Category: সারাদেশ

  • উত্তেজিত জনতার হামলায় পুলিশ, বনবিভাগের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকসহ আহত ৮

    উত্তেজিত জনতার হামলায় পুলিশ, বনবিভাগের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকসহ আহত ৮

    কক্সবাজারের টেকনাফে উত্তেজিত জনতার হামলায় পুলিশ কর্মকর্তা ও বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা এবং সংবাদকর্মী সহ ৮ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ২ টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার দিকে টেকনাফের বাহারছড়া হাজমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

    জানা গেছে, টেকনাফের বাহারছড়া হাজমপাড়া বন বিভাগের রিজার্ভের জায়গায় নির্মাণধীন একটি স্থাপনা ভাঙতে গেলে বন-বিভাগের ৪ সদস্যকে স্থানীয়রা তাদের বেঁধে রাখেন। পরে বন-বিভাগের সদস্যরা পুলিশের সহায়তা চাইলে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই দস্তগীর হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে উত্তেজিত জনতা পুলিশ ও বনবিভাগের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় দুইটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন তারা। আহত পুলিশ ও বনবিভাগের সদস্যরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

    টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘বাহারছড়া হাজম পাড়া এলাকায় উত্তেজিত জনতার হামলায় বনবিভাগ ও পুলিশের সদস্যর পাশাপাশি স্থানীয় সাংবাদিক আহত হওয়ার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। এখনো ঘটনাস্থলে অবস্থান করছি।’

    এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলার সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত ইউএনও আরিফ উল্লাহ নিজামী বলেন, বাহারছড়া হাসমপাড়াতে বনবিভাগের জায়গায় স্থাপনা নির্মানের ঘটনার বিষয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে বনবিভাগের সদস্যদের ঝামেলা হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের সঙ্গেও ঝামেলা সৃষ্টি হয়। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ সহ বনবিভাগের কর্মকর্তাগণ উপস্থিতি রয়েছেন।

  • খুবি শিক্ষার্থীদের সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল অবরোধ

    খুবি শিক্ষার্থীদের সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল অবরোধ

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীদের মারধর ও শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল মোড় অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে তারা সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালের সামনে অবস্থান নেন। এক পর্যায়ে তারা বাস মালিক ও শ্রমিকদের ধাওয়া দেন। এ সময় খুবির ছাত্র আশিক, সিয়াম, জিসান আহমেদ, অরূপ বসু, হৃদয় ও শাহরিয়ার পারভেজ সাদ আহত হন। এছাড়া দুইজন শিক্ষককেও লাঞ্ছিত করা হয়।

    পরে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালের সামনে অবস্থান নেয়। রাত সোয়া ৮টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালের সামনে অবস্থান করছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিপুল সংখ্যক সেনা, নৌ ও পুলিশ সদস্য কাজ করছিল।

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সময়ন্বয়ক মো. মুহিবুল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, বুধবার বিকালে গোপালগঞ্জ থেকে রাজীব পরিবহনের বাসে করে খুবির এক শিক্ষার্থী খুলনায় আসছিল। ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে ঐ শিক্ষার্থীকে লাঞ্ছিত করে বাস শ্রমিকরা। বিষয়টি ঐ শিক্ষার্থী অন্যদের জানালে তারা সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালের সামনে অবস্থান নেয়। সেখানে কথা কাটাকাটির জের ধরে পরিবহন শ্রমিকরা আবারো অন্য শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় খুবির ছাত্র আশিক, সিয়াম, জিসান আহমেদ, অরুপ বসু, হৃদয় ও শাহরিয়ার পারভেজ সাদ আহত হন। দুজন শিক্ষককেও লাঞ্ছিত করা হয়। এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল এলাকায় যান। এক পর্যায়ে তারা শ্রমিকদের ধাওয়া দেন। দুই পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাত ৮টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল এলাকায় ছাত্ররা অবস্থান করছিল।

    সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম রাত ৮টায় বলেন, পরিস্থিতি এখন ঠান্ডা রয়েছে। তবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল এলাকায় ছাত্ররা অবস্থান করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ  সদস্যরা কাজ করছে।

  • সিলেট সীমান্ত–সংলগ্ন ভারত অংশ থেকে আনা হলো বাংলাদেশির মরদেহ

    সিলেট সীমান্ত–সংলগ্ন ভারত অংশ থেকে আনা হলো বাংলাদেশির মরদেহ

    সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সংলগ্ন ভারত সীমান্তের অভ্যন্তরে পড়ে থাকা এক বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) রাত ৭টার দিকে উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি উজায়ের আল মাহমুদ।

    তিনি জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো  হবে। নিহত ব্যক্তির নাম আশরাফ উদ্দিন (৬৫)। তিনি কোম্পানীগঞ্জের ইসলামপুর পূর্ব ইউনিয়নের দয়ার বাজার ভাটরাই গ্রামের বাসিন্দা।

    বুধবার সীমান্তঘেঁষা ভারতের সীমানায় লাশটি পড়ে থাকতে দেখে বাংলাদেশের স্থানীয় বাসিন্দারা সকাল ৯টার দিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে বিজিবি ও পুলিশকে জানায়।

    নিহত ব্যক্তির পরিবারের বরাত দিয়ে কোম্পানীগঞ্জের ইসলামপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আনিছুর রহমান বলেন, আশরাফ উদ্দিন কাঠ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করতেন। মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ভারত সীমান্ত এলাকায় তিনি কাঠ সংগ্রহ করতে যান। রাতে আর বাড়ি ফেরেননি।

    তিনি জানান, বুধবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা সীমান্তের ভারতীয় অংশে এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখে খবর দিলে তিনি গিয়ে লাশটি দেখতে পান। ধারণা করা হচ্ছে, গুলিতে আশরাফ উদ্দিন মারা গেছেন।

    এদিকে ভারত সীমান্তের অভ্যন্তরে বাংলাদেশির লাশ পড়ে থাকার বিষয়টি বিজিবিকে জানানো হলে বিজিবি, পুলিশ, বিএসএফ এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নিলে  লাশ সীমান্তের ওপার থেকে লাশ নিয়ে আশা হয়। ।

    কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি উজায়ের আল মাহমুদ জানান, ভারত সীমান্তের ১২০ গজ অভ্যন্তরে লাশটি পড়ে থাকার পর। লাশটি উদ্ধারের জন্য বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফকে জানায়। পরে বিএসএফ লাশটি বাংলাদেশের বিজিবিকে হস্তান্তর করে। এরপর বিজিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। তার বুকে রক্তের দাগ ও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

  • সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক থেকে ফিরছে আটকা পড়া পর্যটকরা

    সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক থেকে ফিরছে আটকা পড়া পর্যটকরা

    রাঙমাটির বাঘাইছড়ির পর্যটন কেন্দ্র সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়া পর্যটকরা ফিরতে শুরু করেছে। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার দিকে সাজেক থেকে সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ির উদ্দ্যেশে তারা ফিরতে শুরু করে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সারাদিন বাঘাইছড়ির সাজেকে আঞ্চলিক দলের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এতে করে সাজেক খাগড়াছড়ি সড়কে যান চলাচল না করায় পর্যটকরা গতকাল বিকেল থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত সাজেকে অবস্থান করেন।

    সাজেক কটেজ মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা জানান, যারা গতকাল বিকেলে আটকা পড়েছিলো এবং আজ সকালে যাদের চলে যাবার কথা ছিলো তারা দুপুর ২টার পর সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ছেড়ে গেছে। তিনি আরও জানান, ২ দিনের জন্য যারা এসেছে তাদের মধ্যে কিছু পর্যটক এখনো সাজেকে আছেন।

    বাঘাইছড়ি উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা শিরিন আক্তার জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় দুপুর ২টার দিকে ৪৪০ জন পর্যটকরা সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির দিকে রওনা দিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, এলাকা নিয়ন্ত্রণে গত কয়েকদিন ধরে সাজেক ও মাচালং এলাকায় সন্তু লারমা জেএসএস ও প্রসীত গ্রুপ ইপিডিএফ দুই অঞ্চলিক দল দফায় দফায় গোলাগুলির ঘটনার ঘটে। তবে এখনো হতাহতর কোন খবর পাওয়া যায়নি।

  • সাজেকে আটকা পড়েছেন ৫ শতাধিক পর্যটক

    সাজেকে আটকা পড়েছেন ৫ শতাধিক পর্যটক

    পার্বত্য শান্তি চুক্তির অনুষ্ঠানে আসা-না আসা নিয়ে আঞ্চলিক দুটি গ্রুপের মাঝে দফায় দফায় বন্দুক যুদ্ধে আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে রাঙ্গামাটির সাজেক। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দফায় দফায় বন্দুকযুদ্ধে সাজেকে আটকা পড়েছেন পাঁচ শতাধিক পর্যটকরা।

    এদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) একদিনের জন্য সাজেক ভ্রমণে নিরুসাহিত করেছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) রাতে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জোবায়দা আক্তার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে গত কয়েকদিন ধরে সাজেক ও মাচালং এলাকায় সন্তু লারমা জেএসএস ও প্রসীত গ্রুপ ইপিডিএফ দুই অঞ্চলিক দল দফায় দফায় গোলাগুলির ঘটনার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

    সাজেকে আটকা পড়া পরিবহন চালকরা বলেন, সকালে খাগড়াছড়ি থেকে ২৭টি গাড়ি ৪ শতাধিক নিয়ে পর্যটক সাজেকে গিয়েছে। দুই আঞ্চলিক দলের মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে গোলাগুলি বেড়ে যাওয়ায় পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কোনো পর্যটকবাহী গাড়ি সাজেক থেকে খাগড়াছড়ি আসেনি।

    সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা জানান, সাজেক ও মাচালং সড়কের ৭নং ওয়ার্ডের শীপপাড়া নামক এলাকায় এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। ওই এলাকা পর্যটনকেন্দ্র থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে। গোলাগুলির কারণে কোনো গাড়ি সাজেক ছেড়ে যায়নি। রাতে প্রায় ৫ শতাধিক পর্যটক সাজেকে অবস্থান করেছেন।

    রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান জানান, গোলাগুলির ঘটনায় পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বুধবার একদিন সাজেকে পর্যটক ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা করা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরে এই ব্যাপারে পুণরায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যারা আছেন তাদের পরিস্থিতি বিবেচনা করে নিরাপদে আজ ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা  করা হচ্ছে।

  • ভারতে বাংলাদেশ নিয়ে মিথ্যা সংবাদ, নেত্রকোনায় বিক্ষোভ

    ভারতে বাংলাদেশ নিয়ে মিথ্যা সংবাদ, নেত্রকোনায় বিক্ষোভ

    ভারতের বাংলাদেশের আগরতলাস্থ উপহাইকমিশনে হামলা ও বাংলাদেশের পতাকা অবমাননার প্রতিবাদে ও ভারতীয় গণমাধ্যমে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের মিথ্যা সংবাদ প্রচার বন্ধের দাবিতে নেত্রকোনায় বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে।

    বাংলাদেশ খেলাফত যুব আন্দোলন নেত্রকোনা জেলা শাখার উদ্যোগে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে শহরের বড়বাজার মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের সামনের সড়কে এই বিক্ষোভ সমাবেশ হয়।

    বিক্ষোভ সমাবেশে পৌর পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ঝন্টু সাহা বলেন, নেত্রকোনায় এখন পর্যন্ত সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেনি। সম্প্রতি এই জেলা নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

    বক্তব্য রাখেন, হেফাজত নেতা মাওলানা আব্দুল বারী, খেলাফত যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী আব্দুর রহিম, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সিদ্দিকী, হাফেজ আনোয়ার হোসেন, মাওলানা আমিরুল ইসলাম, নেত্রকোনা পৌর পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ঝণ্টু সাহাসহ অন্যরা।

  • সাজেক ভ্রমণে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সতর্কতা

    সাজেক ভ্রমণে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সতর্কতা

    পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির সাজেক ও পাশ্ববর্তী এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সাজেক ভ্যালিতে ৪ ডিসেম্বর (বুধবার) পর্যটক ভ্রমণে নিরুত্সাহিত করেছে জেলা প্রশাসন।

    মঙ্গলবার (০৩ ডিসেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জোবাইদা আক্তার।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার আইন শৃঙ্খলার সার্বিক পরিস্থিতি এবং এসকল এলাকার পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে আজ বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের ভ্রমণে নিরুত্সাহিত করা হলো।

    রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান বলেন, সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় পর্যটকদের সাজেক ভ্রমণে এই নিরুৎসাহ প্রদান করা হয়েছে।

    এই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম দফায় তিন দিন সাজেকে পর্যটক ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করেছিল জেলা প্রশাসন। পরবর্তীতে সেই নিরুৎসাহিতকরণ আরও দুই দফা বৃদ্ধি করা হয়।

  • সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতের হিন্দু মঞ্চের কয়েকশ’ নেতাকর্মীর বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা

    সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতের হিন্দু মঞ্চের কয়েকশ’ নেতাকর্মীর বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা

    সিলেটের সুতারকান্দি স্থলবন্দরের ওপারে ভারতের আসাম রাজ্যের করিমগঞ্জ এলাকায় বাংলাদেশ অভিমুখে মার্চ করেছে হিন্দু ঐক্যমঞ্চের কয়েকশ নেতাকর্মী। এক পর্যায়ে তারা বাংলাদেশে প্রবেশেরও চেষ্টা চালায়। এ সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ও করিমগঞ্জ পুলিশের সদস্যরা কাঁটাতারের ব্যারিকেড দিয়ে তাদের বাধা দেয়।

    বাংলাদেশে কথিত সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ তুলে হিন্দু ঐক্যমঞ্চের ব্যানারে ভারতের কয়েকশ নাগরিক বাংলাদেশ অভিমুখে এ মার্চে অংশ নেন। ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশ অভিমুখে এ মুভমেন্টের একাধিক ভিডিও রোববার সন্ধ্যার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে সিলেটসহ সীমান্ত এলাকাগুলোতে তোলপাড় শুরু হয়।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, সুতারকান্দি সীমান্ত চেকপোস্টের অদূরে ভারতের আসাম রাজ্যের করিমগঞ্জে একটি রাস্তায় বিএসএফ জওয়ানরা সড়কে কাঁটাতারের ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছেন। ব্যারিকেডের পাশেই কয়েকশ ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশে আসার জন্য পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করছিলো। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে বিএসএফ জওয়ানরাও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যোগ দেন।

    এদিকে বিএসএফ ও ভারতীয় পুলিশের ব্যারিকেডের কারণে বিক্ষোভকারী ভারতীয় হিন্দু মঞ্চের নেতারা সুতারকান্দি স্থলবন্দর পর্যন্ত আসতে পারেনি। ওখানেই তাদের আটকে দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে আসামের বরাক ভ্যালীর এক হিন্দু নেতা ক্ষোভের সঙ্গে বলতে থাকেন, জীবন গেলে যাবে, তবুও তারা বাংলাদেশে যাবেন। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে তারা এই মার্চ করছেন বলে জানান।

    এ ঘটনায় সিলেটের বিয়ানীবাজার ও জকিগঞ্জ সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৫২ ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মেহেদী হাসান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সীমান্তের অন্তত দুই কিলোমিটার দূরে ভারতের ভেতরে বিক্ষোভকারীরা প্রতিবাদ করেছে। এটা শেওলা সীমান্তের ওপারে। তবে বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম মস্তুফা মুন্না এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।

    এদিকে, সীমান্তের ওপারে ভারতে এ নিয়ে কয়েকদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে খবর আসছিলো সিলেটে। এ কারণে সিলেটের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তরফ থেকে সীমান্ত এলাকা থেকে সিলেটে আসা সড়কগুলোতে তল্লাশি চৌকি বসানো হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে যানবাহনে তল্লাশি ছাড়াও নাশকতাকারীদের ধরতে অভিযানও চালানো হচ্ছে।

  • তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে বুটেক্স ও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ

    তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে বুটেক্স ও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ

    রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকার বিটাক মোড়ে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটির (বুটেক্স) শিক্ষার্থীরা। রোববার রাত ১০টায় এ সংঘর্ষ শুরু হয় বলে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী শামীমুর রহমান জানান।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কথা-কাটাকাটির জেরে দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি হয়। রাত ১০টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা দুই পক্ষে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে। একপর্যায়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে বিটাক মোড়ে অবস্থান নিয়ে উত্তর দিকে বুটেক্স এবং দক্ষিণ দিকে পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেন।

    রাত পৌনে একটার সময়ও সেখানে উত্তেজনা চলছিল।

  • বৃহস্পতিবার ১২ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

    বৃহস্পতিবার ১২ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

    গ্যাসের পাইপলাইনের কাজের জন্য বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইসলামবাগ, লালবাগসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি এলাকায় ১২ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না। 

    বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানায়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি প্রতিস্থাপন কাজের জন্য বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) লালবাগ ডিপিডিসি সাব-স্টেশন এলাকাসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকায় ১২ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না।

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মোট ১২ ঘণ্টা ইসলামবাগ, রহমতগঞ্জ, লালবাগ ডিপিডিসি সাব-স্টেশন সংলগ্ন এলাকা, লাকসাম বাজার, চান্দিরঘাট এলাকাসহ আশপাশের এলাকায় বিদ্যমান সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। ওই সময়ে আশপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে।

    গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।