বলিউডের পরবর্তী সিনেমা ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ এর শুটিং করতে গিয়ে আহত হয়েছেন সালমান খান। দুই মাসের বেশি সময় ধরে ভারতের লাদাখ অঞ্চলে সিনেমাটির দৃশ্যায়ন চলছিল, তখনই অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনায় পড়েন এই অভিনেতা। ভারতের গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই সিনেমার এক ফাইটিং সিনের শুটিং চলাকালে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় সালমানের পেটে গুরুতর চোট লাগে। তবে তা সত্ত্বেও শুটিং চালিয়ে যায় পুরো পরিস্থিতি সামলানো হয়।
Month: September 2025
-

জুবিন গার্গের শেষ বিদায়, স্ত্রী ও বাবার চোখে চোখে কাঁদলেন সবাই
শনিবার মধ্যরাতে সিঙ্গাপুর থেকে বিমানে করে জুবিন গার্গের মরদেহ দিল্লিতে পৌঁছায়। এরপর রোববার সকালে সেটি আসামের গুয়াহাটিতে এসে পৌঁছায়। বিমানবন্দরে কফিনবন্দি তাঁর নিথর দেহ দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন জুবিনের স্ত্রী গরিম সৈকিয়া গার্গ।
জুবিনের মরদেহ গুয়াহাটিতে নেওয়ার আগে কাহিলিপাড়ার নিজ পরিবারের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে তার অসুস্থ ৮৫ বছর বয়সী বাবা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর পরে, সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবাই তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে অর্জুন ভোগেশ্বর বড়ুয়া স্পোর্টস কমপ্লেক্সে উপস্থিত হন। সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ভক্তরা ভিড় জমিয়ে প্রিয় গায়ককে শেষবারের মতো দেখতে যান।
জুবিন গার্গ দীর্ঘ সংগীত জীবনে ৪০টির বেশি ভাষায় প্রায় ৩৮ হাজার গানে গায়ক হিসেবে তার অবদান রেখেছেন। তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয় বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ইমরান হাশমির ‘গ্যাংস্টার’ ছবির ‘ইয়া আলি’ গান দিয়ে, যা গোটা ভারতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। এর পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
আসাম রাজ্যের ‘রাজপুত্র’ হিসেবে পরিচিত এই সংগীতশিল্পীকে দেশের বহু মানুষ ভালোবাসতেন। তাঁর মৃত্যুতে গোটা ভারত শোকাভিভূত।
জুবিন গার্গের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে আসাম সরকার। আসাম সরকার ঘোষণা করেছে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, এই সময়ে কোনও সরকারি বিনোদন বা সবশেষ আনুষ্ঠানিকতা হবে না।
উল্লেখ্য, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়ে আবার ফিরে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান জনপ্রিয় এই কণ্ঠশিল্পী।
অবশেষে, শেষকৃত্যের স্থান ও সময় এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আসাম সরকার রোববার সন্ধ্যায় এক বৈঠকে তাঁর দাহের স্থান নির্ধারণ করবেন বলে জানা গেছে।
-

হাসপাতালে ভর্তি পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু
প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু রাজধানীর এক বেসরকারি হাসপাতালে চোখের সমস্যায় ভর্তি হয়েছেন। জানা গেছে, তার চোখের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। এই খবর নিশ্চিত করেছেন তার দungsোকার নির্মাতা এম এন ইস্পাহানি।
রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে ইস্পাহানি লিখেছেন, “দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। একজন পরিপূর্ণ সাদা মনের মানুষ। আল্লাহর রহমতে তার চোখের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দোয়া করবেন।” এই পোস্টের মন্তব্যে অনেক দোয়া ও শুভকামনা জানিয়ে নানা ব্যক্তিত্ব লেখেন, যার মধ্যে ঢাকাই সিনেমার খল অভিনেতা মিশা সওদাগরও উল্লেখ করেছেন, “অনেক দোয়া।” অনেকে তার সুস্থতা ও জান্তার জন্য শুভকামনা ব্যক্ত করেছেন।
পোস্টে দেখা যায়, হাসাপাতালের বিছানায় এক চোখে অপারেশন অবস্থায় শুয়ে আছেন ডেলোয়ার ঝন্টু। তিনি দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে শতাধিক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। তার পরিচালনায় প্রথম আলোচিত চলচ্চিত্র ছিল “বন্দুক,” যার মাধ্যমে তিনি পরিচালনায় আত্মপ্রকাশ করেন। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে “শিমুল পারুল,” “প্রেমগীত,” “হারানো প্রেম,” “ঝিনুকমালার প্রেম,” “বউমা,” “সকাল-সন্ধ্যা,” “পালকি,” “জজ ব্যারিস্টার,” “মুজাহিদ,” এবং “হাতি আমার সাথী”।
দেলোয়ার জাহান ঝন্টু তার কর্মজীবনে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। আমরা সবাই তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছি।
-

অভিনয়ের পর এবার গীতিকারও ছেড়ে দিচ্ছেন তাহসান
সংগীতজীবনের ২৫ বছর পূর্ণ করেছেন তাহসান। এই বিশেষ উপলক্ষে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় সংগীত সফরের জন্য অবস্থান করছেন। তবে এই সফরকালে তার বড় একটি সিদ্ধান্ত জানান—তিনি তার মিউজিক ক্যারিয়ার শেষ করার কথা ভাবছেন। শান্তিপূর্ণ এই মিউজিক জীবনযাত্রার অবসান আসছে বলে মনে করছেন তিনি।
প্রথমে জানিয়ে দেন, এই সফর শেষ হলেও এটি তার চূড়ান্ত বিরতি নয়। তার কথায়, ‘এটি আমার শেষ কনসার্ট নয়, তবে শেষ ট্যুর। ধীরে ধীরে আমি হয়তো সংগীতের পথ থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।’ এই ঘোষণা শুনে কনসার্টে উপস্থিত অনুরাগীরা হতভম্ব ও দুঃখ প্রকাশ করেন। তাহসান তাদের শান্ত করে বলেন, ‘এটি স্বাভাবিক একটা বিষয়। আমার এই সিদ্ধান্তের কারণ হয়তো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাবে।’ তিনি মজা করে বলেন, ‘একসময় কি স্তেজে ঝাঁপানো যায় ডাড়ি মাথায়? মেয়ের বয়সও বড় হয়ে গেছে।’ এরপর তিনি গভীরভাবে বলেন, ‘অভিনয় থেকে আমি বেশ কয়েক বছর বিরতি নিয়েছি। এখন গান থেকেও ধীরে ধীরে দূরে সরে যাচ্ছি। আজকের এই রাতটা বিশেষ হয়ে থাকবে, কারণ হয়তো আর কখনো এই মেলবোর্নে ফিরবেন না। তবে, আমি আপনাদের মনে কিঞ্চিৎ থাকব। আমি আপনাদের খুব মিস করব।’
তাহসান ১৯৯৮ সালে বন্ধুদের সঙ্গে অলটারনেটিভ রক ব্যান্ড গড়েন। তবে তার পেশাদার সংগীতজীবন শুরু হয় ২০০০ সালে ব্ল্যাক ব্যান্ডের মাধ্যমে। তখন থেকেই তিনি সংগীতজীবনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। দ্রুত সময়ে তিনি নিজের একক ক্যারিয়ার গড়ে তোলেন, যেখানে তার রয়েছে অগণিত হিট গান ও সফল অ্যালবাম। তাঁর জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘আমার পৃথিবী’, ‘এখনো’, ‘ঈর্ষা’, ‘আলো’, ‘প্রেম তুমি’, ‘প্রেমাতাল’, ‘হঠাৎ এসেছিলে’, ‘কে তুমি’ ইত্যাদি। মোট ৭টি একক অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে তাঁর। বিভিন্ন মিক্সড অ্যালবামেও অংশগ্রহণ করেছেন।
সঙ্গে তিনি ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য সুফিজ’ ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য ব্যান্ড’ এর পারফর্ম করছেন। সংগীতের পাশাপাশি তিনি দারুণ একজন অভিনেতা হিসেবেও পরিচিত। নাটক, ওয়েব কনটেন্ট ও সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তবে কিছুকাল ধরে অভিনয় থেকে দূরে থাকছেন। তার সর্বশেষ দেখা গেছে গত বছর ‘বাজি’ ওয়েব সিরিজে। এই সিরিজের মধ্য দিয়ে প্রায় দুই বছর পর তাকে আবার অভিনয়ে দেখা যায়। পাশাপাশি তিনি ‘ফ্যামিলি ফিউড বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানের প্রথম সিজনে উপস্থাপনাও করেছেন।
গত বছরে কণ্ঠনালির সমস্যার কথা জানান তাহসান। বলছিলেন, ছয় বছর ধরে তিনি ভুগছেন এই সমস্যা নিয়ে। ভোকাল কর্ডে এক রোগ ধরা পড়ে, যা মূলত ২০১৮ সাল থেকে শুরু হয়। এর ফলে তিনি এখন আর আগের মতো সহজে গান গাইতে পারেন না। এমনকি তিনি নিজেও ভাবতে শুরু করেন, তিনি কি আবার গাইতে পারবেন কিনা। তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালে কণ্ঠনালিতে সমস্যা ধরা পড়ে, এরপর থেকে অনেক ধরনের অসুবিধায় পড়তে হলো। ভয়ও পেয়েছি যে, হয়তো আর গান গাইতে পারব না। এখন আমি বুঝতে পারছি আমার গলার অবস্থা কখন ভালো, কখন খারাপ। এই অবস্থার কারণে আমার গাওয়া কমে গেছে।’ বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই পরিস্থিতির কারণে তার জীবনযাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন এনেছেন। তিনি বলছেন, ‘এখন যদি আমি ধারাবাহিকভাবে কম গাই তাহলে বুঝবেন ব্যাপারটা কঠিন হয়ে গেছে। আমি আপনাদের দোয়া চাই যাতে এই সমস্যা আরো বেশি না বাড়ে।’
-

ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ
ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ গত ১৯ সেপ্টেম্বর চেন্নাইয়ে ফিলিস্তিনে চলমান ইসরায়েলের হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লংঘনের প্রতিবাদে একটি বিশাল সমাবেশ ও মিছিল আয়োজন করেন। এই কর্মসূচিতে তামিলনাড়ুর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন,জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন। প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারী অভিনেতা প্রকাশ রাজ বলেন, ‘যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা রাজনীতি হয়, তবে এটা আমি স্বচ্ছন্দে বলবো, কারণ সত্যের প্রতিটা কথাই গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধের পর শান্তি আসবে, নেতারা হাত মেলাবে, কিন্তু আসল ব্যাপার হলো, একদিকে আছে মা তার ছেলের জন্য, স্ত্রী তার স্বামীর জন্য, আর শিশুরা অপেক্ষা করে থাকে তাদের বাবার জন্য—এটাই হলো প্রকৃত সত্য।’ তিনি ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিন্দা করে বলেন, ‘ফিলিস্তিনে যে বর্বরতা চলছে, তার জন্য শুধুমাত্র ইসরায়েল নয়, আমেরিকা ও ভারতের নীরবতাও দায়ী। বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদির চুপ থাকা ও নীরবতা এই মানবাধিকার লঙ্ঘনের সাথে সমানভাবে দায়ী।’ অভিনেতা সত্যরাজ গাজায় চলমান হত্যাকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘এ সব অমানবিক ও মানবতাবিরোধী অপরাধ, যেখানে গাজায় বোমা ফেলা হচ্ছে—এমন পরিস্থিতিতে মানবতা কোথায় দাঁড়ায়?’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘এভাবে কি করে এত মানবতার উপর অত্যাচার চলতে পারে? এ ধরনের নৃশংসতা দেখে কিভাবে শান্তিতে ঘুমায় মানুষ?’ চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারন ফিলিস্তিনের এই আক্রমণকে পরিকল্পিত গণহত্যা হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘গাজায় শুধু অবকাঠামো নয়, স্কুল, হাসপাতাল ও জলপাই গাছের মতো জীবন রক্ষাকারী সম্পদগুলোকেও ধ্বংস করা হচ্ছে। এর ফলে মানুষ তার জীবন-জীবিকা হারাচ্ছে এবং পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। এটি সত্যিই একটি পরিকল্পিত আগ্রাসন এবং মানবাধিকার লংঘনের পরিচয়।’ এই প্রতিবাদ ও বিতর্কিত পরিস্থিতির মধ্যে, প্রত্যেকে মূল সুরে বলছে, সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর গুরুত্ব অপরিসীম।
-

বুলবুল ভাইকে আমি ভাবি, তামিম আমি থাকি না: বিসিবি সভাপতি পদের বিষয়ে মতামত
নতুন বিসিবি সভাপতি নির্বাচনের প্রসঙ্গ সর্বত্র আলোচনার কেন্দ্রে। জনপ্রিয় সাবেক দুই অধিনায়ক, তামিম ইকবাল এবং আমিনুল ইসলাম বুলবুলের মধ্যে কে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরবর্তী সভাপতি হবেন—এই প্রশ্নে ক্রিকেটপাড়ায় চলছে ব্যাপক জল্পনা। এই নিয়ে নিজের মতামত ব্যক্ত করেছেন আরও একজন সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল।
আশরাফুল মন্তব্য করেন, অভিজ্ঞতার দিক থেকে বুলবুলই এগিয়ে আছেন। কারণ, বুলবুল শুধু একজন খেলা-শিক্ষকই নন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্রিকেট প্রশাসন এবং কোচিংয়ে যুক্ত আছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা আইসিসির সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার রয়েছে। অন্যদিকে, তামিমের অভিজ্ঞতা মূলত মাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ।
তিনি বলেন, সোমবার গণমাধ্যমের সামনে, সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো—বর্তমান ও অতীত দুই সভাপতিই ছিলেন সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক। বুলবুল ভাই এবং তামিম, দুজনেই সাবেক অধিনায়ক। আমরা তামিমের কর্মকাণ্ড ও পরিকল্পনা শুনছি—সে কী কি উদ্যোগ নিতে চায়। অন্যদিকে, বুলবুল ভাই ইতিমধ্যে চার মাস ধরে বিসিবি’র বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত।
আশরাফুল আরও বলেন, বুলবুল ভাইয়ের ট্রিপল সেঞ্চুরি প্রজেক্ট সকলের নজরে এসেছে। Bangladesh Cricket Board ইতিমধ্যে ১৬ বছর ধরে লেভেল-৩ কোচিং কোর্স ও অ্যাম্পায়ার কোর্স চালু করতে পারেনি, যা দেশের ক্রিকেট উন্নতির জন্য অপরিহার্য। এসব উদ্যোগ নিয়েছেন বুলবুল ভাই।
তিনি স্পষ্ট করেন, তাদের দুইজনেরই যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আছে। যেখানে তামিমের অভিজ্ঞতা মূলত মাঠের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, বুলবুলের অভিজ্ঞতা বিস্তৃত ও গভীর। তিনি আইসিসির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে সরাসরি যুক্ত ছিলেন, ক্রিকেটের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ ও সংস্কৃতি সম্পর্কে ভালো জানেন। ব্যক্তিগতভাবে, আশরাফুল বুলবুল ভাইয়েরপক্ষে আছেন—তার অভিজ্ঞতা এবং সম্মানজনক চরিত্রের কারণে।
তবে, তামিমের সম্ভাবনাকে অস্বীকার করেননি আশরাফুল। তিনি বলেন, তামিম অবশ্যই যোগ্য ও ভালো কোণ থেকেই উঠে আসছেন। তিনি বোর্ডের পরিচালকমণ্ডলীতে যেতে পারেন। ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য অনেক ক্ষেত্র আছে—শুধু সভাপতি হতেই হবে এমন কোনো কথা নয়। বুলবুল ভাই যদি অব্যাহত থাকতেন, তাহলেও তার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারতেন। মূল লক্ষ্য সবসময় দেশের ক্রিকেটের উন্নয়ন এবং sourireপ্রতিষ্ঠা—এটাই আমাদের লক্ষ্য। দুইজনকেই শুভকামনা রইল।
-

ভারতীয় ক্রিকেটের নেতৃত্বে আসছেন মিঠুন মানহাস
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) পরবর্তী সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন সাবেক ক্রিকেটার ও দিল্লির সাবেক অধিনায়ক মিঠুন মানহাস। ভারতের শীর্ষ সংবাদমাধ্যমগুলোর সূত্রে জানা গেছে, ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচিত হবেন। এটি ভারতের ক্রিকেট প্রশাসনে এক নতুন দিক উন্মোচন করছে, কারণ এই প্রথম কোনও ক্রিকেটার, যিনি জাতীয় দলে ছিলেন না, বোর্ডের সভাপতি পদে আসছেন।
অথচ, কেন মিঠুন মানহাসকে নির্বাচন করা হলো? টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বোর্ডের উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের গড়া লোধা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বোর্ডের শীর্ষ পদে একজন সাবেক ক্রিকেটার থাকাটা জরুরি ছিল। শুরুতে সৌরভ গাঙ্গুলি, রঘুরাম ভাট ও হরভজন সিংয়ের নাম আলোচনায় এলে, শেষ পর্যন্ত বোর্ডের সচিব দেবজিত সাইকিয়া জোর দিয়ে মিঠুন মানহাসের পক্ষে মন্তব্য করেন।
একটি বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া কোনো সহজ ব্যাপার ছিল না। প্রযুক্তিগত, আইনি ব্যাপার সবই পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়। অবশেষে বোর্ড একজন অভিজ্ঞ সাবেক ক্রিকেটারকে সভাপতি পদে বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মিঠুন মানহাসের সম্পর্কে বললে, তিনি ৪৫ বছর বয়সী এবং জম্মু ও কাশ্মীর থেকে উঠে আসা প্রথম বিসিসিআই সভাপতি হতে চলেছেন। অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায়ে কাশ্মীরের হয়ে খেলেছিলেন তিনি, পরে দিল্লিতে আসেন এবং সেখান থেকেই তার ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু। তিনি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৫৭টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রাখেন। খেলোয়াড় হিসেবে তিনি শুধু ব্যাটিংয়ে দক্ষ নন, অধিনায়ক হিসেবেও সফলতা অর্জন করেছেন।
দিল্লি দলের নেতৃত্ব দিয়ে গৌতম গম্ভীর, আকাশ চোপড়া ও বীরেন্দ্র শেবাগের মতো তারকাদেরও নেতৃত্ব দিয়েছেন। আইপিএলে তিনি খেলেছেন দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, পুনে ওয়ারিয়র্স ও চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে।
-

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃডিসিপ্লিন দাবা ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উন্মাদনা
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শারীরিক শিক্ষা ও চর্চা বিভাগের উদ্যোগে সম্পন্ন হয়েছে এক দুর্দান্ত আন্তঃডিসিপ্লিন দাবা ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা। মঙ্গলবার বিকেলে এই প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
দাবা প্রতিযোগিতায় গণিত ডিসিপ্লিন চ্যাম্পিয়ন ও হিউম্যান রিসোর্স এন্ড ম্যানেজমেন্ট (এইচআরএম) ডিসিপ্লিন রানার্সআপ হিসেবে জিতে নেয় গৌরবের খেতাব। অন্যদিকে, ছাত্রদের টেবিল টেনিসের ক্ষেত্রে ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিন চ্যাম্পিয়ন এবং ফার্মেসী ডিসিপ্লিন রানার্সআপ হয়। সংগ্রামরত ছাত্রীরা যাতে পিছিয়ে না থাকে, সে জন্য অ্যাক্টিভ প্রতিযোগিতায় স্থাপত্য ডিসিপ্লিন চ্যাম্পিয়ন ও এইচআরএম ডিসিপ্লিন রানার্সআপ হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, দাবা সত্যিই শিক্ষার্থীদের কৌশলগত চিন্তা, ধৈর্য্য ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা বাড়ায়। একই সঙ্গে, টেবিল টেনিস শরীরের গতি, চোখ-হাতের সঙ্গতি ও মনোযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি উল্লেখ করেন, এই ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে সহায়ক পাশাপাশি তাঁদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তোলে।
এনও তিনি জানা ও জানালেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান রয়েছে জিমনেশিয়ামের উন্নয়ন কাজ, যেখানে দ্রুতই ইনডোর গেমসের জন্য স্থান প্রস্তুত হবে। ভবিষ্যতে এই জিমনেশিয়ামে আরও বিভিন্ন ইনডোর গেমসের আয়োজন করা হবে। এছাড়াও, ছাত্রীদের জন্য দুটি হলে নির্মিত হচ্ছে ব্যায়ামাগার ও খেলাধুলার মাঠ, যেখানে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে থেকেই বিভিন্ন ক্রীড়াদলে অংশগ্রহণ ও শরীরচর্চা চালিয়ে যেতে পারবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত। এ জন্য সভাপতিত্ব করেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও শারীরিক শিক্ষা ও চর্চা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক, প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান। সঞ্চালনায় ছিলেন বিভাগের উপ-পরিচালক, এস এম জাকির হোসেন।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের মেডেল ও ব্যক্তিগত পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের প্রধান, প্রফেসর ড. রুমানা আসাদ, পাশাপাশি অন্যান্য ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
-

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ফাইনালের দৌড়ে টিকে গেল পাকিস্তান
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ে সুপার ফোরে পাকিস্তানের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখলো। এশিয়া কাপের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাকিস্তান ৫ উইকেটে জয় লাভ করে। তিন ম্যাচের তিন জয়ে শ্রীলঙ্কা গ্রুপ পর্বের অপরাজেয় থাকলেও সুপার ফোরে এসে হোঁচট খায়। বাংলাদেশকে ৪ উইকেটে হারানোর পর পাকিস্তানের জন্য এই জয় অপরিহার্য ছিল যাতে তারা ফাইনালের পথে এগিয়ে যেতে পারে। শ্রীলঙ্কার জন্য এটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ, কিন্তু ব্যাটিংয়ে তারা ধারাবাহিকতা দেখাতে পারেনি। কুশল মেন্ডিস ও পাথুম নিশাঙ্কা ব্যতিক্রম ছিলেন, তারা কিছুটা দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন কিন্তু যথেষ্ট ছিল না। অন্যদিকে, পাকিস্তানের পেস সুইং আক্রমণ শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানদের জন্য কষ্টের মুখ হিসেবে প্রমাণিত হয়। শাহীন আফ্রিদি, হুসাইন তালাত ও হারিস রউফের বোলিংয়ে লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকেন। মাঝখানে, কামিন্দু মেন্ডিসের হাফ সেঞ্চুরির অসামান্য ব্যাটে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৩ রানে। পাকিস্তানের বোলাররা দ্রুত উইকেট নিতে শুরু করে, সাইম আইয়ুবও দ্রুত ফিরে যান। তবে, পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা ধৈর্য্য দেখিয়ে জুটি গড়ে টার্ন নেয়। হোসাইন তালাত ও মোহাম্মদ নাওয়াজের অবিচ্ছিন্ন ৫৮ রানের জুটি পাকিস্তানকে জেতার সম্ভাবনা তৈরি করে দেয়। ম্যাচের শুরুতে উজ্জীবিত পাকিস্তানের ওপেনার শাহিবজাদা ও ফখর দ্রুত ভাল শুরু করেন, কিন্তু মাহিশ থিকশানা মারাত্মক স্পেল নিয়ে উইকেট পেয়েছেন। এরপর পাকিস্তানের দলে উত্তেজনা ছিল, তবে তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম হন। শেষ দিকে, তালাত ৩২ ও নাওয়াজ ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন, যা পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত করে। শ্রীলঙ্কার শুরুটা হতাশাজনক ছিল, কুশল পেরেরা ও দাসুন শানাকা দ্রুত ফিরিয়ে দেন পাকিস্তানের ওপেনারদের। কুশল পেরেরা ১২ বলে ১৫ রান করে ফিরে যান, আর শানাকা ও নিশাঙ্কা দ্রুত আউট হন। দলের ব্যর্থতার মধ্যে, কামিন্দু ও হাসারাঙ্গা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন, তবে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি বোলারদের অসাধারণ পারফরম্যান্সে জয়ের পথ রুখতে পারেননি। পাকিস্তানের জন্য আফ্রিদি তিনটি, রউফ ও তালাত দুইটি করে উইকেট লাভ করেন। এর ফলে, পাকিস্তান সুপার ফোরে টিকে থাকলো এবং নিয়মিত খেলা চালিয়ে যেতে পারলো।
-

৬ অক্টোবর বিসিবি নির্বাচন, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ; কিছু জেলা ও ক্লাবের প্রতিনিধির নাম অনুপস্থিত
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের প্র Родপ্রস্তাবিত খসড়া ভোটার তালিকা গত মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। এই তালিকায় মোট ১৭৭ জন কাউন্সিলর সদস্যের নাম থাকলেও কিছু কিছু পদের জন্য এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানানো হয়েছে।
