খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থী মৌমিতা হালদার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ী চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান 사건ের বিবরণ তুলে ধরেন। জানা যায়, ৩০ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মৌমিতা হালদার তার পিতা-পত্নীর সঙ্গে রিকশায় করে কোর্ট এলাকা যাচ্ছিলেন। তারা খুলনা সদর থানার নগর ভবনের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময়, জেলা পরিষদের সামনে পাকা রাস্তার উপরির পথে পিছন থেকে একটি দ্রুতগামী প্রাইভেটকার তাদের পিছু নিয়ে দ্রুত গতিতে এসে রিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এই ধাক্কায় মৌমিতা রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। দ্রুত তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৭টা ৫০ মিনিটে মৃত্যুর ঘোষণা দেন। এই ঘটনায় তার পিতা বাদী হয়ে খুলনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে নামে এসআই দেবব্রত বিশ্বাস, যিনি ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত গাড়ি শনাক্ত করেন। পরে ৩ এপ্রিল দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে, খুলনা সদর থানার আওতাধীন করোনেশন স্কুলের পেছনে নগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতার বাড়ির নিচতলার গ্যারেজ থেকে এক নীল রঙের টয়োটা গাড়ি (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: খুলনা মেট্রো-গ-১১-০৮৩৭) উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রযুক্তির সহায়তায় রোববার সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে প্রাইভেটকারের চালক মোঃ আহাদ শেখ সৈকত (২৬) কে খুলনা সদর থানার হাদিস পার্কের উত্তর গেট এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
Blog
-

দুর্যোগপ্রবণ উপজেলাগুলোর জন্য টেকসই ভেড়িবাঁধ নির্মাণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন এস এম মনিরুল হাসান
খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী সোমবার দুপুর ১২টায় তার কার্যালয়ে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় ও ভরণপোষণ করেন। এই আয়োজনে নেতৃবৃন্দ তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, খুলনা জেলা দীর্ঘদিন থেকে অবহেলা ও দুর্বলতার শিকার। তারা আশাবাদী যে, আপনি দায়িত্ব গ্রহণের পর এই বঞ্চনাগুলোর অবসানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
এসময় জেলা পরিষদ প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, আমি আমার দায়িত্ব পালনকালে খুলনার নয়টি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেব। বিশেষ করে, দুর্যোগপ্রবণ উপজেলাগুলোতে টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী ভেড়িবাঁধ নির্মাণে আমি সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রচেষ্টা ও অঙ্গীকার রূপে কাজ করব।
উন্নয়ন কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামানের নেতৃত্বে এই আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব এডভোকেট শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. নিজামউর রহমান লালু, সহ-সভাপতি মিনা আজিজুর রহমান, অধ্যাপক মো. আবুল বাসার, অধ্যক্ষ রেহানা আক্তার, মামুনুরা জাকির খুকুমনি, যুগ্ম-মহাসচিব সরদার রবিউল ইসলাম রবি, অর্থসম্পাদক শেখ গোলাম সরোয়ার, মহিলা সম্পাদিকা প্রফেসর সেলিনা বুলবুল, শিক্ষা সম্পাদক বিশ্বাস জাফর আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক রকিব উদ্দিন ফারাজী, মোর্শেদের মতো বিভিন্ন বিশিষ্ট সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। এই বক্তৃতায় তারা করোনাকালীন সময়ে জেলার উন্নয়নে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
-

প্রধানমন্ত্রীর অনুকরণে নগরীতে শুরু হয়েছে বিশুদ্ধি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন। এই ঘোষণা অনুযায়ী, আমরা খুলনা মহানগরে কর্মসূচি শুরু করেছি। দৈনন্দিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি প্রতি শনিবার এলাকাভিত্তিক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
গতকাল সোমবার সকালেঃ খুলনা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে এই অভিযানের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ এ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে।
তিনি নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, এখানকার মানুষ চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নানা জেলা থেকে আসেন। তাই হাসপাতালের পরিবেশ দায়িত্বশীলভাবে রক্ষা করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। হামের প্রাদুর্ভাব কম থাকলেও রোগ নিয়ন্ত্রণে সতর্ক থাকতে ডাক্তার, নার্স ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি হাসপাতাল ও কলেজের আশেপাশের খালি জমিতে গাছ লাগানোর গুরুত্বও তুলে ধরেন।
খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ গোলাম মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা মো্ল্লা মারুফ রশীদ, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান রহিমসহ কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। স্বাগত বক্তব্য দেন কলেজের উপাধ্যক্ষ ডাঃ মোঃ আমানুল ইসলাম এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ডাঃ মোঃ আকরামুজ্জামান।
পরবর্তীতে, নগরীর দৌলতপুরের কল্পতরু মার্কেট, পাখির মোড়, মাছের ঘাট খাল ও সাড়াডাঙ্গা এলাকেঃ সরবেষ্ট ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলো পরিদর্শন করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেসিসি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনিচুজ্জামান, কঞ্জারভেন্সী অফিসার মোঃ আনিসুর রহমান এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা।
-

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরে আসছেন ২৭ এপ্রিল
আগামী ২৭ এপ্রিল যশোরে উপস্থিত থাকছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফর হবে যশোর জেলায় তাঁর প্রথম সরকারি সফর, যা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরের প্রথম পদক্ষেপ। বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং খনিজ সম্পদ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দলটির মিডিয়া সেল থেকে। সোমবার রাতে তিনি his ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলের মাধ্যমে এ খবর দেন। ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘সুসংবাদ! মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরে আসছেন। (সম্ভাব্য তারিখ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ইং)।’ সূত্র অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন স্থানে খাল খননের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সফরে বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে অন্যতম হল যাবতীয় খনন কাজ যশোরের শার্শা উপজেলার উলাসী-যদুনাথপুর খাল পুনঃখনন। উল্লেখ্য, ৫০ বছর আগে ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান নিজ হাতে এই খালের খনন কাজের शुरुआत করেছিলেন, যা এখন ‘উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্প’ বা ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিত। দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় এই খাল ভরাট হয়ে পড়েছিল, তবে পুনঃখননের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্র ও পানি প্রশাসনে নতুন প্রাণ ফিরে আসার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
-

স্বর্ণের দাম কিছুটা কমল, রুপার দামও হ্রাস
দেশের বাজারে টানা চার দফা মূল্যবৃদ্ধির পর স্বর্ণের দাম কিছুটা কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮১৯ টাকায়। নতুন মূল্য আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হবে।
বাজুসের মতে, এই দাম কমানো হয়েছে দেশের স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমানোর ফলে। এর ফলে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি দাম এখন ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮১৯ টাকা, যা আগের তুলনায় কম। এর পাশাপাশি অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও হ্রাস পেয়েছে। যেমন, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন মূল্য ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ১ হাজার ১৪৬ টাকা, ও সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা।
এর আগে, ১ এপ্রিল বাজুস স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করে ২২ ক্যারেটের ভরি দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা বেঁধেছিল, যা সেদিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছিল। তখন ভরি ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ানো হয়েছিল, ফলে দাম বেড়ে গিয়েছিল। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য ছিল ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা, ও সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা।
এটি হল এই বছর স্বর্ণের মূল্যের প্রথম পরিবর্তন নয়; এ বছর বেশ কয়েক দফায় দাম সমন্বয় করা হয়েছে, মোট ৫২ বার। এর মধ্যে দাম ৩০ বার বেড়েছে, আর কমেছে ২২ বার। ২০২৩ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম পরিবর্তন হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার দাম কমানো হয়েছিল।
অন্যদিকে, মূল্য কমানোর সঙ্গে সঙ্গে রুপার দামেও হ্রাস ঘটেছে। এবার ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৪০ টাকায়। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের রুপার মূল্য ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা, ও সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৩ হাজার ৩৮৩ টাকায়।
-

অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য নির্ধারণ ও উন্নয়নের পরিকল্পনা
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মানুষের মোট গড় আয় বর্তমানে ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার। এই ইতিবাচক দিকের পাশাপাশি, সরকার আগামী এক দশকে দেশের অর্থনীতি এক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর একটি বিশাল লক্ষ্য মেনে নিয়েছে। এর মাধ্যমে দেশটিকে অর্থনৈতিক মহাশক্তিতে রূপান্তর করার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার। সোমবার (৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের নবম দিনে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামের সভাপতিত্বে এ অধিবেশনে আলোচনা হয়।
-

সংসদে প্রকাশ শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠান, এর মধ্যে ১০টি এস আলমের
২০২৫ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের ভয়াবহ চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে ১০টি প্রতিষ্ঠানই এস আলম গ্র“পের মালিকানাধীন। সোমবার সংসদে ওই তালিকা উত্থাপন হলেও ঋণের মোট পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি। শীর্ষ খেলাপিদের তালিকায় তিনটি প্রতিষ্ঠান সিকদার গ্র“পের, সালমান এফ রহমানের বেক্সিমকো গ্র“পের দু’টি এবং বিএনপি’র সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খানের মালিকানাধীন সিটিসেলও রয়েছে। অর্থমন্ত্রী ব্যক্ত করেছেন যে, বর্তমানে ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এমপিদের থাকা ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। তবে আদালতের নির্দেশনায় ৩৩৩০ কোটি ৮ লাখ টাকা এখনো খেলাপি হিসেবে গণ্য হয়নি। সংসদে বিএনপি’র হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান এবং শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের নামও প্রকাশ করেন। এর মধ্যে প্রথম চারটিসহ মোট পাঁচটি এস আলমের। এই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস আলম ভেজিট্যাবল অয়েল লিমিটেড, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, এস আলম কোল্ড রোলড স্টিলস, সোনালী ট্রেডার্স, গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন, চেমন ইস্পাত, এস আলম ট্রেডিং, ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস, ও মুরাদ এন্টারপ্রাইজ। অন্যদিকে, তালিকায় রয়েছে সালমান এফ রহমানের দুটি প্রতিষ্ঠান এবং সিকদার গ্র“পের তিনটি প্রতিষ্ঠান। বেক্সিমকো’র দুইটি হলো বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি ও বেক্সিমকো কমিউনিকেশনস। সিকদার গ্র“পের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো হলো পাওয়ার প্যাক মুতিয়ারা কেরাণীগঞ্জ পাওয়ার প্ল্যান্ট, জামালপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট, ও সিএলসি পাওয়ার কোম্পানি। এছাড়া মধ্যমে রয়েছে কেয়া কসমেটিকস, দেশবন্ধু সুগার মিলস, প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম (সিটিসেল), কর্ণফুলি ফুডস, ও রংধনু বিল্ডার্স। অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে খেলাপি ঋণ আদায়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে— ব্যাংকগুলোর সঙ্গে ত্রৈমাসিক আলোচনা, শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, ঋণ রেকভারি জন্য গাইডলাইন প্রণয়ন, ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, আইনগত পদক্ষেপ, লিগ্যাল টিমের সশক্তিকরণ, এবং_target অনুযায়ী খেলাপি ঋণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ। এছাড়া, ঋণ ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে বিভিন্ন নীতিমালা হালনাগাদ ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী আরও জানান, দেশে এখনো মোট ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকার খেলাপি ঋণ রয়েছে, যা দেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। সরকারি বিভিন্ন পরিকল্পনা ও কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে এই সমস্যা নিবৃত্ত করতে কাজ চলছে।
-

জিডিপির প্রবৃদ্ধি ফের নিম্নমুখী
চলমান অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশের মোট জিডিপির বৃদ্ধির হার আবার কমে গেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে, অক্টোবর-ডিসেম্বরে জিডিপির বৃদ্ধি হার ছিল ৩.০৩ শতাংশ, যা এর আগে জুন-সেপ্টেম্বরে ছিল ৪.৯৬ শতাংশ। এর আগে গত অর্থবছরের একই সময় ছিল ৩.৩৫ শতাংশ। এ তিনের মধ্যে সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি এই প্রান্তিকে হওয়ায় অর্থনৈতিক অগ্রগতি কিছুটা ধীর হয়ে গেছে।
বিশ্লেষণ করে দেখা গেল, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়া এবং সরবরাহে বাধা সৃষ্টি হওয়ার কারণে দেশের জ্বালানির সংকট আরও গভীর হচ্ছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলার ফলে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে, যার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের মতো দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত করে অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। একইসঙ্গে দেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নতুন সরকার অর্থনৈতিক সংকটের কারণে উন্নয়নমূলক প্রকল্পে বিনিয়োগে ব্যাহত হচ্ছে, যা পুরো অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রান্তিকে সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি হয়েছে শিল্প খাতে, যেখানে বৃদ্ধির হার ছিল মাত্র ১.২৭ শতাংশ। অন্যদিকে, কৃষি খাতে ৩.৬৮ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৪.৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৮২ শতাংশ, যা এখন অনেক কমে গেছে। কৃষি ও সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে উন্নতি হলেও সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ফিরে ধীর হয়ে পড়ে।
অর্থনীতির মূল ভিত্তি শিল্প খাতে বেশি হলেও, এই খাতের প্রবৃদ্ধির কমতির কারণে মোট জিডিপি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সংশয় দেখা দিয়েছে। গত অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি ছিল ২.০৫ শতাংশ, যা প্রথম প্রান্তিকে বেড়ে ৪.৯৬ শতাংশে পৌঁছেছিল, কিন্তু পরে আবার কমে গেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ জলবায়ু পরিবেশের কারণে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ফিরতি ধাক্কা খাচ্ছে, যা সামগ্রিক হলেও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি সতর্ক সংকেত।
-

২০২৪ সালে লোকসানে ১৭ ব্যাংক, সিএসআর ব্যয় অর্ধেকে নেমে এসেছে
২০২৪ সালে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য একটি সংগ্রামপূর্ণ বছর ছিল। অর্থনৈতিক চাপ ও অনিশ্চয়তার কারণে একাধিক ব্যাংক নিট মুনাফা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। যেখানে কিছু ব্যাংক ভালো মুনাফা করলেও, বেশিরভাগ ব্যাংকের আয় প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছায়নি। এর ফলস্বরূপ, কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে ব্যয় ব্যাপক হারে কমে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, একই বছর সিএসআর ব্যয়ে লক্ষ্য করা গেছে নাটকীয় পতন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ অর্থবছরে (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) দেশের ৬১টি ব্যাংক মাত্র ৩৫২ কোটি ৯ লাখ টাকা সিএসআর খাতে ব্যয় করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ২৭০ কোটি ৯১ লাখ টাকা বা প্রায় ৪২ শতাংশ কম। এটি গত দশকের মধ্যে সবচেয়ে নিম্ন পর্যায়, এর আগে ২০১৫ সালে সর্বনিম্ন ব্যয় ছিল ৫২৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। ফলে, দেখা যাচ্ছে, চলতি বছর এই খাতে ব্যয় ধীরে ধীরে নিম্নমুখী হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।
অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব বলছে, ২০২৪ সালে সিএসআর ব্যয়ে ছিল মোট ৬১৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৩০৮ কোটি টাকা বা ৩৩ শতাংশ কম। ২০২৩ সালে ব্যাংকগুলো ব্যয় করেছিল মোট ৯২৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা, আর ২০২২ সালে এই সংখ্যা ছিল ১,১২৯ কোটি টাকা। পরবর্তী দু বছরে মোট সিএসআর ব্যয় কমেছে বেশি than ৫০ শতাংশ।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ব্যয়ে এই কমতির অন্যতম কারণ হলো, রাজনৈতিক অস্থিরতা, আন্দোলন ও সরকারের পরিবর্তনের প্রভাব। জুন-জুলাই মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলন, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ক্ষমতা পরিবর্তনের কারণে ব্যাংকিং খাতে বেশ বড় ধরনের চাপ পড়ে। একই সময়ে ব্যাংকগুলোর মধ্যে অনিয়ম, লুটপাট এবং অর্থ পাচারের ঘটনা প্রকাশ পেতে শুরু করে, যা প্রকৃত আর্থিক পরিস্থিতি উন্মোচনে সহায়তা করে। এর ফলে, ব্যাংকগুলোর প্রকৃত লোকসান ও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে, বেশ কটি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক বড় ধরনের চাপের মুখে পড়ে। এসব ব্যাংকে কিছু শিল্পগোষ্ঠীর ঋণ অনিয়ম ও অর্থ পাচারের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এর জের ধরে সরকার বিভিন্ন ব্যাংক একীভূত করার মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে স্থিতিশীল করার উদ্যোগ নিয়ে থাকে।
ব্যাংকারদের অভিমত, রাজনৈতিক পরিবর্তন সত্ত্বেও সিএসআর ব্যয় কমার প্রত interconnected এর পেছনে আরেকটি বড় কারণ হলো, আগে রাজনৈতিক চাপের কারণে ব্যাংকগুলো অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় বা অনুৎপাদনশীল খাতে অর্থ ব্যয় করতো। তবে ২০২৪ সালে, আন্দোলন ও সরকার পরিবর্তনের পর এই চাপ অনেকটাই কমে গেছে। ফলে ব্যাংকগুলো অধিকতর বিবেচনা করে সিএসআর ব্যয় পরিচালনা করছে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, সিএসআর খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। অনেক সময় রাজনৈতিক প্রভাব ও চাপের কারণে এই অর্থ সামাজিক দায়িত্বের প্রকৃত উদ্দেশ্য থেকে বিচ্যুত হয়, যা সমাজের উন্নয়নের জন্য ক্ষতিকর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোকে তাদের নিট মুনাফার নির্দিষ্ট একটি অংশ সিএসআর খাতে ব্যয় করতে হয়। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ শিক্ষা, ৩০ শতাংশ স্বাস্থ্য এবং ২০ শতাংশ পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়। বাকি ২০ শতাংশ অন্যান্য খাতে ব্যয় করার সুযোগ রয়েছে।
তবে, বাস্তবে দেখা গেছে, এই নির্দেশনা কঠোরভাবে মানা হচ্ছে না। ২০২৫ সালে ব্যাংকগুলো সবচেয়ে বেশি ৩৬ শতাংশ ব্যয় করেছে ‘অন্যান্য’ খাতে। শিক্ষায় ব্যয় ছিল প্রায় ২৮.৫ শতাংশ, স্বাস্থ্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যয় হলেও পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন খাতে ব্যয় মাত্র ১০ শতাংশের কাছাকাছি।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালে ১১টি ব্যাংক সিএসআর খাতে কোনো অর্থ ব্যয় করেনি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।
এছাড়া, এই বছর লোকসানে থাকা ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, এবি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।
বিশেষ করে জানানো হয়েছে, ছয়টি ব্যাংক এমন রয়েছেন, যারা মুনাফা অর্জন না করেও তাদের সিএসআর খাতে অর্থ ব্যয় করেছে। এর মধ্যে রয়েছে এবি ব্যাংক, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক।
-

গণভোট ইস্যুতে সরকারের হুঁশিয়ারি: ১১ দলীয় ঐক্যের কঠোর সংকেত
গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের মনোভাবের প্রবাহে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে রাজধানীর সাম্প্রতিক বিক্ষোভে অংশ নেন ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণে ঐক্যের নেতারা এক মিছিল-পূর্ব সমাবেশে একসঙ্গে বক্তব্য দেন। সেখানে তারা স্পষ্ট করে বলেন, বর্তমান সরকার গণভোটের রায়কে অমান্য করে মানবাধিকার ও ভোটাধিকার পরিপন্থী পদক্ষেপ নিচ্ছে, এবং এ ধরনের ফ্যাসিবাদী মনোভাব বন্ধ করতে হবে। নেতারা জানান, যদি এই দুর্বিষহ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে এবং সরকার তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসে, তবে কঠোর আন্দোলনের পথে হাঁটতে প্রস্তুত বিএনপি ও সংশ্লিষ্টরা।
সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেন। তাদের হাতে ছিল ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চাই’, ‘গণভোট মানতে হবে’ এবং অন্যান্য দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড। তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সরকারের গণভোটের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানায়।
এই বিক্ষোভ সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীনের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম। জোটের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা লাইন বাড়িয়ে বক্তব্য রাখেন ও সরকারের চরম দমননীতি ও গণভোটের রায়ের মানসিকতা নিয়ে কঠোর criticism করেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকার জনগণের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করছে। তারা আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি যত দ্রুত সম্ভব সমাধানে না গেলে কঠোর কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। সকলের দাবি, জনগণের ভোটাধিকার ও মতামতের সঠিক প্রতিফলন নিশ্চিত করতে সংবিধানে সতর্ক সংস্কার আনতে হবে।
