বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, যারা এক সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে মানতে চাননি, তারা আজীবন দেশের অগ্রগতি ও উন্নতির বিরোধিতা করে আসছে। আর সেই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিগুলিই এখন নানামুখী চক্রান্তে লিপ্ত হয়ে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চেষ্টা করছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় খালিশপুরের ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, বর্তমানে দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুবিধা নিয়ে কিছু পরিকল্পিত মহল নানামুখী চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তারা এমনকি অতীতে বাংলাদেশের অস্তিত্ব অস্বীকার করতে চেয়েছিল, এখন তারা ছদ্মবেশ ধারণ করে দেশের ও দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করছে। তিনি উল্লেখ করেন, এরূপ অপপ্রচার ও কুৎসা রটিয়ে দেশের বৃহত্তম ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপকৌশল চালাচ্ছে একেকটা গোষ্ঠী। বিএনপি আজ এসব অপশক্তির প্রধান লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রাজনৈতিক নেতা বকুল আরো বলেন, শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক ও দলটির কর্মীরা এসব ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। দলের স্বার্থে ইস্পাত কঠিন ঐক্য বজায় রাখতে হবে এবং উসকানি বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে ঐক্যবদ্ধ থেকে সকল চক্রান্তের মোকাবিলা করতে হবে। জনগণের শক্তির সমর্থনে বিএনপির বিরুদ্ধে চলমান অপকৌশলগুলো জনগণই রুখে দেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক স্মরণ সভা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ইউনুছ মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, আঃ সামাদ স্যার, আবুল বাশার বাদশা, সৈয়দ কামরুজ্জামান, সাইফুল ইসলাম বাবুল, মোহাম্মদ আলী ওস্তাদ, নাজমুল বাবু, বাবুল হোসেন খোকন, এম এ রউফসহ খালিশপুর থানা ও ওয়ার্ড বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত ও দেশের কল্যাণ কামনায় একটি মোনাজাত করা হয়। দোয়া মাহফিলে স্থানীয় বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবর্গ ও সাধারণ জনগণ ব্যাপক সংখ্যায় অংশ নেন।
Blog
-

খুলনার ৬ আসনে মোট ৩৮ প্রার্থী পেয়েছেন প্রতীক
সারাদেশের মতো খুলনাতেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ ও ইশতেহার পাঠের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। এই কার্যক্রম বেলা ১১টার পর থেকে খুলনা জেলা নির্বাচন অফিস, জেলা প্রশাসক কার্যালয় ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে শুরু হয়। এ সময় খুলনার ছয়টি আসনের মোট ৩৮ জন প্রার্থীকে তাদের নির্বাচন প্রতীক প্রদান করা হয়। দলীয় প্রতীক ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নিজের নিজের ইচ্ছেমতো প্রতীক নির্ধারণ করেন। প্রতীক বরাদ্দের পর বেশ কয়েকজন প্রার্থী তাদের নির্বাচনী ইশতেহারও ঘোষণা করেন। বিশেষ করে, খুলনা ৫ নম্বর আসনের জন্য প্রার্থী হয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামার পর, নির্বাচন পরিচালনায় কোনো বিভ্রান্তি যেন না হয়, এ জন্য তিনি শঙ্কা ব্যক্ত করেন জামায়াত ইসলামের সেক্রেটারী জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে কালো টাকা আর সন্ত্রাসের বিস্তার রোধ করতে হবে এবং সবাইকে নিরাপত্তা নিশ্চিতে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে।’ অন্যদিকে, বেশ কিছু রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে বিএনপি, ও অন্যান্য প্রার্থীরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানান। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই এলাকার ভোটার ও প্রার্থীমrush সঙ্গে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আগামীকাল থেকে সবাই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করবেন এবং ভোটের মাঠে নিজেদের শক্তিশালী করণ জন্য প্রস্তুতি নেবেন।
-

আপনার ভোট আপনার অধিকার: খুশি মনে ভোট দিন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করুন
খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, ভোটের গুরুত্ব এবং তাৎপর্য নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে ভোটপ্রার্থীরা প্রতি নির্বাচনে তাদের কাছে পৌঁছান। তিনি পরিষ্কারভাবে বলেন, ভোট দেওয়া আমাদের মূল অধিকার এবং আপনি যাকে খুশি মনে ভোট দিতে পারেন। এই স্বাধীনতা কেউ কোনোভাবেই খর্ব করতে পারে না। নির্বাচনের সময় এএসকল অধিকার রক্ষা করতে দায়ী থাকেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আপনি ইচ্ছেমতো যা মনে করেন, যেমন মার্কায় ভোট দিতে পারেন, এটি সম্পূর্ণ আপনার স্বতন্ত্র সিদ্ধান্ত। কেউ এতে বাধা দিতে পারবে না।
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার মাজার সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত গণভোটের প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণ সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলী ইমাম মজুমদার। বক্তারা বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে আগামী পাঁচ বছরের জন্য কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভিত্তিতে গণভোটের হ্যাঁ বা না ভোট গুরুত্বপূর্ণ। দেশের পরিচালনা কারা করবে, সেটাও নির্ভর করে দেশের জনগণের ইচ্ছার উপর। তিনি সমাবেশে সবাইকে অনুরোধ করেন, গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার জন্য।
আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণের দায়িত্ব আপনারাই। যাকে আপনি ভোট দেবেন, তিনি এই দেশের নেতৃত্বে আসবেন। তাই আপনার ভোটই দেশের ভবিষ্যত গড়ে দেবে। বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, জেলা নিবাচন অফিসার মোহাম্মদ আবু আনসার, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মুইনুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় শিক্ষক, ইমাম ও সমাজের বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে, একই দিনে সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বাগেরহাটে জেলা পর্যায়ে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: মমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু আনসার, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মুইনুল ইসলাম, কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক ও ইমামগণ।
সম্মেলনে গণভোটের গুরুত্ব, জাতীয় সংসদ ভোটে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন ও দক্ষ সংসদ সদস্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোচনা হয়। প্রার্থীর যোগ্যতা ও নির্বাচন প্রক্রিয়া বিষয়ে আলোচনা করে ইমামদেরও অনুরোধ করা হয় এই ব্যাপারে জনগণকে সচেতন করতে। ঐসময় বিভিন্ন স্থানে মোট ৫শ’র বেশি ইমাম এই সভায় অংশগ্রহণ করেন।
-

সোনার দামে আবার রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা
দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও দেখা গেল দামের বিশাল উল্লম্ফন। এই মুহূর্তে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে সোনার মূল্য। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে, এখন থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বেশি। এই নতুন মূল্য কার্যকর হবে আগামী মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি থেকে।
বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা তাজা সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে এই মূল্যনির্ধারণ করা হয়েছে। এই দামে যোগ হবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি। গহনার ডিজাইন ও মানের ভেদে অনেক বেশি বা কম হতে পারে মজুরির পরিমাণ।
সাম্প্রতিক আগে, গত ১৪ জানুয়ারি, একই সংগঠন দেশের স্বর্ণবাজারে দাম সমন্বয় করেছিল, তখন ভরিতে ২৷৬২৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য ছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা, যা ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির ১৫৭ হাজার ২৩১ টাকা নির্ধারিত হয়।
এটি দেশের স্বর্ণবাজারে চলতি বছরের অষ্টম মূল্যসমন্বয়, যেখানে ছয় দফায় মূল্য বাড়ানো হয়েছে এবং দুটি দফায় কমানো হয়েছে।
অতীতের মতো, রুপার দামের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে। ভরিতে ২৯১ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে এক ভরি রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৬ হাজার ২৪০ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের রুপার ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫ হাজার ১৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ৩ হাজার ৮৪৯ টাকায় নির্ধারিত হয়েছে।
-

রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, বিনিয়োগ বাড়বে: গভর্নর
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, দেশের মধ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে, এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক গতি দ্রুতই বাড়বে। তিনি আরও বলেন, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করা হচ্ছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর গুলশানে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর উল্লেখ করেন, দেশের তারল্য সংকট ধীরে ধীরে কমে আসছে। আগে যেখানে অর্থনীতিকে চাপে ফেলত অক্সিজেনের অভাব, যেখানে শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করত তারল্যের অভাব, এখন সেই চাপ কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো পূর্বে ঝুঁকি এড়িয়ে বেশি মুনাফা করত, তবে এখন সরকারের অর্থনৈতিক নীতির কারণে তারা অস্বস্তিতে রয়েছে। ভবিষ্যতে নাড়াচাড়া ও সঠিক ঋণগ্রহীতাকে বিবেচনা করে ব্যাংকগুলোকে আরও কঠোর হতে হবে।
তিনি বলেন, দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। চলতি অর্থবছরে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও অন্যান্য মূল্যপণ্য সস্তা হওয়ায় দেশের আমদানির ওপর চাপ কমেছে।
সুদ হার নিয়ে তিনি জানান, এই মুহূর্তে এটি দেশের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। তবে বিনিময় হার মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। দেশের টাকা আরও আকর্ষণীয় করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতিমধ্যে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার কিনেছে, যা আন্তর্জাতিক বিতরণের চেয়েও বেশি। এছাড়া, বাজারে আরও ৪৫ বিলিয়ন টাকা ছাড় করা হয়েছে। এর ফলে তারল্য ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
গভর্নর বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতা ব্যবসায়ের ওপর কিছু প্রভাব ফেলেছে, তবে যাদের টিকে থাকার সক্ষমতা রয়েছে, তারা সহায়তা পেয়েছে। কোনো দল বা গোষ্ঠীর ভিত্তিতে বৈষম্য সৃষ্টি হয়নি। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, খুব দ্রুত সুদের হার কমানো ঠিক নয় কারণ এতে অর্থনীতির বিনিময় হার ও বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনে অস্থিতিশীলতা বাড়তে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে মূল্যস্ফীতি এখনও ৮ শতাংশের ওপরে রয়েছে, যা লক্ষ্য করা হয় যে ৫ শতাংশের নিচে নামাতে এখনো কিছু সময় লাগবে। মূল্যস্ফীতি ১ শতাংশ কমলেই নীতিগত সুদের হার কমানো হবে। ইতিমধ্যে বড় ঋণগ্রহীতাদের জন্য সুদের হার প্রায় ২ শতাংশ কমানো হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিদিন উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ডেটা বিশ্লেষণ করছে, যেখানে রয়েছে বিনিময় হার, সুদের হার, রিজার্ভ, রেমিট্যান্স, ও আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত তথ্য। সেই সঙ্গে প্রতিদিনই রেমিট্যান্সের প্রবাহ পর্যবেক্ষণ চলমান, যেখানে সোমবার রেমিট্যান্স এসেছে ১৭০ মিলিয়ন ডলার বেশি। চলতি মাসে এখন পর্যন্ত, গত মাসের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রায় ৬৯ শতাংশ বেশি। মাসিক ও সাপ্তাহিক ডেটার পাশাপাশি এখন ত্রৈমাসিক জিডিপি রিপোর্টও পাওয়া যাচ্ছে, যা অর্থনীতির তুলনামূলক বিশ্লেষণে সহায়তা করছে।
অতীতের অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এমসিসিআই’র সভাপতি কামরান টি রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জেমস গোল্ডম্যান, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ, এবং পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার প্রমুখ।
-

নিপ্পন পেইন্টকে অ্যাডভান্সড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক
নিপ্পন পেইন্ট বাংলাদেশ-কে উন্নত এবং আধুনিক ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো নিপ্পন পেইন্টের ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটরদের সংগ্রহের অর্থের ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, ফালাফলাত্মকতা বৃদ্ধি করা এবং পণ্য বিতরণের প্রক্রিয়াগুলিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
চুক্তির আওতায় নিপ্পন পেইন্ট ব্র্যাক ব্যাংকের ডেটা এপিআই ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যক্রমকে আরো আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় করবে। এর ফলে, ব্র্যাক ব্যাংকের ডিজিটাল ট্রানজ্যাকশন প্ল্যাটফর্ম ‘কর্পনেট’র সঙ্গে যুক্ত হয়ে তারা ২০০টির বেশি ডিস্ট্রিবিউটরের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থের তথ্য সরাসরি ইআরপি সিস্টেমে দেখা যাবে, যা সময় ও শ্রম খরচ যথেষ্ট কমিয়ে দেবে।
এই সমঝোতার ফলে নিপ্পন পেইন্টের নগদ প্রবাহের দৃশ্যমানতা বাড়বে, রিসিভেবল ম্যানেজমেন্টের প্রক্রিয়া সহজতর হবে এবং ডিস্ট্রিবিউশনের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার হবে। এই উদ্যোগ ব্র্যাক ব্যাংকের ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ে স্বাক্ষরিত হয়। এই অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব হোলসেল ব্যাংকিং মো. শাহীন ইকবাল, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব কর্পোরেট, কমার্শিয়াল অ্যান্ড ইনস্টিটিউশনাল ব্যাংকিং আসিফ বিন ইদ্রিস, অ্যান্ড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং এরিয়া হেড এ. কে. এম. ফয়সাল হালিম এবং রিলেশনশিপ ইউনিটের এস এম মুসা উপস্থিত ছিলেন।
নিপ্পন পেইন্টের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির জেনারেল ম্যানেজার রাজেশ সিরকার, সিনিয়র ম্যানেজার সালাহ উদ্দিনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এই যৌথ উদ্যোগটি প্রযুক্তিনির্ভর ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে কর্পোরেট গ্রাহকদের স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতির অংশ। ব্র্যাক ব্যাংক তাদের এই পরিষেবার মাধ্যমে কর্পোরেট ক্লায়েন্টদের স্বতন্ত্র ব্যবসায়িক উন্নয়নে অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক বিকাশে এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।
-

সোনার ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্য ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা
দেশীয় বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন দাম অনুযায়ী প্রতি ভরি সোনার মূল্য সর্বোচ্চ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এখন দেশের বাজারে সোনার মূল্য পৌঁছেছে দুই লাখ ৪৪ হাজার টাকার আশেপাশে, যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ মূল্য।
বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, এই মূল্যবৃদ্ধির কারণ হলো বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়া। আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজারে স্বর্ণের দাম এখন প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৭৪৫ ডলার ছাড়িয়েছে। এর প্রভাব দেশের বাজারে এসে পৌঁছেছে।
নতুন এই দামে, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার একটি ভরি দাম এখন দুই লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা, এবং ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৮ টাকা। অন্য দিকে, ১৮ ক্যারেটের সোনার মূল্য এক লাখ ৯৯ হাজার ৭৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি সোনার হার এখন এক লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা প্রতি ভরি।
সোনামের পাশাপাশি ব metais রুপার দামেও বৃদ্ধি দেখা গেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৬ হাজার ৫৯০ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ২৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রূপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা প্রত্যকে ভরি।
বাজুসের এই ঘোষণা আজ থেকে কার্যকর হবে, যা দেশের স্বর্ণ ও রুপার বাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।
-

মোবাইল ফোনের আমদানির শুল্ক কমল, ফলে ফোনের দাম হ্রাসে প্রত্যাশা
আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্ক কমানোর ঘোষণা দিয়েছে, যাতে সাধারণ জনগণের জন্য মোবাইল ফোনের দাম আরও সাশ্রয়ী হয়। এর ফলে মোবাইল ফোনের উত্পাদন ও আমদানির খরচ কমে গেলে, ক্রেতারা বেশি জনপ্রিয় ও সুবিধাজনক দামে মোবাইল কিনতে পারবেন।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, মোবাইল ফোনের ওপর প্রযোজ্য কাস্টমস ডিউটি আগের ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি, দেশীয় মোবাইল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নিধারিত হয়েছে। এবিষয়ে এনবিআর থেকে আজ পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যাকে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ।
এনবিআর জানিয়েছে, এই শুল্ক কমানোর ফলে মোবাইল ফোনের উপর মোট শুল্কের হার ৬০ শতাংশ কমে গেছে। এর ফলে, মোবাইল ফোনের আমদানি খরচ কমায়, মোবাইল প্রস্তুতকারক ও আমদানিকারকদের জন্য প্রতিযোগিতা আরও সমান হবে। বিশেষ করে, উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ৫০ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের কারণে, ৩০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের প্রতি সম্পূর্ণ মোবাইল ফোনের দাম প্রায় ৫ হাজার ৫০০ টাকা কমবে। এছাড়া, দেশে সংযোজিত সামগ্রী বা মোবাইল ফোনের দাম প্রতিটি প্রায় দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত হ্রাস পাবে।
সরকারের এই শুল্ক হ্রাসের ফলে দেশের সাধারণ মানুষ মোবাইল ফোন কেনাকাটায় আরও সুবিধা পাবেন, এবং ডিজিটাল সেবাগ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। মোবাইল ফোনের দাম জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকারের এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
-

মির্জা ফখরুলের মন্তব্য: অতীতে যারা স্বীকার করেনি, এখন বেশি দুষ্টামি করছে
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অতীতে যারা বাংলাদেশকে স্বীকার করেনি, তারা এখন সবচেয়ে বেশি দুষ্টামি করছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। এটি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, পরিকল্পিতভাবে বিএনপি বিরুদ্ধে অনেক ধরনের অপপ্রচারা চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, এখন ওদের সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে বিএনপি। অতীতে যারা বাংলাদেশকে স্বীকার করেনি, তাদেরই এখন সবচেয়ে বেশি দুষ্টামি করছে। তিনি আরও বলছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্দেশিত হবে দেশের রাজনীতি কিসের হাতে থাকবে—লিবারেল 민주তন্ত্রের বা উগ্রবাদী ও রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির।
ফখরুল বলেন, ’যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, আমাদের মা-বোনদের সম্মানহানি করেছেন, পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছেন—তাদের আমরা ভুলে যাইনি। তবে মত প্রকাশ ও রাজনীতি চালিয়ে যাওয়ায় তারা স্বপ্ন দেখবেন না যে ধর্মের নামে মানুষের বিভ্রান্তি করে, ভুল বোঝানো যায়। এটা তাদের এক ধরনের মোনাফেকি। তাদের বাস্তব কাজ হলো মানুষকে বিভ্রান্ত করা ও ভুল বোঝানো।’
তিনি আরও বলেন, আজকে তাদের অপপ্রচার চলছে বিভিন্ন মাধ্যমে। তারা বিএনপিকে নিয়ে মিথ্যা প্রচার করে। বাংলাদেশ যখন মুক্তিযুদ্ধ করেছে, তখন সবাই এর বিরোধিতা করেছে। এখন বাংলাদেশের মানুষ নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায়, এমনকি তারেক রহমানের আধুনিক ও পরিবর্তনশীল রাজনীতি গ্রহণ করতে উন্মুখ। কিন্তু তাদের ধর্মের নামে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে কিছু উগ্রবাদী শক্তি।
ফখরুল বলেন, আমাদের পরিষ্কার বক্তব্য, আমরা ধর্মে বিশ্বাস করি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বঙ্গন্ধু মুজিব প্রথম সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ লিখেছিলেন। তিনি আল্লাহর উপর আস্থার কথাও বলেছিলেন। তাই, ধর্মের নামে অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র ২৩ দিন বাকি থাকল নির্বাচন থেকে। অনেকের এসব নিয়ে সংশয় থাকলেও আসল সত্য হলো, তাদের ভোটই নেই। তারা বড় গলা দিয়ে বলে, নির্বাচন হবে না। তবে বিএনপি নির্বাচন চায়, জনগণের কাছেও যাবে। যদি জনগণ আপনাদের গ্রহণ করে তবে তা হবে সমর্থন, আর না করলে বিরোধী দলে থাকবো। তাহলে কেন এত গলাকাটা গালমন্দ? এই মুহূর্তে আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আমাদের যেন সঠিক পথ বেছে নিতে হয়।
বিএনপির নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক, উদারমূলক ও মানুষের কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্য দ্রুত সামনে আনা হচ্ছে। ৩১ দফা কর্মসূচি ও নতুন ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার্স কার্ডের মতো পরিকল্পনাগুলোর মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করে নির্বাচনে জয় লাভের জন্য কাজ চালিয়ে যেতে হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ আরো অনেকে।
-

এনসিপির আরও তিন আসনে প্রার্থী ঘোষণা
শরিয়তাধীন ১০টি দলের নির্বাচনী জোট জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে অংশ নেওয়া এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি) গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) তিনটি আসনের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত ঘোষণা করেছে। এই আসনগুলো তাদের জন্য ফাঁকা ছিল, যেখানে এখন ভোটাররা প্রার্থী পেতে যাচ্ছে। দলটির মিডিয়া সেলের প্রধান মাহবুব আলম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নেত্রকোনা-২ আসনে ফাহিম পাঠান, মৌলভীবাজার-৪ আসনে প্রীতম দাশ, এবং রাজবাড়ী-২ আসনে জামিল হিজাযী এই তিনটি আসনের জন্য নির্বাচনে লড়বেন।
এর আগে, রোববার (১৮ জানুয়ারি) এনসিপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ২৭টি আসনের প্রার্থী ও তাদের ছবি সংবলিত পোস্টার প্রকাশিত হয়। যেখানে নির্বাচনী প্রতীকের জন্য দলের প্রতীক ‘শাপলা কলি’ মার্কা ব্যবহৃত হয়।
শুধু মাত্র তিনটি আসনের প্রার্থীই নয়, এনসিপির প্রার্থীরা মোট ৩০ আসনে প্রতিদ্বন্দিতা করছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ঢাকা, রংপুর, কুমিল্লা, পঞ্চগড়, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, সিরাজগঞ্জ, নরসিংদী, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, দিনাজপুর, নোয়াখালী, কুড়িগ্রাম, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, পিরোজপুর ও নাটোরের বিভিন্ন কেন্দ্রে দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, এর আগে ২৫৩টি সংসদীয় আসনে নির্বাচনী সমঝোতা ঘোষণা করে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলের জোট। যদিও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের সদস্যরা এই ঐক্যে যোগ না দিয়ে স্বতন্ত্রভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচন ঘোষণা করেছে, এবং বাকি ৩২ আসনে তারা অন্যদের সমর্থন দেবে।
এভাবে, এনসিপি মোট ৩০ আসনে নির্বাচন করছে, যেখানে তাঁদের ৪৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ইসলামি আন্দোলনের সদস্যরা এই ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরে, এনসিপি জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা করে আসন সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়েছে।
