Month: November 2025

  • কানাডার সঙ্গে নতুন বাণিজ্য আলোচনা এখনও শুরু করবেন না ট্রাম্প

    কানাডার সঙ্গে নতুন বাণিজ্য আলোচনা এখনও শুরু করবেন না ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা আবারো নতুন করে বাণিজ্য আলোচনা শুরু করবে না বলে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, কানাডার একটি রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের কারণে উভয় দেশ আবার আলোচনা শুরু না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই খবর সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাত দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প শুক্রবার জানিয়ে দেন, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি তার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন, কারণ তিনি একটি বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন তৈরি করেছিলেন। ট্রাম্প বলেন, “আমি তাকে অনেক পছন্দ করি, কিন্তু তারা যা করেছে, তা ভুল ছিল। এই বিজ্ঞাপনটি ভুয়া ছিল, তাই আমি আলোচনা শুরুর পরিকল্পনা বাতিল করেছি।” কার্নির দপ্তর এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করেনি।

    গত সপ্তাহে, ট্রাম্প এই বিজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে কানাডার সঙ্গে চলমান আলোচনাগুলো বাতিল করেন এবং কানাডার পণ্যে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। সেই বিজ্ঞাপনে, অন্টারিও প্রদেশের সরকার রিপাবলিকান দলের প্রভাবশালী নেতা রোনাল্ড রিগানের এক পুরোনো ভাষণের অংশ ব্যবহৃত হয়, যেখানে বলা হয়, বিদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করে বাণিজ্য যুদ্ধ সৃষ্টি করা হয়, যা কার্যত কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত করে।

    এই বিজ্ঞাপনটি বিভিন্ন মার্কিন প্ল্যাটফর্মে প্রচারিত হয়, যা পরবর্তীতে বিতর্কের সৃষ্টি করে। ডগ ফোর্ডের টিম রিগানের মূল বক্তব্যের কয়েকটি অংশ কেটে এক মিনিটের বিজ্ঞাপন তৈরি করে, যদিও এই সব বাক্য রিগানের কথাই। এ কারণে ফোর্ড বিজ্ঞাপনের প্রচার স্থগিত করেন, যাতে দুই দেশের জন্য আলোচনার পথে কিছুটা এগোতে পারেন। বিনিময়ে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানিয়েছেন, কানাডা আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।

    প্রসঙ্গত, ঐতিহাসিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কানাডার সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার। মোট রপ্তানির প্রায় ৭৫ শতাংশই যায় যুক্তরাষ্ট্রে। তবে, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্ক নীতি এই বাণিজ্যে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে, যা দুই দেশের সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলছে।

  • বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে ভারতের পাসপোর্টের অবনতি

    বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে ভারতের পাসপোর্টের অবনতি

    ভারতের পাসপোর্টের শক্তি নতুন এক আন্তর্জাতিক সূচকে নেমে এসেছে। এই সূচকটি তৈরি করে বিশ্বব্যাপী ভিসা-মুক্ত ভ্রমণের সুবিধার ভিত্তিতে, যেখানে ২০২৫ সালে ভারতের অবস্থান রয়েছে ১৯৯টি দেশের মধ্যে ৮৫তম। এই স্থান পরিবর্তন গত বছরের তুলনায় পাঁচ ধাপ নিচে নেমে এসেছে, যা দেশের আন্তর্জাতিক রিসোর্স ও দ্য ধরনের উন্নয়নের নির্দেশ করে।

    তুলনামূলকভাবে, ভারতের চেয়ে অনেক ছোট অর্থনীতি সম্পন্ন দেশ যেমন রুয়ান্ডা, ঘানা এবং আজারবাইজান যথাক্রমে ৭৮তম, ৭৪তম, এবং ৭২তম স্থানে অবস্থান করছে। এর মানে বিশ্বে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হচ্ছে এবং দেশের পাসপোর্টের শক্তি কমে যাচ্ছে।

    ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের চলাফেরার জন্য বর্তমানে ৫৭টি দেশে ভিসা-মুক্ত প্রবেশাধিকার রয়েছে, যা একই পর্যায়ে রয়েছে আফ্রিকার দেশ মৌরিতানিয়ার সাথে। এই পরিস্থিতি বেশ কয়েকটি দেশের তুলনায় দুর্বল, যেখানে শীর্ষে থাকা সিঙ্গাপুরের নাগরিকরা ১৯৩টি দেশে ভিসা-মুক্ত ভ্রমণ করতে পারেন; দক্ষিণ কোরিয়া ১৯০টি এবং জাপান ১৮৯টি দেশের তালিকায় রয়েছেন।

    পাসপোর্টের শক্তি দেশের বৈশ্বিক প্রভাব ও নাগরিকদের চলাচলের সুবিধার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। দুর্বল পাসপোর্ট মানে ভিসা প্রক্রিয়ার জটিলতা, অতিরিক্ত খরচ এবং সীমিত ভ্রমণের সুযোগ। তবে গত এক দশকে ভিসা-মুক্ত দেশগুলোর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। যেমন, ২০১৫ সালে ভারতের জন্য এই সংখ্যা ছিল ৫২টি, যা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭ এ। তবে বিশ্বের প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি ও অন্যান্য দেশের ভিসা সুবিধা বাড়ার কারণে ভারতের র‌্যাংকিং এখনও বিশ্বমানচিত্রে পিছিয়ে রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, পাসপোর্টের শক্তি নির্ভর করে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, রাজনৈতিক সম্পর্ক, অভিবাসন নীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর। ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত আচার্য মালহোত্রা বলেছেন, ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার ও পাসপোর্টের মান উন্নয়নে প্রযুক্তির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ই-পাসপোর্টের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ হয়, যা জালিয়াতি রোধে সাহায্য করে।

    পরিশেষে, ভারতের জন্য সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং নতুন ভ্রমণ চুক্তি স্বাক্ষর। এভাবে দেশের পাসপোর্টের র‌্যাংক এবং বৈশ্বিক প্রভাব উভয়ই বৃদ্ধি পাবে।

  • ফিলিস্তিনি বন্দির ওপর নির্যাতনের ভিডিও ফাঁস, ইসরাইলি জেনারেলের পদত্যাগ

    ফিলিস্তিনি বন্দির ওপর নির্যাতনের ভিডিও ফাঁস, ইসরাইলি জেনারেলের পদত্যাগ

    গাজা যুদ্ধে থাকা অবস্থায় এক ফিলিস্তিনি বন্দির ওপর ইসরাইলি সেনাদের বর্বরতা ও নির্যাতনের ভিডিও সম্প্রতি ফাঁস হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার ফলে দেশটির সেনা প্রধান আইনি কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ইফাত টোমার-ইয়েরুশালমি পদত্যাগ করেন। তিনি শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) এই পদত্যাগের ঘোষণা দেন। স্বয়ং তিনি স্বীকার করেছেন যে, এই ভিডিও প্রকাশের অনুমতি তিনি গত বছর আগস্টে দিয়েছিলেন।

    বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, এই ভিডিও ফাঁস হওয়ার পর ইসরাইলের বিরুদ্ধে ব্যাপক তদন্ত শুরু হয়। নির্যাতনের অভিযোগে এখন পর্যন্ত পাঁচজন সেনার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রভাব দেশের রাজনীতিতে ব্যাপক পরিসরে ছড়িয়ে পড়ে। ডানপন্থি রাজনৈতিক দলগুলো বিশেষ করে দ্রুত তদন্তের প্রয়োজনীয়তা ও ঘটনার সত্যতা নিয়ে সমালোচনা করে, এবং শঙ্কা প্রকাশ করে যে, এর জন্য সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে অকার্যকর প্রভাব পড়তে পারে। একই সঙ্গে, তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ঘাঁটিতে প্রবেশের সময় বিক্ষোভ দাঙ্গাও দেখা যায়, যেখানে তারা হামলার শিকার হয়।

    এক সপ্তাহের মধ্যে একটি নিরাপত্তা ক্যামেরার দৃশ্যাবলি ইসরাইলের অন্যতম সংবাদমাধ্যম এন১২-তে প্রকাশ্যে আসে। সেখানে দেখা যায়, কয়েকজন সেনা এক বন্দিকে পাশে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, চারপাশে সশস্ত্র সৈন্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। তবে ভেতরে কি ঘটছে তা বোঝা যাচ্ছে না।

    গত বুধবার, ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ জানিয়ে দেন, এই ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় Fফৌজদারি তদন্ত চলমান রয়েছে। তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই টোমার-ইয়েরুশালমিকে জোরপূর্বক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

    পদত্যাগপত্রে ইফাত টোমার-ইয়েরুশালমি উল্লেখ করেন, তিনি কোনও আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড করেননি, বরং সেনা আইনি বিভাগের সম্মান রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধকালীন এই বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় যাতে কিছু বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানো হচ্ছে। ঘটনাটি ইসরাইলের সামরিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, যেখানে নানা মত প্রকাশ ও তদন্তের দাবি জোরালো হচ্ছে।

  • জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ছাড়া ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব নয়: বকুল

    জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ছাড়া ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব নয়: বকুল

    বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, গত ১৫ বছর ধরে দেশের Fasist শাসনব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের ভাগ্যকে উন্নত করার পরিবর্তে শুধু ক্ষমতাসীন লুটেরা গোষ্ঠীর স্বার্থই প্রাধান্য পাচ্ছে। তিনি বলেন, সত্যিকার অর্থে দেশের স্বাভাবিক উন্নয়ন ও পরিবর্তন তখনই সম্ভব হবে, যখন জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসবে। এ কথা তিনি জানান শুক্রবার বিকেলে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের আলমনগর ও মক্কী মাদানি ইউনিটের সংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি ও উন্নয়নের উদ্দেশ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে বকুল আরও বলেন, দেশের অর্থনীতির মূল উৎস হিসেবে পরিচিত খুলনা শিল্পাঞ্চল ছিল একসময় দেশের প্রাণকেন্দ্র। কারখানা এবং মিলগুলো সচল থাকতো, শ্রমিকরা কাজ পেতেন। কিন্তু বিগত সরকারের আমলে সেই মিলগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, নারকীয় লুটপাটের মাধ্যমে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে, যেমনটি দেখা যায় নিউজপ্রিন্ট মিলের ক্ষেত্রে। তিনি অভিযোগ করেন, এই লুটপাটের ফলে কেবলমাত্র ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নত হয়েছে, সাধারণ জনগণের ভাগ্য আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তারা দারিদ্র্যের গর্ভে ঢুকে পড়ছে। বেকারত্ব ও সামাজিক অবক্ষয়ের প্রসঙ্গে বকুল বলেন, যারা তাদের সন্তানদের পড়ালেখা করিয়ে চাকরির স্বপ্ন দেখতেন, আজ তারা বেকার হয়ে মাদকদ্রব্যের দিকে ঝুঁকছেন। মাদক প্রবেশকারী পরিবারের সদস্যরা ধ্বংসের মুখোমুখি হচ্ছে। আলমনগর ও মক্কী মাদানি ইউনিটের সভাপতি মোঃ সাইফ শরীফের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক তহুরুল ইসলাম সঞ্চালনায় সভায় বক্তৃতা করেন মোঃ রুহুল কুদ্দুস খান। এর পাশাপাশি, বিএনপি নেতা বকুল খুলনার ৭১-এর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, যেখানে তিনি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মহানগর কমান্ডের বীর মুক্তিযোদ্ধা কেএম আলমের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, শেখ আনসার আলী, মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ আজাদ শেখ, শাহজাহান কমান্ডার, মোঃ ওয়াহিদুর রহমান ও এস এম মজিবর রহমান।

  • ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের পরাজিত শক্তিরা একাট্টা হয়ে নির্বাচনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত

    ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের পরাজিত শক্তিরা একাট্টা হয়ে নির্বাচনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত

    মহানগর বিএনপি কেন্দ্রীয় সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, পতিত নেতা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় যারা বিএনপির পরিচয় দিতে লজ্জা পেতেন, দলের পতাকাকে অবজ্ঞা করতেন এবং পুলিশ প্রশাসনের কাছে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন কিংবা পত্রিকায় দল ছেড়ে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিলেন, আজ তারা আবার বিএনপির নামে রাজপথে নামার চেষ্টা করছেন। যখন আন্দোলনের সময় হাজার হাজার নেতা-কর্মী কারাগারে, রাজপথে বা পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন, তখন তারা ঘরে বসে এসি রুমে শান্তিপূর্ণ জীবন উপভোগ করেছেন। এই মৌসুমি পাখিরা আবারও বিএনপির মুখোশ পরে নির্বাচনে অংশ নিতে চাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে নগরীর জিয়া আল চত্বর (শিববাড়ি মোড়) থেকে শুরু হওয়া ধানের শীষের গণপ্রচার মিছিল ও বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ সমাবেশে এ সব কথা বলেন তিনি। মিছিলটি কেডিএ অ্যাভিনিউ সড়ক দিয়ে গিয়ে র‌্যায়েল চত্বরে এসে এক পথসভা আকারে রূপ নেয়। এতে মহানগর, সদর ও সোনাডাঙ্গা থানার হাজারও নেতা-কর্মী অংশ নেন।

    শফিকুল আলম মনা আরো বলেন, যারা কঠিন সময়ে রাজপথে ছিলেন, পুলিশের গুলির মুখে থেকেও দলের পতাকা রক্ষা করেছেন, তাঁরা স্বতঃস্ফূর্ত নেতা-কর্মীই প্রকৃত বিএনপি। এই দলের প্রার্থীরাও তাদেরই হবে। অন্যরা যারা আন্দোলনের সময় নিরবিচ্ছিন্ন ছিলেন বা দলবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হয়েছেন, তাদের মনোনয়ন পাওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

    বিএনপি কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, এই মৌসুমি পাখিরা বিএনপির স্থায়ী সদস্য নয়। যারা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোট বানচালের জন্য বিভিন্ন নাটক, যেমন পিআর বা হ্যাঁ-না ভোটের কৌশল অবলম্বন করছে, তাদের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। জনগণকে বিভ্রান্ত হওয়া থেকে সতর্ক রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের পরাজিত শক্তিরা আবার একত্রিত হয়ে নির্বাচনের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে। একটি গোষ্ঠী ধর্মের নামে মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে, কুরআন শরিফের শপথ করে ভোট পাওয়ার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। এটা ইসলামের অপমান এবং গণতন্ত্রের ক্ষতি। যারা ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষের জীবন নষ্ট করেছিল, মা-বোনদের সম্মান লুটে নিয়েছিল, আজ তারা নতুন রূপে মুখোশ পরে আবার ভোটের নামে ষড়যন্ত্র করছে। ধর্মের অপপ্রয়োগ করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যেন আবারও গণতন্ত্রকে হত্যা করা যায়। কুরআন শপথের মাধ্যমে ভোট দাবি এটা এক ধরনের রাজনৈতিক প্রতারণা। জনগণ এখন অনেক সচেতন, এসব নাটক তাদের সফল হবে না। ওরা মুখোশ খুলে দিতে হবে, কারণ এই শক্তি দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের চিরশত্রু।

    অপর দিকে, দলের অন্যতম নেতা লক্ষ্য করে বলেন, ব্যর্থ শক্তিগুলোর একজোট হয়ে নির্বাচন বানচালের এই চেষ্টার বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর 대응 করতে হবে। নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে সতর্ক থাকতে হবে এবং আন্দোলনের মাধ্যমে ভোটের বিজয় নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সক্রিয় সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    প্রচার মহড়ায় মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ, কে. এম হুমায়ূন কবির, শেখ হাফিজুর রহমান মনি, আসাদুজ্জামান আসাদসহ সদর ও সোনাডাঙ্গা থানা, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, তাঁতী দল, মহিলা দল, জাসাসের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

    আজকের কর্মসূচি হিসেবে বিকেল সাড়ে ৩টায় ময়লাপোতা মোড়ে উপস্থিতির প্রথম আয়োজন এবং পরে একই দিন ৪টায় গল্‌লামারী মোড়ে গণপ্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ শেষ হবে।

  • খুলনায় নতুন আধুনিক কারাগার উদ্বোধন, কয়েদিদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো

    খুলনায় নতুন আধুনিক কারাগার উদ্বোধন, কয়েদিদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো

    খুলনায় নতুন আধুনিক কারাগার উদ্বোধনের মাধ্যমে এক যুগের শুরু হয়েছে। পুরাতন কারাগার থেকে সশ্রম ও বিনাশ্রম সাজাপ্রাপ্ত মোট ১০০ জন কয়েদিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে নতুন কারাগারে প্রবেশের জন্য নেওয়া হয়। স্থানান্তরের সময় তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়, যা স্থানান্তরের উৎফুল্লতা ও মানবিক পরিবেশের প্রতিফলন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগের কারা অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. মনির আহমেদ, খুলনা জেলা কারাগারের জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান, ডেপুটি জেল সুপার আব্দুল্লাহ হেল আল আমিন, অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আইন প্রক্রিয়ার সাক্ষীরা। জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান বলেন, দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে ১০০ বন্দির স্থানান্তর সম্পন্ন হয়েছে। নতুন কারাগার নির্মাণের ফলে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান নিয়ে কাজ চলছে। সূত্রের খবর, খুলনায় বর্তমানে দুটি কারাগার পরিচালনা করতে মোট ২০৮ জন কর্মচারী দরকার হলেও বর্তমানে কর্মসংস্থান রয়েছে মাত্র ২০৮ জনের, যেখানে সম্প্রতি আরও ৪৪ জন নতুন নিয়োগ পাওয়া হয়েছে। সীমিত সংখ্যক কর্মবলয় নিয়েই এখন চলতে হচ্ছে নয়া কারাগার দুটির কার্যক্রম। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুরাতন কারাগারে খুলনা মহানগরীর বন্দিরা থাকবেন, আর নতুন কারাগারটি স্থানীয় নয় উপজেলার বন্দিদের জন্য রাখা হয়েছে। এই নতুন কারাগারটি আধুনিক ও প্রযুক্তির ছোয়া দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। এখানে থাকবে আলাদা ভবন, নারী ও কিশোর বন্দিদের জন্য আলাদা ব্যারাক, হাসপাতাল, ওয়ার্কশেড, ও মোটিভেশন সেন্টার। চিকিৎসার জন্য থাকছে ৫০ শয্যার হাসপাতাল, পাশাপাশি নারীদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার, স্কুল, ডাইনিং, লাইব্রেরি, সেলুন ও লন্ড্রি সুবিধা। এছাড়াও শিশুসন্তানসহ নারী বন্দিদের জন্য আলাদা ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। নতুন কারাগারটি নির্মিত হয়েছে সুন্দরভূমির মতো পাকা পথ, রঙিন ভবন, পার্কিং টাইলসের ফুটপাত, মসজিদ, হাসপাতালসহ বিভিন্ন আধুনিক সুবিধা নিয়ে। ভবনগুলোর চারপাশে পৃথক সীমানা প্রাচীর তৈরি করা হয়েছে যাতে বিভিন্ন শ্রেণির বন্দিরা একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারে। মোট ৫৭টি স্থাপনা নির্মিত হওয়ার মধ্যে ১১টি বন্দিদের আবাসের জন্য এবং নিরাপত্তার জন্য পুরো কারাগারের অনেক অংশে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ দেয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে অবস্থিত ফাঁসির মঞ্চটি দেশের সবচেয়ে আধুনিক বলে দাবি করছে কারা কর্তৃপক্ষ। জানানো হয়েছে, এই নতুন কারাগারটি খুলনা সিটি বাইপাস (রূপসা ব্রিজ রোড) এর ৩০ একর জমির ওপর নির্মিত, যেখানে ২০১১ সালে ১৪৪ কোটি টাকার প্রাথমিক বাজেটে প্রকল্প শুরু হয়। ২০১৬ সালে প্রকল্পের কাজ শেষ হলে খরচ দাঁড়ায় আনুমানিক ২৮৮ কোটি টাকা। এই কারাগারটি ৪,০০০ বন্দির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন হলেও বর্তমান অবকাঠামোতে ২,০০০ বন্দি রাখা সম্ভব। এর ফলে, খুলনায় আধুনিক, মানবিক ও সংশোধনমুখী কারা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, যা prisoners ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের জন্য স্বস্তি ও সুবিধার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

  • চিতলমারীতে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন

    চিতলমারীতে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে ‘সাম্য ও সমতায় দেশ গড়বে সমবায়’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে একই দিন জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন করা হয়। এই মহৎ অনুষ্ঠানের মূল আয়োজন ছিল শনিবার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা। অনুষ্ঠানে ব্যাপক উপস্থিতি ছিল এলাকার বিভিন্ন সমাজের মানুষের। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাজ্জাদ হোসেন।

    উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোল্লা সাইফুল ইসলাম। বক্তৃতা দেন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সিফাত-আল-মারুফ। এছাড়া আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সমবায় প্রতিনিধিরা, যেমন শিপ্রা মজুমদার, ভারতী মন্ডল ও ছন্দা মন্ডল। সভার শেষে, সমবায় সদস্য ছন্দা মন্ডল এবং কৃষ্ণা মন্ডলকে ঋণের চেক প্রদান করা হয়। এই দিনটি উদ্যাপন করে সাম্যের বার্তা তুলে ধরার পাশাপাশি সমবায়ের গুরুত্ব ও প্রভাবের কথাও তুলে ধরা হয়।

  • বেনাপোলে মালিকবিহীন ৮ লাখ টাকা মূল্যমানের হোমিও ওষুধ উদ্ধার

    বেনাপোলে মালিকবিহীন ৮ লাখ টাকা মূল্যমানের হোমিও ওষুধ উদ্ধার

    যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল আইসিপি সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ আমদানি নিষিদ্ধ হোমিওপ্যাথিক ওষুধ আটক করেছে বিজিবি। আজ শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে বিজিবি প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশেষ টহলদল বেনাপোল আইসিপি এলাকায় চোরাচালান বিরোধী এক অভিযান চালিয়ে অকারণে রাখা এই ওষুধগুলো উদ্ধার করে। জানা যায়, আটক করা হোমিওপ্যাথিক ওষুধের বাজারমূল্য প্রায় ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

    যশোর বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানটি শনাক্ত করে এটি আটক করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মাদকদ্রব্য, চোরাচালান মালামালসহ নানা ধরনের অবৈধ পণ্য পাচার চক্রের বিরুদ্ধে বিজিবির গোপনীয়তা আর আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে, যাতে এই ধরনের চুরি বা চোরাচালান দ্রুত বন্ধ করা সম্ভব হয়।

  • অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসী আয় ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার

    অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসী আয় ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার

    চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৫ দিনে বাংলাদেশি প্রবাসীরা দেশে মোট ২০৩ কোটি ২৯ লাখ মার্কিন ডলার ভার Peyton পাঠিয়েছেন। এই অর্থের পরিমাণ বাংলায় প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা, যেখানে এক ডলার প্রথম দিনে মোট ১২২ দশমিক ৫০ টাকা ধরে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের রোববার (২৬ অক্টোবর) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে প্রেরিত এই রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সরকারের হুন্ডি প্রতিরোধে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ, প্রণোদনা চালু ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার ধাপদ্বারা উন্নতি করার ফলেই এই রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।

    তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো থেকে প্রবাসীরা ৩৮ কোটি ৪৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে। এর মধ্যে কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৯ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলো এর মাধ্যমে পাঠিয়েছে ১৪৪ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার, এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

    অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২.১০ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) এর হিসাববিধি বিপিএম–৬ অনুসারে রিজার্ভের পরিমাণ ২৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার।

    গত মাসে (সেপ্টেম্বর), বাংলাদেশি প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ২৬৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩২,৭৫৭ কোটি টাকা।

    এর আগে, অর্থবছরের প্রথম তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, বাংলাদেশের প্রবাসীরা মোট ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার বা প্রায় ৯২ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি। আর, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে রেমিট্যান্স প্রেরণার পরিমাণ ছিল ৬৫৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মন্দ ঋণের অবলোপনে সময়সীমা শিথিলের ঘোষণা

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মন্দ ঋণের অবলোপনে সময়সীমা শিথিলের ঘোষণা

    বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা এখন আরো যুগোপযোগী করে তুলতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মন্দ ঋণ অবলোপনের নীতিমালা পরিবর্তন করে শিথিলতা এনেছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মন্দ ও ক্ষতিজনক অবস্থা থাকা ঋণগুলো এখন থেকে ভবিষ্যতে আদায়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ হলে বা দীর্ঘ সময় ধরেই কার্যকরী না হলে অবলোপন করা যাবে। এছাড়া, পূর্বের নিয়মের মতোই, ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে ঋণগ্রহীতাকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে জানাতে হবে যে, ঋণটি অবলোপন করা হবে। এর ফলে, ঋণ অবলোপনের আগে ঋণগ্রহীতাদের সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং তারা সময়মতো অর্থ পরিশোধের সুযোগ পাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ঋণ অবলোপনের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, যেমন বন্ধকীকৃত সম্পত্তি বিক্রির প্রচেষ্টা চালানো। তবে, মামলাজনিত জটিলতা থাকলেও, পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ মামলায় আলোচনার বাইরে থাকবে। নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ঋণগুলো আংশিকভাবে অবলোপন করা যাবে না এবং যথাযথ পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন ছাড়া কোনো ঋণ অবলোপন করা সম্ভব হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি সময়ে দেশের ডলার সংকট কেটে গেছে এবং রিজার্ভ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, মন্দ ঋণের অবলোপনের মাধ্যমে ব্যাংকখাতে ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি আর্থিক ব্যবস্থাপনা আরও বাস্তবসম্মত হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এর এই সিদ্ধান্ত ব্যাংকিং সেক্টরকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে, একই সঙ্গে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাকেও আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।