Blog

  • মমতা: ‘সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করুন—জয় হবে আমাদেরই’

    মমতা: ‘সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করুন—জয় হবে আমাদেরই’

    তৃণমূলের নেতাকর্মী, প্রার্থী ও কাউন্টিং এজেন্টদের ধৈর্য ধরে গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউন্টিং সেন্টার ছাড়তে না বললেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে দেয়া ভিডিও বার্তায় তিনি দলের সবাইকে অনুরোধ করে বললেন, “সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, গণনা অনেক বাকি এখনও, জয় হবে আমাদেরই।”

    প্রাথমিক গণনায় সকাল থেকে মধ্যাহ্ণ পর্যন্ত যে প্রবণতা দেখা গেছে, তাতে বিজেপি ১৮৩টি আসনে এগিয়ে আছে, আর তৃণমূল ১০২টি আসনে। এমন পরিস্থিতিতে মমতা নেতাদের বললেন যেন কেউ হতাশ না হন বা কাউন্টিং কেন্দ্র ত্যাগ না করেন। তিনি আশ্বাস দিলেন, শুরুতে বিজেপি এগিয়ে থাকার ঘটনা আশা করা যাচ্ছিলো—শেষ রাউন্ডে পরিস্থিতি বদলাতে পারে।

    ভিডিওবার্তায় মমতা অভিযোগ করেন যে অনেক জায়গায় গণনা থামিয়ে রাখা হয়েছে এবং ফল পরবর্তী সময়ে দেখানো হচ্ছে। তিনি বলেন, “কল্যাণীতে এমন সাতটি মেশিন ধরা পড়েছে, যেখানে কোনো মিলই নেই।” এছাড়া তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন কমিশন নিয়ে কড়া অভিযোগ করেন—বলেন, কমিশন ইচ্ছেমতো কাজ করছে এবং কেন্দ্রের শক্তি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কাজ করছে; স্থানীয় পুলিশেরও সেই প্রভাব পড়ছে। (এগুলো তার অভিযোগ হিসেবে জানানো হয়েছে।)

    তবে তৃণমূলনেত্রীর প্রধান বার্তাটি ছিল মনোবল বজায় রাখা। মমতা বলেন, “দয়া করে কোনও প্রার্থী এবং কাউন্টিং এজেন্ট গণনাকেন্দ্র ছেড়ে আসবেন না। এটা বিজেপির পরিকল্পনা।” তিনি আরও বলেন, এখন মাত্র তিন-চার রাউন্ড গণনা শেষ হয়েছে; সাধারণত ১৮-১৯ রাউন্ড পর্যন্ত গণনা হয়—শেষ রাউন্ডগুলিতেই ফল আমাদের অনুকূলে আসবে। “ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ, আপনারা সবাই জিতবেন। আমরা আপনাদের সঙ্গে রয়েছি।”

    বার্তাটির শেষে মমতা কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহ দিয়ে বললেন, “নিশ্চিন্তে থাকুন। আমরা বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করে যাব।”

  • এপ্রিলে রামপালে রেকর্ড বিদ্যুৎ উৎপাদন

    এপ্রিলে রামপালে রেকর্ড বিদ্যুৎ উৎপাদন

    চলতি বছরের এপ্রিল মাসে রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়েছে। রোববার কেন্দ্রটির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাসজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ ও আকাশছোঁয়া চাহিদার মধ্যেও কেন্দ্রটি ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তাপদহের কারণে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের চাহিদা প্রচণ্ডভাবে বেড়ে যাওয়ার পরও রামপাল কেন্দ্র মাসভর স্থিতিশীল সরবরাহ বজায় রাখতে সফল হয়েছে। এই সময়ে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর কেন্দ্রটির অবদান ছিল ৯ শতাংশেরও বেশি, যা জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার দৃঢ় রক্ষক হিসেবে কেন্দ্রটির ভূমিকা প্রমাণ করে।

    অপর দিকে, কেন্দ্রটি এপ্রিল মাসে গড়ে ৮০% প্ল্যান্ট লোড ফ্যাক্টর (PLF) ক্ষমতায় পরিচালিত হয়েছে। মাসের প্রথম সপ্তাহে যখন তাপপ্রবাহে গ্রিডের চাহিদা চরমে পৌঁছায়, তখন কেন্দ্রটি ৯৭% সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করে গ্রিডকে স্থিতিশীল রাখতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। এ ছাড়া এটি পঞ্চমবারের মতো ৭০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি উৎপাদনের মাইলফলক ছাড়িয়েছে—একটি অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্ষমতার ফল।

    বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্রী রমনাথ পূজারী বলেন, “দেশে সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালিত হয়েছে; এটি আমাদের টিমের নিরলস প্রচেষ্টারই ফল। এই সাফল্য কঠোর পরিশ্রম এবং দুই দেশের আন্তরিক সহযোগিতার উদাহরণ।”

  • গোপালগঞ্জে বাসচাপায় ভ্যানচালক নিহত, ইজিবাইকে ৭ জন আহত

    গোপালগঞ্জে বাসচাপায় ভ্যানচালক নিহত, ইজিবাইকে ৭ জন আহত

    গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের চাপায় ভ্যানচালক ঝন্টু মোল্যা (৪৫) নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আরও সাত জন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে আজ সোমবার (০৪ মে) সকাল—ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ওই স্থানে।

    ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকনউজ্জামান ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঢাকা থেকে খুলনাগামী ফাল্গুনী পরিবহনের একটি বাস গোপীনাথপুরে পৌঁছালে একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও একটি ভ্যানকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ভ্যানচালক ঝন্টু মোল্যা নিহত হন এবং ইজিবাইকে থাকা সাতজন যাত্রী আহত হন।

    নিহত ঝন্টু মোল্যা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের আখুব্বর মোল্যার ছেলে।

    স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর ঘাতক বাসটি আটক করা হয়েছে।

  • বিসিবির ওয়াশরুমে দুর্নীতি দেখে ক্ষুব্ধ তামিম ইকবাল

    বিসিবির ওয়াশরুমে দুর্নীতি দেখে ক্ষুব্ধ তামিম ইকবাল

    বিসিবি অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল বলেছেন, স্টেডিয়ামের ওয়াশরুম পরিষ্কারের কাজে নিয়োজিত নারীদের পারিশ্রমিক নিয়ে অনিয়ম দেখে তিনি ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ। বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ চলাকালে মিরপুর শের-ও-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গ্যালারি ও ওয়াশরুম সরেজমিনে পরিদর্শন করতে গিয়ে এই অনিয়মের তথ্য তিনি পান।

    তামিম জানান, ক্লিনিং সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বোঝা যাচ্ছিল যে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জনপ্রতি ৬৫০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু খালার মুখে শুনে তিনি অবাক হন যে বাস্তবে অনেকেই প্রতিদিন মাত্র ৩০০ কিংবা ৪০০ টাকাই পান। এমন অনিয়ম দেখে তাঁর কাছে এটা একেবারে জঘন্য মর্মে প্রতীয়মান হয়েছে।

    তিনি বলেন, ২০০৭ সালে মিরপুর স্টেডিয়াম তৈরি হওয়ার পর থেকে টয়লেট ও বাথরুম নিয়ে কোনো সংস্কার করা হয়নি—অন্তত পর্যাপ্ত কাজ হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ম্যাচ, বিপিএল ও ডিপিএলসহ অসংখ্য খেলাধুলার আয়োজনে এসব বাথরুম ব্যবহার হয়েছে, কিন্তু পরিষ্কার-পরিচ্ছ্যার কাজে নিযুক্ত নারীদের ঠিকমতো ক্ষতিপূরণ না দেয়া এবং তাদের কাছ থেকে টাকা কেটে নেওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়।

    ইভেন্টের একদিন সকালে ফিনল্যান্ড থেকে আসা এক বিদেশি নারী স্টেডিয়ামের ওয়াশরুম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলে তামিম আরও বিব্রত হন। তিনি বলেন, ওই নারী সরাসরি মাঠে এসে সর্দার কণ্ঠে বলেছিলেন, ‘ভাইয়া, যদি একটু ওয়াশরুমগুলো ঠিক করা যায়’—এমন অভিযোগ শুনে বিষয়টির গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়।

    তামিম অভিযোগ করেছেন, তিনি সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কাছে স্পষ্টতা চান। তিনি বলেছেন যে তিনি ওই কোম্পানিকে বলেছেন, সারি-ভিত্তিক বিল জমা দিন এবং আমার সামনে ৩০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে এনে প্রত্যেককে ৫০০ টাকা করে দিতে হবে। কোম্পানিকে ১০০–১৫০ টাকার লাভ রাখার অনুমতি থাকলেও সরাসরি কর্মীদের সাথে প্রতিশ্রুতির লেনদেন লুকিয়ে রাখা যাবে না।

    তামিম স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি পারিশ্রমিকের সত্যতা না দেখানো হয় এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ন্যায্য অর্থ না দেওয়া হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সঙ্গে বিসিবির চুক্তি বাতিল করে তাকে ব্ল্যাকলিস্ট করা হবে যাতে ভবিষ্যতে তারা বিসিবিতে আর কোনও কাজ করতে না পারে।

    সংক্ষেপে তামিমের দাবি—স্টেডিয়ামের পরিষ্কার-পরিচ্ছ্যা ও কর্মীদের মানবিক অধিকার বজায় রাখা অত্যাবশ্যক। যারা মাঠে কাজ করেন তাদের সম্মান ও ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত না করলে কোনো প্রতিষ্ঠানই প্রকাশ্যে দায়িত্বে থাকতে পারবে না।

  • তানিয়া বৃষ্টি আবার অসুস্থ; দ্রুত সেরে ওঠার জন্য দোয়া চাইলেন অভিনেত্রী

    তানিয়া বৃষ্টি আবার অসুস্থ; দ্রুত সেরে ওঠার জন্য দোয়া চাইলেন অভিনেত্রী

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। শনিবার (২ মে) সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে তিনি দ্রুত সুস্থতার জন্য ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন, যা নিয়েই অনুরাগীদের মধ্যে সচল উদ্বেগ রয়েছে।

    তানিয়া দীর্ঘদিন ধরেই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ছিলেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে গুরুতর অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করছেন তিনি; অল্প সময়ের মধ্যে মস্তিষ্কের টিউমারের জন্য দুইবার অস্ত্রোপচারও করা হয়েছে। এ কারণে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে ভক্ত-সমর্থকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও চিন্তা দেখা দিয়েছে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া পোস্টে তানিয়া লিখেছেন, “আসসালামু আলাইকুম। আমাদের সবার প্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি আপু শারীরিকভাবে কিছুটা অসুস্থতার মধ্যে আছেন। তবে চিন্তার তেমন কিছু নেই, তিনি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামে আছেন।” পাশাপাশি তিনি ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চেয়ে অনুরোধ করেন, যেন দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে আবার কর্মস্থলে ফিরতে পারেন।

    তানিয়ার ব্রেইন টিউমার চলতি বছর ধরেই ধরা পড়ে। প্রথমবারের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি, ঢাকার বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে। পরবর্তীতে কিছু শারীরিক জটিলতার কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতের চেন্নাইতে নেওয়া হয়, সেখানে দ্বিতীয় দফায় করা অস্ত্রোপচারও সফল হয়েছে।

    শোবিজে তানিয়ার যাত্রা শুরু হয় ২০১২ সালে একটি সুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। এরপর তিনি টেলিভিশন নাটকে নিয়মিত অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করেন। বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে ২০১৫ সালের ‘ঘাসফুল’ সিনেমার মাধ্যমে। যদিও তিনি কয়েকটি সিনেমায় কাজ করেছেন, তবুও টেলেনাটকের মাধ্যমে তিনি বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। ২০১৯ সালে মুক্তি পায় তার অভিনীত ‘গোয়েন্দাগিরি’—এটাই এখন পর্যন্ত তার সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি। দীর্ঘ বিরতির পর রায়হান খানের ‘ট্রাইব্যুনাল’ ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় ফেরা কথা ছিল।

    ভক্ত ও সহকর্মীরা বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তানিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন। আমরা আশা করি চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে বিশ্রাম নিলে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আবার দর্শকদের মধ্যে ফিরে আসবেন। সকলের জন্য শুভাকাঙ্ক্ষা ও প্রার্থনা থাকল।

  • কানাডায় ফের কপিল শর্মার ক্যাফে লক্ষ্য: গুলি ও প্রাণহানির হুমকি

    কানাডায় ফের কপিল শর্মার ক্যাফে লক্ষ্য: গুলি ও প্রাণহানির হুমকি

    কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সারে শহরে ফের কপিল শর্মার কাছাকাছি থাকা একটি ক্যাফেতে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, যার পর সামাজিক মাধ্যমে কপিল শর্মা ও তার ক্যাফে মালিককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। দাবিটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে পাওয়া গেলেও হামলার দায় স্বীকারের সম্পর্কিত পোস্টের আইনিভাবে সত্যতা এখনো যাচাই হয়নি।

    ঘটনাটি ঘটে সারে শহরের ‘চাই সুট্টা বার’ নামক ক্যাফেতে, যা কপিল শর্মার মালিকানাধীন ‘ক্যাপস ক্যাফে’র 바로 পাশেই অবস্থিত। সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘টাইসন বিষ্ণোই জোরা সিন্ধু’ নামে প্রকাশিত এক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে হামলার দায় স্বীকার করা হয়েছে এবং কপিল শর্মার রেস্তোরাঁকে একই পরিণতির হুমকি দেওয়া হয়েছে—তবে সরাসরি বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততা আইনগতভাবে প্রমাণিত হয়নি।

    কৌশলে করা এই হুমকি এবং নতুন গুলিবর্ষণের খবরটি ওই এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। কপিল শর্মার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি এর আগেও লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল—২০২৪ সালের আগস্টে উদ্বোধনের কয়েকদিন পর খলিস্তানি সমর্থকদের হামলার খবর প্রকাশ পায়, এবং ২০২৫ সালের জুলাই, আগস্ট ও অক্টোবর মাসে ধারাবাহিকভাবে তিনবার গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটায় যা তখনেও বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম জড়িয়ে আসে।

    এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর প্রতিক্রিয়া ও আনুষ্ঠানিক তদন্তের তথ্য অনুসরণ করা হচ্ছে। ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও আইনসম্মত তদন্ত ছাড়া সামাজিক উদ্বেগ কমবে না বলে স্থানীয় বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

  • বৈদ্যুতিক বাস ও ট্রাক আমদানিতে বড় শুল্ক-ছাড়, কেবল ১৫% ভ্যাট বহাল

    বৈদ্যুতিক বাস ও ট্রাক আমদানিতে বড় শুল্ক-ছাড়, কেবল ১৫% ভ্যাট বহাল

    পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক যাতায়াত ব্যবস্থা উৎসাহিত করার লক্ষ্যে দেশি নীতিনির্ধারকরা বৈদ্যুতিক যানবাহন আমদানি সহজ করার একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রোববার (৩ মে) রাতের মন্ত্রিসভা বৈঠকে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কর্তৃক প্রস্তাবিত এই ছাড় অনুমোদন করা হয়।

    বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এইচ.এস কোড-৮৭০২.৪০.০০ আওতাভুক্ত ন্যূনতম ১৭ আসনবিশিষ্ট সম্পূর্ণ নতুন বৈদ্যুতিক বাস আমদানি করলে কাস্টমস ডিউটি (CD), রেগুলেটরি ডিউটি (RD), সম্পূরক শুল্ক (SD), আগাম কর (AT) ও অগ্রিম আয়কর (AIT) থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। তবে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ১৫ শতাংশ অপরিবর্তিত থাকবে; ফলে আমদানিকারকদের উপর মোট করভার থাকবে মাত্র ১৫ শতাংশ। সাধারণ যাত্রী পরিবহণে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে আমদানিকৃত বাসগুলোর জন্য এই সুবিধা প্রযোজ্য থাকবে, কিন্তু শিক্ষার্থী পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত বাস এতে অন্তর্ভুক্ত নয়।

    একই ধরনের শুল্ক-ছাড় নতুন বৈদ্যুতিক ট্রাকের ক্ষেত্রেও দেওয়া হবে, যেখানে গাড়িটির ধারণক্ষমতা ৫ টন বা তার বেশি হবে। সরকার জানিয়েছে এই বিশেষ সুবিধা আগামী ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে এবং শিগগিরই এ সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

    এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আমদানি খরচ কমে পরিবহন খাতে দ্রুত বৈদ্যুতিক যানবাহন সীমাবদ্ধ সময়ে আনতে উৎসাহিত হওয়া, বায়ুমণ্ডল দূষণ হ্রাসে সহায়তা করা এবং অবকাঠামো আধুনিকীকরণের পথে ধাক্কা দেওয়া ছাড়াও ব্যক্তিগত ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি নেয়ার প্রণোদনা দেওয়ার আশা করা হচ্ছে।

  • বিইআরসি ঘোষণা: মে মাসে ১২ কেজি এলপিজির দাম অপরিবর্তিত—১,৯৪০ টাকা

    বিইআরসি ঘোষণা: মে মাসে ১২ কেজি এলপিজির দাম অপরিবর্তিত—১,৯৪০ টাকা

    রোববার (৩ মে) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) জানিয়েছে যে মে মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে — প্রতি সিলিন্ডার ১,৯৪০ টাকা। কমিশনের সিদ্ধান্ত আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।

    বিইআরসি সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত রাখার পূর্বশর্ত হিসেবে গত মাসে দুইবার মূল্যসমন্বয় করা হয়েছিল। ২ এপ্রিল একবার ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১,৭২৮ টাকায় এবং পরে ১৯ এপ্রিল আরও ২১২ টাকা বৃদ্ধি করে তা ১,৯৪০ টাকায় উন্নীত করা হয়।

    অন্যদিকে অটোগ্যাসের দামেও সামান্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। ভোক্তা পর্যায়ে মূসকসহ অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটারে ২ পয়সা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৯ টাকা ৫২ পয়সা। উল্লেখ্য, পূর্বে ২ এপ্রিল প্রতি লিটারে ১৭ টাকা ৯৪ পয়সা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা এবং ১৯ এপ্রিল পুনরায় ৯ টাকা ৭৩ পয়সা বাড়িয়ে তা করা হয় ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা।

    বিইআরসি এই দামসমূহ নিয়ে যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে এবং ভোক্তাদের জন্য নতুন মূল্য সন্ধ্যা ছয়টা থেকে প্রযোজ্য হবে।

  • সংস্কারে বিএনপি সরকার প্রতারণার অভিযোগ; জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বাধ্য করা হবে

    সংস্কারে বিএনপি সরকার প্রতারণার অভিযোগ; জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বাধ্য করা হবে

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা বলছেন, নির্বাচনের আগে করা প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসে বিএনপি সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। তারা আরো জানান, এইভাবে চললে সরকার কর্তৃত্ববাদী হবে—এমনটা রোধ করতে হলে ‘জুলাই সনদ’ কার্যকর করে সরকারকে বাধ্য করতে হবে।

    রোববার (৩ মে) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের মুক্তিযোদ্ধা হলে এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে ‘জ্বালানি, অর্থনীতি, মানবাধিকার, সংস্কার ও গণভোট’ শীর্ষক জাতীয় কনভেনশনে এসব বক্তব্য রাখেন নেতারা। অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী সেশনের সভাপতিত্ব করেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির সহ-প্রধান সারোয়ার তুষার। প্যানেলিস্ট ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক হান্নান মাসউদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী ও সমাজবিজ্ঞানী মির্জা হাসান। সেশনটির moderation করেন জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।

    হান্নান মাসউদ বলেন, সংসদের প্রথম অধিবেশনের পর থেকে স্পষ্ট হয়েছে এটি প্রতারণা ও প্রবঞ্চনার সংসদ। সরকার যেসব অধ্যাদেশ করে ক্ষমতা বাড়িয়েছে, সে বিষয়গুলোকে আইন করে নিয়েছে; কিন্তু যেসব আইন সরকারি জবাবদিহি নিশ্চিত করবে, সেগুলো তারা উপেক্ষা করেছে বা বাতিল করেছে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, আগে একটি অন্তর্বর্তী গঠনের মাধ্যমে স্থানীয় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অপসারণের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল—এখন সেই বিধান এমনভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে যে ব্যাখ্যা- বিশ্লেষণ ছাড়াই স্থানীয় প্রতিনিধিকে সরিয়ে পছন্দমতো প্রশাসক বসানো যাবে।

    তিনি আরও বলেন, পুলিশের কমিশনসহ কিছু সংস্কার প্রথমে কিছু অংশে এগিয়েছে—কিন্তু সরকারে এসে বিএনপি এই প্রস্তাব থেকে সরে গেছে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় স্থাপনের মতো চাওয়াগুলোও বাতিল করা হয়েছে। এসবকিছুই দলের নির্বাচনি ইশতেহার ও পূর্ব প্রতিশ্রুতির পরিপন্থী দাবি করে হান্নান।

    রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী বলেন, ১৯৯১ সালে রাজনৈতিক দলগুলো একত্রে যে সংস্কার প্রস্তাব করেছিল, বিএনপি ক্ষমতায় এসে সেগুলোর কোনোোটিই বাস্তবায়ন করেনি। ২৪-এর অভ্যুত্থানের পর যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে জনস্বপ্ন ভেঙে গেছে—একটি নির্দিষ্ট এলিট, সিভিল-মিলিটারি-ব্যুরোক্রেসি ক্ষমতা ছাড়তে নারাজ। তিনি প্রশাসনিক উচ্চপদস্থদের কথাবার্তায় দ্বিচারিতা ও মিথ্যার কড়া সমালোচনা করেন এবং বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে দেওয়া কিছু বক্তব্য যদি কোনো অন্য দেশে হত, সেক্ষেত্রে তৎক্ষণাৎ পদত্যাগের দাবি উঠত।

    সমাজবিজ্ঞানী মির্জা হাসান ‘জুলাই সনদ’-কে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অনন্য কার্যক্রম হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, এর মূল লক্ষ্য ছিল বিচার, শাসন ও নির্বাহী—এই তিন শাখার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা। তিনি বলেন, শুরুর দিকে সংবিধান সংস্কারের কিছু প্রস্তাব ছিল অনেকটাই রেডিক্যাল—যেমন একই ব্যক্তি সরকারপ্রধান ও দলের প্রধান সম্পাদন করতে পারবে না—কিন্তু বিএনপির চাপেই কিছু জায়গায় সমঝোতা করতে হয়েছে। তবুও যেগুলো রক্ষা করা গেছে, সেগুলো বড় অর্জন ছিল এবং সেগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে দেশ বরফল লাভ করতো।

    এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, বিএনপি সরকার সংস্কার বাস্তবায়নে আগ্রহী নয়; কিছু লোক দীর্ঘদিন তাদের ‘বেনিফিট অব ডাউট’ দিতে চেয়েছিল, কিন্তু সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর এই সন্দেহও ওঠে গেছে। তিনি দাবি করেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ক্ষমতা একচেটিয়াভাবে উপভোগ করতে চায় এবং তারা সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করে নিজের প্রার্থীদের সুবিধা করে নিচ্ছে। সারোয়ার তুষার আরও বলেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয় লোক বসানো যায় না—এ ধরনের পদক্ষেপ রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তিনি প্রশ্ন তুলেন, যদি সবাই নিজ দল থেকে লোক বসায়, তবু রাষ্ট্রপতি-সদৃশ নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য কেউ তারা খুঁজে পাচ্ছে না কি?

    সেশন সভাপত আখতার হোসেন বলেন, বিএনপি যদি সত্যিই সংস্কার চায় না, তাহলে তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে ক্ষমতার অনির্দিষ্ট উপভোগ। তিনি উল্লেখ করেন, ‘নোট অব ডিসেন্ট’ নিয়ে বিএনপি যে জোরালো দাবি করছে, বাস্তবে সংবিধান সংস্কার কমিশনে অনেক গুরুত্বপূর্ন বিষয়ে যেটায় সকলের একমত ছিল, নোট অব ডিসেন্টের কোনো গুরুত্ব হয়নি। আরও বলেন, গণভোটে থাকা চার প্রশ্নের কোনটায় বিএনপির আপত্তি তা স্পষ্ট করা দরকার—কারণ গণভোটের প্রশ্নগুলোর মধ্যে ছিল উচ্চকক্ষের প্রতিনিধিত্ব, পিআর অনুযায়ী আসন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নতুন ফর্মুলা ও সাংবিধানিক নিয়োগের জন্য নিরপেক্ষ বোর্ড গঠন ইত্যাদি বিষয়। তিনি শেষ করেন, সংবিধান পরিবর্তন বনাম নতুন সংবিধান রেখার মধ্যবর্তী সমাধান হিসেবে যা প্রস্তাব করেছিলাম—সংবিধান সংস্কার পরিষদ—বিএনপি এখন সেখান থেকেও সরে এসেছে।

    কনভেনশনটি নাগরিক-হিতৈষী আলোচনায় সংগঠিত হলেও বক্তারা জাতীয় সংস্কার, জবাবদিহি এবং জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক চুক্তি রক্ষার উপর জোর দেন।

  • কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ঘোষণা করল বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ-মেডিকেলে ২৯টি কমিটি

    কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ঘোষণা করল বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ-মেডিকেলে ২৯টি কমিটি

    কেন্দ্রীয় ছাত্রদল একযোগে দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন কলেজ, তিনটি মেডিকেল কলেজ, জেলা ও মহানগরে মিলিয়ে মোট ২৯টি কমিটি ঘোষণা করেছে। কিছু কমিটি নতুনভাবে গঠন করা হয়েছে, আর বাকিগুলোকে পূর্ণাঙ্গ, আংশিক পূর্ণাঙ্গ বা বর্ধিত করা হয়েছে।

    শুক্রবার (২ মে) কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কমিটি অনুমোদনের কথা জানানো হয়।

    ৭টি বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি

    বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে আংশিক কমিটি, পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটিতে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি এবং জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ধিত কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    ৯টি মহানগর কমিটি

    ঢাকা মহানগর উত্তর, ঢাকা মহানগর পশ্চিম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও ঢাকা মহানগর পূর্ব—এগুলোতে প্রত্যেকটিতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহ মহানগর, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা এবং ময়মনসিংহ উত্তর জেলা—এসব স্থানেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি রয়েছে। জামালপুর মহানগরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে এবং কুমিল্লা মহানগর কমিটি আংশিক পূর্ণাঙ্গভাবে গঠন করা হয়েছে।

    ৫টি জেলা কমিটি

    নেত্রকোনা, নরসিংদী, হবিগঞ্জ, খাগড়াছড়ি ও মানিকগঞ্জ—এসব জেলায় পূর্ণাঙ্গ জেলা ছাত্রদল কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ৫টি কলেজ কমিটি

    জয়পুরহাট সরকারি কলেজে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি, ঢাকা কলেজে বর্ধিত কমিটি, আনন্দমোহন কলেজে পূর্ণাঙ্গ কমিটি, নারায়ণগঞ্জের হাজী মিছির আলী ডিগ্রি কলেজে আংশিক কমিটি এবং নারায়ণগঞ্জ কলেজে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়া হয়েছে।

    ৩টি মেডিকেল কলেজ

    ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ, সিরাজগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও জামালপুর মেডিক্যাল কলেজ—এগুলোতেও আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের এই ঘোষণায় সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর স্থানীয় কার্যক্রম ও নেতৃত্ব বণ্টন কিভাবে এগোবে তা এখন পর্যবেক্ষণ করা হবে। আরও বিস্তারিত জানতে বা সদস্য পরিচিতি দেখতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের বিজ্ঞপ্তি ও অফিসিয়াল ঘোষণাপত্র দেখা যেতে পারে।