Blog

  • প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র: বিজয়ী ও পুরস্কারের বিবরণ

    প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র: বিজয়ী ও পুরস্কারের বিবরণ

    ১০০ টাকার প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। সর্বোচ্চ প্রথম পুরস্কার ছয় লাখ টাকা জিতেছে সিরিয়াল নম্বর ০০০১০৩৫।

    দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে তিন লাখ ২৫ হাজার টাকা জিতেছে নম্বর ০০৪৭৭৪৮। তৃতীয় পুরস্কার—প্রতি পুরস্কার এক লাখ টাকা—জিতেছে দুইটি নম্বর: ০৫৩৮২৮৯ ও ০৬৭৫৩৮২। চতুর্থ পুরস্কার (প্রতি পুরস্কার ৫০,০০০ টাকা) পেয়েছে দুটি নম্বর: ০৪০০৪৫১ ও ০৫৬৭৬৪৪।

    ড্রটি অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে; অনুষ্ঠানটি ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সম্মেলন কক্ষে আয়োজন করা হয়।

    এবারের ড্রে প্রচলনযোগ্য ১০০ টাকা মূল্যমানের মোট ৮৪টি সিরিজের মধ্যে ৪৬টি সাধারণ সংখ্যা পুরস্কারের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। একক সাধারণ পদ্ধতিতে (অর্থাৎ প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর) এই ড্র পরিচালিত হয়। যোগ্য বলে নির্বাচিত সিরিজগুলো হলো: কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক, খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, খঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, খশ, খষ, খস, খহ, গক, গখ, গগ, গঘ, গঙ, গচ, গছ, গজ, গঝ, গঞ, গট, গঠ, গড, গঢ, গথ, গদ, গন, গফ, গব, গম, গল, গশ, গষ, গপ, গস, গহ, ঘক, ঘখ, ঘগ, ঘঘ, ঘঙ এবং ঘচ।

    পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে পাবেন ৪০ জন জয়ী। তাদের নম্বরগুলো হলো: ০০২১৭৪৯, ০২১৭৪১৯, ০৪৬১৪৭২, ০৫৮৮৯৬৬, ০৭৪৯৭৪০, ০০২২১৮১, ০২৪৬০৪৫, ০৪৬২০৫৬, ০৫৯৬৩৪৬, ০৭৫৯৯০৮, ০০৫৬৩৭৮, ০২৯৬৪০২, ০৪৭৮০১৫, ০৬০০৪৪০, ০৭৭২৭৭৩, ০০৯২৩৫৬, ০৩১১১৩০, ০৪৮০৫৬৭, ০৬০৭৩৪৯, ০৮১৩৬৫৯, ০১৪৪৫৬৭, ০৩৫৬৯৪২, ০৫১২০২৪, ০৬৩৯৩৬৭, ০৮৪৮০৪৬, ০১৫৫৩৯৮, ০৩৯৩২৭৭, ০৫৫১২২১, ০৬৪২০০২, ০৮৪৯৬১৪, ০১৫৫৯৩৪, ০৪১৩৫০১, ০৫৬৪৭৬০, ০৬৫০১১৯, ০৯২২৫৯৭, ০১৭৫৭৯২, ০৪৫২৪৪১, ০৫৭৩৮৬৫, ০৬৮৮৭৭৩ এবং ০৯৪৭৬৬৫।

    বিস্তারিত পুরস্কারপ্রাপ্তদের চেক ও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে চালানো হবে। বিজয়ীদের উদ্দেশ্যে বিভাগীয় অফিস থেকে পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি জানানো হবে।

  • এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী রেমিট্যান্স ৩.০০২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী রেমিট্যান্স ৩.০০২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    চলতি এপ্রিলে প্রথম ২৯ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স ৩.০০২ বিলিয়ন ডলার বা ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলারের বেশি পৌঁছেছে। এ সময়ে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ১০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

    এ তথ্য বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এপ্রিলের প্রথম ২৯ দিনে মোট রেমিট্যান্স ছিল ৩০০ কোটি ২০ লাখ (৩.০০২ বিলিয়ন) ডলার এবং শুধুমাত্র ২৯ এপ্রিলেই দেশে এসেছে ৯৪ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময় (এপ্রিল ২০২৫) এই অনুদান ছিল ২৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

    একের আগে মার্চে দেশে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে। ওই মাসে ৩.৭৫৫ বিলিয়ন ডলার (৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ) রেমিট্যান্স সংগ্রহ করা হয়েছিল। বছরের শুরুর দু’মাসেও রেমিট্যান্স তিন বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে — জানুয়ারিতে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

    সম্প্রতি ধারাবাহিকভাবে উচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ দেখা যাওয়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থান সুদৃঢ় হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজর এখন এই প্রবাহ ধরে রাখা ও আরও কার্যকরভাবে ব্যবস্থাপনা করার দিকে রয়েছে।

  • পাকিস্তানে কোরবানির ঈদ ২৭ মে হওয়ার সম্ভাবনা

    পাকিস্তানে কোরবানির ঈদ ২৭ মে হওয়ার সম্ভাবনা

    পাকিস্তানের বিশেষজ্ঞ ও চাঁদ দেখা সংক্রান্ত রুয়েত-ই-হিলাল রিসার্চ কাউন্সিলের বৈজ্ঞানিক গণনা অনুযায়ী, এবারের ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ সম্ভাব্যভাবে ২৭ মে পালিত হতে পারে। এই তথ্যটি শনিবার (২ মে) সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজ প্রকাশ করে।

    কাউন্সিলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন চাঁদ জন্ম হবে আগামী ১৬ ও ১৭ মে মধ্যরাতে সকাল ১টা ১৫ মিনিটে। ১৭ মে সূর্যাস্তের সময় চাঁদের বয়স ১৮ ঘণ্টার বেশি হবে, ফলে আবহাওয়া পরিস্কার থাকলে সন্ধ্যায় জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাবে। তেমন হলে ১৮ মে হবে জিলহজের প্রথম দিন এবং ১০ই জিলহজ অর্থাৎ ২৭ মে (বুধবার) পালিত হবে ঈদুল আজহা।

    রুয়েত-ই-হিলাল রিসার্চ কাউন্সিলের সেক্রেটারি জেনারেল খালিদ এজাজ মুফতি জানিয়েছেন, বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে এই বছর পাকিস্তান ও সৌদি আরবে একই দিনে ঈদ পালিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ১৭ মে করাচি, পেশোয়ারসহ কয়েকটি শহরে সূর্যাস্তের পর চাঁদ দিগন্তে প্রায় ৫৫ থেকে ৬৩ মিনিট পর্যন্ত দৃশ্যমান থাকবে, যা খালি চোখে দেখা সম্ভব হবে বলেই তারা মনে করছেন।

    তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে বা ১৭ মে চাঁদ দেখা না গেলে জিলকদ মাস পূর্ণ ৩০ দিন ধরে চলবে। সে ক্ষেত্রে জিলহজের শুরু হবে ১৯ মে এবং ঈদুল আজহা এক দিন পিছিয়ে ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) পালিত হবে।

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাস থাকলেও চাঁদ দেখা সংক্রান্ত চূড়ান্ত ঘোষণা দেবে কেন্দ্রীয় রুয়েত-ই-হিলাল কমিটি। স্থানীয় চাঁদ দেখা ও আবহাওয়ার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে তারা আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

  • যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এড়িয়ে এশিয়া পৌঁছল ইরানি সুপারট্যাংকার

    যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এড়িয়ে এশিয়া পৌঁছল ইরানি সুপারট্যাংকার

    ওমান উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর নজরদারি ও অবরোধ সত্ত্বেও এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে পৌঁছে গেছে ইরানের একটি বিশাল তেলবাহী ট্যাংকার। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাহাজটিতে প্রায় ১৯ লাখ ব্যারেলেরও বেশি অপরিশোধিত তেল রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২২০ মিলিয়ন (২২ কোটি) ডলার।

    বাংলা সময় রোববার (৩ মে) জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ট্যাংকারট্র্যাকার্স.কম এই তথ্য নিশ্চিত করে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, জাহাজটি ন্যাশনাল ইরানিয়ান ট্যাংকার কোম্পানির ঘাইত এবং এটি একটি ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার (VLCC)। ট্যাংকারট্র্যাকার্স পোস্টে জাহাজটিকে ‘হিউজ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং জানিয়েছে, এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে এটি শ্রীলঙ্কার উপকূলে দেখা গিয়েছিল। বর্তমানে ট্যাংকারটি ইন্দোনেশিয়ার লম্বক প্রণালি পার হয়ে রিয়াউ দ্বীপপুঞ্জের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

    প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, গত ১৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দর ও নৌপথের ওপর অবরোধ ঘোষণা করার সময় জাহাজটি ইরানের নিকটবর্তী জলসীমায় ছিল। সূত্রের বলা অনুযায়ী, জাহাজটি ২০ মার্চ মালাক্কা প্রণালি থেকে ইরানের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পর থেকেই তার অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) বন্ধ রেখেছে, ফলে এর অবস্থান লুকানো ছিল।

    আল জাজিরা ইরানের সংবাদমাধ্যম উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত অন্তত ৫২টি ইরানি জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ভঙ্গ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্তৃপক্ষ বলছে, অবরোধ শুরুর পর থেকে তারা প্রায় ৪১টি ইরানসংশ্লিষ্ট জাহাজকে পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য করেছে।

    ওয়াশিংটন জানিয়েছে, অবরোধ কার্যকর ছিল এবং এতে ইরানের তেল আয়ের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; তারা মনে করছে ইরান সহজে তেল রপ্তানি করতে পারছে না এবং অনেক তেল জমিয়ে রাখতে বাধ্য হচ্ছে যতক্ষণ না তাদের সক্ষমতা শেষ বা উৎপাদন বন্ধ হয়।

    এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও তেলের বাণিজ্যে চলমান উত্তেজনার এক নতুন ইঙ্গিত দেয়, যেখানে নজরদারি, সনাক্তকরণ সিস্টেম বন্ধ রাখা ও পথ পরিবর্তন—এসব কৌশল দ্বিপাক্ষিক টক্কার অংশ হয়ে উঠেছে।

  • নড়াইলে ৫ মামলায় পিরোলী ইউপি চেয়ারম্যান জারজিদ মোল্যা গ্রেপ্তার

    নড়াইলে ৫ মামলায় পিরোলী ইউপি চেয়ারম্যান জারজিদ মোল্যা গ্রেপ্তার

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পিরোলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জারজিদ মোল্যা (৫০) কে নাশকতাসহ মোট পাঁচটি মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    শনিবার দিবাগত রাতে (২ মে) পিরোলী ইউনিয়নের খড়রিয়া গ্রাম থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হলে, সোমবার (৩ মে) সকালেই কালিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইদ্রিস আলী গ্রেপ্তার তথ্যটি নিশ্চিত করেন।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জারজিদ মোল্যা বিভিন্ন সময় পিরোলী ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একাধিকবার নির্বাচিত হন। তার বিরুদ্ধে দুদকের (দুর্নীতি দমন কমিশন) দায়ে দায়ের করা তিনটি মামলা এবং নাশকতার অভিযোগে দুইটি মামলা রয়েছে।

    কালিয়া থানা পুলিশ জানান, শনিবার রাতে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলমান আছে।

  • লিবিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় শার্শার প্রবাসী সজিব নিহত, মরদেহ মেলেনি

    লিবিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় শার্শার প্রবাসী সজিব নিহত, মরদেহ মেলেনি

    যশোরের শার্শার উলাশী ইউনিয়নের খাজুরা গ্রামের প্রবাসী যুবক সজিব হোসেন লিবিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে বলে পরিবারকে জানানো হয়েছে। সজিব ছিলেন আইনুদ্দিনের ছেলে; তিনি ২০২১ সালে ভাগ্যের পরিবর্তন আশায় লিবিয়া গিয়েছিলেন।

    পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ এপ্রিল তিনি বাংলাদেশে ফেরার উদ্দেশ্যে লিবিয়ার বিমানবন্দরের দিকে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। ঘটনায় তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে মোবাইল ফোনে পরিবারের কাছে খবর দেয়া হলেও এখনো পর্যন্ত মরদেহের কোনো সন্ধান মেলেনি।

    মরদেহ না পাওয়ায় প্রিয়জনদের শোকের সঙ্গে বাড়ছে অনিশ্চয়তা। পরিবার জানায়, দুর্ঘটনার পর সজিব কোথায় রয়েছে—কোনও হাসপাতালে রাখা হয়েছে কি না, বা দাফন সম্পন্ন হয়েছে কিনা—এ সম্পর্কেই কোনো নিশ্চিত তথ্য তারা পাননি।

    নিহতের পরিবার প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি কমিউনিটি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা চেয়েছে। তারা দ্রুত মরদেহের অবস্থান নিশ্চিত করে বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করার অনুনয় করছে।

    পরিবারের অনুপস্থিতি ও বেদনার এই সময়ে সংশ্লিষ্ট দফতর এবং কমিউনিটির তৎপরতা মরদেহ উদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করেন। কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে উপযুক্ত নির্দেশনা ও সহায়তা আশাব্যঞ্জক।

  • পিএসএল ফাইনালের ব্যস্ততায় বাবর ছাড়াই পাকিস্তান দল ঢাকায়

    পিএসএল ফাইনালের ব্যস্ততায় বাবর ছাড়াই পাকিস্তান দল ঢাকায়

    নিউজিল্যান্ড সিরিজ শেষ হয়েছে গতকাল সন্ধ্যায়। ওয়ানডে ওটি-টোয়েন্টির কড়া সূচির পরও বিশ্রামের সুযোগ পাননি বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা—লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্তদের মতো খেলোয়াড়রাও। এবার মাঠে টেস্ট সিরিজ; দুই ম্যাচের সিরিজ খেলতে পাকিস্তান দল ঢাকায় পৌঁছেছে।

    আজ ভোর ৫টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানে নামলে পাকিস্তান দল। শান মাসুদ অধিনায়কত্বে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে খেলবে তাঁর দলটি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড আগে থেকেই ১৬ সদস্যের টেস্ট স্কোয়াড ঘোষণা করেছে, যার নাম তালিকায় আছেন বাবর আজমও।

    তবে পিএসএলের ফাইনাল আজ রাতে হওয়ায় বাবর আজম পেশোয়ার জালমির সঙ্গে থাকার কারণে সিরিজের প্রথমপর্বে দেশেও যোগ দিতে পারেননি। রাতে পিএসএল ফাইনাল চলায় বাকি খেলোয়াড়রাই এ যাত্রায় বাংলাদেশে এসেছে। বিমানবন্দর থেকে নিরাপত্তা কড়াকড়ি অবলম্বনে দলকে সরাসরি হোটেলে নেওয়া হয়েছে।

    পাকিস্তানের ঘোষিত ১৬ সদস্যের দলে চারজন নতুন মুখ থাকছেন—আমাদ বাট, আবদুল্লাহ ফজল, আজান আওয়াইস ও মুহাম্মদ গাজী ঘোরি। এছাড়া এই সিরিজ দিয়েই পাকিস্তানের টেস্ট কোচ হিসেবে অভিষেক হচ্ছে সরফরাজ আহমেদের। ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেবেন আসাদ শফিক এবং বোলিং কোচ হবেন উমর গুল।

    বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের প্রথম টেস্ট শুরু হচ্ছে ৮ মে, ভেন্যু মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম। দ্বিতীয় টেস্টের কথা ১৬ মে, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। উভয় ম্যাচই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ।

    পাকিস্তানের টেস্ট দল: শান মাসুদ (অধিনায়ক), বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান, শাহীন শাহ আফ্রিদি, সালমান আলী, আবদুল্লাহ ফজল, আমাদ বাট, আজান আওয়াইস, হাসান আলী, ইমাম উল হক, খুররম শেহজাদ, মোহাম্মদ আব্বাস, মুহাম্মদ গাজী ঘোরি, নোমান আলী, সাজিদ খান, সৌদ শাকিল।

  • টুর্নামেন্টের আগে আমরা একাধিকবার হাত মিলিয়েছিলাম: সালমান আগা

    টুর্নামেন্টের আগে আমরা একাধিকবার হাত মিলিয়েছিলাম: সালমান আগা

    ক্রিকেটে টসের আগে, খেলার সময় বিরতি কিংবা ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের সঙ্গে হাত মেলানো—এটাই দীর্ঘদিনের রীতি। তবু ২০২৫ এশিয়া কাপে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত–পাকিস্তানের অধিনায়করা মাঠে এমন উষ্ণতা দেখাননি। পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমান আলি আগা বলছেন, টুর্নামেন্ট শুরুর আগে তাদের মধ্যে এমন আচরণ ছিল না।

    সালমান জানান, ভারতীয় দলকে ম্যাচের আগেই সামাজিক মাধ্যমে ‘নো হ্যান্ডশেক’ মনোভাব গ্রহণ করতে দেখা গেছে এবং টসে দেশটির অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব হাত বাড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ম্যাচ রেফারি অ্যাঞ্জি পাইক্রফট (Andy Pycroft) তাকে টসের আগেই আলাপে বলেছিলেন যে ‘ওরা’ হাত মিলাবে না—এতে তিনি অবাক হন, কারণ টুর্নামেন্টের শুরুতে তিনি ও সূর্যকুমার একাধিকবারই হাত মেলিয়েছিলেন।

    একটি পডকাস্টে সালমান বলেন, টুর্নামেন্টের আগে একটি সংবাদ সম্মেলনে আমরা হাত মেলিয়েছি, ট্রফি নিয়ে ফটোশুটেও একই ছিল। তাই টসের সময় তিনি স্বাভাবিক আচরণ প্রত্যাশা করছিলেন। ‘আমি ভাবিনি বিষয়টা এতটা এগোবে যে হাতই মিলবে না,’ বলেন তিনি।

    সালমান আরও জানান, তিনি পাকিস্তান দলের মিডিয়া ম্যানেজারকে নিয়ে টসে গিয়েছিলেন; ম্যাচ রেফারি আলাদাভাবে তাকে বলেছিলেন—‘‘ওরা এমনটা করতে যাচ্ছে, কোনো হ্যান্ডশেক হবে না, তাই প্রস্তুত থাকুন।’’’ তাঁর কথায়, ‘‘আমি বলেছিলাম—হাত না মেলালে না মেলাক। এমন না যে আমি হাত মেলাতে অতীব ব্যাকুল ছিলাম।’’ ম্যাচ শেষে পাকিস্তান হেরে যাওয়ার পর যখন তারা প্রতিপক্ষের প্যাভিলিয়নের দিকে হাত মেলাতে যাচ্ছিল, তখনও একই পরিস্থিতি দেখা গিয়েছিল।

    সালমান মনে করেন, একটি দলের অধিনায়ক হিসেবে সঠিক উদাহরণ দেখানো জরুরি। তিনি বলেন, ‘‘আমি যদি পাকিস্তান দলের অধিনায়ক হই, অনেক ছেলে-মেয়ে আমাকে দেখবে এবং অনুকরণ করবে। তাই হাত না মেলানোর মতো কাজকে আমি সমর্থন করি না।’’

    পডকাস্টে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সতীর্থ পেসার হাসান আলি। তিনি বলেন, পরিস্থিতি যদি এমনই থাকে তবে ভারতের মতো প্রতিপক্ষের সঙ্গে মাঠে মুখোমুখি হওয়াই এড়ানো উচিত—অথবা দুই দল সমঝোতায় এসে ম্যাচ না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রত্যেককে একটি করে পয়েন্ট ভাগ করে দিত।

  • সালমানকে হত্যা করার উদ্দেশ্যেই গুলি চালানো হয়েছিল: আদালতে দেহরক্ষীর দাবি

    সালমানকে হত্যা করার উদ্দেশ্যেই গুলি চালানো হয়েছিল: আদালতে দেহরক্ষীর দাবি

    বুধবার মুম্বাইয়ের বিশেষ আদালতে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে হওয়া গুলি চালানোর ঘটনার নতুন বিবরণ উঠেছে। সালমানের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী আদালতে শুক্রবার জানান, ওই হামলা কেবল ভীতি দেখানো নয়—এটি সরাসরি তাকে হত্যা করার একটি চেষ্টাই ছিল।

    এই মামলার বিচার গত মাসে শুরু হয় এবং দেহরক্ষীকে প্রথম সাক্ষী হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুসারে, দেহরক্ষী ১৪ এপ্রিল ২০২৪-এর ভোরে ঘটার পুরো বিবরণ আদালতে তুলে ধরেন। তিনি জানান, ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা সাতটা থেকে তিনি তার রাতের শিফটে ছিলেন এবং গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের হুমকির কারণে সেই সময় সালমানের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল।

    দেহরক্ষী বলেন, ভোর চারটার দিকে পটকা ফাটার মতো শব্দ শুনে সিসিটিভি পর্যালোচনা করতেই দেখা যায় হেলমেট পরা দু’জন ব্যক্তি একটি বাইকে চেপে এসে বাড়ির দিকে তাক করে গুলি চালাচ্ছে। বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি মহেশ মূলের সামনে প্রদর্শিত সিসিটিভি ফুটেজ দেখে মামলার সাক্ষী হামলাকারীদের শনাক্তও করেছেন।

    তিনি আরও জানান, হামলাকারীরা চার থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি চালানোর পর ‘আই লাভ বান্দ্রা পয়েন্ট’ ও মেহবুব স্টুডিও রোডের দিকে পালিয়ে যায়। সাক্ষ্য বলছে, হামলার সময় সালমান দোতলায় নিজের বেডরুমে ছিলেন—এবং এই পরিস্থিতিতে দেহরক্ষী জোর দিয়ে জানিয়েছেন এটি সরাসরি হত্যার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটি হামলা ছিল।

    দেহরক্ষী আদালতে বলেছেন যে তিনি নিরাপত্তা কেবিনে অবস্থান করছিলেন এবং আক্রমণের সময় কণ্ঠস্বর শুনেছেন, যদিও আগে থেকে থাকা হুমকির বিষয়ে তিনি ততটা অবগত ছিলেন না। পুলিশের তদন্ত ও আদালতের কার্যক্রম বর্তমানে দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে।

    অন্যদিকে শনিবার আদালতে উপস্থাপিত এক সাক্ষী জানান, তিনি লবিতে বসে ছিলেন এবং গুলি চালা দেখেননি, কিন্তু ঘটনাস্থলের কাছাকাছি কার্তুজের খোসা দেখতে পান। পুলিশের বক্তব্যে বলা হয়েছে, অভিযোগে ভিকি গুপ্তা ও সাগর পাল বাইকে করে এসে গুলি চালিয়েছে, আর মোহাম্মদ রফিক সরদার চৌধুরী হামলার দুই দিন আগে ঘটনাস্থল রেকি করে সেই ভিডিও অনমোল বিষ্ণোইকে পাঠিয়েছিলেন।

    এই ঘটনার পর থেকে পুলিশি তদন্ত ও মামলার শুনানি চলমান। আদালতে দেহরক্ষীর প্রমাণ ও সিসিটিভি ফুটেজের ওপর ভিত্তি করেই দেখা হচ্ছে কিভাবে অভিযোগের নতুন এই বিবরণ মামলার দিক পরিবর্তন করবে।

  • আবার গুলি ও হুমকি — কপিল শর্মার ক্যাফের পাশে হামলা

    আবার গুলি ও হুমকি — কপিল শর্মার ক্যাফের পাশে হামলা

    কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সারে শহরে কপিল শর্মার মালিকানাধীন ‘ক্যাপস ক্যাফে’র ঠিক পাশেই একটি ক্যাফেতে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে কপিল শর্মা ও ক্যাফে মালিককে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজক করে তুলেছে।

    বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, বিতর্কিত “লরেন্স বিষ্ণোই” গ্যাং এই হামলার দায় স্বীকারের দাবি করছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘টাইসন বিষ্ণোই জোরা সিন্ধু’ নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত পোস্টে বলা হয়েছে, তাদের নির্দেশ অমান্য করলে কপিল শর্মার রেস্টোরেন্টের ভবিষ্যতও একই রকম হবে। তবে এখনও আইনিভাবে ওই পোস্টের সত্যতা বা বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সরাসরি সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা যায়নি।

    ঘটনাটি ঘটেছে ‘চাই সুট্টা বার’ নামে ওই ক্যাফেতে, যা কপিল শর্মার ‘ক্যাপস ক্যাফে’র একদম পাশে অবস্থিত। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে এবং অনুরূপ ঘটনা পুনরায় ঘটার ভয় কাটছে না।

    এর আগেও কপিল শর্মা-সম্পর্কিত এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি হামলার শিকার হয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে উদ্বোধনের কয়েকদিনের মধ্যেই সেখানে খলিস্তানি সমর্থকরা হামলা চালায়। পরে ২০২৫ সালের জুলাই, আগস্ট ও অক্টোবর মাসে ধারাবাহিকভাবে তিনবার বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম জড়িয়ে ওই ক্যাফেটিকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল।

    স্থানীয় পুলিশ ও কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার তদন্ত করছে এবং সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের সত্যতা যাচাই করার চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় জনগণ ও ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি করছে এবং পরবর্তী নির্দেশনা জানানো পর্যন্ত সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

    ঘটনাটি কেবল একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নয়, সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সাধারণ জনজীবনের ওপর প্রভাব ফেলে—তাই দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত এবং অনুমোদিত নিরাপত্তা ব্যৱস্থা গ্রহণের ওপর এখন দৃষ্টি সরানো হচ্ছে।