Blog

  • যশোর বিজিবির অভিযান: তিন মাসে ৮৪ কোটি টাকার মাদক ও পণ্য জব্দ

    যশোর বিজিবির অভিযান: তিন মাসে ৮৪ কোটি টাকার মাদক ও পণ্য জব্দ

    যশোর ৪৯ বিজিবি শুরু থেকেই সীমান্তে চোরাচালান ও মাদকবিরোধী কঠোর অভিযানে অবিচ্ছিন্নভাবে অংশ নিয়েছে। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে সে Timothy ৯১ জন আসামিসহ মোট ৮৩ কোটি ৯৯ লাখের বেশি মাদক ও চোরাচালানী মালামাল আটক করতে সক্ষম হয়েছে বিজিবি। এর মধ্যে রয়েছে স্বর্ণ, হিরক, রৌপ্য, বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদ, আদ্রলিগ্রাম মদ, ক্রিস্টাল মেথ, গাঁজা, ইয়াবা, হেরোইন ও ফেনসিডিলের বিশাল পরিমাণ। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেনেন্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান এক প্রেসনোটে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তার মতে, চলতি বছরে অভিযানের মাধ্যমে মোট ২ কেজি ৬২০ গ্রাম স্বর্ণ, ১৫৫ কেজি ৭৬০ গ্রাম হিরক, সাড়ে ১০ কেজি রৌপ্য, ৪২টি অস্ত্র ও ১৫২ রাউন্ড গুলিসহ বিশাল পরিমাণ বিপদজনক মালামাল আটক করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, ২০২৫ সালে যশোর রিজিয়নে মোট ৩৭৭ কোটি ৪৬ লাখের বেশি চোরাচালানী মালামাল ধ্বংস বা জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫৮ কেজি স্বর্ণ, ৫৩ কেজি রৌপ্য, ২৭টি অস্ত্র, ১৫২ রাউন্ড গুলি, ৩০,৮০০ বোতল মদ, ৩৭ কেজি হিরোইন, ১ লাখ ৬১ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট, ৪৯ হাজার বোতল ফেন্সিডিল এবং ২ হাজার কেজি গাঁজা। বিজিবি মহাপরিচালক ভিশন অনুযায়ী, বিজিবির উদ্দেশ্য হলো সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও দেশের সার্বভৌমত্বের পতাকা উড়ানো। বাংলাদেশ সীমান্তে সব সদস্যই আস্থার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন, যাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, পাচার রোধ ও অনাকাঙ্ক্ষিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, জনগণ, প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, সাংবাদিক ও পরিবেশকর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া এগিয়ে যাওয়া খুবই কঠিন।

  • প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় চিতলমারীর ৬৯৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৯৮ জন অনুপস্থিত

    প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় চিতলমারীর ৬৯৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৯৮ জন অনুপস্থিত

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশের মধ্য দিয়ে ২০২৫ সালের জন্য স্থগিত হওয়া প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টায় এই পরীক্ষার উদ্বোধন হয়, যেখানে প্রথম দিনে বাংলা বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশবাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা সতর্কতামূলক অবস্থানে ছিলেন।

    উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সূত্র মতে, এই পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৯৬ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২৬০ জন এবং ছাত্রী ৪৩৬ জন। তবে প্রথম দিনে বাংলা পরীক্ষায় উপস্থিত ছিল ৪৯৮ জন, অর্থাৎ ১৯৮ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রী ১৩৭ জন এবং ছাত্র ৬১ জন। দুটি কেন্দ্রে এই পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতি কেন্দ্রে কোনও বহিষ্কার বা শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা ঘটেনি।

    চিতলমারী সরকারি এস এম মডেল উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন উপপরীক্ষা কেন্দ্র সচিব তাপস কুমার খান, এবং অন্য কেন্দ্রে ছিলেন মোঃ মোহিতুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক, একে ফায়জুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

    চিটলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার বলেছেন, সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশের মধ্য দিয়ে এই পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে যাতে সার্বিক স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বজায় থাকে।

    পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১৬ এপ্রিল ইংরেজি, ১৭ এপ্রিল প্রাথমিক গণিত এবং ১৮ এপ্রিল বাংলা ও বিশ্বপরিচয়, প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হবে এবং আড়াই ঘণ্টা চালবে।

  • খুলনায় বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

    খুলনায় বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

    খুলনায় একটি ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় তার স্ত্রীসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে দৌলতপুর থানার রেলিগেট এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়রা জানান, নিহতরা হলেন বাটিয়াঘাটা উপজেলার ভাদগাতি এলাকার বাসিন্দা মহিউদ্দিন শেখের ছেলে শরিফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী লামিয়া বেগম।

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ফুলতলা থেকে ঢাকায় যাওয়ার জন্য একটি রয়েল পরিবহনের বাস রেলিগেট এলাকায় পৌঁছানোর সময়, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক শরিফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী লামিয়া বেগম নিহত হন। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বে, আহতদের পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে রেকর্ড করেন।

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক বাসটি জব্দ করে। তবে চালক এমনকি গাড়ি ফেলে রেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পুলিশ বলছে, চালককে আটক করতে সক্ষম হয়নি, তবে দুর্ঘটনাকর বাসের বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শফিকুল ইসলামের ভাষ্য, নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ চলমান রয়েছে।

  • ছেঁড়া-ফাটা নোট বদল না করলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তির আশঙ্কা

    ছেঁড়া-ফাটা নোট বদল না করলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তির আশঙ্কা

    দেশব্যাপী ছেঁড়া, ফাটা, ত্রুটিপূর্ণ এবং ময়লার মতো বদলে যাওয়া নোটের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক শক্তভাবে নির্দেশনা দিয়েছে যে এসব নোট গ্রহণ ও বিনিময় বাধ্যতামূলক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে, একথা না মানলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই সম্পর্কে রোববার একটি বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়।

    নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক নগদ লেনদেন নিশ্চিত করতে তফসিলি ব্যাংকের শাখাগুলোতে ক্রেতাদের থেকে ছেঁড়া বা ফাটা ক্ষতিগ্রস্ত ও ময়লাযুক্ত নোট গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি, সেই সমস্ত নোটের পরিবর্তে নতুন বা পুনর্ব্যবহৃত নোট সরবরাহের দায়িত্বও তাঁদের।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আগে থেকেও এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ছিল কিন্তু এখনো বাজারে এমন ক্ষতিগ্রস্ত নোটের পরিমাণ বেড়ে চলেছে, যা সাধারণ মানুষের কাছে লেনদেনে অসুবিধা সৃষ্টি করছে। এজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ক্লিন নোট পলিসি’ বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংকগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

    বিশেষ করে, ৫, ১০, ২০ ও ৫০ টাকার মতো ছোট মূল্যমানের নোট নিয়মিতভাবে গ্রহণ এবং নির্দিষ্ট কাউন্টারগুলোতে বিনিময়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। গ্রাহকদের এসব ক্ষতিগ্রস্ত বা ফাটল নোটের পরিবর্তে ব্যবহৃত বা নতুন নোট দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করে বলেছে, যদি কোনো ব্যাংক শাখা এই পরিষেবা দিতে গাফিলতি করে বা অনীহা দেখায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এই নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৯৯১ সালের ধারা ৪৫ এর আওতায় জারি করা হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

  • বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমলো

    বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমলো

    ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। বিশ্ববাজারে সোমবার মূল্যবান ধাতুটির দাম প্রায় এক সপ্তাহেরLowestে পৌঁছেছে। এই খবর দিচ্ছে রয়টার্স। বিশ্লেষকদের মতে, শক্তিশালী ডলারের কারণে এই পতনের কারণ হয়েছে। আবার তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ বাড়ছে। একই সঙ্গে চলতি বছরে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনাও কমে গেছে। এর ফলে স্বর্ণসহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দাম বেড়েছে।

    রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম ০.৪% কমে গিয়েছিল, ফলে প্রতি আউন্সের মূল্য দাঁড়ায় ৪,৭২৬.৬৪ ডলারে। এর আগে, দিন শুরুতে এটি ৭ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন ৪,৬৪৩ ডলারে গিয়ে পৌঁছায়। জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারের দাম ০.৮% কমে ৪,৭৪৮.৭০ ডলারে পৌঁছায়।

    প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ডলার সূচক ০.৩% শক্তিশালী হয়েছে এবং তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছুঁয়েছে। এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি অবরোধের প্রস্তুতিও নিচ্ছে, যা স্বর্ণের দামের পতনের পিছনে একটি কারণ হতে পারে।

    কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় যুদ্ধবিরতির আশা ভেঙে গেছে। এর ফলে ডলার ও তেলের দাম বেড়ে গেছে, যা স্বর্ণের উপর আবার চাপ সৃষ্টি করেছে।

    ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল-ইরান মধ্যে যুদ্ধের কারণে স্পট গোল্ডের দাম ১১% এর বেশি কমেছে। সাধারণত, মুদ্রাস্ফীতি ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি স্বর্ণের চাহিদা বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু উচ্চ সুদের হার স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদের জন্য নেতিবাচক। শক্তিশালী ডলারের কারণে অন্যান্য মুদ্রাধারীরা ডলার-নির্ধারিত স্বর্ণ কিনতে হলে আরও বেশি খরচ করতে হচ্ছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, তেলের দাম যদি আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছুঁয়ে যায়, তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার বাড়ানোর বিষয় বিবেচনা করবে। এর ফলে স্বর্ণের পারফরম্যান্স দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা খুবই কম কারণ, জ্বালানের উচ্চ মূল্য সমগ্র মুদ্রাস্ফীতিকে আরও বাড়িয়ে তুলছে এবং মুদ্রানীতিতে শিথিলতার সুযোগ কমিয়ে দিচ্ছে। ফলে, মূল্যবান ধাতুগুলোর ওপর চাপ বেড়েই চলেছে।

  • বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন রেফারেন্স রেট চালু করেছে সুদহার নির্ধারণে স্বচ্ছতা বাড়ানোর জন্য

    বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন রেফারেন্স রেট চালু করেছে সুদহার নির্ধারণে স্বচ্ছতা বাড়ানোর জন্য

    বাংলাদেশ ব্যাংক আর্থিক খাতে সুদের হার নির্ধারণে স্বচ্ছতা, নির্ভরযোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে নতুন দুটি মানি মার্কেট রেফারেন্স রেট চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। সোমবার ব্যাংকটির পক্ষ থেকে জারি করা এক সার্কুলারে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।

    সার্কুলারে বলা হয়, দেশে বিভিন্ন ধরণের ঋণচুক্তি, বন্ড, ফ্লোটিং রেটভিত্তিক আর্থিক পণ্য যেমন ডেরিভেটিভস এবং অন্যান্য আর্থিক চুক্তিতে সুদের হার নির্ধারণের ক্ষেত্রে একটি কার্যকর, বিশ্বাসযোগ্য ও বাজারভিত্তিক বেঞ্চমার্কের প্রয়োজন ছিল দীর্ঘ সময় ধরে। এই প্রেক্ষিতেই, প্রকৃত আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ওপর ভিত্তি করে প্রতিদিন দুটি মানি মার্কেট রেফারেন্স রেট নির্ধারণ ও প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    নতুন এই রেটগুলোর নাম হবে ‘বাংলাদেশ ওভারনাইট ফিন্যান্সিং রেট’ (বিওএফআর) এবং ‘ঢাকা ওভারনাইট মানি মার্কেট রেট’ (ডিওএমএমআর)। এই দুটি রেফারেন্স রেট সুদ হার নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়, যা বাজারের উন্নয়ন ও কার্যকারিতাকে আরও শক্তিশালী করবে।

    সার্কুলারে আরও জানানো হয়, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে প্রতিদিনের কার্যদিবসে এই দু’টি রেফারেন্স রেট হিসাব ও প্রকাশ করা হবে। রেট নির্ধারণের পদ্ধতি বা মেথডোলজি ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে, যাতে ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সহজেই তা অনুসরণ করতে পারে। এর ফলে, দেশের 금융 ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ, নির্ভরযোগ্য ও আন্তর্জাতিক মানের হবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

  • দেশের রিজার্ভ আবার বৃদ্ধি পেয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে

    দেশের রিজার্ভ আবার বৃদ্ধি পেয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এখন এটি দাঁড়িয়ে আছে ৩৪ হাজার ৬৬০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ মোট ৩৪.৬৬ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার এই তথ্য প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এই পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, দেশের রিজার্ভের পরিমাণ হলো ২৯ হাজার ৯৭৭ দশমিক ৮৯ মিলিয়ন ডলার।

  • দেশে সোনা ও রুপার দাম বাড়ল, ভরি কত হলো

    দেশে সোনা ও রুপার দাম বাড়ল, ভরি কত হলো

    বাংলাদেশের বাজারে সোনা ও রুপার দাম সম্প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এই দাম বৃদ্ধি সোমবার (১৫ এপ্রিল) থেকে কার্যকর করা হয়েছে এবং এর ফলে সাধারণ মানের (২২ ক্যারেট) সোনার এক ভরি দাম এখন সর্বোচ্চ ২৮৬,৫১৯ টাকায় পৌঁছেছে। এর আগে, গত মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) এই দাম ছিল ২৭৭,৯৭৭ টাকা।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আজ সকাল ১০টা থেকে নতুন দামে সোনার বিক্রি শুরু হয়েছে। তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে।

    নতুন নির্ধারিত দামের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য এখন ২৮৬,৫১৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩৮,৮২০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ২৩০,৪৭০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরি দাম ১৬৬,৭৩৭ টাকা।

    এছাড়াও, রুপার দামে পরিবর্তন এসেছে, যেখানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার মূল্য ৩ হাজার ৭৩২ টাকা।

    বিশ্ব বাজারে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রভাব দেশে পড়েছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্য চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে বিশ্বজুড়ে সোনার মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্র অনুযায়ী, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৮২৩ ডলারের উপরে পৌঁছেছে, যা গত কয়েক মাসের তুলনায় অনেক বেশি।

    আগের মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ছিল ৫ হাজার ২শ’ ডলার। আর, ২৯ জানুয়ারির দিকে এটি বেড়ে ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে পৌঁছেছিল।

    এদিকে, বিশ্ববাজারে টানা দাম বাড়ার ফলে বাংলাদেশেও সোনার দামে হু হু করে বৃদ্ধি ঘটে। বিশেষ করে, ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি এক ভরি সোনার দাম প্রায় ২,৮৬,০০০ টাকায় পৌঁছেছিল, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সেই সময়ে একদফা জরুরি মূল্যবৃদ্ধি করে বাজুস। এর ফলে, সোনার দাম এতটাই বেড়ে গেছে যে, তা সেটির ইতিহাসে একেবারেই নতুন দিগন্ত স্থাপন করেছে।

  • ইডেন কলেজ ও গোপালগঞ্জ জেলাসহ বেশ কয়েকটি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত

    ইডেন কলেজ ও গোপালগঞ্জ জেলাসহ বেশ কয়েকটি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত

    কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সম্প্রতি মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় গোপালগঞ্জ জেলা, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ এবং ঢাকা ডেন্টাল কলেজের ছাত্রদলের সব কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়, যেখানে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক ও সহ-সভাপতি পদমর্যাদার মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষর করে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই কমিটিগুলোর মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে শিগগিরই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির একান্তে অনুমোদন দিয়েছেন, যা ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • নাহিদ ইসলাম বললেন, আমরা আবারো আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি

    নাহিদ ইসলাম বললেন, আমরা আবারো আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা আবারও আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। দল-মত নির্বিশেষে সবাই একত্রিত হয়ে এই সংগ্রামে অংশ নিচ্ছি। এটি কোনো দলের স্বার্থের জন্য নয়, বরং এটি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং দেশের স্বার্থে মূল সংকট সমাধানের জন্য। তিনি বলেন, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানকে রক্ষা করতে হবে এবং শহীদদের রক্ত যেন বৃথা না যায়, সেটাই আমাদের সংগ্রামের মূল উদ্দেশ্য। এজন্য আমরা সবাই একযোগে ঐক্যবদ্ধ থাকব।

    রোববার দুপুরে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন, যেখানে উপস্থিত ছিলেন শহীদ পরিবার, যোদ্ধারা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, হয়তো আমরা অন্তর্বতী সরকারের সময় এই সংগঠনের পাশে পুরোপুরি দাঁড়াতে পারিনি, তবে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়েছি। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জুলাই শহীদদের পক্ষে নানা বড় বড় কথা বললেও, তারা কি সত্যিই তার জন্য কিছু করে দেখাচ্ছে কিনা, সেটি দেখতে হবে। তিনি আরো যোগ করেন, অন্তর্বতী সরকারের সময় গঠন হওয়া জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন এখন কিছুটা কাজ করছে, তবে অনেক ক্ষেত্রে তাদের উদ্যোগে অনীহা দেখা গেছে।

    জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, উপস্থিত সবাই হয়তো সব কথা বলতে পারেননি, তবে প্রত্যেকের মধ্যে একই স্পিরিট এবং আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। সবাই পুনরায় ঐক্যবদ্ধ এবং রাজপথে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত, ইনশাআল্লাহ। আপনি যারা শুনছেন, তাদেরও প্রস্তুত থাকতে বলি।

    এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘রাজপথের এই আন্দোলনে আপনারা সন্তান হারিয়েছেন, কেউ কেউ পা বা হাত হারিয়েছেন। আজ এই মঞ্চে বসে থাকা আমরা সবাইই আপনাদের সাথে থাকব, সবার সামনের সারিতে থাকব। হ্যাঁ, যেখানে গুলি চলবে, সেটি আমাদের বুকেই লাগবে। কাজের জন্য আমাদের সবাইকে সংগঠিত থাকতে হবে এবং দোয়া করতে হবে। বিশ্বাস করে বলছি, ইনশাআল্লাহ, একদিন নতুন বাংলাদেশ ও সংস্কার প্রতিষ্ঠিত হবেই। শুধু বিএনপি বা অন্য শক্তি নয়, কোনও পরাশক্তি বা বিদেশি শক্তি আমাদের রুখতে পারবে না; আমরা অবশ্যই বিজয় ছিনিয়ে নেব।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডাঃ শফিকুর রহমান।