Month: September 2025

  • নিউইয়র্কে বিমানবন্দরে হেনস্তার কারণ ব্যাখ্যা দিলেন জামায়াত নেতা ডা. তাহের

    নিউইয়র্কে বিমানবন্দরে হেনস্তার কারণ ব্যাখ্যা দিলেন জামায়াত নেতা ডা. তাহের

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি, জামায়াত এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতারা। এই সফর নিয়ে বেশ কিছু রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সম্প্রতি নিউইয়র্কের বিমানবন্দরে এনসিপি নেতা আখতার হোসেনের ওপর প্রবাসী আওয়ামী লীগের কর্মীদের হামলার ঘটনাটি ব্যাপক আলোচিত হয়।

    ঘটনার সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও এনসিপি নেত্রী ডা. তাসনিম জারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তবে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে কেন দেখা যায়নি, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ মনে করেন, হয়তো তাকে সরিয়ে রাখা হয়েছিল অথবা তিনি আগে থেকে খবর Knowing ছিলেন। এই বিষয়টি তিনি নিজেই ব্যাখ্যা করেছেন।

    নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত একটি বাংলা সংবাদপত্র ঠিকানায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডা. তাহের বলেন, শুরুতে আমাদেরকে প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীর সঙ্গে নেওয়ার জন্য গাড়িতে উঠানো হয়েছিল। কিন্তু ভিসার জটিলতার কারণে পরে আমাদের আলাদা হওয়ার প্রয়োজন হয়। সরকারি দলে ভিসা ছিল জি-ওয়ান ক্যাটাগরিতে, যেখানে ফিঙ্গারপ্রিন্টের প্রয়োজন হয় না। তবে আমাদের ভিসা ছিল ট্যুরিস্ট ক্যাটাগরির, যেখানে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে হয়। আর এখানেই কিছু যোগাযোগের ঘাটতি থাকায় আমাদের আলাদা করা হয়। এই জন্য আমরা হেঁটে ইমিগ্রেশনে যাই।

    তাহের আরও জানান, তখনও প্রধান উপদেষ্টা আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন অন্তত ১০ মিনিটের বেশি সময়। কিন্তু সমন্বয়হীনতার কারণে আমরা একসঙ্গে বের হতে পারিনি।

    বাংলাদেশ মিশনের ভূমিকা ও কার্যক্রম নিয়েও তিনি সমালোচনা করে বলেন, তাদের দায়িত্ব ছিল আমাদের যথাযথভাবে জানানো ও সমন্বয় করা। যদি সেটা করা হতো, তাহলে হয়তো হামলার ঘটনাও ঘটত না। তবে ব্যর্থতার জন্যই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

    অন্যদিকে, যখন প্রবাসী আওয়ামী লীগ কর্মীরা এনসিপি নেতা আখতার হোসেনের ওপর ডিম নিক্ষেপ করে, তখন বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তাসনিম জারা পাশে ছিলেন। কিন্তু ডা. তাহেরকে দেখা যায়নি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা আগে থেকেই ছিল আশঙ্কাজনক। যদিও তখন বাইরে কি ঘটছে, তা আমরা শুরুতে বুঝতে পারিনি।

    তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, আমি নেতাদের পাশেই ছিলাম। তখন আমাদের কিছু ছেলে স্লোগান দিচ্ছিল ‘তাহের ভাই জিন্দাবাদ’। আমি চাইছিলাম, ফখরুল সাহেবের জন্যও স্লোগান দিতে, যাতে তিনি বিব্রত না হন। কিন্তু উত্তেজিত ছেলে ছেড়ে দিচ্ছিল না। ফলে আমি কিছুটা দূরে সরে দাঁড়াই। পরে আমাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়, ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়, এবং আমি কয়েক মিনিট বক্তৃতাও দিয়েছি। এই সময়ের মধ্যে ডিম নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

    তাহের আরও জানান, টিভির ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যায়, আখতার হোসেনের রক্ষা করার চেষ্টা যারা করেছিলেন, তারা আমাদেরই কর্মী। তবে আখতার ভাইয়ের ওপর হামলা ঘটানো যায়, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা।

  • তারেক রহমান কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দেশে ফিরছেন

    তারেক রহমান কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দেশে ফিরছেন

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের শেষ লগ্নের নেতৃত্ব দিতে শিগগিরই দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি গত কয়েক দিন আগে বলেছিলেন, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তারেক রহমান দেশে ফিরে আসবেন। ইনশাআল্লাহ, এই সময়ের মধ্যে তিনি বিএনপির নির্বাচনপ্রক্রিয়া নয়, বরং গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের শেষ পরিস্থিতিতে নেতৃত্ব দেবেন।

    বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানী শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    অধ্যাপক জাহিদ হোসেন আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শুধু দলের নেতৃত্ব নয়, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে যারা অংশ নিয়েছেন, তারা সবাই তারেক রহমানের নেতা। তিনি বলেন, ‘দেশে নাশকতা সৃষ্টির সম্পর্কে আমি সব সময় বলেছি, স্বৈরাচারের দোসর কারা ছিল সেটিও আমি জানি। ১৯৮৬ সালে দেখেছেন, আজো দেখতে পাচ্ছেন। এজন্য আমি সকল সংবাদ কর্মী ও দেশের মানুষকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করব। দেশের মানুষ বুঝতে পারছে যে, সত্যিকার অর্থে স্বৈরাচারের সঙ্গে এর সংশ্লিষ্টতা কারা। এ বিষয়টি স্পষ্ট করতে আর কিছু বলার দরকার নেই। বিএনপি জনগণের অধিকার আদায়ের প্রতি প্রবলভাবে সোচ্চার থাকবে।’

    অপর এক প্রশ্নের জবাবে, ন্যূইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানকালে বিএনপির মহাসচিবসহ তিন রাজনৈতিক দলের নেতাদের ওপর আওয়ামী লীগ হেনস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে, জাহিদ হোসেন বলছেন, ‘এই দলের ইতিহাস ও নেতাদের ইতিহাস কখনোই মানুষের পক্ষে ছিল না। তারা প্রতিহিংসা ও ক্ষমতার দাপটে লিপ্ত; জনগণের ওপরে চাপ তৈরি করে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের রাজনীতি করে। তারা এই দেশের পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করে, যেকোনো সময় ইচ্ছেমতো চালানোর চেষ্টা করে। তাদের এই অযোগ্যতা ও অশুভ আচার-আচরণ অতীতেও ছিল, বর্তমানে চলছে। তবে মনে রাখতে হবে, শেষ বিচারে জনগণই জানে how to সম্মুখীন হতে এবং তাদের প্রত্যাখ্যান করতে।’

  • পিআর পদ্ধতিতে দুর্বল বা ফ্যাসিস্ট সরকার তৈরি হতে পারে: সালাহউদ্দিন

    পিআর পদ্ধতিতে দুর্বল বা ফ্যাসিস্ট সরকার তৈরি হতে পারে: সালাহউদ্দিন

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে দেশের জন্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এই পদ্ধতিতে যখন বেশি সিটের জন্য লোভ থাকছে, তখন ফ্যাসিস্ট বা দুর্বল সরকার গঠনের সম্ভাবনা বাড়ে। এর ফলে দেশের স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সালাহউদ্দিন বলেন, পিআর পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বেশি আসন পাওয়া। পাশাপাশি, এর মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীলতা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা যায় যাতে মূল দলের সুবিধাজনক সরকার আসতে না পারে। তিনি আরো বলেন, এই পদ্ধতিতে যারা কম জনপ্রিয় তাদের জন্য লাভের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

    তিনি উল্লেখ করেন, সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন বাধ্যতামূলক। এটি বাইরের কোনো সংশয় বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার দরকার নেই। তিনি পাল্টা আপত্তি জানিয়েছেন, জামায়াতের পক্ষ থেকে কিছু মানুষ পিআর পদ্ধতি চেয়ে দাবি করছে— যেখানে তারা বলছে, ৭০ শতাংশ মানুষ এই পদ্ধতি চায়। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, এ ধরনের তথ্য সত্য নয় এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য এইসব কথা বলছে। তিনি অবশেষে জোর দেন, এই ধরনের বিভ্রান্তিপূর্ণ তথ্যের উপর ভিত্তি করে ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ নেই এবং সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

  • গণহত্যা ও ইনস্টিটিউশন নষ্টে জড়িতদের বিচার ও দণ্ডের দাবি

    গণহত্যা ও ইনস্টিটিউশন নষ্টে জড়িতদের বিচার ও দণ্ডের দাবি

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একেভাবে স্পষ্ট করেন যে, তারা কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধের পক্ষে নয়। তিনি বলেন, দলের পক্ষ থেকে তাদের অবস্থান এমনই যে, যদি কোনো রাজনৈতিক দল গণহত্যা বা দেশের সংবিধানের ভিত্তিকে নষ্ট করার মতো জঘন্য কাজে জড়িত থাকে, তাহলে অবশ্যই তাদের বিচার করতে হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দণ্ডও প্রয়োগ করতে হবে।
    বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। ম্যাগাজিনে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বর্তমানে নিজেরাই নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে এবং একটি ফ্যাসিস্ট দলে পরিণত হয়েছে। তাদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা এখন অনেকটাই কমে গেছে। তবে, আওয়ামী লীগের গণহত্যার সঙ্গে জড়িত যারা ইনস্টিটিউশন ধ্বংসে সহায়তা করেছে, তাদের সব বিচার হওয়া উচিত এবং তাদের উপযুক্ত শাস্তি পাওয়াও জরুরি।
    ফখরুল আরও বলেন, বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দলকে ‘ব্যান’ বা নিষিদ্ধ করতে চায় না। তবে, যদি সেই দল গণহত্যার মতো অমানবিক কাজে জড়িত হয়, দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভেঙে দেয় বা দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করে, তাহলে অবশ্যই তাদের বিচার করা হবে। তিনি স্পষ্ট করেন, রাজনৈতিক পার্টি হিসেবে অন্য রাজনীতির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান, কিন্তু যদি কোনও দল দেশ ও জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, প্রতারণা করে বা গণহত্যায় জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তাদের শাস্তি নিশ্চিতভাবেই পেতে হবে।
    নির্বাচন সম্পর্কেও ফখরুল জানান, ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন হবে, এতে কোন সন্দেহ নেই। তিনি বলেন, জনগণের মধ্যে এখন অকার্যকর আস্থা তৈরি হয়েছে, যা দূর করে নতুন বিশ্বাস সৃষ্টি করতে হবে। সবাইকে সচেষ্ট হওয়া দরকার যেন নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ড. ইউনূসের সঙ্গে সরকারের বৈঠকগুলো ও তার নির্বাচনী সহযোগিতা সম্পর্কেও তিনি জানান, এগুলো দৃষ্টিভঙ্গিরা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, সরকার ও সেনাবাহিনী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে, বাংলাদেশে পরিস্থিতি সব সময়ই জটিলতায় ভরা, আর শত্রুরা দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চাচ্ছে।
    ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ বিভাজনের রাজনীতি করে। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘদিন থেকে, যা সাধারণ মানুষ ও মিডিয়ায় আস্থা কমিয়ে দিয়েছে। তার মতে, এই অবিশ্বাস দূর করতে হবে এবং দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও নেতাদের মধ্যে আস্থা পুনঃস্থাপন করতে হবে।
    তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো সেরাটা অর্জনের জন্য বার্গেনিং করে থাকে, যা স্বাভাবিক। দলগুলো আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে নিজেদের দাবিপূরণ করে, এটি অপরাধ নয়। অনেকটা আলোচনার মাধ্যমে বিষয়গুলো সমাধান সম্ভব, এবং বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
    সম্প্রতি ড. ইউনূসের সফর ও বক্তব্যে দেখা যায়, তিনি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচনের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। তবে, বিএনপি মহাসচিব জানিয়ে দেন, ব্যক্তিগতভাবে কোনও প্রেম বা আলোচনায় তিনি ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি। তিনি আরও বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের সম্পর্ক বর্তমানে খারাপ হওয়ার কোনও বিষয় নেই। দলগুলো একসঙ্গে থাকতে পারে, তবে সম্পর্কের ধরণ সময়ের সঙ্গে বদলাতে পারে।
    প্রকাশিত আন্তর্জাতিক সাক্ষাৎকারে অনেকের মনোভাব ও অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে বলে জানান, বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, দল আরেকটি রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে কোনও অপ্রয়োজনীয় নিষেধাজ্ঞা বা ব্যান্ডিং চায় না। তার মতে, রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনায় সব দলই নিজস্ব নীতিমালা অনুসরণ করে। তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়টি পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে; সমস্ত আইনী ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হলে তিনি ফিরে আসবেন। এখন পর্যন্ত, তিনি দেশের আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন।

  • রিজভীর অভিযোগ: ইসলামপন্থী একটি দল আওয়ামী লীগকে সন্তুষ্ট করতে কাজ করছে

    রিজভীর অভিযোগ: ইসলামপন্থী একটি দল আওয়ামী লীগকে সন্তুষ্ট করতে কাজ করছে

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দেশের একটি ইসলামপন্থী দল আবাহম লীগকে সন্তুষ্ট করার জন্য প্রবল পরিশ্রম করছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই দলটি সব সময়ই যেনো আরেকটি উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে—আওয়ামী লীগকে খুশি রাখার জন্য। রিজভী জানান, এদেশে ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম অনেক সময়ই মূলত আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করে চলে। তিনি বলেন, শহিদ জিয়াউর রহমানের স্বীয় দেওয়া সুযোগ নিয়ে এই দলটি এখনো নানা কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

  • নীলক্ষেত্রে আলোকপাত: অরক্ষিত পরিবেশে ডাকসুর ব্যালট ছাপা, গরমিল ও সংশয়

    নীলক্ষেত্রে আলোকপাত: অরক্ষিত পরিবেশে ডাকসুর ব্যালট ছাপা, গরমিল ও সংশয়

    নিলক্ষেতের একটি অরক্ষিত পরিবেশে বহুল আলোচিত ও সমালোচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে নিউজ২৪। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই গুরুতর সত্যতা সত্যও। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, ব্যালটগুলি গোপনীয় ও উচ্চ মানের ছাপাখানায় তৈরি হয়েছে, যা নীলক্ষেতের নয়। ঘটনার ধারাবাহিকতা ও সংশ্লিষ্টদের জবানবন্দি অনুযায়ী, ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার অকার্যকরভাবে ও অবহেলায় নীলক্ষেতে ছাপানো হয়েছে। এর পাশাপাশি, ছাপানোর সংখ্যা ও সরবরাহের তথ্যে ব্যাপক গরমিল দেখতে পাওয়া গেছে। নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, গাউসুল আজম মার্কেটে এই ব্যালট ছাপানোর কোনো সুযোগ নেই, কারণ সেখানে এমন মেশিন থাকা অসম্ভব। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ঢাকার গাজীপুরের একটি প্রেস জালাল প্রেস নামে একই প্রতিষ্ঠানের পরিচিত, যেখানে ব্যালট ছাপার কাজ হয়েছে। প্রেসের মালিক মোঃ জালাল জানান, তিনি নিশ্চিত করেছেন, তার প্রেস থেকে ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট ছাপা হয়েছে। তিনি বলছিলেন, দায়িত্বরত কাজের জন্য তার সহকর্মী মোঃ ফেরদৌসকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, যারা তিন দিন সময়ে কাজ শেষ করেন। এইভাবে, তিনি বলছেন, তার প্রেসের পরিবেশ ছিল স্বাভাবিক, কোনো অরক্ষিত পরিস্থিতি ছিল না। এদিকে, মোঃ জালালের কাছ থেকে ৪৮,৬০০ পিস ব্যালটের খসড়া নেওয়া হয়েছে, যা দুইটি ব্যালটের প্রতিটি কাগজে ছাপা ছিল মোট ৯৬,০০০ ব্যালট। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোটার তালিকা অনুযায়ী, মোট ভোটার ছিল ৩৯,৭৭৫ জন এবং ওই ভোটে ৭৮.৩৩% ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। অন্যদিকে, ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় কাটিংকৃত ব্যালটের বিষয়েও অনুসন্ধান চালায় নিউজ২৪। সেই সময়, ‘মাক্কা পেপার কাটিং হাউস’ নামে একটি দোকানে ফেরদৌস ভাই নামে একজন ব্যক্তির মাধ্যমে এই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এই দোকানের কর্মচারীরা জানিয়েছেন, রাতের অন্ধকারে কাগজ কাটার কাজ হয়েছিল। তারা প্রায় ২২ রিম কাগজ কাটেছেন, যার ফলে মোট ব্যালটের সংখ্যা ছিল প্রায় ৮৮,০০০। এরপর, জালাল প্রেস থেকে বলা হয়, তারা ছাপিয়েছে ৯৬,০০০ ব্যালট, যেখানে কাটিং হয়েছে ৮৮,০০০। এতে দেখা যায় দুই দোকানের মধ্যে ৮,০০০টির গরমিল। এই সব রসদ পেয়েও প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সম্ভব হয়নি, কারণ প্রত্যক্ষভাবে মেশিনের মূল্য ও স্বাভাবিকতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন আঞ্জা কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ব্যালট ছাপানোর জন্য ব্যবহৃত মেশিনের দাম কম নয়, এর মূল্য কমপক্ষে ৫০ থেকে ৭০ লাখের মধ্যে। তবে, জাহিদ হোসেন দাবি করেন, তার ব্যক্তিগত প্রেস থেকে ছাপা হয়েছে ব্যালট, যার সংখ্যা অন্তত এক লাখ পঞ্চাশ হাজার। তিনি জানান, এই কাজ তাদের নিজের সক্ষমতায়, এবং তারা তা সম্পন্ন করেছে কেরানীগঞ্জের একটি প্রেস থেকে। এই তথ্যের ভিত্তিতে গবেষকরা বিশ্লেষণ করছেন, আসল পরিস্থিতি কতটা জটিল ও সংশয়পূর্ণ। মূলত, এই ঘটনাগুলোর সপক্ষে প্রমাণ ও তথ্যের ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তদন্ত চালানো হবে, যেন এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

  • পিআর পদ্ধতিতে দুর্বল বা ফ্যাসিস্ট সরকার গঠনের শঙ্কা: সালাহউদ্দিন

    পিআর পদ্ধতিতে দুর্বল বা ফ্যাসিস্ট সরকার গঠনের শঙ্কা: সালাহউদ্দিন

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পিআর (সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে দেশের জন্য খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এই পদ্ধতিতে যদি একটি সরকার গঠিত হয়, তাহলে সেটি সত্যিই ফ্যাসিস্ট বা দুর্বলভাবে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকা সরকার হয়ে উঠতে পারে। এর ফলে দেশ দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা হারাতে পারে বলে তিনি মনে করেন। তিনি শুক্রবার দুপুরে ঢাকার সুপ্রিম কোর্টের এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন।

    সালাহউদ্দিন প্রকাশ করেছেন, পিআর পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্য একদিকে বেশি আসন পাওয়া, অন্যদিকে দেশের মধ্যে অসঙ্গতি এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা, যাতে বেশিরভাগ মানুষের ভোটে নির্বাচিত সরকার না গঠিত হয়। বিশেষ করে, যারা সাধারণত কম জনপ্রিয়, তাদের জন্য এই পদ্ধতি সুবিধাজনক বলে ধারণা করেন তিনি।

    অতীতে তিনি বলেন, সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, পদ্ধতি যেকোনো ভোটের জন্য অনুসরণ করা হবে, তা প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে হোক। দেশের সংবিধান অনুযায়ী, সরাসরি ভোটের মাধ্যমে মানুষ তাদের প্রতিনিধিদের নির্বাচন করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, জামায়াতের মত দলগুলো সংবিধান পরিবর্তনের নামে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে, তাই এই বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।

    আলোচনায় এক জরিপের তথ্য তুলে ধরে সালাহউদ্দিন জানান, দেশের মোট ৫৬ শতাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতি সম্পর্কে ভিন্ন ধরনের ধারণা রাখে। তবে, জামায়াত ইসলামী বলছে, ৭০ শতাংশ মানুষ এই পদ্ধতিটি চায়। এইসব বিভ্রান্তিকর যুক্তি দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা সম্ভব নয়, বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

  • চট্টগ্রামে জুলাই হত্যাকাণ্ডে প্রথম চার্জশিট গ্রহণ, ২৩১ আসামির বিচার শুরু

    চট্টগ্রামে জুলাই হত্যাকাণ্ডে প্রথম চার্জশিট গ্রহণ, ২৩১ আসামির বিচার শুরু

    চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নিহত শহীদুল ইসলাম শহীদ হত্যার মামলায় আদালত প্রথমবারের মতো ২৩১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন। এই তালিকায় সাবেক তিন মন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালেও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তফা এই অভিযোগপত্র গ্রহণ করে বিচার কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দেন। পুলিশ থেকে প্রাপ্ত অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, শহীদুল ইসলাম শহীদ হত্যা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক দাখিলিত চার্জশিটে ২৩১ জনের নাম রয়েছে। এর মধ্যে ৮৪ জনকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

    ১৬ আগস্ট ২০২৪ সালের সন্ধ্যায় নগরীর বহদ্দারহাটে অনুষ্ঠিত ওই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়। আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে পিস্তল, শটগানসহ বিভিন্ন বন্দুক দিয়ে গুলি ছোড়া হয়, যার ফলে মৃত্যু হয় শহীদুল ইসলাম শহীদ নামে এক যুবকের। গুরুতর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন থেকে তিনি মারা যান। নিহতের ভাই শফিকুল ইসলাম চান্দগাঁও থানায় এই হত্যাকাণ্ডের জন্য মামলা করেন।

    অভিযুক্তরা মধ্যে সাবেক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী ও আ জ ম নাছির উদ্দিন, সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, এম এ লতিফ, আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী, মহিউদ্দিন বাচ্চু, আব্দুস ছালাম, দিদারুল আলম দিদার, এস এম আল মামুনসহ চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতারা রয়েছেন। মূল তদন্তে যুক্ত আরও অনেক জনপ্রতিনিধি, নেতাকর্মী ও অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা এই মামলার মূল আসামি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

  • সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের অর্থ পাচার, দুই সহযোগী গ্রেফতার

    সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের অর্থ পাচার, দুই সহযোগী গ্রেফতার

    আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অর্থ পাচারের অভিযোগে দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃংখলা বাহিনী। দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন সম্পদ সাবেক এই মন্ত্রীর হাতে থাকার সন্দেহে এ ঘটনায় তাঁদেরকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করা হয়।

    বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর স্পেশাল জজ আদালত (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আবদুর রহমান এই গ্রেফতার নির্দেশ দেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ভিত্তিতে। আদালত জানায়, এজেন্ট হিসেবে কাজ করা আরামিট পিএলসির এজিএম উৎপল পাল ও আরও একজনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের এই মামলা দায়ের হয়েছে।

    তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতাররা হলো, ইম্পেরিয়াল ট্রেডিং নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক মোঃ আব্দুল আজিজ, যিনি সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন। অন্যদিকে, উৎপল পাল সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিদেশের সম্পদ ও অর্থের দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন। তাদের কাছ থেকে জব্দ করা দু’টি ল্যাপটপ ও দু’টি মোবাইলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

    অভিযোগের তথ্য মতে, ১৭ সেপ্টেম্বর উৎপল ও আব্দুল আজিজকে গ্রেফতার করা হয়। পর দিন, ১৮ সেপ্টেম্বর, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল তাঁদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর, গত সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, এই দুজন আসামি ২৫ কোটি টাকা অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে জবানবন্দি দেন, যেখানে তারা টাকা পাচারের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

    এই ব্যাপারে দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর এড. মোকাররম হোসাইন জানিয়েছেন, সাবেক এই ভূমিমন্ত্রীসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচার ও অপ্রত্যাশিত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বেশ কিছু মামলা হয়েছে। বর্তমান তদন্তে তাদের সংশ্লিষ্টতা আরও স্পষ্ট হওয়ার আশাবাদ প্রকাশ করেন তিনি।

  • নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আখতার হোসেনের মামলা

    নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আখতার হোসেনের মামলা

    যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ডিম নিক্ষেপের ঘটনায় বাংলাদেশী যুবসমাজের এক নেতা ও এনসিপি সদস্য সচিব আখতার হোসেন ঐ ঘটনায় দায়ের করেছেন একটি মামলা। বুধবার বাংলাদেশের সময় বেলা ১১টায় তিনি নিউইয়র্কের জ্যোথ এফ কেনেডি বিমানবন্দরের সংলগ্ন থানায় এই মামলা করেন। তার এ ঘোষণা তিনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও বার্তায় দেন।

    ভিডিওতে আখতার হোসেন বলছেন, ‘এয়ারপোর্টে হামলার পর রাতের আঁধারে আবারও আওয়ামী লীগের স্থানীয় সন্ত্রাসীরা হোটেলের লবিতে উপস্থিত হয় ভয়ঙ্কর হামলার উদ্দেশ্যে। তখনই যুক্তরাষ্ট্রে থাকা এনসিপি সদস্যরা ও আমি তাদের প্রতিরোধ করি এবং সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত পুলিশকে খবর দিই। পরে পুলিশ এসে আমাদের জানান যে, আমাদের মামলা নিতে পারেন। আমি সেই সূত্রে কাছের থানায় গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেছি।’ তিনি আরো জানান, ‘সেদিন যারা আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে হত্যার চেষ্টা ও হুমকি দিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধেও আমরা কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

    আখতার হোসেন দাবি করেছেন, তিনি সচেতনভাবে মার্কিন পুলিশকে জানান, এই অপরাধকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা বাংলাদেশে নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকা সন্ত্রাসীদের। তারা গত বছর বাংলাদেশে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ চালিয়েছে বলে তিনি তুলে ধরেন। জাতিসংঘের রিপোর্টের প্রসঙ্গেও তিনি মার্কিন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন।

    তিনি দৃঢ় প্রত্যয় প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যে, বাংলাদেশে কিংবা বিদেশে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অপরাধগুলো আইনের আওতায় আন institutionalize করা সম্ভব। তারা যতই অপরাধ করুক, আমরা তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেব। আওয়ামী লীগ যেনো আর কখনো দেশে বা দেশের বাইরে সন্ত্রাসের জন্য সুযোগ পায় না, সেটিই আমাদের অঙ্গীকার।’