Blog

  • বোরো মৌসুমে চিতলমারীতে ৩০ হাজার একর জমিতে চাষাবাদ শুরু

    বোরো মৌসুমে চিতলমারীতে ৩০ হাজার একর জমিতে চাষাবাদ শুরু

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে চলতি বোরো মৌসুমে ব্যাপক আকারে ধান চাষাবাদ চলছে। এই মৌসুমে উপজেলার ৩০ হাজার একর জমিতে বোরা ধান চাষ করা হয়েছে। চাষিরা ধানের চারা রোপনের কাজ শেষ করে এখন মূল রোপনকৃত চারা দেখভালের পাশাপাশি যত্ন নিচ্ছেন। বাজারে ধান ও চালের দাম ভালো থাকায় এ বছর ধানের মূল্য নাড়ছে চাষিদের মনোভাব, তারা আগ্রহের সাথে নতুন করে ধান চাষে উৎসাহ পাচ্ছেন।

    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মোট ৭টি ইউনিয়নের ২১টি ব্লকে এই চাষাবাদ হচ্ছে। চলতি মৌসুমে এই ২১টি ব্লকে মোট ৩০ হাজার একর জমিতে ধান রোপন লক্ষ্যমাত্রার নির্ধারণ করা হয়েছিল, যার কিছুটা বেশি জমিতে এ বছর আবাদ হয়েছে। এসব জমিতে উফশি, স্থানীয় এবং উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষ করা হয়েছে।

    স্থানীয় চাষিরা যেমন কুরমনি গ্রামের পংকজ বিশ্বাস, দেবাশিষ বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের শেখর ভক্ত, বড়বাড়িয়ার সাফায়াত হোসেন, সুরশাইলের মুন্না শেখ, পাটরপাড়ার রিংকু বিশ্বাস বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধান চাষ করে লোকসান হয়েছিল। তবে এই বছরের বাজার দর ভালো থাকায় আবার ধান চাষে আগ্রহ বাড়ছে।’

    চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সিফাত-আল-মারুফ বলেন, ‘শীতে আপসহীন হয়ে চাষিরা বোরো ধান চাষ করেছেন। আমরা মাঠে গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি এবং তদারকি করছি। আকাশের আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এ মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি ফলন পাওয়া সম্ভব বলে আমরা আশাবাদি।’

  • শহীদ জিয়ার স্বপ্নের খাল খনন বিপ্লব শুরু মোংলা-রামপালে

    শহীদ জিয়ার স্বপ্নের খাল খনন বিপ্লব শুরু মোংলা-রামপালে

    পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের খালের খনন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আমরা কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। এখন থেকে মোংলা ও রামপালের কোনো সরকারি খাল ইজারা বা দখলে থাকবেনা; সব খাল সাধারণ মানুষের ব্যবহার উপযোগী করে উন্মুক্ত করা হবে।শনিবার দুপুরে মাদুরপাল্টা ব্রিজের সংলগ্ন এলাকায় উৎসবের মেজাজে খননের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই খননের মাধ্যমে দীর্ঘ চার দশকের অবরোধের অবসান হবে। এলাকায় জলাবদ্ধতা দূর হবে, কৃষকরা সহজে কৃষিকাজ করতে পারবে এবং পরিবেশের ক্ষতি রোধে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।তিনি আরও বলেন, জনগণের সম্পদ লুটে-পাটের দিন শেষ। মোংলা ও রামপালের প্রতিটি সরকারি খাল এখন থেকে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য মুক্ত। যারা খাল দখল করে মাছ চাষ বা ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করছে, তাদের যদি স্বেচ্ছায় খাল ছেড়ে না দেন, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, শহীদ জিয়ার স্বপ্নের খাল খনন এই প্রকল্পের মূল চেতনা দ্বারা অনুপ্রাণিত। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) মোংলার চারটি গুরুত্বপূর্ণ খাল—মাদুরপাল্টা, ভোলা নদী, পালেরখন্ড ওবেনীরখন্ড—সহ মোট সাড়ে ৮ কিলোমিটার অংশের খনন উদ্বোধন হয়। এই খনন কাজের জন্য প্রায় ২৬ লাখ ১৪ হাজার ৬৫৭ ঘনফুট মাটি সরানো হবে, খালের উপরের প্রস্থ ২৫ ফুট, নিচের প্রস্থ ৫ ফুট এবং গভীরতা ৮ ফুট নির্ধারিত। এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫০ লাখ ৩ হাজার ৮৪৭ টাকা, যা ৩০ মার্চের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য।অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার রেফাতুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আ. মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, শেখ রুস্তম আলী, থানা যুবদলের সদস্য সচিব সফরুল হায়দার সুজন ও সিএনআরএসের প্রতিনিধিসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।প্রধান অতিথি মোংলার ইউএনও শারমীন আক্তার সুমী জানান, দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে এবং খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। স্থানীয় জনগণ ও বিএনপি নেতারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।যখন মাটি কাটার কাজ শুরু হয়, তখনই একজন বয়োজ্যেষ্ঠ কৃষক আবেগে ভর করে বলেন, ‘৪০ বছর পরে এই খালে আবার পানির কল কল শব্দ শুনবো, এটা ভাবতেই চোখ moist হচ্ছে।’ এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘ দিন ধরে জলাবদ্ধতা ও লোনা পানি থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা জেগেছে এই উপকূলীয় এলাকার মানুষজনের মধ্যে।বক্তারা বলেন, এটি শুধু মাটি খোদনের কাজ নয়, এটি মোংলার কৃষি ও পরিবেশকে পুনর্জীবিত করার এক প্রতিজ্ঞা। এই উদ্যোগ আরও শক্তিশালী করতে সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সংস্থা একত্রিত হয়ে কাজ করবে। প্রকল্পটি সিএনআরএস-এর ‘নবপল্লব’ কর্মসূচির অধীনে এবং ঠিকাদার হিসাবে কাজ করছে মেসার্স সোহাগ এন্টারপ্রাইজ। এই প্রকল্প মোংলার মানচিত্র বদলে দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ প্রকাশ করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা করেন, মোংলা ও রামপালের কোনো সরকারি খাল আর ব্যক্তিগত মালিকানাধীন থাকবে না, সব হবে জনগণের সম্পত্তি। এই ঘোষণা শুনে উপস্থিত হাজারো মানুষের করতালিতে মুখর হয় পুরো পরিবেশ। তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ার করেন, শহীদ জিয়ার স্বপ্নের সেই খাল খনন আজ থেকে আবার শুরু হলো। কোনো ইজারা বা দখল থাকবেনা; সব খাল উন্মুক্ত করা হবে। যারা এখনো সাধারণ মানুষের পানির পথ বন্ধ করে অর্থ উপার্জন করছেন, তাদের যদি স্বেচ্ছায় খাল ছেড়ে না দেন, তবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন, মনসুর সরিয়ে মোস্তাকুর রহমান নতুন গভর্নর

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন, মনসুর সরিয়ে মোস্তাকুর রহমান নতুন গভর্নর

    বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তার অবসান ঘটিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে নতুন করে মোস্তাকুর রহমানকে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১৪তম গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদারের স্বাক্ষরিত পৃথক দুই প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ড. আহসান এইচ মনসুরের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, মোস্তাকুর রহমানকে চার বছর মেয়াদে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁর নিয়োগের শর্তে রয়েছে যে, তিনি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সব ধরনের কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগ করবেন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। নিয়োগ সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় চুক্তিপত্রে উল্লেখ থাকবে।

    নতুন এই নিয়োগ দ্রুত কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। জানা গেছে, মোস্তাকুর রহমান বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্য এবং হিরা সোয়েটারের মালিক।

    প্রায় একই সময়ে, গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর অফিস ত্যাগ করেন। তিনি কোন আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না দিয়ে যান, তবে নতুন গভর্নর নিয়োগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তার কাছ থেকে কেউ কোন মন্তব্য পাননি। তিনি বলেন, আমি পদত্যাগ করিনি, তবে খবর শুনেছি।

    সূত্রের মতে, বুধবার সকালে নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও হঠাৎ করে সবাইকে অবগত না করেই তিনি অফিস ত্যাগ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাংক কার্যাঙ্গনে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

    প্রসংগত, এর আগে ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার অবসরে যান। এরপর ১৩ আগস্ট ড. আহসান এইচ মনসুরকে গভর্নর নিযুক্ত করা হয়। এই পরিবর্তন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেতৃত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সূচিত করে।

  • নতুন গভর্নর কথা নয়, কাজের মাধ্যমে নিজস্ব দক্ষতা প্রমাণ করবেন

    নতুন গভর্নর কথা নয়, কাজের মাধ্যমে নিজস্ব দক্ষতা প্রমাণ করবেন

    বাংলাদেশের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান তার প্রথম দিনেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি কথার পরিবর্তে কাজের মাধ্যমে নিজের সক্ষমতা ও যোগ্যতা প্রমাণ করতে চান। দেশের ১৪তম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরে তিনি ঘোষণা করেন, আপাতত কথাবার্তা নয়, মূল গুরুত্ব থাকবে কাজে।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রবেশ করেন। এ সময় ডেপুটি গভর্নররা ও ব্যাংকের কর্মকর্তারা তাকে অভ্যর্থনা জানান। নতুন গভর্নর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বলেন, কথায় নয়, কাজে নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতা প্রদর্শনই তিনি মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, তিনি কাজ শুরু করবেন, তারপরই কথা বলা সম্ভব হবে।

    এছাড়াও, পদে যোগদানের আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখোমুখি হন মোস্তাকুর রহমান। তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ে যান এবং সেখানে কিছু আনুষ্ঠানিকতা শেষে ব্যাংকে ফিরে আসেন।

    বুধবার বিকেলে, সরকার তাকে চারে বছরের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। তিনি বিদায়ী গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। রাষ্ট্রপতির আদেশে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগের পদানুযায়ী তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়, পাশাপাশি ড. আহসান এইচ মনসুরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়।

    মোস্তাকুর রহমানের জন্ম ১৯৬৬ সালে ঢাকায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) থেকে এফসিএমএ ডিগ্রি লাভ করেন।

    তার যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনায় কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ২৩তম সদস্য হওয়া, যেখানে তিনি বিএনপির ৪১ সদস্যের সচিব ছিলেন।

    অতিরিক্তভাবে, মোস্তাকুর রহমান পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ এর সদস্য। তিনি হেরা সোয়েটার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে আছেন। হেরা সোয়েটার্স নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত একটি পরিবেশবান্ধব কারখানা।

  • নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন

    নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন

    সদ্য বিদায়ী গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের উদ্যোগে খাদের কিনারা থেকে ব্যাংকিং খাতকে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এর জন্য তিনি প্রশংসা পেয়েছেন। নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেন, বর্তমান অর্থনীতির সংকট কাটাতে — বিশেষ করে ভঙ্গুর ব্যাংকিং খাতের প্রতিকূলতা দূর করতে — যা কিছু ইতিবাচক সংস্কার কার্যক্রম চলমান ছিল, তা অব্যাহত রাখবেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ১৪তম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে এসব কথা জানান।

    তিনি বলেন, প্রথম দিনই তিনি নির্বাহী পরিচালক, ডেপুটি গভর্নর ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। অন্যতম লক্ষ্য হলো, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ফলে বন্ধ হওয়া কলকারখানাগুলোর পুনরায় চালুর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা নিশ্চিত করা।

    আরিফ হোসেন খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র, জানান, গভর্নর পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে অর্থনীতি স্থিতিশীল করতে নেওয়া উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই স্থিতিশীল ভিত্তি শক্ত করে অর্থনীতিতে গতি ফিরিয়ে আনবেন। বিশেষ করে, গত এক বছরে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় নীতিগুলো বাস্তবায়ন, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং সেক্টরে সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। এর ফলে কর্মসংস্থান ও উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

    সভায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বজায় রাখতে পণ্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়াও, উচ্চ সুদের হার কীভাবে বিনিয়োগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজন অনুসারে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান গভর্নর।

    মুখপাত্র আরও জানান, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে নিয়মবিরুদ্ধ ও বৈষম্যহীন করার পরিকল্পনা রয়েছে। কাজের গতি বাড়াতে ‘ডেলিগেশন অব অথরিটি’ বা ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে, বাংলাদেশ ব্যাংকে ‘মবে’ প্রকল্পে জড়িত কর্মকর্তাদের বিষয়ে কতৃপক্ষের ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি-না, উল্লেখ করেন যে, নতুন গভর্নর বলেন, তিনি বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যারা এই ‘মবে’ কালচারে জড়িত থাকবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে কর বাড়ানোর পরামর্শ অর্থমন্ত্রীর

    অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে কর বাড়ানোর পরামর্শ অর্থমন্ত্রীর

    অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কাছাকাছি খুবই খারাপ বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করতে হলে কর বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। সরকার মনে করে, এই কর বৃদ্ধি থেকে সংগৃহীত অর্থের মাধ্যমে বিনিয়োগ বাড়ানো সম্ভব হবে, যা দেশের অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি। তার কথায়, ‘আমরা যত বেশি কর সংগ্রহ করব, ততই দেশের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি সম্ভব হবে।’ আগামী বাজেটে বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। জোর দেন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের উপর, কারণ এই বিনিয়োগ ছাড়া কর্মসংস্থান তৈরির সম্ভব নন। তিনি আরও বলেন, দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি নিয়ে পরিবর্তন আনতে হলে বিনিয়োগের বিকল্প নেই।

  • স্বর্ণের দামে বড় উল্লম্ফন, ভরি কত অন্তর্গত?

    স্বর্ণের দামে বড় উল্লম্ফন, ভরি কত অন্তর্গত?

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আবারো স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি করেছে। এই নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি দাম এখন ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা থেকে শুরু হবে, যেখানে আগে এটি ছিল ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। অর্থাৎ, ভরিতে কিছুটা বেশি বাড়ছে।

    শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়, এবং নতুন দাম প্রযোজ্য হবে আজ সকাল থেকেই। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য এভাবেই বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা স্বাভাবিক কারণ, বাজারে স্বর্ণের চাহিদা বেড়ে যাওয়া এবং আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যবৃদ্ধির ফলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    গত ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রথমে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয় ২ হাজার ২১৬ টাকা। এর আগে ২১ ফেব্রুয়ারি বাড়ানো হয় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা। তিন দফায় এই মানের স্বর্ণের মূল্য মোট ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

    অতঃপর, এখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের সর্বোচ্চ মানের বা সাধারণত যারা স্বর্ণ কিনতে চান, তাদের জন্য নতুন দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা, যেখানে আগে ছিল ২ লাখ ৫০ হাজার ১৪৩ টাকা, অর্থাৎ ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বেশি।

    তদ্ব্যতা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি এখন ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকা, যা আগের চেয়ে ৩ হাজার ৫৫৭ টাকা বেশি। এছাড়াও সনাতন পদ্ধতিতে বা সহজ ভাষায় হিসাব করলে এক ভরি স্বর্ণের মূল্য বেড়ে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা হয়েছে।

    গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায়, বৃহৎ মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬১ হাজর ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তখনও একই সময়ে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৪১ টাকা বাড়িয়ে ছিল ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা।

    অপরদিকে, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্যে বৃদ্ধি হয়েছে ১ হাজার ৮০৮ টাকা, যা নতুন দাম হয়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতিতে হিসাব করলে এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা।

    এছাড়া, সোনা বিক্রির দামে একযোগে রুপার দামে বাড়তি যোগ হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম বাড়ানো হয়েছে ১৭৫ টাকা, ফলে নতুন দাম হয়েছে ৬ হাজার ৮৮২ টাকা। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এখন ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, যখন আগে ছিল ৬ হাজার ৪১১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম বেড়ে হয়েছে ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির ক্ষেত্রে এই মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা।

  • তেক রহমানের আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা

    তেক রহমানের আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা

    বিএনপি চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন থেকে এই মুহুর্তে অংশ নেওয়া উপনির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে রেজাউল করিম বাদশাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছে। মঙ্গলবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিসিয়াল চিঠিতে রেজাউল করিম বাদশাকে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিএনপির প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, দলের নেতা তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া এই আসনে বিএনপি তার প্রার্থী হিসেবে রেজাউল করিম বাদশাকে মনোনয়ন দিয়েছে। উল্লেখ্য, এই আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে দ্রুত সময়ের মধ্যে। উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং দুটি আসনে জয় লাভ করেন। তবে আইন অনুযায়ী একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিনটি সংসদীয় আসনে নির্বাচন করতে পারেন, তবে তিনি একের বেশি আসনে সংসদ সদস্য থাকতে পারেন না। এর ফলে, তিনি ঢাকা-১৭ আসনটি ধরে রাখেন এবং বগুড়া-৬ আসন থেকে সরে দাঁড়ান, যাতে অন্যজন এই আসনে নির্বাচিত হতে পারেন। এই পরিবর্তনের ফলে বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য হয়, যেখানে বিএনপির পক্ষ থেকে এবার রেজাউল করিম বাদশাকে প্রার্থী করা হয়েছে।

  • এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

    এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

    নতুন পথে দেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে ‘দেশ যাবে নতুন পথে, ফিরবে না আর ফ্যাসিবাদে’ – এই স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনের জন্য ১০ দিনব্যাপী ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি জানানো হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি এক বিশেষ ইফতার মহফিলের আয়োজন করা হবে। এই অনুষ্ঠানানে প্রিয় বিপ্লবের শহীদ পরিবার, ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রী, গণমাধ্যমকর্মী, অ্যাক্টিভিস্ট ও সারাদেশের জেলা কমিটির নেতা ও সদস্যরা অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়া, এই দিনটিতে দলের এক বছরের কার্যক্রমের উপর একটি ডকুমেন্টারি ও ছবি প্রর্দশনীর আয়োজনও থাকছে।

    প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে ইফতার মাহফিলের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সূচি অনুযায়ী, চট্টগ্রামে ২ মার্চ, কুমিল্লায় ৩ মার্চ, সিলেটে ৪ মার্চ, ময়মনসিংহে ৫ মার্চ, ঢাকা শহরে ৬ মার্চ, ফরিদপুরে ৭ মার্চ, বরিশালে ৮ মার্চ, খুলনায় ৯ মার্চ, রাজশাহীতে ১০ মার্চ এবং রংপুরে ১১ মার্চ এই ইফতার উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।

    অপরদিকে, ঢাকাতে অবস্থিত মহানগর কমিটি ১২ মার্চ, উত্তর বিভাগের জন্য ১৩ মার্চ এবং দক্ষিণ বিভাগে ১৪ মার্চ পৃথক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করবে। এসব কর্মসূচি দলের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।

  • ছাত্ররা গণঅভ্যুত্থান করলেও নানা রাজনৈতিক দল তার পেছনে লাভ লুটে নিচ্ছে: নাহিদ ইসলাম

    ছাত্ররা গণঅভ্যুত্থান করলেও নানা রাজনৈতিক দল তার পেছনে লাভ লুটে নিচ্ছে: নাহিদ ইসলাম

    নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০১৬ সালের বৃহৎ গণঅভ্যুত্থান ছাত্ররাই করেছেন, কিন্তু এর সুফল ভোগ করছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তিনি অভিযোগ করেন, ছাত্রদের এই আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি অবদান থাকলেও বারবার তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

    সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে নাহিদ ইসলাম জানান, নির্ধারিত দিনে শপথ না নেয়ার জন্য যারা বাধা দিয়েছে, তারা গণভোট ও জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, সমাজের পরিবর্তনের জন্য যে জনादेश দেওয়া হয়েছে, তা অমান্য করা হয়েছে।

    নাহিদ ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে উল্লেখ করেন, যদি সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন না হয়, তবে জাতীয় সংসদের কোনও মূল্য থাকবে না। কারণ জনগণ শুধু ব্যক্তিগত পরিবর্তনের জন্য ভোট দেয়নি, বরং স্বৈরাচারী কাঠামো উৎখাত ও সংস্কারের জন্য ভোট দিয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার বিচার, সংস্কার ও অর্থনৈতিক লুটপাটের বিষয়ে জনগণের আকাক্সক্ষা মেটে না বলে তিনি সমালোচনা করেন।

    এছাড়াও, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে অপসারণের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর ফলে বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার বিষয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে, সরকারের ঋণখেলাপিদের পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলে তিনি সমালোচনা করেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, সংসদে মত প্রকাশের স্বাধীনতা না থাকলে আন্দোলন রাজপথে গড়াবে, এবং এর জন্য তিনি প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। শেষ মধ্যে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তনের জন্যও যোগ্য একজন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দিতে আহ্বান জানান।