Blog

  • আসিফের সতর্কতা: ২০২৬ বা ২০২৭ সালে আবারো অভ্যুত্থানের আশঙ্কা

    আসিফের সতর্কতা: ২০২৬ বা ২০২৭ সালে আবারো অভ্যুত্থানের আশঙ্কা

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বর্তমান সরকারের ২৪ সালের অর্জন কিংবা চেতনা যদি রক্ষা না করা যায়, তবে ২৬ বা ২৭ সালে আবারো একই ধরনের অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, ইতিহাসে ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের সফলতা তখনই রক্ষা পায়নি, যখন এর ফলাফল पुनরুদ্ধ করা সম্ভব হয়নি। তেমনি, ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত লক্ষ্যে অবিচল থাকলে ভবিষ্যতে আরেকটি ঐতিহাসিক পরিবর্তন ঘটতে পারে। রোববার (৫ এপ্রিল) দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি সরকার বিভিন্ন সময় গণভোটের রায় উপেক্ষা করে, জনসমর্থন না থাকা সত্ত্বেও নানা ধরনের রাষ্ট্র সংস্কারমূলক জরুরি অধ্যাদেশ জারি করছে। তিনি বলেন, প্রতিবারের মতো এবারো সংবিধানের কথা কেবল আলোচনায় উঠে, কিন্তু সরকার নিজেরাই সংবিধান লঙ্ঘন করে প্রশাসক নিয়োগের ক্ষেত্রে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। সংবিধানে স্পষ্ট উল্লেখ থাকলেও, বর্তমান প্রশাসন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠায় ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধির পরিবর্তে অবৈধভাবে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করছে। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অপসারণের ভয় দেখিয়ে তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ সংবিধানবিরোধী।

    অন্যদিকে, ফোনে অডিও অপারেশনসংক্রান্ত উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বললেন, অতীতে আওয়ামী লীগ সরকার ১৮-১৯টি এজেন্সির মাধ্যমে ব্যক্তিগত ফোনে আড়ি পাতার ক্ষমতা রাখত, যার ওপর কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল না। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এই ক্ষমতা কমিয়ে ৪টি প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট করে দেয়া হলেও, বর্তমান সরকার তা আবারো বহাল করে আনছে, ফলে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের সম্ভাবনা বাড়ছে।

    আসিফ মাহমুদ বলেছেন, বর্তমানে স্বৈরাচারী স্বভাবের লক্ষণ স্পষ্ট। তিনি বলছেন, যদি এই সরকার গণভোটের রায় মানতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে তারা নিজেরাই ‘অবৈধ’ ঘোষণা করবেন। বলেন, শুরু থেকে তারা যদি আমাদের অর্জনগুলো ধুলিসাৎ করতে সচেষ্ট থাকে, তাতে আমরা তাদের অবৈধ বলতে সময় নেব না।

    শেষে, তিনি জানান, গণভোট নিয়ে তৈয়ার স্বেচ্ছাচারী নাটকীয়তা দেখে নিজেরা রাজপথে নামতে বাধ্য হচ্ছেন। এই আন্দোলন দেশের জন্য শুভ হবে না বলে সতর্কতা দেন তিনি। সাধারণ জনগণ ও বিভিন্ন অংশীর সঙ্গে বসে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া জন্য প্রস্তুত হলেও, এখন অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে আন্দোলন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সংস্কার কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট জাবেদ রাসেল, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারসহ আরও নেতৃবৃন্দ।

  • সংসদ মানুক বা না মানুক, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করব: জামায়াত আমির

    সংসদ মানুক বা না মানুক, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করব: জামায়াত আমির

    জামায়াতে ইসলামীর এমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সংসদ মানুক বা না মানুক, তিনি গণভোটের রায় নিজ উদ্যোগে বাস্তবায়ন করে ছাড়বেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের ফল হাইজ্যাক করা হয়েছে এমন অভিযোগ করে, ‘70% জনগণ হ্যাঁ ভোট দিয়েছে। আমি হ্যাঁ এর পক্ষেই ছিলাম, এবং থাকবো। জনগণের প্রত্যাশা ও গণতান্ত্রিক ইচ্ছার প্রতি আমরা সম্মান জানাচ্ছি। এই সংসদ মানুক বা না মানুক, গণভোটের রায় আমরা বাস্তবায়ন করব এবং আদায় করেই ছাড়ব, ইনশাআল্লাহ।’ তিনি বলেন, সোমবার (6 এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) 46তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, একটি দেশের সত্যিকার ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রথমে নিজেদের মধ্যে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার চালু করতে হবে। যারা নিজেদের দলীয় নেতৃত্বে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে পারে না, এমনকি নেতাকর্মীদের নিরাপত্তাও দিতে পারে না, তারা ১৮ কোটি মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার সুদৃঢ়তা দিতে পারবে না। ফলে তারা জনগণের গণতন্ত্রের উপহারও দিতে অক্ষম।

    তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের রায় স্পষ্ট, তারা চব্বিশে বুঝে গেছে। হয়তো প্রশ্ন ওঠে, তাহলে রায় দেওয়ার পরও কেন সরকার গঠন করতে পারছে না? এর কারণ হলো, জনগণের ভোট হাইজ্যাক করা হয়েছে, ভোট ডাকাতির মাধ্যমে তাদের মতামত উপেক্ষা করেছে ক্ষমতাসীনরা। জনগণকে অপমান করা হয়েছে এবং এর প্রতিফলন ইতোমধ্যে দেখাও গেছে।’

    জামায়াতের আমির বলেন, ‘হ্যাঁ, ঘুঘু বারবার আসে ধান খেতে, কিন্তু কপাল মন্দ হলে জালে ধরা পড়ে যায়। এবারও ঠিক তাই হবে। জনগণের ধান খেয়ে তুমি গেছে, এখন তোমার লেজ, পা ও ডানাও ঠিকভাবে কাজ করবে না।’ তিনি বলেন, যদি সংসদ যদি জনগণের স্বার্থে ব্যর্থ হয়, তাহলে আন্দোলনের মাধ্যমেই সেই রায় বাস্তবায়ন করা হবে। আগে ‘কেয়ারটেকার’ ব্যবস্থার জন্য সংসদে প্রক্রিয়া শুরু হলেও তা ব্যর্থ হওয়ায় এখন জনগণের শক্তির উপর ভর করে দাবি আদায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    জ্বালানি সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই সংকটের কারণে জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে ও কৃষি উৎপাদনে প্রভাব পড়ছে। এর ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রেও এই জ্বালানি সংকটের কারণ দেখিয়ে সব শিক্ষাব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়া হলে আগামী প্রজন্মের জন্য তা অনেক ক্ষতিকর হবে। শিক্ষাকে সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করতে হবে, এর আগে নয়।

    তিনি আরও বলেন, ‘সংসদে আমাদের প্রতিনিধিরা দেশের মানুষজনের স্বার্থ রক্ষা করবে এবং কোনো অন্যায়ের কাছে নতি স্বীকৃতি দেবে না।’ এই মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জাগপার মুখপাত্র প্রকৌশলী রাশেদ, প্রধান বক্তা ছিলেন পার্টির সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান। বিশেষ অতিথির মধ্যে ছিলেন ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমানসহ অনেকে।

  • ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    সংবিধান সংস্কার পরিষদে স্মরণসভা ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চার দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামি ও তার নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এই তথ্য মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে বাংলাদেশ খিলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক সাংবাদিকদের কাছে জানান।

    মামুনুল হক অভিযোগ করেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে বর্তমানে সরকার জনগণের প্রতিনিধিত্বের ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা করছে এবং এর উপহাস করছে। তিনি বলেন, সংস্কার ও গণভোটের জন্য স্বচ্ছ আলাপ-আলোচনা ও ঐক্যমতের উপরে ভিত্তি করে রাজনৈতিক নেতারা এগোলে দেশের উন্নতি হতো, কিন্তু বর্তমান সরকারের অমানবিক রাজনীতি সেই পথ রুদ্ধ করে দিচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসনের দিকে ধাবিত হচ্ছে, যেখানে জনদুর্ভোগ ও গণআন্দোলনকে দমন করতে অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে এই নব্য ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ১১ দলীয় ঐক্য অটুট রেখে, যেকোনো মূল্যে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    অপরদিকে, আগামী ৯ এপ্রিল বিকেলে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে সাদা পত্র বিলির কর্মসূচি শুরু হবে। এছাড়াও, ১১ এপ্রিল সারা দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও থানায় বিক্ষোভ মিছিল, ১২ এপ্রিল জেলায় জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল এবং ১৩ এপ্রিল ঢাকায় এক বিশাল জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে গণভোটের রায়ের বাস্তবায়নের জন্য জনমত গড়ে তোলার লক্ষ্যে আলোচনা হবে।

    সরকারের নীতির কঠোর সমালোচনা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিরোধী দলকে জনগণের রাজপথের আন্দোলনের পথে ঠেলে দিয়েই সরকার ভুল পথে হাঁটছে। তিনি আরও বলেন, বিএনপির অপ্রকাশ্য কার্যকলাপের কারণে জাতি হতবাক ও বিস্মিত, কারণ বিএনপি’র নোট অব ডিসেন্ট মুলত আলাদা কিছু নয়, বরং এর মাধ্যমে সংবিধান নিয়ে সংকট সৃষ্টি হচ্ছে।

    তাঁরা জ্বালানি সংকট ও সংসদে বিরোধীদের বক্তৃতা বন্ধের অভিযোগও দায়ের করেন এবং বলেন, দিল্লির আগ্রাসবাদের বিরোধী অবস্থান নিচ্ছে এমন ব্যক্তিদের উপর সরকার রাজাকার ট্যাগ দিচ্ছে। শেষদিকে, জামায়াতের এই নেতারা বিএনপিকে সংবিধান সংস্কার আন্দোলনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান, যেন দেশের রাজনীতিতে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয় এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুদৃঢ় হয়।

  • কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

    কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

    সব ধরনের বিভাজন ও বিদ্বেষের ঊর্ধ্বে উঠে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করার পরিকল্পনা করছে, যা কঠোরভাবে রুখে দিতে হবে।

    রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর মাদানি অ্যাভিনিউয়ে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব ‘ইস্টার সানডে’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘‘কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমাদের উচিত এই বিভাজনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং সমাজ থেকে ঘৃণা শব্দটিকে চিরতরে বিদায় করা। আমাদের পথচলা যেন শুধু প্রেম ও সৌহার্দ্য দ্বারা চলতে থাকে।’’

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ হল এমন এক দেশ যেখানে সব ধর্মের মানুষ একসাথে বাস করে। এই দেশ ইসলাম, হিন্দু, খ্রিস্টান এবং বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের জন্য এক সৌহার্দ্যপূর্ণ মিলন ক্ষেত্র। এই ভূখণ্ডের ইতিহাসে দেখা যায়, সব ধর্মের মানুষেরা একসঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করে এসেছে, যা এই দেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রমান।

    স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মন্তব্য করেন, একসময় ধর্মের ভিত্তিতে সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল, কিন্তু সেই সময়ের মত এখন সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই অপচেষ্টাকে প্রতিহত করতে হবে।

    খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষজনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘আপনাদের সহায়তা ও সহযোগিতায় আমরা ভবিষ্যতে একটি সমৃদ্ধ সরকার গঠন করতে চাই। আমাদের সামনে অনেক কাজ রয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব তা সম্পন্ন করতে সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে।’’

  • লালমনিরহাটের সাবেক এমপি সফুরা বেগম ঢাকায় গ্রেপ্তার

    লালমনিরহাটের সাবেক এমপি সফুরা বেগম ঢাকায় গ্রেপ্তার

    লালমনিরহাটের সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সফুরা বেগম রুমি ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন। লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ বুধবার (৮ এপ্রিল) এই অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করে। ওসি সাদ আহমেদ এই সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    সফুরা বেগম লালমনিরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরে তিনি গোপনবাসে ছিলেন বলেও ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে জানা যায়। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার মোহাম্মদপুরের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের কারণে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের ঘটনা ঘটে। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান, অন্য নেতারাও দেশের বাইরে অবস্থান করেন। যারা দেশে থেকেই আত্মগোপনে থাকেন, তাদের মধ্যে সফুরাও একজন।

    অভিযানের সময় জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলার পাশাপাশি হত্যার অভিযোগও রয়েছে। বর্তমান সময়ে আওয়ামী লীগের অনেক শীর্ষ নেতাকেও দেশত্যাগ বা গোপনে থাকলেও সফুরা বেগমের মতো নেত্রীকে গ্রেপ্তার করে দেশিয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

  • বিরোধীদের আপত্তি সত্ত্বেও জাতীয় সংসদে দুটি বিল পাস

    বিরোধীদের আপত্তি সত্ত্বেও জাতীয় সংসদে দুটি বিল পাস

    আজ বৃহস্পতিবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল অনুমোদন লাভ করে। প্রথমটি হলো জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬, যা বিরোধীদলের প্রতিবাদের মুখে কণ্ঠভোটে পাস হয়। তা উত্থাপনের সময়, এনসিপির সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কড়া আপত্তি তুলতে গেলে, সভায় উপস্থিত সদস্যরা তা নাকচ করে দেন। এই বিলটি পাসের মাধ্যমে ২০০৯ সালে প্রণীত জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের আইনটি পুনরুদ্ধার হচ্ছে, যা দীর্ঘদিন বিরুদ্ধে নানা বিতর্কের জন্ম দেয়। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারির কোনও অধ্যাদেশের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে অনেকে মনে করেন।

    নছিলেন বিশেষজ্ঞরা অনেকের মতে, এ বিলটি পাসের ফলস্বরূপ মানবাধিকার সংস্থার স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হতে পারে এবং এটি রাজনৈতিক দমন-পীড়নের কার্যকর অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিরোধী দলের সদস্যরা। হাসনাত আবদুল্লাহ মন্তব্য করেন, ২০০৯ সালে তৈরি এই আইনটি আনুষ্ঠানিকভাবে মানবাধিকারের স্বার্থে নয়, বরং সরকারের মতপ্রতিষ্ঠা ও বিরোধী দল দমন করার জন্য তৈরি হয়েছিল। তিনি মনে করেন, এই বিলের মাধ্যমে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও সংকটাপন্ন হবে এবং সরকার বাহিনী ও বিভিন্ন তদন্ত সংস্থাগুলোর কর্মকাণ্ড আরও স্বচ্ছতার অভাবে পরিচালিত হতে পারে।

    তাঁর আরো ব্যাখ্যায়, এই বিলের ফলে মানবাধিকার কমিশনকে রাজনৈতিক দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হবে বলে আশঙ্কা জোরদার হচ্ছে। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের আইনটির ভেতরে মূলত সরকারি দপ্তর ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাই ছিল, যেখানে সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সদস্যরা থাকতেন। এছাড়া, বিভিন্ন বাহিনী ও শক্তিশালী সংস্থার বিরোধী তদন্তে বাধা দেওয়া কিংবা তাদের ওপর নির্ভরতা থাকছে। এই পরিস্থিতিতে, বর্তমান সংসদে এই বিল পাসের সিদ্ধান্ত বাস্তব বিপদের ঝুঁকি বাড়ায়।

    বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এই বিতর্কিত বিষয়ের ওপর আরও সময় প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন। স্পিকার বলেন, অতীতের সংসদে এই ধরনের বিষয়গুলোতে খুব কম সময় দেওয়া হত, তাই তিনি প্রস্তাব করেন সময়ের সীমাবদ্ধতা না রেখে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করার।

    শেষমেশ, হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, যদি এই বিলটি ২০২৪ সালের মে মাসে উত্থাপিত হতো, তাহলে কোনও সদস্যই এর বিরোধিতা করতেন না। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। তিনি জানান, ২০০৮ ও ২০১৮ সালের সময়ে এই বিলের বিরোধিতা ছিল না, কিন্তু বর্তমানে নম্বর বৃদ্ধি ও রাজনৈতিক পরিবেশের পরিবর্তনে একে প্রত্যাখ্যান করা হয়। তিনি দৃঢ়ভাবে মন্তব্য করেন, এই সংসদে এই বিল অবশ্যই পাস হবে।

    আরেকদিকে, বিরোধীপক্ষের আপত্তির মুখে সুপ্রীম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণের) বিল-২০২৬ও আজ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এই দুটি বিল পাসের ফলে সরকারের রাজনৈতিক ও মানবাধিকার সম্পর্কিত নিয়ন্ত্রণ জোরদার হবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিশ্লেষকরা।

  • অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

    অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

    ঢাকার আদালত আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ফয়সাল করিমকে অস্ত্র আইনের মামলায় দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। এই আসামি ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন। রায়ের সময় ফয়সাল করিম পলাতক ছিলেন, তাই তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

    মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি ফ্ল্যাটে র‌্যাব-২ অভিযান চালিয়ে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান পায়। অভিযানের সময় পালানোর চেষ্টার সময় ফয়সাল করিমকে আটক করা হয়। তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে চার রাউন্ড গুলি, বিদেশি পিস্তল ও আলামত উদ্ধার করা হয়।

    এরপর পরদিন আদাবর থানায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে র‌্যাব হাবিলদার মশিউর রহমান। মামলার অভিযোগে জানা যায়, ফয়সাল করিম এলাকায় চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও জমি দখলকারি। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি সংঘবদ্ধ অস্ত্র, চাঁদাবাজি, খুন-খ dest, জমি দখল ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। তিনি অবৈধ অস্ত্র নিজের কাছে রেখেছিলেন বলেও অভিযোগে বলা হয়।

    তদন্তের পর, গত বছরের ২৮ মার্চ, আদালত অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলার চলাকালে ১৪ জনের মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়।

    ২০২৩ সালের ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফয়সাল করিম জামিনে ছিলেন। এরপর ওসমান হাদি হত্যা মামলার ঘটনায় তিনি প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তবে গোপন সূত্রে জানা গেছে, তিনি গত মাসে ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছ।

  • গণপরিবহনের ডিজিটাল ডিসপ্লেতে ভাড়া দেখা যাবে: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

    গণপরিবহনের ডিজিটাল ডিসপ্লেতে ভাড়া দেখা যাবে: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, খুব শিগগিরই এসি বাস ও মিনিবাসের ভাড়ার তালিকা তৈরি ও প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি, গণপরিবহনের ভিতরে ডাইরেক্টলি ভাড়া দেখানোর জন্য ডিজিটাল ডিসপ্লে বসানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আজ বৃহস্পতিবার সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে এই পরিকল্পনা জানান।

    সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আরও বলেন, সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী দেশের প্রতিটি মহানগর, বিভাগ ও জেলায় একটা করে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটি তাদের এলাকার রাস্তার ধারণক্ষমতা ও চাহিদা অনুযায়ী পরিবহন যানের সংখ্যা নির্ধারণ করে এবং রুট পারমিট অনুমোদন দেয়।

    তিনি আরও জানান, সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর অধীনে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গেজেট অপারেট করে গণপরিবহনের ভাড়ার হার ও সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করে। এরপর, বিআরটিএ তাদের ওয়েবসাইটে এই ভাড়ার তালিকা প্রকাশ করে এবং পরিবহন মালিক ও প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনা দেয় যাতে তারা যেন তাদের যানবাহনে ভাড়া সম্পর্কিত তথ্য স্পষ্টভাবে দেখাতে পারে।

    শেখ রবিউল আলম সংক্ষেপে জানান, বর্তমানে নন-এসি বাস ও মিনিবাসের ভাড়ার তালিকা বিদ্যমান রয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ যাত্রীর জন্য ভাড়া সম্পর্কিত তথ্য আরও সহজভাবে দেখতে ও বোঝাতে সক্ষম হবে।

  • যুদ্ধ নয়, শান্তি বেছে নেওয়ার আহ্বান অধ্যাপক ইউনূসের

    যুদ্ধ নয়, শান্তি বেছে নেওয়ার আহ্বান অধ্যাপক ইউনূসের

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘর্ষে এখনই কার্যকর ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিশ্বনেতাদের প্রতি জোর প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত অর্থনীতিবিদ ও সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই যুদ্ধের অবসান ঘটানোর জন্য জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। এই সংঘাত ইতোমধ্যে বিশ্বকে গভীর অস্থিতিশীলতার দিকে টেনে নিচ্ছে। মানবতার জন্য এটি একটি কঠিন পরীক্ষার মুহূর্ত, যেখানে অসংখ্য নিরীহ বেসামরিক নাগরিক, বিশেষ করে শিশুরা প্রাণ হারাচ্ছে। বাড়িঘর, স্কুল, হাসপাতাল সবই ধ্বংসের মুখে এবং মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো উপেক্ষা করা হচ্ছে। তিনি গোপন করে বলেন, এটি কেবল একটি আঞ্চলিক সমস্যা নয়, বরং এটি সমগ্র মানবজাতির জন্য একটি নৈতিক চ্যালেঞ্জ। এই যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা বেড়ে চলেছে, যার সবচেয়ে বেশি মূল্য দিতে হচ্ছে দরিদ্র দেশগুলোকে। প্রান্তিক ও দুর্বল জনগোষ্ঠীর জীবন আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সাহস, সহানুভূতি ও সুস্পষ্ট লক্ষ্য নিয়ে একত্রে কাজ করতে হবে। বিশ্বনেতাদের সামনে এখনই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে আন্তর্জাতিক আইনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। সামরিক উত্তেজনার বদলে কূটনৈতিক সংলাপের পথে বরাবরই অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। বহুপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে। তিনি বলেন, এটি কেবল ক্ষমতার বা রাজনৈতিক দখলের লড়াই নয় বরং মানব সভ্যতার ভবিষ্যতের প্রশ্ন। আমাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে শান্তির পথে, সংঘাতের বদলে আলোচনা ও সমঝোতার পথ। বিভাজনের পরিবর্তে ঐক্য গড়তে হবে, যুদ্ধের পরিবর্তে শান্তির পথে এগিয়ে যেতে হবে।

  • পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফের দাবি তুললেন: শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেশে প্রত্যর্পণ চান

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফের দাবি তুললেন: শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেশে প্রত্যর্পণ চান

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের প্রত্যর্পণ পুনরায় দাবির বিষয়টি জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

    বুধবার (৮ এপ্রিল) দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্করের সঙ্গে এক বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করেন, জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই দিন তিনি ভারতের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ পুরী এবং ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গেও আলাপ করেন।

    বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আলাপচারিতায় দুইপক্ষ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শক্তিশালীকরণের গুরুত্বে একমত ছিলেন।

    বৈঠকে খলিলুর রহমান বলেন, সদ্য নির্বাচিত বিএনপি সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ওপর ভিত্তি করে এবং পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও সুবিধার ভিত্তিতেই পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করবে।

    এবারের আলোচনায় তিনি শহীদ ওসমান হাদীর সন্দেহভাজন হত্যাকারীদের গ্রেফতার করার জন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানান। দুইপক্ষ একমত হন যে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

    অপরদিকে জ্বালানি মন্ত্রী হরদীপ সিংপুরীর সঙ্গে বৈঠকে খলিলুর রহমান ভারত থেকে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান এবং ডিজেল ও সার সরবরাহের পরিমাণ বাড়ানোর অনুরোধ করেন। মন্ত্রী পুরি জানান, ভারত সরকার এই অনুরোধটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দুই দেশ গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে নিয়মিত পরামর্শ চালিয়ে যাওয়ার ওপরও একমত হয়েছে।