Blog

  • যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্বের উদ্দেশ্যে সন্তান জন্ম দিলে ভিসা বাতিল হতে পারে: মার্কিন দূতাবাস

    যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্বের উদ্দেশ্যে সন্তান জন্ম দিলে ভিসা বাতিল হতে পারে: মার্কিন দূতাবাস

    ঢাকার মার্কিন দূতাবাস সতর্ক করে জানিয়েছে, কেবল সন্তানের যুক্তরাষ্ট্রীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়েই যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য ভিসা ব্যবহার করা অনুমোদিত নয় এবং এ ধরনের উদ্দেশ্য মনে হলে ভিসা আবেদন বাতিল করা হতে পারে।

    দূতাবাস তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রকাশিত পোস্টে এই বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। পোস্টে বলা হয়েছে, যদি কনস্যুলার কর্মকর্তা মনে করেন যে আপনার ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্যই সন্তানের জন্ম দিয়ে সে শিশুকে যুক্তরাষ্ট্রীয় নাগরিকত্ব করানো, তাহলে তিনি আপনার ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করার অধিকার রাখেন।

    দূতাবাস আগেও সতর্কতা জানিয়েছিল। শনিবার (২৮ মার্চ) দেওয়া এক বার্তায় বলা হয়েছিল, ভিসা পাওয়া মানেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিশ্চিত নয় — ভিসা থাকা সত্ত্বেও দেশে প্রবেশ করানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন শুধুমাত্র সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা। তারা ঠিক করেন একজন ভ্রমণকারীকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেবে কি না এবং কতদিন থাকার অনুমতি দেবে।

    পোস্টে আরও বলা হয়েছে, ভিসা থাকলেও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা চাইলে যে কাউকে প্রবেশে বাধা দিতে পারেন। এছাড়া ভিসার শর্ত ভঙ্গ করাও গুরুতর অপরাধ। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, ভিসার মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় সেখানে থাকা বা ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে গিয়ে চাকরি করা আদৌ অনুমোদিত নয়।

    দূতাবাস সতর্ক করেছে যে এসব নিয়ম ভঙ্গ করলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত আরোপ হতে পারে। তাই ভিসা আবেদন এবং ভ্রমণের সময় উদ্দেশ্য সম্পর্কে সৎ ও স্পষ্ট তথ্য দেওয়া, এবং ভিসার শর্ত মেনে চলা জরুরি বলে তারা মনে করেছে।

    ভ্রমণকারীদের উদ্দেশ্য এবং ভিসার ধরনের বিষয়ে বিভ্রান্তি থাকলে আগেই কনস্যুলার কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।

  • শ্রেণিকক্ষে নারিকেল গাছ ভেঙে পড়ে, ২ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত

    শ্রেণিকক্ষে নারিকেল গাছ ভেঙে পড়ে, ২ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত

    নড়াইলের কালিয়া পৌরসভার শামসুন্নাহার কিন্ডার গার্টেন বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালীন একটি পুরনো নারিকেল গাছ ভেঙে পড়ে দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাটি বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল প্রায় ১০টায় পৌরসভার ছোট কালিয়া এলাকায় ঘটে।

    আহতদের মধ্যে সিয়াম শেখ (১১) ও মাজেদুল ইসলাম (৯) রয়েছেন। সিয়াম শেখ ছোট কালিয়া গ্রামের নুর জামালের ছেলে এবং মাজেদুল ইসলাম রামনগর গ্রামের জহির শেখের ছেলে। ঘটনাস্থলে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে হঠাৎ আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে এবং স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সিয়াম শেখের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    স্থানীয়রা দাবি করেন, বছরখানেক যেটা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল সেই পুরনো নারিকেল গাছটি আগে থেকেই ছেঁটে ফেলা বা অপসারণ করা উচিত ছিল। অভিভাবক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্কুল কর্তৃপক্ষ গাছটি নিয়মিত দেখতে বা নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিতে গাফিলতি করেছেন। স্কুল পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা তৎক্ষণাত দেয়া যায়নি।

    দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম জানান, আহতদের চিকিৎসার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের সব চিকিৎসা ব্যয় স্কুল কর্তৃপক্ষ বহন করবে বলে বলা হয়েছে। এছাড়া স্কুলের সকল কাগজপত্র তলব করে দেখা হচ্ছে; কোনো গাফিলতিকে প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং শিশুরা ও অভিভাবকরা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়িত্ব নিরূপণের জন্য তদন্ত চলছে, পাশাপাশি অনাবশ্যক ঝুঁকি এড়াতে আশেপাশের গাছপালা পরিদর্শন ও ঝুঁকিপূর্ণ গাছ দ্রুত অপসারণের নির্দেশনা আসছে।

  • কালীগঞ্জে তিন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

    কালীগঞ্জে তিন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দিবাগত রাতে ঢাকা সিটি ও জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তিনজন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তাদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলার রায় হওয়ার পর থেকে তারা গোপনে ছিল এবং তাদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি ছিল।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন:

    ইকবাল হোসেন — ভাটাডাঙ্গা গ্রামের গোলাম মন্ডলের ছেলে; সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক।

    সাদ্দাম হোসেন — খামার মুন্দিয়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে; এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত।

    লতিফুল ইসলাম — ফয়লা ঈদগাহ পাড়ার খোরশেদ আলমের ছেলে; চেক জালিয়াতির মামলায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত।

    পুলিশ বলেছে, গোপন সংবাদ পেয়ে কালীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জেল্লাল হোসেনের নির্দেশনায় এসআই (নি:) রাজিবের নেতৃত্বে একটি সঙ্গীয় ফোর্স পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। তারা প্রত্যেককেই আত্মগোপনে থাকা তাদের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।

    কালীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ জেল্লাল হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযান চলমান আছে ও প্রয়োজনে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যোগ করেছেন তিনি।

  • বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত চট্টগ্রামের বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি

    বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত চট্টগ্রামের বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি

    চট্টগ্রামে বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ম্যাচ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা বিকাল ৪টা ১৮ মিনিটে।

    সকালে আনুমানিক সকাল ১১টা থেকে বৃষ্টি শুরু হয়, যেটি কখনো ফোরে-ফোটা, কখনো তীব্র হয়ে ওঠে, কিন্তু থামার কোনও লক্ষণ দেখা যায়নি। এর ফলে খেলার জন্য উপযুক্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়নি এবং আম্পায়াররা ম্যাচ বাতিলের পথে যান—এটি কাট-অফ সময়ের প্রায় এক ঘণ্টা আগেই নেওয়া সিদ্ধান্ত।

    আইন অনুযায়ী যদি সর্বনিন্ম পাঁচ ওভারের ম্যাচ হিসেবে খেলা গঠন করতে হয়, তাহলে ম্যাচ শুরু হতে হতো বিকেল ৫টা ১৬ মিনিটের মধ্যে। আর পুরো ২০ ওভারের ম্যাচ সম্পন্ন করতে হলে খেলা বিকেল ৩টা ১০ মিনিটের মধ্যে শুরু হওয়া প্রয়োজন ছিল। বৃষ্টির কারণে এই শর্ত পূরণ করা সম্ভব হয়নি।

    চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ড্রেনেজ ব্যবস্থা যথেষ্ট উন্নত বলে পরিচিত। স্টেডিয়ামের কিউরেটর জাহিদ রেজা বাবু আগে জানিয়েছিলেন, বৃষ্টি থামলে মাত্র ৪০ মিনিটের মধ্যে মাঠ খেলার উপযোগী করা সম্ভব। কিন্তু আজ বৃষ্টি থামেনি, ফলে মাঠকে পুনরায় ব্যবহার উপযুক্ত করা গেল না।

    গত সোমবার সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে ছিল। আজকের ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় সিরিজ এখন নির্ধারণের মুখে—শেষ ম্যাচ হবে সিরিজ নির্ধারণী। সিরিজের সমাপ্তিগত ম্যাচ আগামী ২ মে ঢাকার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।

  • পেছন থেকে জুম করে ছবি তুলায় সরব কারিশমা কাপুর

    পেছন থেকে জুম করে ছবি তুলায় সরব কারিশমা কাপুর

    তারকাদের ব্যক্তিজীবন ও লাইফস্টাইল নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহল সবসময় থাকে। সেই কৌতূহলই কখনও কখনও পাপারাজ্জিদের অতর্কিত আচরণকে উস্কে দেয়—ওরা যেন সঙ্গে সঙ্গেই ছায়ার মতো ঘিরে ধরে সেলেব্রিটির প্রতিটি মুহূর্তকে ক্যামেরাবন্দি করে। সম্প্রতি এমনই এক আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে সরাসরি সতর্ক করলেন বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর।

    ঘটনাটি ঘটেছে রিয়েলিটি শো ‘ইন্ডিয়া’স বেস্ট ড্যান্সার সিজন ৫’—এর শুটিং সেটে, যেখানে কারিশমা বিচারক হিসেবে অংশ নেন। শুটিং-স্থলে পৌঁছানোর আগে বিচারকরা আলোকচিত্রীদের সামনে পোজ দিয়েছিলেন। সেই সময় কারিশমা উপস্থিত ক্যামেরাম্যানদের দিকে তীব্র সাড়া দিয়ে বলেছিলেন, ‘বেশি জুম করবেন না’, এবং পোজ দেওয়ার জায়গা থেকে সরে গিয়ে তার মত প্রকাশ করেন যে অনেকেই অনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে ছবি তুলেন। ওই মুহূর্তে তিনি ক্রোধান্বিত দেখা গিয়েছিল।

    কারিশমা সরাসরি পেছন থেকে জুম করে ছবি তোলা গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করে বলেছিলেন যে, এ ধরনের মনোভাব ‘অসুস্থ’—এমনকি অনেকে এটিকে ব্যক্তিগত সীমানা লঙ্ঘন হিসেবে দেখেন। এই কড়া বার্তার মুহূর্তটি ধারণ করা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এবং মুহূর্তেই ভাইরাল হয়েছে।

    অনেকnetizens এবং অনুসারীরা কারিশমার এই সতর্কতাকে সমর্থন করছেন। তারা বলছেন, সেলেব্রিটিরও ব্যক্তিগত স্থান ও সম্মানের সীমা থাকা উচিত; পাপারাজ্জিদের কর্তব্য হলেও সেটি অন্যের অনুচিতভাবে আক্রমণ করে চালানো যায় না। কিছু দিন আগে একই ধাঁচের একটি ঘটনা নিয়ে তোলপাড় পড়েছিল—সেই ভিডিওতে দেখা যায় পাপারাজ্জিরা একসঙ্গে পোজ দেওয়া একটি দম্পতিকে আলাদা করে এক জনকে সরিয়ে অন্যজনকে জুম করেছিলেন, যা ব্যাপক সমালোচনার কারণ হয়েছিল।

    দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় চলচ্চিত্রে অবদান রাখা কারিশমাকে অনেকে এই সচেতনতামূলক পদক্ষেপের জন্য প্রশংসা করে যাচ্ছেন। তার এই প্রতিক্রিয়া যে কোনো সেলেব্রিটির ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সুরক্ষা নিয়ে একটি বড় পরিবেশগত আলোচনা শুরু করতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন।

  • ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমিনুর শাহ গ্রেফতার

    ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমিনুর শাহ গ্রেফতার

    ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের মহিষদিয়া থেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমিনুর শাহকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে সংস্থাগুলো। বন্ধুত্বপূর্ণ বা সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে ওই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    নবাবগঞ্জ থানার এসআই রাজিবুল ইসলাম বুধবার (২৯ এপ্রিল) জানান, আমিনুর শাহকে আজ (বুধবার) আদালতে তোলা হয়েছে।

    পুলিশি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অভিযোগ উঠেছে যে গত রোববার (২৬ এপ্রিল) আমিনুর শাহ তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ধর্মীয় অনুভূতিকে আহত করার মতো পোস্ট করেন। ওই পোস্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করে। বেশ কয়েকজন তার শাস্তির দাবিও জানান।

    পোস্টের পরদিন সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে ক্ষুব্ধ লোকজন তার বাড়ি ঘেরাও করে। ওই পরিস্থিতিতে তিনি প্রকাশ্যে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান। তারপরও ঘটনাটি স্থগিত হয়নি—মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে এলাকাবাসী বিষয়টি পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর দিকেও জানায় এবং পরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

    দোহার সার্কেল এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. শামীম হোসেন গণমাধ্যমকে বলেছেন যে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে আমিনুর শাহের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি করেছে শোল্লা ইউনিয়নের মহিষদিয়া গ্রামের স্থানীয় গ্রাম-পুলিস মো. আলাউদ্দিন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমিনুর শাহ মহিষদিয়া গ্রামের চান মিয়া বয়াতির ছেলে। ঘটনার সাথে সম্পর্কিত আরও তদন্ত ও কার্যক্রম চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

  • অদিতা হত্যায় গৃহশিক্ষক আব্দুর রহিম রনির মৃত্যুদণ্ড

    অদিতা হত্যায় গৃহশিক্ষক আব্দুর রহিম রনির মৃত্যুদণ্ড

    নোয়াখালীর বহুল আলোচিত স্কুলছাত্রী তাসনিয়া হোসেন ‘অদিতা’ হত্যা মামলায় একমাত্র আসামী গৃহশিক্ষক আব্দুর রহিম রনিকে আদালত মৃত্যুদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।

    বুধবার (২৯ এপ্রিল) নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম শিকদার এ রায় ঘোষণা করেন। পাবলিক প্রসিকিউটর মো. সেলিম শাহী রায়টি নিশ্চিত করেছেন। রায় ঘোষণার আগের দিন ধার্য ছিল ১৫ এপ্রিল, তবে তা পিছিয়ে আজকের দিন ধার্য করা হয়। রায় ঘোষণার সময় আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলে নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার জাহান মঞ্জিল থেকে অদিতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহে গলা ও হাত-পায়ের রগ কাটা ছিল, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। ঘটনার রাতেই অদিতার সাবেক গৃহশিক্ষক আব্দুর রহিম রনিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রনি হত্যার দায় স্বীকার করেন। তাঁর দেয়া তথ্য অনুসারে হত্যায় ব্যবহৃত ছোরা, বালিশসহ অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়। আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

    নিহত অদিতা (১৪) নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার মৃত রিয়াজ হোসেন সরকারের কন্যা। তার মা রাজিয়া সুলতানা বেগমগঞ্জ উপজেলার একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

    পরিবার ও তদন্তকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, অদিতা কিছুদিন আগে রনির কাছে পড়া বন্ধ করে অন্যত্র কোচিংয়ে ভর্তি হলে রনি ক্ষুব্ধ হন। ঘটনার দিন দুপুরে অদিতার মা বাড়িতে না থাকায় রনি বাসায় ঢুকে তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন; ব্যর্থ হয়ে বিষয়টি গোপন রাখতে অদিতাকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করে এবং ঘটনাস্থল অগোছালো করে ধরতে চেষ্টা করেন।

    অভিযানকারীরা জানান, গ্রেপ্তারের সময় রনির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঁচড়ের চিহ্ন ও তার পোশাকে রক্তের দাগ পাওয়া যায়। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে বাদীপক্ষের ৪১ জন এবং আসামিপক্ষের ৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন।

    নিহতের পরিবার রায়ের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, ‘‘আমার মেয়ে হত্যার ন্যায়বিচার পেয়েছেন। খুনির রায় কার্যকর হোক, যেন ভবিষ্যতে কেউ এমন বর্বরতা করার সাহস না পায়।’’

    এ হত্যাকাণ্ডের পর নোয়াখালী ও আশপাশের এলাকায় শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে; বিচার দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

  • জামায়াত আমিরের অভিযোগ: বিএনপি ফ্যাসিবাদের পথে পা বাড়াচ্ছে

    জামায়াত আমিরের অভিযোগ: বিএনপি ফ্যাসিবাদের পথে পা বাড়াচ্ছে

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিএনপি পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটা শুরু করেছে। তিনি শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে এসব মন্তব্য করেন।

    ডা. শফিকুর বলেন, এক সময় আমরা বিএনপির সঙ্গে একই শিকলে মজলুম ছিলাম, কিন্তু এখন তারা এমন পথে হাঁটছে যা কখনো আওয়ামী লীগের মত হওয়ার যোগ্য নয়—সর্বোচ্চে দুর্বল আওয়ামী লীগ মাত্র হবে। যে আওয়ামী লীগ একসময় জাতিকে নিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক কাজ করত, আজ বিএনপি ঠিক একই রীতির আচরণ শুরু করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, আওয়ামী লীগ বিরোধিতার সময় তাদের পোষা লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্থানে কর্তৃত্ব কায়েম করছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই লাঠিয়ালরা তাদের পাশে এসে দাঁড়ায়নি বলে তিনি জানিয়েছেন।

    জামায়াত আমির আরও বলেন, রাষ্ট্রের মূল কাঠামোতে যে পরিবর্তন দরকার—সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বাদ জনগণের দখলে দেওয়ার জন্য—প্রতি বিষয়ে বিএনপি বিরোধিতা করে যাচ্ছে। তিনি এটিকে জাতির সঙ্গে সুচিন্তিত প্রতারণা আখ্যা দেন এবং বলেন, বিএনপি তাদের ইশতেহারে থাকা ৩১ দফা কর্মসূচিরই বিরোধিতা করছে।

    শফিকুর রহমান স্মরণ করিয়ে বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা জীবন বাজি রেখে লড়েছে—মায়েরা, বাবারা, ভাই-বোনেরা, ছাত্র-ছাত্রীরা—তাদের ত্যাগ ছাড়া আজকের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব হতো না। তিনি শহীদ পরিবারদের প্রতি রাজনैतिक দলের দুর্বলতার অভিযোগ তোলেন এবং বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই তাদের কষ্টের সময়ে রাজনীতিকরা তাদের কাছে ছুটে যাননি।

    এক অপার্থিব স্মৃতি বর্ণনা করে তিনি জানান, যারা বিদেশে ছিলেন, তারা বিপ্লব না হলে হয়তো দেশে ফিরতেও পারতেন না। তিনি জেলের সময়ের কিছু ঘটনা তুলে ধরেন এবং বলেন, অনেকেই এখন খোদার এই দান ভুলে গিয়ে সমগ্র আন্দোলনের কৃতিত্ব নিজেদের দাবি করছে, যা তিনি আত্মসাৎ বলে অভিহিত করেন। তবু তিনি স্পষ্ট করেন—কারো ন্যায্য অবদান অস্বীকার করা হবে না; আন্দোলনে সবাইই অংশ নিয়েছিল।

    ডা. শফিকুর জনগণকে স্মরণ করাতে বলেন, জুলাই আন্দোলনের নায়করা সেই নৌকে বিকশিত করে ঘাটে নিয়ে এসেছেন; তাদের মর্যাদা জানানো এবং সম্মান প্রদর্শন করা শেখা দরকার। ছাত্র-সমাজ, শ্রমিক ও মা-বোনেরা তখন বিপুল আত্মত্যাগ করেছে—এই দিনগুলো ভুলে যাওয়া চলবে না।

    সংসদীয় অভিযোজন নিয়ে তিনি বলেন, প্রথম দিন থেকেই জামায়াত সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি তুলেছিল। আমরা শপথ নিয়েছি, তারা শপথ নেননি—এতে জাতির প্রতি দেওয়া অঙ্গীকার ভঙ্গ হয়েছে। তিনি জানান, প্রয়োজনীয় আইন ও অধ্যাদেশ না পাল্টালে পুরনো স্বৈরাচারী ধাঁচের শাসন রয়ে যাবে এবং বিএনপি সেই পুরোনো অবস্থানের পক্ষে রয়েছে।

    ভাইসাইকেলে আক্রমণ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহিংসতার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় সংগঠিত সহিংসতা ও ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপর হামলা হওয়ায় স্পষ্ট বার্তা গেছে—বিএনপি গণভোটের রায় অস্বীকার করে এবং ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে।

    জামায়াত আমির বলেন, তারা যেই বাংলাদেশ চান না, সেখানে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে রাস্তায় বের হতে পারবে না; শিশু-কিশোর নির্দ্বিধায় স্কুল-কলেজে যেতে পারবে না; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুরি-কুটিরের বদলে খাতা-কলম থাকবে। তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তিগত চরমপন্থী বা গ্যাং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসে ছাত্রদের পথ আটকাতে পারবে না—এই সংস্কৃতি বন্ধ করা জরুরি।

    ডা. শফিকুর হুঁশিয়ারি দেন, যদি এই সংস্কৃতি বদলano না হয়, তাহলে জুলাই কেবল ২৪ সালের নির্দেশক নয়, বরং প্রতিবার ফিরে আসবে; একদিন তা ফ্যাসিবাদের শেষকাত্র রচনা করবে। তিনি সবাইকে শুভবুদ্ধি দেখিয়ে জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখাতে এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানান।

    শেষে তিনি সতর্কভাবে বলেন, যদি গণভোটের রায় মেনে নেওয়া না হয়, তাদের সংগ্রাম সংসদের ভেতরেই চালিয়ে নেয়া হবে এবং দরকার হলে খোলা মাঠেও লড়াই চালানো হবে, ইনশাআল্লাহ।

  • নাহিদ: সারাদেশে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন; এনসিপি তরুণদের সমর্থন করবে

    নাহিদ: সারাদেশে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন; এনসিপি তরুণদের সমর্থন করবে

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সারাদেশের তরুণরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিক — এনসিপি তাদের সমর্থন জানাবে। তিনি অভিযোগ করেন, ক্ষমতাসীন দল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করছে এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসের পথে।

    শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে নাহিদ এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিএনপি’র বহিষ্কৃত নেতা ইসহাক সরকার, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনি ফেরসামিন হক ইকবাল (ফ্লোরা), কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র নেতা মহিউদ্দিন রনি সহ কয়েকজন নতুন সদস্য এনসিপিতে যোগ ঘোষণা করেন। ফেরসামিন বিদেশে থাকায় সশরীর উপস্থিত ছিলেন না।

    নাহিদ বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের পর গঠিত সরকার গণভোটকে অস্বীকার করেছে। এই নির্বাচনকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী লিগ্যাসি থেকে আলাদা করে সাধারণ ক্ষমতার পটপরিবর্তনের নির্বাচনে পরিণত করা হয়েছে। সংবিধান ও উদ্দীপক সংস্কারের অধ্যাদেশগুলো বাতিল করা হচ্ছে।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্নভাবে ব্যাংক লুটেরাদের পুনরায় সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশিশক্তি ও ক্ষমতার রাজনীতি ফিরে আনার চেষ্টা হচ্ছে।

    এনসিপি নেতা বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ বা নতুন কোনো স্বৈরতন্ত্র চালু করার চেষ্টা হলে জনগণ আবার সংগঠিত হবে। জনগণ এনসিপির শীর্ষ ছায়াতলে ঐক্যবদ্ধ হবে — আমরা সারা দেশ থেকেই একযোগে সাড়া পাচ্ছি।’ তিনি তরুণদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা সারাদেশে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন। এনসিপি আপনাদের সমর্থন জানাবে।’

    নাহিদ আরও বলেন, ‘এনসিপি সারাদেশে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতি সপ্তাহে আমাদের যোগদান কর্মসূচি থাকবে। আমরা রাজনীতিসচেতন মানুষ ও তরুণদের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি — এদেশকে আর বিপথে যেতে দেব না। যারা রাজনীতি করতে চান এবং পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেন, তারা ঐক্যবদ্ধ হোন। এনসিপি আপনাদের ধারণ করে এগোতে চায়।’

    বর্তমান সরকারের প্রতি কঠোর সমালোচনা করে নাহিদ বলেন, ‘সরকার ক্রমে ব্যর্থতার দিকে যাচ্ছে। অর্থনীতি টালমাটালে, দেশের গণতন্ত্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা নিয়ে যথার্থ উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সেই সংকট মোকাবেলায় জনগণের পাশে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানো ছাড়া আমাদের কোনো বিকল্প নেই। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি, ইনশাআল্লাহ।’

    উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে নতুনদের নাম ঘোষণা হওয়ার পর নাহিদ ইসলাম তাদের মঞ্চে ফুল দিয়ে বরণ করেন। অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিল ‘রাজনৈতিক নেতা ও নাগরিকদের এনসিপিতে যোগদান’ এবং এ সময় দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • সিঙ্গার-বেকো এর ‘ঈদুল আযহা ভরপুর সল্যুশন অফার’ — কার্ড ঘষলেই জিতুন হাউসফুল অ্যাপ্লায়েন্স

    সিঙ্গার-বেকো এর ‘ঈদুল আযহা ভরপুর সল্যুশন অফার’ — কার্ড ঘষলেই জিতুন হাউসফুল অ্যাপ্লায়েন্স

    ঈদুল আযহার আনন্দ আরও বাড়াতে সিঙ্গার-বেকো ঘোষণা করেছে ‘ঈদুল আযহা ভরপুর সল্যুশন অফার’ ক্যাম্পেইন, যেখানে গ্রাহকরা পাচ্ছেন হাজার হাজার ফ্রি পণ্য ও আকর্ষণীয় ছাড়ের সুযোগ। উৎসবের সময়ে কেনাকাটাকে আনন্দদায়ী ও স্মরণীয় করতে এই বিশেষ অফার চালু করা হয়েছে।

    যেকোনো সিঙ্গার-বেকো স্টোর থেকে কেনাকাটা করলেই গ্রাহকরা পাবেন একটি সল্যুশন কার্ড। সেই কার্ড ঘষলেই জানা যাবে আপনার আনন্দ—আপনি জিততে পারেন হাউসফুল অ্যাপ্লায়েন্সের একটি সম্পূর্ণ সেট। এই হাউসফুল সেটে আছে টেলিভিশন, রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, গ্রাইন্ডার এবং গ্যাস বার্নার।

    বড় প্রাইজের পাশাপাশি, নির্দিষ্ট কেনাকাটায় গ্রাহকেরা পেতে পারেন টেলিভিশন, রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, গ্রাইন্ডার বা গ্যাস বার্নারের মতো যেকোন একটি আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার সুযোগ। তাছাড়া প্রত্যেকেই উপকৃত হবেন নিশ্চিত ডিসকাউন্ট থেকে, যা এই ঈদে পরিবারের ব্যবহার্য পণ্যগুলো আপগ্রেড করা সহজ করে দেবে।

    এই ক্যাম্পেইনটি আধুনিক পরিবারের প্রয়োজন ও আকাঙ্ক্ষার কথা মাথায় রেখেই সাজানো—লক্ষ্য প্রতিটি পরিবারের ঈদ শপিংকে আরও আনন্দময় করা।

    অফারটি ঈদুল আযহার আগের দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এবং সারা দেশের সকল সিঙ্গার-বেকো রিটেইল স্টোর ও অনুমোদিত ডিলার পয়েন্টে পাওয়া যাবে। বিস্তারিত জানতে নিকটস্থ সিঙ্গার-বেকো আউটলেটে যোগাযোগ করুন অথবা ২৪/৭ টোল-ফ্রি কাস্টমার সার্ভিস নম্বর ০৮০০০০১৬৪৮২-এ কল করুন।