শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশে এখনও মোট ২৮৩৯টি গ্রামে কোনও প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। এসব গ্রামে শিক্ষার আলো পৌঁছায়নি শিশুদের অনেকেরই। প্রাথমিক শিক্ষায় উপস্থিতি বাড়াতে এসব গ্রামে গমনোপযোগী শিশুর সংখ্যা প্রায় ৩ লাখের কাছাকাছি। এ ছাড়া, সরকারের অর্থায়নে নির্মাণের অপেক্ষায় আরও ৪ হাজার ৫৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন রয়েছে, যেখানে এখনও কংক্রিটের নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি।
আজ সংসদে সরকারের দলীয় সদস্য জয়নাল আবদিনের প্রশ্নে উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী এসব তথ্য দেন। তিনি জানান, দেশের প্রতিটি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। বিভাগগুলোর মধ্যে ঢাকায় ৭১৭টি, চট্টগ্রামে ৮১৮টি, রাজশাহীতে ৩৫৫টি, রংপুরে ৩৫৫টি, খুলনায় ৩৪১টি, বরিশালে ৪৫টি, সিলেট বিভাগে ২৬০টি ও ময়মনসিংহ বিভাগে ২৬৬টি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় গঠিত হয়নি।
এখানে প্রাথমিক শিক্ষায় অপ্রাপ্ত শিশুর সংখ্যা মোট প্রায় ২৭৬,৫১৩ জন। অর্থাৎ, এই শিশুদের জন্য শিক্ষার সুযোগ আরও বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।
অন্যদিকে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতাধীন দেশে মোট ২৪ হাজার ৩২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ৪৫৯টি প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণের কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি। শিক্ষামন্ত্রী আশ্বাস দেন, সরকার পর্যায়ক্রমে সুবিধাবঞ্চিত এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে কার্যক্রম চালিয়ে যাবে, যাতে প্রত্যেক শিশুর জন্য উপযুক্ত শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত হয়।
