Blog

  • সুন্দরবনে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩টি দেশীয় অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

    সুন্দরবনে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩টি দেশীয় অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

    সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে শুক্রবার বনবিভাগের কর্মকর্তারা এক অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় তিনটি দেশীয় বন্দুক এবং চার রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছেন। এ সময় তারা কোনো দুষ্কৃতিকারীকে আটক করতে পারেননি। ঘটনাটি ঘটে সাতক্ষীরা বিভাগের কেঁচির খালের বাইনতলার এলাকায়, যেখানে বনবিভাগের টহলদল সন্দেহজনক কিছু দৃষ্টিগোচর হয়। বনকর্মীরা তখন দুষ্কৃতিকারীদের ধাওয়া করে, যারা বনপ্রান্তের গহীন জঙ্গলে পালিয়ে যায়। পরে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে অবশেষে এই অস্ত্র ও গুলির সন্ধান পান। ঘটনা প্রসঙ্গে বনবিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, বনজঙ্গল ও বন্যপ্রাণি রক্ষায় তারা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে থাকেন এবং এই ধরনের অপরাধ দমন করতে তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলিগুলো এখন পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলচ্ছে। বনদস্যুদের দমন এবং সুন্দরবনের নিরাপত্তা জোরদার করতে এই অভিযান আরও জোরালোভাবে চালানো হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

  • রামপালে জমি বিরোধের জেরে হামলায় আহত ১

    রামপালে জমি বিরোধের জেরে হামলায় আহত ১

    বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার আদাঘাট এলাকায় জমির বিরোধের জেরে এক ব্যক্তির উপর সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন মোঃ রাজু হাওলাদার (৩২)। অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) রাজু হাওলাদের স্ত্রী সনিয়া বেগমের সাথে একই এলাকার আব্দুল হালিম শেখ ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে জমি সংক্রান্ত একটি বিবাদ শুরু হয়। এই বিরোধের জের ধরে, শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে আদাঘাট সাইদের দোকানের সামনে রেহেনা বেগমের বসতবাড়ির সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

    ভুক্তভোগী রেহেনা বেগম অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত আব্দুল হালিম শেখ, তার ছেলে রবিউল শেখ ও আরও কয়েকজন লাঠি, লোহার রড, দা ও চাইনিজ কুড়াল সংগ্রহ করে এসে তার ছেলেকে এলোপাতাড়ি কোপায় এবং পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। আহত রাজুর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।

    স্থানীয়রা জানায়, আহতের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। এ সময় হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত রাজুকে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় রেহেনা বেগম রামপাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

    রামপাল থানার ওসি (তদন্ত) সুব্রত বিশ্বাস জানান, তারা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সমাজের সকল সম্প্রদায়ের সাথে মিলেমিশে উন্নত নগরী গড়তে চান খুলনা সিটি মেয়র

    সমাজের সকল সম্প্রদায়ের সাথে মিলেমিশে উন্নত নগরী গড়তে চান খুলনা সিটি মেয়র

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সব সম্প্রদায়ের মানুষকে একসাথে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ, সুন্দর এবং উন্নত নগরী গড়ে তোলা। তিনি বলেন, যেখানে যা প্রয়োজন, সেটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে খুলনাকে একটি আরো সুষ্ঠু, বাসযোগ্য ও সুন্দর শহর হিসেবে রূপান্তরিত করতে চাই। এ জন্য তিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা ও সহানুভূতি কামনা করেন।

    গতকাল শুক্রবার বিকেলে নগরীর গল্লামারিস্থ শ্রী শ্রী হরি মন্দির ও গুরুচাঁদ ছাত্রাবাস প্রাঙ্গণে আয়োজিত মতুয়া মহাসম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃ্তা হিসেবে অংশগ্রহণ করেছিলেন খুরুনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক। মূল অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় শ্রী শ্রী হরিমন্দির পরিচালনা কমিটির সদস্য ও গুরুচাঁদ ছাত্রাবাসের সভাপতি সুপতি ঠাকুর শিবু এবং ওড়াকান্দির আন্তর্জাতিক মতুয়া প্রচার মিশনের সভাপতি সম্পদ ঠাকুর। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা ভারতের সহকারী হাইকমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) চন্দ্রজীৎ মুখার্জি।

    প্রশাসক আরো বললেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে চলছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রকল্প, যা দেশের সব অংশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য। তিনি জানান, জাতির বঞ্চনা দূর করে আমরা একটি নিরাপদ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের উদ্যোগে আছি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সকলের মধ্যে সম্প্রীতি, বিশ্বাস ও আস্থার বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে চাই, যাতে সবাই একসাথে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে। তিনি মন্দিরের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সব ধরণের সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাসও দেন।

    মহাসম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ডাঃ দুলাল কৃষ্ণ রায় এবং এতে উপস্থিত ছিলেন ওড়াকান্দির ইন্টারন্যাশনাল হরি-গুরুচাঁদ মতুয়া মিশনের সভাপতি সুপতি ঠাকুর শিবু ও আন্তর্জাতিক মতুয়া প্রচার মিশনের সভাপতি সম্পদ ঠাকুর। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন শিল্পপতি প্রফুল্ল কুমার রায়। মূল আলোচক ছিলেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সত্যানন্দ দত্ত ও ঢাকা কিশোরলাল ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক গৌতম কুমার ঢালী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মৌমি রায় এবং সঞ্চালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক এড. অপূর্ব বৈদ্য।

    সকালে, নগরীর বিআইডিসি রোডে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন নগরপাল। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের নিজ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক এড. জিএম ফজলে হালিম লিটন, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

  • জিডিপির প্রবৃদ্ধি আবার নিম্নমুখী

    জিডিপির প্রবৃদ্ধি আবার নিম্নমুখী

    চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশের মোট জিডিপির বৃদ্ধি আবার কমে গেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবর-ডিসেম্বরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৩.০৩ শতাংশ, যা আগে গত বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বরে ছিল ৪.৯৬ শতাংশ। এর আগে, গত অর্থবছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৩৫ শতাংশ। এই দুই সময়ের তুলনায় অর্থনীতির উন্নয়ন ধীর হয়ে এসেছে। এতে বোঝা যায় যে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি আবার হতাশাজনক হয়ে পড়ছে।

    বিবিএসের প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে যে, বিশ্ববাজারে গ্যাস এবং জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে, কারণ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়, যার পরে যুদ্ধ আরও ছড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং দেশের জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব সরাসরি দেশীয় অর্থনীতির ওপর পড়ছে, ফলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি, বিগত নির্বাচিত ও নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরও অর্থসংকটের কারণে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পর্যাপ্ত অর্থ বিনিয়োগ করা যাচ্ছে না। এসব কারণে দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি গতিবেগ থমকে দাঁড়িয়েছে।

    সংবাদ অনুযায়ী, এই প্রান্তিকে শিল্পখাতে সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যা ১.২৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এর مقابلতে কৃষি খাতে ৩.৬৮ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৪.৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। মনে রাখতে হবে, এর আগে অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.৮২ শতাংশ, যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। কৃষি ও সেবা খাতে আগের বছরের সঙ্গে তুলনা করলে এখনো প্রবৃদ্ধি বাড়ছে, কিন্তু শিল্পখাতে কমে যাওয়ায় মোট জিডিপির মানে বেশ اثر ফেলছে।

    অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি ছিল ২.০৫ শতাংশ, যেখানে প্রথম প্রান্তিকে তা বেড়ে ৪.৯৬ শতাংশে চলেছিল। এখন আবার কমে যাওয়ায় সংশয় তৈরি হয়েছে যে, এই বছর জিডিপির নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সমস্যা দেখা দিতে পারে। সবমিলিয়ে, বর্তমানে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বেশ অনিশ্চিত, এবং আরও চ্যালেঞ্জ পত্ৰের মুখোমুখি দেশের অর্থনীতি।

  • সোনার দাম বড় রকমের বৃদ্ধি, ভরিতে বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার টাকা

    সোনার দাম বড় রকমের বৃদ্ধি, ভরিতে বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার টাকা

    দেশের বাজারে আবারো বড় ধরনের বৃদ্ধি পেয়েছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে যে, আগামী থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। ভরিতে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার টাকার বেশি যোগ হয়ে এখন এক ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকা।

    বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে আসন্ন বাজেট ও বাজার পরিস্থিতির পর্যালোচনায় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বাজুসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দামে বৃদ্ধির ফলে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দামে, ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি কিনতে হবে ২ লাখ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকা। অন্য ক্যারেটে অর্থাৎ, ২১ ক্যারেটের জন্য ২ লাখ ৪০ হাজার ৯২০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৬ হাজার ৫১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ক্ষেত্রে প্রতি ভরি দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা।

    সোনার পাশাপাশি রুপার দামেও বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া গেছে। ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে রুপার নতুন দাম হল ৫ হাজার ৮৯০ টাকা ২২ ক্যারেটের জন্য। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য নির্ধারিত ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৬১৬ টাকা।

  • যুদ্ধের অব্যাহত থাকলে মূল্যস্ফীতি ১২% ছাড়াতে পারে

    যুদ্ধের অব্যাহত থাকলে মূল্যস্ফীতি ১২% ছাড়াতে পারে

    মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দেশের অর্থনীতির উপর নেতিবাচक প্রভাব আরও কঠোরভাবে আঘাত হানবে। এর ফলে ডলারপ্রতিরোধে টাকার মান কমে যাবে, এবং জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। এই দুই চ্যালেঞ্জ দেশের মূল্যস্ফীতির হার ডিসেম্বরের মধ্যে বর্তমানে ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ১২ শতাংশের কাছাকাছি চলে যেতে পারে, পাশাপাশি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও চাপ বাড়বে।

    বিশ্লেষকদের মতে, এ পরিস্থিতিতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ সম্ভবত ৩১ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ২৪ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলারে নামতে পারে, যা বিপুল অর্থনৈতিক চাপে পরিণত হবে। তবে যদি জ্বালানি তেলের দাম বেশি না বাড়ে এবং সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকে, তাহলে ধীরে ধীরে অর্থনীতি স্বাভাবিক হতে পারে। এর ফলে আমদানির চাপ কমে যাবে এবং টাকার মূল্যবৃদ্ধি বা অবমূল্যায়ন কমে আসবে, যা মূল্যস্ফীতির ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আনতে পারে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক এই বিষয়ক এক বিশ্লেষণে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম যদি প্রথম প্রান্তিকে ৭0 শতাংশ এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকে আরও ৩০ শতাংশ বাড়ে, তাহলে দেশের বাজারে তেলের দাম বাড়াতে হবে। এর সাথে ডলারের বিপরীতে টাকার মান যদি ৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ অবমূল্যায়িত হয়, তাহলে ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। এই সময়ের জন্য মূল ভিত্তি ধরা হয়েছে ৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

    প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সম্ভবত ৩ ট্রিলিয়ন ২৭২ কোটি ডলার থেকে কমে ২ ট্রিলিয়ন ৬০৬ কোটি ডলারে নেমে আসতে পারে, যদি এই হার অব্যাহত থাকে ও জ্বালানি মূল্যের অপ্রত্যাশিত বৃদ্ধি ঘটে। তবে, যদি বিশ্ববাজারে তেলের দাম অপ্রত্যাশিতভাবে না বাড়ে, তাহলে ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার প্রায় ১০ শতাংশের কাছাকাছি থাকতে পারে।

    এছাড়াও, অন্য এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যদি প্রথম প্রান্তিকে ডলারের বিপরীতে টাকার মান ৫ শতাংশ এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকে ১০ শতাংশ অবমূল্যায়িত হয়, এবং জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়, তাহলে এই বছর ডিসেম্বরের মধ্যে মূল্যস্ফীতির হার ১২ দশমিক ২৮ শতাংশে যেতে পারে, এবং রিজার্ভ ২ ট্রিলিয়ন ২৪২ কোটি ডলারে নেমে যেতে পারে।

    সিদ্ধান্তে দেখা যায়, মূল্যস্ফীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে হিসাবের ওপর ভিত্তি করে এসব প্রাক্কলন করা হয়েছে। এর সাথে মনে রাখতে হবে, যদি আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বড় ধরনের পরিবর্তন না ঘটে, তবে ডিসেম্বরের মধ্যে মোট মূল্যস্ফীতির হার প্রায় ১০ শতাংশের মতো থাকতে পারে।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মার্চ মাসে দেশের মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.৭১ শতাংশ, এবং রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৪৪৩ কোটি ডলার।

    অন্যদিকে, বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই বছর প্রথম প্রান্তিকে ডলার-টাকার বিনিময় হার ৫ শতাংশ অবমূল্যায়িত হয়, দ্বিতীয় প্রান্তিকে ১০ শতাংশ অবমূল্যায়িত হয় এবং জ্বালানি তেলের দাম অপ্রত্যাশিতভাবে বাড়ে, তবে ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ১২.২৮ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। এর ফলে রিজার্ভের পরিমাণ কমে যেতে পারে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য চিন্তার কারণ।

    সার্বিকভাবে দেখা যায়, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি ও ডলের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত মূল্যস্ফীতির চাপ সৃষ্টি করবে। এই পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে হস্তক্ষেপ করতে হতে পারে, এর ফলে বাজারে ডলার বিক্রির পরিমাণ বাড়বে, রিজার্ভ কমে যাবে। পাশাপাশি, দেশের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে রাখতে জ্বালানি তেলের দামের সামান্য বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে।

    সব শেষে, বিশ্লেষকদের মতে, এই সব প্রভাবে তেলের দামের বৃদ্ধির সঙ্গে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন মূলত দেশের ভোক্তার জীবনযাত্রার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়িয়ে দেবে।

  • ৮ মাসে বাংলাদেশে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়ালো দুই লাখ কোটি টাকা

    ৮ মাসে বাংলাদেশে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়ালো দুই লাখ কোটি টাকা

    চলতি অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি হওয়ায় এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানিসহ নানা পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। দেশের বাণিজ্য ঘাটতি এখন দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকা বা ১ হাজার ৬৯১ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের এই সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। detailed তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ১ হাজার ৩৭১ কোটি ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, দেশের বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্য এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ চিত্র দেখাচ্ছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, রমজান মাসে ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, ছোলা ও খেজুরসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি বেড়ে যাওয়ায় এবং একই সময়ে রপ্তানি কমে যাওয়ায় এই ঘাটতি আরও বেড়েছে। দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে হলে আমদানি নিয়ন্ত্রণ এবং রপ্তানি বাড়ানো জরুরি, অন্যথায় অর্থনৈতিক সংকট অব্যাহত থাকবে। এবার এক নজরে অর্থনীতির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো: চলতি বছর জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের পণ্য আমদানি হয়েছে ৪৬ হাজার ১৭ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। অপর দিকে, একই সময়ে পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩০ হাজার ৩ ডলার, যা গত বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৬ শতাংশ কম। এই আমদানি ও রপ্তানির ব্যবধানই মূল কারণ, যাতে চলতি বছরে বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্লেষकों বলছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানিসহ পণ্যের মূল্য‌্য ঊর্ধ্বমুখী থাকায় দেশের বাণিজ্য পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। দেশের বৈদেশিক চালান বা প্রবাসী রেমিট্যান্সও আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে; প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স এই বছর প্রথম আট মাসে ২১ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২ হাজার ২৪৫ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। তবে, দেশের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) কিছুটা কমে যাচ্ছে, গত বছর জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে এই বিনিয়োগ ছিল ১০৬ কোটি ডলার, যা এবার ৮৭ কোটি ডলারে নেমে এসেছে। অন্যদিকে, দেশের শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ নেতিবাচক অবস্থানে যাচ্ছে, অর্থাৎ বিদেশি বিনিয়োগ বন্ধ বা কমে যাচ্ছে। প্রথম আট মাসে শেয়ার বাজারে বিদেশিদের নিট বিনিয়োগ ৮ কোটি ডলার কমেছে, যা আগের বছরও ছিল ঋণাত্মক। এই পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হলে দ্রুত উন্নতি ও সমন্বয় দরকার।

  • ২০২৪ সালে ব্যাংক খাতে লোকসান ও সিএসআর ব্যয়ের ধারাবাহিক হ্রাস

    ২০২৪ সালে ব্যাংক খাতে লোকসান ও সিএসআর ব্যয়ের ধারাবাহিক হ্রাস

    ২০২৪ সাল বাংলাদেশের ব্যাংক শিল্পের জন্য ছিল একটি চ্যালেঞ্জপূর্ণ বছর। অর্থনৈতিক অস্থিরতা, রাজনৈতিক হিংসা-অশান্তি এবং ব্যাংকিং খাতে বিভিন্ন অন্যায্য স্বেচ্ছাচারিতা এই শিল্পের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। বছরজুড়ে বেশ কিছু ব্যাংক নিট মুনাফা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং এমন পরিস্থিতিতে তাদের কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

  • ১১ দলের চার দিন ব্যাপী কর্মসূচির ঘোষণা

    ১১ দলের চার দিন ব্যাপী কর্মসূচির ঘোষণা

    দেশব্যাপী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোট চার দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারে এক জরুরি বৈঠক শেষে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক এই কর্মসূচির কথা জানান। তিনি অভিযোগ করেন, দুঃখজনকভাবে সরকার জনগণের ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা করছে এবং সংস্কার সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচনের আগে দলগুলোর মধ্যে ঐক্য নষ্ট করছে। মামুনুল হক বলেন, বর্তমান সরকার জনআকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করে একদলীয় ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার পথে এগোচ্ছে, যেখানে জনদুর্ভোগ নিয়ে বিরোধীরা কথা বললেই তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। তিনি জানান, ১১ দল এই নব্য ফ্যাসিবাদ রুখে দাঁড়াবে এবং গণভোটের রায় যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করবে। এ জন্য আগামী ৯ এপ্রিল বিকেলে শুরু হবে একটি সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি, যেখানে জনগণের মাঝে এই দাবির পক্ষসভা প্রচার করা হবে। এছাড়া ১১ এপ্রিল উপজেলা এবং থানায় বিক্ষোভ মিছিল, ১২ এপ্রিল সব জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ এবং ১৩ এপ্রিল ঢাকায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার বিরোধীদলগুলোকে রাজপথে আন্দোলনে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির কর্মকাণ্ডে দেশ হতবাক, বিস্মিত এবং তাদের গণভোটের নোট অব ডিসেন্টও এখন স্থগিত হয়ে গেছে। সংসদে একমাত্র একজনের কর্মকাণ্ডের কারণে বিএনপি সংবিধান নিয়ে সংকটে পড়ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, জ্বালানি সংকট নিয়ে সংসদে বিরোধীদলের কথা বলতেও দেয়া হচ্ছে না এবং যারা দিল্লির আগ্রাসনবিরোধী অবস্থান নিচ্ছেন, তাদেরকেও সরকারি দলের পক্ষ থেকে রাজাকার বলে ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আহ্বান জানান, বিএনপিকে সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নেওয়ার জন্য।

  • বিএনপি সরকার ফ্যাসিবাদী পথে: জামায়াত আমিরের মন্তব্য

    বিএনপি সরকার ফ্যাসিবাদী পথে: জামায়াত আমিরের মন্তব্য

    জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার দেশের সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে একে একে দলীয়করণ করে দিচ্ছে, যা কার্যত আরেকটি ফ্যাসিবাদ এবং ‘অলিখিত বাকশাল’ প্রতিষ্ঠার অনুরূপ। তিনি উল্লেখ করেন, স্বৈরশাসনের পতনের পরেও বর্তমান সরকার পূর্বের মতো দমনমূলক নীতিগুলো জারি রেখেছে, এবং তারা আবারও নতুন করে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টাকে রুখে দিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। জামায়াতের এই নেতা এসব কথা বলেন বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে সংসদে অধিবেশন শেষে সংসদ মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে। এর আগে, গুম প্রতিরোধ, বিচার বিভাগ ও স্থানীয় সরকার সংক্রান্ত বিতর্কিত কিছু বিল পাসের প্রতিবাদে বিরোধী দল সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছিল।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আজকের অধিবেশনে এমন কিছু জনবিরোধী বিল আনা হয়েছে, যা স্পষ্টভাবে জনগণের অধিকার হরণ করে। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের সদস্যরা বক্তব্য বলার সুযোগ পায়নি; কিছুক্ষণ বিরতিতে থাকলেও কিছু মন্ত্রী ঘণ্টার পর ঘণ্টা সংসদে ভাষণ দেন, যা সংসদীয় রীতির পরিপন্থী এবং বিরোধী কণ্ঠরোধের এক অপপ্রয়াস।

    বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংক্রান্ত বিষয়েও এই নেতা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সরকার এমন কিছু বিল পাস করছে, যা বিচারকদের নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণ নির্বাহী বিভাগের হাতে ছেড়ে দিচ্ছে। অতীতের নিরপেক্ষ বিচার বিভাগের পরিবর্তে এখন তারা নিয়ন্ত্রণ করছে, যা ভবিষ্যতেও দলীয় বিচারপতিদের জন্ম দিতে পারে। তিনি বলেন, হাইনাসহ অন্যান্য নেতাদের মতো বর্তমান সরকারও বিচার বিভাগে দলীয় আঁচড় কেটে যাচ্ছে।

    স্থানীয় সরকারের বিলগুলোরও কঠোর সমালোচনা করেন তিনি, যেখানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সরিয়ে দলীয় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। তার বক্তব্য, বিএনপি প্রথমে ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছিল, যেখানে দলের পক্ষ থেকে বলানো হয়েছিল, সাধারণ পরিস্থিতিতে প্রশাসক নিয়োগে অমুক অমুক শর্ত মানা হবে। কিন্তু সরকার অযৌক্তিক কারণ ছাড়াই সব স্তরে দলীয়করণ চালু করেছে, যা দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দিকে নিক্ষেপ করছে।

    এছাড়াও, শেরপুর ও বগুড়া উপ-নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ১৯৯৪ সালে মাগুরায় যে কলঙ্কজনক নির্বাচন হয়েছিল, আজ আবারও একই ধরনের ‘স্টাইল’ দেখা গেছে। দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়—এটাই আবার প্রমাণিত হয়েছে। শেরপুর-৩ আসনে এক কর্মী নিহতের পর আবার অন্য একজনের মৃত্যু, এর জন্য দায়ী খুনিদের বিচারের দাবি জানান তিনি।

    ডা. শফিকুর রহমান দেশের জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেন, আমরা সংসদ বর্জন করিনি। সংসদে যাবো এবং জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য কথা বলবো। তবে, যদি কোনো জনগণবিরোধী আইন পাস হয়, তবে আমাদের কণ্ঠ আবারো উচ্চারিত হবে। তিনি আরো বলেন, জনগণ আগেও ফ্যাসিবাদ ও বাকশাল রুখে দিয়েছে, ভবিষ্যতেও যদি কেউ নতুনভাবে এ ধারাক্রম চালাতে চায়, তাহলে জনগণের সঙ্গে নিয়ে তা রুখে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।

    সংবাদ সম্মেলনে বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামসহ জামায়াতে ইসলামী ও বিরোধী জোটের শীর্ষ সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।