Blog

  • স্ত্রীর অভিযোগ: খুলনায় ব্যবসায়ী কালী শংকর সাহা অরবিন্দুকে অপহরণ ও গুমের চেষ্টা

    স্ত্রীর অভিযোগ: খুলনায় ব্যবসায়ী কালী শংকর সাহা অরবিন্দুকে অপহরণ ও গুমের চেষ্টা

    খুলনায় ব্যবসায়ী কালী শংকর সাহা অরবিন্দুকে অপহরণ করে গুমের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী অনামিকা দাস (পপি)। তিনি সোমবার খুলনায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।

    অনামিকা দাস লিখিত বক্তব্যে বলেন, তিনি দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে সন্তান নিয়ে পরিত্যক্তাবস্থায় খুলনায় বসবাস করেছেন। এ সময় কালী শংকর সাহা অরবিন্দু তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন এবং হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয় ৮ এপ্রিল ২০২৬ সালে।

    তবে অনামিকা অভিযোগ করেন, কালী শংকর সাহার প্রথম পক্ষের ছেলে ডাঃ হিমেল সাহা ও পুত্রবধূ তন্নী দেবনাথ তাদের বিয়ে মেনে নেননি। বিয়ের পর থেকেই তিনি মানসিক নির্যাতন, হুমকি এবং অপমান ভোগ করেছেন। এমনকি বাড়িতে প্রবেশ করতেও তাকে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে অনামিকা বলেন, গত ১৬ এপ্রিল স্বামীকে কৌশলে আটকে রেখে তার মোবাইল ফোন নিয়ে নেয়া হয়। পরে জানতে পারেন তাকে খুলনা থেকে জোরপূর্বক ঢাকা নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি একটি মামলা করেছেন; মামলা নং (সিআর) ৯৪১/২৬। আদালত সার্চ ওয়ারেন্ট জারি করলেও এখন পর্যন্ত তার স্বামীকে উদ্ধারের কোনো সাফল্য হয়নি বলে তিনি জানান।

    অনামিকা আরও অভিযোগ করেন, স্বামীকে অসুস্থ দেখিয়ে ঢাকা আটকে রাখা হয়েছে এবং জোরপূর্বক তার কাছ থেকে সম্পত্তি লিখে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি তাকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও চলছে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

    তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর ছেলে ও পুত্রবধূর ওপর থেকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসা হয়েছে; বিষয়টি আড়াল করতে এবং দায় এড়াতে তাঁদের বিরুদ্ধে এ ধরনের গুমের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে অনামিকা দাস প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আবেদন জানিয়ে দ্রুত কালী শংকর সাহা অরবিন্দুকে উদ্ধার, তার নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং তাকে বিদেশে নেওয়া ঠেকানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেন।

  • সুন্দরবনে অস্ত্র-গুলিসহ কুখ্যাত বনদস্যু মেজ জাহাঙ্গীর আটক

    সুন্দরবনে অস্ত্র-গুলিসহ কুখ্যাত বনদস্যু মেজ জাহাঙ্গীর আটক

    বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার লক্ষ্যে চলা বিশেষ অভিযানে বড় সাফল্য অর্জন করেছে। বনদস্যু বাহিনীর প্রধান মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৫৬), পরিচিত নাম মেজ জাহাঙ্গীরকে অস্ত্র ও তাজা গোলাবারুদসহ আটক করা হয়েছে বলে কোস্ট গার্ড নিশ্চিত করেছে। কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এই তথ্য জানিয়েছেন।

    কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে সুন্দরবনে অভিযান جاری রয়েছে—বিশেষত “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” ও “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে দুইটি সাঁড়াশি কার্যক্রমে বনদস্যু তৎপরতা নির্মূল করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ১২ মে রাত ১টায় বিসিজিএস তৌহিদ-এর নির্বাহী কর্মকর্তা লেঃ ইকরা মোহাম্মদ নাসিফের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল শিবসা নদীর আদাচাই ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন কালীর খাল এলাকায় অভিযান চালায়।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত ওই অভিযানে মেজ জাহাঙ্গীরকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে তার আস্তানা উচ্ছেদ করে দুইটি একনলা বন্দুক ও পাঁচ রাউন্ড তাজা গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে—জাহিদুল ইসলামের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতেই এসব জব্দ করা হয়।

    অটক জনের পরিচয় অনুযায়ী তিনি নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানার বাসিন্দা। বহুদিন ধরে সুন্দরবনের গভীরে নিজের বাহিনী গঠন করে দস্যুতা, সাধারণ জেলেদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় এবং জেলেদের আহরিত মৎসসম্পদ লুটপাটসহ নানা অপরাধমূলক কাজ চালিয়ে আসছিলেন।

    বিসিজিএস তৌহিদ-এর নির্বাহী কর্মকর্তা লেঃ ইকরা মোহাম্মদ নাসিফ জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে বন-জলদস্যুদের কার্যকলাপ আবার সক্রিয় হওয়ার লক্ষণ দেখা দিয়েছিল। পরবর্তীতে কোস্ট গার্ড ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান কিছুটা ফলপ্রসূ হলেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যস্ততা কাজে লাগিয়ে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পুনরায় দস্যুত্ব ত্বরান্বিত করার চেষ্টা করেছিল। এদের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনায় কোস্ট গার্ড জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করেছে।

    নাসিফ আরো বলেন, গত কয়েক মাসে করিম শরীফ, ছোট সুমন, ছোট জাহাঙ্গীর, বড় জাহাঙ্গীর, নানা ভাই, আসাবুর ও আলিফসহ একাধিক দস্যু দলকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। বর্তমানে যে যেসব বাহিনী জেলেদের জিম্মি করে মুক্তিপণ নেওয়া বা অন্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে, তাদেরও বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    জব্দকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আটককৃত সন্ত্রাসীকে আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। কোস্ট গার্ড মন্তব্য করেছে যে, বনদস্যু ও তাদের সহযোগীদের সম্পূর্ণ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী ও খালে এই ধরনের বিশেষ অভিযান ও টহল অব্যাহত রাখা হবে।

  • বার্সার শিরোপা উৎসবে লামিনে ইয়ামাল ফিলিস্তিনি পতাকা উড়ালেন

    বার্সার শিরোপা উৎসবে লামিনে ইয়ামাল ফিলিস্তিনি পতাকা উড়ালেন

    জাদুকরী খেলায় নিয়মিতই আলোচনা জমান লামিনে ইয়ামাল। একের পর এক রেকর্ড গড়েন তিনি। কিন্তু এইবার আলোচনা অন্য কিছুর কারণে। বার্সেলোনার শিরোপা জয়ের উৎসবে ছাদখোলা বাসে উঠে ইয়ামাল একটি ফিলিস্তিনি পতাকা হাতে ধরছিলেন, যার ছবি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়।

    বার্সেলোনায় উৎসব চলছে তুঙ্গে। টানা দ্বিতীয়বার লা লিগার শিরোপা জেতার পর রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে পাওয়া সাফল্যের আনন্দে স্পেনের শহরগুলোতে ভিড় নামে গেছে। শিরোপা উল্লাসের সময় ইয়ামাল ফিলিস্তিনি পতাকা উড়ানোর ছবি হয়ে ওঠে সবার চোখে ধরা, এবং ভক্ত-সমর্থকদের প্রশংসাও কুড়ান তরুণ এই স্প্যানিশ স্টার। একপর্যায়ে তিনি একটি বার্সা জার্সিও উন্মোচন করেন, সেখানে লেখা ছিল ‘সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ যে আমি মাদ্রিদিস্তা নই।’

    স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম জানায়, লা লিগা শিরোপা নিশ্চিত হওয়ার পর গতকালের বিজয় উৎসবে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছিল। ক্লাবও এক বিবৃতিতে জানায় যে দর্শকরা নিজেদের আবেগ উজাড় করে প্রদর্শন করেছেন এবং দলটি ধারাবাহিকভাবে ইতিহাস গড়ছে।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ: ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে গাজায় ইসরায়েলের হামলার পর থেকে বার্সেলোনা শহরটি ফিলিস্তিনি সমর্থনের আন্দোলনের একটি অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। আত্মপ্রকাশী বিক্ষোভগুলোতে শহরটি বারবার দেখা গেছে।

    ক্লাবের সাম্প্রতিক টুকিটাকি: বার্সেলোনা চ্যাম্পিয়নস লিগ সর্বশেষ জিতেছিল ২০১৫ সালে, কিন্তু গত কয়েক বছরে অভ্যন্তরীণ টুর্নামেন্টগুলোতে তারা বেশ সফল—লা লিগা ২০২৩, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে জিতেছে, গতবছর কোপা দেল রে শিরোপা তাদের চোখে পড়ার মতো অর্জন এবং সাম্প্রতিক দুইটি স্প্যানিশ সুপার কাপও বার্সার ঝুলিতে রয়েছে।

    ইয়ামালের এই আচরণ এবং উৎসবের ছবি সামাজিক মাধ্যমে যে প্রতিক্রিয়া তুলেছে, তা ফুটবল ও সামাজিক যে সংকটগুলোকে একসঙ্গে তুলে ধরে—একদিকে খেলার আনন্দ ও সমর্থকের উল্লাস, অন্যদিকে রাজনৈতিক আবেগ ও প্রকাশের স্বাধীনতা।

  • পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের টেস্টে ‘হ্যাটট্রিক’ জয়

    পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের টেস্টে ‘হ্যাটট্রিক’ জয়

    মিরপুরে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে বাংলাদেশ জয়কে আরও বড় করল — টেস্টে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে 이제 ‘হ্যাটট্রিক’ জয় আনন্দে মেতে উঠেছে টাইগাররা। চতুর্থ দিনের সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের সালমান আগা যে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন — ‘‘যদি তারা সাহস করে ৭০ ওভারে ২৬০ রানের লক্ষ্য দেয়, আমরা তা তাড়া করব’’ — সেটাই মাঠে দর্শনীয়ভাবে ঘটল।

    লাঞ্চের কয়েক মিনিট আগে বাংলাদেশের লিড ছিল ২৬৭। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত তখনই ইনিংস ঘোষণা করে দলকে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করালেন — নাহিদ রানাকে ব্যাটিংয়ে না পাঠিয়ে স্বচ্ছন্দভাবে টার্গেট দিলেন শান্ত। পাকিস্তানের ব্যাটিং শুরুতেই একটা মাইন্ডগেম খেলতে চেয়েছিল, কিন্তু বাংলাদেশের পরিকল্পনা সে মাইনে নিল। সালমান আগা যতটা চেয়েছিলেন, ঠিক ততটাই করার সুযোগ পেলেন না; তিনি জুটিবদ্ধ চেষ্টা করেও মাত্র ২৬ রানে সাজঘরে ফেরেন।

    পাকিস্তানের পাল্টা সংগ্রামে আব্দুল্লাহ ফজল অবশ্য শক্ত মনোরুদ্ধতা দেখিয়েছেন। ১১৩ বলে ১১টি চার নিয়ে ৬৬ রান করে ফজল দলের আস্থা বাড়ালেও দুই সেশনেই জয় এনে দিতে পারেনি সফরকারীরা। শেষ বিকেলে ড্র রক্ষা করতে প্রাণপণে লড়াই করলেও দিনের শেষে অলআউট হয় পাকিস্তান — মাত্র ১৬৩ রানে।

    টাইগারদের কাছে বড় ভূমিকা রাখেন পেসার নাহিদ রানা। তিনি মাত্র ৪০ রানের বিনিময়ে পাঁচ উইকেট নেন এবং নিজের ইনিংসে ফাইফার তুলে নিয়ে সফরের অন্য এক গুরুত্বপূর্ণ জয় নিশ্চিত করেন। তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম দুজন করে উইকেট নেন, আর মেহেদী হাসান মিরাজ একটি উইকেট যোগ করেন।

    পাকিস্তানের ইনিংসের শুরুতেই তাসকিনের দারুণ কটবিহাইন্ডে ইমাম-উল হক ফিরলে ইসলামাবাদ দিশাহীন হয়ে ওঠে; ওপেনার আজান আওয়াইস ৩৩ বল খেলতে ১৫ রান করেন এবং দলের চোখে পড়ার মতো বড় স্কোর গড়তে পারেননি অধিনায়ক শান মাসুমও (২)। বিকল্প জুটি গড়ে আব্দুল্লাহ ও সালমান আগা ৫১ রান যোগ করে দলকে শঙ্কামুক্ত করার চেষ্টা করলেও টাইগার বলার বেগে দ্রুত ধাক্কা লাগে।

    এর আগে ম্যাচে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রানের শক্ত অবস্থান গড়ে তোলেন শান্তের সেঞ্চুরি ও মুমিনুল-মুশফিকের ফিফ্টি; জবাবে পাকিস্তান ৩৮৬ রান করে কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ৯ উইকেটে ২৪০ করে ইনিংস ঘোষণা করলে পাকিস্তানের সামনে দাঁড়ায় ২৬৮ রান তাড়া করার লক্ষ্য। কিন্তু নাহিদ-তাসকিন-তাইজুলদের সমন্বয়ে পাকিস্তান বসে যায় ১৬৩ রানে এবং ম্যাচে বড় ব্যবধানে হার না মেনে শেষ চেষ্টা করেও জয় নিজেদের করতে পারেনি।

    এই জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে ১-০তে। টাইগারদের আত্মবিশ্বাস এখন অনেক উঁচু — মাঠে মানসিকতা, পরিকল্পনা ও প্রয়োগ মিলেই এই ফল এসেছে।

  • কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনার চিকিৎসায় দুই ভাইসহ চেন্নাই গেলেন

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনার চিকিৎসায় দুই ভাইসহ চেন্নাই গেলেন

    জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে পাঠানো হয়েছে। সোমবার (১১ মে) রাত প্রায় ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স চেন্নাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

    মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বাবার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কারিনার সঙ্গে তার মা লোপা কায়সার রয়েছেন। সম্ভাব্য লিভার দাতা হিসেবে মর্যাদায় কারিনার দুই ভাই—মোস্তফা এস. হামিদ ও সাদাত হামিদও সোফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    কায়সার হামিদ পোস্টে সবাইকে মেয়ের জন্য দোয়া চেয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘‘দোয়া করবেন সবাই, গত রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য আমার মেয়ে কারিনাকে জেট এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে বিদেশে নেওয়া হয়েছে।’’

    দেশে থাকা অবস্থায় সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, তার কিছু জরুরি কাজ এখনও শেষ হয়নি এবং ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ সামাল দিতে সময় লাগে—এই কারণে আপাতত তিনি নিজে যেতে পারেননি। তিনি জানান, পরিবারের অন্য সদস্যরা কারিনার সঙ্গে আছেন এবং তিনি সকলে থেকে মেয়ের সুস্থতার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

    এর আগে সোমবার তিনি নিশ্চিত করেন যে ভারতের ভিসা হাতে এসেছে। তিনি বলেছিলেন, ‘‘ভিসা পেয়েছি; বিকেলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স চেন্নাই থেকে ওকে নিতে আসবে। হাসপাতালের বড় বিলসহ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্যও অনেক অর্থ প্রয়োজন—তার জন্য আম্মা ও আমি কিছু ফিক্সড ডিপোজিট ভেঙছি এবং জমির বায়না করছি। এগুলো আজকের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা চলছে।’’

    গেল শনিবার (৯ মে) কনটেন্ট ক্রিয়েটর কামরুন নাহার ডানা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছিলেন, কারিনাকে হেপাটাইটিস A ও E ধরা পড়ায় লিভার ফেলিয়ার সমস্যা দেখা দিয়েছে। ডানার কথায়, শুরুতে কারিনা আইসিইউতে ছিলেন এবং গত রাত থেকে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। তিনি জানান, এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভোগার পর হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে কারিনাকে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীদের তরফে কারিনার দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতার জন্য দোয়া ও সমর্থনের আবেদন জানানো হয়েছে।

  • স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা-নাট্যকার আতাউর রহমান আর নেই

    স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা-নাট্যকার আতাউর রহমান আর নেই

    স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বরিষ্ঠ অভিনেতা, নাট্যকার এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান আর নেই। আজ ১২ মে রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।享 তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।

    অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে অভিনয়জগতের এই প্রিয় ব্যক্তিকে হারাল দেশ। অপু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আমাদের সম্মানিত সদস্য ও প্রিয় সহকর্মী মঞ্চসারথী আতাউর রহমান খানিকক্ষণ আগে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। তাঁর বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা।’

    গত শুক্রবার বাড়িতে পড়ে যাওয়ার পর থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকছিল। প্রথমে তাকে রাজধানীর গুলশানের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা লাইফ সাপোর্টের প্রয়োজনীয়তার কথা জানান। ওই হাসপাতালে ICU সুবিধা না থাকায় পরে ধানমন্ডির আরেকটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়; ভর্তি হওয়ার পর তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কিছু সময় শারীরিক উন্নতি হলে লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হলেও পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে তাকে আবার লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

    তার কন্যা শর্মিষ্ঠা রহমান এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আব্বার অবস্থা খুবই জটিল ছিল। একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে পড়েছে—চিকিৎসকেরা তাই জানিয়েছে। সবার কাছে আব্বার সুস্থতার জন্য দোয়াপ্রার্থনা চাই।’ নানান চিকিৎসা চেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তার জীবন রক্ষা করা যায়নি।

    আতাউর রহমান ১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীর গফরগাঁও (বা নোয়াখালী) এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি অভিনয়, মঞ্চনির্দেশনা, নাট্যলেখা ও সাহিত্যচর্চায় দারুণ ভূমিকা রেখেছেন। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের মঞ্চনাট্য আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত হিসেবে গান্ধী রাখেন। তাঁর শিল্প-সংস্কৃতির অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার তাকে একুশে পদক ও সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করেছেন।

    তার মৃত্যুতে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক বড় শূন্যতার সৃষ্টি হলো। পরিবার, সহকর্মী ও ভক্তজনদের গভীর শোকাবহ মনোভাব প্রকাশ করছে—অনেকেই শোকসন্তপ্ত টুইট ও পোস্টে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। মরহুমের প্রতি সহমর্মিতা ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।

  • সিদ্ধিরগঞ্জে ডিএনডি লেকে গোসল করতে নেমে দুই মাদরাসা ছাত্রের লাশ উদ্ধার

    সিদ্ধিরগঞ্জে ডিএনডি লেকে গোসল করতে নেমে দুই মাদরাসা ছাত্রের লাশ উদ্ধার

    নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার ডিএনডি লেকে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ থাকা দুই মাদরাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) ভোর সাড়ে ছয়টায় বার্মাস্ট্যান্ড নয়াপাড়া এলাকার ১ নম্বর ব্রিজ সংলগ্ন লেকের পানিতে তাদের লাশ ভাসতে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

    সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুম বিল্লাহ ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ দ্রুত গিয়ে লাশ দুটি উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। পরিবারের কেউ অভিযোগ না করায় বিভাগীয় কার্যক্রম শেষে লাশ দুইটি আত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    নিহতরা হলেন মনিরুল (১৫) ও শুভ (১৫)। তারা গোদনাইল বাগপাড়া আলিম মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। মনিরুলের পিতা মোহাম্মদ জাকির; তাদের পরিবার মাগুরার মোহাম্মদপুর থানার পাল্লা গ্রামের বলে জানা গেছে। বর্তমানে তারা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরী বাড়ি ভূঁইয়াপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। অপরজন শুভ’র পিতা মিজান শিকদার; তাদের নিবাস পটুয়াখালীর মরিচবুনিয়া। শুভ পরিবারসহ নারায়ণগঞ্জের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মুনলাইট এলাকায় থাকতেন।

    পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১১ মে) দুপুরে মাদরাসার পরীক্ষা শেষ করে পাঁচ বন্ধু নাভানা মাঠে ফুটবল খেলে এবং পরে ডিএনডি লেকের বার্মাস্ট্যান্ড নয়াপাড়া এলাকার ১ নম্বর ব্রিজ সংলগ্ন স্থানে গোসল করতে নামে। গোসল শেষের পর তিনজন বাড়ি ফিরে গেলেও মনিরুল ও শুভ ফিরে না আসায় তারা নিখোঁজ বলে পরিবারের সদস্যরা রাতে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে।

    পরিবারের অনুরোধ ও স্থানীয়দের সহায়তায় মঙ্গলবার ভোরে লেকের পানিতে লাশ মিললে পুলিশকে জানানো হয় এবং পুলিশ ঘটণাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের প্রয়োজনীয় দিকগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে এসআই মাসুম বিল্লাহ জানান।

  • পশুরহাটে চাঁদাবাজি রোধে ১৬৬১১৩ হটলাইন চালু করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    পশুরহাটে চাঁদাবাজি রোধে ১৬৬১১৩ হটলাইন চালু করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, কোরবানির সব পশুরহাটে চাঁদাবাজি প্রতিরোধে বিশেষ হটলাইন চালু করা হবে এবং আড্ডা–হাটে আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। এসব ঘোষণা তিনি মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠকের পর সাংবাদিকদের বলেন।

    মন্ত্রী জানান, সরকারের কাছে কোরবানিকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজির তথ্য রয়েছে এবং এসব রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেবে। চাঁদাবাজির ঘটনা বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর জানানোর জন্য তিনি সকলকে ১৬৬১১৩ নম্বরে ফোন করার অনুরোধ করেছেন।

    ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। মৎস্য ও পশুসম্পদ নিশ্চিত রাখতে এবং নিরাপত্তা জোরদার করতে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে ঈদের আগের ও পরের সাতদিন মনিটরিং সেল চালু রাখা হবে বলে তিনি জানান। এছাড়া যারা নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন তাদেরকে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মন্ত্রী আরও জানান, রাজধানীতে মোট ২৬টি পশুরহাট স্থাপন করা হবে—উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৫টি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ১১টি। কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণের জন্য সরকার বিনামূল্যে লবণ সরবরাহ করবে; এর জন্য ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ছিল গার্মেন্টস কর্মীদের বেতন-ভাতা ঈদের আগে পরিশোধ নিশ্চিত করার বিষয়টি। এই বিষয়ে বিজিএমইএ ও বিকিএমইএ ইতোমধ্যেই রাজি হয়েছে, বলে মন্ত্রী জানান।

    সালাহউদ্দিন আহমদের এই বক্তব্যে ভোক্তা ও পশুসম্পদ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক ও সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদভাবে কোরবানি উৎসব পালিত করা যায়।

  • এনসিপি ঘোষণা করলো ১০০ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী

    এনসিপি ঘোষণা করলো ১০০ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রাথমিকভাবে ১০০টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। রোববার (১০ মে) বিকেলে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ৫০ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৫০ জন পৌরসভা মেয়রপ্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেন।

    সারজিস আলম জানান, নির্বাচনের জন্য হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছিল। সেখান থেকে যাচাই-বাছাই করে প্রথম ধাপে ১০০ জনের নাম ঘোষণা করা হলো। তিনি বলেন, “ঈদের আগেই—অর্থাৎ এই মাসের ২০ তারিখে—দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০ জন প্রার্থীর নাম প্রকাশ করার আশা রাখছি। আমাদের নাম ঘোষণা প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে।”

    মন্ত্রী বলেন, এনসিপি শুধুমাত্র নিজেদের ক্যাডারই নয়; দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে যারা জনগণের মধ্যে গ্রহণযোগ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার বা অন্যায় কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না—এসব ক্ষেত্রে অন্য রাজনৈতিক দল থেকে কেউ আবেদন করলে তাদেরও সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। “আমরা সার্বিক যাচাই-বাছাই করে উপযুক্তপ্রার্থীদের গ্রহণ করবো,” তিনি যোগ করেন।

    এনসিপি ঘোষিত প্রার্থীদের বিভাগভিত্তিক তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

    খুলনা বিভাগ

    কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম বাদশা;

    ভেড়ামারা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: জান্নাতুল ফেরদৌস টনি;

    বাগেরহাট চিতলমারি উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইশতিয়াক হোসেন;

    ফকিরমারী উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: লাবিব আহমেদ;

    মোংলা পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: মো. রহমত উললা;

    বাগেরহাট পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: সৈয়দ মোর্শেদ আনোয়ার;

    যশোর বাঘারপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইয়াহিয়া জিসান;

    নোয়াপাড়া পৌরসভায় মেয়রপ্রার্থী: শাহজাহান কবির;

    খুলনা চালনা পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: এস এম এ রশিদ;

    চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: খায়রুল বাশার বিপ্লব;

    জীবননগর পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: সোহেল পারভেজ;

    মেহেরপুর গাংনী পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: শাকিল আহমেদ;

    ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: তারেকুল ইসলাম।

    রংপুর বিভাগ

    পঞ্চগড় তেঁতুলীয়া উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. হাবিবুর রহমান হাবিব;

    বোদা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: শিশির আসাদ;

    দেবীগঞ্জ পৌরমেয়রপ্রার্থী: মাসুদ পারভেজ;

    ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: গোলাম মর্তুজা সেলিম;

    দিনাজপুর ফুলবাড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইমরান চৌধুরী নিশাত;

    বোচাগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মাওলানা এম এ তাফসির হাসান;

    ফুলবাড়ি পৌরসভায় মেয়রপ্রার্থী: শিহাব হোসেন;

    ঘোড়াঘাট পৌরমেয়রপ্রার্থী: মো. আব্দুল মান্নান;

    হাকিমপুর পৌরমেয়রপ্রার্থী: রায়হান কবির;

    নীলফামারী জলঢাকা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আবু সাইদ লিয়ন;

    নীলফামারী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ড. কামরুল ইসলাম;

    কুড়িগ্রাম সদর পৌরমেয়রপ্রার্থী: মো. মাসুম মিয়া;

    লালমনিরহাট কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: শাহ সুলতান নাসির উদ্দিন আহমেদ;

    রংপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মণ;

    গাইবান্ধা সাদুল্লাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: খাদিমুল ইসলাম।

    রাজশাহী বিভাগ

    গোদাগাড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. আতিকুল রহমান;

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ গোমস্তাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আবু মাসুদ;

    নওগাঁ নেইমতপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: বিশাল আহমেদ;

    বাদলগাছী উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আসাদ মোর্শেদ আজম;

    ধামুরহাট পৌরমেয়রপ্রার্থী: মাহফুজার রহমান চৌধুরী রুবেল;

    বগুড়া শিবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. জাহাঙ্গীর আলম;

    দুপচাঁচিয়া পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: আবু বক্কর সিদ্দিক;

    বগুড়া সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: এ এম জেড শাহরিয়ার;

    নাটোর সদর পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: আব্দুল মান্নান;

    পাবনা চাটমোহর পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: খন্দকার আক্তার হোসেন;

    সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ আদনান;

    উল্লাপাড়া পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: ইঞ্জিনিয়ার আল-মামুন লিয়ন।

    সিলেট বিভাগ

    হবিগঞ্জ আজমিরিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. কামাল আহমেদ;

    হবিগঞ্জ সদর পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: মাহবুবুল বারী চৌধুরী;

    মৌলভীবাজার রাজনগর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: খালেদ হাসান;

    কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আবু রুকียน;

    সিলেট কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ওবায়েদ আহমেদ;

    কানাইঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: বোরহান উদ্দিন ইউনূস;

    ওসমানীনগর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: হাজি মো. মোশাহিদ আলী;

    জৈন্তাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: জাকারিয়া;

    গোয়াইনঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মনসুরুল হাসান।

    ময়মনসিংহ বিভাগ

    শেরপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইঞ্জিনিয়ার মো. লিখন মিয়া;

    শেরপুর সদর পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: নূর ইসলাম;

    জামালপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: অ্যাডভোকেট আবু সাইদ মো. শামিম;

    নেত্রকোনা খালিয়াজুড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. মুশফিকুর রহমান মিন্টু;

    বারহাট্টা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: শফিকুল হক চৌধুরী বাবলু;

    নেত্রকোণা সদর পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: সোহাগ মিয়া প্রিতম;

    ময়মনসিংহ তারাকান্দা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল ইসলাম;

    ভালুকা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: নূরুল ইসলাম;

    হালুয়াঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আবু হেলাল;

    ধোবাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. সাইফুল্লাহ।

    ঢাকা বিভাগ (উত্তর)

    কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আহনাফ সাইদ খান;

    তাড়াইল উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইকরাম হোসেন;

    করিমগঞ্জ পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: খায়রুল কবির;

    সাভার উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: শাহাবদুল্লাহ রনি;

    মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আরিফুল ইসলাম;

    দৌলতপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আবু আবদুল্লাহ;

    টাঙ্গাইল কালিহাতি উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মেহদী হাসান;

    টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: মাসুদুর রহমান রাসেল;

    ভূঞাপুর পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: হাসান ইমাম তালুকদার;

    শফিপুর পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: মাওলানা আনসার আলী;

    নরসিংদী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: সাইফ ইবনে সারওয়ার;

    গাজীপুর কালীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: শোয়েব মিয়া।

    ঢাকা বিভাগ (দক্ষিণ)

    নারায়ণগঞ্জ সেনারগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: তুহিন মাহবুব;

    মুন্সিগঞ্জ সিরাজদিখান উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আলী নেওয়াজ।

    ফরিদপুর বিভাগ

    নগরকান্দা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: রেজাউল করিম সবুজ;

    নগরকান্দা পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: নাজমুল হুদা;

    ফরিদপুর পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: সাইদ খান;

    মাদারীপুর পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: মো. হাসিবুল্লাহ;

    গোপালগঞ্জ পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী: ফেরদৌম আমেনা।

    এনসিপি বলেছে যে প্রাথমিক তালিকা ঘোষণার মধ্য দিয়ে তাদের প্রার্থিতা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং পরবর্তী ধাপে আরও প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। দলটি যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় রেখে প্রার্থীদের বাছাই করে নেওয়ার ব্যাপারে জোর দিয়েছে, এবং অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্যরাও শর্তসাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে, যদি তারা দলের নীতিমালা ও যাচাই-বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হন।

  • অর্থমন্ত্রী: আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না

    অর্থমন্ত্রী: আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আর্থিক খাতসহ দেশের সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক সেক্টরে কোনো ধরনের রাজনৈতিক নিয়োগ বা হস্তক্ষেপ গ্রহণ করা হবে না। তিনি বলেন, এ প্রতিষ্ঠান হবে শতভাগ পেশাদারভিত্তিক—রাজনৈতিক প্রভাব এখানে কাজ করবে না।

    মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে নতুন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি (বিএসআইসি)–এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিএসআইসির চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এবং বিএবির চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার।

    অর্থমন্ত্রী বেঠিকভাবে বলেন, বিএসআইসি যেই মূলধন নিয়ে উদ্বোধন করেছে তা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। এটি শুধু একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান হবে না, বরং দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে দৃশ্যমান ও সমর্থনযোগ্য করে তোলার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

    মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের তরুণ প্রজন্মের প্রধান দুটি প্রতিবন্ধকতা হলো ফান্ডের ঘাটতি এবং জামানত প্রদানের অক্ষমতা। বিএসআইসি–র মাধ্যমে এই দুইটি বাধা দূর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এখানে বিনিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, দক্ষ ও পেশাদার উপায়ে।

    আর্থমন্ত্রী বলেন, এই উদ্যোগটি তাদের রাজনৈতিক ম্যানিফেস্টো’র সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। সরকার ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগিয়ে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। বিশেষ করে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি বা সৃজনশীল অর্থনীতির মাধ্যমে গ্রামীণ ও শহরের তরুণদের অর্থনীতির মূলধারায় যুক্ত করা হবে।

    পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগ পরিবেশ পুনর্গঠনের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে আমরা কঠিন সময় পার করছি; তাই পুঁজিবাজার সংস্কার ও নিয়মের পুনর্বিবেচনা (কিছু ক্ষেত্রে ‘সিরিয়াস ডিরেগুলেশন’)–এ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার ব্যবস্থায় দক্ষ উপদেষ্টাদের নিয়োগ করা হয়েছে এবং দেশি-বিদেশি বড় ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন দাতা সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা হচ্ছে।

    মন্ত্রী যোগ করেন, দেশের ব্যাংক ও প্রাইভেট সেক্টরের আন্ডার-ক্যাপিটালাইজেশন দূর করতে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিএসআইসি কেবল ব্যাংকিং খাতে বিনিয়োগেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এটি আন্তর্জাতিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানগুলোকেও বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে।

    সমাপ্তিতে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় এ প্রকল্পের সফলতার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে। দেশের কয়েকটি ব্যাংক যৌথভাবে যে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তা দেশের স্টার্টআপ ও অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।