Month: November 2025

  • তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধানের শীষের বিকল্প নেই: মঞ্জু

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধানের শীষের বিকল্প নেই: মঞ্জু

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেছেন যে, বাংলাদেশ দেশকে সুন্দরভাবে গঠন করতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ধানের শীষের বিকল্প নেই। তিনি বলেছেন, এই নির্বাচনে দলকে জিতিয়ে আনতে আমাদের সকল নেতাকর্মীকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি নেতাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করে নির্বাচনী প্রচার এবং কর্মসূচি পালন করতে হবে যাতে দল বিজয়ী হয়।

    সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় খুলনা জেলা প্রশাসক আ স ম জামশেদ খন্দকার, খুলনা জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার, খুলনা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোঃ রফিকুল গাজীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। পরে তিনি ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ডক্টরস পয়েন্টের চিকিৎসক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এছাড়া, অসুস্থ অধ্যাপক হারুন-অর রশিদ, পিটিআই মসজিদের খতিব হাফেজ মাকছুদুর রহমানের বাসায় গিয়েও সাক্ষাত করেন এবং দোয়া পরিচালনা করেন।

    সন্ধ্যার পর, কেসিসি কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশ গঠনের জন্য ৩১ দফা ঘোষণা দিয়েছেন। ভবিষ্যতে যদি দল ক্ষমতায় আসে, এই ৩১ দফা ভিত্তিতে একটি শান্তিপূর্ণ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্তরে নেতাকর্মীরা এই কর্মসূচির সফলতার জন্য কাজ করছেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, এড. ফজলে হালিম লিটন, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, মজিবর রহমান ফয়েজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, মোস্তফা কামাল, ইশহাক তালুকদার, এড. মুজিবর রহমান, মহিবুল্লাহ শামীম, রবিউল ইসলাম রবি, আব্দুল মতিন, মেশকাত আলী, আব্দুল জব্বার, রিয়াজুর রহমান, আলমগীর হোসেন আলম, মাহবুব হোসেন, মোহাম্মাদ আলী, খান শহিদুল ইসলাম, মাসুদ খান বাদল, শামীম খান, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, কামাল উদ্দিন, সমীর কুমার সাহা, এড. আব্দুস সোবহান সরদার, নুরুল ইসলাম লিটন, শরিফুল ইসলাম সাগর, এড. ওমর ফারুক, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, ফিরোজ আহমেদ, আলমগীর ব্যাপারী, মুশফিকুর রহমান অভি, এস কে মাহমুদ, ওহেদুর রহমান বাবু, সেলিম বড় মিয়া, খান রাজিব, শহিদুল ইসলাম লিটন, মাহমুদ হাসান মুন্না, সজল আকন নাসিব, জাহান আলী, আবু দাউদ খান, এ আর রহমান, রুহুল আমিন রাসেল, বাবুল হোসেন, ওহেদুজ্জামান শিমুল, পারভেজ মোড়ল, রাজু আহমেদ রাজ, জামাল মোড়ল, লাল মিয়া, মামুনুর রহমান রাসেল, জুয়েল রহমান, জাহিদুল ইসলাম শেখ, আতিকুর রহমান লিটন, আসাদ সানা, নাহিদ ইসলাম, শফিউদ্দিন আহমেদ, আসমত হোসেন, আনোয়ার মোল্লা, মিজান সরদার, শহিদ ব্যাপারী, কামাল হোসেন, ইমতিয়াজ সেজান, হারুন হেলাল, রিমো চৌধুরী, আবুল কালাম, আশিকুর রহমান সেলিম, আবুল কাশেম হাবলী প্রমুখ।

  • খুলনা শিল্পাঞ্চল এখন মৃত নগরী: আ’লীগ নেতাদের মেশিনারিজ বিক্রির অভিযোগ

    খুলনা শিল্পাঞ্চল এখন মৃত নগরী: আ’লীগ নেতাদের মেশিনারিজ বিক্রির অভিযোগ

    খুলনার একসময়কার ব্যাপক কর্মচাঞ্চল্যপূর্ণ শিল্পাঞ্চল খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানার এলাকা এখন হারিয়ে গেছে তার ঐতিহ্য ও জীবন্ত চেহারা। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পানি সংকট, পাটকল বন্ধ হওয়া ও স্বাস্থ্যসেবা হ্রাসের কারণে এলাকা যেন এক বিশাল শোকাবহ মৃত নগরীতে পরিণত হয়েছে। এমত পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর সমালোচনায় মুখর হয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. এস এম শফিকুল আলম মনা। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ নেতারা লিজের নামে পাটকলের মূল্যবান যন্ত্রাংশ খুলে স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করে দিয়েছেন। এর ফলে শ্রমিকরা তাদের প্রাপ্য অর্থ পাননি, তবুও তারা অসুস্থতা ও দূর্দশায় জীবন কাটাচ্ছেন।

    সোমবার রাতে নগরীর দৌলতপুরস্থ ৩নং ওয়ার্ডে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও বিশিষ্টজনদের সাথে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের পক্ষে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এই অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, গত এক দশকে এই এলাকা পানির একটির জন্য হাহাকার চলছে। নির্বাচনের সময় বিভিন্ন আশ্বাস দেয়া হয়, কিন্তু বাস্তবে কিছুই পাল্টালো না। বর্তমানে খালিশপুর ও এর আশপাশের এলাকা যেন এক প্রায় মৃত নগরীতে পরিণত। দুপুর ১২টার দিকে খালিশপুরে গেলে মনে হয় যেন কেউ জীবিত নেই, পুরো এলাকা যেন শ্মশান বা মৃতপুর।

    পাটকল বন্ধের পর থেকে শ্রমিকদের জীবন দুর্বল ও অসহায় হয়ে পড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই পাট উৎপাদনকারী মিলগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। লিজের জন্য মাননীয় সরকার যন্ত্রাংশগুলো স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করে দিয়ে শ্রমিকদের পাওনা টাকা পর্যন্ত পরিশোধ করেনি। এতে শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য অধিকার পাননি।

    স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার দুর্বলতাও তিনি তুলে ধরেন। সরকারি ও বেসরকারি মানসম্পন্ন হাসপাতাল না থাকায় অসুস্থ হলে মানুষকে অনেক দুরে খুলনা মেডিকেলে যেতে হয়। পথেই অনেকের জীবন ঝুঁকিতে পড়ে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে রকিবুল ইসলাম বকুল এলাকা উন্নয়নে ব্যাপক উদ্যোগ নিবেন এবং একটি বড় হাসপাতাল নির্মাণ করবেন।

    বক্তব্যে তিনি ধর্মীয় বিভ্রান্তিকর প্রচারণারও সমালোচনা করেন। বলেন, কেউ বলছেন, ভোট দিলে বেহেশত যাবে। এটা সম্পূর্ণ ভুল ও শিরক। আল্লাহই একমাত্র যে মানুষকে বেহেশতে নেবেন। এসব বিভ্রান্তি পরিহার করতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

    সভায় আরও বক্তৃতা করেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদি, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন ও মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি শেখ শরিফুল আলম। সভা শেষে ‘ক্যাপ্টেন রকিবুল ইসলাম বকুল’ শিরোনামের অনুপ্রেরণামূলক তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    অন্তে, শফিকুল আলম মনা ভোটারদের প্রতি অনুরোধ জানান, বিপদকালীন সময়ে পাশে থাকা নেতা হিসেবে রকিবুল ইসলাম বকুলকে ধানের শীষ প্রতিকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য।

  • চিতলমারীতে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ৩০৫০ কৃষককে বিনামূল্যে ধান বীজ বিতরণ

    চিতলমারীতে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ৩০৫০ কৃষককে বিনামূল্যে ধান বীজ বিতরণ

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে ধান উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ৩ হাজার ৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে হাইব্রিড ধান বীজ বিতরণ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা কৃষি দপ্তর থেকে এ বীজ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মোঃ সাজ্জাদ হোসেন। তিনি এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন কমিটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোঃ সিফাত-আল-মারুফ জানান, চলতি রবি মৌসুমে উপজেলার মোট ৭টি ইউনিয়নের ৩০৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় এই ধান বীজ প্রদান করা হয়েছে। প্রতিজনের জন্য আগ্রহীদের মধ্যে ২ কেজি করে জাতের নাম হাইব্রিড এসএল-৮এইচ। এই বিতরণ বিভিন্ন ইউনিয়নে হয়, যেমন বড়বাড়িয়া ইউনিয়নে ৫৫০ জন, কলাতলা ৩৮০ জন, হিজলা ৩৯০ জন, শিবপুর ২৫০ জন, চিতলমারী সদর ৯৪০ জন, চরবানিয়ারী ২৫০ জন, ও সন্তোষপুর ২৯০ জন।

    উপজেলায় এ মৌসুমে প্রায় ২৯,৯৪৩ একর জমিতে বোরো ধান চাষের পরিকল্পনা রয়েছে, যার ফলে একযোগে হাজার হাজার কৃষক এই কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন।

    বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ আহম্মেদ ইকবাল, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ হাবিবুর রহমান এবং উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন।

  • মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলায় সুপেয় পানির অধিকার নিশ্চিতের জন্য ক্যাম্পেইন

    মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলায় সুপেয় পানির অধিকার নিশ্চিতের জন্য ক্যাম্পেইন

    বাগেরহাট জেলার উপকূলীয় মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় সুপেয় পানির অধিকার নিশ্চিত করতে সচেতনতামূলক এক বিস্তৃর্ণ ক্যাম্পেইন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সকালেই এ কার্যক্রম শুরু হয়, যেখানে জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের সৃজন প্রকল্পের উদ্যোগে উপজেলা চত্বরে এই র‌্যালির আয়োজন করা হয়। র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহসহ ব্যাপক সংখ্যক নারী-পুরুষ, স্থানীয় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিরা।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা জীবনের মৌলিক অধিকার হিসেবে নিরাপদ পানির প্রাপ্যতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলোর সক্রিয়তার ওপর জোর দেন, যাতে পানির অভাব দূর হয়। এ কার্যক্রমের শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করা হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য ৯ দফা দাবি তুলে ধরেছেন। এর মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি এবং সুপেয় পানির নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

  • খুলনায় আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষের উদ্বোধন

    খুলনায় আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষের উদ্বোধন

    আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকালেও খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে এক সুন্দর ও আলোচিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষের উদযাপন শুরু হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে খুলনা জেলা প্রশাসন এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যৌথভাবে অংশগ্রহণ করে।

    এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ‘নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতা বন্ধে ঐক্যবদ্ধ হই, ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করি’। এটি আমাদের সমাজে নারীর নিরাপত্তা ও সম্মান বজায় রাখতে কীভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।

    নেতৃবৃন্দের বক্তব্যে তারা বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতন বন্ধ করতে হলে নারীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। নারীরা যখন অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবেন, তখন তাদের উপর নির্যাতন স্বাভাবিকভাবেই কমে যাবে। নারীরা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠলে, সমাজে তাদের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে নারীরা ঘর ও বাইরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন, তাই তাদের সম্মান দেয়া সমাজের মূল দায়িত্ব। বক্তারা প্রার্থনা করেন, নারীরা যেন মানুষের মতো স্বাধীনভাবে জীবন যাপন করতে পারেন এবং তাদের পরিপূর্ণ অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়।

    উদ্যোক্তা and অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, মহিলা বিষয়ক দপ্তরের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুরাইয়া সিদ্দীকা, মহিলা নেত্রী অ্যাডভোকেট শামীমা সুলতানা শিলু এবং বিভিন্ন নারী সংগঠনের প্রতিনিধি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বেসরকারি নারী সংগঠন, এনজিও ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করেন।

    উল্লেখ্য, এই নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষে কার্যক্রম আগামী ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এই সময়ে সমাজের প্রত্যেকটি স্তরে নারী ও মেয়েদের নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

  • সোনার দামে বড় বৃদ্ধি: দুই দফা কমার পর আবার ঊর্ধ্বমুখী

    সোনার দামে বড় বৃদ্ধি: দুই দফা কমার পর আবার ঊর্ধ্বমুখী

    দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমানে প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২৭৬2 টাকা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে, ভালো মানের সোনার (২২ ক্যারেট) দাম পৌঁছেছে ২ লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকা, যা পূর্বের চেয়ে উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে।

    শনিবার (১৮ নভেম্বর) দেশে প্রথমে প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩৬৪ টাকা অপরিবর্তিতভাবে কমানো হয়েছিল। এরপর মাত্র এক দিন যেতে না যেতে, বা মঙ্গলবার, একই দাম আবারো বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ, এক দিনে প্রায় দ্বিগুণ বা ২ হাজার ৬১২ টাকা মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে, এখন ২২ ক্যারেটের সোনার ভরি জোড়া হয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকায়।

    বাজুস বলছে, এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে প্রধান কারণ হলো স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বেড়ে যাওয়া, এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার জোয়ার। বিশ্ববাজারে প্রতিও আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা মূলত আমাদের দেশের দরকষাকষি ও মূল্য নির্ধারণে 영향을 ফেলেছে।

    নতুন মার্জিন অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের এক ভরির মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকা। এর পাশাপাশি, অন্যান্য মানের সোনার দাম হচ্ছে: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৭১ হাজার ৪২৬ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি সোনার প্রতি ভরি দামে রয়েছে এক লাখ ৪২ হাজার ৫৯২ টাকা।

    অপরদিকে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার প্রতি ভরি দাম হয়েছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে রুপার প্রতি ভরি বর্তমান বাজার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • স্বর্ণের দাম কমলো, নতুন দাম নির্ধারণিং হয়েছে বিভিন্ন ক্যারেটের জন্য

    স্বর্ণের দাম কমলো, নতুন দাম নির্ধারণিং হয়েছে বিভিন্ন ক্যারেটের জন্য

    দেশের ঋতুভিত্তিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য কিছুটা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দাম কমার প্রেক্ষিতে এক দিনের মধ্যে দেশের স্বর্ণের বাজারে দামহ্রাসের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে উচ্চমানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম আগামী শুক্রবার থেকে কার্যকর হবে, যা এখন থেকে ১,৩৫৩ টাকা কমে দাঁড়াবে ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকা। এর আগে, ২০ অক্টোবর স্বর্ণের দাম রেকর্ড ভেঙে যায়, তখন এক ভরি স্বর্ণের দাম হয়ে ওঠে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিং বৈঠকে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে, কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

    গত ২০ অক্টোবর স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল, যার ফলে উচ্চমানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য বেড়ে যায়। তবে, আজ আবার দাম কমানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন দাম অনুসারে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য এখন ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকায় নেমে এসেছে, যা আগে ছিল ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা। অন্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি এখন ১,৯৮,৬৯৬ টাকা, আগের দাম ছিল ২,০০,০০৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কমে ১,৭০,৩১৮ টাকা হয়েছে, আগে যার দাম ছিল ১,৭১,৪২৬ টাকা। এছাড়াও, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম এখন ১,৪১,৬৪৮ টাকা, যা আগের থেকে ৯৪৪ টাকা কম।

    উল্লেখ্য, এর আগে ২০ নভেম্বর সর্বশেষ দাম বৃদ্ধির ঘোষণা আসলেও, সেই সময় স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ানো হয়। এই পরিবর্তনের ফলে স্বর্ণের বাজারে এক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন ক্যারেটের স্বর্ণের দামের এই ওঠানামায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে বিখ্যাত জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, স্বর্ণের দাম স্থিতিশীল রাখতে তারা সর্বদা সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে।

    অপরদিকে, রূপার দাম এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের রূপার এক ভরি দামের নির্ধারণ হয়েছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম হিসাবেও নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড ও নোট বিনিময় বন্ধ ঘোষণা

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড ও নোট বিনিময় বন্ধ ঘোষণা

    বাংলাদেশ ব্যাংক বৃহস্পতিবার থেকে সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড বিক্রয় এবং ছেঁড়াফাটা ব্যতিক্রমী নোট বিনিময়ের জন্য সব ধরনের সেবা বন্ধ করে দিয়েছে। এছাড়াও একই সময়ে সরকারি চালানসেবা এবং চালান-সংক্রান্ত ভাংতি অর্থের কার্যক্রমও স্থগিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের জানানো হয়েছে, প্রাথমিকভাবে আজ থেকে দেশের বিভিন্ন শাখা—মতিঝিল, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, খুলনা, সিলেট, ময়মনসিংহ ও সদরঘাট—এসব সেবা থেকে বিরত থাকছে। তবে ব্যাংকের এই সেবা বন্ধ থাকলেও, বাণিজ্যিক ব্যাংকদের শাখাগুলি যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, সেজন্য তদারকি ও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত, বাংলাদেশ ব্যাংক কেপিআইভুক্ত হওয়ার কারণে নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে এই সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের অন্য কোনো দেশে এই ধরনের সেবা দেওয়া হয় না।

    সংবাদ সূত্র জানিয়েছে, সঞ্চয়পত্রের সার্ভার জালিয়াতির ঘটনা কেন্দ্র করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিরাপত্তা নীতিমালা অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং তথ্যের সুরক্ষার দিক থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উচ্চ নিরাপত্তা স্তর বিনিয়োগশীল নিরাপত্তার জন্য, সাধারণ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রিত করার লক্ষ্যেও এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

  • আগামী জুলাই থেকে সব প্রতিষ্ঠান নগদহীন লেনদেনে যাবে: গভর্নর

    আগামী জুলাই থেকে সব প্রতিষ্ঠান নগদহীন লেনদেনে যাবে: গভর্নর

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, আগামী জুলাই মাস থেকে সরকারি বেসরকারি সব ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), বিমা ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের প্রতিষ্ঠান আন্তঃলেনদেনের জন্য নতুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করবে। এই ব্যবস্থায় ব্যাক্তিগতভাবে নগদ অর্থ তুলতে বা গুণতে হবে না—যা পুরোপুরি ক্যাশলেস লেনদেনের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

  • আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাসের বৃদ্ধি

    আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাসের বৃদ্ধি

    আয়কর দাখিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা আবার এক মাস বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার করদাতারা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন, যা আগে নির্ধারিত ছিল ৩০ নভেম্বর। এই সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য ব্যবসায়ীদের ও অন্যান্য করদাতাদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজ রোববার (২৩ নভেম্বর) কাকতালীয় এক প্রজ্ঞাপন সূত্রে এই ঘোষণা জানানো হয়।

    একজন এনবিআর কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ২০২৩ সালের আয়কর আইনের অধীনে ২০২৫-২৬ করবর্ষের জন্য প্রতিটি করদাতার জন্য রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর। তবে, বিভিন্ন পেশার করদাতাদের অনুরোধ বিবেচনায় এনে, রিটার্নের সময় এক মাসের জন্য বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    এনবিআর এর তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যে এই বছরই ১০ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে তাদের আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন। গত ৪ আগস্ট, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ জাতীয় কর রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট www.etaxnbr.gov.bd এর মাধ্যমে ই-রিটার্নের উদ্বোধন করেন।

    এ বছরের বিশেষ এক আদেশে ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের প্রবীণ করদাতা, শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরা, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা, মৃত করদাতার আইনগত উত্তরাধিকারী ও বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করে তোলা হয়। তবে, যারা এই বাধ্যবাধকতা থেকে exemptions পেয়েছেন, তারা ইচ্ছা করলে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।

    বিদেশে থাকা বাংলাদেশি করদাতাদের জন্য পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা সহ আবেদন জানাতে বলা হয়েছে। এই আবেদন গ্রহণের পর তাদের ই-মেইলে OTP এবং রেজিস্ট্রেশন লিংক পাঠানো হয়, যার মাধ্যমে তারা সহজে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারেন। এই ই-রিটার্নের ক্ষেত্রে করদাতাদের কোন কাগজপত্র আপলোড করতে হয় না। শুধুমাত্র তাদের আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের তথ্য প্রদান করলেই তাৎক্ষণিকভাবে Acknowledgement Slip ও আয়কর সনদ প্রিন্ট করা যায়। এই ব্যবস্থা দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত করদাতাদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করছে।

    করদাতাদের জন্য সমস্যা দ্রুত সমাধানে এনবিআর একটি কল সেন্টার (০৯৬৪৩ ৭১ ৭১ ৭১) চালু করেছে, যেখানে টেলিফোনের মাধ্যমে সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি, www.etaxnbr.gov.bd ওয়েবসাইটের e-Tax Service অপশন এবং দেশের বিভিন্ন কর অঞ্চলের ই-রিটার্ন হেল্প ডেস্ক থেকেও সরাসরি সেবা দেওয়া হচ্ছে।