Month: October 2025

  • সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে চোরের হামলায় গৃহকর্তা মারাত্মক আহত, মৃত্যু

    সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে চোরের হামলায় গৃহকর্তা মারাত্মক আহত, মৃত্যু

    পটুয়াখালী জেলায় সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে চোরের হাত থেকে রক্ষা করার সময় গৃহকর্তাকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করা হয়েছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকালে সদর উপজেলার জৈনকাঠী ইউনিয়নের সেহকাঠী গ্রামে। নিহত মোশারেফ খাঁন (৪৫) সেখানকার একজন স্থানীয় ব্যক্তি ও মো. হানিফ খাঁনের বড় ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোবাইক চালক ছিলেন।

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে চোরেরা সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে। এই সময় তারা তাঁর মেয়ে মালা আক্তারকে পা ধরে টানতে থাকে। বাড়ির তারেকতাং না মানায় মালা চিৎকার করতে শুরু করেন। শুনতে পেয়ে মোশারেফ দ্রুত ঘুম থেকে উঠে রাজি হন চোরের হাত থেকে পরিবারের সদস্যদের রক্ষা করার জন্য। তখনই দুই অজ্ঞাত ব্যক্তি মোশারেফকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে। গুরুতর রক্তক্ষরণে তিনি রাস্তায় পড়ে যান। পথের মধ্যে তার মৃত্যু হয়। পরে পরিবার তাকে দ্রুত পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে, হাসপাতালের গেটে পৌঁছানোর আগে তিনি মারা যান।

    নিহতের স্ত্রী শাহনাজ বেগম বলেন, “রাতে দুই অচেনা লোক সিঁধ কেটে আমাদের বাসায় ঢুকেছিল। তারা আমার মেয়ের পা ধরে টানছিল। ঘুম থেকে উঠে, আমার স্বামী তাদের ধরে ফেলায় তারা তাকে কুপিয়ে মার ডালে। তারা কি চুরি করতে এসেছিল, নাকি অন্য কিছু—তা আমরা জানি না। পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা এই ঘটনাটির সুষ্ঠু বিচার চাই।”

    নিহতের মা, মোর্শেদা বেগম, কান্তি করে বলেন, “আমার একমাত্র বড় ছেলে আজকে আমাদের ছেড়ে চলে গেল, তাকে এভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বাড়িতে শুধু রক্তের সুরে এক করুণ দৃশ্য। আমি আর সহ্য করতে পারছি না।”

    পটুয়াখালী সদর থানার ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ও মোবাইল করে তদন্ত শুরু করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি অনুসারে, প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নভেম্বরে নতুন পোশাক গ্রহণ করবে পুলিশ

    নভেম্বরে নতুন পোশাক গ্রহণ করবে পুলিশ

    গণঅভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার সাধারণ পুলিশ সদস্যদের জন্য নতুন ইউনিফর্মের সিদ্ধান্ত নেয়। চলতি বছরের শুরুর দিকে বাংলাদেশ পুলিশ, র‍্যাব ও আনসার বাহিনীর পোশাক পরিবর্তনের ঘোষণা আসে। এখন, নয় মাস পর, পুলিশ সদস্যরা তাদের নতুন পোশাক পরার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন। ১৫ নভেম্বর থেকে ঢাকার মেট্রোপলিটন পুলিশসহ (ডিএমপি) সব মহানগর পুলিশের সদস্যরা নতুন ইউনিফর্ম পরতে পারবেন। তবে জেলা পুলিশের জন্য নতুন পোশাক পেতে কিছুটা আরও সময় লাগতে পারে।

    নতুন ইউনিফর্মের রং নির্ধারণ করা হয়েছে। পুলিশে ব্যবহৃত হবে লোহার (আয়রন) রঙের পোশাক, র‍্যাবের পোশাক জলপাই (অলিভ) রঙের এবং আনসার বাহিনীর পোশাক সোনালি গমের (গোল্ডেন হুইট) রঙের। আপাতত রাজধানীর মেট্রোপলিটন পুলিশ সদস্যরা নতুন পোশাক পাবেন। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে জেলা পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তারা এই নতুন পোশাক পরবেন।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র জানিয়েছে, আগামী নির্বাচনোত্তর সময়ের জন্য সব বাহিনী যেন সমান রঙের ইউনিফর্ম পরতে পারে, সেই জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইউনিফর্মের রং ও কাপড়ের ধরণ নির্ধারিত হয়েছে।

    পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে জেলা ও মহানগর পুলিশের ইউনিফর্মের রঙ আলাদা। তবে এখন থেকে সবাই একই রঙের পোশাক পরবেন। পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (লজিসটিক্স) খোন্দকার নজমুল হাসান বলেছেন, নতুন ইউনিফর্ম ১৫ নভেম্বরের মধ্যে দেখা যাবে। সেই দিন থেকে ঢাকা মহানগর ও অন্যান্য মহানগর পুলিশের সদস্যরা নতুন পোশাক পরা শুরু করবেন। পর্যায়ক্রমে সব ইউনিট নতুন ইউনিফর্ম পাবে।

    অন্যদিকে, র‍্যাবের বর্তমান কালো রঙের পোশাকের পরিবর্তনের কথা থাকলেও নতুন জলপাই রঙের ইউনিফর্মের অগ্রগতি এখনও দেখা যায়নি।

    এছাড়া, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য সোনালি গমের রঙের নতুন ইউনিফর্ম তৈরির খবর থাকলেও রং পরিবর্তনের বিষয়টি এখনো স্পষ্ট হয়নি। তবে সম্ভবত ভবিষ্যতেও এই পরিবর্তনের দিকে নজর দেওয়া হবে।

  • রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে উত্তেজনা বজায় রাখার ভাষ্য পরিবেশ উপদেস্টার

    রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে উত্তেজনা বজায় রাখার ভাষ্য পরিবেশ উপদেস্টার

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সরকার ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এমন প্রতিশ্রুতি স্পষ্ট করে দিচ্ছেন। তাঁদের ভাষ্য, সরকারের বিরুদ্ধে কোনো কঠোর অভিযোগ নেই। বরং, রাজনৈতিকভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি ও বজায় রাখতে কথাবার্তা এবং তৎপরতা চালানো এখন এক ধরনের কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জুলাই সনদের প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ঐক্য বা বিভক্তি নেই, বরং মতানৈক্য রয়েছে। এই মতানৈক্য আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে নিরসন সম্ভব। এ সময় তিনি আরও বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে স্পষ্ট কোনো অভিযোগ না থাকলেও, বলার লাইন দিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা ধরে রাখতে কিছু বক্তব্য ও সমালোচনাকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি একটি কৌশল হিসেবেও দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, নদীভাঙন প্লাবিত মানুষের সহায়তার জন্য ৫০০ কোটি টাকার বদলে এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও, আইনি জটিলতা এবং নীতিমালা এসব কাজে বিলম্ব সৃষ্টি করে। পাশাপাশি, পরিবেশ মন্ত্রণালয় সবসময় বাজেটের সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি, জাতীয় পর্যায়ে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করার জন্য বেশি বিনিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের দূরপ্রান্ত অঞ্চলে পানি সরবরাহের জন্য প্রতিষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তন তহবিলে অর্থ বরাদ্দ থাকলেও, মূলত এই কাজটি পরিচালনা এবং বাস্তবায়নের দায়িত্ব রয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের। তিনি আরও বলেন, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে টেকসই উন্নয়নের উপর বেশি জোর দিতে হবে, যাতে সম্পৃক্ত মন্ত্রণালয়গুলো সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে।**

  • আশুলিয়ায় পড়ে থাকা ৭.৬২ লেখা গুলির রহস্য উদঘাটনে বিচার চলছে

    আশুলিয়ায় পড়ে থাকা ৭.৬২ লেখা গুলির রহস্য উদঘাটনে বিচার চলছে

    জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের জেরে আশুলিয়ায় সংঘটিত এক নৃশংস ঘটনার বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। তদন্তে জানা গেছে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পর দীর্ঘদিন অজুহাতে লুকানো ওই ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধের অন্তর্গত। সাবেক একজন সংসদ সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যদান করেছেন সিআইআরের এসআই মো. আশরাফুল হাসান।

    29 অক্টোবর বুধবার, ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও তার তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই মামলার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। অন্য সদস্যরা হলেন- অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

    এদিন সকাল সোয়া এগারোটার দিকে আশুলিয়া থানার এসআই আশরাফুল আদালতে উপস্থিত হন। তিনি জপে শপথ নিয়ে জব্দতালিকা অনুযায়ী সাক্ষ্য দেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ১৪ এপ্রিল এই বছরের ঘটনাপ্রবাহে, থানার ওসি বেতার বার্তায় জানান, আশুলিয়া থানার পশ্চিম পাশে মনির ও লতিফ মণ্ডলের পুরোনো টিনশেড বাড়ির সীমানা প্রাচীরের ভিতরে গুলি পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এরপর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে উপস্থিত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ৬টি রাইফেলের গুলি ও এক চার্জার উদ্ধার করেন। পেটেন্ট ইংরেজি ভাষায় লেখা ফলকদের মধ্যে ‘৭.৬২’ উল্লেখ ছিল।এই ধারালো অস্ত্রের গুলিগুলো জব্দতালিকা মূলে নিয়ম অনুযায়ী কাগজে স্বাক্ষর করে জমা দেওয়া হয়।

    তিনি আরও জানান, কনস্টেবল মো. মামুনুর রশিদও ঐ জব্দতালিকার সাক্ষী। এই আলামত পরে থানায় সংরক্ষিত হয়। তারপর, তিনি তার কর্মকর্তার নির্দেশে ঐ আলামত আত্নসাৎ করে তদন্ত সংস্থার কাছে জমা দেন।

    সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষ হওয়ার পরে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এই জবানবন্দর নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। এখন পর্যন্ত এ মামলায় মোট ২০ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

    এ মামলার গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, বিভিন্ন পুলিশ কর্মকর্তা ও কনস্টেবলরা। আজকের দিনে পুলিশ তাদের আদালতে হাজির করে। তবে আরও আটজন—তথ্যপ্রমাণিতভাবে এসেছেন পলাতক আছেন।

    গত বছর ৫ আগস্ট, আশুলিয়ার একটি পুলিশের গুলিতে ছয় তরুণ প্রাণ হারান। পরে পুলিশ তাদের লাশ তুলে এনে বাড়ির পার্শ্ববর্তী নদীতে ফেলে দেয়। এ সময় একজন জীবিত ছিলেন, যাকে জীবিতই পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। পেট্রোল ঢেলে এন্তেজাম করে তাদের জীবন্ত মানুষকেই পুড়িয়ে মারার বর্বরতাজনক এই ঘটনার বিচার চলছে। এর প্রেক্ষিতে ১১ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ দায়ের করা হয়।

  • মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য নতুন শর্তে রিক্রুটিং এজেন্সীর সুযোগ

    মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য নতুন শর্তে রিক্রুটিং এজেন্সীর সুযোগ

    মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের ক্ষেত্রে আগে তুলনায় অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সুযোগ ছিল বেশি। তবে এখন से অভিন্ন মানদণ্ডের ভিত্তিতে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান এবং মায়ানমার দেশের রিক্রুটিং এজেন্টদের নির্বাচন করা হবে, যা প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক করবে। এ জন্য এজেন্সিগুলোকে দশটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ করতে হবে বলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হচ্ছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) মন্ত্রণালয় পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান সরকার অন্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর জন্যও মানদণ্ড নির্ধারণে জোর দিচ্ছে। ২০২৩ সালের মে মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩য় জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভায় মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিরা এই মানদণ্ডের বিষয়টি সম্মতিপূর্ণভাবে গ্রহণ করে। এজেন্সিগুলোর জন্য নির্ধারিত এসব শর্ত মানা আবশ্যক বলে উল্লেখ করা হয়।

    নিম্নে উল্লেখ করা হলো, রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য নির্ধারিত দশটি মূল মানদণ্ড:
    ১. লাইসেন্স পাওয়ার পরে কমপক্ষে ৫ বছর মানবসম্পদ পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
    ২. বিগত ৫ বছরে কমপক্ষে ৩,০০০ কর্মী বিদেশে প্রেরণের প্রমাণ থাকতে হবে।
    ৩. বিগত ৫ বছরে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন গন্তব্যে কর্মী প্রেরণের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
    ৪. বাংলাদেশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বৈধ লাইসেন্স, প্রশিক্ষণ ও নিয়োগ সম্পর্কিত অনুমোদন থাকতে হবে।
    ৫. প্রেরণকারী দেশের দিক থেকে ‘শ্রমের সনদ’ বা সৎাচরণের সনদ (Certificate of Good Conduct) থাকতে হবে।
    ৬. শ্রমিকের জোরপূর্বক নিয়োগ, মানব পাচার, শ্রম আইন লঙ্ঘন বা অন্য আর্থিক অপরাধে জড়িত থাকার রেকর্ড থাকলে চলবে না।
    ৭. নিজস্ব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা থাকতে হবে যেখানে আবাসন, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দেয়া হয়।
    ৮. স্বীকৃত আন্তর্জাতিক নিয়োগকর্তাদের কাছ থেকে প্রশংসাপত্র থাকতে হবে।
    ৯. কমপক্ষে ৩ বছর ধরে পরিচালিত, ১০,০০০ বর্গফুটের স্থায়ী অফিস থাকতে হবে যেখানে কর্মী বাছাই ও নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা হয়।
    ১০. পূর্বে যেসব গন্তব্যে কর্মী প্রেরণ করা হয়েছে, সেগুলোর আইনগত শর্তাবলী ও নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।

    উপরের শর্তাবলী পূরণকারী সকল বৈধ বাংলাদেশী রিক্রুটিং এজেন্সিকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য তালিকা তৈরি করার জন্য বাংলাদেশ সরকার মালয়েশিয়ার প্রতি অনুরোধ করবে। এরই ধারাবাহিকতায়, এই মানদণ্ড পূরণে সক্ষম বাংলাদেশি লাইসেন্সধারী এজেন্সিগুলোর জন্য আগামী ৭ নভেম্বর ২০২৫ এর মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ আবেদন করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই

    বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই

    বলিউডের খ্যাতিমান ও বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই। এই দুঃখজনক খবরটি শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার সময় মুম্বাইয়ের একজন হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।

    অভিনেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা অশোক পণ্ডিত। তিনি এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, ‘আমাদের প্রিয় অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই। আজ দুপুর আড়াইটার সময় কিডনি বিকল হয়ে তিনি মারা যান। সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হিন্দুজা হাসপাতালে নেওয়া হয়, তবে চিকিৎসকরা তাকে আর ভোগান্তি থেকে উদ্ধার করতে পারেনি।’

    অশোক পণ্ডিত আরো বলেছেন, ‘এটি আমাদের ইন্ডাস্ট্রির জন্য এক বিশাল ক্ষতি। আমি তার সঙ্গে বহুবার কাজ করেছি। তিনি একজন অসাধারণ অভিনেতা ছাড়াও একটি ভালো মানুষও ছিলেন।’ জানা গেছে, শনিবারই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

    সতীশ শাহ ১৯৮৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জানে ভি দো ইয়ারো’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি ‘ইয়ে জো হ্যায় জিন্দেগি’, ‘ম্যায় হুঁ না’, ‘কাল হো না হো’, ‘ফানা’, ‘ওম শান্তি ওম’ जैसी বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে খ্যাতি পান। সিনেমার পাশাপাশি ছোট পর্দায়েও তার রয়েছে উল্লেখযোগ্য সাফল্য; বিশেষ করে কমেডি ধারার ‘সারাভাই ভার্সেস সারাভাই’ তাকে ঘরে ঘরে পরিচিত করে তোলে।

    ২০১৪ সালে সাজিদ খান পরিচালিত ‘হামশকলস’ ছিল তার শেষ সিনেমা। অভিনয়ের পাশাপাশি, ২০০৮ সালে অর্চনা পুরন সিংয়ের সঙ্গে ‘কমেডি সার্কাস’ অনুষ্ঠানেও তিনি সহ-অভিনেতা ও জজ হিসেবে কাজ করেছেন। বলিউডের এই জনপ্রিয় মুখের প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সহকর্মী ও ভক্তদের মনে।

  • রুনা লায়লার সামনে মোহাম্মদ রফির অবিশ্বাস্য সম্মান

    রুনা লায়লার সামনে মোহাম্মদ রফির অবিশ্বাস্য সম্মান

    উপমহাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার বৈচিত্র্যময় এবং সংকেতপূর্ণ গানের জগৎ আজও সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলেছে। এই সংগীতের জগতে তার অবদান কেবল সাধারণ শ্রোতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সংগীতজ্ঞরাও তাকে গভীর শ্রদ্ধায় দেখে থাকেন। এরই বাংলায় একবার দেখা গিয়েছিল, অন্যতম মহান এই গায়ক মোহাম্মদ রফি হঠাৎ করে দাঁড়িয়ে গেলেন রুনাকে দেখে। এটি ঘটে যখন তিনি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুনা লায়লার সঙ্গে। সেই স্মৃতি আজও যেন মানুষের মনে দমক সৃষ্টি করে।

  • জয়-মাহির ১৪ বছরের সংসার ভাঙছে

    জয়-মাহির ১৪ বছরের সংসার ভাঙছে

    ভারতের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি জয় ভানুশালী ও মাহি ভিজ দীর্ঘ ১৪ বছরের বিবাহিতা জীবনের ইতি টানতে চলেছেন। এই দম্পতি এখন বিচ্ছেদের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম পিংক ভিলা এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছে। তাদের সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন জয় ও মাহি। ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবন এখন সমানভাবে এগিয়ে নিচ্ছিলেন দুজন।

    বিবাহের ছয় বছর পরে, সন্তান না থাকায় তারা ২০১৭ সালে রাজবীর ও খুশি নামের দুই সন্তান দত্তক নেন। এরপর ২০১৯ সালে তাদের জীবনে একমাত্র মেয়ে তারা আসে। ২০১৪ সাল পর্যন্ত সংসার ছিল খুবই সুন্দর ও সুখী। তবে, ২০২৩ সালের জুনের পরে তারা আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একসাথে পারিবারিক ছবি শেয়ার করেননি। সবশেষ দেখা গিয়েছিল আগের বছর আগস্টে, যখন তারা তাদের মেয়ের জন্মদিন উদযাপন করেছিলেন।

    তবে এর দুই মাসের মধ্যে, তারা আলাদা বসবাস শুরু করেন। জানা যাচ্ছে, পারিবারিক বিশ্বাসের ব্যাপারটি তাদের সম্পর্কের breakdown এর মূল কারণ। দুজনের পক্ষ থেকেই সম্পর্ক রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটাও অকার্যকর হয়। এজন্য, চলতি বছরের জুলাইয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহ বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

    জয় ভানুশালী ও মাহি ভিজ রিয়েলিটি শো ‘নাচ বালিয়ে ৫’ এর বিজয়ী। সিরিয়াল অভিনয়, উপস্থাপনা, ও মডেলিংসহ নানা রকম কাজে তারা সফল। জয় সিনেমা নিয়েও কাজ করতেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘হেট স্টোরি ২’, ‘দেশি কাট্টে’, ও ‘এক পেহেলি লীলা’। অন্যদিকে, মাহি মূলত হিন্দি সিরিয়াল ‘বালিকা বধূ’ ও ‘লাগি তুঝে লগন’ এর জন্য পরিচিত। তাদের এই বিচ্ছেদ নতুন একটি অধ্যায় শুরু করছে, যা অনেকের কাছেই গভীর আলোচনার বিষয়।

  • শাবনূর: সালমান শাহর মৃত্যুর কারণ আমি জানি না

    শাবনূর: সালমান শাহর মৃত্যুর কারণ আমি জানি না

    ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অকাল মৃত্যুর কলঙ্কে আক্রান্ত হন। তার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা এতদিন আলাদা আলাদা গুঞ্জনের জন্ম দিচ্ছে, তবে এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কেউ কিছু জানেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন তার প্রিয় সহ-অভিনেত্রী শাবনূর।

    সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর, সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে তার অপমৃত্যু সংক্রান্ত মামলা এখন হত্যা মামলার পর্যায়ে রূপ নিয়েছে। ২০ অক্টোবর রাতেই সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম এই হত্যার দাবিতে মামলাটি দায়ের করেন। এতে শোনা যায়, মামলার সঙ্গে ‘অসৎ উদ্দেশ্য’ বা ভুল তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

    শাবনূর এই বিষয়টি নিয়ে সোমবার (২৭ অক্টোবর) তার ফেসবুক পেজে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেন, “২৯ বছর ধরে আমাদের প্রিয় সালমান শাহের অকাল মৃত্যু নিয়েই নানা গুঞ্জন চলে আসছে। ২১ অক্টোবর রমনা থানায় একজন অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে, যা আমি বিদেশে থাকাকালীন জানতে পেরেছি।

    তিনি আরও বলেন, “অসৎ উদ্দেশ্যে আমার নাম জড়িয়ে বিভিন্ন অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ করছি। আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন গুজব ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে কেউ যেনো বিভ্রান্তি না তৈরি করে, এ জন্য আমি সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আমি বলতে চাই, আমার জানা নাই সালমান শাহ কীভাবে মারা গেছে। আমি কেবলপ্রিয় তার সঠিক তদন্ত ও বিচার চাই, দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হোক—এটাই আমার একান্ত প্রত্যাশা।”

    শাবনূর সালমানের সঙ্গে কাজের স্মৃতি শেয়ার করে বলেন, “সে যেমন একজন শক্তিমান ও প্রতিভাবান অভিনেতা, তেমনি আমাদের এক সঙ্গে কাজ করে ক্যারিয়ারে বৈপ্লবিক উন্নতি হয়েছিল। আমি তার সঙ্গে ১৪টি সিনেমায় অভিনয় করেছি। তার মৃত্যু আমাদের জন্য এক বিরাট ক্ষতি, যা আমি আজও গ্লানি ও বিষাদে ভুগি।”

    অভিনেত্রীরা আরও স্পষ্ট করে বলেন, “সালমান শাহর মৃত্যুর কারণ জানি না। তার অকালপ্রয়াণে আমি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। আমাদের জন্য এটা এক অপূরণীয় ক্ষতি। আশা করি, সত্য কেউ আড়াল করবে না এবং দোষীর বিচার হবে।”

    শাবনূর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, “সালমানের মা নীলা আন্টির গ্লানি ও বিষাদ আমি দেখতে পেয়েছি। তাদের প্রতি আমি আন্তরিক সহমর্মিতা জানাচ্ছি। সালमान যে কতটা আপন ও প্রিয় ছিল, তা বলো যায় না। তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।”

    মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জানানো হয়েছে, ২০ অক্টোবর রাতের মধ্যরাতে রমনা থানায় গুরুতর এই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন তার মামা আলমগীর কুমকুম। এতে মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলার প্রধান আসামি হিসেবে রয়েছেন সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক।

    অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেকআপ শিল্পী রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রিজভী আহমেদ ফরহাদ।

    সালমান শাহ ও শাবনূর প্রথম একসঙ্গে জুটি বাঁধেন ‘তুমি আমার’ সিনেমায়। চার বছরের ক্যারিয়ারে তিনি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে ২৭টি সিনেমা উপহার দেন, যার মধ্যে অনেকগুলো ব্যবসা সফল ছিল। সালমান শাহের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিনেমা হলো—‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘তুমি আমার’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘বিক্ষোভ’, ‘স্নেহ’ এবং ‘প্রেম যুদ্ধ’, ‘কন্যাদান’, ‘দেনমোহর’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘আঞ্জুমান’, ‘মহামিলন’, ‘আশা ভালোবাসা’, ‘বিচার হবে’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘প্রিয়জন’, ‘তোমাকে চাই’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘জীবন সংসার’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘প্রেমপিয়াসী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘শুধু তুমি’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভেতর আগুন’ চলতি জীবনে তিনি তার এই সাফল্য ও এগিয়ে যাত্রা দিয়ে প্রমাণ করেছিলেন, কেন তিনি বাংলার দর্শকদের প্রিয় ছিলেন।

  • পুণের ফ্ল্যাটে তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    পুণের ফ্ল্যাটে তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    ভারতের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘জামতারা’ খ্যাত তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের মরদেহ তার পুণের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তিনি ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। মাত্র পঁচিশ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেছেন এই প্রতিভাবান অভিনেতা। শচীনের অকাল মৃত্যুসংবাদে শোকের ছায়া নেমে এসেছে হিন্দি ও মারাঠি শোবিজ অঙ্গনে। তিনি ‘জামতারা ২’ ওয়েব সিরিজে অভিনয় করে নবাগতদের মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

    ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, শচীন চাঁদওয়াড় শুধুমাত্র একজন অভিনেতা ছিলেন না, তিনি পেশায় ছিলেন একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারও। পুণের একটি পরিচিত আইটি পার্কে কাজ করতেন তিনি। পরিবার ও বন্ধুদের কাছে তিনি সদা হাসিখুশি ও প্রাণোচ্ছল মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে কেন তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন, সে বিষয়ে তার ঘনিষ্ঠরা স্পষ্ট কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

    গত ২৩ অক্টোবর সকালে পুণের তাঁর ফ্ল্যাটে শচীনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পরিবার। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও আপাতত কোনও সুফল হয়নি। শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয় পরিবার। কিন্তু সংক্ষিপ্ত চিকিৎসার পর ২৪ শে অক্টোবর দুপুরে মারা যান তিনি। এই অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে শোবিজ অঙ্গনসহ তার পরিবার, বন্ধু ও অনুসারীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।