Month: November 2025

  • অপমানে সাহসী ফাতিমার মাথায় উঠল মিস ইউনিভার্সের মুকুট

    অপমানে সাহসী ফাতিমার মাথায় উঠল মিস ইউনিভার্সের মুকুট

    থাইল্যান্ডের ব্যাংকক শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে বার্ষিক ‘মিস ইউনিভার্স ২০২৫’ প্রতিযোগিতা। এ বছর এই আসরে সবকিছু মাতিয়েছে মেক্সিকোর প্রতিযোগী ফাতিমা বশের সাহসিকতা ও আত্মবিশ্বাস। কয়েক দিন আগে, আয়োজকদের অশালীন মন্তব্যের বিরুদ্ধে তিনি স্পষ্টভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছিলেন, ‘আমি কোনো পুতুল নই।’ তার এই সাহসিকতা.Responseed প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী ও সামাজের মানসিকতার বিরুদ্ধে এক বিশাল বার্তা। অবশেষে, সেই ফাতিমাই জিতেছেন বিশ্বের সবচেয়ে престижিত সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার শিরোপা।

    ২১ নভেম্বর সকালে ব্যাংককের আইকনিক মঞ্চে শুরু হয় এই বৃহৎ গ্র্যান্ড ফাইনাল। এই ফাইনালে অংশগ্রহণ করে থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ভেনেজুয়েলা ও আইভরি কোস্টের সুন্দরীরা। বিচারকদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তরে ফাতিমা আত্মবিশ্বাসের সাথে তার মতামত ব্যক্ত করে অন্য প্রতিযোগীদের ছাড়িয়ে যান।

    প্রতিযোগিতার কয়েক দিন আগে, আয়োজক নাওয়াত ইৎসারাগ্রিসিলের কাছ থেকে অপমানজনক মন্তব্য শুনে ক্ষোভে ফেটেছিলেন ফাতিমা। তিনি প্রতিবাদ জানিয়ে নিজের অংশগ্রহণ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই দৃঢ় সিদ্ধান্তে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার ঝড় ওঠে। বন্ধুপ্রতিবন্ধী সহ-প্রতিযোগীরা ও নেটিজেনদের সমর্থনে তিনি চিহ্নিত হন একজন ‘ভয়হীন নারী’ হিসেবে।

    ফাইনালের মঞ্চে, বিশেষ করে নারী অধিকার, সম্মান ও নেতৃত্ব বিষয়ে তার উত্তর ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী ও স্পষ্ট। তার এই আত্মবিশ্বাসের উত্তর দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলতে সক্ষম হয়। এই ঘটনাই প্রমাণ করে যে, প্রতিবাদ সাহস নয় শুধু, সেটি জয়ের পাথেও নেতৃত্ব দেয়।

    এ বছর প্রধান দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন মিস থাইল্যান্ড। আর সেই সাহসী তরুণী, ২৬ বছর বয়সী ফাতিমা বশের মাথায় উঠল বহুল কাঙ্ক্ষিত মিস ইউনিভার্সের মুকুট। এটি মেক্সিকোর জন্য চতুর্থবারের মতো এই শিরোপা জয়ের ইতিহাস।

  • মাহিয়া মাহির আবেগী পোস্ট: আমার রূহ ভারতে, আমি আমেরিকায়

    মাহিয়া মাহির আবেগী পোস্ট: আমার রূহ ভারতে, আমি আমেরিকায়

    সিনেমার পরিমাণে অনিয়মিত হলেও সামাজিক মাধ্যমে অত্যন্ত নিয়মিত মাহিয়া মাহি। তিনি বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওশেয়ার করে নিজেকে প্রকাশ করেন। সম্প্রতি তিনি একটি পোস্টে জানান, তাঁর মন এখন ভারতে রয়েছে। ফেসবুকে তিনি কিছু ছবি প্রকাশ করেছেন যেখানে দেখা যায় ওভার কোটে মোড়ানো এই সুন্দরীর অবয়ব। ক্যাপশনে লিখেছেন, “আমার রূহটা ইন্ডিয়ায়, আর আমি আমেরিকায়।” তবে কী কারণে তিনি এই ধরনের পোস্ট দিলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানিয়েছেন না মাহি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তার এই পোস্ট সম্ভবত তার স্বামী রাকিব সরকারের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের জন্য।এমনকি এখন তিনি মনে করা হচ্ছে ভারতে থাকতে পারেন। কারণ, রাকিব সরকার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকা একজন ব্যক্তি, যিনি ৫ আগস্টের পর থেকে অনেকের মতো এখন ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। সরকার পতনের পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া না গেলেও, ধারণা করা হয় তিনি ভারতে আছেন। এ পরিস্থিতিতে মাহির এই পোস্টের মাধ্যমে হয়তো তিনি তার স্বামীর সঙ্গে দূরত্বের বেদনা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ করছেন। মাহিয়া মাহি দীর্ঘ দিন সিনেমায় সক্রিয় থাকলেও বর্তমানে তিনি ব্যক্তিজীবনকেই বেশি গুরুত্ব দেন। কিছুদিন আগে রাকিব সরকারের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়টি খবরের শিরোনামে আসে। সম্প্রতি জায়েদ খানের এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন মাহি, যেখানে তিনি কিছু ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলেছিলেন। এবার তিনি আবার এই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা_cfg করে দিলেন।

  • সিনেমা বানিয়ে এত টাকা পাননি, ইউটিউবে বিপুল আয় ফারাহ খানের

    সিনেমা বানিয়ে এত টাকা পাননি, ইউটিউবে বিপুল আয় ফারাহ খানের

    বলিউডের জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ফারাহ খান সম্প্রতি ইউটিউব ভ্লগিং থেকে বিপুল পরিমাণে অর্থ অর্জন করছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ইউটিউব থেকে তাঁর আয় সিনেমা পরিচালনার মাধ্যমে এক বছরে উপার্জিত অর্থের চেয়েও বেশি।

    ফারাহ খানের ইউটিউব চ্যানেলে বেশিরভাগ ভিডিও তাঁর বাবুর্চি দিলীপের সঙ্গে রান্নার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে থাকে, যা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। মূলত তিনি শুরুতেই এই চ্যানেলকে খাদ্য ও রন্ধনশিল্প বিষয়ক শো হিসেবে গড়েছেন।

    অভিনেত্রী সোহা আলী খানকে নিয়ে এক পডকাস্টে ফারাহ খানের বলেন, তাঁর টিমের অনুরোধে তিনি ইউটিউব চালু করেন। তিনি বলেন, ‘আমার এক বছরেও এত টাকা উপার্জন করিনি, যতটা এই এক বছরে আয় করেছি।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘এটি আমার নিজের চ্যানেল, তাই কেউই আমাকে বলতে পারে না যে কোন কনটেন্ট কাটাতে হবে বা কোন অতিথিকে আনতে হবে। আমি চাই সকলের মধ্যে সমতা থাকুক, ভেদাভেদ যেন না ফুটে ওঠে।’

    ফারাহ খানের এই জনপ্রিয়তা ও বিপুল সাবস্ক্রাইবারের জন্য তিনি ইউটিউবের সিলভার প্লে বোতাম অর্জন করেছেন।

    ২০১৩ সালে ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ সিনেমার পরে তিনি আর কোন সিনেমা পরিচালনা করেননি। তবে কেন তিনি এবার কনটেন্ট ক্রিয়েটর হলেন, সেই কারণও ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি জানান, ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে তিনি ইউটিউব চ্যানেল চালু করেন। তাঁর এই উদ্যোগ দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে। বর্তমানে তাঁর ইউটিউবে প্রায় ৩০ লাখ (তিন মিলিয়ন) সাবস্ক্রাইবার রয়েছে এবং ইনস্টাগ্রামে ৪.৫ মিলিয়ন (৪৫ লাখ) ফলোয়ার।

    একটি টকশোতে ৬০ বছর বয়সী ফারাহ খানের বলেছিলেন, ‘যখন আমার সিনেমার কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তখন আমি ভাবলাম, ইউটিউব শুরু করি। কারণ আমি আয় নিয়ে খুব সচেতন ছিলাম। আমার তিন সন্তান আগামী বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছে—এটি খুবই ব্যয়বহুল। তাই আমি মজার ছলে এই চ্যানেলটি শুরু করলাম, আর সেটি জনপ্রিয়তা পেল।’

    প্রসঙ্গত, ফারাহ খানের জীবনযাত্রা ও ক্যারিয়ার নিয়ে তাঁর ট্রিপলেট সন্তান সিজার, অন্ন ও দিবারের সঙ্গে শিরোনামে রয়েছে। তিনি ‘ম্যায় হুঁ না’, ‘ওম শান্তি ওম’ ও ‘তিস মার খান’ এর মতো জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন।

  • নির্মাতা শেখ নজরুল ইসলাম মারা গেছেন

    নির্মাতা শেখ নজরুল ইসলাম মারা গেছেন

    প্রখ্যাত নির্মাতা শেখ নজরুল ইসলাম আর নেই। মাইল্ড স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ধানমণ্ডি ইবনে সিনা হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা গাজী মাহবুব ও অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি।

    অভিনেত্রী মুক্তি তার সামাজিক media পোস্টে লেখেন, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, চলে গেলেন আমার প্রিয় ‘চাঁদের আলো’ সিনেমার জনপ্রিয় পরিচালক শেখ নজরুল ইসলাম মামা।’ সম্প্রতি, ১৬ নভেম্বর সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে মুক্তি জানিয়েছিলেন that শেখ নজরুল অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তখন তিনি মাইল্ড স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং তড়িঘড়ি করে ইবনে সিনা হাসপাতালে আইসিইউ-তে ভর্তি করা হয়। শেষ পর্যন্ত সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।

    শেখ নজরুল ইসলাম ১৯৩৫ সালের ৭ নভেম্বর নাটোরের কালিগঞ্জ থানার পিপরুল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সহকারী পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্রে Einstieg করেন। এর পরে, তিনি নির্মাতা হিসেবে কাজ শুরু করেন এবং জহির রায়হান ও খান আতাউর রহমানের সাথে কাজ করেছেন। তার প্রথম পরিচালিত সিনেমা ছিল ‘চাবুক’, যা ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়।

    তাঁর উল্লেখযোগ্য নির্মিত সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘নদের চাঁদ’, ‘এতিম’, ‘নাগিন’, ‘মাসুম’, ‘ঈদ মোবারক’, ‘আশা’, ‘পরিবর্তন’, ‘নতুন পৃথিবী’, ‘দিদার’, ‘সালমা’, ‘বউ শাশুড়ি’, ‘কসম’, ‘বিধাতা’, ‘স্ত্রীর পাওনা’, ‘চাঁদের আলো’, ‘চাঁদের হাসি’, ‘চক্রান্ত’, ‘সিংহ পুরুষ’, ‘সব খতম’ সহ আরও অনেক চলচ্চিত্র। তাঁর এই প্রয়াণে সিনেমা অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই

    বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই

    বছরের প্রখর সূর্যের মতোই আলোচিত ও প্রিয় অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আজ না ফেরার দেশে চলে গেছেন। তিনি আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) মুম্বাইয়ের নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, এই খবরটি নিশ্চিত করেছে ভারতের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ফিল্মফেয়ারসহ অনেক মিডিয়া। খবর অনুযায়ী, বলিউডের filler-এ নামের বাইরে এক যুগের অধিক সময় ধরে তিনি ‘হি-ম্যান’ খ্যাতির জন্য জনপ্রিয় হয়েছিলেন। তিনি ছিলেন ৮৯ বছর বয়সী এবং আজকের এই দিনে তিনি দীর্ঘ জীবনের ইতি টানলেন। তার মৃত্যু ভারতের সিনেমার ছয় দশকের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটালো। ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ধর্মেন্দ্র শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে গত অক্টোবরের শেষের দিকে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। চিকিৎসা শেষে কেবল ১২ দিন আগেই তিনি হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন। তবে শেষমেশ তার কপালে ছিল না ভিন্ন কিছু; সোমবার সকালে তিনি নিজ বাসায় ঘুম থেকে না ফেরার দেশে চলে যান। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর মতে, তার পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা এখন শোকের সাগরে ডুবে আছেন। অভিনেতার বাড়িতে ইতিমধ্যেই এম্বুলেন্স ঢুকে পড়ছে, বাড়ি থেকে ৫০ মিটার দূরে ব্যারিকেড দিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তার মেয়ে এஷা দেওলকে দেখা গেছে বাড়ির বাইরে অবস্থানরত অবস্থায়, এবং তার সঙ্গে সইতে দেখা গেছে বহু তারকার গাড়িও। সবচেয়ে বেশি আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে মুম্বাইয়ের ভিলে পার্লে শ্মশানে, যেখানে হেমা মালিনী, সানি দেওাল, ববি দেওালসহ পরিবারের বেশ কয়েকজন উপস্থিত হয়েছেন। এমনকি অমিতাভ বচ্চন ও অভিষেক বচ্চনও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় দুশ্চিন্তার সৃষ্টি হয়েছে। গত মাসের শুরুর দিকে শ্বাসকষ্টজনিত কারণে ধর্মেন্দ্র হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, তখন থেকেই তার সুস্থতা নিয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এতে তার পরিবারের কড়া প্রতিক্রিয়া আসে। পরে তিনি আবার সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন। আগামী ৮ ডিসেম্বর তাঁর ৯০তম জন্মদিন হওয়ার কথা ছিল, এবং সেই বিশেষ দিনটি জমকালো ভাবে উদযাপনের পরিকল্পনা ছিল। এমনকি তার স্ত্রী হেমা মালিনীও এই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন। সূত্র: ফিল্মফেয়ার, এনডিটিভি, পিঙ্কভিলা

  • পাকিস্তানের প্রথম ব্যাটার হিসেবে এক বছরে ১০০ ছক্কার রেকর্ড

    পাকিস্তানের প্রথম ব্যাটার হিসেবে এক বছরে ১০০ ছক্কার রেকর্ড

    ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ফর্ম দেখিয়ে পাকিস্তানের ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। পাকিস্তানের হয়ে প্রথম বার এক পঞ্জিকা বর্ষে ১০০টির বেশি ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড এই ডানহাতি ব্যাটারের ঝুলিতে এসেছে। চলমান ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে শনিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪৫ বলে ৮০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে তিনি দলকে জয় নিয়ে আসাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি এই বছর ১০২টি ছয় হাঁকিয়ে বিশ্ব রেকর্ডের মুখ দেখালেন, যা এখন পর্যন্ত ১২জনের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্বের অন্যান্য ক্রিকেটারের মধ্যে করনবির সিং ১২২ এবং নিকোলাস পুরান ১০৩টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন, তবে পাকিস্তানের জন্য এটাই প্রথম কীর্তি।

    শান্তি ও উজ্জ্বল পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি জাতীয় দলে নিজের স্থান শক্তপোক্ত করেছেন। চলতি বছরের মধ্যে তার শীর্ষ স্কোর ছিল ৮০, যা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ। গতকালকের ম্যাচে তিনি ২৭ বলের মধ্যে ৬ চার ও ৫ ছক্কা মারেন, এবং এই ইনিংসের মাধ্যমে তার ঝোড়ো ফর্ম আবারও প্রমাণিত হলো।

    এর আগে, ২০০৭ বিশ্বকাপে শোয়েব মালিকের ৫৭ রানের ইনিংসটিই ছিল পাকিস্তানের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান। শাহিবজাদা এই রেকর্ডও ভেঙে দেন নিজেরই ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দিয়ে। এদিকে, টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপে তিনি দলের সেরা রানসংগ্রাহক ছিলেন, যেখানে তিনি দুটি ফিফটি ও ফাইনালে ৪০ রান করে দলের জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছেন।

    প্রাথমিকভাবে ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ ছন্দে থাকা এই ব্যাটার, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম চার টি-টোয়েন্টিতেই ৩০-প্লাসের গণ্ডি পার করতে পারেননি, কিন্তু এরপর থেকে নিজের প্রতিভা দেখিয়ে চলেছেন। তার অসাধারণ পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতায় তিনি পাকিস্তানের ক্রিকেটের এক নতুন সাফল্যের মুখ।

  • চমক রেখে আয়ারল্যান্ড সিরিজের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা বাংলাদেশের

    চমক রেখে আয়ারল্যান্ড সিরিজের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা বাংলাদেশের

    আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বাংলাদেশের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এই সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচ হবে ২৭ নভেম্বর। রোববার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ১৫ সদস্যের এই দলে বেশ কিছু চমক রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম তরুণ ক্রিকেটার মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। এছাড়া দলের প্রয়োজন অনুযায়ী ফিরেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। এই দলে জায়গা পেয়েছেন, তবে বাদ পড়েছেন তাসকিন আহমেদ ও শামীম হোসেন পাটোয়ারি, যঃরা শেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে খেলেছিলেন। লিটন দাসের নেতৃত্বে দলে থাকা অন্য সদস্যরা অপরিবর্তিত থাকছেন। উল্লেখযোগ্য হলো, এর আগে বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশের শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখা গেছে। প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ৪৭ রানে জয়, এবং দ্বিতীয় টেস্টে ২১৭ রানে ব্যাট করে বড় জয় অর্জন করে তারা। এই টেস্ট সিরিজের সফলতা বাংলাদেশের মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছে, যা আসন্ন টি-টোয়েন্টি লড়াইয়ে তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বহুগুণে বাড়িয়েছে। বাংলাদেশ দলের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে আছেন: লিটন দাস (অধিনায়ক), সাইফ হাসান (সহ-অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন, তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলী, নুরুল হাসান সোহান, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, শেখ মেহেদী, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান, শরিফুল ইসলাম এবং সাইফ উদ্দিন।

  • বাংলাদেশের কাছে সুপার ওভারে হেরে পাকিস্তানের ফাইনাল স্বপ্ন ভঙ্গ

    বাংলাদেশের কাছে সুপার ওভারে হেরে পাকিস্তানের ফাইনাল স্বপ্ন ভঙ্গ

    রিপন মণ্ডল ও রাকিবুল হাসান শক্তিশালী পারফরম্যান্সের মাধ্যমে বাংলাদেশের জয়ের সুযোগ তৈরি করেছিলেন। সাদ মাসুদ শেষের ক্যামিও দেখে দুর্দান্ত বোলিং করে পাকিস্তানকে ১২৫ রানে আটকে রাখেন। প্রত্যাশার কথা ছিল হাবিবুর রহমান সোহান ও জিসান আলমের প্রথম পর্যায়ে ভালো শুরু, যা কিছুটা সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। কিন্তু কিছু ওভারের মধ্যেই পাকিস্তানের স্পিনাররা ঘুর্ণিগর্জিত বোলিংয়ে বাংলাদেশকে ছন্নছাড়া করে দেয়। ইয়াসির আলী রাব্বি, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ও আকবর আলীর ব্যর্থতার কারণে দিনে কিছুটা আশার আলো দেখান রাকিবুল হাসান ও এসএম মেহেরব। তারা দুজনই শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি শেষ করতে পারেননি; মেহেরাব ১৯ রানে এবং রাকিবুল ২৪ রানে আউট হন।

    শেষের দিকে আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও রিপন মণ্ডল ভাগ্যনিষ্ঠভাবে জয়ের জন্য লড়াই চালিয়ে যান। জিততে হলে শেষ ২ ওভারে বাংলাদেশের জন্য ২৭ রান দরকার ছিল। সেই পরিস্থিতিতে ১৯তম ওভারে শহীদ আজিজকে তিন ছক্কা মারেন তারা। ওই ওভে ২০ রান আসে। তখন শেষ ওভারে বাংলাদেশের দরকার হয় ৭ রান, যেখানে রিপন প্রথম বলেই দুই রান নেন। পরের বল থেকে আরও এক রান, চতুর্থ বলেও সিঙ্গেল নিয়ে স্কোর সমান করেন মাসুদ। তৃতীয় বলেও রান নিতে সক্ষম হন। তবে শেষ দু’টি বলে বাংলাদেশ ৩ রান করতে সক্ষম হয়, ফলে সুপার ওভারে গড়ায় ম্যাচ।

    সুপার ওভারে বাংলাদেশের ব্যাটিং দায়িত্বে থাকেন সাকলাইন ও মাজ সাদাকাত। প্রথমে সোহান এক সিঙ্গেল নেন, তবে দ্বিতীয় বলে দানিয়ালের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন সাকলাইন। এরপর দানিয়াল ওয়াইডসহ পাঁচ রান দেন। পরের বলেই জিসানকে বোল্ড করেন। বাংলাদেশ সময় মাত্র ৬ রানে থেমে যায়।

    বাংলাদেশের জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ, যেখানে পাকিস্তান এখনও তৃতীয়বারের মতো এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্সে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ইতিহাস दर्ज করেছে।

    এর আগে, টস হারিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমেও শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম বলেই রিপন মণ্ডলের সঙ্গীতা দ্রুত সিঙ্গেল করতে গিয়ে আব্দুল গাফফার সাকলাইনকে সরাসরি থ্রোতে রানআউট করেন ইয়াসির খান। এরপর, দ্বিতীয় ওভারে মেহেরবের বলের লাইনের ভুলে মোহাম্মদ ফায়েকও উইকেট Loss করেন। জুটি গড়ার চেষ্টা করেন হাজী ঘুরি, কিন্তু এটি বড় হতে দেননি রাকিবুল হাসান।

    আরও আক্রমণ করতে গিয়ে পাঁচ ওভারে গাজীকে বোল্ড করেন গাজী। অন্যদিকে, বাংলাদেশকে ভয় দেখানোর জন্য সাদাকাত চেষ্টা করেছিলেন, তবে জিসান তাকে ইন সাইড এজে বোল্ড করে পাল্টা আক্রমণ দমন করেন। সাকলাইন নিজের দ্বিতীয় ওভারে আরফাতকে ফিরিয়ে আনেন, ডানহাতি পেসার হিসেবে স্লোয়ারে আঘাত করেন। এরপর, ইরফানকে আউট করে বাংলাদেশের আর্মিও কমে যায়। তবে, পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ পর্যন্ত মাসুদের ২৬ বলে ৩৮ রানের ইনিংসের মাধ্যমে তারা ১২৫ রান তুলতে সক্ষম হয়। বাংলাদেশের হয়ে রিপন তিনটি, রাকিবুল দুটি উইকেট শিকার করেন।

  • মেসির এক গোল ও তিন অ্যাসিস্টে মিয়ামির শিরোপার কাছে পৌঁছানো

    মেসির এক গোল ও তিন অ্যাসিস্টে মিয়ামির শিরোপার কাছে পৌঁছানো

    লিওনেল মেসি আবার দেখালেন কেন তিনি বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়। তার অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্যই এফসি সিনসিনাটিকে ৪-০ গোলে হারিয়ে এন্ট্রি লাভ করেছে ইন্টার মায়ামি। রোববার রাতে সিনসিনাটির মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মেসি এক গোল করেন এবং বাকি তিনটি গোলের পিছনে তার দুর্দান্ত অ্যাসিস্ট ছিল। তার এই কার্যক্রমে দারুণভাবে উজ্জীবিত হন দলের অন্য খেলোয়াড়রা। আলেন্দে দুটি গোল করেন এবং অন্য একটি গোল করেন কিশোর আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড মাতেও সিলভেত্তি। এই জয়ের ফলে তারা শনিবারের ইস্টার্ন কনফারেন্সের ফাইনালে উঠতে পেরেছে।

  • বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয়ে ব্রুনেইকে ৮-০ গোলে হারালো অনূর্ধ্ব-১৭ দল

    বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয়ে ব্রুনেইকে ৮-০ গোলে হারালো অনূর্ধ্ব-১৭ দল

    এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপ ফুটবলের বাছাইপর্বে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল দল একটি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। মঙ্গলবার চীনের ইয়ংচুয়ান স্পোর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক ম্যাচে তারা ব্রুনেইকে ৮-০ গোলে বিধ্বস্ত করে। এই জয়ে তারা টুর্নামেন্টে তাদের দ্বিতীয় ধারাবাহিক জয় পায়, যা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশংসনীয় নজির। এর আগে, প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের তরুণরা পূর্ব তিমুরকে ৫-০ গোলে হারিয়ে দুর্দান্ত সূচনা করে। ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশি খেলোয়াড়রা আধিপত্য বিস্তার করে আক্রমণে প্রচুর চাপ সৃষ্টি করে। প্রথমার্ধে তারা ৪-০ গোলে এগিয়ে যায় বলে, দ্বিতীয়ার্ধে আরও চারটি গোল যোগ করে জয় নিশ্চিত করে। বাংলাদেশের হয়ে দুটি করে গোল করেছেন রিফাত কাজী ও অপু রহমান। এছাড়া একটি করে গোল করেছেন মোহাম্মদ মানিক, আলিফ রহমান, নাজমুল হুদা এবং বায়েজিদ বোস্তামি। পুরো ম্যাচজুড়ে তারা মাঝমাঠ থেকে শুরু করে আক্রমণভাগ—সব সময়ই আধিপত্য দেখিয়েছে। গ্রুপের মোট ছয়টি দল হলেও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ব্রুনেই ছাড়া অন্য কেউ দুই ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়নি। আগামী বুধবার বাংলাদেশ তৃতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে। এর আগে প্রতিপক্ষগুলি হল শক্তিশালী বাহরাইন ও স্বাগতিক চীন। গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দলগুলো আগামী বছর মে মাসে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করবে। মূল পর্বে ১৬ দল অংশ নেবে, যার মধ্যে ৯টি দল ইতোমধ্যে নিশ্চিত হয়েছে, আর বাকি দলগুলো বাছাইপর্ব থেকে যোগ দেবে। অনূর্ধ্ব-১৭ পর্যায়ে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে দুটি এবং অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায়ে চারবার এশিয়ান কাপের অংশ নিয়েছে, তবে কোনওবারই গ্রুপপর্ব পেরোতে পারেনি।