Category: জাতীয়

  • আইনজীবীর মন্তব্য: পার্টিকেই নিষিদ্ধ করেছে, ব্যক্তিকে নয়

    আইনজীবীর মন্তব্য: পার্টিকেই নিষিদ্ধ করেছে, ব্যক্তিকে নয়

    জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুল রহমানেল মাছউদ বললেন, সরকার একটি রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করলেও কোনো ব্যক্তিকে নিষিদ্ধ করেনি। আজ রোববার, ১৮ জানুয়ারি, নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটোরিয়ামে আপিলের শেষ দিনের শুনানিতে আইনজীবীর যুক্তিতর্কের সময় এই মন্তব্য করেন তিনি।

    বিশেষ করে টাঙ্গাইল-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মনোনয়নের বৈধতা নিয়ে আপিল শুনানির কেন্দ্রে ছিল। ওই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. লিয়াকত আলী, যিনি অভিযোগ করেন, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী নিষিদ্ধ দলের নেতা হওয়ায় তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না।

    শুনানিতে লিয়াকত আলীর আইনজীবী যুক্তি দেন, দল নিষিদ্ধ থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর নির্বাচন করার কোনও বাধা নেই। এসময়, নির্বাচন কমিশনার রহমানেল মাছউদ বলেন, পার্টিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কিন্তু ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে কোনও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি। এই মন্তব্যের পর, সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর, নির্বাচন কমিশন আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মনোনয়নের বৈধতা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

    উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন সময়সূচির অংশ হিসেবে, মনোনয়নপত্র বাছাই, আপিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহার, প্রতীক বরাদ্দ এবং ভোটগ্রহণের নির্দিষ্ট তারিখগুলি নির্ধারিত হয়েছে। বর্তমান সূচী অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ হবে ২১ জানুয়ারি এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি, সকাল ৭:৩০ থেকে বিকাল ৪:৩০ পর্যন্ত।

  • অস্ত্র লুটের সংক্রান্ত নিশ্চিতকরণ: নির্বাচনকালে ব্যবহার হবে না

    অস্ত্র লুটের সংক্রান্ত নিশ্চিতকরণ: নির্বাচনকালে ব্যবহার হবে না

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের লট হওয়া অস্ত্র কোনওভাবেই ব্যবহার হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে পুলিশের হাতে থাকা বা লুট হওয়া অস্ত্রের কোনও অপব্যবহার ঘটবে না, সেটি আমি অত্যন্ত নিশ্চিত।

    রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজশাহী সদরদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে ৪১তম ব্যাচের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা সহকারী পুলিশ সুপারদের জন্য অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজের সমাপ্তিতে উপস্থিত থেকে অভিবাদন গ্রহণের পরে এই কথা জানান তিনি।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, যেহেতু সীমান্ত থেকে অস্ত্রপ্রবেশসহ নানা চেষ্টার মাধ্যমে কিছু অস্ত্র দেশে প্রবেশ করার চেষ্টা করা হয়, তবে পুলিশের সংগ্রামের ফলস্বরূপ সেগুলো উদ্ধার করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় পুলিশ সদস্যরা কোনও ধরনের আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করবেন না। তারা কোনও প্রার্থী বা তার এজেন্টের কাছ থেকে খাবার বা অন্য কোন সুবিধা নিতে পারবেন না।

    এমন নিঃস্বার্থ ও পেশাদার পুলিশি দায়িত্বের মাধ্যমে আশা করা যায়, এ বার দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    উল্লেখ্য, দেশের জঙ্গি ও চরমপন্থি গ্রুপসমূহ আগের তুলনায় অনেক কমে এসেছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছিলেন, জঙ্গিবাদ বর্তমানে বলতে গেলে কমে গেছে। তবে কিছু ফ্যাসিস্ট জঙ্গি থাকলেও তারা এখন অন্য দেশে অবস্থান করছে, এবং ফেরত এনে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম, পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ অতিরিক্ত আইজিপি তওফিক মাহবুব চৌধুরী ও অন্যান্য অতিথিরা।

    কুচকাওয়াজে অংশ নেন ৪১তম বিসিএস (পুলিস) ব্যাচের ৮৭ জন, ২৮তম বিসিএস এর ১ জন, ৩৫তম বিসিএস এর ৩ জন, ৩৬তম বিসিএস এর ১ জন, ৩৭তম বিসিএস এর ২ জন ও ৪০তম বিসিএস এর ২ জন প্রশিক্ষণার্থী।

    বিশেষ অবদানের জন্য এই ব্যাচের মধ্যে বেস্ট প্রবেশনার হিসেবে পুরস্কার পান সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। পাশাপাশি আরও বেশকিছু অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়: বেস্ট একাডেমিক অ্যাওয়ার্ড পান মেহেদী আরিফ, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ সজীব হোসেন, বেস্ট হর্সম্যানশিপ মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ ও বেস্ট শ্যুটার হিসেবে সালমান ফারুক। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

    এই ব্যাচের ৯৬ জন প্রশিক্ষণার্থী, যারা ২০২৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে চাকরির প্রথম দিন শুরু করবেন, আজকের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজের মাধ্যমে মুখে বাস্তব জীবনযাত্রায় প্রবেশ করছেন। তারা বিভিন্ন জেলায় ছয় মাসের প্রকৃত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন।

  • তারেক রহমানের ভাষ্যে প্রথমত, দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আগামী নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ

    তারেক রহমানের ভাষ্যে প্রথমত, দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আগামী নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ

    নিরাপদ ও মনোয়োঃমত এক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে যারা শহীদ হয়েছেন এবং যারা হতাহত হয়েছেন, তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল সুরক্ষিত, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য আগামী জাতীয় নির্বাচন অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ। তারেক রহমান যোগ করেন, যদি একটি নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হই, তাহলে ভবিষ্যতেও শোক সভা ও শোকগাথা চালিয়ে যেতে হবে। কিন্তু এখন থেকে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে, গণতন্ত্রের বিজয় ও ভবিষ্যতের বাংলাদশের জন্য স্বপ্ন দেখেতে হবে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর বছরে ঢাকা শহরের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে রবিবার গণশ্রদ্ধা/শোক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে শহীদ ও হতাহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ দেড় দশক ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন চালিয়ে কেউ যেন গা-ছাড়া নয়, এই আন্দোলন ছিল সত্যিকারের অধিকারপ্রাপ্ত মানুষের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের মতোই, ২০২৪ সালের এই আন্দোলনও দেশের স্বার্থে, দেশের মানুষের মুক্তির জন্য। এই জন্যই সকল নাগরিকদের উচিত সচেতন থাকা। তিনি সতর্ক করে বলে যান, যারা স্বাধীনতা রক্ষা আন্দোলনকে একক বা দলীয় স্বার্থের সঙ্গে মিলিয়ে দিতে চায়, তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ২০১৪ সালের আন্দোলনের স্মরণে তিনি বলেন, সেই সময়ের হাহাকার, হতাহত ও অবর্ণনীয় কষ্টের চিত্র মানুষ এখনও ভুলে যায়নি। যারা কষ্টের মধ্যে পড়েছে, তাদের ক্ষতিপূরণের জন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে সর্বোচ্চ চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি দেশের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যেন সমস্ত দল-মত ও সব নাগরিকদের স্বার্থের সার্বভৌম দায়িত্ব রাষ্ট্রের। তিনি শেষপর্যন্ত বল pronounce করেন, দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে এবং একে অপরের পাশে থাকতে হবে।

  • চিফ প্রসিকিউটর: ‘মব’ শব্দ ব্যবহারের আগে সংযত থাকুন

    চিফ প্রসিকিউটর: ‘মব’ শব্দ ব্যবহারের আগে সংযত থাকুন

    আলোচনায় বক্তারা মামলা জট, বিচারক সংকট ও নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় স্বচ্ছ ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তারা বলেন, জুলাই আন্দোলনের পর রাজনৈতিক দৃঢ়প্রতিজ্ঞা থাকলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আরও দৃঢ়তা দেখাতে হবে। বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে দেশের বিচার ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ, দুর্নীতিমুক্ত ও নিরপেক্ষ হতে পারে।

  • ফেসবুকের শীর্ষ ১০০ কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মধ্যে তারেক রহমানের স্থান

    ফেসবুকের শীর্ষ ১০০ কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মধ্যে তারেক রহমানের স্থান

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার প্রভাব এবং উপস্থিতি এখন জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার অন্যতম বড় সূচক। রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং ক্রীড়া তারকা— সকলেই এখন এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সক্রিয়। এরই ধারাবাহিকতায় ফেসবুকের শীর্ষ ১০০ ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ এর তালিকায় স্থান পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    সোশ্যাল ব্লেড নামে বিশ্লেষণধর্মী একটি ওয়েবসাইট প্রকাশিত ‘টপ ১০০ ফেসবুক ক্রিয়েটরস বাই সোশ্যাল’ তালিকায় তারেক রহমানের অবস্থান ৬৪তম। সোমবার (১৮ জানুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    তালিকায় দেখা যায়, ফেসবুকে কনটেন্ট পোস্টের সংখ্যা এবং আলোচনার স্তরের ভিত্তিতে তারেক রহমানের স্থান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়েও ওপরে।

    সোশ্যাল ব্লেডের তথ্যানুযায়ী, বিএনপি চেয়ারম্যানের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বর্তমানে মোট লাইক সংখ্যা ৫৫ লাখ ৭৬ হাজার ৭৭৬, আর এঙ্গেজমেন্ট (ব্যবহারকারীদের মতামত ও শেয়ার) রয়েছে ১৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৭২। এই পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে সোশ্যাল ব্লেডের র‌্যাঙ্কিংয়ে তার স্থান ৪২তম, যেখানে পেজটি পেয়েছে এ ++ গ্রেড। সর্বশেষ ১৪ দিনের মধ্যে তার পেজে প্রায় ৪৮ হাজার নতুন লাইক যোগ হয়েছে, যা দৈনিক গড়ে ৩৯ হাজারের বেশি। এই পরিসংখ্যান ও কার্যক্রমের বিশ্লেষণে তারেক রহমানের পেজটি এখন বিশ্বের অন্যতম সক্রিয় ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ফেসবুক পেজগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে স্বীকৃত।

    উল্লেখ্য, সোশ্যাল ব্লেডের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, যাদের নিয়েই ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি কনটেন্ট তৈরি ও শেয়ার হয়, তাদেরকেই সাধারণত ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। এই হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের তালিকায় তারেক রহমানের স্থান খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

  • জুলাই সনদ প্রতিষ্ঠার স্বীকৃতি দিতে গণভোট আয়োজন: উপদেষ্টা আদিলুর রহমান

    জুলাই সনদ প্রতিষ্ঠার স্বীকৃতি দিতে গণভোট আয়োজন: উপদেষ্টা আদিলুর রহমান

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, জুলাই সনদকে প্রতিষ্ঠিত করতে গণভোট আয়োজিত হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরি হলে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত জনসচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

    উপদেষ্টা আদিলুর রহমান বলেন, জনতার কণ্ঠ ‘হ্যাঁ’র পক্ষে—জনতার কাফেলা জুলাই সনদের পক্ষে এবং নতুন বাংলাদেশের পক্ষে। তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে সবাইকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ের বীর শহীদদের আত্মত্যাগ ও ওই সময়ে যোদ্ধাদের অবদানে গঠিত নতুন বাংলাদেশকে টেকসই রাখতে এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেওয়া জরুরি। পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এটি অপরিহার্য।

    আদিলুর রহমান বলেন, দেশের মানুষের ওপর আর কোনোক্রমেই অনিয়ম, গ্রেপ্তার-নির্যাতন ও ক্রসফায়ার চালিয়ে যাওয়া হবে না; কাউকে ধরে নিয়ে ক্রসফায়ার দেওয়া কিংবা আয়নাঘর বানিয়ে কারও অধিকার কেড়ে নেওয়া চলবে না। তিনি বলেছিলেন, তারা এমন এক বাংলাদেশ চাইছেন যেখানে বৈষম্য থাকবে না, ফ্যাসিবাদ থাকবে না এবং সব সম্প্রদায়ের মানুষ সমান অধিকার ভোগ করবে।

    সভায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান ও কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান। সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    সভা শেষে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে গণভোট প্রচারাভিযানের জন্য ব্যবহৃত ‘ভোটের গাড়ি’ উদ্বোধন করেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা ককলে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বলেই ‘হ্যাঁ’ ভোটকে সমর্থন করছে। যারা ফ্যাসিবাদকে সমর্থন করে, তারা ‘না’ প্রচার করবে; আর যারা জনগণের অধিকার, গুম ও ক্রসফায়ারের বিরুদ্ধে, তাদের অনুযোগেই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে।

    সূত্র: আজকালের খবর/বিএস

  • আবদুল হাইয়ের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী রবিবার

    আবদুল হাইয়ের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী রবিবার

    বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী আবদুল হাইয়ের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী রবিবার (১৮ জানুয়ারি) পালিত হবে। এ উপলক্ষে রবিবার দুপুরে ডেমরা থানাধীন ডগাইর বাজার কালু ভূইয়া রোডের তাঁর বাসভবনে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটি পরিবার ও স্থানীয় শুভাকাঙ্ক্ষীরা একত্রে আয়োজন করবেন।

    তার বাড়ি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার বৈরাগীর চরে রোববার বাদ আসর মিলাদ মাহফিল এবং কাঙালিভোজের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে এলাকার বাসিন্দা, এতিম ও দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণের বিশেষ ব্যবস্থাও করা হবে।

    মরহুম আবদুল হাই ছিলেন দৈনিক জনতার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার সফিকুল ইসলামের বাবা। তিনি ২০০৯ সালের ১৮ জানুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

    আয়োজন সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করা হয়েছে পরিবার ও স্থানীয় well-wisherদের পক্ষ থেকে।

    সূত্র: আজকালের খবর/ এমকে

  • কোকো নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য: মুফতি আমির হামজা দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চান

    কোকো নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য: মুফতি আমির হামজা দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চান

    সম্প্রতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছোট ছেলে, প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর নাম নিয়ে মুফতি আমির হামজার দেওয়া এক আপত্তিকর মন্তব্যের ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ক্লিপটি নতুন করে ছড়িয়ে পড়ায় অনেকে বিব্রতবোধ করায় মুফতি নিজেই দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

    মুফতি আমির হামজা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাত ১টা ৪৫ মিনিটে একটি স্ট্যাটাস প্রকাশ করে বক্তব্যের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন এবং দুঃখ প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন, ওই অনাকাঙ্ক্ষিত উদাহরণটি ছিল ২০২৩ সালের একটি বক্তৃতার অংশ। তখনই তিনি ভুল হলেও উদাহরণ হিসেবে দেওয়া নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন এবং এবারও পুনরায় ক্ষমা চান।

    তিনি আরও দাবি করেন যে বর্তমানে পুরনো ওই বক্তব্যকে সচেতনভাবে সামনে এনে নির্বাচনকালীন বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা চলছে। এতে বলেছেন, ‘‘নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে কেউ হলেও এমন কুফল করতে পারেনি’’—তবে যে যারা এই ধরনের কৌশল চালাচ্ছে, তাদেরও বিচার-বিজ্ঞানে বিবেচনা করা উচিত বলে সতর্ক করেছেন মুফতি।

    স্ট্যাটাসের শেষ অংশে তিনি মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর জন্য দোয়া কামনা করে লিখেছেন, ‘‘আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মরহুম আরাফাত রহমান কোকো সাহেবকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।’’

    (সূত্র: আজকালের খবর/বিএস)

  • শাবানের চাঁদ দেখা গেলে শবেবরাত হতে পারে ৩ ফেব্রুয়ারি

    শাবানের চাঁদ দেখা গেলে শবেবরাত হতে পারে ৩ ফেব্রুয়ারি

    মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) হিজরি ১৪৪৭ সনের শাবান মাসের চাঁদ সন্ধান করা হচ্ছে। বর্তমানে রজব মাসের ২৯তম দিন চলছে। মুসলমানরা সাধারণত শাবানের ১৫তম রাতে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী শবেবরাত পালন করেন।

    সংবাদমাধ্যম গালফ টুডের তথ্য অনুযায়ী আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্রের হিসাব মোতাবেক আজ মাঝরাতে বা সন্ধ্যার সময় শাবানের চাঁদ কোথাও ধরা পড়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে রজব মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে শেষ হতে পারে এবং শাবান মাস শুরু হবে বিলম্বে — সম্ভাব্যভাবে আগামী মঙ্গলবার থেকে।

    আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্রের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মেদ শওকত ওদেহ জানিয়েছেন, শাবানের চাঁদ আজই জন্ম নিয়েছে, কিন্তু এটি সূর্যাস্তের আগেই অস্ত হয়ে যাবে; এ কারণেই আজ খালি চোখে চাঁদ দেখা সম্ভব নয়। তবে তার বলছেন, আগামীকাল সোমবার খালি চোখে বা টেলিস্কোপের মাধ্যমে চাঁদ দেখা যেতে পারে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ওমান, জর্ডান, সিরিয়া, লিবিয়া, মরক্কো, মৌরিতানিয়া ও আলবেনিয়ায় সোমবার টেলিস্কোপ ব্যবহার করে শাবানের চাঁদ দেখা যেতে পারে। এসব হিসাব অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্যে শবেবরাত পালিত হতে পারে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে।

    বাংলাদেশে যদি সোমবার চাঁদ দেখা দেয়, তবে একই রাতে দেশের মুসলমানরা শবেবরাত পালন করবেন। চাঁদ দেখা না গেলে শবেবরাত এখানে এক দিন পিছিয়ে ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে পালিত হতে পারে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সাধারণত স্থানীয় ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ বা চাঁদ দেখা কমিটি জানাবে।

    সূত্র: আজকালের খবর/ এমকে

  • নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার জন্য পুলিশ সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার জন্য পুলিশ সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.), স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ে পুলিশের আচরণেই নির্ধারণ হয় মানবিক মর্যাদা ও আইনের শাসন টিকে থাকবে কি না।

    রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে সহকারী পুলিশ সুপারদের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও জানান, জনগণের আস্থা অর্জন করা ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করেই স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। পুলিশের কাজ কোনো রাজনৈতিক দলের রক্ষক হওয়া নয় বরং জনগণের সেবা করা এবং করদাতার টাকায় পরিচালিত রাষ্ট্রের কর্মচারী হিসেবে আইনের শাসন নিশ্চিত করা।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বিচার্য ভুমিকায় থাকা অবস্থায় শতভাগ নিরপেক্ষতা বজায় রাখার উপর জোর দেন এবং কোনো অনৈতিক সুবিধা বা আপ্যায়ন গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, যদি ভোটকেন্দ্রে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, রিটার্নিং অফিসারের পরামর্শ মোতাবেক তা দ্রুত ও কড়াভাবে দমন করতে হবে।

    নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রায় এক লাখ পুলিশ সদস্যকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ কোনো সাধারণ বাহিনী নয়; এটি রাষ্ট্র ও জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করবে। নতুন বাংলাদেশ গড়তে পুলিশের ভিত্তি হতে হবে জ্ঞান, নৈতিকতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনবান্ধব সেবা।

    সূত্র: আজকালের খবর/ এমকে