Month: November 2025

  • ধর্মেন্দ্রের বিপুল সম্পত্তি, কিন্তু হেমা মালিনীর জন্য কিছুই থাকছে না?

    ধর্মেন্দ্রের বিপুল সম্পত্তি, কিন্তু হেমা মালিনীর জন্য কিছুই থাকছে না?

    বলিউডের জনপ্রিয় প্রয়াত অভিনেতা ধর্মেন্দ্র দেওলের সুস্থ জীবন শেষ হয়ে গেছে দীর্ঘ কালের জন্য। তিনি ক্যারিয়ারে একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়ে অগণিত ভক্তের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। আর তার বহুমুখী সফলতা শুধু সিনেমায় নয়, ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও প্রমাণিত—প্রযোজনা, রেস্তোরাঁ, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি থেকে তিনি ব্যাপক আয় করেছিলেন।

    দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে ছবির মাধ্যমে ১৯৬০ সালে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন ধর্মেন্দ্র। প্রথমে তার পারিশ্রমিক ছিল কেবল ৫১ টাকা, যা তখন ছিল খুবই সামান্য। তবে, প্রথম সিনেমার পর দীর্ঘ ছয় বছর অপেক্ষা করে তাকে স্মরণীয় করে তুলেছে ১৯৬৬ সালের সিনেমা ‘ফুল অর পাত্থর’, যেখানে অভিনয় করে তিনি ‘হি-ম্যান’ উপাধি পান। বেশি দিন নয়, ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে বলিউডের অন্যতম শীর্ষ তারকা হিসেবে অবস্থান করেন তিনি।

    অবশেষে, আজ তার মৃত্যুতে আলোচনায় এসেছে তার সম্পত্তির বিশাল পরিমাণ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য বর্তমানে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। তার আয়ের মূল উৎস অবশ্যই সিনেমা, তবে তা ছাড়াও তিনি করেছেন ব্যবসায় বিভিন্ন উদ্যোগ—প্রযোজনা, বিজ্ঞাপন, রেস্তোরাঁ চালানো—এসব থেকে তিনি বিশাল সম্পদ রোজগার করেছেন।

    তার মুম্বাইয়ের লোনাভালা এলাকায় অবস্থিত ১০০ একর জমিতে নির্মিতหนึ่ง বিলাসবহুল ফার্মহাউস রয়েছে। এই ফার্ম হাউসের মাঝে রয়েছে সুইমিং পুল, থেরাপি সেন্টার এবং সুদৃশ্য বড়াসবাগান, যেখানে থাকেন স্বস্তি ও আরাম। এই বাড়ির বাজার মূল্য প্রায় ১২০ কোটি টাকা।

    এছাড়াও, মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রান্তে আরও অন্যান্য বাড়ি-জমিসহ তার মোট সম্পত্তির মূল্য প্রায় ১৭ কোটি টাকা। এতে অন্তর্ভুক্ত কৃষি জমি ও পরিত্যক্ত জমি-জমির মূল্যাত্মক অংশ।

    তার সংগ্রহে রয়েছে বিলাসবহুল গাড়ি—মার্সিডিজ বেঞ্জ এস-ক্লাস, মার্সিডিজ বেঞ্জ SL500 এবং ল্যান্ড রোভার রেঞ্জ রোভারের মতো জনপ্রিয় গাড়িগুলি।

    অথচ, বলিউড সূত্র অনুযায়ী, ধর্মেন্দ্রর দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী বাস্তবায়ন করতে না পারা দুর্ভাগ্যজনক এক বাস্তবতা—প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরকে ডিভোর্স না দিয়ে ধর্মেন্দ্র হেমার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। এই বিবাহটি অবশ্য হিন্দু ধর্মীয় রীতির অনুসারে বৈধ নয়। তবে, ধর্মেন্দ্রের বেঁচে থাকাকালীন তার দুই কন্যা—এষা ও অহনা—উল্লেখযোগ্যভাবে বাবার সম্পত্তির অংশ পাবেন, যা উত্তরসূরির কাছে অধিকার হিসেবে থাকবে। কেবল এটি নয়, তার সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে বিলাসবহুল গাড়ি, বাড়ি, জমি—সবই তার জীবদ্দশায় কড়া সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত।

  • গায়িকা রোজাকে গুলি, হাসপাতালে মৃত্যু

    গায়িকা রোজাকে গুলি, হাসপাতালে মৃত্যু

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে নর্থরিজ এলাকার একটি অন্ধকার রাস্তায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন জনপ্রিয় ল্যাতিন সংগীতশিল্পী মারিয়া দে লা রোজা। এটি ঘটে ২২ নভেম্বর, যখন তিনি নর্থরিজের ব্রায়ান্ট স্ট্রিটে একটি পরিষ্কার দিন পার করছিলেন। জানা গেছে, এই সময় তিনি একটি পার্ক করা গাড়ির পাশে ছিলেন। হঠাৎই দুর্বৃত্তরা তাদের দিকে ছন্দময় গুলির ঝটিকা ছুড়ে দেয়। গুরুতর আহত হওয়ার পর রোজাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু ডাক্তাররা তখন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    লস অ্যাঞ্জেলেসের পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, সেই রাতের ঘটনার সময় আড়াইটার বেশ আগে, আনুমানিক ১টা ২৫ মিনিটের দিকে, পুলিশ টাম্পা অ্যাভিনিউয়ের কাছাকাছি ব্রায়ান্ট স্ট্রিটের দিকে গুলির শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্দেহভাজন দুই পুরুষ একরত গাড়ির দিকে আসেন এবং সঙ্গে সঙ্গে গুলি ছুঁড়ে।

    ঘটনার বর্ণনা অনুযায়ী, এই হামলায় গায়িকা রোজা গুলিবিদ্ধ হন। এরপর তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় অন্য দুইজন আহত হন, তাদের অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কারো বিরুদ্ধে দোষ প্রমাণ করতে পারেনি বা কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এখনো চলছে, ঘটনাটিকে বিভিন্ন মহলে শোকের ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।

  • অর্থ আত্মসাতের জবাবে তানজিন তিশার বিবৃতি

    অর্থ আত্মসাতের জবাবে তানজিন তিশার বিবৃতি

    সম্প্রতি সিনেমায় নিজের নাম লেখানোর কারণে আলোচনায় আসা তানজিন তিশা বর্তমানে বেশ কিছু অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন। ইতিমধ্যে তিনি সিনেমার শুটিং শুরু করেছেন এবং তার আগে দুটি ফ্যাশন হাউসের প্রতারণার অভিযোগে তিনি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। এরই মধ্যে ভারতের একজন প্রযোজক তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ‘ভালোবাসার মরশুম’ নামের সিনেমার প্রযোজক শরীফ খান দাবি করেছেন, তিশা তার কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা নেপথ্যে নিয়ে যান। এ পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অবস্থান ব্যক্ত করতে গিয়ে তিশা একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছেন।

  • পুরুষ বাউলদের বিরুদ্ধে নারী বাউলের গুরুতর অভিযোগ

    পুরুষ বাউলদের বিরুদ্ধে নারী বাউলের গুরুতর অভিযোগ

    মানিকগঞ্জে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের একটি মামলার কারণে বাউল শিল্পী আবুল সরকারের গ্রেফতারির পর তার মুক্তির জন্য আন্দোলন চালানোর সময় কয়েকজন বাউল হামলার শিকার হয়েছেন, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঠিক এই সময়ে যখন বাউল সম্প্রদায়ের নিয়ে আলোচনা চলছে, তখন নারী বাউল শিল্পী হাসিনা সরকার এক মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন। তিনি জানান, পুরুষ বাউলরা তাদের ব্যক্তিগত জীবন ও গানের প্রোগ্রামে পৌঁছানোর জন্য নানা কুপ্রস্তাব দেয়। বিশেষ করে, তিনি বলেন, পুরুষ বাউলরা বিছানায় ডাক দেয় এবং এই ডেকে সাড়া দিলে নারী বাউলরা গানের সুযোগ পান। বাস্তবে, এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরির অভিযোগ করেন তিনি, তবে তিনি কারো বিশেষ নাম উল্লেখ করেননি।

    বাউল শিল্পী হাসিনা সরকার এক ভিডিও বার্তায় এ বিষয়ে বিস্তারিত বলেন, যেখানে তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমি বলতাম, আমার কোনও প্রোগ্রাম নেই, দয়া করে খেয়াল রাখুন। তখন তারা বলতেন, যদি খেয়াল রাখতে হয়, তাহলে আমাদের কথা মানতে হবে। আমি বলতাম, কী হবে, আমি কি বলব না? তখন তারা বলতেন, এইটা কি খুব ভেঙে বলতে হবে। আমি বলতাম, ক্ষমা চাচ্ছি, দোয়া চাচ্ছি। আমার প্রয়োজন নেই এমন প্রোগ্রাম। আমার ইজ্জত বিক্রি করে গানের স্বার্থে ছাড় দিতে হবে না। এই ধরনের গান আমি মানি না।’

    আসন্ন আরও বিস্ফোরক অভিযোগে, তিনি বলেন, ‘পুরুষ বাউলরা কুপ্রস্তাব দেয়, বিছানায় নিয়ে যায় এবং তারপর গানের সুযোগ দেয়। আমি একজন বাউল শিল্পী হওয়ার পাশাপাশি বলতে চাই, বর্তমানে বাউল জগতে এই ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। যদি কেউ আমাকে না ডাকে, তো আমার কিছু যায় আসে না। তবুও, তারা আমাকে প্রস্তাব দিয়ে বলে, ‘আমাদের কথা শুনো, তোমাকে বায়না দেব’। এই সব ঘটনা জোড়ালো আলোচনায় পরিণত হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

  • প্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভসের হৃদরোগে মৃত্যু

    প্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভসের হৃদরোগে মৃত্যু

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘ডিজনিল্যান্ড হ্যালোইন হাফ ম্যারাথন’। এই দৌড় প্রতিযোগিতা শেষ করতে গিয়ে কিছুক্ষণ সময়ের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস। ২৩ নভেম্বর, দৌড় শেষ করার পর তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তার জীবন রক্ষ করা সম্ভব হয়নি। তার বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর।

    প্রতিবেদনে জানানো হয়, অত্যন্ত তাপদাহের মধ্যে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ফিনিশ লাইনের কাছাকাছি পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরেই তিনি মাটিতে লুটিয়ে যান। দ্রুত তার জন্য উপস্থিত ফায়ার ও রেসকিউ কর্মীরা উদ্ধারকারী ব্যবস্থা নেন এবং তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে চিকিৎসকদেরomst প্রস্তুতিতে পৌঁছানোর এক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাট সাটার পিপল ম্যাগাজিনকে বলেন, রেস ভোর পাঁচটায় শুরু হয় এবং সকাল সাতটার মধ্যে গ্রেভস দৌড় শেষ করেন। তিনি অত্যন্ত কঠিন আবহাওয়া সত্ত্বেও রেসটি সম্পন্ন করেছিলেন, যা তার অসাধারণ মনোভাবের প্রতিফলন।

    তিনি আরও জানান, ফিনিশিং লাইনে পৌঁছানোর পরপরই গ্রেভস বুকে হাত দিয়ে হঠাৎ পড়ে যান। উপস্থিত এক কর্মী তাকে তড়িঘড়ি ধরে ফেলেন, কারণ তখনই তার সমস্যা বুঝতে পারেন। উদ্ধারকারী এবং ডাক্তাররা দেখেছেন, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন, যা তার জীবন কেড়ে নেয়।

    মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে গ্রেভস তার টিকটক অ্যাকাউন্টে এক ভিডিও পোস্ট করে বলে, ‘আগামীকাল ডিজনিল্যান্ড হাফ ম্যারাথন নিয়ে আমি কিছুটা চিন্তিত।’ নিজের আবেগ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

    অরিেঞ্জ কাউন্টি কার্যালয় এই ঘটনায় ময়নাতদন্ত চালাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে বিস্তারিত কারণ জানা যাবে।

    ববি গ্রেভস জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি থেকে আইন পড়াশোনা শেষ করেন এবং বর্তমানে তিনি ‘উইলসন সন্সিনি গুডরিচ অ্যান্ড রোসাটি’ ল-ফার্মের একজন সহযোগী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যু তার অনুসারীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে এবং তার জীবনী মানুষের মনে চিরস্থায়ী থাকবে।

  • ঘরের মাঠে ভারতের জন্য বিপদ বাড়ছে ভারতীয়রা হারলে দ্বিতীয়বারের মত ধবলধোলাইয়ের শঙ্কায় টেস্ট সিরিজ

    ঘরের মাঠে ভারতের জন্য বিপদ বাড়ছে ভারতীয়রা হারলে দ্বিতীয়বারের মত ধবলধোলাইয়ের শঙ্কায় টেস্ট সিরিজ

    গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশাল রান সংগ্রহ করে নিজেদের পথচলা অনায়াস করে তুলেছে। স্বাগতিক ভারত যখন ব্যাটিংয়ে নিচে দাঁড়িয়ে, তখন মনে হচ্ছে তার ক্রিকেট পিচের মতো পরিস্থিতি। নিয়মিত বিরতিতে ভারতের উইকেট পড়ছে এবং দলের ব্যাটসম্যানরা ধীরে ধীরে অপসারণ ঘটছে। যদি এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে, তাহলে ভারত এখনই হোワイト ওয়াশ হওয়ার মুখোমুখি হতে পারে, যা শেষবার ২০২৪ সালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হয়েছিল।

    বিশ্ব টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে জয় পাওয়ার রেকর্ড এখনো ওয়েস্ট ইন্ডিজের দখলে। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ক্যারিবীয়রা এই রেকর্ড গড়ে জয়লাভ করেছিল। তারপর থেকে ২২ বছর পার হয়ে গেছে, এবং এই দৃষ্টান্তের চেয়েও বড় লক্ষ্য বারবার চতুর্থ ইনিংসে আসলেও সফলতা কেউ দেখাতে পারেনি। এবার গুয়াহাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ভারতের জন্য সেটি আবারও ৫৪৯ রানের লক্ষ্য স্থাপন করেছে।

    আজ চতুর্থ দিন টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসের খেলা শেষ হয়েছে, যেখানে ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫.৫ ওভারে ২ উইকেটে ২৭ রান যোগ করে। এই ম্যাচের আরেক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হলো, রবীন্দ্র জাদেজা প্রথম ১৯তম ওভারে রায়ান রিকেলটন (৩৫)কে ফিরিয়ে দিয়ে বোল্ড করেন। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া জাদেজা দ্বিতীয় ইনিংসেও বল হাতে কার্যকর ছিলেন। এই সময়ে ট্রিস্টান স্টাবস ও টনি ডি জর্জি ১০১ রানের জুটি গড়েন, যা ভারতীয় বোলারদের জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়ায়।

    প্রথম ইনিংসে ভারতকে লক্ষ্য ছিল ৫৪৮ রান। জবাবে ব্যাটিংয়ে নামা ভারত ধীরস্থির শুরু করে, তবে দ্রুতই দুই উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায়। প্রথমে যশস্বী জয়সওয়াল ১৩ রান করে আউট হন, এর পরে লোকেশ রাহুলকে বোল্ড করেন সায়মন হারমার। এর ফলে ভারতের রানরেট একদমই কমে যায়, প্রায় ১.৭০-এ দাঁড়ায়। ব্যাটসম্যানরা এখন হালকা অনুশীলনে থাকলেও, এই টেস্টে ভারতের হোয়াইট ওয়াশ হওয়ার আশঙ্কা কাটছে না। শেষ পর্যন্ত প্রোটিয়াদের এই ক্রমবর্ধমান ধারায় তাদের এগিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে, যা ভারতের জন্য শত্রুপথের মতো।

  • ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ও বাংলাদেশের খেলা কবে

    ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ও বাংলাদেশের খেলা কবে

    অক্টোবর ২০২৩ এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেটের অমীমাংসিত মহাযুদ্ধ—the টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর। এই আসরটি হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় এক সঙ্গে। পুরো ২০ দলের এই টুর্নামেন্টের আয়োজন শুরু হবে আড়াই মাসেরও বেশি সময় আগে, ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। বাংলাদেশ দল নিজের প্রথম ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, কারণ ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) প্রকাশ করেছে করে পুরো সূচি ও গ্রুপিং। এতে দেখা যায়, বাংলাদেশকে রাখা হয়েছে ‘সি’ গ্রুপে, যেখানে তার প্রতিপক্ষ হিসেবে আছেন ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও ইতালি। এই গ্রুপটি বেশ কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ সবাই শক্তিশালী দলের মধ্যে পড়ে।

    বিশ্বকাপের প্রথম দিন থেকেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ। ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ইডেন গার্ডেন্সে পাকিস্তানের সঙ্গে তুলনা হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। এই ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হবে। এরপর আবার ফিরে আসবে কলকাতা, যেখানে ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির বিপক্ষে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত থাকবে লিটন দাসের দল। ১৪ ফেব্রুয়ারি, নিজের তৃতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ, সেটিও কলকাতায়, সময় দুপুর ৩টায়। এরপর, ১৭ ফেব্রুয়ারি নেপালের বিপক্ষে খেলবে টিম বাংলাদেশ, ম্যাচটি হবে সন্ধ্যা ৭টায়।

    গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি হবে মুম্বাইয়ে, যেখানে বাংলাদেশ এবং অন্য দলগুলো নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করার জন্য খেলবে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে দুটি করে দল সুপার এইটের জন্য উত্তীর্ণ হবে। গত বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অনুকরণীয় পারফরম্যান্স দেখিয়ে সুপার এইটে খেলেছিল।

    এদিকে, ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস ও নামিবিয়া। উদ্বোধনী দিনে ভারত ও পাকিস্তান মাঠে নামবে। পাকিস্তান ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে খেলবে, অন্যদিকে ভারত খেলবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে মুখোমুখি হবে বাবর আজমের পাকিস্তান ও সূর্যকুমার যাদবের ভারত।

    শ্রীলংকা একটি স্বতন্ত্র গ্রুপে রয়েছে, যেখানে তার প্রতিপক্ষ আছি অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড ও ওমান। এই গ্রুপে চারটি টেস্ট খেলা দেশের সমন্বয়ে অ্যারে। আর আরেকটি গ্রুপ, অর্থাৎ ‘ডি’ গ্রুপে রয়েছে সাউথ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, কানাডা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল সরাসরি জায়গা করে নেবে সুপার এইটে।

    সেখানে দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে দলগুলো, এবং সেরা চারটি দল নেবে সেমিফাইনাল। প্রথম সেমিফাইনাল হবে কলকাতায়, দ্বিতীয়টি হবে কলম্বোতে। দেশের ভেন্যু অনুযায়ী যদি পাকিস্তান ফাইনালে উঠে, তবে শিরোপার ম্যাচ হবে ৮ মার্চ কলম্বোতে। অন্যদিকে, পাকিস্তান যদি পরাজিত হয়, তাহলে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ভারতের আহমেদাবাদে।

    বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অন্যতম ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দেখা যাবে রোহিত শর্মাকে। বাংলাদেশ দলের মূল খেলাগুলোর সূচি অনুযায়ী, প্রথম ম্যাচ হবে ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে কলকাতায়, এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির মুখোমুখি হবে। ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের সঙ্গে লড়াই হবে কলকাতায়, এবং শেষ ম্যাচটি হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি নেপালের বিরুদ্ধে।

  • দক্ষিণ আফ্রিকা ২৫ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ভারতের মাটিতে সিরিজ জিতল

    দক্ষিণ আফ্রিকা ২৫ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ভারতের মাটিতে সিরিজ জিতল

    গুয়াহাটির মাঠে ভারতের বিরুদ্ধে তাদের দুর্দান্ত জয় উদযাপন করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, যেখানে তারা চারশো আট রানে জয়লাভ করে। এই জয় এই দেশের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দীর্ঘ ২৫ বছর পর ভারতের মাটিতে প্রথম সিরিজ জয়। দলটির জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যেখানে তারা তাদের প্রথমবারের মতো হ্যান্সি ক্রনিয়ের অধীনে ২০০০ সালে সিরিজ জিতেছিল। এবার আবারও বাভুমার নেতৃত্বে সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনলেন প্রোটিয়ারা। অধিনায়ক হিসেবে এটি তার ১১ তম জয়, যা তার টেস্ট ক্যারিয়ারে এক অনন্য মর্যাদার নিদর্শন।

    সুপার স্পোর্টসের একটি অসম্ভব লক্ষ্য ছিল ৫৪৯ রানের। তবে ভারত একদিনের মধ্যে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর জন্য এক রকম লড়াই করছিল। শেষ দিনে তাদের কাছে ছিল ৮ উইকেট, আর তারা ২ উইকেটে ২৭ রান করে খেলা শুরু করেছিল। তবে মাত্র ১৩ রানের মধ্যে ভেঙে পড়ল ভারতের ব্যাটিং লাইন, যেখানে সিমন হারমার এক ওভারে কুলদীপ যাদব ও ধ্রুব জুরেলকে আউট করে দিলেন। এরপর ভারতীয় অধিনায়ক ঋশাভ পান্তকে মাঠে থেকে নিয়ে গেলেন। ৫৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ভারতের জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়ে দাঁড়াল।

    কিন্তু সেখানে থাকলেন সাই সুদর্শন ও রবীন্দ্র জাদেজা, যারা কঠিন প্রতিরোধ গড়লেন। সুদর্শন ১৩৮ বলের মধ্যে অপরাজিত ১৪ রান করে থাকলেন, আর জাদেজা ৪০ বলে ২৩ রানে টিকে থাকলেন। মনে হচ্ছিল, আবারও ভারতের ড্র করার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

    তবে চা বিরতিতে ফিরতেই দক্ষিণ আফ্রিকা আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠল। দ্বিতীয় সেশনের পঞ্চম বলেই সুটোদের জুটি ভেঙে গেল। সুদর্শন ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলেন, যখন তিনি ১৩৯ বলে ১৪ রান করছিলেন। এরপর, ওয়াশিংটন সুন্দর ও জাদেজার সর্বোচ্চ মানের প্রতিরোধে ম্যাচ অল্প সময়ের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। ৭৭ বলে ৩৫ রানের একটি জুটি গড়ে তারা মারক্রামের বলের শিকার হন। তার ক্যাচ নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন দক্ষিণ আফ্রিকার ফিল্ডাররা, যেখানে মারক্রাম এক টেস্ট ম্যাচে সর্বোচ্চ ৯ ক্যাচ নিয়ে নতুন রেকর্ড করে ফেলেন।

    আনন্দর পাশাপাশি জাদেজা কিছুটা লড়াই চালিয়ে যান, তবে শেষমেশ তিনি ও সিরাজের উইকেট পড়ে যায়। হারমার এই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হয়। মোট দুই ইনিংসে তিনি ১৭ উইকেট শিকার করেন, যা সিরিজের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স। অন্যদিকে, ম্যাচসেরা হন জানসেন, যিনি ব্যাট ও বল দুইই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন। প্রথম ইনিংসে ৯৩ রান করে এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়ে ম্যাচে এক প্রকৃত নায়ক হিসেবে আবির্ভূত হন। এই দুই ইনিংস মিলিয়ে তিনি মোট ৭ উইকেট নিয়েছেন, যা এই সিরিজের অন্যতম স্মরণীয় পারফরম্যান্স।

  • শোয়েব আখতার বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে যুক্ত থাকছেন

    শোয়েব আখতার বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে যুক্ত থাকছেন

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এই বছরের আসরে প্রথমবারের জন্য দেখা যাবে পাকিস্তানের সাবেক হেভি পেসার শোয়েব আখত্রকে। তিনি এবার ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব চলাচ্ছেন, চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে তার সঙ্গে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির। শোয়েব এই চোখে দেখছেন বিপিএলকে স্বপ্নের মতো একটি প্রতিযোগিতা, যেখানে তিনি কাজ করার জন্য মুখিয়ে আছেন।

    শোয়েব আখতার এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘হ্যালো বাংলাদেশ! বাংলাদেশ আমার অনেক প্রিয়। আমার হৃদয়ের কাছেও অনেক কাছের। গত ১০-১৫ বছর ধরে আমি বাংলাদেশে আসতে পারি না। তবে এবার বিপিএল দিয়ে আপনাদের সঙ্গে যুক্ত হতে পারছি, যেখানে আমি ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে থাকছি। আপনাদের সঙ্গে দেখা হওয়ার আগ্রহে যেন ক্ষুধা লেগে আছে। আমি আপনাদের খুব ভালোবাসি।’

    এদিকে, বিপিএলের আসর শুরু হওয়ার অনেক পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। আসন্ন মৌসুমের নিলাম তিন দফা পিছিয়ে এখন ধরা হয়েছে ৩০ নভেম্বর। এবারই প্রথম বিপিএল-এ প্লেয়ার্স-ড্রাফটের পরিবর্তে অকশন পদ্ধতি চালু হবে। তবে বিস্ময়কর বিষয় হলো, শুরুতে ৫ দলের পরিকল্পনা থাকলেও হঠাৎ আরেকটি নতুন দল যুক্ত হয়েছে, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের মাঝে আলোচনা হচ্ছে।

    নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, ২৬ ডিসেম্বর (সম্ভাব্য তারিখে) মাঠে গড়াতে যাচ্ছে ১২তম বিপিএল। ফাইনাল ম্যাচ আগামী ২৪ জানুয়ারির সম্ভাব্য তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

    প্রসঙ্গত, এই আসরকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে বিভিন্ন দলের মালিকানায় পরিবর্তন করা হয়েছে। বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানা পেয়েছে রংপুর রাইডার্স। চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানা দেয়া হয়েছে ট্রায়াঙ্গাল সার্ভিসকে। এছাড়া, নাবিল গ্রুপের হাতে গেছে রাজশাহী, দেশ ট্রাভেলসের মালিকানা পেয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। অন্যদিকে, ক্রিকেট উইথ সামি সিলেট এর মালিকানা নিয়েছে ঢাকা ফ্র্যাঞ্চাইজিকে, এর পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন স্পোর্টস (রিমার্ক-হারল্যান) পেয়েছে অন্য একটি দলকে। এই পরিবর্তনগুলো বাইডে এখন বিপিএলের উত্তেজনা তুঙ্গে।

  • শামীমকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে কোনো ঘোষণা জানানো হয়নি, লিটন দাসের অভিযোগ

    শামীমকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে কোনো ঘোষণা জানানো হয়নি, লিটন দাসের অভিযোগ

    আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে এই সংক্ষিপ্ত টুয়েন্টি-২০ সিরিজের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান শামীম পাটোয়ারি। তবে এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে দেশের প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু আগে থেকেই জানিয়েছেন না অধিনায়ক লিটন দাসকে। লিটন গণমাধ্যমে এই কথাগুলো প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচকরা কোনো নোটিশ না দিয়েই শামীমকে দল থেকে বাদ দিয়েছেন, যা তিনি অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত মনে করছেন।

    প্রতিবারই একটি সিরিজের জন্য দল নির্বাচনের আগে কোচ এবং অধিনায়কের সঙ্গে বৈঠক করেন নির্বাচকরা। এই বৈঠকে জানানো হয় কারা দলে থাকছে বা বাদ পড়ছে। কিন্তু এবারের সিরিজের জন্য এমনটা ঘটেনি বলে মনে করেন লিটন। তিনি জানান, এটা তার বা কোচের সিদ্ধান্ত নয়, পুরোপুরি নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, আমি জানি না কেন, তবে নির্বাচকরা আমাকে কিছু না বলে শামীমকে দল থেকে বাদ দিয়েছেন। আমি বুঝতে পারছি না কেন, কারণ টিমের ক্যাপ্টেন হিসেবে আমি জানতাম যে কারা থাকবে বা কারা বাদ যাবে।

    লিটন আরও বলেন, প্রত্যেক খেলোয়াড়ই দেশের জন্য সেরা পারফর্মার হওয়ার জন্য আসে। সুতরাং নির্বাচিত ১৫ জনের মধ্যে যে কেউ থাকুক না কেন, তারা ভালো করবে। তবে তিনি মনে করেন, শামীমের বাদ পড়ার কারণ স্পষ্ট নয়। তিনি দাবি করেন, কখনোই তাকে এই ব্যাপারে কোনও নোটিশ দেওয়া হয়নি। ক্যাপ্টেন হিসেবে, তিনি চেয়েছিলেন শামীমের এই সিদ্ধান্তে অখুশি থাকবেন, কারণ তার মতে, শামীম টিমে থাকলে ভালো হতো।

    তবে, এ সিরিজের এক দিন আগে পর্যন্ত জানানো হয়নি দল কেমন হবে, যা নিয়ে অধিনায়কের মধ্যে গভীর ক্ষোভ ছিল। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমাকে জানানো হয়েছিল যে, আমাকে একটি নির্দিষ্ট দল দিয়ে মাঠে নামতে হবে। এ কারণে আমি আমার পক্ষে কাউকে চয়ন করার স্বাধীনতা পাইনি। তিনি ব্যাখ্যা করেন, আগের মতো, একজন ক্যাপ্টেনের একটি পরিকল্পনা থাকে, কিন্তু এইবার জানতে পারলেন যে, দলটি নির্ধারিত হয়ে গেছে এবং তার কাজ হচ্ছে সেই দল নিয়ে ভালো পারফর্ম করা।

    শামীমের বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খুব বেশি স্কোর করেন না, তবে দলের অন্যান্য ব্যাটসম্যানের মতোই তিনি অধিনায়কের সমর্থন অর্জন করেন। লিটন আরও বলেন, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স প্রত্যাশা করা সম্ভব নয়। গত সময়ে শামীম কিছু সিরিজে দুর্দান্ত অতিরিক্ত পারফর্ম করেছিল, যা দলের জন্য দরকার ছিল। শামীমের বাদ পড়াটা তার জন্যও হতাশাজনক।

    অবশেষে, লিটন দাস বলেন, আমি সত্যিই দুঃখিত, কারণ আমি তাকে পুরোপুরি সমর্থন দিতে পারিনি। তিনি আরও বলেন, আমি এক্সপেক্ট করিনি যে, প্রতিদিনই সবাই পারফর্ম করবে। যদি এক বা দুই সিরিজে পারফর্ম না করে, তখনও তাকে উপযুক্ত সমর্থন দেওয়া উচিৎ ছিল। আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত যে, আমি তাকে পুরোপুরি সহায়তা করতে পারি নি।