Blog

  • নুসরাত তাবাসসুমের ঘোষণা: নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য এনসিপি থেকে অবসর

    নুসরাত তাবাসসুমের ঘোষণা: নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য এনসিপি থেকে অবসর

    প্রাথমিকভাবে নির্বাচনকালীন সময়ে এনসিপির কার্যক্রম থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম-আহবায়ক নুসরাত তাবাসসুম। রোববার নিজ ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে তিনি এই ঘোষণা দেন।

    নুসরাত তাবাসসুম লিখেছেন, আমি সংক্ষেপে কিছু বিষয় স্পষ্ট করতে চাই। এনসিপি তার জন্মলগ্ন থেকেই আমাদের স্বপ্ন দেখিয়েছে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়সংগত সমাজের গড়নার। এই স্বপ্নের মধ্যে রয়েছে নয়া বন্দোবস্ত, মধ্যপন্থা, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ ব্যবস্থা, সভ্যতাকেন্দ্রিক সাম্রাজ্য বিস্তার এবং বাংলাদেশের স্বতন্ত্রতা। এই প্রতিটা ভাবনা আমার মন, মগজ ও যাপনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

    তিনি আরও বলেন, এনসিপির ঘোষণাপত্র ও তার সব লেখা এই স্বপ্নগুলোকে ধারণ করে। গঠনকালে এনসিপি ছিলো সেই পথচলার অবিচল হাতিয়ার যা আমি চাইছিলাম।

    কিন্তু আজ, ২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর, নয় মাসের মধ্যে, জামায়াতে Islami দলসহ ১০ দলীয় জোটে বিভিন্ন শর্তে অংশগ্রহণের মাধ্যমে, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যে এনসিপির সর্বোচ্চ নেতৃবৃন্দ ও নীতিনির্ধারকরা মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছেন।

    নুসরাত আরও যোগ করেন, বিশেষ করে, বিভিন্ন সময়ে আহবায়ক মহোদয় এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের কাছ থেকে ৩০০টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা শুনেছি। তদ্ব্যতীত, এই জোটের ঘোষণা এবং মনোনয়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৃণমূল স্তরে যারা মনোনয়নপ্রাপ্ত, তাঁদের সাথে প্রবঞ্চনা হয়েছে বলে মনে করি।

    স্মৃতি ও পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে, আমি নিজেকে সংক্ষিপ্তভাবে জানাচ্ছি যে, আমি বর্তমানে নির্বাচনী সময়ের জন্য পার্টির কার্যক্রম থেকে নিজেকে বিরত রাখছি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি ও সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে যে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকছি।

  • নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন এনসিপি প্রার্থী মনজিলা ঝুমা

    নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন এনসিপি প্রার্থী মনজিলা ঝুমা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মনজিলা সুলতানা ঝুমা। তিনি দলের দক্ষিণাঞ্চলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক। গতকাল রোববার (২৮ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন।

    মনজিলা সুলতানা ঝুমা সেই পোস্টে উল্লেখ করেন, এনসিপি দেশের ১২৫টি সংসদীয় আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। এর মধ্যে খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে তাকে দল থেকে মনোনীত করা হয়। এর আগে, ২৪ ডিসেম্বর খাগড়াছড়ি জেলা থেকে তার মনোনয়নপত্র দলের পক্ষ থেকে উত্তোলন করা হয়।

    তবে, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি গতকালই দলের খাগড়াছড়ি জেলা আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে জানিয়ে দেন। ওই পোস্টে তিনি স্পষ্ট করেন, প্রাথমিকভাবে তারই সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন থাকলেও, তিনি নিজেই এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া ও দলকে অবহিত করেছেন।

    অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে মনজিলা ঝুমা বলেন, আমি অ্যাডভোকেট মনজিলা সুলতানা ঝুমা, তবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি অংশ নিচ্ছি না। তবুও, তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে তরুণরা একদিন সংসদে যাবে—আজ হয়তো নয়, তবে একদিন অবশ্যই।

    এদিকে, জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা করেছে এনসিপি। এই বিষয়টি জানাতে ২৮ ডিসেম্বর রাতেই রাজধানীর বাংলামটরে দলের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সেখানে তিনি বলেন, দলটির সর্বসম্মত মতের ভিত্তিতে এই জোট গঠন করা হয়েছে যাতে বৃহত্তর ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

    একাধিক নেতার পদত্যাগের বিষয়ে তিনি বলেন, এগুলো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এই বিষয়ে তাদের সঙ্গে আবার আলোচনা করা হবে, বোঝানোর চেষ্টা করা হবে।

  • আঙুলের ছাপ দিয়ে খালেদা জিয়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন

    আঙুলের ছাপ দিয়ে খালেদা জিয়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন

    আজ সোমবার (২৯ ডিসেম্বর), চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এটি তার জন্য এক বিশেষ মুহূর্ত, কারণ এই নির্বাচনকালে তিনি প্রথমবারের মতো স্বাক্ষরের পরিবর্তে আঙুলের ছাপ ব্যবহার করেছেন, যা ব্যাংকিং বা ভোটে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রে এখন সাধারণ হলেও রাজনীতিতে এটা নতুন এক পদ্ধতি।

    খালেদা জিয়া তিনটি আসনে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন—বগুড়া-৭, দিনাজপুর-৩, ও ফেনী-১।

    দিনাজপুর-৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন দুলাল ও সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি। এছাড়াও, এই আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমও মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

    বগুড়া-৭ আসনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য হেলাল উদ্দিন তালুকদার লালু এবং জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম।

    অপরদিকে, ফেনী-১ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম মজনু। এই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য এসব মনোনয়নপত্র দাখিলের মাধ্যমে তারা নির্বাচনী প্রচারনায় প্রস্তুতি শুরু করেছেন।

  • বগুড়া-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মীর শাহে আলম

    বগুড়া-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মীর শাহে আলম

    বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে আগামী নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী কে হবেন, এ নিয়ে বেশ গুঞ্জন রয়েছে। অবশেষে, বিএনপি পক্ষ থেকে মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়েছে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মীর শাহে আলমকে। রবিবার (২৯ ডিসেম্বর ২০২৫) বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে এই মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এ খবর নিশ্চিত করেছেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশাহ। এর আগে, বিএনপি এই আসনে সাবেক নেতা মাহামুদুর রহমান মান্নাকে মনোনয়ন দিয়েছিল। তবে তার ঋণখেলাপির কারণে তাকে নির্বাচন করার শঙ্কা দেখা দেয়। আজ সকালে ঢাকার একটি চেম্বার আদালত মান্নার ঋণ খেলাপির বিষয়টি ভুল সংশোধন করে, তাকে ঋণখেলাপি থেকে মুক্ত করে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি দেয়। এর ফলে এই আসন নিয়ে বেশ বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে আলম জানান, ‘আজ দলের পক্ষ থেকে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আমি বিকেল ৩টায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করবো।’ অন্যদিকে, বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশাহ বলেন, ‘মীর শাহে আলমকে দলের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এর আগে, মাহামুদুর রহমান মান্নাকে এই আসন ছেড়ে দিতে বলা হয়েছিল। তবে এখন দল প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।’

  • ফেনীতে খালেদা জিয়ার মনোনয়ন নিবন্ধন সম্পন্ন

    ফেনীতে খালেদা জিয়ার মনোনয়ন নিবন্ধন সম্পন্ন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ফেনী-১ আসনে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র জমা হয়েছে। আজ সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে দলের প্রার্থীরা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হকের কাছে এই মনোনয়নপত্র প্রদান করেন। বিএনপি নেতা ও নির্বাচনী সমন্বয়ক রফিকুল আলম মজনু, যিনি বর্তমানে ইভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় বিকল্প প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন, তিনি জানান, দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি খালেদা জিয়ার পক্ষে কাজ করবেন। এই সময়ে ফেনী-৩ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, ফেনী-২ আসনে দলের উপদেষ্টা অধ্যাপক জয়নাল আবদীনও মনোনয়নপত্র জমা দেন। এছাড়া, দুপুর ২টার মধ্যে ফেনী-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী এসএম কামাল উদ্দিন, ফেনী-৩ আসনে জামায়াতের ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক, পিআরপি চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম, বাসদ জেলা সভাপতি জসিম উদ্দিন ও জাতীয়পার্টির আবু সুফিয়ান ও অন্যান্য প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হক এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, তফসিল অনুযায়ী আজ সোমবার বিকেল ৫টার মধ্যে সকল প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন।

  • নির্বাচনে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে ইসির চিঠি

    নির্বাচনে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে ইসির চিঠি

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্নের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে এক জরুরি চিঠি পাঠিয়েছে। এই চিঠিতে তাঁরা বিশেষ করে প্রশাসনকে সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ জন্য নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত সকল কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা, নিরপেক্ষতা ও আইনানুযায়ী আচরণের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে মন্ত্রী ও দফতরগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে এই সংক্রান্ত ডিও লেটার মন্ত্রিপরিষদের সিনিয়র সচিবকে সরাসরি পাঠানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যে জানা যায়, এই নির্বাচন অক্টোবর থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার এবং ৪৯৯ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যেও সব الوز্রনালয়, বিভাগ, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও পর্যাপ্ত সংখ্যক ভোটদাতা কর্মকর্তার নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। এর পাশাপাশি, দেশের জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি ভোটার, সরকারি চাকরিজীবী, নির্বাচনী কর্মকর্তারা এবং জেলখানা ও আইনী হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থাও প্রবর্তন করা হয়েছে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব গ্রুপের ভোটদানের সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এ উদ্যোগের প্রতি অঙ্গীকার করে বলা হয়েছে, সকল নির্বাচনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী যেন দায়িত্বশীল ও সততার সঙ্গে কাজ করেন, এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখেন। নির্বাচনের দায়িত্বে যারা আছেন, তারা যেন সকল আইন-বিধান সম্পর্কে শুধু সতর্ক থাকেন, ভুলত্রুটি মুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করেন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা ও সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ে মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় আগামী ২৯ ডিসেম্বর। এরপর উল্লেখিত তারিখে মনোনয়নপত্র বাছাই, আপিল, শেষ দিনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার, প্রতীক বরাদ্দ ও প্রচারণার সময়সূচি নির্ধারিত রয়েছে। নির্বাচনে ভোট গ্রহনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • হাদিকে নিয়ে পোস্ট, চমক ও মামুনকে হত্যার হুমকি

    হাদিকে নিয়ে পোস্ট, চমক ও মামুনকে হত্যার হুমকি

    সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফুল ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। আকস্মিক এই হামলার ফলে হাদির গুরুতর আহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে সমাজের বিভুর অংশের পক্ষ থেকে তার সুস্থতা কামনা এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।

    অপর দিকে, হাদিকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার পর থেকে চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন, নাট্য নির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ এবং ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে হুমকিদাতার ফোন নম্বর ফাঁস করা হয়েছে এবং বান্নাহর অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।

    নির্মাতা মামুন সামাজিক মাধ্যমে এই হুমকির বিষয়ে জানিয়ে লেখেন, ‘হাদিকে নিয়ে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর থেকে আমাকে মারার হুমকি দিচ্ছে কেউ কেউ। তবে তারা জানে না, হাদি আমার কাছে এক অনেক প্রিয় নাম। আমি মৃত্যু থেকে কখনো ভয় পাই না। পৃথিবীতে এসেছিলাম আল্লাহর ইচ্ছায়, আমার মৃত্যুর তারিখও তিনি জানেন।’

    এই হুমকি আসছে ডাল্টন সৌভাতো হীরা নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে, যা আগে শরিফুল ওসমানের হাদিকেও হুমকি দিয়েছিল।

    এদিকে, অনন্য মামুনের বিষয়ে এক কটাক্ষ করে লেখেন, ‘ওই বাটপারের নামই ভুলে গেলাম। অনন্য মামুন – দ্য পিম্প। ও যেন শান্তিপূর্ণ জীবন যাপন করে। তার সিনেমা হলে কোনো রকমের অসুবিধা হলে সেটাও ও নিজে থেকে করবে।’

    অন্যদিকে, বান্নাহ ও চমককে যেন কেউ কাজের জন্য না ডাকার জন্য সতর্ক করে দিয়েছেন হুমকি প্রদানকারী। তিনি লিখেছেন, ‘মাবরুর রশীদ বান্না ও রুকাইয়া জাহান চমক, যেখানে বঙ্গবন্ধুর ৩২ ভাঙার পর কুৎসিত উল্লাস হয়েছে, এই দুইজনকে যদি কেউ মিডিয়ায় কাজে ডাকার চেষ্টা করেন—তাহলে সেটি নিজের দায়িত্ব নিয়ে করবেন। এতে আপনার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে তার দায়িত্ব কোনো কেউ নেবে না।’

    এছাড়াও, চমক ও বান্নাহর অবস্থান শনাক্তের জন্য আইটি টিম কাজ করছে জানান হয়েছে, ‘এই দুই লাল বদরের যাবতীয় তথ্য ট্রেস করা হবে, যা আমাদের কাছে আসবে। তাঁদের যথাযথ অভিযোগ ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

  • অভিনেত্রীর ওপর ভিড়ের মধ্যে হেনস্তার ঘটনা, ওড়না টেনে ধরার অভিযোগ

    অভিনেত্রীর ওপর ভিড়ের মধ্যে হেনস্তার ঘটনা, ওড়না টেনে ধরার অভিযোগ

    প্রিয় তারকাদের সাথে ছবি তুলতে অনেক অনুরাগীই উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। তারা ছুটে যান নিজের প্রিয় অভিনেতাদের কাছে ছবির জন্য, এমনকি অনেক সময় সেলফি তোলার সময় তাঁরা অভিনেতাদের হাতেও ধরেন। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই সাধারণ ভক্তি অতিক্রম করে যায়, যা দুঃখজনক। সম্প্রতি দক্ষিণী জনপ্রিয় অভিনেত্রী নিধি আগরওয়ালের সঙ্গে এক অপ্রত্যাশিত ও দুঃখজনক ঘটনা ঘটে।

    ঘটনাটি ঘটে গতকাল বুধবার রাতের। এই ঘটনাটি ইতিমধ্যেই ভিডিওর মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, দক্ষিণী সুপারস্টার অভিনেতা প্রভাস এবং নিধির নতুন সিনেমা ‘রাজা সাব’-এর গানের লঞ্চের পর বেরোচ্ছিলেন। তখন ভক্তরা নিরাপত্তা লঙ্ঘন করে এগিয়ে আসতে থাকেন। এক গ্রুপ মানুষ রাস্তা অবরোধ করে দাঁড়িয়ে যান, কেউ পেছন থেকে ধাক্কা দিতে থাকেন। এছাড়াও কিছু ভক্ত নিধির গায়ের ওড়না ধরে টান মারছেন, যা সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় এবং অশোভন।

    উৎসুক ভিড়ে অভিনেত্রীর দিকে হামলে পড়া এ ধরনের আচরণ তাঁকে গাড়িতে পৌঁছানোর সময় কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি করে। নিধির এই অসহনীয় পরিস্থিতি দেখে অনেক নেটিজেন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা মন্তব্যের ঘরে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ জানান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও সমালোচনা করেন। একজনই লিখেছেন, ‘মানুষের এই দল হায়নার চেয়েও খারাপ আচরণ করছে। পুরুষরা কি করে একজন মহিলাকে এভাবে হয়রানি করে? ঈশ্বর তাদের সবাইকে অন্য কোথাও রাখুক।’

    বৈচিত্র্যপূর্ণ তেলুগু ছবির এই জনপ্রিয় নায়িকা ‘মুন্না মাইকেল’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন। এই ছবিতে তার সহশিল্পী ছিলেন টাইগার শ্রফ। এর আগে, তিনি শেষবার বড় পর্দায় দেখা গিয়৷ ‘সানি দেওলের বিপরীতে’ জাট সিনেমায়। তাঁর ক্যারিয়ার এখনো অব্যাহত রয়েছে, এবং এই ধরনের ঘটনা থেকে তিনি শক্তির সঙ্গে উঠে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা করছেন।

  • বিলিয়ন বিক্রিত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ক্রিস রিয়া আর নেই

    বিলিয়ন বিক্রিত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ক্রিস রিয়া আর নেই

    ব্রিটিশ মহান সংগীতশিল্পী ও গীতিকার ক্রিস রিয়া সোমবার (২২ ডিসেম্বর) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। পরিবারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বেশ কিছু দিন অসুস্থ থাকার পর তিনি শান্তিপূর্ণভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন।

    ক্রিস রিয়া ১৯৫১ সালে ইংল্যান্ডের মিডলসবরোতে জন্মগ্রহণ করেছেন। তিনি ব্লুজ, পপ ও সফট রক সঙ্গীতের একজন প্রবাদপ্রতিম জাদুকর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার ক্যারিয়ারে তিনি দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন এবং ২৫টি স্টুডিও অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন। বিশ্বজুড়ে তার অ্যালবাম বিক্রি হয়েছে ৩০ মিলিয়নেরও বেশি কপি। তার কালজয়ী গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘দ্যা রোড টু হেল’, ‘অন দ্য বিচ’, ‘জোসেফিন’ এবং ‘লেটস ড্যান্স’।

    বিশ্বজুড়ে বিশেষ করে বড়দিনের সময় তার জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যায়, যেখানে তার ক্রিসমাস গানের জন্য তিনি বেশ পরিচিত। ১৯৮৬ সালে লেখা ‘ড্রাইভিং হোম ফর ক্রিসমাস’ গানটি আজ বড়দিনের একটি ঐতিহ্যবাহী সংগীত হিসেবে পরিচিত। তার এর সময় তিনি এত বেশি অসুবিধার মধ্যেও গান লিখেছেন—তার হাতে কোনো রেকর্ড চুক্তি ছিল না, এমনকি ট্রেনের টিকিটের টাকা না থাকায় স্ত্রীকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে লন্ডন থেকে মিডলসবরো ফিরছিলেন।

    তার জীবন বিভিন্ন চড়াই উৎরাই পেরিয়েছে। ২০০১ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুর পারদর্শী হয়ে উঠেছিলেন। ২০১৬ সালে স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। তবে এসব বাধা সত্ত্বেও তিনি গানের প্রতি তার ভালোবাসা কখনো কমেনি। জীবনের শেষ দিকে তিনি পপ সংগীতের বদলে ‘ডেল্টা ব্লুজ’ ক্যাটাগরিতে মনোযোগ দেন।

    তার মৃত্যুতে বিশ্বসংগীত অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, আর তিনি সুরের মাধ্যমে কোটি ভক্তের হৃদয়ে অমর থাকবেন। মৃত্যুকালে তিনি রেখে গেছেন স্ত্রী জোয়ান এবং দুই মেয়ে জোসেফিন ও জুলিয়াকে।

  • সালমান খান মাত্র ৬০ বছর বয়সে পা দিলেন

    সালমান খান মাত্র ৬০ বছর বয়সে পা দিলেন

    বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় তারকা সালমান খান আজ (২৭ ডিসেম্বর) তাঁর ৬০তম জন্মদিন উদযাপন করছেন। এ বিশেষ দিনে তিনি জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করলেন। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা রীতি অনুসারে, এই জন্মদিন তিনি পরিবার, ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব এবং চলচ্চিত্র অঙ্গনের নির্বাচিত কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে সাবেক ব্যক্তিগত পরিসরে পানভেলের একটি ফার্মহাউসে উদযাপন করে আসছেন।

    জাঁকজমকপূর্ণ বড় আয়োজনের পরিবর্তে, সালমানের এই জন্মদিনের উদযাপন অনেকটাই সরাসরি ও আন্তরিক। অতিথিদের তালিকা সচেতনভাবেই সীমিত রাখা হয়েছে, যাতে মূলত ঘরোয়া পরিবেশে মানসিক ভাবেও কাছাকাছি থাকা যায়। এতে উপস্থিত আছেন তার পরিবারের सदस्य, ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব এবং দীর্ঘদিনের সহকর্মী পরিচালকরা। সূত্রের খবর, এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল শুধুমাত্র আড্ডা, স্মৃতিচারণা এবং আন্তরিক সময় কাটানো, বড় ধরনের কোনো আয়োজন নয়।

    এছাড়াও, এই দিনটির অন্যতম আকর্ষণ হলো একটি বিশেষ নির্মিত ট্রিবিউট ভিডিও, যেখানে সালমান খানের তিন দশকের ক্যারিয়ারে তার সঙ্গে কাজ করা বিভিন্ন পরিচালক ও সহকর্মীরা ব্যক্তিগত বার্তা দিয়েছেন। তারা তাঁদের কাজের অভিজ্ঞতা, স্মরণীয় ঘটনার গল্প এবং সালমানের অভিনয়জীবনের বিবর্তন ও তার ভারতীয় সিনেমায় দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেছেন।

    ভারতীয় সিনেমার হিরো হয়েও, সালমানকে ভক্তরা ‘ভাইজান’ বলে ডাকে। এটি শুধুমাত্র একটি ডাকনাম নয়, বরং তার সঙ্গে মানুষের গভীর সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ। তিনি যেন এক পরিবারের বড় ভাইয়ের মতো, যার মাধ্যমে অসংখ্য তরুণ ও নবাগত অভিনেতা বলিউডে প্রতিযোগিতামূলক যাত্রা শুরু করতে পেরেছেন। তার এই ভাইজান হওয়ার পেছনে প্রেম, দায়িত্ববোধ এবং আন্তরিকতা কাজ করে, যা তাকে শুধু নায়কই নয়, এক প্রজন্মের জন্য একজন দায়িত্বশীল অভিভাবকও করে তুলেছে।

    এই বছরের জন্যই এটি আরও গুরুত্বপুর্ণ কারণ সালমান খান হলেন বলিউডের ‘খান’ ত্রয়ীর মধ্যে শেষ ব্যক্তিটি, যিনি ৬০ বছরে পা রাখলেন। এর আগে এই বছরই ৬০ বছর পূর্ণ করেছেন আমির খান ও শাহরুখ খান। এই মুহূর্তটি প্রতীকীভাবেই বলিউডের এক যুগের অবসান সূচক, যেখানে তিন দশকেরও বেশি সময় সিনেমার ইতিহাসে আধিপত্য বিস্তার করে কেন্দ্রীয় অবস্থান ধরে রেখেছিল। একই সঙ্গে এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, বয়স বাড়লেও সালমানের প্রাসঙ্গিকতা ও আবেদন অটুট রয়েছে। আর এই দিনটি যেমন তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে এক বিশেষ উপলক্ষ, তেমনি বলিউডের ইতিহাসেও এক মহৌদ্ধব মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হবে।