Blog

  • এডিপিতে পরিবর্তন: বরাদ্দ কমে দাঁড়ালো ২ লাখ কোটি টাকা

    এডিপিতে পরিবর্তন: বরাদ্দ কমে দাঁড়ালো ২ লাখ কোটি টাকা

    আজ সোমবার শেরেবাংলা নগরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে, চলতি অর্থবছরের জন্য সরকারের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দের ব্যাপক পরিবর্তন ঘোষণা করা হয়। এই সংশোধনী অনুযায়ী, এডিপিতে মোট বরাদ্দ ৩০ হাজার কোটি টাকা কমে গেছে, যার ফলে এখন মোট অর্থায়নের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা।

    বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং, এবং এতে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়ারাহিদউদ্দিন মাহমুদ সংবাদ সম্মেলনে জানান, এই সংশোধিত এডিপি অনুমোদনের সময় মূল এডিপির চেয়ে প্রায় ১৩ শতাংশ কম করা হয়েছে। ফলে, সরকারি অর্থায়ন ও বিদেশি ঋণ ও অনুদান— উভয় ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কাটাছেঁড়া হয়েছে। এর ফলে সরকারি অর্থায়ন কমে হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা, আর বিদেশি ঋণ ও অনুদান নেমে এসেছে প্রায় ৭২ হাজার কোটি টাকা।

    তিনি এও জানিয়েছেন, প্রকল্পের বাস্তবায়নে ধীরগতি ও দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা, যেমন প্রকল্প পরিচালকের অনুপস্থিতি, পরিচালকের নিয়োগে বিলম্ব এবং বড় প্রকল্পের পুনর্মূল্যায়ন, এই সব কারণেই প্রকল্পের বরাদ্দ কম চাওয়া হয়েছে।

    সংশোধিত এডিপি অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে, যেখানে বরাদ্দ হয়েছে প্রায় ৩৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির এক পঞ্চমাংশেরও বেশি। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দ হয়েছে প্রায় ২৬ হাজার ১৮৬ কোটি টাকা। এছাড়াও বাসস্থান, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার ও গ্রামীণ উন্নয়ন খাতেও এসেছে উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ।

    অথচ, সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে স্বাস্থ্যখাতে, যেখানে বরাদ্দ প্রায় ৭৪ শতাংশ কমে গেছে। মূল এডিপিতে যেখানে এই খাতে বরাদ্দ ছিল ১৮ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা, সংশোধিত এডিপিতে তা নেমে এসেছে মাত্র ৪ হাজার ৭১৮ কোটি টাকায়। শিক্ষাও ব্যাপক কাটছাঁটের শিকার হয়েছে, যেখানে বরাদ্দ কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ।

    প্রধান খাত হিসেবে পরিবহন ও যোগাযোগের বরাদ্দ কমলেও, এই খাতের অংকেও প্রায় ৩৫ শতাংশ কাটা হয়েছে। একইভাবে, সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে, যেখানে মূল এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ১৮ কোটি টাকা, এখন তা মাত্র ৫৪৫ কোটি।

    অন্য খাতে যেমন বিদ্যুৎ বরাদ্দ প্রায় ১৯ শতাংশ কম হয়েছে, কৃষিতে সেটি ২১ শতাংশের বেশি। তবে আশার কথা হলো, পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও পানি সম্পদ খাতে বরাদ্দ প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় ও বিভাগভিত্তিক বরাদ্দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ পেয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ, যেখানে বরাদ্দ হয়েছে ৩৭ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকা, যদিও এটি মূল এডিপির তুলনায় কিছুটা কম। এরপর রয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ ও শিক্ষা বিভাগ। এছাড়াও, বিশেষ উন্নয়ন সহায়তার জন্য আলাদা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সব মিলিয়ে, সংশোধিত এডিপিতে মোট প্রকল্প সংখ্যা ১ হাজার ৩৩০টি, যার মধ্যে বেশিরভাগই বিনিয়োগ প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরে এসব প্রকল্পের মধ্যে ২৮৬টি শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মোটামুটি, এই সংশোধিত এডিপি অর্থনীতির বিভিন্ন খাত উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও, মানসিক ও বাস্তব সমস্যা এবং প্রকল্পের বাস্তবায়ন দেরিতে পরিপূর্ণতা পেতে পারে বলে মনে করছে বিশ্লেষকরা।

  • সোনার দাম রেকর্ড ভেঙে ভরি ২ লাখ ৩২ হাজারে পৌঁছাল

    সোনার দাম রেকর্ড ভেঙে ভরি ২ লাখ ৩২ হাজারে পৌঁছাল

    দেশের বাজারে সোনার দাম গতদিনের তুলনায় অপ্রত্যাশিতভাবে ব্যাপকভাবে বেড়েছে, যাতে এটি ইতিহাসে жаңа রেকর্ড সৃষ্টি করল। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দেশের বাজারে প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে নতুন মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৫ টাকা। এই দাম দেশের সকল জুয়েলার্স এবং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলিতে কার্যকর হবে ১৩ জানুয়ারি মঙ্গলবার থেকে।

    এই মূল্যবৃদ্ধির জন্য মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বৈশ্বিক বাজারের পরিস্থিতিকে। বিশ্ব বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৬০০ ডলার ছাড়িয়েছে বলে গোল্ডপ্রাইস.অর্গি সূত্রে জানা গেছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের একটি ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা। এর পাশাপাশি, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য ২ লাখ ২১ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১৮৯ হাজার ৮৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৮১ টাকায় পৌঁছেছে।

    সোনার দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি রুপার দামেও কিছুটা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার প্রতি ভরি দাম বেড়ে হয়েছে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা, যেখানে ২১ ক্যারেটের রুপার মূল্য ৫ হাজার ৭১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধি দেশের সোনাসহ মূল্যবান ধাতুগুলোর বাজারে একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা করেছে।

  • বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস: অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪.৬%

    বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস: অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪.৬%

    চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ৪.৬ শতাংশ হতে পারে বলে সম্প্রতি প্রকাশিত রিপোর্টে জানানো হয়েছে। তবে, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই প্রবৃদ্ধির হার আরও বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৬.১ শতাংশে। বিশ্বব্যাংকের ঢাকার কার্যালয় থেকে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) প্রকাশিত ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস’ এর জানুয়ারি সংস্করণে এই তথ্য উঠে এসেছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, মানুষের ভোগ্যব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির চাপ কমে আসার ফলে দেশের অর্থনীতি আবার তার স্বাভাবিক গতি ফিরে পেতে পারে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম দিকে যদি দেশের জাতীয় নির্বাচন হয়, তাহলে রাজনৈতিক অস্থিরতা কমবে বলে প্রত্যাশা। নতুন সরকার এর ফলে কিছু ঘাটতি দূর করতে পারবে এবং অর্থনৈতিক কাঠামোগত সংস্কার করলে দেশের শিল্পখাতের শক্তি আরও বাড়বে। এই সব কারণেই বিশ্বব্যাংক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসে উন্নতি করেছে।

    তবে, এই প্রত্যাশার পাশাপাশি কিছু ঝুঁকির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে মূল্যস্ফীতি এখন লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি রয়ে গেছে, যার কারণে মুদ্রানীতিকে কঠোর ঘোষণা করায় ঋণের প্রবাহ দুর্বল হয়ে পড়ছে। এর ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যেও কিছুটা বাধা সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কাড়া কিছুর কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও কিছু ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে, সরকারের খরচ বাড়ানো এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করা সম্ভব বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক।

    বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হবে ভুটানে (৭.৩%), যার পরে রয়েছে ভারত (৬.৫%), বাংলাদেশ (৪.৬%), মালদ্বীপ (৩.৯%), শ্রীলঙ্কা (৩.৫%) এবং নেপাল (২.১%)। উল্লেখ্য, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস এখনও প্রকাশিত হয়নি।

    অপরদিকে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানিয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সময়ে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি সাময়িকভাবে ৪.৫ শতাংশে পৌঁছেছে। এর আগে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে এই হার ছিল মাত্র ২.৫৮ শতাংশ।

    বিশ্বব্যাংকের মতে, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে ২.৬ শতাংশে এসে দাঁড়াবে এবং ২০২৭ সালে তা ২.৭ শতাংশে উন্নীত হতে পারে। পাশাপাশি, এ সময়ে বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি কমে ২.৬ শতাংশের কাছাকাছি descending করবে। সংস্থাটি আরও বলেছে, আগামী এক দশকে বিশ্বের প্রায় ১২০ কোটি তরুণ কর্মক্ষম বয়সে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। এই যুব সম্প্রদায়ের জন্য কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল ও মানবসম্পদ উন্নয়ন, পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর ওপর জোর দেয়া হয়েছে।

  • সব রেকর্ড ভেঙে দেশের বাজারে সোনার দামে নতুন ইতিহাস

    সব রেকর্ড ভেঙে দেশের বাজারে সোনার দামে নতুন ইতিহাস

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। এই ঘোষণা মতে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২,৬২৫ টাকা পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে, যার ফলে ভালো মানের সোনার দাম এখন দুই লাখ ৩৪ হাজার টাকারও বেশি। এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্বর্ণের মূল্য।

    বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। নতুন এই দাম ১৫ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

    সংগঠনটির মতে, এই দামবৃদ্ধির মূল কারণ হলো বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়া। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণের দাম এখন প্রতি আউন্স ছাড়িয়েছে ৪ হাজার ৬২০ ডলার।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি দাম এখন ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা। পাশাপাশি, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা।

    অপরদিকে, স্বর্ণের দাম বাড়লেও রূপার দাম অপরিবর্তিত আছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ৭১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা।

  • মোবাইল ফোন আমদানি শুল্ক কমলে দাম পড়বে কম

    মোবাইল ফোন আমদানি শুল্ক কমলে দাম পড়বে কম

    মোবাইল ফোনের দাম সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকারের উদ্যোগে আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি হ্রাস করা হয়েছে। এর ফলে মোবাইল ফোনের আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমে ১০ শতাংশে নেমে এসেছে বাংলাদেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দ্বারা। একই সঙ্গে, দেশের মোবাইল উৎপাদনকারীদের জন্য ব্যবহৃত উপকরণের আমদানি শুল্কও ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সিদ্ধান্তের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেন এনবিআর। সংস্থার জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নতুন ঘোষণায় জানানো হয়েছে, মোবাইল ফোনের আমদানিতে বিদ্যমান ৬০ শতাংশ শুল্ক কমে এসে এখন আরামদায়কভাবে ৫০ শতাংশে নেমে এসেছে। পাশাপাশি, দেশীয় মোবাইল প্রস্তুতকারকদের জন্য উপকরণের আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে, উপকরণ আমদানির শুল্কও ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়ে এখন মাত্র ৫ শতাংশে নেমেছে।

    এনবিআর বলছে, এই শুল্ক কমানোর ফলে ৩০ হাজার টাকার বেশি মূল্য থাকার মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ৫,৫০০ টাকা কমে যাবে। একইভাবে, ৩০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের দেশের তৈরি মোবাইলের দাম প্রায় ১,৫০০ টাকা হ্রাস পাবে।

    এই শুল্ক ও করের হ্রাসের ফলে মোবাইল ফোনের দাম সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সহায়ক হবে এবং দেশের নাগরিকরা সহজে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ করতে পারবে বলে প্রত্যাশা করছে সরকার। সরকারের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে যাতে সব ধরনের মোবাইল ফোনের মূল্য সাধ্যের মধ্যে থাকে।

  • নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকদের ঠেকাতে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি এনসিপির

    নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকদের ঠেকাতে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি এনসিপির

    জাতীয় নাগরিক কমিটি (এনসিপি) কঠোরভাবে নিশ্চিত করেছে যে, ঋণখেলাপি এবং দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদের কোনোভাবেই আগামী নির্বাচনেও অংশগ্রহণের ছাড় দেওয়া হবে না। দলটির একান্ত গুরুত্বপূর্ণ এ ঘোষণা এসেছে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর স্থায়ী কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে, যেখানে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশনে বর্তমানে পেশিশক্তির প্রদর্শনী অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন শুনানিতে অংশগ্রহণ করতে অনেক মানুষ শত শত জনসাধারণ নিয়ে হাজির হচ্ছে, কেউ কেউ আইনজীবীদের মহড়াও দিচ্ছেন। এ অবস্থা সম্পূর্ণরূপে সুষ্ঠু ও নিখুঁত নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি না করে উল্টো বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে।”

    আসিফ মাহমুদ আরও যোগ করেন, “বিএনপির কাছ থেকে আমরা ইঙ্গিত পেয়েছি, তারা তাদের নিজস্ব অন্তর্দৃষ্টির দারে গণতন্ত্রের দাবিদার হলেও, তাদের সমর্থিত প্রার্থীরা সরাসরি গণতন্ত্রবিরোধী কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েছে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে ভোটের স্বচ্ছতা অসম্ভব হয়ে উঠছে।”

    দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রসঙ্গ উঠতেই তিনি বললেন, “যারা এক সময় দেশের সম্পদ চুরি করে বিদেশে পাড়ি দিয়েছে, কঠোরভাবে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান। বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়ে ওঠা এই ব্যক্তিরা এখন বাংলাদেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার চেষ্টা করছে, যা বেআইনি। দ্বৈত নাগরিক হেফাজতে কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারে না, তা আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।”

    তিনি হুঁশিয়ার করেন, “যদি এই নির্বাচনেও এসব অযোগ্য ব্যক্তিদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে আমরা আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথে প্রতিবাদ করতেই প্রস্তুত থাকবো। এই নির্বাচন কমিশনকে কোনওভাবেই দায়সারা বা অস্পষ্ট নির্বাচন করার অনুমতি দেওয়া হবে না।”

    সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন এবং আইনি সহায়তা বিষয়ক উপকমিটির প্রধান জহিরুল ইসলাম মুসা। এই দলের দৃঢ় এ অবস্থান, যা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সুসংগঠিত ও নিরপেক্ষ রাখতে নিরন্তর সচেতনতা ও প্রতিরোধের বার্তা দেয়।

  • রুমিন ফারহানা থেকে হুমকি: বললেন, ‘আমি না বললে আপনি এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার’

    রুমিন ফারহানা থেকে হুমকি: বললেন, ‘আমি না বললে আপনি এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার’

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর একটি ইউনিয়নসহ) ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে নির্বাচন পরিচালনা করতে গেলে, সেখানে অভিযান চালাতে গিয়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান হেনস্তা ও হুমকির শিকার হন।

    ঘটনাটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। ভিডিওতে দেখা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছিলেন, তখন রুমিন ফারহানা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। তিনি তাকে বলেন, আমি শেষ বারের মত আপনাকে সতর্ক করে দিচ্ছি, আমাকে আর এ ধরনের কথা শুনতে চাই না। যদি পারো, থামিয়ে দাও। আজ আমি ভদ্রতার সঙ্গে কথা বলছি, পরবর্তীতে এরকম করবেন না। এছাড়াও তিনি যোগ করেন, অন্যরা আপনাদের বেআইনিভাবে কাজ করতে দেয়, খোঁজ নিয়ে দেখো।

    রুমিন ফারহানা আরও জোর দিয়ে বলেন, আমি রুমিন ফারহানা। আমি কোনো দলের পক্ষ নি। বললেন, যদি আমি না বলি, আপনি এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার, মাথায় রাখবেন। বললেন, যারা এখন আপনাদের সাথে কাজ করছে, তারা শেখ হাসিনার সময়ে কানে ধরে খাটের নিচে থাকত।

    উল্লেখ্য, এই বিধি লঙ্ঘনের অভিযানে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান বলেন, তারা নির্বাচন আচরণবিধি ১৮ এর সরাসরি লঙ্ঘন করে সমাবেশের আয়োজন করে। বিষয়টি নিয়মের বাইরে থাকায় আমরা সেখানে গিয়ে নিষেধাজ্ঞা দিই। তাদের চলে যাওয়ার সময়, অনুষ্ঠানের আয়োজক মো. জুয়েলকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। প্রত্যাখ্যাত হয়ে সমাবেশের আয়োজন করতে না পেরে, ওই প্রার্থী আমার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। আমি এই বিষয়টি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবগত করেছি।

  • ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধাদের মতো সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জুলাই যোদ্ধারাও অবদান রেখেছেন: তারেক রহমান

    ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধাদের মতো সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জুলাই যোদ্ধারাও অবদান রেখেছেন: তারেক রহমান

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যদি ক্ষমতায় আসে বিএনপি, তবে জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহতদের পরিবারের সমস্যাগুলোর সমাধান করা হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধাদের মতো দেশটির সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জুলাই যোদ্ধারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর খামারবাড়িতে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এই দিন তিনি জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহত পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানেন। তারেক রহমান আরও বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের মতো দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ২০২৪ সালে জুলাই যোদ্ধারা সক্রিয় ছিলেন। যদি বিএনপি ক্ষমতায় যায়, তবে তারা জুলাই যোদ্ধাদের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আলাদা একটি বিভাগ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এই মতবিনিময় সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সভায় অংশগ্রহণ করেন তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান।

  • ছাত্রদলের মুখোমুখি নির্বাচন কমিশন, তিন অভিযোগে ঘেরাও

    ছাত্রদলের মুখোমুখি নির্বাচন কমিশন, তিন অভিযোগে ঘেরাও

    এয়োথ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পোস্টাল ব্যালটে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ ও প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘেরাও করেছে। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংগঠনের ঘেরাও কর্মসূচি চলমান রয়েছে।

    ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ‘আমাদের মূল বিষয় হলো ব্যালট পেপার। ভোটের প্রক্রিয়ায় একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রভাব বিস্তার করার জন্য কিছু ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে আমাদের সন্দেহ। এই সব আচরণের পেছনে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের ইন্ধন রয়েছে বলে আমাদের প্রাথমিক ধারণা।’

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনের মতোই আমাদের হেয় করার জন্য তারা (নির্বাচন কমিশন) একের পর এক এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।’

    এর পাশাপাশি সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি স্বারকলিপি सौপর্দ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

    তাদের তিনটি মূল অভিযোগ হলো:

    1. পোস্টাল ব্যালটের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট ও প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর সংশয় সৃষ্টি করেছে।

    2. একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপের মুখে, দায়িত্বশীল ও যৌক্তিক সিদ্ধান্তের পরিবর্তে হঠকারী ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, যা কমিশনের স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

    3. বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ প্রভাব ও হস্তক্ষেপে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের জারি করা বিতর্কিত নির্দেশনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য অশনিসংকেত।

  • তারেক রহমানের ঘোষণা: জুলাই যোদ্ধারাও মুক্তিযোদ্ধা, পৃথক দপ্তর খোলার প্রতিশ্রুতি

    তারেক রহমানের ঘোষণা: জুলাই যোদ্ধারাও মুক্তিযোদ্ধা, পৃথক দপ্তর খোলার প্রতিশ্রুতি

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জুলাইয়ে যারা শহীদ হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন, তারা ৭১ সালের মতই মুক্তিযোদ্ধা। যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তবে জুলাইয়ের শহীদ ও আহত পরিবারের কষ্টের কথা মাথায় রেখে একটি বিশেষ মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় সংযুক্ত পৃথক বিভাগ তৈরি করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাইয়ে যা গণহত্যা হয়েছে, তা স্রেফ এক ধরনের নির্মম হত্যাকাণ্ড।

    আজ সোমবার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন শহীদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে অংশ নেয়া সবাই মুক্তিযোদ্ধা। তিনি বলেন, ‘তাঁরা সবাই মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন। একইভাবে, চব্বিশে যোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যুদ্ধ করেছেন।’

    তারেক রহমান বলেন, ‘একাত্তরে যুদ্ধ হয়েছিল স্বাধীনতা ও স্বাধিকার রক্ষার জন্য। আবার ২০২৪ সালে যুদ্ধ হয়েছে এই অধিকারকে রক্ষা করতে। তাঁর মতে, জুলাই যোদ্ধাদের সাহসী ভূমিকার কারণে ফ্যাসিবাদী শাসকরা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে।’

    বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘চব্বিশের আন্দোলন কোনও এক ব্যক্তির বা দলের বা গোষ্ঠীর আন্দোলন নয়। এটি ছিল জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম। যারা স্বাধীনতা রক্ষার এই আন্দোলনকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়, তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’

    তারেক রহমান ভবিষ্যতের নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা জানি, যদি গণতান্ত্রিক সরকার গঠনে ব্যর্থ হই, তাহলে পরবর্তী সময়েও এ ধরনের শোকসভাই করতে হবে। এখন আমাদের উচিত, আর কোনও শোকসভা নয়, বরং জনগণের বিজয়গাঁথা রচনা করা।’

    তিনি জানিয়ে দেন, জুলাই যোদ্ধাদের জন্য বিএনপি একটি বিশেষ প্রতিশ্রুতি রাখছে। ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, দেশের মানুষের সমর্থনে যদি আমরা সরকার গঠন করি, তাহলে জুলাই যুদ্ধের শহীদ ও আহত পরিবার, যারা স্বাধীনতা সংগ্রামে শহীদ হয়েছেন, তাঁদের কষ্টগুলো কিছুটা হলেও লাঘব করার জন্য আমরা একটি নতুন বিভাগ তৈরি করব এই মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে। এই বিভাগের দায়িত্ব হবে তাঁদের দেখাশোনা ও যত্ন নেওয়া।’

    মতবিনিময় সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান।