Month: November 2025

  • স্বর্ণের দাম আবার কমলো, প্রতিভরি ৩৬৭৪ টাকা ছাড়ে

    স্বর্ণের দাম আবার কমলো, প্রতিভরি ৩৬৭৪ টাকা ছাড়ে

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দামের এই পরিবর্তনের পেছনের কারণ হলো স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দাম কমার প্রভাব। ফলে দেশের বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দাম পরে। আজ মঙ্গলবার থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে, যা বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নিশ্চিত করেছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি বা ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম স্বর্ণের দাম কমে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারিত হয়েছে, যেখানে আগের দাম ছিল অনেক বেশি। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক লাফে ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা কমে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকায় পৌঁছেছে। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কমে হয়েছে এক লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা, যা আগের থেকে ২ হাজার ৯৯৮ টাকা কম। সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের দাম কমে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪১ টাকা।

    বাজুস স্টैंडিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এর বৈঠকে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরে, চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

    এছাড়া, রুপার দামের ক্ষেত্রে আরও পরিবর্তন এসেছে। ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ১ হাজার ২৪৪ টাকা কমে এখনকার নতুন দামে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রূপা ১ হাজার ১৬৭ টাকা কমে ৪ হাজার ৭ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের রূপার দাম ৯৯১ টাকা কমে ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা। আর সনাতনী পদ্ধতিতে রূপার দাম ৭৫৮ টাকা কমে ২ হাজার ৬০১ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • সোনার দাম আবারও কমলো

    সোনার দাম আবারও কমলো

    বাংলাদেশের বাজারে আবারও সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এতে করে ভাল মানের সোনার মূল্য এক দফা করে কমে গেছে, যা এখন দাঁড়িয়েছে দুই লাখ টাকায়।

    বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬১৩ টাকার মতো সোনার দাম কমানো হয়েছে। এর ফলে, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। যেখানে গতকাল এই দাম ছিল ২ লাখ ২৭০৯ টাকা। নতুন দামটি আগামী শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম কমার ফলে সোনার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে, তবে মূল কারণ মূলত বৈশ্বিক বাজারে সোনার দামের পতন। আন্তর্জাতিক বাজারে এখন প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ডলারকে স্পর্শ করছে।

    নতুন দামে, দেশের মান অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, আর ২১ ক্যারেটের এক ভরি মূল্য প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের সোনার দাম এখন ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার এক ভরি মূল্য ১ লাখ ৩৬ হাজার ১৪ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    অপরদিকে, সোনার দাম কমলেও রুপার দাম স্থির থাকছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম এখন ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ১৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • পতনের পরে এক লাফে ৮৮৮০ টাকা বাড়ল সোনার দাম

    পতনের পরে এক লাফে ৮৮৮০ টাকা বাড়ল সোনার দাম

    দেশের বাজারে কিছু দফা পতনের পর আবারও মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে সোনার। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে, ভরিতে ৮ হাজার ৮৮০ টাকার বেশি মূল্য বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের দাম ছিল ২ লাখ ১৯ হাজার ৯০৯ টাকা, যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) বাজুসের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৯০০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে। এই নতুন দামের ফলে, সবচেয়ে মান সম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য এখন ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। এই দাম নতুন করে বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে।

    এর আগে, চলতি মাসের ২০ অক্টোবর সোনার দাম আকাশছোঁয়া হয়ে উঠে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকায়, যা ছিল সর্বোচ্চ ইতিহাস। এরপর একাধিক দফায় সোনার দাম কমে, যতটুকু ২৩ হাজার ৫৭৩ টাকা পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। তবে, এক দিন না যেতেই আবারও দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধির কারণ হলো বৈশ্বিক অর্থনীতির দুনিয়ায় সোনার দামের উল্লম্ফন। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ডলার অতিক্রম করেছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মান সম্পন্ন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫০৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৬২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    অন্যদিকে, রুপার দাম সেইভাবে অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭ টা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা স্থিতিশীল।

  • বিএনপির লক্ষ্য: ২০৩৪ সাল নাগাদ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি

    বিএনপির লক্ষ্য: ২০৩৪ সাল নাগাদ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, তাদের মূল লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি গড়ে তোলা, যা লক্ষ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। তিনি বলেন, আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট—একটি অর্থনীতি তৈরি যেখানে প্রতিটি নাগরিক, বিশেষ করে নারীরা, গর্বের সঙ্গে দেশের প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ক্ষমতায় গেলে তিনি কর্মজীবী মহিলাদের জন্য কাজের ঘণ্টা কমিয়ে ৮ থেকে ৫ ঘণ্টা করবেন। এর পাশাপাশি, নারীদের জন্য নতুন পরিকল্পনা গ্রহণের কথাও জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শিশু পরিচর্যার সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, শিশুদের জন্য ভালো ব্যবস্থা না থাকায় অনেক তরুণী মা চাকরি বা লেখাপড়ায় বাধা পায়, যার ফলে দেশের সম্ভাবনা, উৎপাদনশীলতা এবং অগ্রগতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো এমন একটি আধুনিক, গণমুখী বাংলাদেশ গড়া যেখানে নারীরা যাতে তার পরিবার ও ভবিষ্যত পৃথক করে না নিতে হয়।’ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৪ সালের শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, পুরুষের তুলনায় নারীদের শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কম—মোট পুরুষের ৮০ শতাংশের বিপরীতে নারীর অংশগ্রহণ ৪৩ শতাংশ। এই বিরতিকে কাটিয়ে উঠতে, বিএনপি.Children and women’s empowerment initiatives—including setting up ডে-কেয়ার সেন্টার, সরকারি ও বেসরকারি খাতের জন্য বাধ্যতামূলক শিশু পরিচর্যার ব্যবস্থা, কর সুবিধা ও প্রশিক্ষণ—বিলাপ করে নানা সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

    তারেক রহমান বলেন, ‘শিশু পরিচর্যা কোনো দয়ামোকারি নয়, এটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠામোর অপরিহার্য অংশ। ডে-কেয়ার সেন্টার নারীদের কর্মসংস্থানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকায় অবদান রাখবে, যেন তারা পরিবার ও কর্মক্ষেত্রের মধ্যে সমন্বয় রাখতে পারে।’ তিনি দৃঢ়ভাবে বললেন, ‘২০৩৪ সালের মধ্যে এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি গড়ে তোলা, যা লক্ষ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে—প্রতিটি নাগরিক, বিশেষ করে নারী, গর্বের সঙ্গে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নারীর সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ করে এমন পশ্চাৎমুখী ধারণা প্রত্যাখ্যান করি। শিশু পরিচর্যা, সমান মজুরি ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নারীর ক্ষমতায়নের মূল চাবিকাঠি—এগুলো সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়সঙ্গতি ও মানবাধিকারও। চলুন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলি যেখানে প্রতিটি মা, প্রতিটি ছাত্রী নিজের স্বপ্নে সফল হওয়ার সুযোগ পায়, যেখানে সমাজের যত্ন ও সহযোগিতা হয় উন্নতির মূল ভিত্তি।’

  • মির্জা ফখরুলের অভিযোগ: অন্তর্বর্তী সরকার দায়ী রাজনৈতিক সংকটের জন্য

    মির্জা ফখরুলের অভিযোগ: অন্তর্বর্তী সরকার দায়ী রাজনৈতিক সংকটের জন্য

    দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের জন্য বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অন্তর্বর্তী সরকারকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের পর জনগণ দুটি ব্যালটে ভোট দেবে—একটি প্রার্থীর জন্য, আরেকটি গণভোটের জন্য। এভাবে ভোটের মাধ্যমে জনগণের রায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।

    মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। ঐকমত্যের চূড়ান্ত নথিতে বিএনপির মতভেদ বা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ গোপন করে আস্থার সেতু ভেঙে দিয়েছে। তিনি বলেন, এই ঘটনা বাস্তব দৃষ্টান্ত যে, সরকারের আত্মবিশ্বাসের ওপর আঘাত হেনেছে।

    শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি’র ৫৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থার পুরো দায়ীদেন্তর্বর্তী সরকারের ওপর। বিএনপি মহাসচিব জানান, অন্তর্বর্তী সরকার যে কমিশন গঠন করেছে, তারা প্রায় এক বছর আট-নয় মাস ধরে নানা বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে এসেছে। তারা সংস্কার ও অন্যান্য বিষয়ে বেশ কিছু বিষয়ে একমত হয়েছেন। তবে কিছু বিষয়ে মতভেদ থাকায় আমরা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছি, যা মূল সিদ্ধান্তে ঐকমত্যের প্রতিফলন।

    তিনি বলেন, যখন আমরা নির্বাচনে যাবো, তখন ঐকমত্যের বিষয়গুলো আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে থাকবে। জনগণ যদি আমাদের ভোট দেয়, আমরা পার্লামেন্টে তা পাশ করব এবং দেশের পরিবর্তন ঘটাব। তালগোলে না দিলে, সেটি বাদ পড়বে।

    ফখরুলের ভাষ্য, সেদিন, ১৭ তারিখে, বৃষ্টি হচ্ছিল, তখন সবাই এক সাথে যুক্ত ছিলাম। সবকিছু এলোমেলো হওয়ার কারণে, আমরা আবার একত্রিত হয়ে বৃষ্টির মধ্যে ছাতা ধরে স্বাক্ষর করেছিলাম। তবে পরে দেখা গেল, প্রধান উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপনকালে বহু পার্থক্য দেখা গেছে, বিশেষ করে ‘নোট অব ডিসেন্ট’গুলো সেখানে ছিল না। ফলে আমরা বলেছি, এটা ‘বিশ্বাসভঙ্গ’ যা জনগণের আস্থা ভেঙে দিয়েছে।

    অভিযোগে তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে তারা প্রতারণা করেছে। আমরা যে বিশ্বাসযোগ্যতা আশা করেছিলাম, তারা তা রাখতে পারেনি। ফলে বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের জন্য পুরো দায়ী অন্তর্বর্তী সরকার।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বিএনপি হলো সংস্কারকামী দল। এর জন্ম ১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে, যখন তিনি একদলীয় শাসনব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি দেশ এলে সব পত্রিকা খুলে দেন, মানুষের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে আনেন।

    তিনি বলেন, শহীদ জিয়া রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার শুরু করেছিলেন। পরে নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রেসিডেনশিয়াল ব্যবস্থার পরিবর্তে পার্লামেন্টারি পদ্ধতিতে ফিরে আসেন। তিনি নির্বাচন করে সরকারের মোটামুটি স্বচ্ছ নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছিলেন, যা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    সভায় আরও বক্তব্য দেন জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন ও দলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।

  • বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞার কারণ জানাতে পারলেন না বিএনপি নেতা এহসানুল হক মিলন

    বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞার কারণ জানাতে পারলেন না বিএনপি নেতা এহসানুল হক মিলন

    বিএনপি নেতা ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন অভিযোগ করেছেন, তাকে বিদেশে যাত্রা করতে না দেওয়ার কারণ সম্পর্কে কোনও সন্তোষজনক উত্তর পাননি। তিনি বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেন।

    এহসানুল হক বলেন, আমি ব্যাংকক থাকাকালে জানতে পারি, বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের এক সভায় আমাকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলের নির্দেশে আমি চিকিৎসা অর্ধেক রেখে ২৫ অক্টোবর ঢাকায় ফিরে আসি। এরপর সাময়িকভাবে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে ৩০ অক্টোবর আবার ব্যাংকক যাওয়ার প্রস্তুতি নিই। তবে বিমানবন্দরে গিয়ে জানতে পারি, আমার বিদেশ যাওয়ার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে এই নিষেধাজ্ঞার কারণ সম্পর্কে আমি কোনও স্পষ্ট উত্তর পাইনি।

    তিনি আরও বলেন, আমি স্বচ্ছ, গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী ব্যক্তি। কখনো কোনও চক্রান্ত বা ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলাম না। দেশ ও মানুষের প্রতি আমার ভালোবাসা আমাকে আমেরিকার নাগরিকত্ব ত্যাগ করে রাজনীতিতে আসতে অনুপ্রাণিত করেছে।

    সাবেক এই শিক্ষামন্ত্রীরা মনে করেন, বিগত সরকারের আমলে তার পরিবারসহ বিএনপি ও অন্যান্য বিরোধী মতাদর্শে বিশ্বাসী ব্যক্তিদের উপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হতো। সেই সময় বিরোধী পক্ষের অনেককে বিদেশে যাওয়া থেকেও বাধা দেওয়া হতো, যা এক ধরনের অত্যাচার ছিল।

    তিনি সরকারের কাছে জানতে চান, কেন তাঁর বিদেশ যাত্রা বন্ধ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি শুরু থেকেই প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, এই সরকারের কোনও সংস্থা বা বিভাগ ভুল তথ্য বা ষড়যন্ত্রে বিভ্রান্ত হয়নি। আশা প্রকাশ করেন, সরকারের পাশাপাশি দেশে বিভিন্ন নাগরিকের মানবিক ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা হবে।

  • নুরের অভিযোগ: গণভোট ধান্দাবাজি ও স্বার্থপরতা

    নুরের অভিযোগ: গণভোট ধান্দাবাজি ও স্বার্থপরতা

    গণ অধিকার পরিষদের জন নেতা নুরুল হক নুর হামেশাই গণভোটের দাবির পিছনে রাজনৈতিক স্বার্থ ও মানুষের বিভ্রান্তির অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, অনেক ক্ষেত্রে এই দাবি করা হয়ে থাকে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য, বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে মূল উদ্দেশ্য ঢাকার চেষ্টায়। নুর উল্লেখ করেন, ‘গণভোটের দাবি প্রচার করা হচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য। এর পেছনে রয়েছে অনেকেরই বিরোধী দল হওয়ার জন্য দান-দরবার বা নিজস্ব সুবিধা আদায়ের চেষ্টাই।’

    শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) জেএসডির এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। তিনি আরো বলেন, ‘গণভোটের এই দাবি মূলত ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য; দেশের ও জাতির স্বার্থে নয়। এতে নির্বাচনের সময় ক্ষুণ্ণ হবে এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হবে। যদি সরকার তিন মাস আগে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ শেষ করত, তাহলে ডিসেম্বরের মধ্যে গণভোট সম্ভব হতো। প্রতি নির্বাচন আগে এক মাসের মধ্যে গণভোটের জন্য সময় পাওয়া সম্ভব। তবে দুর্বল প্রশাসন এবং সরকারের বদলে যাওয়া রূপ দেখছি, যারা সময়ের সাথে সাথে চরিত্র পরিবর্তন করে যাচ্ছে।’

    নুর জানিয়েছেন, ‘সত্তর দশকের স্বাক্ষরিত সাংবিধানিক সনদ অনুযায়ী এখন আর নির্বাচনে বাধা নেই। তিনি সরকারকে আহ্বান জানান, জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের, যাতে নতুন বছরের প্রথম মাসে জাতীয় নির্বাচন হয়। এর সাথে গণভোটের পরিকল্পনা থাকলেও, সময়ের জন্য তা সম্ভব।’

    নুরের মতে, ‘গণভোট নিয়ে যদি বিরোধ বা বিভাজন সৃষ্টি হয়, তাহলে আমরা যারা স্বৈরাচার ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছি, তাদের সুযোগ নেওয়া হবে। আমরা চাই এই ধরনের অপ প্রয়াস প্রতিহত করে গণতান্ত্রিক ও সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় থাকুক।’

  • বৃষ্টির মধ্যে সই করে দল বিশ্বাসঘাতকতা: মির্জা ফখরুলের ক্ষোভ

    বৃষ্টির মধ্যে সই করে দল বিশ্বাসঘাতকতা: মির্জা ফখরুলের ক্ষোভ

    একটি মহল আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বিলম্বিত করার লক্ষ্য নিয়ে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই মহলটি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে অমান্য করে আসছে। বিএনপি এ দৃঢ়ভাবে বলছে, তারা সেই জনগণের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত, যা দেশের মানুষ চায়।

    বিএনপি মহাসচিব জানিয়েছেন, দলটি সংস্কারের জন্য বৃষ্টি উপেক্ষা করে জুলাইয়ে স্বাক্ষর করেছে, কিন্তু ক্ষমতাসীন সরকার ও সংশ্লিষ্ট কমিশন জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সংকটের মূল দায় বরং সরকারের উপর থাকছে। তাঁর এই বক্তব্য শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)-এর ৫৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রকাশিত হয়।

    তিনি আরও বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমরা অবশ্যই নির্বাচন করব। বয়সী একজন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণার সঙ্গে আমরা একমত, তাই আমরা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন করতে চাচ্ছি।’ তিনি অভিযোগ করেন, একদল কিছু বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে রাষ্ট্রের মূল সমস্যা সৃষ্টি করছে, যাতে জনগণ বিভ্রান্ত হয়। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের জন্য এখন আর সুযোগ নেই; প্রতিবারের মতো এবারও নির্বাচন হবে এবং তার সঙ্গে একটি গণভোটের কথাও উল্লেখ করেছেন।’

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচনের দিন দুইটি ব্যালটে ভোট দেওয়া হবে—একটি আসন্ন নির্বাচনের জন্য, অন্যটি গণভোটের জন্য। আমি মনে করি, এ বিষয়ে কোনও দ্বিমত থাকা উচিত নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা বর্তমানে গোলমাল সৃষ্টি করছে, রাস্তায় নেমেছে, তাদের অনুরোধ করি, জনগণকে বিভ্রান্ত না করে আবেগে না গিয়ে নিজেদের দায়িত্ব নিন। আমাদের মনে রাখতে হবে, এই দেশের মানুষ যাদের বিশ্বাসঘাতক বলে মনে করে, তারা ক্ষমা পায় না।’

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার বিশ্বাসঘাতকতার পরিচয় দিয়েছে। যেখানে সেই সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্বাক্ষর জমা দেওয়ার সময় বছরের শুরুতে বৃষ্টি হচ্ছিল, সেখানে তারা নানা বাহানায় সই করেছেন। তবে, তারপর দেখা গেল, ঐকমত্যের অনেক অংশ উপেক্ষা করা হয়েছে এবং ‘নোট অব ডিসেন্ট’ গুলোর কথাও উল্লেখ করা হয়নি। আমাদের মনে হয়েছে, এই আচরণ বিশ্বাসঘাতকতা।

    তিনি বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে, তারা বিশ্বাস হারিয়েছেন। বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের।’

    তিনি বলছেন, বিএনপি মূলত সংস্কারকামী দল। এই দল প্রায় চার দশক ধরে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে আসছে। ১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই দলের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যার উদ্দেশ্য ছিল একদলীয় শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। তিনি বলেন, সে সময় সব পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল—তবে জিয়াউর রহমান সেটিকে খোলার ব্যবস্থা করেছিলেন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছেন।

    ফখরুল বলেন, ‘শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের সূচনা হয়। পরে, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া প্রেসিডেন্টশিপ থেকে পার্লামেন্টারী পদ্ধতিতে ফিরে আসেন। বিভিন্ন নির্বাচনেও এই সংস্কারগুলো বাস্তবায়িত হয়েছে, যেখানে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সব সময় সংস্কারের জন্য কাজ করছি। ১০ দফা, ২৭ দফা, ৩১ দফা—সবই ছিল পরিবর্তনের চেষ্টার অংশ। আমরা সব সময় ঐক্যবদ্ধ থেকেছি এবং সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সকল সম্মতিতে স্বাক্ষর করেছি। তবে বিভ্রান্তির জন্য দায়ী ঐকমত্য কমিশনের কিছু পক্ষ।’

    ফখরুল পরিকল্পনা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা আমাদের সহযোগী দলগুলোর সঙ্গে নিয়ে একটি স্বচ্ছ ও সুন্দর নির্বাচন সম্পন্ন করতে চাই। সকলের সহযোগিতা নিয়ে দেশের জন্য একটি কার্যকর, মসৃণ নির্বাচন এবং জনগণের প্রতিনিধিত্ব শেখাতে চাচ্ছি।’

    এ ছাড়াও, তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের জন্য মূল দায়ী অন্তর্বর্তী সরকার ও তার নেতৃত্ব। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে গণভোটের সুযোগ নেই এবং নির্বাচনের দিন দুটি ব্যালটে ভোটের হতে হবে—একটি রাজনৈতিক প্রার্থী নির্বাচনের জন্য এবং অন্যটি গণভোটের জন্য। বিএনপি বিশ্বাস করে, এই বিশ্বাসঘাতক আচরণ ও বিশ্বাসের সেতু ভেঙে দেওয়ার জন্য এই সরকার দায়ী।

    সবশেষে, মির্জা ফখরুল সতর্ক করে দিয়ে বলেন, দেশের চলমান অচলাবস্থা পুরোপুরি সরকারের দায়িত্ব। তিনি বলেন, এই আলোচনা চলাকালীন তারা অনেক ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারলেও, কিছু মতভেদের কারণে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছেন যা মূল আলোচনা থেকে বাদ যায়নি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, জনগণ যদি আমাদের ভোট দেয়, তাহলে আমরা নতুন পরিবর্তন আনতে পারবো।

  • প্রধান বিচারপতির ডাকে ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি

    প্রধান বিচারপতির ডাকে ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি

    প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নির্দেশনায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের সকল বিচারপতি উপস্থিতিতে আগামী মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় এক গুরুত্বপূর্ণ ফুলকোর্ট সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠকটি সুপ্রিম কোর্টের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার (১ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) মো. আসিফ ইকবাল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জানা যাচ্ছে, এই ফুলকোর্ট সভায় অধস্তন আদালতের বিচারকদের বদলি ও পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়সমূহের পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ফুলকোর্ট সভা হলো দেশের বিচারপতিদের নিজস্ব একটি আঞ্চলিক আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্থান, যেখানে বিচার বিভাগকে পরিচালনা ও নীতিনির্ধারণে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

  • মাদারগঞ্জে নদীতে ডুবে নিখোঁজ শিশু মরদেহ উদ্ধার, নিহতের সংখ্যা ৪

    মাদারগঞ্জে নদীতে ডুবে নিখোঁজ শিশু মরদেহ উদ্ধার, নিহতের সংখ্যা ৪

    জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় ঝিনাই নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া আরেক শিশুর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা এখন পর্যন্ত চারজন। এদিকে, এখনও একজন শিশু নিখোঁজ রয়েছে।

    আজ শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে নদীর চর কুলছুম নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মাদারগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে, শুক্রবার বিকেলে সিধুলি ইউনিয়নের চরভাটিয়ানি আমতলা এলাকায় আনার সরকারবাড়ির ঘাটে গোসলে নেমে পাঁচ শিশু নদীতে ডুবে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চালায়। সন্ধ্যার দিকে তিন শিশুর মরদেহ উদ্ধার সম্ভব হলেও দু’জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

    নিহত শিশুরা হলেন: চরভাটিয়ানি এলাকার প্রবাসী দুদু মিয়ার মেয়ে পলী আক্তার (১২) ও ছেলে আবু হাসান (৮), পাশাপাশি বাউসী এলাকার নুর ইসলামের মেয়ে সাবেরা আক্তার (৮)।

    নিখোঁজ রয়েছেন একই এলাকার কুলছুম ও বৈশাখী (১২) নামে দুই শিশু।

    মাদারগঞ্জ থানার ওসি সাইফুল্লাহ সাইফ জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি স্কুল মাঠে ফুটবল খেলাধুলার পরে শিশুদের বাইরেটি নদীতে গোসল করতে যায়। এর মধ্যে পাঁচ শিশু ডুবে যায়। পরে একজন শিশুর বাড়ি থেকে খবর পেয়ে স্থানীয়রা উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।