Category: জাতীয়

  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপানে সফর করার আমন্ত্রণ জানালো জাপান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপানে সফর করার আমন্ত্রণ জানালো জাপান

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপানে সফর করার জন্য জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। জাপানের পররাষ্ট্র দপ্তর এই তথ্য জানিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি এই আমন্ত্রণটি পৌঁছে দেন জাপানের রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, জাপানের রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে দফতরে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জাপানে আসার আমন্ত্রণ জানান। এই সাক্ষাৎকালে তারা দুজনই প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার বিষয়, মেট্রো রেলের উন্নয়ন সহযোগিতা ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে একে অপরের সমর্থনের বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

    সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের এই ধরণের উল্লেখযোগ্য সহযোগিতা ও দেশের সঙ্গে সম্পর্কের গভীরতা প্রশংসা করেন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তারা এমপ্লয়মেন্ট স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য জাপানে কাজের সুযোগ বৃদ্ধি ও ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেন।

    এদিকে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের সহজলভ্যতা নিশ্চিতের জন্য একটি ‘ডিজিটাল ম্যাচমেকিং প্ল্যাটফর্ম’ নির্মাণের প্রস্তাব দেন, যা জাপানিদের জন্য দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়াকে আরো সহজ করে তুলবে।

    অতিরিক্তভাবে, এই দিনেই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও জাপানের রাষ্ট্রদূত সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কের উন্নয়নে তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং রোহিঙ্গা সংকট সহ বিভিন্ন বিষয়েও জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা প্রশংসা করেন।

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাপান দ্রুত স্বীকৃতি দেয় এবং দুই দেশের সম্পর্ক দিন দিন জোরদার হচ্ছে। এই সম্পর্ককে আরও মজবুত করে জাপান বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগিতা ও সহযোগিতার প্রচেষ্টাকে অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার প্রকাশ করেন।

  • হাতিয়ায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে এলাকায় সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনায় উত্তেজনা

    হাতিয়ায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে এলাকায় সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনায় উত্তেজনা

    নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় গত বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ভয়াবহ সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় আলোকচিত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম-মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদের গাড়িবহর লক্ষ করে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়। সেইসঙ্গে কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের শিকার হয়। এই সংঘর্ষ চানন্দী ইউনিয়নের প্রকল্প বাজার এলাকায় ব্যাপক তাণ্ডবলীলা চালায়, আর এলাকাটি আহত-প্রতিহিংসার জনপদে পরিণত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

    ঘটনার বর্ণনায় জানা যায়, এমপি আবদুল হান্নান মাসউদ তার নেতাকর্মীদের নিয়ে গাড়িবহরসহ ওই এলাকায় দাঁড়িয়ে ছিলেন, তখনই আওয়ামী লীগের কিছু অজ্ঞাতদল এই হামলা শুরু করে। আঘাতে ককটেল বিস্ফোরণ ছাড়াও ইটপাটকেল ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এছাড়া গুলি ছোড়ার কথাও জানা গেছে। ভাঙচুর করা হয় বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল এবং অন্যান্য গাড়ি।

    আবদুল হান্নান মাসউদ অভিযোগ করে জানান, হামলাকারীরা আওয়ামী লীগের কিছু নেতার নেতৃত্বে এলোপাতাড়ি হামলা চালিয়েছে এবং আমাদের পাঁচজনের বেশি নেতাকর্মী অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। পুলিশ থাকলেও তারা একেবারেই কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি বলে তিনি দাবি করেন।

    এ পরিস্থিতিতে তিনি ও তার নেতাকর্মীরা হাতিয়া প্রকল্প বাজারের সড়কে বসে দেন, যাতে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। তবে, ওই ঘটনায় এখনও সংঘর্ষ চলছে এবং লুকোচুরি চলছে। এলাকায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

    নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ দল পাঠানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিস্তারিত জানিয়ে পরে সংবাদ বিবরণী প্রকাশ করা হবে।

  • প্রধানমন্ত্রী ফোনে জামায়াতের আমিরের খবর নিলেন তারেক রহমান

    প্রধানমন্ত্রী ফোনে জামায়াতের আমিরের খবর নিলেন তারেক রহমান

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের অসুস্থতার খবর শুনে ফোনে তার সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মিয়া গোলাম পরওয়ার গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সাময়িক অসুস্থতার খবর শুনে তার খোঁজ নেন এবং কুশল জিজ্ঞেস করেন। এরপর তিনি ফোনে কথা বলার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। আমি তখন জামায়াতের আমিরের কাছে ফোন দিয়ে কথা বলাওয়াই। পরে তিনি ফোনে জামায়াতের আমিরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।’ পাশাপাশি, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সপরিবারে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ পত্র গ্রহণ করেছেন। সচিবালয়ে গিয়ে জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিক দাওয়াত দেন। জামায়াত বলছে, প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকতার সঙ্গে এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়া, জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান টেলিফোনে আলাপকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, তার স্ত্রী এবং সন্তানসহ সপরিবারে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান। উভয়ের কাছেই আনুষ্ঠানিক দাওয়াতপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

  • বাণিজ্য চুক্তি পর্যালোচনা করবে সরকার, বাণিজ্যমন্ত্রী জানালেন

    বাণিজ্য চুক্তি পর্যালোচনা করবে সরকার, বাণিজ্যমন্ত্রী জানালেন

    বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, দেশের সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন করা বাণিজ্য চুক্তির সকল ধারা ও দেশের স্বার্থ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষার মাধ্যমে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। তিনি জানান, এই চুক্তির প্রতিটি অংশ বিবেচনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিক들과 আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ট্যারিফ (শুল্ক) নীতি এখনও বিকাশমান পর্যায়ে রয়েছে। শুনেছি তারা সব দেশের জন্য ১৫ শতাংশ ট্যারিফ ঘোষণা করতে যাচ্ছে, তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ক কোনও লিখিত নথি আমাদের হাতে আসেনি।

    তিনি জানান, আগে নির্দিষ্ট দেশের জন্য এই শুল্কের হার ছিল ১৯ শতাংশ পর্যন্ত। বর্তমানে যে ১৫ শতাংশ ট্যারিফের কথা শোনা যায়, তা মোটের উপর অভিন্ন। তবে এ বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল বলে উল্লেখ করেন তিনি। মন্ত্রী আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের এক ‘নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট’ বা গোপনীয়তা চুক্তি রয়েছে, যেগুলো আলোচনা চলাকালীন সময়ে স্বাক্ষরিত। পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল, তাই দেশের স্বার্থে এখনই এ বিষয়ে কোন প্রতিবেদন বা মন্তব্য না করাই উচিত। তিনি বলেন, আমরা চুক্তির প্রতিটি ধারা দেখছি, যেখানে আমাদের পক্ষে বা বিপক্ষে থাকবে তা নির্ধারণ করা হবে। সব দিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    এ সময় সাংবাদিকদের অতিরিক্ত মন্তব্যের জন্য জোরার্জি না দেওয়ার অনুরোধ করেন এবং দেশের স্বার্থ রক্ষায় সতর্ক থাকতে বলেন।

    তিনি দেশের বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে দাবি করে বলেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিদেশ থেকে যে পণ্যগুলো আমদানি করে বাজারে সরবরাহ করে, সেগুলোর দাম নিয়ন্ত্রণে থাকছে। তবে কিছু অসাধু বিক্রেতা সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেন।’

    লেবুর অস্বাভাবিক দামের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘৪০-৫০ টাকার লেবু হঠাৎ ১২০ টাকায় পৌঁছানোর পেছনে কোনও যৌক্তিক কারণ ছিল না, কোনও সরবরাহ সংকটও ছিল না। তিন দিন পরে দাম আবার ৪০ টাকায় ফিরে এসেছে। এটা স্পষ্ট করছে কিছু মানুষ কেবল সুযোগের অভাবে দাম বাড়াতে চেষ্টা করেছিল।’

    বাজারে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘চাঁদাবাজি বন্ধে আমি কোনও অঙ্গীকার নয়, বরং কাজের মাধ্যমে তা প্রমাণ করব।’

    সম্প্রতি টিসিবির পণ্য কিনতে গিয়ে হুড়োহুড়িতে দুই নারীর পড়ে যাওয়ার ঘটনাকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা মন ব্যথিত করে, এগুলো হওয়া উচিত নয়। ভবিষ্যতে এই ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে ডিলারদেরকে কঠোর ভাবে সতর্ক করা হয়েছে যাতে পণ্য বিতরণের শৃঙ্খলা বজায় থাকে।’

  • প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে নতুন আইজিপিকে র‍্যাংক ব্যাজ প্রদান

    প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে নতুন আইজিপিকে র‍্যাংক ব্যাজ প্রদান

    নবনিযুক্ত পুলিশ প্রধান মো. আলী হোসেন ফকিরকে র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। র‌্যাংক ব্যাজ পরানোর পর প্রধানমন্ত্রী নবনিযুক্ত আইজিপিকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং তার জন্য পেশাগত সাফল্য কামনা করেন।

    গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মো. আলী হোসেন ফকিরকে পুলিশে অতিরিক্ত আইজিএস ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি বাংলাদেশ পুলিশে ১৫তম বিসিএসের সদস্য।

    আলী হোসেন ফকিরের অভিজ্ঞতা ও জীবনবৃত্তান্ত ব্যবহার করে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কাজ করেছেন। তিনি দুর্বার কর্মপ্রতিভার অধিকারী, কৌশলী এবং বিশ্বস্ত একজন পুলিশ কর্মকর্তা।

    তার জন্ম ১৯৬৮ সালের ৫ এপ্রিল বাগেরহাট জেলার সদর থানায় এক মুসলিম পরিবারে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যানেজমেন্টে বি.কম অনার্স, এম.কম এবং এমবিএ সম্পন্ন করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি ১৫তম বিসিএসের মাধ্যমে পুলিশ বাহরে যোগদান করেন।

    অভিজ্ঞতার মধ্যে তিনি ডিআইজি-পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ডিআইজি-এসপিবিএন, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার এবং নেত্রকোনা, ফেনী ও মাগুরা জেলার এসপি হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। তিনি কসোভো ও আইভরি কোস্ট জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বিভিন্ন দেশের প্রশিক্ষণ ও সরকারি কাজে অংশ নিয়েছেন।

    বর্তমানে তিনি পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, ১৫তম বিসিএস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক, খুলনা ক্লাব ও ঢাকা অফিসার্স ক্লাবের সদস্য। এছাড়া ঢাকার এপিবিএন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি ও বাংলাদেশ পুলিশ হ্যান্ডবল ক্লাবের সভাপতি হিসেবে কর্মরত আছেন।

    তার পরিবারের জন্য গর্বের বিষয় হলো তার সহধর্মিণী, প্রফেসর নাসিমা ফেরদৌসী, সরকারি তিতুমীর কলেজে ফিন্যান্স ডিপার্টমেন্টের বিভাগীয় প্রধান। তিনি এক পুত্র ও এক কন্যার পিতা। তার পুত্র কুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ও কন্যা বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করছেন।

  • অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: সম্পূর্ণ নির্দেশনা ও ফল জানাের উপায়

    অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: সম্পূর্ণ নির্দেশনা ও ফল জানাের উপায়

    অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দীর্ঘ এক যুগ পর এই বার ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক oficialmente ফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে ফলাফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ বছর পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ গ্রেডে মোট ৪৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছেন।

    শিক্ষার্থীরা এখন থেকে সহজে অনলাইনে বা মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে। শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Scholarship Result’ অপশনে রোল নম্বর ও সাল ২০২৬ লিখে ফলাফল দেখা সম্ভব। এর পাশাপাশি মোবাইলে মেসেজ অপশনে গিয়ে বোর্ডের নাম, রোল নম্বর ও সাল লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে।

    ফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা-এর চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দকার এহসানুল কবির এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা।

    এ বছর সারা দেশে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। ঢাকা বোর্ডের মোট নিবন্ধিত শিক্ষার্থী ছিলেন ৮৭,৯৪৯ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ৮০,২১৮ জন, যা শতকরা ৯১.২ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবাই পরীক্ষা দেয়নি, তবে মোট ৭৭,৯১৯ জন (৮৮.৬ শতাংশ) সকল বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

    বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ ১২.৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন, এর পরে রাজশাহী, কুমিল্লা ও দিনাজপুর বোর্ডগুলো রয়েছে। আরও কিছু বোর্ড যেমন যশোর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট এবং বরিশালেও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। সর্বনিম্ন অংশগ্রহণ ছিল বরিশাল বোর্ডে যেখানে ৫.৯৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।

    ফল জানা বা পরীক্ষা দেখার জন্য মোবাইল মেসেজ পাঠানোর পদ্ধতি খুবই সহজ। মোবাইলের মেসেজ অপশনে বোর্ডের নাম, রোল নম্বর ও সাল লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠিয়ে দিতে হবে। এছাড়া অনলাইনের মাধ্যমে ফল দেখা খুবই সুবিধাজনক। http://www.scholarship.gov.bd এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘Scholarship Result’ অপশনে রোল নম্বর ও সাল দিয়ে ফলাফল দেখা যাবে।

    শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই ফলাফল দেখে নিজেদের যোগ্যতা যাচাই করে নিজেদের সামনের পরিকল্পনা করতে হবে। পরীক্ষার ফলাফল ডাউনলোড বা প্রিন্ট করে রাখা উপকারী হবে। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ও সহজে তাদের বৃত্তি পেয়েছেন কি না তা নিশ্চিত করতে পারবে।

  • ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত আলী পদত্যাগ করেছেন

    ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত আলী পদত্যাগ করেছেন

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে তার দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। পুলিশ মহাপরিদর্শক বদলের পরদিনই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে অব্যাহতির চিঠি স্বাক্ষর করে পুলিশ সদর দফতরে পাঠান তিনি। ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের ডিডি মোহাম্মদ তালেবুর রহমান এই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    শেখ মো. সাজ্জাত আলী ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তার নাম ডিএমপি কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়। ওই সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতির দুর্নিবার প্রভাবে পুলিশ বাহিনীকে পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে এই দায়িত্ব তাকে দেয়া হয়েছিল। যেহেতু তার কর্মকাল শেষের পরও দুই বছরের জন্য চুক্তিতে এই পদে বহাল ছিলেন তিনি।

    সাজ্জাত আলী ১৯৮৬ সালের ২১ জানুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর তিনি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উপ-পুলিশ কমিশনার) হিসেবে ঝিনাইদহ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও এসবির দায়িত্ব পালন করেন। ডিএমপির পক্ষে উপ-পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সুপার হিসেবে নড়াইল, বাগেরহাট ও লক্ষ্মীপুর জেলায় বিভিন্ন দায়িত্বে থাকেন। খুলনা মহানগর পুলিশ কমিশনারের দায়িত্বও পালন করেছেন।

    ডিআইজি পদে উন্নীত হয়ে হাইওয়ে পুলিশ, চট্টগ্রাম রেঞ্জ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজির দায়িত্ব সফলভাবে সম্পন্ন করেন। ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হলে, তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে অবস্থান করছিলেন। এছাড়াও তিনি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত পুলিশ সংস্কার কমিশনের সদস্য ছিলেন।

    সাজ্জাত আলী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করেন এবং দেশের বাইরে ও দেশে বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ নেন।

    ১৯৬১ সালের ২৫ মার্চ ঢাকা জেলার একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পিতার নাম শেখ ওয়াজেদ আলী, মাতার নাম নুরজাহান বেগম। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত, দুই মেয়ে ও এক ছেলের বাবা।

  • বরিশালে বিচারকের এজলাসে বিশৃঙ্খলা ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীর গ্রেপ্তার

    বরিশালে বিচারকের এজলাসে বিশৃঙ্খলা ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীর গ্রেপ্তার

    বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এস এম সাদিকুর রহমান লিংকনকে আদালত চত্বর থেকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর কোতোয়ালি থানা-পুলিশ। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে তাঁর নিজ চেম্বার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এরপর বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    গতকাল মঙ্গলবার, আওয়ামী লীগ নেতার জামিন মঞ্জুরের প্রতিবাদে আদালত বর্জনের সময় বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে কিছু বিএনপিপন্থী আইনজীবী হামলায় লিপ্ত হন। ওই ঘটনায় আদালতের ভিডিও ফুটেজে আইনজীবী সমিতির সভাপতি লিংকনসহ আরও বেশ কয়েকজনকে দেখা গেছে ঐ সময়।

    জানা গেছে, এ ঘটনায় লিংকনকে আটক করা হলে আদালতের বিচারক এস এম শরিয়তুল্লাহ তাকে তাৎক্ষণিক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর পুলিশ তাকে আদালতের গারদখানায় রাখলে, সেখানে উপস্থিত বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বিক্ষোভ শুরু করেন।বর্তমানে আদালত চত্বরের আশেপাশে বিশাল সংখ্যক সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের মধ্যে মনোমালিন্য ও ভাষ্য বিভেদের ঘটনাও ঘটছে।

    আদালতে বিক্ষোভরত বরিশাল জেলা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হাফিজ আহমেদ বাবলু বলেন, যেখানে বিস্ফোরক মামলায় মানুষজন জামিন নিচ্ছেন, সেখানে আওয়ামী লীগের নিরীহ নেতাদেরও নিম্ন আদালত থেকে জামিন দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে আইনজীবীরা মঙ্গলবার থেকে আদালত বর্জন ও আন্দোলন শুরু করেন। এই ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজও আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে আটক করা হয়। তিনি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

    হাফিজ আহমেদ জানান, তিনি অবিলম্বে আদালতের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন বিচারকের অপসারণের দাবি জানান, যতদিন পর্যন্ত তিনি এই পদ থেকে সরিয়ে নেওয়া না হচ্ছে, তা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

    অপরদিকে, বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে জানিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মানুন উল ইসলাম বলেন, আইনজীবী নেতাকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের পরিবর্তে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ লাভ করেছেন। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    মোস্তাকুর রহমান এর আগে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) অতিরিক্ত পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত শনিবার (২৬ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি বিজ্ঞপ্তিতে তাকে পরিচালক পদে উন্নীত করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অফ অফসাইট সুপারভিশনে বদলি করা হয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের আদেশে বলা হয়েছে, এই নিয়োগ বাংলাদেশ ব্যাংকের ৯ম ও उससे উচ্চ গ্রেডের পদে প্রযোজ্য নীতিমালা ২০২২ অনুযায়ী শর্তসাপেক্ষে কার্যকর হবে।

    মোস্তাকুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগ থেকে বিবিএ ও এমবিএ সম্পন্ন করেছেন। ১৯৯৯ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করেন। এর পরে তিনি ফরেক্স রিজার্ভ ও ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট, ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও কাস্টমার সার্ভিস ডিপার্টমেন্টে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

    সর্বশেষ তিনি বিএফআইইউতে অতিরিক্ত পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মোস্তাকুর রহমানের বাড়ি খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার দেওয়াড়া গ্রামে। পারিবারিক জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক কন্যার জনক।

  • পিলখানায় নিহত সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদন

    পিলখানায় নিহত সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদন

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বনানীর সামরিক কবরস্থানে দর্শনীয় এক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পিলখানায় নিহত সেনাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও গভীর সম্মান জানানো জন্য উপস্থিত ছিলেন। তারা এই দিনটি স্মরণ করে শহীদ সেনাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    এর আগে, প্রধানমন্ত্রী এক বাণীতে বলেন, নাগরিক হিসেবে এই ট্রাজেডির সঙ্গে সবাইকে সচেতন ও অবগত থাকতে হবে। তার মতে, পিলখানার হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখন সবাই জানতে পারছে এবং এটি ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধির বিষয়। তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালে এই ভয়াল ঘটনার পর থেকে দেশের জনগণ অনেক কিছু উপলব্ধি করেছে এবং তারা শেকড়ের মধ্যে নিরাপত্তা ও স্বাধিকার রক্ষা করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে যারা এমন কর্মকাণ্ড চালায়, তাদের জন্য সমুচিত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী দেশের গৌরব, স্বাধীনতা ও মর্যাদার প্রতীক, এবং ভবিষ্যতেও এ গৌরব অক্ষুণ্ণ রাখতে দেশের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে। দেশের স্বার্থে কোনও ষড়যন্ত্র বা বিদ্রোহ মোকাবিলার জন্য আমাদের সকলের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, এটাই শহীদ সেনা দিবসের মূল শিক্ষা।

    ১৭ বছর আগে ২০০৯ সালের এই দিনে তৎকালীন বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিডিআর), বর্তমানে বিজিবির সদর দপ্তর ঢাকার পিলখানা ভবনে ভয়াবহ বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় বিপুল সংখ্যক সেনা কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিহত হন। এর মধ্যে ছিলেন তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদসহ মোট ৭৪ জন।

    আজ এই দিনটি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে, যা গত বছর থেকে নিয়মিত পালন শুরু হয়েছে। এই দিনের মাধ্যমে শহীদ সেনাদের স্মরণ, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও দোয়া আদায় করা হয়। দেশের স্বাধিকার ও নিরাপত্তার জন্য যারা জীবন হারিয়েছেন, তাদের প্রতি সম্মান জানানো ও স্মরণ করার মাধ্যমে আমাদের দায়িত্ব ও গৌরবের গভীর অনুভব প্রকাশিত হয়।