Blog

  • পদত্যাগের কোনো পরিকল্পনা নেই, নির্বাচনে অংশ নেব: তামিম ইকবাল

    পদত্যাগের কোনো পরিকল্পনা নেই, নির্বাচনে অংশ নেব: তামিম ইকবাল

    অমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে ফেলার পর সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত ১১ সদস্যের অ্যাড-হক কমিটি ক’দিন আগে দায়িত্ব গ্রহণ করে। ওই কমিটির প্রধান কাজ আগামী ৯০ দিনের মধ্যে সংসদের নির্বাচন আয়োজন করা।

    অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচনে নিজের অংশগ্রহণের ঘোষণা ইতোমধ্যে দিয়েছিলেন তামিম। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে এসে তিনি আবার জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে তিনি পদত্যাগের কোনো চিন্তা করছেন না।

    তামিম বলেন, আগামী রোববার (৩ মে) বিসিবির বোর্ডের একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে, সেখানে পরবর্তী নির্বাচনের তারিখ ও কার্যবিধি নির্ধারণ করা হবে। তিনি বলেন তিনি গঠনতন্ত্রেই অনুগত থাকবেন এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ীই সব সিদ্ধান্ত নেবেন।

    নিজের অবস্থান সম্পর্কে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘পদত্যাগের কথা আমি ব্যক্তিগতভাবে চিন্তা করিনি। প্রথম দিন থেকেই বলেছি—I will contest the election—আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। অ্যাড-হক কমিটি থেকে পদত্যাগ করার কোনো চিন্তাই আমার নেই।’

    তামিম আরও আশা প্রকাশ করেন যে কমিটির অধীনে স্বচ্ছ ও ন্যায্য নির্বাচন হবে। তার কথায়, ‘ফেয়ার ইলেকশন নিয়ে আমরা অনেক কথা বলেছি; ইনশাআল্লাহ আমাদের অধীনে সেটাই হবে।’ অ্যাড-হক কমিটি এখন নির্বাচনের প্রস্তুতি ও তফসিল ঠিক করতে কাজ শুরু করেছে।

  • বুথফেরত জরিপ: জীবনের প্রথম নির্বাচনে থালাপতি বিজয়ের দল ৯৮–১২০ আসন পেতে পারে

    বুথফেরত জরিপ: জীবনের প্রথম নির্বাচনে থালাপতি বিজয়ের দল ৯৮–১২০ আসন পেতে পারে

    তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হতে খুব বেশি দেরি হয়নি। এখন সবার নজর বুথফেরত জরিপের দিকে—আর সেখানে সবচেয়ে বড় চমক স্বল্প সময়ের মধ্যে রাজনীতিতে প্রবেশ করা দক্ষিণি তারকা থালাপতি বিজয় ও তার দল ‘‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’’ (টিভিকে)। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এম. কে. স্টালিনকে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে নামা এই অভিনেতার অংশগ্রহণ রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে নতুন ঘটনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    নির্বাচন প্রচারের সময় বিজয়ের জনসভায় প্রচণ্ড সমর্থকের উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তন এনেছে। দীর্ঘদিন ধরে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে প্রধানত দুই প্রধান শক্তি—ডিএমকে ও এআইএডিএমকে—কেন্দ্র করে লড়াই চলে আসলেও এবার থালাপতি বিজয়ের আবির্ভাব সেই দ্বিধাকে চ্যালেঞ্জ করেছে এবং ভোটারদের মনোভাবকে উদ্বুদ্ধ করেছে।

    বিভিন্ন সংস্থার করা বুথফেরত জরিপে দেখা যাচ্ছে, প্রথমবার সংসদীয় নির্বাচনে অংশ নিলে টিভিকে দলটি ৯৮ থেকে ১২০ আসন পেতে পারে। যদি এই পূর্বাভাস বজায় থাকে, তাহলে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে বলেই মনে করছেন অনেকে।

    তবে সব জরিপ একসুরে কথা বলছে না। পিপলস পালস এবং পিপলস ইনসাইটের জরিপে দেখা গেছে ডিএমকে ও তাদের জোট ১২০ থেকে ১৪৫টি আসনে এগিয়ে থাকতে পারে, আর এআইএডিএমকে জোট ৬০ থেকে ৮০টির মধ্যে থাকতে পারে। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে রাজ্যজুড়ে ঐতিহ্যবাহী জোটগুলোর প্রতিও শক্ত সমর্থন রয়েছে।

    প্রজা পোল এবং পি-মার্কের জরিপগুলো ডিএমকে জোটকে এগিয়ে রেখেছে। প্রজা পোল সেখানে টিভিকে-কে মাত্র ১ থেকে ৯টি আসন দিচ্ছে, কিন্তু পি-মার্কের অনুমান তুলনায় বেশি—১৬ থেকে ২৬টি আসন। অন্যদিকে ম্যাট্রিজ ও জেভিসি-র জরিপগুলোতে ডিএমকে ও এআইএডিএমকে জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের চিত্র পাওয়া যায়।

    কামাখ্যা অ্যানালিটিক্সের জরিপ বিজয়ের সমর্থকদের মধ্যে আশাবাদ সৃষ্টি করেছে—তাদের হিসাব অনুযায়ী যদি টিভিকে ৬৭ থেকে ৮১টি আসন পায়, তাহলে তারা সরকার গঠন বা সংবিধান বিন্যাসে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এঙ্গেজিং এবং বিভক্ত ফলাফল বোঝাচ্ছে যে রাজ্যের ভোটাররা এখনো শেষ সিদ্ধান্তে পৌঁছে যায়নি।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী ২৩ এপ্রিল তামিলনাড়ুর ২৩৪টি আসনে ভোটগ্রহণ উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে; বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত মোট ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৮২.২৪ শতাংশ। যে কোনো আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা হওয়া পর্যন্ত এখনই নিশ্চিত করে বলা যাবে না কোন জোট বা দল শেষ পর্যন্ত কেমন অবস্থান করবে—তবে এখানকার বুথফেরত জরিপগুলো স্পষ্টতই নির্বাচনকে আরও অনিশ্চিত ও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

  • পেছন থেকে জুম করে ছবি তুলতে পাপারাজ্জিদের কড়া সতর্ক করলেন কারিশমা কাপুর

    পেছন থেকে জুম করে ছবি তুলতে পাপারাজ্জিদের কড়া সতর্ক করলেন কারিশমা কাপুর

    তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ স্বাভাবিকভাবে থাকে। কিন্তু অনেক সময় সেই আগ্রহ অস্বস্তিকর পর্যায়ে পৌঁছায়, যখন পাপারাজ্জিরা ছায়ার মতো লেগে থেকে অনভিপ্রত মুহূর্তগুলো জুম করে ক্যামেরাবন্দী করেন। সম্প্রতি এমনই এক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রেগে গেছেন বলিউড তারকা কারিশমা কাপুর।

    ঘটনাটি ঘটেছে ‘India’s Best Dancer’ সিজন ৫–এর শুটিং সেটে, যেখানে তিনি বিচারক হিসেবে রয়েছেন; সঙ্গে আছেন গীতা কাপুর, টেরেন্স লুইস ও জাভেদ জাফর। অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে বিচারকমণ্ডলী যখন আলোকচিত্রীদের জন্য পোজ দিচ্ছিলেন, তখন কিছু ক্যামেরাম্যান পেছন থেকেই অতিরিক্ত জুম করে ছবি তুলতে শুরু করেন।

    এপর্যায়ে কারিশমা পোজ নেওয়ার জায়গা থেকে সরে এসে ক্যামেরাম্যানদের উদ্দেশ্যে সরল ও কড়া কণ্ঠে বলেন, ‘বেশি জুম করবেন না। আপনাদের অনেকে খুবই খারাপভাবে ছবি তুলতে চান।’ তিনি এই মনোভাবকে ‘অসুস্থ’ বলেও উল্লেখ করেন।

    কারিশমার ওই কড়া সতর্কতার ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে বহু সমর্থন পাচ্ছে। অনেকে মনে করছেন, সেলিব্রিটিদের নিরাপত্তা ও সম্মান রক্ষায় এমনই সতর্কতা জরুরি।

    এটা নতুন কোনো ঘটনা নয়—কয়েকদিন আগে সিড ও কিয়ারা এক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে পোজ দিচ্ছিলেন; তখনও পাপারাজ্জিরা ভিডিও থেকে সিডকে সরিয়ে কিয়ারাকে জুম করায় তীব্র সমালোচনা ওঠে।

    দীর্ঘদিন ভারতীয় চলচ্চিত্রে অবদান রাখা এই অভিনেত্রীকে এমন সচেতন প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রশংসা করা হচ্ছে। (সূত্র: এই সময় অনলাইন)

  • অর্থমন্ত্রী: বিএনপির আমলেই শেয়ারবাজারে লুটপাটের সুযোগ ছিল না, এবারও হবে না

    অর্থমন্ত্রী: বিএনপির আমলেই শেয়ারবাজারে লুটপাটের সুযোগ ছিল না, এবারও হবে না

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি সরকারের কোনো সময় শেয়ারবাজারে লুটপাটের সুযোগ ছিল না এবং এখনও কেউ এ ধরনের লুটপাট করতে পারবে না। তিনি বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এসব কথা বলেন।

    অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ জনিত বিষয়ে সংশোধনী প্রস্তাব — বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬— বিশেষ কমিটির সুপারিশসমূহ বিবেচনায় আনার প্রস্তাব দেন।

    বিলটি জনমত যাচাইয়ের জন্য পাঠানোর প্রস্তাব সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা আনে। তিনি বলেন, পুঁজিবাজার দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ, কিন্তু শেয়ারবাজারে জড়িত অনীয়া কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে দেশের শেয়ারবাজার ভয়াবহ পতনের শিকার হয়েছিল।

    রুমিন ফারহানা আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রকাশিত শ্বেতপত্র অনুযায়ী গত ১৫ বছরে শেয়ারবাজার থেকে এক লাখ কোটি টাকার বেশি লুটপাট হয়েছে — এ টাকা সাধারণ মানুষের সঞ্চয়; অনেকের জীবনভর জমা-पूজি বিনিয়োগে গেছে। তিনি জোর দিয়ে দাবি করেন, যারা এই লুটপাটে জড়িত তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা দরকার এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) দক্ষ ও যোগ্য লোক বাৎলে শেয়ারবাজারকে আস্থাভিত্তিক করা সম্ভব হবে।

    রুমিন ফারহানার দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করলেও অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশেষ কমিটি বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে এবং সংসদে উপস্থাপন করেছে; তাই এটিকে পুনরায় জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রয়োজন তিনি দেখেন না। পরে সংসদে বিলটি জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।

    অন্য দিকে ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নিয়োগ ও বিদায় সংক্রান্ত যে পরিবর্তন এসেছে তা দেশের জনগণ ও গণতন্ত্রকে সমর্থন করে না; যোগ্য লোককে যোগ্য স্থানে বসাতে হবে। তিনি আশঙ্কা করেন, এভাবে চললে দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান হবে না।

    এর জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান গভর্নরের পারফরম্যান্স আগের যেকোনো গভর্নরের তুলনায় ভালো। প্রধানমন্ত্রী ফিন্যান্সিয়াল সেক্টরে রাজনৈতিক নিয়োগ করা হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কোনো রাজনৈতিক নিয়োগ হলে সবাই দেখতে পাবে।

    বিরোধীদলীয় উপনেতা ও কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন—এমন তথ্য তুলে ধরে প্রশ্ন করেন, তাই তাঁকে বদলে নতুন নিয়োগ করা হবে কি না। এর উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, দলের প্রতি সমর্থন দেওয়া মানে দলের লোকদের নিয়োগ করা নয়।

    অধিবেশনে পরে বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) বিল-২০২৬ কণ্ঠভোটে পাস হয়। দুই বিলেই বিরোধী দলের আপত্তি থাকলেও সংসদে সময় চেয়ে জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়েছে।

  • বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি: দুই দিন দেশের কোথাও লোডশেডিং হয়নি

    বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি: দুই দিন দেশের কোথাও লোডশেডিং হয়নি

    বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, দেশের কোথাও বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে টানা দুই দিন লোডশেডিং হয়নি। সংস্থাটি বলছে, গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ও বুধবার (২৯ এপ্রিল) সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে। এই তথ্য বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়।

    এর আগে, গত ২৭ এপ্রিল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু) বলেছিলেন যে পরবর্তী সপ্তাহ থেকে দেশের বিদ্যুতের পরিস্থিতি ভালো হবে এবং লোডশেডিং কমে আসবে। কিন্তু তার আগের দিন, ২৩ এপ্রিল বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব উম্মে রেহানা জানিয়েছিলেন যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি আমদানিতে বিঘ্ন ঘটিয়েছে, ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটায় চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ বজায় রাখা কঠিন ছিল।

    উক্ত সমস্যার প্রেক্ষিতে গ্রাম ও শহরের মধ্যে লোডশেডিং সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং চালু করার কথাও জানিয়েছিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত—সংসদে তিনি বলেছিলেন, বৈষম্য কমাতে প্রয়োজনে শহরে লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ এই ঘটনার ধারাবাহিকতা ও সাম্প্রতিক সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছে এবং নিজেদের দাবিতে ২৮ ও ২৯ এপ্রিল সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছিল বলে জানিয়েছে।

  • সংবিধান সংস্কারের দাবিতে ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ কর্মসূচি

    সংবিধান সংস্কারের দাবিতে ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ কর্মসূচি

    সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি নিয়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মগবাজারের জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর এক ব্রিফিংয়ে সেই ঘোষণা আসে।

    ব্রিফিংয়ে ১১ দলের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, নির্বাচনের আগে সরকার সংবিধান সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল; কিন্তু গণভোটে জনগণের কাছে যে সিদ্ধান্ত এসেছে — প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ সংবিধান সংস্কারের পক্ষে — তা সরকার উপেক্ষা করছে। তিনি সরকারের চলমান কর্মপন্থাকে সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে ‘‘ছলচাতুরি’’ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং বলেন সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বসেছে।

    হামিদুর রহমান আযাদ সভার পর জানায়, নতুন কর্মসূচির সূচনা হবে ১৬ মে রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশ থেকে। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ঘোষিত সমাবেশ সূচি যথাক্রমে:

    ১৬ মে — রাজশাহী

    ১৩ জুন — চট্টগ্রাম

    ২০ জুন — খুলনা

    ২৭ জুন — ময়মনসিংহ

    ১১ জুলাই — রংপুর

    ১৮ জুলাই — বরিশাল

    ২৫ জুলাই — সিলেট

    তিনি জানান, আসন্ন ঈদুল আজহার কারণে মে মাসে কেবল একটি বিভাগীয় সমাবেশ রাখা হয়েছে; ঈদের ছুটির পর জুন থেকে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় আন্দোলন ও সমাবেশ শুরু হবে। বিভাগীয় স্তরের এই সমাবেশগুলোতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সব জেলা ও মহানগরের নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    সমাবেশের পাশাপাশি ১১ দল ব্যক্তি ও পেশাভিত্তিক মতবিনিময় সভার মধ্যেও কার্যক্রম চালাবে। বিশেষত শিক্ষক, আইনজীবী, চিকিৎসক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতার মাধ্যমে জনমত গঠন করা হবে। পাশাপাশি দেশের সাতটি বিভাগে বিষয়ভিত্তিক সেমিনারও চলমান থাকবে, দাবি করেন সমন্বয়ক।

    সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘‘জনগণের রায় নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলছে; এ’র বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন আরও বেগবান করতে হবে।’’ তিনি ছাত্রসমাজকেও এই আন্দোলনে জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

    হামিদুর আরও উল্লেখ করেন যে, ‘গণভোট অনুমোদিত জুলাই আদেশ’ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি নিয়ে বর্তমানে জোটের দুই সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি চলছে। ইতোমধ্যে ১৮ এপ্রিল রাজধানীতে এবং ২৫ এপ্রিল অন্যান্য মহানগরে ১১ দল গণমিছিল করেছে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২ মে দেশের সব জেলা শহরে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

  • নাহিদ: সারাদেশে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন, এনসিপি আপনাদের পাশে থাকবে

    নাহিদ: সারাদেশে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন, এনসিপি আপনাদের পাশে থাকবে

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সারাদেশের তরুণরা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেবে — এনসিপি তাদের পাশে থাকবে ও সমর্থন দেবে। শুক্রবার বিকেলে কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠনে যোগদানকারীদের স্বাগত জানিয়ে নাহিদ বলেন, বর্তমান সরকার স্থানীয় প্রশাসন ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করছে। নির্বাচনের পর জনগণের ভোট ও গণঅভ্যুত্থানের নীতিকে উপেক্ষা করে ক্ষমতা হস্তান্তরকে স্বাভাবিক পুরনো পথেই ফিরিয়ে আনা হচ্ছে—এবং সংবিধান ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের অধ্যাদেশগুলো বাতিলের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ক্ষুন্ন করা হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ব্যাংক লুটেরাদের জন্য সুযোগ তৈরি হচ্ছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্ষমতার্তক রাজনীতি বাড়ছে।

    নাহিদ আরও বলেন, ‘‘ফ্যাসিবাদী কোনো প্রবণতা বা নতুন কোনো স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হলে জনগণ পুনরায় সংগঠিত হবে। এনসিপির ছায়াতলে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হবে—এটাই আমরা দেশব্যাপী দেখছি।’’ তিনি দেশের রাজনীতিসচেতন মানুষ ও তরুণদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘‘যারা রাজনীতি করতে চান, পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেন, তারা ঐক্যবদ্ধ হোন। এনসিপি আপনাদের ধারণ করে সামনে এগোতে চায়।’’

    নাহিদ বলেন, বর্তমান সরকার ক্রমান্বয়ে ব্যর্থতার দিকে যাচ্ছেন—অর্থনীতি অস্থিতিশীল, গণতন্ত্র নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের পাশে দাঁড়ানো ছাড়া উপায় নেই, তিনি জানান।

    অনুষ্ঠানটি মূলত ‘‘রাজনৈতিক নেতা ও নাগরিকদের এনসিপিতে যোগদান’’ শিরোনামে আয়োজন করা হয়েছিল। এতে বিএনপি’র বহিষ্কৃত নেতা ইসহাক সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগ দেন। এছাড়াও অবিভক্ত বাংলার নেতা শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনি ফেরসামিন হক ইকবাল (ফ্লোরা), কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি (যিনি রেলের অনিয়ম নিয়ে আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন) এনসিপিতে যোগদান করেন। ফেরসামিন বিদেশে থাকায় তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি; বাকি যোগদানকারীরা মঞ্চে ছিলেন।

    নাহিদ ও দলের নেতৃত্ব নতুনদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। তিনি বলেন, ‘‘আমরা সারাদেশে সংগঠন গড়ে তুলছি—প্রতি সপ্তাহেই যোগদান কর্মসূচি চলবে। সব রাজনীতিসচেতন মানুষ এবং তরুণদের দায়িত্ব নেওয়ার অনুরোধ করছি; এই দেশকে আর বিপথে যেতে দেবো না।’’

  • দেশের বাজারে সোনার দাম টানা চার দফা কমল

    দেশের বাজারে সোনার দাম টানা চার দফা কমল

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, দেশের বাজারে টানা চার দফায় সোনার দাম কমানো হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে সর্বোচ্চ প্রতি ভরি ২,২৫৮ টাকা পর্যন্ত মূল্যহ্রাস করা হয়েছে। এই সমন্বয় সকালে ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়।

    সংগঠনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক মূল্য কমায় স্থানীয় বাজারেও দাম সমন্বয় করা হয়েছে। বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট এক ভরি সোনার দাম এখন নির্ধারিত হয়েছে দুই লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকায়; যেখানে গতকাল এটি ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।

    অন্যান্য ক্যারেটের হালনাগাদ মূল্যগুলো হচ্ছে— ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি দুই লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি এক লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি এক লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা।

    সোনা ছাড়াও রুপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি দাম আছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা; ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা; ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল তৎপরতার ফলে বিশ্ববাজারে শুরুতে সোনার দাম বেড়ে যায়। তবে গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জনানা গেছে, অল্প সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম আবার নেমে এসে প্রায় ৪,৫০০ ডলারের কাছাকাছি দাঁড়িয়েছে।

    বাজুসের এই নতুন মূল্য তালিকা আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) থেকে কার্যকর ঘোষণা করা হয়েছে, যা ক্রেতা ও বেেচ-বিক্রেতাদের জন্য নির্দেশিকা হিসেবে বিবেচিত হবে।

  • প্রাইজবন্ড (১০০ টাকা) — ১২৩তম ড্র: বিজয়ীদের নম্বর প্রকাশ

    প্রাইজবন্ড (১০০ টাকা) — ১২৩তম ড্র: বিজয়ীদের নম্বর প্রকাশ

    ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম পুরস্কার হিসেবে ৬ লাখ টাকা পাওয়া সিরিজের নম্বর ০০০১০৩৫। দ্বিতীয় পুরস্কার তিন লাখ ২৫ হাজার টাকা হয়েছে নম্বর ০০৪৭৭৪৮। তৃতীয় পুরস্কার এক লাখ টাকায় দু’টি ভাগে দেওয়া হয়েছে — ০৫৩৮২৮৯ ও ০৬৭৫৩৮২। চতুর্থ পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা দু’জন পেয়েছেন, তাদের নম্বর ০৪০০৪৫১ ও ০৫৬৭৬৪৪।

    ড্রটি বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন চৌধুরী এবং এটি ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সম্মেলন কক্ষে সম্পন্ন করা হয়।

    প্রচলনযোগ্য ১০০ টাকা মূল্যমানের মোট ৮৪টি সিরিজের মধ্যে বর্তমান ড্রয়ে ৪৬টি সাধারণ সংখ্যা পুরস্কারের যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এই ড্র একক সাধারণ পদ্ধতিতে (অর্থাৎ প্রতিটি সিরিজের জন্য একই নম্বর) পরিচালিত হয়েছে। আওতাভুক্ত সিরিজগুলো হলো: কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক, খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, খঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, খশ, খষ, খস, খহ, গক, গখ, গগ, গঘ, গঙ, গচ, গছ, গজ, গঝ, গঞ, গট, গঠ, গড, গঢ, গথ, গদ, গন, গফ, গব, গম, গল, গশ, গষ, গপ, গস, গহ, ঘক, ঘখ, ঘগ, ঘঘ, ঘঙ এবং ঘচ।

    পঞ্চম পুরস্কার প্রতিজন ১০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ জনকে প্রদান করা হবে। পঞ্চম পুরস্কারপ্রাপ্ত নম্বরগুলো নিম্নরূপ: ০০২১৭৪৯, ০২১৭৪১৯, ০৪৬১৪৭২, ০৫৮৮৯৬৬, ০৭৪৯৭৪০, ০০২২১৮১, ০২৪৬০৪৫, ০৪৬২০৫৬, ০৫৯৬৩৪৬, ০৭৫৯৯০৮, ০০৫৬৩৭৮, ০২৯৬৪০২, ০৪৭৮০১৫, ০৬০০৪৪০, ০৭৭২৭৭৩, ০০৯২৩৫৬, ০৩১১১৩০, ০৪৮০৫৬৭, ০৬০৭৩৪৯, ০৮১৩৬৫৯, ০১৪৪৫৬৭, ০৩৫৬৯৪২, ০৫১২০২৪, ০৬৩৯৩৬৭, ০৮৪৮০৪৬, ০১৫৫৩৯৮, ০৩৯৩২৭৭, ০৫৫১২২১, ০৬৪২০০২, ০৮৪৯৬১৪, ০১৫৫৯৩৪, ০৪১৩৫০১, ০৫৬৪৭৬০, ০৬৫০১১৯, ০৯২২৫৯৭, ০১৭৫৭৯২, ০৪৫২৪৪১, ০৫৭৩৮৬৫, ০৬৮৮৭৭৩ এবং ০৯৪৭৬৬৫।

    অভিযোজিত বিজয়ীরা তাদের পুরস্কার ভেরিফাই করে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে গ্রহণ করবেন। পরবর্তী ঘোষণা ও আরও বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট প্রাইজবন্ড কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল ঘোষণা দেখার অনুরোধ করা হচ্ছে।

  • জ্বালানি তেলের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ

    জ্বালানি তেলের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ

    যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরান নিয়ন্ত্রিত সম্ভাব্য পদক্ষেপের নতুন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করতে যাচ্ছে—এমন খবরের পর ক্রুড অয়েলের বাজারে দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এশিয়ার লেনদেনে ব্রেন্ট অপরিশোধিত কাঁচা তেলের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বাড়ে এবং ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলারেরও বেশি হয়ে যায়; এটাই ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসনের পর থেকে সর্বোচ্চ লেভেল। একই সময় যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন হওয়া ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) অপরিশোধিত তেল প্রায় ২ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়ে এবং ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৯ ডলারে পৌঁছে।

    জুন মাসের ডেলিভারির ব্রেন্ট ফিউচার্স চুক্তির মেয়াদ বৃহস্পতিবার শেষ হওয়ার কথা। ফিউচার চুক্তি বলতে বোঝায়—একটি নির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ তারিখে কোনো সম্পদ ক্রয় বা বিক্রয়ের চুক্তি। এশিয়ার সকালের লেনদেনে তুলনামূলকভাবে সক্রিয় জুলাই মাসের ব্রেন্ট চুক্তিটি প্রায় ২ শতাংশ বাড়ে এবং প্রায় ১১৩ ডলারে পৌঁছায়।

    সূত্রের বরাতে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে যে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের ওপর ধারাবাহিকভাবে ‘স্বল্প ও শক্তিশালী’ ধরনের হামলা চালানোর সম্ভাব্য একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত হামলাগুলোর মধ্যে অবকাঠামোগত লক্ষ্যবস্তুও থাকতে পারে।

    আরেকটি পরিকল্পনার মধ্যে ছিল হরমুজ প্রণালির একটি অংশ দখল করে সেটি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুনরায় খোলা; এমনটি করতে স্থলভাগে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন পড়তে পারে—অ্যাক্সিওস এই তথ্য জানিয়েছে।

    বিবিসি বিষয়টি সম্পর্কে মন্তব্যের জন্য মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

    যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, তেহরান যতদিন হরমুজ প্রণালী ব্যবহারকারী জাহাজগুলোকে হুমকি দিতে থাকবে ততদিন তারা ইরানের বন্দরগুলোকে অবরোধে রাখতে পারে, এবং এমন অবরোধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটাতে পারে। ওয়াশিংটনের ‘দীর্ঘমেয়াদি’ অবরোধের প্রস্তুতির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বুধবার তেলের দাম প্রায় ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল।

    মোটকথা, সামরিক পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য অবরোধের খবর বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে এবং বাজারকে উদ্বღ্রীব করে তুলেছে।