Blog

  • ঢালিউদের কিংবদন্তি অভিনেতা ও নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন

    ঢালিউদের কিংবদন্তি অভিনেতা ও নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন

    ঢালিউডের সোনালী যুগের জনপ্রিয় নায়ক ও উজ্জ্বল নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করার পরে ৮২ বছর বয়সে আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

    মৃত্যুর সংবাদ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। পরিচালক-মঞ্চ ও রুপালি পর্দার বহু স্মরণীয় образ করে রাখা এই তারকা ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে পরিবার পাঞ্জাবে গেলে, পরে কর্মজীবন তাকে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে টেনে আনে।

    পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ইলিয়াস জাভেদ ক্যানসারে ভুগছিলেন এবং নানা শারীরিক জটিলতায় পড়ছিলেন। গত বছরের এপ্রিলেও তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। স্ত্রী ডলি চৌধুরী জানিয়েছেন, আজ সকালে তার শারীরিক অবস্থা হঠাৎ মারাত্মকভাবে খারাপ হয়। কিছুদিন ধরে বাসায় চিকিৎসক ও দুই নার্স এসে তার সেবা করছিলেন; আজ সকালে নার্সরা এসে জানান তাঁর শরীর ঠাণ্ডা হয়ে গেছে। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ইলিয়াস জাভেদের চলচ্চিত্র যাত্রা শুরু হয় নৃত্য পরিচালনায়; পরে নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে ১৯৬৪ সালের উর্দু ছবি ‘নয়ী জিন্দেগি’ দিয়ে। কিন্তু সত্যিকারের খ্যাতি আসে ১৯৬৬ সালের ‘পায়েল’ ছবির মাধ্যমে, যেখানে তিনি বিশিষ্ট অভিনেত্রী শাবানার বিপরীতে অভিনয় করেন। পরিচালক মুস্তাফিজই তাকে ‘জাভেদ’ নামে পরিচিত করেন।

    তার পরবর্তী কয়েক দশকে একের পর এক জনপ্রিয় ও ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দর্শকদের মনে তিনি ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে বিশেষ জায়গা করে নেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বাস্তবে তাঁর নাম ছিল রাজা মোহম্মদ ইলিয়াস। ক্যারিয়ারে তিনি শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন।

    সত্তর ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে জাভেদ মানেই ছিল ঝড়ো নাচ আর অ্যাকশনের এক অনবদ্য মিশ্রণ। তাঁর প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্রের এক যুগের সমাপ্তি হিসেবে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন গোপনে চিকিৎসা নিলেও তিনি সিনেমাপ্রেমীদের মনে চিরস্মরণীয় হয়ে থেকে যাবেন।

    জাভেদের উল্লেখযোগ্য কিছু চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে: ‘মালেকা বানু’, ‘নিশান’, ‘পাপী শত্রু’, ‘রক্ত শপথ’, ‘সাহেব বিবি গোলাম’, ‘কাজল রেখা’, ‘অনেক দিন আগে’, ‘আজও ভুলিনি’, ‘কঠোর’, ‘মা বাবা সন্তান’, ‘রাখাল রাজা’, ‘রসের বাইদানী’, ‘জীবন সঙ্গী’ ও ‘আবদুল্লাহ’।

    শোকাহত পরিবার ও চলচ্চিত্র সম্প্রদায়ের প্রতি সমবেদনা। detail জানবার ক্ষেত্রেঃ পরিবারের বিবৃতি ও শিল্পী সমিতির আনুষঙ্গিক তথ্য অনুসরণ করা হচ্ছে।

  • ওশিওয়ারায় গুলি ছোড়ায় বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    ওশিওয়ারায় গুলি ছোড়ায় বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে গুলি ছোড়ার ঘটনায় বলিউড অভিনেতা ও চলচ্চিত্র সমালোচক কামাল আর খান (কেআরকে)কে মুম্বাই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাকে শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) আদালতে পাঠানোর কথা জানা গেছে।

    পুলিশ সূত্রে and ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওই এলাকায় চারটি গুলি ছোড়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার ভিত্তিতেই মুম্বাই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং ধাপে ধাপে আলামত সংগ্রহ করে কেআরকে-কে নিশানায় আনে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কেআরকে স্বীকার করেছেন যে গুলিগুলো তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকেই ছোড়া হয়েছিল। তবে তার দাবি, কাউকে আঘাত করার মনোভাব ছিল না। তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন যে বন্দুকটি পরিষ্কার করার পর সেটি ঠিকঠাক কাজ করছে কি না পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে বাড়ির সামনের ম্যানগ্রোভের দিকে গুলি ছোড়েন। কেআরকে বলেছে বাতাসের কারণে গুলিগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশের একটি আবাসিক ভবনে এসে লেগেছে।

    পুলিশ এখন ঘটনার সঠিক কারণ পর উৎপাতের পরিপ্রেক্ষিতে আরও প্রমাণ-তদন্ত করছে এবং কী ধরণের আইনগত গঠন দেখা হবে তা নির্ধারণ করবে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা সিসিটিভি ফুটেজ, শোল্ডার-টু-শোল্ডার সাক্ষ্য ও উদ্ধারকৃত আলামত বিশ্লেষণ করছেন।

    কামাল আর খানকে বলিউডে বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে চেনা যায়। ২০২২ সালে তিনি একটি যৌন হেনস্তার মামলায় গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারকাদের নিয়ে কটাক্ষ ও উসকানিমূলক মন্তব্যের কারণে বিরুদ্ধে একাধিক মানহানি এবং আইনি মামলা রয়েছে। এই প্রেক্ষিত মাথায় রেখে পুলিশ ও আদালত কী পদক্ষেপ নেবেন তা এখন নজরদারি রাজস্ব।

  • ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা প্রার্থী বা এজেন্ট থেকে কোনো সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে না

    ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা প্রার্থী বা এজেন্ট থেকে কোনো সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে না

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ। তিনি নিশ্চিত করেছেন, এই নির্বাচনে প্রার্থী, নির্বাচনি বা পোলিং এজেন্ট, কর্মী বা সমর্থকসহ কেউই কোনও ব্যক্তির কাছ থেকে খাবার, পানীয় বা অন্য কোনো সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন না। বিষয়টি स्पष्ट করে তিনি বলেন, নির্বাচন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এ ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

    গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তাহমিদা আহমদ এসব কথা বলেন। এই সভায় নির্বাচনের জন্য অনুষ্ঠিতব্য ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি ও কর্মাবলির পর্যালোচনা করা হয়। তিনি জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দেশের বিভিন্ন জেলায় মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্র এবং ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষে মোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি, তারা কঠোর প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন, যা নির্বাচন থেকে ৪ থেকে ৫ দিন আগে শেষ করতে হবে।

    নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ভোটগ্রহণে যোগ্য ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের নির্বাচন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে, যাতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ থাকে। প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য হলো ভোটের শৃঙ্খলা বজায় রাখা, ব্যালট পেপার ব্যবস্থাপনা, ভোট গণনা ও ফলাফলের সঠিক প্রেরণার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান।

    তিনি নির্দেশ দেন, বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের বাদ দিয়ে স্বচ্ছ প্যানেল প্রস্তুত করতে হবে। তবে, কোথাও প্রয়োজন অনুযায়ী যাচাইবাছাই সাপেক্ষে বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে এই বিষয়টি পুরোপুরি স্বচ্ছ ও নিয়ম মাফিক করতে হবে।

    উল্লেখ্য, ভোটগ্রহণের আগের দিন ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে আনুষ্ঠানিক প্রচার, এবং ভোটগ্রহণ হবেন ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সকল কর্মকর্তাকে এই সময়ের মধ্যে প্রশিক্ষণ শেষ করতে বলা হয়েছে, যাতে তাঁরা নির্বাচন আইনের নির্দেশনা, আচরণবিধি ও অন্যান্য কার্যক্রম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে পারেন।

  • যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সব দলের সঙ্গে কাজ করতে চায়: রাষ্ট্রদূত

    যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সব দলের সঙ্গে কাজ করতে চায়: রাষ্ট্রদূত

    ঢাকায় নবনিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, তিনি বাংলাদেশের সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালেই মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

    রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, তিনি আজকের বৈঠকে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের মতামত শুনেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অগ্রগতির মূল অংশীদার হিসেবে তারা দেশের উন্নয়নে সক্রিয় সহযোগিতা করতে চান।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সকাল ৮টায় রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াতের কার্যালয়ে ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের পলিটিক্যাল ও ইকোনমিক কনসোলার মি. এরিক গিলম্যান, পাবলিক অফিসার মিস মনিকা এল সাই, পলিটিক্যাল অফিসার মি. জেমস স্টুয়ার্ট ও পলিটিক্যাল স্পেশালিস্ট ফিরোজ আহমেদ।

    বৈঠকে তারা বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, শিল্প ও বাণিজ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, রোহিঙ্গা ইস্যুসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

    অতিথিরা উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় জামায়াতের ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করছেন। তারা ভবিষ্যতেও দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    বৈঠকে জামায়াতের আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন এবং জামায়াতের আমিরের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাসান।

  • শাহ মখদুমের মাজারে জিয়ারত করলেন তারেক রহমান রাজশাহী পৌঁছেছেন

    শাহ মখদুমের মাজারে জিয়ারত করলেন তারেক রহমান রাজশাহী পৌঁছেছেন

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আজ রাজশাহীতে এসে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিকেল পৌনে দুইটার দিকে তিনি হযরত শাহ মখদুমের (রহ.) মাজারে জিয়ারত করেন। এর আগে দুপুর ১২টার পর রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে তার বহনকারী ফ্লাইট অবতরণ করে।

    বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, আজকের নির্বাচনী জনসভায় রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৩টি নির্বাচনী এলাকার নেতা ও দলের কর্মীরা অংশ নেবেন। ওই অনুষ্ঠানে দুপুর ২টায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন বলে জানা গেছে। এই জনসভাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি দেখা গেছে এবং তারা ইতিমধ্যে রাজশাহীতে উপস্থিত হয়েছেন।

    ২০০৪ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের এক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে রাজশাহীতে আসার পর দীর্ঘ ২২ বছর পর তারেক রহমানের এই প্রথম শহরে এলো। তার এই আগমনে প্রায় চারদিকে ব্যাপক আতশবাজি, শোভাবর্ধন ও নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার ভারি ধোঁয়া দেখা গেছে, যা জেলাজুড়ে উৎসাহের সৃষ্টি করেছে।

  • শেখ হাসিনা, কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, শুনানি ৮ ফেব্রুয়ারি

    শেখ হাসিনা, কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, শুনানি ৮ ফেব্রুয়ারি

    রাজধানীর কল্যাণপুর এলাকার জাহাজবাড়িতে পরিচালিত এক প্রতিষ্ঠিত ‘জঙ্গি নাটক’ সাজানোর ঘটনা নিয়ে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। একইসঙ্গে এ মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি শুনানি ধার্য করা হয়েছে।

    অভিযুক্তদের মধ্যে সাবেক আইজিপি শহীদুল হক, সাবেক ডিএমপি কমিশনার আসাদুজামান মিয়া, সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম, এবং ডিএমপি মিরপুর বিভাগের সাবেক উপকমিশনার জসীম উদ্দীন মোল্লাসহ মোট ছয়জনের অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- এ কে এম শহীদুল হক, আসাদুজামান মিয়া ও জসীম উদ্দীন মোল্লা।

    আধिकारिक অভিযোগে বলা হয়, ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই রাজধানীর কল্যাণপুরের ‘জাহাজবাড়ি’ নামে একটি বাড়িতে ৯ তরুণকে আটক করে রাখা হয়। পরে সোয়াট ও সিটিটিসি টিম সেখানে প্রবেশ করে গুলি চালিয়ে তাদের হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমেই জঙ্গি হামলার নাটক সাজানোর প্রক্রিয়া চালানো হয়।

    অভিযোগে আরও জানা যায়, এই ঘটনা দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টিকে থাকতে ও ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করতে পুলিশ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিকল্পিতভাবে এই নাটক সাজানো হয়। নিহত ৯ তরুণ বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়, কেউ কেউ ডিবি হেফাজতে দুই থেকে তিন মাস ধরে থাকেন। রাতের বেলায় ব্লক রেডের আড়ালে তাদের জাহাজবাড়িতে নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়।

    প্রসিকিউশনের ভাষ্যে, এই ‘জঙ্গি নাটক’ একটি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসলামিক মতাদর্শে বিশ্বাসীদেরকে ‘জঙ্গি’ হিসেবে চিহ্নিত করে হত্যা করার মাধ্যমে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়, যা মূলত সরকারের রাজনৈতিক স্বার্থে পরিচালিত হয়।

  • ইসির নির্দেশ: ভোটের পোস্টার না মুদ্রণে প্রিন্টিং প্রেসকে অনুরোধ

    ইসির নির্দেশ: ভোটের পোস্টার না মুদ্রণে প্রিন্টিং প্রেসকে অনুরোধ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে দেশের সব প্রিন্টিং প্রেসকে দ্রুত এই ধরনের পোস্টার মুদ্রণ না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো। এই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন সকল রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মনির হোসেন এই চিঠি পাঠান। এতে জানানো হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এরই মধ্যে বিভিন্ন প্রার্থী নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন। তবে, নির্বাচন আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী, নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহার করার অনুমতি নেই।

    বিধি-৭(ক) অনুযায়ী বলা হয়েছে, ‘নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহৃত হবে না।’ সংগত কারণেই, নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে যেন তারা পদক্ষেপ নেন এবং এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করেন। একই সঙ্গে, প্রিন্টিং প্রেসগুলোরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে বলা হয়েছে যাতে তারা কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করতে না পারেন।

    এভাবে, নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগ প্রতিদ্বন্দ্বীদের আচরণ বিধিমালা মানায় উৎসাহ প্রদান করছে এবং নির্বাচনি পরিবেশে সুষ্ঠুতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

  • দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা

    দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বুধবার (২৮ জানুয়ারি) প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান হেফজুল বারী মোহাম্মদ ইকবাল (এইচ বি এম ইকবাল) ও ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ও সাবেক সংসদ সদস্য আবদুস সালাম মুর্শেদীসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলার অনুমোদন দিয়েছে। মামলাগুলোতে প্রিমিয়ার ব্যাংকের বিজ্ঞাপনের নামে মোট ১৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

    দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন জানিয়েছেন, অনুমোদিত মামলাগুলো শিগগিরই আদালতে দাখিল করা হবে। তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে যে অভিযুক্তরা বিজ্ঞাপনী ভেন্ডর প্রতিষ্ঠান মাইন্ডট্রি লিমিটেডের সঙ্গে যোগসাজশ করে ২০২১-২০২২ সালে বিজ্ঞাপন প্রচারের নামে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

    তদন্তে দেখা গেছে, প্রিমিয়ার ব্যাংক বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য মাইন্ডট্রি লিমিটেডকে ১১টি কার্যাদেশে মোট ১৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা প্রদান করে। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিটি চ্যানেলে ১০০ মিনিট করে বিজ্ঞাপন প্রচার করার কথা থাকলেও টেলিভিশনগুলোর ট্রান্সমিশন সার্টিফিকেটে বাস্তবে প্রতিটি চ্যানেলে মাত্র ৫০ মিনিট করে বিজ্ঞাপন প্রচার দেখানো হয়েছে।

    আরও খতিয়ে দেখা গেলে পাওয়া গেছে, উল্লিখিত ১১টি কার্যাদেশের বিপরীতে মাইন্ডট্রি লিমিটেডকে আসলে ৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। বাকি ১৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা আত্মসাত হওয়া হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

    দুদকের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০১১ সালের ৪ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত সময়ে এইচ বি এম ইকবালের নির্দেশে মাইন্ডট্রি লিমিটেডকে বিজ্ঞাপন প্রচারের নামে অগ্রিম হিসেবে মোট ৪৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২৮ হাজার ৪৪৪ টাকা নেওয়ার হিসেব পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২০১১ সালের আগস্ট থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৪২ কোটি ২৯ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৪ টাকা সমন্বয় দেখানো হলেও ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত ৯৬ কোটি ৪১ লাখ ৪১ হাজার টাকা এখনো অসমন্বিত রয়েছে।

    এই ঘটনার প্রেক্ষিতে দুদক সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারায়, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে।

  • নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

    নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

    পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, এখনও দেশে কোনো গণ্ডগোল বা বিশৃঙ্খলা দেখা যাচ্ছে না এবং এই ধরনের কথা যারা বলছে, তারা মূলত আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না এমন দলগুলোই।

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য নির্বাচনী পরিবেশ শৃঙ্খলাবদ্ধ রাখা এবং রাজনৈতিক দলগুলো আপাতত সংযত আচরণ করছে। তবুও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো সহিংসতা ঘটলে তার দায়ভার মূলত ভোটে না থাকা দলগুলোকেই নিতে হবে।

    নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ও সংবাদিকদের বিষয়ে তিনি জানান, সরকার চাইবে যত বেশি সম্ভব পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক আসুক, তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিজের উদ্যোগে কোনো অতিরিক্ত ব্যবস্থা করে অগ্রগতি জনাবে না। ভারত থেকে কেউ ভোট পর্যবেক্ষণের জন্য আসতে চাইলে তাদের ভিসা দেওয়ার ওপর সরকার সহায়তা করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    ভারতীয় কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের দেশে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে তৌহিদ হোসেন বলেন, এটি তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তও হতে পারে। এতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই, তবে এর পেছনে কোনো বিশেষ রাজনৈতিক সংকেত রয়েছে কি না সেটি তিনি নিশ্চিত করে বলেননি।

    দেশে নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি জানান, এখনও তেমন কোনো বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটেনি এবং এ বিষয়ে ভারত সরকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিক কোনো নোটিশও দেয়নি। যখনই নিরাপত্তার অনুরোধ এসেছে, তা পূরণে চেষ্টা করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

    রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা মূলত মিয়ানমারের রাজ্য রাখাইনের বাসিন্দা। কিছু রোহিঙ্গা বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে সৌদি আরবে গেছেন; তবে পাসপোর্ট বা অন্যান্য ছোটখাটো প্রশাসনিক জটিলতা থাকলেই প্রত্যাবাসন আটকে থাকবে—এমনটা হবে না বলে তিনি আশ্বাস দেন।

    চীনের সহায়তায় ড্রোন কারখানা স্থাপনের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোনো দেশের সাহায্য নিতে পারে এবং এ বিষয়কে কেউ যদি নিন্দা করে তাতেই আমরা বিরক্ত থাকব না। একই সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশ নিজস্ব স্বার্থ বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেবে।

    মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেখা করতে ব্যস্ততার কারণে তিনি যেতে পারেননি বলেও জানান তৌহিদ। পাশাপাশি তিনি নিশ্চিত করেন, ওসমান হাদির ভাই ওমর হাদির যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে দ্বিতীয় সচিব হিসেবে নিয়োগ বহাল থাকবে।

  • বিএনপি এতই খারাপ হলে ওই দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি: তারেক রহমান

    বিএনপি এতই খারাপ হলে ওই দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি: তারেক রহমান

    বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, যারা এখন বিএনপিকে দুর্নীতির অভিযোগে আক্রমণ করছে তারা নিজেরাই মিথ্যা বলছে—কারণ ২০০১-২০০৬ সালেও তাদেরই দুইজন মন্ত্রী তখন বিএনপি সরকারের অংশ ছিলেন। যদি বিএনপি এতই দুর্বল ও দুর্নীতিগ্রস্ত হতো, তবে ওই দুই মন্ত্রী কেন তখন পদত্যাগ করে চলে আসেননি? তিনি এ প্রশ্ন তুলেছেন।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা সার্কিট হাউস মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় এসব কথা বলেন তারেক রহমান। বেলা ৪টা ০৩ মিনিটে স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের সঙ্গে মঞ্চে ওঠেন তিনি। বক্তব্য শুরু করার আগে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের মঞ্চে দাঁড় করিয়ে পরিচয় করিয়ে দেন। ৪টা ২৬ মিনিটে উপস্থিত জনতাকে সালাম করে বক্তব্য শুরু করেন এবং ৪টা ৫২ মিনিটে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন। সভার শেষে তার গাড়িবহর গাজীপুরের উদ্দেশে রওনা হয়।

    তারেক রহমান বলেন, তারা (বহির্গামী বলছে) বিএনপি দুর্নীতির চ্যাম্পিয়ন ছিল—তবে ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়া সরকার ক্ষমতায় যাওয়ার পর দেশ দুর্নীতির করাল শাসন থেকে মুক্ত হতে শুরু করে। ওই সময় যে দুই মন্ত্রী ছিলেন, তারা কেন পদত্যাগ করেননি—এই প্রশ্নের মধ্যে সার্বিকতা বোঝানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ওই দুই মন্ত্রী জানতেন যে বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হস্তে ব্যবস্থা গ্রহণ করতেন, তাই তারা তখনই বিএনপির সাথে থাকতে চাননি না।

    অনুষ্ঠানে তিনি অভিযুক্ত দলের বৈরিতার উল্লেখ করে বলেন, আন্তর্জাতিক নানা পরিসংখ্যানও প্রমাণ করে যে আগের স্বৈরাচারি শাসনামলে দেশের দুর্নীতির মাত্রা ছিল খুব বেশি। সেই প্রেক্ষাপটে ২০০১ থেকে বদলে যাওয়া পরিস্থিতির কথা তিনি সামনে তুলেছেন।

    নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান ভোটের দিন কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশ দেন—তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ার পর সকলে কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করে, তারপর লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শুধু ভোট দিয়ে চলে আসলেই হবে না; ভোট পড়া ও ফল রক্ষা নিশ্চিত করতে হবে যেন কেউ ভোট লুট করতে না পারে।

    আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ভোটের পর খাল খনন কর্মসূচিতে আবার সবাইকে দেখতে চান—সেদিন সবাই কোদাল নিয়ে আসবেন এবং তিনি নিজেও সেখানে থাকবেন।

    সভায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা উল্লসিত স্লোগান দিতে থাকেন—‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ ও ‘আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’—এসময় তাকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। মঞ্চে উঠে স্থানীয় নেতারা ময়মনসিংহের তারাকান্দা পৌরসভায় রূপান্তরের দাবি তুলেন।

    তারেক রহমান মঞ্চে ওঠার আগে ধানের শীষ প্রতীকের ২৪ জন প্রার্থী বক্তব্য রাখেন। বক্তাদের মধ্যে ছিলেন ইকবাল হোসেন, সুলতানা আহমেদ বাবু, মোতায়ের হোসেন বাবু, মাহমুদুল হক, ফরিদুল কবির তালুকদার, সিরাজুল হক, মাহবুব রহমান লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু ও লতফুরজ্জামান বাবর। প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব ছিল তা ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান এবং স্লোগান দেন—‘নৌকা গেছে ভারতে, ধানের শীষ গদিতে’।

    লতফুরজ্জামান বাবর সভায় বলেন, আমরা ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসন তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই এবং ভবিষ্যতে তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।