Month: January 2026

  • সোনার প্রতি ভরি দাম রেকর্ডে—২২ ক্যারেট ছুঁল ২,৫২,৪৬৭ টাকা

    সোনার প্রতি ভরি দাম রেকর্ডে—২২ ক্যারেট ছুঁল ২,৫২,৪৬৭ টাকা

    একদিনের ব্যবধানে আবার দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ালো বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৮,৩৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এর ফলে ভালো মানের সোনার দাম বেড়ে ২২ ক্যারেটের জন্য প্রতি ভরি ২,৫২,৪৬৭ টাকা পৌঁছেছে—এটি দেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড।

    বাজুস জানায়, নতুন এই দাম আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। সমিতির তরফ থেকে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দর বাড়ায় স্থানীয় শুল্ক ও মার্কেট রেটে প্রভাব পড়েছে, যার ফলে দেশি বাজারেও মূল্য বাড়ানো প্রয়োজন হয়েছে।

    গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি’র তথ্য অনুযায়ী বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪,৮০০ ডলারের ওপরে উঠেছে। বিশ্বের বাজারে এ চাপ স্থানীয় দরেও সরাসরি প্রতিফলিত হয়েছে।

    নতুন মূল্যসূচি অনুযায়ী প্রতি ভরির দামগুলো হচ্ছে:

    22 ক্যারেট (ভালো মান) — ২,৫২,৪৬৭ টাকা

    21 ক্যারেট — ২,৪০,৯৭৮ টাকা

    18 ক্যারেট — ২,০৬,৫৬৯ টাকা

    সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি — ১,৬৯,৬৫৩ টাকা

    সোনার সঙ্গে সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। রুপার নতুন দামগুলো হলো:

    22 ক্যারেট প্রতি ভরি — ৬,৮৮২ টাকা

    21 ক্যারেট — ৬,৫৩২ টাকা

    18 ক্যারেট — ৫,৫৯৯ টাকা

    সনাতন পদ্ধতি — ৪,২০০ টাকা

    জুয়েলারি খাতে কার্যত প্রতিদিনের ওঠানামা থাকায় ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের জন্য দাম পরিবর্তনের খবর মুখ্য। বাজুসের ঘোষণায় গহনা ক্রেতা ও বিক্রেতারা আগামীদিনের বাজার মনিটর করার অনুরোধ করা হয়েছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রে শীতঝড়ে ১০ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল

    যুক্তরাষ্ট্রে শীতঝড়ে ১০ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল

    শীতকালীন ঝড়ের বিধ্বংসী আঘাতে শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মোট ১০ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, জানিয়েছে ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়্যার।

    ফ্লাইটঅ্যাওয়্যারের তথ্য অনুযায়ী উত্তর টেক্সাস ও ওকলাহোমায় শনিবারেই ৩,৪০০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। বিশেষ করে ডালাস-ফোর্ট ওর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় ৭৫ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল হতে দেখা গেছে। পাশ্ববর্তী ডালাস লাভ ফিল্ডে বাতিলের হার ছিল প্রায় ৬৪ শতাংশ, আর ওকলাহোমা সিটিতে বাতিলের হার পৌঁছেছে প্রায় ৯০ শতাংশে।

    রোববার বাতিলের সংখ্যা বাড়ে ও মোট প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণে পৌঁছে যায়—৬,৪০০টিরও বেশি ফ্লাইট বন্ধ ছিল ওইদিন। ঝড় পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে সরতে থাকায় এর প্রভাব পূর্বাঞ্চলীয় বিমানবন্দরগুলোকেও দেখিয়েছে। ওয়াশিংটন ডিসির রিগ্যান জাতীয় বিমানবন্দর থেকে রবিবার প্রায় ৯০ শতাংশ এবং উত্তর ক্যারোলিনার শার্লট-ডগলাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় ৭৩ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

    সোমবার পর্যন্তও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নাও এসেছিল—সোমবারই কয়েকশত ফ্লাইট ইতিমধ্যেই বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। বিমান সংস্থাগুলো বলছে, ঝড় শান্ত হলে তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের পুনর্বিন্যাস ও গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করবে।

    আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কেও সরকারি তথ্য রয়েছে। মার্কিন আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঝড়টি টেক্সাস থেকে নিউ ইংল্যান্ড পর্যন্ত ২,০০০ মাইলেরও বেশি বিস্তৃত এলাকায় তুষারপাত ও বিপজ্জনক বরফ ঝরাতে পারে। দক্ষিণ-মধ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তুষারপাত ও বরফের ঝুঁকি বাড়ছে এবং ঝড়টি ধীরে ধীরে পূর্বের দিকে ছড়াচ্ছে।

    ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রে জরুরি পরামর্শ—যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিমানবন্দরের ওয়েবসাইট বা আপনার এয়ারলাইনের মাধ্যমে ফ্লাইট স্ট্যাটাস যাচাই করুন এবং যাতায়াতের পূর্বে বিকল্প পরিকল্পনা রাখুন।

  • চীন-সহচর্য্যে হলে কানাডার ওপর ১০০% শুল্ক দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প

    চীন-সহচর্য্যে হলে কানাডার ওপর ১০০% শুল্ক দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থানীয় সময় শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সতর্ক করে বলেছেন, যদি কানাডা চীনের সঙ্গে নতুনভাবে বাণিজ্য চুক্তি করে তাহলে তিনি কানাডীয় পণ্যে একদমই ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। ট্রাম্প এই বার্তাটি সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বিবৃতিতে রেখেছেন।

    ট্রাম্প কানাডার সরকারকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, “কানাডাকে ব্যবহার করে চীন তাদের সস্তা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকিয়ে দেবে— যদি জাস্টিন ট্রুডো এমনটি মনে করেন তাহলে তিনি কঠোরভাবে ভুল বুঝেছেন।” তিনি আরও জানান, চীনের সঙ্গে চুক্তি হলে যুক্তরাষ্ট্রে কানাডিয়ান সকল পণ্যে তাৎক্ষণিকভাবে ১০০% শুল্ক আরোপ করা হবে।

    ট্রাম্পের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কানাডার তরফে কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে। কানাডার বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রী ডোমিনিক লেব্লাঙ্ক শনিবার এক্সে লিখেছেন, “কানাডা চীনের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্যের ব্যাপারে তৎপর নয়।” তিনি বলেন, গত সপ্তাহে চীনের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে তা শুল্ক সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সমস্যা সমাধান করে।

    লেব্লাঙ্ক বলেন, নতুন সরকার কানাডার অর্থনীতি মজবুত করতে কাজ করছে এবং দেশীয়-বিদেশি বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করাই তাদের উদ্দেশ্য।

    ট্রাম্প ইতিমধ্যে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বভার নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সময় কানাডীয় পণ্যে শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন এবং কড়া ভাষায় কানাডার বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন—কখনও কখনও কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে উল্লেখ করার মতো মন্তব্যও করেছেন।

    এই পরিতাপিত উত্তপ্ত মন্তব্য এবং প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক কেমন দিকে এগোবে তা নজরদারির বিষয় হয়ে উঠেছে। সূত্র: আলজাজিরা

  • মানুষ আমাদের হাস্যোজ্জ্বল মুখে স্বাগত জানাচ্ছে: মঞ্জু

    মানুষ আমাদের হাস্যোজ্জ্বল মুখে স্বাগত জানাচ্ছে: মঞ্জু

    খুলনা-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক ও সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল; মানুষের মনে দলের প্রতি আস্থা অটুট আছে। দীর্ঘদিন ভোট না হওয়ায় এবার নির্বাচনী পরিবেশকে কেন্দ্র করে ভোটারদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রচারণায় দল ব্যাপক সাড়া পাচ্ছে এবং মানুষ নেতাকেই হাস্যোজ্জ্বল মুখে গ্রহণ করছে — তারা চান জনবিচারে প্রমাণিত জনপ্রিয় দল বিএনপির প্রার্থীরা জিতুক।

    রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের রূপসা স্ট্যান্ড রোড, চানমারী বাজার, খ্রিস্টান পাড়া ও অন্যান্য স্থানে গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, ‘‘বিএনপি ১৬ বছর ধরে জনগণের দাবি আদায়ের সংগ্রামে রাজপথে ছিল। এখনও আমরা উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পাশাপাশি মানুষের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছি।’’

    মঞ্জু আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং তার অনুপস্থিতি নিয়ে এখনো জনগণের মধ্যে শোক कायम আছে। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের নেতা তারেক রহমান ১৭ বছর পর দেশে ফিরে এসেছেন এবং একটি সুপরিকল্পিত কর্মসূচি নিয়ে কাজ শুরু করেছেন।’’ মঞ্জু জানান এবারের নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে, উৎসবমুখর থাকবে এবং ভোট গ্রহণে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ভাবনা থাকার কথা নয়।

    গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসুচীতে উপস্থিত ছিলেন— অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মহিবুজ্জামান কচি, হাসানুর রশিদ মিরাজ, মাহবুব হাসান পিয়ারু, একরামুল হক হেলাল, শের আলম সান্টু, অ্যাডভোকেট মাসুম রশিদ, কেএম হুমায়ুন কবির, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, কামরান হাসান, আলমগীর কবির, মীর কবির হোসেন, সালাউদ্দিন বুলবুল, সওগাতুল ইসলাম, আলম হাওলাদার, নূরুল ইসলাম লিটন, মেহেদী হাসান লিটন, হাসিনা আকরাম, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, রোকেঢা ফারুক, সেলিম বড় মিয়া, স্বপন হাওলাদার, মাসুদ খান বাদল, সমির সাহা, আবু তালেব, এসএম আব্দুর রব, শাহআলম, ইয়াকুব আলী, মোহাম্মদ আলী, পারভেজ আলম খান, সিরাজ মোল্লা, মহিউদ্দিন মঈন, জাহান আলী, শাহাদাৎ গাজী, ফেরোজ আহমেদ, আল আমিন হক পাপ্পু, জিএম মুজিবর রহমান, মো. মুন্না, খালেক গাজী, খায়রুল আলম, হানিফ ফরাজী, শামসুর রহমান নিশান, মামুনুর রহমান, ফারুক হোসেন খান, ইউনুচ মোল্লা, আব্দুর রশিদ, আব্দুল করিম, আলাউদ্দিন আলম, শাহনাজ পারভীন রিক্তা, মামুন রেজা, নাজমা করিমসহ বিএনপি থানা, ওয়ার্ড ও অঙ্গদলের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ।

  • ঝিনাইদহে মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

    ঝিনাইদহে মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

    ঝিনাইদহের একটি আদালতে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের জামায়াত প্রার্থী ও ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন অ্যাডভোকেট আব্দুল আলীম। অভিযোগ সূত্রে বলা হয়েছে, আমির হামজা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তার সন্তান আরাফাত রহমান কোকোসহ কিছু ব্যক্তিকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন।

    আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে ঝিনাইদহ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সদর আমলি আদালতে মানহানির অভিযোগে মামলার আবেদন করে অভিযোগকারী আইনজীবী আব্দুল আলীম। আদালতের বিচারক মোখলেসুর রহমান অভিযোগ আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    মামলার বাদী আব্দুল আলীম বলেন, মুফতি আমির হামজা বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তাদের সন্তান আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে আপত্তিকর, অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তার বক্তব্য জিয়া পরিবারের সম্মানসহ বিএনপি ও তাদের সমর্থকদের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছে—এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং ন্যায়বিচার প্রত্যাশায় মামলাটি করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই আইনগতভাবে আমির হামজার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

    প্রসঙ্গত, মুফতি আমির হামজার বিবাদিত মন্তব্যের একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত ভাইরাল হয়। ক্লিপটি ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই বিব্রতবোধ করলে মুফতি আমির হামজা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দুঃখ প্রকাশ করে একটি স্ট্যাটাস দেন এবং একই সঙ্গে আরাফাত রহমান কোকোর জন্য জান্নাত কামনা করেন।

    মামলা দায়ের হওয়ায় পিবিআই এর তদন্ত এবং পরবর্তী স্তরে আদালতের কার্যক্রম কী হবে—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও তদন্তের ফল প্রাপ্ত হলে তা অনুসরণ করে জানা যাবে।

  • আইসিসিকে কড়া অভিযোগ: আফ্রিদি ও ইউসুফ বললেন বাংলাদেশের প্রতি ‘দ্বৈত মান’

    আইসিসিকে কড়া অভিযোগ: আফ্রিদি ও ইউসুফ বললেন বাংলাদেশের প্রতি ‘দ্বৈত মান’

    পাকিস্তানের সাবেক দুই অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ ইউসুফ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-কে বাংলাদেশের সঙ্গে নিষ্ঠুর ও অসঙ্গত আচরণের অভিযোগ করেন। তারা বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া সিদ্ধান্তে দ্বৈত মান দেখা যাচ্ছে এবং সেটি ন্যায়সঙ্গত নয়।

    আফ্রিদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে তার গভীর হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির বিষয়ে ভারতের পাকিস্তান সফর না করার সিদ্ধান্তে আইসিসি যে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ মেনে নিয়েছিল, তার সঙ্গে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যে আচরণ দেখা যাচ্ছে সেটির তুলনা টানেন। আফ্রিদি লেখেন, ‘বাংলাদেশে এবং আইসিসি ইভেন্টে খেলা একজন সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে আমি আজ আইসিসির এই অসঙ্গত আচরণে গভীরভাবে হতাশ। … বাংলাদেশের খেলোয়াড় ও তাদের কোটি কোটি সমর্থক সম্মান পাওয়ার যোগ্য, দ্বৈত মানদণ্ড নয়।’

    তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পরিচালনায় সমতা ও একই মানদণ্ড বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি—ন্যায্যতাই বৈশ্বিক ক্রিকেটের ভিত্তি। আফ্রিদি মনে করেন আইসিসির উচিত বিভাজন বাড়ানো নয়, সেতুবন্ধন তৈরির মাধ্যমে সমাধান খোঁজা।

    সাবেক ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ ইউসুফও বাংলাদেশের এই পরিস্থিতিকে দুঃখজনক আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘খুবই দুঃখজনক যে ক্রিকেটপ্রেমী একটি দেশ নিরাপত্তা উদ্বেগ সমাধান না হওয়ায় ক্রিকেট থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অতীতে যখন এ ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছিল, তখন নিরপেক্ষ ভেন্যু অনুমোদন দেয়া হয়েছিল—দেশভেদে মানদণ্ড বদলানো যায় না।’

    ইউসুফ আরও জোর দিয়ে বলেন আইসিসির উচিত নিরপেক্ষ ও ন্যায্য ভূমিকা পালন করা, কোনো একক বোর্ডের স্বার্থ রক্ষা করা নয়। তার ভাষ্য, ‘আইসিসিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের মতো আচরণ করতে হবে, কোনো নির্দিষ্ট বোর্ডের প্রতিনিধি হিসেবে নয়।’

    এদিকে, শনিবার (২৪ জানুয়ারি) আইসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেওয়া হয়েছে। টুর্নামেন্টটি আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আইসিসি এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে জানায় যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ভারতের ভেন্যু থেকে ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরানোর আবেদন খারিজ করা হয়েছে, কারণ ভারতে কোনো ‘বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য’ নিরাপত্তা হুমকি পাওয়া যায়নি।

    আফ্রিদি ও ইউসুফ দুইজনেই আইসিসির কাছে অনুরোধ করেছেন—নিরপেক্ষতা ও ন্যায্যতা বজায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক, যাতে বৈশ্বিক ক্রিকেটের বিশ্বাসযোগ্যতা ও খেলোয়াড় ও সমর্থকদের অধিকার রক্ষা করা যায়।

  • গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই ভারতে যায়নি বাংলাদেশ দল

    গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই ভারতে যায়নি বাংলাদেশ দল

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) চেষ্টা করেছিল ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দেশের ম্যাচগুলো ভারতে না রেখে শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করার। তবে শেষ পর্যন্ত সরকার ও সংশ্লিষ্টসংস্থার নিরাপত্তাজনিত সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি। বিসিবির পরিচালক আসিফ আকবর জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের হাতে থাকা গোয়েন্দা প্রতিবেদনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    ঘটনার সূত্রপাত বলা যায় ৩ জানুয়ারি থেকে—যখন মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল দলে না রাখার সিদ্ধান্তের পর নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশ্ন উঠে। এরপর নিরাপত্তাজনিত সব ঝুঁকি বিবেচনা করে সরকারই আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের টিমকে ভারতে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন বলে ২২ জানুয়ারি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন।

    বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সর্বশেষ বৈঠকে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেলার বিষয়টি অবশ্যও আলোচনার বিষয় ছিল। বৈঠকের পর অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পরিচালক আসিফ আকবর বলেন, সরকারের হাতে যে গোয়েন্দা প্রতিবেদন ছিল, সেটিকেই সামনে রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, রিপোর্টে খেলোয়াড়, সাংবাদিক, দর্শক বা ট্যাকটিক্যাল স্টাফদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখানো হয়েছে এবং সেখানে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো মাথায় রেখে ঝুঁকি নেওয়া ঠিক হবে না। কোনো বড় ধরনের নাশকতামূলক ঘটনা ঘটলে তার দায় বিএসিবি আদৌ নিতে পারে না—এরকম অবস্থান সরকার স্পষ্ট করেছে।

    প্রায় তিন সপ্তাহ ধরেই বিসিবি ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) কোণঠাসা পরিবেশে আলোচনা-আলাপ চালিয়েছে; কিন্তু শেষ পর্যন্ত আইসিসি বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়েছে। আসিফ আকবর জানিয়েছেন, ভারতে বাংলাদেশ দল পাঠ না করা নিয়ে দেশের চারটি মন্ত্রণালয়—তথ্য, পররাষ্ট্র, ক্রীড়া ও আইন—মিলিয়ে মন্ত্রিসভা পর্যায়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি বহন করা হবে না। তিনি বলেন, ‘আইসিসি একটি সংস্থা, বিসিবিও একটি সংস্থা; কিন্তু নিরাপত্তা বিষয়ে যখন রাষ্ট্র কিছু বলে, তখন সেটি সর্বোচ্চ প্রাধান্য পায়।’

    আইসিসি বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপের সূচিতে যোগ করেছে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে স্কটল্যান্ড এখন ১৪ নম্বরে অবস্থান করছে। গ্রুপ ‘সি’ তে ইতালি, নেপাল, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে স্কটল্যান্ড খেলবে।

  • ওশিওয়ারায় গুলি চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান

    ওশিওয়ারায় গুলি চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান

    মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে গুলিবর্ষণের ঘটনার ঘটনায় বলিউড অভিনেতা ও চলচ্চিত্র সমালোচক কামাল আর খান, পরিচিত নাম কেআরকে-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) তাকে আদালতে পেশ করা হবে বলেছে কর্তৃপক্ষ।

    পুলিশ সূত্রে এবং স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওশিওয়ারা অঞ্চলের একটি আবাসিক ভবনে চারটি গুলি ছোড়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে এবং সন্দেহভাজন হিসেবে কেআরকে-কে হেফাজতে নেয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কেআরকে জানিয়েছেন যে ওই গুলিগুলো তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকেই ছোড়া হয়েছিল। তিনি দাবি করেছেন যে কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য তার ছিল না। পুলিশের বিবরণ অনুযায়ী, বন্দুক পরিস্কার করার পর সেটি ঠিকভাবে কাজ করছে কি না পরীক্ষা করার জন্য তিনি বাড়ির সামনের ম্যানগ্রোভ বনের দিকে গুলি ছোড়েছিলেন; তখন গুলিগুলো বাতাসের গতিবেগে ভ্রাম্যমান হয়ে পাশের একটি আবাসিক ভবনের দেয়ালে এসে লাগে।

    এক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

    কামাল আর খান ছবি ও সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য পরিচিত। ২০২২ সালে এক যৌন হেনস্তার মামলায় তার গ্রেপ্তার হওয়ার খবরও প্রচারিত হয়েছিল। পাশাপাশি সেলিব্রিটিদের নিয়ে কটাক্ষ ও উসকানিমূলক মন্তব্যের কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক মানহানি ও আইনি অভিযোগ রয়েছে।

  • ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের সোনালী দিনের দাপুটে নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করার পর ৮২ বছর বয়সে আজ সোমবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। পরিবারের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ইলিয়াস জাভেদ বহু দিন ধরেই ক্যানসারসহ নানা রকম শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন ও কিছু সময় বাড়িতেই চিকিৎসাসেবা চলছিল।

    জাভেদের স্ত্রী চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আজ সকালে তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হয়। কয়েকদিন ধরেই হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা করা হচ্ছিল, পরে কিছু সময় বাসাতেও রেখে চিকিৎসা চলছিল। আজ সকালে দুটি নার্স এসে জানালেন, পুরো শরীর ঠান্ডা। এরপর দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ডেকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

    ইলিয়াস জাভেদ ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরে সপরিবারে পাঞ্জাবে চলে গেলেও ক্যারিয়ার গড়তে তিনি ঢাকায় এসে চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত হন। প্রথমবার রুপালি পর্দায় নায়ক হিসেবে অভিষেক ঘটেছিল ১৯৬৪ সালের উর্দু সিনেমা ‘নয়ী জিন্দেগি’ থেকে, কিন্তু তার ভাগ্যের চাকা ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’ ছবির মাধ্যমে ঘুরে ওঠে; সেখানে তার বিপরীতে ছিলেন কিংবদন্তি নায়িকা শাবানা। পরিচালক মুস্তাফিজই তাকে চলচ্চিত্রজীবনে ‘জাভেদ’ নামে পরিচিত করে তোলেন।

    নৃত্য পরিচালনায় শুরু করে পরে নায়ক হিসেবে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ধারাবাহিকভাবে ব্যবসাসফল ছবিতে অভিনয় করে দর্শকের মনে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে তিনি স্থায়ী স্থান করে নেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি বিখ্যাত নায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

    জাভেদের আসল নাম ছিল রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। দীর্ঘ চলচ্চিত্রজীবনে তিনি শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন এবং নাচ ও অভিনয়ের মিলনে সত্তুর-আশির দশকের দর্শকদের মনে গহীন ছাপ রেখে গেছেন।

    তিনি অভিনীত উল্লেখযোগ্য কিছু ছবির মধ্যে রয়েছে: মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী ও আবদুল্লাহ।

    ইলিয়াস জাভেদের প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের একটি অধ্যায় বন্ধ হয়ে গেল বলে অনেকের অনুভব। শিল্পীবৃন্দ ও সহকর্মীরা শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে তাকে স্মরণ করছেন।

  • সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ও পরিবারের ২২ কোটি ৬৫ লাখ ৫২ হাজার ৩৩০ টাকার সম্পদ ক্রোক

    সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ও পরিবারের ২২ কোটি ৬৫ লাখ ৫২ হাজার ৩৩০ টাকার সম্পদ ক্রোক

    অবৈধভাবে সংগৃহীত সম্পদ হস্তান্তর ও গোপনের চেষ্টা করার অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া এবং তাঁর পরিবারের বিভিন্ন সদস্যদের বেশ কিছু সম্পদ ক্রোক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওই সকলের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়েছে।

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই আবেদন করলে, ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ রোববার এসব নির্দেশ দেন বলে দুপুরে দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ জানিয়েছেন।

    দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, আছাদুজ্জামান মিয়া, তাঁর স্ত্রী আফরোজা জামান, দুই ছেলে — আসিফ শাহাদাৎ ও আসিফ মাহদিন, মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা, শ্যালিকা পারভীন সুলতানা এবং শ্যালক হারিচুর রহমান— এ পরিবারের নাম করে ঢাকার রমনা, জোয়ার সাহারা, মোহাম্মদপুরের রামচন্দ্রপুর, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ও পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প, গাজীপুরের কালীগঞ্জ, ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা ও ভাঙ্গায় মোট ২২ কোটি ৬৫ লাখ ৫২ হাজার ৩৩০ টাকার বাড়ি, ফ্ল্যাট ও জমি রয়েছে।

    দুদক জানায়, আয়ের উৎসের বাইরে থাকা এই সম্পদের বিষয়ে অভিযোগ অনুসন্ধান করতে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি দল গঠন করা হয়েছে। তদন্তে তাদের কাছে তথ্য মিলেছে যে পরিবারের সদস্যরা অবৈধভাবে অর্জিত এসব সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর বা স্থানান্তর করার, কিংবা গোপন বা নাশ করার চেষ্টা করছিলেন। বিশ্বস্ত সূত্রে জানায়, এসব কারণে তৎক্ষণাত ক্রোক করে রাখাই অনুসন্ধানের স্বার্থে জরুরি বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    দুদক কর্মকর্তারা বলছেন, যদি সম্পদগুলো ক্রোক না করা হয় তবে ভবিষ্যতের বিচারে রাষ্ট্রের অনুকূলে তা বাজেয়াপ্ত করা কঠিন হবে এবং ফলে রাষ্ট্রকে অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও সম্ভাব্য প্রক্রিয়া থেকে সম্পদের অপচয় রোধ করতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।