Blog

  • খুলনায় ‘মীম রেস্টুরেন্ট এন্ড কফি হাউজ’ এর উদ্বোধন

    খুলনায় ‘মীম রেস্টুরেন্ট এন্ড কফি হাউজ’ এর উদ্বোধন

    খুলনায় নতুন ও আধুনিক খাবারের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ‘মীম রেস্টুরেন্ট এন্ড কফি হাউজ’ এর শুভ উদ্বোধন হয়েছে। আজ রোববার (৫ এপ্রিল ২০২৬) এই রেস্টুরেন্টটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয় নর্দান ইউনিভার্সিটির সামনে, নতুন জেলখানা সংলগ্ন খুলনা সিটি বাইপাস এলাকায়।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নর্দান ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার লে: কর্নেল ইমাম আহসান (অবঃ), ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. সেলিম খান, প্রজেক্ট ডিরেক্টর মো. সেলিম চৌধুরী, গণসংযোগ কর্মকর্তা হামিম রাহাতসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীবৃন্দ, সোনাডাঙ্গা কাচাবাজারের মালিক সমিতির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, এছাড়াও ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, গোনা অতিথি ও স্থানীয় বাসিন্দারা। অতিথিরা ফিতা কেটে এই রেস্টুরেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

    অতিথিরা রেস্টুরেন্টটির আধুনিক নির্মাণ, মনোরম পরিবেশ ও খাবারের মানের প্রশংসা করেন। ব্যবসায়ী আহাদ বিশ্বাস বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো গ্রাহকদের সর্বোচ্চ মানের খাবার ও সেরা সেবা প্রদান করা। তিনি আরও বলেন, এই রেস্টুরেন্ট যেন সবার পছন্দের জায়গা হয়ে দাঁড়ায়।

    ‘মীম রেস্টুরেন্ট এন্ড কফি হাউজ’-এ পাওয়া যাবে বিভিন্ন ধরনের ফাস্ট ফুড, কফি, মিল্কশেক, আইসক্রিম, ডেজার্টসহ সকাল, দুপুর ও রাতের দেশীয় খাবার। অনুষ্ঠানের শেষ দিকে দোয়া পরিচালনা করেন মদিনা নগর মসজিদের খতিব মুফতি আরিফ বিল্লা।

  • র‌্যাব বিলুপ্তির দাবি প্রসঙ্গে মহাপরিচালকের আপ্রাণ স্পষ্টতা

    র‌্যাব বিলুপ্তির দাবি প্রসঙ্গে মহাপরিচালকের আপ্রাণ স্পষ্টতা

    নবনিযুক্ত র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাবের মতো একটি শক্তিশালী সংস্থার প্রয়োজন রয়েছে। তবে, এই বাহিনীটির কার্যক্রম রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল হাত থেকে পরিচালিত হবে এবং সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে।

    রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক স্পেশাল মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। মহাপরিচালক মনে করেন, যদি সঠিকভাবে ও স্বচ্ছভাবে র‌্যাব পরিচালিত হয়, তাহলে সাধারণ জনগণের মধ্যে বাহিনীর সম্পর্কে আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।

    র‌্যাবের বিলুপ্তির দাবির বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে সরকারের উপর নির্ভর করে। বর্তমানে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা কাজ করে যাবে। তিনি আরও বললেন, গত দেড় বছর ধরে র‌্যাবের মধ্যে কোনো নেতিবাচক বা বিতর্কিত কার্যক্রম ঘটেনি, এবং সরকার নির্ধারিত পথে পেশাদারিত্বের সাথে সংগঠনটি পরিচালিত হচ্ছে।

    বৃহৎ দিনের কার্যক্রমের বিচার-বাদী প্রক্রিয়ার ব্যাপারে আহসান হাবীব পলাশ জানান, র‌্যাব সব ধরনের তদন্ত ও তদন্তকার্য সহযোগিতা নিশ্চিত করছে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং স্বচ্ছতার জন্য র‌্যাব পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জানান, সারা দেশে জলদস্যুদের বিস্তার বাড়ার বিষয়ে তারা অবগত রয়েছেন এবং এ বিষয়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি সরাসরি জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসবাদের অস্তিত্ব নিয়ে মন্তব্য না করলেও আশ্বস্ত করেন যে, জননিরাপত্তার জন্য যে কোনো হুমকি বা অপতৎপরতা দমন করতে র‌্যাব সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

  • ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া থেকে রক্ষায় শনিবার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শুরু

    ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া থেকে রক্ষায় শনিবার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শুরু

    ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে দেশব্যাপী ঘোষণা করা হয়েছে ‘প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা দিবস’ নামে একটি কর্মসূচি। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নগরীজুড়ে বিশেষভাবে পরিচ্ছন্নতা এবং মশক নিধন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। খুলনা সূর্য্যর আলোকে দেখে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় গৃহীত এই কর্মসূচির আওতায় শনিবার নগরীর খালিশপুর অঞ্চলে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। নগরীর ১২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রভাতী মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন স্থানে এ কর্মসূচির আওতায় মোছার কাজ চালানো হয়। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) কঞ্জারভেন্সি বিভাগ এই কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিচ্ছে। এর সময় স্থানীয় মানুষ ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু জানান, নগরীর স্বস্তির জন্যই এই উদ্যোগ। একটি পরিষ্কার, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, বর্ষা মৌসুমের আগে খালগুলি পরিষ্কার করে জলজটের সমস্যা এড়ানো হবে। ড্রেন ও জলজট রোধে দুই মাসের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিমান আনেন। নগরবাসীর প্রতি তিনি আহ্বান জানান, ড্রেনে বর্জ্য না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা, পানির জমাট বাধার পরিস্থিতি তৈরি এড়ানো। এক্ষেত্রে সবাইকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান তিনি। পাশাপাশি বলে, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া মোকাবিলায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের জোরালো অভিযানে পৌরবাসীকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ড্রেন, নালা, আবর্জনা স্তূপ ও মশার প্রজননস্থল হিসেবে পরিচিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো পরিষ্কারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি, বাসার আঙ্গিনা পরিচ্ছন্ন রাখা, ফুলের টব, ড্রাম, পুরানো বালতি ও পরিত্যক্ত টায়ারে যাতে পানি না জমে তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। কেসিসির বিভিন্ন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এই কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন। পরে, কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন, যেমন পোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গলি, এস লাইনের মসজিদ, গোয়ালখালীর এলাকাসহ জলাবদ্ধ এলাকা ও উন্নয়ন কাজের প্রগতি দেখেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নগরীর নাগরিকেরা সচেতন থাকবেন এবং ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া থেকে রক্ষা পাবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

  • বিএনপি সরকার গুম, খুন ও অমানুষিক নির্যাতনের শিকার মানুষের কল্যাণে কাজ করে প্রতিশ্রুতি দেয়

    বিএনপি সরকার গুম, খুন ও অমানুষিক নির্যাতনের শিকার মানুষের কল্যাণে কাজ করে প্রতিশ্রুতি দেয়

    জেলা পরিষদের উদ্যোগে সম্প্রতি ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে গুম, খুন এবং অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হওয়া পরিবারগুলোকে Unterstützung দেওয়ার লক্ষ্যে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার এক আবেগঘন অনুষ্ঠানে শহীদ ও নির্যাতিত পরিবারের সদস্যদের প্রতি দেশনেতা তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এক গভীর শ্রদ্ধা ও সমবেদনা জানান হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, গত ১৭ বছর ধরে সারাদেশে যে গুম, খুন ও অস্থিরতার সংস্কৃতি চালু করা হয়েছিল, এর মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করা। এই দীর্ঘ দুঃস্বপ্নের অবসান ঘটিয়ে আজ আমরা মুক্তির নিশ্বাস নিতে পারছি, এ সবের পেছনে অসংখ্য ভাই-বোনের রক্ত ও স্বজনের চোখের জল আছে।

    শনিবার দুপুর ১২টায় হোটেল ওয়েস্টার্ন ইন-এ খুলনা জেলা পরিষদ ও জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে শহীদ ও নির্যাতিত পরিবারের মাঝে সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, এবং পরিচালনা করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মমিনুর রহমান।

    এ অনুষ্ঠানে খুলনা মহানগর ও জেলার মোট ৭৩টি পরিবার—the তার মধ্যে ২৩টি শহীদ পরিবার ও ৫০টি নির্যাতনে আহত ও অসুস্থ পরিবারের—প্রতিটিকে আর্থিক সহায়তার লক্ষ্যে চেক প্রদানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা উল্লেখ করেন, এই সহায়তা কোনো দয়া বা করুণা নয়; এটি ভুক্তভোগী পরিবারের ন্যায্য অধিকার। বক্তারা আরো জানান, যারা সন্তানদের গুম করেছে এবং মায়ের কোল খালি করেছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং বাংলার মাটিতে প্রতিটি খুনের বিচার নিশ্চিত করা হবে।

    প্রেসক্লাব বলেন, বিগত সরকার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দেয় এবং জেলা পরিষদকে লুটপাটের কেন্দ্রবিন্দু করে তোলে। আজ যেমন জেলা পরিষদ জনগণের কল্যাণে কাজ করছে, তেমনি জাতীয় প্রকৃতির গৌরব ফিরে আসছে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা।

    অনুষ্ঠানে নিবন্ধিত অতিথিরা এই মানবিক উদ্যোগে জেলা পরিষদকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে একটি বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রকাশ করেন। আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন ও জেলা ড্যাবের সভাপতি ডাঃ রফিকুল ইসলাম বাবলু।

    উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে দিয়ে ৭ লাখ ৩৬ হাজার টাকার চেক উপহার দেওয়া হয়, যা গৃহীত হয় শহীদ ও নির্যাতিত পরিবারের হাতে। এই অনুষ্ঠানে এর মাধ্যমে শহীদ ও নির্যাতিত পরিবারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সমর্থন জানানো হয়।

  • মুক্তিপণ হিসেবে দেড় লাখ টাকা দিয়ে জলদস্যুর হাত থেকে ৬ জেলে ফিরে এলেন বাড়ি

    মুক্তিপণ হিসেবে দেড় লাখ টাকা দিয়ে জলদস্যুর হাত থেকে ৬ জেলে ফিরে এলেন বাড়ি

    সুন্দরবনে জলদস্যুদের অপহরণের শিকার শয়তান আট জেলে তাদের পরিবারের কাছে মুক্তিপণের দাবি করা হয়। এর মধ্যে ছয় জন জলদস্যুদের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে শনিবার ভোরে বাড়িতে ফিরে এসেছে। তাদের মধ্যে আনারুল, ইমরান, সুশান্ত এবং একদিন আগে শুক্রবার সকালে সাদ্দাম, ইউনুস আলী এবং সাইফুল ইসলাম বাড়ি ফিরেছেন। অপহরণকারীরা মুক্তিপণের জন্য প্রত্যেকের পরিবারের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ দাবি করেছিল।

    জেলেদের পরিবার ও স্বজনরা জানিয়েছেন, সাদ্দামের ওপর ৪০ হাজার টাকা, আনারুল, সুশান্ত ও ইমরান যথাক্রমে ৩৫ হাজার করে টাকা এবং ইউনুস আলী ও সাইফুল ইসলামের জন্য প্রায় ২৫ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে এখনও এনামুল ও হযরতসহ অন্য চার জেলের কোনো খোঁজ মেলেনি।

    এদিকে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে সুন্দরবনে চলাচলকারী জেলেরা জানিয়েছেন, ১ এপ্রিল বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার নির্দেশনা দিয়েছেন। তার এই নির্দেশের পর র‌্যাব, কোস্টগার্ড, বিজিবি ও পুলিশের সক্রিয় তৎপরতার কারণে জলদস্যুরা অপহৃত আরও জেলেদের কাছ থেকে নিচের দিকে সরে গেছে। তবে সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন অফিসার মোঃ ফজলুল হক বলেছেন, অপহরণ বা ফিরে আসার বিষয়ে ওইসব পরিবারের কাছ থেকে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

    অপরদিকে, গত ৩০ মার্চ সুন্দরবনের চুনকুড়ি, মালঞ্চ ও মামুনডো নদী থেকে ‘ডন’ ও ‘আলিফ ওরফে আলিম’ বাহিনীর পরিচয়ে আরও চার জেলেকে অপহরণ করা হয়। শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান জানিয়েছেন, সচরাচর জেলেরা এই ধরনের ঘটনার পরে নিজেদের মধ্যেই সমাধানের চেষ্টা করে। তবে জীবনের ঝুঁকি থাকায় তারা পুলিশের কাছে তথ্য দিতে চান না। এরপরও, আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি।

    অন্যদিকে বনবিভাগের এক কর্মকর্তার কথানুযায়ী, সুন্দরবনের নোটাবেঁকী টহল ফাঁড়ির সংলগ্ন অভয়ারণ্য এলাকায় প্রবেশ করে সাতজন মৌয়াল মধু সংগ্রহ করছিলেন। পরে, মধু কাটার অভিযোগে স্মার্ট টহল টিমের সদস্যরা তাদেরকে আটক করে। তবে, নেটওয়ার্কের সমস্যা থাকায় আটকদের নাম বা পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

  • খুলনায় নতুন আধুনিক খাবারের রেস্টুরেন্ট ‘মীম রেস্টুরেন্ট এন্ড কফি হাউজ’ উদ্বোধন

    খুলনায় নতুন আধুনিক খাবারের রেস্টুরেন্ট ‘মীম রেস্টুরেন্ট এন্ড কফি হাউজ’ উদ্বোধন

    খুলনায় নতুন ও আধুনিক ধরনের খাবারের অন্যতম এক প্রতিষ্ঠান ‘মীম রেস্টুরেন্ট এন্ড কফি হাউজ’ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (৫ এপ্রিল ২০২৬) এই রেস্টুরেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিথিরা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নর্দান ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার লে: কর্নেল ইমাম আহসান (অবঃ), ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. সেলিম খান, প্রকল্প পরিচালক মো. সেলিম চৌধুরী, গণসংযোগ কর্মকর্তা হামিম রাহাতসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, এলাকাবাসী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। অনুষ্ঠানে অতিথিরা ফিতা কেটে এই নতুন রেস্টুরেন্টটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকরা রেস্টুরেন্টের আধুনিক সাজসজ্জা, মনোরম পরিবেশ ও খাদ্যের মানের প্রশংসা করেন। ব্যবসায়ী আহাদ বিশ্বাস বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো সর্বোচ্চ মানের খাবার ও সেবা দিয়ে গ্রাহকদের সন্তুষ্ট রাখা। তিনি আশা প্রকাশ করেন ‘মীম রেস্টুরেন্ট’ যেন সকলের পছন্দের স্থান হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠে। এই রেস্টুরেন্টে রয়েছে নানা ধরনের ফাস্ট ফুড, কফি, মিল্কশেক, আইসক্রিম, ডেজার্টসহ দিনভর tradicional দেশীয় খাবার। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মদিনা নগর মসজিদের খতিব মুফতি আরিফ বিল্লা দোয়া পরিচালনা করেন। এই নতুন উদ্যোগটি খুলনার জনগণের জন্য একটি নতুন স্বাদ ও স্বস্তির বার্তা হিসেবে এসেছে।

  • র‌্যাবের বিলুপ্তির দাবি নিয়ে মহাপরিচালকের প্রতিক্রিয়া

    র‌্যাবের বিলুপ্তির দাবি নিয়ে মহাপরিচালকের প্রতিক্রিয়া

    নবনিযুক্ত র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র‌্যাবের মত একটি শক্তিশালী সংগঠনের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, বাহিনীটি রাষ্ট্রের নিয়মিত দায়িত্বশীল ভূমিকা থেকেই তার কার্যক্রম পরিচালনা করবে। রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। মহাপরিচালক বিশ্বাস করেন, সঠিকভাবে এবং স্বচ্ছতার সাথে পরিচালিত হলে সমাজের মধ্যে র‌্যাবের গ্রহণযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি পাবে। প্রভাবশালী এই বাহিনী বিলুপ্তির দাবি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি বললেন, এটি সম্পূর্ণরূপে সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে। বর্তমান সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাবেন তারা। তিনি আরো বলেন, গত দেড় বছর ধরে র‌্যাবের মধ্যে কোন নেতিবাচক বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ঘটেনি এবং তারা সরকার নির্ধারিত পদ্ধতিতে পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করে চলেছেন। কোনো বিচারিক कार्य বা তদন্তের ক্ষেত্রে র‌্যাব সহযোগিতা প্রদান করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার জন্য তারা অঙ্গীকারাবদ্ধ। দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন মহাপরিচালক জানান, সারা দেশে জলদস্যুদের বিস্তার বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়ে তারা অবগত আছেন এবং এ বিষয়ে করণীয় শুরু হয়েছে। জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে তিনি সরাসরি মন্তব্য না করলেও আশ্বস্ত করে বলেন, জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ যেকোনো অপতৎপরতা বা

  • ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে শনিবার পরিচ্ছন্নতা দিবসের উদ্যোগ

    ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে শনিবার পরিচ্ছন্নতা দিবসের উদ্যোগ

    ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া আক্রান্তের সংখ্যা কমাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা হিসেবে পালন করা হচ্ছে “প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা দিবস”। এর অংশ হিসেবে নগরীজুড়ে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হচ্ছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো মশক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

    সম্প্রতি খুলনা নগরীতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গৃহীত এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে শনিবার খালিশপুর এলাকায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান চালানো হয়। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর ১২নং ওয়ার্ডে অবস্থিত প্রভাতী মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় উপস্থিত হয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। কেসিসি’র কঞ্জারভেন্সী বিভাগ এই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

    অভিযান চলাকালে নগরীর জনসাধারণ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে কেসিসি প্রশাসক বলেন, নগরবাসীর স্বস্তি ও সুস্বাস্থ্যের জন্য এ ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, নগরীর খাল গুলি পরিষ্কার করার জন্য দুই মাসের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে যাতে বর্ষা মৌসুমের আগেই ড্রেনগুলো সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে যায়। বর্ষার প্রবেশের আগে এসব ড্রেনে বর্জ্য ও জলজটের সমস্যা এড়ানোর জন্য তিনি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা চেয়েছেন। নাগরিকদের সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বাড়ির আঙ্গিনা, ফুলের টব, ড্রাম, বালতি বা পরিত্যক্ত টায়ার যেন পানি না জমে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। এই সচেতনতা ও সহযোগিতার মাধ্যমেই একটি সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলা সম্ভব।

    উল্লেখ্য, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোধে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ইতোমধ্যে বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করেছে এবং নাগরিকদের সম্পৃক্ত করে টেকসই প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নয়ন করছে। বিশেষ করে ড্রেন, নালা, আবর্জনার স্তূপ ও মশার প্রজননস্থল হিসেবে পরিচিত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। এই প্রচেষ্টার পাশাপাশি, নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, ফুলের টব, ড্রাম, বালতি বা পরিত্যক্ত টায়ার থেকে পানি নিষ্কাশনের বিষয়েও সবাইকে সচেতন করা হচ্ছে।

    কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মোঃ মাসুদ করিম, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান, মোঃ অহিদুজ্জামান খান, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম এবং সংশ্লিষ্ট স্থানীয় কর্মকর্তারা এই অভিযান ও সচেতনতামূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

    অপর দিকে, কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন, যেমন পোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিপরীত গলি, এস লাইনের মসজিদ, গোয়ালখালী, বাস্তুহারা, বিড়োরা হাউজিং এস্টেটের সড়ক ও ক্ষুদে খালের অবশিষ্ট অংশে চলমান উন্নয়ন কাজ। এর মাধ্যমে তিনি নগরীর বিভিন্ন অংশের পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন।

  • করদাতাদের জন্য বছরব্যাপী আয়কর রিটার্ন জমার সুযোগ

    করদাতাদের জন্য বছরব্যাপী আয়কর রিটার্ন জমার সুযোগ

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান জানিয়েছেন, এখন থেকে করদাতারা সারা বছরই তাদের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, যারা আগে সময়মতো রিটার্ন জমা দেবেন, তারা এই পরিবর্তনের মাধ্যমে বিশেষ সুবিধা পাবেন। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এ তথ্য তিনি প্রকাশ করেন। এনবিআর চেয়ারম্যান ব্যাখ্যা করেন, আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াটি এখন চার ধাপে বিভক্ত করা হয়েছে, যাতে প্রক্রিয়াটি আরও সহজে সম্পন্ন করা যায়।

    এছাড়া, চলতি অর্থবছরে লক্ষ্য অর্জনের আশায় তিনি বলছেন, আসন্ন তিন মাসে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে তিনি কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করছেন। সাধারণত, প্রতি বছর জুনের মধ্যে পরবর্তী নভেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও, চলতি বছর নির্ধারিত সময়সীমা বৃদ্ধি করে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রিটার্ন দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে করদাতাদের জন্য ঝামেলা কমিয়ে আনা এবং আয়কর বিভাগের কাজের মান উন্নয়ন করতে আশা করা হচ্ছে।

  • ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স মার্চে এসেছে

    ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স মার্চে এসেছে

    দেশে সদ্য সমাপ্ত মার্চ মাসে প্রবাসীরা বিভিন্ন দেশের থেকে পাঠিয়েছেন ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স, যা মোট ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা পৌনে ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। গত মার্চে প্রবাসীরা এভাবে বিশাল অঙ্কের ডলার পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

    এটি পূর্ববর্তী মাস ফেব্রুয়ারির চেয়ে প্রায় ৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার বেশি, যেখানে রেমিট্যান্স ছিল ৩০২ কোটি ডলার। পূর্বের বছর মার্চের তুলনায় (২০২৪) এবছর বেশি পাঠানো হয়েছে, সেটি ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। অন্যদিকে, মার্চ ২০২৩ সালে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩২৯ কোটি ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশ ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পেয়েছে এখন পর্যন্ত গণবছরের মার্চ মাসে, যেখানে প্রবাসীরা বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন মোট ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ডিসেম্বর মাসে, যেখানে মোট এসেছে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। তৃতীয় স্থানে রয়েছে জানুয়ারি, যেখানে এসেছে ৩১৭ কোটি ডলার।

    খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মার্চ মাসে ঈদ উৎসবের কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ে, যা স্বাভাবিক একটি প্রবণতা। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে এখনো কাজের সুযোগ রয়েছে, ও বেকারত্বের হার বেশি নয়। পাশাপাশি জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি না পাওয়ায় প্রবাসীরা সহজে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারছেন।

    তথ্য বলছে, সদ্য শেষ হওয়া মার্চ মাসে দেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো দিয়ে এসেছে ৬৪ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য দুই ব্যাংক হলো কৃষি ব্যাংক, যা পাঠিয়েছে ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ ডলার, এবং অন্যান্য ব্যাংকগুলো দ্বারা এসেছে মোট ২৬৪ কোটি ডলার। এছাড়া, বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন এক কোটি ২০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স।