Category: আন্তর্জাতিক

  • পশ্চিমবঙ্গে সকল প্রকার পশু জবাই নিষিদ্ধের ঘোষণা

    পশ্চিমবঙ্গে সকল প্রকার পশু জবাই নিষিদ্ধের ঘোষণা

    পশ্চিমবঙ্গের সরকার বুধবার ঘোষণা করেছে যে এখন থেকে প্রকাশ্যে গরু সহ সব ধরনের পশু জবাই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের পশু পালন এবং জবাই প্রক্রিয়ার উপর নাটকীয় পরিবর্তন আসবে। নতুন এ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি অনুমতি ছাড়া কোনো পশু যেমন গরু, ষাঁড়, মহিষ বা অন্য কিছুরই জবাই করা যাবে না। নিয়মের লঙ্ঘন করলে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা হতে পারে।

    এনডিটিভির খবরে জানানো হয়েছে, এই নতুন নির্দেশনা প্রকাশ করেছে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, অনুমোদিত স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং স্বাস্থ্য বিভাগীয় পশু চিকিৎসকের ফিটনেস সনদ ছাড়া পশু জবাই সম্পন্ন করা যাবে না। বিশেষ করে গরু, ষাঁড়, বলদ, বাছুর, মহিষ ও মহিষের বাছুরসহ সব ধরনের পশুর ক্ষেত্রেই এই নিয়ম প্রযোজ্য।

    সনদপ্রাপ্তির জন্য পশুর বয়স ১৪ বছরের কম হওয়ার প্রমাণ দিতে হবে এবং পশুটি আর কাজ বা প্রজননের উপযোগী নয়, এমনকি আঘাত, বিকলাঙ্গতা বা অসুস্থতার কারণেও অক্ষম বলে চিহ্নিত হতে পারে। এই সনদ দিতে পৌরসভা চেয়ারম্যান বা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিসহ সরকারি পশু চিকিৎসক যৌথভাবে দায়বদ্ধ থাকবেন।

    নতুন নির্দেশনায় কঠোর কিছু শর্তও দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পশুর বয়স, নির্ধারিত স্থান ছাড়া জবাই নিষেধ, এবং নিয়ম ভঙ্গ করলে কঠোর শাস্তির প্রাবন্ধিক উল্লেখ রয়েছে। পশু জবাইয়ের জন্য অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুমতি নিতে হবে, যেখানে পশুটির উপযোগিতা ও বয়সের তথ্য থাকা বাধ্যতামূলক।

    অনুমতির পরে পশুটি কেবল পৌরসভার নির্ধারিত কসাইখানা বা প্রশাসনিক পর্যায়ের নির্দিষ্ট স্থানেই জবাই করতে হবে। খোলা জায়গায় বা জনসমাগমের মধ্যে পশু জবাই সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।

    নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য পৌর চেয়ারম্যান, পঞ্চায়েত সভাপতি বা পশু চিকিৎসক যেকোনো স্থান পরিদর্শন করতে পারবেন। কেউ বাধা দিতে পারবে না।

    অতিরিক্ত খবর হলো, এই নিয়ম ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, এক হাজার রুপির জরিমানা বা উভয় শাস্তি হতে পারে। সব অপরাধকেই অপরাধ হিসেবে গণ্য করে কড়া নজরদারি চালানো হবে।

  • ওমানে গাড়ির ভেতর রাঙ্গুনিয়ার ৪ প্রবাসী ভাইয়ের রহস্যময় মৃত্যু

    ওমানে গাড়ির ভেতর রাঙ্গুনিয়ার ৪ প্রবাসী ভাইয়ের রহস্যময় মৃত্যু

    চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ওমান প্রবাসী চার ভাইয়ের লাশ উদ্ধার হয়েছে একটি গাড়ির ভেতর থেকে। ধারণা করা হচ্ছে, ওমানের মুলাদ্দা অঞ্চলে বুধবার (১৩ মে) গাড়ির এসির বিস্ফোরণ ঘটে এবং সেই ঘটনাতেই তাদের মৃত্যু হয়। রাতে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা যখন এই ঘটনার খবর জানতে পারে, পুরো এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। এই ঘটনায় ওমানের পুলিশও তদন্ত শুরু করেছে।

    নিহত চার ভাই হলেন মো. রাশেদ, মো. শাহেদ, মো. সিরাজ এবং মো. শহিদ। তারা রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বন্দারাজার পাড়া এলাকার আবদুল মজিদের সন্তান। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এই পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে চারজন ওমানের প্রবাসী। তাদের মধ্যে দুজন অবিবাহিত, এবং আগামী ১৫ মে তারা দেশে ফিরার পরিকল্পনা করেছিলেন। পরিবারে সবাই মানসিক উচ্ছ্বাস নিয়ে শেষ মুহূর্তে কেনাকাটা করতে বের হয়েছিলেন, কিন্তু ফিরে এলো এক ভয়ানক পরিস্থিতিতে।

    প্রাথমিক তদন্তে ওমান পুলিশ মনে করছে, দীর্ঘক্ষণ গাড়ি চালু অবস্থায় থাকায় এর এসির ভেতর থেকে কোনো বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়। এই গ্যাস হয়তো নিঃশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করেই তাদের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তবে এটি নিখুঁত নিশ্চিত করতে পুলিশ চিকিৎসার জন্য মেডিকেল রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে। বর্তমানে নিহতদের লাশ স্থানীয় পুলিশের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

    পারিবারিক সূত্র বলছে, পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে একমাত্র ভাই বর্তমানে দেশে অবস্থান করছে। বড় ভাই বিবাহিতা ছিলেন এবং তার একটি ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। অন্য এক ভাই সম্প্রতি বিয়ে করে প্রবাসে গিয়েছিলেন। দুই ভাই এখন জীবিত থাকলেও, তাদের সঙ্গে শপিংয়ে গিয়ে ফিরে আসল প্রাণহীন অবস্থায়।

    পুলিশ জানিয়েছ কমে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিষয়টির প্রকৃত কারণ ও পরিস্থিতি বিস্তারিত জানানো হবে। এই অপ্রত্যাশিত ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • তাইওয়ান ইস্যুতে সংঘাতে জড়াতে পারে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন: জিনপিংয়ের সতর্কতা

    তাইওয়ান ইস্যুতে সংঘাতে জড়াতে পারে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন: জিনপিংয়ের সতর্কতা

    চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সতর্ক করে বলেছেন, যদি তাইওয়ান ইস্যু সঠিকভাবে মোকাবিলা না করা হয়, তবে বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতি—চীন ও যুক্তরাষ্ট্র—সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়তে পারে। এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যটি চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

    শি জিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে জানান, তাইওয়ান প্রণালির শান্তি ও স্থিতিশীলতা চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ট্রাম্প তার চীন সফর শুরুতেই শিকে ‘মহান নেতা’ এবং ‘বন্ধু’ বলে সম্বোধন করে দুই দেশের জন্য সুদূরপ্রসারী সহযোগিতার আহ্বান জানান। তবে শি জিনপিং তাঁর ভাষায় সংযত থাকলেও, নিশ্চিত করেন যে, তারা এ বিষয়ে কঠোর মনোভাব পোষণ করেন এবং এর গুরুত্ব অপরিহার্য।

    শি জানান, ‘তাইওয়ান প্রশ্নটি চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’ তিনি আরও বলেন, যদি এটি সঠিকভাবে পরিচালিত হয়, তবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শান্তিপূর্ণ এবং স্থিতিশীল থাকতে পারে। কিন্তু ভুলে বা আপোস করে পরিচালিত হলে দ্বিপক্ষীয় সংঘর্ষের ঝুঁকি থেকে যায়, যা হতে পারে সরাসরি যুদ্ধের মতো অন্ধকার দিকে নিয়ে যাওয়ার საფট। চীনা নেতা সতর্ক করে দিয়ে বললেন, ‘তাইওয়ানের তথাকথিত স্বাধীনতা ও চীনের প্রণালির শান্তি অসঙ্গতিপূর্ণ।’ তিনি বলেন, এই প্রণালীর শান্তিই চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সবচেয়ে বড় স্বার্থ।

    এদিকে, শি জিনপিংয়ের এই পরোক্ষ হুমকির মধ্যে তাইওয়ান জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র দ্বীপটির প্রতি তাদের ‘স্পষ্ট ও দৃঢ় সমর্থন’ পুনর্ব্যক্ত করেছে, যা পরিস্থিতির চরম সূচনার ইঙ্গিত দেয়।

  • মণিপুরে সশস্ত্র হামলায় কুকি গির্জা নেতাসহ ৩জন নিহত, উত্তেজনা শাসক-জনতার মধ্যে

    মণিপুরে সশস্ত্র হামলায় কুকি গির্জা নেতাসহ ৩জন নিহত, উত্তেজনা শাসক-জনতার মধ্যে

    ভারতের মণিপুর রাজ্যে বৃহস্পতিবার সশস্ত্র হামলায় কুকি সম্প্রদায়ের তিন গির্জা নেতা নিহত হয়েছেন। এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি ঘটেছে কাংপোকপি জেলার এক ঘটনায়, যেখানে আরও কিছু মানুষ আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় পুলিশ নিশ্চিত করেছে। সম্প্রতি পাহাড়ি জেলাগুলোর মধ্যে চলমান জাতিগত উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এই হামলার জটিলতা। নিহত ব্যক্তিরা হলেন রেভারেন্ড ভি সিটলহৌ, রেভারেন্ড কাইগৌলেন ও পাস্তর পাওগৌলেন। তাঁরা সবাই থাদৌ ব্যাপটিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কুকি সংগঠনগুলোর দাবি, তাঁরা শান্তি ও পুনর্মিলনের জন্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করছিলেন। স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটে তখন যখন তাঁরা গির্জা নেতাদের এক বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। পথে কোটজিম ও কোটলেন এলাকার মাঝামাঝি স্থানে তাঁদের বহনকারী গাড়িগুলোর ওপর অতর্কিত হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ধারণা, এই হামলার সঙ্গে জঙ্গি গোষ্ঠী জড়িত থাকতে পারে, তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে রেভারেন্ড ভি সিটলহৌ অতীতে মণিপুর ব্যাপটিস্ট কনভেনশনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি কুকি ও নাগা সম্প্রদায়ের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কমাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছিলেন। সম্প্রতি কোহিমায় দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে এক পুনর্মিলনী বৈঠক আয়োজনেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। এই ঘটনায় মণিপুরের কুকি জনগণের শীর্ষ সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন ‘কুকি ইনপি মণিপুর’ বলেছেন, এই হামলাকে তারা ‘নির্মম ও পরিকল্পিত সহিংসতা’ বলে সন্ত্রাসের স্বরূপ ব্যাখ্যা করেছেন। সংগঠনটি দাবি করেছে, জেলিয়াংরং ইউনাইটেড ফ্রন্ট নামের এক সশস্ত্র গোষ্ঠী এই হামলার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। তবে নিরাপত্তা বাহিনী এখনও কোন মন্তব্য করেনি। এই ঘটনাকে নিন্দা জানিয়ে নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেফিউ রিও বলেছেন, সভ্য সমাজে এমন বর্বরতা সহ্য করা হবে না। ২০২৩ সাল থেকে মণিপুরে মেইতেই ও কুকি-জো সম্প্রদায়ের সংঘর্ষে শত শত মানুষ নিহত ও হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলা শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে আরও কঠিন করে তুলবে।

  • যুদ্ধের সময় লুকিয়ে আমিরাতে গিয়েছিলেন নেতানিয়াহু

    যুদ্ধের সময় লুকিয়ে আমিরাতে গিয়েছিলেন নেতানিয়াহু

    ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে বিশ্বের মধ্যে আলোচনা চলে অজানা অনেক ঘটনা। এর মধ্যে অন্যতম হলো ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর আমিরাতে গিয়ে লুকানো বৈঠক। গতকাল, বুধবার (১৩ মে), নেতানিয়াহুর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়। জানা গেছে, তিনি আমিরাতে গিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে বৈঠক করেন। নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, এই বৈঠকের মাধ্যমে তাদের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক ব্রেকথ্রু হয়েছে। তবে আমিরাত এ দাবিকে অস্বীকার করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এর সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো সফরের তথ্য সত্য নয় এবং তাদের সম্পর্ক কখনোই লুকানো বা গোপন সফর দ্বারা প্রভাবিত হয়নি। যুদ্ধের সময়ে ইরান ব্যাপক হামলা চালিয়েছে আমিরাতে, যা যখন বিশ্বের নজর কেড়েছে। তেহরানের দাবি, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমিরাতের সম্পর্ক তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। এর জবাবে, আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে বলেছে, “আমিরাত বারবার স্পষ্ট করে দিয়েছে, তাদের সম্পর্ক প্রকাশ্য ও স্বচ্ছ। ইসরায়েলীর সাথে তাদের সম্পর্ক অতিরিক্ত পরিচিত অ্যাভ্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাদের কোন গোপন বা অপ্রকাশ্য সম্পর্ক নেই।” উল্লেখ্য, ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও আমিরাতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন হয়। এই চুক্তিতে বাহরাইন, মরক্কো এবং সুদানও যোগ দিয়েছিল। এছাড়াও, ২০২۳ সালের ফেব্রুয়ারির যুদ্ধের শুরুতে আমিরাতে ইসরায়েলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘আইরন ডোম’ পাঠানো হয়। এর জন্য ইসরায়েলি সেনারা আমিরাতে প্রবেশ করে এর পরিচালনা করেন। বিশ্ববাসীর চোখে এক নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি হয় এই ঘটনাগুলো।

  • হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপের বিরোধিতা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

    হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপের বিরোধিতা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

    যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ঊর্ধ্বতন কূটনীতিকরা একমত হয়েছেন যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর কোনো দেশ বা সংস্থা টোল আরোপ করতে পারে না—এই তথ্য মঙ্গলবার রয়টার্সের মাধ্যমে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকের আগে দুই দেশের কূটনৈতিক আলোচনায় হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও নাবিকতা বিষয়টি মুখ্য হিসেবে উঠেছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

    মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এপ্রিল মাসে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ও একাধিক মার্কিন উচ্চপদস্থ কূটনীতিকের মধ্যে ফোনালাপে এই বিষয়টি ওঠে। মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, আন্তর্জাতিক নৌপথ—বিশেষ করে হরমুজের মতো প্রণালী—দিয়ে চলাচল করার জন্য কারো কাছে টোল আদায়ের অনুমতি দেয়া যায় না এবং এ ধরনের অবস্থান দেশগুলোর মধ্যে মিল রয়েছে।

    চীনের দূতাবাসও যুক্তরাষ্ট্রের এই বক্তব্য সরাসরি অস্বীকার করেনি। তারা জানিয়েছেন, সব পক্ষ মিলিয়ে কাজ করলে প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল দ্রুত ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে—এটাই তাদের উদ্দেশ্য।

    হরমুজ প্রণালীকে বিশ্ববাণিজ্যে অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে দেখা হয়। যুদ্ধ বা উত্তেজনার আগে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হতো, তাই প্রণালীতে বন্ধ বা ব্যাহত হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বরাদ্দ ও বাজারে তাৎপর্যপূর্ণ ঝটকা পড়ে। সংবাদটি বলছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলার পর ইরান প্রণালিটি প্রায় বন্ধ করে দেয়—যার পরিপ্রেক্ষিতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ বাড়ে।

    কূটনৈতিক পর্যায়ে যে সমঝোতার কথা বলা হয়েছে, তা যদি বাস্তবে কার্যকর হয় তাহলে হরমুজ প্রণালীতে নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক চলাচল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে তা সাহায্য করতে পারে। আগামী ট্রাম্প-শি বৈঠকে এই বিষয়টি কীভাবে এগোয়, তা আন্তর্জাতিক বাজার ও অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • আস্থাভোটে জয়ী মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়

    আস্থাভোটে জয়ী মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়

    দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুর বিধানসভায় অনুষ্ঠিত আস্থাভোটে জয়ী হয়ে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিজের অবস্থান পাকা করেছেন থালাপতি বিজয়। বুধবারের ভোটে ১৪৪ জন বিধায়ক তার পক্ষে ভোট দেন; বিপক্ষে পড়েছে ২২টি, আর পাঁচজন ভোটদানে বিরত ছিলেন।

    গত মাসের নির্বাচনে বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগম (টিভিকে) ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়ে রাজ্যের দীর্ঘদিনের দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তি ডিএমকে ও এআইএডিএমকের ৬২ বছরের আধিপত্য ভাঙে। এই প্রেক্ষাপটে আস্থা ভোটে বিজয়ের সফলতাই টিভিকের রাজনৈতিক জয়ের শেষ পরিণতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    ফল ঘোষণার পর বিজয় বলেন, ‘হুইসেল ইতিহাস বদলে দিয়েছে।’ টিভিকের নির্বাচনী প্রতীক ছিল ‘হুইসেল’, যা দলের জয়ের প্রতীক হিসেবে জনমনে শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “আমরা নিজেদের সংখ্যালঘু সরকার বলব। আমরা এমন এক সরকার, যা সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করবে।”

    ভোটাভুটির আগে ডিএমকে তাদের ৫৯ জন বিধায়ক নিয়ে ওয়াকআউট করে। অন্যদিকে এআইএডিএমকের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ের বিপক্ষে ভোট দেওয়ার নির্দেশ দেয়; তবুও দলের ভেতর থেকে বড় অঙ্কের বিদ্রোহ দেখা গেছে।

    এআইএডিএমকের ২৪ জন বিধায়ক দলীয় প্রধান ইডাপ্পাদি কে পালানিস্বামীর নির্দেশ অমান্য করে বিজয়ের পক্ষে ভোট দেন, যা দলটিতে গভীর বিভাজন ও ভাঙনের ইঙ্গিত প্রকাশ করে। এই বিদ্রোহী অংশটির নেতৃত্বে ছিলেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতা সি ভি শানমুগাম ও এস পি ভেলুমানি; তাদের কয়েকজন নেতা পুদুচেরির একটি রিসোর্টে অবস্থান নিয়ে নেতৃত্ব পরিবর্তন ও টিভিকে সমর্থন নিয়ে আলোচনা চালিয়েছিলেন বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।

    শানমুগাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘তিনবার ডিএমকের কাছে ও সর্বশেষ টিভিকের কাছে টানা চারটি নির্বাচনী পরাজয় দলের বর্তমান অবস্থাকে সংকটময় করে তুলেছে।’ তিনি দাবি করেছেন যে দলের ভাঙার কোনো ইচ্ছা নেই, কিন্তু এখন এটি নতুন ক্ষমতার লড়াইয়ের অধ্যায় সূচিত করছে।

    অন্য দিকে এআইএডিএমকে বিদ্রোহী নেতাদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে দলটি অভিযোগ করেছে যে শানমুগাম, ভেলুমানি ও অন্যান্য বিদ্রোহী নেতারা টিভিকের কাছে মন্ত্রীত্বের পদ চেয়েছিলেন।

    আস্থা ভোটের এই ফল ও দলের অভ্যন্তরীণ টানাপড়েনের প্রেক্ষিতে তামিলনাাড়ুর রাজনৈতিক মানচিত্রে নতুন দিক নির্দেশনার অপেক্ষা শুরু হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে এসব ফ্র্যাকচারের রাজনৈতিক ফলাফল রাজ্য রাজনীতির গতিপথকে আরও স্পষ্ট করবে।

  • আস্থা ভোটে জিতলেন থালাপতি বিজয়, তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিশ্চিত

    আস্থা ভোটে জিতলেন থালাপতি বিজয়, তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিশ্চিত

    আস্থাভোটে জয় حاصل করে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিজের অবস্থান শক্ত করে তুলেছেন থালাপতি বিজয়। বুধবার বিধানসভার আস্থা ভোটে মোট ১৪৪ জন বিধায়ক তাঁর পক্ষে ভোট দেন; বিরোধীভাবে ২২ জন ভোট দেন এবং ৫ জন ভোটদানে বিরত থাকেন।

    গত মাসের নির্বাচনে থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগম (টিভিকে) ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করে—রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় দখল রেখেছে এমন ডিএমকে ও এআইএডিএমকের ৬২ বছরের আধিপত্য ভেঙে দিতে পারে। টিভিকের নির্বাচনী প্রতীক ছিল ‘হুইসেল’, আর আস্থা ভোটের পর বিজয় নিজেই বলেছিলেন, “হুইসেল ইতিহাস বদলে দিয়েছে।”

    বিজয় শপথ গ্রহণ করে সাংবাদিকদের বলেন, তারা নিজেদেরকে একটি সংখ্যালঘু সরকার হিসেবে অভিহিত করবেন এবং এমন একটি সরকার গঠন করবেন যা সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করবে।

    আস্থা ভোটের পূর্বের ঘটনাবলীতে বড় চমক আসে এআইএডিএমকের ভেতর থেকেই। ভোটাভুটির আগে ডিএমকে তাদের ৫৯ জন বিধায়ক নিয়ে ওয়াকআউট করে। আনুষ্ঠানিকভাবে এআইএডিএমকের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিজয়ের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। তবু দলটির ২৪ জন বিধায়ক দলীয় প্রধান ইডাপ্পাদি কেপালানিস্বরামের—or—ইডাপ্পাদি পালানিস্বামীর নির্দেশ অমান্য করে বিজয়ের পক্ষে ভোট দেন, যা দলটির অভ্যন্তরীণ বিভাজনকে স্পষ্টভাবে সামনে আনেছে।

    এই বিদ্রোহের নেতৃত্বে ছিলেন এআইএডিএমকের জ্যেষ্ঠ নেতা সি ভি শানমুগাম ও এস পি ভেলুমানি। গত সপ্তাহ থেকেই তাদের নেতৃত্বে একটি অংশ বিজয়কে সমর্থনের দাবি জানিয়ে দলীয় স্তরে চাপ সৃষ্টি করছিল। স্থানীয় গণমাধ্যমে দেখা গেছে, দলের কয়েকজন বিধায়ক পুদুচেরির একটি রিসোর্টে অবস্থান নিয়ে নেতৃত্ব পরিবর্তন ও টিভিককে সমর্থন নিয়ে আলোচনা করেছেন।

    শানমুগাম এক ব্রিফিংয়ে জানান, “ডিএমকের কাছে তিনবার, আর সর্বশেষ টিভিকের কাছে টানা চারটি নির্বাচনী পরাজয় দলের বর্তমান অবস্থাকে সংকটময় করে তুলেছে।” তিনি বলেন, তাঁর উদ্দেশ্য দল ভাঙানো নয়; তবে এখন এআইএডিএমকের ভেতরে নতুন ক্ষমতার লড়াই সজাগভাবে দুর্ভাবনা তৈরি করেছে।

    এদিকে এআইএডিএমকির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিদ্রোহী নেতাদের বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি দীর্ঘ পোস্টে তারা অভিযোগ করেছে যে শানমুগাম, ভেলুমানি ও কয়েকজন বিদ্রোহী নেতা টিভিকের কাছে মন্ত্রীত্বের দাবিতে গিয়েছিলেন।

    রাজ্য রাজনীতিতে এই ঘটনাগুলো নতুন করে রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে দিতে পারে—টিভিকের দ্রুত উত্থান, ঐতিহ্যবাহী দুটি শক্তির কাঁপুনি এবং এআইএডিএমকের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা বিদ্রোহ—সব মিলিয়ে পরবর্তী রাজনীতিক ভূখণ্ডে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

  • হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপ করা যাবে না: যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একমত

    হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপ করা যাবে না: যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একমত

    যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা একমত হয়েছেন যে হরমুজ প্রণালির মতো আন্তর্জাতিক জলপথে চলাচলকারী জাহাজের ওপর কোনো দেশ বা সংস্থা টোল আরোপ করতে পারবে না, জানিয়েছে রয়টার্স—মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিবরণে।

    সপ্তাহজুড়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকের আগেই এই অবস্থানটি প্রকাশ পেয়েছে এবং বিশ্লেষকরা মনে করছেন—হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও চলাচল এই আলোচনার একটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হতে পারে।

    মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এপ্রিল মাসে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে এক ফোনালাপ হয়; ওই আলাপেও এই বিষয়টি আলোচনা করা হয়।

    মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র টমি পিগোট রয়টার্সকে বলেন, তারা একমত হয়েছেন যে হরমুজ প্রণালির মতো আন্তর্জাতিক জলপথ দিয়ে চলাচলের জন্য কোনো দেশ বা সংস্থাকে টোল আদায়ের অনুমতি দেয়া যায় না।

    চীনের দূতাবাসও যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যকে সরাসরি অস্বীকার করেনি। তারা বলেছে, সব পক্ষ মিলেমিশে কাজ করলে প্রণালিটিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল দ্রুত পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে—এটাই তাদের আশা। উল্লেখ্য, সম্মুখের কালে এই পথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়ে থাকে।

    তবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলার পরে ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথটি প্রায় পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ধাক্কা লাগে।

  • হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপের বিরোধিতা জানাল যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

    হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপের বিরোধিতা জানাল যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

    যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা একমত হয়েছেন যে হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে চলাচলকারী জাহাজের ওপর কোনো দেশ বা সংস্থা টোল আরোপ করতে পারবে না। বিষয়টি মঙ্গলবার রয়টার্সের সংবাদ হিসেবে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    চলতি সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকের আগে দুই দেশের এই নীতি পরিষ্কার হওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও চলাচল বিষয়টি আলোচ্যসূচির গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হবে।

    মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এপ্রিল মাসে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ফোনালাপে এই বিষয়টি আলোচনা করেন। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগোট রয়টার্সকে বলেন, তারা একমত হয়েছেন যে আন্তর্জাতিক জলপথ হরমুজ প্রণালির মতো এলাকায় চলাচলের জন্য কোনো দেশ বা সংস্থাকে টোল আদায়ের অধিকার থাকা যাবে না।

    চীনা দূতাবাসও যুক্তরাষ্ট্রের এ বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেনি। তারা জানিয়েছে, সব পক্ষ একযোগে কাজ করলে প্রণালিটিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে—এটাই তাদের প্রত্যাশা।

    দুটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগত প্রাসঙ্গিকতা রয়েছে: যুদ্ধের আগ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হতো। কিন্তু গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলার পর ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ প্রায় পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ধাক্কা এসে পড়ে।