Blog

  • নতুন প্রজন্মের মধ্যে রবীন্দ্রপ্রেম ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে হবে

    নতুন প্রজন্মের মধ্যে রবীন্দ্রপ্রেম ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে হবে

    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের জন্য এক অসংখ্য অনুপ্রেরণার উৎস। রবীন্দ্রনাথের ছাড়া বাঙালি জাতিসত্তা, বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি পূর্ণাঙ্গভাবে কল্পনা করা সম্ভব নয়। তিনি শুধু বাংলার সম্পদই নন, বরং সাহিত্যপ্রেমী হৃদয়ে আজও অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছেন। তার কালজয়ী সাহিত্যকর্ম যুগে যুগে মানুষের জীবনবোধ, মানবতা ও সৌন্দর্যচেতনা জাগিয়ে তুলছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে রবীন্দ্রপ্রেম ও সংস্কৃতিচর্চা ছড়িয়ে দিলে তরুণরা মাদক থেকে দূরে থাকবে, পাশাপাশি খেলাধুলা ও সৃষ্টি কর্মকাণ্ডে আরও মনোযোগী হবে।

    শুক্রবার বিকেলে খুলনা ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণডিহি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি। এই অনুষ্ঠানটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও খুলনা জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল্লাহ হারুন, রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মুঃ বিল্লাল হোসেন খান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ‘শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন শিক্ষাবিদ ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুচি রানী সাহা। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন খুলনা জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার আসাদুজ্জামান আরিফ ও রহমতুল্লাহ। এর আগে, প্রধান অতিথি বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেন লোকজ মেলার। অনুষ্ঠানের শেষে বিভিন্ন শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া হয়।

  • আইনমন্ত্রী: বিচার বিভাগে সরকারের হস্তক্ষেপের কোনও সুযোগ নেই

    আইনমন্ত্রী: বিচার বিভাগে সরকারের হস্তক্ষেপের কোনও সুযোগ নেই

    বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ, বদলি বা পদায়নে সরকারের হস্তক্ষেপের কোনও সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট করেছেন আইনমন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীন ও প্রভাবমুক্ত বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। শনিবার সকালে খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে নবীন আইজীবীদের সংবর্ধনা ও বরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার দেশের জন্য যে পরিস্থিতি সৃষ্টি করে গিয়েছিল, সেই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বহু মানুষকে আহত, প্রাণ হারাতে বা কারাভোগ করতে হয়েছে। সেই অন্ধকার সময়ের পর এখন আমরা একটি স্বাধীন, স্বচ্ছ ও স্বপ্রতিষ্ঠিত বিচার ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালাচ্ছি।’

    জুলাই সনদের বাস্তবায়ন বিষয়েও মন্তব্য করেন তিনি, বললেন, ‘প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার একযোগে কাজ করছে। তবে দেশের স্বার্থে বিএনপি কিছু ক্ষেত্রে নোট অব ডিসেন্ট প্রদান করেছে।’

    নবীন আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘প্রভাবমুক্ত বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হলে দেশেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে। গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মানবাধিকারের উন্নয়নে বিচার বিভাগকে আরও মর্যাদাপূর্ণ, তীর্থস্থানের মতো একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।’

    এ জন্য আইনজীবীদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনে গুরুত্ব দিতে আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘আইনজীবীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে ব্রিটিশ এক সংস্থার সহযোগিতায় দেশের সব জেলা বারেই শিগগিরই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। একজন ভালো ও দক্ষ বিচারক গড়ে তোলার জন্য আগে দরকার একজন বিজ্ঞ ও পারদর্শী আইনজীবী।’

    অনুষ্ঠানে খুলনা বারে নতুনভাবে যোগ দেয়া ১৭৪ জন নবীন আইনজীবীকে অভিনন্দন জানানো হয়, পাশাপাশি জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত কমিটিকেও সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত ও সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ চাঁদ মোহাম্মদ আব্দুল আলীম আল রাজী।

    জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোল্লা মোহাম্মদ মাসুম রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এড. মোল্লা মশিয়ুর রহমান ননূ। এর আগে, আইনমন্ত্রী খুলনা জেলা জজ আদালতের কনফারেন্স রুমে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক পরিচিতি সভায় অংশ নেন।

  • প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র: বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ

    প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র: বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ

    ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রথম পুরস্কারটি জিতে নিয়েছেন সিরিজের নম্বর ০০০১০৩৫, যা পেয়েছে ছয় লাখ টাকার অর্থ। দ্বিতীয় পুরস্কারটি গেছে ০০৪৭৭৪৮ নম্বরের হাতে, যার মূল্য তিন লাখ ২৫ হাজার টাকা। তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে দু’জন বিজয়ী পেয়েছেন এক লাখ টাকা করে; এরা হলেন ০৫৩৮২৮৯ ও ০৬৭৫৩৮২ নম্বর। চতুর্থ পুরস্কার পেয়েছে দুই নম্বর—০৪০০৪৫১ এবং ০৫৬৭৬৪৪, প্রত্যেকে পেয়েছেন পঞ্চাশ হাজার টাকা।

    বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকাস্থ বিভাগীয় অফিসে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ ড্র অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রচারযোগ্য ১০০ টাকা মূল্যমানের মোট ৮৪টি সিরিজের মধ্যে ৪৬টি সাধারণ নম্বর এই ড্রয়ের জন্য নির্বাচন করা হয়। এই ড্র একক সাধারণ পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়েছে, যেখানে প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর নির্ধারিত হয়েছিল। নির্বাচিত সিরিজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক, খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, খঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, খশ, খষ, খস, খহ, গক, গখ, গগ, গঘ, গঙ, গচ, গছ, গজ, গঝ, গঞ, গট, গথ, গড, গঢ, গথ, গদ, গন, গফ, গব, গম, গল, গশ, গষ, গপ, গস, গহ, ঘক, ঘখ, ঘগ, ঘঘ, ঘঙ এবং ঘচ।

    এছাড়াও, পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে এ বছর ১০ হাজার টাকার চেক পাচ্ছেন ৪০ জন বিজয়ী। তাঁদের নম্বরগুলো হলো: ০০২১৭৪৯, ০২১৭৪১৯, ০৪৬১৪৭২, ০৫৮৮৯৬৬, ০৭৪৯৭৪০, ০০২২১৮১, ০২৪৬০৪৫, ০৪৬২০৫৬, ০৫৯৬৩৪৬, ০৭৫৯৯০৮, ০০৫৬৩৭৮, ০২৯৬৪০২, ০৪৭৮০১৫, ০৬০০৪৪০, ০৭৭২৭৭৩, ০০৯২৩৫৬, ০৩১১১৩০, ০৪৮০৫৬৭, ০৬০৭৩৪৯, ০৮১৩৬৫৯, ০১৪৪৫৬৭, ০৩৫৬৯৪২, ০৫১২০২৪, ০৬৩৯৩৬৭, ০৮৪৮০৪৬, ০১৫৫৩৯৮, ০৩৯৩২৭৭, ০৫৫১২২১, ০৬৪২০০২, ০৮৪৯৬১৪, ০১৫৫৯৩৪, ০৪১৩৫০১, ০৫৬৪৭৬০, ০৬৫০১১৯, ০৯২২৫৯৭, ০১৭৫৭৯২, ০৪৫২৪৪১, ০৫৭৩৮৬৫, ০৬৮৮৭৭৩ এবং ০৯৪৭৬৬৫।

  • এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী আয় ছাড়াল ৩ বিলিয়ন ডলার

    এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী আয় ছাড়াল ৩ বিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিল মাসের ২৯ দিনে বাংলাদেশে প্রবাসীরা মোট ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার (৩.০০২ বিলিয়ন ডলার) রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। প্রতিদিন গড়ে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ছিল প্রায় ১০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান ওই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    আরিফ হোসেন খান বলেন, এপ্রিল মাসের প্রথম ২৯ দিনে দেশের মোট রেমিট্যান্স এভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধুমাত্র ২৯ এপ্রিলই রেমিট্যান্স এসেছে ৯৪ কোটি ডলার। এর আগে গত বছর একই সময়ে (এপ্রিল, ২০২৫) দেশে রেমিট্যান্স ছিল ২৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

    এছাড়াও, মার্চ মাসে দেশের রেকর্ড দ্রুত বৃদ্ধির মাধ্যমে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রদান করা হয়েছিল। মার্চের ৩১ দিনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন মোট ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলার (৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার)।

    আর গত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসেও রেকর্ড সংখ্যায় রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত ছিল। জানুয়ারি মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন approximately ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার, আর ফেব্রুয়ারি ছিল ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এই সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি দৃষ্টিতে প্রবাসী আয় দেশের অর্থনীতির জন্য খুবই ইতিবাচক দিক দেখাচ্ছে।

  • এপ্রিলে রেমিট্যান্স ৩১৩ কোটি ডলারে পৌঁছেছে

    এপ্রিলে রেমিট্যান্স ৩১৩ কোটি ডলারে পৌঁছেছে

    সাম্প্রতিক এপ্রিল মাসে বাংলাদেশে রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। এর ফলে, দৈনিক গড়ে দেশের অর্থ উপার্জন হয়েছে প্রায় ১০ কোটি ৪২ লাখ ডলার। এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। তিনি আরও জানান, এই মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরের এপ্রিল মাসে দেশে এসেছিল ২৭৫ কোটি ২০ লাখ ডলার, অর্থাৎ এক বছরে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ reaching ২ হাজার ৯৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১৯.৫০ শতাংশ বেশি। এর আগে, মার্চ মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল প্রস্তুত ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড। এর আগে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে যথাক্রমে এসেছে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ও ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। ডিসেম্বরে এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, নভেম্বরে ছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার, অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরের মাসেও যথাক্রমে রেমিট্যান্স ছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার। একইভাবে, গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার। উল্লেখ্য, এই অর্থবছর, অর্থাৎ ২০২৪-২৫ সালে, প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন মোট ৩০.৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা এবং সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্সের রেকর্ড।

  • বাংলাদেশে সোনার মূল্য কমলো, ভরি কত দামে বিক্রি হচ্ছে?

    বাংলাদেশে সোনার মূল্য কমলো, ভরি কত দামে বিক্রি হচ্ছে?

    বাংলাদেশের স্বর্ণবাজারে বড় রকমের পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা করেছে যে, দেশের বাজারে সোনার দাম হ্রাস করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, এখন প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৫৮ টাকা পর্যন্ত কমে গেছে। এর ফলে, ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার ভরি দাম এখন নির্ধারিত হয়েছে দুই লাখ ৪০ হাজার টাকায়, যেখানে আগে সে দাম ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই দাম পরিবর্তনের সঙ্গে সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। এই দাম কমানোর ফলে স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের দামে সুগম প্রভাব পড়েছে।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার নির্ধারিত দাম এখন দুই লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। পাশাপাশি, অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও নিম্নমুখী হয়েছে—যেমন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২৯১৮টাকা কমে ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি এদিক থেকে ১ হাজার ৬৫৫ টাকা কমে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম এখন ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা।

    অপর দিকে, রুপার দাম স্থির রয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার প্রতি ভরি দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    বিশ্ব বাজারে সোনার দাম ফেব্রুয়ারি মাসের শুরু থেকে ব্যাপকভাবে বাড়ছে। ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘর্ষের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে শেয়ার হার উর্ধ্বমুখী। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ৪ হাজার ৫০৫ ডলার হয়েছে। এর আগে, ৩০ জানুয়ারি এই দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার, আর ২৯ জানুয়ারি ছিল ৫ হাজার ৫৫০ ডলার। এই মূল্য ওঠানামা অব্যাহত থাকলেও, বর্তমানে বাংলাদেশের বাজারে সোনার দাম কমে আসায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।

  • সোনার দাম আরও বাড়ল, নতুন মূল্য ঘোষণা

    সোনার দাম আরও বাড়ল, নতুন মূল্য ঘোষণা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয়বারের মতো সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিল। নতুন করে প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার ভরি আজ আবার বাড়ে এবং এখন এর দাম হয়েছে দুই লাখ ৪৪ হাজার টাকা। এর আগে গতকাল অর্থাৎ ৬ মে এই মূল্য ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১০টায় বাজুস একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। সংগঠনটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মার্কেটে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম বৃদ্ধির কারণে তারা এই মূল্য সমন্বয় করেছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। একই সঙ্গে, অন্য ক্যারেটের সোনার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দামের নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা।

    এছাড়াও, রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরি দাম নির্ধারিত হয়েছে ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা।

    বিশ্ববাজারে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সোনার বাজারে অস্থিরতা দেখা গেছে। এর পাশাপাশি, মূল্য বৃদ্ধি ও সমন্বয় কারণে দর ওঠানামা চলছে। আন্তর্জাতিক বাজারের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি আঙ্কলের সোনার দাম উঠেছে ৪ হাজার ৭০০ ডলার। অতীতে, গত জানুয়ারি মাসে এই দাম ছিল ৫ হাজার ২১০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি তা বেড়ে ৫ হাজার ৫৫০ ডলার হয়।

    গত মাসের শেষদিকে বিশ্ববাজারে সোনার দামে ব্যাপক বৃদ্ধি দেখে দেশের বাজারেও তার প্রভাব পড়ে। ২৯ জানুয়ারি সকালে, বাজুস এক ধাপে ভরি প্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারিত করে, ফলে প্রথমবারের মতো ভরি সোনার দাম দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়। এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্য। একই সঙ্গে, এই রকম মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা আগে কখনো দেখা যায়নি।

  • নিজামী পুত্রসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীর এনসিপিতে যোগদান

    নিজামী পুত্রসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীর এনসিপিতে যোগদান

    জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামী কন্যা, ড. মোহাম্মদ নাদিমুর রহমান, হাজী শরীয়তুল্লাহর বংশধর আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন, গাজীপুরের মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক এম এ এইচ আরিফ কান্তি এবং ওয়ারিয়র্স অব জুলাইয়ের প্রায় চার হাজার সদস্য। মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলামোটর রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগ দেন।এনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মোহাম্মদ নাদিমুর রহমান বর্তমানে তুরস্কের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত থাকায় সরাসরি উপস্থিত থাকতে পারেননি, তবে অনলাইনের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন।ওয়ারিয়র্স অব জুলাইয়ের প্রায় চার হাজার সদস্যের মধ্যে দাবি করা হয়, এ সময় তারা এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন। তবে সবাই উপস্থিত ছিলেন না; সংবাদ সম্মেলনে এ टोलीের উপস্থিত ছিলেন প্রায় পঞ্চাশ সদস্য।সংবাদ সম্মেলনে হাজী শরীয়তুল্লাহর বংশধর আবদুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন ব্রেক করে বলেন, “হাজী শরীয়তুল্লাহর উত্তরসূরি হওয়ার পরও আমি একনিষ্ঠভাবে এনসিপিতে কাজ করবো।” তিনি বলেন, “হাজী শরীয়তুল্লাহ কাউকে রাজা বা নেতা করতে আসেননি, তিনি সাধারণ কৃষক জনগণের নেতা ছিলেন। নেতার আর রাজা হওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। আমরা কাউকে ইবাদত করি না। আমরা দল করি যাতে আমাদের নেতা যদি ভুল করে, তাকেও ফিরিয়ে আনতে পারি। এই দল হলো আমাদের সত্যের পথে থাকার অবলম্বন।”এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, “দেশের পথ হারানো রাজনীতির হাল ধরবে এনসিপি। সংসদে বিএনপি প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতা করছে, এর ফল ভালো হবে না। আমরা অতি দ্রুত গণভোটের অভূতপূর্ব রায় বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি।”উত্তরাঞ্চলের সংগঠক সারজিস আলম বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে বলেন, “সরকার স্থানীয় কেন্দ্রগুলোকে নিজেদের ভাগ-বাটোয়ারা ও লুটপাটের জন্য ব্যবহার করছে। দ্রুত সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা ও পৌর নির্বাচন দিতে হবে, বছরের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে।”তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সরকার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করছে এবং সংসদে বুক ফুলিয়ে দাবি করছে। এই পরিস্থিতি আমাদের জন্য লজ্জাজনক। যারা এভাবে প্রতারণা করেছে, তারা জনগণের রুষ্টির মুখোমুখি হবে।”সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন, “তাদের বলদয় হোসাইন মুহাম্মদ এরশাদ সারা দেশে প্রশাসক নিয়োগ করে রাষ্ট্র পরিচালনায় ছিলেন; তারেক রহমানও ঠিক সেইভাবে রাষ্ট্র চালাতে চান। তারা বারবার গণতন্ত্রের অপব্যবহার করছে।”নতুন যোগদানকারীদের ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং তাদের ক্লান্তিহীন সংগ্রামের জন্য শুভকামনা জানানো হয়।

  • দেশবিরোধী গোষ্ঠীসমূহ সাম্প্রদায়িকতা ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে: নাহিদ

    দেশবিরোধী গোষ্ঠীসমূহ সাম্প্রদায়িকতা ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে: নাহিদ

    পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে বিএনপি’র চিপ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চেয়ারম্যান নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, দেশের ক্ষতিকর ও দেশবিরোধী কিছু গোষ্ঠী সাম্প্রদায়িক বিভাজন সৃষ্টি করে অস্থিরতা ছড়িয়ে দিতে পারে, তাই সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের জুলিঅ স্মৃতি হলে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সেইসব বক্তব্য রাখেন তিনি।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, পশ্চিমবঙ্গ আমাদের পার্শ্ববর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। সেখানে অনুষ্ঠিত নির্বাচন ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় হলেও ভোটের আগে হাজার হাজার নাগরিকের নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি জানান, এসব ভোটারদের মধ্যে বেশিরভাগ মুসলমান ও মতুয়া সম্প্রদায়ের ছিল। তিনি আরও বলেন, আমি সংসদে বলেছি, সেইসব মুসলমানদের উপর বিনা কারণে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে, তাদের ভোটাধিকার হরণ করা হচ্ছে। এর প্রভাব আমাদের দেশের উপরও পড়তে পারে। নির্বাচনের পরে পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম, মতুয়া, দলিত ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর অমানবিক নির্যাতনের খবরও তিনি উল্লেখ করেন।

    নাহিদ ইসলাম সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশে যাতে কেউ ষড়যন্ত্র করে বা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে বিভাজন সৃষ্টি করার চেষ্টা না করে, তার জন্য সবাইকে চোখ খোলা রাখতে হবে। এনসিপির এই নেতা বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পরে বাংলাদেশের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে। দেশের সব ধর্মের নাগরিকের নিরাপত্তা, অধিকার রক্ষা ও সম্মান বজায় রাখতে আমাদের সকলে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসা জরুরি।

    তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশকে এমন একটা রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে যেখানে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সবচেয়ে বেশি নিরাপদ সবুজ করে উঠবে। মুসলমান, দলিত, মতুয়া সহ সব সম্প্রদায়ের মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা ও উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

    অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামে এনসিপিতে নতুন যোগদানকারীদের স্বাগত জানিয়ে দলের মধ্যে ঐক্য ও শক্তির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত দ্ব›দ্ব ভুলে গিয়ে সবাই যেন এক হয়ে কাজ করি। দলের পতাকাতলে সবাই এক পথে চলবে—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। শেষে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি প্রশ্ন করেন, “আমরা কি সবাই একসাথে থাকব?” এ প্রশ্নের উত্তরে সবাই সামিল হয় ‘ইনশাআল্লাহ’ বললে, এতে তাদের একতার প্রত্যয় প্রকাশ পায়।

  • মির্জা ফখরুলের মতে, হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠী সমাজকে অস্থির করে রাখতে চায়

    মির্জা ফখরুলের মতে, হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠী সমাজকে অস্থির করে রাখতে চায়

    দেশের সমাজে একটি হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠী অস্তিত্ব রয়েছে, যারা সারাক্ষণ হতাশায় ভোগে এবং বিভিন্ন সময় সমাজকে অস্থির করে তুলতে চায়। এই ব্যাপারে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, বলেন যে তিনি নির্দিষ্ট কোনো দল বা ব্যক্তির নাম উল্লেখ করতে চান না, কারণ এর পেছনে সম্পূর্ণ রাজনীতি ক্রিয়াকলাপের বিষয় রয়েছে। আমাদের রাজনীতি এখনো সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন সংবাদ নয়। বারবার মানুষ নিজেদের স্বার্থে পরিবর্তনের জন্য সংগ্রাম করেছে, প্রাণ দিয়েছে, তবে দুর্ভাগ্যবশত পরিস্থিতিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

    বলেন, এই সবের পেছনে মূল ব্যর্থতা হলো আমাদের স্বাধীনতার মূল শহীদদের সংগ্রাম ও ত্যাগের মূল্যবোধের ক্ষতি। ৮ মে শুক্রবার দুপুরে নওগাঁর আত্রাইয়ের পতিসর রবীন্দ্র বন্ধুপ্রতিষ্ঠানের রবীন্দ্র কাছারিবাড়িতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ফখরুল বলেন, আমাদের দেশের মূল পরিচিতি ও গর্বের বিষয় হলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। এই স্বাধীন্ত্র্য অর্জনে আমাদের প্রাধান্য ও বিশ্বাসের জায়গা হলো বাংলাদেশের মূল সৈনিকরা। নয় মাসের সংগ্রাম ও ত্যাগের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, আর এই সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা গণতন্ত্রও ফিরে পেয়েছি। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাইয়ের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ের লড়াইয়েও আমাদের নতুন সরকারের প্রতি আশা সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কিছু বিশেষ শক্তি দেশে ফ্যাসিস্ট রাজনৈতিক কাঠামো সৃষ্টি করে অর্থনীতি ও প্রশাসন ধ্বংস করে দিয়েছে। এই অস্থিরতাকে একত্রে কাটিয়ে উঠতে এবং দেশের উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমাদের সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। তিনি এও বলেন যে কিছু চরমপন্থি বা অশান্তির পেছনে যারা আছে, তারা দেশের শান্তি ও উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তবে কেউই এই ধরনের অপচেষ্টা মেনে নেবে না।

    বিএনপি মহাসচিবের ভাষণে উল্লেখ করেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন এই দেশে আসতেন, তখন তিনি কৃষকদের দুর্দশা লক্ষ্য করে ব্যাংক স্থাপন করেছিলেন এবং কৃষিকে আধুনিক করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। এই সবকিছু ছিল তার জীবন ও কাজের অংশ। রবীন্দ্রনাথের কবিতা, গান, নাটক এমনকি ‘গীতাঞ্জলি’ দিয়ে তিনি বিশ্বকে প্রভাবিত করেছেন। তিনি বিশ্বজনের কাছে একজন বিশ্বমনের কবি হিসেবে পরিচিত। এ কথা তিনি স্মরণ করে বলেন যে, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও জীবন সব ক্ষেত্রেই অবাধ বিচরণ ছিল।

    রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশিদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রীগণ, সংসদ সদস্যগণ, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, দূতাবাসের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন সরকারি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

    আলোচনা শেষে স্থানীয় ও ঢাকা থেকে আগত শিল্পীদের পরিবেশনায় আবৃত্তি, রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পুরো দিনজুড়ে পতিসর রবীন্দ্রভূমিতে নানা জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় ভিড় জমে হয়েছিল। হাজারো দর্শনার্থী ও রবীন্দ্রপ্রেমীরা এ উৎসবের অংশ নিয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিকে স্মরণ ও সম্মান জানায়।