Blog

  • ভরিতে সোনার দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমেছে

    ভরিতে সোনার দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমেছে

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সোমবার জানিয়েছে যে ভরিপ্রতি সোনার দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। নতুন দর সোমবার (০৯ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক দর কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম নামানো হয়েছে। এর ফলে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির দাম দুই লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য মানের দামগুলো হলো: ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২৫২,৮৭৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ২১৬,৭৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ১৭৬,৯৪৩ টাকা।

    রুপার দামও কমেছে—২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬,৩৫৭ টাকা। ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৬,০৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫,১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩,৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম সম্পর্কিত তথ্য দিয়ে জানা যায়, গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুযায়ী বর্তমানে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৫,০৯০ ডলার। রবিবার তা ছিল ৫,১৭০ ডলার। গত মাসের শেষের দিকে আন্তর্জাতিক বাজারে দর ওঠানামার ফলে দেশীয় বাজারেও বড় ওঠানামা দেখা গেছে—উদাহরণস্বরূপ ২৯ জানুয়ারি বাজুস একবারে ভরিপ্রতি ১৬,২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট সোনার দাম রেকর্ড ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় পৌঁছে দেয়, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ এবং এক ধাক্কায় এত বড় বাড়তি কখনো করা হয়নি।

    বিশ্ববাজারে সাম্প্রতিক ওঠানামার পেছনে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা (ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্কিত) প্রধান প্রভাব হিসেবে দেখা গেছে। তবে আজকের বাজারে দরপতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা স্থানীয় ক্রেতা-বিতরণ ও মূল্য নির্ধারণে প্রভাব ফেলবে।

  • সোনার দাম ভরিতে ছাড়াল ২ লাখ ৭০ হাজার

    সোনার দাম ভরিতে ছাড়াল ২ লাখ ৭০ হাজার

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনও সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। সংগঠনের নতুন সিদ্ধান্তে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) এক ভরির দাম ভরিতে ২ হাজার টাকারও বেশি বাড়িয়ে নির্ধারিত হয়েছে ২,৭০,৪৩০ টাকা।

    বাজুস বুধবার (১১ মার্চ) সকালে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। নতুন দাম বুধবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

    সংগঠনের ঘোষণা অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দর বাড়ার প্রভাব বিবেচনায় রেখে সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দামের তালিকা (প্রতি ভরি = ১১.৬৬৪ গ্রাম):

    – ২২ ক্যারেট: ২,৭০,৪৩০ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: ২,৫৮,১২৪ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ২,২১,২৬৬ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি: ১,৮০,৬১৭ টাকা

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। রুপার ক্ষেত্রে ২২ ক্যারেটের এক ভরি দামে প্রতি ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬,৭০৭ টাকা। অন্যান্য ক্যারেট অনুযায়ী রুপার দাম যথাক্রমে ২১ ক্যারেট ৬,৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫,৪৮২ টাকা ও সনাতন পদ্ধতি ৪,০৮২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    এই পরিবর্তন ক্রেতা ও আভরণ ব্যবসায়ীদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে বলা হচ্ছে। বাজার থেকে প্রাপ্ত নতুন দামের ভিত্তিতে ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম চলবে।

  • ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীর দাবি: গত ১২ দিনে আরও ১৩ মার্কিন সেনা নিহত

    ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীর দাবি: গত ১২ দিনে আরও ১৩ মার্কিন সেনা নিহত

    ইরান সমর্থিত এক জোট ঘোষণা করেছে, গত ১২ দিনে তাদের অভিযানে আরও ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং কয়েক ডজন আহত হয়েছে। গোষ্ঠীটির বরাত দিয়ে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা এই সময়ে মোট ২৯১টি সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে এবং গত ২৪ ঘণ্টায়ই ৩১টি অভিযান চালানো হয়েছে।

    বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে এসব অভিযানে ইরাক ও সংলগ্ন অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, কিছু হামলায় মার্কিন সেনা নিহত হলো এবং অন্যদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক নামের এই স্বশস্ত্র সংগঠনের ঘোষণা অনুযায়ী, তারা গতকাল (মঙ্গলবার) দক্ষিণ ইরাকের উত্তর বসরা প্রদেশের আকাশে একটি উন্নত ড্রোন ভূপাতিত করেছে; গোষ্ঠীটি বলেছে সেটি ছিল একটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন। বিবৃতিতে এই ড্রোনকে লক্ষ্য করে ‘উপযুক্ত অস্ত্র’ ব্যবহার করে তা নামিয়ে আনার কথাও বলা হয়েছে।

    ঘোষণায় আরও দাবি করা হয়েছে যে, অভিযানে মোট ২৯১টি হামলা চালানো হয়েছে এবং এসবের ফলে ১৩ মার্কিন সৈন্য নিহত ও অনেকেই আহত হয়েছে। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করেছে যে, যদি কোনো দেশ ইরানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যভাবে বা অংশগ্রহণকারি হিসেবে আগ্রাসনে জড়ায়, তাদেরকে শত্রু হিসেবে গণ্য করা হবে এবং ইরাকে ও এই অঞ্চলে তাদের বাহিনী ও স্বার্থগুলোকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ করা হবে।

    বিবৃতিতে ইউরোপীয় দেশগুলোকেও একটি সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে; সেখানে বলা হয়েছে, বিশ্বশক্তিগুলো ‘মুক্ত মানুষদের ওপর নিজেদের আধিপত্য চাপিয়ে’ বিভিন্ন দেশে হস্তক্ষেপ করছে—এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে। গোষ্ঠী সূত্র আরও অভিযোজন করেছে যে, জায়নিস্ট এবং আমেরিকান শক্তি ইরানের বিরুদ্ধে তাদের মিত্রদের মোকাবিলায় জড়িয়ে ফেলতে চেষ্টা করছে।

    এই দাবিগুলো এমন এক প্রেক্ষাপটে এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকার করেছে যে বর্তমান সংঘর্ষে সাতজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। তবে তেহরান ও তাদের সমর্থিত হিসেবে পরিচিত গোষ্ঠীগুলো আলাদা সংখ্যার কথা বলছে এবং ক্রমান্বয়ে হামলার সংখ্যা ও তীব্রতা বাড়িয়ে দিয়েছে।

    অন্যদিকে, ইরান-ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের সূত্রপাত ও তৎপরতাসহ সাম্প্রতিক কর্মসূচির পটভূমিতে পারদ বাড়ছে—প্রতিবেদনগুলোর কথা অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে নতুন বিমান হামলা চালিয়েছে; এর আগেও উস্কানিমূলক আক্রমণ ও প্রতিক্রিয়া ছিল। তেহরান ও প্রো-ইরান গোষ্ঠীগুলি পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে বলে জানানো হয়েছে।

    বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে যে, এই সাম্প্রিক উত্তেজনার ফলে ইতিমধ্যে কয়েকশ নারী ও শিশুসহ শতশত বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে; প্রেস টিভির একাধিক প্রতিবেদন এসব তথ্য পরিবেশন করেছে।

    উল্লেখ্য, এসব দাবির বিষয়টি এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি এবং বিভিন্ন পক্ষের পক্ষ থেকে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বলা সংখ্যাপ্রকাশিত দাবি প্রায়ই বিপরীত বক্তব্যের মুখোমুখি হয়। সংঘাতসংক্রান্ত এই তথ্য-দাবি ও প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও স্পষ্টতা এবং নিরপেক্ষ অনুসন্ধান দাবি করা হচ্ছে।

    সূত্র: প্রেস টিভি।

  • দুবাই বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন আঘাতে বাংলাদেশিসহ চারজন আহত

    দুবাই বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন আঘাতে বাংলাদেশিসহ চারজন আহত

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছাকাছি দুটি ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে; এতে একজন বাংলাদেশিসহ চারজন আহত হয়েছেন।

    দুবাই মিডিয়া অফিস এক্সে প্রকাশিত বিবৃতিতে জানিয়েছে, কিছুক্ষণ আগে বিমানবন্দরের নিকটবর্তী এলাকায় দুটি ড্রোন আঘাত হানে এবং তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় দু’জন ঘানার নাগরিক ও একজন বাংলাদেশি সামান্যভাবে আহত হন; আরেকজন ভারতীয় নাগরিক মাঝারি ধরনের আঘাত পেয়েছেন।

    বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পৃথক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মোট চারজন কর্মী আহত হয়েছেন এবং তাদের দ্রুত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে। জরুরি কর্মপন্থা কার্যকর থাকায় বেশিরভাগ টার্মিনাল থেকে আগেই যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। সে কারণে হামলার পরও বিমানবন্দরে বিমান চলাচল মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান তারা।

    কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের অনুরোধ করেছে যে, ফ্লাইট নিশ্চিত না করা পর্যন্ত বিমানবন্দরে আসবেন না, কারণ যেকোনো সময় ফ্লাইটের সূচীতে পরিবর্তন ঘটতে পারে।

    প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান, বলে অভিযোগ উঠেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার জানায়, এসব হামলায় এ পর্যন্ত তিনজন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন; নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি, একজন পাকিস্তানি এবং একজন নেপালের নাগরিক রয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।

    ইরানি হামলার শুরু থেকে বিশ্বের ব্যস্ততম এয়ারপোর্টগুলোর মধ্যে একটি দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য অঞ্চলে বিমান চলাচলে ব্যাপক ব্যাহত দেখা দিয়েছে; পরবর্তীতে কিছু ফ্লাইট পুনরায় চালু হলেও এয়ারলাইন্সগুলো এখনো পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেনি।

    সূত্র: গালফ নিউজ

  • বাগেরহাটে ৭ অবৈধ ইটভাটার ৪ লাখ কাঁচা ইট ধ্বংস

    বাগেরহাটে ৭ অবৈধ ইটভাটার ৪ লাখ কাঁচা ইট ধ্বংস

    বাগেরহাটে অবৈধভাবে চালিত সাতটি ইটভাটার থেকে সংগৃহীত প্রায় ৪ লাখ কাঁচা ইট ভেঙ্গে এবং পানিতে ভিজিয়ে ধ্বংস করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। অভিযানটি বুধবার বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার বাবুরহাট ও সাতগাছিয়া এলাকায় পরিচালনা করে পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা কার্যালয়।

    খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম সর্বসম্মতভাবে ভাটা গুড়িয়ে দেবার নির্দেশ দেন। অভিযানে বাগেরহাট জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আসাদুর রহমান, সহকারী পরিচালক দেলোয়ার হোসেন, বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শেখ মামুনুর রশীদসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, এসব ভাটা ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ধারা ৬ ও বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ধারা ১২ ভঙ্গ করে নিষিদ্ধ জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করে এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া পাজা পদ্ধতির ইটভাটাগুলো অবৈধভাবে পরিচালনা করছিল। অধিদপ্তর এসব আইন লঙ্ঘনের পরিপ্রেক্ষিতে ভাটা থেকে সংগৃহীত কাঁচা ইটগুলো ধ্বংস করেছে।

    অভিযানে কোন ভাটা মালিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না, ফলে কাউকে জরিমানা করা হয়নি বলে জানিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

    উপ-পরিচালক আসাদুর রহমান জানান, পরিবেশ রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতেও অনৈতিক ও পরিবেশ দূষণকারী ভাটা চিহ্নিত হলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

  • সাতক্ষীরার পাঁচ মন্দিরে ভোরের দুঃসাহসিক চুরি; স্বর্ণ-রূপাসহ ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরার পাঁচ মন্দিরে ভোরের দুঃসাহসিক চুরি; স্বর্ণ-রূপাসহ ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরায় পুরাতন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ি এলাকায় বুধবার ভোরবেলা পাঁচটি মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি হয়েছে। ঘটনার সময় ঘড়ি প্রায় তিনটায়। চোরেরা মন্দিরের তালা কেটে গিয়ে নগদ টাকা, দূর্গা বা কালী প্রতিমায় রাখা স্বর্ণ ও রূপার গহনা মিলিয়ে আনুমানিক ২০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে গেছে।

    জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন জানান, ভোর সাড়ে তিনটা থেকে চারটার দিকে মন্দির এলাকায় মেচে থাকা ছাত্ররা চুরির বিষয়টি জানতে পারার পর তারা সমিতিকে খবর দেয়। পরে সমিতির কয়েকজন সদস্য মন্দিরে গিয়ে দেখেন কালী মন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, চৈতন্যদেব মন্দির ও রাধা গোবিন্দ মন্দির—এই সব মন্দিরের দরজার তালা ভাঙা এবং ভেতরের জিনিসপত্র ছিন্নভিন্ন অবস্থায় রাখা।

    তদন্তে জানা যায়, চোরেরা প্রায় সাত ভরি ওজনের স্বর্ণের গহনা এবং কয়েক ভরি রূপার গহনা ও নগদ টাকা নিয়ে গেছে। সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা বলছেন মালামালের মধ্যে রয়েছে কালীমাতার স্বর্ণের জিহবা, দুটি স্বর্ণের বালা, দুই জোড়া পেটি, দুই জোড়া শাখা, একটি স্বর্ণের চেইন ও আরও কিছু রূপার গহনা।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ একটি তালা কাটা মেশিন উদ্ধার করেছে। সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধারের লক্ষ্যে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং তদন্ত চলছে।

    মন্দির সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য শিক্ষক দীপা সিন্দু তরফদার বলেন, মাত্র দুই দিন আগেও শহরের কাটি কর্মকারপাড়া এরাকায় একটি মন্দিরে চুরি হয়েছে। ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে। তিনি দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারের এবং মন্দিরগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান।

    স্থানীয়রা বলছেন দ্রুত কার্যকর তদন্ত ও মন্দিরগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানো না হলে ধর্মীয় স্থাপনাগুলোতে আবারও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে—এই আশঙ্কা রয়েই গেছে। তদন্তকারীরা ফেনা সংগ্রহ ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই শুরু করেছে।

  • নাহিদ রানার ফাইফারে পাকিস্তান অলআউট ১১৪ রানে

    নাহিদ রানার ফাইফারে পাকিস্তান অলআউট ১১৪ রানে

    মিরপুরের স্লো উইকেটে সাধারণত স্পিনাররা সুবিধা পান—তবুও আজ আগুন ঝরালেন পেসার নাহিদ রানা। তরুণ এই পেসারের গতি ও বাউন্সে মুগ্ধ হন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ওয়ানডেতে ফাইফার তুলে নাহিদ পাকিস্তানকে অলআউট করে মাত্র ১১৪ রানে গুটিয়ে দেন।

    টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামা পাকিস্তান ৩০.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১১৪ রানে থামে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ফাহিম আশরাফ। বাংলাদেশের হয়ে রানের বিনিময়ে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন নাহিদ রানা।

    নতুন বলের সময় মিতব্যয়ী বোলিং দেখিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান, কিন্তু উইকেট আদায় করতে পারেন নি তারা। ইনিংসের সপ্তম ওভারে শেষ হলে স্পিনের বিকল্প নেওয়া হলো এবং কপাল খুলেনি—তবু পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ নাহিদের হাতে বল তুলে দেন এবং সেটাই প্রথম বড় টার্নিং পয়েন্ট হয়। ওভারের শেষ বলে কাট করতে গিয়ে সাহিবজাদা ফারহান আফিফ হোসেনের হাতে ধরা পড়েন, ২৭ করে ফিরলে ভাঙে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি।

    এরপরের চার ওভারেই ধারাবাহিকভাবে উইকেট তুলে নেন নাহিদ। যথাক্রমে শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফেরান এই ডানহাতি পেসার। পাকিস্তানের টপ অর্ডার ভেঙে পড়ে এবং নাহিদ নিজের প্রথম ওয়ানডে ফাইফার সম্পন্ন করেন।

    ওই কাবুরেই ১৯তম ওভারে মিরাজও উইকেটের পার্টিতে যোগ দেন—ওভারের শেষ বলে আব্দুল সামাদকে লিটনের গ্লাভসে ধরিয়ে ফেরান। পরের দিকে হোসাইন তালাতকে ২৩তম ওভারেই লেগ-বিফোরে আউট করে আরেকটি ধাক্কা দেন মিরাজ; একই ওভারের শেষ বলেই ফিরিয়েছেন শাহিন আফ্রিদিককে।

    দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে তাসকিনও উইকেট নিতে সফল হন। ২৪তম ওভারের পঞ্চম বলে মোহাম্মদ ওয়াসিমকে প্রথম স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তের হাতে ধরা পড়ান তাসকিন।

    নবম উইকেট পড়ে যখন স্কোর ছিল ৮২, তখন পাকিস্তান শুরুর দিকে একশর নিচে অলআউট হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে। কিন্তু ফাহিম আশরাফ কিছুটা লড়াই করেন এবং আবরার আহমেদের সঙ্গে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়ে দলের স্কোর একশর ওপরে নিয়ে আসেন। ফাহিমের ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে পাকিস্তান ব্যাটিং লাইনআপ শেষ পর্যন্ত ১১৪ রানে অলআউট হয়।

    সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের বোলিং—বিশেষ করে নাহিদের প্রাণবন্ত পেসিং—পাকিস্তানের ব্যাটিংকে উত্তর দিতেই দেয়নি এবং ম্যাচে এখন বাংলাদেশ ভালো অবস্থায় রয়েছে।

  • ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে সর্বনিম্ন রানে অলআউট করে সহজ জয় বাংলাদেশে

    ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে সর্বনিম্ন রানে অলআউট করে সহজ জয় বাংলাদেশে

    কয়েক মাসের বিরতির পর ওয়ানডে ফিরেই তাণ্ডব ঘটাল বাংলাদেশ। জাতীয় দল দুর্দান্ত বোলিং ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং মিশিয়ে পাকিস্তানকে মাত্র ১১৪ রানে অলআউট করে দিয়ে সিরিজের তিন সংখ্যায় বিশাল হাতিয়ায় নিল। প্রতিদ্বন্দ্বীকে ৩০.৪ ওভারেই গুটিয়ে দিয়ে এটি পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে ইতিহাসে তাদের সর্বনিম্ন সংগ্রহ।

    পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রানের ইনিংস খেলেন ফাহিম আশরাফ। শুরুটা ভালো না হলেও শেষ সময়ে তিনি আব্রার আহমেদের সঙ্গে ৩২ রানের গুরুত্বপূর্ন শেষ উইকেট জুটিতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুলেন; তা ছাড়া দলের বাকি ব্যাটাররা বড় দেয়নি।

    বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে ছিল সূক্ষ্ম পরিকল্পনা। ইনিংসের শুরুতে নতুন বলে মিতব্যয়ী বোলিং দেখালেন তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান, কিন্তু উইকেটটা করতে পারেননি তারা। দলের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ স্পিনার হিসেবে দ্রুত আনা হয়েও প্রাথমিক সফলতা পাননি।

    তবে এরপর তরুণ পেসার নাহিদ খেলায় নামে ভাঙন ধরান। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারেই নাহিদকে বোলিংয়ের দায়িত্ব দেয়া হলে তিনি আক্রমণ ধরেন এবং ওভারশেষে সাহিবজাদা ফারহানকে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ক্যাচ করিয়ে দলকে বড় ব্রেকথ্রু দেন। এরপর পরপর কয়েকটি ওভারেই শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফেরিয়ে নাহিদ পাকিস্তানের টপ অর্ডার ভেঙে দেন। নিজের পরবর্তী চার ওভারের প্রতিটি ওভারে উইকেট তুলে নেয়ার সুবাদে নাহিদের নামে লেখা গেল ৫ উইকেট, এবং এটা তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার।

    আজি মিরাজও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। ১৯তম ওভারে তিনি আব্দুল সামাদকে লিটনের হাতে ক্যাচ করিয়ে ফিরিয়েছেন এবং পরে হোসাইন তালাত ও শাহিন আফ্রিদিকেও ফেরান। তাসকিনের হাতে একটি উইকেটও এসেছিল—২৪তম ওভারের পঞ্চম বলে নাজমুল হোসেন শান্তই প্রথম স্লিপে ধরা পড়ানো ক্যাচে মোহাম্মদ ওয়াসিমকে সাজঘরে পাঠান।

    সব মিলিয়ে পাকিস্তান ৩০.৪ ওভারে ১১৪ রানে অলআউট হয়ে যায়। পাকিস্তান দিয়ে এ হয়েছিল বড় ধাক্কা; এ অবস্থায় ফাহিমের ইনিংস ছাড়া বড় অবদানের অভাব ছিল।

    জবাবে তুচ্ছ লক্ষ্যের তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ খেলেছে স্বাধীন ও আক্রমণাত্মক ক্রিকেট। ওপেনিংয়ে সাইফ হাসান প্রথমে ৪ রান করে ফেরলেও দলের অন্য প্রান্তে তানজিদ হাসান তামিম আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে নেন। তামিম মাত্র ৩২ বলেই ফিফটি পূর্ণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ৬৭ রানে দলকে ১৫.১ ওভারে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

    শেষত বাংলাদেশের স্কোর পড়ে ১১৫/২—দুটি উইকেট হারিয়ে স্বচ্ছন্দ জয়। তানজিদের এই ইনিংস ছিল দ্রুত এবং কার্যকর, যা দলের জন্য সুফল বয়ে এনেছে।

    পৃথকভাবে বললে, নাহিদের বোলিংই ছিল ম্যাচটিকে বাংলাদেশি দিকেই টানার মূল কারণ; আর তানজিদের অনবদ্য ইনিংস জয় নিশ্চিত করেছে। বিরতির পর দেশের ক্রিকেটের এমন দাপট দর্শকদের প্রত্যাশা অনেকটাই পূরণ করল।

  • বিদেশি মদ উদ্ধারের মামলায় আসিফ আকবর খালাস

    বিদেশি মদ উদ্ধারের মামলায় আসিফ আকবর খালাস

    ঢাকার একটি আদালত চার বোতল বিদেশি মদ নিজের হেফাজতে রাখার অভিযোগে কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরকে খালাস দিয়েছেন। সোমবার (৯ মার্চ) শুনানি শেষে ঢাকার ২য় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় আসিফকে খালাসের রায় দেন।

    আসিফের পক্ষে করা বক্তব্য ও আইনজ(Name)বী পরিবেশনার পর বিচারক রায় ঘোষণা করেন বলে জানা গেছে। এই রায় নিশ্চিত করেছেন আসিফের আইনজীবী প্রদীপ কুমার দেবনাথ। রায়ের পর আসিফ আকবর সাংবাদিকদের জানান, তিনি ন্যায়বিচার পেয়েছেন।

    এই মামলা পরীক্ষার সূত্রপাত হয় ২০১৮ সালের ৬ জুন, যখন তেজগাঁও থানার অন্তর্ভুক্ত পান্থপথের আর্ব এন্টারটেইনমেন্ট অফিস থেকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আসিফকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার অফিস কক্ষে চার বোতল টাকিলা মদ পাওয়া যায়। মদ পরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য অধিদফতরে পাঠানো হয়েছিল।

    মদ নিজের দখলে রাখার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই সিআইডি পুলিশের সাইবার তদন্ত শাখার উপ-পরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সিকদার তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর সিআইডি তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মো. জামাল উদ্দিন চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর আদালত ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচারাভিযান শুরু করেন। মামলার তদন্ত ও বিচার চলাকালে তিনজন সাক্ষীর কথামত গ্রহণ করা হয়েছিল।

    গত ৩ মার্চ আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে রায়ের জন্য ৯ মার্চ দিন ঠিক করেছিলেন। শুনানির দিন আসিফ আকবর নিজেই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেওয়ার রায় প্রদান করেছে।

  • সৌদি উপহারের ১২,৫০০ কার্টুন খেজুর: জেলা অনুযায়ী বরাদ্দ তালিকা

    সৌদি উপহারের ১২,৫০০ কার্টুন খেজুর: জেলা অনুযায়ী বরাদ্দ তালিকা

    সৌদি আরবের ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’ থেকে উপহারে পাওয়া মোট ১২,৫০০ কার্টুন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ করেছে সরকার। এসব খেজুর জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে বিতরণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।

    সম্প্রতি এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে এসব খেজুর স্থানীয় পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হবে।

    বরাদ্দের বিস্তারিত জেলা অনুযায়ী নিম্নরূপ:

    ঢাকা বিভাগ: ঢাকা ২৯৭, নারায়ণগঞ্জ ১০১, গাজীপুর ১০৩, মুন্সিগঞ্জ ১৮০, মানিকগঞ্জ ১৭১, নরসিংদী ১৮৮, টাঙ্গাইল ৩১৮, কিশোরগঞ্জ ২৮৭, ফরিদপুর ২১৪, গোপালগঞ্জ ১৭৫, মাদারীপুর ১৫৭, শরীয়তপুর ১৭৩ ও রাজবাড়ী ১১০ কার্টুন।

    ময়মনসিংহ বিভাগ ও পার্শ্ববর্তী জেলা: ময়মনসিংহ ৩৮৪, নেত্রকোনা ২২৬, জামালপুর ১৭৭ ও শেরপুর ১৩৭ কার্টুন।

    চট্টগ্রাম বিভাগ ও পার্বত্য অঞ্চল: চট্টগ্রাম ৫১৮, কক্সবাজার ১৮৭, রাঙ্গামাটি ১৩০, খাগড়াছড়ি ৯৭, বান্দরবান ৯০, কুমিল্লা ৫২০, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৬৭, চাঁদপুর ২৩৫, নোয়াখালী ২৪৩, লক্ষ্মীপুর ১৫৪ ও ফেনী ১১২ কার্টুন।

    রাজশাহী বিভাগ: রাজশাহী ১৯০, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১১৬, নওগাঁ ২৫৯, নাটোর ১৩৫, পাবনা ১৯৬, সিরাজগঞ্জ ২২১, বগুড়া ২৯১ ও জয়পুরহাট ৮১ কার্টুন।

    রংপুর বিভাগ: রংপুর ২০১, কুড়িগ্রাম ১৯২, নীলফামারী ১৬১, গাইবান্ধা ২১৪, লালমনিরহাট ১১৬, দিনাজপুর ২৭৪, ঠাকুরগাঁও ১৪১ ও পঞ্চগড় ১১২ কার্টুন।

    খুলনা বিভাগ: খুলনা ১৮২, বাগেরহাট ২০৩, সাতক্ষীরা ২০৭, যশোর ২৪৭, ঝিনাইদহ ১৭৫, মাগুরা ৯২, নড়াইল ১০১, কুষ্টিয়া ১৭৪, মেহেরপুর ৫১ ও চুয়াডাঙ্গা ১০৫ কার্টুন।

    বরিশাল ও সিলেট বিভাগ: বরিশাল ২৩৪, পটুয়াখালী ২০২, ভোলা ১৮৭, পিরোজপুর ১৩৯, বরগুনা ১১০, ঝালকাঠি ৮২; সিলেট ২৯০, হবিগঞ্জ ২০৬, মৌলভীবাজার ১৭৮ ও সুনামগঞ্জ ২৩৪ কার্টুন।

    অন্যান্য বিশেষ বরাদ্দ: ঢাকায় মাস্তুল ফাউন্ডেশনকে ১৮৫ কার্টুন, ঢাকাস্থ সৌদি আরব দূতাবাসকে ৫০ কার্টুন এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে ১৫ কার্টুন খেজুর আলাদা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    সরকারি সূত্র বলছে, নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী দ্রুত এসব খেজুর জেলা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তা তৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনমত বিতরণ করা যায়।