অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগ বিগ ব্যাশে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায় যোগ হলো। যেখানে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক হয়েছিল সাকিব আল হাসানের। দুই মৌসুমে তিনি দুটি দলের হয়ে মোট নয়টি ম্যাচে অংশগ্রহণ করেন এবং অসাধারণ পারফরমেন্স দেখিয়ে ছিলেন। তবে এবার নতুন একটি বাংলাদেশি ক্রিকেটার, রিশাদ হোসেন, তারকা হয়ে উঠেছেন এই লিগে। তিনি চলমান মৌসুমে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অভিষেকের পাশাপাশি একটি অবিস্মরণীয় রেকর্ডই গড়েছেন।
Month: January 2026
-

৭-০ গোলে জয়লাভ বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল আগেই এশীয় কাপের চূড়ান্ত পর্বে নিজেদের স্থান নিশ্চিত করেছে। নারী ফুটবল লিগে রাজশাহী স্টার তাদের প্রথম দুটি ম্যাচেই জয় অর্জন করেছে। তবে এই দুই ম্যাচে দলের তারকা फीটবল তারকা ঋতুপর্ণা চাকমা গোল করতে পারেননি। তবে শনিবার অনুষ্ঠিত মুখোমুখি मुकाबলে সানজিদার পুলিশ এফসির বিরুদ্ধে রাজশাহী ৭-০ গোলে বিশাল জয় পেয়েছে। এই ম্যাচে জোড়া গোল করে দলের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন ঋতুপর্ণা। শনিবারের আরেকটি ম্যাচ ছিল তুর্কমেনিস্তানের বিপক্ষে, যা মূলত এক ধরনের আনুষ্ঠানিকতা। তবে বাংলাদেশ খুবই গুরুত্ব সহকারে খেলেছিল এবং ৭-০ গোলে জয়লাভ করে বাছাই উত্তীর্ণ হয়। এদিনের লিগে মোট পাঁচটি ম্যাচ ছিল। সন্ধ্যা সাতে শেষ ম্যাচটি ছিল পুলিশ ও রাজশাহী স্টারদের মাঝে। দুই দলের বেশ কিছু জাতীয় ফুটবলার থাকায় এ ম্যাচটি হওয়া প্রত্যাশিত ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। ৯ ও ১২ মিনিটে ঋতুপর্ণা জোড়া গোল করে রাজশাহীকে ২-০ লিড এনে দেন। প্রথমার্ধ শেষে এই ব্যবধান হয়। দ্বিতীয়ার্ধে রাজশাহী আরও পাঁচ গোল যোগ করে। এই বাছাইপর্বে মোট আটটি গ্রুপ ছিল, যেখানে প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দলই পরবর্তী মূল পর্বে খেলবে। বাংলাদেশ ‘সি’ গ্রুপে টানা তিন ম্যাচ জিতেছে এবং ৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। এই তিন ম্যাচে তারা ১৬ গোল করেছে, তবে প্রতিপক্ষের জালে বল প্রবেশের সংখ্যা ছিল মাত্র একবার, সেটিও মিয়ানমারের বিরুদ্ধে। গত দুই আসরের বাছাইপর্বে বাংলাদেশের কোনও জয় না থাকলেও এবার তারা বড় সাফল্য অর্জন করেছে। বিশেষ করে শক্তিশালী ও অভিজ্ঞ মিয়ানমার দলকে হারানো বাংলাদেশ দলের উন্নতির প্রমাণ দেয়। শনিবার তুর্কমেনিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে প্রথমেই বাংলাদেশ ৭-০ গোলে এগিয়ে যায়। স্বপ্না রানী ৩ মিনিটে প্রথম গোল করেন। এরপর শামসুন্নাহার ৬ ও ১৩ মিনিটে দুটি করে গোল করেন। ১৬ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে মনিকা, ঋতুপর্ণা ও তহুরা খাতুন গোল করেন। ৪২ মিনিটে ঋতুপর্ণা দ্বিতীয় গোলটি করেন এবং স্কোর করেন ৭-০, যা ম্যাচের দুর্দান্ত এক জয়। দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনও গোল হয়নি, তবে পুরো ম্যাচটাই ছিল একপেশে। এই জয় বাংলাদেশের মেয়েদের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন এক শক্ত বার্তা। এর আগে তারা বাহরাইনের বিরুদ্ধে ৭-০ গোলের জয় পেয়েছিল। সমান ধারাবাহিকতায় এই জয়ও গুরুত্বপূর্ণ। আজ (রোববার) বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল মিয়ানমার থেকে রওনা দেবে এবং রাতেই দেশে ফিরবে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) জানিয়েছে, দেশে ফেরার পর মধ্যরাতে দলকে সংবর্ধনা দেয়া হবে। নারী ফুটবলের এই লিগে শনিবারের অন্যান্য ম্যাচে জয় পেয়েছে ফরাশগঞ্জ, সদ্য পুষ্করণী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং আনসার ভিডিপি। গতকাল চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচ ছিল। দিনের প্রথম ম্যাচে আনসার ভিডিপি উমহেলা মারমাকে ৫-০ গোলে পরাজিত করে। গত লিগের চ্যাম্পিয়ন নাসরিন স্পোর্টিং একাডেমি হেরেছে। তবে গতকালের ম্যাচে তারা একটি গোল দিয়ে প্রতিশোধ নেয়। পরবর্তীতে তারা ১৮ গোলের বড় জয়ও রেকর্ড করে। উন্নতি খাতুন ডাবল হ্যাটট্রিক করে ম্যাচ সেরা হয়েছেন। অন্যদিকে, সদ্য পুষ্করণী ৭-০ গোলে ঢাকা রেঞ্জার্সকে পরাজিত করে। সেখানে লিডার হিসেবে ঝিনুক চার গোল করেন এবং ম্যাচ সেরা হন। অপর ম্যাচে ফরাশগঞ্জ ৯-০ গোলে সিরাজ স্মৃতিকে হারায়। শামসুন্নাহার জুনিয়র চার গোল করে ম্যাচ সেরা হন, যেখানে মারিয়া মান্দাও হ্যাটট্রিক করেন।
-

ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ: বিসিবি সভাপতি
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে মানে দেশ থেকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানের ব্যাপারে। তিনি ভারত যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলছেন না বলে দেশবাসীর কাছে এক স্পষ্ট বার্তা পাঠিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তের পেছনে প্রধান কারণ হলো, বিসিবি দুই দফা আইসিসিকে লিখিতভাবে জানিয়েছে তারা চাইছে, এই বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো যেন শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করা হয়, কারণ নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি রয়েছে বলে তারা দাবি করছে। এই চিঠিগুলোর মাধ্যমে তারা পরিষ্কারভাবে বলেছে, এটি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের বিষয়। কিন্তু তারপরও এখনও আইসিসি থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি। এখন প্রশ্ন উঠেছে, ভেন্যু পরিবর্তন হয় কি না বা দেশের সিদ্ধান্তের পক্ষে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা, কি হবে যদি শেষ পর্যন্ত ভারতে বিশ্বকাপ আয়োজন না হয়? এই ব্যাপারে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, চিঠির কোনো উত্তর এখনো পাইনি। তবে তারা দেশের স্বার্থে আপস না করার সিদ্ধান্তে অনড়। তিনি আরও জানান, এই বিষয়ে তারা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করছে এবং আগামী সোমবার বা মঙ্গলবারের মধ্যে তারা কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা এখনো আমাদের দেওয়া চিঠির কোনও উত্তর পাইনি। আমাদের যা জানানো দরকার, তা দিয়ে এসেছি। দেশের স্বার্থে আপস না করার সিদ্ধান্তে থাকবো।’ শেষ পর্যন্ত যদি আইসিসি ভেন্যু স্থানান্তর না করে, তবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে। এই প্রশ্নের জবাবে বুলবুল জানান, ‘আইসিসি থেকে চিঠি না আসা পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। আমরা কেবল অপেক্ষা করছি এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেব।’
-

উত্তাল ইরানে আকাশপথে বড় হামলার পরিকল্পনা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বিরুদ্ধে দেশজুড়ে চলছে ব্যাপক বিক্ষোভ। এই পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই এই ইঙ্গিত দিয়েছেন। বর্তমানে মার্কিন সেনারা ইরানে বেশ কিছু প্রাথমিক হামলার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। বেশ কিছু সম্ভাব্য লক্ষ্যচিহ্নিত করেছে তারা, বিশেষ করে আকাশপথে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। মার্কিন নিউজমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল সরকারি সূত্রের বরাতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
-

ইরানে মার্কিন হস্তক্ষেপের আশঙ্কায় ইসরায়েল সর্বোচ্চ সতর্কতায়
ইরানে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পরিস্থিতিতে, যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে ইসরায়েল। এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তিনটি ইসরায়েলি সূত্র জানিয়েছে যে, দেশটি এখন কঠোর সতর্কতায় রয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
সম্প্রতিক দিনগুলোতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কয়েকবার হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন এবং ইরানের শাসকদের বলিয়েছেন, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ না করতে। গত শনিবার তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘সহায়তা দিতে প্রস্তুত’।
সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত ইসরায়েলি নিরাপত্তা বৈঠকে উপস্থিত কিছু সূত্র পৃথকভাবে জানিয়েছে, এই উচ্চ সতর্কতা আসলে কী বোঝায়, তা সুনির্দিষ্টভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেননি। উল্লেখ্য, জুন মাসে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিন চলা এক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে যেখানে, যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালায়।
গত শনিবার একজন ইসরায়েলি সূত্র জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাঁদের আলোচনা করেছেন ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে। তবে, এক মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, এই দুই নেতা কথোপকথন করেছেন, কিন্তু আলোচনার বিশদের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
এদিকে, ইরানে চলমান বিক্ষোভের মধ্যেও ইসরায়েল এখন পর্যন্ত সেখানে সরাসরি হস্তক্ষেপের কোনো আগ্রহ প্রকাশ করেনি। তবে, ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে অঞ্চলটি উদ্বিগ্ন থাকায় দুই চিরশত্রুর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে।
নেতানিয়াহু সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, যদি ইরান ইসরায়েল লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তবে এর ফলাফল ভয়াবহ হবে। তিনি বিক্ষোভের প্রসঙ্গ কিছু বলতে গিয়ে বলেছেন, ‘বাকি সব বিষয়ে, আমি মনে করি, আমাদের ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি দেখতেই হবে।’
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হামলার বিভিন্ন বিকল্প প্রস্তুত করা হয়েছে—এমন তথ্য জানিয়েছেন মার্কিনী কর্মকর্তারা। অর্থাৎ, ইরানের বিরোধিতা দমন করতে যুক্তরাষ্ট্র কি সামরিক হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, তবে ট্রাম্পের সামনে বেশ কিছু বিকল্প উপস্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে, তেহরানের নিকটবর্তী বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর ওপর হঠাৎ করে হামলার পরিকল্পনাও রয়েছে।
প্রস্তুতি নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠছে, তখন হোয়াইট হাউস মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইতিমধ্যেই প্রকাশ্য ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া বক্তব্য তুলে ধরছে। গত শনিবার ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘ইরান হয়তো ইতিহাসে কখনো না দেখা স্বাধীনতার মুখোমুখি হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করতে প্রস্তুত!!!’
-

বাংলাদেশ আমাদের জন্য সতর্কবার্তা: যোগী আদিত্যনাথ
ভারতের উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, জাতি, উপাসনা পদ্ধতি বা ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন আমাদের জন্য খুবই বিপজ্জনক এবং ধ্বংসের কারণ হতে পারে, ঠিক যেমনটি বর্তমানে বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে। তিনি এই বক্তব্য গতকাল শনিবার জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশ আমাদের জন্য এক শক্তিশালী সতর্কবার্তা, যেখানে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের কারণে সমাজে অনেকে পর্যুদস্ত হয় এবং সম্প্রীতি খর্ব হয়। ভারতের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রয়াগরাজে মাঘ মেলার এক অনুষ্ঠানে যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ঘটনায় কারো কিছু বলার প্রয়োজন নেই। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ভিন্নমত দমনে সক্রিয়, তারা হিন্দু সমাজ ও মনোভাবকে ভেঙে ফেলার জন্য সব শক্তি দিয়ে লড়ছে। কিন্তু বাংলাদেশের পরিস্থিতি দেখে মনে হয়, যেন তাদের মুখে ফেভিকল আর টেপ লাগানো হয়েছে। এই বিষয়টি আমাদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা।’
তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা সমাজকে বিভক্ত করে তারা কখনোই মানুষের শুভেচ্ছা অর্জন করতে পারে না। যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ‘যখন আমি ক্ষমতায় ছিলাম, তখন এই ব্যক্তিরা নিজের পরিবারের বাইরে কিছু ভাবত না। তারা আবার নানা স্লোগান দেবে, কিন্তু সুযোগ পেলে সেভাবে কাজ করবে।’
মাথা তুলে তিনি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যাতে তাদের সেই সব কাজের পুনরাবৃত্তি না হয়। ডাবল-ইঞ্জিন সরকার সবসময় সনাতন ধর্মের শক্তি বৃদ্ধির জন্য পাশে থাকবে। বিভাজনকারীদের কখনোই আমাদের দুর্বল করতে দেওয়া হবে না। যদি আমরা এই সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাই, ভবিষ্যৎ হবে সনাতন ধর্মের। যেমন রামমন্দিরের পতাকা সারা বিশ্বে উড়ছে, তেমনি সনাতন পতাকা উঠবে বাংলাদেশেও; তখন কোনো দমটি সাহস করবে না যেন দুর্বল কিংবা দলিত হিন্দুদের ওপর আঘাত হানার।’
তিনি আরও দাবি করেন, সন্ন্যাসী এবং সাধুরা সমাজের ঐক্য সৃষ্টি করেন। তাঁর কথায়, ‘অযোধ্যায় বিশাল রাম মন্দির নির্মাণের পেছনে রয়েছে শ্রদ্ধেয় সাধু-সন্তদের ঐক্য। ১৯৫২ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের পর দেশ অনেক নেতা দেখেছে, কিন্তু অযোধ্যার মূল ভাবনা ছিল রাম লাল্লা পুনঃপ্রতিষ্ঠার। এই আবেগকে বাস্তবে রূপদান করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।’
-

ভারত নির্মাণ করছে নিউ নৌঘাঁটি, নজরে বাংলাদেশ ও চীন
ভারত পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়ায় একটি নতুন নৌঘাঁটি নির্মাণ করতে যাচ্ছে, যা বাংলাদেশ ও চীনের কার্যকলাপের ওপর নজরদারি বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ভারতের নৌবাহিনীর বেশ কিছু শীর্ষ কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, সম্প্রতি বঙ্গপোসাগরের উত্তরপাশে চীনা নৌসেনার তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটি এই পরিকল্পনা নিচ্ছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সামরিক সম্পর্কের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তারা সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান সফর করেছেন। এসব বিষয়কে বিবেচনায় রেখে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই নতুন নৌঘাঁটির নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
-

সিরিয়ার আলেপ্পো থেকে কুর্দি বিদ্রোহীদের সরিয়ে নেওয়া সম্পন্ন
সিরিয়ার আলেপ্পো শহর থেকে দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে আসা কুর্দি বিদ্রোহী গোষ্ঠী সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) আজ রোববার অবশেষে সরে দাঁড়িয়েছে। কয়েকদিন ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর, একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতার মাধ্যমে এই স্থানান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে স্থানীয় রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আখবারিয়া জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে সিরিয়ায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আলেপ্পোর বিভিন্ন পকেট এলাকায় কুর্দি বাহিনীর দখল ছিল। এই সরে যাওয়ার মাধ্যমে মূলত সেই সব এলাকা থেকে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে, উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার বিশাল এক অংশে কুর্দি পরিচালিত আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এখনও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
এসডিএফের কমান্ডার মজলুম আবদি সোশ্যাল মিডিয়াতে এক পোস্টে জানিয়েছিলেন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় তারা যুদ্ধবিরতিকে সমর্থন করেছেন। এ ছাড়া, তারা আলেপ্পোর আশরাফিয়াহ ও শেখ মাকসুদ এলাকাগুলোর নাগরিক এবং যোদ্ধাদের নিরাপদে উত্তর ও পূর্ব সিরিয়ায় সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও সম্মত হয়েছেন।
আলেপ্পোর এই সংঘর্ষ সিরিয়া সংকটকে আরও তীব্র করেছে। ১৪ বছর ধরে চলা এই যুদ্ধের পর দেশটি এক কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অধীনে একত্রিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা, তবে কুর্দি বাহিনীর আস্থাহীনতা ও বাধা তাদের সেই লক্ষ্যে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্বশক্তির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের তরফ থেকেও এই যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানানো হলেও, কুর্দি একটি ঘাঁটি ছেড়ে যাওয়ার বিষয়ে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। সিরিয়ার সেনাবাহিনী তখন ঘোষণা দেয়, তারা এলাকাটিকে পরিষ্কার করতে স্থল অভিযান চালাবে। শনিবার, সিরিয়ার সেনারা ওই এলাকা পরিপাটি করে তল্লাশি চালায়।
রয়টার্সের সাংবাদিকরা দেখেছেন, কয়েক ডজন পুরুষ, নারী ও শিশু পা দিয়ে হেঁটে ওই এলাকা থেকে বেরিয়ে আসছেন। সিরিয়ার সেনারা তাদের বাসে তুলে নিতে শুরু করেছে এবং জানাচ্ছে যে, ভয়ানক পরিস্থিতি থেকে নিরাপদে আশ্রয়শিবিরে নিয়ে যাওয়া হবে। ইতিমধ্যে, এক লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ এই সংঘাতের কারণে ঘরছাড়া হয়েছে।
সফর বেশিরভাগ সশস্ত্র ব্যক্তিকে বাসে করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় আনোয়ার করা হয়েছে। সিরিয়ার নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বলছেন, তারা এসব ব্যক্তিকে কুর্দি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী বা আসাওয়িশের সদস্য হিসেবে শনাক্ত করেছেন, এবং মনে করছেন তারা আত্মসমর্পণ করেছেন। তবে আসাওয়িশের পক্ষ থেকে এই দাবি অস্বীকার করে বলা হয়েছে, ওই সব ব্যক্তির মধ্যে কোনও যোদ্ধা নেই; সবাই নিছক জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত সাধারণ মানুষ।
শনিবার দামেস্কে আল-শারার সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন দূত টম বারাক সব পক্ষকে সংযম ধারণের এবং অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর দল এই সংকট সমাধানে মধ্যস্থতায় প্রস্তুত। এর আগেও মার্কি বারাক বলেছিলেন, চুক্তির আওতায় আলেপ্পো থেকে সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাহার দেখা যাবে।
বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, আলেপ্পো থেকে কুর্দি যোদ্ধাদের কিছু দল গোপনে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তাদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন। বেশ কয়েকজন কমান্ডার ও তাদের পরিবারকে গত শুক্রবার রাতে উত্তর-ইস্ট সিরিয়ায় মোতায়েন করা হয়।
তুরস্কের সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে, কুর্দি গোষ্ঠীর মাঝে বিভাজনের অবস্থা তৈরি হয়েছে। তারা বেশ কয়েকজন সিনিয়র কুর্দি কর্মকর্তার(contact) সঙ্গে যোগাযোগ করে আলোচনা চালাচ্ছে, যেখানে ইলহাম আহমদ ও মজলুম আবদিকে সামনে আনা হয়েছে। তবে, কিছু কুর্দি নেতা লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
আখবারিয়া টিভির খবরে বলা হয়েছে, আলেপ্পোর শেখ মাকসুদ এলাকার এক হাসপাতালে কুর্দি যোদ্ধারা অস্ত্র ফেলে রেখে রোববার বিতাড়নের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এসডিএফ আগে দাবি করেছিল, তারা সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তুমুল লড়াই চালাচ্ছে এবং হাসপাতালসহ নানা বেসামরিক অবকাঠামোতে ব্লিচিং বোমা হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে সাধারণ মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল।
তারা আরও জানায়, তুর্কি ড্রোন এই হামলায় ব্যবহার হয়েছে। তবে তুর্কি কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তাদের অভিযান শেষ হয়ে গেছে, তাই আর কোনো সহায়তার প্রয়োজন নেই। সিরিয়ার সেনাবাহিনীরও অভিযানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে এবং এসডিএফের বিরুদ্ধে আলেপ্পো শহরে ড্রোন দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে, যা তারা নাকচ করে দিয়েছে।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দীর্ঘদিনের নেতা বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য বিদ্রোহী গ্রুপ গড়ে ওঠার পর, সিরিয়ার নতুন সরকারে এই দলগুলো অন্তর্ভুক্ত হবে বলে ধারণা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন অঅঞ্চলের নেতৃত্বের মধ্যে ঐক্য তৈরি হওয়ার অভাবে আলোচনাগুলো দীর্ঘদিন স্থবির থাকে। এরই মধ্ ে এই সংঘর্ষ আবার শুরু হয়েছে, যেখানে কমপক্ষে নয়জন সাধারণ নাগরিক মারা গিয়েছেন। এই সংঘর্ষ ভবিষ্যতে আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, কারণ বিভিন্ন অঞ্চলে নানা সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চলছে।
অলেপ্পোতে এই লড়াইয়ের প্রভাবে তুরস্কের সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ পথ ও শিল্পাঞ্চলের কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। সিরিয়ার বিমানবন্দরের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আলেপ্পো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও বন্ধ থাকবে।
-

তাঁর দৃঢ় ও ত্যাগী নেতৃত্ব জাতিকে বারবার মুক্তির পথে অনুপ্রাণিত করেছে : মঞ্জু
বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বারবার নতুন প্রেরণা পেয়েছে উল্লেখ করে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও ভোটাধিকার রক্ষায় খালেদা জিয়ার আপোষহীন ও সাহসী ভূমিকা দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর দৃঢ় ও ত্যাগী নেতৃত্ব দেশের মানুষকে বারবার মুক্তির পথে অনুপ্রাণিত করেছে। বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি ছিলেন দেশের সাধারণ মানুষের জন্য একজন অভিভাবকের মতো। দেশের স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় তাঁর মহান অবদান দেশের ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শনিবার বিকেলে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ আয়োজনে মালঞ্চ মোড়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। সভায় সভাপতিত্ব করেন নেত্রকোণা জেলা বিএনপি সভাপতি মেহেদী হাসান সোহাগ, পরিচালনা করেন ইয়াসিন শেখ ও হাবিব খান। পরে মহানগর মহিলা দলের উদ্যোগে মহানগর দলীয় কার্যালয়ে মরহুমার রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেন তিনি। এর পরে এশা নামাজের পরে ২৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের যৌথ আয়োজনেও ওয়াড কাউন্সিলর কার্যালয়ে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, এতে সভাপতিত্ব করেন নজরুল ইসলাম বাবু এবং পরিচালনা করেন শরিফুল ইসলাম সাগর। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ দেশবাসী এখন নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসকদের পতনের পর দেশের কিছু দুষ্কৃতকারী আবারও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দেশে নৈরাজ্য এর সুযোগ নিতে চাচ্ছে। সকল রাজনৈতিক দল, পেশা ও শ্রেণির মানুষকে একযোগে থেকে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও দেশের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’ বেশি উপস্থিত ছিলেন জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, কাজী মোঃ রাশেদ, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, মাহবুব হাসান পিয়ারু, ইউসুফ হারুন মজনু, আজিজা খানম এলিজা, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, রবিউল ইসলাম রবি, মহিউদ্দিন টারজান, আনিসুর রহমান আরজু, বাচ্চু মীর, মিজানুজ্জামান তাজ, শাহানুর কবির অয়ন, শরিফুল ইসলাম বাবু, ইকবাল হোসেন, হুমায়ুন কবির, সাইফুল বকসি, হাসনা হেনা, মাজেদা খাতুন, রোকেয়া ফারুক, হেদায়েত হোসেন হেদু, মুন্নি জামান, মনিরুল ইসলাম, সুলতান মাহমুদ সুমন, আবুল বাসার, শামীম আশরাফ, শামীম খান, এ আর রহমান, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সাইফুল মারকাত, রাজীব খান, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, মুশফিকুর রহমান অভি, ইমরান হোসেন, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, রাজিবুল আলম বাপ্পি, শামসুর নাহার লিপি, মাহমুদ হাসান মুন্না, সাজ্জাদ হোসেন, সোহেল খন্দকারসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ ব্যাপক উৎসাহ ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়েছেন।
-

তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফা ভিত্তিতে গড়ে উঠবে নতুন স্বনির্ভর বাংলাদেশ, বলে বকুল
খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও ধানের শীষের নেতা রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কঠিন সময়ে জীবনপণ লড়াই চালিয়ে গেছেন। তিনি নিজের সুখ-শান্তি বিসর্জন দিয়ে দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্রের মর্যাদার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। এই সাহসী ও আপোষহীন নেত্রীর অবদান আমাদের মূল্যবান ভোটের গুরুত্ব বাড়ায় এবং সেই ভোটের সঠিক ব্যবহার সফলতার চাবিকাঠি।
বকুল আরো বলেন, আগামী দিনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা করা ৩১ দফা ভিত্তিতে একটি নতুন, আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। এই ৩১ দফা শুধুমাত্র নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি নয়, এটি ভবিষ্যতের বাংলাদেশের জন্য একটি স্পষ্ট রূপরেখা। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, একটি মহলের গভীর ষড়যন্ত্রের কারণে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভেস্তে যাওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করতে হবে।
গতকাল শনিবার দুপুর ১টায় যোগিপোল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও ফুলবাড়িগেট বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মীর কায়সেদ আলী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা সোহাগ হোসেনের পরিচালনায়, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, খানজাহান আলী থানা বিএনপি সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাসসহ অনেকে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যোগিপোল ইউনিয়ন বিএনপির সভানেতা শেখ আলমগীর হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, ওয়েভ জুটমিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সরদার আল মাসুদ লিটন, সদস্যরা মোঃ শওকত হোসেন হিট্টু, মোড়ল আতাউর রহমান, শ্রমিক নেতা কাজী শহিদুল ইসলাম, ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা গোলাম কিবরিয়া, অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ আলমগীর হোসেন।
