Blog

  • পাকিস্তানের হামলায় আফগানিস্তানের শীর্ষ ধর্মীয় নেতা নিহত!

    পাকিস্তানের হামলায় আফগানিস্তানের শীর্ষ ধর্মীয় নেতা নিহত!

    পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে আবারও উত্তেজনার পারদ চড়ছে। সম্প্রতি পাকিস্তানের সেনাবাহিনী আফগানিস্তানে একটি বিশেষ অভিযান চালিয়েছে, যার নাম ‘অপারেশন গজব-লিল হক’। এই অভিযানের ফলে আফগানিস্তানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা নিহত হয়েছেন বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থা ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স (ওসিন্ট)-এর ইউরোপ শাখা।

    বৃহস্পতিবার ভোরে এক্স (সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম) এ সংস্থাটির পক্ষ থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। ওসিন্টের দাবিসা অনুযায়ী, পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর হামলায় কাবুলে তালেবান সরকারের শীর্ষ এই নেতা ও তার সাথে থাকা কিছু উচ্চপদস্থ কমান্ডার নিহত হয়েছেন। তবে এটি এখনও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    ২০২১ সালে মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনী আফগানিস্তান ত্যাগের পর তালেবান ক্ষমতা গ্রহণ করে। হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা সেই সরকারের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও নীতিনির্ধারণী নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

    অভিযোগ রয়েছে, এর আগে ২১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বিমান বাহিনী নানগারহার ও পাকতিয়া প্রদেশে অভিযানে নামে। এই হামলায় ৮০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন বলে আফগান পক্ষের দাবি। এর প্রতিক্রিয়ায় আফগান সেনারা ডুরান্ড লাইনে হামলা চালায়।

    এদিকে, শুক্রবার ভোরে কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়ায় পাকিস্তান আবারও হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে আফগান তালেবানও পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছেন। তালেবানের মুখপাত্র বিবিসিকে জানিয়েছেন, কান্দাহার প্রদেশের দামান জেলায় একটি লক্ষ্যবস্তুতে পাকিস্তানি বোমাবর্ষণ হয়েছে, যদিও এতে কেউ হতাহত হয়নি। সেখানে তালেবান সীমান্ত রক্ষা দলের একটি ঘাঁটি রয়েছে।

    তালেবানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা দেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পাকিস্তানের সীমান্তে পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে। তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, আফগান নিরাপত্তা বাহিনী পাকিস্তানের ১৯টি সীমান্ত চৌকি ধ্বংস করেছে এবং কিছু পাকিস্তানি সৈন্যকে আটক করেছে। তিনি আরও দাবি করেন, এই হামলায় ৫০ জনেরও বেশি পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন, তবে এই সংখ্যাটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    অপরদিকে, পাকিস্তান দাবি করেছে, তারা আফগান তালেবানের ২৭টি সীমান্ত চৌকি ধ্বংস করেছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তাদের বাহিনীর।

  • ইরানের তিন পারমাণবিক কেন্দ্র ভেঙে ফেলার শর্ত দিলো যুক্তরাষ্ট্র

    ইরানের তিন পারমাণবিক কেন্দ্র ভেঙে ফেলার শর্ত দিলো যুক্তরাষ্ট্র

    সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সম্প্রতি অনুষ্ঠিত তৃতীয় দফার আলোচনা চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা মুখোমুখি হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে এই আলোচনা হয়েছে। এর পর ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ভবিষ্যতে আরও আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হবে।

    মধ্যপ্রাচ্য ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের নজর ছিল এই বৈঠকে কোন সমঝোতা হয়ে ওঠে কি না। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল সূত্র জানিয়েছে, এই আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জন্য একটি কঠোর শর্ত আরোপ করেছে। সেটি হলো, ইরানকে তাদের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক কেন্দ্র—ফোর্ডো, নাতানজ ও ইসফাহান—ভেঙে ফেলে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি, ইরানের কাছে থাকা সকল সমৃদ্ধকরণকৃত ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।

    যুক্তরাষ্ট্র আরও বলছে, ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এখন শূন্যে নামিয়ে আনার খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার। তবে স্বাস্থ্যসেবা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালানোর জন্য কিছু সীমিত পরিমাণে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দিতে পারে।

    অন্যদিকে, যদি ইরান এই শর্তগুলো মানতে রাজি হয়, তবে কয়েকটি নিষেধাজ্ঞায় শিথিলতা দেওয়া হবে—অর্থাৎ নির্দিষ্ট কিছু নিষেধাজ্ঞা মুক্তি পেতে পারে। তবে, এই শর্ত মানা গেলে ভবিষ্যতে আরও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার সম্ভাবনাও রয়েছে।

    এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, যদি ইরান এই চুক্তি মানবে না, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরই অংশ হিসেবে, ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে রণতরীসহ এক ডজনের বেশি যুদ্ধ জাহাজ মোতায়েন করেছে। এ ছাড়াও, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডের মতো যুদ্ধজাহাজও ওই অঞ্চলে উপস্থিত হচ্ছে।

    এই সমস্ত কর্মকাণ্ড ও আলোচনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়েছে ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের সূত্রে।

  • নির্বাচনের পর থেকে সহিংসতা অব্যাহত: ঝিনাইদহের দুটি গ্রামে পুরুষ Shূন্য আতঙ্কে নারী ও শিশুরা

    নির্বাচনের পর থেকে সহিংসতা অব্যাহত: ঝিনাইদহের দুটি গ্রামে পুরুষ Shূন্য আতঙ্কে নারী ও শিশুরা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও ঝিনাইদহে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার ঘটনা עדיין থামছে না। সদর উপজেলার ফুরসন্দি ইউনিয়নের কিছু গ্রামে বিএনপি’র দুই গ্র“পের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর ও প잘্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে এলাকা জুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে, যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার দাবি করলেও সেই বাস্তবতা অনেকের অভিযোগের সাথে সঙ্গতি রাখে না।

    জানা গেছে, আসনপ্রার্থীদের মধ্যে এক পক্ষ ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থক, ইউনিয়ন বিএনপির আহŸায়ক জাহিদ বিশ্বাস, এবং অন্য পক্ষ স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাপ-পিরিচ প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। ভোটের পর প্রভাবশালী বিরোধের জের ধরে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। স্থানীয় অনেকের অভিযোগ, বিরোধের জেরে অন্তত ৫০ পরিবারের পুরুষ সদস্য গ্রামত্যাগ করে গেছেন। নারী ও শিশুরা এই পরিস্থিতিতে তীব্র আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

    সদর উপজেলার ফুরসন্দি ইউনিয়নের মাড়ুন্দি বনকুমড়াপাড়া ও ল²ীপুর গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে আলাপচারিতায় জানা যায়, এই দুই গ্রামের প্রায় সব বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ক্ষত হয়েছে। গ্রামের অন্তত ৫০টি পরিবারের পুরুষেরা গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। রাতের বেলায় প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছে, ভয়ংকরভাবে মারধর করছে এবং জনগণের চলাচলে বাঁধা সৃষ্টি করছে। নারী ও শিশুদের ঘর থেকে বাহিরে যেতে পারছে না।

    স্থানীয়রা বলছেন, ২২ ফেব্রুয়ারি ভোরের দিকে বিএনপি’র সমর্থক, ইউপি সদস্য হায়দার আলীর নেতৃত্বে কিছুদলের লোকজন ঢাল-সড়কি ও ককটেল নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় অনেকেই আহত হন। মাজেদা খাতুন, তার স্বামী ১০ বছর ধরে হার্টের রোগী, হামলার ভয়ে পালিয়ে গেছেন। অন্যদিকে রাবেয়া খাতুন বলছেন, বাড়ির পুরুষরা বাইরে থাকায় তিনি নিজে ধান ক্ষেত সেচ দিতে যেতে বাধ্য হন, যেখানে হামলার ভয় কাজ করছে।

    শাহানাজ পারভীন ও আলী হাসানের স্ত্রী শর্মিলা খাতুনের অভিজ্ঞতাও পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে। তাদের অভিযোগ, সকালে অন্য গ্রাম থেকে শতাধিক লোক এসে হামলা ও বোমাবিস্ফোরণ চালিয়েছে। গ্রামবাসীরা বলছেন, ভোটের দিন থেকে এখন পর্যন্ত পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, হামলার ভয় ই তাদের অবস্থার অবনতি ঘটিয়েছে।

    এ বিষয় নিয়ে সম্প্রতি জাহাঙ্গীর মন্ডল ও অন্যরা জানিয়েছেন, এই হামলার স্বীকৃতি ও দায় চাপানো হচ্ছে। ইউনিয়ন বিএনপি’র নেতা জাহিদ বিশ্বাস, ঘটনাকে সামাজিক দ্ব›দ্ব হিসেবে অভিহিত করে বলেন, উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বেশ কিছু অভিযোগ তাদের ওপর আনা হলেও সত্য নয়, এবং হায়দার মেম্বার একজন ভালো মানুষ।

    ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাল হোসেন জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জোরদার টহল ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, কয়েকটি ক্যাম্পে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে, জনসাধারণকে আর সহিংসতায় জড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে, যারা বাড়িতে থাকতে পারছেন না, তাদের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    উল্লেখ্য, ঝিনাইদহ- ৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে দলের মনোনয়নপ্রাপ্ত মোঃ রাশেদ খান। তবে, দলের মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, যার ফলস্বরূপ এই নির্বাচনী পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

  • শ্যামনগরে তিন ভাটা মালিককে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা

    শ্যামনগরে তিন ভাটা মালিককে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা

    সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে জমি থেকে মাটি উত্তোলনের অভিযোগে তিনটি ভাটা মালিককে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাধ্যমে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাভিল হোসেন তামীমের নেতৃত্বে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সদর হাসপাতালের সামনে এই অটোচালকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযান চালানো হয়।

    উল্লেখ্য, শ্যামনগর উপজেলার রামজীবনপুর এলাকার ‘আশা ব্রিকস’, নাটুয়ারবেড় এলাকার ‘মোস্তফা ব্রিকস’ এবং ইসমাইলপুর এলাকার ‘এবি ব্রিকস’র মালিকরা তাদের ভাটায় ইট প্রস্তুত করার জন্য পাশের জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাভিল হোসেন তামীম পৃথক পৃথকভাবে এই তিনটি ভাটায় অভিযান চালান।

    অভিযানে সত্যতা পাওয়ার পরে তিনি অবৈধ মাটি উত্তোলনের জন্য ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ এর ৭(ক) এবং ১৫(১) ধারায় ভাটার মালিকদের জরিমানা করেন। এর মধ্যে ‘মোস্তফা ব্রিকস’ ও ‘আশা ব্রিকস’ এর মালিককে প্রত্যেককে ৪ লাখ টাকা করে মোট ৮ লাখ টাকা জরিমানা, আর ‘এবি ব্রিকস’ এর মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে।

    অভিযান চলাকালে পরিবেশ অধিদপ্তর সাতক্ষীরার সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান, পুলিশ, এবং আনসার সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য জরিমানার টাকা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

    অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তির অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। সেখানে হাসপাতাল সংলগ্ন পার্কিংয়ে অবৈধভাবে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স পার্কিং ও রোগীদের ব্যক্তিগত ক্লিনিকে মেডিকেল টেস্টের জন্য পাঠানোর জন্য তিন চালককে জরিমানা করা হয়। এই ধরনের অব্যবস্থার কারণে রোগী ও তাদের পরিবারের ভোগান্তি আরও বৃদ্ধি পাচ্ছিল।

  • রমজানে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে হবে

    রমজানে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে হবে

    জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, পবিত্র রমজান মাস হচ্ছে ইবাদতের মাস। এ সময়ে মানুষকে অযুহাত করে বেশি মুনাফার চিন্তা থেকে বিরত থাকতে হবে। রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনশীল রাখতে হবে যেন সাধারণ মানুষ তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে পারে। বাজারে কোনো প্রকার সিন্ডিকেট বা অসাধু চেষ্টায় মূল্যবৃদ্ধি করে অস্থিরতা সৃষ্টি করা যাবে না। মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে আনতে এবং রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করতে আমরা সবাই নৈতিক দায়িত্বশীল।

  • বর্তমান সরকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে

    বর্তমান সরকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে

    খুলনা-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আজিজুল বারি হেলাল বলেছেন, মাদক, সন্ত্রাস এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার গভীরভাবে প্রতিশ্রুত। তিনি জানান, দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাচা চোরাকারবারি, জমি দখলকারীরা এবং চাঁদাবাজরা নানা অপকাণ্ড চালাচ্ছে। এসব বেআইনী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বিশেষ করে উল্লেখ করেন, দেশের মানুষ যেন সুখী, সমৃদ্ধ এবং নিরাপদে বসবাস করতে পারে, সে জন্য সকল ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এছাড়াও, তিনি বলেন, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল দেশব্যাপী বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। এসব অশুভ চেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোরভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে এবং নতুন গঠিত বিএনপি সরকার এ ধরনের ষড়যন্ত্র দমন করবে। তিনি জানান, খুলনা-৪ আসনে মামুলার মতো মাদক বিক্রির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে। মাদক বিক্রেতা বা সন্ত্রাসী যে কোনও দলের হতে পারে, তাদের বিরুদ্ধে দমন-পীড়ন অব্যাহত থাকবে।

    প্রশাসনের কাছে তিনি বলেন, দুর্নীতিমুক্ত, সুষ্ঠু ও জনবান্ধব প্রজাতন্ত্র গড়তে যা যা পদক্ষেপ নেওয়া দরকার, তা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হবে। সকল কর্মকর্তা যেন দলীয় স্বার্থে নয়, দেশের স্বার্থে কাজ করেন, সেই আহ্বানও জানান তিনি।

    গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রূপসা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে, তিনি রূপসা উপজেলা প্রশাসন द्वारा আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি এরপর খুলনা জেলা প্রশাসনের আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা। উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মীর, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি। এছাড়াও স্বাধীনতার স্বপক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এই আয়োজনের মধ্যে দিয়ে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনীতি ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিরা একত্রিত হয়ে উন্নয়নের জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য চেক বিতরণ

    খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য চেক বিতরণ

    খুলনা জেলার ২৩ জন, সাতক্ষীরা জেলার ১৩ জন এবং বাগেরহাট জেলার ১০ জন সহ মোট ৪৬ জন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মাঝে এক কোটি ৯৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে। এই চেক বিতরণ অনুষ্ঠান আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)’র চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ।

    বিশেষ অতিথিরা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির সাথে সাথে কঠোর আইন প্রয়োগ জরুরি। তারা আরও বলেন, দেশজুড়ে ঘটে যাওয়া ৭০ শতাংশ সড়ক দুর্ঘটনার জন্য মূলত মোটরসাইকেলই দায়ী। তাই চালকদের জন্য মাথায় হেলমেট পরার বিকল্প নেই। পেশাদার চালকদের জন্য প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি, গাড়ির গতি সীমা প্রতি ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটারে রাখার জন্য চালকদের প্রতি আহ্বান জানান।

    খুলনা জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ পরিচালক (অডিট ও আইন) রুবায়াৎ-ই-আশিক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ, খুলনা বিআরটিএর পরিচালক (ইঞ্জি) মোঃ জিয়াউর রহমান, বিভিন্ন শ্রমিক ও মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিআইটিএ’র উপপরিচালক তানভীর আহমেদ।

    প্রধান অতিথি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের হাতে চেক তুলে দেন, যা তারা তাদের আহত হওয়া বা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ব্যবহার করবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারি পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রমত্ত সহায়তা ও পুনর্বাসনের এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ নেওয়া হয়েছে।

  • সোনার দাম প্রতি ভরিতে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে

    সোনার দাম প্রতি ভরিতে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা দিয়েছে যে, দেশের স্বর্ণের দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে। এর ফলস্বরূপ, বিভাগে মানসম্পন্ন (২২ ক্যারেট) সোনার ভরির দাম বেড়ে এখন ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা হয়েছে, যা আগে ছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা। এই দাম পরিবর্তন সম্প্রতি, গতকাল (২১ ফেব্রুয়ারি) শনিবার, ভোর ১০:১৫ মিনিট থেকে কার্যকরী হয়েছে।

    বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে এবং দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের মানদণ্ড অনুযায়ী, সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেটের একটি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি বাজারমূল্য এখন ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের জন্য ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।

    অতিরিক্ত, মোটা আকারে পরিমাণে রুপার দামেও বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার মূল্য এখন ৬ হাজার ৭০৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামও ঊর্ধ্বমুখী। আন্তর্জাতিক মূল্য নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ সময় সকাল ১১:২৫ এর সময়ে এক আউন্স স্বর্ণের আন্তর্জাতিক মূল্য ছিল ৫ হাজার ১০৬ ডলার, যা আগের দিন ছিল ৪ হাজার ৯৭৮ ডলার।

    অতীতে, ৩০ জানুয়ারি এই দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি তা ছিল ৫ হাজার ৫৫০ ডলার। গত মাসের শেষের দিকে, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ব্যাপকভাবে বাড়তে থাকায় দেশের বাজারেও রেকর্ড পরিমাণ মূল্যবৃদ্ধি ঘটে। ২৯ জানুয়ারি স্বর্ণের মূল্য ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বেড়ে ওঠে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই সময়, মানসম্পন্ন এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, যা আগে কখনো হয়নি।

  • দুই দিনের ব্যবধানে ফের বাড়ল সোনার দাম

    দুই দিনের ব্যবধানে ফের বাড়ল সোনার দাম

    দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দরে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, যা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এই তথ্য প্রকাশ করে। নতুন দাম কার্যকর হয়েছে সাকেল ১০টা থেকে। সংগঠনের মতে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম এখন ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। এর পাশাপাশি, ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বিক্রির সময়ে এই মূল্যের সঙ্গে যোগ হবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরির চার্জ। গহনার নকশা, মান ও মজুরির বিভিন্নতার জন্য এই হার সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে।

    অতীতে, ২১ ফেব্রুয়ারি বাজুস সোনার দাম সমন্বয় করে ২২ ক্যারেটের ভরির দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল। এই বছর এখন পর্যন্ত মোট ৩২ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২০ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১২ বার কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার দাম সমন্বয় হয়, যার মধ্যে ৬৪ বার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ২৯ বার কমেছে।

    অপরদিকে, রুপার দাম এ মুহূর্তে অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেট রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ৫ হাজার Grec ৮২ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৪ হাজার ৮২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বছরজুড়ে রুপার দাম ১৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে, এর মধ্যে ১১ বার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ৭ বার কমেছে। গত বছর মোট ১৩ দফায় দাম পরিবর্তন হয়, যেখানে ১০ বার বেড়েছে এবং ৩ বার কমেছে।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বদল: মনসুরকে সরিয়ে মোস্তাকুর রহমান নতুন গভর্নর

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বদল: মনসুরকে সরিয়ে মোস্তাকুর রহমান নতুন গভর্নর

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ এখন থেকে বাতিল করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মো. মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এর একাধিক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ড. আহসান এইচ মনসুরের নিয়োগের মেয়াদ আর আগের মতো থাকবে না। এর আগে ১৩ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এখন সরকার তার মেয়াদ বাতিল করে নতুন নিয়োগ দিয়েছে।

    নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে চার বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাকে অন্যান্য সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদান করতে বলা হয়েছে। তিনি যোগ দেওয়ার পর থেকে ব্যাংকের চুক্তি অনুযায়ী বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। নিয়োগের বিস্তারিত শর্তাবলি চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

    জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। জানা যায়, মোস্তাকুর রহমান বাংলাদেশের পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সংস্থা, বিজিএমইএ’র সদস্য এবং হীরা সোয়েটারের মালিক।

    তবে, মঙ্গলবার দুপুরে গভর্নর পদ থেকে সরানো হয়েছে—এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর, বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি ছাড়াই ড. আহসান এইচ মনসুর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যালয় ত্যাগ করেন। তার এই আচরণের পরিবর্তে তিনি বলেন, আমি পদত্যাগ করিনি, তবে খবর শুনেছি। একই সঙ্গে তিনি আর কিছু বলেননি।

    সূত্রের খবর, সকালে অফিসে উপস্থিত থাকলেও হঠাৎ করেই তার পরিবর্তনের খবর ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তিনি কোনও কথা না বলেই অফিস ত্যাগ করেন এবং সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। এর ফলে ব্যাংকের অভ্যন্তরে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়।

    অতীতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার তার পদত্যাগ করেন। এরপর ১৩ আগস্ট নতুন গভর্নর হিসেবে ড. আহসান এইচ মনসুর সম্প্রতি নিয়োগ পান।