Category: বিশ্ব

  • হরমুজ নিরাপত্তায় ট্রাম্পের আহ্বান: যারা সাড়া দেননি

    হরমুজ নিরাপত্তায় ট্রাম্পের আহ্বান: যারা সাড়া দেননি

    ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালী নিরাপদ রাখতে মিত্র দেশগুলোকে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু তার এই অনুরোধকে এখন পর্যন্ত কোনো দেশ প্রকাশ্যে গ্রহণ করেনি।

    ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক বার্তায় ট্রাম্প চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ যে সকল দেশ এই সংকটে প্রভাবিত হচ্ছে, সেগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সঙ্গে মিলিতভাবে হরমুজ প্রণালী নিরাপদ রাখতে বাস্তবিক পদক্ষেপ নেয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট এনবিসিকে বলেছেন যে ট্রাম্পের উদ্ঘাটিত দেশগুলোর কয়েকটির সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে চীন পুনরায় প্রণালী খুলে দিতে গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে। তবু এখন পর্যন্ত কোনো দেশ সরাসরি সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেয়নি।

    চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেঙ্গু জানিয়েছেন, জ্বালানির স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব এবং উত্তেজনা কমাতে বেইজিং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করবে।

    অন্যদিকে তেহরান দাবি করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে তাদের সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালী কার্যত নিয়ন্ত্রণ করে রেখেছে। বিশ্বের মোট তেল রপ্তানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ স্বাভাবিকভাবে এই নৌপথ দিয়ে যায়। ইরান জানিয়েছে যে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ছাড়া অন্য কোনো দেশের জাহাজের জন্য প্রণালী খোলা রাখবে।

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মার্কিন টেলিভিশন সিবিএসকে বলেছেন, নিরাপদ জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত বিষয়ে কয়েকটি দেশ ইতিমধ্যে তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ইরানের সামরিক বাহিনী।

    ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রমানিয়াম জয়শংকর জানিয়েছেন যে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের ফলে শনিবার ভারতের পতাকাবাহী দুটি গ্যাসবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করতে পেরেছে। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, সমস্যার সমাধানে আলোচনা ও সমন্বয়ই সবচেয়ে উপযুক্ত পথ।

    অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে তারা হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে না। দেশটির পরিবহনমন্ত্রী ক্যাথেরিন কিং জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধের প্রেক্ষিতে অস্ট্রেলিয়া কী ধরনের সহায়তা দিতে পারে তা তারা স্পষ্ট করেছে এবং এখন পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রতিরক্ষা সহায়তার অংশ হিসেবে বিমান প্রেরণ করেছে।

    জাপানও একই অবস্থান নিয়েছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি পার্লামেন্টে বলেছেন যে তেলবাহী ট্যাংকারের পাহারির জন্য নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা টোকিওর নেই।

    বর্তমানে হরমুজ প্রণালী নিয়ে উত্তেজনা ও কূটনৈতিক আলোচনা জোরালোভাবে চলছে। ট্রাম্পের আহ্বানের বিরুদ্ধাচরণে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক অবস্থান ও সমন্বয়ের পথে এগোনো — সব মিলিয়ে আগামী সময়ের ঘটনাচক্রে এই মহাদেশীয়-আন্তর্জাতিক সংকট আরও কেমন রূপ নেবে, তা দেখার বিষয়।

  • গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে ৫০০ জন গ্রেপ্তার, ২৫০ জন ইরান ইন্টারন্যাশনালকে তথ্যপ্রদানকারী বলেছে পুলিশ

    গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে ৫০০ জন গ্রেপ্তার, ২৫০ জন ইরান ইন্টারন্যাশনালকে তথ্যপ্রদানকারী বলেছে পুলিশ

    ইরানের পুলিশ বলেছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাজ্যভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল ইরান ইন্টারন্যাশনালকে গোপনে গোয়েন্দা তথ্য পাঠানোর অভিযোগে তারা ৫০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ইরান পুলিশের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমাদরেজা রাদান এই তথ্য গতকাল আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজকে জানিয়েছেন।

    রাদানের কথায়, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে অন্তত ২৫০ জনকে সরাসরি ইরান ইন্টারন্যাশনালকে তথ্য প্রদান করার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। তাদের পাশাপাশি গ্রেপ্তার তালিকায় কয়েকটি আন্ডারগ্রাউন্ড সন্ত্রাসী গ্যাংয়ের সদস্যও রয়েছেন; পুলিশ বলেছে, এসব গ্যাং বিশৃঙ্খলা ছড়ানো, উসকানি প্রদান এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা চালানোর মতো কার্যক্রমে নিযুক্ত ছিল।

    ইরান ২০২২ সালে লন্ডনভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল ইরান ইন্টারন্যাশনালকে ‘সন্ত্রাসী সংস্থা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। তেহরানের অভিযোগ—এই চ্যানেলটি ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে জনগণকে উসকানি দেয় এবং সরকারের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা চালায়।

    রাজনৈতিক-সামরিক উত্তেজনার প্রসঙ্গে বলা হয়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার পরমাণু প্রকল্প নিয়ে সংলাপ চলেছিল গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত—মোট ২১ দিন—কিন্তু তা কোনো সমঝোতা ছাড়া শেষ হয়। এর পরদিন, ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বলে তারা ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে একটি অভিযান শুরু করে এবং একই সময়ে ইসরায়েলও ইরানে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামের সামরিক অভিযান পরিচালনা করে।

    পরবর্তীতে উত্তরে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো ও ওমানে অবস্থানরত লক্ষ্যগুলোকে বিরুদ্ধে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ শুরু করে। তেহরানের এই অভিযানের ফলে সিরিজ আক্রমণ চালানোর ঘটনা এখনও অব্যাহত রয়েছে বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।

    সূত্রভিত্তিক রিপোর্ট অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গত বিবরণে অভিযান ও হামলায় ইরানে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

    সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি (তাসনিমের বরাত)

  • ইসফাহানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কমপক্ষে ১৫ নিহত

    ইসফাহানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কমপক্ষে ১৫ নিহত

    ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ইসফাহানের একটি শিল্প এলাকায় শনিবার রাতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হলে কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছে। ইরানি গণমাধ্যমের বরাতে দেখা গেছে, হামলা ওই কারখানার ভিতরে থাকা শ্রমিকদের ওপর directed ছিল।

    ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে যে আঘাতটি হিটিং ও কুলিং সরঞ্জাম উৎপাদনকারী একটি কারখানায় লাগে। প্রতিষ্ঠানটির ভেতরে থাকা কর্মীরা হামলার সময় মারা গেছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

    আল জাজিরার ভেরিফায়েড করা ভিডিও ও ছবিতে দেখা গেছে শহরের আকাশ ভোরে ঘন কোলাহলে ঢাকা; ধোঁয়ার লম্বা কুণ্ডলী উত্তাপ ছড়িয়ে দিয়েছে আশপাশের এলাকায়। এক ভিডিওতে খুব নিচু উচ্চতায় একটি যুদ্ধবিমানও উড়তে দেখা গেছে।

    ইসফাহান ইরানের জনবহুল ও শিল্পসমৃদ্ধ শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম। দেশটির সামরিক ও শিল্প комплек্সগুলোর ঘনত্ব মাথায় রেখে ইরানের বেশ কিছু শহেই হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে—ইসফাহানও তার মধ্যে রয়েছে। সূত্রগুলো বলছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রাজধানী তেহরান ছাড়াও ২০০-এর বেশি শহরকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

    এদিকে, ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে চলমান সংঘর্ষে দেশটিতে এখন পর্যন্ত এক হাজার চারশ চৌল্লিশ (১,৪৪৪) জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আনুমানিক সাড়ে ১৮ হাজার (১৮,৫০০) জন আহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে ও স্থানীয় সূত্রে এই সংখ্যা তুলে ধরা হয়েছে।

    স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও উদ্ধারকারীরা এখনই উল্লিখিত বক্তব্যের সত্যতা যাচাই ও আহতদের চিকিৎসায় ব্যস্ত রয়েছেন। প্রতিক্রিয়া ও বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে বলে প্রত্যাশিত।

  • রিয়াদ ও আল-ধাফরাকে লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলার অভিযোগ

    রিয়াদ ও আল-ধাফরাকে লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলার অভিযোগ

    ইরানের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রিয়াদের আকাশে পৌঁছানোর আগেই কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে রোববার (১৫ মার্চ) বলা হয়েছে, রিয়াদ মহানগর এলাকায় চারটি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।

    ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, আল-ধাফরা ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে তারা ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও অজ্ঞাতসংখ্যক ড্রোন ব্যবহার করেছে। ওই ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে—এই তারিখে দাবি করা হয়েছে যে লক্ষ্য সেই স্থাপনাকেই ছিল। এসব দাবি ও প্রতিরোধ কার্যক্রম স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার পর থেকে সৌদি আরব ধারাবাহিকভাবে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে; আন্তর্জাতিক রিপোর্টগুলোতে জ্বালানি অবকাঠামো, মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি ও জনবহুল এলাকা লক্ষ্য হতে পারে বলে বলা হয়েছে। ইরানি হামলায় এখন পর্যন্ত সৌদিতে অন্তত দুইজন নিহত ও ১২জন আহত হয়েছেন, এমন খবর পাওয়া গেছে।

    একই সময়ে ইসরায়েলে গত ২৪ ঘণ্টায় শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে—টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে ওই সময় আহত ১০৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আহতদের সুনির্দিষ্ট কারণ বিস্তারিত জানায়নি; ধারণা করা হচ্ছে দফায় দফায় ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র বা লেবানন থেকে নিক্ষিপ্ত রকেটের আঘাত,বা নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ ভিড়ের মধ্যে আহত হওয়ার ঘটনাও থাকতে পারে।

    সরকারি ও মিডিয়া সূত্র মিলিয়ে বলা হচ্ছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ১৯৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ৮১ জন এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রতিবেদনে ব্যবহৃত সূত্র: আল জাজিরা, এএফপি।

  • ইসফাহানে হামলা: ধোঁয়ার কুণ্ডলী, নিহত কমপক্ষে ১৫

    ইসফাহানে হামলা: ধোঁয়ার কুণ্ডলী, নিহত কমপক্ষে ১৫

    ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ইসফাহানের একটি শিল্প এলাকায় বিমান হামলার পর ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে; স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে হতাহতদের মধ্যে কারখানায় কাজ করা শ্রমিকও রয়েছেন এবং কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছে।

    ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানায়, শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে শহরের একটি হিটিং ও কুলিং সরঞ্জাম উৎপাদনকারী কারখানায় আঘাত লাগে। সংস্থাটির উদ্ধৃত সূত্রগুলোতে বলা হয়েছে যে হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র বা বিমান হামলার মাধ্যমে হয়েছে, তবে এই দাবির স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

    আল জাজিরার ভেরিফায়েড করা ছবিও ভিডিওতে দেখা যায় ভোরের আলো ফোটা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশে ঘন ধোঁয়া উত্থিত হচ্ছে এবং একাধিক মুহূর্তে খুব নিচু উচ্চতায় একটি যুদ্ধবিমান উড়ন্ত অবস্থায় ধরা পড়ে।

    ইসফাহানকে ইরানের অন্যতম প্রধান জনবহুল ও শিল্পকেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়; এখানে বহু শিল্প-প্রতিষ্ঠান ও সামরিক কমপ্লেক্স রয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তেহরান ছাড়াও ২০০-টিরও বেশি শহরকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে বলা হচ্ছে এবং ইসফাহানও ঐ তালিকায় অন্যতম।

    এদিকে ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের সাম্প্রতিক সংঘাতে মোট ১,৪৪৪ জন মারা গেছেন এবং আহত হয়েছেন সাড়ে ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষ (প্রায় ১৮,৫০০)। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে এবং দায়িত্বরত সূত্র থেকেই আরও তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • রিয়াদ ও আল-ধাফরা লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলার অভিযোগ

    রিয়াদ ও আল-ধাফরা লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলার অভিযোগ

    সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ করে ইরানের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে, রিয়াদের আকাশে পৌঁছানোর আগেই বেশ কয়েকটি ড্রোন ধ্বংস করা হয়।

    সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে রোববার (১৫ মার্চ) জানানো হয়েছে, রিয়াদ মহানগর এলাকায় চারটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইরানি হামলার কারণে দেশটিতে এখন পর্যন্ত অন্তত দুইজন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন।

    ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে তারা ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও একাধিক ড্রোন ব্যবহার করেছে। ওই ঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীকে নিশানা করার কথা বলা হয়েছে। এসব দাবির বিষয়ে তিন পক্ষের আলাদা বক্তব্য পাওয়া গেলেও ঘটনা সম্পর্কে নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি উঠেছে।

    বিশ্বব্যাপী উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত এবং প্রতিশোধের পালা শুরু হওয়ার পর থেকে সৌদি আরবকে বারবার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকির মুখে থাকতে দেখা গেছে। সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে জ্বালানি অবকাঠামো, মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি ও জনবসতি চিহ্নিত করা হয়েছে।

    একই সময়ে ইসরায়েলে গত ২৪ ঘণ্টায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে দেশীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অফ ইস্রায়েল জানিয়েছে; প্রতিবেদনে বলা হয়েছে আহত ১০৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আহতদের সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেনি; ধারণা করা হচ্ছে কেউ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা লিবানন থেকে নিক্ষিপ্ত রকেটের আঘাতে আহত হয়েছেন, আবার নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সময়ে হুড়োহুড়িতেও অনেকে আহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    রোববার একটি এক্স (টুইটার) পোস্টে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ১৯৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৮১ জন তখনও চিকিৎসাধীন ছিলেন। ঘটনাগুলো সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই চলছে। সূত্র: আল জাজিরা, এএফপি।

  • ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা ও প্রশাসনের নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ: হোয়াইট হাউস প্যানেলের একমাত্র মুসলিম নারী সামিরা মুনশি পদত্যাগ

    ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা ও প্রশাসনের নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ: হোয়াইট হাউস প্যানেলের একমাত্র মুসলিম নারী সামিরা মুনশি পদত্যাগ

    হোয়াইট হাউসের ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের একমাত্র মুসলিম নারী সদস্য সামিরা মুনশি কমিশন থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি সরাসরি ২০২৫ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন এবং পদত্যাগের প্রধান কারণ হিসেবে তিনি প্রশাসনের ইরানের বিরুদ্ধে বিনা উসকানিতে যুদ্ধ ঘোষণা এবং ট্রাম্প প্রশাসনের ‘অন্যায় ও নৃশংসতা’কে আখ্যায়িত করেছেন।

    মুনশি তার বক্তব্যে বলেন, মার্কিন সংবিধান ও কংগ্রেসের অনুমতি না নিয়ে শুরু করা এই ‘অবৈধ যুদ্ধ’ এবং বেসামরিক মানুষের মৃত্যু তিনি আর মেনে নিতে পারবেন না। তিনি অভিযোগ করেন যে বর্তমান প্রশাসন মূলত ইসরাইলকে সামর্থান দিতে এই ধ্বংসাত্মক পথে এগোচ্ছে এবং ইসরাইলকে একটি ‘গণহত্যাকারী রাষ্ট্র’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

    পদত্যাগের সিদ্ধান্তে আরও একটি কারণে তিনি কমিশনের অন্য সদস্য ক্যারি প্রিজিয়ান বোলারকে অন্যায়ভাবে অপসারণকে উল্লেখ করেছেন। মুনশি বলেন, তিনি সাধারণ আমেরিকানদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে বোর্ডে যোগ দিয়েছিলেন, কিন্তু কাজ করার সময় বুঝেছেন কমিশনটি ধর্মীয় স্বাধীনতার রক্ষার বদলে গোপন রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত।

    নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে মুনশি বলেন, ‘‘আমি আমেরিকাকে ইসরাইলের চেয়ে বেশি ভালোবাসি, আর সেই কারণেই ট্রাম্প বা বর্তমান প্রশাসনের রক্তক্ষয়ী নীতিকে সমর্থন করা আমার পক্ষে অসম্ভব।’’

    সামিরা মুনশির পদত্যাগ হোয়াইট হাউসের ওই কমিশনের স্বার্থ সাম্যতা ও রাজনৈতিক স্বাধিনতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে এবং কমিশনের কার্যক্রম কতটা নিরপেক্ষ তা নিয়ে আলোচনা তীব্র করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • ইরানের বিপ্লবী গার্ড নেতানিয়াহুকে খুঁজে পেলে হত্যা করার অঙ্গীকার

    ইরানের বিপ্লবী গার্ড নেতানিয়াহুকে খুঁজে পেলে হত্যা করার অঙ্গীকার

    ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে খুঁজে বের করে হত্যা করার অঙ্গীকার করেছে। রোববার আইআরজিসির এক বিবৃতিতে তাকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপির উদ্ধৃতিতে আইআরজিসির নির্দেশিত সংবাদমাধ্যম সেপাহ নিউজে বলা হয়েছে, ‘‘যদি এই শিশু হত্যাকারী অপরাধী বেঁচে থাকেন, আমরা সম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে তাড়া করে তাকে হত্যা করব।’’ বিবৃতিটি তার চলমান যুদ্ধবিধির প্রেক্ষাপটে আসে, যেখানে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা তীব্রভাবে বজায় আছে।

    নেতানিয়াহুর অবস্থান নিয়ে সম্প্রতি অনিশ্চয়তা ছড়িয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে তিনি জনসমক্ষে দেখা না যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রশ্ন উঠেছে। সেই ধারাবাহিকতায় ১২ মার্চ তার অফিস থেকে প্রকাশিত এক ভিডিও নিয়ে ভারি জল্পনা তৈরি হয়—ভিডিওতে তাঁর এক হাতে ছয়টি আঙুল দেখা যায় বলে দাবি করা হয়।

    কিছুতে ইঙ্গিত করা হয়েছে ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বারা তবাকা বা ঘেঁসানো হতে পারে। পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমের ব্যাখ্যায় বলা হয় ভিডিওতে আসলে পাঁচটি আঙুলই ছিল; ক্যামেরার কোণ, আলো ও ফোকাসের কারণে ভ্রম দেখা দেওয়ায় ছয়টি আঙুল মনে হয়েছে।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইসরায়েলের মধ্যে বিমান হামলার পর ওই বয়সে (৭৬) নেতানিয়াহুর প্রথম প্রেসকনফারেন্সের ভিডিওটিই ছিল সেই সময়কার প্রধান বার্তা। সেই ভাষণে তিনি ইরানের নতুন নেতৃত্ব মোজতবা খামেনির বিরুদ্ধে কড়া ভাষা ব্যবহার করেছিলেন এবং ইরানি শাসনবিরোধী তৎপরতার বিষয়েও মন্তব্য করেছিলেন।

    আইআরজিসির হুঁশিয়ারি ও নেতানিয়াহুর দুর্লভ জনসমক্ষে উপস্থিতি নিয়ে প্রতিক্রিয়া তোলার পাশাপাশি কিছু রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা প্রশ্ন তুলেছেন—প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান কি নাকি গোপন রাখা হচ্ছে? ক্যান্ডেস ওয়েন্সের মতো কিছু মার্কিন রক্ষণশীল ব্যক্তিত্বও এই ধরনের সন্দেহ উত্থাপন করেছেন।

    অন্যদিকে নেতানিয়াহুর দপ্তর তার মৃত্যুর যে কোনও গুঞ্জন অস্বীকার করে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ আছেন। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলুকে দপ্তর জানিয়েছে, ‘‘এসব ভুয়া খবর। প্রধানমন্ত্রী সুস্থ আছেন।’’ তবে দপ্তর বা নেতার সহকারীরা ব্যাপক বিবৃতি প্রদান করেননি। কিছু ব্যবহারকারী বলেছেন, নেতানিয়াহুর ছেলে ইয়ার নেতানিয়াহুর সোশ্যাল মিডিয়া উপস্থিতি ধরে দেখা যাচ্ছে যে তিনি ৯ মার্চের পর থেকে পোস্ট করেননি।

    এই প্রতিবেদনটির তথ্যসূত্র: এএফপি।

  • দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ১২ চিকিৎসাকর্মী নিহত

    দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ১২ চিকিৎসাকর্মী নিহত

    দক্ষিণ লেবাননের বিন্ত জবেইল জেলায় শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতের ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ১২ জন চিকিৎসাকর্মী নিহত হয়েছেন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে চিকিৎসক, প্যারামেডিক এবং নার্স রয়েছেন।

    হামলা বুর্জ কালাওইয়াহ গ্রামে ঘটে; মন্ত্রণালয়ের বরাতে বলা হয়েছে নিহতরা হামলার সময় দায়িত্ব পালন করছিলেন। বিষয়টি সম্পর্কে সরকারি সূত্র এখনও তদন্ত চালাচ্ছে এবং নিহতদের সনাক্তকরণের কাজ চলছে।

    স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যে বলা হয়েছে, গত ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত নতুন করে শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় মোট ৭৭৩ জন নিহত হয়েছেন; তাদের মধ্যে অন্তত ১৮ জন প্যারামেডিক রয়েছেন।

    বৈরুত থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক জানিয়েছেন, অনেক স্থানে এখনও নিখোঁজদের খোঁজ চলছে, তাই হতাহতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    এদিকে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এটি স্বাস্থ্য খাতের দ্বিতীয় বড় হামলা হিসেবে ধরা পড়েছে। আগেই দক্ষিণ লেবাননের সুয়ানে গ্রামে একটি প্যারামেডিক কেন্দ্রে হামলায় দুই প্যারামেডিক নিহত ও পাঁচজন আহত হন— এমনটিই মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

    স্থানীয় হাসপাতাল ও ত্রাণকর্মীরা আহতদের চিকিৎসা ও নিখোঁজদের খোঁজে তৎপর থাকায় পরিস্থিতি উদ্বেগজনক রয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই রোগ ও জরুরি সেবা প্রদানকারী কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা নতুন করে সতর্কতা বাড়িয়েছে।

  • ইরানের দাবি: আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক হামলা

    ইরানের দাবি: আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক হামলা

    ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী বলেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত কয়েকটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ধাপে ধাপে হামলা চালানো হয়েছে।

    শনিবার ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরির বরাতে এই দাবি জানায়। তিনি জানিয়েছেন, আল-ধাফরা (সংযুক্ত আরব আমিরাত), আল-আদিরি (কুয়েত) এবং শেখ ঈসা (বাহরাইন) ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ‘পরপর কয়েক দফায়’ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

    অ্যাডমিরাল তাংসিরি বলেন, আল-ধাফরা ঘাঁটিতে প্যাট্রিয়ট রাডার সিস্টেম, একটি নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার ও বিমান বিধ্বংসী স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানে এবং সেগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। পাশাপাশি শেখ ঈসা ঘাঁটিও বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। কুয়েতের আল-আদিরি ঘাঁটিতে বিস্তৃত হামলায় সরঞ্জাম গুদাম ও হেলিকপ্টার ল্যান্ডিং প্যাডও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এমন দাবি করা হয়েছে।

    তবে এই সব ঘটনার বিষয়ে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর (পেন্টাগন) থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি এবং ক্ষয়ক্ষতির স্বতন্ত্রভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্যও জানানো হয়নি।

    পটভূমি হিসেবে জানিয়েছে, আগে খার্গ দ্বীপে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার পর আইআরজিসি ঘোষণা দিয়েছে যে সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা সকল গোপন মার্কিন আস্তানাকে তারা বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করবে। আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার অধিকার হিসেবে যে সব মার্কিন শত্রু আশ্রয় নিয়েছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎসস্থল, ব্যবহারকৃত বন্দর ও ডক এবং সৈন্যদের আস্তানাগুলোকে লক্ষ্য করা হবে।

    সূত্র: আলজাজিরা