Blog

  • জ্যাকুলিন এবার সুকেশের রাজসাক্ষী

    জ্যাকুলিন এবার সুকেশের রাজসাক্ষী

    গ্রেফতারের পর থেকে প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখর বারবার ভালোবাসার ভাষায় জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজকে বশ করার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু অভিনেত্রী প্রতিটি প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছেন। ভারতের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এবার ২০০ কোটি রুপির আর্থিক জালিয়াতি মামলায় জ্যাকুলিন রাজসাক্ষীর ভূমিকা নেবেন।

    প্রতিবেদন বলছে, ওই মামলায় সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে জ্যাকুলিনকে রাজসাক্ষী হিসেবে তোলা হচ্ছে। জ্যাকুলিনের নাম মামলায় জড়ানো শুরু হওয়ার পরই কোনো কোনো সূত্র অভিনেত্রীর পক্ষে মুখ খুলে জেনারেল সমর্থন জানায়, এবং সুকেশও বিভিন্নভাবে অভিনেত্রীর পক্ষে কথা বলেছেন।

    নিজের হাতে লেখা এক চিঠিতে সুকেশ লেখেন, জ্যাকুলিনকে প্রতারণার মামলায় টেনে আনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক; তারা সম্পর্কেই ছিলেন এবং যে উপহারগুলো তিনি দিয়েছেন তা নিজের ইচ্ছায় দিয়েছিলেন। চিঠিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জ্যাকুলিনের কাছ থেকে তিনি শুধু ভালবাসাই পেয়েছেন—আর কিছু নয়।

    তবে গ্রেফতারের পর সুকেশের ভালোবাসার আহ্বানে জ্যাকুলিন কখনও সাড়া দেননি। পুলিশের জেরায় তিনি সুকেশের দেওয়া কিছু উপহার গ্রহণের কথাও স্বীকার করেছিলেন। এখন আদালতেই দেখতে হবে, সাক্ষ্য দিতে দাঁড়িয়ে জ্যাকুলিন সুকেশ সম্পর্কে কী বলেন এবং তার বক্তব্য মামলার গতিবিধিকে কীভাবে প্রভাবিত করে।

  • আশা ভোঁসলের শেষকৃত্যে অনুপস্থিত ছিলেন সালমান-শাহরুখ, জানালো কারণ

    আশা ভোঁসলের শেষকৃত্যে অনুপস্থিত ছিলেন সালমান-শাহরুখ, জানালো কারণ

    সুরসম্রাজ্ঞী আশা ভোঁসলকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। মহা প্রস্থানের সময়ে গোটা বলিউড শোকে মাতাল ছিল—রণবীর সিংসহ অনেক তারকা রাজি‍ষ্ট স্থলে উপস্থিত ছিলেন। তবু কিংবদন্তিকে শেষ বিদায়ে দেখা যায়নি দুই সুপারস্টার সালমান খান ও শাহরুখ খানকে, যা অনেকের মধ্যেই প্রশ্নের উদ্রেক করেছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, আশা ভোঁসলের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় দুজনই মুম্বাইতেই ছিলেন। তবে নিজেরা অনুপস্থিত থাকার অন্যতম কারণ হিসেবে তাদের নিরাপত্তার দিকটি মাথায় রাখা হয়েছে। এ নিয়ে সালমান কিংবা শাহরুখের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

    তবুও দুজনেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোক প্রকাশ করেন। শাহরুখ লিখেছেন, ‘‘এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে আশা ভোঁসল আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তাঁর কণ্ঠ ভারতীয় চলচ্চিত্রের একটি অমলিন স্তম্ভ ছিল—আগামী প্রজন্ম পর্যন্ত তাঁর ছাপ থাকবে।’’ সালমানও লেখা খণ্ডন করেছেন যে এটাই ভারতীয় সংগীতের এক বড় ক্ষতি এবং আশাজির অবদান আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।

    আশা ভোঁসল ১২ এপ্রিল প্রয়াত হন। সংবাদ অনুযায়ী, ১১ এপ্রিল তিনি শারীরিক অস্বস্তি অনুভব করেন এবং বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। প্রাথমিকভাবে আশ্বাস পাওয়া যায় যে তিনি শিগগিরই সুস্থ হয়ে উঠবেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি আর ফিরে আসেননি।

    আশা ভোঁসলের প্রয়াণে চলচ্চিত্র ও সংগীত জগত একটি বিরাট শূন্যতা অনুভব করেছে। তার গাওয়া অবিস্মরণীয় গানগুলি ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যই অনুপ্রেরণার উৎস থাকবে।

  • দুই মাসে ৬০ পদক্ষেপ: মাহদী আমিনের সরকারী অর্জন উপস্থাপন

    দুই মাসে ৬০ পদক্ষেপ: মাহদী আমিনের সরকারী অর্জন উপস্থাপন

    প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের শপথ গ্রহণের দুই মাস গতকাল পূর্ণ হয়েছে। শনিবার (১৮ মার্চ) বিকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি সরকারের প্রথম দুই মাসে গ্রহণ করা ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ তুলে ধরেন এবং সামগ্রিক অর্জন, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা বিষয়ে আলোচনা করেন।

    মাহদী আমিন বলেন, দীর্ঘ নির্বাসন ও বিরোধী শাসনের কঠিন অধ্যায় অতিক্রম করে দেশের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে তিনি আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও বাংলাদেশের জন্য ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে জানান, তখন থেকেই বহুজাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব, ভিশন ও নীতি নিয়ে ব্যাপক ভূমিকাগ্রহণ হয়েছে। তিনি আরও জানান, নির্বাচনে প্রাপ্ত সফলতা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের অভিনন্দন পেয়েছে এবং নতুন সরকারের প্রতি কাজের আগ্রহ জানানো হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র হিসেবে নিজ এবং প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে উল্লেখ করে উপস্থিত সাংবাদিক, প্রেস উইং সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি সাংবাদিকদের কাছে আগামি দিনগুলোতে গঠনমূলক সমালোচনা ও তথ্যভিত্তিক প্রশ্ন করার আহ্বান জানান এবং সরকারের কার্যক্রম জনগণের কাছে স্বচ্ছভাবে তুলে ধরার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    তিনি বলেন, দুটি মাসে সরকারের পদক্ষেপগুলো দেশের মনোবল বাড়িয়েছে এবং আন্তর্জাতিক মানচিত্রে বাংলাদেশের পজিশন শক্তিশালী করেছে। এক বিরল খুশির বিষয় হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন—টাইম ম্যাগাজিনের ‘বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তি’ তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম স্থান পেয়েছে—যা নেতৃত্বের দূরদর্শিতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।

    মাহদী আমিন সরকারের দুই মাসে নেওয়া ৬০টি প্রধান পদক্ষেপ নিম্নরূপ উপস্থাপন করেন:

    1. পরিবারভিত্তিক নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের জন্য ফ্যামিলি কার্ড পাইলট সমাপ্ত — ৩৭,৫৬৭ পরিবারকে কার্ড দেওয়া হয়েছে; প্রতি পরিবারের নারী সদস্যকে মাসে ২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা।

    2. কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালু — প্রাথমিকভাবে ১০ জেলায় ২২ হাজারের বেশি প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষককে দেওয়া হয়েছে; মৎস্য ও পশুপালনকারীরাও সুবিধাভোগী।

    3. প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ঋণ (১০ হাজার টাকার পর্যন্ত) সুদসহ মওকুফ।

    4. ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ প্রক্রিয়াকরণ; ১৬টি অধ্যাদেশ আরও যাচাই-বাছাই করে বিল আকারে উত্থাপন করা হবে—সংবিধান ও আইনি ধারাবাহিকতা রক্ষায় উদ্যোগ।

    5. দেশের ৫৪ জেলায় শুরু করে মোট ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-খাল ও জলাশয় খনন ও পুনঃখনন প্রকল্প গ্রহণ।

    6. বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের পরেও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি; ভর্তুকি, বিকল্প উৎস ও কূটনীতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।

    7. জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি ও নেট-মিটারিং চালু করে গ্রিডে ৩৫ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ যুক্ত হয়েছে; ২০৩০ সালের মধ্যে ১০,০০০ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য শক্তি লক্ষ্য নির্ধারণ।

    8. জ্বালানি সংগ্রহের জন্য ফুয়েল কার্ড পাইলট প্রকল্প চালু।

    9. পবিত্র রমজানসহ চলমান পরিস্থিতিতে জরুরি ভর্তুকি ও আমদানি বজায় রাখার মাধ্যমে নিত্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।

    10. ধর্মীয় উপাসনালয়ের ইমাম-মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, বৌদ্ধবিহার অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজক-পুরোহিতদের মাসিক সম্মানী প্রদানের উদ্যোগ; ধর্মীয় ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী নিয়োগ।

    11. ঈদে অসহায়দের ত্রাণ ও উপহার বিতরণ এবং জাকাত ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করে দারিদ্র্য বিমোচনের উদ্যোগ।

    12. প্রবাসীদের জন্য ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ।

    13. হজযাত্রার খরচ কমানো—টিকিট প্রতি ১২ হাজার টাকা সাশ্রয়; দেশে ‘নুসুক হজ কার্ড’ চালু।

    14. সরকারি/মন্ত্রণালয় শূন্যপদ নিরূপণ: মোট ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি শূন্যপদ পূরণের জন্য ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদী পরিকল্পনা।

    15. বন্ধ থাকা সরকারি কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিশেষত চিনিকল, রেশম ও পাটশিল্পে গুরুত্ব।

    16. ইকোনমিক জোন, ইপিজেড, হাইটেক পার্ক ও ক্লাস্টারে স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ইকো সিস্টেম গঠন।

    17. ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন-ডলার অর্থনীতি গঠনের লক্ষ্যে খাতভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন।

    18. অর্থনীতিকে পুনর্গঠন ও বিনিয়োগভিত্তিক প্রবৃদ্ধির জন্য পাঁচ বছরের কৌশলগত কাঠামো প্রণয়ন; ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৮%।

    19. বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণ: ১০০ কোটি টাকার মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের শর্ত শিথিল।

    20. ঈদের আগেই শ্রমিকদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য সুবিধাদি পরিশোধ নিশ্চিত করা হয়েছে—শ্রমিকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে উদ্যোগ।

    21. মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবার খুলছে—দুই দেশের যৌথ বিবৃতিতে অভিবাসন ব্যয় হ্রাস ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার প্রতিশ্রুতি।

    22. ইউরোপের ৭ দেশসহ (সার্বিয়া, গ্রিস, উত্তর ম্যাসেডোনিয়া, রোমানিয়া, পর্তুগাল, ব্রাজিল ও রাশিয়া) শ্রমবাজার নিয়ে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির উদ্যোগ।

    23. বিদেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে দক্ষ ও অর্ধ-দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির উপর জোর; দেশে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার সম্প্রসারণ।

    24. উত্তরবঙ্গে অ্যাগ্রো-প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রি হাব গড়ার উদ্যোগ।

    25. পেপাল ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ।

    26. প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করার জন্য ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা; নিয়োগে ৮০% নারীকে অগ্রাধিকার।

    27. ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালু করে সাশ্রয়ী ও গুণগত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের পরিকল্পনা; হাসপাতালগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্থাপন।

    28. পুনঃভর্তি ফি বাতিল ও বিজ্ঞতাভিত্তিক ভর্তি পদ্ধতি গ্রহণ; শিক্ষাবৃত্তি দ্বিগুণকরণ এবং শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি।

    29. বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ব্যাংক গ্যারান্টি প্রদান।

    30. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক এবং অন্যান্য শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত।

    31. স্কুল মাঠ উন্মুক্তকরণ ও উপজেলায় ক্রীড়া শিক্ষকের নিয়োগ; মহানগরে উন্মুক্ত খেলার মাঠ সৃষ্টি; চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক।

    32. শিশু-তরুণ প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি’ পুনরায় শুরু; ক্রীড়া ও কুরআন তেলাওয়াত সংযুক্তি; শিক্ষার্থীদের জন্য সংসদ গ্যালারিতে ১৫০ আসন বরাদ্দ।

    33. প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, জুতা ও পাটের ব্যাগ বিতরণ; ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ পাইলট।

    34. মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকীকরণ: স্মার্ট ক্লাসরুম, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি কোর্স অন্তর্ভুক্তি।

    35. স্পোর্টস কার্ড ও অ্যালাউন্স কার্যক্রম—শতাধিক ক্রীড়াবিদকে ভাতা প্রদান।

    36. পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ১ কোটি ৫০ লাখ চারা উৎপাদন; শহরে খালপার্শ্বে নেটিং ব্যবস্থা ও হাঁটা পথ নির্মাণ।

    37. রাষ্ট্রীয় ব্যয় হ্রাসে প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে সরকারি ভবন/গাড়ি ব্যবহার না করে নিজ বাড়ি ও গাড়ি ব্যবহার করছেন—অর্থব্যয় সাশ্রয়ে নজিরবিহীন পদক্ষেপ।

    38. অফিস সময় কঠোরকরণ—সকাল ৯টার মধ্যে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক; ভিভিআইপি প্রটোকল সীমিত করা হয়েছে; রাষ্ট্রীয় সফরে বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা সীমাবদ্ধ।

    39. নামজারি ও সেবাগ্রহীতার অনলাইন আবেদন বাধ্যতামূলক করে দালাল-হস্তক্ষেপ রোধ; অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থা ও ডিজিটাল সার্ভ পাইলটিং; ২৪/৭ হটলাইন চালু।

    40. পদ্মা অববাহিকার কৃষি অঞ্চল রক্ষার্থে ‘পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প’ গ্রহণ।

    41. এমপি-মন্ত্রীরা শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট গ্রহণ না করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত—রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমানো লক্ষ্য।

    42. পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নির্দেশনা জারি।

    43. ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাপ্তাহিক জাতীয় পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও স্থানীয় অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম চালু।

    44. দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা হাম টিকা কর্মসূচি পুনরায় চালু ও দ্রুত সম্প্রসারণ।

    45. চাঁদাবাজি দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা—গোপন তথ্য অনুযায়ী গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে; জনবান্ধব পুলিশের উদ্যোগ।

    46. ঢাকায় পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাস ও নারীদের জন্য বিশেষায়িত পিংক বাস সেবা চালুর উদ্যোগ।

    47. জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আইন সংশোধনের খসড়া চূড়ান্ত — নদী দখল ও দূষণকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে বিবেচনা, সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড/১৫ লাখ টাকা জরিমানা প্রস্তাব।

    48. বিদ্যুত ও জ্বালানি সাশ্রয়ে রাষ্ট্রীয় ইফতার সীমিত করা হয়েছে; সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ১১টি নির্দেশনা জারি।

    49. শিক্ষাব্যবস্থায় প্রথমবারের মতো এনটিআরসির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক, কলেজ অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগ—মেধাভিত্তিক পরীক্ষার উদ্যোগ।

    50. ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির সক্ষমতা বাড়াতে দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপন পরিকল্পনা—২০২৯ সালে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম; আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হবে।

    51. ফুটপাত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন ও বিকল্প স্থানে ব্যবসা পরিচালনার উদ্যোগ।

    52. সরকার একটি উদার ও গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনের লক্ষ্য ঘোষণা করেছে; সকল মত ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা নিশ্চিত রাখা হবে বলে মত প্রকাশ করা হয়েছে।

    53. হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর উদ্যোগ।

    54. ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরে ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা প্রদানের নির্দেশনা; সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফ্রি ইন্টারনেট উদ্বোধন।

    55. চলন্ত ট্রেনে যাত্রীদের জন্য ফ্রি ইন্টারনেট সেবা চালুর উদ্যোগ; ১৮০ দিনের মধ্যে ২,৩৩৬টি কারিগরি ও ৮,২৩২টি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াইফাই স্থাপনের পরিকল্পনা।

    56. অর্থনৈতিক কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রবাসীদের কল্যাণ, দূতাবাস ও মিশনগুলোকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও জনশক্তি রপ্তানিতে ভূমিকা বাড়ানোর নির্দেশনা।

    57. পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতায় সকল দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা ও বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অর্থে দ্বিপাক্ষিক সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেওয়া।

    58. বিদেশে পাচারকৃত অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রাথমিকভাবে ১০টি দেশের সঙ্গে সম্পদ শনাক্তকরণ ও আইনি সহায়তা জোরদার।

    59. উপকূলীয় নদীভাঙন রোধ ও জলবায়ু প্রতিক্রিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা।

    60. মানবাধিকার রক্ষা—মাহদী আমিন বলেন, গত দুই মাসে সরকারের মানবাধিকার সংরক্ষণে গৃহীত পদক্ষেপ জনগণের প্রত্যাশা মেটেছে; তিনি একইসঙ্গে রাজনৈতিক অশান্তি ও মিথ্যাচার সম্পর্কে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন।

    সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ও মুখপাত্র সালেহ শিবলী, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ-প্রেস সচিবরা এবং প্রেস উইংয়ের অন্যান্য সদস্যরা বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।

    মাহদী আমিন সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে সাংবাদিকদের ধৈর্য ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং আগামি দিনগুলোতে জনগণের কল্যাণে আরও কাজ করতে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলেও জানান।

  • ওসমান হাদি হত্যা: অস্ত্র বিক্রেতা মাজেদুলের দায় স্বীকার

    ওসমান হাদি হত্যা: অস্ত্র বিক্রেতা মাজেদুলের দায় স্বীকার

    ইনকিলাব মঞ্চের স্বরদফতর শরিফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকাণ্ডের মামলায় গ্রেফতারকৃত অস্ত্র বিক্রেতা মো. মাজেদুল হক হেলাল আজ আদালতে দায় স্বীকার করেছেন। ঢাকা মহানগর প্রসিকিউশনের উপপরিদর্শক রুকনুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিন দিনের রিমান্ড শেষে পুলিশ তাকে শনিবার আদালতে হাজির করলে, সেখানে আসামী স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার জন্য সম্মত হন। তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা আদালতের কাছে জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন জানান।

    আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান আসামির স্বীকারোক্তি রেকর্ড করে এবং পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে হাজির আদালতে মাজেদুল কি কথা বলেছেন বা তার স্বীকারোক্তির বিস্তারিত কেমন, তা সর্বজনীনভাবে জানা যায়নি।

    গ্রেফতার ও রিমান্ড সংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিত করে ঢাকা মহানগর প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রুকনুজ্জামান বলেন, গত মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) চট্টগ্রামের চকবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং পরদিন আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

    মামলায় বলা হয়েছে, শরিফ ওসমান হাদি অভ্যুত্থানের পর সংগঠিত রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম ইনকিলাব মঞ্চ গঠন করে সেখানে মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় মোটরসাইকেলে থাকা দুর্বৃত্তরা তাঁকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

    ঘটনার তদন্ত চলছে এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন। বর্তমানে মামলার অন্যান্য দিক ও সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে।

  • জাতীয় নারীশক্তির ৫৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি প্রকাশ

    জাতীয় নারীশক্তির ৫৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি প্রকাশ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন ও সদস্যদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। শনিবার জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই ৫৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির তথ্য জানানো হয়।

    কমিটি গঠন করা হয়েছে এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশ ও অনুমোদনে। গত ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করার পর থেকে সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও সাংগঠনিক কাঠামো মজবুত করতেই 이번 পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    নতুন কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সানজিদা বুশরা মিশমা। যুগ্ম আহ্বাক হিসেবে রাখা হয়েছে হাফসা জাহান, নাবিলা তাসনিদ, খন্দকার খালেদা আক্তার, আশরেফা খাতুন ও মুনা হাফসাকে।

    সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব পদে নির্বাচিত হয়েছেন মঞ্জিলা ঝুমা। যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে রয়েছেন—দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি, নাহিদা বুশরা, কাজী আয়েশা আহমেদ, নীলা আফরোজ, মাহমুদা রিমি ও ইসরাত জাহান বিন্দু।

    যুগ্ম মুখ্য সংগঠকের দায়িত্ব পেয়েছেন ইশরাত জাহান, উরসী মাহফিলা, সাদিয়া আফরিন, জয়ন্তী বিশ্বাস, সোনিয়া লুবনা, নাফিসা মুশতারী এবং নাদিয়া ইসলাম মিম।

    এছাড়া কমিটিতে রেহনুমা রুমা, ফারজানা আক্তার, মনি মুক্তা, সেজুতি আক্তারসহ আরও ৩০ জনকে সংগঠক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবের দিকনির্দেশনায় গঠিত এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি এখন থেকে সংগঠনের কার্যক্রম সমন্বয় ও নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করবে।

  • LG InnoFest 2026: এশিয়ার বাজারের জন্য স্মার্ট হোম সলিউশন ও বৃদ্ধির কৌশল উপস্থাপন

    LG InnoFest 2026: এশিয়ার বাজারের জন্য স্মার্ট হোম সলিউশন ও বৃদ্ধির কৌশল উপস্থাপন

    বিশ্ববিখ্যাত ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড LG Electronics তাদের InnoFest 2026 APAC ইভেন্টে এশিয়া প্যাসিফিক বাজারের জন্য নতুন হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও বৃদ্ধির কৌশল উন্মোচন করেছে। কোরিয়ার বুসানে ৭-১০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এই সামিটে প্রায় ২০টি দেশ থেকে ২০০-এর বেশি ব্যবসায়িক পার্টনার ও গণমাধ্যম অংশগ্রহণ করে। এটি LG-এর ২০২৬ InnoFest সিরিজের সমাপনী আয়োজন ছিল।

    ‘Innovation, Forward Together’ থিমকে সামনে রেখে LG প্রদর্শনিতে দেখিয়েছে কীভাবে স্থানীয় জীবনধারা, আবাসনের সীমাবদ্ধতা এবং ব্যবহারিক চাহিদা বিবেচনায় রেখে প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান তৈরি করা হচ্ছে। এশিয়ার পরিচিত সাংস্কৃতিক রীতিনীতি এবং K-Tech উদ্ভাবনকে মিলিয়ে কোম্পানি স্থানীয় বাজারে প্রযোজ্য ও টেকসই পণ্য তুলে ধরেছে।

    কাপড় পরিচর্যায় উন্নয়ন ও স্থানসংরক্ষণ

    LG এই অঞ্চলের জন্য তাদের লন্ড্রি পোর্টফোলিও শক্তিশালী করেছে নতুন WashTower™ লাইনআপের মাধ্যমে। এতে রয়েছে এশীয় ঘর ও অ্যাপার্টমেন্টের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা নতুন ২৫ ইঞ্চি মডেল, পাশাপাশি ২৪ ও ২৭ ইঞ্চি সংস্করণ, যা সীমিত জায়গায় সর্বোচ্চ সুবিধা দেবে—বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ বাজার যেমন বাংলাদেশে।

    নতুন টপ-লোড ওয়াশারগুলোতে AI Direct Drive™ (AI DD™) প্রযুক্তি যোগ করা হয়েছে, যা কাপড়ের ধরন ও দাগের মাত্রা অনুযায়ী ধোয়ার পদ্ধতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করে। TurboWash™ 3D প্রযুক্তির ফলে সম্পূর্ণ ওয়াশ সাইকেল ৩০ মিনিটের কম সময়ে শেষ করা সম্ভব এবং স্বয়ংক্রিয় ডিটারজেন্ট ডিসপেনসার প্রতিটি লোডের জন্য সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করে।

    একই সঙ্গে LG WashCombo™ অল-ইন-ওয়ান ওয়াশার-ড্রায়ার এক ইউনিটে ধোয়া ও শুকানোর সুবিধা দেয়। Inverter HeatPump™ প্রযুক্তির কারণে বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব, যা বিদ্যুতের ব্যয় অনুকূল করার প্রয়োজনীয়তায় বাংলাদেশের মতো বাজারে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

    স্মার্ট ও কমপ্যাক্ট কিচেন সলিউশন

    রান্নাঘরের বাস্তবতা মাথায় রেখে LG নতুন প্রজন্মের রেফ্রিজারেটর উন্মোচন করেছে। Fit & Max ডিজাইন এবং Zero Clearance Hinge-র মাধ্যমে দেয়ালের পাশে ফাঁকা জায়গা না লাগিয়ে বিল্ট-ইন লুক বজায় রেখে স্টোরেজ সর্বোচ্চ করা হয়েছে।

    LG-এর উন্নত Ice Solution চার ধরনের বরফ অপশন দেয়—Craft Ice™, Cubed, Crushed ও Mini Craft—যা দৈনন্দিন ব্যবহারের পাশাপাশি অতিথি আপ্যায়নে কার্যকর। ডিশওয়াশার বিভাগে এক ঘণ্টার ওয়াশ-এন্ড-ড্রাই সাইকেল, QuadWash™ Pro ও Dynamic Heat Dry+ প্রযুক্তি দ্রুত ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিষ্কার নিশ্চিত করে। উল্লেখযোগ্যভাবে গুরুত্বপূর্ণ মডেলগুলোতে A গ্রেড এনার্জি এফিসিয়েন্সি অর্জিত হয়েছে।

    AI চালিত স্মার্ট হোম অভিজ্ঞতা

    প্রদর্শনীতে LG তাদের AI Home Vision প্রদর্শন করে, যেখানে ThinQ ON™ AI Home Hub-এর মাধ্যমে স্মার্ট অ্যাপ্লায়েন্স ও IoT ডিভাইসগুলো একসঙ্গে সংযুক্ত হয়ে ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন কার্যক্রম আরও স্বয়ংক্রিয় ও সুবিধাজনক করে তোলে। এই প্ল্যাটফর্ম ধাপে ধাপে এশিয়ার বিভিন্ন বাজারে চালু হবে।

    বর্ধিত সার্ভিস ও সাবস্ক্রিপশন মডেল

    দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি কৌশলের অংশ হিসেবে LG তাদের LG Subscribe সাবস্ক্রিপশন সার্ভিসও এশিয়ায় সম্প্রসারণ করছে। এই সেবায় গ্রাহকরা কিস্তিভিত্তিক পেমেন্টের পাশাপাশি পণ্য রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধাও পাচ্ছেন, যা বাংলাদেশসহ উদীয়মান বাজারগুলোর জন্য আকর্ষণীয় বিকল্প হতে পারে।

    কোম্পানির মন্তব্য

    LG Electronics Asia Pacific-এর আঞ্চলিক সিইও জেসুং কিম বলেন, “এশিয়া আমাদের অন্যতম দ্রুতবর্ধনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বাজার। InnoFest 2026 আমাদের পার্টনারদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ ভিশন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ভাগ করে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। আমরা স্থানীয় জীবনধারা বিবেচনায় রেখে AI চালিত হোম সলিউশন বাজারে আনছি।”

    কোম্পানি পরিচিতি

    LG Home Appliance Solution Company (HS) হোম অ্যাপ্লায়েন্স এবং AI হোম সলিউশনে বিশ্বব্যপী অন্যতম নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। কোম্পানি উদ্ভাবনী কোর প্রযুক্তি, শক্তি সাশ্রয়ী ডিজাইন ও টেকসই সমাধানের মাধ্যমে গ্রাহকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: www.LG.com/global/newsroom/

  • রেমিট্যান্স বাড়ায় রিজার্ভ পুনরায় ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    রেমিট্যান্স বাড়ায় রিজার্ভ পুনরায় ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    গেল মার্চে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় আসার পর চলতি এপ্রিলেও রেমিট্যান্স প্রবাহ ধরে থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও শক্তিশালী হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কেনা শুরু করার ফলে মোট রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে ৩৫.০৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আইএমএফের BPM-6 পদ্ধতিতে তা দাঁড়িয়েছে ৩০.৩৬ বিলিয়ন ডলার।

    এক মাস আগে, ১৬ মার্চ রিজার্ভ ছিল ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলার (BPM-6 অনুযায়ী ২৯.৫২ বিলিয়ন)। অর্থাৎ এক মাসে রিজার্ভ প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। তবে দেশের মোট রিজার্ভের সবটিই ব্যবহারযোগ্য নয়। স্বল্পমেয়াদি দায় এবং অন্যান্য বাধ্যবাধকতা বাদ দিলে যে নিট রিজার্ভ থাকে, সেটিই অর্থনীতির জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    বাংলাদেশ ব্যাংক অভ্যন্তরীণভাবে ‘ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ’ হিসাব করে, যেখানে আইএমএফের এসডিআর, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাব ও অন্য কিছু খাত বাদ দেওয়া হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে এটি প্রকাশ করা না হলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্র জানিয়েছে বর্তমানে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলার। মাসিক আমদানি ব্যয় গড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার ধরে নিলে এই রিজার্ভ দিয়ে পাঁচ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মিটানো সম্ভব। সাধারণত কমপক্ষে তিন মাসের আমদানির সমমূল্যের রিজার্ভই নিরাপদ ধরা হয়।

    বিশ্লেষকরা মনে করান, অতীতে রিজার্ভের চাপ বাড়লে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ১৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে গিয়েছিল। তৎপরতায় বিদেশি ঋণ ও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার সংগ্রহ করে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে অন্তর্বতী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরে নতুন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি কমিয়ে দেন এবং হুন্ডি ও অর্থপাচার রোধে ও বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা জোরদারে নানা পদক্ষেপ নেন। বিভিন্ন উৎস থেকে ডলার সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগের ফলে ধীরে ধীরে রিজার্ভ ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়ায় বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বেড়েছে এবং রিজার্ভ পুনরায় শক্তিশালী হচ্ছে। বাজারে ভারসাম্য বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজনে ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কেনছে। তিনি আরও জানান, ডলারের মূল্য অতিরিক্তভাবে কমে গেলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে; তাই বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    ইতিহাস প্রসঙ্গে বলা যায়, আগস্ট ২০২১ সালে রিজার্ভ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল, তখন ডলারের বিনিময় হার ছিল প্রতি ডলারে ৮৪.২০ টাকা। পরে বিভিন্ন ঋণ অনিয়ম ও অর্থপাচারের কারণে রিজার্ভে চাপ পড়ে এবং স্তর কমতে থাকে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রিজার্ভ নেমে আসে ২৫.৯২ বিলিয়ন ডলারে (আইএমএফের হিসাবে ২০.৪৮ বিলিয়ন)। তখন বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে অস্থিরতা তৈরি হয় এবং ডলারের মূল্য ১২০ টাকার ওপরে ওঠে; পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমদানিতে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।

    অতঃপর অন্তর্বতী সরকার কৌশল বদলে ধাপে ধাপে বাজারভিত্তিক বিনিময়হার চালু করে, রেমিট্যান্স বাড়াতে উদ্যোগ নেয় এবং আমদানির ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করে। অপেক্ষাকৃত উদার বাণিজ্যনীতি ও রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ফলে রিজার্ভ পুনরুদ্ধারে সহায়তা মিলেছে।

    চলতি এপ্রিলের প্রথম ১৫ দিনে দেশে এসেছে ১৭৯ কোটি ডলার প্রবাসী আয়, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১.৫ শতাংশ বেশি (গত বছর ছিল ১৪৭ কোটি ডলার)। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রেমিট্যান্স ঊর্ধ্বমুখী: মার্চে প্রবাসীরা পাঠিয়েছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার — একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ; ফেব্রুয়ারি ছিল ৩০২ কোটি, জানুয়ারি ৩১৭ কোটি এবং ডিসেম্বর ৩২২ কোটি ডলার।

    এদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলো থেকে মোট ৫৬১ কোটি ডলার কিনেছে, যা রিজার্ভকে পুনরায় মজবুত অবস্থায় নিতে সহায়ক হয়েছে। বিশ্ববাজারে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান সংক্রান্ত উত্তেজনার কারণে জ্বালানী তেলের দামে অস্থিরতা থাকায় রিজার্ভ বৃদ্ধিকে সংশ্লিষ্টরা স্বস্তিদায়ক হিসেবে দেখছেন।

  • হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের সময় বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি

    হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের সময় বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি

    হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের চেষ্টা করায় কমপক্ষে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) রয়টার্স থান্ডার্কৃত তিনটি সামুদ্রিক ও শিপিং-সংক্রান্ত সূত্রের বরাতে এই খবর দিয়েছে।

    ব্রিটিশ সংস্থা যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (UKMTO) জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত জাহাজগুলোর মধ্যে অন্তত একটি ট্যাংকারকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) গানবোট থেকে হামলা করা হয়েছে। UKMTO বলেছে, ওমান উপকূল থেকে প্রায় ২০ নটিক্যাল মাইল উত্তর-পূর্বে ওই ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে আইআরজিসির দুটি গানবোট থেকে গোলি ছোড়া হয়।

    রয়টার্সের সূত্রে বলা হয়েছে, হামলার পর ট্যাংকার এবং তার ক্রু নিরাপদ রয়েছেন এবং বড় ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে জাহাজে কী ধরনের ক্ষতি হয়েছে বা হামলার ফলে সামুদ্রিক চলাচলে কী প্রভাব পড়বে, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

    উল্লেখ্য, গতকাল ইরান হরমুজ প্রণালী ‘উন্মুক্ত’ রাখার ঘোষণা করেছিল; কিন্তু আজ শনিবার সকালে আইআরজিসি আবার প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কিছু শর্ত আরোপ করেছে। এই বিবর্তন আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

    স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সমুদ্র নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ঘটনার বিষয়ে নজর রাখছে এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে আরো তথ্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • চিতলমারীতে খালার লাঠি আঘাতে এক মাসের শিশুর মৃত্যু

    চিতলমারীতে খালার লাঠি আঘাতে এক মাসের শিশুর মৃত্যু

    বাগেরহাটের চিতলমারীর সাবোখালী গুচ্ছগ্রামে খালার লাঠির আঘাতে মোঃ হোসেন শেখ নামে এক মাস বয়সী শিশু নিহত হয়েছেন। ঘটনার সময় শিশুটি বাবার পাশে ঘুমিয়ে ছিল।

    শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হোসেন শেখ মোড়েলগঞ্জ উপজেলার জিলবুনিয়া গ্রামের শেখ সাইফুল ইসলাম মধুর ছেলে। ঘটনার পর পরিবারের মা ইয়াছমিন আক্তার ময়না শনিবার (১৮ এপ্রিল) চিতলমারী থানা পুলিশে একজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ইয়াছমিনের বোন মোছাঃ ফাতেমা আক্তার (৪০) ও ভাই মোঃ ইয়াছিন শেখ (২৫) কে আসামী করা হয়েছে। পুলিশ মামলার প্রধান আসামী ফাতেমা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছেন।

    মামলার বিবরণে জানা গেছে, শুক্রবার সকালেই বাদী ইয়াছমিন আক্তার ও তাঁর স্বামী শেখ সাইফুল ইসলাম মধুরের সঙ্গে ফাতেমা আক্তার ও ইয়াছিন শেখের মধ্যে ঝগড়া হয়। ওই বিবাদের জের ধরে বিকেলে ফাতেমা ও ইয়াছিন লাঠি নিয়ে ঘরে ঢুকে সাইফুলকে মারধর শুরু করেন। মারধরের সময় বাবা-ছেলের কাছে শুয়ে থাকা শিশু হোসেন শেখও লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হন।

    তত্ক্ষণাৎ আহত শিশুকে স্থানীয় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নেওয়া হলেও চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন এবং প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার ঘটনায় আরও অনুসন্ধান ও আইনানুগ কার্যক্রম চলছে।

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতিতে প্রথমবার ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’ চালু

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতিতে প্রথমবার ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’ চালু

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় নতুন যুগের সূচনা করল। পেশাগত মানোন্নয়ন ও প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবার কেবল জ্যেষ্ঠতার উপর নির্ভর না করে মেধা ও দক্ষতার ভিত্তিতেও পদোন্নতি বা আপগ্রেডেশন দেবে। সেই লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’ গ্রহণ করা হয়েছে।

    আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসসি)-এর উদ্যোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় প্রার্থীদের তিন ধাপে মূল্যায়ন করা হয়েছে—লিখিত পরীক্ষা, পদ সংশ্লিষ্ট ব্যবহারিক পরীক্ষা এবং কম্পিউটার টাইপিং/প্রযুক্তি সম্পর্কিত দক্ষতার মূল্যায়ন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে নেয়া হবে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি মূলত জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতেই দেয়া হয়ে আসছিল। সে প্রেক্ষাপটে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উদ্যোগকে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন দৃষ্টান্ত বলা হচ্ছে। কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টি হবে এবং নিজদের দক্ষতা উন্নয়নে তারা আরও উৎসাহী হবেন—এমন মূল্যায়ন সংশ্লিষ্টদের।

    পরীক্ষাসময় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম পরীক্ষা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন। এ সময় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, আইকিউএসসির পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পরিচালক ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

    পরিদর্শনকালে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বলেন, এটি একটি সময়োপযোগী ও কার্যকর উদ্যোগ। আমরা চাই, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব প্রদর্শন করুক। এই পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য ও মেধাবী কর্মীরা যথাযথ স্বীকৃতি পাবে।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে সংশ্লিষ্টরা উচ্চশিক্ষা খাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এ ধরনের দক্ষতা নির্ভর মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু থাকলে প্রশাসনিক কাজের গতি বৃদ্ধি পাবে এবং সার্বিকভাবে সেবার মানও উন্নত হবে।