Category: সারাদেশ

  • খালেদা জিয়া একান্তন গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছেন

    খালেদা জিয়া একান্তন গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছেন

    মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, গণতন্ত্রের জন্য তার অসাধারণ অবদান এবং দেশ ও জনগণের প্রতি তার ত্যাগ সব সময় আমাদের স্মৃতিতে বিরাজ করবে। তিনি ছিলেন একজন আপোষহীন নেতা, যিনি প্রতিনিয়ত গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার নিয়েই সংগ্রাম করে গেছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে একটি স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এড. শফিকুল আলম মনা। দোয়া অনুষ্ঠানে মরহুম নেত্রীর রুহের শান্তি এবং দেশ ও জাতির অগ্রগতি, সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইফতেখার হোসেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, এবং অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, সদর থানা বিএনপির সভাপতি কে এম হুমায়ুন কবির, ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনসহ আরও অনেক নেতাকর্মী। অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিভিন্নয়ের পাশাপাশি অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ নেতাকর্মীরা। সবাই গভীর শ্রদ্ধা ও প্রার্থনা জানান, দেশ ও মতের শান্তি ও স্বস্তির জন্য।

  • চুয়াডাঙ্গায় তীব্র শীতে তাপমাত্রা পড়ে ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস

    চুয়াডাঙ্গায় তীব্র শীতে তাপমাত্রা পড়ে ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস

    চুয়াডাঙ্গা জেলা তীব্র শীতের কবলে পড়েছে, যা জীবনযাত্রাকে চাপের মধ্যে ফেলেছে। এই শীতকালীন আবহাওয়ায় মানুষের জীবন অচল হয়ে গেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। বিশেষ করে শ্রমজীবী এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য এই শীত আরও বেশি দুর্ভোগের কারণ बने।

    বুধবার (৬ জানুয়ারি) ভোর ৯টায়, স্থানীয় প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার অনুযায়ী, চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গেছে ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার হার ছিল ৯৭ শতাংশ। এই শীত মৌসুমে এটাই জেলাটির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বইছে।

    শীতের এই তীব্রতায় সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন মোড়, বাসস্ট্যান্ড এবং চায়ের দোকানসহ আড়ত-পথে অগ্নি জ্বালিয়ে ঠাণ্ডা নিবারণে ব্যস্ত মানুষজন। অনেকেরই মত, এই ঠাণ্ডায় স্বাভাবিক জীবনে চলা অনেক কষ্টের হয়ে পড়েছে।

    কৃষকদের জন্য ভোরে কাজে বের হওয়া অনেকটাই ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। তারা বলেন, হাত-পা এখনও বরফের মতো জমে যাচ্ছে, যেন ঠান্ডা ফ্রিজের ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকছি। তবুও পেটের দায়ে কাজের জন্য বের হতে হয়। কাজ না পেলে খালি হাতে ফিরে আসতে হচ্ছে।

    শীতের এই দাপটে শিক্ষার্থীও বিপাকপূর্ণ পরিস্থিতিতে পড়েছেন। ভোরে স্কুল বা কোচিংয়ে যাওয়ার জন্য তাদের কষ্টকর আবহাওয়ার সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে। এক শিক্ষার্থী বলছে, আগে ভ্যান বা ইজিবাইকে করে যেতাম, এখন শীতের কারণে লম্বা হাঁটাপথ পার হতে হচ্ছে। হাত-পা জমে যাচ্ছে, তবে হাঁটলে শরীর গরম হচ্ছে।

    চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামিনুর রহমান জানান, আগামী ১১ বা ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত এই মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।

  • খালেদা জিয়ার জন্য গভীর শ্রদ্ধা ও দোয়া: নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নেতৃত্বে নানা অনুষ্ঠান পরিচালনা

    খালেদা জিয়ার জন্য গভীর শ্রদ্ধা ও দোয়া: নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নেতৃত্বে নানা অনুষ্ঠান পরিচালনা

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ছিলেন দেশের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক বলে মন্তব্য করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া সাধারণ গৃহিণী থেকে দেশের নেত্রী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন, যা তার দৃঢ় নেতৃত্বের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে। তিনি সর্বদা আপোষহীন ছিলেন এবং মানুষের হৃদয়ে নিজেকে অমোহন করে তুলেছেন।

    সোমবার জোহর অৱধি শতরূপা মোড়ে ১৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এই দোয়ায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আসাদুজ্জামান।

    এরপর, আসর নামাজের পরে মসজিদ সংলগ্ন মাঠে পুরোনো ইমাম ও খতিব হাফেজ মোঃ মাকসুদুর রহমানের জানাজার মাধ্যমে তার শেষ বিদায় জানানো হয়। এছাড়া তিনি ২০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে ফেরিঘাট জিন্না মসজিদে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অংশ নেন। সেই সাথে, কুবা মসজিদে মরহুমা নেত্রীর রুহের শান্তির জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

    এছাড়া, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর রহমানের উপস্থিতিতে মরহুমার জন্য দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ ও দোয়া পরিচালনা করেন মারুফ বিল্লাহ। অনুষ্ঠান শেষে দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়।

    এমন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাজী মোঃ রাশেদ, রেহেনা ঈসা, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, আনোয়ার হোসেন, এডভোকেট গোলাম মওলা, ইউসুফ হারুন মজনু, জালাল শরীফ, একরামুল হক হেলাল, গিয়াস উদ্দিন বনি, আল জামাল ভূঁইয়া, মারুফ আল রশিদ, নাজমুল হক মুকুল, শাসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, রবিউল ইসলাম রবি, মহিউদ্দিন টারজান, মোজবাহ উদ্দিন মিজু, আজিজুর রহমান আজিজ, মঞ্জুর হাসান অপু, আসিফ ইকবাল লিটন, মেহেদী হাসান সোহাগ, তরিকুল ইসলাম সোহান, রিয়াজুর রহমান রিয়াজ, বাচ্চু মীর, শাহানুর কবির অয়ন, এডভোকেট হাফিজুর রহমান হাফিজ, খাঁন শহীদুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম বাবু, আলমগীর হোসেন আলম, মিজানুজ্জাক তাজ, ইকবাল হোসেন, নাহিদ মোড়ল, জাবির আলী, মোস্তফা কামাল, মনিরুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, আব্দুল হাকিম, মোস্তফা জামান মিন্টু, গোলাম নবী ডালু, লিটু পাটোয়ারী, শাকিল আহমেদ, মোল্লা ফিরোজ, ওয়াহাব শরীফ, সুলতান মাহমুদ সুমন, শামীম খান, শরিফুল ইসলাম সাগর, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফিরোজ আহমেদ, মুশফিকুর রহমান অভি, তালুকদার রাজিব, মিজানুর রহমান মিজান, ইমরান হোসেন, রাজিবুল আলম বাপ্পি, মহিদুল হক টুকু, মাহমুদ হাসান মুন্না, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, শহিদুল ইসলাম লিটন, এ আর রহমান, সেলিম বড় মিয়া, হারুন হাওলাদার, সুলতান হোসেন, সজল আকন নাসিব, রোকেয়া ফারুক, শামীম রেজা, জাহাঙ্গীর হোসেন, খান রাজিব, মাসুদ রানা, এরশাদুল হক চান, মানিক, ইকবাল হোসেন, মাহবুবুর রহমান লিটু, দুলাল চৌধুরী, শাহানা রহমান, বিলকিস বেগম প্রমুখ।

  • মোংলায় পর্যটক পরিবহন শ্রমিক-কর্মচারীদের ধর্মঘট, সুন্দরবনে ভ্রমণে দুর্ভোগ

    মোংলায় পর্যটক পরিবহন শ্রমিক-কর্মচারীদের ধর্মঘট, সুন্দরবনে ভ্রমণে দুর্ভোগ

    মোংলার সুন্দরবনে পর্যটক পরিবহন নৌযান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে নাুমোংলা নৌযান মালিক ও শ্রমিক-কর্মচারীরা। আজ সোমবার ভোর থেকে শুরু হওয়া এই কর্মবিরতিতে সব ধরনের জালিবোট, ট্রলার ও পর্যটকবাহী নৌযান বন্ধ রয়েছে, যার ফলে আটকা পড়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সুন্দরবনে ঘুরতে আসা পর্যটকরা।

    নৌযান মালিক ও শ্রমিকরা জানাচ্ছেন, রবিবার নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হঠাৎ অভিযান ও হয়রানির প্রতিবাদে এই ধর্মঘটের ঘোষণা তারা দিয়েছেন। তারা অভিযোগ করেছেন, কিছুদিন ধরেই অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অনিচ্ছারভাবে নানা অনুমতিপত্র ও লাইসেন্সের জন্য চাপ দেন, এমনকি অতিরিক্ত টাকা ঘুষের দাবি করে থাকেন। পরে রবিবার বিকালে হঠাৎ নৌপরিবহন কর্মকর্তারা ও প্রশাসনের লোকজন অভিযান চালায়, যেখানে মূল্যবান মালামাল ভাঙচুর, নৌযান কেটে নিয়ে যায় ও শ্রমিকদের বিরক্ত করে হয়রানি করে। এমনকি শ্রমিকদের ভয় দেখানো হয় মামলা ও গ্রেফতারির ভয় দেখিয়ে।

    এরপর থেকেই মালিকরা আতঙ্কিত হয়ে আড়াই থেকে তিনশোর বেশি নৌযান বন্ধ করে দেন। সুন্দরবনের গহীন অঞ্চল থেকে আসা পর্যটকদের জন্য এই বন্ধের ফলে সারিবদ্ধভাবে থামানো হয়েছে শত শত জালি বোট ও ট্রলার, নদীঘাটে ভিড় জমেছে অসংখ্য পর্যটক। আশপাশের এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা বলছেন, সুন্দরবনের প্রকৃতি দেখার বড় স্বপ্ন ছিল, কিন্তু এখন সব অন্ধকারে ডুবে গেছে।

    যশোর থেকে আসা স্বর্ণা আক্তার বলেন, ‘আমরা পরিবার ও প্রতিবেশীদের নিয়ে সুন্দরবন ভ্রমণে এসেছি। এখন দেখলাম নৌযান মেয়াদ বন্ধ, তাই বাড়ি ফিরে যেতে হচ্ছে।’ একইভাবে ঢাকার মিরপুর থেকে আসা আফরোজা বেগম বলেন, ‘একদমই ভালো লাগছে না, আর যেতে পারছি না। অনেক আশা ছিল, অনেক টাকা খরচ করলাম, এখন ফিরে যেতে হচ্ছে।’ রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা ৫৪ জনের বাসে এসেছিলাম, কিন্তু এখন সব বন্ধ। শিশুসহ সবাই অপেক্ষায়, কীভাবে সুন্দরবন দেখব বুঝে উঠতে পারছি না।

    মোংলা বন্দর যন্ত্রচালিত মাঝিমাল্লা সংগঠনের নেতা মোঃ সোহাগ বলেন, ‘অভিযোগের ভিত্তিতে নৌপরিবহন দপ্তরের হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়ে আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সব নৌযান চলাচল বন্ধ রেখেছি। জরুরি শর্ত ও অতিরিক্ত ফি চাপানোর জন্যই এই ধর্মঘট, যা পর্যটনশিল্পের জন্য বড় ধাক্কা। এখনো অজুহাত দেখিয়ে কর্মকর্তারা নানা শর্ত চাপাচ্ছেন, যা মানা সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আরও সময়ের জন্য ধর্মঘট চলবে।’

    সুন্দরবনের করমজল পর্যটন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আজাদ কবির বলেন, ‘সোমবার ভোর থেকে কোনও পর্যটক বা নৌযান আসতে পারেনি। নৌপরিবহন দপ্তর রোববার অভিযান চালিয়েছে বলে জানি, তাই মালিকেরা তাদের নৌযান চলাচল বন্ধ রেখেছেন।’

    নৌপরিবহন দপ্তর খুলনার পরিদর্শক মোঃ রাশেদুল আলম জানান, ‘জালিবোটের উপরের অংশের অবকাঠামো অপসারণ করা হয়েছে, যাতে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো পর্যটকদের নিরাপদে ভ্রমণের আয়োজন করা, এই উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। আমরা হয়রানি করতে চাই না, বরং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই।’

    প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ, বোটে ১৬ হর্স পাওয়ার কম ইঞ্জিন চালানোর জন্য ট্রেড রাইসেন্স ও পোর্ট ডিউস লাগলেও, বোট সার্ভে নামে হয়রানি করছে ডিজিশিপিং। এই সব কারণেই তারা এই অস্থায়ী ধর্মঘট শুরু করেছেন।

  • মঞু: মরতে হলে দেশের মাটিতে, বাঁচতে হলে দেশের মাটিতে

    মঞু: মরতে হলে দেশের মাটিতে, বাঁচতে হলে দেশের মাটিতে

    বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের অবিসংবাদিত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হারিয়ে দেশের জনগণ গভীর অভুক্তিতে পড়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে যেতে চাপ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি তখন বলেছেন, আমার দেশের বাইরে কোনো ঠিকানা নেই। মরতে হলে দেশের মাটিতে মরব, আর বাঁচতে হলে দেশের মাটিতে বাঁচব। দেশের মানুষের প্রতি অবিচল আনুগত্য এবং দেশের স্বার্থে তিনি কখনো দেশের বাইরে যাননি।

    গতকাল রোববার নগরীর মিয়াপাড়া পাইপের মোড়ে কায়েমিয়া জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পরে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন, যেখানে দেশের জন্য গৌরবজনক কৃতি ফুটবলার ও খুলনা জেলা ফুটবল দলের কোচ মোঃ দস্তগীর হোসেন নীরার নামাজে জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিল ৩১নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন, যার সভাপতিত্ব করেন জনপ্রিয় নেতা হোসেন-আল-আহসান।

    বিএনপি, অঙ্গ সংগঠন ও বিভিন্ন বিশিষ্টজনের অংশগ্রহণে এই স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু, যিনি খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এছাড়াও দোয়া পরিচালনা করেন হাজী মালেক জামে মসজিদের পেশ ইমাম আজিজুল ইসলাম আইয়ুবী। অন্য এক স্মরণ সমাবেশটি হয় আলিয়া উড ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাঙ্গণে, যেখানে সভাপতিত্ব করেন শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল। সেখানে বক্তৃতা করেন মঞ্জু এবং দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল গফ্ফার।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, তারা হলেন আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, সাদিকুর রহমান সবুজ, ইকরামুল হক হেলাল, শেখ আকিরুল ইসলাম, আমির হোসেন বাচ্চু, শেখ জাহিদুল ইসলাম খোকন, শরিফুল ইসলাম বাবু, গোলাম মোস্তফা, রিয়াজুর রহমান, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, নূরুল ইসলাম লিটন, মাসুদ খান বাদল, তরিকুল আলম তুষার, আবু দাউদ খান, সাখাওয়াত হোসেন, বজলুর রহমান আবু হানিফ, নজমুল হাসান নাসিম, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, ঢালী আব্দুর রউফ, নজরুল ইসলাম ঢালী, হুমায়ূদ হোসেন, কামরুল আলম, শেখ জাকির হোসেন, আবু তালেব, সেলিম বড় মিয়া, জাহান আলী, রোকেয়া ফারুক, মামুনুর রহমান, কামরুল আলম খোকন, মিজানুর রহমান, হারুন মোল্লা, মহিউদ্দিন, শেখ মোতাহার আলী, মোঃ মোহন, মোঃ রফিক, আসলাম মোল্লা, মুশফিকুর রহমান অভি, মাসুদ রুমি, শুকুর আলী, জাহিদুল ইসলাম, ইয়াকুব পাটোয়ারী, হাসুয়ানুজ্জামান, আমির হোসেন মেহেদী, ডাঃ মহিউদ্দিন, মামুনুর রহমান রাসেল, শামীম রেজা, নাজমুল ইসলাম নজু, ছিদ্দিকুর রহমান, মতিউর রহমান, আলাউদ্দিন, মাসুম হোসেন, মান্নান গাজী, ডাঃ শেখর, আজিজুল গাজী, দোলোয়ার হোসেন, আনোয়ারা বেগম, পারভেজ আহমেদ, আশিকুর রহমান, হানিফ জাহাঙ্গীর, শামীম রেজা, আশিকুর রহমান সেলিম, কাজী আমির, বেল্লাল হোসেন, সুলতান হাওলাদার, লুৎফর রহমান, বিনা আক্তার, জাহেদা খাতুন, হেলাল হোসেন, মোহাম্মদ আলী, পারভেজ মোড়েল, সুমন হোসেন, শফিকুল ইসলাম, আজিজুল ইসলাম, জমসেদ আলী, লাভলী ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, মোঃ গালিব, আইনুল ইসলাম, শামীম শেখ, এজাজ মোল্লা, সোলাইমান হাওলাদার, হোসনে আরা চান্দনী, মোঃ মফিজ, শফি ঢালী প্রমুখ।

  • খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সংগ্রামে অবিচল

    খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সংগ্রামে অবিচল

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এবং ডায়াবেটিস সমিতি খুলনার আহ্বায়ক এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একনিষ্ঠভাবে সংগ্রাম করে গেছেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি সময়ে দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা, জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দৃঢ় পদক্ষেপ লক্ষণীয়। রোববার বিকালে ডায়াবেটিক সমিতি খুলনার উদ্যোগে নগরীর ডায়াবেটিক সমিতির সভাকক্ষে আয়োজিত দোয়ায় তিনি এসব কথা বলেন, যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

    শফিকুল আলম মনা আরও বলেছিলেন, একাধিকবার রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকলেও বেগম খালেদা জিয়া কখনো ব্যক্তিগত স্বার্থকে প্রাধান্য দেননি। তিনি সর্বদাই রাষ্ট্রের স্বার্থ, সংবিধান ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলেন। স্বৈরশাসন ও একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর ব্যক্তিগত সংগ্রাম দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে একটি শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড় করিয়েছে। তিনি সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

    তিনি আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ, সাহস ও আদর্শ আমাদের ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পথচলার জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করে আমাদের একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও ন্যায্য প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, ফেরদৌস আলম, ডাঃ মোস্তফা কামাল, কে এম হুমায়ুন কবির, মুজিবুর রহমান, বদরুল আনাম খান, শফিকুল ইসলাম শফি, সজীব তালুকদার, তছলিমা খাতুন ছন্দা, মনজুর হাসান অপু, জাহাঙ্গীর আলম, কাজী সান্টু, জিয়াউর রহমান জিয়া, ডাঃ আক্তারুজ্জামান, ডাঃ এম বি জামান, ডাঃ মেহেদী হাসান, ডাঃ নাজমুল সাদাত, ডাঃ সালাউদ্দিন আহমেদ, ডাঃ জগবন্ধু দাস, ডাঃ ফাওমিদা সুলতানা, ডাঃ এফ এম মনিরুজ্জামান, ডাঃ শাবমাজ সরোয়ার, ডাঃ নাকিব উদ্দিন, ডাঃ আবিদাতুস সুমাইয়া, মোঃ নুরুজ্জামান শেখ, মোঃ আমিরুল ইসলাম, মোঃ আরিফ, রাব্বি, আপন ও আব্দুল্লাহ আল মুজাহিদসহ ডায়াবেটিক হসপিটালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অনুষ্ঠান শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

  • সুন্দরবনে ডাকাতের হাতে জিম্মি পর্যটকরা উদ্ধার, আটক ৫

    সুন্দরবনে ডাকাতের হাতে জিম্মি পর্যটকরা উদ্ধার, আটক ৫

    সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে নৌবাহিনী, পুলিশ এবং র‌্যাবের যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ডাকাত দলের হাত থেকে জিম্মি থাকা পর্যটক ও রিসোর্ট মালিককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ঘটনা শুরু হয় শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকাল ৩টার সময়, যখন গোলকানন রিসোর্ট থেকে কাঠের বোটযোগে ভ্রমণে বের হয়েছিল পাঁচ পর্যটক, এক মাঝি ও রিসোর্টের মালিক। চারটি ডাকাত দল, যার নেতৃত্বে মাসুম মৃধা, এই পর্যটক, মাঝি ও রিসোর্ট মালিককে ধরে নিয়ে জিম্মি করে। ডাকাত দলের মনোভাব ছিল মুক্তিপণ দাবির। তারা তিন পর্যটক ও মাঝিকে ছেড়ে দিলেও, দুই পর্যটক এবং রিসোর্টের মালিককে সুন্দরবনের অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় এবং এ ব্যাপারে মুক্তিপণ চায়। পরে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার দিকে গুরুত্ব দিয়ে কোস্টগার্ডকে জানায়।

    প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ অভিযান শুরু হয়। এরই মধ্যে, গত ৩ জানুয়ারি, ডাকাত মাসুমের সহযোগী কুদ্দুস হাওলাদার (৪৩), সালাম বক্স (২৪) ও মেহেদী হাসান (১৯) সুন্দরবনের গোলকানন রিসোর্ট সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকা থেকে আটক করা হয়। আরও পরে, রোববার (৪ জানুয়ারি), কৈলাশগঞ্জ এলাকা থেকে অন্যান্য সহযোগী আলম মাতব্বরকে (৩৮) গ্রেফতার করা হয়। একই দিন, রূপসা থানাধীন পালেরহাট এলাকা থেকে গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে উদ্ধার করে বিকাশের মাধ্যমে মুক্তিপণ হিসেবে সংগৃহীত ৮১,৪০০ টাকা নগদসহ ডাকাত মাসুমের মা, জয়নবী বিবি (৫৫), এবং ব্যবসায়ী অয়ন কুন্ডুকে (৩০) আটক করা হয়।

    সন্ধ্যায়, ড্রোন সার্ভিলেন্সের মাধ্যমে সুন্দরবনের গাজী ফিশারিজ সংলগ্ন এলাকায় দুই পর্যটক ও রিসোর্টের মালিককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে, প্রধান ডাকাত মাসুম মৃধার খোঁজে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    কোস্টগার্ডের এই কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, উদ্ধার করা বিকল্প পর্যটকদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর ও আটকদের থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলছে। ভবিষ্যতেও সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলে পর্যটক ও সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • চিতলমারীতে সার বরাদ্দে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ, আবেদন-নিবেদন উপেক্ষিত

    চিতলমারীতে সার বরাদ্দে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ, আবেদন-নিবেদন উপেক্ষিত

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে ডিলার ভিত্তিক নন-ইউরিয়া সার বরাদ্দে ব্যাপক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। জানুয়ারী মাসে এক বিসিআইসি সার ডিলারকে ৯৯ মেট্রিক টন নন-ইউরিয়া সার বরাদ্দ দেওয়া হলেও একই সময় বিএডিসি সার ডিলারকে শুধুমাত্র ২০ মেট্রিকটন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অসম সার বরাদ্দ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, যা কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। এই বৈষম্য দূর করতে উপজেলা কৃষি বিভাগে বারবার আবেদন ও প্রতিবেদন দিয়েছেন চিতলমারীর একমাত্র বিএডিসি সার ও বীজ ডিলার ফেরদাউস শেখ, তবে কোনো ফল পাননি।

    সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে ফেরদাউস শেখ জানান, তিনি উপজেলার একমাত্র বিএডিসি সার ও বীজ ডিলার হিসেবে দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। তাদের ব্যবসা চিতলমারী উপজেলা সদর বাজারে মেসার্স শেখ ব্রাদার্স নামে। তিনি বলেন, কৃষি, মাছ ও ফসল উৎপাদনের জন্য রাসায়নিক সারের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু উপজেলা কৃষি অফিসের বরাদ্দের সময় পক্ষপাতিত্বের কারণে তিনি প্রয়োজনীয় সার সরবরাহে বাধা পাচ্ছেন। আশেপাশের জেলা ও উপজেলার মধ্যে বিএডিসি ও বিসিআইসি ডিলাদের মাঝে সমানভাবে সার বিতরণ হলে তার সমস্যা এতটা হতো না।

    তবে একমাত্র বিসিআইসি সার ডিলারকে ৯৯ মেট্রিকটন দেওয়া হলেও নিজের বরাদ্দ মাত্র ২০ মেট্রিকটন। এভাবে মাসের পর মাস সার বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তিনি। এতে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে বলেন, বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন করার পরেও কোন ফল পাওয়া যায়নি।

    এ প্রসঙ্গে চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্য সচিব মোঃ সিফাত-আল-মারুফ বলেন, “এ উপজেলায় সাত জন বিসিআইসি ও এক জন বিএডিসি সার ডিলার রয়েছেন। বিএডিসি সার ডিলারকে বেশি বরাদ্দ দিলে কিছু বিসিআইসি সার ডিলার ক্ষিপ্ত হন। আমি অন্য জেলার বণ্টনের বিষয় সম্পর্কে বিশেষ করে জানি না।”

  • বিএনপি ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বর্তমান তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়বে

    বিএনপি ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বর্তমান তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়বে

    বিএনপি সিলেবাসে উল্লেখিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে শুধু উন্নয়নই সম্ভব নয়, বরং তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও স্বাবলম্বী বাংলাদেশ গড়ে তোলাই লক্ষ্য। এটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন প্রকৃত অর্থে এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন বিএনপি কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনে ধানের শীষ প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় খুলনার খালিশপুরের ১২নং ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও রুহের মাগফিরাত কামনায়। তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়নে বিএনপির কর্মসূচি ও কাজের ধারাকে অব্যাহত রাখতে হলে ভোটাররা বিভ্রান্তি ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে চোখ খোলার জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। তিনি একথাও উল্লেখ করেন যে, একটি স্বার্থান্বেষী মহল নানা মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে যেমন— নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যায়— যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইসলাম ধর্মে এমন কিছু বলতে নেই, এমন অপপ্রচার ও ভ্রান্ত ধারণার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি। এফকোলে তিনি বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখন থেকেই নারী উন্নয়ন ও সামাজিক সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু খাদ্য উৎপাদনে দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেননি, পাশাপাশি দেশের খাদ্য রপ্তানি সক্ষমতাও বাড়িয়ে তুলেছিলেন। শিক্ষার মান উন্নয়নে বিএনপি প্রথমে দেশে নকলমুক্ত পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করে এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শিশুদের জন্য ‘খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা’ মত প্রকল্প শুরু করেন। এছাড়া, সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ সংযোজন, ইসলাম প্রচার-প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা ও আলেম সমাজের সম্মান রক্ষায় বিএনপি সবসময় সক্রিয় রয়েছে। দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী এবং সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল হোসেন। খালিশপুর থানার বিএনপি’র সভাপতি এড. মোহাম্মদ আলী বাবু, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বিশ্বাস এবং সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুসসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকার সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শেষে, বিএনপি ও দেশের উন্নয়ন কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয় যাতে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও স্বাস্থ্যের জন্যও বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

  • সাত জেলায় মৃদু শীতের শৈত্যপ্রবাহ চলমান

    সাত জেলায় মৃদু শীতের শৈত্যপ্রবাহ চলমান

    সারা দেশে শীতের অনুভূতি কড়া হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সাতটি জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে এবং আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এই প্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। এ ছাড়াও, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কেমন করে শীত পড়বে, তারও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

    আজ রোববার ভোরে প্রকাশিত আবহাওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, যশোর, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা, মৌলভীবাজার ও সিলেটের উপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং এই পরিস্থিতি চলমান থাকতে পারে। এ সময় দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, আর দিনভর তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েও যেতে পারে। এছাড়া, কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের মাত্রা এখনো বেশ গোড়ায় রয়েছে, ফলে সারা দেশে শীত অনুভূতি বজায় থাকবে। অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকছে।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বিস্তৃত অংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তার সংলগ্ন এলাকার ওপর অবস্থান করছে। অন্যদিকে, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে রয়েছে এবং এর একটি অংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

    অতিরিক্তভাবে, আজ সকাল ৬টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে, যেখানে তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।