Blog

  • ৪৫ কোম্পানির ২০০ কোটি টাকার ওষুধের কাঁচামাল জ্বলেছে: ঔষধ শিল্প সমিতির শোকপ্রকাশ

    ৪৫ কোম্পানির ২০০ কোটি টাকার ওষুধের কাঁচামাল জ্বলেছে: ঔষধ শিল্প সমিতির শোকপ্রকাশ

    হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে গত শনিবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের سبب ওষুধ উৎপাদনে ব্যবহৃত বিভিন্ন কাঁচামাল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনায় দেশের ঔষধ শিল্পে বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির নেতারা। সংগঠনের মতে, আনুমানিক ৪৫টি শীর্ষ কোম্পানির প্রায় ২০০ কোটি টাকার কাঁচামাল পুড়ে গেছে।

    বুধবার (২১ অক্টোবর) বেলার সাড়ে ১১টার দিকে তেজগাঁওয়ে সমিতির কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানা যায়। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সমিতির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এম মোসাদ্দেক হোসেন এবং মহাসচিব ডা. মো. জাকির হোসেন বিশদে বলেন, অগ্নিকাণ্ডের পরে তারা দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন করেন এবং প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হন যে, সর্বনিম্ন ৪৫টি বৃহৎ কোম্পানির মূল্যবান কাঁচামালের ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়াও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

    ডা. জাকির হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে অ্যান্টিবায়োটিক, ভ্যাকসিন, হরমোন, ডায়াবেটিক ও ক্যানসার ওষুধের কাঁচামালসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধরনের পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ওষুধ উৎপাদন কারখানাগুলোর জন্য বড় ধরণের বিপর্যয় নেমে এসেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই আনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতি শিল্প খাতে নানা ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে।

    এ দিকে, সমিতির মতে, দেশের আভ্যন্তরীণ চাহিদার প্রায় ১০০ শতাংশ ওষুধই উৎপাদিত হয় বাংলাদেশে, এবং এই খেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের সুনাম উচ্চতর হয়েছে। বর্তমানে, বাংলাদেশে তৈরি ওষুধ বিশ্বের ১৬০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হয়ে চলেছে, যার মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া।

    সংগঠনটি জানায়, দেশের ওষুধ শিল্পের কাঁচামালের প্রায় ৯০ শতাংশই আমদানি করতে হয় চীন, ভারত ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে। এ ছাড়াও প্যাকেজিং উপকরণ, যন্ত্রপাতি ও স্পেয়ার পার্টসও সরবরাহ করা হয় আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে। এসব কাঁচামালের বড় অংশ জীবন রক্ষাকারী ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

    সদস্যরা বলেন, কিছু স্পেয়ার পার্টস ও যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা আবার আমদানির জন্য অপেক্ষমান। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এখনো সরবরাহ শৃঙ্খলে সমস্যা দেখা দেয়নি। তবে ক্ষতি সীমিত করতে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তারা আক্ষেপ প্রকাশ করেন।

    তাদের আরো সতর্ক করে বলেন, যেসব পণ্য অন্য বিমানবন্দরে আনা হয়েছে, সেগুলোর নির্দিষ্ট তাপমাত্রা রক্ষা জরুরি, এবং এগুলোর ক্ষতি হয়ে গেলে সরবরাহ বন্ধসহ নানা জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। এই অগ্নিকাণ্ডে বেশ কিছু নারকোটিকস বিভাগ থেকে অনুমোদনপ্রাপ্ত পণ্য পুড়ে গেছে, যা পুনরায় আমদানি করতে জটিলতা তৈরি হবে।

    সমিতির ধারণা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে, কারণ কাঁচামালের ওপর নির্ভর করে চূড়ান্ত পণ্য উৎপাদনও অনিশ্চিত হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক Estimate অনুসারে, এই ঘটনায় দেশের অর্থনীতিতে প্রায় ৪,০০০ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হতে পারে।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে, ফার্মা শিল্পের ঝুঁকি ও সংকট এড়াতে নানা প্রস্তাবনা তুলে ধরে সমিতি। এর মধ্যে রয়েছে— ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যগুলোর উপর শুল্ক, ডিউটি, ট্যাক্স ও ভ্যাট দ্রুত ফেরত দেওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যসমূহের এলসির ব্যাংক চার্জ ও সুদ মওকুফ, পুনরায় আমদানির জন্য সহজ শর্তে এলসি খোলা, সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত মালামালের জন্য প্রয়োজনীয় চার্জ বা জরিমানা মওকুফ ও অনুমোদিত নারকোটিকস পণ্য দ্রুত আমদানি, অফিসের ছুটির দিনেও কাস্টমস কার্যক্রম চালু রাখা, কোল্ড চেইন পণ্য দ্রুত মুক্তি দেওয়া, অক্ষত চুরানির দ্রুত মূল্যায়ন ও সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে অবহিত করা এবং জাতীয় পর্যায়ে সরকারি সংস্থাগুলোর জরুরি বৈঠক ডেকে সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

  • সিইসির মন্তব্য: এআই এর অপব্যবহার বিশ্বসবার মাথাব্যথা, একত্রে চিন্তা করলে সমাধান আসবে

    সিইসির মন্তব্য: এআই এর অপব্যবহার বিশ্বসবার মাথাব্যথা, একত্রে চিন্তা করলে সমাধান আসবে

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এর অপব্যবহার বর্তমানে বিশ্বের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এআইকে অস্ত্র বা যন্ত্রের সঙ্গে তুলনা করা উচিত, ঠিক যেমন একজন ডাক্তার তা ব্যবহার করেন, তেমনি একজন ছিনতাইকারীও এটি ব্যবহার করতে পারেন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে এআই এর অপব্যবহার রোধের জন্য নির্বাচন কমিশন একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং এ বিষয়ে একটি সুষ্ঠু ও কার্যকর নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে।

    মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন আয়োজন করে ‘নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এআই অপব্যবহার প্রতিরোধ’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    সিইসি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, আমাদের সবাইকে একসাথে চিন্তা করলে আরও ভালো এবং কার্যকর সমাধান বেরিয়ে আসবে। এই কর্মশালাটি সেই লক্ষ্যেই একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে যেখানে বিভিন্ন মতামত ও ধারণা একত্রিত হয়ে একটি সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

    তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এআই এর অপব্যবহার রোধে একটি শক্তিশালী অবকাঠামো তৈরির জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা দরকার। কর্মশালায় উপস্থিত বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে গুরুত্ব দিয়ে মৌলিক সুপারিশ চাওয়া হয়েছে, যেখানে কেবল নীতিমালা নয়, বরং তা বাস্তবায়নের উপায়ও চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে। সিইসি বলেন, এই কর্মশালা থেকে আমি কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও পরামর্শ পেতে আশা করছি।

    সিইসি জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচনের সময়, বিশেষ করে গভীর রাতে, নানা ধরনের ঘটনাক্রম ঘটতে পারে। তাই ভুল বা মিথ্যা তথ্য দ্রুত শনাক্ত ও মোকাবিলার জন্য ২৪ ঘণ্টার নজরদারি ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে। এ জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে উপযুক্ত লোকবল নিয়োগের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ে তিনি বলেন, উন্নত ও দ্রুত তথ্য যাচাইয়ের জন্য কার্যকর পদ্ধতি এবং কাঠামো প্রণয়ন জরুরি। পাশাপাশি, এই কাজ করবে কোন সংস্থা বা দলের উপর ভিত্তি করে জনবল ও সক্ষমতা নির্ধারণের বিষয়েও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দরকার।

    প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেবা ও সংযোগের চ্যালেঞ্জ নিয়ে সিইসি বলেন, পাহাড়ি এলাকাগুলো কিংবা সমুদ্র উপকূলের দ্বীপগুলো থেকে মিথ্যা বা অপ্রচলিত তথ্য প্রকাশ হতে পারে। এজন্য, এই অঞ্চলের সাথে কেন্দ্রীয় সংযোগ ও সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের কর্মীদের নিয়োগ, তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সুপারিশ করা দরকার।

    সিইসি আরও বলেন, এই কর্মশালা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের কাজের গতি ও গতিধারা আরও সমৃদ্ধ করবে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সত্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিত করা।

  • সাব রেজিস্ট্রার নিয়োগে নতুন নিয়মানুবর্ধন

    সাব রেজিস্ট্রার নিয়োগে নতুন নিয়মানুবর্ধন

    রেজিস্ট্রেশন বিভাগের কর্মরত কর্মকর্তারা প্রথমবারের মতো নিজস্ব নিয়োগবিধি পেলেন। সোমবার আইন মন্ত্রণালয় প্রকাশ করেছে গেজেটের মাধ্যমে নিবন্ধন অধিদপ্তরের জন্য নতুন নিয়োগবিধিমালা-২০২৫। এই নিয়ম চালু হওয়ায় দেশের স্বাধীনের ৫৪ বছর অতিবাহিত হওয়ার মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে প্রত্যাশিত স্বীকৃতি পেলেন রেজিস্ট্রেশন বিভাগের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা। এর ফলে বিভিন্ন জটিলতা দূর হবে এবং পদের উন্নতির ক্ষেত্রে ব্যাপক সুনিশ্চিততা আসবে। সাব রেজিস্ট্রাররা শীর্ষ পদ আইজিআর পর্যন্ত পদোন্নতি পেতে পারবেন, যা দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল। এই নতুন বিধিমালার মাধ্যমে সাব রেজিস্ট্রারদের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি পেল পাশাপাশি পদোন্নতির দার নতুন করে উন্মোচন হলো। নিবন্ধন বিভাগের শীর্ষ পদ নিশ্চিত করার জন্য অ্যাডিশনাল আইজিআর এবং ডিআইজিআর পদও নতুন করে সৃষ্টি করা হয়েছে। বর্তমানে আইআরও ও এআইজিআর পদসহ মোট ১৭টি পদ হয়েছে। বিধিমালায় প্রতিটি পদের জন্য সরাসরি নিয়োগ ও পদোন্নতির বিস্তারিত নিয়মসহ প্রয়োজনীয় উপবিধি উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, এই বিধিমালা জারির ফলে গেজেটেড অফিসারদের রুলস, ১৯৭৯ কার্যকর থাকবে, যদিও এই রুলস রহিত হবে। তবে, এগুলোর অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত ও পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এই নিয়োগ ও পদোন্নতিকে অটুট বলে গণ্য হবে। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী নিয়োগ ও পদোন্নতি হবে সরাসরি, প্রেষণে বদলি বা পদের আওতায়। নিয়োগের জন্য গঠিত কমিটি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে সুপারিশ করবে। বেশিরভাগ পদেই নিয়োগ হবে পদোন্নতির মাধ্যমে, তবে কিছু পদে কোটা ও সরাসরি নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শীর্ষতর কোন পদ যেমন মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন (আইজিআর), পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ হবে; যদি উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না যায়, তাহলে প্রেষণে নিয়োগ দেওয়া হবে। হাজার ভাগে নিয়োগদেয়া পদগুলো হলো অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক, উপ-মহাপরিদর্শক, সহকারী মহানিবন্ধন পরিদর্শক ও জেলা রেজিস্ট্রার। জেলা রেজিস্ট্রার হওয়ার জন্য কমপক্ষে ৭ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা আবশ্যক। সাব রেজিস্ট্রার পদে ৯৫ শতাংশ নিয়োগ সরাসরি হবে, আর ৫ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে। চাকরির জন্য প্রয়োজন: প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে ৭ বছর, অধিদপ্তরের প্রধান সহকারী বা সাঁটলিপিকার, কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে ১২ বছর এবং জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের প্রধান সহকারী বা উচ্চমান সহকারী হিসেবে ১৫ বছর অভিজ্ঞতা। শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা সমমান। এইভাবে পদোন্নতি, সরাসরি নিয়োগ ও অভিজ্ঞতার সময়সীমার বিস্তারিত নিয়মাবলি উল্লেখ করে নতুন নিয়মানুবর্ধন চালু হয়েছে।

  • আপনি এত টাকা দিয়ে কি করবেন? শাহরুখ খানকে ধ্রুব রাঠীর প্রশ্ন

    আপনি এত টাকা দিয়ে কি করবেন? শাহরুখ খানকে ধ্রুব রাঠীর প্রশ্ন

    বিশ্বের অন্যতম ধনী অভিনেতা হিসেবে খ্যাতি পেয়েছেন বলিউডের ‘বাদশা’ শাহরুখ খান। তবে সম্প্রতি তার এই অবিশ্বাস্য সম্পদ এবং পানমশলার বিজ্ঞাপন নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন জনপ্রিয় ভারতীয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী। এক ভিডিওতে তিনি শাহরুখের বিশাল অর্থসম্পদের হিসাব তুলে ধরেন এবং জিজ্ঞাসা করেন, এত ধনী হয়েও কেন তাকে ক্ষতিকর পানমশলার বিজ্ঞাপন করতে হয়?

    ধ্রুব রাঠী তার নতুন এক ভিডিওতে জানান, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে শাহরুখের মোট সম্পদ সাড়ে ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ১২ হাজার ৪০০ কোটি ভারতীয় টাকা। এই বিপুল সম্পদ কি বস্তুতই এত সহজে বোঝা যায় না—এ বিষয়েও তিনি গুরুত্ব দেন।

    তিনি বলেন, এই পরিমাণ অর্থ ব্যাংকে রাখলে শাহরুখ বছরে কত সুদ পেতেন এবং তার সম্ভাব্য বার্ষিক খরচ কত হতে পারে, তার একটির ধারণা দেন। এরপরই তিনি সরাসরি প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন বলিউডের এই ধনকুবেরের উদ্দেশ্যে—

    “আপনার কি সত্যিই আরও ১০০ বা ২০০ কোটি টাকার দরকার রয়েছে? নিজের মনের গহীনে গিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনি এই টাকা দিয়ে কী করতে চান?”

    ধ্রুব রাঠী বলেন, “এমনকি আমার একটাই প্রশ্ন—শাহরুখ খানের কাছে, কি এই পরিমাণ অর্থ কি সত্যিই যথেষ্ট নয়? যদি এই অর্থই যথেষ্ট হয়, তবে পানমশলার মতো ক্ষতিকর পণ্য প্রচার করার প্রয়োজন কী?”

  • জুবিন হত্যা নিয়ে উত্তাল আসাম, কারা ফটকে আগুন লাগা

    জুবিন হত্যা নিয়ে উত্তাল আসাম, কারা ফটকে আগুন লাগা

    আসামের জনপ্রিয় গায়ক এবং রাজপুত্র হিসেবে পরিচিত জুবিন গার্গের মৃত্যু নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটছে না। গত ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে তিনি প্রাণ হারান, তবে তার মৃত্যু কিভাবে হয়েছে, তা নিয়ে ভক্তরাও বেশ চিন্তিত। তার দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে গায়কের ব্যান্ডের দুই সদস্য, তার দেহরক্ষী, সিঙ্গাপুরের একটি ফেস্টিভেল আয়োজক ও একটি আত্মীয়কে গ্রেফতার করেছে।

  • দুধ দিয়ে গোসলের পর রিয়া মনিকে তালাক দিলেন হিরো আলম

    দুধ দিয়ে গোসলের পর রিয়া মনিকে তালাক দিলেন হিরো আলম

    গত কয়েক মাসে বিভিন্ন মামলা-মোকদ্দমা ও অভিযোগ-পরিচায়ের গল্পে নানা উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। মান-অভিমান ও রাগের কারণে স্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করার পর, শেষ পর্যন্ত নিজের বাড়ি বগুড়ায় নিয়ে গিয়ে পরিকল্পনা করেছিলেন দুইজন আবার পুরানো সম্পর্ক ফিরিয়ে আনতে। তবে এসব চেষ্টা সফল হয়নি, বরং তাদের মধ্যকার উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। এবার সব কিছু পরিষ্কার করে দুধ দিয়ে গোসলের মাধ্যমে স্ত্রীর থেকে তালাক দিয়েছেন জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর আফতাবনগরের এম ব্লকে ফেসবুক লাইভে হিরো আলম মৌখিকভাবে রিয়া মনিকে তালাক দিয়ে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তার উকিলের মাধ্যমে ডিভোর্সের কাগজপত্র চূড়ান্ত হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তিন মাসের মধ্যে রিয় মনির তালাকের কাগজ হাতে পাবেন। পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি কোনোদিন রিয়া মনিকে অন্যভাবে বউ দাবি করে মিডিয়ার সামনে আনতে চান, তাহলে আমি জোরালোভাবে বলছি—you’ll face consequences.’

    প্রসঙ্গত, এর আগে হিরো আলম ফেসবুকে একটি পোস্টে লিখেছিলেন, ‘আজ বিভিন্ন জেলা থেকে কিছু নারী ভক্ত দুধ নিয়ে আসছেন আমার গোসলের জন্য। আজ আফতাব নগর এম ব্লকে রিয়া মনিকে তালাক দিয়ে আমাকে দুধ দিয়ে গোসল করাব।’

    শোনা যায়, তালাকের পর শোনা যায় তার বন্ধু-পরিবারের আশঙ্গিতে অপ্রত্যাশিত ভাবে আবার বিয়ের পরিকল্পনা করেছিলেন হিরো আলম। তবে তিনি নিজেই এই বিষয়টি খণ্ডন করে বলেন, এখন তার আর বিয়ে করার বয়স নয়। তিনি বলেন, ‘আমি এখনও আমার তিন সন্তানের জন্য একজন মা খুঁজছি, কারণ আমি একা তাদের মানুষ করতে পারছি না। আমি আগে দুইটি বিবাহ করেছি, কিন্তু কেউই আমার স্বপ্নের মতো জীবন দিতে পারেনি। তারা সবাই মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়েছিল যেন আমি তাদের মাধ্যমে স্টার হই, আর এর ফলে আমাদের সংসার ভেঙে যায়। আমি এখন এই সব অপ্রয়োজনীয় ঝঞ্ঝাট থেকে দূরে থাকতে চাই।’

  • উপস্থাপক সমৃদ্ধিকে ‘আয়না’ পডকাস্ট থেকে অব্যাহতি

    উপস্থাপক সমৃদ্ধিকে ‘আয়না’ পডকাস্ট থেকে অব্যাহতি

    বিতর্কিত উপস্থাপিকা সমৃদ্ধি তাবাসসুমকে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টিভির জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘আয়না’ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ। একুশে টিভির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দুই মাউন্টের এক পোস্টে জানানো হয়, ‘গুরুতর অসদাচরণের জন্য সমৃদ্ধি তাবাশসুমকে ‘আয়না’ পডকাস্ট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ সমৃদ্ধি মূলত নাগরিক টিভির একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উপস্থাপিকা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। এরপর তিনি বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেল ও টেলিভিশনে উপস্থাপনা করে পরিচিতি অর্জন করেছেন। তবে তার ক্যারিয়ারে ঝড় তুলেছে নানা বিতর্ক। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অশোভনীয় প্রশ্ন করে অতিথিদের অপ্রস্তুত করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এই প্রসঙ্গে নেট মাধ্যমেও নানা আলোচনা ও সমালোচনা হয়েছে। মডেল ও অভিনেত্রী পিয়ার জান্নাতুল সমৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে উত্তর দিয়েছেন। আয়না অনুষ্ঠানে পিয়া অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং সেখানে সমৃদ্ধির অসদাচরণ ও অপ্রত্যাশিত প্রশ্নের মোকাবিলা নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন, যেখানে তিনি সমৃদ্ধির প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

  • জয়া আহসান: পরিচালকের বান্ধবী বা স্ত্রী হওয়া সম্ভব নয়

    জয়া আহসান: পরিচালকের বান্ধবী বা স্ত্রী হওয়া সম্ভব নয়

    অভিনয় দিয়ে তিনি নির্মাণ করেছেন নিজস্ব মোহনীয় স্থান। ঢাকার মেয়ে হয়েও কলকাতার চলচ্চিত্র জগতের একজন জনপ্রিয় ও দাপটের সঙ্গে অবদান রেখে চলেছেন জয়া আহসান। তবে এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে তার উপস্থিতি তুলনামূলক কম দেখার সুযোগ হয়েছে, যার অনেক কারণই রয়েছে। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে তার এই বিষয়গুলো স্পষ্ট করেছেন তিনি।

    জয়া বলেন, ‘তখন বাংলাদেশে আমি এমন ধরনের কাজ খুব একটা পাচ্ছিলাম না। এই পরিস্থিতির মধ্যে আমি কলকাতায় গিয়ে কাজ করতে সঙ্কোচবোধ করিনি, বরং শিল্পের প্রতি আমার গভীর প্যাশনের কারণে সেটাই করতে হয়েছে। আমি বলতে চাই, অভিনয় ছাড়া আমি অন্য কিছু পারিনা।’

    দেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনে কাজ করা সহজ নয়; এর জন্য পরিচালকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক অনেক সময় প্রয়োজন হয়। তবে এই বিষয়টিকে তিনি মানতে চান না। তিনি বলেন, ‘যে পরিচালকদের জন্য আমি সব সময় প্রস্তুত ছিলাম, তারা আমাকে যথাযথভাবে ব্যবহার করেননি। বাংলাদেশে এক বড় সমস্যা হলো—পরিচালকের বান্ধবী বা স্ত্রী থাকা। এটা আমার জন্য সম্ভব নয়। আমি এসব ক্ষেত্রে কখনো যাবো না। এই কারণেই আমি কিছুটা দুরে সরে গিয়েছিলাম, এতটা নিবেদিত থাকার পরও। তবে কলকাতায় এই পরিস্থিতি ছিল না। ওখানে বাইরে থাকার পরও তারা আমাকে মূল্যায়ন করেছেন, আমাকে গুরুত্ব দিয়ে গল্পে রেখেছেন।’

    জয়া আরো বলেন, ‘এখনো অনেক পরিচালকের মধ্যে নারCentered কাজ করতে ভয় রয়েছে। থাকলেও তারা বা তোলে শুধুমাত্র বান্ধবী বা স্ত্রীর চরিত্র। অথবা বড় মাপের তারকা বা সুপারস্টারকেই গুরুত্ব দেয়। একজন প্রত্যন্ত ও আর্টিস্টিক গুণসম্পন্ন অভিনেতাকে সুযোগ দেয়না।’ তবে ভালো নির্মাতাদের প্রতি ইম্প্যাথি না দেখিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, ‘অনেক ডাইনামিক পরিচালক আছেন, যাঁরা আমার মতো বা আরও দক্ষ অভিনেতাদের থেকে ভালো কাজ নিতে পারেন। কিন্তু তারা এড়িয়ে যান।’

    অভিনেত্রীর সর্বশেষ কাজ হিসেবে দেখানো হয়েছে ‘ফেরেশতে’ সিনেমাটি। এটি বাংলাদেশের সঙ্গে ইরানের যৌথ প্রযোজনা। সিনেমার পরিচালনা করেছেন ইরানি পরিচালক মুর্তজা অতাশ। שচিত্রনাট্যে রয়েছে শহীদুজ্জামান সেলিম, শাহেদ আলী, রিকিতা নন্দিনী, শিমু ও সুমন ফারুক।

  • মেসির ইতিহাস রচনা: হ্যাটট্রিক করে গোল্ডেন বুট জিতলেন তিনি

    মেসির ইতিহাস রচনা: হ্যাটট্রিক করে গোল্ডেন বুট জিতলেন তিনি

    বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত ছিল। এখন কেবল আনুষ্ঠানিকতার অপেক্ষা ছিল। এবং অবশেষে সেই ঘোষণা এসে গেছে। Major League Soccer (MLS) মৌসুমের সেরা গোলদাতার পুরস্কার, অর্থাৎ ‘গোল্ডেন বুট’, জিতলেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার লিওনেল মেসি।

    গোল্ডেন বুট জেতা মানে তিনি রীতিমতো ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। এই প্রথম কোনও ইন্টার মায়ামির ফুটবলার হিসেবে তিনি এই বিশেষ পুরস্কার অর্জন করলেন। এই মৌসুমে ২৯ গোল করে MLS এর নিয়মিত মৌসুম শেষ করেছেন মেসি। তার সাথে সতীর্থদের দিয়ে আরও ১৯ গোল করিয়েছেন, এভাবে তিনি মোট ৪৮ গোলের অবদান রেখেছেন। এই স্কোরের মধ্য দিয়ে তিনি আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলারের মর্যাদা যথেষ্ট উজ্জ্বল করেছেন। মায়ামির হয়ে দ্বিতীয় মৌসুমে এমন দারুণ পারফর্ম দেখে সবাই মুগ্ধ।

    মায়ামি ফ্লোরিডার এই ক্লাবটি ন্যাশভিলের বিরুদ্ধে ৫-২ গোলের জয় দিয়ে মৌসুম শেষ করে। এই জয়ে তারা প্লে-অফের জন্য যোগ্যতা অর্জন করে। আজ ভোরে, মায়ামির ঐতিহাসিক এই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন মেসি। এই ম্যাচে তিনি হ্যাটট্রিক করে দর্শকদের চমকে দিয়েছেন। নভোসিবিলিটির খেলোয়াড়ি হিসেবে, ন্যাশভিলের স্যাম সারিজ এবং এলএএফসি এর ডেনিস বুয়াঙ্গা সমান ২৪ গোল করে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা। তবে, মেসি স্পষ্ট এগিয়ে থেকে গোল্ডেন বুট জিতলেন।

    অতিরিক্তভাবে, এই দিন তিনি আরও একাধিক রেকর্ডের মালিক হলেন। MLS এর ইতিহাসে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ৫০ গোল করে ফেললেন তিনি। যেখানে আগে সাবেক তারকা স্ট্রাইকার ইব্রাহিমোভিচ ৫৪ ম্যাচে ৫০ গোল করেন, সেখানে মেসি মাত্র ৫৩ ম্যাচে এই সাহসী অর্জন করে ফেলেছেন।

    একই সঙ্গে, তিনি দ্বিতীয় আর্জেন্টাইন ফুটবলার হিসেবে MLS এর গোল্ডেন বুট জেতার কৃতিত্ব লাভ করলেন। ২০২১ সালে, নিউ ইয়র্ক সিটির হয়ে লা আলবিসেলেস্তেদের প্রথম ফুটবলার হিসেবে এই পুরস্কার জয় করেছিলেন ভ্যালেন্টিন ট্যাটি। এবার, মেসি সেই ইতিহাসের পাশে নিজের নাম লিখেছেন।

  • বাংলাদেশকে নয় কেন জ্বলছে? রুবেলের প্রশ্ন

    বাংলাদেশকে নয় কেন জ্বলছে? রুবেলের প্রশ্ন

    গত কয়েকদিনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যেখানে আগুনের ভয়ঙ্কর শিখা ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনার পর দেশের জনপ্রিয় ক্রিকেটাররা তাদের ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তামিম ইকবাল, তাসকিন আহমেদ এবং রুবেল হোসেন তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন সামাজিক মাধ্যমে। এদের মধ্যে রুবেল হোসেনের পোস্টটি সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে। তিনি সহমর্মিতা জানিয়ে পাশাপাশি উঠে এসেছে বাংলাদেশে বারবার কেন এ ধরনের আগুন লাগছে, এর কারণ খুঁজে দেখার আহ্বান।

    নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে রুবেল লিখেছেন, ‘একটি নয়, দুইটি নয় — পরপর তিনটি স্থানে আগুন! এর শেষ কোথায়? প্রশ্নটা একটাই… কেন বাংলাদেশ জ্বলছে? মাঝে মাঝে নিজেকে জিজ্ঞেস করি—এত অন্যায়, এত দুর্নীতি, এত মৃত্যু থাকা সত্ত্বেও আমি কেন এই দেশের সঙ্গে আছি? এর উত্তর খুবই সরল—প্রেম, ভালোবাসা, মাটির গন্ধ এবং এক টুকরো পতাকা। এই দেশটাই আমার হৃদয়ের গভীর থেকে আঁকা, আমার অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে। এত সুন্দর একটা দেশের এত ধরনের দুর্নীতি ও অগ্নিকাণ্ড ভাবিয়ে তোলে আমাকে। আমি চাই, ভয় নয়, বরং ভরসা যোগান দেবে এমন একটি বাংলাদেশ যেখানে অগ্নি নয়, আলোই থাকবে।

    তামিম ইকবাল তার পোস্টে লিখেছেন, ‘ঢাকা বিমানবন্দরের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত সকল উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের জন্য প্রার্থনা করছি। এই ক্ষতি খুবই ভয়ঙ্কর। আল্লাহ আমাদের শক্তি ও ধৈর্য্য দান করুন এই যন্ত্রণার মধ্যেও শক্ত থাকতে।’

    তাসকিন আহমেদ বলেন, ‘ম্যাচের সময় আকাশে আগুনের ধোঁয়া দেখতে পেয়েছিলাম, তবে তখন বুঝতে পারিনি এর পেছনে কত বড় ট্র্যাজেডি লুকিয়ে আছে। কত স্বপ্ন, কত শ্রম এখন সেই আগুনে পুড়ে গেছে। এই কঠিন সময়ে আমি সবাইকে গভীর সংকোচের সঙ্গে অভিব্যক্তি জানাচ্ছি। আল্লাহ তায়ালা যেন তাদের ধৈর্য্য ও সাহস দেয় এবং এই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা করেন।’