Blog

  • বাংলাদেশের বৈদেশিক রিজার্ভ ৩২.১০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছালো

    বাংলাদেশের বৈদেশিক রিজার্ভ ৩২.১০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছালো

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ৩২.১০ বিলিয়ন ডলার। এই বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ হলো পোর্টাল রেমিট্যান্স প্রবাহের বৃদ্ধিসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিলাম কার্যক্রমের সফলতা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ এখন ৩২.১১ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭.৩৫ বিলিয়ন ডলারে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান নিশ্চিত করেছেন যে, রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধি এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনার ফলে এই রিজার্ভ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে মোট ২১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার সংগ্রহ করেছে, যা ১৩ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে।

    অতীতে, গত ৯ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩১.৯৪ বিলিয়ন ডলার, অপরদিকে আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী তা ছিল ২৭.১২ বিলিয়ন ডলার।

    সংক্ষেপে, বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এই রিজার্ভ বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক সংকেত প্রদান করছে।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ বৃদ্ধিতে আইএমএফের প্রশংসা

    বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ বৃদ্ধিতে আইএমএফের প্রশংসা

    বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে উঠেছে, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) द्वारा প্রশংসিত হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ বাড়ানোর জন্য গ্রহণ করা বিভিন্ন পরিকল্পনা ও কার্যক্রম দেশের বিনিময় হার ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা—তা তারা পর্যালোচনা করবে।

    শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইএমএফের এশিয়া ও প্রশান্ত মাহাসাগরীয় বিভাগের উপপরিচালক টমাস হেলব্লিং সাংবাদিকদের বলেন, “রিজার্ভ বৃদ্ধি আইএমএফ এর অন্যতম লক্ষ্য ছিল। চলমান বৈদেশিক লেনদেনের ঘাটতি সত্ত্বেও বাংলাদেশ এই লক্ষ্য অর্জনে সফলতা অর্জন করেছে।”

    তিনি আরো বলেন, আইএমএফের একটি দল এই মাসে বাংলাদেশ পরিদর্শনে আসবে। সেই সফরকালে তারা ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চলমান ঋণ কর্মসূচির পঞ্চম পর্যালোচনা করবে।

    আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পৌঁছেছে ২৭ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার, যা এক বছর আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।

    রিজার্ভ বৃদ্ধির পেছনের মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) প্রবাহ বৃদ্ধি, রপ্তানি আয়ে উন্নতি, ব্যয় কম থাকা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বাজার থেকে ডলার কেনা।

    ২০২১ সালের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় রিজার্ভে চাপ সৃষ্টি হয়। সেই সময় থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে। এরপর, ২০২৫ সালের মে মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নমনীয় বিনিময় হার ব্যবস্থা চালু করে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে এখন পর্যন্ত টাকার মান প্রায় ৪৩ শতাংশ কমে গেছে। বর্তমান অর্থবছরে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের বৃদ্ধির কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ২ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার কিনেছে।

  • সোনার দাম আবার কমলো দেশের বাজারে

    সোনার দাম আবার কমলো দেশের বাজারে

    দেশের বাজারে আবারো সোনার দাম কমიেছ। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারণ করেছে ভরিতে এক হাজার ৩৯ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২২ ক্যারেটের সোনার জন্য ২ লাখ ৭ হাজার ৯৫৭ টাকা। এই ঘোষণা রোববার (২৬ অক্টোবর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, এবং নতুন দাম বাধ্যতামূলকভাবে আগামীকাল সোমবার (২৭ অক্টোবর) থেকেই কার্যকর হবে।

    লকডাউনের ফলে দেশীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের (শুদ্ধ সোনা) মূল্যে সাম্প্রতিক এ পরিবর্তন এসেছে। ফলে এখন থেকে দেশের বিভিন্ন বাজারে ১১.৬৬৪ গ্রাম বা এক ভরি (প্রতিভরি) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ principais. এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য সেটি হবে ১ লাখ ৭০ হাজার ১৪৩ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির বা সাধারণ স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৯৬ টাকায়।

    বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণ বিক্রির সময় সরকার নির্দিষ্ট ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস এর ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরির যোগফল প্রয়োগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন, নকশা ও মান অনুযায়ী মজুরিতে কিছু পার্থক্য হতে পারে।

    এর আগে, ২২ অক্টোবর বাজুস দেশীয় বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। তখন ভরিতে ৮ হাজার ৩৮৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছিল ২ লাখ ৮ হাজার ৯৯৬ টাকা। সেই সময়, ২১ ক্যারেটের ভরি ছিল ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার ৯৯৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৪২ হাজার ২১৯ টাকা। এই দাম কার্যকর হয় ২৩ অক্টোবর থেকে।

    সর্বোমোট, চলতি বছরে ৬৮ বার দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ৪৮ বার, আর কমানো হয়েছে ২০ বার। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ৬২ বার — যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর ২৭ বার দাম কমানো হয়েছিল।

  • অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসী আয়ের মাসিক রেকর্ড: ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসী আয়ের মাসিক রেকর্ড: ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৫ দিনের মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে মোট ২০৩ কোটি ২৯ লাখ মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন। এটি বাংলায় প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৫০ পয়সা মানে)। বাংলাদেশ ব্যাংকের রোববার (২৬ অক্টোবর) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স আগের তুলনায় স্বস্তি আনছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের মধ্যে। সরকারের হুন্ডি প্রতিরোধে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতির কারণে এই ধারা অব্যাহত রয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো থেকে ৩৮ কোটি ৪৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার প্রবাসীদের পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে একজন ব্যাংক (কৃষি ব্যাংক) থেকে এসেছে ১৯ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলো থেকে এসেছে ১৪৪ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার, এবং বিদেশি ব্যাংকগুলো থেকে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

    এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২২ অক্টোবর দেশে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২.১০ বিলিয়ন ডলার, এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব অনুযায়ী এটি ২৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার।

    গত মাস সেপ্টেম্বর মাসে, প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ২৬৮ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ২.৬৮ বিলিয়ন ডলার), যা বাংলায় প্রায় ৩২ হাজার ৭৫৭ কোটি টাকার সমান।

    চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর, প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন মোট ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৭.৫৮ বিলিয়ন ডলার। এই অর্থ পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ৯২ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাব করে)। এই পর্যায়ের রেমিট্যান্স আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রথম তিন মাসে রেমিট্যান্স ছিল ৬৫৪ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মন্দ ঋণ অবলোপনে সময়সীমা শিথিল

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মন্দ ঋণ অবলোপনে সময়সীমা শিথিল

    বাংলাদেশ ব্যাংক মন্দ ঋণ অবলোপনের জন্য ব্যাংকগুলোর জন্য সময়সীমা শিথিল করে দিয়েছে, যেখানে আগে যত দ্রুত সম্ভব ঋণ অবলোপন করতে বলা হত, এখন তা আরও সুবিধাজনক করা হয়েছে। এ ছাড়াও, ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, কোনও ঋণ অবলোপনের আগে অন্তত ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ঋণগ্রহীতাকে লিখিতভাবে নোটিশ পাঠাতে হবে, যাতে তারা বিষয়টি সঠিকভাবে জানতে পারেন।

    সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৮ ফেব্রুয়ারির পূর্বের নীতিমালা সংশোধন করে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এর মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, যেসব ঋণ টানা দুই বছর ধরে নন-প্রদেয় বা ক্ষতিজনক মানে রেখিত ছিল, সেগুলো অবলোপন করা হত। কিন্তু এখন থেকে, যেসব ঋণ বর্তমানে মন্দ বা ক্ষতিজনক অবস্থায় রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আদায়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ, সেগুলোও অবলোপন করা যেতে পারে। বিশেষ করে পুরোনো ঋণগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে অবলোপনের বিষয়টি দেখা হবে।

    নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ঋণ অবলোপনের আগে অন্তত ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ঋণগ্রহীতাকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে। কারণ, ঋণ অবলোপনের পরও পুরো অর্থ না পরিশোধ করা পর্যন্ত ঋণগ্রহীতাকে দায়মুক্তি পাওয়া যাবে না; তাকে খেলাপি হিসেবেই ধরা হবে।

    নতুন নির্দেশনায় উপাদান হিসেবে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মৃত ব্যক্তির নামে বা তার একক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণ ব্যাংক নিজ উদ্যোগে অবলোপন করতে পারবে, তবে এর জন্য মৃত ব্যক্তির উত্তরসূরি থাকা বা না থাকার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। পাশাপাশি, ব্যাংকের নিজস্ব নীতিমালা অনুসারে, অবলোপন সম্পর্কিত প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নগদ প্রণোদনাও পেতে পারেন, যেখানে প্রয়োজন হলে পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিয়ে প্রণোদনার নীতিমালা তৈরি করা যাবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ঋণ অবলোকনের আগে ব্যাংককে অবশ্যই বন্ধকীকৃত সম্পত্তিটি বিক্রির সব চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে, ‘অর্থ ঋণ আদালত প্রত্যাদেশ আইন ২০০৩’-এর আওতায় শিশু-সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ কিংবা মৃত ব্যক্তির নামে থাকা ঋণ মামলা ছাড়া অবলোপন করতে পারবে। এ ছাড়া, ঋণের অবলোপনের আগে অবশিষ্ট অর্থ থেকে সুদ বাদ দিয়ে অবকাশ থাকলেও প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে।

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ঋণ আংশিকভাবে অবলোপন করা যাবে না এবং ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন ছাড়া কোনও ঋণের অবলোপন সম্ভব হবে না।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আগে যেখানে ডলার সংকট ছিল, সেখানে এখন পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে এবং রিজার্ভও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বাড়ছে এবং মন্দ ঋণ অবলোপনে শিথিলতা আনা ব্যাংকগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করবে। এর ফলে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাও আরও বাস্তবমুখী হবে।

  • খুলনা বিভাগের ৩৬ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের জন্য বিএনপির ডাকা বৈঠক

    খুলনা বিভাগের ৩৬ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের জন্য বিএনপির ডাকা বৈঠক

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন আসন থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা ঢাকায় উপস্থিত হয়ে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন। জানা গেছে, এই বৈঠকটি ধারাবাহিক পর্বের অংশ হিসেবে সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে। এতে খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন। গুলশান কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানের জন্য ইতোমধ্যে সকল সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের ফোন করে ও ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার রাত থেকেই খুলনা বিভাগের নেতাদের ফোন করে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়। নতুন ও প্রবীণ সব মনোনয়নপ্রত্যাশী, যারা আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য উৎসুক, সবাইকে বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে। বেশিরভাগ নেতাই ইতোমধ্যে ঢাকায় রওনা দিয়েছেন; কিছু নেতাকর্মী আজ রোববার রাতে ঢাকায় পৌঁছানোর পরিকল্পনা করছেন।

    এছাড়া, বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ ইসলাম অমিত এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রতিটি বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরাসরি কথা বলছেন। আজ রোববার চট্টগ্রাম বিভাগের নেতাদের সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে যোগাযোগ ও বৈঠক চলছে, যার পরবর্তী ধাপ হিসেবে সোমবার খুলনা বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক বসবে। সেখানে দলটির নেতাদের গুরত্বপূর্ণ বার্তা দেবেন তারেক রহমান, যা নির্বাচন প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • নির্ধারিত না করলে আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে জাতীয় পার্টির মাধ্যমেই

    নির্ধারিত না করলে আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে জাতীয় পার্টির মাধ্যমেই

    গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর জানিয়েছেন, তিনি খুব দ্রুত মার্চ বা এপ্রিলে নির্বাচন চান। তার মতে, নির্বাচনের সময় যত দ্রুত হবে, ততটাই আমাদের জন্য সুবিধাজনক। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ না হয় তাহলে সংঘর্ষময় হয়ে উঠতে পারে—এ বিষয়টি নির্ভর করছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং রাজনৈতিক দলের আচরণের ওপর। রোববার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে গণঅধিকার পরিষদের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    নুরুল হক নুর বলেন, আমরা শহিদদের চেতনা নিয়ে রাজনীতি করি কিন্তু তাদের পরিবারের কেউ খোঁজখবর রাখে না। বিভিন্ন সময়ে শহীদ এবং আহত পরিবারের সদস্যরা আমাদের কাছে আসেন, তাদের চিকিৎসার জন্য সহায়তা চান। তিনি বলেন, এটা তাদের দ্বারাই হওয়া উচিত না, বরং অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব ছিল তাদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আহতদের সুচিকিৎসা না হওয়ার জন্য এই ইন্টারিম সরকারই দায়ী। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় গড়ে উঠবে।

    নুর সতর্ক করে বলেন, যদি নির্বাচন পিছিয়ে যায়, তাহলে তা রাজনৈতিক নেতাদের জন্য বিপদ ডেকে আনবে। তিনি কেন্দ্রীয় প্রসিকিউটর টিমকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সেনাবাহিনী আমাদের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তবে কিছু বিপথগামী জেনারেলের জন্য সেনাবাহিনী দায়ী নয়।

    জাতীয় পার্টি নিয়ে নুর বলেন, যদি এই দলটি নিষিদ্ধ না হয়, তাহলে এই দলটির মাধ্যমেই আবারো ক্ষমতা ফিরে আসবে আওয়ামী লীগ, যা নির্বাচন বানচাল করার উদ্দ্যেশ্যে কাজ করবে।

    গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল ছাত্র অধিকার পরিষদ। সেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দানকারী দলের সদস্যরা পরবর্তীতে গণঅধিকার পরিষদ গঠন করে। তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ের রক্তাক্ত গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশের পক্ষে রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিরোধী আন্দোলন চালিয়েছে। তিনি বলেন, ২৪ তারিখ আমাদের জন্য সুযোগ দিয়েছে একসাথে উন্নত, কল্যাণমূলক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার।

    রাশেদ খান জোর দিয়ে বলেন, আমাদের রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ও মতভিন্নতা থাকতে পারে কিন্তু ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে একত্রিত থাকতে হবে। না হলে আবারও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে। তিনি অভিযোগ করেন, পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনা ফেব্রয়ারি মাসের নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। নির্বাচন বানচালের মাধ্যমে আবারও ১/১১ এর মানেুদ্দিন-ফখরুদ্দিনের সরকার চালানোর পরিকল্পনা করছে।

  • ভবিষ্যতে প্রশ্ন উঠতে পারে, এমন পদ্ধতিতে যাওয়া ঠিক হবে না: সালাহউদ্দিন আহমদ

    ভবিষ্যতে প্রশ্ন উঠতে পারে, এমন পদ্ধতিতে যাওয়া ঠিক হবে না: সালাহউদ্দিন আহমদ

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ভবিষ্যতে এমন কোনো পদ্ধতিতে এগোতে গেলে সমস্যা হতে পারে যা পরে প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। তিনি রোববার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন। সালাহউদ্দিন বলেন, কেউ যেন আমাদের এই প্রক্রিয়াকে ভবিষ্যতে অবৈধ বলে আখ্যা দিতে না পারে। তিনি জানান, এই ঝুঁকি থেকে আমাদের রক্ষা করার জন্য এখনই একটি ভিত্তি তৈরি করতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো, অতি সতর্কতার সঙ্গে অর্জিত সাফল্যকে সামনে নিয়ে যেতে হবে যেন ভবিষ্যতে কেউ এই প্রক্রিয়াকে প্রশ্নের মুখে না ফেলতে পারে।

    সালাহউদ্দিন আরও বলেন, জুলাই সনদ জাতীয় জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঐতিহ্য। এর বাস্তবায়নের জন্য আমরা সবাই অঙ্গীকারবদ্ধ এবং এর জন্য নির্বাচিত সংসদ হলো মূল ফোরাম। তিনি বলেন, তবে এই সনদ বাস্তবায়নের জন্য যাতে সংসদ বাধ্য হবে, তার জন্য একটি প্রস্তাব জাতীয় ঐক্য কমিশন বা সরকারের কাছে পাঠানো হবে। এর পরই জানা যাবে, এই প্রক্রিয়ায় কী কী আইনি ভিত্তি তৈরি করা হচ্ছে।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, সবাই যেন আইনানুগ প্রক্রিয়ার বাইরে না যায়। কোনভাবেই সাংবিধানিক নিয়ম কানুন অমান্য করে না যায়। কারণ, এই ব্যাপারে অবাধ্যতা হলে পার্লামেন্টের কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং জাতির ভবিষ্যত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তিনি আরো বলেন, আমাদের ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য যদি ভেঙে যায়, তাহলে সেটি ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তনের পথ সহজ করে দেবে। তাই, আমরা যেন এই বিপদকে এড়াতে একসঙ্গে থাকি।

    সালাহউদ্দিন উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রের জন্য সবাই একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তনকে আমরা নির্মূলে সবাই সচেতন থাকব। সকল দরজা বন্ধ করে দিতে হবে এবং একযোগে লাগাতার প্রতিরোধ চালিয়ে যেতে হবে, যেন কোনোভাবেই এই বিষের ঘূর্ণীভূমি আবার ফিরে না আসে।

  • বিএনপি কাদের সঙ্গে বৃহৎ জোট গঠনে আগ্রহী, জানালেন সালাহউদ্দিন

    বিএনপি কাদের সঙ্গে বৃহৎ জোট গঠনে আগ্রহী, জানালেন সালাহউদ্দিন

    আগামী ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো প্রাথমিকভাবে নির্বাচনী জোট গঠনে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি জানিয়েছে, তারা যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোকে নিয়ে একটি বড় জোট গঠনে আগ্রহী।

    আজ সোমবার, ২৭ অক্টোবর, যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এ মন্তব্য করেন।

    নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, সারা দেশ থেকে প্রার্থীদের সাথে দলের হাইকমান্ডের বৈঠক চলছেই। তিনি উল্লেখ করেন, উদ্যোগের مقصد হচ্ছে দলের ভেতরে ঐক্য বজায় রাখা ও মনোভাব ব্যক্ত করা।

    তিনি জানান, দেশের প্রতিটি আসনে একাধিক যোগ্য প্রার্থী রয়েছে, যারা দলের উচ্চ পর্যায়ের সহযোগিতায় নিজেদের মতামত প্রকাশ করছেন। সকল প্রার্থীদের আইক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    সালাহউদ্দিন বলেন, বিএনপি ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্য দৃঢ়ভাবে বজায় রাখতে চায়, এবং দলটি চেষ্টা করছে যেন বিভেদ সৃষ্টি না হয়।

    আলোচনায় উল্লেখ করেন যে, দল ভবিষ্যতে তরুণ নেতৃত্বের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চায়। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের যুবকদের শ্রম, সচেতনতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে যুবদল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এর প্রেরণায় দেশের অনেক সফলতা এসেছে এবং সেই সংগ্রাম এখনও অব্যাহত।

  • তারেক রহমানের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের জন্য কঠোর বার্তা

    তারেক রহমানের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের জন্য কঠোর বার্তা

    বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের প্রতি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট ও কঠোর বার্তা দিয়েছেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানে অবস্থিত রাজনৈতিক কার্যালয়, যা ডিপ্লোমেটিক জোন হিসেবে পরিচিত, সেখানে সাক্ষাৎপ্রার্থীদের অনুসারীসহ বেশ কয়েকজনকে উপস্থিত না হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রোববার রাজধানীর গুলশানে এই কার্যালয়ে পাঁচ সাংগঠনিক বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ নির্দেশ দেন। এই বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন। এর পাশাপাশি, তিনি রংপুর, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গেও বৈঠক করেন। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী চূড়ান্ত করার জন্য এই বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। নির্বাচনের বিভিন্ন জরিপ ও সাংগঠনিক রিপোর্ট অনুযায়ী প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা গেছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক চালু রেখেছেন তারেক রহমান। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ভোটার বা অনুসারীরা যেন সেখানে না আসে। কারণ, এই এলাকার নিরাপত্তার জন্য এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জন্য দফতরটি ডিপ্লোমেটিক এলাকা হিসেবে বিবেচিত। ঘন্টা ব্যাপী এই বৈঠকের জন্য সোমবার (২৭ অক্টোবর) একই স্থানে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা উপস্থিত থাকবেন। বিএনপি এই মাসের মধ্যেই ২০০টি আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করে সবুজ সংকেত দেয়ার পরিকল্পনা করেছে। বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান নিশ্চিত করেছেন, বৈঠকের সময় কেউ অনুসারী বা অসংগত লোক উপস্থিত থাকতে পারবেন না; শুধুমাত্র মনোনয়নপ্রত্যাশীরাই অংশ নেবেন।