ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্য ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলমান। এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে প্রায় ১২শ’ দেশি-বিদেশি অতিথির উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে বিএনপি। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের এক মহামূল্যবান অনুষ্ঠান। সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ। নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা এ দিন শপথ নেবেন এবং তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদে সদস্য হিসেবে পৃথকভাবে শপথগ্রহণ করবেন। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা রীতির বাইরে এবার এই শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে বঙ্গভবনের পরিবর্তে সরাসরি জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। নতুন মন্ত্রী পরিষদের শপথ পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম সিরাজ মিয়া। বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন। বিএনপির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই অনুষ্ঠানে প্রায় ১২শ’ জন দেশি-বিদেশি অতিথি উপস্থিত থাকবেন। এর মধ্যে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু উল্লেখযোগ্য। এছাড়া নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা এবং শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নলিন্দা জয়তিসার অনুষ্ঠানে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাজ্যের ভারত–প্রশান্ত মহাসাগর বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রার উপস্থিতির সম্ভাবনাও রয়েছে। শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এ ঘটনার মাধ্যমে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ব্যাপক উত্তেজনা ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।
Blog
-

এবার একুশে পদক পাচ্ছেন ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান
সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের পাবলো বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ৯ জন ব্যক্তিকে এবং একট প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক-২০২৬ প্রদান করার জন্য। রোববার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অনুষ্ঠান শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এই স্বীকৃতি পেতে মনোনীত ব্যক্তিরা হলেন অভিনয়ে জনপ্রিয় নায়িকা ফরিদা আক্তার ববিতা, চারুকলার প্রফেসর ডাঃ মোঃ আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, সংগীতের জন্য আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), নৃত্যে অর্থি আহমেদ, পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় প্রফেসর ডাঃ মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং ভাস্কর্য্যে তেজস হালদার জস। এছাড়াও সংগীতের মাধ্যমে ওয়ারফেজ নামক সংগঠনকে এ বছর এই পুরস্কার প্রদান করা হবে। এই পদক দেশের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকার স্বীকৃতি হিসেবে দারুণ সাড়া ফেলেছে।
-

জাতীয় পার্টির বিপর্যয়: খাতাই খুলতে পারেনি দলটি
প্রতিষ্ঠার পর থেকে চার দশকের এক বিস্ময়কর মাইলফলক হিসেবে দেশের সংসদ নির্বাচনে বেশির ভাগ সময়ই শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছিল জাতীয় পার্টি (জাপা)। তবে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন চেহারা দেখিয়েছে এই দল। ১৪তম সংসদ নির্বাচনে দলটি প্রার্থী দিয়েছিল ১৯৬টি আসনে; কিন্তু কোনওটিতেই জয় লাভ করতে পারেনি। বিশেষ করে রংপুরের দলটির ‘দুর্গ’ হিসেবে পরিচিত আসনগুলোতেও দেখা গেছে হতাশাজনক ফলাফল। এই ভয়াবহ পরাজয়ে সবচেয়ে বড় আঘাত এসেছে দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদের এবং মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর শোচনীয় নৈখিক হার। তারা নিজ নিজ আসনে তৃতীয় স্থানেইহ করেছেন।
রংপুরের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বাড়ি রয়েছে এই শহরে। আর এখানেই ছিল দলের মূল শক্তির কেন্দ্র। অতীতে এখান থেকে উচ্চমানের ভোট পেয়ে নিজেদের অবস্থান জোরদার করত দলটি। আলবানী ঢেলে দিয়ে ১৯৯১ সালে এক নজির সৃষ্টি করে ২২১টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৩৫টি আসনে জয় পায় জাপা। এরপর ১৯৯৬ সালে ৩২টি, ২০০১ সালে ১৪টি আসনে তারা জয়লাভ করে। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের অংশ হিসেবে ২৭টি আসনে জয় অর্জন করে। ২০১৪ সালে একতরফা নির্বাচনে দলের ৩৪ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়। ২০১৮ সালে মহাজোটের অংশ হিসেবে ২২টি আসনে জয় ছিনিয়ে নেয় দলটি। আর সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনে পায় ১১টি আসন। কিন্তু এবার পুরো নির্বাচনে তাদের চোখে কিছুই পড়েনি — দলের কোনও আসন থেকেই জোরদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা জয় পাওয়া সম্ভব হয়নি।
রংপুর-৩ আসনটি একসময় দলটির অবিসংবাদিত ‘দুর্গ’ ছিল। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। পরে তার ছেলে সাদ এরশাদ ও একবার উপনির্বাচনে রওশন এরশাদও জয় লাভ করেছিলেন। এই আসন ছিল তৃণমূলের সংগঠনের মূল কেন্দ্র। কিন্তু এবার দেখা গেছে, জামায়াত জোট এই ঐতিহ্যবাহী আসনটি জয় করে নিয়েছে। রংপুর-৩ এর এই জয় রংপুরের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।
অন্যদিকে, রংপুর-৩ সদর আসনে দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। কিন্তু তিনি এই আসনে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। এখানে জামায়াতের প্রার্থী মাহবুবুর রহমান বেলাল ১ লাখ ৭৫ হাজার ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী সামসুজ্জামান সামু পেয়েছেন ৮৪,৫৭৮ ভোট। আর জিএম কাদের পেয়েছেন মাত্র ৪৩,০০০ ভোট, যা দলের দীর্ঘদিনের আধিপত্য এবং গৌরবময় শক্তির অবসান ঘটিয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনের দিন জিএম কাদের ভোটদানেও যাননি। তিনি পুরো সময়টাই ছিলেন নিউসেনপাড়া মহল্লার বাসায় এবং কোনও কেন্দ্রও পরিদর্শন করেননি। এই অনুপস্থিতি এবং সামগ্রিক নৈরাজ্য ভোটের মাঠে দলের পরাজয়কে আরও নিশ্চিত করে তুলেছে, পাশাপাশি ভোটারদের মনোবল কমিয়ে দিয়েছে।
অন্যদিকে গাইবান্ধা-১ আসনে মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীও তৃতীয় হয়েছেন। এখানে জামায়াতের মো. মাজেদুর রহমান সংসদ সদস্য হিসেবে বিজয়ী হন। বিএনপির জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী দ্বিতীয় হয়েছেন। তবে শামীম হায়দার পাটোয়ারী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পিছিয়ে থেকেও তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।
এসব ফলাফলের পেছনে রয়েছে দলটির ভূমিকায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলা বহু কারণ। দীর্ঘদিন ধরে দলটির রাজনীতি ও কর্মকাণ্ড ভোটারদের মধ্যে আস্থা হারিয়েছে। বিশেষ করে, দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের সাথে জোটে থাকা দলের ভাবমূর্তি লাইনচ্যুত হয়েছে। ভোটাররা এখন মনে করছেন, তারা এক স্বতন্ত্র ও শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি না; বরং জনশূন্য ও দুর্বল।
এছাড়া দলের অভ্যন্তরে কোন্দল, নেতৃত্বের সংকট ও বিভাজন দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রমে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নেতাদের মধ্যে মতানৈক্য, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অসঙ্গতি এবং নেতৃত্বের অভাব দলীয় প্রচারাভিযান ও মাঠের রাজনীতিকে দুর্বল করে ফেলেছে। নির্বাচনকালীন সময়েও দলের শীর্ষ নেতারা সক্রিয় না থাকায় ও পরোভাগে অনুপস্থিত থাকায় ভোটারদের মনোবল কমে গেছে। দলের চেয়ারম্যান ও মহাসচিবের কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কার্যক্রমে উপস্থিত না থাকাও ভোটের ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
-

জনগণ ইতোমধ্যে তাদের রিজেক্ট করেছেন: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যখন গণতন্ত্র দুর্বল থাকছে, তখন উগ্রবাদী শক্তিগুলোর উত্থান ঘটে। এই পরিস্থিতিতে তারা মাথা তুলে দাঁড়ায়। দেশের জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রেও এমন কিছু ঘটনা দেখা গেছে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি কখনই জনপ্রিয়তা হারায়নি কারণ এটি সবসময় জনগণের জন্য কাজ করেছে। এইটাই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। বিএনপি সরকারে থাকার সময় তাদের কাজে মনোযোগী ছিল এবং জনগণের গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছিল। তিনি শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সকাল ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সবসময় আমাদের অঙ্গীকারের প্রতি দৃঢ় থাকি। যারা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন, তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন এবং তাদেরকেই নিয়ে আমরা ভবিষ্যতে সরকার গঠন করব। তিনি উল্লেখ করেন, ইতোমধ্যে জনগণ তাদের রিজেক্ট করে দিয়েছে। বিএনপি তিন ভাগের দুটি মোটেও অন্যতম সংখ্যা পেয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, মানুষ আবারও সৎ ও কল্যাণমুখী রাজনীতির মাধ্যমে সকল অপপ্রবণতা রুখে দেবে। এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
-

বিএনপি ভারতের কাছে হাসিনার প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানাবে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তার দল ভারতের কাছেও তিনি হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। তিনি জানান, বাংলাদেশে বিএনপি আইনানুযায়ী হাসিনার প্রত্যর্পণের জন্য তার ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করবে, যেখানে মূলত বিষয়টি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলোচনা হবে। তারা চান, ভারতের মাধ্যমে হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি করা হোক।
-

ইতিবাচক আচরণকে দুর্বলতা ভাববেন না: জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সম্প্রতি কয়েকটি নির্বাচনি ঘটনা তুলে ধরে অভিযোগ করেছেন যে, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়নি। তিনি শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১১ দলের জরুরি বৈঠকের শেষে এই মন্তব্য করেন।
বৈঠকে জামায়াতের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার, এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মামনুল হক। তারা নির্বাচনের ফলাফলের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কিছু ফলাফল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে বদলানো হচ্ছে, যেমন তারকাছাড়া হয়, ফলাফল বন্ধ করা হয় বা পরিবর্তন আনা হয়। তিনি বলেন, যেসব প্রার্থী প্রতিকার চাইছেন, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একে বিচার চান। যদি বিচার না হয়, তাহলে তারা কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবেন।
তাঁর ভাষায়, কিছু স্থানে হঠাৎ করে ফলাফল বন্ধ করা হয়েছে, যেখানে এগিয়ে থাকলেও হারানো হয়েছে। অনেক কষ্ট করে ফল ধরে রাখতে হয়েছে, আবার কোথাও ফলাফল ঘোড়ামাচা অথবা দখল করে নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। বিদেশি পর্যবেক্ষকরাও যা দেখেছেন, তারা তা প্রকাশ করবেন বলে জানান তিনি। তিনি জানান, তারা তাঁদের আপত্তির বিষয়ে তুলে ধরবেন এবং ছাত্র-রাজনীতি বা বিদেশি অন্ধকারে ফিরে যেতে চান না।
অন্য দিকে, তিনি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের গুরুত্ব আবারো তুলে ধরে বলেন, আমাদের ভদ্রতা ও ইতিবাচক আচরণকে দুর্বলতা ভাবলে ভুল হবে। এখনো বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা হচ্ছে, যা ফ্যাসিবাদী লক্ষণ। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি ফের ফ্যাসিবাদ ফিরে আসে, তবে এর জন্য তারা কাউকে ছাড় দেবেন না।
জনসমাগমে উপস্থিত জনতাকে উদ্দেশ্য করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আজ থেকে তারা জনগণের পাশে আরও দৃঢ়ভাবে থাকবেন। তরুণ সমাজের ত্যাগের মূল্যবোধকে সম্মান জানিয়ে বলেন, তারা দেশপ্রেমের জন্য রক্ত দিয়েছেন। তিনি জানান, আন্দোলনের পথে নামতে তারা প্রস্তুত।
আরো তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, ১১ দলের ঐক্যবদ্ধতা অব্যাহত রাখতে ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যেতে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করবো, যারা আইনি কাঠামোর মধ্যে নেই, তাদের ফলাফল স্থগিত করুন।
তিনি বলেন, গণভোটে হ্যাঁ ভোটের ব্যাপারে নিশ্চিত, এবং জুলাইয়ের সার্টিফিকেটের পর্যায়ে সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। যদি তা না হয়, তাহলে তারা তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবে। তারা অনেক নিয়মবিরোধী কাজের পরও কেন সরকার বা অন্যান্য দল সন্তুষ্ট নহে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং বলেন, তারা আর কি চায়।
-

১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকার গঠনের পরিকল্পনা মির্জা ফখরুলের
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বাইরে নয়, সেদিনের মধ্যে নতুন সরকার গঠনের লক্ষ্য নিয়ে তিনি কাজ করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় দেখে জনগণের প্রত্যক্ষ ভালোবাসা ও আস্থার প্রতিফলন হয়েছে। মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি কোনো ক্যাডারভিত্তিক সংগঠন নয়, এটি মূলত জনগণের দল। শুক্রবার সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজের বাসভবনে সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খুলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতে ইসলামীর উত্থান নিয়ে একটি প্রশ্নে মির্জা ফখরুল এটিকে তিনি ‘রাজনৈতিক বিজ্ঞান’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। বলেন, নানা ফ্যাসিস্ট শাসনের কারণে গত ১৫ বছরে উগ্রবাদের এই অবস্থা তৈরি হয়েছে। যখনই গণতন্ত্রকে চেপে ধরা হয়, মানুষের কণ্ঠ রোধ করা হয়, তখনই নানা উগ্রপন্থির উত্থান ঘটে। আওয়ামী লীগের দমন-পীড়ন ও বিরোধী দলদের রাজনৈতিক অর্গানাইজেশন করতে দেয়নি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ফখরুল বলেন, আমি অত্যন্ত বিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি যে, বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ ইতোমধ্যে তাঁদের রক্ষা করেছেন। সাধারণ ভোটাররা দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে, যা তাদের সুস্থ ও জনকল্যাণমুখী রাজনীতির প্রতি আস্থার প্রতিফলন। জনগণ এই ভোটের মাধ্যমে সব ধরণের অপপ্রবণতা রুখে দিচ্ছে।
নির্বাচনী জয়ের ব্যাপারে তিনি বলেন, বিএনপির ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কার, ৩১ দফার প্রতিশ্রুতি ও কর্মসূচির প্রতি জনগণের অটুট সমর্থন ছিল বলেই এই বিশাল বিজয় সম্ভব হয়েছে।
জাতীয় সরকার গঠনের বিষয়ে তিনি assert করেন, তারা নিজেদের প্রতিশ্রুতি অটুট রাখবেন। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যারা গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে ইনশাআল্লাহ, নতুন সরকার গঠন করতে চান।
জুলাই সনদ প্রসঙ্গে ফখরুল যুক্ত করেন, বিএনপি যেসব অংশে সই করেছে, সেগুলোর প্রাধান্য দিয়ে তা বাস্তবায়ন করবেন। পাশাপাশি ৩১ দফা কর্মসূচিও পর্যায়ক্রমে কার্যকর করা হবে।
রংপুর বিভাগে জামায়াতের ভালো ফলাফলের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তবে উল্লেখ্য, বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার ১১টি আসনে বিএনপি জয় লাভ করেছে, যেখানে জামায়াত কোনো আসন পায়নি। তিনি জানান, যদি জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে কর্মকাণ্ড চালানো যায়, তবে উগ্রবাদী প্রবণতাও দূর করা সম্ভব।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি সভাপতি পয়গাম আলীসহ দল ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে, নিজ বাসভবনে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মির্জা ফখরুল।
উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁও-১ আসনসহ জেলার তিনটি আসনে বিএনপি প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন।
-

হাতবোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে দুইজনের মৃত্যু
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়ায় হাতবোমা তৈরির সময় একটি ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ঘটে, resulting in the tragic deaths of two individuals। এছাড়া আরও তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তারা সারা শরীরের ঝলসানো আঘাত পেয়েছেন।
ঘটনা xảyেছে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে, যখন এলাকার একটি বাড়িতে সামরিক বা অপহরণমূলক কার্যকলাপের জন্য বোমা প্রস্তুত করছিলেন কিছু ব্যক্তিরা। এই ঘটনায় শোচনীয় বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলে দুজনের মৃত্যু হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এনএম ওয়াসিম ফিরোজ এই তথ্য নিশ্চিত করেন। নিহত ব্যক্তিদের নামতালিকা এখনও পাওয়া যায়নি।
আহত ব্যক্তিরা হলেন— ফাটাপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে বজলুর রহমান (২০), জেনারুল ইসলামের ছেলে মিনহাজ (২২) এবং অপর একজন, রফিজুল ইসলাম এর ছেলে শুভ (২০), যারা সবাই আহত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়।
পুলিশের মতে, রাতে ওই বাড়িতে বোমা তৈরির কাজে অংশ নেওয়ার সময় বিস্ফোরণ ঘটে, যার ফলে ঘটনাস্থলে দুইজনের মৃত্যু হয় এবং তিনজন গুরুতর আহত হন। আহতদের ফিরে স্বজনরা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এই বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের দলরা উপস্থিত হয় এবং উদ্ধার কাজ শুরু করে। বিস্ফোরণে আহতদের শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে গেছে, এবং যেখানে ঘটনার মূল স্থান ছিল সেখানে বাড়িটি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পুলিশ অবস্থিতি এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে, বিস্ফোরণের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত জানানো হবে।
-

জামায়াত আমিরের মর্যাদাপূর্ণ নির্বাচনি ফলাফলে প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) একটি শুভেচ্ছা বার্তায় প্রফেসর ইউনূস উল্লেখ করেন, ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থীরা নির্বাচনে ব্যাপক অংশগ্রহণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। তারা দৃঢ়প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখিয়েছেন এবং নির্বাচনের ফলাফল শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে গ্রহণে অবদান রেখেছেন। সদরূপে, নির্বাচনজুড়ে তার নেতৃত্বে দল সহযোগিতা, সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ড. ইউনূস আরও বলেন, নির্বাচনি প্রচার থেকে শুরু করে ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী সময় পর্যন্ত জামায়াতের এই দৃষ্টিভঙ্গি দেশের গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তিনি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন যে, অন্তর্বর্তী সরকার যখন দায়িত্বে ছিলেন, তখন জামায়াতের কাছ থেকে গঠনমূলক সমর্থন, পরামর্শ ও সহযোগিতা পাওয়া গেছে। বর্তমান সময়ে দেশ বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে—বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচার—এ সব বিষয়ে সরকারের এবং বিরোধী দলের দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জামায়াত একজন দায়িত্বশীল বিরোধী শক্তি হিসেবে পার্লামেন্ট ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। রাজনৈতিক নীতিতে পরামর্শ দেওয়া, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, এবং সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি সুস্থ ও পরিবেশযোগ্য রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে। তিনি মনে করেন, জাতীয় ঐক্য সুসংহত করতে জামায়াতের এই নেতার ভূমিকা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। বার্তার শেষাংশে প্রফেসর ইউনূস মহান আল্লাহর কাছে ডা. শফিকুর রহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক মঙ্গলের জন্য প্রার্থনা করেন।
-

নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা ও প্রাতিষ্ঠানিক মান উন্নত হওয়া সম্ভব হয়েছে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গ্রহণযোগ্যতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সফলভাবে পরিচালনা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি, এই নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক ও আন্তর্জাতিক মানের প্রশংসা পেয়েছে। তবে, নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা এবং ভোটে নির্বাচিত নারী প্রতিনিধির সংখ্যা আশানুরূপ না হওয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পর্যবেক্ষকরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে ইইউয়ের নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস এ সব কথা জানান। তিনি বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে বিশ্বাসযোগ্যতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক ও আন্তর্জাতিক মানের হওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন নিরলস পরিশ্রম করেছে। তারা নিজেরা স্বাধীন ও স্বচ্ছভাবে গোষ্ঠী এবং জনতার আস্থার যোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
ইজাবস মন্তব্য করেন, নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন পুনরুদ্ধারের পথ সুগম হয়েছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথমবারের মতো এমন সত্যিকার প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা নতুন আইনি কাঠামো চালু থাকায় আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং মৌলিক স্বাধীনতাকে মর্যাদাপূর্ণ করেছে।
অথচ, তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় রাজনৈতিক সহিংসতা কিছু ক্ষেত্রে বিচ্ছিন্ন হলেও মূলত সেটি মনোভাবগত বা অনলাইন প্রপাগান্ডা দ্বারা সৃষ্ট, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
ইইউ পর্যবেক্ষকরা আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করে অংশগ্রহণকারীদের বিশ্বাস অর্জন করেছে। তারা জানান, আইনি কাঠামো এখন গণতান্ত্রিক নির্বাচন পরিচালনার জন্য শক্তিশালী, তবে ২০২৫ সালের নতুন সংশোধনী ও সংস্কারগুলো আরও বেশি নিশ্চিত করবে প্রতিপক্ষের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। আইনি ফাঁকফোকর বন্ধ করে, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি করতে এ সময়ের উদ্যোগ আরও চালিয়ে যেতে হবে।
প্যারিছেপটেন্টরা বলছেন, কমিশন নির্বাচনকে আবার জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে। তারা দেখেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডার গঠনমূলক সহায়তা দিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন প্রশ্নের দ্রুত জবাব দেওয়া হয়েছে, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য ব্যক্ত করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা চালু রাখা হয়েছে।
অথচ, নারী অংশগ্রহণ নিয়ে ইরাকস ইজাবসের হতাশা প্রকাশ করে বলেন, এবারের নির্বাচনে নারী প্রার্থী ও ভোটে নির্বাচিত নারী প্রতিনিধির সংখ্যাও উদ্বেগজনকভাবে কম। এটি গণতান্ত্রিক অঙ্গনের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।
উল্লেখ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন মোট ২০০ জন পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে, যার মধ্যে ৯০ জন সংক্ষিপ্তকালীন পর্যবেক্ষক। এটি ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশের জন্য প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন।
