ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, হাদি আমার সন্তানের মতো। হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর শুনে আমি মানসিকভাবে খুবই আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছি। তিনি বলেন, এ ধরনের আঘাত শুধুই একজন ব্যক্তির নয়, এটি গণতন্ত্রের উপর এক গভীর আঘাত। যারা এই হামলা চালিয়েছে, তাদের কালো হাত ভেঙে দিতে হবে। শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপি’র কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত ইনকিলাব মঞ্চে আলোচিত ঘটনায় প্রতিবাদ এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার আন্দোলনের আওতায় এক বক্তৃতায় মির্জা আব্বাস এ কথা বলেন। তিনি বলেন, হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার সময় বিকেল দুইটার দিকে আমি হাসপাতালে পৌঁছেছি। তার আধাঘণ্টা পরে ফেসবুকে অপ্রত্যাশিত উসকানিমূলক পোস্ট দেখা যায়, যা পুরোপুরি পরিকল্পিত ছিল। আমি ঢাকার সন্তান। দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে এই শহরে রাজনীতি করছি। আমি কখনো উত্তেজনা সৃষ্টি করিনি, কারণ এটা হাদির সুচিকিৎসায় বিঘ্ন তৈরি করত। তিনি বলেন, এ ধরনের ষড়যন্ত্র অনেক সময় দেখেছি, ১৯৭১, ১৯৮৬-সহ বিভিন্ন সময় এ ধরনের শক্তি বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চালিয়েছে। এরা হলো মূল শক্তি, যারা স্থির রাষ্ট্র সহ্য করতে পারে না এবং বারবার রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করে রাখতে চায়। হাদির উপর হামলার পর, ফেসবুকে একশ থেকে দুইশ’ লোক উসকানি দেয়ার জন্য পোস্ট করে দেশজুড়ে ক্ষোভ সৃষ্টি করতে চেয়েছে, যা সবাই নিরীহ চরিত্রের। বিএনপি নেতার মতে, এই উসকানি মূলত এক বিশেষ রাজনৈতিক দলের দ্বারা চালানো হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আমি ৭১, ৮৬ সাল থেকে নির্বাচন করে আসছি, কখনো কারও সঙ্গে মারামারি করিনি। বরং প্রার্থীদের এক সঙ্গে কোলাকুলি করেছি, খেয়েছি। আওয়ামী লীগ অন্যায়ভাবে মারামারি করে, নির্বাচন ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা অস্থির করে তোলে। তিনি দাবি করেন, হাদির ওপর হামলাকারী দ্রুত গ্রেফতার হোক এবং এই হামলার সঙ্গে জড়িত মুখোশ উম্মোচন করা হোক। মির্জা আব্বাস যোগ করেন, হাদির আমার নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, তিনি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী। তিনি একজন সাহসী রাজপথের সৈনিক। আমি আশা করি, আবারও তাকে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় দেখা যাবে।
Blog
-

শেখ হাসিনার সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করেছে প্রসিকিউশন
প্রসিকিউশন আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনার আমৃত্যুও কারাদণ্ডের সাজা বাড়িয়ে তার জন্য মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল দাখিল করা হয়েছে। এই আপিল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে নিবন্ধন হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে এর নিষ্পত্তি সম্পন্ন করার প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। অ্যামিকাসিকালে, আপিলের প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে প্রসিকিউশন অবকাশকালীন ছুটির জন্য চেম্বার আদালতে দাখিল করবে।
এর আগে, নভেম্বরের শেষ দিকে গাজী এম এইচ তামীম জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের দেওয়া সাজার কপি প্রসিকিউশনের হাতে এসেছে। তারা ৩০ দিনের মধ্যে এই অভিযোগে তার আপিল করবে।
গত ১৪ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাকে এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আমৃত্যু কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। এরপর, ১৭ নভেম্বর এই মামলায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অন্য দুই আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত। এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে এই মামলার বিচার শুরু হয়।’
সেই সময়ের রায়ের ফলে, শেখ হাসিনা ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হয়, এবং তাদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, এই ঘটনা ঘটে গত সে সময়ের গণঅভ্যুত্থানকালে, যেখানে শেখ হাসিনা বহু উস্কানিমূলক মন্তব্য ও কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এখনও শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। শেখ হাসিনা বর্তমানে পলাতক থাকলেও, অন্য পুলিশি বেআইনি কার্যক্রমের জন্য গ্রেপ্তার হয়েছেন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।
অভিযোগের ভিত্তিতে, শেখ হাসিনা ও অন্য আসামির বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে উসকানি দিয়ে মানুষের জীবনহানি, অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ, হত্যা, এবং জনসভায় উসকানি করা। এই সব অভিযোগে চলতি বছরের প্রথম দিকে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠিত হয়। মামলার ইতিহাসে উল্লেখ্য যে, শেখ হাসিনা এখনও পলাতক থাকলেও, তার বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে, যার মধ্যে একাধিকবার সময় বাড়ানো হয়েছে।
-

ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স روانাপন
জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের একজন কেন্দ্রীয় নেতা, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদপ্রার্থী শরীফ ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে। আজ দুপুর ১:৫৫ মিনিটের দিকে তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়েছে।
প্রায় দুপুর দুইটার একটু আগে, সামরিকভাবে প্রস্তুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি বিমানবন্দর ত্যাগ করে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এই সময়ে তার সঙ্গে ছিলেন তার দুই ভাই।
এর আগে সকাল পৌনে একটায়, তাকে নিয়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স বিমানবন্দরের দিকে রওনা দেয়। এরপর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে, বিকল্প চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়।
ওসমান হাদি সকাল ১১:২২ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
উল্লেখ্য, শরীফ ওসমান হাদিকে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। গত শুক্রবার দুপুরে, তিনি রাজধানীর পল্টন এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়, যেখানে তার জরুরি অপারেশন সম্পন্ন হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিশেষায়িত এভারকেয়ার হাসপাতলে স্থানান্তর করা হয়।
তবে, তার পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক থাকায় চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। অন্তর্বর্তী সরকার তার চিকিৎসার পুরো ব্যয় বহন করছে।
-

বিজিবি নিশ্চিত নয় হাদির হামলাকারীরা সীমান্ত পেরিয়েছে কি-না
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান জানিয়েছেন, হাদির ওপর হামলাকারী সন্দেহভাজন ফয়সাল ও তার সহযোগীরা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে চলে গেছে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি বিজিবির পক্ষ থেকে। তবে, সীমান্তে তাদের পা ফেলার সাহায্য করতে পারে এমন মানবপাচারকারী হিসেবে ফিলিপ সেনাল নামে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে খুঁজে পেতে অভিযান চালানো হচ্ছে।
আজ সোমবার ময়মনসিংহ সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সরকার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান একটি সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ১২ডিসেম্বর শুক্রবার ঢাকায় হামলার ঘটনাগুলোর পরই রাত সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে সীমান্তের স্পর্শকাতর পয়েন্ট, প্রবেশ ও বহির্গমন পথগুলোতে বিজিবির টহল আরও জোরদার করা হয়। ময়মনসিংহ ও শেরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে একাধিক চেকপোস্ট বসানো হয়, যাতে আক্রমণকারীদের কাছ থেকে সতর্ক থাকা যায়।
তাদের জানান, শনিবারও পুরো দিন ধরে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা carried on ছিল, স্থানীয় ক্ষত্র ও অতিরিক্ত নিরাপত্তা টিম পাঠানো হয়েছে, যাতে সীমান্ত অখণ্ডতা রক্ষা করা যায়।
কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা এখনও নিশ্চিত নই যে হামলাকারীরা সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে গেছে কি না। পুলিশও নিশ্চিত নয়। আমাদেরভাবে দু’টি সম্ভাবনা মাথায় রয়েছে—এক, যদি তারা পেরিয়ে যায়, তাহলে কে তাদের সাহায্য করছে? অন্যদিকে, তারা যদি না পেরেও থাকে, তবে তাদের ঠিকানা বা আশ্রয়ের স্থানের খোঁজ চলছে।
বিজিবি ফিলিপ সেনালকে ধরার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে, আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা তৎপর রয়েছে। ফিলিপ ধরা গেলে তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে, বিশেষ করে তারা পাচারকারী কি না, তা জানতে।
অভিযানের সময় ফিলিপের স্ত্রী ডেলটা চিরান, শশুর ইয়ারসন রংডি ও মানবপাচারকারী লুইস লেংমিঞ্জাকে আটক করা হয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া, বারোমারি এলাকা থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে বেঞ্জামিন চিরামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
-

আইজিপি বাহারুলের বরখাস্ত ও গ্রেপ্তার চেয়ে রিট খারিজ
হাইকোর্টের আজকের আদেশে আইনজীবীরা আইজিপি বাহারুল আলমকে বরখাস্ত ও গ্রেপ্তার করার জন্য করা রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। এই রায় সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) প্রকাশিত হয়েছে।
এর আগে, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তদন্তের জন্য গঠিত সংসদীয় তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে আইজিপি বাহারুল আলমের নাম আসার পর তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বেশ চাপ তৈরি হয়েছিল। গত বুধবার (১০ ডিসেম্বর) ওই রিটটি হাইকোর্টে দায়ের করা হয়, যেখানে আইনজীবী জুলফিকার আলী জুনু সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন করেছিলেন।
রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, জনপ্রশাসন সচিবসহ আইজিপি বাহারুল আলমকেও বিবাদী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। রিটের শুনানি শিগগিরই অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল, তবে আদালত এই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ৪ ডিসেম্বর, আইজিপি বাহারুল আলমের দ্রুত বরখাস্তের জন্য সরকারের কাছে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। এই নোটিশটি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা পাঠিয়েছিলেন, যেখানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তদন্তের দায়িত্বে ব্যর্থতার জন্য বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে সঙ্গে আইজিপি বাহারুল আলমের নামও এই প্রতিবেদনে উঠে আসে। এই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলেছে।
-

ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনায় পল্টন থানায় মামলা
ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদপ্রার্থীরা একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় পול্টন থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ডিউটি অফিসার উপ-সহকারী পরিদর্শক (এএসআই) রকিবুল হাসান।
তিনি জানান, ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনায় তার এক আত্মীয় বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা করেছেন। তবে অভিযুক্তের নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি। মামলার এফআইআরটি তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে, আসামীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থাগুলো ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে।
শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র। তিনি ঢাকার ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা। আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য তিনি সম্প্রতি ব্যাপক গণসংযোগ চালাচ্ছিলেন।
গত শুক্রবার বিকেল ২:২৪ মিনিটে রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকার কাছে তাকে গাড়ি থেকে গুলি করা হয়। পেছন থেকে অনুসরণ করে আসা একটি মোটরসাইকেল থেকে এক ব্যক্তি ব্যাটারিচালিত রিকশায় থাকা হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন এবং চিকিৎসকরা তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানাচ্ছেন। সোমবার দুপুরের পর তাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর থেকে পল্টন থানা, র্যাব, ডিবি ও অন্যান্য পুলিশ ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর বেশ কয়েকটি ইউনিট অভিযান চালাচ্ছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছে গুলির ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক, বর্ডার দিয়ে মানুষ পাচার চক্রের দুই সদস্য, এবং অভিযুক্ত ফয়সালের স্ত্রী, শ্যালক ও তার এক বান্ধবী।
প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, হামলাকারী ব্যক্তিদের মধ্যে একজন সন্দেহভাজন ‘ফয়সাল করিম’ সম্প্রতি নির্বাচনী প্রচারে হাদির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পুলিশ তাকে প্রধান সন্দেহভাজন মনে করে তার সন্ধানে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে। জানা গেছে, ফয়সাল করিম ছাত্রলীগের একজন স্বেচ্ছাসেবক ও নেতা ছিলেন, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
এই জটিল ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং আসামীদের দ্রুত শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনতে কাজ করছে। দেশের রাজনীতি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এই হামলার ঘটনা।
-

পাকিস্তান জাতিসংঘে আফগানিস্তানকে সতর্ক করলো
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পাকিস্তান সতর্ক করে বলেছে যে, আফগানিস্তান যদি তাদের আশ্রয়দাতা ইসলামি গোষ্ঠীগুলোর উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে ব্যর্থ হয়, তবে পাকিস্তান নিজেদের ক্ষমতা ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে অনুরূপ সতর্কবার্তা ও তালিকা প্রবর্তন করে জানানো হয়েছে যে, তালেবান সরকারের সঙ্গে এখনো এশে বেশ কয়েকটি নিষিদ্ধ গোষ্ঠী— যেমন দায়েশ (আইএস-খোরাসান), তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি), ইস্ট তুর্কমেনিস্তান ইসলামিক মুভমেন্ট, বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মি এবং মাজিদ ব্রিগেড—অসংখ্য সদস্য আশ্রয় ও প্রশিক্ষণ লাভ করছে। পাকিস্তানের প্রতিনিধি উল্লেখ করেন, বর্তমানে এসব গোষ্ঠীর শত শত নেতা আফগানিস্তানে তালেবান সরকারের আশ্রয়ে রয়েছেন। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, তালেবান সরকারকে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ও যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে, অন্যথায় পাকিস্তান নিজেদের সুরক্ষা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে। এ সময় তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, তালেবান আফগানিস্তানে এসব গোষ্ঠীর অস্ত্র, প্রশিক্ষণ এবং হামলার জন্য পাকিস্তানের ভূখণ্ড ব্যবহার করছে। প্রবল নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও, পাকিস্তান এখনো আফগানিস্তানের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টায় রয়েছে, এরই অংশ হিসেবে দোহা ও ইস্তাম্বুলে একাধিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে, দুর্ভাগ্যবশত, পাকিস্তানের এসব শান্তিপূর্ণ উদ্যোগ সফল হয়নি বলে জানিয়েছে তারা। পাকিস্তানের প্রতিনিধি বলেছেন, চলমান অবস্থায়, নিদর্শনীয় সন্ত্রাসী হামলার কারণে এখনো পাকিস্তানে প্রায় এক হাজার দুইশো নাগরিক নিহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় পাকিস্তান দৃঢ়ভাবে বলেছে, তারা প্রয়োজন অনুযায়ী আত্মরক্ষার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত। শেষ পর্যন্ত, পাকিস্তান জানায় যে, নিরাপত্তার ঝুঁকির মধ্যেও তারা প্রতিবেশী আফগানিস্তানের সাথে সহনশীলতা ও সহযোগিতা বজায় রাখতে চায়, যদিও পরিস্থিতি এখনো গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
-

ইরান এবার চোরাচালানজikkut ডিজেলবাহী ট্যাংকার জব্দ, বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রু আটক
ওমান উপসাগরে চোরাচালানের জন্য বহন করা একটি ডিজেলবাহী ট্যাংকারকে জব্দ করেছে ইরানি কর্তৃপক্ষ। এই জব্দকৃত জাহাজে থাকা ১৮ জন ক্রুকে আটক করা হয়েছে, এর মধ্যে কিছু বাংলাদেশের নাগরিকও রয়েছেন। তবে কতজন বাংলাদেশি এই অভিযানের সঙ্গে জড়িত রয়েছে তা নিয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। এই খবর জানা গেছে চীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনের মাধ্যমে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরআইবি শুক্রবার জানিয়েছে, ওমান উপসাগর থেকে ৬০ লাখ লিটার চোরাচালানের ডিজেল বহনকারী এই বিদেশি ট্যাংকারটিকে আটক করা হয়েছে। দক্ষিণ হুরমুজগান প্রদেশের প্রধান বিচারপতি মুজতবা গাহরেমানির বরাত দিয়ে তারা জানায়, মূল জালিয়াতি চক্র ও চোরাকারবারিদের মোকাবিলা করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ইরানের জাসক বন্দর শহরের কাছে জলসীমা থেকে এই জাহাজটি বাজেয়াপ্ত করা হয়।
মুজতবা গাহরেমানি বলেন, জাহাজটির প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং চালানের ‘বিল অফ ল্যাডিং’ না থাকার কারণে এটি সন্দেহের মুখে পড়ে। তিনি উল্লেখ করেন, জাহাজটি সব নেভিগেশন ও দিকনির্দেশনা সিস্টেম বন্ধ করে রেখেছিল। এছাড়াও, এই ট্যাংকারে ১৮ জন ক্রু ছিলেন, যাদের মধ্যে ভারত, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটককৃতদের মধ্যে ট্যাংকারের ক্যাপ্টেনও রয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ক্রুদের বেশিরভাগই আগে ভারত, শ্রীলঙ্কা, বা বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা বিভিন্ন নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ‘ থামার নির্দেশ অগ্রাহ্য করা’, ‘পালানোর চেষ্টা’ এবং নেভিগেশন ও কার্গো চালানের নথিপত্র না থাকা।
অতিরিক্ত ভর্তুকি ও স্থানীয় মুদ্রার মান কমে যাওয়ার ফলে ইরানে জ্বালানির দাম বিশ্বের অন্যতম নিন্মে থাকছে। এর ফলে স্থল ও জলপথে ব্যাপক হারে জ্বালানি চোরাচালান ঠেকাতে কঠোর অভিযান চালানো হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্য করে বল হয়, বিশ্বের অন্য কোনো দেশের তুলনায় ইরানে গ্রাহক পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম সবচেয়ে কম। সরকারের এই সুবিধার কারণে দেশটিতে জ্বালানি চুরি ও পাচারকারীর গোষ্ঠী গড়ে উঠেছে, যারা সস্তায় তেল কিনে অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করে।
এপ্রিল মাসে পারস্য উপসাগর থেকে একাধিক চোরাইকৃত জাহাজ জব্দ করেছিল ইরানিরা। অন্যদিকে, গত বুধবার ভেনেজুয়েলার উপকূলে একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করে মার্কিন নৌবাহিনী, যা মূলত ইরান ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে তেল পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, এই জাহাজের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে অবৈধ তেল পরিবহন চলছিল।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ভেনেজুয়েলারে বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার অংশ হিসেবে ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের জন্য যুক্তরাষ্ট্র অনেকবারই ব্যবস্থা নিয়েছে। এই ধারাবাহিক চুরি ও অবৈধ কার্যক্রমের কারণে ইরান ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে বৈরিতা বাড়ছে।
-

যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন ইউনিভার্সিটিতে বন্দুকধারীর গুলিতে দুজন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের রোড আইল্যান্ডের প্রভিডেন্স শহরে দুঃখজনক একটি ঘটনা ঘটেছে যেখানে ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে বন্দুকধারীর গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও আটজন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে পরীক্ষা চলাকালীন এই হামলার ঘটনা ঘটে, যা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সংবাদ মাধ্যমে বিভিন্নভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
প্রভিডেন্সের মেয়র ব্রেট স্মাইলি নিশ্চিত করেছেন যে হতাহতের খবরটি সত্য। তিনি জানান, ঘটনার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তৃপক্ষ অজান্তে অস্ত্রধারীর হামলা চালায়। কর্মকর্তারা এখনো নিশ্চিত না যে, হামলাকারী কিভাবে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন এবং বেরিয়ে যান। হামলাকারীর বর্ণনা করা হয়েছে, কালো পোশাক পরা একজন পুরুষ। তবে এখনো তার কাছ থেকে কোনো অস্ত্র উদ্ধার হয়নি।
প্রথম প্রতিক্রিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিকেল ৪টা ২২ মিনিটের দিকে জরুরি সতর্কবার্তা দেয়, যেখানে বলা হয় যে বারুস ও হোলে ইঞ্জিনিয়ারিং ও ফিজিক্স ভবনের কাছে সক্রিয় বন্দুকধারী রয়ে গেছে। শিক্ষার্থীদের নির্দেশনা দেওয়া হয় যে তারা দরজা বন্ধ রাখুন, ফোন সাইলেন্ট করুন এবং নিরাপদে লুকিয়ে থাকুন, যতক্ষণ না কোনও পরবর্তী নির্দেশনা আসছে।
পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও আগ্নেয়াস্ত্র বা বন্দুকধারীকে সেখানে পায়নি। এরপরও অনলাইনে এক তথ্য ছড়িয়ে পড়ে যে হামলাকারীকে আটক করা হয়েছে, তবে পুলিশের পক্ষ থেকে তা নিশ্চিত করা হয়নি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছিলেন, পরে তিনি সরে যান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিনা প্যাক্সটন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এটি এমন একটি দিন, যা আমরা কখনোই আমাদের কমিউনিটির জন্য কামনা করিনি। এটি আমাদের সবাইকে গভীরভাবে হৃদয়বিদারক করে তুলেছে। ’ তিনি ক্যাম্পাসের সবাইকে সতর্ক থাকতে এবং লকডাউনের নির্দেশনা মানার আহ্বান জানান। পরিস্থিতি এখনও শঙ্কামুক্ত নয়, আশেপাশের সবাইকে নিরাপদ থাকবার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
-

ইসরায়েলের দাবি, হামাসের শীর্ষ কমান্ডারকে হত্যা করা হয়েছে
গাজা শহরে হামলা চালিয়ে ইসরায়েলি সেনারা দাবি করেছে যে তারা হামাসের জ্যেষ্ঠ কমান্ডার রায়েদ সাদকে হত্যা করেছে। তবে, এই বিষয়ে এখনও হামাস কোনো আনুষ্ঠানিক প্রত্যয়ন বা নিশ্চিতকরণ দিতে পারেনি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
গাজার স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গতকাল শনিবারের এই বিমান হামলায় পাঁচজন নিহত এবং কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছেন। হামাসের পক্ষ থেকে এই মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত হয়নি, তবে তারা বলেছে যে গাজা শহরের বাইরে একটি বেসামরিক গাড়িতে আঘাত হানা হয়েছে, যা অক্টোবরে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের একটি ঘটনা।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী টেলিগ্রাম পোস্টে অভিযোগ করেছে, রায়েদ সাদ হামাসের সক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছিলেন, যা দুই বছরের বেশি সময় ধরে গাজায় চলা ইসরায়েলি হামলার কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, সাদকে এই হামলায় লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং তিনি হামাসের অস্ত্র উৎপাদনকারী বাহিনীর অন্যতম প্রধান নেতাও ছিলেন।
সূত্র মতে, সাদ ইজ আল-দিন আল-হাদ্দাদের পর গোষ্ঠীর সশস্ত্র শাখার দ্বিতীয়-মানুষ হিসেবে বিবেচিত। তিনি গাজা শহরের ব্যাটালিয়নের প্রধান ছিলেন, যা হামাসের সবচেয়ে বড় ও সুসজ্জিত বাহিনী।
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, একটি ইসরায়েলি ড্রোন গাজা শহরের পশ্চিমে নাবুলসি মোড়ে একটি গাড়ির উপর আঘাত হানে, যার ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটে। সংস্থা আরও জানিয়েছে যে, এই হামলাটিই হয়তো সেই হামলা কি না, যেখানে কথিত হামাসের সদস্য নিহত হয়েছেন, এ বিষয়ে স্পষ্টতা নেই।
গাজার কর্মকর্তাদের মতে, অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল গাজায় নিয়মিত আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। এই আক্রমণগুলি দৈনিক গিয়েছে, মোট সংখ্যা প্রায় ৮০০-র বেশি এবং এতে অন্তত ৩৮৬ জন নিহত হয়েছে। এই পরিস্থিতি চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ইসরায়েল এখনও গাজায় অধিকাংশ মানবাধিকার সহায়তা ট্রাকের প্রবেশ বন্ধ রেখেছে।
বিশ্বসংগঠন জাতিসংঘ শুক্রবার সাধারণ পরিষদে এক অধিবেশনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব অনুমোদন করে, যেখানে গাজা উপত্যকায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুবিধা দেওয়ার, জাতিসংঘের প্রাঙ্গণে হামলা থামানোর এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার দাবি জানানো হয়েছে।
