Blog

  • হরমুজ অবরোধে সতর্ক সংকেত: বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা

    হরমুজ অবরোধে সতর্ক সংকেত: বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা

    ইরান-ইসরাইল ও মার্কিন সংঘাতে হরমুজ প্রণালী কৌশলগতভাবে বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বের রাসায়নিক সার সরবরাহ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। তেল ও গুরুত্বপূর্ণ চালানগুলোর প্রধান পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সার আমদানি-রপ্তানি প্রায় পুরোপুরি আটকে পড়েছে, ফলে বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হচ্ছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, সার সরবরাহ না হলে বিশ্ববাজারে সারদর দ্রুত বাড়বে এবং তীব্র ঘাটতিও দেখা দেবে। এই ঘাটতি কৃষিতে সরাসরি প্রভাব ফেলবে; তাদের হিসাব অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী ফসলের উৎপাদন কয়েক অঞ্চলে প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। উৎপাদন কমলেই তা ঘরে-বাইরে কৃষিপণ্যের দামে তীব্র উঠতি চাপ সৃষ্টি করবে।

    রাষ্ট্রসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)-র প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো টোরেরো আল জাজিরাকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, পরিস্থিতি প্রতিদিনই জটিল হয়ে উঠছে। সারঝুঁটির ফলে অনেক দেশের নির্দিষ্ট বীজবপনের সময়সীমা হারানো শুরু হয়েছে — বিশেষ করে এশিয়ার বেশ কিছু দেশে ইতিমধ্যেই ফসল বোনার অনুকূল সময় শেষ হয়ে গেছে। সময়োপযোগী সার না পেলে তারা প্রয়োজনীয় কাজগুলো করতে পারবে না, যা পরবর্তী ফসলের ফলনকে মারাত্মকভাবে কমিয়ে দেবে।

    টোরেরো উল্লেখ করেন, বড় রপ্তানিকারক দেশগুলো—যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিল—অবশ্যই পরিস্থিতি মোকাবেলায় তাদের চাষাবাদের ধরনে পরিবর্তন আনতে পারে। সারের অভাবে তারা গম ও ভুট্টা কমিয়ে সয়াবিনের মতো ফসলের দিকে ঝুঁকতে পারে, কারণ সয়াবিন মাটিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখতে সহায়তা করে এবং পরবর্তী চাষে সার প্রয়োজন কমায়।

    আরও একটি জটিলতা হলো জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রভাব। অপরিশোধিত তেলের দর বাড়লে কৃষকরা উৎপাদিত ফসল খাবার হিসাবে না রেখে জৈব জ্বালানি বা বায়োফুয়েল তৈরিতে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এমন পরিবর্তন খাদ্য সরবরাহকে আরও সংকীর্ণ করবে এবং খাদ্যের ওপর মূল্যচাপ বাড়াবে।

    অর্থনীতিবিদ টোরেরো সতর্ক করে বলেন, ইতিমধ্যে গম ও সয়াবিনের দাম বিশ্ববাজারে বাড়তে শুরু করেছে; চলতি বছরের শেষার্ধে এই প্রবণতা আরও স্পষ্ট হবে এবং আগামী বছরে কৃষিপণ্যের দাম একটি বড় লাফে উপরে যেতে পারে। খাদ্য ও জ্বালানির মূল্য একসঙ্গে বাড়লে বিশ্বের প্রধান অংশে মূল্যস্ফীতি তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী হবে।

    বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষায় দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগ না হলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ঝুঁকি আরও ঘনীভূত হবে। সরবরাহশৃঙ্খল সরিয়ে নেওয়া, ভাণ্ডার তৈরি ও প্রয়োজনীয় সরবরাহ চ্যানেল খোলা রাখার ওপর নীতিনির্ধারকদের তৎপর হবার আহ্বান করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

    সূত্র: আল জাজিরা।

  • যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন: লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ১৩ জন নিহত

    যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন: লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ১৩ জন নিহত

    লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে আজ ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। নাবাতিয়েহ জেলার হাব্বুশ এলাকায় শুক্রবারে এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নয়জন নিহত হন এবং আরও অন্তত ১০ জন গুরুতরভাবে আহত হন। আহতদের মধ্যে একজন নারী ও একটি শিশু রয়েছেন।

    লেবাননের সরকার বলেছে যে টাইর শহর ও এর আশপাশের কয়েকটি এলাকায় একই সময়ে সংঘঠিত হামলায় আরও চার জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও এবতাসি সূত্রে পাওয়া তথ্যে হতাহত ও নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

    আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুসারে, গত ২ মার্চ থেকে চলতি ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে নিহতের সংখ্যা এখন ২৬০০ ছাড়িয়েছে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে কারণ এ হামলা একই সময়ে অহরহ প্রতিশোধ ও পাল্টা হামলার চক্রকে জোরদার করছে।

    সূত্রের খবরে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মধ্যভূমিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলার পরে তেহরানসমর্থিত শিয়াগোষ্ঠী হিজবুল্লাহ পাল্টা আঘাত করে। এর জবাবে তেল আবিব ভূমি ও আকাশে বৈরুতসহ লেবাননের বিস্তীর্ণ এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা শুরু করে।

    সংঘর্ষের তীব্রতায় এ পর্যন্ত প্রায় ৮ লাখ মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। সেখানে মোতায়েন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে, এবং বিষয়টি নিয়ে ফ্রান্সসহ বিশ্বের প্রায় ৩০টি দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    আগে গত ১৬ এপ্রিল এক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যাতে দুই পক্ষের সাধারণ মানুষ নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারবে বলে বলা হয়েছিল। তবুও সাম্প্রতিক হামলার ফলে সেই আপোশ সতর্ক সংকেতের মধ্যে পড়েছে এবং হতাহতের ঘটনা আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান-ইসরায়েল-আমেরিকা সম্পর্ক ও মধ্যপ্রাচ্যের ভৌগলিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় লেবাননে আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত উত্তেজনা কমবে না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও তৎপরতার প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভূত হচ্ছে।

  • শৈলকুপায় মেয়ের বিয়ের পাত্রকে ধরে পালালেন মা

    শৈলকুপায় মেয়ের বিয়ের পাত্রকে ধরে পালালেন মা

    ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নিজের বড় মেয়ের জন্য পছন্দ করা হবু জামাইয়ের সঙ্গে দুই ছোট সন্তান নিয়ে পালিয়ে গেছেন রিমি খাতুন (৩৫)। ঘটনাটি শনিবার নয়, সোমবার নয়—গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) শৈলকুপা উপজেলার চর-ত্রিবেণী গ্রামে ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    পরিবার সূত্রে জানা যায়, কুমারখালীর রিমি খাতুন প্রায় ১৭ বছর আগে শৈলকুপার ওই গ্রামের গাড়িচালক রাশেদ আলীর (৩৮) সঙ্গে বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনে তাদের তিন সন্তান হয়। রাশেদের কাজের তাগিদে তিনি অনেকে সময় বাড়ির বাইরে থাকেন।

    প্রতিবেশী ও পারিবারিক বর্ণনা অনুযায়ী, প্রায় এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের মাধ্যমে পার্বতীপুর গ্রামের মামুন হোসেন (২৪) নামে এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয় রিমির। মামুন নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন বলে জানা গেছে। পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং রিমি এই молодকের নাম তার বড় মেয়ের বিয়ের পাত্র হিসেবে পছন্দ করেন।

    তবে মা ও হবু জামাইয়ের অতিরিক্ত মেলামেশা ও ঘনিষ্ঠতাকে কেন্দ্র করে পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। উত্তেজনা এতটাই বৃদ্ধি পায় যে বড় মেয়ে মানসিক চাপ সামলাতে না পেরে আত্মহননের পথ বেছে নেয়—পরবর্তী পরিস্থিতি থেকে বোঝা যায়, মর্মান্তিক ওই ঘটনায় ওই কন্যার মৃত্যুও ঘটে। বড় মেয়ের এমন ঘটনাও পরিবারের টানাপোড়েন কমায়নি।

    সব বিবাদ ও চাপের মধ্যেই রাশেদ বারবার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সব ঠিক করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তাতে কোনও ফল হয়নি। অবশেষে গত মঙ্গলবার বাড়িতে স্বামী না থাকা সুযোগে রিমি তার দুই নাবালক সন্তানকে নিয়ে মেয়ের নির্ধারিত পাত্র বলে পরিচিত মামুনের সঙ্গে ঘর ছাড়েন।

    ঘটনার পর ভুক্তভোগী স্বামী রাশেদ আলী শৈলকুপা থানাে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তিনি তার শিশু সন্তানদের ফেরত নিয়ে আসার এবং ঘটনার ন্যায্য বিচার চান।

    শৈলকুপা থানার ওসি মোঃ হুমায়ুন কবির মোলা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পালিয়ে যাওয়া গৃহবধূর কাছ থেকে শিশু সন্তানদের উদ্ধারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে এবং সকল দিক তল্লাশি করা হচ্ছে।

    স্থানীয়রা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে সম্পর্ক গেড়ে পারিবারিক বন্ধন ভাঙার জটিলতা এবং বাড়তি মেলামেশার কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। তদন্ত পর্যায়ে পুলিশ যে তথ্য পাবে, সেই অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি শুক্রবার সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে। হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মোস্তফা সরোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম বিদায়ী অন্তর্বতীকালীন কমিটির আহ্বায়ক এনামুল হক ও সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুলের কাছ থেকে অফিসিয়াল দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

    দায়িত্ব গ্রহণ করে নবনির্বাচিত নেতারা ক্লাব পরিচালনা, কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও সদস্যদের কল্যাণে কাজ করার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত কমিটির অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। এতে সহ-সভাপতি হিসেবে ছিলেন সোহরাব হোসেন ও মো. জাহিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ বিমল সাহা, যুগ্ম-সম্পাদক মো. বেল্লাল হোসেন সজল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ মিলন, পাঠাগার, প্রকাশনা ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক বশির হোসেন।

    কার্যনির্বাহী সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো. মাকসুদুর রহমান মাকসুদ, কাজী মোতাহার রহমান, মহেন্দ্রনাথ সেন, সোহেল মাহমুদ ও কে এম জিয়াউস সাদাত।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সাহেব আলী ও হাসান আহামেদ মোল্লা, ক্লাবের সদস্য ও দৈনিক পূর্বাঞ্চল সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সনি, সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ আবু তৈয়ব, এবং সদস্য আতিয়ার পারভেজ, মাহবুবুর রহমান মুন্না, এস এম কামাল হোসেন, এস এম নূর হাসান জনি, গাজী মনিরুজ্জামান, শেখ আল এহসান, উত্তম মন্ডল, দীলিপ কুমার বর্মন, ইয়াসীন আরাফাত রুমী, মো. হেলাল মোল্লা, আব্দুর রাজ্জাক রানা, খলিলুর রহমান সুমন, নাজমুল হক পাপ্পু, আলমগীর হান্নান, সুনীল কুমার দাস, মো. জাকারিয়া হোসেন তুষার, শেখ জাহিদুল ইসলাম, মো. সোহেল রানা, এস এম সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মাসরুর মুর্শেদসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিতরা নবনির্বাচিত কমিটিকে শুভেচ্ছা ও সফলতা কামনা করেন এবং ক্লাবের উন্নয়ন ও সাংবাদিক কল্যাণে তাদের কার্যক্রমে সহায়তার আশ্বাস দেন।

  • প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে সিলেট থেকে শুরু হলো ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’

    প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে সিলেট থেকে শুরু হলো ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’

    আজকের সিলেট জেলা স্টেডিয়াম অন্য কোনো দিনকে ছাপিয়ে গিয়েছে—নীরবতা ভেঙে উঠে এসেছে উৎসবের আমেজ। গ্যালারি কানায়-কানায় ভরে গেছে, মাঠে ছোট ছোট ক্রীড়াবিদরা রোমাঞ্চকর প্রদর্শনী দেখাচ্ছে, নিরাপত্তা ও সংবাদকর্মীদের ব্যস্ততা ছড়িয়ে দিয়েছে প্রাণবন্ততা। সব আয়োজনই মিলে একটাই উদ্দেশ্য—দেশব্যাপী নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন।

    শনিবার ০২ মে, বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে। একই সময়ে দেশজুড়ে জেলা স্টেডিয়ামগুলো ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিল, মহাদেশের নানা প্রান্ত থেকে হাজার হাজার খুদে ক্রীড়াবিদ অংশ নিয়েছে এই অনুষ্ঠানে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শিশু-কিশোরদের উদ্দেশ্যে বলেন, আগামী বাংলাদেশের দায়িত্ব নিতে হবে তাদের—তাই পড়াশোনা ও খেলাধুলাকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। খেলাধুলার মাধ্যমে দেশকে গড়া এবং দেশের সুনাম বাড়ানো যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    সরকারের তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিভা অন্বেষণের উদ্দেশ্যেই শুরু হয়েছে এই প্রতিযোগিতা। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ঢাকা থেকে এসেছেন দেশের সেরা ৩২ জন ক্রীড়াবিদ—প্রতিজন বিভিন্ন বিভিন্ন ক্রীড়ায় দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। তারা সবাই এই অনুষ্ঠানের ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে ভবিষ্যৎ তারকাদের উৎসাহ দিয়েছেন।

    নতুন কুঁড়ির ইতিহাসও স্মরণীয়—১৯৭৬ সালে যাত্রা শুরু হওয়া ‘নতুন কুঁড়ি’ বিটিভির ১৯৮০-এর দশকে জনপ্রিয় একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল, যার মাধ্যমে অনেক প্রতিভা উঠে এসেছিল। বহু বছর পর এখন সেই ব্র্যান্ডটি মঞ্চ থেকে সরিয়ে মাঠে নিয়ে আসা হয়েছে—আর নামও দেওয়া হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’।

    জানানো হয়েছে, ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের জন্য আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা মোট আটটি জনপ্রিয় ইভেন্টে অনুষ্ঠিত হবে। খেলাগুলো প্রথমে উপজেলা পর্যায়ে শুরু হবে; সেখানে বিজয়ীরা জেলা, বিভাগীয় ও সর্বশেষ জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেবে। আঞ্চলিক পর্বের খেলা ১৩-২২ মে’র মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

    দেশকে ১০টি শক্তিশালী অঞ্চলে ভাগ করে প্রতিটি অঞ্চলের জন্য আলাদা জেলা তালিকা তৈরি করা হয়েছে—ঢাকা, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ। প্রতিটি পর্যায়ে একটি শক্তিশালী প্রশাসনিক ও বাস্তবায়ন কমিটি সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি তদারকি করবে, যাতে কোনো মেধা অমূল্যায়িত না থাকে।

    প্রতিযোগিতার নিয়মে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি ও ব্যাডমিন্টন টিম ইভেন্টগুলোতে নকআউট পদ্ধতি থাকবে। দাবায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সুইস লিগ পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। ব্যক্তিগত ইভেন্ট—অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট—হিট বা প্রাথমিক বাছাই ও ফাইনাল রাউন্ডের মাধ্যমে পরাজিত হবে। একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ দুইটি খেলায় অংশ নিতে পারবে।

    রেজিস্ট্রেশনের সময় সীমা থাকা সত্ত্বেও ১২-২৬ এপ্রিল চলতি ডেডলাইন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মোট ১,৬৭,৬৯৩ জন প্রতিযোগী নিবন্ধন করেছেন। তাদের মধ্যে ছেলে ১,২০,৯৪৯ জন ও মেয়ে ৪৬,৭৪৪ জন। অঞ্চলভিত্তিক হিসেবে ঢাকাই অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি—২৫,৩৮৭ জন; সবচেয়ে কম রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ময়মনসিংহ অঞ্চলে—৭,৯৬৬ জন।

    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, নির্বাচনের আগে দলের ইশতেহারে প্রধানমন্ত্রী স্পোর্টসকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন এবং সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যেই ক্রীড়া কার্ড ও ক্রীড়াভাতা চালু করা হয়েছে এবং তা আরও সম্প্রসারিত করা হচ্ছে—এর মাধ্যমে খেলোয়াড়রা অর্থনৈতিক সহায়তা পাচ্ছেন।

    ঢাকা নয়, ঢাকার বাইরে থেকেই উদ্বোধন করার নির্দেশ দেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী—এ কারণে এবারের অনুষ্ঠান সিলেটে আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘‘সবসময়ই শুরু হয় ঢাকা থেকেই; প্রধানমন্ত্রী চাইলেন এটা ঢাকার বাইরে থেকে শুরু হোক—তাই সিলেটকে বেছে নেওয়া হয়েছে।’’

    সরকারি কার্যক্রমের সাথে পরিবারের ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের সহায়তায় এই প্রতিযোগিতা আশা করা হচ্ছে দেশের খেলা চর্চাকে শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যতের ক্রীড়া তারকার সুফল দেবে।

  • খুলনা এসবিআলী ও সুনামগঞ্জ নান্দনিকের ম্যাচ গোলশূন্য ড্র

    খুলনা এসবিআলী ও সুনামগঞ্জ নান্দনিকের ম্যাচ গোলশূন্য ড্র

    “নতুন প্রতিভার অন্বেষণে” শিরোনামে বসুন্ধরা কিংসের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ ফুটবল সাপোর্টারস ফোরামের আয়োজনে এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহযোগিতায় ঢাকার কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে বসুন্ধরা কিংস বিএফএসএফ অনূর্ধ্ব-১৪ একাডেমি কাপ ফুটবল। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ১২টি একাডেমিকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। টুর্নামেন্ট ২৯ এপ্রিল শুরু হয়ে ৮ মে পর্যন্ত চলবে।

    গ্রুপবিন্যাসে “ক” গ্রুপে রয়েছে ডিএসএস ক্লাব (নারায়ণগঞ্জ), ফিরোজ কামাল ফুটবল একাডেমি (বাহ্মণবাড়িয়া) ও ময়মনসিংহ উদয়ন জুনিয়র ফুটবল একাডেমি (ময়মনসিংহ)। “খ” গ্রুপে রয়েছেন বাংলাদেশ বয়েজ ক্লাব ফুটবল একাডেমি (চট্টগ্রাম), মনিং স্টার ফুটবল একাডেমি (লালমনিরহাট) ও টঙ্গী ফুটবল একাডেমি (গাজীপুর)। “গ” গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত টু স্টার বোদা উপজেলা ফুটবল একাডেমি (পঞ্চগড়), মরহুম ফরহাদ হোসেন তালুকদার স্মৃতি ফুটবল একাডেমি (টাঙ্গাইল) ও গোলাকান্দাইল ফুটবল একাডেমি (রূপগঞ্জ)। “ঘ” গ্রুপে রয়েছে নান্দনিক স্পোর্টস একাডেমি (সুনামগঞ্জ), এসবিআলী ফুটবল একাডেমি (খুলনা) ও হরিয়ান ফুটবল একাডেমি (রাজশাহী)।

    শনিবার সকালে খুলনা রেলওয়ে স্টেশন থেকে জাহানাবাদ এক্সপ্রেসে ২৪ সদস্যের এসবিআলী ফুটবল একাডেমি দলের ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। বিকেলে দলের প্রথম ম্যাচটি ছিলি একই গ্রুপের নান্দনিক স্পোর্টস একাডেমি, সুনামগঞ্জের সঙ্গে। বিকেল ৪টায় মাঠে মাঠে থাকা দুই দলের লড়াই তীব্র হলেও লক্ষ্যভেদে সফল হয়নি কেউই; ফলে খেলাটির ফলাফল অপেক্ষা ঘোষণা করা হলো গোলশূন্য ড্র।

    ম্যাচের ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন এসবিআলী ফুটবল একাডেমির গোলরক্ষক তাজ। দলের টিম ম্যানেজার হিসেবে রয়েছেন মোহাম্মদ ইউসুফ আলী। চীফ কোচ শাহিদুল ইসলাম এবং সহকারী কোচ নুরুল ইসলাম শিমুল দায়িত্বে ছিলেন। দলটিতে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে আছেন আকাশ, হামিম, হোসাইন, জামিল, রিফাত, ইয়াসিন, শিশির, অন্তর, সুজন, সাব্বির, অংকন, বাইজিদ, সৌরভ, অনিক, রোহিত, তাজ, ইমরান, আবির, নাফিস, রাফি ও আয়ান।

    প্রথম ম্যাচে গোল না হওয়া সত্ত্বেও প্রতিটি দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা টুর্নামেন্ট জুড়ে আরও কড়া লড়াই এবং উজ্জ্বল পারফরম্যান্স প্রদর্শন করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পরবর্তী ম্যাচগুলোও সমানভাবে উত্তেজনাপূর্ণ হওয়ার প্রত্যাশা ছাড়ছে না।

  • শাকিব খানের ‘রকস্টার’—অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার মুক্তি

    শাকিব খানের ‘রকস্টার’—অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার মুক্তি

    শুটিংয়ের শেষ দফায় প্রবেশ করা শাকিব খানের পরবর্তী সিনেমা ‘রকস্টার’-এর প্রচারণা শুরু হয়েছে। আজ শনিবার নির্মাণ দলের তরফে ছবির অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার প্রকাশ করা হয়েছে।

    ৫৪ সেকেন্ডের ওই অ্যানিমেটেড ঝলকে একজন রকস্টারের শৈশব, স্বপ্ন, জনপ্রিয়তা, পতন ও তীব্র ব্যক্তিজীবনের ছাপ দেখা যায়। টিজারটি শাকিব তার নিজের সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন; ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন— ‘একটা গল্প… যা বদলে দেবে সবকিছু! আসছে খুব শিগগিরই।’

    টিজার প্রকাশের পর ভক্তরা উচ্ছ্বাসে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। কেউ লিখেছেন, ‘রকস্টার আসবে ঝড়ের গতিতে,’ আবার একজন মন্তব্য করেছেন, ‘বদলে দেওয়ার মতো গল্প নিয়ে আমাদের মেগাস্টার আমাদের মাঝে আসবে আবার।’ অনেকে লিখেছেন, ‘মেগাস্টার বলে কথা। জাস্ট আগুন হইছে,’ কেউ বলছেন, ‘এই মুভিটা মনে হয় ইতিহাস সৃষ্টি করবে।’ এই প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত টিজারটি প্রায় ৭০ হাজার রিয়্যাকশন পেয়েছে।

    গেল ২৮ মার্চ শাকিবের জন্মদিনে আগে থেকেই প্রকাশ পেয়েছিল ‘রকস্টার’-এর লুক, যা দেখে ভক্তরা বলেছিলেন—এটি শাকিবের ক্যারিয়ারের সেরা লুকের মধ্যে একটী; কারো মন্তব্যে ‘মায়ায় পড়ে যাওয়া’ ধরনের এক লুক। পরবর্তীতে আরও একটি পোস্টারে শিরোনামে শাকিবের সঙ্গে সাবিলা নূরকেও দেখা যায়।

    জানা গেছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ছবির শুটিং শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ছবির পরিচালক আজমান রুশো। শাকিবের বিপরীতে থাকছেন তানজিয়া জামান মিথিলা ও সাবিলা নূর। সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন জাহিদ নিরব। পরিকল্পনা অনুযায়ী কোরবানি ঈদে মুক্তি পাবে ছবিটি।

    টিজারটি যে উত্তেজনা তৈরি করেছে, তাতে সুদূরপ্রসারি প্রত্যাশা দেখা দিচ্ছে—চলতি বছরের ঈদে দর্শকরা কি ধরনের রূপ দেখতে পাবেন, তা সময়ই নিশ্চিত করবে।

  • কাবিলা জিয়াউল হক পলাশ দিলেন সিনেমা নির্মাণের ইঙ্গিত

    কাবিলা জিয়াউল হক পলাশ দিলেন সিনেমা নির্মাণের ইঙ্গিত

    ব্যাচেলর পয়েন্টের জনপ্রিয় চরিত্র কাবিলায় অভিনয় করে দর্শকের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন জিয়াউল হক পলাশ — অনেকেই তাকে নাম না জেনে কেবল কাবিলা বলেই চেনেন। তবে অভিনেতা হিসেবে অবিরত থাকা সত্ত্বেও শোবিজে আসার মূল স্বপ্ন ছিল পরিচালনায় নামা, এবং সেই স্বপ্ন এখনও জীবন্ত রেখেছেন তিনি। এবার তিনি একই স্বপ্ন বাস্তবায়নের ইঙ্গিত দিলেন।

    রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ পডকাস্টে অংশ নিয়ে পলাশ জানান, চলচ্চিত্র পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যে তিনি দুটি গল্প গুছিয়ে রেখেছেন। সরাসরি বড় পর্দার কাজ শুরু করার আগে তিনি ধাপে ধাপে কাজ করতে চান—একটি ফিকশন প্রকল্প, একটি ওয়েব ফিল্ম ও একটি ওয়েব সিরিজ নেবেন পরিচালনার দায়িত্বে। এসব ছোট পরিসরের কাজের পরই তিনি বড় পর্দার ছবিতে হাত চালাবেন বলে জানালেন।

    এই বিশেষ পডকাস্টটি জেড আই ফয়সাল প্রযোজিত এবং আজ শনিবার (২ মে) রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশন ও রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএম-এ একযোগে প্রচারিত হবে।

    শোবিজ কোনো একেবারে ব্যক্তিগত বিষয়ই নয়—পলাশের সমাজসেবামূলক কাজও আলোচনায় এসেছে। তার প্রতিষ্ঠিত ‘ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে চট্টগ্রামে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার ‘যতন’ নির্মাণ করা হচ্ছে, যার কাজ বর্তমানে প্রায় শেষ পর্যায়ে আছে। পডকাস্টে তিনি এই মানবিক উদ্যোগের লক্ষ্য ও কাজের বিবরণও শেয়ার করেছেন।

    অভিনয় ও সমাজসেবার পাশাপাশি পরিচালনামুখী পরিকল্পনা প্রকাশ করে পলাশ নতুন ধারায় কাজ করার ইচ্ছার ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা অনেকে আগ্রহ নিয়ে দেখছেন।

  • প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি: তারেক রহমান

    প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি: তারেক রহমান

    সিলেট: বর্তমান সরকারের কার্যকারিতাকে বাচ্চার মতো আখ্যায়িত করে মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি—এই মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক নেতা তারেক রহমান। শনিবার (২ মে) সিলেটের চাঁদনীঘাটে সিটি করপোরেশনের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, ‘আড়াই মাস বয়সের শিশুকে হাঁটাতে গেলে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়। বর্তমান সরকারের অবস্থাও তেমনি—তবে আমরা মানুষের সামনে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো আর কাগজে রাখছি না, বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।’

    তিনি আরও জানান, দেশের নারীদের স্বাবলম্বী করা এবং কৃষকদের সহায়তার জন্য তাদের প্রস্তাবিত বিভিন্ন পদক্ষেপ শুরু করা হবে। নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ নিয়ে তারা কাজ করছেন।

    খেলাধুলার ক্ষেত্রেও জোর দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে যারা খেলাধুলায় প্রতিভাবান, তাদের চিহ্নিত করে বিকাশে সহায়তা করা হবে। ‘নতুন কুঁড়ি’ অনুষ্ঠানকে উদাহরণ টেনে তিনি বললেন, দেশের ছোট্ট শিশুদের মধ্য থেকে প্রতিভা বের করে আনার সেই পুরনো ধারাকে নতুন ভাবে সামনে আনা হবে—তার অংশ হিসেবে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ নামক কর্মসূচি আজ থেকে সিলেট থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, গত পরশু পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিশু নাম নিবন্ধন করেছে এবং সাত-আটটি খেলা চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশ্বাস করছেন, এখান থেকে এমন খেলোয়াড় উঠে আসবে যারা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের জন্য পদক জিতিয়ে দেশের সুনাম বাড়াবে।

    তারেক রহমান ক্রিকেট ও মহিলা ফুটবলের উদাহরণ টানেন—ক্রিকেট কিভাবে দেশের কীর্তি বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করেছে এবং মেয়েদের ফুটবল কিভাবে আন্তর্জাতিক সম্মান এনেছে তা উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই নতুন উদ্যোগ থেকেও দেশের জন্য গর্বের মুহূর্ত আসবে।

    সমাবেশে তিনি স্থানীয় উন্নয়নসহ নাগরিক সমস্যার দ্রুত সমাধান ও প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

  • কলাপাড়ায় নারী কনস্টেবলের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    কলাপাড়ায় নারী কনস্টেবলের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শনিবার ভোরে ২৮ বছর বয়সী নারী পুলিশ কনস্টেবল মেহেরুন্নেছা ঊর্মির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার সূত্রপাত টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুড়তলী এলাকায় একটি তিনতলা ফ্ল্যাট থেকে আসে।

    নিহত মেহেরুন্নেছা ঊর্মি বাউফল উপজেলার ইন্দ্রপুর গ্রামের বহিষ্কৃত পুলিশ সদস্য মহিব্বুর রহমানের স্ত্রী ও বরগুনার আমতলীর শাহজাহান মিয়ার মেয়ে। তিনি কলাপাড়া থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং প্রায় আট মাস আগে নিয়োগ পান।

    পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, দাম্পত্য জীবনে ঝগড়াঝাটি ছিল নিয়মিত। স্ত্রী–স্বামীর মধ্যে পারিবারিক বিষয়ে বৈরিতা থাকায় স্থানীয়রা একাধিকবার তাদের ঝামেলা মীমাংসা করেছিল। দম্পতির দেড় বছরের এবং চার বছরের দুই মেয়েসন্তান রয়েছে।

    কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে একটা থেকে দুইটার দিকে মেহেরুন্নেছার স্বামী থানায় এসে জানান, তার স্ত্রী ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পরে বুধবার ভোরে ওই ফ্ল্যাট থেকে মেহেরুন্নেছার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    ওসি আরো জানান, ঘটনায় নিহত কনস্টেবলের স্বামী এবং তাদের দুই শিশুকে থানায় আনা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে আইনানুগ তদন্ত চলছে; ময়নাতদন্ত ও অন্যান্য অনুসন্ধান প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।