Blog

  • খুলনাকে আধুনিক নগরীতে রূপান্তরের দৃঢ় প্রত্যয় ও সার্বিক সহযোগিতার আবেদন কেসিসি প্রশাসকের

    খুলনাকে আধুনিক নগরীতে রূপান্তরের দৃঢ় প্রত্যয় ও সার্বিক সহযোগিতার আবেদন কেসিসি প্রশাসকের

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) ১২তম সাধারণ সভা মঙ্গলবার সকালে নগর ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সভার সভাপতিত্ব করেন প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। সভায় নগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি প্রকল্প ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

    বিশেষ করে, প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের লক্ষ্যে গঠিত প্রকল্পের আওতায় গ্যারেজের সম্প্রসারণের জন্য সংলগ্ন জমি অধিগ্রহণ ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের কঠোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা-২০২১ অনুযায়ী ট্রেন্সিং গ্রাউন্ডের ২৫০ মিটারের মধ্যে আবাসিক প্রকল্প গ্রহণে বিধিনিষেধের বিষয় আলোচনা হয়। এছাড়া, রাজবাঁধ ট্রেন্সিং গ্রাউন্ডের ২০০ ফুট দক্ষিণে বাংলাদেশ নৌবাহিনী কল্যাণ ফাউন্ডেশন কর্তৃক জমি ক্রয়ে সম্মতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    নগরীর উন্নয়নে আরও বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেমন—খুলনা ওয়াসার সড়ক খনন কাজের জন্য স্থানিয় সরকার বিভাগের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কোন কাজ বন্ধ রাখা, চলতি অর্থবছর জুন পর্যন্ত বিজ্ঞাপন করের বকেয়া আদায়ের জন্য সময় দেওয়া, বিদ্যমান বিলবোর্ডের ভাড়া সংক্রান্ত উদ্যোগ নেওয়া, ও অনাদায়ী বিজ্ঞাপন সংস্থার বরাদ্দ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

    এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলার জন্য খুলনা শহরের উন্নয়ন প্রকল্পের (ফেজ-২) ডিপিপির প্রাক্কলন মূল্য বেশি হওয়ায়, প্রথম পর্যায়ে সোনাডাঙ্গা বাইপাসের অর্ধেক অংশ ও ২৩টি পুকুরের উন্নয়ন কাজ শুরু হয়, পরবর্তীতে ডিপিপির সংশোধনের মাধ্যমে বাকি অংশের কাজও সম্পন্ন হবে। নগরীর ট্রাফিক পরিস্থিতি উন্নত করতে ইজিবাইক চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য রোডম্যাপ প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি, বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের জন্য সুপারিশ ও বর্ষা মৌসুমের আগে জলনির্গমন সুবিধার্থে গুরুত্বপূর্ণ ড্রেনসমূহের পেড়িমাটি উত্তোলনের জন্য অর্থ বরাদ্দের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    নগরীতে উন্নত পরিষেবা নিশ্চিত করতে, ডালান ও সেমিপাকা ভবনের পৌরকর পুনঃনির্ধারণ ও নামকরণের জন্য নয়া একটি কমিটি গঠন, এবং বিশেষ তারিখে বিভিন্ন রাস্তার নামকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেইসঙ্গে, খুলনা জাতীয়তাবাদী দল ও মহানগর শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, প্রখ্যাত ভাষা সৈনিক ও সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম দাদু ভাইয়ের নামে নগরীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নামকরণ হবে।

    অপর পক্ষ, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের স্থানান্তর ও নগরীর ডাকবাংলো মোড় থেকে ফেরিঘাট পর্যন্ত অবৈধ স্থাপনা অবৈধভাবে উচ্ছেদের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়। ভাষণে, প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করে সাধারণ মানুষের চাহিদা ও সমস্যাগুলোর গভীরতা বুঝতে পেরেছেন। তিনি বলেন, সীমিত জনবল, অর্থ ও সম্পদের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দুর্নীতিমুক্ত নগরী গড়তে প্রয়োজনীয় সকল পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে এবং খুলনাকে একটি আধুনিক শহরে রূপান্তর করতে কর্পোরেশনের সকল পর্যায়ের সহযোগিতা চেয়েছেন।

    সভায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদের পরিচালনায়, বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা—একমাত্র পুলিশ, কেএমপি, কেডিএ, মোংলা বন্দরের, সড়ক ও জনপথ, ওজোপাডিকো, স্বাস্থ্য বিভাগ, গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, নাগরিক প্রশাসন, ট্রাফিক ও বিদ্যুৎ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট רבים উপস্থিত ছিলেন। এই সভার মাধ্যমে নগরীর সার্বিক উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি লক্ষ্যে নেওয়া নতুন পরিকল্পনা ও কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়নের দিকে দৃঢ় এগিয়ে চলার পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

  • খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবককে ঢাকায় নেওয়ার পথে আবারও গুলির ঘটনা

    খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবককে ঢাকায় নেওয়ার পথে আবারও গুলির ঘটনা

    খুলনায় ডাকাতির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে, যেখানে গুলিবিদ্ধ হন যুবক রাজু হাওলাদার। তিনি বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে। ঘটনাটি ঘটে রবিবার দুপুরে, যখন রাজুকে খুলনার লবণচরা থানার শিপইয়ার্ড এলাকার একটি বাসায় আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। রাজু তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা ও ডাকাতির মামলা থাকলেও সম্প্রতি তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।

    জানা যায়, দুপুরে খুলনার লবণচরা থানার কুবা মসজিদ এলাকার কিছু লোকজন—ফারদিন, হেলাল, ব্লাক নয়ন, সোহেল, ধলুস ও অন্যরা—রাজুর সঙ্গে অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে। এরই মধ্যে তারা এলোপাতাড়ি গুলি চালায়, যার ফলস্বরূপ রাজুর পেটের বাঁ পাশ ভেদ করে একটি গুলি তার পিঠ দিয়ে বের হয়। তিনি একজন নারীকের বাসায় আশ্রয় নেন, তবে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে বিভিন্ন হাসপাতাল ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    পরে, খবর পেয়ে পুলিশ তাকে আটক করে। অবস্থা আরও গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করা হয়। রাত সোয়া ১২টার দিকে এ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার পথে পথে কুরির বটতলা এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা আবারও হামলা চালায়। এ সময় এ্যাম্বুলেন্সে থাকা পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি কাটাখালী হাইওয়ে থানাকে জানান এবং দুর্বত্তরা পালিয়ে যায়। রাতেই রাজুর শরীরের অবস্থা আরও গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অপারেশন সম্পন্ন হয়।

    দুর্বৃত্তদের কাউকে এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ্যাম্বুলেন্স চালক মোঃ ফারুক জানা জানান, তিনি ঘটনাস্থলে দ্রুত গাড়িটি কাটাখালী হাইওয়ে থানায় নিয়ে যান। পুলিশ বলছে, রাজু একজন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি, যার বিরুদ্ধে ঢাকা, খুলনাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলায় মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্ত বিভাগ এই ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে।

  • খুলনায় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

    খুলনায় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

    খুলনায় হাম-রুবেলা প্রতিরোধে পরিচালিত জাতীয় ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে আজ ৬ মে খুলনা সিভিল সার্জন দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে একটি জেলা পর্যায়ের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই ক্যাম্পেইনটি চলবে ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত, যেখানে পূর্ব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রতিটি শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা দেওয়ার জন্য কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

    সভায় খুলনা সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুন বলেন, হাম-রুবেলা প্রতিরোধে সম্পূর্ণ হার্ড ইমিউনিটি স্থাপন করতে গৃহভিত্তিক টিকাদান ও রোগের স্বাভাবিক প্রজনন রোধে অভিভাবকদের সচেতন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সব পক্ষকে সোচ্চারভাবে প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে হবে এবং টিকা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। বিশেষ করে, মসজিদে ইমাম-মুয়াজ্জিনরা যেন এই বার্তাগুলো জনগণের মধ্যে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, সে বিষয়েও তিনি আহ্বান জানান।

    এই সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান এবং হাম-রুবেলা টিকাদান সংশ্লিষ্ট বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মেডিকেল অফিসার ডা. নাজমুর রহমান সজিব। উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা।

    আলোচিত টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্য হলো খুলনা জেলার নয়টি উপজেলায় এক লাখ ৫৬ হাজার ৪২০ শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদান। এখন পর্যন্ত এই লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৮৯ শতাংশ এবং ক্যাম্পেইনটি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। এই প্রচেষ্টা আরও সফল করতে সকলের সহযোগিতা এবং সচেতনতা অপরিহার্য।

  • খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবককে ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সে গুলি

    খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবককে ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সে গুলি

    খুলনায় রাজু হাওলাদার নামে এক যুবককে দুর্বৃত্তরা গুলি করে আহত করেছে। এ ঘটনার সময় তার পেটে বলিষ্ঠ গুলি বিদ্ধ হয়। ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৪ এপ্রিল) মহানগরীর লবণচরা থানাধীন কোবা মসজিদ সংলগ্ন এলাকায়। যদিও কেউ সঠিক সময় নিশ্চিত করতে পারেননি।

    রাজু হাওলাদারের সঙ্গে থাকা এক নারীর ভাষ্য অনুযায়ী, আহত যুবক তার ছেলের বন্ধু। আহত অবস্থায় তাকে তার পরিবারের কাছে আনা হয় এবং চিকিৎসার জন্য এখানেই নেয়া হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাজু হাওলাদার লবণচরা থানাধীন শিপইয়ার্ড এলাকার আজাদ মাস্টার সংলগ্ন ইউনুস হাওলাদারের ছেলে।

    অন্ততঃ গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খুলনা मेडिकल কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে তার পরিচয় ও পরিস্থিতি জানাজানি হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার রাতেই তাকে ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে রূপসা উপজেলার কুদির বটতলা এলাকায় ঢাকায় যেতে যাওয়ার পথে রাত সাড়ে ১২টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটি লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা আবারও গুলি চালায়।

    এসময় অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. ফারুক দ্রুত গাড়ি কাঁটাখালী হাইওয়ে থানায় নিয়ে গিয়ে নিরাপদে আশ্রয় নেন। পরে হাইওয়ে পুলিশের সহযোগিতায় তাঁরা ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা দেন। মো. ফারুক বলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকার পথে যাওয়ার সময় কুদির বটতলা এলাকায় পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা গুলি চালায়। গুলির আওয়াজ শুনে তিনি দ্রুত থানায় আশ্রয় নেন।

    কাটাখালী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর আহম্মেদ জানান, গুলিবিদ্ধ এক রোগীকে ঢাকায় নেয়া যাত্রাপথে দুর্বৃত্তরা অ্যাম্বুলেন্সে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তাঁরা থানার সহায়তায় সেফলি গাড়িটি নিরাপদভাবে সীমানা পার করে দেয়।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গুলিবিদ্ধ ওই যুবককে খুমেক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। তার সঙ্গে থাকা একটি নারীর ভাষ্য অনুযায়ী, আহত ব্যক্তি তার ছেলের বন্ধু। তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে তাদের বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

    খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার শিহাব করিম বলেন, লবণচরা এলাকায় এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে সে কোথায় ও কখন হামলাটি ঘটেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলার তথ্যও আমাদের কাছে রয়েছে।

  • দেশের বাজারে সোনার দাম আরও কমলো

    দেশের বাজারে সোনার দাম আরও কমলো

    বাংলাদেশের স্বর্ণ বাজারে টানা চার দফা মূল্য সংশোধনের পর চতুর্থবারের মতো সোনার দাম কমলো। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এই ঘোষণা জানিয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ এক হাজার ২৫৮ টাকা কমেছে। এর ফলে বিশুদ্ধ মানের (২২ ক্যারেট) সোনার ভরির মূল্য এখন দুই লাখ ৪০ হাজার টাকা। আগের দিন ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।

    বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে বাজুস এই সংশোধিত মূল্য ঘোষণা করে এক বিজ্ঞপ্তিতে। নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

    সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের দাম সমতুল্যভাবে কমে গেছে।

    নতুন নির্ধারিত দামে, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের ভরির দাম এখন两个 লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। এর পাশাপাশি অন্যান্য ক্যারেটের দাম নিচে আসছে— ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি এখন ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার এক ভরি এখন ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা।

    অন্যদিকে, সোনার দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।

    বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ছে। ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধের শুরু থেকে বিশ্ববাজারে মূল্য এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে। গোল্ডপ্রাইস ডট অর্গ ওয়েবসাইটের তথ্যানুযায়ী, এখন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি অউন্স স্বর্ণের দাম কমে ৪ হাজার ৫০০ ডলার এ-পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে। জানুয়ারিতে এই দাম ছিল ৫ হাজার ৫০০ ডলার পর্যন্ত।

  • প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র’র বিজয়ীদের নাম প্রকাশ পেল

    প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র’র বিজয়ীদের নাম প্রকাশ পেল

    ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ড্র’তে প্রথম পুরস্কার হিসেবে ছয় লাখ টাকা জেতার সুযোগ পেয়েছেন সিরিজের নম্বর ০০০১০৩৫ বিজেতা। দ্বিতীয় পুরস্কারটি ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা পাওয়া নম্বর ০০৪৭৭৪৮। তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে দু’টি নম্বর পেয়েছে, যেগুলো হলো ০৫৩৮২৮৯ ও ০৬৭৫৩৮২, এবং উভয়েই ক্যাশে পাচ্ছেন এক লাখ টাকা। চতুর্থ পুরস্কার বিজয়ীদের নম্বরগুলো হলো ০৪০০৪৫১ ও ০৫৬৭৬৪৪, যারা প্রত্যেকে পাচ্ছেন ৫০ হাজার টাকা।

    বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এই ড্র’টি ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

    এবারের ড্র’তে ধরা হয়েছে মোট ৮৪টি সিরিজের ৪৬টি সাধারণ সংখ্যা, যা পুরস্কারের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। এই ড্র’টি একক সাধারণ পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়, অর্থাৎ প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো হলো—কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক, খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, খঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, খশ, খষ, খস, খহ, গক, গখ, গগ, গঘ, গঙ, গচ, গছ, গজ, গঝ, গঞ, গট, গঠ, গড, গঢ, গথ, গদ, গন, গফ, গব, গম, গল, গশ, গষ, গপ, গস, গহ, ঘক, ঘখ, ঘগ, ঘঘ, ঘঙ এবং ঘচ। এই সকল সিরিজের নম্বরের উপর ভিত্তি করে ড্র’টি পরিচালিত হয়েছে।

    এছাড়া, পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে ৪০ জন বিজেতাকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। তাদের নম্বরগুলো হলো—০০২১৭৪৯, ০২১৭৪১৯, ০৪৬১৪৭২, ০৫৮৮৯৬৬, ০৭৪৯৭৪০, ০০২২১৮১, ০২৪৬০৪৫, ০৪৬২০৫৬, ০৫৯৬৩৪৬, ০৭৫৯৯০৮, ০০৫৬৩৭৮, ০২৯৬৪০২, ০৪৭৮০১৫, ০৬০০৪৪০, ০৭৭২৭৭৩, ০০৯২৩৫৬, ০৩১১১৩০, ০৪৮০৫৬৭, ০৬০৭৩৪৯, ০৮১৩৬৫৯, ০১৪৪৫৬৭, ০৩৫৬৯৪২, ০৫১২০২৪, ০৬৩৯৩৬৭, ০৮৪৮০৪৬, ০১৫৫৩৯৮, ০৩৯৩২৭৭, ০৫৫১২২১, ০৬৪২০০২, ০৮৪৯৬১৪, ০১৫৫৯৩৪, ০৪১৩৫০১, ০৫৬৪৭৬০, ০৬৫০১১৯, ০৯২২৫৯৭, ১৭৫৭৯২, ০৪৫২৪৪১, ০৫৭৩৮৬৫, ০৬৮৮৭৭৩ এবং ০৯৪৭৬৬৫।

  • এপ্রিলে ২৯ দিনে প্রবাসী আয়ের মোট রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো

    এপ্রিলে ২৯ দিনে প্রবাসী আয়ের মোট রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো

    চলতি এপ্রিলে এখন পর্যন্ত যেহেতু দেশে প্রবাসীরা মোট ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, তাই এটা স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে এই মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ নতুন নজির সৃষ্টি করছে। এ তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এবারের এপ্রিলের প্রথম ২৯ দিনে দেশে মোট ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যার অর্থপ্রতিদিন গড়ে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন প্রায় ১০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। বিশেষ করে, গত ২৯ এপ্রিল alone, দেশের অর্থনীতিতে যোগ হয়েছে ৯৪ কোটি ডলার।去年 একই সময়, অর্থাৎ এপ্রিল ২০২৫ সালে, দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল মাত্র ২৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

  • বাংলাদেশে সোনার দাম কমল, ভরি কত হলো?

    বাংলাদেশে সোনার দাম কমল, ভরি কত হলো?

    বাংলাদেশের বাজারে আজ সোমবার (৪ মে) থেকে সোনার দামে কমার ঘোষণা দিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। বর্তমানে প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৫৮ টাকা কমে গেছে। এর ফলে, মান সম্পন্ন (২২ ক্যারেট) সোনার ভরি দাম এখন দুই লাখ ৪০ হাজার টাকায় পৌঁছেছে, যা পূর্বে ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।

    বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ১০টা থেকে এ নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। সংগঠনের মতে, তেজাবি বা পিওর গোল্ড সোনার দাম কমার কারণে দেশীয় বাজারেও মূল্য কমে এসেছে।

    নতুন নির্ধারিত দামে, ২২ ক্যারেটের সোনার ভরি দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা হয়েছে। অন্য ক্যারেট অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের ভরি প্রতি ২৯১ টাকা কমে ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ৬০০ টাকা কমে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ভরি এখন ১৬ হাজার ১৪৭ টাকায় নির্ধারিত হয়েছে।

    যদিও সোনার দাম কমছে, তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি দাম এখন ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৯০ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে ৩ হাজার ৩৮৩ টাকায় রয়েছে।

    বিশ্ব বাজারে রাজনৈতিক অস্থিরতা, যেমন ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষের সূচনা, এর ফলে সোনার দাম বৃদ্ধি পায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববাজারে সোনার মূল্য সমন্বয় ঘটেছে; আন্তর্জাতিক গবেষণাপোর্টাল গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুযায়ী, এখন প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ৪ হাজার ৫০০ ডলার এ নেমে এসেছে।

    এর আগে, ঠিক এই সময়ে ৩০ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ছিলো ৫ হাজার ২০০ ডলার, আর ২৯ জানুয়ারি এর উচ্চতা ছিলো ৫ হাজার ৫৫০ ডলার।

  • এপ্রিলে রেমিট্যান্স আসলো ৩১৩ কোটি ডলার

    এপ্রিলে রেমিট্যান্স আসলো ৩১৩ কোটি ডলার

    সদ্য বিদায়ী এপ্রিল মাসে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল অসাধারণ একটি ঘটনা। এ মাসে দেশে এসেছে মোট ৩১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দৈনিক গড়ে প্রায় ১০ কোটি ৪২ লাখ ডলারের বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি আরও বলেন, মে মাসের শুরু থেকেই রেমিট্যান্সের এই অপ্রতিরোধ্য প্রবাহ চলতে থাকছে। গত বছরের একই সময়ে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ছিল ২৭৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, এক বছরে এই অর্থনৈতিক স্রোত ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ বেড়েছে।

    সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এই অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৯৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। যা আগের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    বিশ্লেষণে দেখা যায়, মার্চ মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড। আর জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে যথাক্রমে এসেছিল ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার ও ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। ডিসেম্বর মাসে রেমিট্যান্সে ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, এবং নভেম্বরে তা ছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।

    অক্টোবর ও সেপ্টেম্বর মাসে এসে ছিল যথাক্রমে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার এবং ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার। এদিকে, আগস্টের প্রথম দিন ছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং জুলাইয়ে ছিল ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

    সব মিলিয়ে, গত অর্থবছর (২০২৩-২৪) বঙ্গবন্ধুর প্রবাসীরা পাঠিয়েছে ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রেকর্ড। এই প্রবাহ দেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • তেলপাম্পে যানবাহনের লাইন উধাও নিয়ে আখতারের প্রশ্ন

    তেলপাম্পে যানবাহনের লাইন উধাও নিয়ে আখতারের প্রশ্ন

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর তেলের জন্য বিশাল যানবাহনের লাইনের উধাও হওয়ার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, সাধারণ নাগরিকরা দীর্ঘ সময় ধরে তেলপাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও দাম বাড়ার পরে সেই লাইন দেখা যায়নি। এ পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নের জন্ম দেয়। শনিবার রাজধানীর বাংলামোটরে রূপায়ন ট্রেড সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘জ্বালানি, অর্থনীতি, মানবাধিকার, সংস্কার ও গণভোট’ শীর্ষক জাতীয় কনভেনশনের সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা তিনি বলেন।

    আখতার হোসেন আরও বলেন, গণভোটে জনগণের স্পষ্ট মতামত থাকা সত্ত্বেও সরকার সে রায়ের অঙ্গীকার কখনোই মানেনি। সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করার দায়িত্ব থাকলেও বা তারা তা করেনি। তিনি আরো বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটের পক্ষে মত ব্যক্ত করায় সকল রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের প্রত্যাশা করছিল। কিন্তু সরকারের গঠন وبعد কাজের মধ্যে সেই প্রতিশ্রুতি থেকে বিচ্যুত হয়েছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়নের বদলে সেটাকে কখনো ‘‘প্রতারণার দলিল’’, কখনো ‘‘অসাংবিধানিক’’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

    আখতার হোসেন সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তনের জন্য একটি উচ্চতর কাঠামোর প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করে বলেন, এ জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদের ধারণা এসেছে, যা আগে কোনো দলই প্রত্যাখ্যান করেনি। ব্যাংক খাতের বিষয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, দেশের বিশাল অঙ্কের টাকা লুটপাটকারীদের জন্য খুব কম অর্থ ফিরিয়ে দিয়ে মালিকানা ফিরে পাবার সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ লুটপাটের পথ সুগম করবে।

    সারোয়ার তুষার জানিয়েছেন, রোববার দিনব্যাপী জ্বালানি, অর্থনীতি, মানবাধিকার ও গণভোট বিষয়ক জাতীয় কনভেনশন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বিভিন্ন সেশনে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে সঙ্গে গণমানুষের প্রতিনিধি, অর্থনীতিবিদ, সমাজবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও আইনজীবীরাও অংশ নেবেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম-আহবায়ক মনিরা শারমিনসহ অন্যান্য নেতারা।