Blog

  • লেবাননে বিমান হামলা অব্যাহত—একদিনে অন্তত ৩৯ জন নিহত

    লেবাননে বিমান হামলা অব্যাহত—একদিনে অন্তত ৩৯ জন নিহত

    দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় একদিনে অন্তত ৩৯ জন নিহত হয়েছেন বলে বলছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নিহতদের মধ্যে শিশুরাও রয়েছেন এবং আরও অনেকে আহত হয়েছে।

    সাকসাকিয়েহ শহরে একক হামলায় অন্তত সাতজন প্রাণ হারান। মন্ত্রণালয়ের তথ্যে ওই হামলায় একজন মেয়ে শিশুও নিহত হয়েছে। সেখানকার ঘটনায় ১৫ জন আহত হয়েছে, যাদের মধ্যে তিনটি শিশু রয়েছে।

    ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, তারা হামলা চালিয়েছিল হিজবুল্লাহর সদস্য ও ওই এলাকায় থাকা সামরিক স্থাপনার লক্ষ্যভিত্তিক লক্ষ্যবস্তুতে। আইডিএফ জানিয়েছে যে বেসামরিক ক্ষতি কমাতে তারা নির্ভুল অস্ত্র এবং আকাশপথে নজরদারি ব্যবহার করেছে।

    নাবাতিয়েহ এলাকায় এক মোটরসাইকেল হামলায় একজন সিরীয় নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে; তাঁর ১২ বছর বয়সী কন্যা আহত হয়েছেন। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রথম হামলার পর সরে যাওয়ার সময় ড্রোন হামলায় ওই ব্যক্তি নিহত হন এবং পরে একটি কক্ষে গিয়ে মেয়েটিকেও লক্ষ করে হামলা চালানো হয়। আহত মেয়েটির অস্ত্রোপচার করা হচ্ছে।

    বিমান ও স্থল হামলার পাল্টা হিসেবে হিজবুল্লাহও উত্তর ইসরায়েলের দিকে ড্রোন হামলা চালায়। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সেই হামলায় তিনজন সেনা আহত হয়েছেন; তাদের একজনের পরিস্থিতি গুরুতর।

    লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে দেশজুড়ে ইসরায়েলি বিমান ও স্থল হামলায় মোটে ১২০ এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে হতাহতের মধ্যে কতজন যোদ্ধা ও কতজন বেসামরিক— তা আলাদা করে জানানো হয়নি। সীমান্তঘেঁষা কিছু এলাকা এখনোই ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে; ইসরায়েল বলছে, উত্তরাঞ্চলের সীমান্ত এলাকায় ‘হিজবুল্লাহমুক্ত নিরাপত্তা বলয়’ গড়াই তাদের লক্ষ্য।

    সংঘাত আলোকপাত করলে মন্ত্রণালয়ের আগের হিসাব অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় মোট প্রায় ২ হাজার ৭৯৫ জন নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলি দায়িত্বর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে তাদের ১৭ জন সেনা ও একজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং উত্তর ইসরায়েলেও দুই বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।

    কয়েক সপ্তাহ আগে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেও মাঠে লড়াই থামেনি। সীমান্ত জুড়ে তীব্র উত্তেজনা, বাসিন্দাদের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে, আর মানবিক পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটছে।

  • গবেষকদের নতুন বার্তা: অ্যান্ডিস স্ট্রেইন মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে

    গবেষকদের নতুন বার্তা: অ্যান্ডিস স্ট্রেইন মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে

    দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ইউরোপগামী এমভি হুন্ডিয়াস প্রমোদতরিতে হান্টা ভাইরাসে সংক্রমণের ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ছয়জনের দেহে হান্টা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে এবং তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংক্রমণের এক বিশেষ ধরনের নামকরণ করা হয়েছে অ্যান্ডিস স্ট্রেইন, এবং এই ধরন মানুষ থেকে মানুষের মধ্যে ছড়াতে সক্ষম হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, আক্রান্ত ব্যক্তিদের লালায়ও ভাইরাস থাকায় চুম্বন, পানীয় ভাগ করে নেওয়া বা খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাশি-হাঁচি করা হলে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। পরিবারে থাকা লোকদের তুলনায় যৌন সঙ্গীদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি প্রায় দশ গুণ বেশি হওয়া সম্পর্কেও সতর্ক করা হয়েছে।

    জাহাজের কর্মকর্তারা সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে জানিয়েছেন, দক্ষিণ আমেরিকায় পাখি দেখা চলাকালে দুই ডাচ পর্যটক ইঁদুর থেকে সংক্রমিত হয়েছিলেন এবং এরপর সেই যাত্রীদের মাধ্যমে জাহাজের অন্যদের মধ্যে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। আর্জেন্টিনা থেকে ১ এপ্রিল যাত্রা শুরু করা ওই জাহাজটিতে প্রায় ১৫০ আরোহী ছিলেন। পথের ঘটনা অনুযায়ী ১১ এপ্রিল একজন যাত্রী মারা যান এবং ২৪ এপ্রিল কিছু যাত্রী সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নেমে যান। বর্তমানে বিশ্ব জুড়ে কর্তৃপক্ষ সেই যাত্রীদের খুঁজে বের করে সম্ভাব্য সংস্পর্শকারীদের শনাক্ত ও পরীক্ষা করার চেষ্টা করছে।

    তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে কোভিড-১৯ এর মতো মহামারির পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে এখনও মনে করার কারণ নেই। ডব্লিউএইচওর সংবাদ সম্মেলনে সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যন ক্যারকোহভ জানান, এমভি হুন্ডিয়াসের সকলকে মাস্ক পরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সন্দেহভাজন রোগীদের সংস্পর্শে থাকা বা সেবা দেওয়ার সময় আরও শক্তিশালী সুরক্ষা পোশাক ও সরঞ্জাম ব্যবহার করা উচিত।

    তিনি আরও জানান, আক্রান্তদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে এবং যাদের সংস্পর্শে এসেছে তাদের পরীক্ষা চলছে। তবে এই ভাইরাস সাধারণত খুব ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে ছড়ায়, এবং এর ছড়ানোর ধরণ কোভিড বা ইনফ্লুয়েঞ্জার চেয়ে আলাদা। বিশ্লেষকরা বলছেন, জাহাজের মতো সরু ও ঘন জায়গায় মানুষ কাছাকাছি থাকায় সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে; এটা ভাইরাসের ক্ষমতা বেড়েছে বলেই নয়। আক্রান্তদের আলাদা করা ও কোয়ারেন্টাইন করলে এই ধরণের প্রাদুর্ভাব দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

    অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্যার অ্যান্ড্রু পোলার্ডও বলেছেন, এই ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়ার গতি এমন কোনো মহামারির মাত্রায় নেই। বর্তমানে করণীয় হলো দ্রুত সংস্পর্শকারীদের শনাক্ত করা, আক্রান্তদের বিচ্ছিন্ন রাখা এবং প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে।

    সাধারণ মানুষ আত্মসচেতন থাকুন—কাছাকাছি মুখোমুখি যোগাযোগ কমান, অজানা বা সন্দেহভাজন অবস্থায় মাস্ক ব্যবহার করুন এবং স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলুন।

  • যোগ্য মুআল্লিম তৈরির লক্ষ্যে খুলনায় দিনব্যাপী মুআল্লিম ট্রেনিং সফলভাবে সম্পন্ন

    যোগ্য মুআল্লিম তৈরির লক্ষ্যে খুলনায় দিনব্যাপী মুআল্লিম ট্রেনিং সফলভাবে সম্পন্ন

    দ্বীনি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও যুগোপযোগী পাঠদানে দক্ষ, আদর্শবান ও দায়িত্বশীল মুআল্লিম তৈরির লক্ষ্যে রাবেতাতুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়্যাহ আল-মারকাযিয়্যাহ বাংলাদেশ আয়োজিত দিনব্যাপী “মুআল্লিম ট্রেনিং” অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও অর্থবহ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিল আলেম-উলামা, মাদ্রাসা শিক্ষক, ছাত্র এবং দ্বীনপ্রেমী সাধারণ মানুষ, যা সকাল থেকেই ইলমী আবহ সৃষ্টি করেছিল।

    রোববার (১০ মে) অনুষ্ঠিত এই ইলমী ও প্রশিক্ষণমূলক সম্মেলন দক্ষিণবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাকেন্দ্র — শাইখুল হাদিস আল্লামা মুফতি জিহাদুল ইসলাম প্রতিষ্ঠিত বয়রার রায়ের মহল জামিয়া ইসলামিয়া উসওয়ে হাসানা, খুলনায় আয়োজন করা হয়। খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, গোপালগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে তিন শতাধিক উলামায়ে কেরাম, মাদ্রাসা শিক্ষক ও তালিবুল ইলম ট্রেনিংয়ে অংশ নেন। স্থানীয় দ্বীনপ্রেমীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।

    ট্রেনিংয়ে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী খ্যাতিমান দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ আলেম ও শিক্ষাবিদগণ সময়োপযোগী আলোচনা ও প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন। আলোচনা বিশেষভাবে প্রাধান্য পায় একজন মুআল্লিমের চরিত্রগঠন, আধুনিক পাঠদানের কৌশল, ছাত্রদের মানসিক ও নৈতিক উন্নয়ন, আদব-আখলাক শিক্ষা এবং দ্বীনি খেদমতে আমানতদারিত্ব। বক্তারা শিক্ষার প্রতি আন্তরিকতা এবং ইলম চর্চার সঠিক পথ সম্পর্কে প্রাঞ্জল দিকনির্দেশ দেন।

    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দারুল উলূম হাটহাজারীর সম্মানিত প্রধান মুফতি আল্লামা মুফতি জসীম উদ্দিন। তার বক্তব্যে তিনি একজন মুআল্লিমকে কেবল পাঠদানের রোলে সীমাবদ্ধ না রেখে জাতি গঠনে মূল ভূমিকা পালনকারী হিসেবে উপস্থাপন করেন এবং বলেন, “শিক্ষক তার ইলম, আমল ও আখলাকের মাধ্যমেই ছাত্রের হৃদয়ে দ্বীনের ভালোবাসা জাগাতে পারেন।” তিনি শিক্ষকদের যুগোপযোগী চেতনা ও ছাত্রদের আত্মিক, নৈতিক উন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

    এ ছাড়া আল্লামা ওসমান ফয়জী ইখলাস ও দায়িত্ববোধের ওপর গুরুত্ব দেন; মুফতি মাহমুদুল হাসান ছাত্রদের সঙ্গে মর্যাদাপূর্ণ আচরণ ও পাঠদানে মনস্তাত্ত্বিক কৌশলের কথা বলেন; মুফতি ফুরকান আহমাদ মাদ্রাসার অন্তর্ভুক্তির গুরুত্ব ও সুসম্পর্ক রক্ষার দিক তুলে ধরেন; ড. নুরুল আবসার দ্বীনি ও নৈতিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করেন। মাওলানা আনোয়ার শাহ আজহারী মুআল্লিমদের নববী আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান। মুফতি রাশেদুল ইসলাম, মুফতি আব্দুল হামিদ, হাফেজ মোহাম্মদ মোস্তফা, হাফেজ ক্বারী রেজওয়ান আহমেদ এবং মাওলানা নিজাম সাঈদসহ অন্যান্যের বক্তব্যও প্রশংসনীয় ও শিক্ষণীয় ছিল।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা দারুল উলূম মাদরাসার মুহতামিম মোশতাক আহমেদ এবং জামিয়া ইসলামিয়া উসওয়ে হাসানার সম্মানিত সভাপতি ও সমাজসেবক মোঃ খান সাইফুল ইসলাম। সভায় শাইখুল হাদিস মুফতি জিহাদুল ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য ও শুভেচ্ছা স্বরূপ বক্তব্য রাখেন।

    দিনব্যাপী ইলমী আলোচনা, পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ শেষে দেশ, জাতি ও দ্বীনি শিক্ষার উন্নতি কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়, যাতে মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়ন ও যোগ্য আলেম ও মুআল্লিমের শৃঙ্খলিত সৃজন সম্ভব হয়। শেষ পর্যায়ে অংশগ্রহণকারী উলামায়ে কেরাম ও অতিথিরা আয়োজক কর্তৃপক্ষকে কৃতজ্ঞতা জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মুআল্লিম ট্রেনিং ও ইলমী সম্মেলনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

  • যশোরে অরক্ষিত ক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় কয়লাবাহী ট্রাক দুমড়ে-মুচড়ে, চালক নিহত

    যশোরে অরক্ষিত ক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় কয়লাবাহী ট্রাক দুমড়ে-মুচড়ে, চালক নিহত

    যশোরের অভয়নগর উপজেলায় রোববার (১০ মে) দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে খুলনাগামী মহানন্দা মেইল ট্রেনের ধাক্কায় একটি কয়লাবাহী ট্রাক দুমড়ে-মুচড়ে পড়ে যায়; ঘটনায় ট্রাকের চালক মনোয়ার হোসেন নিহত হন এবং হেলপার রায়হান গুরুতর আহত হন।

    ঘটনা জানাযায়, ভাঙ্গাগেট এলাকায় অবস্থিত অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ঢাকা মেট্রো ট ১৮-৭৮৩৬ নম্বরের ওই ট্রাকটি (আকিজ এসেনশিয়ালের কয়লা ডিপোর দিকে যাচ্ছিল) ট্রেনের মুখোমুখি ধাক্কা খায়। ধাক্কায় ট্রাকটি রেললাইনের পাশে ছিটকে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই চালক মনোয়ার মারা যান। আহত রায়হানকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

    এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই রেলক্রসিং দীর্ঘদিন ধরেই অরক্ষিত থাকায় সেখানে কোনো গেটম্যান বা সংকেত ব্যবস্থা নেই, ফলে চালক ট্রেনের উপস্থিতি বুঝতে পারেননি। স্থানীয়রা সাবধানতা ও নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন।

    অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় এবং মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনায় কিছুক্ষণ ওই রুটে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হলেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রিত হয়েছে।

    স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও ট্রাফিক বিভাগ দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও অনুরূপ দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকা উল্লেখ করে এলাকার মানুষ কর্তৃপক্ষের কাছে স্থায়ী সমাধান চান।

  • মিরাজের ফাইভারে বাংলাদেশ পেল ২৭ রানের লিড

    মিরাজের ফাইভারে বাংলাদেশ পেল ২৭ রানের লিড

    বৃহস্পতিবার শেষ হওয়া তৃতীয় দিনে মেহেদী হাসান মিরাজের ধারালো স্পেলে পাকিস্তানকে ৩৮৬ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ ২৭ রানের লিড নিয়েছে। আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ ৪১৩ রানের শক্তিশালী স্কোর করে।

    পাকিস্তান ইনিংস শুরুটা দুর্দান্ত করলেও মধ্যশ্রেণিতে কিছু ওঠাপড়ার পর সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের সহযোগিতায় ফের ঝুঁকি নিয়েছিল সফরকারীরা। কিন্তু মিরাজের নিয়মিত উইকেট শিকারে স্বাগতিকদের সুবিধা ফিরে আসে এবং চাপে পড়ে পাকিস্তান সমস্থ দলেই ধুঁকতে শুরু করে।

    অভিষেক টেস্টে ওপেন করে নামা আজান দিন শুরু করেছিলেন অপরাজিত ৮৫ রানে। তিনি ক্রমে ধৈর্য ধরে খেলেন এবং ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন—এটি ছিল ১৬৫ বলে ১০৩ রানের ইনিংস, ১৪টি চারের সাহায্যে। সেঞ্চুরির ঠিক পরেই পেসার তাসকিন আহমেদ তাকে ফেরান এবং বাংলাদেশের দিনব্যাপী প্রথম বিরতি এনে দেন।

    ফজল হামিদও দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন; ১২০ বলে ৬০ রান করে তিন নম্বরে দলের পরিস্থিতি সামলান। কিন্তু উইকেট হারানোর ধারাবাহিকতায় তেও মিরাজের বলে তাইজুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। এদিকে সৌদ শাকিল মিরাজের বলেই এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন—৪ বল খেলেও নীরব থাকেন তিনি।

    ইনিংসের মাঝামাঝি সময়ে পাকিস্তান ১ উইকেটে ২১০ রান পর্যন্ত পৌঁছলেও পরবর্তী সময়ে অল-আউট হওয়া পর্যন্ত তারা ধাক্কা খায়। এজন্য বড় ভূমিকা রাখে সালমান ও রিজওয়ানের ষষ্ঠ উইকেটে তৈরি ১১৯ রানের জুটি—এই জুটিই তাদের দলীয় স্কোর সামান্য ধারায় রাখে। দুজনেই ব্যক্তিগত অর্ধশতক করে দলের ভরসা হয়েছেন।

    তবে ফিফটির পরে কাউকে দীর্ঘ সময় বাঁচতে দেখা যায়নি। তাইজুল ইসলামের শিকারে রিজওয়ান ৭৯ বলে ৫৯ রানে ফেরেন—ক্যাচটি ধরেন মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে। সালমান আগা ৯৪ বল খেলে ৫৮ রানে আউট হন; তাঁর ইনিংসে ছিল ছয়টি চার ও একটি ছয়। মিরাজের ঝলকশেষে রাজ্যের দোহাই দিয়ে পাক ব্যাটিং লাইন আপ ভেঙে পড়ে।

    সব মিলিয়ে পাকিস্তান ৩৮৬ রানে অ্যাল-আউট হলে বাংলাদেশ ২৭ রানের সুবিধা নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে যেতে পারে। আগেরদিকে বাংলাদেশি দলের ৪১৩ রানে ভর করে ছিলেন অধিনায়ক নাজমুল হাসান শানতের শতক (১০১), মুমিনুল হকের ৯১ এবং মুশফিকুর রহিমের ৭১; পাকিস্তানের পক্ষে মুহাম্মদ আব্বাস পাঁচটি উইকেট সংগ্রহ করেছিলেন।

    মিরাজের ফাইভারের মতো কাজগুলোই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর চাবিকাঠি হয়ে উঠেছে—এখন দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশকে এগিয়ে থাকার মাধ্যমে সুবিধাজনক অবস্থানই বলা চলে।

  • নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বে বিশ্বকাপের ১৫ সদস্যের নারী দল ঘোষণা

    নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বে বিশ্বকাপের ১৫ সদস্যের নারী দল ঘোষণা

    ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি মহিলা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দলের নেতৃত্বে থাকবেন নিগার সুলতানা জ্যোতি, আর সহ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নাহিদা আক্তার।

    স্কোয়াডে চমক হিসেবে জায়গা হয়নি শারমিন সুলতানার; তার বদলে ফিরে এসেছেন তাজনেহার। এখন পর্যন্ত আটটি টি-টোয়েন্টিতে ৪৪ রান করা তাজনেহারকে মূলত ব্যাটিংয়ে এক থেকে ছয় নম্বর পর্যন্ত অভিন্নভাবে খেলতে সক্ষম হওয়ার কারণে সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

    বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে টাইগ্রেসরা আগামী ২৫ মে এডিনবরা (স্কটল্যান্ড) পৌঁছে সেখানে স্বাগতিক স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে আয়োজিত ত্রিদেশীয় সিরিজে অংশ নেবে। এই সিরিজকে বিশ্বকাপের আগে দলের সামর্থ্য যাচাই ও কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    ত্রিদেশীয় সিরিজের পর দল ইংল্যান্ডের লাফবরোতে গিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। কন্ডিশনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো এবং মূল প্রতিযোগিতার আগে সঠিক প্লেয়ার কম্বিনেশন গড়ে তোলাই এই ম্যাচের লক্ষ্য।

    বাংলাদেশ তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে আগামী ১৪ জুন এজবাস্টনে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। বিসিবি আশা করছে টিমের অভিজ্ঞ এবং উদীয়মান ক্রিকেটারদের সমন্বয়ে ভালো পারফরম্যান্স দেখাতে পারবে দল।

    বাংলাদেশ নারী দল (স্কোয়াড): নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার (সহ-অধিনায়ক), শারমিন আক্তার সুপ্তা, সোবহানা মোস্তারি, স্বর্ণা আক্তার, রিতু মনি, রাবেয়া খান, ফাহিমা খাতুন, ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা, মারুফা আক্তার, সানজিদা আক্তার মেঘলা, সুলতানা খাতুন, দিলারা আক্তার, জুরাইরিয়া ফেরদৌস ও তাজনেহার।

  • অ্যাকশন থ্রিলারে হলিউডে দিশা পাটানি: আন্তর্জাতিক অভিষেক

    অ্যাকশন থ্রিলারে হলিউডে দিশা পাটানি: আন্তর্জাতিক অভিষেক

    বলিউড থেকে হলিউড—অনেক অভিনেতার স্বপ্ন এই নতুন মঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করা। প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও দীপিকা পেয়াখোনের পরে এবার সেই পথে নাম লেখাতে চলেছেন বলিউড অভিনেত্রী দিশা পাটানি।

    পর্দায় দিশা পাটানির উপস্থিতি বরাবরই নজর কাড়ে; শুধু সিনেমাতেই নয়, সামাজিক মাধ্যমেও তাঁর স্টাইল ও আত্মবিশ্বাসের কারণে দর্শক ও সমালোচকরা তাঁর প্রতি নজর রাখেন। ‘বাঘি’ সিরিজের জন্য তিনি যে অ্যাকশন ঘরানায় স্বীকৃতি পেয়েছিলেন, সেটিই এবার তাঁকে আন্তর্জাতিক পর্দায় পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে।

    সূত্রে বলা হয়, দিশা অংশ নিচ্ছেন অ্যাকশন-থ্রিলার ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘স্ট্যাটিগার্ডস ভার্সেস হোলিগার্ডস সাগা’-য়। সিরিজটির প্রথম কিস্তির নাম ‘দ্য পোর্টাল অফ ফোর্স’ এবং সেখানে তিনি প্রধান চরিত্র ‘জেসিকা’ হিসেবে দেখা দেবেন। ইতোমধ্যে ছবিটির ট্রেলারও মুক্তি পেয়েছে। (সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন)

    হলিউডে কাজ করার বিষয়ে দিশা উচ্ছ্বাস ব্যক্ত করে বলেন, “গল্প বলার কোনো ভাষা বা দেশের সীমা নেই। আমি সবসময়ই অ্যাকশন ঘরানার ফিল্ম ভালোবাসি।” তিনি আরও যোগ করেন, “এই প্রজেক্টের ট্রেলার লঞ্চের জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেছি। এটা আমার প্রথম আন্তর্জাতিক কাজ—এই অভিজ্ঞতা অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ, একই সঙ্গে খানিকটা ভয়েরও। তবে একজন অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করার একটি বড় সুযোগ পেয়েছি।”

    প্রিয়াঙ্কা ও দীপিকার মতোই বলিউডের কয়েকজন তারকা যখন আন্তর্জাতিক মঞ্চে সফলতা পেয়েছেন, তখন দিশার এই পদক্ষেপ দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল বাড়িয়েছে। এখন অপেক্ষা দর্শকের—দিশা পাটানি কি হলিউডের বিশাল পরিধিতে নিজের ছাপ রেখে দেবেন, সেটাই দেখার বিষয়।

  • লাইফ সাপোর্টে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার

    লাইফ সাপোর্টে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার

    জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার বর্তমানে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। রাজধানীর এক বেসরকারি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর নিকটজনরা।

    কামরুন নাহার ‘ডানা’ শনিবার (৯ মে) এক পোস্টে বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভোগার পর হঠাৎ করেই কারিনা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন এবং দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কারিনাকে হেপাটাইটিস এ ও ই ধরা পড়েছে, যার কারণে তাঁর লিভার ফেলিয়র হয়েছে।

    প্রাথমিকভাবে তিনি আইসিইউতে ছিলেন, কিন্তু গত রাত থেকে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। কারিনার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারত নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

    ডানা ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে কারিনার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, আমরা সবাই জানি কারিনা কতটা মেধাবী ও অসাধারণ—a আমরা এভাবে ওকে হার মানতে দিতে পারি না।

    ডানা আরও বলেন, চিকিৎসার প্রয়োজনে কোনো আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন হলে পরে সবাইকে জানানো হবে। বর্তমানে তার একমাত্র অনুরোধ—সবার মন থেকে কারিনার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করা।

  • পুলিশের যৌক্তিক দাবি আর্থিক সক্ষমতার মধ্যেই পূরণ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    পুলিশের যৌক্তিক দাবি আর্থিক সক্ষমতার মধ্যেই পূরণ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশকে জনকল্যাণমুখী ও আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় তাদের যৌক্তিক দাবি পূরণ করা হবে। তিনি বলেন, প্রত্যেক পদক্ষেপ বাস্তবসম্মতভাবে নেয়া হবে যাতে পুলিশের কর্মক্ষমতা ও মনোবল দুটোই বৃদ্ধি পায়।

    আজ রোববার (১০ মে) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ মিলনায়তনে ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কল্যাণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা জানান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রলের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম।

    মন্ত্রী আরো জানান, বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় অনেক কনস্টেবল ৪০ বছর চাকরি করে অবসর গ্রহণের পরও পরবর্তী পদোন্নতি পান না। এ অসন্তোষ দূর করতে বিশেষ নীতিমালার অধীনে কিছু সংখ্যক সদস্যকে অবসরকালীন সময়ে কনস্টেবল থেকে অনারারি সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই), এএসআই থেকে অনারারি উপপরিদর্শক (এসআই) এবং এসআই থেকে অনারারি ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি দেওয়া হবে।

    পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে অতিরিক্ত কর্মঘণ্টায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের জন্য বিশেষ নীতিমালার ভিত্তিতে ওভারটাইম ভাতা প্রদানের বিষয়ে সরকার ভাবছে, বলেন মন্ত্রী। তিনি যোগ করেন, ইন্সপেক্টর থেকে শুরু করে কনস্টেবল পর্যায়ে পর্যন্ত এই ওভারটাইম বিবেচনায় আনা যেতে পারে, যা তাঁদের মনোবল বাড়াবে এবং সেবার মান উন্নত করবে।

    দীর্ঘ কর্মঘণ্টা ও বেশি চাপের ফলে পুলিশ সদস্যদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। প্রয়োজনে আরও উন্নত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনাও নেয়া হবে, বললেন মন্ত্রী।

    ইন্সটিটিউশনাল সুবিধা ও বাসস্থান সংকট সমাধানের বিষয়টিও সরকরের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ভবন ও কার্যালয় নির্মাণ, আবাসন সমস্যা নিরসনে ভূমি অধিগ্রহণসহ প্রয়োজনীয় অর্থসংস্থান করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    গত দুই মাসে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে বলে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পরিস্থিতি আরো শুদ্ধ করতে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চলছে।

    তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত উন্নতির সঙ্গে অপরাধের ধরনও বদলে গেছে; তাই পুলিশকে আধুনিক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা অর্জন করতে হবে, না হলে অপরাধ দমন কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আনা সম্ভব নয়—এই সতর্কতাও তিনি দেন। জুয়া, অনলাইন জুয়া, সাইবার ক্রাইম ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে যুগোপযোগী আইন প্রণয়ের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করা হবে।

    মন্ত্রী বলেন, ‘মব কালচার’ পুরোপুরি বন্ধ করতে বিদ্যমান আইন সংশোধন ও সংযোজন করে তা যুগোপযোগী করা হবে। তিনি পুলিশের প্রতি বলেন, তারা যেন জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে—তাই বিচারিক, কার্যকর ও মানববান্ধব policing নিশ্চিত করতে হবে।

  • শেখ হেলাল ও স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দের আদেশ

    শেখ হেলাল ও স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দের আদেশ

    দুর্নীতির মামলায় ঢাকার একটি আদালত সাবেক সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন এবং তাঁর স্ত্রী শেখ রুপা চৌধুরীর আয়কর সংক্রান্ত নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন। রোববার (১০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ দুদকের পৃথক দুটি আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন।

    আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এই তথ্য জানান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম আয়কর নথি জব্দের আবেদন করেন এবং মামলার সুষ্ঠু ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য এসব নথি প্রয়োজনীয় হওয়া দাবি করেন।

    দুদকের আবেদন মঞ্জুর হওয়ায় সংশ্লিষ্ট আয়কর নথি জব্দ করা হবে বলে আদালত নির্দেশ দিয়েছে। সূত্রে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শেখ হেলাল উদ্দীন ও শেখ রুপা চৌধুরী ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থের শ্বশুর ও শ্বাশুড়ি।