পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় দেরা ইসমাইল খান জেলায় এক বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। হামলার এ ঘটনা স্থানীয় নিরাপত্তা ও পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। পাকিস্তানের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার এই হামলা ঘটে যখন এলাকার শান্তি কমিটির সদস্যরা বসেছিল। শান্তি কমিটিগুলি স্থানীয় বাসিন্দা ও বয়োজ্যেষ্ঠদের নিয়ে গঠিত এবং বিশেষভাবে অঞ্চলটিতে জঙ্গি কার্যকলাপ মোকাবিলায় কাজ করে থাকে। ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার সময় হামলাকারীরা একটি ভবনে ডিভাইস স্থাপন করে বিস্ফোরণ ঘটায়। পুলিশ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আদনান জানিয়েছেন, এই হামলায় কয়েকজন আহত হন, তাঁদের মধ্যে চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর আগে, পুলিশের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছিল, বিস্ফোরণস্থলে তিনজন নিহত হয়েছেন। এই হামলার জন্য এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী দায় স্বীকার করেনি। পাকিস্তানের উত্তরের সীমান্তবর্তী এই এলাকা জঙ্গি গোষ্ঠী তালেবান এবং তার সংশ্লিষ্ট গ্রুপ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টেটি) একের সাথে জড়িত বলে ধারণা রয়েছে। তালেবান নেতারা এই শান্তি কমিটিগুলিকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। পাকিস্তানে বিভিন্ন সুন্নিপন্থি জঙ্গি গোষ্ঠীর মূল সংগঠনের रूपमा আছে পাকিস্তানি তালেবান, যারা ১৯৯৭ সাল থেকে দেশটির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের সরকার অভিযোগ করেছে যে, আফগান তালেবান পাকিস্তানি এই গোষ্ঠীর সাথেও তারা পাকিস্তানে হামলার পরিকল্পনায় সহায়তা করছে, যদিও কাবুল এই অভিযোগ অস্বিকার করে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এই ঘটনার পেছনে ভিন্ন নানা কারণ ও জঙ্গি কার্যকলাপের সংশ্লিষ্টতা বিশ্লেষণ চলছে।
Category: আন্তর্জাতিক
-

মিনিয়াপোলিসে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে আরও এক মার্কিন নাগরিক নিহত
মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের রাজধানী মিনিয়াপোলিসে শুল্ক ও সীমান্ত সুরক্ষা বিভাগের অভিবাসন কর্মকর্তাদের গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটলে যখন শহরে ইমিগ্রেশন আওয়ামীভূতির বিরধ এবং ব্যাপক বিক্ষোভ ও উত্তেজনা চলমান ছিল। এর আগে এই মাসের শুরুর দিকে একই ধরনের গুলিতে রেনে গুড নামে এক অভিবাসন কর্মকর্তা নিহত হন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার নিহত ব্যক্তির নাম অ্যালেক্স প্রেট্টি, তিনি ৩৭ বছর বয়সী একজন মার্কিন নাগরিক ও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নার্স ছিলেন। তার বয়স ৩৭ বছর এবং তিনি মিনিয়াপলিসে থাকতেন। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অ্যালেক্স প্রেট্টি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে নিজের জীবন হারিয়েছেন।
নিহতের পরিবার বলেছে, তার বাবার নাম অ্যালেক্স প্রেট্টি, তিনি একজন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের নার্স। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। এই ঘটনা চলমান উত্তেজনার মাঝে ঘটেছে, যেখানে শহরজুড়ে প্রতিদিনই বিক্ষোভ চলছিল।
অভিযোগ রয়েছে, এই গুলির ঘটনা ছিল পুলিশ ও ফেডারেল বাহিনীর এক তরফা হত্যাকাণ্ড। মিনিয়াপোলিসের গভর্নর টিম ওয়ালজ বলেছেন, এটি কেবল অভিবাসন আইনের প্রয়োগের বিষয় নয়, বরং এটি আমাদের রাজ্যের মানুষের বিরুদ্ধে চালানো একটি নিষ্ঠুর অভিযান। তিনি বলেন, এই ঘটনায় একজন আর প্রাণ হারাল।
তিনি আরও জানান, ঘটনার গুরুত্ব আর বিচারের জন্য পুরো বিষয়টি রাজ্য সরকারের কর্তৃত্বে তদন্ত করা হবে।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) মুখপাত্র ট্রিশিয়া ম্যাকলাফলিন জানিয়েছেন, কর্মকর্তারা অ্যালেক্স প্রেট্টি নামে এক ব্যক্তিকে অস্ত্র হাতে এগিয়ে আসতে দেখেছেন। তাকে অবশ্যই নিরস্ত্র করার জন্য চেষ্টা করা হয়েছিল, তখন তিনি সহিংস প্রতিরোধ করেন। সেই পরিস্থিতিতে কর্মকর্তারা আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছুড়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, অ্যালেক্স প্রেট্টি রাস্তা দিয়ে হাঁটাহাঁটি করছিলেন, তখন এক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে ও অন্যান্য বিক্ষোভকারীদের রাস্তার মাঝখানে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। পরে একজনের হাতে থাকা পেপার স্প্রে ছুড়তে দেখা যায়। এরপরই এক পুলিশ কর্মকর্তা তার দিকে গুলি চালান।
পুলিশের মহাপরিদর্শক ব্রায়ান ও’হারা বলেছেন, অ্যালেক্স প্রেট্টির অস্ত্র বহনের বৈধ অনুমতি ছিল। মিনেসোটা আইন অনুযায়ী, প্রকাশ্যে অস্ত্র বহন করা বৈধ। তিনি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ও আশা প্রকাশ করেন যে, পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
অপর দিকে, এই ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে ফেডারেল বাহিনীর বিরুদ্ধে slogans দিতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস এবং ফ্ল্যাশব্যাং গ্রেনেড ব্যবহার করে।
মিনিয়াপোলিসের মেয়র জেকব ফ্রে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, আর কতজন মানুষ নিহত হবে, আর কতজন আহত হবে—এই সব আর চলতে পারে না। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অভিযান বন্ধ করতে হবে।
অঞ্চলের প্রতিনিধি ইলহান ওমর এই ঘটনাকে ‘একটি নির্বাহী হত্যাকাণ্ড’ বলে অভিহিত করেছেন। এছাড়া সিনেটর অ্যামি ক্লোবুচারও মিনেসোটা থেকে আইসিই প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। এই পুরো ঘটনার জন্য স্থানীয় নেতারা গভীর উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করেছেন।
-

আফগানিস্তানে তুষারপাত ও ভারী বর্ষণে নিহত ৬১ জন
আফগানিস্তানে সম্প্রতি প্রবল তুষারপাত এবং ভারী বর্ষণের ফলে কমপক্ষে ৬১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। গত তিন দিনে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে আরও অনেক মানুষ আহত হয়েছেন, যা নিশ্চিত করেছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক এক্স (টুইটের মতো প্ল্যাটফর্ম) পোস্টে আফগানিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এএনডিএমএ) জানায়, শুধু গত তিন দিনেই দেশজুড়ে ৬১ জন নিহত এবং ১১০ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি, বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় ৪৫৮টি ঘর অর্ধেক বা পুরোপুরি ধ্বংসের শিকার হয়েছে।
এএনডিএমএ জানিয়ে গেছে, এই দুর্যোগের ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কাজ চলছে। দেশের মধ্যাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের বেশ কিছু প্রদেশের পরিস্থিতি এই দুর্ঘটনায় বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা মানচিত্রে স্পষ্ট দেখা যায়।
অতিরিক্ত তুষারপাতের কারণে কাবুলসহ বিভিন্ন প্রদেশে সড়ক দুর্ঘটনাও ঘটেছে। দুর্বল অবকাঠামোর কারণে দেশের প্রত্যন্ত এলাকার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে, যেখানে বন্যা, ভূমিধস ও ঝড়ের কবলে বিদ্যমান ক্ষয়ক্ষতি মারাত্মক রূপ নিয়েছে। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবন কঠিন হয়ে উঠছে।
সূত্র: এএফপি
-

ট্রাম্পের কোণঠাসা হুমকি: কানাডার ওপর ১০০% শুল্ক আরোপের আভাস
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের সাথে ঘোষিত বাণিজ্য চুক্তি এগিয়ে নিলে কানাডার ওপর শত শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক বিবৃতিতে তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে লক্ষ্য করে বলেন, “কানাডাকে ব্যবহার করে চীন তাদের সস্তা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকিয়ে দেবে— যদি কার্নি এ বিষয়ে ভাবেন, তাহলে তিনি সম্পূর্ণ দুঃখিত।” ট্রাম্পের আরও বক্তব্য ছিল, “যদি কানাডা চীনের সাথে বাণিজ্য চুক্তি করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা সব কানাডিয়ান পণ্যে তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে ১০০% শুল্ক আরোপ করা হবে।” ট্রাম্প কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাভাবিকভাবে উল্লেখ না করে তাকে ‘গভর্নর কার্নি’ বলে ডেকেছেন, যা থেকে বোঝা যাচ্ছে তিনি তাকে দেশটির ক্ষমতা বলয়ে দেখছেন। তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকেই কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে অভিহিত করে আসছেন। অন্যদিকে, কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য বিষয়ক কানাডিয়ান মন্ত্রী ডোমিনিক লেব্লাঙ্ক এক্সে (মাইক্রোব্লগিং সাইট) শনিবার লিখেছেন, ‘চীনের সাথে মুক্ত বাণিজ্য করার জন্য তাদের কোন উদ্যোগ নেই।’ তিনি আরও জানান, গত সপ্তাহে চীনের সাথে যেসব চুক্তি হয়েছে তা মূলত শুল্কসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সমস্যা সমাধানে সহায়ক। মন্ত্রী বলেন, ‘নতুন সরকার কাণ্ডারী হিসেবে কানাডার অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে, যার লক্ষ্য হলো দেশ ও দেশের বাহিরে বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বে উন্নতি করা।’ ২০২২ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি কানাডিয় পণ্যে শুল্ক আরোপের হুমকি দিচ্ছেন। এছাড়াও, সম্প্রতি তিনি কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন। সূত্র: আলজাজিরা।
-

যুক্তরাষ্ট্রে ১০ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল
শীতকালীন ঝড়ের কারণে গত শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মোট কমপক্ষে ১০ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়্যার জানিয়েছে, এই ভয়াবহ আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে ব্যাপক ধাক্কা খেয়েছে বিমান চলাচল।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উত্তর টেক্সাস ও ওকলাহোমা রাজ্যে ঝড়ের আঘাতে শনিবারই তিন হাজার ৪০০ এর বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ডালাসের ফোর্ট ওর্থার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, যেখানে অন্যান্য বিমানবন্দর যেমন ডালাস লাভ ফিল্ড থেকে ফ্লাইট বাতিলের হার reach ৬৪ শতাংশে পৌঁছেছে। পাশাপাশি, ওকলাহোমা সিটির বিমানে আঘাত হানার ফলে সেখানে ৯০ শতাংশ ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যায়।
রোববারের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে, বাতিলের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৬ হাজার ৪০০ এর বেশি হয়। ঝড়ের প্রভাবে উপকূলের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার প্রভাবও আরও বিস্তৃত হয়। ওয়াশিংটন ডিসির রিগ্যান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রবিবারের দিন প্রায় ৯০ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, এবং উত্তর ক্যারোলিনার শার্লট ডগলাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৭৩ শতাংশ ফ্লাইট বাতিলের বিষয়টি নজরে আসে।
সোমবারের মধ্যে আরও সাত শতাধিক বিমান বাতিল করা হয়েছে, যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার আগেই। তবে, আবহাওয়া শান্ত হওয়ার পর বিমান সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের নিরাপদে তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
অপরদিকে, দক্ষিণ-মধ্য আমেরিকায় ব্যাপক তুষারপাত ও বিপজ্জনক বরফ পড়ছে, যা দ্রুত পূর্ব দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। মার্কিন আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শনিবার থেকে নিউ ইংল্যান্ড পর্যন্ত অন্তত দুই হাজার মাইলের বেশি এলাকায় এই শীতকালীন ঝড়ের আঘাত হতে পারে। এই বিরূপ পরিস্থিতির কারণে জীবন-জীবিকা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং নাশকতা এড়াতে জরুরি সতর্কতা জারি হয়েছে।
-

পাকিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিহত অন্তত ৭
পাকিস্তানের সীমান্তসংলগ্ন জেলা দেরা ইসমাইল খান জেলার একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে শুক্রবার আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত সাতজন নিহত এবং অনেকে আহত হয়েছেন। দেশটির পুলিশ জানায়, হামলা সেই ভবনটিকে লক্ষ্য করে চালানো হয় যেখানে শান্তি কমিটির সদস্যরা অবস্থান করছিলেন।
পুলিশ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আদনান বলছেন, বিস্ফোরণের প্রথম খবরে তিনজনই ঘটনাস্থলে মারা গিয়েছিল; পরে হাসপাতালে নেওয়া আহতদের মধ্যে আরও চারজন মারা গেলে মৃতের সংখ্যা সাতに পৌঁছায়। আহতদের মধ্যে অনেকে রাজশাহী চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং হতাহত সংখ্যা প্রাথমিকভাবে প্রায় এক ডজন হিসেবে বলা হচ্ছে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পাকিস্তানে ক্রমবর্ধমান জঙ্গি হামলার সমস্যা আরও সামনে এসেছে। সরকার স্থানীয় স্তরে জঙ্গিদের মোকাবিলায় শান্তি কমিটি গঠন করে থাকে; এসব কমিটিতে স্থানীয় বাসিন্দা ও বয়োজ্যেষ্ঠরা থাকে এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় শান্তি-নিয়ন্ত্রণে তাদের ভূমিকা থাকে। পুলিশের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ওই বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অংশগ্রহণকারী বা কমিটির সদস্যদেরই লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
এপর্যন্ত কারা হামলার দায়িত্ব নিয়েছে তার কোনো দাবি আসেনি। তবে আফগানিস্তান-সীমান্তের উভয় পাশে সক্রিয় একাধিক জঙ্গিগোষ্ঠী রয়েছে; তাদের মধ্যে পাকিস্তানি তালেবান বা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) একটি প্রধান সশস্ত্র সংগঠন। পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, টিটিপি স্থানীয়দের শান্তি প্রচেষ্টাকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে আখ্যায়িত করে এবং কড়া অবস্থান নিচ্ছে।
পাকিস্তানি তালেবান ১৯৯৭ সাল থেকে সক্রিয় এবং তারা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে এসেছে; তাদের লক্ষ্য দেশের সংবিধান বদলে নিজেদের কঠোর ইসলামি আইন প্রতিষ্ঠা করা। ইসলামাবাদ অভিযোগ করে এসেছে যে আফগান তালেবান আফগানিস্তান থেকে টিটিপিকে আক্রমণের পরিকল্পনা ও সহায়তা করছে, কিন্তু কাবুল এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে যে জঙ্গিবাদ পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা।
এই ঘটনার খবরে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে সূত্র হিসেবে দেখা গেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আহতদের উদ্ধার ও ঘটনাস্থল নিরাপত্তা বাড়াতে কাজ করছে, আর ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে।
-

জর্জিয়ায় পারিবারিক বিবাদে এক ভারতীয় গুলি করে স্ত্রীসহ চার আত্মীয়কে হত্যা
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের লরেন্সভিলে পারিবারিক বিবাদের জের ধরে শুক্রবার ভোরে এক ভারতীয় ব্যক্তির গুলিতে স্ত্রীসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আটলান্টায় নিযুক্ত ভারতীয় কনস্যুলেট শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারকে সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে—জানায় এনডিটিভি।
ঘটনাটি স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে ব্রুক আইভি কোর্ট এলাকার ১০০০ ব্লকে ঘটে, বলে জানিয়েছে গুইনেট কাউন্টি পুলিশ। সেখানে পৌঁছালে একটি আবাসিক বাড়ির ভেতরে চারজন প্রাপ্তবয়স্কের মরদেহ পাওয়া যায়; প্রত্যেকের শরীরে গুলিবিদ্ধ ও প্রাণঘাতী চিহ্ন ছিল।
পুলিশ নাম উল্লেখ করে জানিয়েছে, অভিযুক্তের নাম বিজয় কুমার (৫১) এবং তিনি আটলান্টার বাসিন্দা। নিহতরা হলেন তাঁর স্ত্রী মীমু ডোগরা (৪৩), গৌরব কুমার (৩৩), নিধি চন্দর (৩৭) ও হরিশ চন্দর (৩৮)।
ঘটনার সময় বাড়িতে তিনটি শিশু উপস্থিত ছিল। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিজেদের রক্ষা করতে শিশুরা একটি আলমারির ভেতরে লুকিয়ে পড়েছিল; তাদের মধ্যে একজন ৯১১-এ ফোন করে গুরুত্বপূর্ন তথ্য দিতে সক্ষম হলে পুলিশ কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। শিশুরা আহত হননি এবং পরে পরিবারের এক সদস্য তাদের নিয়ে যান।
আটলান্টায় নিযুক্ত ভারতের কনস্যুলেট জেনারেল এক বিবৃতিতে ঘটনার প্রতি গভীর শোক ব্যক্ত করেছে। কনস্যুলেট জানায়, নিহতদের মধ্যে একজন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং শোকাহত পরিবারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
গুইনেট কাউন্টি পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চারটি অ্যাগ্রাভেটেড অ্যাসল্ট (গুরুতর হামলা), চারটি ফেলনি মার্ডার (ফৌজদারি হত্যার) অভিযোগ, চারটি ম্যালিস মার্ডার (উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হত্যার) অভিযোগ, একটি প্রথম ডিগ্রির শিশুদের প্রতি নিষ্ঠুরতার অভিযোগ এবং দুটি তৃতীয় ডিগ্রির শিশু নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ ও কনস্যুলেটের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ঘটনাটিকে পারিবারিক বিরোধে সংঘটিত একটি ট্র্যাজেডি হিসেবে বর্ণনা করেছে। মামলা ও তদন্তের পরবর্তী ধাপ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা জানালে তা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
-

ইউরোপীয় ইউনিয়ন স্থগিত করল ভারতের অধিকাংশ পণ্যের জিএসপি সুবিধা
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ভারতের তৈরি পোশাক, বস্ত্র, প্লাস্টিকসহ বেশির ভাগ পণ্যে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা বা জেনারেলাইজড সিস্টেম অব প্রেফারেন্সেস (জিএসপি) স্থগিত করেছে। এই সিদ্ধান্ত ১ জানুয়ারি থেকেই কার্যকর হয়েছে। একই সঙ্গে ইন্দোনেশিয়া ও কেনিয়ার কিছু পণ্যের জিএসপি সুবিধাও স্থগিত করা হয়েছে।
ইইউর অফিসিয়াল জার্নালে প্রকাশিত এক বিধিমালা অনুযায়ী, এই সুবিধা স্থগিতকরণ ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরে পর্যন্ত প্রভাবী থাকবে। এর আগে, ইউরোপীয় কমিশন (ইসি) এই নিয়ম ২৫ সেপ্টেম্বর জারি করে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ভারতের রপ্তানিকারকদের জন্য এই পরিবর্তন বড় ধরনের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসছে। গবেষণা সংস্থা গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ (জিটিআরআই) জানায়, জিএসপি স্থগিত হওয়ায় ভারতের থেকে আমদানি করা প্রায় ৮৭ শতাংশ পণ্যে ইইউর শুল্ক আরও বাড়বে। কেবল ১৩ শতাংশ পণ্যে এই সুবিধা থাকবে, যার মধ্যে রয়েছে কৃষি ও চামড়াজাত পণ্য।
জিএসপি মূলত উন্নত দেশগুলোর দ্বারা উন্নয়নশীল আর স্বল্পোন্নত দেশের পণ্যগুলোর ওপর শুল্ক কমানোর বা মওকুফের একটি সুবিধা। এর মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশের পণ্যকে বাজারে প্রবেশের জন্য সুবিধা পাওয়া যায়, যার ফলে রপ্তানি বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনীতির উন্নয়ন হয়।
উদাহরণস্বরূপ, সাধারণত কোনো তৈরি পোশাকের শুল্ক হার ১২ শতাংশ হলে, জিএসপি থাকলে তা ৯.৬ শতাংশ হতো। কিন্তু এখন জিএসপি স্থগিত হওয়ায় সেই পণ্যটিতে পুরো ১২ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে।
ইইউ ভারত থেকে বিভিন্ন বড় শিল্প খাতের পণ্যে জিএসপি সুবিধা প্রত্যাহার করেছে। এর মধ্যে রয়েছে খনিজ, রাসায়নিক, প্লাস্টিক, রাবার, বস্ত্র ও পোশাক, পাথর ও সিরামিক, মূল্যবান ধাতু, লোহা-এস্পাত, মৌলিক ধাতু, ইলেকট্রনিক্স, যন্ত্রপাতি ও পরিবহন সরঞ্জাম।
২০১৩ এবং ২০২৩ সালে ইইউ ভারতের জিএসপি সুবিধা আংশিকভাবে কমিয়েছিল। এবার, এই সুবিধা পুরোপুরি তিন বছরের জন্য বাতিল করা হলো।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকলেও জিএসপি স্থগিত হওয়ার কারণে স্বল্প মেয়াদে রপ্তানিকারকদের জন্য বড় বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে। এর পাশাপাশি, ইইউর কার্বন বর্ডার অ্যাডজাস্টমেন্ট মেকানিজম (সিবিএএম) কার্যকর হচ্ছে, যা আরেকটি চাপ সৃষ্টি করবে।
গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) ভারতের সঙ্গে ইইউর বাণিজ্য ছিল ১৩৬.৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ভারতের রপ্তানি ৭৫.৮৫ বিলিয়ন এবং আমদানি ৬০.৬৮ বিলিয়ন ডলার। ভারতের মোট রপ্তানি ভাগের প্রায় ১৭ শতাংশ পণ্যই এই বাজারে যায়।
ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট অর্গানাইজেশনসের (এফআইইও) মহাপরিচালক অজয় সাহাই বলেন, “ইইউ ভারতের ৮৭ শতাংশ রপ্তানিপণ্যে জিএসপি প্রত্যাহার করেছে। ফলে অধিকাংশ পণ্যে এখন পুরো এমএফএন শুল্ক দিতে হবে। এর ফলে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মতো দেশের সঙ্গে ভারতের প্রতিযোগিতার শক্তি কমবে।
-

অন্ধ্রপ্রদেশে বাংলাদেশি মুসলিমকে به হত্যা করে পিটানো
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণার একজন মুসলিম শ্রমিককে অন্ধ্রপ্রদেশে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গত বুধবার রাতে তাকে মুসলিম বলে অপবাদ দিয়ে চুরির অভিযোগ এনে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ভারতের বিভিন্ন স্থানে বাংলাভাষী মুসলিমদের ওপর চলমান সহিংসতারই এটি একটি tristeতম ঘটনা।
নিহত ব্যক্তির নাম মঞ্জুর আলম লস্কর, তাঁর বয়স ৩২ বছর। তিনি অন্ধ্রপ্রদেশের কোমারোলু এলাকায় হিন্দুত্ববাদীদের হামলার শিকার হয়ে মারা যান। মঞ্জুরের বাড়ি রঙ্গিলাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিষ্ণপুর গ্রামে। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে অন্ধ্রপ্রদেশে জরির কাজ করতেন। দীর্ঘ সময় থাকায় স্থানীয়রা তাঁকে ভালোভাবেই চেনেন। তবে এর পরেও তাঁকে বাংলাদেশি হিসেবে আখ্যায়িত করে সেখানে থেকে চলে যেতে চাপ দেওয়া হয়েছিল।
মঞ্জুরের পরিবার জানিয়েছেন, তাকে প্রথমে অপহরণ করা হয়। পরে মুক্তিপণ হিসেবে ২৫ হাজার রুপি চাপানো হয়। তার স্ত্রী বলেন, বুধবার এক অচেনা নম্বর থেকে ফোনে তাদের মুক্তিপণের জন্য বলা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে তারা ৬ হাজার রুপি জোগাড় করেন। তবে পরের দিন তারা জানতে পারেন, মঞ্জুরকে হত্যা করা হয়েছে।
মঞ্জুরের পরিবারের দাবি, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতকারীদের দ্রুত ধরা ও শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। তারা পশ্চিমবঙ্গের সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন এই মামলার বিচারের জন্য। তারা আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট السلطات দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।
-

যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের পরিবারের মধ্যে কলহ, স্ত্রীসহ চারজনকে গুলি করে হত্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে পারিবারিক বিরোধের জেরে এক ভারতীয় স্বামী-স্ত্রীসহ চারজন আত্মীয়কে গুলি করে হত্যা করেছেন। এ ঘটনা হয়েছে আটলান্টার কাছাকাছি লরেন্সভিল শহরের এক বাড়িতে, যার খবর ভারতের মিশনের মাধ্যমে এনডিটিভির প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যে জানা যায়, ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার ভোরে। রাতের অন্ধকারে ওই বাড়িতে অন্ধকারের মধ্যে গুলির ঘটনা ঘটে, যেখানে চারজন নিহত হন। এ সময় ওই বাড়িতে তিনটি শিশু উপস্থিত ছিল, যারা নিজেদের রক্ষায় এক আলমারির ভেতরে লুকিয়ে পড়েছিল।
স্থানীয় পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বলা হচ্ছে অভিযুক্তের নাম বিজয় কুমার (৫১), তিনি আস্থান্তার বাসিন্দা। গুলির ঘটনায় চারজন নিহত হন, তারা হলেন অভিযুক্তের স্ত্রী মীমু ডোগরা (৪৩), তাঁর ভাই গৌরব কুমার (৩৩), নিধি চন্দর (৩৭) ও হরিশ চন্দর (৩৮)।
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে চারটি গুরুতর হামলার (অ্যাগ্রাভেটেড অ্যাসাল্ট), চারটি হত্যার (ফেলনি মার্ডার), চারটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হত্যার (ম্যালিস মার্ডার) এবং শিশুদের প্রতি নিষ্ঠুরতার অভিযোগ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, শুক্রবার ভোর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে ব্রুক আইভি কোর্টের ১০০০ ব্লকে ফোনকল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বাড়ির ভিতরে গিয়ে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে, যারা সবাই গুলিবিদ্ধ। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ওই সময় বাড়িতে তিনটি শিশু ছিল, যারা নিজেদের রক্ষা করতে আলমারির নিচে লুকিয়ে পড়ে।
শিশুরা একটির মাধ্যমে জরুরি সেবা ৯১১-এ কল করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়, যার ফলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। ভবন ও পরিস্থিতি দেখে মনে হয়, শিশুগুলোর কোনও আহত হওয়ার তথ্য নেই, পরে পরিবারের একজন সদস্য তাদের উদ্ধার করেন।
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পরিচালিত তদন্ত আরম্ভ হয়েছে, এ ঘটনায় পরিবার ও বন্ধুবান্ধব শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সব ধরনের সহায়তা দেয়া হচ্ছে।
