Month: August 2025

  • সিআইডির জালে ধরা পড়লো মালয়েশিয়া সিন্ডিকেটের স্বপন, সম্পদ জব্দ

    সিআইডির জালে ধরা পড়লো মালয়েশিয়া সিন্ডিকেটের স্বপন, সম্পদ জব্দ

    অবশেষে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি সিন্ডিকেটের প্রধান রুহুল আমিন (স্বপন) ও তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের প্রায় ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করেছে। বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র স্পেশাল জজ এই সম্পত্তি জব্দের আদেশ দেন, যেখানে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাদের আবেদনটি গ্রহণ করা হয়।

    সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান জানান, মালয়েশিয়ায় জনশক্তি প্রেরণের জন্য গঠিত এই সিন্ডিকেটটি প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা আদায় করে আত্মসাৎ করেছে। তারা এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দ্বারা বিভিন্ন বাড়ি ও জমি ক্রয় করে অঢেল সম্পদশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। প্রধান অভিযুক্ত রুহুল আমিন (স্বপন) মানিলন্ডারিংয়ের অপরাধেও জড়িয়ে পড়েছেন।

    জসীম উদ্দিন খান আরও বলছেন, রুহুল আমিনের মালিকানাধীন ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে বেশ কিছু জমি অর্জিত হয়েছে। তার মালিকানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বনানী ও উত্তরা এলাকার সাতটি দলিল মূল্যের মোট পরিমাণ ১৫ কোটি ৫৫ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা। এই জমিসহ বিভিন্ন অবকাঠামোসহ মোট ৫০০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে।

    এছাড়া, এই সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে, అలాగే তাদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

  • মালয়েশিয়ায় ২৪ লাখ ৬৭ হাজার কলিং ভিসার কোটা খুলে গেছে

    মালয়েশিয়ায় ২৪ লাখ ৬৭ হাজার কলিং ভিসার কোটা খুলে গেছে

    মালয়েশিয়া সরকার বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের জন্য কলিং ভিসার কোটা সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসিউশন ইসমাইল মঙ্গলবার এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এ খবর দেশের বিভিন্ন প্রধান গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১৩টি খাতে বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের জন্য আবেদন গ্রহণ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে কৃষি, গার্ডেনিং ও খনি খাতের পাশাপাশি সার্ভিস সেক্টরে কাজের সুযোগ, যেমন হোলসেল এন্ড রিটেল, ল্যান্ড ওয়্যারহাউস, সিকিউরিটি গার্ডস, মেটাল ও স্ক্রাপ ম্যাটেরিয়ালস, রেস্টুরাঁ, লন্ড্রি, কার্গো এবং বিল্ডিং ক্লিনিং।

    তিনি আরও বলেন, নির্মাণ খাতের জন্য নিয়োগ কেবল সরকারি প্রকল্পের আওতায় থাকবে। অন্যদিকে, উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে মালয়েশিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (এমআইডিএ) নতুন বিনিয়োগগুলোকে।

    নতুন এই কলিং ভিসার জন্য আবেদন শুধুমাত্র অনুমোদিত অফিসিয়াল এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে করতে হবে। কোনো এজেন্ট বা সরাসরি নিয়োগকর্তা পূর্বে মত আবেদন করতে পারবে না। আবেদন যাচাইবাছাই শেষে তা অনুমোদন দেবে ফরেন ওয়ার্কার্স টেকনিক্যাল কমিটি এবং পরে জয়েন্ট বা যৌথ কমিটি।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, বর্তমানে ২৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭৫৬ জন শ্রমিকের কোটা চালু রয়েছে, যা বছরের শেষ পর্যন্ত (৩১ ডিসেম্বর ২০২৫) অব্যাহত থাকবে। এরপর বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা দেশের মোট জনসংখ্যার ১০% পর্যন্ত সীমিত করা হবে।

    তবে, বাংলাদেশি শ্রমিকের জন্য এই কোটা কতজনের জন্য নির্ধারিত হবে, সে বিষয়ে আসামি বা মিডিয়াগুলো স্পষ্ট কোনো তথ্য দেয়নি।

  • ২০২৬ সালের পবিত্র রমজান কি কখন শুরু হবে?

    ২০২৬ সালের পবিত্র রমজান কি কখন শুরু হবে?

    পবিত্র ও মহিমান্বিত মাস রমজান উপলক্ষে বিশ্বের মুসলিমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। এই মাসটি শুধুমাত্র ইবাদত কিংবা আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জনের জন্য নয়, এটি পারিবারিক সম্পর্কের আরও গভীরতা আনতে, মানুষের মধ্যে ভালোবাসা এবং সৌহার্দ্য ছড়াতে বিশেষ গুরুত্ব ভাগ করে নেয়। ২০২৬ সালেও এই বিশেষ মাসের জন্য মুসল্লিরা প্রস্তুত হচ্ছেন।

    গালফ নিউজের একটি প্রতিবেদনে জানা গেছে, জ্যোতির্বিদদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে রমজান মাসের শুরু হতে পারে ১৭ ফেব্রুয়ারি। এর আগে, আরব বিশ্বের বেশির ভাগ দেশে রমজানের চাঁদ দেখা যেতে পারে রমজানের প্রথম রাতে। তবে রমজানের সূচনা ও শেষের নির্ধারিত তারিখ চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করছে, যার জন্য আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রয়োজন।

    আরবি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, শাবানের ২৯তম দিনেই রমজানের চাঁদ দেখা হয় এবং এর পরে রমজান মাস শুরু হয়। প্রত্যেক দেশের আলাদা চাঁদ দেখা কমিটি বা ধর্মীয় সংস্থা চন্দ্র দেখে রমজান মাসের শুরু ও শেষের তারিখ ঘোষণা করে থাকে। চন্দ্র মাসগুলো সূর্য-ক্যালেন্ডারের থেকে ছোট হওয়ায় প্রতি বছরই এগুলোর তারিখ অল্প একটু পিছিয়ে যায়। এর ফলে মুসল্লিরা শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা, বা বসন্তের মতো বিভিন্ন ঋতুতেই এই মহিমান্বিত মাসের অভিজ্ঞতা পান।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সূচি অনুযায়ী, ২০২৬ সালে রমজান শুরু হতে পারে ১৭ ফেব্রুয়ারি। তবে চূড়ান্ত ঘোষণা চাঁদ দেখার উপর ভিত্তি করেই হবে।

    সূত্র: গালফ নিউজ।

  • আফগানিস্তানে ট্রাক, মোটরসাইকেল ও বাসের সংঘর্ষে নিহত ৭১ জন

    আফগানিস্তানে ট্রাক, মোটরসাইকেল ও বাসের সংঘর্ষে নিহত ৭১ জন

    আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ হেরাতে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের ভয়াবহ সংঘর্ষে কমপক্ষে ৭১ জন নিহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত ১৭ জন শিশু ও অপ্রাপ্তবয়স্ক রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন হেরাত প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র আব্দুল্লাহ মুত্তাকি।

    হেরাত প্রাদেশিক পুলিশের কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউসুফ সাইদি জানান, নিহতদের মধ্যে বাসটির যাত্রীরা সবাই আফগান নাগরিক, যারা ইরান থেকে কাবুলের দিকে যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার জন্য বাসের বেপরোয়া গতি ও চালকের অসতর্কতা দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে।

    অফগানিস্তানে দীর্ঘ দিন ধরে চলা সংকট ও যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে, আশির দশকে সোভিয়েত বাহিনীর আফগানিস্তানে দেওয়া সামরিক অভিযান চলাকালে হাজার হাজার আফগান শরণার্থী ইরানে আশ্রয় গ্রহণ করেন। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে, চলতি বছরের শুরুর দিকে ইরানের সরকারের নির্দেশে এঁরা নিজেদের দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। জানুয়ারির প্রথম দিকে পর্যায়ক্রমে ১০ লাখ ৬০ হাজারের বেশি আফগান দেশে ফিরে আসেন।

    সোমবারের এই দুর্ঘটনার আগের যাত্রীরা ও লক্ষ্য করে আসা বাসটি ওরা শরণার্থী হিসেবে ইরানে বাস করতেন। সরকারের নির্দেশনা অনুসারে, তারা এবার আফগানিস্তানে ফিরে আসছিলেন।

    সাইদি জানান, বেপরোয়া গতিতে চলতে থাকা বাসটির সাথে প্রথমে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এ সময় কিছুক্ষণ পরই একটি জ্বালানিবাহী ট্রাকের সাথে বাসটির মুখোমুখি ঘটে এবং এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। এর ফলে ঘটনাস্থলেই নয়, পরে বিস্ফোরণে আরও অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটে।

    নিহতদের মধ্যে ট্রাক চালক, তার সহকারি, মোটরসাইকেল চালক ও যাত্রী সহ মোট ৬৭ জনই বাসের যাত্রী ছিলেন। তবে unfortunate কেউ কেউ আহত হয়েছেন। সাইদি জানিয়েছেন, ঘটনাটি ঘটার পর মাত্র তিনজন যাত্রী বেঁচে থাকতেই পারেন।

    অভিযোগ ও ইতিহাস থেকে জানা যায়, আফগানিস্তানে সড়ক দুর্ঘটনা খুবই সাধারণ। দুর্বল সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা, খাড়া পাহাড়ি রাস্তা এবং চালকদের অসতর্কতা হামেশা বড় বড় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। উল্লেখ্য, ডিসেম্বর মাসে একটি জ্বালানি ট্যাংকার ট্রাকের সাথে বাসের সংঘর্ষে ৫২ জন নিহত হয়েছিলেন।

  • নাইজেরিয়ায় ফজরের নামাজের সময় হামলায় নিহত ২৭ মুসল্লি

    নাইজেরিয়ায় ফজরের নামাজের সময় হামলায় নিহত ২৭ মুসল্লি

    নাইজেরিয়ার উত্ত northernাঞ্চলের কাটসিনা রাজ্যে ফজরের নামাজের সময় এক ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলায় কমপক্ষে ২৭ জন মুসল্লি প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোর ৪টার সময়, মুসল্লিরা তাদের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার জন্য মসজিদে উপস্থিত ছিলেন, তখনই সশস্ত্র কয়েকজন হামলাকারী ঢুকে গুলি চালানো শুরু করে। ঘটনার সময় তারাতারি পরিস্থিতি অরাজক হয়ে যায়। প্রত্যন্ত গ্রাম উঙ্গুয়ান মানতাউয়ের এই মসজিদে সশস্ত্র ব্যক্তিরা প্রবেশ করে নির্বিচারে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, হামলার সময় কোনো পূর্ব সতর্কতা ছিল না, হঠাৎ করে অচেতনভাবে গুলি চালানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই অনেকের মৃত্যু হয়, আহতদের মধ্যে কিছুজনের অবস্থা মারাত্মক। এখন পর্যন্ত কেউ এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেনি, তবে ধারণা করা হচ্ছে, এই হামলার পেছনে উত্তর-পশ্চিম নাইজেরিয়ায় সক্রিয় বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী থাকতে পারে। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জমি ও পানির দখল নিয়ে গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব চলে আসছে, যার ফলশ্রুতিতে বেশ কয়েকবার এই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে পশুপালক ও কৃষকদের মধ্যে এই দ্বন্দ্ব প্রবলভাবে রয়ে গেছে, যা কখনো কখনো রক্তের সংঘর্ষ রূপ নেয়। গত জুনে, এই অঞ্চলের অন্য একটি হামলায় শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। ঘটনাটির পরে, নাইজেরিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কাটসিনা রাজ্যের পুলিশ প্রধান নাসির মুয়াজু। উঙ্গুয়ান মানতাউ গ্রামে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় জনগণ ভীত ও আতঙ্কিত, তারা হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। সূত্র: আল জাজিরা

  • যুক্তরাষ্ট্রে ভিসার নিয়ম লঙ্ঘন ও মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিলের কর্মকাণ্ড ব্যাপক আকারে অব্যাহত

    যুক্তরাষ্ট্রে ভিসার নিয়ম লঙ্ঘন ও মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিলের কর্মকাণ্ড ব্যাপক আকারে অব্যাহত

    যুক্তরাষ্ট্রে আইন লঙ্ঘন ও ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে গত কিছু মাসে ছয় হাজারের বেশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করা হয়েছে। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তাদের মতে, এই ভিসা বাতিলের প্রধান কারণের মধ্যে রয়েছে হামলা, মদ্যপান অবস্থায় গাড়ি চালানো, চুরি করা এবং সন্ত্রাসবাদে সহযোগিতা করার অভিযোগ। তবে, সন্ত্রাসবাদে সহায়তা বা প্রসঙ্গটি মার্কিন কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানায়নি।

    অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কিছু শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, যারা ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভ বা সমাবেশে অংশ নিয়েছেন। প্রশাসনের দাবি, তারা ইহুদি বিদ্বেষমূলক আচরণে লিপ্ত ছিলেন।

    জানুয়ারি মাস থেকে এখন পর্যন্ত কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করা হয়েছে। সর্বশেষ সংখ্যাটি স্পষ্ট নয়, তবে ধারণা করা হচ্ছে আরও ভিসা বাতিলের প্রক্রিয়া চলমান। এই পদক্ষেপটি ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতি ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রতি কঠোর মনোভাবের অংশ।

    বাতিল হওয়া ছয় হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় চার হাজার ভিসা বাতিল হয়েছে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে। এছাড়াও, ২০০ থেকে ৩০০টির বেশি ভিসা বাতিল হয়েছে ‘আইএনএ ৩বি’ আইনের আওতায়, যেখানে সন্ত্রাসবাদে সহায়তা বা সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়েছে। এই আইনে ‘সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড’ বলতে বোঝানো হয়, এমন কর্মকাণ্ড যা মানুষের জীবনহানির ঝুঁকি সৃষ্টি করে বা মার্কিন আইন ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ।

    ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে, মার্কিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিবছর আরও বেশি সংখ্যক আন্তর্জাতিক ছাত্রভর্তি হচ্ছে — অনূমি হিসেবে ১১ লাখের বেশি শিক্ষার্থী বিভিন্ন দেশের। এর আগেও, ট্রাম্প প্রশাসন ভিসা সাক্ষাৎকারের সময়সূচি স্থগিত করে ছিল এবং পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট 공개 করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করে দেয়। এই নির্দেশনা ছিল, আবেদনকারীর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টসমূহ বিশ্লেষণের জন্য যেন তারা মার্কিন সংস্কৃতি, সরকার, বা নীতির প্রতি কোনও বিদ্বেষ প্রকাশ করেন কিনা।

    মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মে মাসে কংগ্রেসে ঘোষণা দেন, ‘অতীতের মতোই, বিভিন্ন পর্যায়ে ভিসা বাতিলের সংখ্যা বাড়ছে। যারা আমাদের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবাঞ্ছিত কার্যকলাপে জড়িত থাকবেন, তাদের ভিসা বাতিল অব্যাহত থাকবে।’ তবে, এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা, যারা এটিকে ‘উপযুক্ত প্রক্রিয়ার লঙ্ঘন’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

    উপসংহারে, জানানো হয়েছে যে, এই ধরনের পদক্ষেপে বিশ্বব্যাপী শিক্ষার্থীদের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দরজা এখনও বন্ধ নয়, তবে সতর্ক ও কঠোর নিয়মনীতি জারির মাধ্যমে দেশটির অভিবাসন নীতি কঠোর হয়ে উঠছে।

  • খুলনায় গ্যাস সরবরাহের জন্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি প্রদান

    খুলনায় গ্যাস সরবরাহের জন্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি প্রদান

    খুলনায় পাইপ লাইনে গ্যাস সরবরাহের দাবিতে খুলনা নাগরিক সমাজের উদ্যোগে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। এই অপপ্রয়াসের মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষিত আশা সম্পন্ন করার আকর্ষণে পেট্রোবাংলার হস্তক্ষেপ ও কার্যকলাপের স্বচ্ছতা কামনা করেছেন। গত মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় নগর ভবনে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ও কেসিসি প্রশাসক মো. ফিরোজের কাছে এই স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়। এই সময় উপস্থিত ছিলেন নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা এড. আ ফ ম মহসীন, সদস্য সচিব এড. মোঃ বাবুল হাওলাদারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। মূলত, স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় যে, ২০১২ সালে খুলনায় গ্যাস সরবরাহের জন্য পেট্রোবাংলার অধীনে সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি ভেড়ামারা থেকে খুলনায় পাইপলাইন বসানোর কাজ শুরু করে। তবে, যথাসময়ে এই প্রকল্পটি অজানা কোনও কারণে স্থগিত ঘোষণা করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে নেওয়া হয়। এর ফলে রাষ্ট্রীয় পরিমাণ অর্থের অপচয় হয় এবং এই প্রকল্পের উন্নয়ন প্রতিযোগিতামূলক মূল্য ও সম্ভাবনা থেকে বঞ্চিত হয়। ভবিষ্যত পরিকল্পনায় ভোলা-বরিশাল-খুলনা রুটে গ্যাস সরবরাহের প্রকল্পেরও স্থগিতাদেশের কারণে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আটকে যায়, যা স্থানীয় জনগণের আশার ঝলককে হ্রাস করে। এর পাশাপাশি, স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় যে, খুলনার পুরনো পাটকলগুলো রেহাই না পেয়ে বন্ধ হয়ে যায় এবং শিল্পনগরী হিসেবে এর ঐতিহ্য ধ্বংস হয়। তবে, যদি গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হয়, তবে বন্ধ কারখানাগুলোর যান্ত্রিক উন্নতিনির্দেশের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ জমি ও অবকাঠামো পুনরায় সক্ষম হবে। এই অঞ্চলে দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ সমুদ্রবন্দর এবং পদ্মাসেতুর নির্মাণের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত হলে, উৎপাদন খরচ কমবে এবং সেই সঙ্গে নতুন শিল্পকারখানা ও উদ্যোক্তা বৃদ্ধি পাবে। এই অঞ্চলে বিনিয়োগ বাড়বে, দেশের অর্থনীতিতে মূখ্য ভূমিকা রাখবে। স্মারকলিপিতে বলা হয়, একটি দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে দেশীয় সম্ভাবনাগুলো পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে হবে। খুলনায় শিল্পের প্রসার ও বন্ধ কারখানা চালু হলে, শুধু এই অঞ্চলের মানুষই নয়, সারা দেশের জন্য সুফল আসবে। গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা শুধুমাত্র একটি দয়ার বিষয় নয়, বরং এটি জাতীয় উন্নয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একটি অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া অঞ্চলকে উপেক্ষা করে উন্নয়ন সম্ভব নয়। সীমিত সম্পদ ও ভূমির সর্বোচ্চ ব্যবহার ও দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দরসহ অন্যান্য সুবিধার উন্নয়নই এই অঞ্চলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারে। বর্তমান সরকারের কাছে আমরা আশা করি, এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে এবং দেশের সমগ্র উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে। গ্রাম থেকে শহর, সবখানেই সমান উন্নয়নের আওতা দরকার, যা দেশের সামগ্রিক অগ্রগতির মূলকাঠামো।

  • পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা আজ, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা

    পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা আজ, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা

    আজ বুধবার পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ে বরাবরই বিশেষ গুরুত্ব ও মর্যাদার সঙ্গে পালিত হয়। এই দিনে মানুষের ধর্মীয় অনুশীলন ও সবার মধ্যে ঐক্যের ভাব জোরদার হয়। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এই দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে সাধারণ ছুটি হিসেবে ঘোষণা করে না, এটি একটি ঐচ্ছিক ছুটি। তবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই দিনটি উপলক্ষে কর্ম বন্ধ থাকছে।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের বার্ষিক ছুটির তালিকায় আখেরি চাহার সোম্বার জন্য একদিনের ছুটি অনুমোদন করেছে। ফলে দেশের সব ধরনের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আজ বন্ধ থাকবে।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বার কারণে ২০ আগস্ট বুধবার সব কেন্দ্রীয় ও অধীনস্ত কলেজ বন্ধ থাকবে।

    এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে নিজ নিজ ঘোষণা দিয়ে明 আজকের দিনের জন্য ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগমের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০ আগস্ট বুধবার পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বার দিন শ্রেণি পাঠদান বন্ধ থাকবে। পরবর্তী দিন অর্থাৎ ২১ আগস্ট বৃহস্পতিবার থেকে সবকিছু আগের মতো সচল হবে এবং ক্লাস আবার চালু হবে।

  • পাইকগাছার কালিনগর ভেড়িবাঁধে ভাঙনের আতঙ্ক, ১৩ গ্রাম ঝুঁকিতে

    পাইকগাছার কালিনগর ভেড়িবাঁধে ভাঙনের আতঙ্ক, ১৩ গ্রাম ঝুঁকিতে

    পাইকগাছার দেলুটি উপজেলার কালিনগর ওয়াপদার ভেড়িবাঁধে মারাত্মক ধরণের ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভদ্রা নদীর প্রবল স্রোত এই বাঁধের ৪০০ মিটার এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি করেছে। এভাবে অব্যাহত থাকলে যে কোনও মুহূর্তে বাঁধ পুরোপুরি ভেঙে যেতে পারে, ফলে বিস্তীর্ণ এলাকার অসঙ্গতি ও প্লাবনের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতির কারণে ২২নং পোল্ডারের ১৩টি গ্রামে বসবাসরত হাজার হাজার মানুষ চরম ঝুঁকিতে পড়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় মানুষগুলো বাঁধের উপরে এক মানববন্ধন కార్యక్రమ করে ক্ষতিগ্রস্ত অংশের দ্রুত মেরামতের আহ্বান জানান।

    দেলুটি উপজেলা একটি দ্বীপের মতো এলাকা, যেখানে ২২নং পোল্ডার দিয়ে বটিয়াঘাটা ও দাকোপ উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়নের বিভিন্ন অংশ রয়েছে। এই পোল্ডারে মোট ৫টি ওয়ার্ডে ১৩টি গ্রাম রয়েছে এবং এখানে প্রায় ১০ হাজারের বেশি মানুষ বাস করেন। কৃষিকাজে, বিশেষ করে তরমুজসহ অন্যান্য ফসলের জন্য এই এলাকা অত্যন্ত সমৃদ্ধ। প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার ফসল যেমন তরমুজ উত্পাদন হয়। চারপাশে নদী থাকায় এবং পানিবন্ধকতা স্থাপনের অভাবে, এই এলাকার মানুষ চরম ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করেন। অতীতে, প্রতি বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুর্বল ভেড়িবাঁধের ভাঙন এবং প্লাবনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। গত বছর ২২ আগস্ট বাঁধের ভেঙে যাওয়ায় পুরো পোল্ডার পানিতে তলিয়ে যায়, বহু মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন শুরু করেন। আশ্রয় কেন্দ্রের সংকটের কারণে অনেকে রাস্তায় বসবাস করতেও বাধ্য হন। বিগত ২০ বছর ধরে এই ভাঙনের প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে, অগণিত ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

    আলোর মধ্যে, এই বছরের ভাঙনের ঘটনা গত বছরের একই স্থানের কিনা জানাতে গেলে, জানা যায় যে, ভাঙনের ক্ষেত্রটি গত বছরের ভাঙনের এক কিলোমিটার উত্তরে, কালিনগর সাধু ঘাটে অমল কবিরাজের বাড়ি থেকে প্রভাষ মন্ডলের বাড়ি পর্যন্ত ৪শ’ মিটার এলাকাজুড়ে নতুন করে বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে। এটি উদ্বেগজনক কারণ, এই পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী পানি প্রবাহের ঝুঁকি মোকাবেলা করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে, তারা দ্রুত ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ প্রকল্প চালুর দাবি জানান।

    মানববন্ধনে অংশ নেয়া শত শত মানুষ বাঁধের ক্ষতি দ্রুত মেরামত ও টেকসই বাঁধের দাবিতে আলোচনা করেন। দেলুটি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সুকুমার কবিরাজের সভাপতিত্বে এবং ইউপি সদস্য পলাশ কান্তি রায়ের পরিচালনায় এই মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “ত্রাণ নয়, টেকসই ভেড়িবাঁধের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হোক।” বক্তব্য দেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সমরেশ হালদার, ইউপি সদস্যরা রামচন্দ্র টিকাদার, রিংকু রায়, বদিউজ্জামান, মেরি রাণী, স্থানীয় ছাত্র-আরও উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বক্তারা আরও বলেন, ভবিষ্যতে যেন আর এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন না হতে হয়, সেজন্য টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি বাঁধের প্রয়োজন।

  • আওয়ামী লীগ দেশের উন্নয়নের নামে লুট করছে : লবি

    আওয়ামী লীগ দেশের উন্নয়নের নামে লুট করছে : লবি

    সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি, খুলনা-৫ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী মোহাম্মদ আলি আসগর লবি অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৬ বছরে দেশের উন্নয়নের নামে ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাট চালিয়েছে। তিনি বলেন, বহু গ্রাম রয়েছে ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় যেখানে যোগাযোগের অবস্থা খুবই খারাপ। এ সব উন্নয়নের নামে সরকার সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক সম্পদ লুট করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে ডুমুরিয়া উপজেলার সাজিয়াড়া শামছুল উলুম মাদ্রাসায় জোহার নামাজের পরে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই কথা বলেন।

    মো. আলি আসগর লবি আরও জানান, বিলডাকাতিয়া এলাকায় ১ হাজার ৬০০ একর জমির ওপর সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিকল্পনা চলমান রয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে, যা সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেয়াল অঞ্চলের মানুষদের জীবনমানের ব্যাপক উন্নয়ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    তিনি আরও বলেন, উন্নত দেশের মতো বাংলাদেশে কম্পিউটার শিক্ষার ব্যবস্থা করা জরুরি। বিশ্বে বেশ কিছু দেশে কম্পিউটার ব্যবহারে লোক নেওয়া হয়। এই সুযোগ বাংলাদেশেও সৃষ্টি হলে এখানকার তরুণরা বিদেশে চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবে। সেই জন্য সাজিয়াড়া মাদ্রাসায় একটি আধুনিক কম্পিউটার ক্লাসরুম তৈরি করে শিশু ও যুবকদের প্রশিক্ষণের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

    অতিরিক্তভাবে, আগামী সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৫ আসনে বিপুল সংখ্যক উন্নতমানের মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আলি আসগর লবি। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি প্রত্যেক গ্রামে উন্নত মানের বিভিন্ন ধর্মীয় এবং শিক্ষামূলক অবকাঠামো নির্মাণ করবেন।

    বক্তৃতায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র সাবেক আহ্বায়ক মোল্যা মোশাররফ হোসেন মফিজ, সাজিয়াড়া মাদ্রাসার সভাপতি অধ্যাপক মুফতি আব্দুল কাইয়ুম জমাদ্দার, সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওঃ আব্দুর রহমান, পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য নেতাকর্মী ও মুসল্লিরা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মাওঃ আব্দুল গফফার, মুফতি শহিদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা শেখ ফরহাদ হোসেন, খান আবজাল হোসেন, জিন্নাত আলী মোড়ল, আব্দুল মান্নান ও মাওঃ খলিলুর রহমানসহ বিভিন্ন মুসল্লি ও শুভাকাঙ্ক্ষী গণ।