Blog

  • ইরানের স্পিকার: যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আমাদের বিশ্বাস নেই, তারা আস্থা অর্জনে ব্যর্থ

    ইরানের স্পিকার: যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আমাদের বিশ্বাস নেই, তারা আস্থা অর্জনে ব্যর্থ

    ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ব্যর্থতার পরে। তিনি বলেন, মার্কিনিদের ওপর তাদের বিশ্বাস নেই এবং নতুন আলোচনায় তারা ইরানিদের আস্থা জিততে পারেনি।

    গালিবাফ রোববার (১২ এপ্রিল) মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে লিখেছেন, “আমাদের প্রয়োজনীয় মনোভাব এবং সদিচ্ছা আছে। কিন্তু আগের দুই যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে, মার্কিনিদের ওপর আমাদের কোনো বিশ্বাস নেই।” তিনি আরও বলছেন, “মার্কিনিরা এই পর্বের আলোচনায় ইরানি প্রতিনিধিদের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।”

    স্পিকার পাকিস্তানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “আমরা ভাতৃপ্রতীম দেশ পাকিস্তানের ওপর কৃতজ্ঞ — এই আলোচনার ব্যবস্থা করার জন্য। পাকিস্তানের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।”

    গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বসেছিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল। দীর্ঘ সময় কথোপকথন হওয়া সত্ত্বেও দুই দেশ কোনো চুক্তি অনুসূচিতে পৌঁছাতে পারেনি। বর্তমানে ওই অঞ্চলে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি বলবৎ রয়েছে।

    ইরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত দাবি-দাওয়া এনেছে, যা তাদের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে কোনো চুক্তি ছাড়াই আলোচনায় বিরতি ঘোষণা করা হয়েছে। সূত্র বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকা জে.ডি. ভ্যান্স তার দলসহ দেশে ফিরে গেছেন।

    সূত্র: আলজাজিরা

  • তেল আবিবে ইরান যুদ্ধবিরোধী সমাবেশ আদালতের সীমা ছাড়ালো

    তেল আবিবে ইরান যুদ্ধবিরোধী সমাবেশ আদালতের সীমা ছাড়ালো

    তেল আবিবের হাবিমা স্কোয়ারে শনিবার (১১ এপ্রিল) সরকারবিরোধী ও ইরান যুদ্ধবিরোধী একটি বৃহৎ সমাবেশে শত শত নয়, হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়—বিবিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম বলছে অন্তত ২ হাজারজন উপস্থিত ছিল, যা সুপ্রিম কোর্টের নির্ধারিত ১ হাজারজনের সীমা ছাড়িয়েছে।

    সুপ্রিম কোর্ট জননিরাপত্তার লক্ষ্যে ওই সীমা আরোপ করেছিল—পরিবর্তিত নিরাপত্তা অবস্থা, বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্প্রতি কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটকে উল্লেখ করে। তবুও সমাবেশে পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও গত কয়েক সপ্তাহের মতো তীব্রভাবে লাঠিচার্জ বা ব্যাপক গ্রেপ্তার হয়নি।

    বিক্ষোভে মূলত বামপন্থী দল ও বিভিন্ন সরকারবিরোধী সংগঠন অংশ নিয়েছিল। তাদের মুখ্য দাবি—ইরান-বিগ্রস্ত লড়াই বন্ধ করা, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিচারের দাবী, এবং অতি-অর্থোডক্স ছাত্রদের সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতির পদক্ষেপের প্রতিবাদ।

    সমাবেশের এক অন্যতম সংগঠক অ্যালন লি গ্রিন বলেন, হাবিমা থেকে শহরের রাস্তায় সমবেত হয়ে প্রায় ১০ হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছেন—তিনি অভিযোগ করেন সরকার একটি দীর্ঘস্থায়ী জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করে নাগরিকদের মৌলিক স্বাধীনতা দমন করছে এবং সুযোগ পেলে বিচারব্যবস্থাকে দুর্বল করার মতো আইন পাশ করছে।

    আরব-সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হাদাশের প্রধান আয়মান ওদেহ বিরোধী দলগুলোর সমালোচনা করে বলেন, তারা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যকর ও নৈতিক কোনো বিকল্প উপস্থাপন করতে পারেনি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘‘যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য তাদের সঙ্গে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন নাও হতে পারে, কিন্তু শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য জহুদি ও আরব জনগণের ঐক্য অপরিহার্য।’’

    সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা ‘‘শান্তি, স্বাধীনতা ও সামাজিক ন্যায়বিচার’’ স্লোগান তুলেছেন। তেল আবিবের বাইরে জেরুজালেমের প্যারিস স্কোয়ার ও হাইফাতেও প্রতিবাদী প্রর্দশন ছিল—জেরুজালেমে পুলিশি ব্যারিকেড ভাঙার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো, পরে জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবারে তেল আবিবে জমায়েতের সীমা ১ হাজার ও হাইফাতে ১৫০ জন নির্ধারণ করেছিল। গত সপ্তাহে পুলিশ অবৈধ জমায়েতের অজুহাতে ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করলেও এই সপ্তাহে তারা তুলনামূলকভাবে নমনীয় ছিল। আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে যে কেবল সংখ্যাতাত্ত্বিকভাবে সীমা ছাড়ালে পুলিশই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিক্ষোভ ভাঙতে পারে না—বিশেষ করে হাবিমা স্কোয়ারটির নিচে একটি বড় বোমা আশ্রয়কেন্দ্র থাকায় নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি কমে যায়।

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় অনেক জায়গায়—স্কুল ও কর্মক্ষেত্রে—নিয়ন্ত্রন শিথিল করা হয়েছে, তবে লেবাননের সীমান্ত হয়ে হিজবুল্লাহর সঙ্গে চলমান সংঘর্ষের কারণে উত্তর ইসরায়েলসহ কয়েকটি এলাকায় এখনো কড়া বিধিনিষেধ বলবৎ রয়েছে।

    সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

  • কালীগঞ্জে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় হকার ওসমান আলীর মর্মান্তিক মৃত্যু

    কালীগঞ্জে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় হকার ওসমান আলীর মর্মান্তিক মৃত্যু

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে দুই যাত্রীবাহী বাসের প্রতিযোগিতার মতো গতির মধ্যে পড়ে ওসমান আলী (৪০) নামের এক হকারের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে কালীগঞ্জ শহরের মেইন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত ওসমান আলী কালীগঞ্জ পৌরসভার হেলাই গ্রামের বাসিন্দা; তার আদি বাড়ি মাহেশপুর উপজেলায়। বেশ কয়েক বছর ধরে তিনি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিভিন্ন যানবাহনে উঠে-ফেরে পণ্য বিক্রি করতেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে শহরের মেইন স্ট্যান্ডে শাপলা পরিবহনের দুটি বাসের মধ্যে একটি দ্রুতগতিতে পাশ কাটাতে গেলে সামনের ও পিছনের বাসের ফাঁকে আটকে পড়েন ওসমান আলী। তিনি চিৎকার করলে ও সাহায্য চাইলেও বাস দুটি দ্রুতগতি কমায়নি এবং আগে যাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতায় লিপ্ত ছিল। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হয়ে মারা যান।

    কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ জান্নাতুল নাঈম লাজুক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই ওসমান আলীর মৃত্যু হয়েছে। তার বুকে ও মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং নাক থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছিল।

    কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পুলিশের বরাতে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন এবং তদন্ত চলছে।

  • খুলনায় হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু; ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ৯০

    খুলনায় হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু; ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ৯০

    খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং সহস্রাধিক নয়, নতুন করে ৯০ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মুজিবর রহমান।

    দপ্তরীয় তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল পর্যন্ত খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৮৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই সময়ে ৫১ জনে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং মোট ১০ জনের মৃত্যু ঘটেছে। বিভাগভিত্তিকভাবে সবচেয়ে কঠিন অবস্থার মুখে রয়েছে কুষ্টিয়া জেলা, যেখানে এখন পর্যন্ত ৩৯৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

    অন্য জেলায় চিকিৎসাধীন শিশুদের সংখ্যা হলো: যশোর ১১০, খুলনা ৯৪, বাগেরহাট ৩৫, চুয়াডাঙ্গা ১৬, ঝিনাইদহ ৪৫, মাগুরা ৬৪, মেহেরপুর ৬৪, নড়াইল ৩০ ও সাতক্ষীরা ৫৯।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি ৯০ শিশুর জেলা অনুযায়ী বিভাজন—কুষ্টিয়া ২৩, যশোর ১৮, ঝিনাইদহ ১২, সাতক্ষীরা ৭, খুলনা ৭, মাগুরা ৭, বাগেরহাট ৫, নড়াইল ৪ ও চুয়াডাঙ্গা ৩। একই সময়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর পরিস্থিতি লক্ষ্য রাখছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দিতে এগিয়ে চলছে।

  • আর্জেন্টিনার ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা, ২৬ জনের ২২ জন প্রায় চূড়ান্ত

    আর্জেন্টিনার ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা, ২৬ জনের ২২ জন প্রায় চূড়ান্ত

    মাত্র দু’মাস পর শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ। এই বড় মঞ্চের জন্য আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচ লিওনেল স্কালোনি তার পরিকল্পনা কার্যত চূড়ান্তমুখী রেখে দিয়েছেন। স্থানীয় সময় মে মাসের ১১ তারিখে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)-কে ৫৫ জনের একটি প্রাথমিক তালিকা জমা দেয়া বাধ্যতামূলক ছিল এবং টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে স্কালোনি সেই তালিকাটি ইতিমধ্যে জমা দিয়েছেন।

    টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াডের মধ্যে প্রায় ২২ জনের নাম প্রায় নিশ্চিত। কোচ স্কালোনি কেবল বর্তমান তারকাদের ওপর ভরসা রাখছেন না, তরুণ উজ্জ্বল প্রতিভাদেরও সুযোগ দিচ্ছেন—তাতে দলের ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনে উল্লেখিত বহু পরিচিত নাম থেকে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, গেরোনিমো রুল্লি, নাহুয়েল মলিনা, গনজালো মন্টিয়েল, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, নিকোলাস ওতামেন্দি, নিকোলাস ট্যাগলিয়াফিকো, রদ্রিগো ডি পল, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, লিওনেল মেসি, লাউতারো মার্টিনেজ, জুলিয়ান আলভারেজ ও নিকোলাস গনজালেজ।

    চূড়ান্ত ২৬ জনের মধ্যে যে ৪টি জায়গা এখনও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, সেগুলোতে কারা লড়ছেন তা নিয়েও প্রতিবেদনে বিস্তারিত ছিল। তৃতীয় গোলরক্ষকের পদে বর্তমানে জুয়ান মুসো (অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ) ওয়াল্টার বেনিতেজের চেয়ে এগিয়ে আছেন। ব্যাকআপ লেফট-ব্যাকের দাবিদার হিসেবে মার্কোস অ্যাকুনা ও গ্যাব্রিয়েল রোজাসের নাম সামনে; কোলো বার্কোও বিবেচনায় আছেন। চতুর্থ সেন্টার-ব্যাকের লড়াইয়ে মার্কোস সেনেসি ও ফ্যাকুন্ডো মেদিনার নাম উঠে এসেছে। আর শেষ একটিমাত্র খালি হয়ে থাকা স্পটের জন্য জিওভানি লো সেলসো (ফিটনেস বিবেচ্য), ভ্যালেন্টিন বার্কো, ফ্রাঙ্কো মাস্তান্তুয়োনো, জিয়ানলুকা প্রেস্টিয়ান্নি ও ম্যাক্সিমো পেরোনি প্রভৃতি খেলোয়াড় লড়ছেন।

    প্রাথমিক তালিকায় অনেক অভিজ্ঞ খেলোয়াড় রয়েছে যাদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স কিছুটা অনিয়মিত বা কমও থাকতে পারে; আবার তরুণরা সুযোগ পেতে পারে—কিন্তু চোট বা খারাপ ফর্ম দেখা দিলে প্রাথমিক তালিকার মধ্য থেকেও পরিবর্তন আসতে পারে। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও রিফর্ম দেখে স্কালোনিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। দুইবারের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আর্জেন্টিনা ট্রফি ধরে রাখার স্বপ্নের সঙ্গে মর্যাদা রক্ষার লক্ষ্যে জোরাত্মক প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে।

  • পিএসএলে খেলতে শরিফুল-রানার এনওসি একদিন বাড়াল বিসিবি

    পিএসএলে খেলতে শরিফুল-রানার এনওসি একদিন বাড়াল বিসিবি

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) খেলতে থাকা দুই পেসার শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানার জন্য দেওয়া অনাপত্তি পত্র (এনওসি) একদিন বাড়িয়েছে। পেশোয়ার জালমি ফ্র্যাঞ্চাইজি ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অনুরোধে এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যাতে তাদের পেশোয়ারের পরবর্তী ম্যাচ খেলতে আরও এক দিন পাকিস্তানে থাকা সম্ভব হয়।

    বিসিবি আগে দেশের সব ক্রিকেটারকে পিএসএল খেলতে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত এনওসি দিয়েছিল। কিন্তু পেশোয়ারের আগামী ম্যাচকে সামনে রেখে পাকিস্তান থেকে আরেকদিন থাকা অনুরোধ আসায় বিসিবি সেই অনুরোধ মেনে এনওসির মেয়াদ বাড়িয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে শরিফুল ও রানা ১৪ এপ্রিল দেশে ফিরে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেবেন।

    অন্যদিকে, একইভাবে এনওসি পেয়েও খেলা ছেড়ে দেশে ফিরে এসেছেন পারভেজ হোসেন ইমন। তার মেয়াদ সাধারণত ২১ এপ্রিল পর্যন্ত থাকলেও কাঁধের লিগামেন্টের চোট পাওয়ায় আগেভাগেই দেশে ফিরতে হয়েছে তাকে। পিএসএল দলের ফিজিও বিসিবিকে জানিয়েছেন, এই চোট থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে প্রায় তিন সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। আজ (রোববার) বিসিবির ফিজিওরা পরীক্ষা করে দেখবেন; এরপরই পরিষ্কার হবে– নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজে ইমন খেলতে পারবেন কি না।

    ফ্র্যাঞ্চাইজি পর্যায়ের পারফরম্যান্স নিয়ে বললে, শুরুর দুই ম্যাচে উইকেট না পেলেও পরের দুই ম্যাচে দুটি উইকেট তুলেছেন শরিফুল। নাহিদের শুরুটা কিছুটা হতাশাজনক ছিল—প্রথম ম্যাচে তিন ওভারে ৩০ রানের বেশি দিয়েছেন—তবে পরের দুই ম্যাচে কার্যকর বোলিং করে পাঁচটি উইকেট নিয়েছেন তিনি। রিশাদ হোসেন এবারের আসরে চার ম্যাচে মাত্র দুই উইকেট নিয়েছেন। তানজিদ হাসান তামিমও পেশোয়ার জালমির ঠিকানায় ছিলেন, কিন্তু বিদেশি কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে গিয়ে এখনও কোনো ম্যাচের একাদশে সুযোগ পাননি।

    ইমন পেশোলে ভালো কিছু ইনিংস খেলেছিলেন—প্রথম দুই ম্যাচে যথাক্রমে ১২ ও ১৪ রানে আউট হলেও তৃতীয় ম্যাচে ১৯ বলে ৪৫ রানের ঝটিকা ইনিংস খেলেছিলেন, যার মধ্যে ছিল পাঁচটি ছক্কা। তবে চোটের কারণে তিনি আগেভাগেই দেশে ফিরে আসতে হয়েছে।

    বিসিবি-র এই নিষ্পত্তি দেখিয়ে দিচ্ছে— দেশে থাকা জাতীয় টিমের প্রস্তুতি ও বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের দাবির মধ্যে সমন্বয় করার চেষ্টা চলছে যাতে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও জাতীয় দায়িত্ব দুটোই বিবেচনায় আসে।

  • ‘এমন শিল্পী আর জন্মাবে না’, আশা ভোঁসলের প্রয়াণে রুনা লায়লার শোক

    ‘এমন শিল্পী আর জন্মাবে না’, আশা ভোঁসলের প্রয়াণে রুনা লায়লার শোক

    ভারতের কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সংগীতাঙ্গনে। রোববার (১২ এপ্রিল) ৯২ বছর বয়সে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

    আশা ভোঁসলের প্রয়াণের খবর প্রকাশ্যে আসে মাত্রই উপমহাদেশের বরেণ্য কণ্ঠশিল্পীরা, সহকর্মী ও ভক্তরা গভীর শোক প্রকাশ করেন। এ তালিকায় ছিলেন বাংলাদেশি কিংবদন্তি গায়িকা রুনা লায়লাও—যিনি আশা দিদিকে হারিয়ে গভীরভাবে আহত বলে জানান।

    রুনা লায়লা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পৃথিবীর বড় বড় দুইজন কিংবদন্তি পরপর চলে গেলেন। লতা মঙ্গেশকর দিদি ২০২২ সালে চলে গিয়েছিলেন, আর এখন আশা দিদিও চলে গেলেন। এমন শিল্পী আর এই পৃথিবীতে জন্মাবে না। আমার কাছে মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাই শূন্য হয়ে গেল।’

    নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা দুজনেই আমাকে ভীষণ স্নেহ করতেন—মায়ের মতো। এই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমার শেষ দেখা হয়েছিল আমার সুর করা গান “চলে যাওয়া ঢেউগুলো আর ফিরে আসেনি”-এর রেকর্ডিংয়ের সময়। এরপর ফোনে যোগাযোগ হয়েছিল, কিন্তু কিছুদিন ধরে ভাবছিলাম—আবার কথা বলব, আজ করব, কাল করব—সব সময় তাই ভেবেই শেষমেশ হয়নি। শেষ কথাটাও বলা রইল।’

    রুনা লায়লা আরও নীরাশা কণ্ঠে বলেন, ‘যদি তখনই ফোন করে দিদিকে জিজ্ঞেস করে নিই, হয়তো আজ এই আফসোসটা এতটা তীব্র হত না। নিজের ভেতরে এত কষ্ট হচ্ছে—এটা সত্যিই ভাষায় বলা সম্ভব নয়।’

    আশা ভোঁসল শনিবার সন্ধ্যায় বুকে ব্যথা নিয়ে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন। চিকিৎসা সত্ত্বেও রোববার তাঁর মৃত্যু ঘটে। টানা সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ভারতীয় গানে রাজত্ব করেছেন—হাজার হাজার গান আর একাধিক কালজয়ী সুরের মাধ্যমে তিনি বহু প্রজন্মের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর প্রয়াণকে অনেকেই একটি সোনালি অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে দেখছেন।

  • কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে প্রয়াত; শেষকৃত্য সোমবার শিবাজি পার্কে

    কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে প্রয়াত; শেষকৃত্য সোমবার শিবাজি পার্কে

    কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। হাসপাতাল সূত্র ও পরিবার জানায়, বার্ধক্যজনিত জটিলতায় তিনি মারা গেছেন।

    আনন্দ ভোঁসলে — আশা ভোঁসলের ছেলে — জানিয়েছেন, সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১১টায় লোয়ার প্যারেলের তাঁদের বাসভবন ‘কাসা গ্রান্দে’-তে তাঁর মরদেহ রাখা হবে, যেখানে ভক্তরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। এরপর বিকাল ৪টায় মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

    দীর্ঘ আট দশকের বেশি সময় ধরে ভারতীয় সংগীতজগতকে সমৃদ্ধ করেছেন আশা ভোঁসলে। ১৯৪৩ সালে শুরু হওয়া তাঁর ক্যারিয়ারে তিনি ১২ হাজারেরও বেশি গান রেকর্ড করেছেন। মিনা কুমারী, মধুবালা-র আমল থেকে শুরু করে কাজল, ঊর্মিলা মাতন্ডকরসহ বহু প্রজন্মের নায়িকাদের জন্য তাঁর কণ্ঠে স্মরণীয় গান রেকর্ড হয়েছে।

    ‘দম মারো দম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘পিয়া তু আব তো আজা’, ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’—এসব গান বহু দশক ধরে শ্রোতাদের কণ্ঠে, কোলজুড়ে গেঁথে আছে। গজল থেকে পপ, শাস্ত্রীয় ধারা—প্রায় সব শৈলীতে তিনি ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসেও তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি স্টুডিও রেকর্ড করা শিল্পী হিসেবে নাম রয়েছে।

    চলচ্চিত্র ও সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আশা ভোঁসলে দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার এবং পদ্মবিভূষণসহ বহু সম্মান পেয়েছেন।

    আশা ভোঁসলের সুরিল শব্দ ও বহুমুখী প্রতিভা ভারতীয় সংগীতাঙ্গনে এক অম্লান অধ্যায় হিসেবে থাকবে। তাঁর প্রয়াণে শিল্পীবৃন্দ, শ্রোতারা এবং অনুরাগীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

  • মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার চেষ্টা জোরদার করছে সরকার: মাহদী আমিন

    মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার চেষ্টা জোরদার করছে সরকার: মাহদী আমিন

    প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর কার্যক্রম দ্রুত পুনরায় শুরু করতে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। রোববার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

    উপদেষ্টা বলেন, শ্রমিক পাঠানোর প্রক্রিয়াটি কম খরচে এবং সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালিত হবে—এটি নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যেই নানা উদ্যোগ নিয়েছে। যাতে কোনো সিন্ডিকেট বা অনিয়ম প্রবেশ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

    তিনি জানান, বিষয়টি দুই দেশের সরকারের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ এবং উভয় পক্ষই ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যেমন আগ্রহী, তেমনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীও সহযোগিতামূলক নিরাপত্তা ও বিধি-বিধানের তাগিদ দিয়েছেন।

    শ্রমিক পাঠানো কখন থেকে শুরু হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি এখনও চলমান। তবে যত দ্রুত সম্ভব কার্যক্রম পুনরায় চালু করার জন্য সব সংশ্লিষ্ট দিক মাথায় রেখে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

    মামলা সংক্রান্ত প্রসঙ্গ ছোঁড়া হলে তিনি বলেন, দুই দেশের যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত রয়েছে এবং বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করছে; অপরাধে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে এবং নির্দোষদের ন্যায়বিচার পাওয়া যাবে।

    ক্রেডিবল রিক্রুটমেন্ট এজেন্সির প্রসঙ্গে তিনি জানান, এটি কোনো নতুন সিন্ডিকেট গঠনের উদ্যোগ নয়। মালয়েশিয়ার জন্য শ্রমিক নিয়োগসহ সব দেশের ক্ষেত্রে একই মানদণ্ড প্রয়োগ করা হবে এবং এজেন্সি নির্বাচন নির্দিষ্ট যোগ্যতার ভিত্তিতেই করা হবে।

    উপদেষ্টা আরও বলেন, স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে ধীরে ধীরে প্রবাসী ব্যয়ের বোঝা কমানো হবে এবং বেশি মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে। সরকারের লক্ষ্যই হল সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়া এবং প্রবাসী কর্মসংস্থানের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।

  • জয় ও পলকের বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ১৬ এপ্রিল নির্ধারণ

    জয় ও পলকের বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ১৬ এপ্রিল নির্ধারণ

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আগামী ১৬ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দেশের গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞকে সহজতর করা হয়েছিল।

    রোববার (১২ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে তৃতীয় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ইমদাদুল হক মোল্লা। তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট সেবা সরকারী সিদ্ধান্তে বন্ধ ছিল।

    ইমদাদুল জবানবন্দিতে আরও জানান, আগুন লেগেছিল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে; সরাসরি কোনো ডাটা সেন্টারে নয়। তবে কিছু ফাইবার অপটিক ক্যাবল পুড়ে যাওয়ার ফলে ট্রান্সমিশনে বাধা দেখা দিয়েছিল। তার যুক্তি ছিল, একটি ডাটা সেন্টার বন্ধ হলেও সারাদেশে সম্পূর্ণ ইন্টারনেট ব্যাহত হওয়া উচিৎ ছিল না, কারণ দেশে আরও ১৫-১৬টি ডাটা সেন্টার রয়েছে।

    জবানবন্দি শেষে সাক্ষীকে জেরা করেন পলকের আইনজীবী লিটন আহমেদ। এই মামলায় সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক রয়েছেন; তার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম আইনি লড়াই করছেন। অপর আসামি জুনায়েদ আহমেদ পলক বর্তমানে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।

    পেছনের ঘটনাপট: গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষে আদালতে সূচনা বক্তব্য পেশ করা হয়, যেখানে জয় ও পলককে জুলাই গণহত্যার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। এর আগে ২১ জানুয়ারি আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে এবং মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।

    প্রসিকিউশনের দাবি, গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ সজীব ওয়াজেদ জয়ের কাছ থেকেই চলে এবং তা বাস্তবায়ন করতেন জুনায়েদ আহমেদ পলক; তাদের এই কর্মকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে। কিন্তু আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    ট্রাইব্যুনাল ৪ ডিসেম্বর এই মামলার অভিযোগ গ্রহণ করে; ওই দিন জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়া্না জারি করা হয় এবং পলককে ওই ঘটনার মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয়। ট্রাইব্যুনালে তাদের বিরুদ্ধে মোট তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১৬ এপ্রিল।