Category: সারাদেশ

  • কালীগঞ্জে রেল লাইনের পাশে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

    কালীগঞ্জে রেল লাইনের পাশে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজার এলাকায় রেল লাইনের পাশে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেই যুবকের প্রায় ২০ থেকে ২১ বছরের মরদেহটি সংগ্রহ করে।

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিনের মতো সকালে বারবাজার এলাকার রেল লাইনের পাশ দিয়ে গেলে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি পুকুরের পাশে এক যুবকের নিথর শরীর পড়ে থাকতে দেখেন। তারা সন্দেহ থেকে তা স্থানীয়দের জানায়, পরে পুলিশেও খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর মরদেহটি উদ্ধার করে।

    পুলিশ জানায়, যুবকের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা দেখে ধারণা করা হচ্ছে হয়তো ট্রেনের ধাক্কায় তার মৃত্যু হয়েছে। তবে এটি কি সত্যিই একটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণে মৃত্যু ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ জন্য পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

    যশোর রেলওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জৌতিষচন্দ্র বর্মন বলেন, ‘আমরা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, ট্রেনের ধাক্কায় তার মৃত্যু হয়েছে, তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য পরিস্থিতির বিস্তারিত জানা যাবে।’

    অপরদিকে, যুবকের পরিচয় এখনো শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। তার পরিচয় জানার জন্য আশপাশের থানাগুলোতে সাধারণ ডায়েরি জারি করা হয়েছে এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। যুবকের পরিচয় জানা গেলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি তখনই সম্পন্ন হবে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

  • সাতক্ষীরায় চলতি মৌসুমে ৪ হাজার ১৩৭ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ

    সাতক্ষীরায় চলতি মৌসুমে ৪ হাজার ১৩৭ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ

    সাতক্ষীরায় এ বছর মুকুলের উপস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে নতুন মৌসুমের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। প্রতিটি আম গাছে এখন মুকুল ভরে গেছে, আর চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে মিষ্টি মুকুলের ঘ্রাণ। জেলায় এবার মোট ৪ হাজার ১৩৭ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে, যা προηγের তুলনায় বেশ উন্নতির ইঙ্গিত দেয়। আশা করা হচ্ছে, এই মৌসুমে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পৌঁছাবে ৭০ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন, যা গত বছর প্রায় সমান। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে এই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মনে করছে কৃষি বিভাগ।

  • চাঁদাবাজি বন্ধের পর কালীগঞ্জে ঝাড়ু হাতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করলেন এমপি আবু তালিব

    চাঁদাবাজি বন্ধের পর কালীগঞ্জে ঝাড়ু হাতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করলেন এমপি আবু তালিব

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরকে আরও বেশি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করে তোলার লক্ষ্যে একটি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিব। বুধবার সকাল থেকেই তিনি নিজে হাতে ঝাড়ু তুলে নিয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনবহুল এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।

    সকাল থেকেই শহরের বড় বাজার, জনতা মোড়সহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে স্থানীয় জনগণের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি হয় এবং তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন। এই সময়ে ময়লা-আবর্জনা সরানো, ড্রেন পরিষ্কার করা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর জন্য নানা কার্যক্রম চালানো হয়।

    স্থানীয় ব্যবসায়ীরা, পথচারী এবং সাধারণ মানুষ এই উদ্যোগকে উৎসাহিত করে বলেন, একজন সংসদ সদস্যের সরাসরি মাঠে নেমে এই ধরনের উদ্যোগ দেখে তাদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে অনুপ্রেরণা জাগে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এর ফলে শহর আর বেশি যত্নসহকারে পরিচ্ছন্ন থাকবে এবং শহর বাতাসে সুগন্ধি থাকবে।

    উল্লেখ্য, এর আগে তিনি শহরের বিভিন্ন সড়কে উপস্থিত হয়ে অবৈধ চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে এবং এর জন্য তিনি ব্যাপক প্রশংসা পান।

    সংসদ সদস্য আবু তালিব বলেন, একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন শহর প্রতিষ্ঠা করতে শুধু পোরসভার ভূমিকা নয়, সচেতন নাগরিকেরও অংশগ্রহণ অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন, কালীগঞ্জকে একটি আদর্শ শহর হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি নিয়মিত এই ধরনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়ে যাবেন এবং পৌরবাসীকে এই কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

    অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা জানান, শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সচেতনতা সৃষ্টি করাই এই কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য। তারা আশা করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে কালীগঞ্জ আরও আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে উন্নতি করবে।

  • নড়াইলে ৪ হত্যাকাণ্ডে মামলা এখনো দায়ের হয়নি, আটক ৭ জন

    নড়াইলে ৪ হত্যাকাণ্ডে মামলা এখনো দায়ের হয়নি, আটক ৭ জন

    নড়াইলের সদরে আধিপত্য বিস্তারের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বাবা-ছেলেসহ চারজনের নিহতের ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবার এখনও কোনো মামলা করেনি। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার মধ্যে পুলিশ এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সাতজনকে আটক করেছে।

    নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলি মিয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আটককৃতরা হলেন: সদর উপজেলার সিংগা গ্রামের ইউপি সদস্য ও মুক্তার হোসেন মোল্যার পুত্র মুশফিকুর রহমান ওরফে মোфাজ্জেল (৫৫), তারপুর গ্রামের মৃত রুফল মোল্যার পুত্র সদর মোল্য (৩৬), তৈয়ব শিকদারের ছেলে সূর্য শিকদার লাজুক (৩২), সবুর মোল্যার পুত্র জসিম মোল্যা (৩৬), একই গ্রামের আমিন শিকদারের ছেলে রনি শিকদার (২৯), বড়কুলা গ্রামের মৃত লালন ফকিরের ছেলে হালিম ফকির (৬০) এবং কালিয়া উপজেলার খড়রিয়া গ্রামের তোজাম মোল্যার পুত্র তুফান মোল্যা (৩০)।

    প্রাথমিক সূত্রে জানা যায়, সিংগাশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. খয়রুজ্জামান মোল্যা ও খলিল শেখের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে বেশ কয়েকবার পাল্টাপাল্টি হামলা হয়। সোমবার ভোরে (২৩ ফেব্রুয়ারি) সেহরির সময় খইরুজ্জামান মোল্যার অনুসারীরা বড়কুলা এলাকায় খলিল শেখ ও তার সমর্থকদের উপর হামলা চালায়। গুলি চালানো হয় এবং আতঙ্ক বিরাজ করে। এ সময় খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জুদ শেখ ও চাচাতো ভাই ফেরদৌস শেখকে এলোপাতাড়ি কোপে হত্যা করা হয়।

    নির্বিচারে হামলায় আরও ১০ জন আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা অহিদুর ফকিরকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মরদেহগুলি ময়নাতদন্ত শেষে নিহত খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জুদ ও চাচাতো ভাই ফেরদৌসের দাফন সম্পন্ন হয়। একই দিনে খয়রুজ্জামান মোল্যার অন্য ছেলে অহিদুরের মরদেহ তারাপুরে দাফন করা হয়।

    অভিযোগে জানা যায়, এই ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে পুলিশ সাতজনকে আটক করে। সোমবার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে লাজুক, রনি, সদর, জসিম, হালিম, তুফানসহ মোট ছয়জনকে আটক করা হয়। পরে, মঙ্গলবার রাতে মোফাজ্জেলকে সিংগা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়। তাদের ১৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে, কারণ তারা নিহতদের ঘটনায় জড়িত বলে সন্দেহ হচ্ছে।

  • ৫ দিনেও খোঁজ মেলেনি ব্যবসায়ী সুজনের, পরিবারের দাবি উদ্ধার করা হোক

    ৫ দিনেও খোঁজ মেলেনি ব্যবসায়ী সুজনের, পরিবারের দাবি উদ্ধার করা হোক

    খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজানের জামাতা ব্যবসায়ী কাজী নিজাম উদ্দিন সুজন গত বুধবার তারাবির নামাজ আদায় করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান। পাঁচ দিন ধরে তার কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না, যা দেখে পরিবারের সদস্যরা গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় ভেঙে পড়েছেন। মা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, স্তব্ধ স্ত্রী ও কাঁদছে পাঁচ বছরের একমাত্র ছেলে।

    সংবাদ সম্মেলনে কাজী আব্দুস সোবহান, সুজনের পিতা, জানান, তার ছেলে নিখোঁজের ঘটনায় তারা সবাই מאוד অসুস্থ। তিনি বলেন, গত ২১ ফেব্রুয়ারি তার ছেলে বাসায় ইফতার শেষে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেন। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার পর তিনি পুলিশ লাইন মসজিদে তারাবির নামাজ পড়তে যান। প্রায় আধাঘণ্টা নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে তিনি সামনের রাস্তায় দাঁড়ানো অবস্থায় দেখা যায়। এরপর থেকে তার আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

    তাই তিনি ২২ ফেব্রুয়ারি খুলনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-১৪৬০) করেন। পুলিশ, র‌্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সাহায্যে তিনি বিভিন্ন স্থানে খোঁজ চালিয়েছেন, কিন্তু ব্যর্থ হয়েছেন। মানসিকভাবে ধরাশায়ী এই পরিবার জানিয়েছেন, সুজন কোনো রাজনৈতিক বা অন্য কোনও জড়িত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ বা শত্রুতা নেই। তিনি শুধু ব্যবসা পরিচালনা করতেন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়ি ছাড়া কোথাও যেতেন না। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তিনি খুলনার সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে পুরস্কারও পেয়েছেন।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সুজন মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে দেখাও গেছে। কিন্তু ক্যামেরাগুলোর বেশিরভাগই নষ্ট থাকায় তার গন্তব্য নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। ফুটেজে ধারণা করা হয়েছে, তিনি সম্ভবত কাস্টমঘাট এলাকার দিকে গিয়েছিলেন।

    সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে কাজী আব্দুস সোবহান জানান, সুজন কোনও হুমকি বা সন্দেহজনক ফোন কলের খবর পাননি। তার কোনও বিরোধ বা লেনদেনের সমস্যা ছিল না। তিনি আরো যোগ করেন, নামাজে যাওয়ার সময় সুজন মোবাইল বা মানিব্যাগ নিজ সঙ্গে নিয়ে যাননি; সম্ভবত পকেটে সামান্য টাকা থাকতে পারে।

    অবস্থা এতটাই উত্তেজনাকর যে পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও তাকে খুঁজে না পাওয়ায় উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা বাড়ছে। জানা গেছে, তিনি খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজানের জামাতা। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা তার সন্ধানে কাজ করছে।

    খুলনা সদর থানার ওসি মো. কবির হোসেন জানান, সুজনের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন থানায় তথ্য পাঠানো হয়েছে। ক্যামেরাগুলোর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তিনি নামাজ শেষ করে কাস্টমঘাট এলাকায় গিয়েছিলেন, এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ। আমরা তার খোঁজে নানা ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

    সংবাদ সম্মেলনে কাজী আব্দুস সোবহান একের পর এক আবেদন করেন, প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঢাকায় এক ঘণ্টার মধ্যে তার ছেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমার একমাত্র ছেলেকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আমি প্রার্থনা করছি, যেন তিনি এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেন।

  • কালীগঞ্জে র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের বরাদ্দের টাকা অবশেষে উদ্ধার

    কালীগঞ্জে র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের বরাদ্দের টাকা অবশেষে উদ্ধার

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত দুই লাখ টাকার র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের খোঁজ finally পাওয়া গেছে। দীর্ঘ দুই মাস ধরে এই অর্থের কোন খোঁজ না পাওয়ায় এবং ভ্যাকসিনের ব্যাপক সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছিলেন। এ অবস্থায় স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বিষয়টি প্রকাশিত হলে পরিস্থিতিতে নজরে আসে প্রশাসন। এরপর দ্রুততম সময়ে জরুরী ভিত্তিতে ৫০ ভায়াল র‌্যাবিস ভ্যাকসিন ক্রয় করা হয়।

    জানা যায়, গত তিন থেকে চার মাস ধরে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের প্রবল সংকট চলছিল। এর ফলে কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত রোগীরা প্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারী এই ভ্যাকসিন না পেয়ে বিপদে পড়েন। অনেক রোগীকে বাধ্য হয়ে ঝিনাইদহ সদর, যশোরসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে গিয়ে উচ্চ মূল্য দিয়ে ভ্যাকসিন কেনার অপশন নিতে হয়। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতি অনেকটাই বেড়ে যায়।

    প্রায় দুই মাস আগে উপজেলা পরিষদ থেকে বরাদ্দ দেওয়া দুই লাখ টাকার মধ্যে এই ভ্যাকসিন কেনা হবে বলে ঘোষণা দেয়ার পরও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেটি কেনা হয়নি। বরং এই অর্থ নিয়ে গড়িমসি ও আত্মসাতের অভিযোগ উঠতে থাকে। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

    পরবর্তীতে, গত সোমবার উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় বিষয়টি তোলার পর ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা হয়। সভায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবিলম্বে জরুরী ভিত্তিতে ভ্যাকসিন কেনার নির্দেশ দেয়া হয়। এরপরই, পরের দিন মঙ্গলবার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ওই বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে জরুরী ভিত্তিতে ৫০ ভায়াল র‌্যাবিস ভ্যাকসিন কিনে নেয়। বেলা ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজওয়ানা নাহিদের সামনে এই ভ্যাকসিনগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়। ঘটনায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাইনুর রহমান, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীসহ অন্যান্য উপজেলা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    স্থানীয় সচেতন মহল ভ্যাকসিনের সরবরাহ দ্রুত শুরু করার দাবী জানিয়ে বলেছেন, ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের অবহেলা ও গাফিলতি পুনরাবৃত্তি না ঘটে, এজন্য স্বাস্থ্য বিভাগের জবাবদিহিতা ও কঠোর নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে।

  • অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বাজারে মহানগর বিএনপি’র সভাপতি পরিদর্শন

    অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বাজারে মহানগর বিএনপি’র সভাপতি পরিদর্শন

    খুলনা নগরীর বায়তুন নূর শপিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানপাট পরিদর্শন করেছেন মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা। মঙ্গলবার সকালে তিনি ঘটনাস্থলে এসে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো ঘুরে দেখেন এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নেন ও দ্রুতই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান।

    প্রসঙ্গত, ঘটনার দিকে লক্ষ্য করে জানা যায়, সোমবার রাত ১১টার দিকে শপিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে মোবাইলের দোকানসহ প্রায় ১০ থেকে ১২টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় রাত ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে, তবে অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।

    পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেসিসির রাজস্ব কর্মকর্তা এস কেই তাছাদুজ্জামান, মহানগর বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক বদরুল আনাম খানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। শফিকুল আলম মনা এ ঘটনায় দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

  • সাতক্ষীরায় চলতি মৌসুমে ৪ হাজার ১৩৭ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ

    সাতক্ষীরায় চলতি মৌসুমে ৪ হাজার ১৩৭ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ

    সাতক্ষীরায় এবার মুকুল আকাশে ভরে গেছে প্রতিটি আম গাছে। গাছে গাছে এখন মুকুলের ঝলক দেখা যাচ্ছে, আর এর সঙ্গে ছড়িয়ে পড়েছে মিষ্টি ফুলের মহি ঘ্রাণ। এই বছর জেলায় মোট ৪ হাজার ১৩৭ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য। কৃষি বিভাগের প্রাক্কলন অনুযায়ী, উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সরকার ও চাষিরা আশাবাদী, এই মৌসুমে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। আরও বেশি পরিমাণ আম রপ্তানি করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে কৃষি বিভাগেও।

    জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, চলতি ২০২৫-২৬ মৌসুমে সাতক্ষীরায় বিভিন্ন জাতের আম চাষ হয়েছে। এর মধ্যে হিমসাগর এক হাজার ৮৯৯ হেক্টর, আম্রপালি ৫৬৪ হেক্টর, গোবিন্দভোগ ৩৮২ হেক্টর, গোপালভোগ ২১৯ হেক্টর, লতা ১৪৩ হেক্টর, মল্লিকা ৮০ হেক্টর এবং বোম্বাই ৫০ হেক্টর। এ ছাড়াও আরও স্থানীয় অনেক জাতের আমের আবাদ চলমান রয়েছে। উপজেলা ভিত্তিক আবাদের মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ১ হাজার ২৫০ হেক্টর, কলারোয়া ৬৫৮, তালা ৭১৫, দেবহাটা ৩৭০, কালিগঞ্জ ৮৩৯, আশাশুনি ১৪৫, এবং শ্যামনগর ১৬০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে।

    গত মৌসুমে মোট ৭০ হাজার ৮৮০ টন আম উৎপাদিত হয়েছিল। এই মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ হাজার ৯০০ টন, অর্থাৎ উৎপাদন যে লক্ষ্য ছাড়িয়ে যাবে, তা বলাই যায়। আবহাওয়া ভালো থাকলে আরও বেশি ফলনের আশাও করছেন কৃষকরা। বর্তমানে জেলায় মোট ৫ হাজার ২৯৯টি আমবাগান রয়েছে এবং চাষির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৭৪৫ জনের মতো। এর মধ্যে নিবন্ধিত চাষি আছেন ৩৫১ জন।

    চাষিরা বলছেন, মুকুল আসার পর থেকেই বাগানের যত্ন আরও জোরদার করা হয়েছে। রোগবালাই থেকে রক্ষা পেতে কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী কীটনাশক ব্যবহার ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে। তারা আশাবাদী, যদি আবহাওয়া সুন্দর থাকে, তাহলে ফলন আরও ভালো হবে।

    সাতক্ষীরার কৃষি বিভাগ বলছে, এখানকার মাটি ও আবহাওয়া আম চাষের জন্য একদম উপযুক্ত। এই বছর তারা আশা করছে যে, উৎপাদনে যেন কোনও বিঘ্ন না আসে। উপ-পরিচালক সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিভিন্ন জাতের আমের জন্য স্থানীয় চাষিরা নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। এ বছর নিরাপদ ও গুণগত মানসম্পন্ন আম উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

    তিনি আরো জানান, ২০২২-২৩ অর্থবছরে সাতক্ষীরা থেকে ১৮০ টন আম বিদেশে রপ্তানি হয়েছিল। এরপর ২০২৩-২৪ সালে রপ্তানি হয় ৬০ টন এবং ২০২৪-২৫ মৌসুমে ৭২ টন আম রপ্তানি হয়েছে। চলতি মৌসুমে তারা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন অন্তত ১০০ টন আম রপ্তানির। এটি অর্জন করতে তারা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন।

  • উপকূলীয় উন্নয়ন ও সেবা নিশ্চিত করতে ‘টিমওয়ার্ক’ অপরিহার্য, বলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ

    উপকূলীয় উন্নয়ন ও সেবা নিশ্চিত করতে ‘টিমওয়ার্ক’ অপরিহার্য, বলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ

    উপকূলীয় জনপদ কয়রা ও পাইকগাছার টেকসই উন্নয়ন ও জনসেবাকে আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে সরকারী কর্মকর্তাদের একত্রে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন খুলনা-৬ সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কয়রা উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি চাই এই অঞ্চলের মানুষের জন্য কাজ করতে। সরকারের প্রতিটি দপ্তর যেন সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছায়, এই লক্ষ্যে সবাই একসঙ্গে কাজ করতে হবে। কোনো ফাইল যেন অহেতুক আটকে না থাকে এবং সেবাগ্রহীতারা যেন হয়রানির শিকার না হন, সে জন্য কঠোর নজরদারি চালাতে হবে। আলোচনায় উপকূলীয় অঞ্চলের প্রধান সমস্যা উঠে আসে জরাজীর্ণ ভেড়িবাঁধের কারণে সৃষ্টি হওয়া দুর্যোগ ও পানির সংকট। কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকীর সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ রেজাউল করিম, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার এম শুভনিয়াম, ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ শুভ বিশ্বাস, উপজেলা কৃষি অফিসার তিলোক কুমার ঘোষ, উপজেলা নির্বাচন অফিসার মুহতারাম বিল্লাহ, সহকারী প্রকৌশলী (জনস্বাস্থ্য) ইশতিয়াক আহম্মেদ, উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার মোঃ জামাল, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সহ-সভাপতি অধ্যাপক ওয়ালিউল্লাহ, কয়রা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান, নায়েবে আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি শেখ সায়ফুল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সুজাউদ্দীন আহমেদ, কয়রা সদর ইউনিয়নের আমীর মিজানুর রহমানসহ আরো বেশ কয়েকজন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এই সভায় দপ্তরপ্রধানরা নিজ নিজ প্রকল্পের চলমান অগ্রগতি ও সামনের চ্যালেঞ্জগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরে দৃষ্টান্তমূলক আলোচনা করেন। এর মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারী দপ্তর একসঙ্গে কাজ করে উপকূলীয় এলাকার উন্নয়ন ও সমস্যা মোকাবিলায় আরও দক্ষতা অর্জন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

  • নড়াইলে চারজনের হত্যাকাণ্ডে এখনো মামলা হয়নি, আটক ৭ জন

    নড়াইলে চারজনের হত্যাকাণ্ডে এখনো মামলা হয়নি, আটক ৭ জন

    নড়াইলের সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় বাবা-ছেলেসহ চারজন নিহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনো ভুক্তভোগী পরিবার কোনো মামলা করেনি। তবে পুলিশ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে সাতজনকে আটক করেছে।

    নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলি মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আটককৃত ব্যক্তিরা হলো: সদর উপজেলার সিংগা গ্রামের ইউপি সদস্য মুশফিকুর রহমান ওরফে মোফাজ্জেল (৫৫), তারপুর গ্রামের মৃত রুফল মোল্যার ছেলে সদর মোল্য-সহ (৩৬), তৈয়ব শিকদারের ছেলে সূর্য শিকদার লাজুক (৩২), সবুর মোল্যার ছেলে জসিম মোল্যা (৩৬), একই গ্রামের আমিন শিকদারের ছেলে রনি শিকদার (২৯), বড়কুলা গ্রামের মৃত লালন ফকিরের ছেলে হালিম ফকির (৬০) এবং কালিয়া উপজেলার খড়রিয়া গ্রামের তোজাম মোল্যার ছেলে তুফান মোল্যা (৩০)।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিংগা উপজেলার সিংগা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. খায়েরুজ্জামান মোল্যা খয়ের ও খলিল শেখদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে অনেকবার পাল্টাপাল্টি হামলা হয়। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সেহরির পর খয়ের উদ্দিনের লোকজন বড়কুলা এলাকায় খলিল শেখের সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। গুলি চালিয়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। এই হামলায় খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জুদ শেখ ও চাচাতো ভাই ফেরদৌস শেখকে কুপিয়ে ঘটনাস্থলেই হত্যা করা হয়।

    এ ঘটনায় আরও ১০ জন আহত হন। পরে তাদের চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হলে ডাক্তারেরা আহতরা মারা গেছে বলে ঘোষণা করেন।

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে নিহত খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জুদ এবং চাচাতো ভাই ফেরদৌসের মরদেহ সিংগা উপজেলা বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে দাফন করা হয়। একই দিন বিকেলে খয়রূদ্দিনের সহযোদ্ধা ও ইউপি সদস্য মোফাজ্জেলকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সিংগা এলাকা থেকে আটক করে।

    পুলিশ বলছে, এই ঘটনাগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ১৫৪ ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।