Category: আন্তর্জাতিক

  • বিবিসির প্রখ্যাত সাংবাদিক ও একাত্তরের বন্ধু মার্ক টালি আর নেই

    বিবিসির প্রখ্যাত সাংবাদিক ও একাত্তরের বন্ধু মার্ক টালি আর নেই

    বিবিসির প্রখ্যাত সাংবাদিক ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের পাশে থাকা মার্ক টালি আর নেই। রোববার দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি; বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

    টালির মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন তাঁর সাবেক সহকর্মী সতীশ জ্যাকব। ব্রিটিশ-ভারতীয় এই সাংবাদিক দীর্ঘ সময় ধরে বিবিসির দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করেছেন এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে খবর সংগ্রহ করতেন। নয়া দিল্লিতে তিনি প্রায় ২০ বছর বিবিসির দক্ষিণ এশিয়া করেসপন্ডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বিবিসি রেডিওতে মার্ক টালির প্রতিবেদনের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ ও বাঙালির দুর্দশার চিত্র বিশ্বের শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর রিপোর্টই ছিল অন্যতম প্রধান উৎস। তিনি ১৯৭১ সালের এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে তখনকার পূর্ব পাকিস্তানে এসে ঢাকা থেকে সড়ক পথে রাজশাহী পর্যন্ত যাত্রা করেছিলেন। সেই সফরটি ছিল বিশেষ—পাকিস্তানী কর্তৃপক্ষ তখনই দু’জন সাংবাদিককে বাংলাদেশে আসার অনুমতি দিয়েছিল।

    টালি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যখন সীমান্ত পর্যন্ত পৌঁছে এবং মনে করেছিল তারা পরিস্থিতা নিয়ন্ত্রণে রেখেছে, তখন আমাদের ঢুকতে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। আমার সঙ্গে তখন ব্রিটেনের টেলিগ্রাফ পত্রিকার যুদ্ধবিষয়ক সংবাদদাতা ক্লেয়ার হলিংওয়ার্থ ছিলেন।’ তিনি আরও জানিয়েছিলেন, স্বাধীনভাবে প্রতিকূল এলাকার পরিস্থিতি দেখে তাদের রিপোর্টের বিশেষ গুরুত্ব তৈরি হয়েছিল এবং তিনি ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়ক ধরে রাজশাহীর পথে গ্রামগুলো জ্বলন্ত অবস্থায় দেখেছেন।

    ১৯৩৫ সালের ২৪ অক্টোবর কলকাতার টালিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন মার্ক টালি। বিবিসি থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে কাজ চালিয়ে যান। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১২ সালে তাকে ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা’ দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছিল।

    মার্ক টালির নিষ্ঠা ও সাহসী সাংবাদিকতার উদ্যোগ অনেকের কাছে স্মরণীয় থাকছে। একজন আন্তর্জাতিক সাংবাদিক হিসেবে তিনি যে সত্যকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেছিলেন, সেটাই তাঁর সবচেয়ে বড় কর্মফল এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে তাঁর অনবদ্য অবদান বজায় থাকবে।

  • জাভায় ভয়াবহ ভূমিধস: মৃত ১১, নিখোঁজ প্রায় ৭৯

    জাভায় ভয়াবহ ভূমিধস: মৃত ১১, নিখোঁজ প্রায় ৭৯

    ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ জাভায় তীব্র বৃষ্টিপাতের ফলে প্রকাণ্ড একটি ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জন মারা গেছেন এবং প্রায় ৭৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে রোববার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে।

    পশ্চিম জাভার মাউন্ট বুড়াংরাং ঢাল থেকে নামা এই ধসে পাসির লানগু গ্রামের ৩৪টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। ঘরবাড়ি কাদা, বড় বড় পাথর ও উপকুলীয় গাছের নিচে চাপা পড়ায় বহু মানুষ আটকে পড়েছে। স্থানীয়রা অনেককে তৎক্ষণাতই অস্থায়ী সরকারি আশ্রয়ে সরিয়ে এনেছেন।

    উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে হাতে-কলমে ও কৃষিকাজের সরঞ্জাম ব্যবহার করে আটকে থাকা মানুষদের বের করার চেষ্টা করছেন। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, কাদায় ঢেকে থাকা মরদেহ ও আহতদের বের করতে হাতে খুঁটিনাটি সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে। ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা প্রায় অসম্ভব কারণ ভূমি খুবই নরম ও অস্থিতিশীল; তাই উদ্ধারকর্মীরা কাদা মধ্যে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছেন।

    ইন্দোনেশিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট গিবরান রাকাবুমিং রাকা শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেছিলেন যে দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় ভূমি ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বিন্যাসকে গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি স্থানীয় প্রশাসন, বিশেষ করে পশ্চিম জাভা ও পশ্চিম বন্দুংকে সতর্ক করে বলেন যে ভূমি পরিবর্তন ও অযত্নের কারণে ঝুঁকি বাড়ছে, সেগুলো মেটাতে ব্যবস্থা নিতে হবে।

    বসার্নাস (জাতীয় উদ্ধারদল) প্রধান মোহাম্মদ শাফি জানান যে খারাপ আবহাওয়া ও বিস্তীর্ণ ভূপ্রকৃতি উদ্ধারকার্যকে জটিল করেছে। ধস এখনও চলমান ও ভূপৃষ্ঠ অস্থিতিশীল থাকায় কাজ খুব সতর্কতার সঙ্গে করতে হচ্ছে। তিনি জানান, ড্রোন, খোঁজকারী কুকুর ও সকল উপলব্ধ সম্পদ ব্যবহার করা হচ্ছে, তবে উদ্ধারকাজে আগে নিরাপত্তাই নিশ্চিত করা হবে।

    ইন্দোনেশিয়ায় সাধারণত অক্টোবর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত মৌসুমি বৃষ্টিপাত ও উচ্চ জোয়ারের কারণে নানাদিক থেকে বন্যা ও ভূমিধস ঘটে। দেশটি ১৭ হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত এবং বহু মানুষ পাহাড়ি ও উপকূলীয় এলাকায় বসবাস করে। এই ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রা সরাসরি প্রভাবিত করে এবং উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে সময় বেশি লাগে।

    স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও উদ্ধারদল ঘটনাস্থলে সক্রিয়ভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের তাত্ক্ষণিক চিকিৎসা ও আশ্রয়ের বন্দোবস্ত করা হচ্ছে, পাশাপাশি নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রে শীতঝড়ে ১০ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল

    যুক্তরাষ্ট্রে শীতঝড়ে ১০ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল

    শীতকালীন ঝড়ের বিধ্বংসী আঘাতে শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মোট ১০ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, জানিয়েছে ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়্যার।

    ফ্লাইটঅ্যাওয়্যারের তথ্য অনুযায়ী উত্তর টেক্সাস ও ওকলাহোমায় শনিবারেই ৩,৪০০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। বিশেষ করে ডালাস-ফোর্ট ওর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় ৭৫ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল হতে দেখা গেছে। পাশ্ববর্তী ডালাস লাভ ফিল্ডে বাতিলের হার ছিল প্রায় ৬৪ শতাংশ, আর ওকলাহোমা সিটিতে বাতিলের হার পৌঁছেছে প্রায় ৯০ শতাংশে।

    রোববার বাতিলের সংখ্যা বাড়ে ও মোট প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণে পৌঁছে যায়—৬,৪০০টিরও বেশি ফ্লাইট বন্ধ ছিল ওইদিন। ঝড় পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে সরতে থাকায় এর প্রভাব পূর্বাঞ্চলীয় বিমানবন্দরগুলোকেও দেখিয়েছে। ওয়াশিংটন ডিসির রিগ্যান জাতীয় বিমানবন্দর থেকে রবিবার প্রায় ৯০ শতাংশ এবং উত্তর ক্যারোলিনার শার্লট-ডগলাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় ৭৩ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

    সোমবার পর্যন্তও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নাও এসেছিল—সোমবারই কয়েকশত ফ্লাইট ইতিমধ্যেই বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। বিমান সংস্থাগুলো বলছে, ঝড় শান্ত হলে তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের পুনর্বিন্যাস ও গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করবে।

    আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কেও সরকারি তথ্য রয়েছে। মার্কিন আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঝড়টি টেক্সাস থেকে নিউ ইংল্যান্ড পর্যন্ত ২,০০০ মাইলেরও বেশি বিস্তৃত এলাকায় তুষারপাত ও বিপজ্জনক বরফ ঝরাতে পারে। দক্ষিণ-মধ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তুষারপাত ও বরফের ঝুঁকি বাড়ছে এবং ঝড়টি ধীরে ধীরে পূর্বের দিকে ছড়াচ্ছে।

    ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রে জরুরি পরামর্শ—যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিমানবন্দরের ওয়েবসাইট বা আপনার এয়ারলাইনের মাধ্যমে ফ্লাইট স্ট্যাটাস যাচাই করুন এবং যাতায়াতের পূর্বে বিকল্প পরিকল্পনা রাখুন।

  • চীন-সহচর্য্যে হলে কানাডার ওপর ১০০% শুল্ক দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প

    চীন-সহচর্য্যে হলে কানাডার ওপর ১০০% শুল্ক দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থানীয় সময় শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সতর্ক করে বলেছেন, যদি কানাডা চীনের সঙ্গে নতুনভাবে বাণিজ্য চুক্তি করে তাহলে তিনি কানাডীয় পণ্যে একদমই ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। ট্রাম্প এই বার্তাটি সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বিবৃতিতে রেখেছেন।

    ট্রাম্প কানাডার সরকারকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, “কানাডাকে ব্যবহার করে চীন তাদের সস্তা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকিয়ে দেবে— যদি জাস্টিন ট্রুডো এমনটি মনে করেন তাহলে তিনি কঠোরভাবে ভুল বুঝেছেন।” তিনি আরও জানান, চীনের সঙ্গে চুক্তি হলে যুক্তরাষ্ট্রে কানাডিয়ান সকল পণ্যে তাৎক্ষণিকভাবে ১০০% শুল্ক আরোপ করা হবে।

    ট্রাম্পের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কানাডার তরফে কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে। কানাডার বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রী ডোমিনিক লেব্লাঙ্ক শনিবার এক্সে লিখেছেন, “কানাডা চীনের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্যের ব্যাপারে তৎপর নয়।” তিনি বলেন, গত সপ্তাহে চীনের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে তা শুল্ক সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সমস্যা সমাধান করে।

    লেব্লাঙ্ক বলেন, নতুন সরকার কানাডার অর্থনীতি মজবুত করতে কাজ করছে এবং দেশীয়-বিদেশি বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করাই তাদের উদ্দেশ্য।

    ট্রাম্প ইতিমধ্যে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বভার নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সময় কানাডীয় পণ্যে শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন এবং কড়া ভাষায় কানাডার বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন—কখনও কখনও কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে উল্লেখ করার মতো মন্তব্যও করেছেন।

    এই পরিতাপিত উত্তপ্ত মন্তব্য এবং প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক কেমন দিকে এগোবে তা নজরদারির বিষয় হয়ে উঠেছে। সূত্র: আলজাজিরা

  • চীনের সঙ্গে বাণিজ্য করলে কানাডার ওপর ১০০% শুল্ক আরোপের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

    চীনের সঙ্গে বাণিজ্য করলে কানাডার ওপর ১০০% শুল্ক আরোপের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যদি কানাডা চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করে তাহলে তিনি তৎক্ষণিকভাবে সব কানাডিয়ান পণ্যের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই হুঁকি দেন।

    ট্রাম্প লিখেছেন, “কানাডা ব্যবহার করে চীন তাদের সস্তা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকিয়ে দেবে — যদি কেউ এটা ভাবেন, তারা ভুল বুঝছেন।” তার ভাষায়, চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে উঠলে যুক্তরাষ্ট্রে কানাডা থেকে আসা সব পণ্যে বিড়ে ১০০% শুল্ক চাপানো হবে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প কানাডার এক ব্যক্তিকে সম্বোধন করে ‘গভর্নর কার্নি’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং বিদ্রুপাত্মক মন্তব্যও করেছেন; তিনি নিয়মিতভাবে কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

    কানাডার মন্ত্রী ডোমিনিক লেব্লাঙ্ক শনিবার মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে লিখে বিষয়টি খণ্ডন করেছেন। তিনি বলেন, “চীনের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য করার কোনো তোড়জোড় আমাদের নেই।” লেব্লাঙ্ক আরও জানান, গত সপ্তাহে চীনের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে সেটি শুল্ক সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা দূর করে।

    মন্ত্রী বলেন, নতুন সরকার দেশটির অর্থনীতি শক্তিশালী করতে কাজ করছে এবং দেশের ভেতরে ও বাইরে বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বকে আরও মজবুত করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

    ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই কানাডিয়ান পণ্যে শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন এবং মাঝে মাঝে কানাডাকে নিয়ে তীব্র মন্তব্যও করেন।

    (সূত্র: আলজাজিরা)

  • শীতঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে ১০ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল

    শীতঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে ১০ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল

    শীতকালীন ঝড়ের কারণে শনিবার থেকে সোমবারের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১০ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, জানিয়েছে ফ্লাইটট্র্যাকিং সাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়্যার।

    ফ্লাইটঅ্যাওয়্যারের তথ্য অনুযায়ী শনিবারেই উত্তরে টেক্সাস ও ওকলাহোমায় ঝড়ের তাণ্ডবে তিন হাজার চারশোরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল। ডালাস-ফোর্ট ওয়ার্থ (DFW) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং নিকটবর্তী ডালাস লাভ ফিল্ড থেকে ৬৪ শতাংশ ফ্লাইট বন্ধ ছিল। ওকলাহোমা সিটি থেকেও প্রায় ৯০ শতাংশ ফ্লাইট বাতিলের তালিকায় ছিল।

    রবিবার বাতিলের সংখ্যা আরও বাড়ে — আবহাওয়ার কারণে ওই দিন প্রায় ৬ হাজার ৪০০টিরও বেশি ফ্লাইট বন্ধ ছিল। ঝড় উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এর প্রভাব পূর্বাভিমুখেও ছড়িয়ে পড়েছে; ওয়াশিংটন ডিসির রিগ্যান জাতীয় বিমানবন্দর থেকে রবিবারের জন্য প্রায় ৯০ শতাংশ ও উত্তর ক্যারোলিনার শার্লট ডগলাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৭৩ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল।

    সোমবারও ইতিমধ্যেই সাত শতাধিক ফ্লাইট বাতিল করার খবর পাওয়া গেছে। কর্তৃপক্ষ বলছে ঝড় বদলাতে শুরু করলে বিমান সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য রুট পুনর্গঠন ও পুনঃবুকিংয়ের কাজ করবে, কিন্তু বিশাল সংখ্যক বাতিল ও দেরির কারণে ভ্রমণে সমস্যা চলতেই পারে।

    দক্ষিণ-মধ্য আমেরিকায় তুষারপাত ও বিপজ্জনক বরফ জমে থাকা এবং তার বিস্তার পূর্ব দিকে বাড়ার সতর্কতা দেয়া হয়েছে। মার্কিন আবহাওয়া দফতর বলছে টেক্সাস থেকে নিউ ইংল্যান্ড পর্যন্ত দুই হাজার মাইলেরও বেশি এলাকায় এই শীতকালীন ঝড় আঘাত হানতে পারে। পরিস্থিতি সম্পর্কে আপডেট পেতে যাত্রীরা তাদের বিমানবন্দর ও বিমান সংস্থার খবরাখবর নিয়মিত দেখতে বলেছে কর্তৃপক্ষ।

  • পাকিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ৭

    পাকিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ৭

    পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় দেরা ইসমাইল খান জেলায় এক বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। হামলার এ ঘটনা স্থানীয় নিরাপত্তা ও পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। পাকিস্তানের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার এই হামলা ঘটে যখন এলাকার শান্তি কমিটির সদস্যরা বসেছিল। শান্তি কমিটিগুলি স্থানীয় বাসিন্দা ও বয়োজ্যেষ্ঠদের নিয়ে গঠিত এবং বিশেষভাবে অঞ্চলটিতে জঙ্গি কার্যকলাপ মোকাবিলায় কাজ করে থাকে। ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার সময় হামলাকারীরা একটি ভবনে ডিভাইস স্থাপন করে বিস্ফোরণ ঘটায়। পুলিশ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আদনান জানিয়েছেন, এই হামলায় কয়েকজন আহত হন, তাঁদের মধ্যে চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর আগে, পুলিশের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছিল, বিস্ফোরণস্থলে তিনজন নিহত হয়েছেন। এই হামলার জন্য এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী দায় স্বীকার করেনি। পাকিস্তানের উত্তরের সীমান্তবর্তী এই এলাকা জঙ্গি গোষ্ঠী তালেবান এবং তার সংশ্লিষ্ট গ্রুপ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টেটি) একের সাথে জড়িত বলে ধারণা রয়েছে। তালেবান নেতারা এই শান্তি কমিটিগুলিকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। পাকিস্তানে বিভিন্ন সুন্নিপন্থি জঙ্গি গোষ্ঠীর মূল সংগঠনের रूपमा আছে পাকিস্তানি তালেবান, যারা ১৯৯৭ সাল থেকে দেশটির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের সরকার অভিযোগ করেছে যে, আফগান তালেবান পাকিস্তানি এই গোষ্ঠীর সাথেও তারা পাকিস্তানে হামলার পরিকল্পনায় সহায়তা করছে, যদিও কাবুল এই অভিযোগ অস্বিকার করে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এই ঘটনার পেছনে ভিন্ন নানা কারণ ও জঙ্গি কার্যকলাপের সংশ্লিষ্টতা বিশ্লেষণ চলছে।

  • মিনিয়াপোলিসে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে আরও এক মার্কিন নাগরিক নিহত

    মিনিয়াপোলিসে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে আরও এক মার্কিন নাগরিক নিহত

    মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের রাজধানী মিনিয়াপোলিসে শুল্ক ও সীমান্ত সুরক্ষা বিভাগের অভিবাসন কর্মকর্তাদের গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটলে যখন শহরে ইমিগ্রেশন আওয়ামীভূতির বিরধ এবং ব্যাপক বিক্ষোভ ও উত্তেজনা চলমান ছিল। এর আগে এই মাসের শুরুর দিকে একই ধরনের গুলিতে রেনে গুড নামে এক অভিবাসন কর্মকর্তা নিহত হন।

    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার নিহত ব্যক্তির নাম অ্যালেক্স প্রেট্টি, তিনি ৩৭ বছর বয়সী একজন মার্কিন নাগরিক ও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নার্স ছিলেন। তার বয়স ৩৭ বছর এবং তিনি মিনিয়াপলিসে থাকতেন। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অ্যালেক্স প্রেট্টি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে নিজের জীবন হারিয়েছেন।

    নিহতের পরিবার বলেছে, তার বাবার নাম অ্যালেক্স প্রেট্টি, তিনি একজন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের নার্স। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। এই ঘটনা চলমান উত্তেজনার মাঝে ঘটেছে, যেখানে শহরজুড়ে প্রতিদিনই বিক্ষোভ চলছিল।

    অভিযোগ রয়েছে, এই গুলির ঘটনা ছিল পুলিশ ও ফেডারেল বাহিনীর এক তরফা হত্যাকাণ্ড। মিনিয়াপোলিসের গভর্নর টিম ওয়ালজ বলেছেন, এটি কেবল অভিবাসন আইনের প্রয়োগের বিষয় নয়, বরং এটি আমাদের রাজ্যের মানুষের বিরুদ্ধে চালানো একটি নিষ্ঠুর অভিযান। তিনি বলেন, এই ঘটনায় একজন আর প্রাণ হারাল।

    তিনি আরও জানান, ঘটনার গুরুত্ব আর বিচারের জন্য পুরো বিষয়টি রাজ্য সরকারের কর্তৃত্বে তদন্ত করা হবে।

    হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) মুখপাত্র ট্রিশিয়া ম্যাকলাফলিন জানিয়েছেন, কর্মকর্তারা অ্যালেক্স প্রেট্টি নামে এক ব্যক্তিকে অস্ত্র হাতে এগিয়ে আসতে দেখেছেন। তাকে অবশ্যই নিরস্ত্র করার জন্য চেষ্টা করা হয়েছিল, তখন তিনি সহিংস প্রতিরোধ করেন। সেই পরিস্থিতিতে কর্মকর্তারা আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছুড়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

    অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, অ্যালেক্স প্রেট্টি রাস্তা দিয়ে হাঁটাহাঁটি করছিলেন, তখন এক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে ও অন্যান্য বিক্ষোভকারীদের রাস্তার মাঝখানে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। পরে একজনের হাতে থাকা পেপার স্প্রে ছুড়তে দেখা যায়। এরপরই এক পুলিশ কর্মকর্তা তার দিকে গুলি চালান।

    পুলিশের মহাপরিদর্শক ব্রায়ান ও’হারা বলেছেন, অ্যালেক্স প্রেট্টির অস্ত্র বহনের বৈধ অনুমতি ছিল। মিনেসোটা আইন অনুযায়ী, প্রকাশ্যে অস্ত্র বহন করা বৈধ। তিনি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ও আশা প্রকাশ করেন যে, পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

    অপর দিকে, এই ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে ফেডারেল বাহিনীর বিরুদ্ধে slogans দিতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস এবং ফ্ল্যাশব্যাং গ্রেনেড ব্যবহার করে।

    মিনিয়াপোলিসের মেয়র জেকব ফ্রে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, আর কতজন মানুষ নিহত হবে, আর কতজন আহত হবে—এই সব আর চলতে পারে না। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অভিযান বন্ধ করতে হবে।

    অঞ্চলের প্রতিনিধি ইলহান ওমর এই ঘটনাকে ‘একটি নির্বাহী হত্যাকাণ্ড’ বলে অভিহিত করেছেন। এছাড়া সিনেটর অ্যামি ক্লোবুচারও মিনেসোটা থেকে আইসিই প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। এই পুরো ঘটনার জন্য স্থানীয় নেতারা গভীর উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করেছেন।

  • আফগানিস্তানে তুষারপাত ও ভারী বর্ষণে নিহত ৬১ জন

    আফগানিস্তানে তুষারপাত ও ভারী বর্ষণে নিহত ৬১ জন

    আফগানিস্তানে সম্প্রতি প্রবল তুষারপাত এবং ভারী বর্ষণের ফলে কমপক্ষে ৬১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। গত তিন দিনে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে আরও অনেক মানুষ আহত হয়েছেন, যা নিশ্চিত করেছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক এক্স (টুইটের মতো প্ল্যাটফর্ম) পোস্টে আফগানিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এএনডিএমএ) জানায়, শুধু গত তিন দিনেই দেশজুড়ে ৬১ জন নিহত এবং ১১০ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি, বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় ৪৫৮টি ঘর অর্ধেক বা পুরোপুরি ধ্বংসের শিকার হয়েছে।

    এএনডিএমএ জানিয়ে গেছে, এই দুর্যোগের ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কাজ চলছে। দেশের মধ্যাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের বেশ কিছু প্রদেশের পরিস্থিতি এই দুর্ঘটনায় বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা মানচিত্রে স্পষ্ট দেখা যায়।

    অতিরিক্ত তুষারপাতের কারণে কাবুলসহ বিভিন্ন প্রদেশে সড়ক দুর্ঘটনাও ঘটেছে। দুর্বল অবকাঠামোর কারণে দেশের প্রত্যন্ত এলাকার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে, যেখানে বন্যা, ভূমিধস ও ঝড়ের কবলে বিদ্যমান ক্ষয়ক্ষতি মারাত্মক রূপ নিয়েছে। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবন কঠিন হয়ে উঠছে।

    সূত্র: এএফপি

  • ট্রাম্পের কোণঠাসা হুমকি: কানাডার ওপর ১০০% শুল্ক আরোপের আভাস

    ট্রাম্পের কোণঠাসা হুমকি: কানাডার ওপর ১০০% শুল্ক আরোপের আভাস

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের সাথে ঘোষিত বাণিজ্য চুক্তি এগিয়ে নিলে কানাডার ওপর শত শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক বিবৃতিতে তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে লক্ষ্য করে বলেন, “কানাডাকে ব্যবহার করে চীন তাদের সস্তা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকিয়ে দেবে— যদি কার্নি এ বিষয়ে ভাবেন, তাহলে তিনি সম্পূর্ণ দুঃখিত।” ট্রাম্পের আরও বক্তব্য ছিল, “যদি কানাডা চীনের সাথে বাণিজ্য চুক্তি করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা সব কানাডিয়ান পণ্যে তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে ১০০% শুল্ক আরোপ করা হবে।” ট্রাম্প কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাভাবিকভাবে উল্লেখ না করে তাকে ‘গভর্নর কার্নি’ বলে ডেকেছেন, যা থেকে বোঝা যাচ্ছে তিনি তাকে দেশটির ক্ষমতা বলয়ে দেখছেন। তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকেই কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে অভিহিত করে আসছেন। অন্যদিকে, কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য বিষয়ক কানাডিয়ান মন্ত্রী ডোমিনিক লেব্লাঙ্ক এক্সে (মাইক্রোব্লগিং সাইট) শনিবার লিখেছেন, ‘চীনের সাথে মুক্ত বাণিজ্য করার জন্য তাদের কোন উদ্যোগ নেই।’ তিনি আরও জানান, গত সপ্তাহে চীনের সাথে যেসব চুক্তি হয়েছে তা মূলত শুল্কসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সমস্যা সমাধানে সহায়ক। মন্ত্রী বলেন, ‘নতুন সরকার কাণ্ডারী হিসেবে কানাডার অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে, যার লক্ষ্য হলো দেশ ও দেশের বাহিরে বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বে উন্নতি করা।’ ২০২২ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি কানাডিয় পণ্যে শুল্ক আরোপের হুমকি দিচ্ছেন। এছাড়াও, সম্প্রতি তিনি কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন। সূত্র: আলজাজিরা।