Blog

  • সংবিধান সংস্কারের দাবিতে জামায়েত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের নতুন কর্মসূচি; খুলনায় বিভাগীয় সমাবেশ ২০ জুন

    সংবিধান সংস্কারের দাবিতে জামায়েত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের নতুন কর্মসূচি; খুলনায় বিভাগীয় সমাবেশ ২০ জুন

    সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও গত গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।

    জোটের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, আগামী ১৬ মে রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হবে এবং এরপর ধাপে ধাপে দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলের বৈঠকের পর অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।

    হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘‘সংবিধান সংস্কারের পক্ষে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ রায় দিলেও সরকার সেই রায়কে উপেক্ষা করে যাচ্ছে। নির্বাচনের আগে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তা অমান্য করা হচ্ছে; সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ছলচাতুরি করছে।’’

    তিনি কর্মসূচির বিস্তারিত সূচিও ঘোষণা করেন — ১৬ মে রাজশাহী; ১৩ জুন চট্টগ্রাম; ২০ জুন খুলনা; ২৭ জুন ময়মনসিংহ; ১১ জুলাই রংপুর; ১৮ জুলাই বরিশাল এবং ২৫ জুলাই সিলেটে বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

    সমন্বয়ক জানান, আসন্ন ঈদুল আজহার কারণে মে মাসে কেবল একটি সমাবেশ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঈদের ছুটির পর জুন থেকে পুনরায় অনুষ্ঠানের পরিমাণ বাড়িয়ে পূরোদমে আন্দোলন ও সমাবেশ চালানো হবে। প্রতিটি বিভাগীয় সমাবেশে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সব জেলা ও মহানগরের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষকে অংশগ্রহণে আহ্বান জানানো হবে।

    তথ্য অনুযায়ী, একই সঙ্গে ১১ দল বিভিন্ন পেশা ও শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভারও আয়োজন করবে। শিক্ষক, আইনজীবী, চিকিৎসক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে এক নারী ও সামাজিক সংগঠনের অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করে জনমত গঠন করা হবে। দেশের সাতটি বিভাগে বিষয়ভিত্তিক সেমিনারও চলমান থাকবে।

    সরকারকে কঠোর ভাষায়批ুক্তি করে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘‘জনগণের রায় নিয়ে ছিনিমিনি খেলা করা হলে চলবে না। আমাদের আন্দোলনকে আরও জোরালো করতে হবে এবং ছাত্র সমাজকেও এতে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।’’

    তিনি জানান, ‘গণভোট অনুমোদিত জুলাই আদেশ’ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবিতে জোট ইতিমধ্যে দুই সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। এর আগে গত ১৮ এপ্রিল রাজধানীতে এবং ২৫ এপ্রিল অন্যান্য মহানগরে জোটের গণমিছিল হয়েছে। পূর্বঘোষণামতো আগামী ২ মে দেশের সব জেলা শহরে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

  • সোনার দাম টানা চার দফা কমলো

    সোনার দাম টানা চার দফা কমলো

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, দেশের বাজারে সোনার দাম টানা চার দফা কমানো হয়েছে। সংগঠনটি বলছে, সর্বোচ্চ এক ভরিতে ২,২৫৮ টাকা পর্যন্ত দাম কমানো হয়েছে। ফলে ২২ ক্যারেট মানের এক ভরি সোনার দাম এখন দুই লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে; গতকাল তা ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।

    বাজুস বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১০টার বক্তব্যে এই তথ্য জানায় এবং নতুন মূল্য তখন থেকেই কার্যকর হওয়ার কথা বলা হয়েছে। সংগঠনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে তেজাবি (পিওর গোল্ড) আন্তর্জাতিক দামের প্রভাবের কারণে স্থানীয় বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

    বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী বিভিন্ন ক্যারেটের এক ভরির মূল্য হচ্ছে:

    – ২২ ক্যারেট: দুই লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: দুই লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: এক লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি অনুযায়ী: এক লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা

    সোনা বাড়লেও রুপার দাম অপরিবর্তিত আছে। রুপার বিক্রয়মূল্য হিসেবে জানানো হয়েছে:

    – ২২ ক্যারেট: ৫ হাজার ৪৮২ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: ৫ হাজার ১৯০ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ৪ হাজার ৪৯০ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি: ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সংঘাত শুরু হওয়ার পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী ছিল; পরে মূল্য সমন্বয় ও ওঠানামা দেখা যায়। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে বলা হয়েছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম প্রায় ৪,৫০০ ডলার। তার আগে জানুয়ারিতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১,৫৫০ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল।

    এই পরিবর্তনটি গহনা ব্যবসায়ী ও ছোট-বড় ক্রেতাদের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে — উপভোক্তা ও বিনিয়োগকারীরা এখন বাজার পরিস্থিতি মেপে কেনাবেচা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

  • একদিনের ব্যবধানে আবার কমলো স্বর্ণের দাম

    একদিনের ব্যবধানে আবার কমলো স্বর্ণের দাম

    দেশের বাজারে গত ২৪ ঘণ্টায় আবারও স্বর্ণের দাম কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে প্রকাশ করা বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) স্বর্ণের দর কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় করে দাম পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। এই সমন্বয়ের ফলে ২১, ১৮ ক্যারেট ও সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরির দামও সংশ্লিষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা।

    এর আগে গত ২৮ এপ্রিল সকালে বাজুস দেশে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। তখনও ২২ ক্যারেটের এক ভরির দাম ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই সময় ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ছিল ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ছিল ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ছিল ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা—সবই ওইদিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়।

    চলতি বছর পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ৫৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে; এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ৩২ দফায় ও কমানো হয়েছে ২৬ দফায়। উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম দেশে মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল — সেই বছর দাম বাড়ানো হয়েছিল ৬৪ বার এবং কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

    স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত আছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রূপা ৩ হাজার ৩৮৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

    চলতি বছর রুপার দাম এখন পর্যন্ত ৩৬ দফা সমন্বয় করা হয়েছে; এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ১৯ দফায় এবং কমানো হয়েছে ১৭ দফায়। গত ২০২৫ সালে রুপার দাম দেশে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল—তাতে ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং মাত্র ৩ বার কমেছিল।

  • ভূমধ্যসাগরে নৌকাভাঙায় ২৬ অভিবাসীর প্রাণহানি

    ভূমধ্যসাগরে নৌকাভাঙায় ২৬ অভিবাসীর প্রাণহানি

    উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপগামী এক নৌকাপটকে ভূমধ্যসাগরে প্রাণ হারালেন কমপক্ষে ২৬ জন অভিবাসী—রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা থেকে পালানোর পথে থাকা এসব মানুষ আট দিন ধরে সাগরে ভাসছিলেন।

    বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আট দিন ধরে ভেসে থাকার পর বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের অভাবে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে এবং আরও ৯ জন নিখোঁজ। তাতে মোট ২৬ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া যাচ্ছে; পাশাপাশি ঘটনায় সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

    রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা লিবিয়ার ন্যাশনাল আর্মি নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের সহযোগিতায় মিসর সীমান্তের কাছে পূর্ব লিবিয়ার তোবরুক শহরের উপকূল থেকে তাদের উদ্ধার করে। নিরাপত্তা সূত্রে বলা হয়েছে, নিখোঁজ নয়জনের মরদেহ আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তীরে ভেসে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে হতাহতদের পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

    যাত্রীদের অভিযোগ, নৌকাটি বিকল হয়ে দীর্ঘ সময় সাগরে ভাসার ফলে পানিশূন্যতা ও খাবার সংকট দেখা দেয় এবং একপর্যায়ে বহুজন মারা যান। লিবিয়া অনেক সাব-সাহারান আফ্রিকান অভিবাসীর জন্য ইউরোপে যাওয়ার প্রধান ট্রানজিট রুট; যুদ্ধ, সহিংসতা ও দারিদ্র্য থেকে বাঁচার আশায় অনেকে মরুভূমি ও সমুদ্র পাড়ি দিয়ে বিপজ্জনক পথ বেছে নেন।

    রেড ক্রিসেন্ট যে ছবি সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট করেছে, তাতে দেখা গেছে উদ্ধারকর্মীরা মরদেহগুলো কালো প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে পিকআপ ট্রাকে তোলা হচ্ছে—দুর্দশার চিত্র যা মানবপাচার ও ঝুঁকিপূর্ণ পথে যাত্রার ভুক্তভোগীর বাস্তবতা উন্মোচন করে।

    এই নৌকাপৎনের ঘটনায় লিবিয়ার বিচার বিভাগেরও অভিযান চলছে। ত্রিপোলি ফৌজদারি আদালত পশ্চিম লিবিয়ার জুয়ারার একটি ‘অপরাধী চক্র’-এর চার সদস্যকে মানবপাচার, মুক্তিপণের জন্য অপহরণ ও নির্যাতনের দায়ে সর্বোচ্চ ২২ বছরের কারাদণ্ড দেন, বলে অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছিলেন। একই সাথে তোবরুক থেকে অন্য একটি জরাজীর্ণ নৌকা পাঠানোর দায়ে আরেক চক্রকে গ্রেপ্তারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে; ওই নৌকাটির ডুবে যাওয়ার ঘটনায় ৩৮ জন সুদানি, মিশরীয় ও ইথিওপিয়ান নাগরিকের মৃত্যু হয়েছিল।

    অভিবাসনপ্রক্রিয়া নিরাপদ ও মানবিক করার আহ্বান জানিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলেন, নিয়মিতভাবে মানুষ পাচার করে এমন পাহাড়িমুখী চক্রগুলোকে চিহ্নিত করে দমন করা না গেলে এ ধরনের দুর্ঘটনা অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে দ্রুততর মানবিক সহায়তা ও তদন্ত নিশ্চিত করার কথা বলা হচ্ছে।

  • ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ: জ্বালানি তেলের মূল্য তুঙ্গে

    ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ: জ্বালানি তেলের মূল্য তুঙ্গে

    ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে নতুন পরিকল্পনার খবলের পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তেলের দাম তীব্রভাবে বাড়েছে। এ খবর সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে অপরিশোধিত তেলের মূল্য বড় পরিসরে বাড়তে শুরু করেছে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এশিয়ার লেনদেনে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৭% বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলারেরও বেশি পৌঁছায় — যা ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকেই সর্বোচ্চ। একই সময়ের মার্কিন বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ২.৩% বাড়ে এবং ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৯ ডলারে দাঁড়ায়।

    জুন ডেলিভারির ব্রেন্ট ফিউচার চুক্তির মেয়াদ বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে। ফিউচার চুক্তি হলো ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট একটি তারিখে কোনো সম্পদ ক্রয়-বিক্রয়ের প্রতিশ্রুতি। এদিকে এশিয়ার সকালের লেনদেনে তুলনামূলকভাবে সক্রিয় julio (জুলাই) মাসের চুক্তিটি আনুমানিক ২% বাড়তি নিয়ে প্রায় ১১৩ ডলারে গেছে।

    অ্যাক্সিওসের সূত্রে জানা গেছে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক, স্বল্পকালীন ও শক্তিশালী আক্রমণের একটি পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে এবং তা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জানানো হতে পারে। এই পরিকল্পনায় অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

    আরও একটি বিকল্প পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালির একটি অংশ দখল করে সেটিকে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুনরায় খুলে দেয়া — এবং এই কাজের জন্য স্থলভাগে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন হতে পারে।

    বিবিসি এ ব্যাপারে মন্তব্য জানতে সেন্ট্রাল কমান্ড ও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। সূত্রগুলো বলছে, যতদিন তেহরান হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে চাওয়া জাহাজগুলোকে হুমকি দেখতে থাকবে, ততদিনই মার্কিন পক্ষ ইরানের বন্দরগুলো অবরোধে রাখার প্রস্তুতি রাখছে, যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।

    খবর প্রকাশের পর বুধবার তেলের দাম প্রায় ৬% বৃদ্ধি পেয়েছিল। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের সামরিক উত্তেজনা এবং সম্ভাব্য অবরোধ জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ায়, যা দর বাড়ার এক প্রধান কারণ। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি কেমন হবে তা largely কূটনৈতিক পদক্ষেপ ও সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণের উপর নির্ভর করবে, এবং বাজার নজর রাখছে সব আপডেটের ওপর।

  • একযুগের সঞ্চয় বজ্রপাতে ছাই, দম্পতির জীবন রক্ষা হলোও সবটাই পুড়ে গেছে

    একযুগের সঞ্চয় বজ্রপাতে ছাই, দম্পতির জীবন রক্ষা হলোও সবটাই পুড়ে গেছে

    বাগেরহাটের চিতলমারীর দড়িউমাজুড়ি গ্রামে একজোড়া দম্পতির এক যুগ ধরে গড়া ছোট সংসার বজ্রপাতে ছাই হয়ে গেছে। রাত পোনে ১২টার সময় ঘটে যাওয়া আগুনে আনন্দ মিস্ত্রি (৪০) ও লোপা হালদার (৩৩) দম্পতির ঘরপোড়া সব имущества পুড়ে যায়;幸ৎ তখন তারা ঘরেই ছিলেন না, তাই জীবন রক্ষা পেয়েছে।

    ঘটনাটি বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাত পোনে ১২টার দিকে ঘটে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।夫妻দের এগারো বছর বয়সী মেয়ে সংগীতা পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী; ঘটনায় তার স্কুল জীবনে বাধা পড়েছে।

    ক্ষতিগ্রস্ত দম্পতি আনন্দ মিস্ত্রি ও লোপা হালদার জানান, দিনমজুরি করে তারা সংসার চালাতেন। প্রায় এক যুগ ধরে তিলে তিলে সঞ্চিত সামান্য জিনিসপত্র আর ঘরবাড়ি গড়ে তোলেন—সবই এখন লুপ্ত। তাদের কথায়, “পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই বাকি নেই। আত্মীয়দের বাড়িতে না গেলে হয়তো আমরা পুড়ে মারা যেতাম।”

    চিতলমারী ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের লিডার এস এম আব্দুর রহিম জানান, আগুনের খবর পেয়ে রাতেই তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবু তাদের পৌঁছানোর আগেই দম্পতির অধিকাংশ মালপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

    ঘটনার খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার ও বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মশিউর রহমান খানের প্রতিনিধি—উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা গাজী মুনিরুজ্জামান—পরিদর্শনে যান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন এবং জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন।

    অপরাধ-প্রশ্ন না উত্থাপন করে তারা বলেন, প্রাথমিকভাবে শুকনো খাবার দিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো হয়েছে; চাহিদা অনুযায়ী পরবর্তী সহায়তা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে দেয়া হবে।

    স্থানীয় পরিবারটি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিঃস্ব; তাদের ফের ঘরবাড়ি ও জীবিকা পুনরুদ্ধারের জন্য তাত্ক্ষণিক সহায়তা প্রয়োজন। সংগীতার পড়াশোনাও এখন স্থগিত রয়েছে, যেটি দ্রুত স্বাভাবিক করতে পারলে পরিবারটিকে মানসিক সান্ত্বনা মিলবে।

  • যশোরের সেই শিশুর জন্য উপহার পাঠালেন বিএনপি নেতা তারেক রহমান

    যশোরের সেই শিশুর জন্য উপহার পাঠালেন বিএনপি নেতা তারেক রহমান

    যশোরে বাস থেকে ডেকে নেওয়া সেই মা ও তার শিশুর জন্য উপহার পাঠিয়েছেন বিএনপি নেতা তারেক রহমান।

    বুধবার নয়—বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে ‘‘আমরা বিএনপি পরিবার’’ নামের সংগঠনের সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল শিশুটির বাড়িতে গিয়ে তারেক রহমানের পাঠানো উপহার পৌঁছে দেয়।

    উপস্থিত ছিলেন ‘‘আমরা বিএনপি পরিবার’’-এর অন্য সদস্যরা, যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাজিদুর রহমান সাগর ও মাসুদ রানা লিটনসহ অন্যান্য নেতারা।

    ঘটনাটি তারেক রহমানের যশোর আগমনের সঙ্গে জড়িত। গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) তিনি যশোরে পৌঁছান। তাকে বহনকারী ‘‘সবার আগে বাংলাদেশ’’ শ্লোগানবাহী বাসসহ গাড়িবহর যখন শহরের ইনস্টিটিউটের সামনে যাচ্ছিল, তখন নিলিমা নামের এক মা নিজের কোলের শিশুকে নিয়েই ফুল হাতে দাঁড়িয়ে প্রধান অতিথিকে শুভেচ্ছা জানাতে চান।

    তাতে তারেক রহমানের নজরে পড়ে তিনি গাড়ি থামিয়ে নেমে শিশুটিকে দেখেন। তাদের মধ্যে যে আলাপ-আড্ডা হয় এবং নিলিমার ওই মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও দ্রুত নিলিমার ফেসবুক পেজ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

    পরে তারেক রহমান বিষয়টি লক্ষ্য করে অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে নির্দেশ দেন নিলিমা ও শিশুর জন্য উপহার পাঠানোর। বৃহস্পতিবার সেই উপহার পৌঁছে দেওয়া হয়।

  • রামপাল গোল্ডকাপ ২০২৬: বালিকায় আদাঘাট, বালকে কুমলাই একাদশ চ্যাম্পিয়ন

    রামপাল গোল্ডকাপ ২০২৬: বালিকায় আদাঘাট, বালকে কুমলাই একাদশ চ্যাম্পিয়ন

    রামপাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬ উদযাপিত হয়ে বুধবার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্টের সমাপনী দিন উপজেলা মাঠে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তামান্না ফেরদৌসি অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নবাগত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার ও সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ শাহিনੁਰ রহমান। টুর্নামেন্ট কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন রামপাল সরকারি কলেজের শরীরচর্চা শিক্ষক মোঃ তৌহিদুল ইসলাম। খেলা পরিচালনা করেন গোলাম আক্তার বাচ্চু, নাহিদুল ইসলাম ও কামরুল ইসলাম।

    ফাইনাল খেলায় বড়কাটাখালী সপ্রাবি বালিকা একাদশ ও আদাঘাট সপ্রাবি বালিকা একাদশ অংশগ্রহণ করে; টাইব্রেকারে আদাঘাট বালিকা একাদশ চ্যাম্পিয়ন হয়। অপর ফাইনালে কুমলাই সপ্রাবি বালক একাদশ ২-০ গোলে গিলাতলা সপ্রাবি বালক একাদশকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয়।

    খেলা শেষে প্রধান অতিথি মিজ তামান্না ফেরদৌসি বিজয়ী ও পরাজিত দলের মধ্যে মেডেল ও ট্রফি তুলে দেন। এ সময় উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষক, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। দুই দিন ধরে উৎসবমুখর পরিবেশে সুসংগঠিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়।

  • বুথফেরত জরিপে থালাপতি বিজয়ের দলকে ৯৮–১২০ আসনের ইঙ্গিত

    বুথফেরত জরিপে থালাপতি বিজয়ের দলকে ৯৮–১২০ আসনের ইঙ্গিত

    তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর সবার নজর এখন বুথফেরত জরিপের দিকে। এই নির্বাচনে সবচেয়ে বড় চমক ছিলেন দক্ষিণী সুপরিচিত অভিনেতা থালাপতি বিজয় ও তাঁর freshly-formed দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে), যারা মুখ্যমন্ত্রী এম.কে. স্টালিনের শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে মাঠে নেমেছেন।

    নির্বাচনের আগের জনসভা ও প্রচারণায় বিজয়ের ব্যাপক উপস্থিতি রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে ছাপ ফেলেছে। অনেক পর্যবেক্ষক বলছেন, যদি বুথফেরত জরিপের পূর্বাভাস মেনে চলে, তাহলে তামিলনাড়ুতে এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।

    বিভিন্ন সংস্থার বুথফেরত জরিপে দেখা যাচ্ছে, প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিজয়ের দল 98 থেকে 120 আসন পর্যন্ত পেতে পারে। অন্যদিকে পিপলস পালস ও পিপলস ইনসাইট অনুমান করছে, ডিএমকে ও তার জোট 120–145 আসনে এগিয়ে থাকতে পারে এবং এআইএডিএমকে জোট পেতে পারে 60–80 আসনের মতো শক্ত অবস্থান।

    প্রজা পোল ও পি-মার্কের জরিপে মোটমিলিয়ে ডিএমকে জোটকে এগিয়ে দেখানো হয়েছে — প্রজা পোল টিভিকেকে মাত্র 1–9টি আসন দিলে, পি-মার্ক বলেছে তারা 16–26টি আসন পেতে পারে। ম্যাট্রিজ ও জেভিসি-এর জরিপে ডিএমকে ও এআইএডিএমকের মধ্যে কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তাতে contrast-এ কামাখ্যা অ্যানালিটিক্স একটু ভিন্ন স্বর রাখে — তাদের অনুসারে, যদি টিভিকে 67–81 আসন পায়, তাহলে রাজ্য সরকার গঠনে তাদের বড় ভূমিকা থাকতে পারে।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্যে বলা হয়েছে, 23 এপ্রিল তামিলনাড়ুর 234টি আসনে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যেই ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে; বিকেল 5টা পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি ছিল 82.24 শতাংশ। এখন ফলাফল ঘোষণা ও পরবর্তী রাজনৈতিক রকমফের যে পথে যাবে, তা নির্ভর করছে যেমন বুথফেরত জরিপের ধারাবাহিকতার উপর, তেমনই আসন্ন সরকারি ফলাফলের ওপর।

  • পেছন থেকে জুম করে ছবি তোলায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন কারিশমা কাপুর

    পেছন থেকে জুম করে ছবি তোলায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন কারিশমা কাপুর

    সেলিব্রিটিদের ব্যক্তিজীবন ও লাইফস্টাইল নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ সবসময়ই থাকে। এদের পেছনেই ছায়ার মতো লেগে থাকেন পাপারাজ্জিরা—আলোচিত ব্যক্তিদের প্রতিটি মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করতে তারা পিছপা হন না। সম্প্রতি পেছন থেকে জুম করে ছবি তোলার কারণে পাপারাজ্জিদের ওপর ক্ষোভ উগরে দিলেন বলিউড নায়িকা কারিশমা কাপুর।

    পেছন থেকে জুম করে ছবি তোলা অনেক তারকাই ভালোভাবে নেন না, বিশেষত মহিলারা। কারিশমাও এ বিষয়ে অসহযোগী—একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি পাপারাজ্জিদের এমন আচরণ নিয়ে সরাসরি সতর্ক করেন এবং কঠোর ভঙ্গিমায় বিরক্তি প্রকাশ করেন। ভিডিওতে তাঁর রাগ অনায়াসে চোখে পড়ে।

    ঘটনাটি ঘটে ‘ইন্ডিয়া’স বেস্ট ড্যান্সার সিজন ৫’-এর শুটিং সেটে; সেখানে তিনি বিচারকের আসনে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে বিচারক হিসেবে আছেন গীতা কাপুর, টেরেন্স লুইস ও জাভেদ জাফরি। শুটিংস্থলে ঢোকার আগে সবাই আলোকচিত্রীদের সামনে পোজ দেন; সেই সময় কারিশমা ক্যামেরাম্যানদের উদ্দেশে সতর্ক হয়ে বলেন এবং পোজ নেওয়ার এলাকা থেকে সরে পড়েন। তিনি বলেছিলেন, “বেশি জুম করবেন না। আপনাদের অনেকে খুবই খারাপভাবে ছবি তুলতে চান।” অভিনেত্রী এমন মনোভাবকে ‘অসুস্থ’ হিসেবে অভিহিত করেন।

    কারিশমার কড়া বার্তার ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং অনেকেই তার জন্য সমর্থন জানিয়েছেন। সম্প্রতি আরেকটি বিতর্কিত ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, যখন এক অনুষ্ঠানে সিড এবং কিয়ারা পোজ দিচ্ছিলেন; তখন পাপারাজ্জিরা ভিডিও থেকে সিডকে সরিয়ে কিয়ারাকে জুম করেন, যা নিয়ে প্রচুর সমালোচনা ওঠে।

    বলিউডে দীর্ঘদিন ধরে অবদান রাখা কারিশমাকে অনেকে তাঁর সচেতনতা প্রদর্শনের জন্য প্রশংসা করছেন। ঘটনাটি পাপারাজ্জিদের আচরণ নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু করেছে—নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশ বজায় রাখার জন্য অধিক শ্রদ্ধাশীল আচরণ জরুরি বলে many অনুরাগীরা মনে করছেন।