Blog

  • অভিনব পোশাকে জয়া আহসানের বিস্ময়কর প্রদর্শনী

    অভিনব পোশাকে জয়া আহসানের বিস্ময়কর প্রদর্শনী

    অভিনেত্রী জয়া আহসান বিশেষ এক বার্তা দিয়েই নতুন ছবি প্রকাশ করেছেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ডোন্ট বি অ্যান অ্যাপল’ লিখে ছয়টি নতুন ছবি শেয়ার করেন, যেখানে তাকে দেখা যাচ্ছে সানগ্লাস পরা, মুখে বাঁকা হাসি আর একদৃষ্টিতে কোনো বার্তা দিচ্ছেন যেন। এই ছবির সঙ্গে তিনি নার্গিসের জনপ্রিয় গান ‘পিরিতের পেট্রোল ঢাইলে আগুন জ্বালাইসে গায় / সোনা বন্ধু কুনজাগায়…’ এর লিরিকও যুক্ত করেছেন। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাত ৯:১৪ মিনিটে তিনি এই ছবি গুলো পোস্ট করেন, যা মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। হাজারো মানুষের রিঅ্যাকশন এবং মন্তব্যে ভরে যায় ছবিগুলো। ছবিগুলোতে জয়াকে দেখা যাচ্ছে লাল ব্লাউজ এবং ডেনিম পরা, তার কপালে লাল টিপ এবং খোপায় লাল-সাদা ফুল। এই ছবির মাধ্যমে মনে হচ্ছে নতুন কোনো রোমান্টিক খবর আসছে, যার সূচনা হয় এই প্রেমমূলক চিত্রের মাধ্যমে। ছবিগুলি দেখে অনেকেই বিস্মিত হয়েছে, আবার আলোচনা-সমালোচনাও চলছে।

  • হায়দরাবাদে মেসির সংক্ষিপ্ত but দর্শকদের মনজয়

    হায়দরাবাদে মেসির সংক্ষিপ্ত but দর্শকদের মনজয়

    ভারত সফরের প্রথম অংশের কলকাতায় বিশৃঙ্খলার মধ্যে সমাপ্তির পর এবার হায়দরাবাদে দেখা গেল সম্পূর্ণ ভিন্ন এক চিত্র। রাজীব গান্ধি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি উপস্থিত হন এক অসাধারণ অনুষ্ঠানে, যেখানে দর্শকদের মধ্যে আনন্দের আমেজ দেখা গেছে। রূপান্তরিত পরিবেশে, বিশৃঙ্খলার পরিবর্তে সেখানে শান্তি ও উল্লাসের মাতম উঠে আসে।

    শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মেসি হায়দরাবাদে পৌঁছান। সেখানে তিনি উপস্থিত হন ‘গোট ইন্ডিয়া ট্যুর’ এর একটি অংশ হিসেবে, যেখানে তার সতীর্থ লুইস সুয়ারেস ও রদ্রিগো ডি পলও ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন তেলেঙ্গানা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রেভান্ত রেড্ডিও। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল একটি প্রদর্শনী ম্যাচ, যেখানে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী নিজেও খেলেছিলেন। সার্বিকভাবে, ভিআইপি বক্স থেকে খেলাটি উপভোগ করেন মেসি, যেখানে তিনি সুয়ারেস ও ডি পলসহ অন্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে ছিলেন। মাঠে নামার পর, তিনি দুবার বল জালেও পাঠিয়েছেন এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে সুন্দর সময় কাটিয়েছেন।

    মেসি সংক্ষিপ্ত সময়ে গ্যালারিতে বল দিয়ে প্রশংসা ঝরিয়েছেন দর্শকদের। ম্যাচের শেষে জয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন তিনি। বক্তব্যে মেসি বলেন, ‘হায়দরাবাদে থাকতে পেরে আমি খুবই খুশি।’ ডি পলও বলেন, ‘এটি খুবই বিশেষ একটি সন্ধ্যা, আপনাদের ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি আবারও বিশ্বকাপ জিতা সম্ভব হবে।’

    অপরদিকে, এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধিও। মেসি তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেভান্ত রেড্ডি ও রাহুল গান্ধিকে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের জার্সি উপহার দেন। এরপর স্টেডিয়াম থেকে বিদায় নেন।

    এদিকে, কলকাতা সল্ট লেক স্টেডিয়ামে মেসির উপস্থিতির সময় কিছু অব্যবস্থাপনার কারণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র ২০ মিনিট তিনি সেখানে ছিলেন, তবে অনেক দর্শক তাকে দেখতে পাননি। তিনি চলে যাওয়ার পর হট্টগোল ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এরই মধ্যে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুঃখ প্রকাশ করে তদন্তের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে নেতৃস্থানীয় একটি সংস্থা থেকে বিমানবন্দর থেকেই আটক করা হয় উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে।

    ভারতীয় সফর শেষে, মেসি মুম্বাই ও দিল্লি ভ্রমণের মধ্য দিয়ে তার এই দক্ষিণ এশীয় সফর সমাপ্তি করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

  • মেসিকে ভারতে আনার মূল আসামি শতদ্রু দত্তের ১৪ দিন পুলিশি হেফাজত

    মেসিকে ভারতে আনার মূল আসামি শতদ্রু দত্তের ১৪ দিন পুলিশি হেফাজত

    আর্জেন্টাইন ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসির সঙ্গে যোগাযোগ ও তার ভারতে আসার পরিকল্পনা ছিল বহু দিনের। শনিবার ১৩ ডিসেম্বর, তাকে কলকাতা থেকে হায়দরাবাদে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, যেখানে তার উপস্থিতিতে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই ঘটনা সম্পূর্ণ করার জন্য মূল সংগঠক হিসেবে পরিচিত ছিলেন শতদ্রু দত্ত। কিন্তু তার আগেই সিআইএসএফ ও পুলিশ হেঁটে তাকে গ্রেফতার করে। রবিবার ১৪ ডিসেম্বর, তাকে বিধাননগর মহকুমা আদালতে হাজির করা হয়, যেখানে তার ১৪ দিন পুলিশি হেফাজত দাবি করে আদেশ দেওয়া হয়। আদালত পেশকালে, এদিন কোর্ট চত্বরে BJP কর্মীরা শতদ্রুর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসেন।

  • রূপসায় অধ্যক্ষ খান আলমগীর কবির স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচ

    রূপসায় অধ্যক্ষ খান আলমগীর কবির স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচ

    রূপসা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন শহীদ মনসুর স্মৃতি সংসদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ষষ্ঠ অধ্যক্ষ খান আলমগীর কবির স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচ। এই খেলা রোববার বিকেলে কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয় যেখানে ১৬ দল অংশগ্রহণ করে।

    প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয় স্বাগতিক দল শহীদ মনসুর স্মৃতি সংসদ ও বটিয়াঘাটা তরুণ সংঘ। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই ম্যাচের শুরু থেকেই স্বাগতিক দল আধিপত্য বিস্তার করে বিভিন্ন আক্রমণে। তবে উভয় দলের প্রতিপক্ষের শক্তিশালী প্রতিরোধের কারণে নির্ধারিত সময়ে কেউই গোল করতে পারে নি, ফলে খেলাটি গড়ায় ট্রাইব্রেকারে।

    ট্রাইব্রেকারে স্বাগতিক দলের গোলরক্ষক, যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বসুন্ধিয়া গ্রামের সন্তান আরিফুল ইসলাম বাবুর অসাধারণ দক্ষতায় বটিয়াঘাটা তরুণ সংঘকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে শহীদ মনসুর স্মৃতি সংসদ। এই জয়ে তারা প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে উঠার গৌরব অর্জন করে।

    খেলায় মান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন বিজয়ী দলের ৮ নম্বর জার্সিধারী खिलाड़ी আনিস, যা নির্ধারিত করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মা জাহেদা জান্নাত ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ক্রীড়া সংগঠক এইচ এম মাসুদুল ইসলাম। খেলাটি পরিচালনা করেন রেফারি সুমন রাজু, আজিজুর রহমান ও আলী আকবর।

    উদ্বোধন করেন ক্রীড়া সংগঠক ও দৈনিক সময়ের খবর-এর সম্পাদক সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ অধ্যাপক আহমেদুল কবির চাইনিজ। এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টুর্নামেন্ট কমিটি সদস্য ও রূপসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাফতুন আহম্মেদ রাজার। বিভিন্ন অতিথি উপস্থিত ছিলেন, যেমন খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জি এম কামরুজ্জামান টুকু, ক্রীড়া সংগঠক ও ফাউন্ডেশনের সভাপতি এইচ এম মাসুদুল ইসলাম, ও ক্রীড়া সংগঠক মাঈনুল হাসান টুটুল।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা রয়েল আজম, সৈয়দ নিয়ামত আলী, এডভোকেট তাফসিরুজ্জামান, সাংবাদিক কৃষ্ণ গোপাল সেন, আরও অনেকে, যারা এই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ও নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এই আয়োজনে অংশ নেন।

  • এশিয়া কাপ যুবদলে বাংলাদেশের টানা দ্বিতীয় জয়

    এশিয়া কাপ যুবদলে বাংলাদেশের টানা দ্বিতীয় জয়

    অনূর্ধ্ব-১৯ যুব এশিয়া কাপের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বপ্নভ্রমণ শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। আফগানিস্তানকে হারিয়ে এই প্রতিযোগিতায় জয় সংগ্রামের ধারা শুরু করে বাংলাদেশি যুব ক্রিকেটাররা। আজ দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামেন তারা নেপালের বিপক্ষে। যেখানে আগে বল হাতে নেমে ১৩০ রানে পুরো নেপালি দলের ইনিংস গুটিয়ে দেন বাংলাদেশিরা। সহজ লক্ষ্য সামনে রেখে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশের যুবরা সফলভাবে ৭ উইকেটের জয় লাভ করে, বলের পরিস্থিতি অনুযায়ী ১৫১ বল হাতে রেখে ম্যাচটি সম্পন্ন করে।

    দুবাইয়ের সেভেনস স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম। এই সিদ্ধান্তের সঠিকতা পুরোপুরি দেখিয়ে দেন বাংলাদেশের বোলাররা, যারা শুরু থেকে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখান।

    নেপালের শুরুটা কিছুটা চনমনে হলেও খুব দ্রুতই ধসে পড়ে। দুই ওপেনার সাহিল প্যাটেল ও নিরাজ কুমার উদ্বোধনী জুটিতে ৪০ রান যোগ করেন। তবে ১৮ রান করা সাহিল প্যাটেলকে আউট করেন সাদ ইসলাম। এর পরে নেপালের ব্যাটসম্যানরা একের পর এক উইকেট হারাতে থাকেন। মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা বাংলাদেশের বলের সামনে দাঁড়াতে পারেননি, ৫৪ থেকে ৬১ রানের মধ্যে পাঁচজন ব্যাটসম্যান ফিরে যান। উল্লেখ্য, ৪০ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর মাত্র ৬১ রানে নেপাল দলের পাঁচটি উইকেট পড়ে যায়। ৮১ রানে ষষ্ঠ উইকেট পড়ার পরে দলটির ব্যাটিং ধস নামে, এবং স্কোর বাড়তেই থাকে উইকেট হারানোর ধারাবাহিকতা। অবশেষে, ১৩০ রানেই শেষ হয় নেপাল দলের ইনিংস। এই ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন অভিষেক তিওয়ারি। বাংলাদেশের বোলিংয়ে দারুণ পারফর্ম করেন সবুজ, যিনি নেন তিনটি উইকেট।

    লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের ওপেনার জাওয়াদ আবরার শুরুতেই আক্রমণ চালান। তবে শুরুটা ভালো হলেও চতুর্থ ওভারেই হঠাৎ বিপর্যয় ঘটে। ওই ওভারে রিফাত বেগ ও তামিম আউট হয়ে যান। রিফাত ৭ বলে ৫ রান করেন এবং তামিম মাত্র ১ বল খেলেই ১ রান করে ফিরে যান।

    এর পরে জাওয়াদের সঙ্গে জুটি বাঁধেন কলাম সিদ্দিকী অ্যালেন। এক প্রান্ত ধরে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করছিলেন জাওয়াদ, তার সাহসী খেলায় সহযোদ্ধা হিসেবে সফল হন কালাম। এই জুটির ধীরে ধীরে দলকে এগিয়ে নিয়ে আসে। চাপের মধ্যে থেকেও আত্মবিশ্বাস বজায় রেখে খেলছিলেন জাওয়াদ। তিনি তুলে নেন এক অসাধারণ ফিফটি। এই ওপেনার আগের ম্যাচেও জয়ী রূপে দেখিয়েছেন তার দক্ষতা। শেষের দিকে কালাম সিদ্দিকী অ্যালেন ৬৬ বলে ৩৪ রান করে আউট হন।

    শেষ পর্যন্ত, অপরাজিত থাকেন জাওয়াদ আবরার, যিনি ৬৮ বলের মোকাবেলায় ৭০ রান করে অপরাজিত থাকেন। তার পারফরম্যান্সের সঙ্গে সহায়তা করেন রিজান হোসেন, ৮ বলে ১২ রান করেন। এই জয় নিয়ে বাংলাদেশ দল ১৫১ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটে ম্যাচ শেষ করে। এই জয়ে তারা দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের আসরে নিজেদের শক্তি দেখিয়ে দিয়েছে।

  • আইপিএল ও পিএসএল আবারও একই দিনে শুরু হচ্ছে, দুটির সূচী সংঘর্ষস্থাপনা

    আইপিএল ও পিএসএল আবারও একই দিনে শুরু হচ্ছে, দুটির সূচী সংঘর্ষস্থাপনা

    আবারও দেখা যাচ্ছে, ভারতীয় লিগ আইপিএল এবং পাকিস্তানের পিএসএল একই সময়ে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে। টানা দ্বিতীয় বছর হিসেবে, এই দুই দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি লিগের সূচি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য একে অপরের সাথে সংঘর্ষে шашানুপূর্ন হবে।

    পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) সোমবার নিশ্চিত করেছে, পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) আসর ২০২৬ সালের ২৬ মার্চ শুরু হবে। এই টুর্নামেন্টটি এক মাসের বেশি সময় ধরে চলবে, এবং এর ফাইনাল হবে ৩ মে। এছাড়াও, নতুন দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি যোগ হওয়ায়, ২০২৬ সালের পিএসএল হবে মোট আট দলের। নিলাম অনুষ্ঠিত হবে ৮ জানুয়ারি ইসলামাবাদে।

    এদিকে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) জানিয়েছে, আইপিএল ২০২৬ শুরু হবে ২৬ মার্চ এবং চলবে ৩১ মে পর্যন্ত। এই সূচি জানানো হয় সোমবার আবু ধাবিতে ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রতিনিধিদের ও আইপিএল কর্তৃপক্ষের বৈঠকে। সূচি অনুযায়ী, এবারের আইপিএলের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে আজ, আবু ধাবিতেই।

    আইপিএলের প্রধান নির্বাহী হেমাঙ্গ আমিন ব্রিফিংয়ে এই সূচির বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন। সাধারণত, বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলের শহরেই উদ্বোধনী ম্যাচ হয়। তবে, এই বছর বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী ম্যাচ হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

    গত বছর, আইপিএল শুরু হয়েছিল ২২ মার্চ। এরপর প্রায় ২০ দিন পর, ১১ এপ্রিল থেকে শুরু হয় পিএসএল, যা চলে_ROOM_END_ দিয়ে ২৫ মে। সেই সময়, ভারতের পাকিস্তানসহ সামরিক উত্তেজনার কারণে কয়েকদিন খেলা বন্ধ ছিল। এবারও, একই সময়ে আইপিএল ও পিএসএল হওয়ার ফলে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সূচি, সম্প্রচার এবং খেলোয়াড়ের প্রাপ্যতা নিয়ে নতুন কিছু আলোচনা শুরু হয়েছে।

  • পাকিস্তানে বিশাল তেল ও গ্যাসের মজুত আবিষ্কৃত

    পাকিস্তানে বিশাল তেল ও গ্যাসের মজুত আবিষ্কৃত

    পাকistan ভারতের সমুদ্রসীমায় এক বিশাল পরিমাণ পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত পাওয়া গেছে। এই মজুত এত বড় যে এর সঠিক ব্যবহার দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতকে এক বড় পরিবর্তনের পথে নিয়ে যেতে পারে। ডন নিউজ টিভিকে এক উচ্চপদস্ত নিরাপত্তা কর্মকর্তা এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানিয়েছেন, এই সম্পদের সন্ধানে তিন বছরের একটি জরিপ চালানো হয়, যা একটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের সহযোগিতায় পরিচালিত। এই ভৌগোলিক জরিপের মাধ্যমে পাকিস্তান সফলভাবে তেল ও গ্যাসের অবস্থান নির্ণয় করতে সক্ষম হয়েছে। ইতিমধ্যে সরকারের কাছে এই পাওয়া মজুতের তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

    নিরাপত্তা কর্মকর্তা আরও বলেছেন, এই উদ্যোগ অর্থনীতির সুনীল ক্ষেত্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারে। দরপত্র ও অনুসন্ধানের জন্য প্রস্তাবনা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং শিগগিরই অনুসন্ধান কাজ শুরু হবে। তবে তিনি সর্তক করে বলেছেন, কূপ খনন ও তেল উত্তোলন করতে বেশ কিছু সময় লাগতে পারে।

    অন্যদিকে, পাকিস্তানি কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই সমুদ্রসম্পদ শুধু তেল ও গ্যাস নয়, আরওও অনেক মূল্যবান খনিজ ও উপাদান এখানে পাওয়া যেতে পারে। দ্রুত উদ্যোগ নিলে এবং পরিকল্পনাগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করলে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে।

    বিশ্লেষকদের আশংকা, এই আবিষ্কৃত সম্পদ বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম তেল ও গ্যাস মজুত হিসেবে স্থান পেতে পারে। বর্তমানে শীর্ষে রয়েছে ভেনেজুয়েলা, যেখানে প্রায় ৩.৪ বিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুত রয়েছে। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রে বৃহৎ পরিমাণ অপরিশোধিত শেল তেল পাওয়া যায়। সৌদি আরব, ইরান, কানাডা এবং ইরাক এই শীর্ষ তালিকায় পরবর্তী স্থানগুলো দখল করে।

    ডন নিউজ টিভিকে এক সাক্ষাৎকারে ওগরা এর সাবেক সদস্য মুহাম্মদ আরিফ বলেন, এই ধরনের আবিষ্কার অনেক সম্ভাবনার দরজা খোলে, তবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয় যে সবই প্রত্যাশিত পরিমাণে পাওয়া যাবে। তিনি বলেছেন, এটি দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটানার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে—এটি উৎপাদনের পরিমাণ ও উত্তোলনের হার নির্ভর করবে। যদি গ্যাসের মজুদ হয়, তবে এটি এলএনজি আমদানির বিকল্প হতে পারে। আর যদি তেলের মজুত হয়, তবে আমদানির উপর নির্ভরশীলতা কমাতে পারবে।

    তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই সম্ভাবনা বাস্তবায়ন হবে যখন জলযান ড্রিলিং শুরু হবে এবং মজুতের সঠিক বিশ্লেষণ সম্পন্ন হবে। এই কাজে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে এবং কাজ শেষ হতে TIME লাগবে চার থেকে পাঁচ বছর।

  • অং সান সু চির মৃত্যু নিয়ে আশঙ্কা জাতির মধ্যে

    অং সান সু চির মৃত্যু নিয়ে আশঙ্কা জাতির মধ্যে

    মিয়ানমারের কারাবন্দী ও শান্তিতে নোবেল বিজয়ী নেত্রী অং সান সু চি শিগগিরই মারা যেতে পারেন—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তার কনিষ্ঠ পুত্র কিম অ্যারিস। ২০২১ সালে দেশের ক্ষমতা জোরপূর্বক নিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে সু চি-কে আড়ালে রাখা হয়েছে। আদালতের কার্যক্রম চলাকালীন বিভিন্ন সময়ে তার ছবিগুলো প্রকাশ হলেও, তার স্বাস্থ্যের বিষয়ে বিস্তারিত কোনও তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। এই পরিস্থিতিতে জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিম অ্যারিস বলেন, তিনি তার ৮০ বছর বয়সী মায়ের সঙ্গে বেশ কয়েক বছর ধরে যোগাযোগ করতে পারেননি। তিনি আরও বলেন, ২০২১ সালে তার মা আটকের পর থেকে সু চির হৃদপিণ্ড, হাড়, এবং মস্তিষ্কের কিছু তথ্য পান তিনি, যা এই নেত্রীর স্বাস্থ্য সম্পর্কিত উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। কিম অ্যারিস দাবি করেন, ‘তার (সুচির) স্বাস্থ্যগত সমস্যা চলমান। দু’বছর ধরে কেউ তাঁকে দেখেনি। এমনকি আইনি পরামর্শদাতাদের সঙ্গেও যোগাযোগের অনুমতিও দেয়া হয়নি। আমি সন্দেহ করি—তিনি ইতোমধ্যে মারা গেছেন।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমার ধারণা, মিন অং হ্লাইংয়ের (মিয়ানমারের জান্তা নেতা) মায়ের জন্য নিজস্ব একটা এজেন্ডা রয়েছে। তিনি চাইবেন—সরকারের গৃহবন্দী বা মুক্তি দিতে, এভাবে জনমত নিয়ন্ত্রণ করতে। আমি মনে করি, সু চির মুক্তির জন্য এই অচলাবস্থা ব্যবহৃত হচ্ছে।’ কিম অ্যারিস বলেন, তাঁর ধারণা, রাজধানী নেপিদোতে সু চি আটকে রয়েছেন এবং শেষবারের মতো তার কাছ থেকে পাওয়া চিঠিতে তিনি গরম এবং ঠাণ্ডার মধ্যে তার কক্ষের তাপমাত্রার বিষয়ে অভিযোগ করেছিলেন। বিশ্বজুড়ে সংঘাত বাড়তে থাকায় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায়, তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, সামরিক বাহিনী নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করছে—যা সম্পূর্ণ অন্যায়। তিনি বিদেশীয় সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, যেন তারা আরও জোরদার মনোভাব নিয়ে জান্তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে এবং মায়ের মুক্তির জন্য উদ্যোগ নেয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, মিয়ানমারের একজন সরকারী মুখপাত্র এই বিষয়ে মন্তব্যের জন্য ফোন করেছেন—কিন্তু সাড়া পাননি। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের নির্বাচনে ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি ব্যাপক জয়লাভ করলেও, জালিয়াতির অভিযোগ তুলে ২০২১ সালে সেনাবাহিনী কোনও নির্বাচন না কাড়ে অং সান সু চির সরকারকে উৎখাত করে। এরপর থেকে তাকে আটক রাখার পাশাপাশি, নির্বাচনী জালিয়াতি, রাষ্ট্রদ্রোহ, ঘুষচুরির মতো বিভিন্ন অভিযোগে তাকে ২৭ বছরের কারাদণ্ডের মুখোমুখি করা হয়েছে। তবে, অং সান সু চি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

  • সৌদি আরবে এক বছরে রেকর্ড ৩৪০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    সৌদি আরবে এক বছরে রেকর্ড ৩৪০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    সৌদি আরব এক বছরে সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। বার্তা সংস্থা এএফপি’র তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত দেশটিতে ৩৪০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। সোমবার আরও তিন জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার খবর জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই খবর প্রথম প্রকাশ করে দুবাই থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি। এটি দ্বিতীয় বছর লাগাতার সৌদি আরবের মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা বৃদ্ধির ঘটনা, যা অতীতে কখনো ঘটে নি। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসাব অনুযায়ী, ১৯৯০-এর দশকের পর থেকে মৃত্যুদণ্ডের এই সংখ্যা সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালে দেশটিতে ৩৩৮ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল যেখানে বর্তমানে সংখ্যা তা ছাড়িয়ে গেছে।

  • বিজয় দিবসে মোদির পোষ্টে বাংলাদেশের নাম লেখা হয়নি

    বিজয় দিবসে মোদির পোষ্টে বাংলাদেশের নাম লেখা হয়নি

    বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে নয় মাসের লড়াইয়ের মাধ্যমে। এই যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ভারতের সেনাবাহিনীও যোগ দেয়, যার ফলে ১৬ ডিসেম্বর ভারতের জন্যও একটি বিজয় দিবস হিসেবে রূপ নেয়। তবে মূল বিজয় ছিল বাংলাদেশের, কারণ এ দিনেই বাংলাদেশের জনগণ তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা লাভ করে।

    আজ ১৬ ডিসেম্বর, বাংলাদেশের বিজয় দিবসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় দিবসের কথা উল্লেখ করেছেন, তবে তিনি এটি যেন শুধুমাত্র ভারতের বিজয়ের দিন হিসেবে তুলে ধরেছেন। তার পোস্টে একবারও বাংলাদেশের নাম আসে না। মোদি লিখেছেন, “বিজয় দিবসে আমরা আমাদের সাহসী সেনাদের স্মরণ করছি, যারা ১৯৭১ সালে তাদের সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে ভারতের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেছিলেন। তাদের দৃঢ় মনোবল ও নিস্বার্থ সেবা আমাদের দেশের রক্ষা করেছে এবং আমাদের ইতিহাসে গর্বের মুহূর্ত সৃষ্টি করেছে। এই দিনটি তাদের সাহসকে সম্মান জানায় এবং তাদের অসাধারণ মনোবলকে স্মরণ করিয়ে দেয়। এই বীরোচিত কর্মকাণ্ড ভারতীয় প্রজন্মের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকে।”

    এর আগে ভারতের সেনাবাহিনীও বিজয় দিবসের পক্ষে একটি পোস্ট দেন, যেখানে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, “বিজয় দিবস শুধু একটি তারিখ নয়— এটি ১৯৭১ সালের যুদ্ধের ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ও চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক।”

    সেনারা আরও বলেন, “এটি ছিল সেই বিজয় যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা ও ভারতীয় সেনারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াইকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। এই বিজয় শুধু সামরিকই নয়, এটি ইতিহাসের ঐতিহাসিক গৌরবের একটি অংশ। ভারতের এই জয় বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূচনায় জাতিকে নতুন করে স্ববিরোধী করে তুলেছে এবং দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্রে নতুন এক সূচনাকে চিহ্নিত করেছে।

    ভারতীয় সেনাবাহিনী আরও উল্লেখ করে, “পাকিস্তান সেনাবাহিনী যে নানা নৃশংসতা, অত্যাচার ও নিষ্ঠুরতা চালিয়েছিল, এই যুদ্ধ সেই সমস্ত অবসান ঘটিয়েছে।”