Blog

  • খুলনায় অভিভাবকহীন ছাত্রদল: সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থবির, পদপ্রত্যাশীরা লবিংয়ে

    খুলনায় অভিভাবকহীন ছাত্রদল: সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থবির, পদপ্রত্যাশীরা লবিংয়ে

    খুলনায় দীর্ঘদিন ধরে কোনো শক্তিশালী শীর্ষ নেতৃত্ব না থাকায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কার্যক্রম স্তিমিত হয়ে পড়েছে। মহানগর ও জেলা পর্যায়ের পুরনো কমিটি বিলুপ্ত হওয়ায় দলের স্থানীয় শাখাগুলোতে কার্যত ‘অভিভাবকহীন’ পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যেই নতুন কমিটি গঠনের জন্য বিভিন্ন নেতার মধ্যে তৎপরতা ও লবিং বাড়ছে।

    দলীয় সূত্র অনুযায়ী, খুলনা মহানগর ছাত্রদলের বর্তমান দাব্দা কমিটি ২০২১ সালের ২৪ মার্চ গঠন করা হয়েছিল। তখন ইশতিয়াক আহমেদ ইস্তিকে আহবায়ক এবং তাজিম বিশ্বাসকে সদস্যসচিব করা হয়েছিল। ওই কমিটি মহানগরের ৩১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টিতে, ১৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ৫টি থানায় ইউনিট কমিটি গঠন করে সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তিন বছর পর, ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর মহানগর কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

    জেলা ছাত্রদলের পরিস্থিতি আরও দীর্ঘস্থায়ী। ২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর মান্নান মিস্ত্রিকে সভাপতি ও গোলাম মোস্তফা তুহিনকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত জেলা কমিটি আট বছর দায়িত্ব পালন করেছে। সেই সময় তারা জেলার ৩১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ৯টি থানায় ইউনিট কমিটি গঠন করেছিল। মহানগরের মতোই ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর এই জেলা কমিটিও বিলুপ্ত করা হয়।

    কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তিত পরিপ্রেক্ষিতে মহানগর ও জেলা কমিটিগুলোকে মেয়াদোত্তীর্ণ ঘোষণা করে বিলুপ্ত করেছে বলে জানানো হয়। কেন্দ্রীয় নেতারা প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানালেও, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই জাতীয় নির্বাচনের আগে নতুন কমিটি করা সম্ভব হয়নি। ফলে মাঠে কিছু ইউনিট কমিটি কার্যকর থাকলেও শীর্ষ নেতৃত্ব না থাকায় খুলনায় organisational শৃঙ্খলা ও কার্যক্রমে বড় ধরনের خلل দেখা দিয়েছে।

    একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, নতুন কমিটি গঠনের জন্য ব্যাপক যাচাই-বাছাই ও তদারকি চলছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল নিজে এই প্রক্রিয়া তদারকি করছেন বলে সূত্ররা জানায়।

    মহানগর ছাত্রদলের শীর্ষ পদ নিয়ে বিভিন্ন নাম আলোচনা কেন্দ্রstage; উল্লেখযোগ্য পদপ্রত্যাশীর মধ্যে আছেন সাবেক সদস্যসচিব তাজিম বিশ্বাস, আরিফুল ইসলাম আরিফ, হেদায়েত উল্লাহ দিপু, মোঃ শাকিল আহমেদ, মাজহারুল ইসলাম রাসেল, আব্দুল হক শাহিন, হাসান ফকির, সৈয়দ ইমরান, নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া, রাজু আহমেদ, আব্দুস সালাম, রাশিউর রহমান রুবেল, রাজিবুল ইসলাম বাপ্পি, নাজমুল ইসলাম ও মুশফিকুর রহমান অভি।

    জেলা ছাত্রদলের নেতৃত্বে সাড়া জাগানো প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন গাজী শহিদুল, মাসুম বিল্লাহ, মশিউর রহমান শফিক, ফিরোজ আহমেদ আদল, অনিক আহমেদ, ইয়ামিন ইসলাম, ইসমাইল হোসেন খান, আবু জাফর ও ইমতিয়াজ সুজন।

    জেলা ছাত্রদলের সাবেক নেতা অনিক আহমেদ বলেন, ‘‘মামলার বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করে এবং ত্যাগ-কৃত নেতাদের গুরুত্ব দিয়ে কমিটি করা হলে সত্যিকার সৎ ও নিষ্ঠাবান নেতারা নেতৃত্বে আসবে।’’ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব তাজিম বিশ্বাস বলেন, ‘‘ছাত্রদল বিএনপির সহযোগী সংগঠন হলেও এটি দলের প্রাণ। ছাত্রদলের মাধ্যমে নতুন কর্মীরা দলের সঙ্গে যুক্ত হয়; দেশের বর্তমান সংসদের অনেক মন্ত্রী-এমপি একজন সময়ের ছাত্রনেতা ছিলেন। দলকে গতিশীল রাখতে দ্রুত নতুন কমিটি প্রয়োজন।’’

    এ সময় দলীয় কর্মীরা বলছেন, নতুন কমিটি ঘোষণা হলে খুলনার স্থানীয় সংগঠনগুলোতে কার্যক্রম পুনরায় ঝোঁক ফিরে আসবে এবং যুব নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আস্থা দীর্ঘমেয়াদে ফিরে পাওয়া সম্ভব হবে। তবে নতুন নেতৃত্ব ঘোষণায় কেন্দ্রীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ন্ত্রণ ও তদারকির ওপর নির্ভর করবে বলে অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো মন্তব্য করেছে।

  • এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স ৩১২ কোটি ৭০ লাখ ডলার

    এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স ৩১২ কোটি ৭০ লাখ ডলার

    সদ্য বিদায়ী এপ্রিল মাসে দেশে এসেছে ৩১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রোববার এই তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, এপ্রিলে দেশে গড় প্রতিদিন রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১০ কোটি ৪২ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স ছিল ২৭৫ কোটি ২০ লাখ ডলার, তাই বছর হিসেবে এপ্রিলে প্রবাহ বেড়েছে।

    চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৯৩৩ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বছরের তুলনায় ১৯.৫০ শতাংশ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

    এর আগে মার্চ মাসে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স, যা কোনো এক মাসে পাওয়া সর্বোচ্চ রেকর্ড।

    ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।

    অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে যথাক্রমে এসেছে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার; আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে এসেছে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

    একই সঙ্গে জানা গেছে, গণ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পরিমাণ।

  • এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো

    এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো

    চলতি এপ্রিলে প্রথম ২৯ দিনে প্রবাসীরা দেশে মোট ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা প্রায় ৩.০০২ বিলিয়ন ডলার। এ হিসেবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ১০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। ব্যাংক ও আর্থিক খাত থেকে প্রাপ্ত এই তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, এ মাসের মধ্যে শুধু ২৯ এপ্রিলেই দেশে এসেছে প্রায় ৯৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। গত বছরের একই সময় (এপরিলে) দেশে রেমিট্যান্স আসেছিল ২৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার, তাই চলতি বছরের এপ্রিলে পাঠানো অর্থ আগের বছরের তুলনায় বেশ বাড়তি।

    এর আগে মার্চে এক মাসে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসে থাকে — ওই মাসের ৩১ দিনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন মোট ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা প্রায় ৩.৭৫৫ বিলিয়ন ডলারের সমতুল্য। চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসেও রেমিট্যান্স তিন বিলিয়ন ডলারের ঘরের ওপরে ছিল; জানুয়ারিতে পাঠানো অর্থ ছিল ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং ফেব্রুয়ারি ছিল ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

    অর্থনীতির জন্য রেমিট্যান্স একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকা শক্তি। চলতি বছরের শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে উচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার উৎসকে শক্ত রেখেছে, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেই বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

  • ৩০ দিনের মধ্যে সব বিবাদ সমাধান চায় ইরান, দিলো ১৪ দফার শান্তি প্রস্তাব

    ৩০ দিনের মধ্যে সব বিবাদ সমাধান চায় ইরান, দিলো ১৪ দফার শান্তি প্রস্তাব

    ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত স্থায়ীভাবে শেষ করতে ১৪ দফার একটি নতুন শান্তি প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাবে সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বদলে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সব অমীমাংসিত ইস্যু নিষ্পত্তির দাবি জানানো হয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    তেহরানের নিরাপত্তা বাহিনীর ঘনিষ্ঠ সূত্র হিসেবে পরিচিত সংবাদমাধ্যম নূর নিউজ জানায়, প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে সব ধরনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, নৌ-অবরোধের সমাপ্তি এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের দাবি। এছাড়াও লেবাননে ইসরাইলি অভিযানসহ এই অঞ্চলের সব ধরনের শত্রুতা বন্ধের শর্তও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    ইরানের ১৪ দফা প্রস্তাবটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের দফায়-দফায় উপস্থাপিত ৯ দফার পরিকল্পনার জবাব হিসেবে পাঠানো হয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরান এখন দ্রুত ও সমাধানমুখী সমঝোতার ওপর জোর দিচ্ছে — সময়সীমা নির্ধারণ করে তিন-চতুর্থাংশ ইস্যু দ্রুত নিরসনের দরকার আছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    গত সপ্তাহে ইরানের আগে করা একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারপরও দুই পক্ষের মধ্যে পর্দার আড়ালে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং তিন সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিটি এখনও কার্যকর রয়েছে, বলে জানানো হয়েছে।

    এদিকে আজ (রোববার, ৩ মে) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ও ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদির মধ্যে এ নিয়ে ফোনালাপ হয়েছে। ওমান দীর্ঘদিন ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটন—দুইপক্ষকেই সংযোগকারী মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় রয়েছে; এবারও শান্তি প্রক্রিয়ায় ওমানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকার সম্ভাবনা প্রকাশ্যে এসেছে।

    এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে তা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে, কিন্তু দুইপক্ষের সম্মতি ছাড়া এর সার্বিক ফলাফল নিশ্চিত করতে হবে কঠিন। আন্তর্জাতিক মহল ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলো এখন তেহরানের ১৪ দফার প্রস্তাবের ওপর চোখ রাখছে।

  • মমতা: ‘সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করুন—জয় হবে আমাদেরই’

    মমতা: ‘সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করুন—জয় হবে আমাদেরই’

    তৃণমূলের নেতাকর্মী, প্রার্থী ও কাউন্টিং এজেন্টদের ধৈর্য ধরে গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউন্টিং সেন্টার ছাড়তে না বললেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে দেয়া ভিডিও বার্তায় তিনি দলের সবাইকে অনুরোধ করে বললেন, “সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, গণনা অনেক বাকি এখনও, জয় হবে আমাদেরই।”

    প্রাথমিক গণনায় সকাল থেকে মধ্যাহ্ণ পর্যন্ত যে প্রবণতা দেখা গেছে, তাতে বিজেপি ১৮৩টি আসনে এগিয়ে আছে, আর তৃণমূল ১০২টি আসনে। এমন পরিস্থিতিতে মমতা নেতাদের বললেন যেন কেউ হতাশ না হন বা কাউন্টিং কেন্দ্র ত্যাগ না করেন। তিনি আশ্বাস দিলেন, শুরুতে বিজেপি এগিয়ে থাকার ঘটনা আশা করা যাচ্ছিলো—শেষ রাউন্ডে পরিস্থিতি বদলাতে পারে।

    ভিডিওবার্তায় মমতা অভিযোগ করেন যে অনেক জায়গায় গণনা থামিয়ে রাখা হয়েছে এবং ফল পরবর্তী সময়ে দেখানো হচ্ছে। তিনি বলেন, “কল্যাণীতে এমন সাতটি মেশিন ধরা পড়েছে, যেখানে কোনো মিলই নেই।” এছাড়া তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন কমিশন নিয়ে কড়া অভিযোগ করেন—বলেন, কমিশন ইচ্ছেমতো কাজ করছে এবং কেন্দ্রের শক্তি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কাজ করছে; স্থানীয় পুলিশেরও সেই প্রভাব পড়ছে। (এগুলো তার অভিযোগ হিসেবে জানানো হয়েছে।)

    তবে তৃণমূলনেত্রীর প্রধান বার্তাটি ছিল মনোবল বজায় রাখা। মমতা বলেন, “দয়া করে কোনও প্রার্থী এবং কাউন্টিং এজেন্ট গণনাকেন্দ্র ছেড়ে আসবেন না। এটা বিজেপির পরিকল্পনা।” তিনি আরও বলেন, এখন মাত্র তিন-চার রাউন্ড গণনা শেষ হয়েছে; সাধারণত ১৮-১৯ রাউন্ড পর্যন্ত গণনা হয়—শেষ রাউন্ডগুলিতেই ফল আমাদের অনুকূলে আসবে। “ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ, আপনারা সবাই জিতবেন। আমরা আপনাদের সঙ্গে রয়েছি।”

    বার্তাটির শেষে মমতা কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহ দিয়ে বললেন, “নিশ্চিন্তে থাকুন। আমরা বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করে যাব।”

  • এপ্রিলে রামপালে রেকর্ড বিদ্যুৎ উৎপাদন

    এপ্রিলে রামপালে রেকর্ড বিদ্যুৎ উৎপাদন

    চলতি বছরের এপ্রিল মাসে রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়েছে। রোববার কেন্দ্রটির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাসজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ ও আকাশছোঁয়া চাহিদার মধ্যেও কেন্দ্রটি ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তাপদহের কারণে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের চাহিদা প্রচণ্ডভাবে বেড়ে যাওয়ার পরও রামপাল কেন্দ্র মাসভর স্থিতিশীল সরবরাহ বজায় রাখতে সফল হয়েছে। এই সময়ে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর কেন্দ্রটির অবদান ছিল ৯ শতাংশেরও বেশি, যা জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার দৃঢ় রক্ষক হিসেবে কেন্দ্রটির ভূমিকা প্রমাণ করে।

    অপর দিকে, কেন্দ্রটি এপ্রিল মাসে গড়ে ৮০% প্ল্যান্ট লোড ফ্যাক্টর (PLF) ক্ষমতায় পরিচালিত হয়েছে। মাসের প্রথম সপ্তাহে যখন তাপপ্রবাহে গ্রিডের চাহিদা চরমে পৌঁছায়, তখন কেন্দ্রটি ৯৭% সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করে গ্রিডকে স্থিতিশীল রাখতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। এ ছাড়া এটি পঞ্চমবারের মতো ৭০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি উৎপাদনের মাইলফলক ছাড়িয়েছে—একটি অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্ষমতার ফল।

    বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্রী রমনাথ পূজারী বলেন, “দেশে সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালিত হয়েছে; এটি আমাদের টিমের নিরলস প্রচেষ্টারই ফল। এই সাফল্য কঠোর পরিশ্রম এবং দুই দেশের আন্তরিক সহযোগিতার উদাহরণ।”

  • গোপালগঞ্জে বাসচাপায় ভ্যানচালক নিহত, ইজিবাইকে ৭ জন আহত

    গোপালগঞ্জে বাসচাপায় ভ্যানচালক নিহত, ইজিবাইকে ৭ জন আহত

    গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের চাপায় ভ্যানচালক ঝন্টু মোল্যা (৪৫) নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আরও সাত জন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে আজ সোমবার (০৪ মে) সকাল—ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ওই স্থানে।

    ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকনউজ্জামান ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঢাকা থেকে খুলনাগামী ফাল্গুনী পরিবহনের একটি বাস গোপীনাথপুরে পৌঁছালে একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও একটি ভ্যানকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ভ্যানচালক ঝন্টু মোল্যা নিহত হন এবং ইজিবাইকে থাকা সাতজন যাত্রী আহত হন।

    নিহত ঝন্টু মোল্যা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের আখুব্বর মোল্যার ছেলে।

    স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর ঘাতক বাসটি আটক করা হয়েছে।

  • বিসিবির ওয়াশরুমে দুর্নীতি দেখে ক্ষুব্ধ তামিম ইকবাল

    বিসিবির ওয়াশরুমে দুর্নীতি দেখে ক্ষুব্ধ তামিম ইকবাল

    বিসিবি অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল বলেছেন, স্টেডিয়ামের ওয়াশরুম পরিষ্কারের কাজে নিয়োজিত নারীদের পারিশ্রমিক নিয়ে অনিয়ম দেখে তিনি ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ। বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ চলাকালে মিরপুর শের-ও-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গ্যালারি ও ওয়াশরুম সরেজমিনে পরিদর্শন করতে গিয়ে এই অনিয়মের তথ্য তিনি পান।

    তামিম জানান, ক্লিনিং সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বোঝা যাচ্ছিল যে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জনপ্রতি ৬৫০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু খালার মুখে শুনে তিনি অবাক হন যে বাস্তবে অনেকেই প্রতিদিন মাত্র ৩০০ কিংবা ৪০০ টাকাই পান। এমন অনিয়ম দেখে তাঁর কাছে এটা একেবারে জঘন্য মর্মে প্রতীয়মান হয়েছে।

    তিনি বলেন, ২০০৭ সালে মিরপুর স্টেডিয়াম তৈরি হওয়ার পর থেকে টয়লেট ও বাথরুম নিয়ে কোনো সংস্কার করা হয়নি—অন্তত পর্যাপ্ত কাজ হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ম্যাচ, বিপিএল ও ডিপিএলসহ অসংখ্য খেলাধুলার আয়োজনে এসব বাথরুম ব্যবহার হয়েছে, কিন্তু পরিষ্কার-পরিচ্ছ্যার কাজে নিযুক্ত নারীদের ঠিকমতো ক্ষতিপূরণ না দেয়া এবং তাদের কাছ থেকে টাকা কেটে নেওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়।

    ইভেন্টের একদিন সকালে ফিনল্যান্ড থেকে আসা এক বিদেশি নারী স্টেডিয়ামের ওয়াশরুম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলে তামিম আরও বিব্রত হন। তিনি বলেন, ওই নারী সরাসরি মাঠে এসে সর্দার কণ্ঠে বলেছিলেন, ‘ভাইয়া, যদি একটু ওয়াশরুমগুলো ঠিক করা যায়’—এমন অভিযোগ শুনে বিষয়টির গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়।

    তামিম অভিযোগ করেছেন, তিনি সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কাছে স্পষ্টতা চান। তিনি বলেছেন যে তিনি ওই কোম্পানিকে বলেছেন, সারি-ভিত্তিক বিল জমা দিন এবং আমার সামনে ৩০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে এনে প্রত্যেককে ৫০০ টাকা করে দিতে হবে। কোম্পানিকে ১০০–১৫০ টাকার লাভ রাখার অনুমতি থাকলেও সরাসরি কর্মীদের সাথে প্রতিশ্রুতির লেনদেন লুকিয়ে রাখা যাবে না।

    তামিম স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি পারিশ্রমিকের সত্যতা না দেখানো হয় এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ন্যায্য অর্থ না দেওয়া হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সঙ্গে বিসিবির চুক্তি বাতিল করে তাকে ব্ল্যাকলিস্ট করা হবে যাতে ভবিষ্যতে তারা বিসিবিতে আর কোনও কাজ করতে না পারে।

    সংক্ষেপে তামিমের দাবি—স্টেডিয়ামের পরিষ্কার-পরিচ্ছ্যা ও কর্মীদের মানবিক অধিকার বজায় রাখা অত্যাবশ্যক। যারা মাঠে কাজ করেন তাদের সম্মান ও ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত না করলে কোনো প্রতিষ্ঠানই প্রকাশ্যে দায়িত্বে থাকতে পারবে না।

  • তানিয়া বৃষ্টি আবার অসুস্থ; দ্রুত সেরে ওঠার জন্য দোয়া চাইলেন অভিনেত্রী

    তানিয়া বৃষ্টি আবার অসুস্থ; দ্রুত সেরে ওঠার জন্য দোয়া চাইলেন অভিনেত্রী

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। শনিবার (২ মে) সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে তিনি দ্রুত সুস্থতার জন্য ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন, যা নিয়েই অনুরাগীদের মধ্যে সচল উদ্বেগ রয়েছে।

    তানিয়া দীর্ঘদিন ধরেই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ছিলেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে গুরুতর অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করছেন তিনি; অল্প সময়ের মধ্যে মস্তিষ্কের টিউমারের জন্য দুইবার অস্ত্রোপচারও করা হয়েছে। এ কারণে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে ভক্ত-সমর্থকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও চিন্তা দেখা দিয়েছে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া পোস্টে তানিয়া লিখেছেন, “আসসালামু আলাইকুম। আমাদের সবার প্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি আপু শারীরিকভাবে কিছুটা অসুস্থতার মধ্যে আছেন। তবে চিন্তার তেমন কিছু নেই, তিনি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামে আছেন।” পাশাপাশি তিনি ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চেয়ে অনুরোধ করেন, যেন দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে আবার কর্মস্থলে ফিরতে পারেন।

    তানিয়ার ব্রেইন টিউমার চলতি বছর ধরেই ধরা পড়ে। প্রথমবারের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি, ঢাকার বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে। পরবর্তীতে কিছু শারীরিক জটিলতার কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতের চেন্নাইতে নেওয়া হয়, সেখানে দ্বিতীয় দফায় করা অস্ত্রোপচারও সফল হয়েছে।

    শোবিজে তানিয়ার যাত্রা শুরু হয় ২০১২ সালে একটি সুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। এরপর তিনি টেলিভিশন নাটকে নিয়মিত অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করেন। বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে ২০১৫ সালের ‘ঘাসফুল’ সিনেমার মাধ্যমে। যদিও তিনি কয়েকটি সিনেমায় কাজ করেছেন, তবুও টেলেনাটকের মাধ্যমে তিনি বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। ২০১৯ সালে মুক্তি পায় তার অভিনীত ‘গোয়েন্দাগিরি’—এটাই এখন পর্যন্ত তার সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি। দীর্ঘ বিরতির পর রায়হান খানের ‘ট্রাইব্যুনাল’ ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় ফেরা কথা ছিল।

    ভক্ত ও সহকর্মীরা বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তানিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন। আমরা আশা করি চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে বিশ্রাম নিলে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আবার দর্শকদের মধ্যে ফিরে আসবেন। সকলের জন্য শুভাকাঙ্ক্ষা ও প্রার্থনা থাকল।

  • কানাডায় ফের কপিল শর্মার ক্যাফে লক্ষ্য: গুলি ও প্রাণহানির হুমকি

    কানাডায় ফের কপিল শর্মার ক্যাফে লক্ষ্য: গুলি ও প্রাণহানির হুমকি

    কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সারে শহরে ফের কপিল শর্মার কাছাকাছি থাকা একটি ক্যাফেতে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, যার পর সামাজিক মাধ্যমে কপিল শর্মা ও তার ক্যাফে মালিককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। দাবিটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে পাওয়া গেলেও হামলার দায় স্বীকারের সম্পর্কিত পোস্টের আইনিভাবে সত্যতা এখনো যাচাই হয়নি।

    ঘটনাটি ঘটে সারে শহরের ‘চাই সুট্টা বার’ নামক ক্যাফেতে, যা কপিল শর্মার মালিকানাধীন ‘ক্যাপস ক্যাফে’র 바로 পাশেই অবস্থিত। সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘টাইসন বিষ্ণোই জোরা সিন্ধু’ নামে প্রকাশিত এক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে হামলার দায় স্বীকার করা হয়েছে এবং কপিল শর্মার রেস্তোরাঁকে একই পরিণতির হুমকি দেওয়া হয়েছে—তবে সরাসরি বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততা আইনগতভাবে প্রমাণিত হয়নি।

    কৌশলে করা এই হুমকি এবং নতুন গুলিবর্ষণের খবরটি ওই এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। কপিল শর্মার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি এর আগেও লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল—২০২৪ সালের আগস্টে উদ্বোধনের কয়েকদিন পর খলিস্তানি সমর্থকদের হামলার খবর প্রকাশ পায়, এবং ২০২৫ সালের জুলাই, আগস্ট ও অক্টোবর মাসে ধারাবাহিকভাবে তিনবার গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটায় যা তখনেও বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম জড়িয়ে আসে।

    এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর প্রতিক্রিয়া ও আনুষ্ঠানিক তদন্তের তথ্য অনুসরণ করা হচ্ছে। ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও আইনসম্মত তদন্ত ছাড়া সামাজিক উদ্বেগ কমবে না বলে স্থানীয় বিশ্লেষকরা মনে করছেন।