Blog

  • খাইবার পাখতুনখোয়া ও বালুচিস্তানে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩৪ সন্ত্রাসী নিহত

    খাইবার পাখতুনখোয়া ও বালুচিস্তানে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩৪ সন্ত্রাসী নিহত

    পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া এবং বালুচিস্তানে পৃথক নিরাপত্তা অভিযান চালিয়ে মোট ৩৪ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে দেশটির সেনা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ খবর নিশ্চিত করেছে পাকিস্তানের ডনের সূত্র।

    পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বেশ কজন দিন ধরে উচ্চ গতির গোয়েন্দা ও সামরিক অভিযান চালানো হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য ছিল ভারতীয় প্রক্সি সন্ত্রাসী সংগঠন ফিতনা আল খারিজ এবং ফিতনা আল হিন্দুস্তানের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কগুলোকে দমন করা।

    বিবৃতিতে আরো জানানো হয়, ফিতনা আল খারিজ নামে পরিচিত সংগঠনটি মূলত তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সাথে যুক্ত। অন্যদিকে, বালুচিস্তানের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সম্পর্কে তাদের নাম হলো ফিতনা আল হিন্দুস্তান।

    আইএসপিআর-এর তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ফেব্রুয়ারি খাইবার পাখতুনখোয়ায় চারটি পৃথক অভিযানে ২৬ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়। পাশাপাশি, ঝোব জেলার সাম্বাজা এলাকায় বালুচিস্তানের এই সংগঠনের আট জন এবং নর্থ ওয়াজিরিস্তানের পাকিস্তান-আফগান সীমান্তের কাছাকাছি একটি অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনী একটি সন্ত্রাসী দলের খোঁজ পেয়ে তাদের শনাক্ত করে। এই অভিযানে একজন আফগান নাগরিক সন্ত্রাসীও নিহত হন।

    অভিযানে লাক্কি মারওয়াত জেলায় ৩ জন, বান্নু জেলার নারমি খেল এলাকায় ১০ জন এবং নর্থ ওয়াজিরিস্তানের মির আলিতে ১২ জন সন্ত্রাসী নিহত হন। সাম্বাজার এলাকায় আটজন ফিতনা আল হিন্দুস্তানের সন্ত্রাসী ধরা পড়ে, যাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার করা হয়েছে।

    আইএসপিআর বলছে, দেশের সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। এছাড়াও, অন্য জায়গাগুলোতে সন্ত্রাসী সংগঠনের অবশিষ্ট সদস্যদের নির্মূলের জন্য ‘স্যানিটাইজেশন অভিযান’ চালানো হচ্ছে।

    আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি নিরাপত্তা বাহিনীর এই সাহসী পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের নির্মূল ও অস্ত্র উদ্ধার তাদের পেশাদারিত্বের প্রমাণ। জারদারি আরও দাবি করেন, নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সাথে এই ধরনের অভিযান চালাতে হবে।

    অপর দিকে, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফও নিরাপত্তা বাহিনীর এই সাহসী কাজের জন্য তাদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, পাকিস্তানের সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, দেশের সকল সন্ত্রাসী সংগঠনকে চূড়ান্তভাবে দমন করা হবে এবং দেশকে সন্ত্রাস মুক্ত করার লক্ষ্যে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

  • রাশিয়ার পক্ষে লড়ছে ১৭৫০ এর বেশি আফ্রিকান সেনা: ইউক্রেন

    রাশিয়ার পক্ষে লড়ছে ১৭৫০ এর বেশি আফ্রিকান সেনা: ইউক্রেন

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতিতে রুশ বাহিনীর পক্ষে লড়াই করছে সৌদি আরবসহ বিভিন্ন আফ্রিকার দেশের অন্তত ১৭৫০ এর বেশি সেনা। এই তথ্য জানান ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সাইবিহা। গতকাল বুধবার রাজধানী কিয়েভে ঘানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্যামুয়েল ওকুদজেতো আবলাকাওয়ার সঙ্গে বৈঠক শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি করেন।

    সাইবিহা বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করছি যে, রাশিয়া বিভিন্ন প্রতারণাপূর্ণ কৌশলে আফ্রিকার নাগরিকদের এই যুদ্ধের সঙ্গে জড়িয়ে দিচ্ছে। আমাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আফ্রিকার ৩৬টি দেশের হাজারো যুবক রুশ বাহিনীর পাশে যুদ্ধ করছে।’ তিনি আরও জানান, এই সেনাদের অনেককেই চাকরি বা অন্য প্রলোভনে রাশিয়ায় আনা হয়েছে এবং পরে সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এ ধরনের বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    এদিকে, সংবাদ সম্মেলনে ঘানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওকুদজেতো আবলাকাওয়া বলেন, রুশ বাহিনীতে যেসব আফ্রিকান সেনা লড়াই করছে, তাদের কোনও পূর্বঅভিজ্ঞতা নেই। তারা সাধারণত চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বা প্রতারণার মাধ্যমে রাশিয়ায় নেয়া হয়েছে। এরপর তাদের সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘অধিকাংশ আফ্রিকান সেনার কখনও কোনো নিরাপত্তা বাহিনী বা সেনাবাহিনীতে কাজ করার অভিজ্ঞতা নেই, কোনও প্রশিক্ষণও পায়নি। লোভে পড়ে তারা প্রতারণার শিকার হন এবং শেষ পর্যন্ত সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হন।’

    সংবাদ সম্মেলনে ওকুদজেতো আবলাকাওয়া আরও জানান, আফ্রিকার যুবকদের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অংশ হওয়ার থেকে বিরত রাখতে ঘানা ও এশিয়ার দেশের অন্যান্য সদস্য দেশগুলোকে নিয়ে গঠিত আফ্রিকান ইউনিয়ন কাজ করে যাবে।

    উল্লেখ্য, রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির শেষে ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই স্বীকৃতি মানতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর থেকেই কিয়েভের সঙ্গে টানাপোড়েন চলতে থাকে। ওই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারিতে রুশ বাহিনী ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। এই অভিযান শুরু করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন।

  • মোরেলগঞ্জে চাঁদা demanding গণমাদ্রাসা নির্মাণে কাজ বন্ধ, তদন্তে পুলিশ

    মোরেলগঞ্জে চাঁদা demanding গণমাদ্রাসা নির্মাণে কাজ বন্ধ, তদন্তে পুলিশ

    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে মাদ্রাসার একটি নির্মাণ প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই অভিযোগের পর থেকে স্থানীয় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ঠিকাদার এস এম বদিউজ্জামান। বুধবার পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্ত এবং পরিদর্শন করেছেন।

    অভিযোগে জানা গেছে, মোরেলগঞ্জ উপজেলার গুলিশাখালী ফাজিল মাদ্রাসার ৪তলা ভবনের কাজ চলছিল। এটির নির্মাণকাজ দেখভাল করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ওসমান আলী। কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে কিছু স্থানীয় ব্যক্তি, বিশেষ করে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের বিএনপি প্রচার সম্পাদক মোঃ হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে ৭-৮ জন ভবনের কাজের বিরুদ্ধে বাধা সৃষ্টি করে আসছিল। তারা দুই লাখ টাকা চাঁদার দাবি করলেও, ঠিকাদাররা তা দিতে অস্বীকার করেন। কিন্তু ২৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরের দিকে হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে লোকজন এসে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়ে গালিগালাজ করে এবং হুমকি দেয়, এমনকি অভিযোগ বা মামলায় জড়িয়ে মারধর বা ক্ষতি করার ভয় দেখায়।

    ঠিকাদার এস এম বদিউজ্জামান জানিয়েছেন, তারা সকল নিয়ম মেনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু হাফিজুর রহমান ও তার লোকজন চাঁদা দাবি করে, দিতে অস্বীকার করায় তারা কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, এই বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

    অপরদিকে, মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান দাবি করেছেন, তার ওপর বাড়ি থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা দিতে পারেননি। তিনি বলেন, স্বচ্ছভাবে কাজ হচ্ছে না, অনিয়মের কারণে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বারী বলেছেন, প্রতিষ্ঠানটির কাজ যথাযথ নিয়মে চলছিল, তবে কিছু স্থানীয় ব্যক্তি চাঁদা দাবি করে চাপ সৃষ্টি করছে, যার কারণে কাজ বন্ধের ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছেন।

    মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রীর অর্থায়নে গুলিশাখালী ফাজিল মাদ্রাসার এই ৪তলা ভবনের কাজ চলতি বছরের নভেম্বরে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে, যার মোট ব্যয় প্রায় ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৩ হাজার টাকা।

  • রূপসায় আসামি ছিনিয়ে নিতে পুলিশের উপর হামলা, আটক ১২

    রূপসায় আসামি ছিনিয়ে নিতে পুলিশের উপর হামলা, আটক ১২

    রূপসায় এজাহারভুক্ত আসামি ধরতে গিয়ে গত মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে রহিমনগর গ্রামে পুলিশ ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনায় পুলিশ ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আছেন মহিদুল শেখ, নওরিন সুলতানা (নর্গিস বেগম), নাসিমা বেগম, মহিদুল শেখ মফিদুল, তমা আফরোজ নিপা, ফারুক শেখ, খন্দকার আফজাল উদ্দিন, রশিদুল ইসলাম, মোঃ ইমরান, মোঃ মিজানুর রহমান, মোঃ নাইম ইসলাম, এবং নার্গিস খাতুন। এই সবাই রহিমনগর, ঠাকুরগাঁও, রূপসা থানার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

    ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত মঙ্গলবার বিকেলে রূপসা থানার এসআই মোঃ আশরাফুল আলম একটি মামলার আসামি জহির শেখকে গ্রেফতার করতে রহিমনগর কাস্টমসঘাটে অভিযান চালান। আসামিকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাবার সময় আসামিরা চিৎকার চেচামেচি করতে শুরু করে। এ সময় তারা পুলিশকে আটকে দিতে, ধাক্কাধাক্কি করতে এবং আসামিকে ছিনিয়ে নেয়ার জন্য ছত্রভঙ্গ করে। অভিযানে থাকা পুলিশ সদস্যরা বাধা দিলে আসামিরা তাদের সাথে ধস্তাধস্তি করে পিছু নেয়।

    এ ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ সদস্যসহ পুলিশের একাধিক সদস্য আক্রান্ত হন। অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জনের মতো লোকজন ওই সময় জহিরকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশের উপস্থিতি দেখে তারা পুলিশ ও সহকারী কর্মকর্তাদের উপর এলোপাতাড়ি মারপিট চালায়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং অভিযুক্তদের আটক করতে অভিযান চালায়। রাতভর তদন্ত ও তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ ১২ জনকে গ্রেফতার করে।

    অভিযানে বাধা দেয়ার কারণ এবং দুষ্কৃত কার্যের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ সুপারসহ অন্যান্য কর্মকর্তা নির্দেশনা দেন। পুলিশ জানায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা এবং দুষ্কৃত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ সুপার আরও জানান, এই ঘটনায় জড়িত সবাইকে আদালতের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে এবং এলাকার শান্তি বজায় রাখতে পুলিশি অভিযান চলমান থাকবে।

  • তেরখাদায় ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করতে চাই রূপসা ও দিঘলিয়ায় বিস্তার

    তেরখাদায় ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করতে চাই রূপসা ও দিঘলিয়ায় বিস্তার

    খুলনা-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র তথ্য সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, আমি বিএনপি’র এমপি নই, আমি তেরখাদা, দিঘলিয়া ও রূপসায় বসবাসকারী সকল মানুষের প্রতিনিধি। তিনি জানান, বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার জন্য কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। আমি এই ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করে রূপসা ও দিঘলিয়ায় তা ব্যাপ্ত করতে চাই।

    এ বিষয়ে তিনি বুধবার দুপুরে তেরখাদার উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে জনসম্পৃক্ত বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এই কথা জানান। সভার আগে উপজেলা চত্বরে বনজ বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এমপি আজিজুল বারী হেলাল। এই সুযোগে তিনি বলেন, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তার অবস্থান দৃঢ়। অপরাধী যদি নিজের দলের বা আত্মীয়স্বজন হন, তবুও তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। তবে তিনি প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে ও যেন কোনও নিরীহ মানুষ হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে নজরদারি বজায় রাখার আহ্বান জানান।

    তিনি আরও বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়, এটি জনস্বাস্থ্যের সাথে সরাসরি জড়িত। সকলকে উৎসাহিত করতে হবে যাতে যেখানে যেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলা হয় তা বন্ধ করে ডাস্টবিন ব্যবহারে অভ্যস্ত হন। জলমহল ব্যবস্থাপনায় তিনি বলেন, স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যেন প্রকৃত জেলেরা উপকৃত হয়, এবং কোনও প্রভাবশালী গোষ্ঠী সুবিধা নিতে না পারে। কেন্দ্রীয় উদ্যোগে তেরখাদাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে আন্তরিকতা ও সমন্বয় অপরিহার্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    খাল খননের ব্যাপারে এমপি হেলাল বলেন, তেরখাদায় অনেক পরিত্যক্ত জমি ও ভরাট খাল রয়েছে, যেগুলো পরিকল্পিত ব্যবহারে কৃষি, মাছের চাষ ও পরিবেশের জন্য বিপ্লব ঘটাতে সক্ষম। খাল পুনঃখননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা কমানো, সেচের উন্নয়ন ও বর্ষাকালে পানি ধারণের ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। তিনি প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ খালের তালিকা তৈরি করে পর্যায়ক্রমে প্রজেক্ট বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম নুরুন্নবী, সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোঃ সাইদুজ্জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মুজাহিদুল ইসলাম, কৃষি কর্মকর্তা শিউলি মজুমদারসহ আরও বিভিন্ন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিগণ।

    এরপর বিকেলে তেরখাদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন এমপি আজিজুল বারী হেলাল। দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপ্তি হিসেবে তিনি বিকেলে ইখড়ি কাটেংগা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত গণইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, যুগ্ম-আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, সাবেক সদস্য সচিব আবু হোসেন বাবু, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা কবিরুল ইসলাম, জেলা বিএনপি নেতা শেখ আব্দুর রশিদসহ আরও অনেক নেতা-কর্মী ও স্থানীয় নেতৃngrুপ। এই অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • মাদারীপুরে প্রেমের বিয়ের এক বছরের মাথায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী আটক

    মাদারীপুরে প্রেমের বিয়ের এক বছরের মাথায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী আটক

    মাদারীপুরে প্রেমের সম্পর্কের কারণে বিয়ের এক বছর যেতে না যেতেই রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে মিম আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূর। ঘটনাটি এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং পুলিশ অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করেছে।

    ১৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার রাত ৩টায় শহরের বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত মিম আক্তার কালকিনি উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের উত্তর কানাইপুর গ্রামের নান্নু হাওলাদারের মেয়ে। অপর দিকে অভিযুক্ত রিয়াদ খান (অথবা একেএম আব্দুল্লাহ নোমান) সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা গ্রামের আব্দুস সাত্তার খানের ছেলে।

    ভুক্তভোগীর পরিবারের ও এলাকাবাসীর জানামতে, প্রায় এক বছর আগে রিয়াদের সাথে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বিয়ে হয় মিমের। এরপর তারা শহরের বিসিক শিল্পনগরীতে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।

    রাতের অন্ধকারে হঠাৎ রিয়াদ খোঁজ দেন তার স্ত্রীর মৃতদেহের। সোমবার রাতে মারা যাওয়ার খবর পরিবারের কাছে পৌঁছালে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এরই মধ্যে স্থানীয়রা স্বামী রিয়াদ খানকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।

    এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্বজনরা আসন্ন তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবী করছেন। নিহতের চাচা মো. খবির হাওলাদার বলেন, আমার ভাতিজির এমন মৃত্যু আমাদের জন্য অপূর্ণ শোক। ওর বাবা জীবিত নেই, আমি ছোটবেলা থেকে ওকে বড় করে এই শোক সহ্য করতে পারছি না। এই রহস্যের উদঘাটন ও অপরাধীর কঠোর শাস্তি চাই।

    এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় তার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে নিশ্চিত হওয়া যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা। নিহতের পরিবারের লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • কালীগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ

    কালীগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় একজন চার বছরের শিশুর অন্ধকার mঅন্ধকার আবদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার সকাল ২৬ ফেব্রুয়ারি, বাদুরগাছা গ্রামে, যেখানে স্থানীয় একটি স্কুলের পেছনে সেফটিক ট্যাংকের ভিতর থেকে শিশুটির বস্তাবন্দি দেহটি উদ্ধার করা হয়।

    নিহত শিশুটি তাবাসসুম নামে পরিচিত, মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা এলাকার নজরুল ইসলামের মেয়ে। বর্তমানে তার পরিবার বাদুরগাছা গ্রামে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিল।

    পরিবারের ধারণা, শিশুটি বুধবার বিকেল সাড়ে ২টার পর থেকে নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও তার সন্ধান পাননি।

    বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় এক কৃষক আব্দুল জব্বার বিদ্যালয়ের পেছনের মাঠে একটি রক্তাক্ত বস্তা দেখতে পান। এ দেখে তিনি পুলিশে খবর দেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তা খুলে শিশুটির দেহ উদ্ধার করে। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জেল্লাল হোসেন জানান, প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী মনে হচ্ছে, শিশুটিকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে এবং বাবার কাছে নেওয়ার পর তাকে হত্যা করে দেহটি বস্তাবন্দি করে সেফটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়। পুলিশ তদন্ত ও মূল অপরাধী শনাক্ত করার জন্য কাজ করছে।

    এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক শোক ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

  • ফেব্রুয়ারির ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ছাড়ালো দুই বিলিয়ন ডলার

    ফেব্রুয়ারির ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ছাড়ালো দুই বিলিয়ন ডলার

    জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও আসন্ন পবিত্র রমজান মাসের কারণে প্রবাসীরা বৈধ পথের মাধ্যমেই দেশকে বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন। এর ফলে, চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৮ দিনেই দেশে পৌঁছেছে ২ বিলিয়ন (২০০ কোটি) ডলার থেকে বেশি রেমিট্যান্স। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে রেকর্ডই হবে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচন এবং রমজানের সময়গুলোতে পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে প্রবাসীরা বেশি করে অর্থ পাঠাচ্ছেন, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রবাসীরা দেশে ৩১৭ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে গত ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ডলার পাঠানো হয়েছিল, যা ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। সর্বোচ্চ রেকর্ড ছিল গত বছরের মার্চের, যখন ঈদুল ফিতর সময় মোট ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।

    ২০২৫ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত মোট প্রবাসী আয় এসেছে ৩ হাজার ২৮২ কোটি ডলার। মাসভিত্তিক চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, জুলাইতে ২৪৭ কোটি, আগস্টে ২৪২ কোটি, সেপ্টেম্বর ২৬৮ কোটি, অক্টোবর ২৫৬ কোটি, নভেম্বর ২৮৮ কোটি, ডিসেম্বর ৩২২ কোটি এবং জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স প্রবাহিত হয়েছে।

    এদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এই সময়ের মধ্যে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৫৬ কোটি ডলার, যা আগের বছর একই সময়ের তুলনায় ২২% বেশি। আগের বছর এই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ১ হাজার ৭৬৩ কোটি ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ১৭ ফেব্রুয়ারির পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার। তবে, আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী, প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ ২৯ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে প্রবাসীর আয়ে গতি ফিরতে শুরু করে। ব্যাংক কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থ পাচার কমে যাওয়ায় অবৈধ হুন্ডি ব্যবসার প্রভাব কমে এসেছে। পাশাপাশি, ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকায় প্রবাসীরা বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন।

  • সোনার দাম ভরিতে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে

    সোনার দাম ভরিতে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ ঘোষণা করেছে যে তারা দেশের সোনার দামে আরও বৃদ্ধি নিয়ে গেছে। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতিভরি (ভরি) সোনার দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে মানসম্পন্ন (২২ ক্যারেট) সোনার প্রতিভরি দাম এখন দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা, যা আগের দিন ছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা। এই দাম পরিবর্তন শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকে কার্যকর হয়।

    বাজুসের জানানো অনুযায়ী, তেজাবি বা পিওর গোল্ড সোনার দামে বাড়তি প্রভাব পড়ায় দেশীয় বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এক্ষেত্রে, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার দামের নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা প্রতি ভরি, এছাড়া ২১ ক্যারেটের জন্য দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির সোনার ভরি দাম নির্ণয় করা হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।

    সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার দাম এখন ৬ হাজার ৭০৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির রুপার দাম হয়েছে ৪ হাজার ৮০২ টাকা প্রতি ভরি।

    বিশ্ব বাজারে এরই মধ্যে স্বর্ণ ও রুপার দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি নামক বিশ্বস্ত ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ১০৬ ডলার, যেখানে আগের দিন ছিল ৪ হাজার ৯৭৮ ডলার। এর আগে ৩০ জানুয়ারি এই দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ছিল ৫ হাজার ৫৫০ ডলার।

    বিশ্ববাজারে গত মাসের শেষে স্বর্ণের দামের ব্যাপক বৃদ্ধির কারণে দেশের বাজারেও দাম আরও বাড়ে। ২৯ জানুয়ারি বাজুস একবারে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বৃদ্ধি করে, যার ফলশ্রুতিতে মানসম্পন্ন এক ভরি স্বর্ণের দাম পাঠেন ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়। এই দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ, এবং এর আগে কোনও সময়ে এত বেশি দাম ওঠেনি।

  • দুই দিনের ব্যবধানে ফের বাড়ল সোনার দাম

    দুই দিনের ব্যবধানে ফের বাড়ল সোনার দাম

    বাংলাদেশের স্বর্ণবাজারে আবারো সোনার দাম বেড়ে গেছে। বাংলাদেশের জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নতুন দরে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার মূল্য ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকায় পৌঁছেছে। এই দাম কার্যকর হয়েছে সকাল ১০টা থেকে।

    বাজুস বলেছে, দেশের বাজারে তেজাবি সোনা বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধির কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সোনার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের ভরি ১১.৬৬৪ গ্রাম সোনার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকায়। অন্য ক্যারেটের জন্য দাম হলো: ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকায়।

    তবে এই দামের সঙ্গে যোগ হবে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি। গহনার নকশা ও মান অনুযায়ী এই মজুরির পরিমাণ বদলে যেতে পারে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে।

    এর আগে, ২১ ফেব্রুয়ারি বাজুস সোনার দাম সমন্বয় করেছিল, তখন ২২ ক্যারেটের ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে মূল্য নির্ধারিত হয়েছিল ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকায়।

    চলতি বছরে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ৩২ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০ দফায় দাম বাড়ে এবং ১২ দফায় কমে। গত বছর মোট ৯৩ বার দাম সমন্বয় হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার মূল্য বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।

    অপরদিকে, রুপার দাম অপরিবর্তিত থাকলেও এর দাম বৃদ্ধি বা হ্রাসের সংখ্যাও কম নয়। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার মূল্য বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকায়। অন্যান্য ক্যারেটের জন্য মূল্য হলো: ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৪১৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। এছাড়া, সনাতন পদ্ধতির রুপার মূল্য বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৮২ টাকায়।

    চলতি বছরে রুপার দামেও মোট ১৮ দফা সমন্বয় হয়েছে। এর মধ্যে ১১ দফায় দাম বেড়েছে এবং ৭ দফায় কমেছে। গত বছর মোট ১৩ দফা সমন্বয় হয়, যার মধ্যে ১০ বার দাম বেড়ে এবং ৩ বার কমে।