Blog

  • ৩০ দিনের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করতে চায় ইরান

    ৩০ দিনের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করতে চায় ইরান

    ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত স্থায়ীভাবে শেষ করতে একটি ১৪ দফার নতুন শান্তি প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাবে সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর পরিবর্তে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সব অমীমাংসিত ইস্যু চূড়ান্ত করার দাবি নেওয়া হয়েছে। তেহরান বলেছে, এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ৯ দফার পরিকল্পনার জবাব। আল জাজিরার প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর কাছাকাছি সংবাদমাধ্যম নূর নিউজের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, প্রস্তাবিত ১৪ দফার মধ্যে রয়েছে—ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত সব মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, নৌ-অবরোধ (মারিটাইম ব্লকেড) বন্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার করার দাবি। পাশাপাশি লেবাননে ইসরায়েলের অভিযানসহ অঞ্চলটিতে চলা সব ধরনের উগ্র কার্যক্রম বন্ধ করার শর্তও রাখা হয়েছে।

    গত সপ্তাহে ইরানের আগের একটি প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করেছিল; তখনকার ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাম উল্লেখিত ছিলেন। তবু দুপক্ষের মধ্যে পর্দার আড়ালে আলোচনা অব্যাহত আছে এবং তিন সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিটি এখনো কার্যকর রয়েছে।

    আজ (রোববার, ৩ মে) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ও ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি এই আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছেন। মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় থাকা ওমান এবারও শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

    তেহরানের কড়া ৩০ দিনের সময়সীমা এবং সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবির সামনে واشنگটনের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে, তা এখনও অনিশ্চিত। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার হলে দ্রুত কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা গড়ে উঠতে পারে, নতুবা তীব্র রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপের মধ্যে সংঘাত আবারও জোড়ালো হতে পারে।

  • ইরানের হামলায় আমিরাতে আগুন: ফুজাইরাহ পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় ড্রোন আঘাত

    ইরানের হামলায় আমিরাতে আগুন: ফুজাইরাহ পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় ড্রোন আঘাত

    সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফের হামলার অভিযোগ এসেছে ইরানের বিরুদ্ধে। দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করলেও একটি ইরানি ড্রোন ফুজাইরাহর পেট্রোলিয়াম শিল্প এলাকায় আঘাত হেনেছে, যা বড় অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি করেছে। এটি গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর আমিরাতে হওয়া প্রথম হামলা বলে বিবেচিত হচ্ছে।

    ফুজাইরাহ মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে সঙ্গে সঙ্গে বেসামরিক প্রতিরক্ষা দল মোতায়েন করা হয়েছে। হামলায় তিনজন ভারতীয় নাগরিক আহত হন এবং তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে ইরান থেকে মোট চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। তদের মধ্যে তিনটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে এবং একটি সমুদ্রে পড়েছে।

    মন্ত্রণালয় এক্স (প্রাক্তন টুইটার)-এ দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে নাগরিকদের নিশ্চয়তা দিয়েছে যে দেশের বিভিন্ন স্থানে যে বিস্তৃত শব্দ শোনা গেছে তা ছিল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার কারণে।

    ইরানের পক্ষ থেকে এই হামলার বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

    প্রসঙ্গত, সূত্র বলছে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে আকস্মিক হামলা শুরু করলে জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, তেল-গ্যাস ক্ষেত্র ও অন্যান্য জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। পরে গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর তেহরান সব ধরনের হামলা স্থগিত করেছিল। (সূত্র: আলজাজিরা)

  • সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে মৌয়াল ও জেলে অপহৃত, মুক্তিপণ দাবি

    সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে মৌয়াল ও জেলে অপহৃত, মুক্তিপণ দাবি

    সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন সুন্দরবনে গত রোববার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অস্ত্রের মুখে এক মৌয়াল ও এক জেলেকে অপহরণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের সংবাদে জানা যায়, মাহমুদা নদীর মাইটভাঙা খাল এলাকায় ওই সময় বনদস্যু আলিফের সদস্যরা তাদের তুলে নিয়ে যায়।

    অপহৃতরা হলেন শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের হরিনগর গ্রামের মৌয়াল আব্দুল করিম (৪৮) এবং একই এলাকার জেলে ইসমাইল হোসেন (২৮)। তাদের সহকর্মীরা দাবি করেছেন, অপহরণকারীরা তাদের হাত-পা বেঁধে গভীর বনের দিকে নিয়ে যায়।

    ঘটনার পর যারা ফিরে এসেছেন—জেলে আব্দুল আলিম ও শামীম হোসেন—তারা জানান, অপহরণকারীরা ইসমাইলকে ছাড়া গেলে ৬০ হাজার টাকার মুক্তিপণ দাবি করেছে। আব্দুল করিমের বিষয়ে ওই দল এখনও কোনো দাবি জানায়নি বলে ফিরে আসা জেলেরা জানিয়েছেন।

    পরিপ্রেক্ষিত জানা গেছে, গত ২৬ ও ২৮ এপ্রিল আলাদা দুটি নৌকায় এসব বনজীবী তাদের দলের অন্য সদস্যদের সঙ্গে কদমতলা স্টেশন থেকে প্রয়োজনীয় পাস নিয়ে পশ্চিম সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। তারা মধু আহরণ ও মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন।

    এ ঘটনায় সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মশিউর রহমান জানান, তাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আসেনি; তবে বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং খোঁজাখবর নেয়া হবে। শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদুর রহমান বলেন, সাধারণত অপহৃতদের আত্মীয়রা নিরাপত্তার স্বার্থে কথা প্রকাশ করেন না, তবে যদি কোনো ভুক্তভোগীর স্বজন কিংবা নগদ ধারদেনকারীদের কাছে থেকে অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে আইনগত কর্মপদ্ধতি নেয়া হবে।

    স্থানীয়রা বলছেন, সুন্দরবনে মধু আহরণ ও মাছ শিকার নিয়ে ঢুকতে হলে পাস থাকা সত্ত্বেও নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে। এলাকাবাসী ও বনকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে; তারা দ্রুত উদ্ধারের পাশাপাশি বনাঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন। কর্তৃপক্ষের তৎপরতা ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় আশা করা হচ্ছে অপহৃতরা শিগগিরই ফিরে আসবেন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • খুলনায় রাজু হাওলাদার গুলিবিদ্ধ, অবস্থাঃ আশঙ্কাজনক

    খুলনায় রাজু হাওলাদার গুলিবিদ্ধ, অবস্থাঃ আশঙ্কাজনক

    খুলনায় রাজু হাওলাদার (৪৫) নামের একজনকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। তিনি পেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। চিকিৎসকেরা তার অবস্থাকে আশঙ্কাজনক উল্লেখ করেছেন।

    জানায়, ঘটনাটি সোমবার নগরীর লবণচরা থানা এলাকায় সংঘটিত হয় বলে প্রাথমিক খবর পাওয়া গেছে। গুলিবিদ্ধ রাজু বাগেরহাট এলাকার ইউনূস হাওলাদারের ছেলে। হাসপাতালে ভর্তি করলে তার আহত অবস্থার জন্য তৎক্ষণাত চিকিৎসা শুরু করা হয়।

    রাজুর সঙ্গে থাকা এক নারী জানান, গুলিবিদ্ধ যুবক তার ছেলের বন্ধু। আহত অবস্থায় তিনি তার বাড়িতে অবস্থান নেন এবং জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন বুঝে তাকে হাসপাতালে আনা হয়।

    কেএমপি সহকারী পুলিশ কমিশনার শিহাব করীম বলেন, একটি যুবক লবণচরা এলাকায় গুলি করার শিকার হয়েছেন; পুলিশ ঘটনার সন্ধান ও তদন্ত করছে। তবে ঠিক কোথায় তার ওপর হামলা হয়েছে তা এখনই নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

  • অনূর্ধ্ব-১৪ একাডেমি কাপের সেমিফাইনালে খুলনার এসবিআলী

    অনূর্ধ্ব-১৪ একাডেমি কাপের সেমিফাইনালে খুলনার এসবিআলী

    “নতুন প্রতিভার অন্বেষণে” শীর্ষক বসুন্ধরা কিংস বিএফএসএফ অনূর্ধ্ব-১৪ একাডেমি কাপের সেমিফাইনালে নাম লিখিয়েছে খুলনার এসবিআলী ফুটবল একাডেমী। টুর্নামেন্টটি আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ফুটবল সাপোর্টার্স ফোরাম, সহযোগিতা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন, এবং পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে বসুন্ধরা কিংস।

    সোমবার (৪ মে) ঢাকার কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দিনের প্রথম খেলায় এসবিআলী ফুটবল একাডেমী খুলনা ৩-১ গোলে রাজশাহীর হরিয়ান ফুটবল একাডেমীকে পরাজিত করে সেমিফাইনালে ওঠে। দলের হয়ে ইমরান, শিশির ও অন্তর প্রতিটি করে গোল করেন। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় (ম্যান অব দ্যা ম্যাচ) নির্বাচিত হন ইয়াসিন। আগামী ৬ মে বিকেল ৪টায় এসবিআলী তার সেমিফাইনাল খেলায় অংশগ্রহণ করবে।

    এসবিআলী ফুটবল একাডেমীর খেলোয়াড়রা: আকাশ, হামিম, হোসাইন, জামিল, রিফাত, ইয়াসিন, শিশির, অন্তর, সুজন, সাব্বির, অংকন, বাইজিদ, সৌরভ, অনিক, রোহিত, তাজ, ইমরান, আবির, নাফিস, রাফি ও আইয়ান। টিম ম্যানেজার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী; চীফ কোচ শহিদুল ইসলাম; এবং সহকারী কোচ নুরুল ইসলাম শিমুল।

  • ধবলধোলাইয়ের পর আইসিসির তিরস্কার পেলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি

    ধবলধোলাইয়ের পর আইসিসির তিরস্কার পেলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি

    শ্রীলঙ্কা সফর বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির জন্য মোটেও ভালো গেল না—মাঠে বড় ব্যবধানে হেরেছে নারী দলের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। সেই বিতর্কিত মুহূর্তের পর এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) আনুষ্ঠানিকভাবে তিরস্কার ও একটি ডিমেরিট পয়েন্ট দিয়েছে জ্যোতির নামে।

    আইসিসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জ্যোতিকে আচরণবিধির লেভেল-১ ভঙ্গের দায়ে আনুষ্ঠানিক তিরস্কার দেওয়া হয়েছে এবং ধারা ২.২ অনুযায়ী একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যুক্ত হয়েছে। ম্যাচের সময় ঘটনাটি তুলে এনেছেন মাঠের দুই আম্পায়ার—এলয়িজ শেরিডান ও শাথিরা জাকির জেসি, তৃতীয় আম্পায়ার রোকেয়া সুলতানা এবং চতুর্থ আম্পায়ার চম্পা চাকমা। ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানি দাস শাস্তি প্রত্যাশিত করেছেন।

    আইসিসি অভিযোগ করেছে যে, ধারা ২.২ অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালীন সরঞ্জাম বা পোশাক অপব্যবহার হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে সিলেটে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে, যখন লঙ্কান অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু জ্যোতিকে আউট করেন। ৯ বল খেলে ১৩ রান করার পর হতাশায় ব্যাট ছুঁড়ে ফেলেন জ্যোতি—এটাই নির্বাহী কর্তাদের নোটিশে এসেছে।

    আইসিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ মাসে এটাই জ্যোতির প্রথম অপরাধ। তিনি দায় স্বীকার করলে আলাদা শুনানির প্রয়োজন হয়নি; লেভেল-১ ভঙ্গের ক্ষেত্রে ন্যূনতম শাস্তি হিসেবে আনুষ্ঠানিক তিরস্কার দেওয়া হয়। সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে খেলোয়াড়ের ম্যাচ ফি’র ৫০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা ও এক বা দুই ডিমেরিট পয়েন্ট হতে পারে—যা মামলার প্রেক্ষিতে নির্ধারিত হয়।

    সব মিলিয়ে শ্রীলঙ্কা সফরের ফল বাংলাদেশের জন্য হতাশাজনক। সিরিজে কেবল রাজশাহীতে প্রথম ওয়ানডেতে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ; এরপর টানা পাঁচ ম্যাচ হারের পর ওয়ানডে সিরিজ হেরে যায় ২-১ ব্যবধানে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে পরাজিত হয় বাংলাদেশের দল।

  • ফের অসুস্থ তানিয়া বৃষ্টি, দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া চাইলেন অভিনেত্রী

    ফের অসুস্থ তানিয়া বৃষ্টি, দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া চাইলেন অভিনেত্রী

    ছোটপরদের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি কয়েক মাস ধরেই কঠিন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। গত ফেব্রুয়ারি থেকে তাঁর মাথায় টিউমার ধরা পড়ার পর অল্প সময়ের মধ্যে দুইবার মস্তিষ্কের অস্ত্রোপচার হয়েছে। এই খবরের পর থেকেই ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

    তানিয়া এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। শনিবার (২ মে) তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে ভক্তদের দ্রুত আরোগ্যের জন্য দোয়া চাইতে অনুরোধ করেছেন। পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, “আসসালামু আলাইকুম। আমাদের সবার প্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি আপু শারীরিকভাবে কিছুটা অসুস্থতার মধ্যে আছেন। তবে চিন্তার তেমন কিছু নেই, তিনি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামে আছেন।”

    পোস্টে আরও বলা হয়, তিনি ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন যাতে খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসতে পারেন। পরিবারের তরফ থেকেও অনুরোধ করা হচ্ছে, চিকিৎসা চলাকালীন মেয়েটিকে শান্তি ও প্রাইভেসি দেওয়া হোক।

    চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তানিয়ার ব্রেইন টিউমার ধরা পড়ে। ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে প্রথম অস্ত্রোপচার সফলভাবে করা হয়। পরে শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতের চেন্নাই নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে দ্বিতীয় দফায় একই রোগণের সফল অস্ত্রোপচার করা হয়। তার চিকিৎসা চলছে এবং চিকিৎসকরা তাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।

    ক্যারিয়ারের কথায় ফিরলে, তানিয়া ২০১২ সালে একটি সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজে পা রেখেছিলেন। এরপর টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ২০১৫ সালে ‘ঘাসফুল’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে এবং পরবর্তীতে কয়েকটি ছবিতে কাজ করেন। তবু তিনি মূলত নাটক নিয়ে দর্শকের দরদ উপভোগ করেছেন।

    ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তার অভিনীত ‘গোয়েন্দাগিরি’ ছিল সর্বশেষ চলচ্চিত্র। দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে রায়হান খানের ‘ট্রাইব্যুনাল’ ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় ফেরার পরিকল্পনা ছিল। বর্তমানে ভক্তরা তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন এবং প্রতিহিত পোস্টে অনেকে শুভেচ্ছা ও দোয়ার আবেদন রেখেছেন।

  • সালমান খান হারালেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু সুশীল কুমার

    সালমান খান হারালেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু সুশীল কুমার

    বলিউড সুপারস্টার সালমান খান ঘনিষ্ঠ বন্ধু সুশীল কুমারকে হারিয়েছেন। ৪২ বছর বয়সী সুশীলের মৃত্যু সংবাদ নিজেই সামাজিক মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা এবং গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

    সালমান জানিয়েছেন, সুশীলকে তিনি ভাইয়ের মতোই মানতেন। বন্ধুপ্রিয়তা আর মিষ্টভাষী স্বভাবের জন্য সুশীলের সঙ্গে তার সম্পর্ক জোরালো ও টিকতে থাকা ছিল। মৃত্যুর খবর জানিয়ে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় সুশীলের সঙ্গে নেওয়া বেশ কিছু স্মৃতিকর ছবি শেয়ার করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

    বার্তায় সালমান লিখেছেন, সুশীল এমন একজন মানুষ ছিলেন যিনি জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তেও মুখে হাসি রাখতেন এবং বারবার বলতেন ‘‘সব ঠিক হয়ে যাবে, কিছুই যায় আসে না।’’ এই ধৈর্য আর আশাবাদের জোরেই সুশীলকে তিনি বিদায় জানিয়েছেন।

    বন্ধুর প্রয়াণে সালমান বলেছেন, সুশীল মৃত্যুর বিরুদ্ধে হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়নের মতো লড়েছেন। তিনি বলছেন, নিজের চোখে এখন কষ্টের জলের বদলে সুশীলের সঙ্গে কাটানো হাসিখুশি ও মধুর মুহূর্তগুলোর স্মৃতি ভাসে। জীবন ও মৃত্যুর অনিবার্যতা নিয়ে সালমানের মন্তব্য ছিল, ‘‘কাউকে আগে বা পরে পৃথিবী ছাড়তেই হয়; তাই বাঁচার জন্য জীবনে মানুষের জন্য কিছু করে যাওয়া উচিত।’’

    আরেক পোস্টে সালমান লিখেছেন, যাদের যাওয়ার সময় এসেছে, তাদের আটকে রাখা যায় না; ভালো মানুষরা প্রায়ই আমাদের ছেড়ে দ্রুত চলে যান। তিনি আরও মন্তব্য করেছেন এমন মানুষেরা যাদের অনেক কাজ বাকি থাকে, তারা হয়তো একটু বেশি সময় পান, আর অসৎ বা দুর্নীতিগ্রস্তদের সময় পরে আসে — একটি ভাবনার প্রতিফলন।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচলিত ‘RIP’ ব্যবহার এড়িয়ে সালমান জানিয়েছেন, তিনি সুশীলকে মৃত হিসেবে দেখতে চান না; তিনি তাকে তার নামেই ডাকতে চান এবং স্মৃতির মধ্যে রাখতে চান।

    সবশেষে বন্ধুকে হারানোর পরে নিজের একাকীত্ব নিয়েও কথা বলেছেন সালমান। হালকাভাবে আভাস দিয়ে বলেছেন, সবকিছু ঠিকঠাক চলছিলও, কিন্তু এখন বন্ধু ছাড়া একাকীত্ব তাঁর শারীরিকও প্রভাব ফেলছে—সামান্যভাবে লিভার ও কিডনির ওপর প্রভাব পড়ার কথাও উসুল করেছেন। তিনি বন্ধুর চলে যাওয়া হয়তো শূন্যতা ও ছাপ ফেলে গেছে বলে জানান।

    সুশীল কুমারের মৃত্যু সংবাদে অনুরাগী ও সহপ্রতিভারা শোক প্রকাশ করছেন এবং সামাজিক মাধ্যমে তাদের স্মৃতি ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

  • মনিরা শারমিনের রিট শুনতে হাইকোর্ট বেঞ্চ অপারগতা প্রকাশ করেছে

    মনিরা শারমিনের রিট শুনতে হাইকোর্ট বেঞ্চ অপারগতা প্রকাশ করেছে

    হাইকোর্ট একটি রিট শুনানির সময় যে বেঞ্চটি পর্যালোচনা করছিল, তা মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিলের বৈধতা সংক্রান্ত রিটটি শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেছে।

    সোমবার (৪ মে) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি শুনতে অপারগতা জানায়। আইনজীবীদের according, বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও মনিরা শারমিন একই সংসদীয় আসনের বাসিন্দা হওয়ায় তিনি নিজে রিটটি শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

    রিটের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রধান পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান এবং অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু। তারা জানান, রিটটি আগামীকাল বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হতে পারে।

    পরিপ্রেক্ষিত: গত ২৩ এপ্রিল রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি চাকরি ছাড়ার পর তিন বছর পূর্ণ না হওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

    মনিরা শারমিন জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি ২০২৫ সালের মার্চে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পান। ২০২৩ সালের নভেম্বরে তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে অফিসার জেনারেল পদে যোগ দেন এবং দুই বছর পর গত বছরের ডিসেম্বরে চাকরি থেকে অবসর নেন।

    এ বিষয়ে আদালত অপারগতা ঘোষণা করার পর রিটের ভবিষ্যৎ কবে ও কীভাবে কার্যকর হবে— তা মুলত আগামী বেঞ্চের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। আদালতির অপারগতা ঘোষণার ফলে আপিলকারী ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষে পরবর্তী তর্ক ও পদক্ষেপগুলোর জন্য সময়সূচি বদলাতে পারে।

  • ইসি নুসরাত তাবাসসুমের নামে গেজেট করার সিদ্ধান্ত নিলেন

    ইসি নুসরাত তাবাসসুমের নামে গেজেট করার সিদ্ধান্ত নিলেন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের নামে গেজেট প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন নথিতে স্বাক্ষর করে গেজেট করার কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে, যা জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সোমবার (৪ মে) নিশ্চিত করেছেন।

    জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা নুসরাত তাবাসসুমের নামে গেজেট করার জন্য নথিতে স্বাক্ষর করে ফেলেছি; এখন এটি বিজি প্রেসে পাঠানো হবে।

    নিসচরিতভাবে, নুসরাত এবং আরেক প্রার্থী এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনদের মধ্যে ওই আসনের পরিস্থিতি আদালতেও গড়িয়েছে। মনোনয়নপত্র বাতিল করা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মনিরা শারমিনের করা রিটের শুনানি আগামীকাল মঙ্গলবার (৫ মে) অনুষ্ঠিত হবে। যদি শুনানিতে ভিন্ন কোনো নির্দেশনা আসে, তখন সেই অনুযায়ী কাজ করা হবে; তবে আপাতত নির্বাচনী কমিশনের কাছে এ বিষয়ে কোনো নতুন নির্দেশনা নেই, জানান সংশ্লিষ্ট কমিশনার।

    ঘটনার পটভূমি— ২১ এপ্রিল, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে নানা বিতর্কের মধ্যে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র জামায়াত জোটের হয়ে দাখিল করা হয়। সময়ের পরে জমা হওয়ায় রিটার্নিং কর্মকর্তা তা গ্রহণ করতে বিরত থাকেন। এরপর ২৩ এপ্রিল মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল হয়ে যায়। মনিরা সরকারি ব্যাংক থেকে অবসর নেওয়ার তারিখ থেকে তিন বছর পূর্ণ না হওয়াকে মোটিভ হিসেবে এই বাতিলের বিষয়টি আলোচিত ছিল।

    নুসরাত পরে হাইকোর্টে রিট করেন; শুনানি শেষে আদালত তার মনোনয়নপত্র গ্রহণের নির্দেশ দেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা শনিবার (২ মে) বাছাই করে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন এবং রোববার (৩ মে) সেই অনুযায়ী বৈধ প্রার্থীর তালিকায় নুসরাতের নাম প্রকাশ করেন। নির্বাচন আইনের প্রক্রিয়া মেনে বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করার পর আইন অনুযায়ী একদিন অপেক্ষা করা যায়; কমিশন বলছে তারা দুই দিন অপেক্ষা করেছে এবং এখনও কোনো উচ্চতর আদেশ পাননি।

    ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যদি মনিরা শারমিনের রিটের শুনানি শেষে আদালত তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে বলেন, তাহলে ওই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং জামায়াত জোটের প্রার্থীরা ভোট দিয়ে দুই প্রার্থীর মধ্যে একজনকে বেছে নিবে। আর যদি আদালত মনিরার মনোনয়নপত্র খারিজের নির্দেশ দেন, তাহলে নুসরাত ওই আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে জায়গা নেবেন।

    নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত আসনগুলোর বণ্টন করে দিয়েছে— বিএনপি জোটকে ৩৬টি, স্বতন্ত্র জোটকে একটি এবং জামায়াত জোটকে ১৩টি আসন। নুসরাত-মনিরার আসনটি ছাড়া বাকি ৪৯টিতে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল না; সেসব আসনের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে ইতোমধ্যে শপথ নিয়েছেন।

    কমিশন বলছে, আগামী শুনানির ফলাফল অনুযায়ী তারা দ্রুত নেয়া সিদ্ধান্ত কার্যকর করবেন এবং প্রয়োজনীয় গেজেট প্রকাশ ও অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা পূরণ করবে।