Blog

  • পাকিস্তানে সেনা ও বিচারব্যবস্থায় বৃহৎ পরিবর্তন আসছে

    পাকিস্তানে সেনা ও বিচারব্যবস্থায় বৃহৎ পরিবর্তন আসছে

    পাকিস্তান সরকার দেশটির সংবিধানে ২৭তম সংশোধনী আনার পরিকল্পনা নিয়েছে। শনিবার, ৮ নভেম্বর, সিনেটে সংশোধনী বিলটি পাস করা হয়, যা সেনা পরিচালনা কাঠামো ও বিচারব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব করে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আজারবাইজানে থেকে ভার্চুয়ালি মন্ত্রিসভার বৈঠক পরিচালনা করেন এবং এই সংশোধনী বিলের খসড়ার অনুমোদন দেন।随后, বিলটি আইন ও বিচারবিষয়ক স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়, যেখানে আইনমন্ত্রী আজম নাজির তারার দ্বারা উপস্থাপিত হয়। তিনি জানান, এই সংশোধনী মূলত ২০০৬ সালে স্বাক্ষরিত ‘চার্টার অব ডেমোক্রেসি’ এর একটি অংশ, যা ১৮তম সংশোধনী চালু করতে পারেনি।

    সংশোধনী খসড়ায় সংবিধানের ২৪৩ ধারা পরিবর্তন করা হবে। এর মধ্যে নতুন করে ‘চেয়ারম্যান জোইন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটি’ (CJCSC) পদ বাতিল করে ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস’ পদ সৃষ্টি করা হবে। সেনাপ্রধানই এই নতুন পদে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও, ফিল্ড মার্শাল, মার্শাল অব দ্য এয়ার ফোর্স ও অ্যাডমিরাল অব দ্য ফ্লিটের উপাধি আজীবন বহাল থাকবে। অনুসারে, প্রধানমন্ত্রী ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস’-এর সুপারিশের ভিত্তিতে ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডার নিয়োগ করবেন।

    একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব হলো, ফেডারেল কনস্টিটিউশনাল কোর্ট গঠন। এই আদালত প্রতিষ্ঠিত হলে সুপ্রিম কোর্টের কিছু ক্ষমতা নতুন আদালতের হাতে চলে যাবে। আদালতে দেশটির সকল প্রদেশের সমান প্রতিনিধিত্ব থাকবে, বিচারপতি নিয়োগে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা বাড়বে এবং প্রধান বিচারপতির মেয়াদ তিন বছর নির্ধারণ করা হবে।

    মোট, ২৭তম সংবিধান সংশোধনীর মূল বিষয়সমূহ হলো:

    – ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস’ নামে নতুন পদ সৃষ্টি (২৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর)
    – সেনাপ্রধান একই সময়ে এই নতুন পদে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন
    – ফিল্ড মার্শাল, মার্শাল অব দ্য এয়ার ফোর্স, অ্যাডমিরাল অব দ্য ফ্লিটের উপাধি আজীবন বহাল থাকছে
    – প্রধানমন্ত্রী ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস’-এর সুপারিশে ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডার নিয়োগ করবেন
    – নতুন ফেডারেল সংবিধান আদালত গঠিত হবে
    – প্রদেশসমূহের জন্য সমান প্রতিনিধিত্ব থাকবে আদালতে
    – বিচারপতি নিয়োগে ভূমিকা বাড়বে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর
    – আদালতের বিচারপতির সংখ্যা পার্লামেন্ট নির্ধারিত হবে
    – সুপ্রিম কোর্টের কিছু ক্ষমতা নতুন আদালতটিকে স্থানান্তরিত হবে
    – ফেডারেল সংবিধান আদালতের প্রধান বিচারপতির মেয়াদ নির্ধারিত হবে তিন বছর

    এটি কার্যকর হলে পাকিস্তানের সেনা ও বিচারব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হবে এবং দেশের প্রশাসনিক কাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।

  • যুক্তরাষ্ট্রে শাটডাউনে বিমান পরিবহন অচল, একদিনে বাতিল ১৪০০-এর বেশি ফ্লাইট

    যুক্তরাষ্ট্রে শাটডাউনে বিমান পরিবহন অচল, একদিনে বাতিল ১৪০০-এর বেশি ফ্লাইট

    যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরে চলা সরকারি অচলাবস্থা বা শাটডাউন অব্যাহত থাকায় আকাশপথে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। শনিবার (৮ নভেম্বর) একদিনেই আটশতটির বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং আরও হাজারখানেক ফ্লাইট দেরিতে চলাচল করছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই অচলাবস্থার দ্বিতীয় দিনেই দেশটির অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মিলিয়ে ১,৪০০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়ার জানিয়েছে, শনিবার প্রায় ছয় হাজার ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে, যদিও শুক্রবার এই সংখ্যা ছিল সাত হাজারের বেশি।গত ১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই অচলাবস্থা এখনো চলমান রয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসে অর্থায়নের ব্যাপারে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্বের কারণে পরিস্থিতির সামাল দিতে পারছে না। শনিবার ছিল এই দীর্ঘ অচলাবস্থার ৩৯তম দিন, যা ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য চলমান।অচলাবস্থার কারণে দেশের সবচেয়ে ব্যস্ত বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনা উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফএএ) তথ্য অনুযায়ী, বেতন না পেয়ে কাজ করতে বাধ্য বিমান নিয়ন্ত্রণকারীদের ক্লান্তি আরও বেড়ে গেছে। এর ফলে দেশের ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট চলাচল হয়ত আরও ১০ শতাংশ কমে যাবে বলে জানানো হয়েছে।অচলাবস্থার শুরু থেকেই বিভিন্ন বিমানবন্দর ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা কমে গেছে। নিউয়ার্ক লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে দেখা গেছে, শনিবার বিকেল পর্যন্ত ফ্লাইটগুলো গড়ে চার ঘণ্টার বেশি দেরিতে পৌঁছাচ্ছে, আবার ছেড়ে যাওয়া ফ্লাইটগুলোরও দেরি হয় তিন থেকে চার ঘণ্টা পর্যন্ত। শার্লট/ডগলাস, নিউয়ার্ক, শিকাগো ও’হেয়ারসহ বিভিন্ন এয়ারপোর্টে বাতিলের সংখ্যা বেশি। জন এফ কেনেডি, হার্টসফিল্ড-জ্যাকসন, লা গার্ডিয়া ও অন্যান্য বড় বিমানবন্দরে ফ্লাইটগুলো দেরিতে ছাড়তে ও পৌঁছাতে দেখা গেছে। শুধু বাণিজ্যিক ফ্লাইটই নয়, ব্যক্তিগত জেটও নিয়ন্ত্রণের মুখে পড়েছে, যেখানে অনেক চেষ্টা করে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবহনমন্ত্রী ডাফি।তিনি জানান, ”ব্যস্ত বিমানবন্দরগুলোয় ব্যক্তিগত জেটের সংখ্যা কমানোর জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের ছোট বিমানবন্দর ব্যবহার করতে বলা হয়েছে যাতে সাধারণ ফ্লাইটের জন্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে।” এফএএ এর ভবিষ্যত পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংস্থাটি ধীরে ধীরে ফ্লাইট সংখ্যাও কমাচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ৪ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশের বেশি ফ্লাইট বাতিলের পরিকল্পনা রয়েছে।বিমান নিয়ন্ত্রণকারীদের মধ্যে ক্লান্তি ও অনুপস্থিতি এড়াতে এই কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, কারণ বেতন না পাওয়ায় অনেকই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বা অতিরিক্ত কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। এছাড়াও, ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি এজেন্সির (টিএসএ) ৬৪ হাজার কর্মীর মধ্যে অনেকেরই বেতন এখনও দেয়া হয়নি, যা বিমানবন্দর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে। ২০১৮ সালের অচলাবস্থার সময়ও টিএসএ কর্মীদের অনেকের বেতন না পেয়ে কাজে অনুপস্থিত থাকায় গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছিল।

  • শিখ নেতাদের হত্যাকাণ্ডে অমিত শাহের সংশ্লিষ্টতা সন্দেহ

    শিখ নেতাদের হত্যাকাণ্ডে অমিত শাহের সংশ্লিষ্টতা সন্দেহ

    শিখ সম্প্রদায়ের কয়েকজন নেতার হত্যাকাণ্ড এবং ভারতের সঙ্গে আন্তর্জাতিক নানা ষড়যন্ত্রের ঘটনা নতুন করে আলোচিত হচ্ছে। এই ঘটনায় ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নাম উঠে আসছে, যা বিশ্বজুড়ে চাপ সৃষ্টি করেছে। মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর বরাত দিয়ে যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, তাতে বলা হয়েছে, শিখ নেতা হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এবং অমিত শাহের সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি একটি চাঞ্চল্যকর ডকুমেন্টারি ভিডিও প্রকাশ পায়, যেখানে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়েছে।ওয়াশিংটন পোস্ট প্রথম এই খবর ছাপিয়েছে। কানাডার তদন্তে প্রকাশ, দেশের মাটিতে খালিস্তানপন্থী শিখ নেতাদের হত্যার পরিকল্পনা এবং এর পেছনে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এই ভিডিওতে দেখা যায়, খালিস্তানপন্থি শিখ নেতাদের লক্ষ্য করে হত্যার ষড়যন্ত্র, নজরদারি ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। কানাডিয়ান সরকারের বরাতে জানানো হয়, এই দেশে খালিস্তানপন্থী নেতাদের হত্যার পরিকল্পনা এবং ভীতির সৃষ্টি করতে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত রয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টের রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রুডো প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। কানাডার উপপররাষ্ট্র মন্ত্রী ডেভিড মরিসন পার্লামেন্টের কমিটিতে বলেছেন, এই ব্যক্তির নাম অমিত শাহ, যদিও তিনি কোনো অতিরিক্ত প্রমাণ দেখাননি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা হাইকমিশন এখনও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।২০২৩ সালের জুনে যুক্তরাজ্যে দুজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়, যারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, এই হত্যাকাণ্ডে চুক্তিভিত্তিক খুনিদের ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে, যা একদিকে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের অন্তরঙ্গ সম্পর্কের দিক নির্দেশ করে। হরদীপ সিং নিজ্জারের খালিস্তানপন্থী নেতার হত্যাকাণ্ডের পর কানাডা কিছু ভারতীয় কূটনীতিককে বহিষ্কার করে, এর পাল্টা হিসেবে ভারতও কূটনীতিক বহিষ্কার করে। যুক্তরাষ্ট্রও এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই তথ্যচিত্র আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। শিখ নেতারা এটিকে “ন্যায়বিচারের দাবি ও ইতিহাস রক্ষার প্রচেষ্টা” হিসেবে দেখছেন। তবে ভারতের পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি। এই ঘটনার ফলে ওয়াশিংটন ও অটোয়ার সাথে ভারতের সম্পর্ক তলানীতে পৌঁছেছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা ঘটনার প্রমাণ ও প্রতিক্রিয়া isig চোখ রেখে আছেন।

  • সৌদিতে মসজিদে হামলার পরিকল্পনায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    সৌদিতে মসজিদে হামলার পরিকল্পনায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    সৌদি আরবে মসজিদে হামলার পরিকল্পনা ও সন্ত্রাসী সংগঠনে যোগ দিতে অভিযুক্ত দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তারা দুজনই সৌদি নাগরিক। বার্তাসংস্থা এসপিএর খবরে জানানো হয়, রোববার (৯ নভেম্বর) এই দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। საუბ্তে বলা হয়েছে, আজই তাদের দণ্ড চূড়ান্তভাবে কার্যকর করা হয়।

    এসপিএ আরো জানায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে, অভিযুক্তরা দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য যারা ছিলেন, এবং তারা অবকাঠামোতে হামলার পরিকল্পনাও করছিলেন। তবে, কোথায় এবং কখন হামলার পরিকল্পনা ছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

    সৌদি আরবে কোনো রাজনৈতিক দল বা সশস্ত্র সংগঠন গঠন ও তাতে যোগ দেওয়া সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ। সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আন্দোলন-প্রতিরোধের মাধ্যমেও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে।

    বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায়, সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা ও কার্যকরির হার অনেক বেশি। এই পদক্ষেপগুলো দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হয়।

    সূত্র: রয়টার্স

  • ট্রাম্পের ভাষণ বিকৃতি এবং বিবিসি প্রধানের পদত্যাগ

    ট্রাম্পের ভাষণ বিকৃতি এবং বিবিসি প্রধানের পদত্যাগ

    যুক্তরাজ্যের প্রধান সংবাদ সংস্থা ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (বিবিসি) তাদের শীর্ষ দুটি কর্মকর্তা, মহাপরিচালক টিম ডেভি এবং হেড অব নিউজ ডেবোরা টারনেস, জরুরি নির্দেশে পদত্যাগ করেছেন। এই সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে দেখা গেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ভাষণ বিকৃতি করে সম্প্রচারিত হওয়ার ঘটনা, যা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ব্রিটিশ এই সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সোমবার (১০ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে oficiais ঘোষণা দেন, এই দুই কর্মকর্তা সংস্থার ভেতর চলমান বিতর্ক ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পদত্যাগ করেছেন।

    টিম ডেভি গত পাঁচ বছর ধরে বিবিসির ব্যবস্থাপনায় ছিলেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সংস্থাটিকে ঘিরে নানা বিতর্ক ও পক্ষপাতের অভিযোগ উঠলে তার ওপর আবোল-তাবোলের চাপ বাড়ছিল। এছাড়া, দুই শীর্ষ কর্মকর্তার একসঙ্গে পদত্যাগের ঘটনা নজিরবিহীন বলে মনে করা হচ্ছে।

    অভ্যন্তরীণ কিছু নথি ফাঁস হয়ে, ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ প্রতিবেদনে জানায়, বিবিসির প্যানোরামা প্রোগ্রামে ট্রাম্পের একটি ভাষণ থেকে দুটি অংশ কেটে একত্রে জোড়া লাগানো হয়—যাতে তাকে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে সহিংসতা উসকে দেওয়ার মতো ভাবা হয়। এই এডিটিংয়ের কারণে যুক্তরাজ্য ও মার্কিন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, রাজনৈতিক নেতারা বিবিসিতে পরিবর্তনের দাবি জানাতে শুরু করেন, ট্রাম্পও এই পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান।

    রোববার সন্ধ্যায় টিম ডেভি ঘোষণা করেন, “সব সরকারি সংস্থা নিখুঁত নয়। আমাদের সর্বদা স্বচ্ছ থাকা, উন্মুক্ত ও দায়বদ্ধ থাকা দরকার। তবে এই বিতর্ক আমার এই সিদ্ধান্তে আসার কারণ।” তিনি আরও যোগ করেন, “বেসিকভাবে বিবিসি ভালো কাজ করছে, তবে কিছু ভুল হয়েছে, এবং সেই ভুলের জন্য আমারই দায়ী।”

    অন্যদিকে, ডেবোরা টারনেস বলেন, “প্যানোরামা বিষয়ক বিতর্ক এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যা বিবিসির জন্য ক্ষতিকর। আমি মনে করি, পাবলিক লাইফের নেতাদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হয়, এজন্য আমি পদত্যাগ করছি।”

    ফাঁস হওয়া নথিতে আরও বলা হয়েছে, বিবিসির আরবিক বিভাগে ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের সংবাদ পাঠের ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্বের অপারগতা রয়েছে—যা এই বিষয়ে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে উন্নত করে। এই নথির লেখক, মাইকেল প্রেসকট, একজন সাবেক বিবিসির বহিরাগত উপদেষ্টা, অভিযোগ করেন যে, ম্যানেজমেন্টের নির্লিপ্ততা তাকে হতাশ করেছে। তিনি ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুতে বিবিসির কভারেজও একপেশে বলে উল্লেখ করেন।

    প্রসঙ্গত, ট্রাম্প ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ওয়াশিংটনে ভাষণ দিয়েছিলেন, যেখানে তিনি বলেন, “আমরা ক্যাপিটলে যাব এবং আমাদের সাহসী সদস্যদের উৎসাহ দেব।” 그러나 ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের সংস্করণে সেটি অন্যভাবে দেখানো হয়—“আমরা ক্যাপিটলে যাব… আমি তোমাদের সঙ্গে থাকব। আর আমরা লড়ব। আমরা কঠোর সংগ্রাম করব।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এডিটিংয়ের মাধ্যমে এই অংশগুলো একত্রে জোড়া লাগানো হয়েছে, যদিও তারা ঘটনা ঘটার সময়ের মধ্যে ৫০ মিনিটের পার্থক্য ছিল। এই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে হোয়াইট হাউস ট্রাম্পের কাছে বিবিসির এডিটিংকে “মিথ্যাচার” হিসেবে আখ্যা দেয়।

    ট্রাম্প তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “বিবিসির শীর্ষ কর্মকর্তারা আমার ভাষণ বিকৃত করার জন্য পদত্যাগ বা বরখাস্ত হচ্ছেন, যা গণতন্ত্রের জন্য খুবই ক্ষতিকর।”

  • নগরীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে কিশোর গুরুতর আহত

    নগরীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে কিশোর গুরুতর আহত

    নগরীতে দুর্বৃত্তদের দ্বারা হামলা করে এক কিশোর গুরুতর আহত হয়েছে। ঘটনা ঘটে গতকাল রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে, নগরীর আড়ংঘাটা থানাধীন লতার মোড় ও লতার ব্রিজের পাশে। আহত শান্ত (১৫) নামের এই কিশোরকে দ্রুত তার বন্ধু-বান্ধবরা উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়, এরপর পরিস্থিতির অবনতি হলে সন্ধ্যার দিকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। শান্ত নগরীর রায়েরমহল উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং তার পিতা ফয়সাল বিশ্বাস মন্টু।

    আড়ংঘাটা থানার ওসি তদন্ত প্রদীপ বলেন, আমরা ঘটনার বিষয়ে খতিয়ে দেখছি। লতার মোড় থেকে লতার ব্রিজ পর্যন্ত এলাকার CCTV ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে, এখনও কোন রক্তের ছাপ বা ট্রেস পাওয়া যায়নি। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানা যায়, শান্ত সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন না। পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার খবর দ্রুত তারা ঘটনাস্থলে যান এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। ঘটনার পেছনে কোন সম্ভাব্য কারণ বা অপরাধীদের সম্পর্কে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

  • বকুলের অভিযোগ: ১৭ বছর ক্ষমতায় থেকেও বাংলাদেশের জনগণের ভবিষ্যৎ লুট হয়েছে

    বকুলের অভিযোগ: ১৭ বছর ক্ষমতায় থেকেও বাংলাদেশের জনগণের ভবিষ্যৎ লুট হয়েছে

    কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমানের কোন পরিবর্তন আসেনি। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের লোভে জনগণের ভোট লুট করে ক্ষমতায় থাকা এই সরকারের সময় শুধুমাত্র ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মী ও তাদের অনুসারীরাই উন্নতির সুযোগ পেয়েছেন, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ আজও দারিদ্র্য ও কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। তিনি রোববার দুপুরে নগরীর দৌলতপুর থানাধীন ৬ নং ওয়ার্ডের নারীনির্নীত ভোটারদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।

    বকুল উল্লেখ করেন, যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে দেশের প্রতিটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘হেলথ কার্ড’ প্রদান করা হবে। প্রথম ধাপে এক কোটি শিক্ষিত যুবক-যুবতীর জন্য কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, সরকার যদি এই পরিকল্পনায় সামিল হয়, তাহলে পরিবারভিত্তিক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ের মাধ্যমে কম খরচে চাল, ডাল, তেলসহ প্রয়োজনীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারবে। এছাড়াও, নারীদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করতে ‘হেলথ কার্ড’ চালু করা হবে। পাশাপাশি, নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে অনলাইনভিত্তিক কুটির শিল্পের প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তারা ঘরে বসেই আয় করতে পারেন।

    সরকারের সমালোচনা করে বকুল বলেন, এই ১৭ বছরে দেশ শাসন করলেও মা-বোনদের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি, বরং লুটপাটের জন্য মাথায় উঠে গেছে দুর্নীতি। টিসিবি কার্ড থেকে শুরু করে সরকারি ভাতা—all জায়গাতেই চলছে ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাট, জনগণের প্রাপ্য বরাদ্দ নিজের পকেটে তুলছে ক্ষমতাধারীরা। তিনি অতীতের ইতিহাস টেনে বলেন, ৩০ লাখ শহীদের রক্তে অর্জিত এই দেশের সুখ-শান্তির কথা ছিল। কিন্তু ১৯৭৪ সালে দুর্ভিক্ষের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘আমার ভাগের কম্বলটি গেল কোথায়?’ এবং ‘সবাই সোনার খনি পাচ্ছে, আমি পাচ্ছি চোরের খনি’—এটাই ছিল দুর্নীতির শুরু।

    তিনি বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে দেশের খারাপ সময়ে ত্রাণের ত্রাতা হিসেবে তুলে ধরেন। বলেন, যখন দেশ নেতৃত্বশূন্য ছিল, তখন জিয়াউর রহমান নিজের জীবন বাজি রেখে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে, তিনি দুর্ভিক্ষে ভুগতে থাকা দেশকে স্বনির্ভর করে তুলেন। বিএনপি সব সময় দেশের মানুষের পাশে রয়েছে বলে ব্যাখ্যা করেন।

    জনগণের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বকুল বলেন, আমি ভোটের জন্য আসিনি, আসলে আপনাদের কথা শুনতে ও আমাদের পরিকল্পনাগুলি জানাতে এসেছি। যারা ভবিষ্যতে ভোটের জন্য আসবেন, তাদের প্রশ্ন করুন— এতদিন তারা কোথায় ছিলেন, আর আমাদের জন্য কী করেছেন? নিজেকে তিনি দেশের নেতা তারেক রহমানের বার্তাবাহক হিসেবে তুলে ধরেণ এবং বলেন, ‘আমাকে পাঠিয়েছেন আপনারা কেমন আছেন এবং ভবিষ্যতে কীভাবে ভালো থাকবেন জানাতে। বিএনপি অতীতেও জনগণের পাশে ছিলো, আজও রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর থানা মহিলা দলের আহ্বায়ক সালমা বেগমের সভাপতিত্বে, মদিনা হাওলাদার, জিএম জাকারিয়া, মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক শফিকুল ইসলাম হোসেন, দৌলতপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি মুর্শিদ কামাল এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেন। পরে বকুল মহেশ্বর পাশা মহাশ্মশান পরিদর্শন করেন এবং দৌলতপুর রেলিগেট মোড়ে বিএনপি’র ৩১ দফা কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ ও ধানের শীষের ভোটের জন্য গণসংযোগ করেন।

  • নির্বাচনে কোনো অপচেষ্টা বাধা দিতে পারে না: হেলাল

    নির্বাচনে কোনো অপচেষ্টা বাধা দিতে পারে না: হেলাল

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ হয়, তবে কোনো শক্তিই নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না। বিএনপি গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের জন্য নির্বাচনের মাধ্যমে প্রবৃত্ত রাজনীতি বিশ্বাস করে এবং সেই লক্ষ্য অর্জনে জনগণের সঙ্গে সাহসিকতার সঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়বে। রবিবার বিকেলে তেরখাদা উপজেলার হাড়িখালি এলাকায় একটি নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, তেরখাদা বিএনপির উর্বর জমি। এই অঞ্চলের শরীফ বংশসহ বহু পরিবার ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলিলের সঙ্গে জড়িত। যদিও অতীতে কিছু মতবিরোধ দেখা দিয়েছিল, এবার সব অসুবিধা ও বিভেদ ভুলে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি তেরখাদাবাসী বিপুল ভোটের মাধ্যমে ধানের শীষকে বিজয়ী করবে। হেলাল আরও বলেন, যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে কৃষিনির্ভর এই অঞ্চলের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হবে। আখের উৎপাদনকে গুড়ে রূপান্তর করে স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব হবে। উন্নয়ন এবং মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই অঞ্চলের জনগণের প্রতিনিধিত্বকে জাতীয় সংসদে নিশ্চিত করতে হবে। তিনি নেতা-কর্মী ও ভোটারদের নির্দেশ দেন, দলটির ঘোষণা করা ৩১ দফা ও লিফলেটগুলো ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে। তেরখাদা বিএনপির সার্চ কমিটির আহ্বায়ক চৌধুরী কাওছার আলী সভাপতিত্বে এই সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের খুলনা জেলা আহ্বায়ক আতাউর রহমান রনু, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা তুহিন, উপজেলা বিএনপির নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন পর্যায়ের একাধিক নেতাকর্মী যেমন: ফকরুল ইসলাম বুলু চৌধুরী, মোল্লা মাহবুবুর রহমান, আবদুল মান্নান সরদার, সাজ্জাদ হোসেন নান্টা, নাইম, কালাম লস্কর, মিল্টন হোসেন মুন্সি, আজিবর শেখ, ইউসুফ মোল্লা, জাহিদ, মোবাশের মোল্লা, পিলু লস্কর, পলাশ মেম্বার, আজিজুল ইসলাম, লিটন মোল্লা, হুমায়ুন মোল্লা, সোহাগ মুন্সি, আমিনুল ইসলাম, সাব্বির আহমেদ লিমন, মেহেদি চৌধুরী প্রমুখ।

  • খুলনায় ছাত্রলীগ নেতা দীপ পান্ডে আটক

    খুলনায় ছাত্রলীগ নেতা দীপ পান্ডে আটক

    খুলনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা এবং খুলনা জেলা পরিষদ থেকে সাবেক চেয়ারম্যান শেখ হারুন অর রশীদের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) দীপ পান্ডেকে গ্রেফতার করেছে খুলনা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। রোববার (৯ নভেম্বর) রাতে নগরীর ফরাজিপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, দীপ পান্ডে গত বেশ কিছু দিন ধরে গভীর গোপনায় ছিলেন। তিনি খুলনা জেলা ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় নেতারূপে পরিচিত ছিলেন। নগর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৈমুর ইসলাম বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে—দীপ পান্ডে আসন্ন ১৩ নভেম্বরের নাশকতা পরিকল্পনায় জড়িত থাকতেন, যেখানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের যুব সদস্যরা সংগঠিত হচ্ছেন। এই খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে ফরাজিপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ওসি আরও উল্লেখ করেন, দীপ পান্ডে দীর্ঘ সময় ধরে আত্মগোপনে ছিলেন, এবং ধারণা করা হচ্ছে—তিনি বিভিন্ন স্থানে গোপন বৈঠক করে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে, এবং সম্ভবত সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে আদালতে হাজির করা হতে পারে। উল্লেখ্য, দীপ পান্ডে প্রথম থেকেই খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তবে, সংগঠনটি নিষিদ্ধ হওয়ার পরও তিনি গোপনে সংগঠনটির কার্যক্রমে আপাতত সক্রিয় ছিলেন বলে জানা যায়।

  • রূপসা নদীতে ডুবে যাওয়া শেখ মহিদুল হক মিঠুর সন্ধান এখনও মেলেনি

    রূপসা নদীতে ডুবে যাওয়া শেখ মহিদুল হক মিঠুর সন্ধান এখনও মেলেনি

    ১৬ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও রূপসা নদীতে ডুবে যাওয়া শেখ মহিদুল হক মিঠুর সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। গতকাল রোববার রাত ১১টার দিকে পূর্ব রূপসা ঘাটে ঘটে এই দুর্ঘটনা, যখন একটি যাত্রীবাহী ট্রলার পন্টুনে ধাক্কা লাগে।