বাংলাদেশের টপ অ্যান্ড টি-টোয়েন্টি দলের জন্য এক ম্যাচের পর আবারও হতাশার খবর এসে পৌঁছেছে। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া লিগের পার্থ স্কর্চার্স একাডেমির বিরুদ্ধে সোমবার ডারউইনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশের দল শুরু থেকেই দরাদরি করে গেছে। ব্যাটাররা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকেন, ফলে পুরো দল ছোট সংগ্রহে আবদ্ধ হয়। ব্যাটসম্যানরা যদি একটু বেশি চেষ্টা করতেন, হয়তো আরও ভালো স্কোর হত, কিন্তু ব্যর্থতার কারণে ম্যাচের পুরো চাপ বাংলাদেশের ওপরই পড়ে। এক ম্যাচের মধ্যে দ্বিতীয়বারই হারিয়েছে বাংলাদেশ দল।
Month: August 2025
-

অস্ট্রেলিয়া ইসরায়েলি এমপি রথম্যানের ভিসা বাতিল করল, বলল, ‘তোমাকে আমরা চাই না’
প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দিকে ঝুঁকে থাকা অস্ট্রেলিয়া কট্টরডানপন্থী ইসরায়েলি সংসদ সদস্য সিমচা রথম্যানের ভিসা বাতিল করেছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তার সফরের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে, যা গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এ বিষয়টি নিজে নিশ্চিত করেছেন।
ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান রিপোর্ট অনুযায়ী, রথম্যানের ইচ্ছে ছিল অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে ইহুদি স্কুল, সিনাগগ ও ইহুদি সম্প্রদায়ের ওপর চলমান হামলার শিকারদের সঙ্গে দেখা করার। এই সফরের জন্য তিনি আমন্ত্রণ পান অস্ট্রেলিয়ান জিউইশ অ্যাসোসিয়েশন (এজেএ)-এর পক্ষ থেকে। সংস্থাটির প্রধান রবার্ট গ্রেগরি এই সফরকে ‘ভয়ংকরভাবে ইহুদি বিদ্বেষমূলক’ বলে একের পর এক তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন।
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এক বিবৃতিতে বলেন, ‘যারা আমাদের দেশে বিভাজন ও ঘৃণা ছড়িয়ে দিতে চায়, তাদের আমরা গ্রহণ করব না। আমাদের সরকার কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে, কেউ যদি ঘৃণা ও বিভাজনের বার্তা ছড়িয়ে আসেন, তাহলে আমাদের দেশে তাদের স্থান নেই।’
সীমান্ত হিসেবে পরিচিত এই দেশটির ইসরায়েলি সংসদ সদস্য রথম্যান মূলত ইসরায়েলি পার্লামেন্টের সংবিধান, আইন ও বিচারবিষয়ক কমিটির প্রধান এবং সরকারের বিতর্কিত বিচারব্যবস্থার সংস্কারের অন্যতম প্রাণপুরুষ হিসেবে পরিচিত। তার কট্টর ইহুদিবাদী অবস্থানের জন্যও তিনি ব্যাপকভাবে আলোচিত।
এজেএ জানায়, রথম্যানের সফরটি মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনার সঙ্গে কোনরূপ যোগসূত্র নেই। তবে গ্রেগরি সতর্ক করে বলেন, ‘ইহুদিদের উচিত অস্ট্রেলিয়ায় আসার আগে অন্তত দুবার ভাবা।’ এর আগে অস্ট্রেলিয়ার লেবার সরকার সাবেক ইসরায়েলি মন্ত্রী আয়েলেট শাকেদ এবং ব্লগার হিলেল ফুল্ডের ভিসাও বাতিল করেছিল। সমালোচকদের মতে, এই সিদ্ধান্তগুলো ইসরায়েলবিরোধী অবস্থানের প্রকাশ।
সম্প্রতি অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী ক্যানবেরায় ইসরায়েলি নীতির কঠোর সমালোচনা করেন এবং আগামী মাসে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান। রথম্যান এবং ইসরায়েলি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষযে এখনও মন্তব্য দেননি।
-

ট্রাম্প বললেন, ইউক্রেনের ন্যাটো ও ক্রিমিয়ার আশা ছাড়াই শান্তি বার্তা দিন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনকে ন্যাটো জোটে যোগদানের Aspirations এবং রাশিয়া দখল করা ক্রিমিয়া পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। আজ সোমবার (১৮ আগস্ট) ওয়াশিংটনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও অন্যান্য ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের আগে তিনি এ ব্যাপারে স্পষ্ট বার্তা দেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর নিশ্চিত করেছে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে শুক্রবার আলাস্কায় আলোচনার পর ট্রাম্প এবার ইউক্রেনকে চাপ দিচ্ছেন। তিনি চান, কিয়েভ শান্তিচুক্তি মেনে নিয়ে যুদ্ধের অবসান ঘটাক। বর্তমানে লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত ও হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে এই সংঘর্ষে।
হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রথমে নিজের সঙ্গে জেলেনস্কির বৈঠক করবেন, এরপর ব্রিটেন, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, ফিনল্যান্ড, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটো নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। ইউরোপীয় নেতারা একযোগে ওয়াশিংটনে গিয়ে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানাতে চান।
রোববার ট্রাম্প তার প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন, জেলেনস্কি যদি চায়, দ্রুত যুদ্ধ শেষ করতে পারেন। আবার চাইলে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, ওবামার আমলে ক্রিমিয়া গুলিবিহীন দখল হয়েছে, ন্যাটোও ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না।
এদিকে, ইউক্রেন ও তার মিত্ররা আশঙ্কা করছেন, হয়তো ট্রাম্প মস্কোর সঙ্গে কোনো সমঝোতার জন্য চাপ দিতে পারেন। তবে কিছুটা আশ্বস্ত হয়েছেন, কারণ ট্রাম্প যুদ্ধ শেষের পরবর্তী পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন।
পুতিনের প্রস্তাব অনুযায়ী, ইউক্রেনের ডনেস্ক অঞ্চলের অবশিষ্ট অংশ ছাড়তে হবে। তবে জেলেনস্কি এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনার পক্ষে। কিন্তু এরপর ট্রাম্প রাশিয়ার দাবির পক্ষে অবস্থান নেন।
জেলেনস্কি রবিবার রাতে ওয়াশিংটনে পৌঁছে বলেছেন, এই যুদ্ধ দ্রুত ও স্থায়ীভাবে শেষ করতে চায় সবাই। রাশিয়া এই যুদ্ধ শুরু করেছে, তাই তারই শেষ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় বন্ধুদের সঙ্গে মিলেই শান্তি চান তিনি।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সাতজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, হামলায় বহু বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে, ইউরোপীয় নেতারা আশঙ্কা করছেন, পুতিন-ট্রাম্প বৈঠকে তাদের বাইরে রাখা হয়েছে বলে। তাই তারা আগে থেকেই জেলেনস্কির সঙ্গে সমন্বয় করেছেন। জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ওয়াদেফুল বলেছেন, বিশ্ব এখন ওয়াশিংটনের দিকেই তাকিয়ে আছে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজে ফেরার পর থেকে কিয়েভ-ওয়াশিংটনের সম্পর্ক অনেকটাই গড়বড়। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্যের ওপর নির্ভরশীল থাকায় জেলেনস্কি ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
-

যুদ্ধ বন্ধে অস্ত্রবিরতি নয়, ত্রিপক্ষীয় বৈঠক দাবি ট্রাম্পের
অর্থাৎ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ শেষ করার প্রক্রিয়া আর অস্ত্রবিরতি দিয়ে নয়, বরং কেন্দ্রীয়ভাবে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা দরকার। তিনি বলেছেন, বর্তমানে এই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য রাশিয়া ও ইউক্রেনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে। ট্রাম্প এই কথা জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসে দুই নেতার এর公共সংবাদ সম্মেলনে। এর আগে তিনি স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় হোয়াইট হাউসে যান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদেমির জেলেনস্কি। কয়েকটি ইউরোপিয় দেশের শীর্ষ নেতাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন, যারা ট্রাম্পের সঙ্গে আলাপচারিতার জন্য অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। ট্রাম্প আরও জানান, ইউক্রেন যদি চায়, তারা যুদ্ধ শেষ করতে পারে। তবে এই জন্য একান্ত দরকার একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠক, যেখানে সব পক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হবে। তিনি বলেন, সবকিছু যদি ঠিকঠাক চলে, তাহলে খুব শিগগিরই এই বৈঠক আয়োজন করা হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, শান্তি চুক্তির জন্য ইউক্রেনের ন্যাটোর সদস্য হওয়ার প্রয়োজন নেই। ওয়াশিংটন ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাবে এবং তাদের খুব ভালো সুরক্ষা দেবে। অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদেমির জেলেনস্কি জানান, তিনি এই ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে অংশগ্রহণে আগ্রহী। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক পরিকল্পনায় ইউক্রেনের সমর্থন রয়েছে ও যুদ্ধের অবসান চান তারা।
-

যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় ইউক্রেনের নিরাপত্তায় শান্তিচুক্তির সহযোগিতা: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার বলেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধানে যদি শান্তিচুক্তি হয়, তবে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো সক্রিয়ভাবে সহায়তা করবে। এই বৈঠকটি হোয়াইট হাউসের বেশই অপ্রত্যাশিত সময়ে আয়োজিত হয় যেখানে ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অংশ নেন। ট্রাম্প এ কথা বলেন যে, যদিও শান্তিচুক্তি যুদ্ধবিরতির পূর্বশর্ত নয়, তবুও এটি ইউক্রেনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন ধরণের সহায়তা পাঠানো হচ্ছে। ইউরোপীয় দেশগুলো মূলত প্রথম সুরক্ষা রেখা হিসেবে কাজ করবে, এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের পাশে থাকবে। ট্রাম্প বিশ্বাস করেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুদ্ধ শেষ করতে চান এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন যে শীঘ্রই ট্রাম্প, জেলেনস্কি এবং পুতিনের তিনপক্ষীয় বৈঠক বসবে। তবে এই বৈঠকের জন্য পুতিন এখনও সম্মতি দেননি। জেলেনস্কি প্রকাশ করেছেন, ‘আমরা যুদ্ধ বন্ধ করতে চাই এবং এর জন্য আমাদের আমেরিকা ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সমর্থনের প্রয়োজন।’ গত ছয় মাস আগে যখন ট্রাম্প ও তার ভাইস প্রেসিডেন্ট জো. ডি. ভ্যান্স জেলেনস্কিকে কঠোর সমালোচনা করেছিলেন, তখন তাদের সম্পর্ক অনেক বেশি ঠাণ্ডা ছিল। এখন however দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ইউক্রেনের নিরাপত্তায় শক্তিশালী সমর্থনের জন্য ব্রিটেন, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, ফিনল্যান্ড, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটো নেতারা ওয়াশিংটনে একত্রিত হয়েছেন। ট্রাম্প আরও বলেছেন, ‘যদিও যুদ্ধবিরতি ভালো হবে, তবে তা একপক্ষের জন্য কৌশলগত অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে। তাই যুদ্ধ চলাকালীন সময়েও শান্তিচুক্তি আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে।’ অন্যদিকে, জেলেনস্কি জানিয়েছেন যে, রাশিয়ার হামলাকে বন্ধ করতে হলে তাদের সম্পূর্ণ সমর্থন প্রয়োজন। সম্প্রতি রাশিয়ার ড্রোন হামলায় খারকিভ ও জাপোরিজিয়া শহরে কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন, যেখানে শিশুসহ অসংখ্য নিরীহ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। ট্রাম্পের সমালোচকরা আশঙ্কা করছেন যে, তিনি যুদ্ধ শেষ করতে রাশিয়ার শর্তগুলো মানতে পারেন। তিনি বলেন, ইউক্রেনকে ক্রিমিয়া ফিরে পাওয়ার আশা ও ন্যাটোতে যোগদানের প্রবৃত্তি এড়িয়ে চলতে হবে। তবে জেলেনস্কি এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়ার ব্যাপক আক্রমণে এক মিলিয়নের বেশি মানুষ নিহত বা আহত হয়েছেন এবং দেশের অনুন্নত অঞ্চল গুঁড়িয়ে গেছে। এই মন্তব্যের পর ইউরোপীয় নেতারা আরও আলোচনা করতে হোয়াইট হাউসে যোগ দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সূত্র: রয়টার্স
-

মিয়ানমারে আশ্রয় ছেড়ে যাওয়ার সময় এসেছে এখনই
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমারে সেনা সরকার। এরপর থেকে দেশটিতে চলমান সংঘর্ষ ও অস্থিতিশীলতার মধ্যেই এবার তারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক ও রোহিঙ্গাদের জন্য আশ্রয়প্রত্যাশীদের জন্য সতর্কবাণী দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো বলছে, এই পরিস্থিতিতে এখনই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আন্তরিক উদ্যোগ নেয়া জরুরি। পরিস্থিতি যদি দ্রুত শান্তিপূর্ণ না হয়, তাহলে সবাইক্ষেত্রে ক্ষতি আরও বাড়বে এবং দেশের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। চারপাশের বিশ্ব community ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এর এখনই সময় ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতা করে পরিস্থিতি শান্ত করতে হবে। না হলে দেশের সাধারণ মানুষ ও দুর্বল মানুষ আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও জানান দিচ্ছে, মিয়ানমারকে সুস্থ ও স্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
-

দেশে মাছের উৎপাদন বাড়ায় মৎস্যজীবী ও চাষিদের আয় বৃদ্ধি
অভয়াশ্রম গড়ে তুলি, দেশি মাছে দেশ ভরি’ এই প্রতিপাদ্যকে ধারন করে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে সোমবার সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোঃ হুসাইন শওকত। তার ভাষণে তিনি বলেন, মাছ আমাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেশের মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে মৎস্যজীবী ও মৎস্যচাষীদের আয় বেড়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলে অনেক পোড়া ও পতিত জমি এখন মাছ চাষের উপযোগী হয়ে উঠেছে, এগুলিকে ব্যবহার করে মাছের উৎপাদন আরো বাড়ানো সম্ভব। এতে দেশের মাছের চাহিদা পূরণ হবে এবং খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মৎস্যখাত দেশের অর্থনীতিতে অবদান রেখে চলছে এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পরিকল্পিতভাবে মাছ চাষ করলে কম জায়গায় বেশি উৎপাদন সম্ভব। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। সেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগের পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বদরুজ্জামান। এ ছাড়া বক্তৃতা করেন খুলনা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল, চিংড়ি চাষি মোঃ আবু হাসান সরদারসহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, মৎস্যচাষি, মৎস্যজীবী, মাছ রপ্তানি প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। খুলনা জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর যৌথভাবে এই আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে জেলার ছয়জন সফল মৎস্যচাষি, উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠানেকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এর আগে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার শহিদ হাদিস পার্কের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন এবং মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন। শোভাযাত্রাটি শহিদ হাদিস পার্ক থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এই উৎসবের মাধ্যমে মৎস্যক্ষেত্রে উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছড়িয়ে পড়েছে, যা দেশের মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পথে এক গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে।
-

শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও সফট স্কিল বিকাশে গুরুত্ব নিবন্ধন: ইউজিসি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের বিভিন্ন বর্ষের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী মোট ৪৭৫ জন শিক্ষার্থীকে সম্প্রতি মেধাবৃত্তির মাধ্যমে স্বীকৃতি জানানো হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন-ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, অন্যদিকে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক, সনদপত্র এবং শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন অতিথিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব বলেন, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষের জন্য মেধাবৃত্তি ও তার স্বীকৃতি—সনদপত্র প্রদান—একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। এটি শুধু তাদের মেধার স্বীকৃতি নয়, বরং পরিশ্রম, সততা ও আত্মনিবেদনেরও পরিচয়। তিনি এও উল্লেখ করেন যে, মেধাবী শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের পাশাপাশি, তাদের পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদেরও উৎসাহিত করতে হবে যাতে তারা ভবিষ্যতে সফলতা অর্জন করতে পারে।
অতিরিক্তভাবে তিনি 강조 করেন যে, শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক চর্চায় মনোযোগ দেওয়াই যথেষ্ট নয়, বরং কমিউনিকেশন দক্ষতা, কম্পিউটার জ্ঞান ও সফট স্কিলেও পারদর্শী হতে হবে। সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার বিকাশের ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্কুল ও কয়েকটি কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজেকে আধুনিক ও প্রস্তুত করে তোলার পরামর্শ দেন তিনি। তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন ও মাদক থেকে দূরে থাকাও জরুরি। জীবনে হতাশা এলে তা কাটিয়ে ওঠার জন্য নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়া এবং নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য স্থির করে সে অনুযায়ী চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তৃতায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বলেন, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতিই হলো এই সনদপত্র। এটি ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের সিভি সমৃদ্ধ ও গুণগত মান বজায় রাখতে সহায়ক। তিনি আরও বলেন, সিভিতে শুধু একাডেমিক তথ্য নয়, বিভিন্ন প্রজেক্ট, থিসিস, কর্মশালা, সেমিনার ও সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমের তথ্যও যোগ করতে হবে।
বৃত্তি নীতিমালার বিষয়ে আলোচনা করে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা একটি অপ্রত্যাশিত রীতি—যেসব শিক্ষার্থী এসএসসি ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বৃত্তি পেয়েছে, তারা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বৃত্তির জন্য যোগ্য নয়। এটা একটিভির অমূলক উল্লেখ করে, তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থী পূর্বের অর্জনের পাশাপাশি নতুন করে যোগ্যতা প্রমাণ করলে বৃত্তি পাওয়ার সুযোগ থাকা উচিত। এ বিষয়ে সরকারের নীতিমালা সংশোধনের প্রয়োজন আছে।
বিশেষ অতিথির ভাষণে জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম হোসেন ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন বৃত্তি কমিটির সভাপতি ও কলা ও মানবিক বিভাগের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ শাহজাহান কবীর।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুভূতি ব্যক্ত করেন ইংরেজি বিভাগের এস এম রেদোয়ান, শিক্ষা বিভাগের নাবিলা ইসলাম এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের রাধিকা চৌধুরী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সুমাইয়া আক্তার ও খান মোহাম্মদ মুশফিক আকিব। একই সঙ্গে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের প্রধান, প্রভোস্ট, বিভাগীয় পরিচালক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন, এ উদ্যেশ্য মূলক অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
-

ভোমরা বন্দর থেকে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরুতেই দাম কমতে শুরু করেছেঃ বাজারে শঙ্কা কেটে গেছে
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজের প্রথম বিতরণ শুরু হতেই বাজারে তার প্রভাব স্পষ্টভাবে অনুভূত হতে শুরু করেছে। সোমবারের সকালে শহরের বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমে গেছে। বিশেষ করে সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড়বাজারের পাইকারি বাজারে দেশের পেঁয়াজের দামমানের পরিবর্তন হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতীয় পেঁয়াজের সরবরাহ বেশি হলে আগামী দিনগুলোতে দেশীয় পেঁয়াজের দাম আরও কমে যাবে।
ভোমরা কাস্টমসের সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ চার মাসের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর রোববার প্রথমবারের মতো ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে সাতটি ট্রাকের মাধ্যমে ২০২ মেট্রিক টন পণ্য ভোমরা বন্দরে প্রবেশ করে। এরপর সোমবার আরও ২৫ ট্রাকের মাধ্যমে মোট ৭৫০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। দুই দিন মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৩২ ট্রাকের মাধ্যমে ৯৫০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ বাংলাদেশের বাজারে এসেছে।
বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ার কারণে দাম কমতে শুরু করেছে। সাতক্ষীরার বড়বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ বলেন, “ভারতীয় পেঁয়াজের প্রবেশের ফলে দেশীয় পেঁয়াজের দাম এখন কেজিতে তিন থেকে পাঁচ টাকা কমে গেছে। আশা করছি, আরও বাড়তি সরবরাহের ফলে দাম আরও নেমে আসবে।” তিনি আরও জানান, এখন দেশি পেঁয়াজের পাইকারি মূল্য ৬৫ থেকে ৬৭ টাকা কেজি, যা খুব শীঘ্রই কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু মুসা বলেন, দীর্ঘ বিরতির পর এই প্রথম রোববার সন্ধ্যার দিকে দেশের বিভিন্ন বন্দরে ভারতীয় পেঁয়াজের ট্রাক প্রবেশ শুরু হয়। সোমবারের মধ্যে আরও ২৫ ট্রাকের মাধ্যমে আমদানির পরিমাণ বাড়তে থাকে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি অব্যাহত থাকলে দ্রুতই বাজারের দাম সাধারণের নাগালের মধ্যে আসবে।
ভোমরা কাস্টমসের সহকারী কমিশনার মোঃ শওকত হোসেন বলেন, ‘রোববার থেকে ভোমরায় ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। গত দুই দিনে মোট ৩২ ট্রাকের মাধ্যমে ৯৫০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ দেশের বাজারে প্রবেশ করেছে। এর আগে শেষবার এই বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল গত ২৭ মার্চ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম কমে যাবে।’
-

মৎস্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য জাতীয় স্বর্ণ পদক পেলেন গোলাম কিবরিয়া রিপন
নগরীর রায়মহলের বাসিন্দা ও পাইকগাছা চিংড়ি চাষি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও রয়্যাল ফিস কালচারের স্বত্বাধিকারী তরুণ মৎস্য ও ঘের ব্যবসায়ী গোলাম কিবরিয়া রিপন সম্প্রতি মৎস্য খাতে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় মৎস্য স্বর্ণ পদক লাভ করেছেন। এই অর্জনের জন্য তিনি চীন বাংলাদেশ মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মোঃ ইউনুস-এর কাছ থেকে এ পদক গ্রহণ করেন। এর আগে, ১৭ জুলাই মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ভারপ্রাপ্ত ড. মোঃ আবদুর রউফ এই বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গোলাম কিবরিয়া রিপন নগরীর বয়রা রায়ের মহল এলাকার মৃত নজির উদ্দিন আহমেদের পুত্র। তিনি সরকারি বিএল কলেজ থেকে মাস্টার্স পাস করে চাকরির জন্য অপেক্ষা না করে, পিতাকে অনুসরণ করে ২০০১ সালে পাইকগাছায় চিংড়ি পোনা ব্যবসায় হাত দেন। তাঁর কঠোর পরিশ্রমে এই ব্যবসায় তিনি সফলতা পেয়েছেন। ২০০৭ সালে ১৫০ বিঘা জমি লিজ নিয়ে চিংড়ি চাষ শুরু করেন। তাঁর ধারাবাহিক সাফল্য দেখে তিনি আরও ব্যাপকভাবে চিংড়ি চাষে মনোযোগী হন এবং বর্তমানে পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলায় মোট ৬টি চিংড়ি ঘের রয়েছে, যার মোট আকার প্রায় ১৮৫০ বিঘা। তিনি আধুনিক উন্নত পদ্ধতি অনুসরণ করে চিংড়ি চাষ করে থাকেন, যা দেশের সামুদ্রিক ও অবিচ্ছিন্ন জলাশয় ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এই চাষের ফলে তিনি প্রতি বছর প্রায় ১০ থেকে ১৫ কোটি টাকা আয় করেন। তাঁর ঘেরগুলোতে কাজ করে থাকে ৪ থেকে ৫শ’ শ্রমিক, যা ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। তাঁর সফলতা অনুরূপ অন্য ঘের মালিকরাও উন্নত মানের পদ্ধতি গ্রহণে উৎসাহিত হচ্ছেন। দেশের মানুষের নিরাপদ প্রোটিনের চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থান, রপ্তানি বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য খাতের অবদান গভীর। বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ জলাশয় রয়েছে প্রায় ৩৮.৬ লক্ষ হেক্টর, এবং সামুদ্রিক জলসীমা ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার, যা দেশের মাছের অন্যতম প্রধান সম্পদ। সরকার এই সম্পদ রক্ষা, উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনা ও টেকসই ব্যবহারের জন্য সময়োপযোগী পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করছে। ফলে বাংলাদেশ এখন মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ। গোলাম কিবরিয়া রিপন ইতোমধ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন, যেমন ২০১৩, ২০১৬, ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯ সালে উপজেলা পর্যায়ে এবং ২০২৩ সালে জেলা পর্যায়ে। তিনি বলেন, “যেকোনো পুরস্কার মানুষকে উৎসাহিত করে কর্মে অনুপ্রাণিত করতে। জাতীয় মৎস্য স্বর্ণ পদক পেয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত ও সৌভাগ্যবান। এই সুন্দর অর্জনের জন্য আমি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, মৎস্য অধিদপ্তর এবং সকল শুভাকাক্সক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।
