমে খাদ্যশস্য পাচারের একটি মামলায় তিনি কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে নির্ধারিত দিনে হাজিরা দেওয়ার জন্য ডাকা হয়েছেন।

    তদন্তকারী সূত্র জানায়, করোনা সময় সীমান্তবর্তী অঞ্চলে একাধিক ট্রাক আটক করা হয়েছিল, যেখানে অভিযোগ করা হয় সরকারি রেশনজাতীয় গম ও চাল বেআইনিভাবে বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছিল। সেই সময় নুসরাত বসিরহাট থেকে সাংসদ ছিলেন; তাই তদন্তকারীরা তার ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইছে।

    ইডির তলবটি কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নয়, বরং তদন্তের অংশ হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা নির্দেশনা, বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত নুসরাত জাহানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    এই তলবের পর গম পাচার ও রেশন দুর্নীতির মামলাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে এবং তদন্তের দিকটি এখন নজরকাড়া প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

  • আত্মহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করার আহ্বান

    আত্মহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করার আহ্বান

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত হলো ‘স্বেচ্ছামৃত্যুর পাঠবৃত্ত’ শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বর একাডেমিক ভবনের মাল্টিপারাপাস রুমে এই আলোচনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল জীবনকে উপভোগ্য করার গুরুত্ব তুলে ধরা এবং আত্মহত্যার মতো গভীর ও স্পর্শকাতর বিষয়গুলো সম্পর্কে halka সচেতনতা বাড়ানো। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলা বিভাগের প্রধান ও কলা ও মানবিক বিজ্ঞান কেন্দ্রের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ দুলাল হোসেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম, যিনি প্রধান অতিথি হিসেবে তাঁর ভাষণে বলেন জীবন অনেক সূক্ষ্ম ও মূল্যবান উপহার, তাই এটির সঠিক মূল্যায়ন ও যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান ড. মামুন হুসাইন। তিনি বলেন, বিশ্ববরেণ্য লেখক, কবি ও দার্শনিকরা নিজেরা বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছেন আত্মহত্যা ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে। মানুষের মানসিক সমস্যা গত কয়েক দশকে ব্যাপক হারে বেড়েছে, যা আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ—সবাইকে একসঙ্গে সচেতন ও সহানুভূতিশীল হতে হবে। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন প্রথম বর্ষের ছাত্রীরা অনুসূয়া মন্ডল ও ঋত্তিকা কর্মকার। সভার শেষাতে বিশেষ অতিথিদেরকে সম্মাননা স্মারক ও উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়া হয় এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুলের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষকবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এই সেমিনারটি একান্তই মানবিক ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ, যা ভবিষ্যতে আরও বেশি মানুষের মনোভাব পরিবর্তনে সহায়তা করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করছে সরকার: এমপি লবি

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করছে সরকার: এমপি লবি

    খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী আসগার লবি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো সরকার একে একে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি কার্যকর হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাকি সব প্রতিশ্রুতি ধাপে ধাপে পূরণ হবে। বর্তমান সরকার গ্রাম ও উপজেলা পর্যায়ে উন্নয়নের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। এই বক্তব্য তিনি বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় ফুলতলা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া আর্থিক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানেই বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুচি রানী সাহা। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক শেখ আবুল বাশার, যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ সেলিম সরদার, আহসানুল হক লড্ডন, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ইয়াছিন আরাফাত, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ ওবায়েদুর রহমান হাওলাদার, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রীনা মজুমদার, বীজ কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ জাকির হোসেন, আইসিটি কর্মকর্তা অজয় কুমার পাল, বিএনপি নেতা আলমগীর মোল্যা, জুবায়দা রহমান শুরভী ও সাংবাদিক শেখ মনিরুজ্জামান প্রমুখ। এ সময় প্রধান অতিথি ২৮০ জন অসহায় এবং দুস্থ ব্যক্তির মাঝে নগদ এক হাজার টাকা করে বিতরণ করেন।

  • প্রতিদিন শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে

    প্রতিদিন শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে

    জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এবারের পুষ্টি সপ্তাহের প্রতিপাদ্য ছিল ‘পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ, গড়বো স্বনির্ভর বাংলাদেশ’।

    প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি বলেন, আমাদের সকলের উচিত প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় শাকসবজি ও ফলমূল অন্তর্ভুক্ত করা। পাশাপাশি প্যাকেটজাত ও অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিহার করতে হবে। খাদ্য উৎপাদন, পরিবহন, সংরক্ষণ ও রান্নার全过程েই পুষ্টিগুণ বজায় রাখতে হবে। পুষ্টিকর খাবার মানুষকে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক, তাই সবাইকে পুষ্টি সমৃদ্ধ ও নিরাপদ খাবার খাওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

    খুলনা সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোঃ মিজানুর রহমানসহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সিভিল সার্জন দপ্তরের সিনিয়র স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠান শেষে, কেসিসি প্রশাসকের নেতৃত্বে শহীদ হাদিস পার্ক থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। এই শোভাযাত্রা বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে খুলনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। বিভিন্ন পেশার মানুষ এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন, যা জনসচেতনা সৃষ্টির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

  • যশোরে ভয়াবহ লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ অফিসের ঘেরাও

    যশোরে ভয়াবহ লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ অফিসের ঘেরাও

    যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভার কাটাখাল এলাকার বিদ্যুৎ সংকট চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিনের আলো থেকে মাত্র দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, যা মানুষের জীবনযাত্রা খুবই ব্যাহত করে তুলেছে। এসব সমস্যার বিরুদ্ধে মঙ্গলবারের মধ্যে অবিলম্বে শান্তিপূর্ণ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং পৌরসভার লাইনের সঙ্গে সংযোগের দাবি জানিয়ে ঝিকরগাছা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে বিক্ষোভ করে এলাকাবাসী। শতাধিক নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে এই প্রতিবাদ হয়, যেখানে তারা নানা স্লোগান দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ, যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকাবাসীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ফিডার পরিবর্তনের পর থেকেই ভুগতে হচ্ছে। ফেজের সমস্যা থাকায় হালকা বাতাস বা ঝড়-ঝাপে বিদ্যুৎ চলে যায়, এবং নতুন করে আর ফিরে আসে না। দ্রুত ফিডার বা ফেজ পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে তারা অভিযোগ করেন, তিন-চার বছর ধরে এই সমস্যা চলছে। কাটাখাল কলোনির বাসিন্দা মোঃ জালাল হোসেন বলেন, ‘২৪ ঘণ্টায় মাত্র দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাই, কখন আসে, কখন যায় ঠিক নেই। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েছে প্রতিবাদে নামতে।’ তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে বিদ্যুৎ গেলে সকাল ১১টার মধ্যে বিদ্যুৎ এসেছিল মাত্র দুই মিনিট, এরপর আবার দুপুর ২টার দিকে আসে, তারপর আবার চলে যায়। রাতের সময়ও এই অবস্থা চলমান। এসএসসি পরীক্ষার্থিনী সোহানা খাতুন বলেন, ‘বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনায় খুব বিপর্যয় হচ্ছে, এর ফলে ফলাফলেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’ স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গাছের পাতা নড়লেই বিদ্যুৎ চলে যায়, যা তারা অবহেলা হিসাবে দেখছেন। ঝিকরগাছা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম বলেন, এই এলাকার বিদ্যুৎ সমস্যা দীর্ঘদিনের। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বহুবার যোগাযোগ করেও সমাধানসূত্র বের হয়নি। ঝিকরগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। এলাকাবাসী বিদ্যুৎ সমস্যায় ক্ষুব্ধ থাকায় পরিস্থিতি বুঝে আলোচনা করি ও পরিস্থিতি শান্ত করি। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ তুলে নেন।’ যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ঝিকরগাছা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার গোলাম কাদির জানান, ‘সমস্যাটি মূলত টেকনিক্যাল। দ্রুত একটি টেকনিশিয়ান টিম পাঠানো হবে ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে সার্বিক বিদ্যুৎ সংকট কিছুটা বেড়ে গেছে, সবাইকে ধৈর্য্য ধরে থাকতে হবে।’

  • শৈলকুপায় বিএনপি“两পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০

    শৈলকুপায় বিএনপি“两পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০

    ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’দলের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে একজন নিহত এবং কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার সকালে সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে। সংঘর্ষের সময় দেশীয় ভেরোয় আঘাতে গুরুতর আহত হন মহন শেখ নামে এক ব্যক্তি, যিনি পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান। আহতদের মধ্যে আরও অনেকেই রয়েছে, যারা শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। দ্রুত স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও এর প্রভাব পুরো গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে।

    জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মনোহরপুর ইউনিয়নের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তরিকুল ইসলাম সাদাত ও জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আবু জাহিদ চৌধুরীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধের জের ধরে, ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি ইউপি সদস্য সের আলী এবং সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান দুলাল একে অন্যের বিরোধী শক্তি গড়ে তুলতে দেশীয় অস্ত্রের মহড়া চালিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে বুধবার রাতে সাদাতের সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে, যখন তারা লক্ষিপুর গ্রামে এক সামাজিক সভা শেষে বাড়ি ফিরছিল। হামলার পর, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে, সের আলী ও তার অনুসারীরা মহন শেখের বাড়িতে হামলা চালায়। ঘটনাটি দ্রুত জানাজানি হলে, পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়, এবং দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। আহত হন মহন শেখসহ আরও ৩০ জন, যাদের মধ্যে মহন শেখ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু ঘটে।

    অন্য আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তাদের মধ্যে বরিশাল, বাগেরহাট, কুষ্টিয়া, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা আহতরা রয়েছেন। এ ঘটনায় জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবু জাহিদ চৌধুরী অভিযোগ করেন, এটি পলাতক পরিকল্পিত হামলা এবং গত রাতে সাদাতের সমর্থকরা লিটন নামের একজনকে হামলার লক্ষ্য করে। তিনি বলেন, প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, যে কারণে বৃহস্পতিবার সকালে পুনরায় এই সংঘর্ষ ঘটে।

    উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা অস্বীকার করে বলেন, এই সংঘর্ষের সঙ্গে যুবদলের সরাসরি কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। অন্যদিকে, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রবিউল ইসলাম বললেন, এটি একটি সমাজিক সহিংসতা, যার সঙ্গে যুবদলের কেউ জড়িত নয়।

    নিহত মহন শেখের ছোট ভাই আফসার উদ্দিন শেখ বলেন, তাঁর ভাই সকালে দোকানে চা পান করতে যাচ্ছিল, তখনই সের আলীর সমর্থকদের হামলার শিকার হন। গতিপ্রকৃত এই ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

    শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ন কবির মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সামাজিক আধিপত্যের জের ধরে এই সংঘর্ষে একজন মারা গেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখছে এবং হামলাকারীদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।

  • এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে দেশে প্রবাসী বাংলাদেশীরা বৈধ পথে মোট ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এ পরিমাণ অর্থের বাংলাদেশি মুদ্রায় মূল্য প্রায় ২২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা, যেখানে প্রতি ডলার মূল্য ধরা হয়েছে ১২৩ টাকা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৬.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এবং মুখপাত্র আফর Ö˙ হোসেন খান এই তথ্য জানিয়েছেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুসারে, চলতি অর্থ বছরের জুলাই থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ২৮১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে, যা前年ের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এর আগে একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ২৩৪৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এর ফলে এই সময়ের রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ২০.২ শতাংশ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেওয়া উদ্যোগ, বিভিন্ন প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নত ব্যবস্থাপনা রেমিট্যান্স আয়ের বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থ বছরের মাসভিত্তিক প্রবাসী আয়ের সর্বশেষ তথ্যগুলো হলো: জুলাইয়ে ২৪৭.৭৮ কোটি ডলার, আগস্টে ২৪২.১৮ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বর ২৬৮.৫৫ কোটি ডলার, অক্টোবর ২৫৬.২৪ কোটি ডলার, নভেম্বর ২৮৮.৯৭ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে ৩২২.৩৬ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭.১৬ কোটি ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ডলার এবং মার্চে ৩৭৫.৫০ কোটি ডলার। এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতির জন্য এক আশা জাগানো প্রবৃদ্ধির সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

  • ১৮ দিনের মধ্যে রেমিট্যান্স ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার

    ১৮ দিনের মধ্যে রেমিট্যান্স ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৯ দিনেই বাংলাদেশের বাইরে থেকে প্রেরিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ পৌঁছেছে ২.১৩ বিলিয়ন বা ২১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। এর ফলে দৈনিক গড় প্রবাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি ১৯ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, একই সময় গত বছর দেশে এসেছে ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যা বছরান্তরভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহের বৃদ্ধি নির্দেশ করে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অর্থপূর্ণ এই অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।

    বিশেষ করে, মার্চ মাসে রেকর্ড সংখ্যক ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে, যা ইতিহাসে একক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এছাড়া ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠানো হয়েছে। ডিসেম্বরে এসেছে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ এবং সেপ্টেম্বরের সময়ে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স জমা পড়েছে।

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনা বৈদেশিক মুদ্রা বাজারেও প্রভাব ফেলেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় মুদ্রার বিপরীতে এর বিনিময় হার বেড়ে গেছে, যার ফলে প্রবাসীরা দেশে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে তুলনামূলক বেশি টাকা পান।

    অর্থনীতিবিদরা বিষয়ে বলছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট দীর্ঘায়িত হয়, তবে এর প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর পড়তে পারে। তারা সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থানে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।