Blog

  • যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন: লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ১৩ জন নিহত

    যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন: লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ১৩ জন নিহত

    লেবাননের নাবাতিয়েহ জেলার হাব্বুশ ও টাইরসহ কয়েকটি এলাকায় শুক্রবার ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত ও বহু আহত হয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারি সূত্র জানিয়েছে, নাবাতিয়েহর হাব্বুশ এলাকায় একক হামলায় নয়জন মারা গেছে এবং আরও অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন; আহতদের মধ্যে একজন নারী ও একটি শিশু রয়েছেন।

    লেবাননের সরকার জানিয়েছে, টাইর জনপদ ও আশপাশের কয়েকটি এলাকায় পৃথক হামলায় আরও চারজন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনা মিলিয়ে সোমবার পর্যন্ত লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় মৃতের সংখ্যা ১৩-এ পৌঁছেছে।

    আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া নতুন আবাদের পরে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় মৃতের মোট সংখ্যা ২৬০০ ছাড়িয়েছে — চলমান সংঘর্ষে হতাহতের ধাক্কাও ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।

    পটভূমি হিসেবে উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মাটিতে ইসরায়েলি হামলার পর তেহরান-সমর্থিত শিয়াগোষ্ঠী হিজবুল্লাহ প্রত্যাঘাত চালায়। জবাবে তেলআবিব থেকে লেবাননের প্রধান শহর বৈরুতসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা অব্যাহত রাখে। এসব উপদ্রবে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ লাখ মানুষ ঘরছাড়া হয়েছে, বলে সরকারি ও জাতিসংঘ সূত্র জানিয়েছে।

    সংকটের মধ্যে লেবাননে মোতায়েন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তার প্রশ্নও উত্থাপিত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ফ্রান্সসহ বিশ্বের তিন দিনেরও বেশি সংখ্যক দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখার জন্য গত ১৬ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাধ্যমে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করা হয়েছিল; তাতে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপদে ফিরে আসার সুযোগ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।

    তবে যুদ্ধবিরতি ভেঙে এধরনের আঘাত নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। ইরান বারবার বলেছে, যদি সমঝোতা চাইলে লেবাননে ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে; সেই দাবিকে কেন্দ্র করে কোনো পক্ষের নতুন হামলা‐প্রতিহামের ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি দ্রুত সংকটগ্রস্ত হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন।

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় হামাস ও ইসরায়েলের সংঘাত দ্রুত পরিধি বাড়ায় এবং দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহ তেল আবিবের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়; এরপর ব্যাপক সংঘর্ষ চলে। এক বছর ধরে চলা উত্তেজনার পরে আমেরিকা ও ফ্রান্সের মধ্যস্থতায় গত বছর গোড়ায় প্রয়োজনভিত্তিক ও সাময়িক যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে কিছুটা স্থিতিশীলতা আসে। কিন্তু সাম্প্রতিক হামলার ফলে ওই শান্তি ফের অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

  • খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবে নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মোস্তফা সরোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম ক্লাবের বিদায়ী অন্তর্বতীকালীন কমিটির আহবায়ক এনামুল হক ও সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুলের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

    দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানটি প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন নির্বাচিত কমিটির সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন ও মো. জাহিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ বিমল সাহা, যুগ্ম-সম্পাদক মো. বেল্লাল হোসেন সজল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ মিলন, পাঠাগার, প্রকাশনা ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক বশির হোসেন। এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য ছিলেন মো. মাকসুদুর রহমান মাকসুদ, কাজী মোতাহার রহমান, মহেন্দ্রনাথ সেন, সোহেল মাহমুদ ও কে এম জিয়াউস সাদাত।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সাহেব আলী ও হাসান আহামেদ মোল্লা, ক্লাবের সদস্য ও দৈনিক পূর্বাঞ্চল সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সনি, সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ আবু তৈয়ব, সদস্য আতিয়ার পারভেজ, মাহবুবুর রহমান মুন্না, এস এম কামাল হোসেন, এস এম নূর হাসান জনি, গাজী মনিরুজ্জামান, শেখ আল এহসান, উত্তম মন্ডল, দীলিপ কুমার বর্মন, ইয়াসীন আরাফাত রুমী, মো. হেলাল মোল্লা, আব্দুর রাজ্জাক রানা, খলিলুর রহমান সুমন, নাজমুল হক পাপ্পু, আলমগীর হান্নান, সুনীল কুমার দাস, মো. জাকারিয়া হোসেন তুষার, শেখ জাহিদুল ইসলাম, মো. সোহেল রানা, এস এম সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মাসরুর মুর্শেদসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

  • রামপালে প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে চন্ডিতলা খাল থেকে আরও এক অবৈধ বাঁধ অপসারণ

    রামপালে প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে চন্ডিতলা খাল থেকে আরও এক অবৈধ বাঁধ অপসারণ

    বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামর নির্দেশে শনিবার (২ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চন্ডিতলা এলাকায় একটি অবৈধ বাঁধ অপসারণ করা হয়েছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তীর নেতৃত্বে অভিযানে খালে নির্মিত ওই পাচঁানো বাঁধ ভেঙে ফেলে ভাঙা হয়েছে এবং খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

    অভিযান শেষে অভিজিৎ চক্রবর্তী সাংবাদিকদের জানান, রামপাল উপজেলার প্রবাহমান খাল ও নদীতে নির্মিত সব অবৈধ বাঁধ পর্যায়ক্রমে সরিয়ে ফেলাই হবে। যারা আইন ভঙ্গ করে এসব বাঁধ নির্মাণ করবেন, তাদের বিরুদ্ধে কড়া আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘‘খাল ও নদীর অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’’

    স্থানীয়রা জানান, খালের বাঁধ অপসারণের ফলে কৃষি ও মৎস্য খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমবে। একাধিক কৃষক বলছেন, গত কয়েক বছরে অবৈধ বাঁধের কারণে অনেক জমি পানিতে ডু্বে যেত; এখন সমস্যা অনেকটাই কমবে এমন আশা করছেন তাঁরা।

    উপজেলা প্রশাসন বলছে, এসব অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পানিাভাবে, কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় খাল-নদীর অবৈধ ব্যবহার প্রতিহত করতে ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

  • শেষ ম্যাচ জিতে সিরিজ ১-১ ড্র করল নিউজিল্যান্ড

    শেষ ম্যাচ জিতে সিরিজ ১-১ ড্র করল নিউজিল্যান্ড

    চট্টগ্রামের বৃষ্টিবিঘ্নিত সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি জিতে সিরিজ ড্র করেছে নিউজিল্যান্ড। তৃতীয় টেস্ট নয়, টি-টোয়েন্টি সিরিজে কিউইরা শেষ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে সিরিজ ১-১ এ আটকে দিল। বৃষ্টি আক্রান্ত ম্যাচটি ১৫ ওভারের করে নেওয়া হয়েছিল এবং বাংলাদেশের শরেফুল ইসলামকে ছাড়া ব্যাটিং ব্যর্থতাই ছিল ম্যাচের মোড় ঘড়ানো মূল কারণ।

    বিপক্ষে ১০৩ রানের টার্গেট রাজ্য করে বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়। শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে টাইগার্সরা। সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমন লড়াই করার চেষ্টা করলেও ধারাবাহিক আঘাত সামলে রাখতে পারেননি। দ্রুতই তিন ওপেনার ফিরলে চাপ বাড়ে; সাইফ ১০ বলে ১৬ রান করে জেইডন লেনক্সের বলে আউট হন, তানজিদ ১০ বল করে ৬ রান করে ডিন ফক্সক্রফটের বলে ফিরে যান, আর পারভেজ ইমন কেবল এক বল খেলে বিদায় নেন।

    লিটন দাস মাঝের সময় কিছু আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে দলকে তোলার চেষ্টা করলেও বৃষ্টি প্রভাব ফেলায় খেলা অস্থায়ীভাবে বন্ধ হয়। বৃষ্টির পর খেলা শুরু হলে লিটন আউট হয়ে গেলে (১৭ বলে ২৬) বাংলাদেশ আরও সংকটকালে পড়ে। তাওহিদ হৃদয় কিছুটা লড়াই দেখান—২৪ বল থেকে ৩৩ রানে ফিফটি না হলেও দলের সংগ্রহ বাড়াতে চেষ্টা করেছিলেন—তবুও দলের মধ‍্যমপন্থা ভেঙে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ১৪.২ ওভারে সব পাঁচ উইকেট হারিয়ে ১০২ রানে থামে।

    নিউজিল্যান্ডের প্রতিপক্ষের ব্যাটিং ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও টাইগার ব্যাটিং যথেষ্ট বড় সংগ্রহ করতে না পারায় কিউই বোলিং ও মিডল-অর্ডারে সহজেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। মিলিতভাবে ফিরে এসেছে শরিফুল ইসলাম ও শেখ মাহেদীর আগুন—বিশেষ করে বাঁহাতি পেসার শরিফুল ভারতের মতো সাড়ে কথা বললেন। ম্যাচের শুরুতেই তিনি কেটেন ক্লার্ক ও ডেন ক্লেভারকে তুলে দিলে কিউইদের উইকেটপতন শুরু হয়; একই ওভারের মধ্যে টিম রবিনসনকেও বোল্ড করে তৃতীয় উইকেট নেন শরিফুল। কয়েক বলের মধ্যে নেয়া ওই তিন উইকেট নিউজিল্যান্ডকে নড়বড়ে করে তুলে। মেহেদি বা মেহেদিও (বোলিং লাইন-আপ থেকে) পরে নিক কেলিকেও ঢোকান, ফলে কিউইরা ৩৩ রানে ৪ উইকেটে পড়ে যায় এবং বাংলাদেশের জয় আশা জাগে।

    তবে এরপর দলের ভাগ্য বদলে দেন বেভান জ্যাকবস। ডিন ফক্সক্রফটের সঙ্গে মিলে তিনি একটি জোড়াদার অটুট জুটি গড়েন—দুইজন মিলে ৭১ রানের অবিচ্ছিন্ন যোগ দিয়েছেন—যেটি কিউইদের জয় নিশ্চিত করে। বেভান জ্যাকবস মাত্র ৩১ বলেই অপরাজিত ৬২ রান করে ম্যাচটিকে সিদ্ধান্ত রূপে পরিণত করেন; তাঁর ইনিংসে ছিল ৫ চার ও ৩ ছয়। অপরপ্রান্তে ফক্সক্রফট ১৫ বল থেকে অপরাজিত ১৫ রান করে। ৪.২ ওভার হাতে রেখে নিউজিল্যান্ড নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণ করে ছয় উইকেটে জয় প্রাপ্ত হয়।

    সংক্ষেপে, বাংলাদেশের ইনিংসে দ্রুতীয় উইকেটপাত ও বৃষ্টি-প্রভাব ম্যাচের রঙ পাল্টে দেয়। শুরুতে কিছু আক্রমণাত্মক ইঙ্গিত মেলে সাইফ ও লিটনের ব্যাটিংয়ে, কিন্তু ধারাবাহিক উইকেট হারায় তারা বড় স্কোর গড়তে পারেননি। নিউজিল্যান্ডের শুরুতেই গভীর সমস্যা থাকলেও জ্যাকবস ও ফক্সক্রফটের যোগ্য জুটি শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি কিউইদের দিকে টেনে নেয়।

    এই জয়টিতে নিউজিল্যান্ড সিরিজ টার্ন আউট করে ১-১ ড্র করলো, কারণ চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বৃষ্টির কারণে বাতিল হয়ে গিয়েছিল এবং সিরিজ তিনটি ম্যাচের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথমটি জিতেছিল।

  • নতুন দিগন্তের সূচনা: সিলেটে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    নতুন দিগন্তের সূচনা: সিলেটে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    সিলেট জেলা স্টেডিয়াম আজ সার্বিকভাবে অংশগ্রহণ-উৎসবের রূপ ধারণ করেছিল। সাধারণত সুনসান স্টেডিয়াম আজ যেন জীবন্ত হয়ে উঠল—কানায় কানায় ভরা গ্যালারি, মাঠে খুদে ক্রীড়াবিদদের প্রাণবন্ত প্রদর্শনী, সতর্ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সংবাদকর্মীদের ব্যস্ত ভিড়। সবকিছু মিলিয়ে ছিল একটাই উপলক্ষ্য: নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন।

    শনিবার (০২ মে) বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে সিলেটে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে নিজে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধন ছাড়া শুধু সিলেট নয়—দেশের জেলা স্টেডিয়ামগুলোতেও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন হাজারো খুদে ক্রীড়াবিদ।

    উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে বলেন, আগামী দিনের দায়িত্ব নিতে হবে তাদেরই; তাই পড়াশোনা ও খেলাধুলা দুটোই সমান গুরুত্ব পাবে। খেলাধুলার মাধ্যমে দেশের সুনাম বাড়ানোর আহ্বানও জানান তিনি।

    সরকার এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সারাদেশে শিশু-কিশোরদের মধ্যে প্রতিভা অন্বেষণ শুরু করেছে। তৃণমূল পর্যায় থেকেই মেধাবী ক্রীড়াবিদদের শনাক্ত করে গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

    এ প্রসঙ্গে স্মরণ করানো হয়—নতুন কুঁড়ি ধারাবাহিক অনুষ্ঠানটি ১৯৭৬ সালে যাত্রা শুরু করে; বাংলাদেশের টেলিভিশনের আশির দশকে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং বহু প্রতিভা তখনই দেশের সামনে আসে। বহু বছর পর এই পরিচিত নাম ফিরে এসেছে—তবে এবার মঞ্চ নয়, সবুজ মাঠ-গালিচায় নতুনত্ব নিয়ে। নতুন আঙ্গিকে আত্মপ্রকাশ করলো ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’।

    ঢাকা থেকে ছুটে এসেছেন বিভিন্ন বিভাগের দেশের সেরা ৩২ জন খেলোয়াড়, যারা এই অনুষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে অংশ নিয়েছেন। তারা বিভিন্ন খেলায় দেশের নাম করে চলা খেলোয়াড়—ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি সহ নানা খেলার প্রতিনিধিরা সবাই এক ছাতার তলে এনেছেন আগামীর তারকাদের প্রতি উৎসাহ।

    সরকারিভাবে ক্রীড়া পেশাকে প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতির কথাও আনা হয়েছে। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনের দলীয় ইশতেহারে ক্ষমতাসীন সরকার ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল; কর্তৃপক্ষ দাবি করছেন, এখন সেই অঙ্গীকারটি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে দেশসেরা খেলোয়াড়দের মাঝে ক্রীড়া কার্ড বিতরণ করা হয়েছে এবং ক্রীড়াভাতা চালু করা হয়েছে—যা অ্যাথলেটদের আর্থিক সহায়তা দেবে এবং ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হবে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনের আগেই ইশতেহারে প্রধানমন্ত্রীর স্পোর্টসকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল এবং তা বাস্তবায়নের কাজ এখন চলছে। তিনি উল্লেখ করেন যে সরকার ক্রীড়া কার্ড ও ক্রীড়াভাতা চালু করেছে।

    উদ্বোধন অনুষ্ঠান ঢাকার বাইরে সিলেটে আয়োজন করার পেছনে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘ঢাকার বাইরে থেকে শুরু করাই চাই—সবসময়ই ঢাকার মাধ্যমেই বড় আয়োজন শুরু হয়; diesmal আমরা বাইরে থেকে শুরু করছি।’ নেতৃত্বের এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিলেটে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়েছে।

    প্রতিযোগিতার কাঠামো সম্পর্কে জানানো হয়েছে—১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে মোট ৮টি জনপ্রিয় ইভেন্টে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচি উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু করে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ে শেষ হবে। আঞ্চলিক পর্বের খেলা ১৩-২২ মে’র মধ্যে শেষ হওয়ার কথা।

    দেশকে ১০টি শক্তিশালী অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে—ঢাকা, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ। প্রতিটি অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং প্রতিটি পর্যায়ে শক্তিশালী প্রশাসনিক ও বাস্তবায়ন কমিটি পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করবে, যাতে কোনো মেধা অবমূল্যায়িত না হয়।

    খেলা-প্রকরণের বর্ণনা অনুযায়ী ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি ও ব্যাডমিন্টন দলের ক্ষেত্রে নকআউট পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। দাবায় আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী সুইস লিগ পদ্ধতি থাকবে। ব্যক্তিগত ইভেন্ট—অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার ও মার্শাল আর্টে প্রাথমিক বাছাই (হিট/নকআউট) ও ফাইনাল রাউন্ডের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে। এক খেলোয়াড় সর্বোচ্চ দুটি খেলায় অংশ নিতে পারবে।

    রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ ছিল অল্প—১২ থেকে ২৬ এপ্রিল। তত্ক্ষণাত সারা দেশ থেকে আট ইভেন্টে মোট ১,৬৭,৬৯৩ জন প্রতিযোগী নাম লিখিয়েছেন। এদের মধ্যে ছেলে ১,২০,৯৪৯ জন এবং মেয়ে ৪৬,৭৪৪ জন। অঞ্চলভিত্তিতে ঢাকা থেকে সর্বোচ্চ রেজিস্ট্রেশন—২৫,৩৮৭ জন; সবচেয়ে কম রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ময়মনসিংহে, সেখানে ৭,৯৬৬ জন নাম রেখেছেন।

    উদ্বোধনী দিন স্টেডিয়ামে উৎসাহ-উদ্দীপনা স্পষ্ট ছিল; অনেক অভিভাবক ও স্থানীয়রা পরবর্তী রাউন্ডে তাদের সন্তানদের অংশগ্রহণের জন্য আশা ও প্রত্যাশা নিয়ে ফিরেছেন। আয়োজনকারীরা জানিয়েছেন, এই প্রতিযোগিতা থেকে উঠে আসা প্রতিভারাই ভবিষ্যতে দেশের ক্রীড়া অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করবে—এটাই এবারের মূল লক্ষ্য।

  • শাকিব খানের ‘রকস্টার’—অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার প্রকাশ

    শাকিব খানের ‘রকস্টার’—অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার প্রকাশ

    শুটিংয়ের শেষ পর্যায়ে এসে প্রচারণা শুরু হয়েছে শাকিব খানের পরবর্তী সিনেমা ‘রকস্টার’-এর। আজ শনিবার ছবিটির অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার প্রকাশ করা হয়েছে।

    ৫৪ সেকেন্ডের একটি অ্যানিমেটেড ঝলকে দেখানো হয়েছে একজন রকস্টারের শৈশব, স্বপ্ন, জনপ্রিয়তা, পতন আর ঝুঁকিপূর্ণ জীবন-যাপন। টিজারটি শাকিব নিজেই তার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন এবং ক্যাপশনে লিখেছেন, “একটা গল্প… যা বদলে দেবে সবকিছু! আসছে খুব শিগগিরই।”

    টিজার প্রকাশ হতেই ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শাকিবিয়ানরা প্রিয় নায়ককে পরিচিত ধারার বাইরে দেখতে পেয়ে মুগ্ধতা জানাচ্ছেন। এক ভক্ত লিখেছেন, “’রকস্টার’ আসবে ঝড়ের গতিতে।” আরেকজন মন্তব্য করেছেন, “বদলে দেওয়ার মতো গল্প নিয়ে আমাদের মেগাস্টার আবার আমাদের মাঝে ফিরছেন।”

    কারো কথায়, “মেগাস্টার বলে কথা, জাস্ট আগুন হয়েছে,” আবার কেউ বলছেন, “এই মুভিটা মনে হয় ইতিহাস সৃষ্টি করবে।” এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত টিজারটি প্রায় ৭০ হাজার প্রতিক্রিয়া পেয়েছে।

    গেল ২৮ মার্চ, শাকিবের জন্মদিনে ছবিটির লুক প্রকাশ করা হয়। ভক্তরা সেই লুককে শাকিবের ক্যারিয়ারের সেরা লুক বলে উল্লেখ করেছেন; কেউবা সেটিকে “মায়ায় পড়ে যাওয়া” লুক বলেও অভিহিত করেছেন। পরে আরও একটি পোস্টারে শাকিবের সঙ্গে দেখা গেছে অভিনেত্রী সাবিলা নূরকেও।

    পরিচালক আজমান রুশো পরিচালিত ছবিটির শুটিং শেষ দফা চলছে এবং কয়েকদিনের মধ্যে শুটিং সম্পন্ন হওয়ার কথা। শাকিবের বিপরীতভূমিকায় থাকবেন তানজিয়া জামান মিথিলা ও সাবিলা নূর। ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করছেন জাহিদ নিরব।

    প্রযোজকরা জানিয়েছেন, কোরবানি ঈদে মুক্তির লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। টিজার ও লুক প্রকাশের তৃতীয় প্রকাশ্যে আসায় দর্শকদের প্রত্যাশা আরও বেড়েছে।

  • ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর কাবিলা: জিয়াউল হক পলাশ এবার সিনেমা নির্মাণের ইঙ্গিত

    ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর কাবিলা: জিয়াউল হক পলাশ এবার সিনেমা নির্মাণের ইঙ্গিত

    টিভির জনপ্রিয় চরিত্র কাবিলা হিসেবে পরিচিত জিয়াউল হক পলাশকে দেখে অনেকে তার আসল নাম ভুলে গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে অভিনয় করে আলোচিত হলেও, পলাশ শোবিজে আসার সময়ই পরিচালক হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্নটিই এখনো বাঁচিয়ে রেখেছেন—এবার তিনি সিনেমা নির্মাণের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

    রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ পডকাস্টে অংশ নিয়ে পলাশ জানান যে চলচ্চিত্র পরিচালনার জন্য তাঁর দুটি গল্প ইতিমধ্যে প্রস্তুত। তবে সরাসরি বড় পর্দার সিনেমা পরিচালনায় নামার আগে তিনি ধাপে ধাপে কাজ করবেন—একটি ফিকশন শর্টফিল্ম, একটি ওয়েব ফিল্ম এবং একটি ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব কাজ শেষ করার পরই তিনি বড় পর্দার দিকে ঝুঁকবেন, বলেন পলাশ।

    পডকাস্টটি জেড আই ফয়সাল প্রযোজিত। এটি আজ শনিবার (২ মে) রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশন ও রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএম-এ একযোগে সম্প্রচারিত হবে।

    শোবিজের বাইরে পলাশের সমাজসেবা অর্জনও আলোচ্য। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘ডাকবক্স ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে চট্টগ্রামে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার ‘যতন’ নির্মিত হচ্ছে, যার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে আছে। পডকাস্টে এই মানবিক প্রজেক্টের বিস্তারিত বিষয়ও তিনি তুলে ধরেছেন।

  • সারাদেশের থানাগুলো দালালমুক্ত করতে নির্দেশ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    সারাদেশের থানাগুলো দালালমুক্ত করতে নির্দেশ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ রাজধানী ঢাকার রমনা মডেল থানাসহ সারাদেশের থানাগুলোকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    শনিবার (২ মে) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর আওতাধীন রমনা মডেল থানা পরিদর্শনকালে তিনি এই নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি থানার বিভিন্ন কক্ষ, হাজতখানা ও সাধারণ পরিষেবার পরিবেশ খুঁটিনাটি দেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

    পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী থানার ওসি, ডিউটি অফিসার ও দায়িত্বরত অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা পুলিশিং কার্যক্রমে যে সমস্যা বা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে সে বিষয়ে মন্ত্রীর কাছে খোঁজ-খবর জানান; মন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে তাদের বক্তব্য শোনেন।

    মন্ত্রী পুলিশের প্রতি জোর দিয়ে বলেন যে, জনসেবা প্রদানে সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা বজায় রাখতে হবে। এখানে ‘‘দালাল’’ বলতে তিনি এমন সকল মধ্যস্বত্ব বা দালালকে উদ্দেশ্য করেছেন যারা পুলিশের নামে মধ্যস্থতা করে জনগণ থেকে অনুचितভাবে সুবিধা নেয় বা সেবা প্রদানে বাধা সৃষ্টি করে। এসব দালালকে থানার কার্যক্রম থেকে সম্পূর্ণভাবে উচ্ছেদ করতে হবে।

    সালাহউদ্দিন আহমদ গুরুত্বের সঙ্গে বলেন, দায়িত্বে অবহেলা বা দুর্নীতির যে কোনও অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি পুলিশ সদস্যদের জনগণের আস্থা বজায় রাখতে এবং দ্রুত, ন্যায়সংগত সেবা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেন।

    পরিদর্শনকালীন মন্ত্রীর নির্দেশ জনগণকে স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ সেবা প্রদানে থানাগুলোকে আরও প্রস্তুত ও জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যে নেওয়া উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি: বিএনপি নেতা তারেক রহমান

    মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি: বিএনপি নেতা তারেক রহমান

    শিশু আড়াই মাসে হাঁটতে পারে না—ঠিক তাই বর্তমান সরকারকে তুলনা করেছেন বিএনপি নেতা তারেক রহমান। তিনি বলেন, সরকার যতই নবাগত হোক, আমরা মানুষের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করে দিয়েছি।

    শনিবার (২ মে) সিলেটের চাঁদনীঘাটে সিলেট সিটি করপোরেশনের আয়োজিত জলাবদ্ধতা নিবারণ প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, আমরা সারাদেশে নারী-পুরুষের স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর কথা বলেছি এবং কৃষকদের সহযোগিতার জন্য ‘কৃষক কার্ড’ দেবার কথাও জানিয়েছি। এগুলো বাস্তবে রূপ দেওয়ার কাজ শুরু করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

    ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রতিভা উন্মোচনের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, দেশের ট্যালেন্ট খুঁজে বের করার প্রেক্ষিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় চালু করা ‘‘নতুন কুঁড়ি’’ অনুষ্ঠানের উদাহরণ উল্লেখ করে বলেন, সেটির অভিনব ধারণা থেকেই আমরা এখন ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ নামে একটি কার্যক্রমের প্রবর্তন করছি। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে ছোটদের মধ্যে থেকে দক্ষ খেলোয়াড় বের করে আনা হবে। তিনি ঘোষণা করেন যে, ইনশাআল্লাহ আজ থেকেই সিলেট থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ শুরু করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, গত পরশু পর্যন্ত সারাদেশ থেকে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিশু নাম নথিভুক্ত করেছে। তাদের মধ্যে সাত-আটটি খেলাধুলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে, আর সেসব থেকেই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক স্তরে দেশের জন্য পদক জেতাতে সক্ষম খেলোয়াড় তৈরি করা হবে বলে বিশ্বাস ব্যক্ত করেন তিনি।

    তারেক রহমান ক্রিকেট ও মেয়েদের ফুটবলের সফলতার উদাহরণ টেনে বলেন, যেমনভাবে ক্রিকেট আজ বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে উচ্চার্য করেছে, বা মেয়েদের ফুটবল টিম দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছে, তেমনি আগামী দিনের এই তরুণরাও দেশের জন্য গৌরব ঘরে তুলবে। তিনি সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে এসে প্রতিভা বিকাশ করতে কাজ করার আহ্বান জানান।

  • দুর্নীতি-অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি ছাড়া কিছুই চোখে পড়ে না: মির্জা ফখরুল

    দুর্নীতি-অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি ছাড়া কিছুই চোখে পড়ে না: মির্জা ফখরুল

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের ভেতরে ঢুকলেই উদ্বিগ্ন হচ্ছেন—কারণ যেখানে তাকাই সেখানে শুধু অনিয়ম, দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতি দেখা যায়, যা দেশের অগ্রগতির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি এসব কথাই জানিয়েছেন শনিবার (২ মে) দুপুরে রাজধানীর শের-ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায়।

    মির্জা ফখরুল বলেন, তদবির ছাড়া কাজ হয় না—গত পনেরো বছরে এটাই নিয়মে পরিণত হয়েছে। অনেকেই ভাইস চ্যান্সেলর হওয়ার জন্য তদবির করেছেন; এটা সিস্টেমের ব্যাধি। তাঁর বক্তব্য, মেধা ও দক্ষতা ছাড়া এগোনো সম্ভব হয় না।

    তিনি বলেন, জুলাই সনদ ও সংবিধান নিয়ে যখনই আলোচনা হচ্ছে সেটা ভালো; কিন্তু রাজনৈতিক স্বার্থে এগুলোকে ব্যবহার করা উচিত হবে না। এসব প্রসঙ্গে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বহু জায়গায় বিএনপি ছিল এবং কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্টও জমা দিয়েছিল।

    উচ্চকক্ষে পিআর নিয়ে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলের একটি অংশের সঙ্গে তারা সহমত হয়নি—তবু এখন সরকার সহজভাবে সবকিছু করে ফেলার চেষ্টা করছে, অভিযোগ করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই বলছে বিএনপি সংস্কার মানে না; অথচ বিএনপিই সংস্কারের জনক। কেউ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে এবং জামায়াতও এই ইস্যুতে আন্দোলন করছে, যার উদ্দেশ্য বাংলাদেশকে আবারও অস্থিতিশীল করা।

    অর্থনীতি জোরালো করা এখন বিএনপির প্রধান লক্ষ্য—এ অবস্থার উত্তরণের জন্য জাতীয় ঐক্য জরুরি, বলেন তিনি। ফ্যাসিস্ট শাসনের সময়ে ঈর্ষনীয় পরিমাণ দেনা রেখে গেছে, যার ফলে দেশের অর্থনীতির কাঠামো ভেঙে গিয়েছে; তাই অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করাই প্রয়োজন।

    শেষে তিনি বলেন, বিএনপির ইতিমধ্যেই অনেক অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন আছে; নতুন কোনো সহযোগী সংগঠনের প্রয়োজন নেই। ‘জিয়া পরিষদ’ের নামে দোকান খোলাটা তিনি চান না এবং সকলকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেছেন।