Blog

  • কেসিসি: মহানগরে ১৮০ দিনে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

    কেসিসি: মহানগরে ১৮০ দিনে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

    মহানগরীর জিআইজেড মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার সকালে কেসিসি পরিচালিত বিভিন্ন জায়গা ও উন্মুক্ত জমিতে বনায়ন তৈরির লক্ষ্যে একটি পরিষদেরসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। সভার আয়োজন করে কেসিসি’র রাজস্ব বিভাগ; এটি প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’’ কর্মসূচির স্থানীয় বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার অংশ।

    সভায় বিভিন্ন ব্যাংকের স্থানীয় শাখার কর্মকর্তা ও মহানগরে কর্মরত অনেকে বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। কেসিসি প্রশাসক বলেন, দেশব্যাপী এই বৃহৎসবুজ অভিযানে মহানগরও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে; লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সব সংস্থা ও নাগরিককে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, সকলের মতাম্যকে অন্তর্ভুক্ত করে কার্যকর কর্মপরিকল্পনা তৈরি ও সমন্বয়ের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করাই সফলতার চাবিকাঠি। মশার প্রজনন রোধে কোথাও পানি জমে থাকতে দেওয়া যাবে না—এ বিষয়ে নাগরিকদেরও সতর্ক ও সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

    সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বন বিভাগ থেকে পরামর্শ নিয়ে সঠিক স্থানে গাছ রোপণ করা, সাধারণ জনগণকে ব্যাপকভাবে ঐ কর্মসূচীতে সম্পৃক্ত করার জন্য প্রচারণা চালানো এবং বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সামনের অংশে রোপণের মাধ্যমে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা, আসন্ন বৃক্ষমেলা বর্ণাঢ্যভাবে আয়োজন করার জন্য বন বিভাগকে সহযোগিতা অনুরোধ এবং সরকারি-বেসরকারি সকল সংস্থার মধ্যে যুগোপযোগী সমন্বয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

    আরও ঠিক করা হয়, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে মহানগরীতে মোট ৫০,০০০ লক্ষ্মী বৃক্ষরোপণ করা হবে। শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সরকারি ও বেসরকারি অফিস, হাসপাতাল ও ক্লিনিকসহ যেখানে উন্মুক্ত জায়গা আছে সেগুলোতে গাছ রোপণ করা হবে; উন্মুক্ত জায়গা না থাকা সংস্থাগুলোর জন্য গাছের চারা অনুদান হিসেবে প্রদান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন কেসিসি সচিব মোঃ রেজা রফিক (রেজা রশীদ), প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, বাজেট ও একাউন্টস অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদ, সম্পত্তি কর্মকর্তা গাজী সালাউদ্দিন। ব্যাংক ও সংস্থার প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন জনতা ব্যাংক করপোরেট শাখার ডিজিএম মোঃ মেহেদী হাসান, কমিউনিটি ব্যাংক—খুলনা শাখার এসএভিপি মোঃ রোকনুজ্জামান, বেসিক ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার আবু সাঈদ। নাগরিক ফোরামের মহাসচিব এস. এম. ইকবাল হাসান তুহিন, নিরালা জনকল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুস সবুরসহ ডাচ-বাংলা, ব্র্যাক, মিডল্যান্ড, ঢাকা, মেঘনা, ওয়ান, প্রাইম, সাউথইস্ট, আল-আরাফা, ব্যাংক এশিয়া প্রভৃতি ব্যাংক এবং রূপান্তর, ব্র্যাক, প্রদীপন, রূপায়ন, সুশীলন, নবলোক, সিয়াম, এ্যাওসেড, ফেয়ার ফাউন্ডেশন, মানবসেবা সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা ও অন্যান্য বেসরকারি সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা সভায় যোগ দেন।

  • সংযুক্ত আরব আমিরাত জানালো: ঈদুল আযহা সম্ভবত ২৭ মে

    সংযুক্ত আরব আমিরাত জানালো: ঈদুল আযহা সম্ভবত ২৭ মে

    সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে যে পবিত্র জিলহার মাসের চাঁদ গণনা অনুযায়ী সম্ভবত আগামী ১৭ মে দেখা যাবে। আবুধাবি অবস্থিত আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্র (আইএসি) এই তথ্য জানিয়েছে।

    আইএসির গণনা অনুযায়ী ১৭ মে জিলহজের চাঁদ দেখা গেলে সেই হিসেব মেনে আগামী ২৭ মে (বুধবার) বিশ্বের বেশির ভাগ দেশে ঈদুল আযহা উদযাপিত হতে পারে। কেন্দ্রটি তাদের জ্যোতির্বিজ্ঞান প্রতিবেদনে এই সম্ভাবনার কথাই জানিয়েছে।

    আইএসি বলছে, ১৭ মে চাঁদ টেলিস্কোপের সাহায্যে পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশ থেকে দেখা যেতে পারে। অপরদিকে মধ্য ও পশ্চিম এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার অধিকাংশ অংশ থেকে সেই দিন খালি চোখেও চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী যদি ১৮ মে (সোমবার) থেকে ১৪৪৭ হিজরি সালের জিলহজ মাস শুরু হয়, তাহলে জিলহজের ১০ তারিখে অর্থাৎ ২৭ মে ঈদুল আযহার প্রথম দিন হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকবে।

    তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত চাঁদ দেখা ও সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের ঘোষণার ওপর নির্ভর করে। আলেম-ওলামারা স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখার পরই ঈদের তারিখ ঘোষণা করবেন।

    সূত্র: গালফ নিউজ।

  • উত্তর প্রদেশে ভয়াবহ ঝড়ে ১০৪ জন নিহত, বহু এলাকা বিধ্বস্ত

    উত্তর প্রদেশে ভয়াবহ ঝড়ে ১০৪ জন নিহত, বহু এলাকা বিধ্বস্ত

    ভারতের অন্যতম জনঘনত্বপূর্ণ রাজ্য উত্তর প্রদেশে তীব্র ঝড়ে অন্তত ১০৪ জনের মৃত্যু এবং ৫০-র ওপরে মানুষ আহত হয়েছেন। ঝড়ে ঘরবাড়ি ধসে পড়া, গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়া এবং বজ্রপাতে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। রাজ্যের অন্তত ১২টি জেলায় ঝড়টি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

    সরকারি ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা যায়, শত শত গাছ ও বিলবোর্ড উপড়ে পড়েছে; অসংখ্য কাঁচা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায়াগরাজ (প্রয়াগরাজ/এলাহাবাদ) জেলা — সেখানে কমপক্ষে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যান্য জেলায় মৃত্যুর সংখ্যা হলো: ভাদোহী ১৮, মির্জাপুর ১৫, ফতেহপুর ১০; উন্নাও ও বদায়ু জেলায় প্রতিটিতে ছয়জন; প্রতাপগড় ও বেরেলিতে চারজন করে প্রাণহানি ঘটেছে। এছাড়া সীতাপুর, রায়বেরােলি, চাঁদৌলি, কানপুর দেহাত, হারদোই ও সম্বল থেকেও বহু মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

    কর্মকর্তারা বলেন, প্রবল ঝড়ের কারণে কাঁচা ঘর ধসে পড়া, গাছপালা উপড়ে পড়া এবং বজ্রপাতেই বেশির ভাগ প্রাণহানি ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে ছিন্নভিন্ন যোগাযোগ ও বিদ্যুৎবিভ্রাটের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জীবনমান আরও বিপর্যস্ত হয়েছে; ক্ষেতের ফসল ও গবাদিপশুরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

    টেলিভিশন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত ফুটেজে দেখা গেছে, তীব্র বাতাসে বিশাল গাছ এবং বৈদ্যুতিক খুঁটি রাস্তায় লুটিয়ে পড়েছে; কোথাও কোথাও রেল লাইনের ওপর গাছ পড়ায় ট্রেন চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বারেলির বামিয়ানা গ্রামে একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রবল বাতাসে একজন মানুষ টিনের চালাসহ আকাশে উড়ে গিয়ে কয়েকটি মিটার দূরে একটি মাঠে পড়ছেন।

    প্রয়াগরাজের বাসিন্দা রাম কিশোর সংবাদসংস্থা এপিকে বলেছেন, হঠাৎই ঝড় শুরু হয়; মুহূর্তের মধ্যে চারপাশ অন্ধকারে ঢেকে যায়, টিনের চালা উড়ে যায় এবং মানুষদের চিৎকার-চেঁচামিচি শুরু হয়। তিনি জানান, সারা সন্ধ্যা শুধু গাছ ভেঙে পড়ার আওয়াজটাই শোনা গেছে।

    দুর্যোগের খবর পেয়ে পুলিশ ও দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এসডিআরএফ) সঙ্গে সঙ্গে মাঠে নেমে উদ্ধার ও উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। রাস্তা ও রেল লাইনের ধ্বংসাবশেষ সরাতে তারা চেইনসো, ক্রেন ও অন্যান্য সরঞ্জাম ব্যবহার করছেন। স্থানীয় প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে তাত্ক্ষণিক সাহায্য দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

    বহু জেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার ফলে রাত জুড়েই অন্ধকার বিরাজ করেছে; প্রশাসন জানায় উদ্ধারকাজ এখনও চলমান হওয়ায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে এবং চূড়ান্ত হিসাব পাওয়ার অপেক্ষা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নিহতদের পরিবারে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ত্রাণ ও সহায়তা পৌঁছে দিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া ফসলের ক্ষতি নিরূপণের জন্য রাজস্ব ও কৃষি দফতরসহ বীমা কোম্পানিগুলোকে দ্রুত জরিপ করে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। ঝড়ের ব্যাপকতা তুলে ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় শত শত ভিডিও ও ছবি শেয়ার করেছেন স্থানীয়রা।

    সূত্র: এনডিটিভি, স্কাই নিউজ।

  • মাহমুদউল্লাহ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মেন্টর হচ্ছেন

    মাহমুদউল্লাহ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মেন্টর হচ্ছেন

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে প্রবীণ জাতীয় ক্রিকেটারদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলের মেন্টর পদে দেখা যেতে পারে সাবেক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে।

    বোর্ডের কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, মাহমুদউল্লাহ ও বিসিবির মধ্যে আলোচনা ইতোমধ্যেই ইতিবাচক পর্যায়ে পৌঁছেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে তিনি ২০২৮ সালের যুব বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে পারেন — ওই আসর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    মেন্টরের দায়িত্ব নিলেও মাহমুদউল্লাহ ঘরোয়া ক্রিকেট চালিয়ে যাবেন। যুব দলের ক্যাম্প ও প্রস্তুতিমূলক সময়গুলোতে তিনি দলের সঙ্গে থেকে ক্রিকেটারদের মানসিকতা গড়ায়, ম্যাচ পরিস্থিতি সামলানো এবং আন্তর্জাতিক স্তরের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার কাজে সরাসরি সহাযোগিতা করবেন। পাশাপাশি দেশের বাইরে ও ভেতরে সিরিজ বা টুর্নামেন্টে দলের সঙ্গে থেকেও তাদের দিকনির্দেশনা দেবেন এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।

    বিসিবি চাইছে সাবেক খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা দিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ স্তরের ক্রিকেটকে আরও শক্ত ভিতে গড়া এবং ভবিষ্যৎ জাতীয় দলের জন্য প্রতিভা প্রস্তুত করা। মাহমুদউল্লাহ থাকলে তরুণ খেলোয়াড়রা আন্তর্জাতিক মানসিকতা ও কৌশল শিখতে পারবে বলে সূত্রগুলো মনে করছে।

  • লেবাননে ড্রোন হামলায় সাতক্ষীরার শুভ দাসসহ ৩ বাংলাদেশি নিহত

    লেবাননে ড্রোন হামলায় সাতক্ষীরার শুভ দাসসহ ৩ বাংলাদেশি নিহত

    লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় সাতক্ষীরার তিন প্রবাসী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কলারোয়া উপজেলার শ্রীপতিপুর গ্রামের শুভ কুমার দাস (২২), সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম (৩৮) এবং আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামের মোঃ নাহিদুল ইসলাম নাহিদ (২৬)।

    শীতল শোকে ভেঙে পড়েছে শুভ কুমার দাসের পরিবার। সুরঞ্জন দাস ও শিখা রানী দাস দম্পতির বড় ছেলেই ছিলেন শুভ। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জীবিকার তাগিদে ও পরিবারের স্বপ্ন পুরণ করার জন্য তিন বছর আগে লেবাননে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি একটি পশুখামারে কাজ করতেন এবং নাবাতিয়ার মাইফাদুন এলাকায় চারতলা এক ভবনের তৃতীয় তলায় কয়েকজন বাংলাদেশির সঙ্গে বসবাস করতেন।

    স্থানীয় সময় গত সোমবার (১১ মে) রাতে তাদের থাকা ভবনে ইসরাইলি ড্রোন হামলা চালানো হয়। বিস্ফোরণের ফলে ভবনটি ডেনে পড়ে যায় এবং সেখানে থাকা একাধিক শ্রমিক নিহত ও আহত হন। পরে বাংলাদেশে থাকা পরিচিতদের মাধ্যমে শুভসহ কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পরিবারে পৌঁছায়।

    নিহতের মা শিখা রানী দাস বললেন, ‘‘আগামী ২২ মে শুভর লেবাননে থাকতে তিন বছর পূর্ণ হওয়ার কথা ছিল। রবিবার (১০ মে) সকালে তার সঙ্গে শেষবার ফোনে কথা হয়। সে আমাকে বলেছিল, ‘মা, আমাদের এলাকা নিরাপদ, তোমরা চিন্তা করো না।’ এক রাত পরেই এমন ঘটনা ঘটে যাবে—কারো ধারণা ছিল না।’’

    শিখা রানী বলেন, পরের দিন সকালে ভবনে হামলার খবর পেয়ে শান্ত নামে এক পরিচিত ফোন করে জানায় পুরো ভবন ধসে গেছে। পরে মোবাইলে বারবার কল দিলেও সাড়া পাননি। ‘‘আমার একটাই চাওয়া—আমার ছেলেটাকে দেশে ফিরিয়ে দিতে হবে, আমি আর একবার তার মুখ দেখতে চাই,’’ তিনি কাঁদতে কাঁদতে বললেন।

    পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, শোকের কিছু সময় পর তারা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মরদেহ দেশে নেওয়া এবং সকল প্রকার সহযোগিতা চেয়ে সরকারি সাহায্য কামনা করেছেন। শোকগ্রস্ত মা বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন এবং বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল ইসলাম জানান, নিহত শুভর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের খোঁজ খবর নেওয়া হয়েছে। সরকারি ভাবে এখন পর্যন্ত বিষয়টি প্রশাসনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তারপরও সাতক্ষীরা জেলা ও উপজেলা প্রশাসন নিহতের পরিবারকে সহায়তা করবে। তিনি জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাদের মরদেহ দেশে আনার চেষ্টা চলছে।

    স্থানীয় সরকারি ও প্রবাসী সংগঠনগুলোকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত মরদেহ উদ্ধার এবং দেশে নেওয়ার উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক এবং মানসিক সহায়তা প্রদানের জন্য স্থানীয়রা এগিয়ে এসেছে।

    ঘটনার তদন্ত ও মরদেহ প্রত্যাবর্তনে সরকারসহ সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর কড়া তৎপরতা দাবি করেছেন নিহতদের পরিবার। তারা দ্রুত তাদের প্রিয়জনের মরদেহ দেশে এনে শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে চান।

  • নাহিদ রানা পেলেন আইসিসির এপ্রিল মাসের সেরা পুরস্কার

    নাহিদ রানা পেলেন আইসিসির এপ্রিল মাসের সেরা পুরস্কার

    বাংলাদেশের উত্থানশীল পেসার নাহিদ রানা চূড়ান্ত স্বীকৃতি পেলেন—এপ্রিলের জন্য আইসিসির মাসসেরা পুরুষ ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছেন তিনি। নিউজিল্যান্ড সিরিজে দুর্দান্ত বোলিং করে তার গতিশীলতা, আগ্রাসী মনোভাব ও আত্মবিশ্বাসই এই সম্মানের কারণ হিসেবে cited হয়েছে, জানিয়েছে আইসিসি যা বৃহস্পতিবার (১৪ মে) আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে।

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে নাহিদ নেন মোট ৮ উইকেট; গড় ১৬.৭৫ এবং ইকোনমি মাত্র ৪.৪৬। সিরিজের প্রথম ম্যাচে মিরপুরে তার দিনটা ভালো কাটেনি—৬৫ রান খরচ করে মাত্র এক উইকেট পেয়েছিলেন। কিন্তু চট্টগ্রামে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে তিনি ফিরে আসেন পূর্ণ বলাবলী নিয়ে; মাত্র ৩২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইভ-ল উইকেট শিকার করেন। সিরিজের শেষ ম্যাচেও ২ উইকেট নিয়ে দলের সিরিজ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং সিরিজসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।

    এই পারফরম্যান্সের সহায়তায় ওমানের ঘণ্টিন্দর সিং ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের অজয় কুমারকে পেছনে ফেলে নাহিদ প্রথমবারের মতো এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতেছেন। গত বছর এপ্রিলে মেহেদী হাসান মিরাজের পর এবার নাহিদের পালা।

    নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজেও নাহিদ নেন ৮ উইকেট এবং তখনই তিনি প্রথমবারের মতো ফাইভারের স্বাদ পেয়েছিলেন। পাশাপাশি পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের পরে টেস্টেও মিরপুরে ফাইভারের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ১০৪ রানের বড় জয়ে সাহায্য করেন, যা তার ধারাবাহিক উন্নতিরই প্রমাণ।

    পুরস্কারপ্রাপ্তির পর নাহিদ বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডের মতো বিশ্বমানের দলের বিপক্ষে ভালো খেলাটা সত্যিই অসাধারণ অনুভূতি। নিজেদের মাঠে এমন সাফল্য পেয়েছি—এটি আমি সারাজীবন মনে রাখব।’ তিনি সতীর্থদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে যোগ করেন, ‘আমার সঙ্গে সবসময় বিশ্বাস রেখে সমর্থন করে যাওয়ার জন্য টিমমেটদের ধন্যবাদ। আশা করি ভবিষ্যতেও দলের জন্য আরও জয় ও স্মরণীয় মুহূর্ত এনে দিতে পারব।’

    কর্তব্যনিষ্ঠা, গতি ও ধারাবাহিকতা দেখিয়ে নাহিদ রানা এখন বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হিসেবে জায়গা করে নিচ্ছেন; তাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার ওপর ধারণাটা আরও শক্ত হচ্ছে।

  • বয়স কমানোর ইনজেকশনের গুজব নাকচ করলেন শেফালির স্বামী পরাগ ত্যাগী

    বয়স কমানোর ইনজেকশনের গুজব নাকচ করলেন শেফালির স্বামী পরাগ ত্যাগী

    ‘কাঁটা লাগা’খ্যাত অভিনেত্রী শেফালি জারিওয়ালার মৃত্যু নিয়ে যে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল—বয়স কমানোর ইনজেকশন নিতেন, সেই ইনজেকশনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মৃত্যু—সেটি মিথ্যা বললেন তাঁর স্বামী পরাগ ত্যাগী। দীর্ঘদিন চুপ থাকার পর এ কথা জানিয়ে তিনি গুজব দমনে অনুরোধও করেছেন।

    পরাগ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা সব কিছুই খাই। শেফালি মারা যাওয়ার আগের দিনও আমরা চাইনিজ খেয়েছিলাম। ও তো বেশ ফিট ছিল — না খেয়ে থাকলে মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যেত।” তিনি আরও প্রশ্ন করেছেন, “কী ধরনের ইনজেকশন বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে? যদি এটা সত্যি হত, তাহলে রতন টাটা এখনও বেঁচে থাকতেন।” এই মন্তব্যের মাধ্যমে পরাগ সুস্পষ্টভাবে ইনজেকশনের চর্চার অনর্থকতা তুলে ধরেছেন এবং গুজব ছড়ানো বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    শেফালি গত বছর মারা যান। সংবাদে জানানো হয়, মৃত্যুর সেই দিন তিনি উপোস ছিলেন—সত্যনারায়ণ পূজার কারণে বিকেল ৩টা পর্যন্ত উপোস রেখেছিলেন। উপোস ভাঙার পরে ফ্রিজ থেকে সামান্য কিছু খান তিনি, কিন্তু ক্লান্ত শরীরকে যথেষ্ট বিশ্রাম দেওয়ার সুযোগ পাননি। রাতে প্রায় সাড়ে দশটার দিকে হঠাৎ জ্ঞান হারান শেফালি; দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তিনি মারা গেছেন।

    শোবিজ ক্যারিয়ারের শুরু মডেলিং থেকেই—শেফালি প্রায় ৩৫টির মতো মিউজিক ভিডিওয় কাজ করেছেন। বলিউডে অভিষেক হয় ২০০৪ সালে; ‘মুঝসে শাদি করোগে’ ছবিতে ক্যামিওর মাধ্যমে তাঁর পথচলা শুরু হয়।

    ব্যক্তিগত জীবনেও শেফালির নাম নানা সময় বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে জড়িয়েছে। ২০০২ সালে প্রথম ঘরকর্ম শুরু করলেও সেই সংসার দীর্ঘস্থায়ী হয়নি; মানসিক ও শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগ করে তিনি বিচ্ছেদ নেন। পরে অনেকটা আড়ালে চলে গেলেই তিনি। পরে ২০১৪ সালে বিগ বস্‌ ১৩ থেকে পরিচয় হওয়া পরাগ ত্যাগীর সঙ্গে ঘর বাঁধেন—দুজনেই ‘বিগ বস’–এ প্রতিযোগী ছিলেন এবং সংসার জীবনেও তাঁরা সুখী ছিলেন।

    পরাগের এই মন্তব্যে শেফালির দিকে গিয়ে ছড়ানো অনেক গুজবের ইতি ঘটতে পারে, তবে পরিবারের অনুরোধ—শোকের সময়ে কল্পনা ও অনুমান ছাড়াই সঠিক তথ্যেই গুরুত্ব দেওয়া হোক।

  • কন্নড় অভিনেতা-প্রযোজক দিলীপ রাজের আকস্মিক মৃত্যু

    কন্নড় অভিনেতা-প্রযোজক দিলীপ রাজের আকস্মিক মৃত্যু

    কন্নড় সিনেমা-টেলিভিশন জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে — জনপ্রিয় অভিনেতা ও প্রযোজক দিলীপ রাজ শুক্রবার নয়, বুধবার ভোরে হৃদরোগে মারা গেছেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দিলীপ রাজের শারীরিক অস্বস্তি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। দ্রুত বেঙ্গালুরুর এক বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মাত্র ৪৭ বছর বয়সে তার এই আকস্মিক প্রয়াণ কন্নড় ইন্ডাস্ট্রির জন্য বড় ধাক্কা। (সূত্র: ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস)

    শোবিষয়ক মহলে ও ভক্ত-সমাজে তীব্র শোক চলছে। সহশিল্পী ও কলাকুশলীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুপম শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। অভিনেতা চেতন কুমার মনোকষ্ট দিয়ে স্মৃতিচারণ করে লেখেন, “দিলীপ শুধু প্রতিভাবান শিল্পী ছিলেন না, একজন সত্যিকারের মানুষও ছিলেন—দয়ালু, নম্র ও আন্তরিক। ওর মতো মানুষ বিরল।”

    দিলীপ রাজ বহুপ্রতিভার ধারক ছিলেন। টেলিভিশনে তিনি দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের প্রিয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন; ‘রঙ্গোলি’, ‘কুমকুম ভাগ্য’ ও ‘হিটলার কল্যাণ’ মতো ধারাবাহিকে তার উপস্থিতি নানান বাড়তি শক্তি যোগ করেছিল। সিনেমায় ২০০৫ সালে নায়কের ভূমিকায় অভিষেকের পর ২০০৭ সালে পুণীত রাজকুমারের ‘মিলানা’-তে খলনায়কের ভূমিকায় সবাইকে চমক দেন। এরপর থেকে ‘ইউ-টার্ন’, ‘লাভ মকটেল ৩’সহ প্রায় ২৪টির বেশি ছবিতে তিনি দেখা গেছে।

    প্রযোজক হিসেবেও দিলীপের আলাদা খ্যাতি ছিল—তার প্রযোজনা সংস্থা ‘ডিআর ক্রিয়েশনস’ থেকে দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করা বেশ কিছু হিট ধারাবাহিক নির্মিত হয়েছিল। থিয়েটারেও তার সক্রিয় ভূমিকা কন্নড় শিল্পদলকে সমৃদ্ধ করে তুলেছে।

    অভিনয়, প্রযোজনা ও থিয়েটারের ক্ষেত্রে যে বহুমুখী অবদান রেখে গেলেন দিলীপ রাজ, তা দীর্ঘদিন মনে রাখা হবে। অনুরাগীরা বিশেষভাবে ‘হিটলার কল্যাণ’-এর মতো তাঁর স্মরণীয় চরিত্রগুলোকে মনে রেখে তাকে স্মরণ করবেন।

  • অভিনেতা ও নাট্যকার আতাউর রহমান আর নেই

    অভিনেতা ও নাট্যকার আতাউর রহমান আর নেই

    স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য অভিনেতা, নাট্যকার ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ ১২ মে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। অভিনেতা ও নাট্যকারের এ প্রবীণ ব্যক্তিত্বের মৃত্যুতে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু জানিয়েছেন, আতাউর রহমান রাত সাড়ে ১২টার দিকে মারা গেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি এই দুঃসংবাদটি নিশ্চিত করে লিখেছেন, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। বাংলাদেশের স্বনামধন্য এই অভিনেতা এবং আমাদের প্রিয় সহকর্মী মঞ্চসারথী আতাউর রহমান কিছুক্ষণ আগে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। তার বিদেহী আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।’

    গত শুক্রবার তিনি তার বাসায় পড়ে যান, এর পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর তাকে গুলশানের একটি হাসপাতালে নেয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকরা জানান, তাকে লাইফ সাপোর্টের প্রয়োজন। তবে আইসিইউ সুবিধা না থাকায় তাকে ধানমন্ডির অন্য একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ভর্তির পরই তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়, এবং কিছু সময়ের জন্য শারীরিক উন্নতি দেখে লাইফ সাপোর্ট খুলে দেয়া হয়। কিন্তু অবস্থার আরো অবনতি হলে গতকাল আবারও তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়।

    তার কন্যা শর্মিষ্ঠা রহমান জানান, ‘আব্বার অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। জটিলতা বেড়ে গেছে, শরীরের একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে গেছে—চিকিৎসকেরাই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আমরা সবাই তাঁর জন্য দোয়া চাচ্ছি।’ সর্বশেষ চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    অতীতের কথা জানিয়ে, আতাউর রহমানের জন্ম ১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তিনি ছিলেন এক অসামান্য প্রতিভা। একজন অভিনেতা, মঞ্চনির্দেশক, নাট্যকার ও লেখক হিসেবে তিনি ছিলেন কিংবদন্তি। বিশেষ করে স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের মঞ্চনাটক আন্দোলনের অগ্রদূত হিসেবে তাঁর ভূমিকা গৌরবময়। শিল্প-সংস্কৃতি ও নাট্যাঙ্গনে ব্যক্তিগত অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে বাংলাদেশ সরকার তাকে দিয়েছে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পদক এবং একুশে পদক। তাঁর মৃত্যু দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সৃষ্টি করেছে এক অপূরণীয় শূন্যতা, যার স্থান কখনোই পূরণ হবে না।

  • ওটিটিতেও দেখা যাবে শাকিবের ‘রকস্টার’ সিনেমা

    ওটিটিতেও দেখা যাবে শাকিবের ‘রকস্টার’ সিনেমা

    আসন্ন ঈদুল আজহায় মুক্তি পাচ্ছে জনপ্রিয় ছবি ‘রকস্টার’। এই সিনেমার এক্সক্লুসিভ স্ট্রিমিং পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের অন্যতম ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি। গত রোববার দুপুরে সিনেমাটির নির্মাতা ও চরকির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এই ঘোষণা নিশ্চিত করা হয়।

    চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, ভালো মানের নির্মাণের লক্ষ্যেই তারা ‘রকস্টার’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। সিনেমার প্রযোজক অজয় কুমার কুন্ডু উল্লেখ করেন, প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর দেশের পাশাপাশি বিদেশী দর্শকদের জন্যও সহজ-accessibility নিশ্চিত করতে চরকিকে স্ট্রিমিং পার্টনার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।

    ‘রকস্টার’ সিনেমার গল্প বাস্তব জীবনের রকস্টারদের জীবনঘনিষ্ঠ নানা ঘটনার মিশেলে তৈরি। যেখানে সিনেমাটিতে শাকিব খানকে দেখা যাবে সাধারণ অ্যাকশন হিরো নয়, বরং একজন পেশাদার সংগীতশিল্পী হিসেবে।

    প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সান মোশন পিকচার্স লিমিটেড এই সিনেমার গান ও সংগীত পরিচালনা করেছেন আহমেদ হাসান সানি ও জাহিদ নিরব। ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর এটি তারপর ওটিটি প্ল্যাটফর্মে, অর্থাৎ চরকিতে দেখা যাবে, তবে ওটিটিতে মুক্তির সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।