Blog

  • সাদিক কায়েমকে মেয়রপ্রার্থী হিসেবে প্রচার, শিবির বললো—সুযোগ নেই

    সাদিক কায়েমকে মেয়রপ্রার্থী হিসেবে প্রচার, শিবির বললো—সুযোগ নেই

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের নাম প্রকাশ হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর বিরূপ প্রতিক্রিয়া উঠেছে। খবরের ভিত্তিতে জামায়াতে ইসলামীর কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না থাকা সত্ত্বেও অনলাইন ও সামাজিক মাধ্যমে তাঁর নাম ছড়ানো হয়েছে।

    শুক্রবার (১ মে) কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) কাউন্সিল হলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের থানা ও বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। কয়েকটি সূত্রে জানা গেছে, ওই সম্মেলনে কিছু জামায়াত নেতারা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমের নাম প্রস্তাব করেছিলেন।

    তবে জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সংবাদ মাধ্যমে বলেছেন, কেউ পরামর্শ বা প্রস্তাব দিতে পারে, সেটাকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কোথাও বিবেচনা করা যাবে না। যে প্রার্থীকে কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন দেবেই, তবেই আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণা করা হবে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন সম্পর্কিত প্রার্থীর নাম শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে, কিন্তু এখনো কোনো আনুমানিক অনুমোদন বা ঘোষণা আসেনি।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনো কেন্দ্রীয় বা সেশনকালীন দায়িত্বে থাকা শিবিরের নেতাকে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করার সুযোগ নেই। শিবিরের দায়িত্ব শেষ করে যারা বাইরে চলে যাবেন, তারা পরে রাজনৈতিক কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন—কিন্তু বর্তমান দায়িত্বশীলদের বিষয়ে এমন ঘোষণা বিভ্রান্তিকর এবং অনৈতিক।

    শিবির ও জামায়াত দুই পক্ষই অনুরোধ করেছেন—দুগ্ধপচা খবরের গৃহপথে ভ্রমণ না করে প্রাসঙ্গিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। বর্তমানে সাদিক কায়েমের নাম নিয়ে যে প্রচার হচ্ছে তা কেন্দ্রীয় বা স্থানীয় কোনো সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা অনুমোদন প্রতিফলিত করে না।

  • প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র: পুরস্কারপ্রাপ্ত নম্বর ও বিজয়ীরা

    প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র: পুরস্কারপ্রাপ্ত নম্বর ও বিজয়ীরা

    ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ড্রে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম পর্যায়ের বিজয়ীদের নাম্বার ঘোষণা করা হয়েছে।

    প্রথম পুরস্কার হিসেবে এক লাখ ছয় না—বা —৬ লাখ টাকা পাওয়া গেছে; বিজয়ী সিরিজ নম্বর: ০০০১০৩৫। দ্বিতীয় পুরস্কার — তিন লাখ পঁচিশ হাজার (৩,২৫,০০০) টাকা — বিজয়ী নম্বর: ০০৪৭৭৪৮। তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে প্রতিজন এক লাখ টাকা করে দুইজনের নম্বর হলো ০৫৩৮২৮৯ ও ০৬৭৫৩৮২। চতুর্থ পুরস্কার (৫০,০০০ টাকা) জিতেছেন নম্বর ০৪০০৪৫১ ও ০৫৬৭৬৪৪।

    ড্রটি বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের অফিসের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

    এই ড্রটি একক সাধারণ পদ্ধতিতে (অর্থাৎ প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর) পরিচালিত হয়েছে। প্রচলনযোগ্য ১০০ টাকা মূল্যমানের মোট ৮৪টি সিরিজের মধ্যে এবারের ড্র-এ ৪৬টি সাধারণ নম্বর পুরস্কারের যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এগুলো হলো — কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক, খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, খঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, খশ, খষ, খস, খহ, গক, গখ, গগ, গঘ, গঙ, গচ, গছ, গজ, গঝ, গঞ, গট, গঠ, গড, গঢ, গথ, গদ, গন, গফ, গব, গম, গল, গশ, গষ, গপ, গস, গহ, ঘক, ঘখ, ঘগ, ঘঘ, ঘঙ এবং ঘচ — এই সিরিজগুলো ড্র-এ অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে ৪০ জনকে প্রদান করা হবে। পঞ্চম পুরস্কারের বিজয়ীদের নম্বরগুলো হলো — ০০২১৭৪৯, ০২১৭৪১৯, ০৪৬১৪৭২, ০৫৮৮৯৬৬, ০৭৪৯৭৪০, ০০২২১৮১, ০২৪৬০৪৫, ০৪৬২০৫৬, ০৫৯৬৩৪৬, ০৭৫৯৯০৮, ০০৫৬৩৭৮, ০২৯৬৪০২, ০৪৭৮০১৫, ০৬০০৪৪০, ০৭৭২৭৭৩, ০০৯২৩৫৬, ০৩১১১৩০, ০৪৮০৫৬৭, ০৬০৭৩৪৯, ০৮১৩৬৫৯, ০১৪৪৫৬৭, ০৩৫৬৯৪২, ০৫১২০২৪, ০৬৩৯৩৬৭, ০৮৪৮০৪৬, ০১৫৫৩৯৮, ০৩৯৩২৭৭, ০৫৫১২২১, ০৬৪২০০২, ০৮৪৯৬১৪, ০১৫৫৯৩৪, ০৪১৩৫০১, ০৫৬৪৭৬০, ০৬৫০১১৯, ০৯২২৫৯৭, ০১৭৫৭৯২, ০৪৫২৪৪১, ০৫৭৩৮৬৫, ০৬৮৮৭৭৩ এবং ০৯৪৭৬৬৫।

    বিজয়ীদের প্রতি অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। যারা পুরস্কার জিতেছেন তাদের দাবি করার জন্য নির্ধারিত সময় ও প্রক্রিয়া মেনেই উপযুক্ত কাগজপত্রসহ আবেদন করার অনুরোধ জানানো হল।

  • এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার

    এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার

    চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২৯ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন মোট ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার — যা প্রায় ৩.০০২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

    এপ্রিলে এপর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে পাঠানো রেমিট্যান্স ছিল প্রায় ১০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। বিশেষ করে মাত্র ২৯ এপ্রিল একদিনেই দেশে এসেছে প্রায় ৯৪ কোটি ডলার, যা মাসটির রেমিট্যান্স প্রবাহকে আরও ত্বরান্বিত করেছে।

    গত বছরের একই সময় (এপ্রিল ২০২৫) দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার; তুলনায় এবার আয় বেড়ে হয়েছে অভিন্ন লক্ষণীয়।

    এর আগে চলতি বছরের মার্চে রেকর্ডভাঙা আয়ের তালিকায় শীর্ষে ছিল রেমিট্যান্স — ওই মাসে ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন (৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ) ডলার এসেছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসেও প্রবাসী আয় প্রতিবারই তিন বিলিয়ন ডলারের ঘরে বা তার ওপরে ছিল; জানুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স ছিল ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং ফেব্রুয়ারি ছিল ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র জানান, সামগ্রিকভাবে চলতি বছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ স্থিতিশীল ও উচ্চমান বজায় রাখায় বৈদেশিক মুদ্রার অভ্যন্তরীণ স্টক এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার উপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

  • পাকিস্তানে পাম্পে পেট্রোল-ডিজেলের দাম ছাড়ালো ৪০০ রুপি

    পাকিস্তানে পাম্পে পেট্রোল-ডিজেলের দাম ছাড়ালো ৪০০ রুপি

    পাকিস্তানে জ্বালানির দাম নতুন করে উর্ধ্বগতি নিয়েছে; পাম্পে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কার্যত ৪০০ রুপি ছাড়িয়েছে। দেশটির সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) পেট্রোল লিটারপ্রতি ৬.৫১ রুপি এবং ডিজেল লিটারপ্রতি ১৯.৩৯ রুপি বাড়ানো হয়েছে।

    প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন মূল্য সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং আগামী ৮ মে পর্যন্ত বহাল থাকবে। হাইস্পিড ডিজেলের (HSD) নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে লিটারপ্রতি ৩৯৯.৫৮ রুপি, যা পূর্বের ৩৮০.১৯ রুপির তুলনায় প্রায় ১৯.৩৯ রুপি বেশি। পেট্রোলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯৯.৮৬ রুপি, আগের ৩৯৩.৩৫ রুপির তুলনায় ৬.৫১ রুপি বাড়ল। ডিলার কমিশন ও অন্যান্য খরচ যোগ হলে পাম্পে কার্যত মূল্য ৪০০ রুপির সীমানা ছাড়িয়ে গেছে।

    সরকার ক্ষতিগ্রস্ত শ্রেণি—মোটরসাইকেল ব্যবহারকারী, কৃষক ও পরিবহনখাত—আরও চাপ না বাড়ুক বলে ভর্তুকি চালিয়ে যাচ্ছে। মোটরসাইকেলের জন্য লিটারপ্রতি ১০০ রুপি ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে এবং এটি মাসে সর্বোচ্চ ২০ লিটার পর্যন্ত প্রযোজ্য। ভর্তুকি অনুযায়ী পেট্রোলের পরিশোধ্য দাম দাঁড়ায় প্রায় ৩০০ রুপি, যা বাংলাদেশি টাকায় আনুমানিক ১৩৫ টাকার সমান।

    বৃহৎ চালান ও পরিবহনের জন্যও আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করা হয়েছে—পণ্যবাহী ট্রাকের জন্য মাসে ৭০,০০০ রুপি, বড় পরিবহনযানের জন্য ৮০,০০০ রুপি এবং আন্তঃনগর গণপরিবহনের জন্য মাসে সর্বোচ্চ ১,০০,০০০ রুপি পর্যন্ত ভর্তুকি। সরকারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে ভাড়া বাড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে এবং পরিবহন খাতের ওপর নজরদারি জোরদার করা হবে।

    অর্থনৈতিক কারণ হিসেবে সরকার বলছে, এই মূল্যসমন্বয় আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা আইএমএফ-এর সঙ্গে সমন্বয়ক্রমে করা হচ্ছে। বর্তমান অর্থবছরে পেট্রোলিয়াম লেভি (শুল্ক) থেকে ১.৪৬৮ ট্রিলিয়ন রুপি আদায় করা সরকারের লক্ষ্য।

    তবে সাধারণ জনগণ ও বিশেষত পরিবহনখাত ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব অনুভব করবে, কারণ পরিবহনে ডিজেলের বহুল ব্যবহার সরাসরি জিনিসপত্রের পরিবহন খরচ বাড়ায় এবং মূল্যস্ফীতি ত্বরান্বিত করতে পারে।

    একই সময়ে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) এক বিশ্লেষণে সতর্ক করেছে যে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত পাকিস্তানের অর্থনীতিতে ১০ থেকে ৬৮ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি করতে পারে এবং এর ফলে মূল্যস্ফীতি ১৫–১৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া কাতার থেকে এলএনজি সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিঘ্ন হচ্ছে, যা লোডশেডিং বৃদ্ধি ও শিল্প উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    মোট মিলিয়ে, সরকারের ভর্তুকি ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা থাকলেও পাম্প পর্যায়ে জ্বালানির নতুন দাম নাগরিকদের ব্যয়ে সরাসরি ফাঁক ছুঁড়ে দিচ্ছে—বিশেষত পরিবহন ও কৃষি খাতে। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজার ও এলাকার রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা কিভাবে পরিস্থিতি প্রভাবিত করবে, সেটাই এখনored মানুষের নজরকাড়া প্রশ্ন।

  • যুদ্ধবিরতি ভাঙার অভিযোগ: লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন নিহত

    যুদ্ধবিরতি ভাঙার অভিযোগ: লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন নিহত

    শুক্রবার লেবাননের নাবাতিয়েহ জেলায় হাব্বুশ এলাকায় ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নয়জন নিহত হয়েছেন এবং কমপক্ষে আরও ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন এক নারী ও একটি শিশু।

    লেবানন সরকার জানায়, টায়র (টাইর) শহর ও আশপাশের কয়েকটি এলাকায় একই সঙ্গে অন্যান্য হামলায় আরও চারজন নিহত হয়েছেন, ফলে মোট হতাহতের সংখ্যা ১৩に পৌঁছেছে।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাতে বলা হয়েছে, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই নতুন বেগে হামলায় লেবাননে নিহতের সংখ্যা ২৬০০ ছাড়িয়েছে।

    পটভূমি: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ভূখণ্ডে ইসরায়েলি আঘাতের পর তেহরান সমর্থিত সশস্ত্র শিয়া গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ তাৎপর্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল। এরপর থেকে তেলআবিব ও হিজবুল্লাহর মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং রাজধানী বৈরুতসহ লেবাননের বিস্তীর্ণ এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা শুরু হয়। এসব আঘাতের ফলে অন্তত আশি লাখেরও বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।

    সংঘাত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। লেবাননে মোতায়েন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছে বিভিন্ন দেশ; ফ্রান্সসহ প্রায় ৩০টি দেশ এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    গত ১৬ এপ্রিল একটি ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিল কর্তৃপক্ষ, যা তখন সাধারণ মানুষকে নিরাপদে অবস্থান বা বাড়ি ফেরার সুযোগ করে দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সীমান্তে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের ধারা থামেনি, এবং ইরান বারবার বলেছে—কোনও সমঝোতার আগে লেবাননে ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমানের মতো আক্রমণ অব্যাহত থাকলে এলাকার পরিস্থিতি দ্রুত আবার উত্তপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলি অভিযানের পর থেকেই দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহ তেলআবিবের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা নিতে শুরু করেছিল এবং পরবর্তী এক বছরে সংঘর্ষের পর মধ্যস্থতায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি আনে কয়েকটি আন্তর্জাতিক পক্ষ। তবু সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষিতে ফের উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

  • শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধ হলে মালিক ও সরকারের কাছ থেকে সব দাবি আদায় সম্ভব: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

    শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধ হলে মালিক ও সরকারের কাছ থেকে সব দাবি আদায় সম্ভব: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, শ্রমিক-কর্মচারীরা যদি এক হয়ে দাঁড়ায়, তা হলে মালিকপক্ষ থেকে তাদের সব বৈধ দাবি আদায় করা সম্ভব। কিন্তু বিচ্ছিন্ন হলে দাবি আদায়ে বাধা পাওয়া যায়। মোংলা বন্দর ও শিল্পাঞ্চলের প্রাণ হলো শ্রমিক-কর্মচারীরা; তারা না থাকলে বন্দর, শিল্পাঞ্চল এবং কলকারখানা চলবে না। তাই শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে—এটাই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

    তিনি বলেন, শ্রমিকদের ერთად থাকা মালিক ও সরকারের কাছে চাপ সৃষ্টি করে এবং তা থেকেই ন্যায্য অধিকার আদায় করা সহজ হয়। কিছু অসাধু চক্র শ্রমিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং তা থেকে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে চায়; তাই শ্রমিকরা বিভক্ত না হয়ে একাত্মতা বজায় রাখুন। বর্তমান সরকার শ্রমিকবান্ধব নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং শ্রমিকদের যে কোনো যৌক্তিক দাবির প্রতি সংবেদনশীল।

    শুক্রবার (১ মে) বিকেলে মোংলায় মহান মে দিবস উপলক্ষে মোংলা বন্দর শ্রমিক-কর্মচারী সংঘ চত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রমিক নেতা মোঃ আলাউদ্দিন। বিশেষ অতিথির তালিকায় ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ জুলফিকার আলী, থানা বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল মান্নান হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নাছির তালুকদার ও গোলাম নুর জনি, যুবদল নেতা ইমান হোসেন রিপন ও এম.এ. কাশেম। স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতারা ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনা সভায় শ্রমিক নেতারা মোংলা বন্দরের কর্মক্ষেত্রে চালু থাকা বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন এবং শ্রমিকদের আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। তারা উল্লেখ করেন যে মূল্যবৃদ্ধির বর্তমান প্রসঙ্গে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, মজুরি সমন্বয় ও কর্মস্থলে সুরক্ষা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এ কারণে মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণের ব্যাপারে সুদক্ষ নজরদারি দাবি করা হয়।

    প্রতিমন্ত্রী এবং বৈঠকে উপস্থিত অন্যান্য নেতারা শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান ও মালিকপক্ষ ও সরকারের কাছে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়।

  • খুলনা প্রেসক্লাবে নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবে নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মোস্তফা সরোয়ার এবং নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম বিদায়ী অন্তর্বতীকালীন কমিটির আহবায়ক এনামুল হক ও সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুলের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

    দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানটি ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নির্বাচিত কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোহরাব হোসেন ও মো. জাহিদুল ইসলাম। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেলেন বিমল সাহা, যুগ্ম-সম্পাদক হয়েছেন মো. বেল্লাল হোসেন সজল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ মিলন এবং পাঠাগার, প্রকাশনা ও তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব পেলেন বশির হোসেন।

    কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মো. মাকসুদুর রহমান মাকসুদ, কাজী মোতাহার রহমান, মহেন্দ্রনাথ সেন, সোহেল মাহমুদ ও কে এম জিয়াউস সাদাত। অনুষ্ঠানে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, ক্লাব পরিচালনা ও সাংগঠনিক কাজগুলো দ্রুত ও সুচারুভাবে বাস্তবায়নের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সাহেব আলী এবং হাসান আহামেদ মোল্লা, ক্লাবের সদস্য ও দৈনিক পূর্বাঞ্চল সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সনি, সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ আবু তৈয়ব ও সদস্য আতিয়ার পারভেজ। অন্যান্য উপস্থিত অতিথির মধ্যে ছিলেন মাহবুবুর রহমান মুন্না, এস এম কামাল হোসেন, এস এম নূর হাসান জনি, গাজী মনিরুজ্জামান, শেখ আল এহসান, উত্তম মণ্ডল, দীলিপ কুমার বর্মন, ইয়াসীন আরাফাত রুমী, মো. হেলাল মোল্লা, আব্দুর রাজ্জাক রানা, খলিলুর রহমান সুমন, নাজমুল হক পাপ্পু, আলমগীর হান্নান, সুনীল কুমার দাস, মো. জাকারিয়া হোসেন তুষার, শেখ জাহিদুল ইসলাম, মো. সোহেল রানা, এস এম সাইফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ মাসরুর মুর্শেদসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানটি শেষে নবনির্বাচিত কমিটি ক্লাবের কল্যাণ, সাংবাদিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং পেশাগত অগ্রগতির লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার অভিমত ব্যক্ত করেন।

  • বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যাটিংয়ে ধসায় বিপাকে বাংলাদেশ

    বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যাটিংয়ে ধসায় বিপাকে বাংলাদেশ

    চতুর্থ ওভার শেষে শুরুটা ছিল আশাব্যঞ্জক—তবে পরের ওভারগুলোর ধাক্কায় বাংলাদেশ চাপে পড়েছে এবং ছয় দশমিক চার ওভারে ঝুম বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ওই সময়ে স্কোর ছিল ৫০/৩; লিটন দাস অপরাজিত ২৫ ও তাওহীদ হৃদয় ২ রানে ছিলেন।

    পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের অবস্থাই ভয়াল ছিল—পাওয়ার প্লে শেষে সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৪৩ রান। কিন্তু প্লে-র শেষের আগে মাত্র ১০ বলের মধ্যে ১৪ রানে তিনটি উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে পড়ে দলটি।

    ম্যাচ শুরুতে ৩ ওভার শেষে বাংলাদেশ কোনো উইকেট না হারিয়েই ২১ রান তুলেছিল। দ্বিতীয় ওভারে সাইফ হাসানের এক ডাবল বাউন্ডারি ছিল দলের আগে যাওয়ার বড় অংশ। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে জেডন লেনক্স সাইফকে ফেরান; তাতে দলীয় স্কোর তখন ২১ এবং সাইফ ১১ বলে ১৬ রান করছিলেন। একই ওভারেই লিটন দাস তিন বলেই চার ও ছক্কায় ১২ রান যোগ করেন।

    পরের ওভার থেকেই ভাঙন শুরু হয়। পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে নাথান স্মিথ তানজিদ হাসান তামিমের স্টাম্প ভেঙে দেন। পরের বলেই পারভেজ হোসেন ইমন একটি ক্যাচ দিয়ে ফেরেন—ইশ সোধির হাতেই ক্যাচটি জমা পড়ে। তাওহীদ হৃদয় তখন কিউই পেসারকে হ্যাটট্রিক করতে দেননি, কিন্তু দ্রুত তিন উইকেট হারানো বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কা ছিল।

    এর আগে টস জিতে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক নিক কেলি ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন, ফলে বাংলাদেশ আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। একাদশে ফিরেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন; তানজিম হাসান সাকিব পিঠের চোটের কারণে absent থাকায় তাঁর জায়গায় তিনি খেলছেন।

    সিরিজ রেসকিউরক্ষার জন্য নিউজিল্যান্ডও একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছে—বেন লিস্টার ও ম্যাট ফিশারের জায়গায় জেডন লেনক্স ও বেন সিয়ার্সকে ধারাও করা হয়েছে।

    পেছনের দুই ম্যাচ চট্টগ্রামে হয়েছিল; সিরিজের সূচনা হয়েছিল এক দলই ৬ উইকেটে জয় দিয়ে, কিন্তু দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছিল। আজও একই রকম আবহাওয়া ম্যাচের গতিকে প্রভাবিত করেছে এবং বৃষ্টির পরে খেলা কীভাবে এগোবে তা নিয়েই অপেক্ষা চলেছে।

    বাংলাদেশ একাদশ: লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, রিপন মন্ডল।

    নিউজিল্যান্ড একাদশ: টিম রবিনসন, কাটেনে ক্লার্ক, ড্যান ক্লেভার, নিক কেলি (অধিনায়ক), বেভন জ্যাকবস, ডিন ফক্সক্রফট, জশ ক্লার্কসন, নাথান স্মिथ, ইশ সোধি, জেডন লেনক্স, বেন সিয়ার্স।

  • ডিপিএলে ড্রেসিংরুমে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ

    ডিপিএলে ড্রেসিংরুমে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ

    ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ (ডিপিএল) ২০২৫-২৬ মৌসুমের খেলা মাঠে গড়াচ্ছে ৪ মে থেকে এবং এই আসরের ম্যাচসমূহ ১১ জুন পর্যন্ত চলবে। রবিবার নয়—গত শুক্রবার ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস (সিসিডিএম) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ফরম্যাট ও সূচি সম্পর্কিত বিস্তারিত ঘোষণা করেছে।

    শনিবার (০২ মে) অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ মরসুমের স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের নামও প্রকাশ করা হয়। একই অনুষ্ঠানে বিসিবির অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, এবারের লিগ চলাকালীন ড্রেসিংরুমে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। তামিম আরও বলেন, “ঢাকা লিগে কেউ ড্রেসিংরুমে ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। মাঠে ঢুকেই ফোন জমা দিতে হবে।”

    তামিম প্রতিযোগী ক্লাবগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, মরশুম শুরু হওয়ার প্রথম কয়েকদিনে ক্লাবগুলোকে ডেকে তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে এবং নিশ্চিত করা হয়েছে যে অপ্রত্যাশিত পুরনো অনুশীলনগুলো আর পুনরাবৃত্তি হবে না। ‘‘সবকিছু ঠিকঠাকভাবে পরিচালিত হবে—এটাই আমাদের চেষ্টা,’’ যোগ করেন তিনি।

    অ্যাড-হক কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই লিগ পুনরায় সচল করার লক্ষ্যে কাজ করছেন তামিম। তিনি জানান, ‘‘যখন আমরা দায়িত্ব নিয়েছি, আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ ছিল কিভাবে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগসহ অন্যান্য লিগগুলো মাঠে ফিরিয়ে আনা যায়।’’ তিনি লিগকে বাংলাদেশের ক্রিকেটিং ইকো-সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘‘এটি আয়োজন করা চ্যালেঞ্জিং ছিল, কারণ গত কয়েক মাস ধরে ক্রিকেট প্রায় থেমে ছিল।’’

    মোটকথা, এবারের ডিপিএলে নিয়মনীতির কড়াকড়ি, বিশেষত ড্রেসিংরুমে ফোন নিষেধাজ্ঞা, খেলার মান ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।

  • ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর কাবিলা জিয়াউল হক পলাশ: এবার সিনেমা পরিচালনায়

    ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর কাবিলা জিয়াউল হক পলাশ: এবার সিনেমা পরিচালনায়

    টেলিসিরিজ ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর কাবিলা চরিত্রে এতটাই জনপ্রিয় হয়েছেন জিয়াউল হক পলাশ যে দর্শকরা মাঝে মাঝে তাঁর প্রকৃত নামই ভুলে যান। কাবিলা নামেই এখন তিনি পরিচিতি পেয়েছেন। তবু শোবিজে আসার মূল ইচ্ছেটা ছিল পরিচালনা—আর সেই স্বপ্ন এখনও জীবিত রেখেছেন পলাশ। এবার তিনি স্পষ্ট করে বললেন, বড় পর্দারও দিকে ঝুঁকবেন।

    রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ শিরোনামের পডকাস্টে অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে পলাশ জানান, তিনি সিনেমা পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যে দুটি গল্পের খসড়া গুছিয়ে রেখেছেন। তবে সরাসরি সিনেমা করার আগে ধাপে ধাপে কিছু প্রকল্প বাস্তবায়ন করবেন—একটি ফিকশন নাটক, একটি ওয়েব ফিল্ম এবং একটি ওয়েব সিরিজ তিনি পরিচালনা করবেন; এরপরই বড় পর্দার কাজ হাতে নেবেন।

    পডকাস্টটিতে পলাশের কথাগুলো থেকে বোঝা গেল, তিনি অভিনয় ও পরিচালনা দুইই সমন্বয় করে শিল্পজীবন গড়ে তুলতে চান। নির্মাণের আগেভাগেই বিভিন্ন জিনিস যাচাই করে নিতে চান; তাই প্রথমে ছোট পরিসরের প্রকল্পগুলো হাতে নিয়ে শৈল্পিক ও বাস্তব অনুশীলন করবেন।

    জেড আই ফয়সাল প্রযোজিত এই বিশেষ পডকাস্টটি আজ শনিবার (২ মে) রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশন ও রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএম-এ একযোগে প্রচারিত হবে।

    শোবিজের পাশাপাশি পলাশের সমাজসেবামূলক কাজও চোখে পড়েছে। তিনি প্রতিষ্ঠিত ‘ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে চট্টগ্রামে ব্রেস্টফিডিং সেন্টার ‘যতন’ নির্মাণ করছেন, যার কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। পডকাস্টে তিনি এই মানবিক প্রজেক্টের কার্যক্রম, উদ্দেশ্য এবং সেবার ধরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

    অভিনয়ে পরিচিত কাবিলা, কিন্তু পরিকল্পনায় পরিচালক—পলাশের এই পদক্ষেপ শোবিজে তার জগতকে আরও বিস্তৃত করবে বলে মনে করছেন অনেকে।