Blog

  • আইসিসি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দিলো, স্কটল্যান্ড নেওয়া হলো বিকল্প হিসেবে

    আইসিসি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দিলো, স্কটল্যান্ড নেওয়া হলো বিকল্প হিসেবে

    গত ২১ জানুয়ারি আইসিসি পূর্ণ সদস্য দেশের বোর্ড পরিচালকদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকে বিশ্বকাপ সংক্রান্ত এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়। প্রধান আলোচ্য ছিল—বিশ্বকাপ খেলতে বাংলাদেশ যদি ভারতে না যায় তাহলে কী করা হবে। সেই আলোচনায় আইসিসি বোর্ডের ভোটাভুটিতে সিদ্ধান্ত হয় যে বাংলাদেশ খেলতে চাইলে অবশ্যই ভারতেই যেতে হবে, নতুবা তাদের বদলে বিকল্প দল বাছাই করা হবে।

    বোর্ড জানায় বাংলাদেশকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছিল। তবুও বাংলাদেশ তাদের অবস্থায় অনড় ছিল। সময়সীমা শেষ হওয়ার প্রায় দুই দিন পর আইসিসি বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছে—এই খবর ক্রিকবাজও নিশ্চিত করেছে।

    আইসিসি অনুযায়ী, স্কটল্যান্ড ‘সি’ গ্রুপে যোগ দেবে। তাদের প্রতিপক্ষ হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি ও ইংল্যান্ড—এই তিনটি ম্যাচই কলকাতায় অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মুম্বাইয়ে তারা গ্রুপের শেষ ম্যাচ খেলবে নেপালের বিরুদ্ধে।

    সূত্র বলছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি গতকাল সকালের দিকে নেওয়া হয়। আইসিসি সিইও সংযোগ গুপ্ত বোর্ডকে আনুষ্ঠানিক চিঠি লিখে জানান যে বাংলাদেশের দাবি আইসিসির নীতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। চিঠির অনুলিপি বিসিবি সভাপতি ও আইসিসির বোর্ড সদস্য আমিনুল ইসলামকে পাঠানো হয়েছে।

    চিঠিতে সংযোগ উল্লেখ করেছেন যে বিসিবি আইসিসি বোর্ডের সিদ্ধান্ত মেনে চলছে না এবং এই পরিস্থিতিতে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে স্কটল্যান্ডকে আমন্ত্রণ জানানোর বাইরে আর কোনো বিকল্প ছিল না। একই সঙ্গে ক্রিকেট স্কটল্যান্ডকেও অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে বোঝা যাচ্ছে।

    ক্রিকবাজ ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের সিইও ট্রুডি লিন্ডব্লেডের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে; সরাসরি সাড়া না পেলেও দুবাই ও এডিনবার্গের মধ্যে যোগাযোগ হওয়ায় বিষয়টি এগোচ্ছে বলে জানা গেছে।

    এই সিদ্ধান্তের আগে বাংলাদেশের বোর্ড আইসিসির বিবাদ নিষ্পত্তি কমিটি (ডিআরসি)-র দ্বারে যান ভেন্যু পরিবর্তনের শেষ চেষ্টায়। কিন্তু ডিআরসি তাদের আপিল খারিজ করে দেয় এবং আইসিসির পূর্বের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। ফলে বিশ্বকাপের দল নিয়ে আইসিসির এই চূড়ান্ত পদক্ষেপ কার্যকর করা হলো।

  • গুলিচালনার অভিযোগে অভিনেতা কামাল আর খান (কেআরকে) গ্রেফতার

    গুলিচালনার অভিযোগে অভিনেতা কামাল আর খান (কেআরকে) গ্রেফতার

    মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে গুলিবর্ষণের ঘটনায় বলিউড অভিনেতা ও চলচ্চিত্র সমালোচক কামাল আর খান, পরিচিত কেআরকে—কে মুম্বাই পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) তাকে আদালতে পেশ করা হবে বলে জানা গেছে।

    পুলিশ সূত্রে এবং ভারতের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওশিওয়ারার একটি আবাসনে চারটি গুলি ছোড়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবৃতি ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করে মুম্বাই পুলিশ।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কেআরকে স্বীকার করেন যে ওই গুলি তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকে ছোড়া হয়েছিল। তবে তিনি দাবি করেছেন, কাউকে আঘাত করার কোনো উদ্দেশ্য তার ছিল না। পুলিশের কাছে তাঁর দেওয়া বিবরণে বলা হয়েছে, বন্দুক পরিষ্কার করার পর সেটি ঠিকঠাক কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করতে তিনি বাড়ির সামনের ম্যানগ্রোভ এলাকার দিকে গুলি ছুঁড়েছিলেন; বাতাসের তীব্র গতিবেগের কারণে গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশের একটি আবাসিক ভবনে লেগে যায়।

    কেআরকে বলিউডে বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত; ২০২২ সালে একটি যৌন হেনস্তার মামলায় তার গ্রেপ্তার হওয়ার খবর ছিল এবং সামাজিক মাধ্যমে তারকাদের নিয়ে কটাক্ষ ও উসকানিমূলক মন্তব্যের কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক মানহানি ও আইনি অভিযোগ রয়েছে। মুম্বাই পুলিশ এ ঘটনায় আরও তদন্ত চালাচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে।

  • ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই, বয়স ৮২

    ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই, বয়স ৮২

    ঢালিউডের সোনালী সময়ে দাপুটে নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে ৮২ বছর বয়সে আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। পরিবারসূত্রে জানা যায়, ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়রে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে পরিবারের সঙ্গে পাঞ্জাবে চলে যান, পরে নিয়তি তাকে টেনে আনে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে।

    জাভেদ দীর্ঘদিন ক্যানসারে ভুগছিলেন এবং বিভিন্ন শারীরিক জটিলতাও ছিল। গতবছর এপ্রিল থেকেই চিকিৎসার জন্য হাসপাতালেও ছিলেন। আজ সকালে তার শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্যভাবে অবনতির পর নিকটস্থরা দ্রুত ব্যবস্থা নেন। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে অভিনেতার স্ত্রী ডলি চৌধুরী বলেছেন, ‘‘আজ সকালে উনার শারীরিক অবস্থা মারাত্মকভাবে খারাপ হয়ে যায়। কিছুদিন ধরে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক ও দুজন নার্স বাসায় এসে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছিলেন। আজ সকালে নার্সরা এসে দেখান, সব শরীর ঠান্ডা। এরপর অ্যাম্বুলেন্স ডাকিয়ে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’’

    সিনেমার পর্দায় ইলিয়াস জাভেদের ক্যারিয়ার শুরু হয় নৃত্য পরিচালনার মাধ্যমে। নায়ক হিসেবে অভিষেক ঘটে ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ি জিন্দেগি’ থেকে। তবে ব্যাপক পরিচিতি আসে ১৯৬৬ সালের ‘পায়েল’ ছবির মাধ্যমে, যেখানে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা। পরিচালক মুস্তাফিজই তার শিল্পনামে ‘জাভেদ’ নামটি দেন।

    এক দরজায় থেমে থাকেননি তিনি; একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা ও নৃত্যাভিনয়ের মাধ্যমে ৭০ ও ৮০-এর দশকের দর্শকদের হৃদয়ে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে অটুট জায়গা করে নেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে জনপ্রিয় অভিনেত্রী ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। আসল নাম ছিল রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। longues ক্যারিয়ারে তিনি শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

    তিনি অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে: মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী ও আবদুল্লাহ।

    ইলিয়াস জাভেদের প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্রের এক যুগের সমাপ্তি এবং নৃত্য-নাট্যশিল্পে এক গুণী কণ্ঠহীন অধ্যায়ের শূন্যস্থান তৈরি করল। দীর্ঘদিন নিভৃতে চিকিৎসা নিলেও দর্শক ও কল্যাণপ্রেমীদের হৃদয়ে তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। পরিবারের প্রতি গভীর শোক এবং শ্রদ্ধাঞ্জলি।

  • তাহসানের আকুতি: আমাকে একটু বাঁচতে সাহায্য করুন

    তাহসানের আকুতি: আমাকে একটু বাঁচতে সাহায্য করুন

    বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে ও সংবাদপত্রে তাহসান খান ব্যাপক আলোচনা बने। তার জীবনের এই অধ্যায়ের খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিক ও ভক্তদের থেকে ফোন কলের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে, যা তিনি মোটেও উপভোগ করছেন না। এই পরিস্থিতিতে তিনি চাননি যেন সব কিছু এতটা ব্যস্ততার মধ্যে পড়ে যায়, এবং একটু শান্তি পান।

    সংবাদমাধ্যমের সামনে তাহসান বলেন, ‘প্রচুর সংবাদ ও ফোন কল আসছে। আমি এখন শান্তি চাচ্ছি, আমাকে একটু বাঁচতে সাহায্য করুন।’

    এর আগে তিনি জানিয়েছেন, স্ত্রী রোজা আহমেদের সঙ্গে আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই কঠিন সময় পার করছিলেন। গত সেপ্টেম্বর মাসে তিনি অস্ট্রেলিয়া ট্যুরে যাবেন বলে প্রকাশ করেন এবং বলেছিলেন, এই ট্যুরের আগে থেকেই তারা আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তিনি ফেসবুক ও গান থেকে দূরে রয়েছেন এবং একাকী ট্রাভেল করে সময় কাটাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘আমি নিজের মতো করে ঘুরে বেড়াচ্ছি, ঘুরাঘুরি করছি আর বই পড়েই সময় কাটাচ্ছি।’

    তাহসান খান গত ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ে পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। রোজা অতীতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপের কাজ করেছেন এবং নিউইয়র্কে তার নিজস্ব মেকআপ স্টুডিও রয়েছে।

    তাহসানের জীবন নিয়ে এই খবরের পরিপ্রেক্ষিতে জানা যায়, ২০০৬ সালে তিনি অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন। দীর্ঘ ১১ বছর চলমান এই দাম্পত্য ২০১৭ সালে সমাপ্ত হয়।

  • রাফসান ও জেফার কল্যাণে বিবাহের শুভ খবর

    রাফসান ও জেফার কল্যাণে বিবাহের শুভ খবর

    দীর্ঘ সময় ধরে চলা গুঞ্জন এবং ভক্তদের কৌতূহলের অবসান ঘটল। অবশেষে জনপ্রিয় উপস্থাপক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফসান সাবাব এবং জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেফার রহমান رسمیভাবে একসঙ্গে বসবাসের ঘোষণা দিলেন। এই সংবাদটি শোবিজে এক নতুন সূর্যোদয় যেন। ‘ওপেন সিক্রেট’ হিসেবে পরিচিত এই তারকা জুটির প্রেম এখন পরিণয় লাভ করল।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের খুশির খবর শেয়ার করে রাফসান সাবাব লিখেছেন, ‘পরিবারের ও প্রিয়জনের মাঝে আমরা আমাদের নতুন জীবন শুরু করছি। আপনারা সবাই আমাদের জন্য দোয়া ও আশীর্বাদ করবেন, এই কামনাই করি। আজ থেকে আমাদের দুই জীবন এক হয়ে গেছে, নতুন পথে আমাদের শুরু হয়েছে এক সুন্দর পথে চলার গল্প।’

    রাফসান ও জেফার কি করে একে অন্যের প্রেমে পড়লেন—এই বিষয়ে শোবিজ দুনিয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কিংবা ঘরোয়া আড্ডায় তাদের একসাথে দেখা যাওয়া ভক্তদের মধ্যে বিভিন্ন কৌতূহল সৃষ্টি করত। তবে তারা সবসময় এই বিষয়ে ব্যক্তিগত রাখতে চেয়েছিলেন।今, এই বিবাহের ঘোষণা দিয়ে সেই সমস্ত গুঞ্জনের সমাপ্তি ঘটল।

    উল্লেখ্য, এই সুখবর প্রকাশের পর থেকেই শোবিজের সহকর্মী, অনুরাগী এবং সাধারণ নেটিজেনরা নবদম্পতিকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানাচ্ছেন।

    রাফসান সাবাব বহু দিন ধরে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন ইভেন্ট ও শো উপস্থাপন করে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। অন্যদিকে, জেফার রহমান তার গানের কেরিয়ার ও ফ্যাশন সেন্সের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। এই দুই সফল ব্যক্তির এই নতুন পথচলা শিল্পাঙ্গনে এক নতুন মাত্রা যোগ করল।

  • চিত্রনায়িকা জয়শ্রী কবির আর নেই

    চিত্রনায়িকা জয়শ্রী কবির আর নেই

    দুই বাংলার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা জয়শ্রী কবির আর নেই। তিনি মোট ৭৪ বছর বয়সে ১২ জানুয়ারি লন্ডনের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন। এই সুখ্যাতি সম্পন্ন শিল্পীর মৃত্যুর খবরটি সোশ্যাল মিডিয়ায় তার ভাগ্নে জাভেদ মাহমুদ নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “আমার মামি জয়শ্রী কবির বিখ্যাত নায়িকা, এককালের ‘মিস ক্যালকাটা’, শান্তিপূর্ণ জীবন থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ে দীর্ঘদিন লন্ডনে ছিলেন। উনি সত্যজিৎ রায়ের সিনেমা ‘প্রতিদ্ব›দ্বী’, আলমগীর কবিরের ‘সীমানা পেরিয়ে’, ‘রুপালি সৈকতে’, ‘সূর্য কন্যা’র মতো সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন।” নায়িকার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি, তবে জাভেদ মাহমুদ জানিয়েছেন, তিনি অনেক দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন।

  • অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ও নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন। দীর্ঘ দিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে ৮২ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

    ইলিয়াস জাভেদ ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরে পরিবারসহ পাঞ্জাবে স্থানান্তরিত হলেও, নিয়তি তাকে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে নিয়ে আসে। তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন এবং শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। চলতি বছরের এপ্রিলে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

    জাভেদের স্ত্রী ডলি চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে জানান, সকাল থেকেই তার শারীরিক অবনতি হচ্ছিল। হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা চলে আসছিল, তবে তার শরীরের তাপমাত্রা কমে গেলে অবশেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

    তার অভিনয় জীবন শুরু ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ি জিন্দেগি’ দিয়ে। তবে প্রথম বড় সাফল্য পায় ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’ সিনেমায়, যেখানে তার বিপরীতে ছিলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা। এই সিনেমার মাধ্যমে তার বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে। পরিচালক মুস্তাফিজ তাকে জাভেদ নামে ডাকতেন।

    এরপর তিনি অসংখ্য সফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন এবং দর্শকদের মনে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে স্থান করে নেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

    অংকিতা নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। তিনি নৃত্য পরিচালনা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন, পরে নায়ক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তার অভিনীত শতাধিক চলচ্চিত্র রয়েছে। ১৯৭০ ও ৮০ শতকের ডিজনি দর্শকদের কাছে তিনি ছিলেন পর্দার উত্তেজনাপূর্ণ নাচ ও অ্যাকশনের সমাদৃত শিল্পী।

    ইলিয়াস জাভেদের প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের শেষের আলো। দীর্ঘদিন ক্যানসারে আক্রান্ত এই গুণী শিল্পী নিভৃতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

    তার উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী, আবদুল্লাহ।

  • বলিউড অভিনেতা গুলিবর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার

    বলিউড অভিনেতা গুলিবর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার

    ভারতের মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে গুলিবর্ষণের ঘটনায় বলিউডের অভিনেতা এবং চলচ্চিত্র সমালোচক কামাল আর খান ওরফে কেআরকে-কে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ। শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) তাকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলমান।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, এই ঘটনা চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ঘটেছে, যেখানে ওশিওয়ারা এলাকার একটি আবাসিক ভবনে চারটি গুলি ছোড়া হয়। স্থানীয় সিসিটিভি ক্যমেরার ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কেআরকে- বলেন, গুলিগুলো তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকেই ছোড়া হয়েছিল। তবে তিনি দাবি করেন, কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য তার ছিল না। নিজেদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনি জানান, বন্দুক পরিষ্কার করার সময় সেটি পরীক্ষা করার জন্য তিনি গুলি ছুড়েছিলেন। তিনি আরো বলেন, গুলি চালানোর সময় বাতাসের কারণে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গুলিগুলো পাশের এক ভবনে গিয়ে লেগেছে।

    কামাল আর খান বলিউডে এক বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। এর আগে ২০২২ সালে এক যৌন হেনস্তার মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় তারকাদের নিয়ে কটাক্ষমূলক ও উসকানিমূলক মন্তব্যের জন্য তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু মানহানি ও আইনি মামলা রয়েছে।

  • বিসিবির আইসিসির বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটিতে হস্তক্ষেপের অনুরোধ

    বিসিবির আইসিসির বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটিতে হস্তক্ষেপের অনুরোধ

    আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের এখনো নিশ্চিত নয় দেশের বাইরে গিয়ে খেলবে কি না। তা নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। তারা চাইছে, বাংলাদেশ দলের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে আয়োজন করা হোক। এই প্রস্তাবের জন্য তারা আইসিসির স্বাধীন বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটি (ডিআরসি)-তে বিষয়টি পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন।

    দৃশ্যত, ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, বিসিবি এই বিষয়ে আরেকটি চিঠি পাঠিয়েছি আইসিসি को। ডিআরসি হচ্ছে আইসিসির একটি স্বাধীন সালিশি সংস্থা, যা বোর্ডের সদস্য, খেলোয়াড় বা কর্মকর্তাদের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে। সাধারণত, সব অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই এই কমিটি হস্তক্ষেপ করে। বিসিবির আশা, আইসিসি তাদের এই অনুরোধ গ্রহণ করবে এবং বিষয়টি ডিআরসিতে পাঠাবে।

    এর আগে বোর্ডের সচিব আকরাম খান জানিয়েছিলেন, বুধবারের বোর্ড সভায় আইসিসি ভেন্যু পরিবর্তনের আবেদন নাকচ করে দেয় এবং টুর্নামেন্টের সূচি অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে, তারা এখনো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাতে চায়। আইসিসির এই সিদ্ধান্তের পর, বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তাদের চেষ্টা চালিয়ে যাবে। তিনি আরও জানান, শ্রীলঙ্কায় খেলার দাবিতে তারা এখনও আশাবাদী এবং এই আশা ছাড়ছেন না।

  • বিপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী, চট্টগ্রামকে হারালো

    বিপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী, চট্টগ্রামকে হারালো

    বিপিএল ফাইনালের শুরু থেকে ঘণ্টা দেড়েক আগে হাসির রঙ ছিল মাঠেক। তখনই হেলিকপ্টার থেকে ট্রফি নিয়ে মাঠে এলেন রাজশাহীর জনপ্রিয় ক্রিকেটার এবং অধিনায়ক আকবর আলী, সঙ্গে ছিলেন সালমা খাতুন। আকবর, যিনি বাংলাদেশকে যুব বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার পরিচিতি তৈরি করেছেন, তিনি সেই ট্রফি হাতে মিরপুরের দর্শকদের দেখায় উচ্ছ্বাসে মূর্চ্ছিত করলেন। এই বিপিএলে তিনি ডানহাতি উইকেটকিপার ও ব্যাটার হিসেবে রাজশাহীর জন্য খেলেছেন। অন্যদিকে, শেখ মেহেদী ব্যতিক্রমী ফটোসেশন করলেও পুরো দলের অন্য সদস্যরা ট্রফির কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ পাননি। তবে নাইম শেখের জন্য সেই সুযোগটি কেড়ে নিয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম, যিনি দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে বিপিএলের ফাইনালে সেঞ্চুরি করে সবাইকে অভিভূত করেছেন। তার এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে রাজশাহী দলের সংগ্রহ হয় ১৭৪ রানের বিশাল পুঁজি। লক্ষ্য তাড়ায় চট্টগ্রাম দল নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে। দ্রুতই চট্টগ্রামকে চেপে ধরেন রাজশাহীর স্পিনার বিনুরা ফার্নান্দো, এরপর উইকেটের পর উইকেট লাভ করেন হাসান মুরাদ। শেষ দিকে অসাধারণ বোলিং করে বিনুরা ম্যাচের পার্থক্য গড়ে তোলেন। ব্যাটিংয়ে ব্যর্থতার কারণেআরটু বেশি রান তোলা সম্ভব হয়নি চট্টগ্রামের। তারা শেষ করে ৬৩ রানে অল আউট, আর এই জয়ে বিপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রাজশাহী, যিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন নাজমুল হোসেন শন্ত ও মুশফিকুর রহিম। মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুতেই দুষ্টু দিক দেখিয়েছে চট্টগ্রাম। তারা শুরু থেকেই ধীরেসুদে খেলেছে, তবে পাওয়ার প্লে শেষে হাত খুলে খেলতে থাকেন ওপেনার তানজিদ। সাতের ওভারে তিনি দু’টি ছক্কা হাঁকিয়ে আক্রমণাত্মক ভাব প্রকাশ করেন। ৯ম ওভারে তিনি আবার দুই ছক্কা মারেন, আর প্রথমে নিজের পারফরমেন্সে আস্থা বাড়ান। তবে সাহসের ঝলক দেখিয়ে ইনিংসের ১৬তম ওভারে উইলিয়ামসনকে দূরে সরিয়ে বড় শট খেলতে গেলে ব্যর্থ হন। এরপর অধিনায়ক জাহিদুজ্জামান সাগর এবং অন্য ব্যাটাররা দ্রুত ফিরে যান। শেষ দিকে, দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে তানজিদ ৬১ বলের ম্যাচে সেঞ্চুরি করে ইতিহাস রচনা করেন। বিপিএলের ইতিহাসে ত্রাণ্য বাংলাদেশি খেলোয়াড় হিসেবে দ্বিতীয়বার ফাইনালে সেঞ্চুরি করেন তিনি, এর আগে ২০১৭ সালে ক্রিস গেইল এবং ২০১৯ সালে তামিম ইকবাল করেছিলেন। তার এই রেকর্ডি পারফরমেন্সের কারণে তিনি এখন বিপিএলে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক। শেষ পর্যন্ত, রাজশাহীর হয়ে শান্ত ৭ বলে ১১ এবং নিশাম ৬ বলে ৭ রান করেন। এই সেঞ্চুরির যুগে রাজশাহী করে ১৭৪ রানের সংগ্রহ। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানরা শেষ কিছু ওভারে দ্রুত রান করলেও শেষ অবধি তারা ১১১ রানে সব উইকেট হারিয়ে যায়। আবহমের রাজশাহী দলের পুরো পারফরম্যান্সে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন বিনুরা চারটি, এবং মুরাদ নিয়েছেন তিনটি। এই জয়ে রাজশাহীর ট্রফি ঘরে ফেরে। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামা চট্টগ্রাম দলের শুরুটা ছিল ধীর, তবে উইকেট হারানোর পরে তারা ধীরে ধীরে খেলতে থাকেন। ওপেনার সাহিবজাদা শুরুতেই ৩০ বলে ৩০ রান করে উইকেট হারান। এরপর দ্রুতই ফিরে যান তিনে নামা মাহমুদুল হাসান জয়, যিনি ১০ বলে ৯ রান করে সাজঘরে। পরে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন মির্জা এবং হাসান নাওয়াজ, কিন্তু নাওয়াজ যতটুকু সম্ভাবনাময় ছিল, তা পূরণ হয়নি। মুরাদের বল থেকে আউট হন নাওয়াজ। এরপর, তাহির ও আসিফ আলীর ব্যর্থতা দলের মানসিকতাকে দুর্বল করে দেয়। তাহির ৩৬ বলে ৩৯ রান করে স্টাম্পিং হন, আর আসিফ দ্রুত ফিরে যান। শেষের দিকে, ব্যাটসম্যানরা রানের গড় চালিয়ে যান এবং তানজিদ নিজেকে বিপিএলের ফাইনালে সেঞ্চুরির স্বীকৃতি দেন। তিনিই ফাইনালসেরা নিজ দেশের ব্যাটার হিসেবে তৃতীয় বার সেঞ্চুরি করেন রিপোর্ট অনুযায়ী। এই দুর্দান্ত পারফরমেন্সের জন্য তিনি এখন বিপিএলে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক। দলের অন্যান্য সদস্যরা সম্মিলিতভাবে অবদানের মাধ্যমে রাজশাহীর শিরোপা নিশ্চিত করেন। এই ফাইনালে রাজশাহীর হয়ে শেষ দিকে অধিনায়ক শান্ত ৭ বলে ১১ এবং নিশাম ৬ বলে ৭ রান করেন। তানজিদের অসাধারণ শত্যাক্রান্তি আর দলের একজোট প্রচেষ্টা শেষে রাজশাহী জেতার সেই স্বপ্ন সুন্দরভাবে বাস্তবায়িত হয়। এই জয়ে, শরিফুল ব্যাপক পারফরম্যান্স দেখিয়েছেনও, সেক্ষেত্রে তিনি বিপিএলে এক আলাদা রেকর্ড গড়েছেন। তিনি এখন এক আসরে সর্বোচ্চ ২৬ উইকেট সংগ্রহকারী একজন ক্রিকেটার। তার এই পারফরম্যান্স প্রশংসার দাবিদার, আর রাজশাহীর ট্রফি জয় শুধু দলের জন্যই নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্যও অত্যন্ত গৌরবের ব্যাপার।