Month: September 2025

  • নির্বাচক প্যানেল থেকে পদত্যাগ করলেন আব্দুর রাজ্জাক

    নির্বাচক প্যানেল থেকে পদত্যাগ করলেন আব্দুর রাজ্জাক

    সবশেষ কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। সাবেক এই স্পিনার সাড়ে চার বছর ধরে নির্বাচকের দায়িত্ব পালন শেষে অবশেষে এটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি নিজেকে নতুনভাবে প্রমাণের জন্য আগামী ৬ অক্টোবরের নির্বাচনে খুলনা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে পরিচালক পদে লড়ছেন।

    খেলার মাঠে নিয়মিত পারফর্ম করলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর সুযোগ অনেক সময়ই অধরা থেকে গিয়েছে। নির্বাচকদের কাছ থেকে অবিচ্ছিন্ন বঞ্চনার শিকার হয়েছেন রাজ্জাক, যার জন্য তিনি বারবারই আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। ২০১৪ সালের পর থেকে সাদা বলের ক্রিকেটে তাঁর ডাকা হয়নি। তবে ২০১৮ সালে হঠাৎ করেই টেস্ট দলের জন্য মনোনীত হন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঐ টেস্ট ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পর, কিছুদিন বোর্ডের তরফ থেকে বাদ পড়েন।

    ক্রিকেটার হিসাবে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ দলের নির্বাচক প্যানেলে যোগ দেন রাজ্জাক। তবে তিনি পরে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। তখন তাদের জায়গায় যোগ দেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ও হাবিবুল বাশার। সময়ের সাথে সাথে নান্নু ও বাশারদের সাথে বিসিবি নানান কারণে শান্তি করতে পারেনি; তবে রাজ্জাক এর দায়িত্বের ব্যাপারে অটুট থাকেন।

    প্রথমে গাজী আশরাফ হোসেন লিপু ও হান্নান সরকার সহকারে নির্বাচক হিসেবে কাজ করেছিলেন তিনি। যদিও কোচিংয়ে যোগ দেওয়ার আগে হান্নান নিজেকে এই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেন।

    অবশেষে, ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে বিসিবিতে পদত্যাগের ঘোষণা দেন রাজ্জাক। পাশাপাশি, তিনি আসন্ন নির্বাচনে খুলনা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য মনোনয়ন ফর্মও সংগ্রহ করেছেন।

    এ সময় তাঁর সাথে মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ জুলফিকার আলি খান ফুয়াদ। শহরের আরও বেশ কয়েকজন সাবেক ক্রিকেটার, যেমন তামিম ইকবাল ও আমিনুল ইসলাম বুলবুল,ও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তামিম ও বুলবুল ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে নির্বাচনে লড়ছেন।

    অন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেশের হয়ে ১৩ টি টেস্ট, ১৫৩ ওয়ানডে ও ৩৪ টি টি-টোয়েন্টি খেলে অনেক বছর ধরে দেশের জন্য প্রতিনিধিত্ব করেছেন রাজ্জাক। তিনি মোট ২৭৯ উইকেট অর্জন করেছেন; এর মধ্যে টেস্টে ২৮, ওয়ানডেতে ২০৭ এবং টি-টোয়েন্টিতে ৪৪ উইকেট। এছাড়াও, প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৬৩৪ ও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৪১২ উইকেট শিকার করেছেন।

  • জাপানে ঋতুপর্ণাদের ক্যাম্প হচ্ছে না

    জাপানে ঋতুপর্ণাদের ক্যাম্প হচ্ছে না

    বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল তাদের প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের আসরে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টটি আগামী বছর ১ মার্চ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য বাংলাদেশ ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে। তীক্ষ্ণ ও নিবিড় অনুশীলনের জন্য শনিবার ২৯ জন নারী ফুটবলার চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।

    বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ আরও জানান, মেয়েরা আরও উন্নত ও নিবিড় অনুশীলনের জন্য চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ইয়াংওয়ানের ব্যবস্থাপনায় কোরিয়ান ইপিজেডে ২০ দিন প্রশিক্ষণ নেবে। এই ট্রেনিংয়ের আয়োজকতা পুরোপুরি ইয়াংওয়ানই করা হচ্ছে, যেখানে খরচার দায়িত্বে ফেডারেশন নেই। ১৬ অক্টোবর সেখান থেকে ঢাকায় ফিরে আসবেন ফুটবলাররা, আর ভুটান থেকে থাকা ১০ ফুটবলার ১৭ অক্টোবর দেশে ফেরত যাবেন। এরপর ঢাকায় ৪-৫ দিনের মধ্যে আবার অনুশীলন করে দল থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় দুই ম্যাচ খেলতে।

    অন্যদিকে, এশিয়া কাপের জন্য বাফুফের পরিকল্পনায় পরিবর্তন এসেছে। মূলত, নভেম্বরে ঋতুপর্ণাদের জন্য জাপানে অনুশীলনের পরিকল্পনা ছিল, তবে জাপান ফুটবল এসোসিয়েশন কর্তৃক নির্ধারিত সময়টি অনুকূল না হওয়ায় এই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে। কিরণ বলছেন, ‘জাপান ২০-৩০ নভেম্বর আমাদের যেতে বলেছিল, আমরা তখন ঢাকায় ফিফা উইন্ডোতে ত্রিদেশীয় ম্যাচ খেলব বলে ঠিক করেছিলাম। ফলে সেখানে যেতে পারছি না।’

    বাফুফে সভাপতি ঋতুপর্ণাদের এই এশিয়া কাপকে ‘মিশন অস্ট্রেলিয়া’ বলে অভিহিত করেছেন। মূল পরিকল্পনায় ছিল ১ সেপ্টেম্বর থেকে অনুশীলন শুরু করা, যা তিন সপ্তাহ পিছিয়ে গেছে। আবার জাপানে অনুশীলনের পরিকল্পনাও ভেস্তে গিয়েছে। কিরণ বলেন, ‘আসলে পিটার মাঝেমধ্যে অসুস্থ থাকায় কিছুটা দেরি হয়েছে। এতো কিছু হয়তো এখন এককভাবে নিয়ে পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে হবে। তবে আমাদের এগিয়ে যেতেই হবে।’ জুলাইয়ে নারী এশিয়া কাপ নিশ্চিত হওয়ার পর ভারত রোডম্যাপও কয়েক দিন পরে প্রকাশ করে। দুই মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও বাফুফের পরিকল্পনা এখনও প্রাথমিক পর্যায়েই রয়েছে। অনেক কিছু এখনো আলোচনার মধ্যেই।

    ৫-২০ ডিসেম্বর কলম্বোতে নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হবে নারী সাফ ক্লাব। এতে বাংলাদেশের নাসরিন স্পোর্টিং অংশ নেবে। এই টুর্নামেন্টে খেলা হবে ভারত, নেপাল ও ভুটানের চ্যাম্পিয়ন ক্লাবগুলোর। জাতীয় দলের ফুটবলারদের নাসরিনের হয়ে খেলার বিষয়ে কোচের সঙ্গে এখনো আলোচনা হয়নি, তবে বাফুফের পরিকল্পনা রয়েছে।

    বাফুফে ডিসেম্বরের নারী ফুটবল লিগ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। এই লিগে এশিয়া কাপে স্কোয়াডে থাকা ফুটবলারদের খেলার সুযোগ থাকছে। ফেডারেশন ভাবছে নারী ফুটবলারদের ফেডারেশনের ক্যাম্পে ও কোচের অধীনে অনুশীলনে রাখা। তবে, ক্লাবগুলো এই পরিকল্পনায় দ্বিমত প্রকাশ করছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে ফেডারেশন ক্লাবগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেবে।

    এদিকে, ভুটান নারী লিগে এখনো খেলে চলেছেন পাঁচ ফুটবলার—সাবিনা খাতুন, মাসুরা পারভীন, সানজিদা আক্তার, কৃষ্ণা রাণী ও সুমাইয়া মাতসুসিমা—যারা এখনো বাফুফের স্কোয়াডের অংশ নন। এশিয়া কাপের জন্য তাদের ডাকার বিষয়ে কোচ পিটার বাটলারকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, বলে জানিয়েছেন কিরণ, ‘এটি টেকনিক্যাল বিষয়। কোচের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।’

  • সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে টাইব্রেকারে বাংলাদেশের স্বপ্ন ভেঙে গেল

    সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে টাইব্রেকারে বাংলাদেশের স্বপ্ন ভেঙে গেল

    সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে আবারও ভারতের কাছে হেরেছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দুটি দলই দারুণ লড়াই করেছে, ম্যাচ শেষ হয় ২-২ সমতায়। তবে টাইব্রেকারে ৪-১ ব্যবধানে জিতেছে ভারত, ফলে তারা এই আসরের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ঘোষণা পায়। এটি ভারতের সপ্তম শিরোপা, যেখানে এখন পর্যন্ত তারা ১১ বার অংশ গ্রহণ করে সর্বোচ্চ সাতবার বিজয়ী হয়েছে। নিজদলের সামান্য পারফরম্যান্সের তুলনায় বাংলাদেশ দুবার শিরোপা জিতলেও, এবার তাদের আশা ভেঙে গেছে। কলম্বোর রেসকোর্স গ্রাউন্ডে খেলার শুরুতেই এগিয়ে যায় ভারতের দাললমৌন গ্যাংটে, তৃতীয় মিনিটে তিনি বাংলাদেশের রক্ষণ ভেদ করে গোল করেন। এরপর ২৫ মিনিটে মানিকের দুর্দান্ত হেড লক্ষ্যভেদ করে বাংলাদেশের সমতা ফেরানোর সুযোগ হয়। তবে বিরতির আগেই আবারও ভারতের দলে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ, ৩৮ মিনিটে আজলান শাহর গোলে ভারত ২-১ এ এগিয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে উভয় দলই গোলের জন্য জোরদার প্রয়াস চালায়। শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের রেদোয়ানের গোলের মাধ্যমে ম্যাচটি ২-২ সমতায় শেষ হয়। এরপর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে, যেখানে শেষ পর্যন্ত ভারতের পক্ষেই বিজয় হয়। গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থেকে দুই দলই ফাইনালে পৌঁছায়। সেমিফাইনালে ভারত নেপালকে ৩-০ গোলে হারায়, এবং বাংলাদেশ পাকিস্তানকে ২-০ গোলে পরাজিত করে শিরোপার লড়াইয়ে উঠে আসে। তবে সবশেষে আবারও এই প্রতিযোগিতায় জয়টি প্রত্যাশিতভাবে যায় ভারতের দিকেই।

  • বিসিবি নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিলেন বুলবুল ও ফাহিম

    বিসিবি নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিলেন বুলবুল ও ফাহিম

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের ব্যাপারে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই নির্বাচনের জন্য মনোনয়নের শেষ তারিখ আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর রোববার পর্যন্ত। নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী, গতকাল শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিচালকের পদে মনোনয়ন গ্রহণের কাজ চলে। আজ রোববার সকাল থেকে মনোনয়ন জমা চলছে, যা বিকেল পর্যন্ত চলবে।

    আজ দুপুরে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সেরা তারকা খেলোনোফুল্লা ক্রিকেটার আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং বাংলাদেশ দলের বর্তমান কোচ ও সাবেক অধিনায়ক নাজমুল আবেদিন ফাহিম। উল্লেখ্য, এই দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারই ফরম জমা দিয়েছেন। এর আগে, গতকাল বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ৬০ জন মনোনয়ন পাওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।

    প্রথম ক্যাটাগরি, অর্থাৎ জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের থেকে মনোনয়ন এখন পর্যন্ত ২৫ জন প্রার্থী دریافت করেছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন, খুলনায় ৩ জন, রাজশাহীতে ৪ জন, সিলেটে ৩ জন, রংপুরে ৬ জন ও বরিশাল থেকে ১ জন মনোনয়ন জমা করেছেন।

    দ্বিতীয় ক্যাটাগরি, ঢাকার ক্লাব থেকে মোট ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়নের জন্য আবেদন করেছেন।

    তৃতীয় ক্যাটাগরিতে, অর্থাৎ অন্যান্য ক্যাটাগরিতে, এখন পর্যন্ত ৩ প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, বাংলাদেশ দলের সাবেক উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান খালেদ মাসুদ পাইলট ও বিসিবির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন নিয়েছেন বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু।

    আরও একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালও পরিচালকের পদের জন্য মনোনয়ন কিনেছেন। তিনি ক্লাব ক্যাটাগরিতে ঢাকার ওল্ড ডিওএইচএস কাওন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন। পাশাপাশি, সাবেক বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদও মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। এ ছাড়াও, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বরিশাল বিভাগের মনোনয়নপ্রার্থী শাখাওয়াত হোসেন নির্বাচিত হতে চলেছেন। কিছু বিভাগের জন্য এই নির্বাচন প্রক্রিয়া খুবই দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, যেখানে জয় নিশ্চিত করে ফেলেছেন বেশ কিছু প্রার্থী।

  • ৪১ বছর পর ফাইনালে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের প্রত্যাশা

    ৪১ বছর পর ফাইনালে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের প্রত্যাশা

    শারজাহ থেকে কলম্বো, করাচি থেকে মিরপুর—গত চার দশকে ক্রিকেটের এই মহাকাব্যিক ম্যাচটি যেন কম চেষ্টা হয়নি। অবশেষে আজ রোববার দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সেই কাঙ্ক্ষিত মহাযুদ্ধের ফাইনাল। দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত-পাকিস্তানের এই যুদ্ধের ফলাফল দেখবে বিশ্বের কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমী। এই স্নায়ুবদ্ধ লড়াইয়ে কে জিতবে, তা নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে। টকশোতে নানা বিশ্লেষক, সাবেক খেলোয়াড় বা বিশেষজ্ঞের মন্তব্যে ভিড় জমে থাকলেও এখন আসল প্রশ্ন হলো—এআই কী বলছে এই ম্যাচের ভবিষ্যত درباره? শুনুন তাদের বিশ্লেষণ।

    গুগল জেমিনি বলছে, ‘এই ম্যাচের ফলাফল অপ্রত্যাশিত হতে পারে কারণ চাপ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা একেবারেই উচ্চ স্তরে। তবে সম্ভাব্য জেতা দলে ভারত।’ অন্যদিকে চ্যাটজিপিটি ভবিষ্যদ্বাণী করছে, ‘ফর্ম, ভারসাম্য এবং গোপন শক্তির ভিত্তিতে ভারতের জেতা বেশ সম্ভব। ব্যাটিং গভীরতা, বোলিং বৈচিত্র্য ও গতির দিক থেকে তারা এগিয়ে থাকায় জয়ের সম্ভাবনা ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ।’ পাকিস্তানের জন্য এই সম্ভাবনা ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ। তবে এসব তত্ত্বের বাইরে একটা বিষয় হলো—একটি বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং ওভার অনেক কিছু বদলে দিতে পারে ম্যাচের চিত্র।

    বিশ্লেষকরা আরও বলছেন, দুবাইয়ের পিচটা রান তাড়া করতে বেশ সুবিধাজনক। পাওয়ার প্লেতে যদি আশি বা তার বেশি রান ওঠে, তাহলে প্রথম ১৭০ থেকে ১৮০ রান তাড়া করা কঠিন হবে না। ভারতের জন্য সেই রান তাড়া করে ৬-৭ উইকেটের মাধ্যমে জয় পাওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন তারা। তবে এই বিশ্লেষণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার, তার জন্য পরিস্থিতি ও ডেটার ভিত্তিতে হিসেব বলেছে। আবেগ তো আর মানুষভাবে বোঝা সম্ভব নয়।

    অতীতের প্রতিদ্বন্দ্বিতার গল্পও বেশ কিছু তথ্য প্রকাশ করে। গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আগার ও শেহিন আফ্রিদির সক্রিয় মানসিকতা, মনোভাব ও কৌশল বিশেষ করে সবার নজরে। পাকিস্তান অধিনায়ক বলছেন, ‘আমরা জানি কোন পথে আছি। যে কোনো দলকেই হারানোর ক্ষমতা আমাদের রয়েছে। ফাইনালেও আমরা জিতে যাব।’ অন্যদিকে ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার আরও সাবধানী ও সংযত থাকছেন, বলছেন, ‘শেষ ম্যাচে জয়ী হয়ে আমি খুবই খুশি। আমাদের লক্ষ্য এবার নিজেদের সেরাটা দেখানো।’

    ভারতের এই মঞ্চে অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও, ওপেনিং জুটির অবস্থা বেশ ভালো। শুভমান গিল একেবারে ফর্মে থাকলেও মিডলঅর্ডারে তিলক ভার্মার পারফর্মেন্স ভালো হয়নি। লোয়ার অর্ডারে হার্দিক পান্ডিয়া ছাড়া অন্যরা বড় পরীক্ষায় পড়ে নি। অন্যদিকে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সাহিবজাদা ফারহান উজ্জ্বল, কিন্তু তাদের মিডলঅর্ডার নিয়ে গিয়ে মূল সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অধিনায়ক সালমানের সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনা dziś দেখা যাবে। সব মিলিয়ে, এই মহাযুদ্ধের দিকনির্দেশনা আগামীকালই জানা যাবে। কিন্তু বিশ্বাস করা যায়, এই ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভারতের vs পাকিস্তান ম্যাচের জন্য ক্রিকেট বিশ্ব অপেক্ষা করছে উত্তেজনা আর চাঞ্চল্য নিয়ে।

  • যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয় প্রেসিডেন্টের ভিসা বাতিলের ঘোষণা

    যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয় প্রেসিডেন্টের ভিসা বাতিলের ঘোষণা

    যুক্তরাষ্ট্র কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রোর ভিসা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন, কারণ তিনি নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে অংশ নিয়ে অসংলগ্ন ও উত্তেজনাকর মন্তব্য করেছেন। শুক্রবার এই সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ। এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।

    যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এক্স (উপস্থাপনাসহ সাবেক টুইটার)-এ জানায়, ‘আজ (শুক্রবার) নিউ ইয়র্কের রাস্তায় দাঁড়িয়ে পেট্রো মার্কিন সেনাদের নির্দেশ অমান্য করতে এবং সহিংসতা উস্কে দিতে আহ্বান জানান। এজন্য আমরা তার ভিসা প্রত্যাহার করছি।’

    বিক্ষোভে অংশগ্রহণের সময় পেট্রো ব্রিটিশ সঙ্গীতজ্ঞ Rজার ওয়াটার্সের সঙ্গেও ছিলেন। তিনি বলেন, ‘গাজায় যা ঘটছে, তা স্পষ্টভাবে গণহত্যা।’ এছাড়াও, তিনি মার্কিন নিরাপত্তা পরিষদের ভেটো ব্যবহারের কারণে কূটনৈতিক প্রত্যাশার ধ্বংসের কথাও উল্লেখ করেন।

    পেট্রো মার্কিন সেনাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘ট্রাম্পের নির্দেশ মানবেন না, মানবতার নির্দেশ মানুন’। তিনি আরো জোর দিয়ে বলেছিলেন, ‘ইতিহাস দেখিয়েছে, যখন কূটনীতি ব্যর্থ হয়, তখন মানবতা অন্য সংগ্রামে নামতে বাধ্য হয়’।

    কলম্বিয়ার আন্তর্জাতিক বিষয়কমন্ত্রী আর্মান্ডো বেনেদেত্তি এক্স (সাবেক টুইটার)-এ লিখেছেন, ‘নেতানিয়াহুর ভিসা প্রত্যাহার হওয়া উচিত ছিল, পেট্রোর নয়। তবে, মহাশক্তি তাকে রক্ষা করছে, তাই সত্য বলার সাহস দেখানো প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।’

    প্রতিবেদনের সূত্রে জানা গেছে, পেট্রো শুক্রবার রাতের দিকে নিউ ইয়র্ক থেকে বোগোটা ফিরছেন।

    অপর দিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনের কিছু কর্মকর্তাসহ প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আরব্বাসের ভিসা বাতিল করেছে। এর ফলে তারা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উপস্থিত হতে পারছেন না।

  • গাজায় ইসরায়েলি বর্বর হামলায় এক দিনে নিহত ৯১ জন

    গাজায় ইসরায়েলি বর্বর হামলায় এক দিনে নিহত ৯১ জন

    গাজায় অবিরাম চলছে কথিত ‘নিরাপদ অঞ্চল’ বলে প্রচারিত এলাকা থেকেও ইসরায়েলি বর্বর হামলা। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) আরও কমপক্ষে ৯১ জনের মৃত্যু হয় এই হামলায়। আন্তর্জাতিক সমালোচনাকে উপেক্ষা করে অবরুদ্ধ এ অঞ্চলটি আরও জোরদার করেছে দখলদার বাহিনী তাদের স্থল অভিযান।

    গাজার সরকারি গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইসরায়েল গাজার বিভিন্ন এলাকা থেকে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বকভাবে দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে সরিয়ে নেওয়ার নামে ‘মানবিক নিরাপদ অঞ্চল’ তৈরি করার দাবি করলেও আসলে সেসব এলাকাতেও বারবার হামলা চালানো হচ্ছে। ১১ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত দক্ষিণ ও মধ্য গাজায় ১৩৩টি হামলায় কমপক্ষে ১ হাজার ৯০৩ জন নিহত হয়েছেন, যা এই অঞ্চলের মোট প্রাণহানি প্রায় ৪৬ শতাংশ।

    সংস্থাটির মতে, এই হামলাগুলো স্পষ্ট করে যে, বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে টার্গেট করা হচ্ছে। তারা আন্তর্জাতিক সমাজের হস্তক্ষেপের জন্য দাবি জানিয়ে বলেছে, যদি বিশ্ব কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ না নেয়, তবে এই হামলা আরও ভয়ঙ্কর এই হত্যাযজ্ঞের চিহ্ন হয়ে থাকবে।

    হামলার কারণে গাজার চিকিৎসা ব্যবস্থা ব্যাপক সংকটে পড়েছে। বেশ কয়েকটি হাসপাতাল বন্ধ হয়ে গেছে, তীব্র গোলাবর্ষণের ফলে জর্ডান ফিল্ড হাসপাতাল থেকে ১০৭ রোগী ও চিকিৎসক-সহ অন্যান্য কর্মীর প্রয়োজনীয় সরিয়ে নেওয়া হয়।

    গাজার অধিকাংশ হাসপাতালই আগেই সংকটের মধ্যে পড়েছিল, এখন অ্যানাস্থেসিয়া ও অ্যান্টিবায়োটিকের মতো মৌলিক উপকরণ বর্তমানে মজুত নেই। খাদ্য ও ওষুধের জন্যে হাহাকার চলছে, চিকিৎসকরা রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। দক্ষিণের হাসপাতালে কিছু পরিমাণ চিকিৎসা চললেও, আহতর সংখ্যায় ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় চাপ আরও বেড়েছে।

    আল-আকসা হাসপাতালের চিকিৎসক খলিল দিগরান অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েলি সেনারা গাজার শিশুদের জন্য একমাত্র বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান রান্তিসি হাসপাতালকেও ইচ্ছাকৃতভাবে টার্গেট করে আগ্রাসন চালাচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, চলমান হামলা অব্যাহত থাকলে দক্ষিণের হাসপাতালগুলোও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

    বিশ্বজুড়ে এই ভয়াবহ পরিস্থিতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন শহরে প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়েছে। জার্মানির বার্লিন ও যুক্তরাজ্যের লিভারপুলসহ বিভিন্ন শহর থেকে এই হামলার বিরুদ্ধে সোচ্চার আন্দোলন চলেছে।

    আন্তর্জাতিক মহলও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছিলেন, গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য কিছুটা অগ্রগতি হতে যাচ্ছে। তবে হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের কাছে এই ব্যাপারে কোনও নতুন পরিকল্পনা বা প্রস্তাব পাঠানো হয়নি। হামাসের একজন কর্মকর্তা আল-জাজিরাকে জানান, তাদের কাছে কোন প্রস্তাব আসেনি।

    অন্যদিকে, আগামী সোমবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ট্রাম্পের সাক্ষাৎ হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে ভবিষ্যত পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনা হবে।

  • ইরানের দাবি: ১২ দিনের যুদ্ধে ১৬ ইসরায়েলি পাইলট নিহত

    ইরানের দাবি: ১২ দিনের যুদ্ধে ১৬ ইসরায়েলি পাইলট নিহত

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জ্যেষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল ইয়াহিয়া রাহিম-সাফাভি জানিয়েছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান ১২ দিনের সংঘর্ষে তাদের কমপক্ষে ১৬ জনের বেশি ইসরায়েলি পাইলট প্রাণ হারিয়েছেন। এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে রাহিম-সাফাভি বললেন, শুরুতেই ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা ব্যবস্থা কিছু দুর্বলতা দেখিয়েছে, তবে দ্রুত তা শনাক্ত করে সংশোধন ও পুনর্গঠনে কাজ শুরু হয়েছে। তার ভাষ্যায়, যুদ্ধের প্রথম দুই থেকে তিন দিন কিছুটা চাপ থাকলেও চতুর্থ দিন থেকে পরিস্থিতি পালটে যেতে শুরু করে, এবং শেষদিকে এসে ইরান পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের অধিকাংশ—প্রায় ৬০ শতাংশ—ইরানকেই এই সংঘর্ষে বিজয়ী হিসেবে মানছে। রাহিম-সাফাভি বলেন, প্রথমদিকে কিছু অপ্রতুলতা থাকলেও দ্রুত পরিস্থিতির পরিবর্তন হয় এবং শেষ পর্যন্ত ইরানের পক্ষেই জয় নিশ্চিত হয়। তিনি আরও বলেন, ইসরায়েল তাদের ঘোষিত লক্ষ্য বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে; তারা ইরানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করতে বা সামরিক ও পারমাণবিক ক্ষমতা ক্ষুণ্ণ করতে পারেনি। এর বদলে, ইরান সফলভাবে তার কৌশলগত লক্ষ্যগুলো অর্জন করেছে। তিনি জানালেন, ইরান শত্রু পক্ষের কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, টার্মিনালসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আক্রমণ চালিয়েছে, যার কারণে ইসরায়েল পরিস্থিতি আত্মসমর্পণের দিকে চলে গেছে। তিনি দাবি করেন, এই অভিযানে ১৬ জনের বেশি ইসরায়েলি পাইলটের প্রাণহানি ঘটেছে। রাহিম-সাফাভি আরও বলেন, যুদ্ধের মধ্যে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল থাকলেও দ্রুত প্রতিশোধ নেওয়া ও পুনর্গঠন শুরু হয়েছে। শত্রু পক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষা দূরীভূত করতে তারা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে, যেখানে প্রায় ৬০০ থেকে ৬৪০টি ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষেপণ করা হয়। তিনি বললেন, এখন ইরানের মহাকাশ ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার ও শক্তিশালী করার কাজে কি ঘটে চলেছে। ক্ষতির পরিপেক্ষিতে, নতুনভাবে রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী ও বিমান ইউনিটের নেতৃত্বের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। তার মতে, কেবল প্রতিরক্ষা নয়, ইরান আকাশ, মহাকাশ ও অন্যান্য সেক্টরে আগ্রাসী শক্তি আরও বাড়াচ্ছে। শেষদিকে তিনি সতর্ক করে দেন, ভবিষ্যতে ইসরায়েল বা তার মিত্ররা যদি আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তাহলে তাদের উপর অপ্রতিরোধ্য শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া বড় আকারে আসবে। গত ১৩ জুন বিনা প্ররোচনায় ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালায়, যা পরে ১২ দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এই সংঘর্ষে কমপক্ষে ১,০৬৪ জন মারা যান, যার মধ্যে সামরিক কর্মকর্তারাও রয়েছেন, সাথে পারমাণবিক বিজ্ঞানী ও সাধারণ নাগরিকরা। পরে, এই যুদ্ধের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রও প্রবেশ করে, এবং ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। এর জবাবে, ইরান তেল আবিবের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বড় সামরিক ঘাঁটিসহ বেশ কিছু স্থাপনায় হামলা চালায়। শেষ পর্যন্ত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ২৪ জুন উভয় পক্ষ অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়।

  • জাতিসংঘে পাকিস্তানের ব্যাপক সমালোচনায় জয়শঙ্কর

    জাতিসংঘে পাকিস্তানের ব্যাপক সমালোচনায় জয়শঙ্কর

    জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন নিউইয়র্কে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) তার বক্তৃতায় তিনি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করে বলেন, দেশটি মূলত বড় আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রস্থল। জয়শঙ্কর উল্লেখ করেন, যখন কোনো দেশ সন্ত্রাসকে সরকারি নীতিতে পরিণত করে, সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ায় এবং এর গুণগান করে, তখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এর চরম নিন্দা জানানো উচিত। তিনি বলেন, পাকিস্তানকে সন্ত্রাসের মূল কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করে, ভারতবারেক বলতে পারেন, গত কয়েক দশক ধরে ভারতে বিভিন্ন সন্ত্রাসী হামলার জন্য পাকিস্তানই দায়ী। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের দেশ স্বাধীনতা সংগ্রামের পাশাপাশি সন্ত্রাসের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, পাকিস্তানে চালানো অপারেশন সিঁদুরের প্রসঙ্গে, ভারত তার জনগণের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী আত্মরক্ষা নিশ্চিত করছে। পাশাপাশি, যারা সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে সেইসব দোষীর বিচারেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। জয়শঙ্কর জোর দিয়ে বলেন, সন্ত্রাসবাদের অর্থায়ন ও এর বিস্তার রোধ করতে হবে। এই জন্য আমাদের প্রয়োজন কঠোর বা চাপ সৃষ্টি, যা সন্ত্রাসের মূল বৈশিষ্ট্যগুলোকে দুর্বল করবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক দেশগুলোকে প্রশ্রয় দেয়, তারা বুঝবে যে সন্ত্রাসই তাদের জন্য প্রত্যাঘাতের কারণ হচ্ছে। সূত্র: এনডিটিভি।

  • নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি প্রকাশ্যে এলেন: বললেন, দেশ ছেড়ে পালছি না

    নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি প্রকাশ্যে এলেন: বললেন, দেশ ছেড়ে পালছি না

    চলতি মাসে গণজোট আন্দোলনের চলার সময় নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি ক্ষমতা হারান। তবে, মাত্র এক মাসের মধ্যে তিনি আবার প্রকাশ্যে আসছেন এবং স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে দেশ থেকে পালাবেন না।

    শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) তাঁর নিজ দলের যুব সংগঠন গুন্ডুর আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন কেপি শর্মা। সেখানে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আপনাদের মনে হচ্ছে, আমরা এভুত সরকারের কাছে ক্ষমতা দিয়ে দেশ থেকে পালিয়ে যাব?”

    নিজের অনুগামী ক্যাডারদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, “আমরাই এই দেশকে আবার গড়ে তুলব। দেশকে সংবিধানের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনব। শান্তি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করব।”

    বিগত ১৮ দিন আগে সেনা সহায়তায় তিনি জেন-জেডের সঙ্কটে রক্ষা পান। এতদিন আড়ালে থাকলেও শেষমেশ তিনি গতকাল প্রকাশ্যে এসে উপস্থিত হন।

    তিনি অভিযোগ করেন, গণআন্দোলনে গঠিত সরকার দেশের জনগণের মতামত নেওয়া হয়নি, বরং সহিংসতা ও ভাঙচুরের মাধ্যমে ক্ষমতা লাভ করেছে। এছাড়াও, তিনি দাবি করেন कि তিনি কোন ষড়যন্ত্রে জড়িত নন। নতুন সরকারকে তিনি চ্যালেঞ্জ করে বলেন, আন্দোলনের সময় প্রশাসনকে তিনি কি কি নির্দেশনা দিয়েছিলেন, তার রেকর্ড যেন প্রকাশ করা হয়।

    অন্যদিকে, সুশীলা কার্কির অন্তর্বর্তী সরকার তার উপর আরও কয়েকজন মন্ত্রীর পাসপোর্ট জব্দের পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ করেছেন কেপি শর্মা। তিনি মনে করেন, এর মাধ্যমে তার অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে।

    এই তথ্য বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, যার মধ্যে কাঠমান্ডু পোস্ট প্রধান।