Month: December 2025

  • হাতে নিয়ে দেশের মাটি ছুঁলেন তারেক রহমান, খালি পায়ে হাঁটলেন

    হাতে নিয়ে দেশের মাটি ছুঁলেন তারেক রহমান, খালি পায়ে হাঁটলেন

    দেশের দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন ও অপার অপেক্ষা শেষে অবশেষে দেশের মাটিতে ফিরলেন বিএনপির ভারাভর্তি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পা রাখার মুহূর্তে প্রতিটি মুহূর্তে আবেগ আর অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ঘটে। বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে তিনি প্রথমে জুতা খুলে খালি পায়ে নিজের মাতৃভূমির মাটিতে পা রাখেন। এরপর তিনি হাতে তুলে নেন এক মুঠো দেশের মাটি। প্রিয় স্বদেশের স্পর্শে তিনি গভীর আবেগে আপ্লুত হয়ে যান।

    বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে প্রথমে দুই পায়ের জুতা খুলেন তিনি। এরপর হাতে নেন এক মুঠো দেশের মাটি। দলীয় সূত্রের ভাষ্য, এই ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল না। বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পর হঠাৎ করে তিনি কয়েকটা গাঁদা ফুলের গাছের পাশে গিয়ে দেশের মাটি স্পর্শ করেন। সেখানে তিনি জুতা খুলে খালি পায়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে নিচু হয়ে মাটি হাতে নেন এবং গভীর স্নেহসহ দেখেন।

    এর আগে, বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তারেক রহমান প্রথমে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে তিনি তার শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময়, তার মেয়ে জামাইকে গোপাল ফুলের মালা দিয়ে গর্বের সঙ্গে বরণ করেন সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু।

    বিমানবন্দর ত্যাগের পর, এক লাল ও সবুজ রঙের বিশেষ বুলেটপ্রুফ বাসে করে তিনি ৩০০ ফুট রোড নামে পরিচিত এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালের দিকে রওনা হন।

    এদিকে, সেই মুহূর্তে বহু মানুষ, বিএনপির নেতা-কর্মী এবং সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। তারা তারেক রহমানের বাসে হাত নাড়িয়ে স্বাগত জানান। রাস্তায় তারা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, ব্যানার এবং জাতীয় পতাকা ধারণ করে উপস্থিত হন। এটি তার দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং স্বতঃস্ফূর্ত স্বাগত প্রকাশের নিদর্শন।

  • আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তারেক রহমানের দেশে ফেরার খবর

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তারেক রহমানের দেশে ফেরার খবর

    প্রায় এক দশক দশমিক পাঁচ বছর পর বাংলাদেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমান অবতরণ করে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি শুধু স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নয়, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোও গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করেছে।

    বিশেষ করে কাতারভিত্তিক মিডিয়া আল জাজিরা প্রথমে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয়, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসিত থাকার পর বাংলাদেশে ফিরলেন দেশের বিরোধীদলীয় নেতা তারেক রহমান।’ শিরোনামটি স্পষ্ট করে দেয়, তিনি দীর্ঘদিন থেকে দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন।

    ব্রিটিশ সংবাদসংস্থা রয়টার্সের শিরোনামও একই ধরণের—‘নির্বাচনের আগে দেশে ফিরলেন বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী’। এতে তারেক রহমানের দেশের প্রতি প্রত্যাবর্তনের গুরুত্ব জোরপূর্বক তুলে ধরা হয়।

    পাকিস্তানের প্রভাবশाली পত্রিকা দ্য ডন ‘নির্বাচনের আগে ১৭ বছর নির্বাসন শেষে দেশে ফিরলেন বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী’ বলে খবর প্রকাশ করে। এর আগে বিবিসি শিরোনামে লেখা হয়, ‘১৭ বছর পরে ফিরে এলেন বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী।’

    ভারতের বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমও এই খবরকে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করে। এনডিটিভির শিরোনামে বলা হয়, ‘১৭ বছর পর স্ত্রী, সন্তান ও পোষ্য প্রাণী নিয়ে দেশে ফিরলেন তারেক রহমান।’ এছাড়া হিন্দুস্তান টাইমস, দ্য হিন্দুসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এই খবর ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

    প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর দুর্নীতির অভিযোগে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা হয়। তিনি প্রায় অর্ধযুগ কারাভোগ করেন। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে অসুস্থতার কারণে সপরিবারে লন্ডনে চিকিৎসার জন্য যান। পরে ওই বছরের ডিসেম্বরে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার সময়, দেশে ফিরার পথ বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন মামলায় জর্জরিত থাকায় পুনরায় ফিরতে পারেননি তিনি। অবশেষে, দীর্ঘ এই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে, প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে এলেন তারেক রহমান।

  • তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের জন্য সাজো সাজো রব

    তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের জন্য সাজো সাজো রব

    আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ফিরে আসলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিমানবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিকতার শেষ করে তিনি একটি গাড়ি বহরের সঙ্গে কাওলা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছান। এরপর তার গাড়ি বহর পশ্চিম দিকে এগিয়ে যায়, রওনা নিয়ে যেতে সেখানে তৈরি বিশাল এক সংবর্ধনা মঞ্চের দিকে।

    বিমানবন্দরে তার অবতরণের সময় ছিল সকাল ১১টা ৪০ মিনিট। তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখতে রাজধানীর পূর্বাচলে ৩০০ ফুট (পূর্বাচল) এলাকায় নির্মিত হয়েছে এক বিশাল সংবর্ধনা মঞ্চ। এই মঞ্চের আকার ৪৮ ফুট বাই ৩৬ ফুট, যা গত রোববার থেকে কঠোর পরিশ্রমে শ্রমিকরা প্রস্তুত করেছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী এই এলাকায় ভিড় জমিয়েছেন।

    নির্মাণের পর থেকে এই মঞ্চ ও আশেপাশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে নিরাপত্তা চৌকি, যাতে যেন কেউ অপ্রয়োজনীয় অবাঞ্ছিত প্রবেশ করতে না পারে।

    বিশেষ করে প্রতীক্ষিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বিশাল সংখ্যক মানুষ—প্রত্যাশিত সংখ্যাটা ৫০ লাখের বেশি। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও অভ্যর্থনা কমিটির সদস্য সচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতে এই এলাকায় তৈরি হয়েছে বিশেষ এই সংবর্ধনা মঞ্চ। তিনি আরও বলেন, এই দিনটি দেশের সর্বস্তরের মানুষের জন্য মহমিলন ও উৎসবের দিন হয়ে উঠবে।

    সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, একত্রিত হয়ে এই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এই সূচনায় দেশের রাজনীতি ও মানুষের জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু হবে।

  • গুলশানে জুবাইদা ও জাইমা রহমানের উপস্থিতি

    গুলশানে জুবাইদা ও জাইমা রহমানের উপস্থিতি

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গুলশানের নিজের বাড়িতে পৌঁছেছেন। অন্যদিকে, তারেক রহমান বিমানবন্দর থেকে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় এক সংবর্ধনাস্থলে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা ৫৭ মিনিটের সময় তারা গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে প্রবেশ করেন। এ সময় জাইমা রহমান হাত নেড়ে উপস্থিত বিএনপি নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান। গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িটি বিএনপি পার্লামেন্টের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজার পাশে অবস্থিত। জলপথ ও সড়ক দিয়ে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, বিজিবি এবং র‍্যাব মোতায়েন করা হয়েছে, এবং আশপাশের রাস্তাগুলোতে যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। এর আগে, তারেক রহমান বহনকারী বিমানের পাখাটি সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া শেষে, বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তারেক রহমানকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। পাশাপাশি তিনি দলের অন্য নেতাদের সঙ্গে একে একে কুশল বিনিময় করেন। তারেক রহমানকে ফুলের মালা দিয়ে স্বাগত জানান তার শাশুড়ি। এই সময়ে তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও। তারেক রহমান বহনকারী বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-২০২ উড়োজাহাজটি স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে লণ্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এ aviãoটি বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে অবতরণ করে। সেখানে স্বল্প সময়ের জন্য যাত্রাবিরতি সম্পন্ন করে, এরপর বিকেল ১১টা ১২ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।

  • তারেক রহমান দেশে ফিরে স্বাগত জানালেন বিএনপি নেতারা

    তারেক রহমান দেশে ফিরে স্বাগত জানালেন বিএনপি নেতারা

    প্রায় দেড় দশক পর প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ পরিবারসহ ঢাকা এসে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দলের নেতাকর্মীরা তদানুযায়ী স্বাগত জানান।

    বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে তাদের বহনে থাকা বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা তাকে উষ্ণ স্বাগত জানান। একটি উল্লাসে অংশ নিয়ে তিনি বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোলাকুলি করেন। সামান্য পরে ফুলের মালা দিয়ে ডা. জুবাইদা রহমানের মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু তারেক রহমানকে বরণ করে নেন। ভেতরে বসে তিনি দেশপ্রেমিক স্বজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

    তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমার সাথে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা; তাদের মধ্যে ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

    তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের এই মাহেন্দ্রক্ষণ উপলক্ষে রাজধানীর পূর্বাচলে ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৪৮ ফুট প্রশস্ত বিশাল এক মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। কুড়িল মোড়সংলগ্ন সড়কের উত্তর পাশে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে এই মঞ্চ সাজানো হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থলে হাজারো নেতাকর্মী ঢোকায় এই শুভ মুহূর্তটি স্মরণীয় করে তুলেছেন।

    বিমানবন্দর থেকে তার পরিবার ও নেতাকর্মীদের নিয়ে তিনি পৌঁছবেন পূর্বাচলের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে, যেখানে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করবেন। এরপর তিনি দেখা করবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে এভারকেয়ার হাসপাতালে। সবশেষে, তিনি যান গুলশান-২ নম্বরের বাসভবনে।

    এর আগে, সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে তারেক রহমানের বহনকারী বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এক ঘণ্টার গ্রাউন্ড টার্নঅ্যারাউন্ডের পর, এটি বিকেল ১১টা ১০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৩৬ মিনিট (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ৩৬ মিনিটে) লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে সপরিবারে বাংলাদেশে ফেরেন বিএনপির এই নেতা। তিনি তাদের এই দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর এই শুভাগমনকে জীবনযাত্রার এক নতুন অধ্যায় হিসেবে মনে করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি এক অনুভব প্রকাশ করে একলাইনে লিখেছেন, “দ্রুত ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে।”

    বিমান সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমানের জন্য বিশেষভাবে বরাদ্দ ছিল বিডিজি-২০২ বোয়িং ড্রিমলাইনার, যা লন্ডন হিথ্রো থেকে সিলেট হয়ে ঢাকায় পৌঁছেছিল। এই ফ্লাইটের রুট ছিল লন্ডন-সিলেট-ঢাকা এবং তার জন্য A1 সিট নির্দিষ্ট করা হয়।

    তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী, কন্যা, ব্যক্তিগত সচিব আব্দুর রহমান সানি, দলের প্রেস উইং কর্মকর্তারা, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা এবং আরও অনেকে।

    ২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এসে দুর্নীতির অভিযোগে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করে তাকে প্রায় ১৮ মাস কারাগারে রাখে। পরে, ২০০৮ সালে তারেক রহমানের লন্ডনে চলে যাওয়া হয়, যেখানে তিনি চিকিৎসার জন্য থাকতেন। সেই সময়ে, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে, তার দেশে ফেরার পথ বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ এই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নিজের প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরলেন তিনি।

  • হলিউড নির্মাতা রব রেইনার ও স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    হলিউড নির্মাতা রব রেইনার ও স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    হলিউডের খ্যাতনামা নির্মাতা ও অভিনেতা রব রেইনার (৭৮) এবং তার স্ত্রী মিশেল সিঙ্গার রেইনারের (৬৮) মরদেহ লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এই ঘটনাটি ঘটে। সংবাদসংস্থা মার্কিন এনবিসি নিউজের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক তদন্তে মৃতদেহে শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। রেইনারের ঘনিষ্ঠ এক সূত্র জানান, রব রেইনার এবং তার স্ত্রীর শরীরে ছুরিকাঘাতের ক্ষত ছিল, যা এই মৃত্যুর কারণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

    লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশের ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত হিসেবে ডাকাতি ও হত্যা বিভাগকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ক্যাপ্টেন মাইক ব্ল্যান্ড বলেছেন, এই ঘটনাটি হত্যা মামলার അടിസ്ഥാനেই তদন্ত করা হচ্ছে।

    এরই মধ্যে, সংবাদমাধ্যমগুলোয় উঠে আসছে, রেইনারের বাড়িতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করেছে পুলিশ। লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র ক্যারেন বাস শোক প্রকাশ করে বলেন, এই ঘটনা শহরের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। রব রেইনার হলিউডের একজন কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব, যিনি বহু জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘স্লিপলেস ইন সিয়াটেল’ এবং ‘দ্য উলফ অফ ওয়াল স্ট্রিট’। পাশাপাশি তিনি ‘দিস ইজ স্পাইনাল ট্যাপ’, ‘দ্য প্রিন্সেস ব্রাইড’, ‘হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি’ ও ‘এ ফিউ গুড ম্যান’ মতো কালজয়ী সিনেমাগুলোর পরিচালনা করে খ্যাতি অর্জন করেন।

    রব রেইনার ১৯৮৯ সালে মিশেল সিঙ্গার রেইনারের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের পরিচয় হয় ‘হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি’ সিনেমার সেটে। এই দম্পতির তিনটি সন্তান রয়েছে।

  • মেসির সঙ্গে ছবি নিয়ে কটূক্তি, শুভশ্রীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ রাজের

    মেসির সঙ্গে ছবি নিয়ে কটূক্তি, শুভশ্রীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ রাজের

    কলকাতায় লিওনেল মেসির সঙ্গে ছবি শেয়ার করার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুর হয়েছে বিতর্ক ও কটূক্তি। অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলিকে এর জন্য সামাজিক আক্রোশের শিকার হতে হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে তাঁর মানসিক পরিস্থিতিতেও। এ ব্যাপারে নির্মাতা ও শুভশ্রীর স্বামী রাজ চক্রবর্তী টিটাগড় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি বলেন, একজন নারীকে অপদস্থ করার এই ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক, এবং এর পেছনে রাজনৈতিক উসকানি থাকতে পারে। এই ঘটনা শুধু একটি আইনি পদক্ষেপ নয়, বরং ১৩ ডিসেম্বরের Kolkata Football Match-এ ঘটাশের সামাজিক বিতর্কের আরো গভীর চিত্রেরই ফলাফল। ঐ দিন যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লাখো ফুটবলপ্রেমী তার আনন্দ খুইয়েছিলেন, কারণ তারা দর্শক হিসেবে মেসিকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাননি। এর মধ্যেই মাঠে বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষোভের ঝাঁঝ বাড়ে, এবং সেই প্রেক্ষাপটে শুভশ্রী গাঙ্গুলির উপস্থিতিও মুখরোচক হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, তিনি একজন চলচ্চিত্র শিল্পের প্রতিনিধি হিসেবে সেই দিন উপস্থিত ছিলেন এবং মেসির সঙ্গে ছবি পোস্ট করার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় অপযার্য মন্তব্য ও বিদ্রুপের বন্যা বয়ে যায়। এর ফলে বোঝা যায়, ক্ষোভের লক্ষ্য একজন অভিনেত্রী কেন? এ নিয়ে রাজ চক্রবর্তী সমাজের নানা পর্যায় থেকে প্রকাশ্য প্রতিবাদ জানান, অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলার জন্য আওয়ামী সৌজন্যই দায়িত্বশীলদের শাস্তির দাবি তোলেন। তিনি বলেন, ওই দিন বাঙালির অনুভূতিতে আঘাত করা হয়েছে। পাশাপাশি, শুভশ্রী যখন উপস্থিত ছিলেন, তখন তিনি সামাজিক দায়িত্ব পালন করছিলেন, এবং তাঁর কোনও ভুল নেই। রাজ বলেন, একজন মানুষ পেশা বা পরিচয়ের বাইরে একজন মানুষ এবং তাঁর ব্যক্তিত্বের বিভিন্ন দিক আছে— মা, বোন, স্ত্রী, অভিনেত্রী বা ভক্ত— সবই তার পরিচয়ের অংশ, তবে সবকিছুর উপরে তিনি একজন মানুষ। তিনি গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলো, কেন এই ট্রোলিংয়ের কেন্দ্রে একমাত্র অভিনেত্রী এলেন— এই বিষয়টিও তিনি আঘাতের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেন। রাজের মতে, এই ধরণের ট্রোলিং ভবিষ্যতেও সম্ভাব্য বিপদ ডেকে আনতে পারে, এবং প্রতিবাদ ও অপমানের পার্থক্য বোঝা জরুরি।

  • হাদিকে নিয়ে পোস্ট, চমক ও মামুনকে হত্যার হুমকি

    হাদিকে নিয়ে পোস্ট, চমক ও মামুনকে হত্যার হুমকি

    সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফুল ওসমান বিন হাদি ওপর হামলার ঘটনায় দেশের প্রতিক্রিয়া সাড়া ফেলেছে। এই আকস্মিক হামলায় গুরুতর আহত হন হাদি, যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ধর্মীয় ও সামাজিক ব্যক্তিত্বরা হাদির সুস্বাস্থ্য কামনা করেছেন এবং সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

    অপরদিকে, হাদিকে নিয়ে একটি পোস্ট করার পর চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন, নাট্য নির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ এবং ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমককে হত্যার ভুঁইফোড় হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে, হুমকি প্রদানকারী এই ফোন নম্বরটি ফাঁস করে দেওয়া হয়েছে এবং বান্নাহর অবস্থান বা লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

    নির্মাতা মামুন সামাজিক মাধ্যমে হুমকি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে লিখেছেন, ‘হাদিকে নিয়ে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর থেকে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হচ্ছে। তবে তারা জানে না, হাদি আমার কাছে শুধু একটা ভালোবাসার নাম। আমি কখনও মৃত্যুভয়ে ভীত নই। আমি জানি, এই পৃথিবীতে এসেছি আল্লাহরই অনুমতি ও নিয়তিতে।’

    এই হুমকি আসছে ডাল্টন সৌভাতো হীরা নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। এর আগে শরীফুল ওসমান বিন হাদিকেও এই অ্যাকাউন্ট থেকে হুমকি দেয়া হয়েছিল।

    অন্যদিকে, অনন্য মামুন সম্পর্কে লেখা হয়েছে, ‘অবাক হওয়ার মতো, এই বাটপারের নাম উল্লেখ করতে ভুলে গেছি। অনন্য মামুন – দ্য পিম্প। তিনি যেন ভালো থাকুক। আর তার সিনেমাগুলো কেউ যেন প্রডিউস না করে; করলে সেটা নিজের দায়িত্বে করতে হবে।’

    বান্না ও চমককে কাজে ডাকার বিরুদ্ধে হুমকি দাতা লিখেছেন, ‘মাবরুর রশীদ বান্না ও রুকাইয়া জাহান চমক, যদি কেউ মিডিয়ায় তাদের কাজে ডাকার চেষ্টা করে, তবে সেটি নিজের দায়িত্বে করবেন। এই নব্য রাজাকারদের কাজে নেওয়ার কারণে আপনারা যদি ক্ষতি বা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েন, তার জন্য কারো দুঃখ প্রকাশের দরকার নেই।’

    এছাড়াও, চমক ও বান্নাহর লোকেশন ট্র্যাকিং শুরু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। হুমকি দাতা বলছেন, ‘আমাদের আইটি টিম তাদের অবস্থান ট্রেস করছে, এবং আমাদের হাতে আসছে তাদের প্রাপ্য। তাদের কে যার যেন বোঝানো হয়।’

  • অভিনেত্রীর মাঝে ভিড়ের মধ্যে হেনস্তার ঘটনায় চাঞ্চল্য

    অভিনেত্রীর মাঝে ভিড়ের মধ্যে হেনস্তার ঘটনায় চাঞ্চল্য

    অনুরাগীরা আমাদের প্রিয় তারকাদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য অৌশ্কেপ থাকেন। অনেকেই ফ্রেমবন্দি হতে অবস্থান করেন এবং তাদের কাছ থেকে কিছুটা স্পর্শ পাওয়ার বাসনা প্রকাশ করেন। তবে কিছু মানুষ সীমা অতিক্রম করে অপ্রাপ্তবয়স্ক আচরণে লিপ্ত হন। এ ধরনের এক ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণী চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নিধি আগরওয়ালের ক্ষেত্রে।

    গতকাল বুধবার রাতে এই ঘটনা ঘটে, এবং সেই সময়ের ভিডিও দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, দক্ষিণী সুপারস্টার অভিনেতা প্রভাস এবং নিধির নতুন সিনেমা ‘রাজা সাব’-এর গানের লঞ্চের শেষ মুহূর্তে বেরোনোর সময় অভিনেত্রীকে হেনস্তার শিকার হতে হয়। ভক্তরা একত্রিত হয়ে নিরাপত্তা পেরিয়ে অভিনেত্রীর কাছে পৌঁছানোর জন্য পথ Blocking করেন। কেউ পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে তিনি সম্মুখীন হন। এছাড়াও ভিড়ের মধ্যে একজন নিধির গায়ের ওড়না ধরে টানাটানি করছে।

    অভিনেত্রীর এই ঘটনায় তার এই নিরাপত্তার অব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। ভক্তদের এই অপ্রত্যাশিত আচরণ দেখে অনেক নেটিজেন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘এখানে মানুষের সমাগম হায়নার চেয়েও খারাপ। পুরুষরা কি করে মহিলাদের এভাবে হয়রানি করে! ঈশ্বর যেন তাদের সবাইকে অন্য কোথাও রাখেন।’

    অভিনেত্রী নিধি আগরওয়াল তেলুগু ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী। তিনি ‘মুন্না মাইকেল’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন। এই সিনেমায় তার বিপরীতে ছিলেন বলিউড সুপারস্টার টাইগার শ্রফ। সর্বশেষ তিনি বড় পর্দায় দেখা গেছেন সানি দেওলের বিপরীতে ‘জাট’ সিনেমায়।

  • প্রখ্যাত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ক্রিস রিয়া আর নেই

    প্রখ্যাত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ক্রিস রিয়া আর নেই

    ব্রিটিশ কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ও গীতিকার ক্রিস রিয়া সোমবার (২২ ডিসেম্বর) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তার পরিবারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কিছুদিনের অসুস্থতার পর অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে তিনি জীবনের শেষ মুহূর্তে পৌঁছেছেন।

    ক্রিস রিয়া ১৯৫১ সালে ইংল্যান্ডের মিডলসবারোতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ব্লুজ, পপ ও সফট রক সংগীতের জাদুকর হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। চার দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ২৫টি স্টুডিও অ্যালবাম উপহার দিয়েছেন, যে গুলো বিশ্বজুড়ে ৩০ মিলিয়নেরও বেশি কপি বিক্রি হয়েছে। তার কালজয়ী সৃষ্টিগুলির মধ্যে রয়েছে ‘দ্যা রোড টু হেল’, ‘অন দ্য বিচ’, ‘জোসেফিন’ ও ‘লেটস ড্যান্স’।

    বিশ্বজুড়ে তিনি তার বিশেষ করে প্রিয় ক্রিসমাসের গান ‘ড্রাইভিং হোম ফর ক্রিসমাস’ এর জন্য জনপ্রিয়। ১৯৮৬ সালে এই গানটি লিখেছিলেন তিনি, তখন তার কোনো রেকর্ডিং চুক্তি ছিল না। গানটি লেখা অবস্থায় তিনি ট্রেনের টিকিটের টাকা না থাকায় স্ত্রীকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে লন্ডন থেকে মিডলসবারো ফিরে যান।

    ২০০১ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে স্ট্রোকের শিকার হন। এত প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তার গানের জন্য ভালোবাসা কমেনি। জীবনের শেষদিকে তিনি পপ সংগীত থেকে সরে এসে ‘ডেল্টা ব্লুজ’ নামে নতুন সংগীত ধারায় মনোযোগ দেন।

    তার মৃত্যুতে বিশ্ব সংগীত অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি তার সুরের মাধ্যমে কোটি ভক্তের হৃদয়ে চিরধরা থাকবেন।

    মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী জোয়ান ও দুই মেয়ে জোসেফিন ও জুলিয়াকে রেখে গেছেন।