Blog

  • পদত্যাগ করব না, ওরা চাইলে বরখাস্ত করুক: অনড় মমতা

    পদত্যাগ করব না, ওরা চাইলে বরখাস্ত করুক: অনড় মমতা

    তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করবেন না। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সপ্তাহজুড়ে প্রতিবাদ আর ক্ষোভের মাঝেই তিনি বলেছে, “ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক। আমি চাই দিনটি একটি কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হোক।”

    গতকাল থেকে শুরু হওয়া বিতর্ক ও বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দলের বিধায়কদের সঙ্গে এক বৈঠকে মমতা জানান, ২৯ এপ্রিল থেকে যে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে সেই অভিযোগ নিয়েই তার দল আদালতে যাবে। বৈঠকে দলের কর্মীদের মনোবল বাড়াতে ও ঐক্য ধরে রাখতে তিনি কড়া বার্তা দিয়েছেন এবং ঘোষণা করেছেন যে দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বললে সেই নেতার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি শৃঙ্খলা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, রাজ্যের প্রধান বিরোধী শক্তি বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন যে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন-পরবর্তী বড় কোনো সহিংসতা ঘটেনি। তিনি বলেন, ‘‘এখন পর্যন্ত যা বিক্ষিপ্ত ঘটনার খবর আছে, তা ২০২১ সালের পরের সময়ের তুলনায় অনেক কম। কিছু গুন্ডা এখনও সক্রিয় আছে—তাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে,’’ বলে তিনি জোর দিয়েছেন।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলকে সরব ও আন্দোলনমুখী রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন যে বিধানসভা খোলার দিনকে ‘‘কালো পোশাক দিবস’’ হিসেবে পালন করা হবে, যাতে রাজনৈতিক ঐক্য ও প্রতিবাদের সুর বজায় থাকে।

    ৭১ বছর বয়সী এ নেত্রী নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই নিজের অবস্থান অটল রাখছেন এবং নির্বাচনের ফলের দ্বায় নির্বাচন কমিশনকে দিয়েছেন। তিনি কমিশনের বিরুদ্ধেই ‘‘নোংরা খেলা’’ খেলার অভিযোগ তুলেছেন এবং মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা ও বিহারের সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিজেপি-বিরোধী জোটের পরাজয়ের উদাহরণ টানিয়েছেন।

    সংবিধানগত ও রাজনীতিকভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে কীভাবে সরানো যায় সে বিষয়ে প্রশ্ন ওঠায় সূত্রগুলো বলছে, রাজ্যপাল(গভর্নর) প্রযুক্তিগতভাবে মুখ্যমন্ত্রীর বরখাস্তের ক্ষমতা রাখেন—বিশেষত যদি আস্থা ভোট না থাকলে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বিধানসভা ভাঙ্গা না হওয়া এবং রিজাল্ট স্বচ্ছতা সংক্রান্ত জটিলতা থাকায় সরাসরি প্রয়োগ সহজ নয়। রাষ্ট্রপতির শাসন জারি করা এক চরম পদক্ষেপ, এবং রাজ্যপাল চাইলে বিজয়ী দলকে সরকার গঠনের আহ্বানও জানাতে পারেন।

    এই প্রেক্ষাপটে, আজ বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বর্তমান মেয়াদ—৭ মে শেষ হচ্ছে, ফলে সময় সীমিত। ইতিমধ্যেই অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা সহ কয়েকজন রাজ্যস্তরের নেতাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বরখাস্তের আহ্বান করতে দেখা গেছে। রাজনৈতিক তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় পরবর্তী কয়েকদিন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের নজর কাড়বে।

  • চিকিৎসকের স্টিকারযুক্ত প্রাইভেট কারে ২৬টি সোনার বার উদ্ধার, ৩ জন আটক

    চিকিৎসকের স্টিকারযুক্ত প্রাইভেট কারে ২৬টি সোনার বার উদ্ধার, ৩ জন আটক

    যশোরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) একটি বিশেষ অভিযানে ২৬টি সোনার বার উদ্ধার করে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। উদ্ধার হওয়া সোনার বারের মোট ওজন ৩ কেজি ৪৮ গ্রাম এবং বিজিবি মূল্য হিসাব করে সেগুলোর মূল্য ধার্য করেছে প্রায় ৬ কোটি ৩৯ লাখ ৪৭ হাজার ৪০ টাকা।

    বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এক বিশেষ টহল নিলগঞ্জ ব্রিজ (যশোর–নড়াইল মহাসড়ক) এলাকায় তল্লাশি পরিচালনা করে। সকালে সাড়ে চারটার দিকে ওই এলাকায় চিকিৎসকের স্টিকার লাগানো একটি প্রাইভেট কার থামিয়ে তল্লাশি করা হলে গাড়ির হেডরেস্টের ভেতর বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় ২৬টি সোনার বার পাওয়া যায়।

    ঘটনায় প্রাইভেট কারসহ আটক করা হয় শার্শার রাজনগর গ্রামের জহির উদ্দিনের ছেলে রনি (৩৬), চৌগাছার উত্তর কয়েরপাড়া গ্রামের ইসহাকের ছেলে আব্দুল গনি (৫৪) এবং যশোর সদর উপজেলার বাগডাঙ্গা গ্রামের ইব্রাহিম সরদারের ছেলে ইসরাইল (৪৬)।

    বিজিবি জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছেন যে ঢাকার আবদুল্লাহপুর ও উত্তরা এলাকায় থাকা চোরাকারবারিদের কাছ থেকে সোনাগুলো সংগ্রহ করে যশোরের চৌগাছা সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। অভিযানে সোনার বারের পাশাপাশি একটি প্রাইভেট কার, পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৭ হাজার ৩২৭ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

    যশোর ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে সোনা পাচারের প্রবণতা বেড়েছে এবং এই ধরনের পাচার রোধে বিজিবির অভিযানগুলো অব্যাহত থাকবে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করে তাদের যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

  • কেসিসির তেল চোর চক্র ধরতে তিন দফায় তদন্ত কমিটি গঠন

    কেসিসির তেল চোর চক্র ধরতে তিন দফায় তদন্ত কমিটি গঠন

    খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) তেল চোর চক্রের ঘটনার তদন্ত করতে তিন দফায় কমিটি গঠন করেছে। কেসিসি প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা সাক্ষরিত অফিস আদেশে সর্বশেষ ৪ মে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। আদেশে কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মোঃ আনিসুজ্জামানকে। অন্য দুই সদস্য হলেন কনজারভেন্সি অফিসার মোঃ আনিসুর রহমান ও উপসহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মোঃ সেলিমুল আজাদ।

    ঘটনাটি ঘটেছিল গত ১৯ মার্চ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে। খালিশপুর বি-অঞ্চলের এসটিএস সুপারভাইজার নুরুজ্জামান সুমন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে ফোন করে জানায় যে, খালিশপুর নিউমার্কেটের এসটিএস এর এলাকায় এক ব্যাকহুইল লোডারের জ্বালানি ট্যাংকের মুখ খুলে তেল চুরি হচ্ছে। প্রশাসকের নির্দেশনায় সেখানে গেলে একটি তেলের ক্যান এবং কয়েক লিটার তেল জব্দ করা হয় এবং ওই ব্যাকহুইল লোডারের চালক এনায়েত হোসেন বাবলুকে গাড়ি চালানো থেকে বিরত রাখা হয়। ঘটনার প্রাথমিক দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযোগ পেয়ে তদন্ত সাপেক্ষে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দেন।

    তবে তদন্ত শুরু থেকেই সদস্য জাতীয় পরিবর্তন দেখা দেয়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রথমে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হলেও কমিটির একজন সদস্যকে নিয়ে আপত্তি উঠায় প্রশাসকের নির্দেশে তিনি কমিটি থেকে সরিয়ে নতুন করে গঠন করা হয়। বাদ দেওয়া সদস্য ছিলেন কেসিসি এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন; তাঁর স্থলে নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মোঃ আনিসুজ্জামানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

    পরে পুনরায় গঠিত দ্বিতীয় দফার কমিটিতে আহবায়ক করা হয় মোঃ আনিসুজ্জামানকে। ওই সময়ে কমিটির এক সদস্য, কনজারজেন্সি অফিসার মোঃ অহেদুজ্জামান ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করলে তদন্ত চলাকালীন আবারও তৃতীয় দফায় কমিটি গঠন করা হয়।

    এই ঘটনায় আগে থেকেই ইতিহাসও আছে। সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের সময়ে কেসিসি কর্তৃপক্ষ দুই ড্রাম চোরাই তেলসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছিল; সেই ঘটনার তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছিল কিন্তু এখনও তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পায়নি। স্থানীয় চালক ও কর্মচারীরা আশা করছেন, পুরনো তদন্ত রিপোর্ট খতিয়ে দেখলে কিংবা নতুন তদন্তে সর্তকভাবে যাচাই-বাছাই করলে তেল চুরির সম্ভাব্য চক্রের পরিচয় উঠে আসবে।

    নতুন গঠিত কমিটির সদস্য কনজারভেন্সি অফিসার মোঃ আনিসুর রহমান প্রথমে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, “আমি এ ঘটনার বাদী। আমাকে কীভাবে ও কোন নিয়মে কমিটির সদস্য করা হলো—এটার ব্যাখ্যা চাই।” কেসিসি প্রশাসন কমিটির পুনর্গঠন এবং তদন্ত কার্যক্রম দ্রুত শেষ করে প্রতিবেদন প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে।

  • টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৪-৫ নম্বরে শেষ করাই বাংলাদেশের লক্ষ্য

    টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৪-৫ নম্বরে শেষ করাই বাংলাদেশের লক্ষ্য

    শাহীন আফ্রিদি বললেও পাকিস্তানের চোখ ফাইনালে, বাংলাদেশ শীর্ষস্থান না-করে ৪-৫ নম্বরেই সন্তুষ্ট থাকতে চায়।

    গতকাল পাকিস্তান অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি জানিয়েছেন যে তার দল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজকে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছার একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে। তার এই মন্তব্যের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, তার দলের লক্ষ্য এখন অতিরিক্ত উচ্চ নয়—আপাতত চক্রটি চার- কিংবা পাঁচ নম্বরে শেষ করাই উদ্দেশ্য।

    শান্ত মনে করেন, গত দুই বছরে দলের পারফরম্যান্স ধারাবাহিকভাবে ভালো হয়েছে এবং ২০২৩-২৫ চক্রে সপ্তম স্থানে শেষ করা একটি ইতিবাচক অর্জন। ‘‘গত দুই বছর আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি, ৭ নম্বরে শেষ করা আমার মনে হয় একটি ভালো অর্জন। ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে, আগের চক্রগুলোতে এমনটা হয়নি। এবার যদি চার-পাঁচে শেষ করতে পারি খুবই ভালো লাগবে,’’ বলেন নাজমুল।

    বাংলাদেশের জন্য ২০২৩-২৫ চক্রটি মোট মিলিয়ে সফলভাবেই কেটেছে—সেই চক্রে টাইগাররা চারটি টেস্ট জয় পায়। এর মধ্যে ছিল ২০২৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে জয়, ২০২৪ সালের আগস্টে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জয়ে শেষ করা, এবং ২০২৪ সালের নভেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি টেস্ট জেতা।

    আগামীকাল ঢাকায় শুরু হতে যাচ্ছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঘরের সিরিজ, যা বাংলাদেশের চলমান টেস্ট চক্রের শুরু হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শান্ত বলেন, ঘরের ম্যাচগুলোতে ভালো করে সুবিধা নিয়ে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ পয়েন্ট নেওয়াই তাদের পরিকল্পনা। ‘‘আমরা ঘরের কন্ডিশনে প্রতিপক্ষের শক্তি-দুর্বলতা অনুযায়ী চরিত্র নির্ধারণ করে খেলার চেষ্টা করব,’’ যোগ করেন তিনি।

    ঘরের সিরিজ ছাড়াও চলতি বছর বাংলাদেশ আরও দুটি কঠিন সিরিজ খেলবে। আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ—প্রথম টেস্ট ১৩ আগস্ট ডারউইনে, দ্বিতীয় টেস্ট ২২ আগস্ট ম্যাকায়। পরে নভেম্বরে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই ম্যাচ—প্রথম ১৫ নভেম্বর জোহানেসবার্গে, দ্বিতীয় ২৩ নভেম্বর সেঞ্চুরিয়নে। অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনে নিয়মিত না খেলার কারণে এগুলো চ্যালেঞ্জিং হবে বলেই শান্তের অভিমত।

    তবুও ঘরের মাঠে ধারাবাহিক ভালো খেলায় বিশ্বাসী শান্ত মনে করেন দলের ভারসাম্য ভালো—পেস বোলিং, স্পিন বোলিং ও ব্যাটিং মিলিয়ে দলটি পর্যাপ্ত শক্তি জমাচ্ছে। তাই প্রথম ধাপে ঘরের সিরিজে ভালো ফল করতে পারলেই ভবিষ্যতের কঠিন সফরগুলোর জন্য আত্মবিশ্বাস বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

  • মিরপুরে ‘প্রতিশোধ’ নয় — শ্রদ্ধা ও প্রস্তুতিই চান সালমান

    মিরপুরে ‘প্রতিশোধ’ নয় — শ্রদ্ধা ও প্রস্তুতিই চান সালমান

    রাওয়ালপিন্ডির দুর্দশাজনক স্মৃতি পাকিস্তানের কাছে এখনও কষ্টদায়ক। নিজেদের মাঠে এগিয়ে থেকেও ম্যাচ হারানো, সিরিজ হাতে না থাকা ও বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সাফল্য—এসব মিলিয়ে ২০২৪ সালের সেই সিরিজ পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য বড় ধাক্কা ছিল। তবু মিরপুরে নতুন সিরিজ শুরুর আগেই পাকিস্তানের টেস্ট অধিনায়ক সালমান আলী আগা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি অতীতকে ‘প্রতিশোধ’ কথায় টিকিয়ে রাখতে চান না।

    মিরপুর টেস্টের আগে সংবাদ সম্মেলনে সালমান বললেন, ‘আমাদের দলে প্রতিশোধ-জাতীয় কোনো শব্দের সঙ্গে নিজেদের জড়াই না। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ যেভাবে প্রস্তুতি নিয়ে এসে খেলেছিল, তাদের কৃতিত্ব দিতেই হবে।’ তিনি বাংলাদেশের পরিকল্পনা ও মানসিকতাকে সম্মান জানালেন।

    সালমান মনে করিয়ে দিলেন, পাকিস্তান ধারণা করেছিল ঘরের কন্ডিশনে তারা সুবিধা নেবে। কিন্তু ম্যাচের ভেতরে বাংলাদেশ বারবার ফিরে এসেছিল—বিশেষ করে ২৬ রানে ছয় উইকেট হারানোর পরও লড়ে উঠে ম্যাচ জেতা ছিল তাদের দৃঢ়তার স্পষ্ট উদাহরণ। তাঁর কথায়, সেটিই বাংলাদেশের স্কিল ও মানসিক শক্তির প্রমাণ।

    এই অভিজ্ঞতা পাকিস্তানকে আরও সতর্ক করেছে। সালমান বলেন, বাংলাদেশকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। ‘আমরা কোনো প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেব না। প্রতিশোধ শব্দটা খুঁজব না। আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রক্রিয়া এবং আমরা কীভাবে খেলি,’ তিনি যোগ করেন। পাকিস্তানের লক্ষ্য এখন শুধুই জেতা নয়, জেতার অবস্থান থেকে ম্যাচ শেষ করা—আগের সিরিজে ঠিক এখানেই তারা ভেঙে পড়েছিল।

    সালমান বাংলাদেশকে তিন বিভাগেই ভারসাম্যপূর্ণ দল হিসেবে দেখছেন—ব্যাটিং, পেস বোলিং ও স্পিন। তাঁর মতে বর্তমান দল আগের দলের সঙ্গে বেশ কাছাকাছি এবং খুবই স্কিলফুল। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ দল এখনো খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, খুব স্কিলফুল। ব্যাটিং, পেস বোলিং, স্পিন—সব বিভাগেই তারা কভারড।’

    পাকিস্তানের ব্যাটিং বিভাগেও তিনি আত্মবিশ্বাসী। সালমান উল্লেখ করেছেন যে মিডল অর্ডারই দলের ইঞ্জিনরুম; সেখানে বাবর, মোহাম্মদ রিজওয়ান, সৌদ শাকিল আর নিজে সালমান অনেক দিন ধরে একসঙ্গে খেলছেন এবং এটি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থিতি। তিনি আরও জানান, টপ অর্ডারে যেসব পরিবর্তন দেখা গেছে, সেগুলো মূলত ইনজুরি বা অনুপস্থিতির ফল।

    ইমাম-উল-হকের দলে ফিরে আসাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেন সালমান। ‘গত তিন-চার বছরে ইমাম টেস্ট ইউনিটের নিয়মিত অংশ ছিলেন। অভিজ্ঞতা ও টেস্ট রান নিয়ে তিনি দলে ফিরছেন, যা আমাদের জন্য ভালো সুযোগ,’ তিনি বললেন।

    তবে মিরপুরে কাজটা সহজ হবে না—এতথ্যটাও তিনি স্বীকার করলেন। বাংলাদেশের বোলিং অ্যাটাককে খুবই ভারসাম্যপূর্ণ বলে বর্ণনা করে তিনি বলেন, বাঁহাতি ও ডানহাতি পেসার আছে, গতি ও স্কিল আছে; এটি সম্ভবত তিনি দেখেছেন সেরা বাংলাদেশ আক্রমণ।

    শেষ পর্যন্ত সালমান ও তাঁর দল স্ট্র্যাটেজি ও ধারাবাহিকতাকে গুরুত্ব দিয়ে খেলতে চান—যেতে পারলে ম্যাচ শেষ করা এবং ভালো ব্র্যান্ডের ক্রিকেট উপস্থাপন করাই তাদের লক্ষ্য।

  • বিজয় ভাগ বসালেন তামিলনাড়ুর ৪৯ বছরের রেকর্ড

    বিজয় ভাগ বসালেন তামিলনাড়ুর ৪৯ বছরের রেকর্ড

    দক্ষিণ ভারতের সুপরিচিত অভিনেতা জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর, যিনি চলচ্চিত্র জগতে ‘থালাপতি বিজয়’ নামে পরিচিত, রাজনৈতিক মঞ্চে প্রথম নির্বাচনে নামেই অভূতপূর্ব সাফল্য দেখিয়েছেন। তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে শুধু ব্যক্তিগতভাবে জয় অর্জনই নয়—একটি ৪৯ বছরের পুরনো রেকর্ডও ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।

    ১৯৭৭ সালে এমজি রামাচন্দ্রন (এমজিআর) চলচ্চিত্র জগত থেকে এসে নিজের দল গঠন করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন—এমন ঘটনা তার পর আর বের হয়নি। যদিও পরবর্তীকালে জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়ললিতা তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হন, তিনি নিজেই নতুন দল গঠন না করে এমজিআর-এর এআইএডিএমকে-র নেতৃত্ব গ্রহণ করেছিলেন। এর পর থেকে আর কোনো অভিনেতা নিজস্ব দল গঠন করে মুখ্যমন্ত্রীত্বে পৌঁছাননি।

    এবার বিজয় তার নতুন দল তামিলাগা ভেট্টরি কোঝাগাম (টিভিকে) নিয়ে নির্বাচনে ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই ইতিহাসের সঙ্গে তাল মিলিয়েছেন। তামিলনাড়ু বিধানসভায় মোট আসন ২৩৪; এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১১৮টি আসন। এবারে বিজয় নিজে জয়ী হয়েছেন এবং তার দল টিভিকে ১০৮টি আসনে জয় পেয়েছে—একটি মাত্র ধাপ দূরে থেকেই আগ্রাসী ফল। ২০২৪ সালে গঠিত এই নতুন দলের জন্য এই পরিমাণ আসন জয় বিস্ময়কর।

    আইনি ও সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী টিভিকে এককভাবে সরকার গঠন করতে পারবে না; ফলে কোনো না কোনো রাজনৈতিক জোট গঠন করেই সরকার গঠন করতে হবে। তথাপি রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জোট গঠিত হলেও সেটির প্রধান চালক শক্তি টিভিকেই থাকবে এবং বিজয়ই তামিলনাড়ুর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর দাবিদার হবেন বলে দেখা হচ্ছে। এভাবেই এমজিআরের দীর্ঘদিনের রূপকথার মতো রেকর্ডটি এবার ভাগ করে নিয়েছেন বিজয়।

    বিজয়ের এই সাফল্যের পেছনে দীর্ঘদিনের সংগঠন গঠনের কাজ আছে। ২০০৯ সাল থেকে তিনি ভক্তদের সংগঠিত করা শুরু করেন এবং বিভিন্ন ভক্ত গ্রুপকে সমন্বিত করে ‘বিজয় মাক্কাল ইয়াক্কাম’ নামে একটি ঐক্যমঞ্চ তৈরি করেন। ২০১১ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এই মঞ্চটি এআইএডিএমকে-কে সমর্থন দিয়েছিল; কিন্তু ২০২১ সালে তাকে থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিজস্ব রাজনৈতিক পরিচয় গঠনে মনোযোগ দেন বিজয়। ২০২৪ সালে তামিলাগা ভেট্টরি কোঝাগাম গঠন করে তিনি সরাসরি ভোটে নামেন এবং এখন মুখ্যমন্ত্রীত্বের শপথ গ্রহণ অপেক্ষায় রয়েছেন।

    (সূত্র: এনডিটিভি)

  • রুনা লায়লা গুজব খণ্ডন: ‘আমি বেঁচে আছি, সুস্থ আছি’

    রুনা লায়লা গুজব খণ্ডন: ‘আমি বেঁচে আছি, সুস্থ আছি’

    উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার মৃত্যু সংক্রান্ত অপ্রতিষ্ঠিত গুজব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় নিজেই তা খণ্ডন করেছেন। তিনি জানান, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ এবং বর্তমানে ভারতের দিল্লিতে ‘মিনার–ই–দিল্লি’ পুরস্কার গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য রয়েছেন।

    এই মর্মে রুনা লায়লা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে বলেন, “আমার প্রিয় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে আমার মৃত্যু নিয়ে কিছু অদ্ভুত গুজব ছড়িয়েছে।” তিনি ওই গুজবকে ভিত্তিহীন হিসেবে বর্ণনা করে সবাইকে অনুরোধ করেন যে, এমন কোনো পোস্ট শেয়ার করার আগে তথ্য যাচাই করে নিন, কারণ এসব কী তাঁর এবং তাঁর পরিবারের জন্য কষ্টদায়ক।

    বহু ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীর উদ্বেগ প্রশমন করতে রুনা লায়লার এই প্রতিক্রিয়া timely বলে দেখা হচ্ছে। সম্প্রতি বিদেশে অবস্থানরত হওয়ায় সংবাদটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বিভ্রান্তি তৈরী হয়েছিল।

    সঙ্গীতজগতের একটি উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব হিসেবে ১৯৬৬ সালে উর্দু চলচ্চিত্র ‘হাম দোনো’র গান ‘নাজরোঁ সে মোহাব্বত কা জো পয়গম মিলা’ দিয়ে রুনা লায়লা প্রথমবার আলোচনায় আসেন। ১৯৬০-এর দশকে তিনি নিয়মিত পাকিস্তান টেলিভিশনে পরিবেশন শুরু করেন এবং পরে ‘ও মেরা বাবু চেল চাবিলা’ ও ‘দামা দম মাস্ত কালান্দার’ জাতীয় হিট গানগুলো তাকে ভারতসহ সমগ্র উপমহাদেশে জনপ্রিয় করে তুলেছিল।

    শেষে তিনি ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘সবার জন্য অনেক ভালোবাসা রইল,’ এবং অনুরোধ করেন—ভুল সংবাদ রোধে সতর্কতা ও তথ্য যাচাই অত্যান্ত জরুরি।

  • সালমান খানের কাছের বন্ধু সুশীল কুমার মৃত্যুবরণ করেছেন

    সালমান খানের কাছের বন্ধু সুশীল কুমার মৃত্যুবরণ করেছেন

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খান একটি মর্মান্তিক খবর ভক্ত ও দর্শকদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। তার ৪২ বছর ধরে কাছের বন্ধু, মঞ্চ ও সিনেমার সহকর্মী সুশীল কুমার আর নেই। সামাজিক মানুষের মাধ্যমে এক পোস্টে সালমান এই বেদনার খবর নিশ্চিত করেছেন এবং গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

    সালমান তাঁর বন্ধু সুশীলকে নিজের ভাইয়ের মতোই মনে করতেন। বন্ধুর মৃত্যুতে তিনি গভীর মনোভাব প্রকাশ করে একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করেন এবং মন্তব্য করেন, সুশীল ছিলেন এমন একজন মানুষ যিনি জীবনের কঠিন সময়েও হেসে এগিয়ে যেতে জানতেন। তিনি সবসময় বলতেন, সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে, কোন কিছুতেই বেশি মনোযোগ দিতে হয় না।

    সালমান আরও লেখেন, সুশীল মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেছেন যেন এক হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়নের মতো। তার জন্য তার চোখে এখন কেবলই স্মৃতি আর হাসি। তিনি মনে করেন, কাউকে আগে বা পরে পৃথিবী থেকে চলে যেতে হয়; তাই আমাদের উচিত জীবনে মানুষের জন্য কিছু করতে থাকা।

    একই সঙ্গে বিভিন্ন পোস্টে সালমান উল্লেখ করেন, যাঁদের চলে যাওয়ার সময় হয়েছে, তাঁদের আটকানো সম্ভব নয়। তবে নিজের জীবন থেকে দ্রুত চলে যাওয়া ভালো মানুষরা, কারণ তাদের এত বেশি সময় পায় না, যতটা দুর্গতির মধ্যেও থাকতে হতে পারে। আর যারা দুর্নীতিগ্রস্ত বা অসৎ, তাদের জন্য সময় আরও পরে আসে।

    বন্ধুর মৃত্যুতে কান্না করা সহজ হলেও সালমানের চোখে একফোঁটা জল আসেনি। সামাজিক মাধ্যমে ‘আরআইপি’ (RIP) সম্বোধন এড়িয়ে তিনি স্পষ্ট করেছেন, তিনি সুশীলকে মৃতদেহ হিসেবে দেখতে চান না; বরং তাকে তার নামেই ডাকতে চান, যেমনটি ছিল তার প্রিয়।

    সবশেষে, সালমান উভয়ের মধ্যে দেখা একাকীত্বের কথা প্রকাশ করে বলেন, সব কিছু ঠিকঠাক চলছিল, কিন্তু বন্ধুকে হারিয়ে এই একাকীত্বের কারণে তার শরীরের লিভার ও কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এই শোকজনক সময়ে কান্না না করে তিনি নিজের গভীর মনোভাব জানিয়েছেন।

  • সিনেমা নিষিদ্ধ করেছিল মমতা, পতনের পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী

    সিনেমা নিষিদ্ধ করেছিল মমতা, পতনের পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী

    বিধানসভার নির্বাচনে বিপুল পরাজয় হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই পরাজয়কে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরে সরব ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র নির্মাতা বিবেক অগ্নিহোত্রী। তার নতুন পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, কীভাবে তার ছবি মুক্তি ও প্রদর্শন নিয়ে বাধা-প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছিল, যা তার পুরনো ক্ষতগুলোকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে তার এই পোস্টটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

    এখানে তার কারণও রয়েছে। যখন মমতা ক্ষমতায় ছিলেন, তখন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ‘ফাইলস ট্রিলজি’—’দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ ও ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’—সিনেমাগুলোর মুক্তি খুবই কঠিন করে দেওয়া হয়েছিল। বিবেকের নির্মিত এসব সিনেমাকে বেশ হেনস্তা ও নিষিদ্ধ করা হয়, যা তার জন্য এক ধরনের মানসিক চাপ সৃষ্টি করেছিল। তার মতে, তার সিনেমাগুলো বলে মোটেও যেন ঠেকানো সম্ভব হয়নি, কারণ দর্শকদের কাছে তা পৌঁছাতে বাধা দেওয়া হয়েছিল।

    বিবেক এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছেন, ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ মুক্তির পর আমাকে বাংলায় কার্যত নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সিনেমা হলে তা তুলে নেওয়া হয়, আর বলা হয় আমাকে বাংলায় ঢুকতে দেওয়া হবে না। গত বছর ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ করা হয়, যার জন্য ট্রেলার লঞ্চও বন্ধ করে দেওয়া হয়। হামলা ও শারীরিক আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে। অভিযোগে ডজনডজন এফআইআর দায়ের করা হয় এবং এমনকি রাজ্যপাল থেকে পুরস্কার নেওয়া তো দুরের কথা।’

    তবুও তিনি হাল ছাড়েননি। বলেন, ‘নিরাপত্তা বজায় রেখে যত সম্ভব বাংলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের কাছে সিনেমাগুলো পৌঁছে দিতে কাজ করেছেন। আমরা লড়াই চালিয়ে গেছি, আর অবশেষে আমাদের এই অসাধারণ জয় পেয়েছি। বাংলার মানুষদের আন্তরিক অভিনন্দন। এখন তারা স্বচ্ছন্দে মাথা উঁচু করে চলতে পারবেন।’

    বর্তমানে বিবেক তার নতুন সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত। তার নতুন প্রকল্পের নাম ‘অপারেশন সিঁদুর’, যা ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তৈরি হচ্ছে। এই সিনেমার মাধ্যমে আবারও তিনি সিনেমাপ্রেমীদের বড় কিছু উপহার দিতে প্রস্তুত।

  • কলকাতায় জনপ্রিয় মালায়লাম অভিনেতা সন্তোষ নায়ার নিহত

    কলকাতায় জনপ্রিয় মালায়লাম অভিনেতা সন্তোষ নায়ার নিহত

    মালায়লাম সিনেমা ও টেলিভিশনের পরিচিত মুখ সন্তোষ নায়ার এক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। এই ভারতীয় সিনেমার সিনেমা জগতের একজন জনপ্রিয় নাম, তিনি ভারতের কেরালায় পাথানামথিট্টা জেলায় একটি গাড়ির দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। এর আগে তার অভিনীত বহু সিনেমা দর্শকের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে পুরো সিনেমা অঙ্গন শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বর্তমানে তার শেষ ছবি ‘মোহিনিয়াট্টম’ এখনও প্রেক্ষাগৃহে চলছে।

    মঙ্গলবার সকালে কেরালার অদূরে পাথানামথিট্টা জেলার এনায়াথু এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিনেতার গাড়িটি দ্রুতগতির লরির সঙ্গে ধাক্কা খায়। আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সেই সঙ্গে তার স্ত্রীও গুরুতর আহত হন এবং বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    সন্তোষ নায়ার বিশেষ করে খলচরিত্রে অভিনয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন। তার অভিনয়শৈলী খুবই সাবলীল ও প্রাণবন্ত ছিল। ১৯৮২ সালে ‘ইথু জঙ্গালুদে কথা’ সিনেমার মাধ্যমে তাঁর চলচ্চিত্র যাত্রা শুরু হয়। অপ্রত্যাশিতভাবে এই অভিনেতার মৃত্যুতে সিনেমা প্রোযোজকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার শেষ ছবি ‘মোহিনিয়াট্টম’ এখনও দর্শকদের মন জয় করছে।

    মালায়লাম চলচ্চিত্রের এই জনপ্রিয় তারকার মৃত্যুতে ভক্ত ও অনুরাগীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।