Category: জাতীয়

  • বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা

    বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা

    শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশের আসন্ন উন্নয়নকে সমর্থন ও গভীর বন্ধনকে পুনঃপ্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। তিনি আশ্বাস দেন, ভারত একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপ্রিয়, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে অব্যাহতভাবে সমর্থন করবে। শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের এক শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রণয় ভার্মা আরো বলেন, ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি, সদ্য স্বাধীন ভারতের জনগণ নিজেদের জন্য একটি নতুন সংবিধান তৈরি করেন এবং দেশটিকে একটি সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন। তারা সকলের জন্য ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা, সমতা এবং মর্যাদার অঙ্গীকার দ্বারা আবদ্ধ হন। এর পর থেকেই বিগত ৭৬ বছরে ভারত এক দরিদ্র দেশ থেকে বৈশ্বিক গণতন্ত্রের অন্যতম বৃহৎ শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে, যেখানে আধুনিকতা, আত্মবিশ্বাস ও অগ্রগামিতা স্পষ্ট। আজ বিশ্বের অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, বৈশ্বিক সমস্যার সমাধানে অগ্রসর হচ্ছে।

    তিনি উল্লেখ করেন, এই যাত্রায় বাংলাদেশ ভারতের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় একত্রে যে ত্যাগ আর সংগ্রামের ইতিহাস গড়া হয়েছে, তা আজও আমাদের সম্পর্কের গভীরতা ও দৃঢ়তা অবিচ্ছিন্ন করে রেখেছে।

    ভারতের এই কূটনীতিবিদ উল্লেখ করেন, সাহিত্য, সংগীত ও শিল্পকলার মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর হচ্ছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে কাজী নজরুল ইসলাম— এ ধরনের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা দুই দেশের মধ্যে এক গভীর সত্তা স্থাপন করে দিয়েছেন। নৃত্য, নাটক ও চলচ্চিত্রের বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্যও এই সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করে।

    প্রণয় ভার্মা বলেন, আন্তর্জাতিক আর্থিক ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও ভারত ও বাংলাদেশের দ্রুত সমন্বয় সাধন করছে। আন্তঃসীমান্ত পাইপলাইন, বিদ্যুৎ সংযোগ লাইন এবং জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়ন এই সম্পর্কের শক্তিশালী দৃষ্টান্ত। এসব উদ্যোগ বাংলাদেশে তৈরি পোশাক ও ফার্মাসিউটিক্যালস শিল্পের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে, পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করে তুলছে।

    তিনি ভবিষ্যতের জন্য উপসংহার টেনে বলেন, এই সফল অংশীদারিত্ব আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে, যেখানে স্বার্থে-সুবিধায়, টেকসই উন্নয়নে এবং সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত রয়েছে। টেকসই অর্থনীতি ও উদ্ভাবনীপ্রিয় তরুণ জনগোষ্ঠী দুই দেশের জন্য ভবিষ্যতের পথ সুগম করছে।

    ভারতীয় হাইকমিশনার উল্লেখ করেন, যৌথ ডিজিটাল ইকোসিস্টেম, আঞ্চলিক মূল্য শৃঙ্খল ও জ্বালানি করিডোর নির্মাণের মাধ্যমে উভয় দেশের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে। পরিবেশগত স্থায়িত্ব, জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা এবং উভয় দেশের বাস্তুতন্ত্রের সংরক্ষণে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

    অবশেষে, তিনি আজকের এই ভারতীয় প্রজাতন্ত্র দিবসের উপলক্ষে বাংলাদেশিদের সঙ্গে এই সম্পর্কের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের এই বন্ধন একত্রে বিশ্বের জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি এবং অগ্রগতির পথ প্রশস্ত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন, যদিও ভবিষ্যত চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় এ অংশীদারিত্ব শক্তিশালী হতে থাকবে।

  • সরকারের কঠোর বার্তা দুর্নীতি ৩০ শতাংশ কমাতে পারে: তারেক রহমান

    সরকারের কঠোর বার্তা দুর্নীতি ৩০ শতাংশ কমাতে পারে: তারেক রহমান

    দুর্নীতি সহ্য করা হবে না সরকারের পক্ষ থেকে যদি কঠোর বার্তা প্রদান করা হয়, তাহলে দেশের অনিয়ম-দুর্নীতি প্রায় ৩০ শতাংশ কমে যেতে পারে বলে মনে করছেন বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান। রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের হোটেল রেডিসন ব্লুতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীর সঙ্গে এক যুব পলিসি টক-এ তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় দেশের শিক্ষা, কর্মসংস্থান, কৃষি, নারীর ক্ষমতায়ন এবং দেশের সমग्र উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের জবাব দেন এবং তরুণদের সততা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার পরামর্শ দেন। তারেক রহমান বলেন, দোষারোপের রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসতে তরুণদের আহ্বান জানিয়ে, রাজনীতি করতে গিয়ে একে অন্যকে দোষারোপের প্রবণতা পরিহার করতে হবে। এর পরিবর্তে, দেশের জন্য সুস্থ ও নির্মল উন্নয়নের ধারণা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি, বিদেশে পড়াশোনা করতে গিয়ে আর্থিক সংকটে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট লোনের পরিকল্পনাও প্রস্তুত করছে বিএনপি। তিনি আরও বলেন, খাল খনন করলে বৃষ্টির পানি ধারণের পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ পানির স্তরও বাড়বে। বিএনপি নেতার মতে, ‘ক্ষমতায় গেলে দেশের ২০ হাজার কিলোমিটার জলাধার তৈরি করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।’ প্রতিশ্রুতি ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্যই কার্যকরতা থাকে, যা না করলে জনগণের আস্থা হারাবে। তারেক রহমান জানান, আইনশৃঙ্খলা শক্তিশালী করতে ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি বলেন, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির প্রভাব সমাজে গভীরভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। একমাত্র সরকার যদি জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করে, তাহলে এই অপরাধ অনেক কমে যাবে। বিএনপি ভবিষ্যতে ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটগুলোর উপর বিশেষ নজর দিতে চায়, যেখানে আগামী ৫-১০ বছরে বৈশ্বিক দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ হয় এমন কারিগরি শিক্ষার নতুন ধারনা যুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ শ্রমশক্তি গড়ে তোলা যাবে। পলিসি টক শেষে তারেক রহমান সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে অংশ নেন। এরপর তিনি ফেনীর পাইলট স্কুল খেলার মাঠ, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুল মাঠ, সোয়াগাজী ডিগবাজারে ও দাউদকান্দি উপজেলার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে পৃথক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তৃতা করবেন। দিনশেষে তিনি নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর বালুর মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন এবং ঢাকার গুলশানে নিজস্ব বাসভবনে ফিরে যাবেন। এই সফরেও তার সঙ্গে বিএনপির বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • নির্বাচন প্রস্তুতিতে সন্তুষ্ট কূটনীতিকরা: সিইসি

    নির্বাচন প্রস্তুতিতে সন্তুষ্ট কূটনীতিকরা: সিইসি

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত করার ব্যাপারে বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকরা নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের সমগ্র প্রস্তুতির ব্যাপারেও তারা আত্মবিশ্বাসী। গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর সোয়া ১২টার সময় রাজধানীর গুলশানে দ্য ওয়েস্টিন হোটেলে কূটনীতিকদের সঙ্গে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নেওয়া সব ধরনের পদক্ষেপ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে, এবং এতে কূটনীতিকরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা কমিশনের কাজের প্রশংসাও করেছেন। সিইসি আরো বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনও ধরণের অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ থাকছে না, যা তারা নিশ্চিত করেছেন। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলের মধ্যে আস্থা তৈরি করতে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি সম্পর্কে সচেতন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কূটনীতিকরা আগ্রহী হওয়ায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও আনসারসহ নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। সিইসি আরও বলেন, কূটনীতিকরা নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা বুঝতে পেরেছেন এবং তারা ভবিষ্যতেও সহযোগিতা দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন উৎসাহী থাকবেন। এর আগে, সকাল ১০টার দিকে দ্য ওয়েস্টিন হোটেলের বক্তব্যে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের সময় নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি, নির্বাচনী প্রক্রিয়া, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ, স্বচ্ছতা ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক আলোচনাও হয়। নির্বাচন কমিশনের জিএস আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, এই বছর ৮৩টি বিদেশি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যার মধ্যে ৩৬টি সংস্থা ইতিমধ্যে নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও, প্রায় ৫০ জন বিদেশি সাংবাদিক ও ৭৮ জন পর্যবেক্ষক আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে অবস্থান করবেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষকদের সংখ্যা প্রায় ৫৮ জন বলে জানা গেছে, যা মোট বিদেশি পর্যবেক্ষকদের সংখ্যা প্রায় ৩০০-এর কাছাকাছি হতে পারে। ভোটের আগে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশি ও বৈদেশিক সাংবাদিকসহ বিদেশি পর্যবেক্ষকদের আবেদন করার সুযোগ ছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি নির্দেশনা জারি করে বিদেশি নাগরিকদের ভিসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ও নির্দেশনা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ভিসার জন্য বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি ও বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।

  • প্রধান নির্বাচ কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি

    প্রধান নির্বাচ কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি

    আদালতের আদেশ অমান্য করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেছেন। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল স্থাপন করেন। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ। শুনানি শেষে তিনি বলেন, গত বছর ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের বিষয়ে একটি আবেদন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু সিইসি সেই আদেশ বাস্তবায়ন করেননি। এই কারণেই তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয়েছে। এর আগে, ‘কৃষক শ্রমিক জনতা পার্টি’ নামে একটি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ প্রধান নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু সেই আবেদন নিষ্পত্তি না করায় তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

  • তুরস্কে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশের দূতাবাস কর্মকর্তার স্ত্রী নিহত

    তুরস্কে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশের দূতাবাস কর্মকর্তার স্ত্রী নিহত

    তুরস্কের আঙ্কারায় ঘটে যাওয়া এক মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশের দূতাবাসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেনের স্ত্রী নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন শাহাদাত নিজেও ও তার দুই সন্তান। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে, আঙ্কারার ইস্পারাতা এলাকায়। বিস্তারিত অনুসারে, শাহাদাত তার পরিবারসহ আনতালিয়ায় যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনায় পড়েন। সে সময় তিনি ড্রাইভিং সিটে ছিলেন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহত ঘটনাস্থলেই শাহাদাতের স্ত্রী মারা যান। গুরুতর অবস্থায় তাদেরকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়, এখানে তারা এখন নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। এ খবর পেয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আমানুল হক একটি টিমের সঙ্গে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও হাসপাতালে যান। এই প্রভাবশালী দুর্ঘটনাটি বাংলাদেশের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, এবং কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ও জরুরি ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

  • মসজিদের নামে যানবাহন ও রাস্তায় চাঁদা তোলা যাবে না

    মসজিদের নামে যানবাহন ও রাস্তায় চাঁদা তোলা যাবে না

    জনগণের স্বেচ্ছাসেবায় দান, অনুদান, সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা বিদেশি সংস্থাগুলোর আর্থিক সহায়তায় মসজিদ নির্মাণ ও পরিচালনা সম্ভব। তবে, মসজিদের নামে যানবাহন বা রাস্তায় চাঁদা আদায় বা উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই সিদ্ধান্ত সহ অন্তর্বতী সরকার গত ২১ জানুয়ারি ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২৫’ জারি করেছে। এর পাশাপাশি বিধিমালায় বলা হয়েছে, অবৈধ স্থানে মসজিদ নির্মাণ হলে তা উচ্ছেদ করা হবে, এবং যারা অবৈধভাবে নির্মাণ করবেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ২০২৪ সালের ২৬ জানুয়ারি অষ্টম জাতীয় সংসদের একাদশ অধিবেশনের মধ্যে এক জরুরি নোটিশের প্রেক্ষিতে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা’ প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দেন, যাতে দেশের মসজিদ ব্যবস্থাপনা শৃঙ্খলাপূর্ণ ও সুষ্ঠু হয়। গেজেটের মাধ্যমে ২১ জানুয়ারি এটি প্রকাশিত হয়।নীতিমালার মধ্যে বলা হয়েছে, ‘শরিয়াহ্ সম্মত স্থান’ এবং ওয়াকফ, দান, ক্রয়কৃত বা আইনসিদ্ধ জমিতে মসজিদ নির্মাণ করা যাবে। এই নিয়ম লঙ্ঘিত হলে, নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবৈধ স্থানে নির্মিত মসজিদ উচ্ছেদ করতে পারবে। এছাড়া, শরিয়াহ্-সম্মত স্থান বা ওয়াকফ, দান বা কেনাকৃত সম্পত্তি ছাড়া অন্যান্য স্থানে মসজিদ নির্মাণের অনুমতি নেই।ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ স্থানে নির্মিত মসজিদগুলো উচ্ছেদের জন্য সরকারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, নারীদের জন্য আলাদা সালাতের স্থান থাকাও অনুমোদিত, যেখানে নারীরা স্থান করে সালাত আদায় করতে পারবেন।প্রতিষ্ঠান বা মসজিদ পরিচালনা কমিটি তিন বছর মেয়াদে নির্বাচন হবে, তবে প্রয়োজনে এক বছর বেশি করা যেতে পারে। এই কমিটিতে নেতৃত্বের দায়িত্ব থাকবে মুসল্লিদের ভোটে নির্বাচিত ব্যক্তিদের।মসজিদে কর্মরত ইমাম-খতিবরা বিভিন্ন ধরনের বেতন-ভাতা পাবেন ধরন ও গ্রেড অনুযায়ী, যা সরকার নির্ধারিত জাতীয় বেতন স্কেলের ভিত্তিতে। এছাড়া, আর্থিকভাবে দুর্বল বা পাঞ্জেগানা মসজিদগুলো তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী বেতন-ভাতা পেতে পারেন।তবে অবৈধ জায়গায় মসজিদ নির্মাণের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন। তিনি জানান, অবৈধভাবে নির্মিত মসজিদ উচ্ছেদের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। সরকারি বা বেসরকারি সংস্থাগুলোর মাধ্যমে স্থান নির্ধারণ করে নিতে হবে, যেন সামাজিক অস্থিতিশীলতা ও সমস্যা না সৃষ্টি হয়।কর্মকর্তারা মনে করেন, অবৈধ জায়গায় মসজিদ নির্মাণ বন্ধ করে সামাজিক শান্তি ও নিয়মানুবর্তিতা নিশ্চিত করা জরুরি, যা এই নীতিমালার মূল অঙ্গীকার।

  • কারওয়ান বাজারে আধিপত্য ও চাঁদাবাজির দ্বন্দ্বে মুছাব্বির হত্যাকা-

    কারওয়ান বাজারে আধিপত্য ও চাঁদাবাজির দ্বন্দ্বে মুছাব্বির হত্যাকা-

    ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, কারওয়ান বাজারের এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর মিন্টু রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করেন।

    শফিকুল ইসলাম জানান, এই এলাকায় বিভিন্ন গ্রুপ প্রকাশ্যে ও গোপনে চাঁদার দাবি জানিয়ে থাকে। এদের মধ্যে আট থেকে নয়টি সিন্ডিকেট সক্রিয়, যারা চাঁদার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। এই দ্বন্দ্বের জের ধরে, দিলীপ ওরফে বিনাশ নামে এক চাঁদাবাজ এই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। পুলিশের ধারণা, এই সিন্ডিকেটগুলো ভেঙে দেওয়ার জন্য তারা অভিযান চালাতে যাচ্ছে।

    প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গেছে, স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা উত্তর সিটি ইউনিটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুছাব্বিরকে গত ৭ জানুয়ারি কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের পাশের একটি গলিতে গুলি করে হত্যা করা হয়। তার স্ত্রী তেজগাঁও থানায় চার থেকে পাঁচজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

    এছাড়া, গত ২৩ জানুয়ারি নরসিংদীর মাধবদী পৌরসভার মনোহরদী থানার শাহজাহান খলিফার ভাড়া বাড়ি থেকে দুইটি বিদেশি পিস্তল, দুইটি ম্যাগাজিন এবং ১২ রাউন্ড গুলিসহ, হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া অন্যতম শ্যুটার মো. রহিমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় মাধবদী থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, কারওয়ান বাজারের বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দখলবাজি ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। শফিকুল ইসলাম বলেন, এই অঞ্চলে বিভিন্ন নামে ৮-৯টি চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে ডিবি কাজ করছে এবং শিগগিরই অভিযান চলবে।

    ঘটনার পেছনে অন্যতম নাম, বিনাস, যারা দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকছেন, চাঁদা তোলার জন্য এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে একজন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা সবাই চাঁদাবাজ হিসেবেই পরিচিত এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যানারের আড়ালে এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, ধৃতরা ভাড়াটে খুনি এবং কারওয়ান বাজারের চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, রহিম ও জিন্নাত দ্রুত দৌড়াচ্ছে এবং গুলি চালাচ্ছে।

    বিনাসের সম্পর্কে জানতে চাইলে, শফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি এক অন্ডারওয়ার্ল্ড সন্ত্রাসী, দেশের বাইরে থাকেন। তবে তার রাজনৈতিক পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তিনি আরও বলেন, সামনে নির্বাচন, এবং দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির জন্য অনেকেই সক্রিয়। প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, এ মাসে প্রায় ১৩টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, এবং অন্যান্য সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    অগ্রবর্তী তথ্য অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি নিহতের ঘটনায় জড়িত চারজন—জিন্নাৎ, আবদুল কাদির, মো. রিয়াজ ও মো. বিলালকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর গতকাল নরসিংদী থেকে আরও একজন শুটার রহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন শফিকুল ইসলাম।

    অভিযুক্তদের পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা সবাই চাঁদাবাজি এবং দখলবাজির জন্য পরিচিত এবং কোনো রাজনৈতিক আদর্শের সঙ্গে তারা যুক্ত নয়। চাঁদাবাজির জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যানার ও ছদ্মনাম ব্যবহার করে থাকেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এখন চলছে তীব্র অভিযান, অচিরেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • পুলিশের সদর দপ্তর থেকে কঠোর নির্দেশনা

    পুলিশের সদর দপ্তর থেকে কঠোর নির্দেশনা

    পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সম্প্রতি একটি জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যেখানে ইউনিট প্রধানদের ক্ষেত্রে কঠোর শৃঙ্খলার adherence নিবার্চনোত্তর সময়ে আরও কঠোরভাবে পালন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনও ইউনিট প্রধান অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করলে তা শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যকলাপ হিসেবে গণ্য হবে। যা শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও পুলিশি কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে কর্তৃপক্ষের একান্ত প্রয়োজন। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি নজরে এসেছে যে কিছু ইউনিট প্রধান অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করছেন। এ কারণেই একে শৃঙ্খলা লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করে, ছুটি বা অন্য কোনও কারণে কর্মস্থল ত্যাগ করার আগে আইজিপির অনুমতি নেওয়া একান্ত বাধ্যতামূলক। এই নির্দেশনা ডিএমপি কমিশনার, র‌্যাব মহাপরিচালক, পুলিশ সদর দপ্তর, সব রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন পুলিশ, এবং দেশের অন্যান্য জেলার পুলিশ সুপারদের কাছে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, পুলিশের শৃঙ্খলা এবং কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এই নির্দেশনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে যদি কেউ এই নির্দেশনা অমান্য করে কর্মস্থল ত্যাগ করে, তাহলে তা শৃঙ্খলাভঙ্গের দোষে গণ্য হবে। আশা করা যাচ্ছে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার থেকে, যেখানে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সচল রাখতে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এজন্য নির্বাচনের আগে পর্যন্ত পুলিশের সব ইউনিট প্রধানদের কর্মস্থল ত্যাগের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যেন নির্বাচন আলাদা স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হয়।

  • ফরিদপুরে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২

    ফরিদপুরে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২

    ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় একটি ভয়াবহ বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনা ঘটে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা প্রাণিসম্পদ অফিসের সামনে।

    নিহতরা হলেন, ফরিদপুর সদর উপজেলার ধলার মোড় এলাকার শেখ মজিদের ছেলে নবীন শেখ (২২) এবং ট্রাকের হেলপার রাশেদ (৩০)। এই ব্যক্তিদের বিস্তারিত ঠিকানা এখনো জানা যায়নি।

    প্রথমিক তদন্তে জানা গেছে, বরিশাল থেকে ছেড়ে আসা কুষ্টিয়াগামী লিজা পরিবহনের একটি বাস ও একটি ইটভাটার ট্রাকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এই দুর্ঘটনায় ট্রাকের হেলপার ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান, এবং গুরুতর আহত হন ট্রাকের চালকও বাসের অনেক যাত্রী। আহতের সংখ্যা এখন ১৫ জনের বেশি বলে জানানো হয়েছে।

    ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি হেলাল উদ্দিন জানান, এই ভয়াবহ সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ট্রাকের হেলপার নিহত হন, পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ট্রাকের চালক মারা যান। এখন এই ঘটনায় প্রাসঙ্গিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।

  • ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে ৭ জনের মৃত্যু, ৮২ জন নিখোঁজ

    ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে ৭ জনের মৃত্যু, ৮২ জন নিখোঁজ

    ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশের পশ্চিম বানদুং অঞ্চলে ভয়াবহ ভূমিধসে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এই মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৮২ জন।স্থানীয় সময় শনিবার (২৪ জানুয়ারি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই घटनাটি ঘটেছে শুক্রবার ভোররাত ২টার দিকে পাসিরলাঙ্গু গ্রামে। স্থানীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার মুখপাত্র আব্দুল মুহারি জানিয়েছেন, নিখোঁজ ব্যক্তিদের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে, তাই উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হচ্ছে।সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভারী বর্ষণের কারণে পাসিরলাঙ্গুসহ আশপাশের এলাকা প্লাবিত হয়। ফলে ধসের শিকার এলাকাগুলোর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিখোঁজ ও নিহতের সংখ্যা নিরূপণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো থেকে মানুষকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, কারণ আরও প্রানহানির আশঙ্কা রয়েছে।এলাকার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৩০ হেক্টর (প্রায় ৭৪ একর)। আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, কম্পাস সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে যে, ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিমাণ খুবই ব্যাপক। এর পাশাপাশি, ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া সংস্থা পূর্বাভাস দিয়েছে যে, আগামী এক সপ্তাহ জোড়া ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলতে পারে।