Blog

  • সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের সফল অভিযান: করিম শরীফ বাহিনীর ৩ সদস্য আটক, অস্ত্র-গুলিসহ ৪ জেলে উদ্ধার

    সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের সফল অভিযান: করিম শরীফ বাহিনীর ৩ সদস্য আটক, অস্ত্র-গুলিসহ ৪ জেলে উদ্ধার

    বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের গভীরে জলদস্যু ও বনদস্যু দমনে কোস্টগার্ড আরও এক বড় সফলতা অর্জন করেছে। সুন্দরবনের পূর্ব বন বিভাগের শ্যালা নদীর মরা চানমিয়া খালী অঞ্চলে গত ১৩ মে রাতে কোস্টগার্ডর একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত ‘করিম শরীফ বাহিনী’-এর তিনজন সক্রিয় সদস্যকে আটক করে। একই সঙ্গে দস্যুদের কাছ থেকে ৪ জন জেলেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও যোগাযোগ সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে বলে আজ (১৫ মে) মিডিয়াকে কোস্টগার্ড কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন নিশ্চিত করেন।

    গোপন সূত্রের তথ্য পাওয়ার পর দ্রুত ইঞ্জিনচালিত বোট নিয়ে টহলরত কোস্টগার্ডের বিশেষ দল শ্যালা নদীর ওই মরা খালের মুখে অবস্থান নেয়। ভোরারাতের অন্ধকারে বনের ভেতর গোপন থাকা দস্যুদের উপস্থিতি টের পেয়ে কোস্টগার্ড এগোলে তারা আচমকা চারদিক থেকে বোট ও জওয়ানদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কোস্টগার্ডও আত্মরক্ষার প্রয়োজনে পাল্টা গুলি চালায় এবং প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী তীব্র বন্দুকযুদ্ধের পর এক পর্যায়ে দস্যুরা পিছু হটতে শুরু করে।

    ঘটনাস্থল অনুসন্ধান করে কোস্টগার্ড বন বিভাগের সহায়তায় জঙ্গলের কাঁদা ও নতুন ঘিষে ঢুকে তল্লাশি চালায়। বনদস্যুদের গহীন স্থানে ধাওয়া করে বাধা পেরিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটককৃতদের নাম পরিচয় জানতে পারে— মোহাম্মদ মেহেদী হাসান (২৫), মোহাম্মদ রমজান শরীফ (১৯) ও মোহাম্মদ এনায়েত মিয়া (২৫)। তাদের বাড়ি বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ ও ভাঙ্গা থানার ফরিদপরে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতি ও জেলেদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করত।

    অস্ত্র ও সামগ্রীর তল্লাশিতে উদ্ধার করা হয়েছে ৩টি একনলা বন্দুক, ১টি সচল পিস্তল, ৪৯ রাউন্ড তাজা বন্দুকের গুলি, ১৮৭ রাউন্ড এয়ারগান গোলা (ছরড়া), ২টি উচ্চক্ষমতার ওয়াকিটকি সেট এবং ৪টি ওয়াকিটকি চার্জার। তল্লাশির এক পর্যায়ে বন বিভাগের সহায়তায় হাত-পা বেঁধে কঠোর পাহারায় থাকা ৪ জন সাধারণ জেলেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক ভাষ্য অনুযায়ী এই জেলেদের কয়েক দিন আগে অপহরণ করা হয়েছিল এবং তাদের পরিবারের কাছে বড় অঙ্কের মুক্তিপণ দাবির প্রস্তুতি ছিল।

    কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট ইকরা মোহাম্মদ নাসিফ জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে সুন্দরবনে অবৈধ অনুপ্রবেশ, সরকারি কাজে বাধা, কোস্টগার্ডের ওপর গুলিবর্ষণ, অবৈধ অস্ত্র রাখাসহ ডাকাতি এবং অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্র এবং অন্যান্য মালামাল বন্দোকেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত যাচাই-বাছাই শেষে স্থানীয় থানায় হস্তান্তর করা হবে।

    কোস্টগার্ড জানায়, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখা এবং জেলে, বাউয়ালী ও মৌয়ালীদের নিরাপদভাবে জীবিকা নির্বাহের পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। এখনও পরবর্তী তল্লাশি ও অভিযানের কাজ অব্যাহত আছে এবং বনাঞ্চল পরিষ্কার করার লক্ষ্যে যৌথভাবে পদক্ষেপ জোরদার করা হবে বলে বাহিনী জানায়।

  • বাগেরহাটে মামাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘায় ১৮ বছরের ফুফাতো ভাই নিহত

    বাগেরহাটে মামাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘায় ১৮ বছরের ফুফাতো ভাই নিহত

    বাগেরহাট শহরের বাসাবাটি বাইনেবাড়ি এলাকায় গভীর রাতে মামাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ফুফাতো ভাই মো. আম্মার (১৮) নিহত হয়েছেন। ঘটনা বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিবাগত রাত প্রায় ১টার দিকে ঘটে।

    পরিবারের সদস্যরা ঘটনার পর অভিযুক্ত আলী আব্দুল্লাহ (২৩)-কে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে তার কাছ থেকে একটি রক্তমাখা ছুরি জব্দ করে পুলিশে হস্তান্তর করেন। নিহত আম্মার ওই এলাকার এ এইচ এম তাসলিম মাহমুদের ছেলে। আটক আলী আব্দুল্লাহ বাগেরহাট শহরের সাহাপাড়া এলাকার মাহমুদ উন্নবীর ছেলে এবং নিহতের মামাতো ভাই বলে পুলিশ জানায়।

    পুলিশ ও পরিবারের বর্ণনায়, বৃহস্পতিবার রাতে আলী আব্দুল্লাহ ফুফুর বাড়িতে বেড়াতে আসেন। রাতের খাবার শেষে মামাতো-ফুফাতো দুই ভাই বাড়ির দোতলায় ঘুমোতে যান। গভীর রাতে হঠাৎ চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা দোতলায় ছুটে গেলে আম্মারকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।

    বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বলেন, দুই পরিবারের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল, তাই ঘটনাটি জমি নিয়ে বিবাদের রেশ থেকেও ঘটতে পারে। তিনি জানান, নিহতের বুক ও পিঠে ছুরির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং প্রচণ্ড রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হতে পারে।

    পুলিশ অভিযুক্ত আলী আব্দুল্লাহকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

  • কলকাতায় জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, রাজাবাজারে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন

    কলকাতায় জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, রাজাবাজারে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন

    কলকাতার রাজাবাজার এলাকায় শুক্রবার (১৫ মে) জুমার নামাজকে ঘিরে পুলিশের সঙ্গে একদল মুসল্লির বাগ্‌বিতণ্ডা ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। দুপুরের দিকে রাস্তায় নামাজ পড়ার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দাঁড়ায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজাবাজার ক্রসিংয়ের একাংশ জুড়ে নামাজ পড়তে শুরু করলে জনবহুল ওই সড়কে যানজট তৈরি হয়। পুলিশ যখন যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য বাধা দিলে কয়েকজন মুসল্লির সঙ্গে তর্কবিবাদ গড়ে ওঠে এবং উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় থানা থেকে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরে প্রয়োজনীয় সতর্কতার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন করা হয়।

    পুলিশ জানিয়েছে, নামাজ পড়তে জড়ো হওয়া মানুষের উদ্দেশ্য ছিল শান্তিপূর্ণ। প্রশাসনের নতুন বিধি-নিষেধ সম্পর্কে অনেকেরই সঠিক ধারণা না থাকায় তারা রাস্তার ওপরেই নামাজ শুরু করেন। পুলিশ বিষয়টি বুঝিয়ে বললে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং অনেকে সহযোগিতা করেন।

    ঘটনার পর থেকেই এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত টহল শুরুর ফলে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। দোকানপাট ও বাজারও ইতোমধ্যেই সচল রয়েছে। প্রশাসন সতর্ক থেকে জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

  • মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট ধার শহরের কামাল মাওলা মসজিদের অংশ মন্দির হিসেবে ঘোষণা

    মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট ধার শহরের কামাল মাওলা মসজিদের অংশ মন্দির হিসেবে ঘোষণা

    ভারতের মধ্যপ্রদেশের ধার শহরে অবস্থিত প্রায় হাজার বছরের পুরনো কামাল মাওলা দরগা ও মসজিদের একটি অংশকে মন্দির হিসেবে ঘোষণা করেছে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। একই রায়ে মুসলিম সম্প্রদায়কে রাজ্য সরকারের কাছে নামাজের জন্য খোলা অন্য কোনো স্থান চেয়ে নিতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ভোজশালা নামে পরিচিত ওই স্থাপনা ও কামাল মাওলা মসজিদকে ঘিরে অনেক দিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলো দাবি করে আসছে যে মসজিদটির ভিত্তি আসলে রাজা ভোজের সময়ে তৈরি করা প্রাচীন সরস্বতী মন্দির; অন্যদিকে মুসলিম পক্ষ এটিকে কামাল মাওলা মসজিদ বলে দাবি করে।

    দীর্ঘদিন ধরে রাজ্য সরকার সে জায়গায় পরিচালনায় নরম নীতি বহাল রেখেছিল—মঙ্গলবার হিন্দুদের পুজা ও শুক্রবার মুসলিমদের নামাজ করার অনুমতি দেওয়া হতো, আর বাকি দিনগুলোতে সাধারণভাবে প্রবেশের ছাড়া বেশি কার্যকলাপ সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু ২০২২ সালে ‘হিন্দু ফ্রন্ট ফর জাস্টিস’সহ কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন মসজিদে মুসলিমদের নামাজ বন্ধ করার দাবিতে আদালতে যায়।

    এই মামলার প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়াকে (এএসআই) ওই স্থানের বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছিল। ৯৮ দিন ধরে চালানো সমীক্ষার পরে এএসআই আদালতে প্রায় দুই হাজার পাতার প্রতিবেদন জমা করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমান মসজিদের নিচে পারমার বংশের আমলে তৈরি একটি বড় কাঠামোর অস্তিত্ব ছিল।

    শুক্রবার বিচারপতি বিজয়কুমার শুক্ল ও বিচারপতি অলোক অবস্থীর বেঞ্চ ওই মামলায় হিন্দু পক্ষের পক্ষে রায় দেন। আদালত বিবেচনা করে উল্লেখ করেছে যে বিভিন্ন ইতিহাসগত তথ্য ও নথি বিশ্লেষণে দেখা গেছে ওই স্থানে হিন্দু উপাসনার ধারাবাহিকতা কখনও সম্পূর্ণভাবে থেমে যায়নি। পাশাপাশি ঐতিহাসিক সাহিত্যেও বিতর্কিত এলাকাটি রাজা ভোজের শিক্ষা ও সংস্কৃতিকেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত আছে — এই কারণগুলো বিবেচনায় নিয়ে অংশটিকে মন্দির হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, বলা হয় রায়ে।

    আদালতের নির্দেশে ভবিষ্যতে ভোজশালার ঐ অংশের সংরক্ষণ ও রক্ষার তত্ত্বাবধান করবে এএসআই; সংরক্ষণ কার্যক্রমে তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। হিন্দু পক্ষের আবেদনকারীরা লন্ডনের একটি জাদুঘর থেকে সরস্বতীর মূর্তি এনে সেখানে স্থাপন করতে চান এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সেই সম্পর্কিত একাধিক আবেদন জমা রয়েছে; আদালত বলেছে, কেন্দ্র সেই আবেদনগুলো বিবেচনা করতে পারে।

    অন্যদিকে মুসলিম পক্ষ সমীক্ষা প্রতিবেদন ও রায়কে পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ করেছে এবং নামাজের স্থানের বিষয়ে সরকারের কাছে বিকল্পের ব্যবস্থা চেয়ে নিতে নির্দেশ দেয়া হলেও সেটি নিয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে।

    এই ঘটনার প্রেক্ষাপট দেশের ঐতিহাসিক সম্পদ সংরক্ষণ, সংগ্রামরত সম্প্রদায়ের অনুভূতি ও ধর্মীয় অধিকার—এসব বিষয়কে নিয়ে নতুন করে বিতর্ক ছুঁড়ে দিয়েছে। সরকার, আদালত ও আরকিওলজিস্টদের সিদ্ধান্ত ও তার বাস্তবায়ন ভবিষ্যতে এই ধরণের সংবেদনশীল কেসে কী precedent (আগাম নির্দেশ) স্থাপন করে, তা খতিয়ে দেখা হবে।

    সূত্র: এনডিটিভি, আনন্দবাজার

  • আইসিসি কর্তন করল পাকিস্তানের ৮টি পয়েন্ট, খেলোয়াড়দের জরিমানা

    আইসিসি কর্তন করল পাকিস্তানের ৮টি পয়েন্ট, খেলোয়াড়দের জরিমানা

    মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে মাঠের লড়াইয়ে হারের পরে পাকিস্তানকে আরও এক ধাক্কার মুখে পড়তে হয়েছে। মন্থর ওভার রেটের কারণে দলটি আইসিসির শাস্তির আওতায় পড়ে; বাবর-রিজওয়ানসহ সকল খেলোয়াড়কে মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হয়েছে এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (WTC) তালিকায় তাঁদের থেকে ৮ পয়েন্ট কেটে নেওয়া হয়েছে।

    ম্যাচ রেফারি জেফ ক্রোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বোলিং কোটা পূরণ করতে না পারায় পাকিস্তান সময় সমন্বয় বাদে ন্যূনতম আট ওভার পিছিয়ে ছিল। আইসিসির নিয়ম মেনে প্রতিটি খেলোয়াড়ের ম্যাচ ফি-র ৪০ শতাংশ জরিমানা ধার্য করা হয়েছে।

    আইসিসি নিয়ম অনুযায়ী প্রতি এক ওভার কম বোলিং করার জন্য একটি করে WTC পয়েন্ট কাটা হয়। সেই বিধান অনুযায়ী পাকিস্তান তাদের ঝুলিতে থাকা মূল্যবান ৮টি পয়েন্ট হারিয়েছে—যা আর্থিক জরিমানার চেয়েও টুর্নামেন্টে বেশি ক্ষতি করতে পারে। ফাইনালের দৌড়ে থাকা অবস্থায় প্রতিটি পয়েন্টই গুরুত্বপূর্ণ; এমন অপেশাদার সময় ব্যবস্থাপনা পাকিস্তানের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    মাঠের আম্পায়ার রিচার্ড কেটলবরো ও কুমার ধর্মসেনা উভয়ের যৌথ অভিযোগ ছিল এই ওভার রেটের অনিয়ম। পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ অভিযোগ স্বীকার করে নেন এবং কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি। ফলে জরিমানার ব্যবস্থা দ্রুত কার্যকর করা হলো।

    এভাবে মাঠের পরাজয়ের পাশাপাশি প্রশাসনিক শাস্তি পাওয়ায় পাকিস্তানের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের স্পিনারদের কার্যকর বোলিং কোচিং ও কৌশলের সামনে পাকিস্তানের ব্যাটিং ভেঙে পড়ায় মাঠের ফলাফলই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ—তার ওপর এখন টাইম ম্যানেজমেন্টের তাতোকেও মোকাবিলা করতে হবে।

    আগামী ম্যাচগুলোতে সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখাই পাকিস্তানের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। একই ভুল পুনরাবৃত্তি হলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে তাদের লড়াই আরও কঠিন হয়ে যাবে, তাই কৌশল ও সময় আবেদন—দুটোই এখন জরুরি।

  • বয়স কমানোর ইনজেকশনেই মৃত্যু? শেফালির স্বামী পরাগ ত্যাগীর খোলসা

    বয়স কমানোর ইনজেকশনেই মৃত্যু? শেফালির স্বামী পরাগ ত্যাগীর খোলসা

    ‘কাঁটা লাগা’ খ্যাত অভিনেত্রী শেফালি জারিওয়ালার মৃত্যু নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে। বিশেষ করে বয়স কমানোর ইনজেকশনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে—এমন দাবি সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠেছিল। এই বিতর্ক নিয়ে বহুদিন চুপ থাকলেও সম্প্রতি মুখ খুলেছেন শেফালির স্বামী, অভিনেতা পরাগ ত্যাগী।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে পরাগ বলেন, বয়স কমানোর ইনজেকশনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্য। ‘‘আমরা সবকিছুই খাই। শেফালি মারা যাওয়ার আগের দিনও আমরা চাইনিজ খেয়েছিলাম। না খেয়ে থাকার কোনো কারণ নেই—ও যথেষ্ট ফিট ছিল। না খাওয়ার ফলে মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেলে উলটো ইঙ্গিত পাওয়া যেত,’’ তিনি বলেন।

    বয়স ধরে রাখার ইনজেকশনের বিষয়ে পরাগ আরও তীক্ষ্ণভাবে প্রশ্ন তোলেন, ‘‘আরও ফর্সা হওয়ার কি ওর প্রয়োজন ছিল? বলুন তো, কী ধরনের ইনজেকশন বয়স ধরে রাখে? এমন ইনজেকশন থাকলে রতন টাটা এখনও বেঁচে থাকতেন।’’ পাশাপাশি তিনি অনুরোধ করেন, অনভিপ্রেত গুঞ্জন ছড়ানো বন্ধ করা হোক এবং শেফালির পরিবারকে পরিস্থিতি সামলে নিতে সময় দিন।

    শেফালি গত বছরের এক দিন মারা যান। জানা যায়, ওই দিন তিনি সত্যনারায়ণ পূজায় উপোস ছিলেন এবং বিকেল তিনটা পর্যন্ত কিছু খাননি। পরে ফ্রিজ থেকে সামান্য কিছু খেয়ে নেন, কিন্তু ক্লান্ত শরীরে আর বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ পাননি। রাত সাড়ে দশটার দিকে হঠাৎ করে তিনি অচেতন হন। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই শেফালি মারা গেছেন।

    শোবিজ কেরিয়ারের শুরুতে মডেলিং করতেন শেফালি জারিওয়ালা। প্রায় ৩৫টির মতো মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছেন তিনি। বলিউডে তার আসা ২০০৪ সালে—‘মুঝসে শাদি করেোগে’ ছবিতে ক্যামিও ভূমিকা থেকেই তার পথচলা শুরু।

    ব্যক্তিগত জীবনে শেফালির নাম নানা সম্পর্কের সঙ্গে জড়িয়েছিল। ২০০২ সালে তিনি প্রথম বিয়ে করেন, কিন্তু সেই সংসার টেকেনি; মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে তিনি বিচ্ছেদ নেন। এরপর বেশ কিছু সময় পর্দার বাইরে ছিলেন। ২০১৪ সালে ‘বিগ বস ১৩’-এ সহপ্রতিযোগী ছিলেন পরাগ ত্যাগীর সঙ্গে; তাদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং বিয়ে হয়। পরাগ জানিয়েছিলেন, দাম্পত্য জীবন সুখের ছিল।

    পরাগের এই বক্তব্য শেফালির মৃত্যু নিয়ে ছড়ানো ভিন্ন দাবি ও গুজবকে কিছুটা চclic্ করে। তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন—অযথা কল্পনায় আঘাত করে গুজব ছড়াবেন না এবং শেফালির পরিবারের প্রতি সহানুভূতি দেখান।

  • ওয়ানডেতে ফিরে আসার প্রস্তাব ফিরিয়েছেন মুশফিক

    ওয়ানডেতে ফিরে আসার প্রস্তাব ফিরিয়েছেন মুশফিক

    মিডল অর্ডারের নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিত্ব মুশফিকুর রহিমকে দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’ বলে ডাকে। গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর তিনি একদিনের ক্রিকেট থেকে বিদায়ের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবুও অবসর নেওয়ার পরও ওয়ানডেতে বাংলাদেশি জার্সি গায়ে আবার ফিরে আসার অনুরোধ পেয়েছিলেন এই ব্যাটার — কিন্তু সেটি তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

    গত বছর বাংলাদেশ পরপর চারটি ওয়ানডে সিরিজ হারায় এবং তখন টাইগারদের মিডল অর্ডার সমস্যায় ছিল। সেই সময়ে জাতীয় দলের জন্য মুশফিককে ওয়ানডেতে ফেরার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ৩৯ বছর বয়সী এই উইকেটকিপার-ব্যাটার ওই প্রস্তাব নেননি।

    পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের পূর্বে সংবাদ সম্মেলনে মুশফিক নিজেই এ বিষয়ে বলেছেন, “ওয়ানডে ক্রিকেটে যেটা বললেন, আমার কাছে (প্রস্তাব) এসেছিল। কিন্তু আমি মনে করি, বাংলাদেশ দল ইনশাআল্লাহ এমন একটা পর্যায়ে এখন আছে এবং ভবিষ্যতেও যাবে, আমি মনে করি যে আমার ওই রকম সার্ভিস দরকার হবে না।”

    দেশের হয়ে ২৭৪টি ওয়ানডে খেলেছেন মুশফিক; সেখানে তার সেঞ্চুরি আছে ৯টি এবং গড়ে করেছেন ৩৬.৪২, মোট রান ৭৭৯৫। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের পর এখন তিনি শুধু টেস্ট ক্রিকেটেই খেলছেন। মুশফিক বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচিতে পরিবারের জন্য যথেষ্ট সময় করে দেওয়া সম্ভব হয়নি; এখন তিনি সেটাই করতে চান।

    এছাড়া বাংলাদেশের টেস্ট দলের ধারাবাহিক উন্নতি নিয়ে মুশফিক বলেন, ‘আগেও অনেক ব্যক্তিগতভাবে দারুণ পারফর্মার ছিল। কিন্তু সমগ্র দিক থেকে যদি বলেন ধারাবাহিকতার কথা, এখন যে টেস্ট দলটা খেলছে সেটি গতকালের চেয়ে বেশি ধারাবাহিক। আগে বছরে গড়ে হয়তো বেশি করে তিনটি টেস্ট খেলতাম, তখন নিয়মিত ফল পাওয়া কঠিন হত। এখন আমরা ৮–১০টা টেস্ট খেলি, তাই ফল আসছে এবং পরিস্থিতি অনেক ভালো।’

  • কন্নড় অভিনেতা দিলীপ রাজের আকস্মিক প্রয়াণ

    কন্নড় অভিনেতা দিলীপ রাজের আকস্মিক প্রয়াণ

    কন্নড় চলচ্চিত্র-দুনিয়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে—জনপ্রিয় অভিনেতা ও প্রযোজক দিলীপ রাজ আর নেই। মাত্র ৪৭ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বুধবার ভোরে তাঁর মৃত্যু ঘটেছে, যা অভিনেতা-সমাজ ও ভক্তদের জন্য বড় এক শূন্যতা তৈরি করেছে।

    পরিবারের বরাতে জানা যায়, বুধবার ভোরে হঠাৎ শারীরিক অস্বস্তি অনুভব করেন দিলীপ রাজ। ঠিক একপর্যায়ে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। দ্রুত বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই তথ্য ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসে প্রকাশিত রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

    অভিনেতার অপ্রত্যাশিত প্রয়াণে সহকর্মী ও ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করছেন। অভিনেতা চেতন কুমার লিখেছেন, “দিলীপ শুধু একজন দক্ষ অভিনেতা ছিলেন না, মানুষ হিসেবে ওখানেও তিনি অসাধারণ ছিলেন। ওর মতো আন্তরিকতা খুব কম দেখা যায়।” অনেকে তাঁর আন্তরিকতা, পরিশ্রম ও মঞ্চজীবনের কথা স্মরণ করছেন।

    দিলীপ রাজ ছিলেন বহুমুখী প্রতিভাবান শিল্পী। ছোট পর্দায় তিনি সুপারস্টার হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলেন—‘রঙ্গোলি’, ‘কুমকুম ভাগ্য’-র মতো ধারাবাহিক থেকে শুরু করে সর্বশেষের হিট সিরিয়াল ‘হিটলার কল্যাণ’-এ তার অভিনয় দর্শক হৃদয় স্পর্শ করত।

    ফিল্মে তাঁর যাত্রা শুরু হয় ২০০৫ সালে নায়কের ভূমিকায়। ২০০৭ সালে পুণীত রাজকুমারের ব্লকবাস্টার ‘মিলানা’-তে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি সবাইকে চমক দিয়েছিলেন। ‘ইউ-টার্ন’, ‘লাভ মকটেল ৩’সহ প্রায় ২৪টির মতো ছবিতে দেখা গেছে তাকে।

    প্রযোজক হিসেবেও তিনি স্বীকৃত—তার প্রযোজনা সংস্থা ‘ডিআর ক্রিয়েশনস’ several সফল ধারাবাহিক উপহার দিয়েছে কন্নড় টেলিভিশনকে। থিয়েটারেও তিনি সক্রিয় ছিলেন এবং অভিনয়, প্রযোজনা ও মঞ্চ—সব ক্ষেত্রেই কন্নড় ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর অবদান ছিল তা অনস্বীকার্য।

    ভক্তরা বিশেষ করে ‘হিটলার কল্যাণ’-এর নায়ক হিসেবে তাঁর অভিনয়কে দীর্ঘদিন মনে রাখবেন। শোকাহত পরিবার ও শিল্পীসমাজের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে অনেকে টিভি ও চলচ্চিত্র জগত থেকে তাড়াতাড়ি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছেন।

  • খুলনা জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক ফিরোজকে অব্যাহতি, আবু জাফরকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক করা হলো

    খুলনা জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক ফিরোজকে অব্যাহতি, আবু জাফরকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক করা হলো

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে খুলনা জেলা আহ্বায়ক ফিরোজ আহমেদকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু জাফরকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এই ঘোষণাটি জেলা কমিটি ঘোষণা হওয়ার মাত্র ১৫ ঘণ্টার মধ্যেই আসে।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত বুধবার (১৩ মে) কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুসারে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তটি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অনুমোদন করেন এবং তা অবিলম্বে কার্যকর ঘোষণা করা হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাংগঠনিক গতিশীলতা ও ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আবু জাফর জেলা শাখার কাজ চালিয়ে নেবেন যতক্ষণ না চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার রাতে খুলনা মহানগর ও জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত পৃথক পত্রে দুই কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। খুলনা মহানগর আহ্বায়ক কমিটিতে তাজিম বিশ্বাসকে আহ্বায়ক, আরিফুর রহমান আরিফকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও হাবিবুর রহমান খান বিপ্লবকে সদস্য সচিব করে ৪৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। খুলনা জেলা আহ্বায়ক কমিটিতে ফিরোজ আহমেদকে আহ্বায়ক, আবু জাফরকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও খান ইসমাইল হোসেনকে সদস্য সচিব করে ৩০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল।

    কেন্দ্রীয় এই বদলী ঘোষণার পর জেলা স্তরে কার্যক্রম ও নেতৃত্বক্ষেত্রে কি ধরনের পরিবর্তন হবে, তা সম্পর্কে জেলা অফিস ও সংশ্লিষ্টরা পরবর্তী নির্দেশনা জানাবেন বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

  • ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন

    ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন

    সরকার ঠাকুরগাঁওয়ে একটি নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে। এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের আওতায় নেওয়া হয়েছে। বুধবার স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ কামরুজ্জামান চৌধুরীর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মঞ্জুরি জ্ঞাপিত হয়।

    এই নতুন কলেজের অনুমোদনের ফলে দেশের সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা এখন ৩৮টি। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে ৩৭টি সরকারি ও ৬৭টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পাঁচটি এবং নৌবাহিনী পরিচালিত একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে, যেগুলো বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের অধিভূক্ত। ঢাকায় অবস্থিত আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সেটিও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের অধিভুক্ত।

    এর আগে গত ১ জানুয়ারি মুন্সিগঞ্জে একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়, তবে সেটির কার্যক্রম এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের নতুন কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হলে স্থানীয় পর্যায়ে চিকিৎসা শিক্ষা ও সেবা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে এবং এলাকার স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।