Blog

  • ইরাকে কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমানের বিধ্বস্তে ৪ মার্কিন সেনা নিহত

    ইরাকে কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমানের বিধ্বস্তে ৪ মার্কিন সেনা নিহত

    ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে একটি মার্কিন কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং (স্ট্রাটোট্যাংকার) বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে; মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে বিমানে থাকা ছয়জন ক্রুর মধ্যে চারজনই মারা গেছেন এবং বাকি দুজন গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন।

    ঘটনার সঙ্গে জড়িত দায়দেনার ব্যাপারে তাত্ত্বিক বিবাদ শুরু হয়েছে। ইরানভিত্তিক রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, পশ্চিম ইরাকের আকাশে কেসি-১৩৫ বিমানটিকে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করে ভূপাতিত করা হয়। একই সঙ্গে ইরান সমর্থিত ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ নামের গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করে ও দাবি করে, হামলায় বিমানে থাকা সব ছয়জনই নিহত হয়েছেন।

    দ্বিপক্ষীয় এই দাবির জবাবে যুক্তরাষ্ট্র তা সরাসরি নাকচ করেছে। সেন্টকম জানিয়েছে, বিমানটি যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনও কারণে বিধ্বস্ত হয়ে থাকতে পারে এবং এটি কোনো শত্রুপক্ষীয় হামলা বা ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’—এর ফল নয়। সেন্টকমের কথায়, চারজন নিহত, দুজন গুরুতর আহত এবং তাদের ওপর চিকিৎসা চলছে।

    ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনার পরিবেশে ঘটেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের নামে শুরু হওয়া ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’–র পর থেকেই এই অঞ্চলে সহিংসতা ও আক্রমণের ধারা তীব্রতা পেয়েছে; ওই অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে কয়েকজন মার্কিন সৈন্য নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে এবং বিভিন্ন রিপোর্টে বলা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে।

    কেসি-১৩৫ হলো বোয়িং নির্মিত একটি দীর্ঘকাল পরিক্ষিত জ্বালানিবাহী বিমান—অতীত থেকে আজও মার্কিন বিমানবাহিনীর রক্ষণশীল মেরুদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত। আকাশে থাকা স্থায়ী বিমানগুলোর মধ্যে এটি যুদ্ধবিমান বা বোমারুদ্বারী বিমানে জ্বালানি সরবরাহে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

    ঘটনাটি ইরাক ও সিরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর জন্য নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ বাড়িয়েছে। পেন্টাগন ইতোমধ্যেই ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে, আর সেই তদন্ত থেকেই ভবিষ্যতে মামলা ও কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া নিরূপিত হবে।

  • পাকিস্তানের বিমান হামলায় কাবুলে নিহত ৪, আহত ১৫

    পাকিস্তানের বিমান হামলায় কাবুলে নিহত ৪, আহত ১৫

    আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলসহ সীমান্তবর্তী কয়েকটি প্রদেশে পাকিস্তান রাতভর বিমান হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে আফগান কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী কাবুলে অন্তত চারজন নিহত এবং ১৫ জন আহত হয়েছেন। কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খলিল জাদরান হতাহতের খবর নিশ্চিত করেছেন এবং জানান, নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছেন। স্থানীয় আবাসিক এলাকা ও বসতবাড়িতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে।

    পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী বলেছে, তারা মূলত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) গ্রুপকে লক্ষ করে এসব অভিযান চালিয়েছে। ইসলামাবাদ দাবি করছে, দেশের অভ্যন্তরে জঙ্গি হামলা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে গত মাস থেকেই আফগানিস্তানের ভেতরে বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা জোরদার করেছে।

    তবে আফগানিস্তানে ক্ষমতায় থাকা তালেবান সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, কাবুলের পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের কান্দাহার ও পাকিস্তান সীমান্তবর্তী পাকতিয়া ও পাকতিকা প্রদেশেও পাকিস্তানের বিমান হামলা হয়েছে।

    কান্দাহারে বিমানবন্দরের কাছে বেসরকারি বিমানসংস্থা ‘কাম এয়ার’-এর জ্বালানি ডিপোতেও আঘাত সম্পর্কে রিপোর্ট পাওয়া গেছে। ওই ডিপো থেকে বেসামরিক বিমান ও জাতিসংঘের উড়োজাহাজকে জ্বালানি সরবরাহ করা হয়। পাকিস্তান পক্ষ দাবি করেছে, ওই অভিযানে কোনো বেসামরিক হতাহত হয়নি।

    বিভিন্ন সূত্র বলছে, দুই পক্ষের দেওয়া হতাহতের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে, আর স্থানীয়রা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। এই সংঘর্ষ নতুন করে উত্তেজনা বাড়ানোর শঙ্কা তৈরি করেছে এবং আরও স্বাধীন তদন্ত ও পরিস্থিতি নিরসনের আহ্বান জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • রামপালের সড়ক দুর্ঘটনায় বর সাব্বিরসহ একই পরিবারের ৯ জনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

    রামপালের সড়ক দুর্ঘটনায় বর সাব্বিরসহ একই পরিবারের ৯ জনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

    খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বেলাই ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত বর সাব্বিরসহ একই পরিবারের ৯ জনের জানাজা ও দাফন শুক্রবার (১৩ মার্চ) সম্পন্ন হয়েছে। ওই দুর্ঘটনায় মোট ১৪ জন প্রাণ হারিয়েছে।

    জুম্মার নামাজের পর মোংলা উপজেলা পরিষদ মাঠে শুক্রবার অনুষ্ঠিত জানাজায় মরদেহগুলো রাখা ও জানাজা শেষে তাদের মোংলা পৌরসভার কবরস্থানে দাফন করা হয়। মরদেহ সকাল থেকেই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রামপাল হাসপাতাল থেকে এনে গোসল সম্পন্ন করে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন মাঠে রাখা হয়েছিল। পরে বর-কনেপক্ষের কয়েকজনকে তাদের নিজ নিজ বাড়ি কয়রা ও রামপালে দাফন করা হয়।

    নিহতদের মধ্যে ৯ জনই মোংলা পোর্ট পৌরসভা ৮ নং ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাকের পরিবারের সদস্য। নিহতদের নামসমূহ — আব্দুর রাজ্জাক, তার দুই ছেলে সাব্বির ও আব্দুল্লাহ, এক কন্যা ঐশী, চার নাতি-নাতনি আরফা, ইরান, ফাহিম ও আলিফ এবং পুতুল বেগম। এছাড়া কয়রার কনের দাদি, নানী, বোন ও কনে এবং রামপালের মাইক্রোবাস চালকও দুর্ঘটনায় মারা যান।

    মোংলায় মরদেহ পৌঁছালে শহরজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। জানাজার নামাজে মোংলা-রামপাল (বাগেরহাট-৩) আসনের সংসদ সদস্য ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাত, বাগেরহাট জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপারসহ জেলা ও স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রায় অর্ধ লাখের মতো মানুষ জানাজায় অংশ নেয়।

    প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, মোংলা-খুলনা সড়কে এ ধরনের দুর্ঘটনা দুঃখজনক; জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং ভবিষ্যতে সড়ক নিরাপত্তা বাড়াতে কঠোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। আহত ও নিহতদের পরিবারের জন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে অনুদান দিয়েছে; এছাড়া জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ও নৌবাহিনীর পক্ষ থেকেও সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে আবেদনপত্র জমা দিলে অনুদানগ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

    দুর্ঘটনায় নিহত মোট ১৪ জনের মধ্যে কনেপক্ষের মরদেহগুলো খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা গ্রামে নিয়ে গিয়ে সেখানে কনের দাদি, নানী, বোন ও কনের দাফন সম্পন্ন করা হয়। মাইক্রোবাস চালককে রামপালের নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।

    স্থানীয় পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে মোংলা থেকে খুলনার উদ্দেশে যাচ্ছিল একটি স্টাফবাহী বাসের সঙ্গে বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাস মুখোমুখি সংঘর্ষে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে; শুরুতে ঘটনাস্থলেই বেশ কয়েকজন নিহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাকিরা মারা যান। তদনেৎ তদন্ত করে নির্দিষ্ট কারণ 밝혀 হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • খুলনায় প্রতি ৫০০ টন বর্জ্যে ১৫% প্লাস্টিক ও ১০% ই-বর্জ্য: ই-বর্জ্য ঝুঁকি নিয়ে কেসিসির জরুরি আলোচনা

    খুলনায় প্রতি ৫০০ টন বর্জ্যে ১৫% প্লাস্টিক ও ১০% ই-বর্জ্য: ই-বর্জ্য ঝুঁকি নিয়ে কেসিসির জরুরি আলোচনা

    খুলনা নগরীর ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তুলে ধরে কেসিসি আয়োজিত এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে সভার সভাপতিত্ব করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। কাজে মিলিয়ে নেওয়া ‘ডিমান্ড ফর জাস্টিস’ শীর্ষক নোটিশের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) কর্তৃক প্রস্তাবিত বিষয়ে কেসিসি এ কর্মশালার আয়োজন করে।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ মুজিবুর রহমান, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিগণ, পরিবেশবাদী সংগঠন বেলা ও অন্যান্য বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা। গবেষণায় দেখা গেছে, খুলনায় প্রতি ৫০০ টন নগর বর্জ্যের মধ্যে প্রায় ১৫ শতাংশ প্লাস্টিক (প্রায় ৭৫ টন) এবং ১০ শতাংশ ই-বর্জ্য (প্রায় ৫০ টন) রয়েছে। এ অনুপাতে ই-বর্জ্যের পরিমাণ বছরে প্রায় ২০–৩০ শতাংশ করে বাড়ছে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    সভায় বলা হয়, নির্দিষ্টভাবে আলাদা করে ই-বর্জ্য সংগ্রহ করা না হলে মাটি, পানি ও বাতাস দূষণের পাশাপাশি কৃষি জমির উৎপাদন হ্রাস, শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যা এবং দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারসহ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হবে। এই কারণেই স্থানীয়ভাবে সুসংগঠিত ব্যবস্থাপনা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তৎপরতা জরুরি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    প্রস্তাবিত কর্মপরিকল্পনায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। নগরবাসীর মাঝে ই-বর্জ্যের ক্ষতিকর দিকগুলো বোঝাতে প্রচারপত্র বিতরণ, বিলবোর্ড ও পোস্টারের মাধ্যমে প্রচার, কেসিসি ছাড়াও সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে সচেতনতা কাজে যুক্ত করার অনুরোধ এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে।

    সভায় আরও সুপারিশ করা হয়—ইলেকট্রনিক পণ্যের অতিরিক্ত ব্যবহার কমানো, প্রতিটি পণ্য দীর্ঘ সময় ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং সম্ভব হলে নির্মাণাধীন বর্জ্য রিসাইক্লিং প্ল্যান্টে ই-বর্জ্য রিসাইক্লিংয়ের সুব্যবস্থা রাখার জন্য পরিকল্পনা নেওয়া।

    সভায় বক্তৃতায় কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, মহানগরকে ঝুঁকিমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত করে তোলা আমাদের মৌলিক দায়িত্ব। গ্রীন, ক্লীন ও হেলদি সিটি গড়ার প্রথম ধাপ হচ্ছে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ। বর্জ্য সংগ্রহকারী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সব অংশীদারকে পরিকল্পনার আওতায় নিয়ে এনে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করতে হবে।

    সভায় কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, চীফ প্লানিং অফিসার আবির উল জব্বার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শরীফ শাম্মিউল ইসলাম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর জাহান, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনিচুজ্জামান, শেখ মোঃ মাসুদ করিম, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান, প্রকৌশলী মোঃ অহিদুজ্জামান খান, আর্কিটেক্ট রেজবিনা খানম, ভেটেরিনারি সার্জন ড. পেরু গোপাল বিশ্বাস, আইটি ম্যানেজার শেখ হাসান হাসিবুল হক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদ, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিনসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

    বিকেলে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে কেসিসি’র পুঙ্খানুপুঙ্খ পূর্ত বিভাগীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক সভায় মিলিত হন। সেখানে তিনি নগরীতে চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি দেখে নির্দেশনা দেন। জলাবদ্ধতা নিরসনকে সর্বোচ্চ চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে বিদ্যমান ড্রেন, নদী পাঠরোধ ও অবকাঠামো ব্যবহার করে সমস্যার সমাধান করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নগর সম্প্রসারণ, ময়ূর নদী সংস্কার, রিভারসাইড সড়ক নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত শহর রক্ষা বাঁধগুলো মেরামতের জন্য পরিপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

    অবশেষে সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে: ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, সচেতনতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, একটি কর্মদল গঠন করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ এবং সম্ভাব্য রিসাইক্লিং সুবিধা দ্রুত চালু করা। এ উদ্যোগই হবে খুলনাকে একটি স্বাস্থ্যকর ও টেকসই নগর ঘোষণা করার পথে প্রথম ধাপ।

  • সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

    সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

    সিরিজ জয়ের উদ্দেশ্যে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। সিরিজ নিশ্চিত করতে শুরুতেই পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে স্বাগতিক টিম টাইগার্স। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে মিরপুরের শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে; শুরু সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিট।

    আগের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে সহজ জিতে নিয়েছিল সিরিজের বাড়তি সুবিধাটা। একটি ম্যাচ বাকি রেখে সিরিজ জয়ের দুর্দান্ত সুযোগ বাংলাদেশের সামনে—বিশ্বকাপের আগে নিজেদের প্রস্তুতি পুরোপুরি যাচাই করার জন্য এই সুযোগ হারাতে চায় না টিম টাইগার্স। তাই আজকের ম্যাচেও পুরো মনোযোগ নিবে দলটি।

    বাংলাদেশের একাদশ আগের ম্যাচের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্য দিকে পাকিস্তান একটি পরিবর্তন এনেছে—স্পিনার আবরার আহমেদের জায়গায় একাদশে সুযোগ পেয়েছেন পেসার হারিস রউফ। পাকিস্তান সিরিজে টিকে থাকতে এই ম্যাচে জয়ের চেষ্টা করবে।

    সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানেররের টপ অর্ডার ভাঙিয়ে দেওয়ার কাজটি করেছেন বাংলাদেশ পেসার নাহিদ রানা; তার ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে তিনি ৫ উইকেট নিয়েছিলেন। সেই ফর্ম ধরে রাখতে হলে আজও বোলিংয়ে নির্ভর করতে হবে বাংলাদেশের ওপর।

    অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ম্যাচের আগে বলেন, “এটা আমাদের জন্য দুর্দান্ত শুরু ছিল। দীর্ঘ সময় পর ওয়ানডে খেলায় সবাই ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছে। খেলোয়াড়রা কঠোরভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে, আশা করছি তাদের পরিশ্রমে আমরা সিরিজ জিততে পারব।”

    বাংলাদেশ সম্ভাব্য একাদশ: সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাওহিদ হৃদয়, আফিফ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, রিশাদ হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা।

    পাকিস্তান সম্ভাব্য একাদশ: সাহিবজাদা ফারহান, মাজ সাদাকাত, শামিল হোসেন, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটকিপার), সালমান আগা, হুসেইন তালাত, আবদুল সামাদ, ফাহিম আশরাফ, শাহিন আফ্রিদি (অধিনায়ক), মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, হারিস রউফ।

    দক্ষণে ক্রীড়া প্রেমীদের আগ্রহ থাকবে কে কেমন পারফর্ম করে এবং বাংলাদেশ কি সিরিজ জয়ের কাজটা আজই শেষ করতে পারবে—এই উত্তেজনাও ম্যাচে যোগ করবে বিশেষ মাত্রা।

  • দ্য হান্ড্রেডে প্রথম বাংলাদেশি মুস্তাফিজ, বেথেল ও ব্রুকসসহ বার্মিংহ্যাম শক্তিশালী স্কোয়াডে

    দ্য হান্ড্রেডে প্রথম বাংলাদেশি মুস্তাফিজ, বেথেল ও ব্রুকসসহ বার্মিংহ্যাম শক্তিশালী স্কোয়াডে

    ইংল্যান্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট দ্য হান্ড্রেডে প্রথম ছয়টি আসরে ক্রিকেটার বাছাই প্লেয়ার্স ড্রাফটের মাধ্যমে হলেও ২০২৬ সালের আসরের জন্য এবার প্রথমবার নিলামের মাধ্যমে খেলোয়াড় সংগ্রহ করা হয়। নিলকালে ইতিহাস গড়লেন মুস্তাফিজুর রহমান—বার্মিংহ্যাম ফিনিক্স তাকে কিনে নিয়ে প্রথমবারের মতো দ্য হান্ড্রেডে খেলার জন্য কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে ঠিক করে দিলো। অন্যদিকে চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা পাওয়া আরেক বাংলাদেশি রিশাদ হোসেন দল পাননি।

    বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে আগে থেকেই জনপ্রিয় এই বাঁ-হাতি পেসারকে দ্য হান্ড্রেডেও দলে পাওয়ার অপেক্ষা ছিল অনেকের। হান্ড্রেডে মুস্তাফিজের ভিত্তিমূল্য রাখা ছিল ১ লাখ পাউন্ড, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ৬৪ লাখ টাকারও বেশি। বার্মিংহ্যাম ফিনিক্সে মুস্তাফিজের সঙ্গে একই দলে খেলার জন্য একটা পরিমিত বিদেশি-নাগরিক ট্রান্সফারও সফল হয়েছে।

    বার্মিংহ্যাম ফিনিক্সের বড় খেলা ছিল ইংল্যান্ডের তরুণ ব্যাটিং অলরাউন্ডার জ্যাকব বেথেলকে নিলামে ধরে নেওয়া—সর্বোচ্চ দাম দিয়ে তাকে দলের সবচেয়ে দামী ক্রিকেটার করা হয়েছে। সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে বিধ্বংসী সেঞ্চুরি করেছে বেথেল; অল্প সময়েই তিন ফরম্যাটেই নিজের স্থান পাকাপোক্ত করা এই ২২ বছর বয়সী অলরাউন্ডারকে ফিনিক্স ৩ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ডে নিয়েছে।

    তার সঙ্গে বার্মিংহ্যাম যে কয়েকজন খেলোয়াড়কে দলে এনেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন: ইংল্যান্ডের লেগস্পিন অলরাউন্ডার রেহান আহমেদ (আড়াই লাখ পাউন্ড), দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার দোনোভান পেরেইরা (২ লাখ ১০ হাজার পাউন্ড), অস্ট্রেলিয়ার আগ্রাসী ব্যাটার মিচেল ওয়েন (১ লাখ ৩০ হাজার পাউন্ড), পেসার সাকিব মাহমুদ (দেড় লাখ পাউন্ড), পাকিস্তানি স্পিনার উসমান তারিক (১ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ড), লরি ইভানস (৮৫ হাজার পাউন্ড) এবং বিপিএলে নজর কাড়া উইকেটকিপার-ব্যাটার ইথান ব্রুকস (৭০ হাজার পাউন্ড) ইত্যাদি।

    আগামী ২১ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ৬ আগস্ট পর্যন্ত চলবে দ্য হান্ড্রেডের সপ্তম আসর। দলে জায়গা পাওয়ার পর মুস্তাফিজ ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজে আনন্দ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘দ্য হান্ড্রেডে খেলার সুযোগ পেয়ে খুবই খুশি। বার্মিংহ্যাম ফিনিক্সের সঙ্গে আসন্ন মরসুমটি ভালোভাবে কাটানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। সবাইকে ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।’

    বার্মিংহ্যাম ফিনিক্সের স্কোয়াড (নিলামে ক্রয়ের মূল্যসহ) : জ্যাকব বেথেল (৩ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ড), রেহান আহমেদ (আড়াই লাখ পাউন্ড), দোনোভান পেরেইরা (২ লাখ ১০ হাজার পাউন্ড), মিচেল ওয়েন (১ লাখ ৩০ হাজার পাউন্ড), সাকিব মাহমুদ (দেড় লাখ পাউন্ড), উসমান তারিক (১ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ড), জো ক্লার্ক (৮৫ হাজার পাউন্ড), উল স্মিদ (৫৫ হাজার পাউন্ড), জর্ডান থম্পসন (৬০ হাজার পাউন্ড), স্কট কুরি (২ লাখ ১০ হাজার পাউন্ড), লরি ইভানস (৮৫ হাজার পাউন্ড), ক্রিস উড (৭০ হাজার পাউন্ড), ইথান ব্রুকস (৭০ হাজার পাউন্ড) ও মুস্তাফিজুর রহমান (১ লাখ পাউন্ড)।

  • বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া ‘রাক্ষস’ ছবির আইটেম গানে

    বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া ‘রাক্ষস’ ছবির আইটেম গানে

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের চলচ্চিত্র বিষয়ক গ্রুপ ও পেজগুলোতে একটি ছবি এবং ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে—যেটি অনেকেই দাবি করছেন যে তা ‘রাক্ষস’ ছবির আইটেম গানের শুটিংয়ের দৃশ্য। প্রযোজনা সংস্থা রিয়েল এনার্জি প্রডাকশন এখন সেটিই নিশ্চিত করেছে।

    রিয়েল এনার্জির অন্যতম কর্ণধার আজিম হারুন বলছেন, “এটি আমাদের ছবির আইটেম গানের একটি দৃশ্য, যা শুটিং সেট থেকেই সম্ভবত ফাঁস হয়েছে। ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি হলেন বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া জানোসজেক। তিনি গানটিতে সিয়াম আহমেদের সঙ্গে নাচ করেছেন। আমার ধারণা, এটা তার প্রথম কোনো বাংলা ছবির কাজ।”

    নাতালিয়া ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত হলেও বলিউডে নিয়মিত কাজ করেছেন এবং কিছু ওপেনিং প্রোজেক্টে হলিউডেও দেখা গেছে। তাকে ‘হাউসফুল ৫’, ‘মাস্তি ৪’ ও ‘৩৬৫ ডেইজ’ মতো ছবিতে দেখা গেছে, এবং সালমান খানের অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত রিয়ালিটি শো ‘বিগ বসেও’ অংশ নিয়েছেন।

    রিয়েল এনার্জির আরেক কর্ণধার শাহরীন আখতার সুমি জানিয়েছেন, গানটির কোরিওগ্রাফি করছেন বলিউডের পরিচিত কোরিওগ্রাফার আদিল শেখ। সংগীত পরিচালনা করেছেন জিএম আশরাফ এবং গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জিএম আশরাফ ও দোলা। তিনি বলেন, “আমরা এই আইটেম গানটি বড় বাজেটে তৈরি করছি। দেশের বাইরে বিশাল আয়োজনে শুটিং হচ্ছে। আশা করছি দর্শকরা গানটি ভালোবাসবেন। আমাদের বিশ্বাস, এবারের ঈদের সেরা ছবিগুলোর মধ্যে থাকবে ‘রাক্ষস’। ”

    মেহেদী হাসান হৃদয় পরিচালিত ‘রাক্ষস’-এ প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ ও কলকাতার অভিনেত্রী সুস্মিতা চ্যাটার্জি। রিয়েল এনার্জি আগেও শাকিব খান অভিনীত ‘বরবাদ’ প্রযোজনা করেছিল, যা ব্যবসায় সফল হয়েছিল—এ অভিজ্ঞতা তারাই কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন বলে প্রযোজনা সূত্রে জানা গেছে।

    প্রস্তুতি ও প্রকাশনার ধারায় এখন দর্শকের আগ্রহ তীব্র; leaked ক্লিপটির পরেই গান এবং ছবির মুক্তি সম্পর্কে ভক্ত ও সিনেমাপ্রেমীদের প্রত্যাশা বেড়েছে।

  • ৬৬ বছরে মা হচ্ছেন নীনা গুপ্তা? নিজেই গুজব খণ্ডন করলেন অভিনেত্রী

    ৬৬ বছরে মা হচ্ছেন নীনা গুপ্তা? নিজেই গুজব খণ্ডন করলেন অভিনেত্রী

    ভারতীয় সিনে জগতের বরিষ্ঠ অভিনেত্রী নীনা গুপ্তা সম্পর্কে কয়েকদিন ধরেই চলছিল তারা—তিনি ৬৬ বছর বয়সে গর্ভবতী। সামাজিক মাধ্যমে কয়েকটি ছবি ভাইরাল হতেই জল্পনা আরও তীব্র হয়। অবশেষে নিজেই মুখ খুলেছেন নীনা এবং এটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

    এই আলোচনার সূত্রপাত হয় দক্ষিণী তারকা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মন্দানার বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নীনা ও তাঁর স্বামী বিবেক মেহরার ছবি ছড়ানোর পরে। আইভরি রঙের সিল্ক শাড়ি পরা নীনার কিছু ছবিতে তিনি পেটের ওপর হাত রাখা অবস্থায় তুলা-আকৃতির দেখাচ্ছিলেন, যা কিছু নেটিজেনকে ভাবিয়ে তুলেছিল। এরপরই অনেকে দাবী করতে শুরু করেন, ৬৬ বছর বয়সে নীনা মা হতে চলেছেন।

    জল্পনা প্রসঙ্গে নীনা নিজেই সোজাসাপ্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। মজার ছলে তিনি বললেন, বাস্তবে ‘বাধাই হো’—এর মতো কোনও ঘটনা হলে তো ভালো হতো। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন যে সেদিন পরা শাড়ির কাপড় বেশ মোটা ছিল, ফলে ছবিতে পেটের অংশ একটু ফোলা-ই দেখাচ্ছিল।

    নীনা এই বিষয়টিকে ধরে বিরক্ত না থেকে বরং হালকাভাবে নিচ্ছেন এবং বলছেন, এই বয়সেও তাকে নিয়ে আলোচনার বিষয় হওয়া একরকম ইতিবাচকভাবেই দেখছেন।

    ব্যক্তিগত জীবন প্রসঙ্গে বলা যায়, নীনা গুপ্তা ২০০৮ সালে দিল্লির ব্যবসায়ী বিবেক মেহরার সঙ্গে বিয়ে করেছেন। তার আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তি ক্রিকেটার ভিভিয়ান রিচার্ডসের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। তাদের একমাত্র কন্যা মাসাবা গুপ্তা বর্তমানে ভারতের একজন পরিচিত ফ্যাশন ডিজাইনার।

    উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জনপ্রিয় ছবি ‘বাধাই হো’তে তিনি একজন বয়স্ক গর্ভবতী নারীর চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা পেয়েছিলেন—সম্ভবত তাই তৎকালীন ছবির রেশ থেকেই এবার মজার এই জল্পনার সূত্র পায়।

  • ‘ছাত্রলীগ ধরছি’ পোস্টের পর ছাত্রশক্তি নেতা সাইফুল্লাহর গ্রামের বাড়িতে আগুন

    ‘ছাত্রলীগ ধরছি’ পোস্টের পর ছাত্রশক্তি নেতা সাইফুল্লাহর গ্রামের বাড়িতে আগুন

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হল সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক ও জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল্লাহর গ্রামের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। সাইফুল্লাহর গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া উপজেলার ডোমগাটা গ্রামের বাসিন্দা।

    ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাত সাড়ে ৩ টার পর। এ ঘটনার পর থেকেই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

    সাইফুল্লাহ জানান, রাতে প্রায় ৩টা ১০ মিনিটের দিকে বাড়ির একটি রান্নাঘরে আগুন দেওয়া হয় এবং বসতঘরে ছুরি দিয়ে কোপার মতো করে আগুন ধরানোর চেষ্টা করা হয়। ‘‘বসতঘরের আগুন বড় হওয়া আগেই আমরা নিভিয়ে ফেলেছি,’’ তিনি বলেন।

    পরিবারে ছিলেন তার বাবা-মা, বড় ভাই জয়নাল আবেদীন, নিজ স্ত্রী ও দুই সন্তান। সাইফুল্লাহ বলেন, ‘‘অনেক আগে থেকেই ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগ নানা ভাবে হুমকি দিচ্ছিলো। সাম্প্রতিককালে হুমকিই বেড়েছে। এলাকায় সরাসরি কোনো ক্ষোভ না থাকলেও ফেসবুকে কিছু পোস্ট ও হুমকিমূলক বার্তা ছিল।’’

    সে ঘটনার পর সাইফুল্লাহ দাবি করেন যে হোয়াটসঅ্যাপ ও ম্যাসেঞ্জারে বার্তা পাঠিয়ে বলা হয়েছে— ‘তোর বাড়িতে আগুন দিলাম, ভাগ্যিস তুই নেই। তোর ছেলে-মেয়ে বেঁচে গেল।’ ঘটনাকে তিনি সরাসরি রাজনৈতিক দলটির কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করে দেখছেন, তবে এখনই পুলিশি তদন্ত চলছে।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এনসিপি মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি সাইফুল্লাহর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের সান্ত্বনা দেন এবং ঘটনাটির দ্রুত তদন্ত করে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। পরিদর্শনকালে তিনি রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলে ক্ষোভও প্রকাশ করেন এবং দলীয় সন্ত্রাস প্রতিরোধে নাগরিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

    অন্যদিকে ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে তাদের তদন্তে জানা গেছে লাকড়ির এক কক্ষে আগুন লেগেছে। বসতঘরের টিনের বেড়ায় তিনটি কোপের চিহ্ন ও টিন কাটা痕 দেখা গেছে। স্থানীয়রা নিজেই আগুন নিভিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘তদন্ত শেষে প্রমাণ-সাক্ষ্য মিললে পরে বিস্তারিত বলা হবে; এই পর্যায়ে বিষয়টি বিচার করা premature। সেখানে জয়নালের বক্তব্য ছিল স্লোগান দিয়ে এসে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে, কিন্তু আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত আর কোনো স্বতন্ত্র প্রত্যক্ষদর্শীর বিবৃতি নেই।’’

    পুলিশ তদন্তে জড়িত অন্যান্য তথ্য ও ক্ষতচিহ্ন যাচাই করছে। স্থানীয়রা বলছে পরিবার উদ্বিগ্ন; রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসন যাতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয় এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়, সেই আহ্বান শোনা যাচ্ছে।

  • নবনির্বাচিত স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের জিয়া ও খালেদার সমাধিতে শ্রদ্ধা

    নবনির্বাচিত স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের জিয়া ও খালেদার সমাধিতে শ্রদ্ধা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

    শুক্রবার (১৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারা সেখানে ফাতেহা পাঠ করেন, দোয়া করেন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা ও কর্মচারীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে সকাল সোয়া ১০টার দিকে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখানে তারা শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।