Blog

  • মীর স্নিগ্ধের পরামর্শ: এনসিপিকে এখনই ১১ দলীয় জোট ছাড়তে হবে

    মীর স্নিগ্ধের পরামর্শ: এনসিপিকে এখনই ১১ দলীয় জোট ছাড়তে হবে

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এখনই ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট থেকে বেরিয়ে আসা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জুলাই অভিযানের শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের ছোট ভাই মীর স্নিগ্ধ। শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই পরামর্শ জানিয়েছেন।

    পোস্টে মীর স্নিগ্ধ লিখেছেন, ‘সামান্তা শারমিনের মতো আমিও মনে করি, এনসিপির এখনই জোট থেকে বেরিয়ে আসা উচিত। কারণটা খুবই সহজ — এনসিপি যদি নিজেকে বড় দল হিসেবে না দেখে, তাহলে অন্য কেউ তাকে বড় করে তুলবে না।’

    তিনি আরও বলেন যে এনসিপিকে নিজেদের আদর্শ, রাজনৈতিক অবস্থান এবং মানকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এর ফলে সাময়িকভাবে কিছু সমস্যা হতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। মীর স্নিগ্ধ নির্দেশ করেন, ‘এই দেশের তরুণরা পুরোনো ধাঁচের প্রচলিত রাজনীতিতে ক্লান্ত; তারা এনসিপিকে একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখতে চায়।’

    মীর স্নিগ্ধের বক্তব্যে বলা হয়েছে, এখনই জোট ত্যাগ না করলে ধীরে ধীরে মানুষের মনে ধরা পড়বে যে এনসিপির কোনো স্বতন্ত্রতা নেই এবং একসময় তা স্থায়ী ধারণায় পরিণত হবে। তিনি অঙ্গীকার করেন যে যদি এনসিপি এখনই স্বতন্ত্রভাবে দাঁড়ায়, তখন অনেকে — যারা হয়ত এখন চোখে নেই — শক্তিশালী ও প্রতিভাবান নেতৃত্ব নিয়ে আসতে আগ্রহী। তাই সময়টা এখনই, এমনটাই তার দৃঢ় মতামত।

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে মনিরুল হকের প্রশ্ন

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে মনিরুল হকের প্রশ্ন

    জাতীয় সংসদে জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী তীব্র মন্তব্য করেছেন। রোববার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

    সংসদে দাঁড়িয়ে মনিরুল হক বলেন, স্বাধীনতার পরও একটি মেধাবী শ্রেণি এসেছিল যারা জাসদ গঠন করেছিল। ‘‘বাড়াবাড়ি করতে করতে দেশ ও জাতিকে ক্ষতি করা হলো, তারা নিজেও শেষ পর্যন্ত আর রইলো না। আমাদের যেন সবকিছু হজম করার তৌফিক দিয়ে।’’

    তিনি বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করে বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি দেশনেত্রী খালেদার নেতৃত্বে তাদের সঙ্গে কাজ করেছেন। খালেদা জিয়া অনেক বিরোধ উপেক্ষা করে জাতি-দেশের স্বার্থে জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছেন—এই অবদানটুকু অন্তত স্মরণ করা উচিত বলে তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘‘আপনারা যখন প্রশ্ন তোলেন, মনে হয় এ দেশে ১৫–২০ বছর বিএনপি ছিলই না। ইতিহাস ও রাজনৈতিক বিবেচনা থেকে এমন অনেক বিষয় ভাবা দরকার।’’

    মনিরুল হক আরও বলেন, সংসদে দাঁড়িয়ে কখনো কখনো তিনি ভেবেছেন কী ভাষায় কথা বলবেন—আগে যাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কথা বলা হতো তাদের চিনতাম, কিন্তু আজকের বিরোধীদের অনেককেই তিনি চিনতে পারছেন না। তিনি তরিক রহমানের কথাও তুলে আনেন—‘‘কঠিন নির্বাচন’’—যা সেই সময় অনেকে বুঝতে পারেননি, পরে তাদের ধারণা হলো নির্বাচন কত কঠিন ছিল।

    তিনি বৃহস্পতিবার আরো মন্তব্য করে বলেন, এত সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর যে দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত ছিল, তা যদি কেউ মনে করে তা হলো জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। তবুও আজ আমাদের সম্পর্কে নানা প্রশ্ন উঠছে—কয়েকজন জীবিত মুক্তিযোদ্ধার ওপর প্রশ্ন করা হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধকে অন্য কোনো ঘটনাও একই কাতারে ধরা হচ্ছে কি না—এই ধরনের আশঙ্কা ছড়াচ্ছে। তিনি বলেন, ‘‘ফ্যাসিস্টদের শাসনামলে বিচার নামে যদি অন্যায় হয়ে থাকে, সে কথা আলাদা।’’

    শেষে মনিরুল হক বলেন, সংসদে এই বিষয়গুলো উত্থাপন রেখে তিনি জামায়াতকে একটি কথা জানাতে চান: স্বাধীনতার পর এনসিপির মত নতুন নেতৃত্বে যারা আছে তাদের বয়স কম হলেও তিনি তাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তিনি তাদের ‘সাহসী সন্তান’ হিসেবে মন্তব্য করে বলেন, বর্তমান যুগের চাহিদা অনুযায়ী কিছু নতুন শক্তির দরকার আছে।

  • দুদক তদন্তে চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম

    দুদক তদন্তে চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও নিয়োগভিত্তিক অনিয়মের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে। এই বিষয়ে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে এসব কমিটির প্রধান করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    দুদকের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক কেলেঙ্কারির আভাস পাওয়া গেছে। বিশেষ করে তিনি শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকাকালে নেওয়া একটি জাহাজ ক্রয়ের সিদ্ধান্তে অনিয়মের অভিযোগ আছে — ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র ৪টি জাহাজ কেনা হয়; ফলে প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার অসঙ্গতি দেখা গেছে।

    আরেকটি অভিযোগ মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ড্রেজিং প্রকল্পে। এই প্রকল্পের জন্য ১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়; দুদক জানিয়েছে সেখানে বড় ধরনের অনিয়মের আশঙ্কা রয়েছে।

    দুদকের অনুসন্ধানকারী দল সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে প্রয়োজনীয় নথি-প্রমাণ তলব করেছে এবং অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য ও পরবর্তী কর্মপন্থা সম্পর্কে দুদক থেকে আরও জানানো হবে।

  • ক্রেডিট কার্ডের নতুন গাইডলাইন: ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ, ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ জোরদার

    ক্রেডিট কার্ডের নতুন গাইডলাইন: ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ, ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ জোরদার

    বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পরিচালনা কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করতে নতুন গাইডলাইন জারি করেছে। রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করে ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, গাইডলাইনে ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা বৃদ্ধির পাশাপাশি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, গ্রাহক অধিকার সুরক্ষা ও বিরোধ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত নির্দেশনা যোগ করা হয়েছে।

    দৈনন্দিন ব্যয়ে নগদ বহনের বিকল্প হিসেবে ব্যক্তিগত পর্যায়ে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। ব্যবহারের বিস্তৃতি ও সেবার পরিধি বাড়ার ফলে এই খাতে বিদ্যমান জটিলতা কমানো এবং নতুন বৈশিষ্ট্য সংযোজনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে পূর্বের নীতি হালনাগাদ করে পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন আনা হয়েছে।

    গাইডলাইনে ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত বিভিন্ন দিক বিস্তারিতভাবে নিয়মকানুনে আনা হয়েছে— প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, কার্ডের ধরন, গ্রাহকের যোগ্যতার মানদণ্ড, ক্রেডিট সীমা ও সুদের হার নির্ধারণের কৌশল, কার্ড ইস্যু ও বিপণন পদ্ধতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা ও অধিকার সুরক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা।

    গাইডলাইনে প্রধান পরিবর্তনের মধ্যে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বিতরণযোগ্য সর্বোচ্চ ঋণসীমা বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা থেকে ৪০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। অনিরাপদ (আনসিকিউরড) ঋণের সর্বোচ্চ সীমাও ১০ লাখ থেকে ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি, কার্ড-ভিত্তিক লেনদেন পরিশোধে জটিলতা এবং বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হয়েছে।

    নতুন নির্দেশনার উদ্দেশ্য হচ্ছে দায়িত্বশীল ঋণদানের অনুশীলন উৎসাহিত করা, গ্রাহক অধিকার রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং নগদবিহীন আর্থিক লেনদেনের জন্য একটি স্বচ্ছ ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা। ব্যাংক আশা করছে, এটি গ্রাহকসেবা উন্নত করবে এবং ক্রেডিট কার্ড সেবার ওপর বিশ্বাস বাড়াবে।

  • এক্সের চ্যাটবট গ্রোক বলছে নেতানিয়াহুর কফি-ভিডিও ‘ডিপফেক’

    এক্সের চ্যাটবট গ্রোক বলছে নেতানিয়াহুর কফি-ভিডিও ‘ডিপফেক’

    ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে জীবিত থাকার প্রমাণ হিসেবে দেখানো একটি কফি-শপ ভিডিওকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ডিপফেক বলেছে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম এক্সের চ্যাটবট গ্রোক। সাম্প্রতিক সময়ে নেতানিয়াহুর স্বাস্থ্য এবং অবস্থান নিয়ে ছড়ানো গুঞ্জনের মধ্যে এই ভিডিও নতুন বিতর্ক ছড়িয়েছে।

    আগে অবশ্য সামাজিক মাধ্যমে একটি ক্লিপে নেতানিয়াহুর বাম হাতে ছয়টি আঙুল দেখা যাওয়ার কারণে সেটিকে এডিট বা ভুয়া হিসেবে নিয়েও বিতর্ক চলছিল। এর পর সরকারি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও শেয়ার করা হয়, যেখানে নেতানিয়াহুকে জেরুজালেম হিলসের ‘দ্য সাতাফ’ ক্যাফেতে কফি অর্ডার করতে দেখা যায়। ভিডিওটিতে তিনি কফি তুলে ‘ল’চাইম’ বলে জীবনের জয় কামনা করেন এবং ছড়ানো মৃত্যুর গুজবকে উপহাস করেন।

    গ্রোক ওই ভিডিওকে এআই-জেনারেটেড ও ডিপফেক হিসেবে শনাক্ত করে বলেছে, ‘‘এ ধরনের দৃশ্য—নেতানিয়াহু পাবলিক ক্যাফেতে বসে গোপন অভিযানের কথা বলছেন—বাস্তবে ঘটেনি। মূল পোস্টেও এটি অপ্রকাশিত উন্নত এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।’’

    অন্যান্য ব্যবহারকারীরাও ভিডিওর বিভিন্ন অস্বাভাবিকতা তুলে ধরেছেন। কেউ ক্লোজ-আপ শটে কফির কাপ ও অ্যাকশনের অযৌক্তিকতা দেখিয়েছেন, কেউ বলেন মুখের আকৃতিও শটের মধ্যে পরিবর্তিত হচ্ছে। গ্রোক একবার আরও জোর দিয়ে জানায়, ‘‘হ্যাঁ, ১০০ শতাংশ নিশ্চিত—এটি উন্নতমানের এআই ডিপফেক; পুরো দৃশ্যই কাল্পনিক।’’

    নেতানিয়াহুর কার্যালয় এই গুজব প্রতিকূল করে ‘ভুয়া’ বলেছে এবং প্রধানমন্ত্রী সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছে। আর যেখানে ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, সেই ‘দ্য সাতাফ’ ক্যাফের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে নেতানিয়াহুর কফি পান করছে এমন ছবিও পোস্ট করা হয়েছে; ক্যাপশনে তারা তাদের আতিথেয়তা প্রকাশ করেছেন।

    বিষয়টি নিয়ে সংশয়ের মধ্যেও সোশ্যাল মিডিয়ায় এআই-জেনারেটেড কন্টেন্ট শনাক্তকরণ ও তথ্য যাচাইয়ের গুরুত্ব আবারো浮ে এসেছে। সূত্র: এনডিটিভি।

  • গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরান ৫০০ জন গ্রেপ্তার করেছে

    গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরান ৫০০ জন গ্রেপ্তার করেছে

    ইরানের পুলিশ ৫০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমাদরেজা রাদান। তিনি গতকাল আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিমকে বলেছেন, গ্রেপ্তারকার্য মূলত গোপনে বিদেশি গোয়েন্দা তথ্য পাঠানোর অভিযোগে করা হয়েছে।

    রাদানের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারদের মধ্যে অন্তত ২৫০ জনকে বিশেষভাবে লন্ডনভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল ইরান ইন্টারন্যাশনালকে তথ্য সরবরাহ করার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। বাকি গ্রেপ্তারদের মধ্যে কয়েকটি আন্ডারগ্রাউন্ড সন্ত্রাসী গ্যাংয়ের সদস্যরাও রয়েছেন; তারা নাশকতা, উসকানি ছড়ানো ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে সহিংসতা ভাড়িয়ে দেওয়ার কাজে যুক্ত ছিল বলে দাবি করেছেন পুলিশ সূত্র।

    ইরান ২০২২ সালে লন্ডনভিত্তিক ইরান ইন্টারন্যাশনালকে ‘সন্ত্রাসী সংস্থা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরেই এই চ্যানেলটিকে সরকারবিরোধী প্রচারণা ও ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে লক্ষ্য করে আসছে। তাসনিমে দেওয়া বক্তব্যে রাদানও ইরান ইন্টারন্যাশনালের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগের কথা উল্লেখ করেছেন।

    এই গ্রেপ্তার অভিযানকে চলমান অঞ্চলে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দেখা হচ্ছে। সংবাদে বলা হয়েছে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পারমাণবিক বিষয়ক সংলাপ ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন চলার পর কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমন্বয়ে কিছু সামরিক অভিযান চালায়—যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নাম দেয়।

    এর জবাবে ইরান একাধিকবার মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয়টি দেশ (সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে) অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যা এখনও চলমান রয়েছে। একই সংঘর্ষে ইরানে নিহত হয়েছেন অনেক মানুষ; আনুষ্ঠানিক সূত্র বলেছে সংখ্যা ১ হাজার ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে।

    ইরানের পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার অভিযান ও তদন্ত চলমান আছে এবং আরও তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই প্রতিবেদনটির উৎস: আনাদোলু এজেন্সি এবং তাসনিম নিউজে প্রকাশিত বিবরণ।

  • প্রশাসক নিয়োগে খুলনা জেলা পরিষদের উন্নয়ন কর্মসূচি জোরদার হবে: আশা

    প্রশাসক নিয়োগে খুলনা জেলা পরিষদের উন্নয়ন কর্মসূচি জোরদার হবে: আশা

    খুলনা সিটি করপোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, স্থবির থাকা জেলা পরিষদগুলো সচল করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ খুলনা জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পুনরায় ত্বরান্বিত করবে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ভূমিকা রাখবে। ঈদের আগে পাওয়া এই দায়িত্ব সবাইকে অনুপ্রাণিত করছে। কিছু আগে আমাকেও সিটি করপোরেশনে নিয়োগ দেয়া হয়েছে; এখন মিলেমিশে খুলনা মহানগরী ও জেলার মানুষের কল্যাণে কাজ করবো—তিনি এও উল্লেখ করেন।

    নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১২টায় খুলনা জেলা পরিষদে দায়িত্ব গ্রহন করেন। দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, তরিক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের লক্ষ্য জেলা পরিষদকে দুর্নীতিমুক্ত, জনবান্ধব ও কল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। কোনো দুর্নীতিবাজের সেখানে ঠাঁই হবে না; তৃণমূল পর্যায়ে আর্থিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সেবা পৌঁছে দেয়া হবে—এটাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।

    দায়িত্ব হস্তান্তর করেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য এম. আমীর এজাজ খান ও জেলা বিএনপির আহবায়ক মো. মনিরুজ্জামান মন্টু।

    দায়িত্ব গ্রহনের পরে বক্তৃতায় এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, দীর্ঘ স্বৈরশাসনের পর অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সরকার তারেক রহমানের নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করেছে। দেশের দায়িত্ব নেওয়ার পর যারা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে। তিনি জানান, তাকে জেলা পরিষদকে সততা, নিষ্ঠা ও প্রজ্ঞার সাথে পরিচালনা করে দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

    মনিরুল হাসান বাপ্পী দাবি করেন, গত ১৭ বছর ধরে খুলনা জেলা পরিষদ দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল এবং সেখানে নিয়ম ও নীতির অভাব ছিল। তাই তিনি জনগণের স্বচ্ছ যাতায়াত নিশ্চিত করে জবাবদিহিমূলক একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার অঙ্গীকার প্রকাশ করেন। তিনি মহান আল্লাহর শোকরিয়া করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও খুলনাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং দীর্ঘ সময়ের সংগ্রামী নেতাকর্মী ও সমর্থকদেরও ধন্যবাদ জানান।

    দায়িত্ব গ্রহণের পর মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আরাফাত রহমান কোকোসহ মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ’২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া-মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুস্হ্য ও দীর্ঘায়ু এবং দেশের সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (ট্রাফিক) মো. শফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমানসহ জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এছাড়া খুলনার নয়টি উপজেলা ও দুই পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা অংশ নিয়ে নবনিযুক্ত প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। পরে তিনি তাঁর নির্ধারিত কক্ষে বসে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন।

  • চুয়াডাঙ্গায় ভুয়া ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজি, দুইজন গ্রেফতার

    চুয়াডাঙ্গায় ভুয়া ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজি, দুইজন গ্রেফতার

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় ডিবি (ড্রাগ্স ব্রাঞ্চ/ডিবি) পরিচয় দিয়ে সড়কে বিভিন্ন যানবাহন থামো করে চাঁদা আদায় করার সময় দুই ভুয়া ডিবি সদস্যকে স্থানীয়রা আটক করে। পরে গণধোলাই করে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    ঘটনা ঘটে বুধবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের চেংড়িখালী ব্রিজ সংলগ্ন সড়কে। স্থানীয়রা জানায়, কয়েকজন ব্যক্তি রেজিস্ট্রেশনবিহীন একটি সুজুকি মোটরসাইকেল সড়কের পাশে রেখে ভ্যান, রিকশা ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনকে থামিয়ে নগদ টাকা দাবি করছিলেন। তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে এলাকাবাসী তাদের ঘিরে ধরে।

    আটককৃত দুইজন তখন ডিবি লেখা জ্যাকেট পরিহিত ছিলেন। স্থানীয়দের হাতে আটকের সময় তাদের আরও ২–৩ জন সহযোগী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। আটকরা হলেন ঝিনাইদহ জেলার গাবতলা পাড়ার আক্কাস আলীর ছেলে আহাদ (৩৫) ও কোটচাঁদপুর উপজেলার বাজারপাড়ার ইউসুফ আলীর ছেলে রিজভী সালমান (২৯)।

    জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, ভুয়া পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের থানায় রাখা হয়েছে। পলাতক অন্যান্য সহযোগীদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা दায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

    ওসি আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয়রা এ ধরনের কেউ না করলে সড়কে এই ধরনের চাঁদাবাজির ঘটনা আর ঘটবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পুলিশি কর্তারা।

  • বিসিবি নির্বাচনের তদন্ত বিষয়টি আইসিসির নজরে এসেছে: বিসিবির উদ্বেগ

    বিসিবি নির্বাচনের তদন্ত বিষয়টি আইসিসির নজরে এসেছে: বিসিবির উদ্বেগ

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) কয়েক দিন আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ২০২৫ সালের নির্বাচনে অনিয়ম, কারসাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহার বিষয়ে স্বাধীন তদন্তে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। ওই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে বিসিবি উদ্বেগ জানিয়ে জানিয়েছে—এ বিষয়টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) ও সেখানে থাকা সিনিয়র প্রতিনিধিদের নজরে পৌঁছেছে।

    বিসিবির তরফে বলা হয়েছে, বর্তমান বোর্ডটি একটি যথাযথভাবে নির্বাচিত এবং পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর প্রশাসনিক সংস্থা, যা তার সংবিধান ও প্রতিষ্ঠিত শাসন কাঠামোর অধীনে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বোর্ড বাংলাদেশ ক্রিকেটের সর্বোত্তম স্বার্থ বজায় রেখে তার কাজ সম্পাদন করছে বলে তারা উল্লেখ করেছে।

    তবে এনএসসি যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, তাতে বিসিবি উদ্বিগ্ন যে তা তাদের নির্বাচিত প্রশাসনের স্থিতিশীলতা, স্বাধীনতা ও ধারাবাহিকতায় অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে। এ উদ্বেগ আনানুষ্ঠানিকভাবে আইসিসির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে উত্থাপিত হয়েছে বলে বিসিবি জানিয়েছে।

    আইসিসির নীতি অনুযায়ী, কোনো নির্বাচিত ক্রিকেট সংস্থার কার্যক্রমে বাহ্যিক হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হয় না এবং এমন বিষয়ে তারা অত্যন্ত জোরালো ভূমিকা নেয়। বিসিবি মনে করে, এই ধরনের হস্তক্ষেপ আইসিসির শাসন বিধির আওতায় পর্যালোচনার কারণ হতে পারে।

    তবে আইসিসির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ শুরু করার আগে বিসিবি চাইছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সঙ্গে সরাসরি বসে গেজেটের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে পরিষ্কার ব্যাখ্যা নেয়া হোক। বিসিবি জাতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং একই সঙ্গে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ক্রিকেট শাসন মানদণ্ড অনুযায়ী নির্বাচিত প্রশাসনের স্বায়ত্তশাসন রক্ষার ওপর জোর দিচ্ছে।

    পটভূমি হিসেবে জানা গেছে, কদিন আগে তামিম ইকবাল ও তাঁর সমমনা কিছু ক্রিকেট সংগঠক এনএসসিতে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে এনএসসি ওই তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মন্ত্রণালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

  • সিরিজ জয়, র‌্যাংকিংয়ে সুখবর পেল বাংলাদেশ

    সিরিজ জয়, র‌্যাংকিংয়ে সুখবর পেল বাংলাদেশ

    রাজনৈতিক কারণে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাদের ফেরাটা দারুণ হলো। ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নিজেদের করে নিয়ে দর্শকদের আনন্দ দিলো টাইগাররা—এবারের জয়ই র‌্যাংকিংয়ে ইতিবাচক সঙ্কেত পাঠিয়েছে এবং ওয়ানডে বিশ্বকাপের সরাসরি টিকিটের দৌড়ে এক ধাপ এগোতে সাহায্য করলো।

    সিরিজের শুরুতে বড় ব্যবধানে জয় পেলেও দ্বিতীয় ম্যাচে নিচে নামা লাগল বড় হার দিয়ে। তবু সিরিজের শেষ ম্যাচে নাটকীয় লড়ে ১১ রানে জিতে বাংলাদেশ কাঁধে তুলে নিল সিরিজটিও এবং র‌্যাংকিংয়ে উন্নতিও নিশ্চিত করল।

    আগামী বছরের ৩১ মার্চ র‌্যাংকিংয়ের ওপরই নির্ভর করে চূড়ান্তভাবে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার দলগুলো নির্ধারিত হবে। স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে ছাড়া র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ ৮ দল সরাসরি সুযোগ পাবে। স্বাগতিক আরও একটি দেশ নামিবিয়াও সরাসরি খেলার যোগ্য। যদি দক্ষিণ আফ্রিকা র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষ আটের মধ্যে থাকে, তাহলে সরাসরি সুযোগ পাবে র‍্যাংকিংয়ে নবম অবস্থানাধীশও—অর্থাৎ বাংলাদেশের জন্য অন্তত সেরা ৯-এর মধ্যে থাকা জরুরি, এবং আপাতত সেই অবস্থানে তারা উঠে এসেছে।

    পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের ফলে বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পিছনে ফেলে আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে এখন ৯ নম্বরে আছে। সিরিজ শুরুর সময় তাদের রেটিং ছিল ৭৬ পয়েন্ট; ২-১ জয়ের পর তা বেড়ে ৭৯ পয়েন্টে উঠেছে। ক্যারিবীয়রা এখন ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে ১০ নম্বরে নেমে এসেছে। সিরিজ হারলেও পাকিস্তান ৪ নম্বরে রয়েছে; তাদের রেটিংও ১০৫ থেকে কমে ১০২ হয়েছে।

    এই জয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়লো বাংলাদেশ দল ও ভক্তদের—আপাতত র‌্যাংকিংয়ের প্রতিটি ম্যাচই এখন ভবিষ্যত বিশ্বকাপ স্বপ্নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।