Blog

  • শার্শায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুই বন্ধুর মৃত্যু

    শার্শায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুই বন্ধুর মৃত্যু

    যশোরের শার্শা উপজেলায় বুধবার ভোরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। সোমবার (১১ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নাভারন-সাতক্ষীরা মহাসড়কের উলাশী খাজুরা এলাকায় কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে তোজাম্মেল হোসেন (৪০) ও শাহিন আলম (৪২) নিহত হন।

    নিহত তোজাম্মেল হোসেন উলাশী গ্রামের মৃত আতিয়ার গাইনের ছেলে এবং শাহিন আলম একই গ্রামের সিদ্দিক হোসেনের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, তারা ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন এবং দিনের শুরুতে মোটরসাইকেল যোগে নিয়মিত মতো উলাশী থেকে নাভারনের দিকে যাচ্ছিলেন।

    পথিমধ্যে খাজুরা এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি মালবাহী কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই ওই দুই আরোহীর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে এবং স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এসে উদ্বিগ্ন হয়ে উদ্ধার তৎপরতা চালান।

    খবর পেয়ে সেখানকার লোকজন ঘটনাস্থলে ঢুকে দ্রুত পুলিশের কাছে খবর দিলে নাভারন হাইওয়ে থানা পুলিশ পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। নিহতদের সঙ্গে থাকা লোকজন ও স্থানীয়রা ঘটনার পর উত্তেজিত হলে ঘাতক কাভার্ডভ্যানটিকে আটক করে।

    নাভারন হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোপাল কর্মকার জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং ঘাতক কাভার্ডভ্যান জব্দ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন আছে এবং ঘটনার সঠিক কারণ তদন্ত করে নেয়া হবে।

    বাস্তবিক ক্ষতি ও পরিবার-পরিজনের শোকের মধ্যে স্থানীয় সূত্রে নিহতদের সমবয়সী বন্ধুদের আকস্মিক মৃত্যু এলাকায় দুঃখের ছাপ ফেলেছে। তদন্তকারীরা দূরবর্তী বিষয়ে স্পষ্টতা পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে পুলিশ জানায়।

  • কৃষকের ঘাম-পরিশ্রমেই দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত: আজিজুল বারী হেলাল

    কৃষকের ঘাম-পরিশ্রমেই দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত: আজিজুল বারী হেলাল

    খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বিএনপি সবসময় মানুষের ভোটাধিকার, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধ রক্ষার রাজনীতি করে। দেশের প্রকৃত উন্নয়ন কেবল বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; প্রকৃত উন্নয়ন তখনই মেলে যখন গ্রামের কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ সক্ষমভাবে উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে পারে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তিই হচ্ছে কৃষি। কৃষকদের ঘাম ও পরিশ্রমের ওপর নির্ভর করেই দেশের খাদ্য安全তা নিশ্চিত হয়। তাই কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থার বিস্তার, উন্নত বীজ, সার ও প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করা অত্যন্ত জরুরি।

    এমপি আজ রোববার তেরখাদা উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিএনপি কৃষকবান্ধব নীতিতে বিশ্বাস করে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া শিক্ষাব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নতি ছাড়া কোনো জাতিই স্থায়ীভাবে এগোতে পারে না—শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা আধুনিক ও সহজলভ্য করা উচিত। তরুণ সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানো প্রয়োজন, যোগ করেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে তিনি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ‘অভ্যন্তরীণ বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ-২০২৬’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ (২০২৫-২০২৬ অর্থবছর) অনুসারে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

    উপজেলা পরিষদের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপি প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য স্যানিটারি মেশিন, বেঞ্চ, ক্রীড়া সামগ্রী, পিপি মেশিন, ডায়াবেটিক মেশিন, ওয়েট মেশিনসহ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনও তিনি করেন। এরপর তিনি ছাগলাদাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন এবং লস্করপুর সড়কের উদ্বোধন করেন।

    অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন তেরখাদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিস তাহমিনা সুলতানা নীলা। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম নুরুন্নবী, তেরখাদা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহিদুল্লাহ, কৃষি কর্মকর্তা শিউলি মজুমদার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হানিফ শিকদার, জেলা বিএনপি নেতা জুলফিকার আলী জুলু, এনামুল হক সজল, উপজেলা বিএনপি সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহবায়ক চৌধুরী কাওসার আলী, সাবেক আহবায়ক চৌধুরী ফখরুল ইসলাম বুলু, সাবেক সদস্য সচিব এফ এম হাবিবুর রহমান, জেলা কৃষক দল নেতা শেখ আবু সাঈদ, বিএনপি নেতা রবিউল হোসেন, সরদার আব্দুল মান্নান, ইকরাম হোসেন জমাদ্দার, মোল্লা মাহবুবুর রহমান, সাজ্জাদ হোসেন নান্টা, শরিফ নাইমুল হক, মোল্লা হুমায়ূন কবির, মিল্টন হোসেন মুন্সী, বিল্লাল হোসেন, শেখ আজিজুর রহমান আজিবার, আবুল হোসেন বাবু মোল্লা, যুবদল নেতা চৌধুরী আমিনুল ইসলাম মিলু, গোলাম মোস্তফা ভুট্টো, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সোহাগ মুন্সী, উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক রাজু চৌধুরী, সদস্য সচিব সাবু মোল্লা, ছাত্রদল নেতা সাব্বির আহমেদ টগর, সাবেক ছাত্রদল নেতা আমিনুল ইসলাম আমিন, চৌধুরী আশাবুর রহমান প্রমুখ।

    আজিজুল বারী হেলাল শেষবারে বলেন, ‘‘কৃষি খাতকে শক্তিশালী করা, গ্রামীণ অর্থনীতি গতিশীল করা, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আনা এবং তরুণদের জন্য সৃজনশীল সুযোগ সৃষ্টি করাই দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি।’’

  • মেহেদী মিরাজের ফাইফারে বাংলাদেশ পেল ২৭ রানের লিড

    মেহেদী মিরাজের ফাইফারে বাংলাদেশ পেল ২৭ রানের লিড

    বাংলাদেশের করা ৪১৩ রানের প্রতিশ্রুতির সামনে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুণ করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু টাইগার স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের ঝড় এখনও থামেনি — মিরাজের পাঁচ উইকেটে পাকিস্তানকে ৩৮৬ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ পেল ২৭ রানের লিড।

    দ্বিতীয় দিনের শেষের দিকে অভিষিক্ত ওপেনার আজান ৮৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন; তৃতীয় দিনের শুরুতে তিনি নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ২১ বছর বয়সী এই ব্যাটারটি হাতেনাতে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন এবং একসময় ফজল হক সঙ্গে ১০৪ রানের জুটি গড়ে দলকে পরিস্থিতি সামলাতে সাহায্য করেন। কিন্তু সেঞ্চুরি করার কিছুক্ষণ পরই তাসকিন আলীর পেসে আজান ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হন বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদ।

    এর পর কয়েক ওভারে পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের ঐ রোল ধস খায়। তাসকিন শান মাসুদকে দ্রুত ফিরিয়ে দেন, এরপর সাদমান ইসলামকে ক্যাচে দেন পাকিস্তানি অধিনায়ক। পরের ওভারেই মিরাজ সৌদ শাকিলকে এলবিডব্লিউ-তে আউট করেন।

    ফজল (৬০, ১২০ বল, ৭ চার ও ১ ছয়) এক পর্যায়ে ভাল লড়াই করেও বেশি দূর যেতে পারেননি; মিরাজের বলে তাইজুলকে ক্যাচ দিলেই তিনি ফিরেন। এদিকে ফজল আগে ১০২ বল খেলে ফিফটি করেছেন।

    পাকিস্তান এক সময়ে এক উইকেটে ২১০ রানের মতো শক্ত অবস্থানেও পৌঁছেছিল। তবে পঞ্চম উইকেটের পর ধীরে ধীরে ধারাভঙ্গ দেখা দেয়। ষষ্ঠ উইকেটে সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান যখন মাঠে থাকছিলেন, তখনই তারা ১১৯ রানের জুটি গড়ে দলকে আবার এগিয়ে নিয়ে যান। দুজনই অর্ধশতক সংগ্রহ করেন; রিজওয়ানকে তাইজুল ইসলামের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরাতে পারেন বাংলাদেশের মাঠের এক ফিল্ডার (আউট হন ৫৯ রান করে, ৭৯ বল), আর সালমান আগা করেন ৫৮ (৯৪ বল, ছয় চার ও এক ছয়)।

    শেষ দিকে মিরাজ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন। তার স্পিনে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন কিছুতেই টিকে থাকতে পারেনি এবং দলটি ৩৮৬ রানে সবকটি উইকেট হারায়।

    এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ কঠিন সংগ্রহ করেছে—নাজমুল হাসান শান্ত ১০১, মুমিনুল হক ৯১ এবং মুশফিকুর রহিম ৭১ রানের মতো ব্যাটিংয়ে ভর করে টাইগাররা করেছিলেন ৪১৩ রান। পাকিস্তানের পক্ষে মুহাম্মদ আব্বাস বাংলাদেশিরা বিপক্ষে পাঁচ উইকেট শিকার করেন।

    মোটের উপর খেলায় ফেরেনি পাকিস্তান; মিরাজের স্পেল এবং দলীয় সংগঠিত বোলিংয়ে স্বাগতিকরা ক্রীড়াঙ্গণেই বড় একটা সুবিধা নেওয়ার অবস্থায় রয়েছে।

  • নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করল বাংলাদেশ

    নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করল বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে। দলে অধিনায়ক হিসেবে রয়েছেন নিগার সুলতানা জ্যোতি, আর সহ-অধিনায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নাহিদা আক্তার।

    স্কোয়াডে জায়গা হয়নি শারমিন সুলতানার; তাঁর স্থলে দলে ফিরেছেন তাজনেহার। টিমে নতুনভাবে ফিরে আসা তাজনেহার এখন পর্যন্ত আটটি টি-টোয়েন্টিতে মোট ৪৪ রান করেছেন। সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, তাকে নেওয়ার মূল কারণ ছিল তার ব্যাটিংয়ের বহুমুখী যোগ্যতা — প্রয়োজন অনুসারে এক থেকে ছয় নম্বর পর্যন্ত ব্যাট করতে পারা।

    বিশ্বকাপ শুরুর আগে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ দল আগামী ২৫ মে এডিনবরা, স্কটল্যান্ডের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বে। সেখানে তারা স্বাগতিক স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে, যা বিশ্বকাপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষে দল ইংল্যান্ডে লাফবরো যাবে, যেখানে এক বা একাধিক প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে অংশ নিয়ে স্থানীয় কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া ও টিম কম্বিনেশন চূড়ান্ত করা হবে। এই প্রস্তুতি পর্বের মূল লক্ষ্য হবে খেলোয়াড়দের মাঠে ধার আনা ও коллектив সমন্বয় গঠন।

    বাংলাদেশের বিশ্বকাপ অভিযানের উদ্বোধনী ম্যাচ হবে ১৪ জুন এজবাস্টনে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস। বিসিবি আশা করছে ভালো প্রস্তুতি ও সুশৃঙ্খল দলগঠনের ফলে বিশ্বপর্যায়ে ভালো অর্জন করবে টাইগ্রেসরা।

    অভিজ্ঞ ও তরুণদের মিশেলে গঠিত দলটিতে রয়েছেন বেশ কয়েকজন নিয়মিত নামের সঙ্গে উদীয়মান ক্রিকেটাররাও। বিসিবি অনুশীলন ও ম্যাচের মধ্য দিয়ে সেরা একাদশ খোঁজার ওপর জোর দিচ্ছে।

    বাংলাদেশ নারী দল (স্কোয়াড): নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার (সহ-অধিনায়ক), শারমিন আক্তার সুপ্তা, সোবহানা মোস্তারি, স্বর্ণা আক্তার, রিতু মনি, রাবেয়া খান, ফাহিমা খাতুন, ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা, মারুফা আক্তার, সানজিদা আক্তার মেঘলা, সুলতানা খাতুন, দিলারা আক্তার, জুরাইরিয়া ফেরদৌস ও তাজনেহার।

  • বিশ্বকাপ উদ্বোধনে ঝড় তুলবে ব্ল্যাকপিঙ্কের লিসা

    বিশ্বকাপ উদ্বোধনে ঝড় তুলবে ব্ল্যাকপিঙ্কের লিসা

    আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ—আগামি মাসে শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবল উৎসব ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬। সেই উন্মাদনাকে আরও রোমাঞ্চকর করতে উদ্বোধন অনুষ্ঠানের লাইনআপে যোগ দিলেন ব্ল্যাকপিঙ্কের লিসা। কনকাকাফ জানিয়েছে, নারী কে-পপ শিল্পী হিসেবে লিসা উদ্বোধনী মঞ্চে পারফর্ম করবেন।

    কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো যৌথভাবে এ বছর বিশ্বকাপ আয়োজেন করছে। তাই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটিও তিনটি ভিন্ন মঞ্চে ভাগ করে প্রদর্শিত হবে—প্রতিটি হোস্ট দেশের নির্দিষ্ট স্টেডিয়ামে বিশেষ শো হবে।

    সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিকের খবরে বলা হয়েছে, লিসা আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে পারফরম্যান্স সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। এ পদক্ষেপ জল্পনা শেষ করে দিয়েছে যে উত্তর আমেরিকার মঞ্চে একজন আন্তর্জাতিক স্তরের কে-পপ তারকা পরিবেশন করবেন। অতীতে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে বিটিএসের জুংকুক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অফিসিয়াল সাউন্ডট্র্যাক ‘ড্রিমার্স’ পরিবেশন করেছিলেন—এবার সেই ধারাবাহিকতাকে এগিয়ে নিচ্ছেন লিসা।

    যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে সোফি স্টেডিয়ামে, যুক্তরাষ্ট্র বনাম প্যারাগুয়ে ম্যাচের আগে লিসা পারফর্ম করবেন। ওই মঞ্চে কেটি পেরি, ফিউচার এবং ডিজে স্নেকও থাকবেন।

    টরন্টোর মঞ্চে পারফর্ম করবেন মাইকেল বুবলে, অ্যালানিস মরিসেট ও অ্যালেসিয়া কারা। আর মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও আজতেকায় পারফর্ম করবেন রক ব্যান্ড মানা, আলেহান্দ্রো ফার্নান্দেজ, বেলিন্ডা ও তাইলা।

    প্রতিটি মঞ্চের শো-টাইমের আয়োজনও নির্দিষ্টভাবে করা হয়েছে—যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মঞ্চগুলোতে প্রতিটি শো হবে ১৩ মিনিট, আর মেক্সিকো মঞ্চটি চলবে ১৬ মিনিট ৩০ সেকেন্ড।

    মিউজিক ও খেলার এ মিলন বিশ্বকাপকে আরও উৎসবমুখর করবে বলে অনেকে ধারণা করছেন। লিসাসহ আন্তর্জাতিক তারকাদের অংশগ্রহণ বিশ্বব্যাপী দর্শক ও ভক্তদের জন্য উদ্বোধনী রাত্রিটিকে স্মরণীয় করে তুলবে।

  • ঘোড়ার মাংস বাণিজ্য নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে জয়া আহসানের হাইকোর্ট রিট

    ঘোড়ার মাংস বাণিজ্য নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে জয়া আহসানের হাইকোর্ট রিট

    ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য নিষিদ্ধ করার নির্দেশনা চেয়ে হাই কোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটটি দায়ের করেছেন বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, এ কে খান হেলথকেয়ার ট্রাস্ট এবং অভিনেত্রী ও প্রাণী কল্যাণ কর্মী জয়া আহসান। রিটটি করা হয়েছে সোমবার (১১ মে)।

    রিটপত্রের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে রয়েছেন ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব, ড. সিনথিয়া ফরিদ ও অ্যাডভোকেট সাজিদ হাসান। রিটে দাবি করা হয়েছে, অসুস্থ ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রাণীদের মানুষকে খাদ্য হিসেবে প্রতারণামূলকভাবে বাজারজাত করা হচ্ছে; এই অনিয়ম ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি রোধে উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

    পিটিশনকারীরা দেখান যে পূর্বে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ সত্ত্বেও কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই তারা হাই কোর্টকে নির্দেশ দিতে অনুরোধ করেছেন—অভিযোগগুলোর তদন্ত, অপরাধীদের সনাক্ত ও বিচারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং গাজীপুরে উন্মোচিত অবৈধ ঘোড়ার মাংস বাণিজ্যের ব্যাপারে পুঙ্খানুপুঙ্খ ও সময়সীমাবদ্ধ তদন্ত রিপোর্ট আদালতে দাখিল করার।

    রিটে আরও বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষকে ৬০ দিনের মধ্যে একটি জাতীয় নির্দেশিকা ও বাস্তবায়নযোগ্য কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেয়া হোক, বাজেয়াপ্ত ও অসুস্থ ঘোড়াগুলো নিলামে বিক্রি বন্ধ করা হোক এবং উদ্ধারকৃত প্রাণীদের পরিচর্যা ও পুনর্বাসনের জন্য যথাযথ অভয়ারণ্য বা সুবিধা—যা বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন পরিচালনা করবে—স্থাপন করতে বলা হয়েছে।

    পিটিশনকারীরা জোর দিয়ে উল্লেখ করেছেন যে স্থানীয় প্রশাসনিক উদাসীনতায় এসব অবৈধ কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে তা জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে এবং প্রাণীদের ওপর চলমান নিষ্ঠুরতা বন্ধ হবে না, ফলে তাৎক্ষণিক বিচারিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

    রিটে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বরের প্রথম দিকে গাজীপুরে জেলা প্রশাসন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি কটন (তুলা) কারখানাকে অবৈধ জবাইখানায় রূপান্তরিত করে ব্যাপক ঘোড়ার মাংস বাণিজ্য চালানোর চক্র ধরা পড়ে। ওই অভিযানে প্রায় ৩৬টি গুরুতর অসুস্থ ঘোড়া, ৮টি জবাইকৃত ঘোড়ার মৃতদেহ এবং বিপুল পরিমাণ মাংস উদ্ধার করা হয়, যা বিতরণ ও বিক্রির জন্য প্রস্তুত ছিল।

    উদ্ধারকৃত প্রাণীগুলো অত্যন্ত অনুন্নত ও অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল—প্রচণ্ড অপুষ্টি, চিকিৎসাবিহীন সংক্রমণ, উন্মুক্ত ক্ষত, পোকা-পরজীবী সংক্রমণ, টিউমার ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় উঠে এসেছে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া, পরজীবী ও ছত্রাকজনিত দূষণ এবং সন্দেহজনক যক্ষ্মা—যেগুলো প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে। সেইসব দূষিত মাংস প্রতারণার মাত্রায় মানুষের খাদ্যবস্তু হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছিল; কখনও কখনও তা গরুর মাংস হিসেবে পরিচয় করিয়ে মানুষকে বিভ্রান্তও করা হচ্ছিল।

    যদিও কর্তৃপক্ষ কয়েকবার মনিটরিং ও কড়া নির্দেশনার কথা জানিয়েছে, তবুও বাস্তবে ধারাবাহিকতা নেই—রিটে এই বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। পরে একটি মোবাইল কোর্ট গাজীপুরে ঘোড়ার মাংস বিক্রয় নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও, দোষীদের শনাক্ত ও কারাগারে পাঠানোর কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    অভয়ারণ্য- বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বারবার গাজীপুর পুলিশ ও জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করে তদন্তের জন্য তথ্য ও নথি জমা দিয়েছে। তবু অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। জেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর উদ্ধারকৃত ঘোড়াগুলো অভয়ারণ্য-কে হস্তান্তর করলেও সীমিত সক্ষমতার কারণে সংস্থাটি অতিরিক্ত প্রাণী গ্রহণ করতে পারেনি; পাশাপাশি জানা গেছে বাজেয়াপ্ত অসুস্থ ঘোড়াগুলো নিলামে বিক্রি করা হয়েছে—যা পিটিশনকারীরা বন্ধ করার নির্দেশ চেয়েছেন।

    পিটিশনকারীরা আরও জানান, ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর তারা সংশ্লিষ্ট সরকারি মন্ত্রণালয়গুলোকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠি পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু কোনো ফলপ্রসূ সাড়া পাননি। এসব কারণ দেখিয়ে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

  • বিজয় তামিলনাড়ুর নির্বাচনে ৪৯ বছরের রেকর্ড ভেঙেছেন

    বিজয় তামিলনাড়ুর নির্বাচনে ৪৯ বছরের রেকর্ড ভেঙেছেন

    নিজের প্রথম নির্বাচনে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর, যিনি দক্ষিণ ভারতের সিনেমাজার থেকে উঠে এসে রাজনীতিতে অনন্য নজীর স্থাপন করেছেন। তিনি তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নেন এবং ভোটে জিতে নতুন ইতিহাস গড়েছেন, যা ৪৯ বছর ধরে স্থায়ী রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। বাংলাদেশি সিনেমা জগতের জনপ্রিয় এই তারকা চিত্রনায়ক দীর্ঘদিন ধরে নিজের ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সংগঠন চালিয়ে যাচ্ছেন, যার ফলে তিনি সফলভাবে রাজনীতিতেও প্রবেশ করেছেন।

    ১৯৭৭ সালে তামিল সিনেমার শীর্ষ অভিনেতা এমজি রামাচন্দ্রনের নেতৃত্বাধীন দল এআইএডিএমকে প্রথমবারের মতো অভিনেতা-অভিনেত্রীদের দিয়ে সরকার গঠন করেছিলেন। তখন থেকে এই রাজ্যে অভিনেতাদের রাজনৈতিক প্রভাবের ক্ষেত্রে বিশেষ ধারা তৈরি হয়। তবে এরপর থেকে কোনও তারকা সফলভাবে এই চূড়ান্ত পদে পৌঁছতে পারেননি। বিজয় এই ইতিহাসকে আবারো তুলে ধরেছেন।

    বিজয় তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন ২০০৯ সালে, যখন তিনি নিজ ভক্তদের সংগঠিত করে রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তুলেছেন। তিনি ‘বিজয় মাক্কাল ইয়াক্কাম’ নামে একটি ঐক্যও প্রতিষ্ঠা করেন, যা বিভিন্ন ভক্ত সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত। দীর্ঘ বছর ধরে এই সংগঠন ও দলকে সক্রিয় রেখে তিনি মূল নেতা হিসেবে নিজেদের জায়গা করে নেন।

    তার ফলে, ২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তার দল তামিলাগা ভেট্টরি কোজাগাম ১০৮টি আসনে জয় লাভ করে, যা এই নির্বাচনে একটি বড় সাফল্য। যদিও পার্লামেন্টে এককভাবে সরকার গঠন করতে হলে ১১৮ আসনের প্রয়োজন হলেও, জোটের মাধ্যমে ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকার আশা করছে বিজয় ও তার দল। অনুমান করা হচ্ছে, বিজয়ই তামিলনাড়ুর ভবিষ্যতের মুখ্যমন্ত্রী হবেন।

    এভাবেই তিনি এমজি রামাচন্দ্রনের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন এবং একই रणनीতিতে এগিয়ে যাচ্ছেন, যেখানে ভক্তদের শক্তিকে মূল শক্তি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায় রচনা করছে এই তরুণ নেতা, যা উল্লেখযোগ্য ও প্রশংসনীয়।

  • প্রিয় মালায়লাম অভিনেতার মৃত্যুর খবর প্রানঘাতক সড়ক দুর্ঘটনায়

    প্রিয় মালায়লাম অভিনেতার মৃত্যুর খবর প্রানঘাতক সড়ক দুর্ঘটনায়

    মালায়লাম সিনেমা ও টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ সন্তোষ কে নায়ার একিমাত্র সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। ভারতজুড়ে চলমান নির্বাচনি উৎসব ও উন্মাদনার মাঝেই এই শোকের খবর ছড়িয়েছে সিনেমা জগতের প্রশংসিত অভিনেতার মৃত্যুসংবাদ। এখনও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মনে প্রবলভাবে ঝড়ো হয়েছে তার অভিনীত সিনেমা ‘মোহিনিয়াট্টম’। এই সিনেমার মুক্তি ও জনপ্রিয়তার মাঝেই তার করুণ মৃত্যুসংবাদ এলো।

    মঙ্গলবার সকালে কেরালার পাথানামথিট্টা জেলার এনায়াথু এলাকার একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন সন্তোষ কে নায়ার। তিনি শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন এবং মালায়লাম সিনেমার অন্যতম চিরচেনা ও প্রিয় মুখ। তাঁর অপ্রত্যাশিত মৃত্যুসঙ্গে শুধু মালায়লাম সিনেমা জগতই নয়, পুরো ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গন শোকস্তব্ধ।

    প্রাথমিক তদন্তের সূত্রে জানা যায়, ভোরের দিকে কেরালার পাথানামথিট্টায় তাঁর গাড়ি দ্রুতগতির একটি লরির সাথে ধাক্কা খায়। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। সঙ্গে থাকা তার স্ত্রীও গুরুতর আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    সন্তোষ কে নায়ার বিশেষ করে খলচরিত্রে অভিনয়ে ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে সাবলীল অভিনয় করে দর্শকদের মনজয় করেছেন। ১৯৮২ সালে ‘ইথুঞ্জাঙ্গালুডে কথা’ সিনেমার মাধ্যমে তার অভিনয়জীবন শুরু হয়। তার শেষ ছবি ‘মোহিনিয়াট্টম’, যা এখনও প্রেক্ষাগৃহে চলছে।

    প্রিয় এই অভিনেতার আকস্মিক প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। তাঁর মৃত্যু মানসিক এক অপূরণীয় ক্ষতি চলচ্চিত্র দুনিয়ার জন্য।

  • রুনা লায়লার মৃত্যু নিয়ে অদ্ভুত গুজব: শিল্পী নিজেই পরিষ্কার করলেন

    রুনা লায়লার মৃত্যু নিয়ে অদ্ভুত গুজব: শিল্পী নিজেই পরিষ্কার করলেন

    উপমহাদেশের বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার মৃত্যুসংক্রান্ত অদ্ভুত একটি গুজব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ভক্ত ও অনুরাগীরা আতঙ্কে পড়ার পর, এই কিংবদন্তি শিল্পী নিজেই স্পষ্ট করেছেন যে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ও ভালো আছেন। বর্তমানে তিনি ভারতের দিল্লিতে ‘মিনার–ই–দিল্লি’ পুরস্কার গ্রহণ অনুষ্ঠান অংশগ্রহণের জন্য অবস্থান করছেন। এর মধ্যেই অনলাইনে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক বিভ্রান্তি ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। ঘটনা দেখার পর, তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, ‘আমার প্রিয় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের জানাই, কিছু অজানা গুজব আমার মৃত্যু নিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে।’ ওই পোস্টে তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলছি, আমি সম্পূর্ণ সুস্থ আছি। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, এ ধরনের কোনও তথ্য শেয়ার করার আগে তা যাচাই করে নিন, কারণ এটি আমার এবং আমার পরিবারের জন্য খুব কষ্টদায়ক।’ রুনা লায়লা আরও বলেন, ‘সবাই ভালো থাকুন, আমার জন্য দোয়া করবেন।’ প্রসঙ্গত, ১৯৬৬ সালে পাকিস্তানি সিনেমা হাম দোনো থেকে তার প্রথম পরিচিতি লাভের পরে, উর্দু ভাষার এই গানের মাধ্যমে তিনি সংগীতাঙ্গনে ঝড় তুলেন। 1960-এর দশক থেকে পাকিস্তান টেলিভিশনে নিয়মিত পরিবেশনা করতেন তিনি। এরপর ভারতের চলচ্চিত্র ও সংগীতে তিনি “ও মেরা বাবু চেল চাবিলা” ও “দামা দম মাস্ত কালান্দার” গান পরিবেশনের মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

  • লাইফ সাপোর্টে কারিনা কায়সার, চিকিৎসা চলছে জোরেশোরে

    লাইফ সাপোর্টে কারিনা কায়সার, চিকিৎসা চলছে জোরেশোরে

    জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার বর্তমানে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলতেছে। খবরটি নিশ্চিত করেছেন ‘ডানা ভাই’ খ্যাত কনটেন্ট ক্রিয়েটর কামরুন নাহার ডানা, যিনি জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে জ্বর নিয়ে অসুস্থ ছিলেন কারিনা। হঠাৎই তার জ্ঞান হারানোর পরে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

    শনিবার (৯ মে) এক সদয় পোস্টে ডানা লিখেছেন, চিকিৎসকদের কাছে জানতে পারেন যে কারিনার শরীরে হেপাটাইটিস এ এবং ই ধরা পড়েছে, যা তার লিভারে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করেছে। ঐ দিন বিকেলে তিনি আইসিইউতে ছিলেন, তবে রাতে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।

    কারিনার অস্বস্তিকর পরিস্থিতি উল্লেখ করে ডানা জানিয়েছেন, তার পরিবার এখন দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন, যেন কারিনার জন্য সবাই এক হয়ে প্রার্থনা করেন। ডানা বলেছেন, আমরা সবাই জানি কারিনা কতটা মেধাবী এবং শ্রমঘাম দিয়ে নিজের প্রতিভা নিয়ে বিশ্বদরবারে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন। এই অবস্থা আমরা তাকে হারাতে চাই না।

    ও জানান, যদি আর্থিক সাহায্যের প্রয়োজনে কারির চিকিৎসার জন্য কেউ এগিয়ে এলে ভবিষ্যতে জানানো হবে। আপাতত তাঁর একমাত্র চাওয়া—সবার হৃদয়ে যেন কারিনার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা বর্ষিত হয়। সবাই দোয়া করুন, তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন।