Blog

  • দ্বিতীয় সন্তানের সুখবর দিলেন দীপিকা-রণবীর: সোশ্যাল মিডিয়ায় খুশির ঘোঘড়া

    দ্বিতীয় সন্তানের সুখবর দিলেন দীপিকা-রণবীর: সোশ্যাল মিডিয়ায় খুশির ঘোঘড়া

    বলিউডে আবারও খুশির খবর। সোমবার ১৯ এপ্রিল সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়ে দুয়ারকে হাতে ধরে গর্ভধারণ পরীক্ষার কিটের ছবি শেয়ার করে দ্বিতীয় সন্তানের ঘোষণা দিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। প্রথম সন্তান দুয়ারের জন্মের দুই বছরও না কাটতেই এই খবর ভক্তদের মধ্যে উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দিয়েছে।

    ঘোষণার পরপরই সহকর্মী ও বন্ধুদের অভিনন্দনে ভেসে গেছে রণবীর-দীপিকার ইনবক্স। প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, কারিনা কাপুর, অনন্যা পাণ্ডে, বিপাশা বসু, সোনাক্ষী সিনহা, কিয়ারা আডবানী, পরিণীতি চোপড়া, ভূমি পেডনেকর, সামান্থা রুথ প্রভু প্রমুখ অনেকেই তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অনুরাগীরাও কমেন্ট বক্সে ভালোবাসা ও আশীর্বাদ পাঠাচ্ছেন।

    জনপ্রিয়তা ও ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও দীপিকা সবসময় পরিবারের প্রতি দায়বদ্ধ থেকেছেন। তিনি মাতৃত্বকে জীবনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ও এক ধরণের অনন্য পুরস্কার হিসেবে দেখেন। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি পর্দায় অনেক শক্তিশালী ও বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করেছি, কিন্তু বাস্তবে মা হওয়া এবং সন্তানের দেখাশোনা করাই আমার জীবনের সবচেয়ে তৃপ্তিদায়ক ও সেরা ভূমিকা।’

    রাফিক রণবীরও বাবার ভূমিকায় সম্পূর্ণরূপে নিবেদিতপ্রাণ। প্রথম সন্তানের সময় তিনি কাজ থেকে বিরতি নিয়েছিলেন; এবারের খবরে তিনি আবারও আনন্দিত এবং জানা গেছে, তার আসন্ন কাজের সূচি এমনভাবে সামলে নিচ্ছেন যাতে দীপিকার পাশে থাকতে পারেন।

    দ্বিতীয়বার মা হওয়ার মধ্যে দীপিকা রোমাঞ্চিত হলেও সতর্কও। প্রথম সন্তানের প্রসবকালীন অভিজ্ঞতা তাকে মানসিকভাবে আরও পরিণত করেছে এবং এইবারও তিনি স্বাস্থ্য ও বিশ্রামকে প্রাধান্য দিচ্ছেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। রণবীর-দীপিকা দুইজনেই এখন পরিবারের নতুন সদস্যকে স্বাগত জানানোর জন্য অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন।

    দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর ইতালিতে জমকালো অনুষ্ঠানেই বিয়ে করেন এই দম্পতি; তাদের সম্পর্কের সূত্রপাত ছিল ২০১৩ সালের ‘রাম-লীলা’ শুটিংয়ের সময়। গোপনে ২০১৫ সালে বাগদান সেরে পরে তা ঘোষণা করেছিলেন তারা। ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর তাদের প্রথম সন্তান দুয়ার জন্ম নিয়েছিল।

    কাজের কথায়, রণবীরের সাম্প্রতিক ছবি ‘ধুরন্ধর ২’ বক্স অফিসে সফলতা পেয়েছে। দীপিকা শুটিংজীবনেও ব্যস্ত—শাহরুখ খানের সঙ্গে ‘কিং’ এবং আল্লু অর্জুনের সঙ্গে একটি নতুন ছবিতে দেখা যাবে তাঁকে। পরিবারের এই খুশির সময়েও এই ব্যস্ততা সামলাতে তাঁরা দুজনেই সতর্কভাবে পরিকল্পনা করছেন।

    প্রশংসা ও শুভেচ্ছার ঢলে ভাসছে নেটদুনিয়া; এবারও ভক্তরা অপেক্ষায় রয়েছেন দীপিকা-রণবীরের পরিবারের নতুন সদস্যের আগমনের জন্য।

  • সুকেশের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হচ্ছেন জ্যাকুলিন

    সুকেশের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হচ্ছেন জ্যাকুলিন

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে যে ২০০ কোটি রুপি মূল্যের আর্থিক জালিয়াতি মামলায় প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী (স্টেট উইটনেস) হতে চলেছেন অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ।

    গ্রেফতারের পর সুকেশ বারবার জ্যাকুলিনকে ভালোবাসার সরল ভাষায় বশ করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু অভিনেত্রী এমন আবেদন ফিরিয়ে দিয়েছেন। এরপরও সুকেশ নিয়মিত জ্যাকুলিনের পক্ষে কথা বলেছেন এবং নিজেকে তাঁর প্রেমিক বলে উল্লেখ করেছেন।

    এক হাতে লেখা চিঠিতে সুকেশ জানিয়েছিলেন, প্রতারণা মামলায় জ্যাকুলিনের নাম টেনে আনা ‘‘অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক’’ এবং তিনি যে উপহারগুলো দিয়েছেন তা اپنی ইচ্ছায় দিয়েছেন; জ্যাকুলিন শুধু কাছ থেকে ভালোবাসাই চেয়েছেন।

    তবে গ্রেফতারির পর সুকেশের প্রেমের ডাক জ্যাকুলিন কখনই প্রত্যাখ্যান করলেও পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি উপহার গ্রহণের কথা স্বীকার করেছিলেন।

    এখন সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জ্যাকুলিনকে রাজসাক্ষী হিসেবে টানা হচ্ছে। আদালতে তাঁর দেওয়া সাক্ষ্য সুকেশের বিরুদ্ধে মামলাকে কীভাবে প্রভাবিত করবে, তা এখন দেখার বিষয়।

  • কুইক রেন্টালে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে: বিদ্যুৎ মন্ত্রী

    কুইক রেন্টালে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে: বিদ্যুৎ মন্ত্রী

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, কুইক রেন্টাল প্রকল্পের আড়ালে লুটপাট ও বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশ ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক যৌথভাবে পদক্ষেপ গ্রহন করছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

    মন্ত্রী এসব তথ্য জানান রবিবার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুলের প্রশ্নের জবাবে। অধিবেশন পরিচালনা করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

    মন্ত্রী বলেন, ২০১০ সালে প্রণীত ‘‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০’’-এর আওতায় উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। এই ব্যবস্থা পরে অনিয়মের পথ প্রশস্ত করে। আইনের ধারা-৫ অনুযায়ী গঠিত নেগোসিয়েশন কমিটি বিভিন্ন প্রকল্পে ট্যারিফ নির্ধারণ করায় নৈতিকতার বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক ক্যাপাসিটি চার্জ ও উচ্চ মূল্য নির্ধারণের অভিযোগ ওঠে। তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ও তাদের প্রাণঘনিষ্ঠদের সম্পৃক্ততা নিয়ে ভয়াবহ অভিযোগ রয়েছে, যার ফলে ব্যবসার মালি লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে।

    আন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বিতর্কিত ওই বিশেষ বিধানটি বাতিল করে একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয় এবং পরবর্তীতে তা জাতীয় সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করে ৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে পাস করা হয়েছে। মন্ত্রীর কথায়, এতে অনিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বর্তমানে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং দোষীদের বিরুদ্ধে যে আইনগত ব্যবস্থা প্রয়োজন তা নিতে কাজ করছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তদন্ত ও আর্থিক অনুসন্ধান চালিয়ে দায়ীদের আইনের আওতায় আনাই হবে।

    সরকারি দাবি অনুযায়ী, তদন্ত ও আর্থিক পুনরুদ্ধারের কাজ চলমান রয়েছে এবং যে কোনো অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ দ্রুত দেশীয় অর্থনীতিতে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও আর্থিক পন্থা গ্রহণ করা হবে।

  • ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল: ‘আমি বরখাস্ত নই, আমি অবসরপ্রাপ্ত’

    ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল: ‘আমি বরখাস্ত নই, আমি অবসরপ্রাপ্ত’

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজের পদবি ও চাকরির অবস্থার ভুল বিবরণ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। তিনি বলেন, মামলার নথিতে তাকে ‘বরখাস্ত’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যা তিনি স্বীকার না করে বলেন, তিনি বরং একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

    রোববার (১৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে চলা শুনানিতে জিয়াউল এই বক্তব্য ছাড়েন। ওই দিন গুমসহ হত্যার অভিযোগের এক মামলায় জিয়াউল আহসানের সঙ্গে চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক এমপি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীরও উপস্থিতি ছিল। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম; তিনি обвинীত দুইজনের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন এবং জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চান, যা পরে ট্রাইব্যুনাল মঞ্জূর করেন।

    শুনানির সময় জিয়াউলের পক্ষে আইনজীবী নাজনীন নাহার ট্রাইব্যুনাল থেকে অভিযোগপত্র তাঁকে হাতে দিয়ে পড়ে দেখার অনুমতি চান। নথি হাতে নিয়ে অভিযোগবিবরণী পড়ে দেখার পর জিয়াউল কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ট্রাইব্যুনালের সামনে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, ‘মাননীয় আদালত, আমি বরখাস্ত নই, আমি অবসরপ্রাপ্ত। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বরখাস্ত লেখা হচ্ছে, যা সঠিক নয়।’

    এ প্রসঙ্গে ট্রাইব্যুনাল পক্ষ জানিয়েছে, কোনো আসামি চাইলে আইনজীবীর মাধ্যমে কথা বলা উচিত—আইনজীবী নিয়োগ করলে তার বদলে আইনজীবীই বক্তব্য রাখবেন এবং আসামিকে চুপ থাকা প্রত্যাশিত।

    উভয় পক্ষের যুক্তি-বিবরণ শুনে ট্রাইব্যুনাল আগামী ২১ জুনের মধ্যে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সুবিধামত সময়ে প্রত্যেক আসামির এক দিন করে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।

    জিয়াউল আহসানের আইনজীবী নাজনীন নাহার জানান, তাঁর মক্কেল সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে; সেহেতু ‘বরখাস্ত’ শব্দটি মেনে নেওয়া হচ্ছে না।

    প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১০ সালে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু জাফরকে তুলে নিয়ে গুমের পর হত্যা করা হয়। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী ও জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা করা হয়েছে এবং শুনানি চলমান আছে।

  • অতীতের ছাত্র সংগঠনের সদস্য থেকেও এনসিপিতে যোগ করতে পারবেন: নাহিদ ইসলাম

    অতীতের ছাত্র সংগঠনের সদস্য থেকেও এনসিপিতে যোগ করতে পারবেন: নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, অতীতে কেউ ছাত্রদল, ছাত্রশিবির বা ছাত্রলীগে থাকলেও তা এনসিপিতে যোগদানের পথে বাধা নয়। তিনি বলেন, যারা এখন থেকে এনসিপিতে আসবেন, তারা এনসিপির সংগঠক বা নেতাকর্মী হিসেবে কাজ করবেন এবং দলের আদর্শকে ধারণ করে কর্মসুচি চালাবেন।

    তবে নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট করে বলেন, যেসব ব্যক্তি ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল, গণহত্যায় অংশগ্রহণ করেছে, চাঁদাবাজি করেছে বা দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত — তাদের দলমুখী হওয়াটা গ্রহণযোগ্য নয় এবং তারা এনসিপিতে যোগ দিতে পারবে না।

    রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। নাহিদ আরও বলেন, যারা এনসিপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দায়-দরদ ও দায়িত্বশীল রাজনীতি করতে চান, যারা বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনে বিশ্বাসী— তাদেরই আমরা আহ্বান জানাচ্ছি।

    নাহিদ বলেন, ‘‘আমরা সবাই দীর্ঘদিন ধরে একসাথে কাজ করেছি; হতে পারে প্ল্যাটফর্ম আলাদা ছিল। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হচ্ছি। আমরা জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা মাথায় রেখে আগামী দিনগুলোতে এগোতে চাই।’’ তিনি দেশজুড়ে তরুণ ও সকল বয়সী মানুষকে এনসিপির হাত শক্তিশালী করতে এবং দলে যোগদানের আহ্বান জানান।

    নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, বাংলাদেশের সামনে নতুন কোনো স্বৈরতন্ত্রের উদ্ভব যাতে বন্ধ থাকে—তার জন্য তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। জনগণ যে সংস্কারের পক্ষে গণভোট দিয়ে মত দিয়েছে, সেই রায় বাস্তবায়ন করতে হবে এবং মানুষকে তাদের অধিকার ফেরত দিতে হবে।

  • জাতীয় নারীশক্তির ৫৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

    জাতীয় নারীশক্তির ৫৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে ৫৩ সদস্যের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা আজ শনিবার প্রকাশ করা হয়েছে। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশ ও অনুমোদনক্রমে এই নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    গত ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ করে জাতীয় নারীশক্তি। সেই সময়ে আহ্ব্যকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন মনিরা শারমিন, সদস্যসচিব হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল মাহমুদা আলম মিতুর নাম এবং মুখ্য সংগঠক হিসেবে রাখা হয়েছিল নুসরাত তাবাসসুমকে।

    শনিবার প্রকাশিত কমিটির ঘোষণা অনুযায়ী সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সানজিদা বুশরা মিশমা। যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে আছেন হাফসা জাহান, নাবিলা তাসনিদ, খন্দকার খালেদা আক্তার, আশরেফা খাতুন এবং মুনা হাফসা।

    সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পান মঞ্জিলা ঝুমা। যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে নাম করা হয়েছে দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি, নাহিদা বুশরা, কাজী আয়েশা আহমেদ, নীলা আফরোজ, মাহমুদা রিমি এবং ইসরাত জাহান বিন্দু।

    যুগ্ম মুখ্য সংগঠকের দায়িত্বে আছেন ইশরাত জাহান, উরসী মাহফিলা, সাদিয়া আফরিন, জয়ন্তী বিশ্বাস, সোনিয়া লুবনা, নাফিসা মুশতারী ও নাদিয়া ইসলাম মিম।

    এছাড়া কমিটিতে রেহনুমা রুমা, ফারজানা আক্তার, মনি মুক্তা, সেজুতি আক্তারসহ আরও ৩০ জনকে সংগঠক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    সংগঠনটি জানিয়েছেন, গঠিত কমিটি আগামী দিনে নারী-সক্ষমতা, সংগঠনগত কার্যকারিতা বাড়ানো এবং স্থানীয় ও জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করবে।

  • এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংকের চুক্তি: ক্ষুদ্র-মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে স্বল্প সুদে ঋণ

    এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংকের চুক্তি: ক্ষুদ্র-মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে স্বল্প সুদে ঋণ

    দেশের কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (CMSME) শিল্পকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংকের মধ্যে একটি পুনঃঅর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সরকারের ৩০০ কোটি টাকার ‘রিভলভিং ফান্ড’ এবং ক্রেডিট হোলসেলিং নির্দেশিকা অনুযায়ী তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

    রাজধানীতে আয়োজিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্প, বাণিজ্য ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বলেন, এমন উদ্যোগ তৃণমূল পর্যায়ে কর্মসংস্থান ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াবে।

    চুক্তি অনুযায়ী প্রাইম ব্যাংক যোগ্য উদ্যোক্তাদের বার্ষিক সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে। ঋণের পরিমাণ প্রতিষ্ঠানভেদে ন্যূনতম ১ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যাবে। আর্থিক বোঝা কমাতে সর্বোচ্চ চার বছরের মেয়াদ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড রয়েছে—এই সময়ে ঋণগ্রহীতা কিস্তি শুরু করার আগে ব্যবসা থেকে আয় বাড়ানোর সুযোগ পাবেন।

    আগ্রাসী অন্তর্ভুক্তি নীতির অংশ হিসেবে তহবিলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নারী উদ্যোক্তা এবং নির্দিষ্ট শিল্প ক্লাস্টারে কর্মরত উদ্যোক্তাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তদুপরি, আইসিটি খাতের তরুণ উদ্ভাবক, আমদানি-বিকল্প পণ্য উৎপাদনকারী শিল্প এবং জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ ও সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলের উদ্যোক্তাদেরও বিশেষ অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

    ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে কোনো আনুষ্ঠানিক জামানত বা স্থাবর সম্পত্তি বাধ্যতামূলক না থাকায়, যারা প্রচুর সম্পদ রাখেন না তাদের কাছেও ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য সহজে মূলধন সংগ্রহের সুযোগ তৈরি হবে। এই সুবিধা ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ে বিশেষ করে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য দরোজা খুলে দেবে।

    এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংকের শীর্ষ নেতৃত্ব চুক্তিটির মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব প্রত্যাশা করেছেন। তারা বলেন, এ কর্মসূচি কেবল ঋণ প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি উৎসাহিত করে টেকসই শিল্পায়ন এবং দেশ ফিরে আসা অভিবাসীদের উৎপাদনশীল কর্মসংস্থানে যুক্ত করার মতো উদ্যোগও এতে অন্তর্ভুক্ত।

    প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. নাজিম এ. চৌধুরী এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসাইন চৌধুরী উভয়েই জোর দিয়ে বলেন যে, এই কৌশলগত অংশীদারিত্ব কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং দেশের CMSME খাতের সামগ্রিক সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।

    এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ছোট ও মাঝারি উদ্যোগগুলো দ্রুত সম্প্রসারণের সুযোগ পাবে, আর তাতে অন্তত মাঝারি মেয়াদে পণ্যের বহুগুণ বৃদ্ধি, দক্ষতার উন্নতি ও স্থানীয় কর্মসংস্থান বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

  • এসএসসি পরীক্ষা: সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র গ্রহণকারীর তথ্য দাখিলের ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশ

    এসএসসি পরীক্ষা: সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র গ্রহণকারীর তথ্য দাখিলের ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশ

    ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে কেন্দ্রগুলোর কাছে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনাকে ‘অতীব জরুরি’ বলা হয়েছে।

    বোর্ড নির্দেশ করেছে যে প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে থাকা সিসি ক্যামেরার আইডি ও পাসওয়ার্ড এবং ট্রেজারি থেকে প্রশ্নপত্র গ্রহণ করার দায়িত্বে যারা নিয়োজিত থাকবেন তাদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরসহ আরও প্রাসঙ্গিক বিস্তারিত তথ্য নির্ধারিত ইমেইল ঠিকানায় আজ (রোববার) অফিস সময়ের মধ্যে পাঠাতে হবে।

    নির্দেশনায় বলা হয়েছে এসব তথ্য দ্রুত এবং যোগ্যভাবে পাঠানো জরুরি, যাতে কেন্দ্র পর্যায়ে পরীক্ষা পরিচালনা ও নজরদারির কাজে কোনো ঘাটতি না থাকে। কেন্দ্রগুলোকে বলা হয়েছে যে ইমেইলে পাঠানো তথ্য সঠিক ও হালনাগাদ হবে এবং প্রয়োজনে বোর্ড তা যাচাই করবে।

    শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার শুরু আগামী ২১ এপ্রিল। প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা সমাপ্ত হবে ২০ মে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জুন থেকে চলবে ১৪ জুন পর্যন্ত।

    কেন্দ্রসমূহকে নির্দেশনা মেনে তথ্য দ্রুত পাঠানোর জন্য শিক্ষা বোর্ডের অনুরোধ করা হয়েছে, যাতে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হতে পারে।

  • তেল আবিবে হাজারো বিক্ষোভ: নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবি

    তেল আবিবে হাজারো বিক্ষোভ: নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবি

    ইসরায়েলের তেল আবিবে শনিবার (১৮ এপ্রিল) হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার সরকারের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিক্ষোভে অংশ নেওয়া রাফায়েল পিনাইনা বলেন, “নেতানিয়াহু আমাদের সমাজকে ভিতর থেকেই ধ্বংস করছেন এবং ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশের সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করছেন। তাই আমি এই প্রতিবাদে এসেছি।” তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এখনও দু’টি ইস্যুতে মতবিরোধ কাটেনি। এখানে যারা আসছেন তারা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সরকারের কাছে গত ৭ অক্টোবর এবং পরে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করছেন। আমাদের সবারই সত্য জানার অধিকার আছে।”

    সমাজকর্মী লি হফম্যান-আজিভ জানান, তিনি প্রধানত ৭ অক্টোবরের পর থেকে চলা সহিংসতা ও যুদ্ধে প্রিয়জন হারানো পরিবারগুলোকে সহায়তা ও সমর্থন জানাতে এসেছে। তিনি বলেন, “এরা লড়াইয়ে নিজেদের প্রিয়জন হারিয়েছে, তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

    আরেক বিক্ষোভকারী হাইম ট্রিভ্যাক্স বলেন, “লেবানন ও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করা ভুল ছিল। নেতানিয়াহু দেশের স্বার্থেই নয়—বরং জেল থেকে বাঁচার স্বার্থে এসব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।”

    প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারীরা সরকারের নীতিনির্ধারণ ও নিরাপত্তা ব্যর্থতার জন্য সমালোচনা করেছেন এবং আরও স্বচ্ছতা ও স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। হতাপৰস্ত অনেক মানুষ বলেন, সত্য উঠে এলেই দেশিই সামনের পথে এগোতে পারবে।

  • শত্রুর মোকাবিলায় এক চুলও ছাড় নেই: ইরানের সেনাপ্রধান

    শত্রুর মোকাবিলায় এক চুলও ছাড় নেই: ইরানের সেনাপ্রধান

    ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আমির হাতামি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথের নিরাপত্তা রক্ষায় জীবনভর লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। রোববার (১৯ এপ্রিল) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ইরানি সেনাবাহিনী শত্রুর যেকোনো আগ্রাসন প্রতিরোধে শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়াই করার জন্য প্রস্তুত।

    হাতামি জানান, দেশের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি শাখা শত্রুর সম্ভাব্য কোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে দ্রুত, চূড়ান্ত ও কার্যকর জবাব দিতে সজাগ রয়েছে। তিনি সামরিক সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি ও আধুনিকীকরণে গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, এটি দেশের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নিশ্চিতে অপরিহার্য।

    তিনি সেনাবাহিনীর মানসিকতা সম্পর্কে আশাব্যক্ত করে বলেন, ইরানি সেনারা ত্যাগের মনোভাব ও জিহাদি চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন এবং এই অঙ্গীকার অটল রয়েছে। সেনাপ্রধান আরও যোগ করেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো আপস হবে না — প্রতিটি সেনার আঙুল এখন অস্ত্রের ট্রিগারে এবং মাতৃভূমির জন্য জীবন উৎসর্গে তাদের মধ্যে কোনো দ্বিধা নেই।

    আইনি ও কূটনৈতিক চাপ, আঞ্চলিক উত্তেজনা ও বহিরাগত হুমকির প্রেক্ষাপটে ইরানের এই কঠোর অবস্থান এবং সতর্কবার্তা আরোপ করা হয়েছে।

    সূত্র: আলজাজিরা।