Blog

  • যুদ্ধবিরতি ভাঙার অভিযোগ: লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন নিহত

    যুদ্ধবিরতি ভাঙার অভিযোগ: লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন নিহত

    শুক্রবার লেবাননের নাবাতিয়েহ জেলায় হাব্বুশ এলাকায় ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নয়জন নিহত হয়েছেন এবং কমপক্ষে আরও ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন এক নারী ও একটি শিশু।

    লেবানন সরকার জানায়, টায়র (টাইর) শহর ও আশপাশের কয়েকটি এলাকায় একই সঙ্গে অন্যান্য হামলায় আরও চারজন নিহত হয়েছেন, ফলে মোট হতাহতের সংখ্যা ১৩に পৌঁছেছে।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাতে বলা হয়েছে, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই নতুন বেগে হামলায় লেবাননে নিহতের সংখ্যা ২৬০০ ছাড়িয়েছে।

    পটভূমি: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ভূখণ্ডে ইসরায়েলি আঘাতের পর তেহরান সমর্থিত সশস্ত্র শিয়া গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ তাৎপর্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল। এরপর থেকে তেলআবিব ও হিজবুল্লাহর মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং রাজধানী বৈরুতসহ লেবাননের বিস্তীর্ণ এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা শুরু হয়। এসব আঘাতের ফলে অন্তত আশি লাখেরও বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।

    সংঘাত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। লেবাননে মোতায়েন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছে বিভিন্ন দেশ; ফ্রান্সসহ প্রায় ৩০টি দেশ এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    গত ১৬ এপ্রিল একটি ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিল কর্তৃপক্ষ, যা তখন সাধারণ মানুষকে নিরাপদে অবস্থান বা বাড়ি ফেরার সুযোগ করে দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সীমান্তে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের ধারা থামেনি, এবং ইরান বারবার বলেছে—কোনও সমঝোতার আগে লেবাননে ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমানের মতো আক্রমণ অব্যাহত থাকলে এলাকার পরিস্থিতি দ্রুত আবার উত্তপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলি অভিযানের পর থেকেই দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহ তেলআবিবের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা নিতে শুরু করেছিল এবং পরবর্তী এক বছরে সংঘর্ষের পর মধ্যস্থতায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি আনে কয়েকটি আন্তর্জাতিক পক্ষ। তবু সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষিতে ফের উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

  • শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধ হলে মালিক ও সরকারের কাছ থেকে সব দাবি আদায় সম্ভব: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

    শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধ হলে মালিক ও সরকারের কাছ থেকে সব দাবি আদায় সম্ভব: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, শ্রমিক-কর্মচারীরা যদি এক হয়ে দাঁড়ায়, তা হলে মালিকপক্ষ থেকে তাদের সব বৈধ দাবি আদায় করা সম্ভব। কিন্তু বিচ্ছিন্ন হলে দাবি আদায়ে বাধা পাওয়া যায়। মোংলা বন্দর ও শিল্পাঞ্চলের প্রাণ হলো শ্রমিক-কর্মচারীরা; তারা না থাকলে বন্দর, শিল্পাঞ্চল এবং কলকারখানা চলবে না। তাই শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে—এটাই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

    তিনি বলেন, শ্রমিকদের ერთად থাকা মালিক ও সরকারের কাছে চাপ সৃষ্টি করে এবং তা থেকেই ন্যায্য অধিকার আদায় করা সহজ হয়। কিছু অসাধু চক্র শ্রমিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং তা থেকে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে চায়; তাই শ্রমিকরা বিভক্ত না হয়ে একাত্মতা বজায় রাখুন। বর্তমান সরকার শ্রমিকবান্ধব নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং শ্রমিকদের যে কোনো যৌক্তিক দাবির প্রতি সংবেদনশীল।

    শুক্রবার (১ মে) বিকেলে মোংলায় মহান মে দিবস উপলক্ষে মোংলা বন্দর শ্রমিক-কর্মচারী সংঘ চত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রমিক নেতা মোঃ আলাউদ্দিন। বিশেষ অতিথির তালিকায় ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ জুলফিকার আলী, থানা বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল মান্নান হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নাছির তালুকদার ও গোলাম নুর জনি, যুবদল নেতা ইমান হোসেন রিপন ও এম.এ. কাশেম। স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতারা ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনা সভায় শ্রমিক নেতারা মোংলা বন্দরের কর্মক্ষেত্রে চালু থাকা বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন এবং শ্রমিকদের আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। তারা উল্লেখ করেন যে মূল্যবৃদ্ধির বর্তমান প্রসঙ্গে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, মজুরি সমন্বয় ও কর্মস্থলে সুরক্ষা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এ কারণে মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণের ব্যাপারে সুদক্ষ নজরদারি দাবি করা হয়।

    প্রতিমন্ত্রী এবং বৈঠকে উপস্থিত অন্যান্য নেতারা শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান ও মালিকপক্ষ ও সরকারের কাছে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়।

  • খুলনা প্রেসক্লাবে নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবে নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মোস্তফা সরোয়ার এবং নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম বিদায়ী অন্তর্বতীকালীন কমিটির আহবায়ক এনামুল হক ও সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুলের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

    দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানটি ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নির্বাচিত কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোহরাব হোসেন ও মো. জাহিদুল ইসলাম। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেলেন বিমল সাহা, যুগ্ম-সম্পাদক হয়েছেন মো. বেল্লাল হোসেন সজল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ মিলন এবং পাঠাগার, প্রকাশনা ও তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব পেলেন বশির হোসেন।

    কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মো. মাকসুদুর রহমান মাকসুদ, কাজী মোতাহার রহমান, মহেন্দ্রনাথ সেন, সোহেল মাহমুদ ও কে এম জিয়াউস সাদাত। অনুষ্ঠানে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, ক্লাব পরিচালনা ও সাংগঠনিক কাজগুলো দ্রুত ও সুচারুভাবে বাস্তবায়নের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সাহেব আলী এবং হাসান আহামেদ মোল্লা, ক্লাবের সদস্য ও দৈনিক পূর্বাঞ্চল সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সনি, সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ আবু তৈয়ব ও সদস্য আতিয়ার পারভেজ। অন্যান্য উপস্থিত অতিথির মধ্যে ছিলেন মাহবুবুর রহমান মুন্না, এস এম কামাল হোসেন, এস এম নূর হাসান জনি, গাজী মনিরুজ্জামান, শেখ আল এহসান, উত্তম মণ্ডল, দীলিপ কুমার বর্মন, ইয়াসীন আরাফাত রুমী, মো. হেলাল মোল্লা, আব্দুর রাজ্জাক রানা, খলিলুর রহমান সুমন, নাজমুল হক পাপ্পু, আলমগীর হান্নান, সুনীল কুমার দাস, মো. জাকারিয়া হোসেন তুষার, শেখ জাহিদুল ইসলাম, মো. সোহেল রানা, এস এম সাইফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ মাসরুর মুর্শেদসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানটি শেষে নবনির্বাচিত কমিটি ক্লাবের কল্যাণ, সাংবাদিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং পেশাগত অগ্রগতির লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার অভিমত ব্যক্ত করেন।

  • বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যাটিংয়ে ধসায় বিপাকে বাংলাদেশ

    বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যাটিংয়ে ধসায় বিপাকে বাংলাদেশ

    চতুর্থ ওভার শেষে শুরুটা ছিল আশাব্যঞ্জক—তবে পরের ওভারগুলোর ধাক্কায় বাংলাদেশ চাপে পড়েছে এবং ছয় দশমিক চার ওভারে ঝুম বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ওই সময়ে স্কোর ছিল ৫০/৩; লিটন দাস অপরাজিত ২৫ ও তাওহীদ হৃদয় ২ রানে ছিলেন।

    পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের অবস্থাই ভয়াল ছিল—পাওয়ার প্লে শেষে সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৪৩ রান। কিন্তু প্লে-র শেষের আগে মাত্র ১০ বলের মধ্যে ১৪ রানে তিনটি উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে পড়ে দলটি।

    ম্যাচ শুরুতে ৩ ওভার শেষে বাংলাদেশ কোনো উইকেট না হারিয়েই ২১ রান তুলেছিল। দ্বিতীয় ওভারে সাইফ হাসানের এক ডাবল বাউন্ডারি ছিল দলের আগে যাওয়ার বড় অংশ। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে জেডন লেনক্স সাইফকে ফেরান; তাতে দলীয় স্কোর তখন ২১ এবং সাইফ ১১ বলে ১৬ রান করছিলেন। একই ওভারেই লিটন দাস তিন বলেই চার ও ছক্কায় ১২ রান যোগ করেন।

    পরের ওভার থেকেই ভাঙন শুরু হয়। পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে নাথান স্মিথ তানজিদ হাসান তামিমের স্টাম্প ভেঙে দেন। পরের বলেই পারভেজ হোসেন ইমন একটি ক্যাচ দিয়ে ফেরেন—ইশ সোধির হাতেই ক্যাচটি জমা পড়ে। তাওহীদ হৃদয় তখন কিউই পেসারকে হ্যাটট্রিক করতে দেননি, কিন্তু দ্রুত তিন উইকেট হারানো বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কা ছিল।

    এর আগে টস জিতে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক নিক কেলি ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন, ফলে বাংলাদেশ আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। একাদশে ফিরেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন; তানজিম হাসান সাকিব পিঠের চোটের কারণে absent থাকায় তাঁর জায়গায় তিনি খেলছেন।

    সিরিজ রেসকিউরক্ষার জন্য নিউজিল্যান্ডও একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছে—বেন লিস্টার ও ম্যাট ফিশারের জায়গায় জেডন লেনক্স ও বেন সিয়ার্সকে ধারাও করা হয়েছে।

    পেছনের দুই ম্যাচ চট্টগ্রামে হয়েছিল; সিরিজের সূচনা হয়েছিল এক দলই ৬ উইকেটে জয় দিয়ে, কিন্তু দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছিল। আজও একই রকম আবহাওয়া ম্যাচের গতিকে প্রভাবিত করেছে এবং বৃষ্টির পরে খেলা কীভাবে এগোবে তা নিয়েই অপেক্ষা চলেছে।

    বাংলাদেশ একাদশ: লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, রিপন মন্ডল।

    নিউজিল্যান্ড একাদশ: টিম রবিনসন, কাটেনে ক্লার্ক, ড্যান ক্লেভার, নিক কেলি (অধিনায়ক), বেভন জ্যাকবস, ডিন ফক্সক্রফট, জশ ক্লার্কসন, নাথান স্মिथ, ইশ সোধি, জেডন লেনক্স, বেন সিয়ার্স।

  • ডিপিএলে ড্রেসিংরুমে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ

    ডিপিএলে ড্রেসিংরুমে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ

    ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ (ডিপিএল) ২০২৫-২৬ মৌসুমের খেলা মাঠে গড়াচ্ছে ৪ মে থেকে এবং এই আসরের ম্যাচসমূহ ১১ জুন পর্যন্ত চলবে। রবিবার নয়—গত শুক্রবার ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস (সিসিডিএম) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ফরম্যাট ও সূচি সম্পর্কিত বিস্তারিত ঘোষণা করেছে।

    শনিবার (০২ মে) অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ মরসুমের স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের নামও প্রকাশ করা হয়। একই অনুষ্ঠানে বিসিবির অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, এবারের লিগ চলাকালীন ড্রেসিংরুমে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। তামিম আরও বলেন, “ঢাকা লিগে কেউ ড্রেসিংরুমে ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। মাঠে ঢুকেই ফোন জমা দিতে হবে।”

    তামিম প্রতিযোগী ক্লাবগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, মরশুম শুরু হওয়ার প্রথম কয়েকদিনে ক্লাবগুলোকে ডেকে তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে এবং নিশ্চিত করা হয়েছে যে অপ্রত্যাশিত পুরনো অনুশীলনগুলো আর পুনরাবৃত্তি হবে না। ‘‘সবকিছু ঠিকঠাকভাবে পরিচালিত হবে—এটাই আমাদের চেষ্টা,’’ যোগ করেন তিনি।

    অ্যাড-হক কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই লিগ পুনরায় সচল করার লক্ষ্যে কাজ করছেন তামিম। তিনি জানান, ‘‘যখন আমরা দায়িত্ব নিয়েছি, আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ ছিল কিভাবে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগসহ অন্যান্য লিগগুলো মাঠে ফিরিয়ে আনা যায়।’’ তিনি লিগকে বাংলাদেশের ক্রিকেটিং ইকো-সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘‘এটি আয়োজন করা চ্যালেঞ্জিং ছিল, কারণ গত কয়েক মাস ধরে ক্রিকেট প্রায় থেমে ছিল।’’

    মোটকথা, এবারের ডিপিএলে নিয়মনীতির কড়াকড়ি, বিশেষত ড্রেসিংরুমে ফোন নিষেধাজ্ঞা, খেলার মান ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।

  • ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর কাবিলা জিয়াউল হক পলাশ: এবার সিনেমা পরিচালনায়

    ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর কাবিলা জিয়াউল হক পলাশ: এবার সিনেমা পরিচালনায়

    টেলিসিরিজ ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর কাবিলা চরিত্রে এতটাই জনপ্রিয় হয়েছেন জিয়াউল হক পলাশ যে দর্শকরা মাঝে মাঝে তাঁর প্রকৃত নামই ভুলে যান। কাবিলা নামেই এখন তিনি পরিচিতি পেয়েছেন। তবু শোবিজে আসার মূল ইচ্ছেটা ছিল পরিচালনা—আর সেই স্বপ্ন এখনও জীবিত রেখেছেন পলাশ। এবার তিনি স্পষ্ট করে বললেন, বড় পর্দারও দিকে ঝুঁকবেন।

    রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ শিরোনামের পডকাস্টে অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে পলাশ জানান, তিনি সিনেমা পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যে দুটি গল্পের খসড়া গুছিয়ে রেখেছেন। তবে সরাসরি সিনেমা করার আগে ধাপে ধাপে কিছু প্রকল্প বাস্তবায়ন করবেন—একটি ফিকশন নাটক, একটি ওয়েব ফিল্ম এবং একটি ওয়েব সিরিজ তিনি পরিচালনা করবেন; এরপরই বড় পর্দার কাজ হাতে নেবেন।

    পডকাস্টটিতে পলাশের কথাগুলো থেকে বোঝা গেল, তিনি অভিনয় ও পরিচালনা দুইই সমন্বয় করে শিল্পজীবন গড়ে তুলতে চান। নির্মাণের আগেভাগেই বিভিন্ন জিনিস যাচাই করে নিতে চান; তাই প্রথমে ছোট পরিসরের প্রকল্পগুলো হাতে নিয়ে শৈল্পিক ও বাস্তব অনুশীলন করবেন।

    জেড আই ফয়সাল প্রযোজিত এই বিশেষ পডকাস্টটি আজ শনিবার (২ মে) রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশন ও রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএম-এ একযোগে প্রচারিত হবে।

    শোবিজের পাশাপাশি পলাশের সমাজসেবামূলক কাজও চোখে পড়েছে। তিনি প্রতিষ্ঠিত ‘ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে চট্টগ্রামে ব্রেস্টফিডিং সেন্টার ‘যতন’ নির্মাণ করছেন, যার কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। পডকাস্টে তিনি এই মানবিক প্রজেক্টের কার্যক্রম, উদ্দেশ্য এবং সেবার ধরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

    অভিনয়ে পরিচিত কাবিলা, কিন্তু পরিকল্পনায় পরিচালক—পলাশের এই পদক্ষেপ শোবিজে তার জগতকে আরও বিস্তৃত করবে বলে মনে করছেন অনেকে।

  • শাকিব খানের ‘রকস্টার’—অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার প্রকাশ

    শাকিব খানের ‘রকস্টার’—অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার প্রকাশ

    শুটিংয়ের শেষের দিকে পৌঁছছে শাকিব খানের পরবর্তী চলচ্চিত্র ‘রকস্টার’—এবং প্রচারণা শুরু হয়েই টিজার প্রকাশ্যে আনা হলো। আজ শনিবার ছবিটির ৫৪ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের অ্যানিমেটেড অ্যানাউন্সমেন্ট টিজারটি প্রকাশ করা হয়েছে, যা ইতিমধ্যেই দর্শকদের কৌতূহল জাগিয়েছে।

    টিজারটিতে একটি রকস্টারের জীবনকে সংক্ষিপ্ত কিন্তু তীব্রভাবে দেখানো হয়েছে—শৈশবের স্বপ্ন, জনপ্রিয়তার উত্থান, ধ্বস নামা এবং তার অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরণ। অ্যানিমেটেড ঝলকগুলোতে চরিত্রটির আবেগ, সংগ্রাম ও প্রবল উত্থান-পতন সজীবভাবে তুলে ধরা হয়েছে। শাকিব নিজেই এটি নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছেন এবং ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘একটা গল্প… যা বদলে দেবে সবকিছু! আসছে খুব শিগগিরই।’

    টিজার প্রকাশের পরপরই ভক্তরা ভীষণ উচ্ছ্বসিত হয়েছেন। শাকিবিয়ানরা সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন—কেউ লিখেছেন, ‘রকস্টার আসবে ঝড়ের গতিতে’, আবার কেউ বলেছেন, ‘বদলে দেওয়ার মতো গল্প নিয়ে আমাদের মেগাস্টার আমাদের মাঝে আসবে আবার।’ এক নারী মন্তব্য করেছেন, ‘মেগাস্টার বলে কথা। জাস্ট আগুন হইছে।’ আর একজন লিখেছেন, ‘এই মুভিটা মনে হয় ইতিহাস সৃষ্টি করবে।’

    এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত টিজারটি প্রায় ৭০ হাজার রিয়্যাকশন পেয়েছে, যা দর্শকদের আগ্রহকে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত করছে।

    এর আগে, গত ২৮ মার্চ—শাকিবের জন্মদিনে—চিত্রের লুক প্রকাশ করা হয়। তখনই ভক্তরা সেই লুককে শাকিবের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা লুক বলে দাবি করেছিলেন; কেউ তা ‘মায়ায় পড়া’ বলে অভিহিত করেছেন। পরবর্তীতে আরও একটি পোস্টারে শাকিবের সঙ্গে দেখা গেছে অভিনেত্রী সাবিলা নূরকে।

    চলচ্চিত্রটির শুটিং কয়েকদিনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা। ছবিটির পরিচালক আজমান রুশো। শাকিবের বিপরীতে দেখা যাবে তানজিয়া জামান মিথিলা ও সাবিলা নূরকে। সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে আছেন জাহিদ নিরব। নির্মাতারা জানাচ্ছেন, কোরবানি ঈদে চলচ্চিত্রটি মুক্তি দেওয়া হবে—এমনই পরিকল্পনা রয়েছে।

    টিজার ও প্রকাশিত লুক দেখে স্পষ্ট যে, ‘রকস্টার’ নিয়ে নির্মাতারা একটি শক্তিশালী, আবেগঘন গল্প হাজির করতে চান। মুক্তির অপেক্ষায় ভক্তদের উত্তেজনা এখনো বাড়তেই থাকবে।

  • ১০১ ফ্লাইটে ৪০,৫৯০ বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌছেছেন

    ১০১ ফ্লাইটে ৪০,৫৯০ বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌছেছেন

    শুক্রবার (১ মে) পর্যন্ত চলতি বছরের হজ কার্যক্রমে মোট ১০১টি ফ্লাইটে ৪০,৫৯০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ হজ অফিস। হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন এতে নিশ্চিত করেন যে, সকাল ১০টা পর্যন্ত জেদ্দায় এসব ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

    তিনি জানান, এই বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮,৫০০ জনকে হজ পালনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪০,৫৯০ জন সৌদি আরবে পৌঁছানোয় বাকি ৩৭,৯১০ জন নির্ধারিত এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ধাপে ধাপে সৌদিতে পৌঁছাবেন। হজ কার্যক্রম পরিচালনায় মোট ৬৬০টি এজেন্সি নিয়োজিত আছে; তাদের মধ্যে ৩০টি প্রধান এবং ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি রয়েছে।

    বিমান সংস্থাভিত্তিক হিসেবে বিমানের ফ্লাইট ও যাত্রীসংখ্যা হচ্ছে— বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৪৬টি ফ্লাইটে ১৮,৯৯২ জন; সৌদি এয়ারলাইন্সের ৩৭টি ফ্লাইটে ১৪,৪৫৬ জন; এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ১৮টি ফ্লাইটে ৭,১৪২ জন হজযাত্রী সৌদিতে পৌঁছেছেন।

    হজ বুলেটিনে আরো জানানো হয়েছে, এ পর্যন্ত ৭ জন হজযাত্রীর স্বাভাবিক কারণে মৃত্যু হয়েছে; তাঁদের মধ্যে মক্কায় ৫ জন এবং মদিনায় ২ জন মারা গেছেন। সৌদি মেডিকেল টিম সরাসরি ৬,৮৩২ জন হজযাত্রীকে চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। এছাড়া আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে আরও ৮,৮৩০ জন হজযাত্রী চিকিৎসাসেবা পেয়েছেন।

    হজ অফিস বলেছে, যাত্রীদের স্বাস্থ্য, সেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাই একযোগে কাজ করছে এবং বাকি যাত্রীদের ধাপে ধাপে সৌদিতে পৌঁছতে সমন্বয় করা হচ্ছে।

  • নানা ষড়যন্ত্র চলছে, ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দেওয়ার আহ্বান — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

    নানা ষড়যন্ত্র চলছে, ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দেওয়ার আহ্বান — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান অভিযোগ করেছেন, দেশে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। দেশবিরোধী সব অপতৎপরতা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দেওয়ার জন্য সবাইকে সক্রিয় থাকার আহ্বানও জানান তিনি।

    শুক্রবার (১ মে) মহান মে দিবসের উপলক্ষে নয়াপল্টনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।

    তিনি বলেন, যখনই বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে এগিয়েছে, কিছু মহল তা মেনে নিতে চাননি। অতীতে ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং ১২ তারিখের নির্বাচনের পরও যখন তাদের চোখে পড়ল যে দেশ জনগণের সিদ্ধান্ত মোতাবেক চলছে, তখন থেকেই নতুনভাবে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।

    ষড়যন্ত্রীদের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করে বলেন, তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশকে বিতর্কিত ও বন্ধুহীন করে তুলতে চায়। তারা চান না দেশের মানুষ পরিশ্রম করে ভাগ্য পরিবর্তন করুক বা বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাক।

    তবে বিশ্বদরবারে এখন দেশের পেছনে জনগণের ব্যাপক সমর্থন দেখা যাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। ষড়যন্ত্রকারীদের কথায় বিশ্বের বন্ধুরা আর কর্ণপাত করছে না; বরং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে কিভাবে বিনিয়োগ বাড়ানো যায় এবং মানুষের ভাগ্য ভালো করা যায়—এই বিষয়ে আলোচনা করছে।

    তারেক রহমান স্মৃতিচারণ করে বলেন, দেশে গণতন্ত্র থাকলে অর্থনীতি শক্তিশালী হয় এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় উন্নতি আসে। গণতন্ত্রের পথেই এক সময় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ‘ইমার্জিং টাইগার’ হিসেবে খ্যাতি পেয়েছিল।

    দেশের স্বার্থে ও শ্রমিক-শ্রমজীবীর ভাগ্য উন্নয়নে বিশ্ব দরবারের সুযোগগুলো গ্রহণে জোর দেন তিনি। সবাইকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে বললেন—যারা অরাজকতা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশকে বিতর্কিত করতে চায় তাদের ভ্রুকুটি ঠেকাতে শ্রমিকসহ সকল সচেতন নাগরিককে একসঙ্গে এগুতে হবে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্বৈরাচারের সময়ে স্বাস্থ্য, শিক্ষা সহ বিভিন্ন খাতে ক্ষতি হয়েছে এবং শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়েই ছিনিমিনি চলেছিল। ২০২৪ সালে মানুষ সেই স্বৈরাচারকে বিদায় জানিয়েছে, এখন দেশের গড়ার পালা—এই প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    অর্থনীতি পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত উদ্যোগেও তারেক রহমানের ভাবনা স্পষ্ট: কয়টি কলকারখানা দ্রুত চালু করার নির্দেশ আগে দেওয়া হয়েছে এবং এই সপ্তাহে পুনরায় মিটিং করে ধাপে ধাপে বন্ধ থাকা কলকারখানা চালু করা হবে। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ ও বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েই কাজ চলছে।

    শ্রমিক ও কৃষকদের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘‘শ্রমিক-কৃষকরা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমান উন্নত না হলে দেশ উন্নত হবে না।’’

    যানজট ও দুর্ভোগের কারণে কিছু হকার উচ্ছেদ করা হলেও হকাররা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবসা করতে পারে সে উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    তিনি আরও বলেন, আড়াই থেকে তিন বছর আগে ঘোষিত ৩১ দফায় দেশের মেরামত ও উন্নয়নের রূপরেখা দেয়া আছে এবং সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গেই নির্ধারিত প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। কৃষি ঋণ মওকুফ ও কৃষক কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে, এবং খাল খনন করে সেচ ও পানির চাহিদা মেটানোর কাজ শুরু হয়েছে।

    শেষে তিনি আবারও সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন—যদি আমরা দেশকে এগিয়ে নিতে পারি, তা হলে দেশের ভাগ্য বদলায়।

  • সাদিক কায়েমের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে নাম প্রচার; শিবির জানালো—দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সুযোগ নেই

    সাদিক কায়েমের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে নাম প্রচার; শিবির জানালো—দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সুযোগ নেই

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বর্তমান সহ-সভাপতি সাদিক কায়েমকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বলে কিছু অনলাইন সংবাদ ও প্রচারণা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে জামায়াতে ইসলামী থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা বা প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    সূত্র জানায়, আজ শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) কাউন্সিল হলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীলদের সম্মেলন হয়। ওই সম্মেলনে কয়েকজন দায়িত্বশীলের পক্ষ থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমের নাম প্রস্তাব করা হয় বলে জানা গেছে।

    জামায়াতে ইসলামের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, কেউ পরামর্শ বা প্রস্তাবনা করতে পারে, তবে তা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। কেন্দ্রীয় কমিটি যাকে অনুমোদন দেবে, তার নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষনা করা হবে। তিনি বলেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের জন্য প্রার্থী নির্বাচন করা হবে এবং সেটি শিগগিরই জানানো হবে, কিন্তু এখনো কেন্দ্রীয় অনুমোদন হয়নি।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির অভিযোগ করছে যে, শিবিরের কেন্দ্রীয় কোনো দায়িত্বশীলকে নিয়ে কিছু অনলাইন পোর্টালে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ হচ্ছে। ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিবিরে যে কোনো পর্যায়ে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই এবং কাউকে রাজনৈতিক দল থেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করাও গ্রহণযোগ্য নয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যদি শিবির থেকে কেউ তার দায়িত্ব শেষ করে বিদায় নেয়, তখন তিনি ইচ্ছা করলে কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। সে পর্যন্ত বর্তমান সেশন বা দায়িত্বে থাকা কোনো নেতাকে নিয়ে ছড়ানো খবরের প্রতি সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।

    সংক্ষেপে, কিছু পর্যায়ের প্রস্তাবনায় সাদিক কায়েমের নাম উঠলেও কেন্দ্রীয় জামায়াত থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমোদন বা ঘোষণা হয়নি, এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরও দায়িত্বে থাকা অবস্থায় এমন কোনো অংশগ্রহণের সুযোগ নেই বলে সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে।