Category: বিনোদন

  • অভিনয়ের প্রলোভনে গণধর্ষণের অভিযোগ, নির্মাতার বিরুদ্ধে মামলা

    অভিনয়ের প্রলোভনে গণধর্ষণের অভিযোগ, নির্মাতার বিরুদ্ধে মামলা

    গাজীপুরের শ্রীপুরে অভিনয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অভিনেত্রী তাছলিমা খাতুন আয়েশার ওপর গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। নাট্যনির্মাতা নাসিরউদ্দিন আহমেদ মাসুদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী আয়েশা। ঘটনাটি ঘটে শ্রীপুরের একটি রিসোর্টে, যেখানে তাকে অজান্তে নিয়ে গিয়ে নির্মাতা ও তার সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে গণধর্ষণ করেন।

    আয়েশা জানিয়েছেন, প্রায় চার-পাঁচ মাস আগে পূবাইলে শুটিং চলাকালে নির্মাতা তিনি তাঁর মোবাইল নম্বর নেন। এরপর থেকে নিয়মিত ফোন করে যোগাযোগ চালিয়ে যান। একদিন শুটিংয়ের নাম করে তাকে গভীর রাতে গাজীপুরের রিসোর্টে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর, মাতলামি ও মাদকের ঘোরে থাকা নির্মাতা মাসুদ এবং তার সহযোগী বাবর তাকে অজান্তে ধর্ষণ করেন। এরপর রিসোর্টের এক অন্য ব্যক্তির সহযোগিতায় তৃতীয়বারের মতো তার ওপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়। আক্রান্তের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে বাবর তার মোবাইল আইফোন ১৬ প্রো ম্যাক্স ফটো ও অন্যান্য জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে রিসোর্ট থেকে বের করে দেয়।

    তাছলিমা জানান, ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল প্রায় ৩:৩০টায় প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাকে রিসোর্ট থেকে বের করে দেয়। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে চিকিৎসা নেন এবং এক পর্যায়ে গর্জর অভিযোগ দায়ের করেন।

    শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক বললেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে রিসোর্টের ভেতরে প্রাথমিক তদন্ত চালিয়েছি এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে। যদি প্রমাণ proves হয়, তবে শুধু অভিযুক্তরাই নয়, রিসোর্টের গাফিলতিও খতিয়ে দেখা হবে।’

    এদিকে, রিসোর্টের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে প্রতেষ্টিত হলে তারা নিজেদেরকে ‘থার্ড পার্টি’ হিসেবে দাবি করেন। তারা জানান, ‘আমরা শুধু বুকিং দিই; এমন ঘটনাগুলোর সঙ্গে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই।’

    অন্যদিকে, অভিযুক্ত নির্মাতা নাসিরউদ্দিন মাসুদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

  • বিতর্কের কারণে মন্দোদরীর চরিত্র থেকে বাদ পুনম

    বিতর্কের কারণে মন্দোদরীর চরিত্র থেকে বাদ পুনম

    ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে ভারতের রাজধানী দিল্লির ‘লব কুশ রামলীলা কমিটি’ আজ পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী অভিনেত্রী পূনম পাণ্ডেকে রামলীলা অনুষ্ঠানে মন্দোদরীর চরিত্রে অভিনয় থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই বছরের রামলীলা উৎসবে প্রথমের পরিকল্পনা ছিল, জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী পূনমকে রাবণের স্ত্রীর ভূমিকায় নেওয়ার। তবে কিছু গোষ্ঠীর আপত্তির কারণে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘একজন শিল্পীর পরিচয় তার কাজের মধ্যেই। অতীতের কোনও বিষয় দিয়ে কারও বিচার করা উচিত নয়। তবে সমাজের আবেগ ও ধর্মীয় ভাবাবেগকে সম্মান জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ তারা আরও যোগ করেন, ‘প্রতিটি নারীরই সমাজে অবদান রয়েছে। তাকে অপমান করার কোনও স্থান নেই। প্রথমে আমরা মনে করেছিলাম, পূনম এই চরিত্রটি ভালোভাবে প্রতিফলিত করতে পারবেন। কিন্তু অনেক গোষ্ঠীর উষ্মার প্রতিক্রিয়া দেখে ভাবনা পরিবর্তন করতে হয়েছে।’অভিনেত্রী হিসেবে পূনমকে সম্মান জানিয়ে অন্য কাউকে এই চরিত্রে ভাবা হচ্ছিল। আয়োজকদের বক্তব্য, রামচন্দ্রের কাহিনি ও সবার মধ্যে মৈত্রীর বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। তারা কোনও বিতর্ক চাচ্ছেন না। এই ‘লব কুশ রামলীলা’ অনুষ্ঠানটি প্রতি বছর দিল্লিতে ব্যাপক উৎসাহ ও উৎসবের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। ইতিপূর্বে বিভিন্ন অভিনেতা ও অভিনেত্রীর মাধ্যমে নানা চরিত্র উপস্থাপন করেছেন তারা। পূনমকে বাদ দেওয়ার এই সিদ্ধান্তের পক্ষে দিল্লির বিজেপি দলও সমর্থন দিয়েছে।

  • সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে তোপ পরিচালকের

    সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে তোপ পরিচালকের

    বলিউডের megastar সালমান খানকে কেন্দ্র করে আবারও মুখ খুললেন জনপ্রিয় পরিচালক অভিনেতাব কাশ্যপ। কিছু দিন আগে তিনি তার বিস্ফোরক মন্তব্যে সালমান ও তাঁর পরিবারের ব্যাপারে কথা বলেছিলেন, এবারও একই ধরনের সমালোচনা করেছেন।

    অভিনব কাশ্যপের তোলা অভিযোগ, সালমানের বাবা সেলিম খানকে বলিউডের শীর্ষ চিত্রনাট্যকার বলা যায় না। তার মতে, সেলিম খান নিজের প্রভাব খাটিয়ে বলিউডে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। এই মন্তব্যের পর তিনি কড়া ভাষায় সালমানকেও সমালোচনা করেন। তার কথায়, ‘সালমানও বাবার মতো প্রভাব খাটিয়ে টিকে আছেন, তবে তাকে সুপারস্টার বলা বিভ্রাট। সে হচ্ছে নোংরা বাবার নোংরা ছেলে, ফুটপাতে বড় হওয়া। এই রুচির কারণেই তাঁর এই আচার-আচরণ।’

    অভিনব আরও জানান, সাইয়ারা সিনেমায় নবাগত অভিনেতা আহান পাণ্ডের পারফরম্যান্স দেখে সালমান ক্ষুব্ধ হয়েছেন, হিংসা করেছেন।

    এই ক্ষোভের পেছনে তার ব্যক্তিগত কিছু কারণও রয়েছে। তিনি দাবি করেন, ‘দাবাং’ ছবির সিক্যুয়েল নির্মাণের সময় তার অনুমতি নেওয়া হয়নি। আরও বলেন, সম্প্রতি তার প্রথম সারির একটি চ্যানেলের সিরিজ পরিচালনার দায়িত্ব থেকেও তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়, যা তিনি মনে করেন সালমানের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে হয়েছে। এই সব কিছু মিলিয়ে অভিনব কাশ্যপের মনোভাব স্পষ্ট, তিনি এখনো বলিউডের বেশ কিছু কর্মকাণ্ডে অসন্তুষ্ট ও বিতর্কে আছেন।

  • ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ ফিলিস্তিনে চলমান নৃশংসতার প্রতিরোধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। তিনি এই বর্বরতার জন্য ইসরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সমালোচনার মুখে ফেলেছেন।

    তথ্যসূত্র মতে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর চেন্নাইয়ে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের ওই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে একটি বৃহৎ প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে তামিলনাড়ুর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ নাগরিকরা অংশ নেন।

    অভিনেতা প্রকাশ রাজের পাশাপাশি এই আন্দোলনে যোগ দেন তাঁর সহঅভিনেতা সত্যরাজ এবং বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারনসহ আরও কয়েকজন নেতা ও সমাজেরজন।

    প্রতিবাদে বক্তারা বলেন, যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা কারো কাছে রাজনীতি হয়, তাহলে আমি স্বীকার করব, হ্যাঁ, এটি সত্যিই রাজনীতি। যুদ্ধের শেষে নেতারা হাত মেলাবেন, কটাক্ষবিহীন শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। তবে এর মাঝেই একজন মা তার ছেলের জন্য, স্ত্রী তার স্বামীর জন্য অপেক্ষা করবেন, আর শিশুরা তাদের বাবার ফিরে আসার জন্য প্রার্থনা করবে। এটাই প্রকৃত সত্য।

    প্রকাশ রাজ ইসরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও নরেন্দ্র মোদিকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করে বলেন, ফিলিস্তিনে যে অবিচার ও হত্যাকাণ্ড চলছে, তার জন্য শুধু ইসরায়েলই নয়, বরং আমেরিকা ও ভারতের নীরবতাও অত্যন্ত দায়ী। তিনি এটাই স্পষ্ট করে বলেন যে, মোদির নীরবতা এই অন্যায়ের জন্য সমানভাবে দায়ী।

    অভিনেতা সত্যরাজ গাজায় চলমান হত্যাকাণ্ডকে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও অমানবিক বলে নিন্দা জানিয়ে প্রশ্ন তোলেন, ‘কীভাবে গাজায় এত বড় বোমা হামলা চালানো হয়? মানবতার জন্য এতো বড় ধাক্কা? এই ধরনের নৃশংসতা দেখে কি করে কেউ শান্তিতে শুলো?’

    অন্যদিকে, চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারন এই ফিলিস্তিনের আগ্রাসনকে পরিকল্পিত গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বললেন, ‘গাজায় শুধু প্রতিবেশী এলাকা নয়, স্কুল ও হাসপাতালও মারাত্মকভাবে লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে। জলাপাই গাছ এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য ব্যবহৃত অন্যান্য সম্পদ ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। এটি শুধু একটি সংঘর্ষ নয়, সম্পূর্ণ মানবতা বিরোধী অপরাধ।’

  • সমাবেশে নিহতদের পরিবারকে ২০ লাখ রুপির ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন থালাপতি বিজয়

    সমাবেশে নিহতদের পরিবারকে ২০ লাখ রুপির ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন থালাপতি বিজয়

    ভারতের তামিলনাড়ুর চেন্নাইতে অনুষ্ঠিত তামিলাগা ভেটরি কাজাগমের (টিভিকে) জনসভায় পদদলিত হয়ে অনেক মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এই মর্মান্তিক ঘটনার জন্য দেশটির জনপ্রিয় অভিনেতা এবং রাজনীতিবিদ থালাপতি বিজয় তার নিহতদের পরিবারকে ২০ লাখ রুপির সান্তনা বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন। পাশাপাশি, সমাবেশে আহত অন্তত ১০০ ব্যক্তিকে তিনি প্রত্যেককে ২ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এই খবর বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। 

    শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনায় মোট ৩৯ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে নারী ১৮ জন, পুরুষ ৯ জন এবং শিশু ১০ জন রয়েছে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মা সুব্রমানিয়ান নিশ্চিত করেছেন।

    পুলিশের সূত্র জানায়, ওই দিন জনসভায় থালাপতি বিজয় মঞ্চে ওঠার কিছুক্ষণ পরই সেখানে উপস্থিত ভিড়ের কারণে পরিস্থিতি চরমভাবে অবনতির দিকে যায়। দর্শকরা মঞ্চের ব্যারিকেডের দিকে এগিয়ে যান, সেই সময় দমবন্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং অনেকের জ্ঞান হারানোর ঘটনা ঘটে। এ সময় হুড়িয়ে যাওয়া জনতাই পদদলনের ঝুঁকি তৈরি করে। মূলত, মানুষের ভিড় এত বেশি ছিল যে, জনসভায় অনুমিত মতের চেয়েও দ্বিগুণের বেশি ৬০ হাজার মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

    ওই দিন রাত ৮টার অর্ধেকের দিকে, বিপুলসংখ্যক ব্যক্তি যেন একটি মহাযাত্রায় অংশ নেয়ার মতো মঞ্চের ব্যারিকেডের দিকে ছুটে যান। এই সময়ে হুড়োহুড়ি ও জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যার ফলে অনেকেই অচেতন হয়ে পড়েন। শিশু ও পরিবারের সদস্যরা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই, পদদলনের খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

    স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুসারে, মঞ্চের চারপাশে যথেষ্ট ফাঁকা জায়গা না থাকায় অনেকে একত্রে জমা হয়ে যান, যা অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এ পরিস্থিতিতে, যখন মূলত জনসভায় থালাপতি বিজয়কে দেখতে অনেক মানুষ জড়ো হন, তখন তাদের চাপে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।

    বলে রাখা উচিত, বিজয় যখন জনসভায় উপস্থিত হন, তখন প্রায় সাত ঘণ্টা দেরি হয়ে যায়। তার দেরির কারণে মানুষের মধ্যে আরো আগ্রহ ও ভিড় বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে পরিস্থিতি আর বেশি জটিল হয়ে ওঠে এবং ওই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৩৯ হলেও, আরও মৃত্যুর আশংকা করা হচ্ছে। এই ঘটনার পূর্ণ তদন্ত ও নিরুপণ করা হচ্ছে।

  • অভিনয়ের পরে এবার গান থেকেও বিরতি নিতে চান তাহসান

    অভিনয়ের পরে এবার গান থেকেও বিরতি নিতে চান তাহসান

    সংগীতজীবনের ২৫ বছর পূর্ণ করলেন জনপ্রিয় গায়ক-অভিনেতা তাহসান খান। এই বিশেষ মুহূর্তে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিলেন, তিনি সংগীত ক্যারিয়ার থেকে বিদায় নিতে চলেছেন। এই সিদ্ধান্তের কথা কয়েক মাস ধরে নিজের ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে শেয়ার করছিলেন তিনি। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ায় তার সংগীত সফর চলাকালীন গানের আউটডোর কনসার্টে তিনি এই কথা প্রকাশ করেন।

  • হাসপাতালে ভর্তি পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু

    হাসপাতালে ভর্তি পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু

    দেশের renomित চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু চোখের সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। জানা গেছে, তার চোখের সফল অপারেশন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা এম এন ইস্পাহানি।

    রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সামাজিকমাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘দেলোয়ার জাহান ঝন্টু একজন পরিপূর্ণ সাদা মনের মানুষ। আল্লাহর রহমতে তার চোখের অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হলো। সবাই দোয়া করবেন।’

    ইনস্টাগ্রাম পোস্টটির মন্তব্যের ঘরে চলচ্চিত্র জগতের mnog প্রভাবশালী ব্যক্তিরা দোয়া ও শুভকামনা জানিয়েছেন, এর মধ্যে খল অভিনেতা মিশা সওদাগরও রয়েছেন, যিনি লিখেছেন, ‘অনেক দোয়া’। অনেকে তার দ্রুত সুস্থতার জন্য কামনা করেছেন।

    পোস্টে দেখা গেছে, হাসপাতালে বিছানায় শুয়ে এক চোখে অপারেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন দেলোয়ার হোসেন ঝন্টু।

    দশকের পর দশক ধরে চলচ্চিত্রের এই প্রবীন নির্মাতা প্রায় চার দশকের বেশি সময় ধরে শতাধিক সিনেমা নির্মাণ করেছেন। তিনি তার পরিচালনাক্ষেত্রে প্রথম সাফল্য লাভ করেন ‘লিডার’ সিনেমার মাধ্যমে, আর তার প্রথম পরিচালিত সিনেমা ছিল ‘বন্দুক’। তার উল্লেখযোগ্য কাজগুলো মধ্যে রয়েছে ‘শিমুল পারুল’, ‘প্রেমগীত’, ‘হারানো প্রেম’, ‘ঝিনুকমালার প্রেম’, ‘বউমা’, ‘সকাল-সন্ধ্যা’, ‘পালকি’, ‘জজ ব্যারিস্টার’, ‘মুজাহিদ’, ও ‘হাতি আমার সাথী’ among others। এই অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় নির্মাতার স্বাস্থ্যের খবর শোয়াক সাংবাদিক ও অনুরাগীদের মধ্যে শোক ও শুভকামনায় ভরপুর।

  • ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ সম্প্রতি ফিলিস্তিনে চলমান হত্যাযজ্ঞের জন্য গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এ ঘটনাকে গণহত্যা বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এই অবিচারের জন্য দায়ী করেছেন।

    এ ঘটনা নিয়ে ভারতের বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর চেন্নাইয়ে একটি ব্যাপক প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় তারা। এই সমাবেশে তামিলনাড়ুর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণ অংশ নেয়।

    অভিনেতা প্রকাশ রাজের সঙ্গে যোগ দেন আরও বেশ কয়েকজন চলচ্চিত্র শিল্পী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, যেমন অভিনেতা সত্যরাজ এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারন। বার্তায় তিনি বলেন, ‘যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলাকে রাজনীতি বলায়, তাহলে আমি বলব, এটাই আমাদের মৌলিক অধিকার। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যুদ্ধ শেষে সব কিছু মিটে যায়, নেতারা হাত মেলান, কিন্তু এই অমানবিক দমনপাতনের ক্ষতি সব সময় থেকে যায়। একজন মা তার সন্তানের জন্য, স্ত্রী তার স্বামীর জন্য, আর শিশুরা তাদের বাবার জন্য অপেক্ষা করে, এই সত্যিই বাস্তবতা।’

    তিনি আরও বলেন, ‘ফিলিস্তিনে যে অবিচার চলছে, তার জন্য শুধু ইসরায়েলই নয়, এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকেও দায়িত্ব রয়েছে। বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদির নীরবতাও সমানভাবে দায়ী।’

    অভিনেতা সত্যরাজ গাজায় চলমান হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ ও অমানবিক। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘কীভাবে গাজার উপর বোমা ছোড়া হয়? মানবতা কোথায়? এই নির্মমতা চালিয়ে যাওয়ার পরও কোনভাবে মানুষ শান্তিতে ঘুমোতে পারে?’

    অন্যদিকে, চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারন গাজায় চলমান এই আগ্রাসনকে পরিকল্পিত গণহত্যা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, গাজায় শুধু আবাসিক এলাকাই নয়, স্কুল ও হাসপাতালেও নির্বিচারে বোমা হামলা চালানো হচ্ছে। এমনকি জলপাই গাছগুলোও ধ্বংস করা হয়েছে, যা মানুষের জীবন ও জীবিকা একmaßen ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তিনি এই নৃশংসতা বন্ধের জন্য বিশ্ব সমাজকে সোচ্চার হয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

  • পরিচালকের কঠোর আক্রমণ: সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে মন্তব্য

    পরিচালকের কঠোর আক্রমণ: সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে মন্তব্য

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানের উপর তোপ Comparingবছর কয়েক আগে থেকেই শুরু করেন ‘দাবাং’ খ্যাত পরিচালক অভিনব কাশ্যপ। তিনি একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে বলেছিলেন, সালমান খান ও তার পরিবারের ব্যাপারে। সম্প্রতি Fernándezলেন আবারও একই ধরনের কথা বলেছেন।

    অভিনব কাশ্যপের মতে, বলিউডে সালমান খানের বাবা সেলিম খান অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন চিত্রনাট্যকার, তবে তাকে বলিউডের সেরা বলা যায় না। তার দাবি, সেলিম খান প্রভাব খাটিয়ে এই শিল্পে জায়গা তৈরি করেছেন।

    এরপরই তিনি কঠোর ভাষায় সালমানকে সমালোচনা করেন। তার কথায়, ‘সালমান খানও সেইসব বাবার মতোই প্রভাবশালী হয়ে টিকে আছেন। তাকে সত্যিই সুপারস্টার বলা যায় না। কারণ, তিনি নোংরা বাবার নোংরা ছেলে; ফুটপাতে বড় হওয়া এই ব্যক্তির রুচিও accordingly।’

    অভিনব আরও বলেন, ‘সালমানের জন্য অপমানজনক হলেও সত্য, যখন তারা সিনেমায় নবাগত অভিনেতা আহান পাণ্ডের অভিনয় দেখে হিংসা করেন।’

    এই ক্ষোভের পেছনে ব্যক্তিগত কারণও রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। তিনি জানান, ‘দাবাং’ সিনেমার সিক্যুয়েল নির্মাণের সময় তার অনুমতি নেওয়া হয়নি। তাছাড়া, সম্প্রতি তাকে প্রথম সারির একটি চ্যানেলে সিরিজ পরিচালনার দায়িত্ব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিনব মনে করেন, এর পেছনে সালমানের ঘনিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের হাত রয়েছে। এভাবে তার ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তিনি।

  • বিতর্কের কারণে পুনমের চরিত্র থেকে বাদ দিলেন রামলীলা কমিটি

    বিতর্কের কারণে পুনমের চরিত্র থেকে বাদ দিলেন রামলীলা কমিটি

    ভারতের রাজধানী দিল্লির একটি ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় উৎসব, লব কুশ রামলীলা, এবার বেশ বিতর্কের মুখে পড়েছে। মূলত, সম্প্রতি এই অনুষ্ঠানে রামলীলা’র বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করবে বলে যে সমস্ত অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মনোনীত করা হয়েছিল, তার মধ্যে পূনম পাণ্ডে ছিলেন অন্যতম। তবে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগ তুলে তাকে এই চরিত্র থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    রামলীলা আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই বছরের প্রধান চরিত্রের জন্য প্রথমে পূনমকে বিবেচনা করা হয়েছিল। কিন্তু কয়েকটি গোষ্ঠীর আপত্তির কারণে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘একজন শিল্পীর পরিচয় তার কাজের মধ্যেই থাকে। অতীতের বিষয় বা ব্যক্তিগত জীবন দিয়ে কারো বিচার করা ঠিক নয়। তবে, সাধারণ মানুষের অনুভূতি ও ধর্মীয় ভাবাবেগের কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

    আয়োজকরা আরও বলেন, ‘সমাজে নারীর অবদান স্বীকৃতি পাওয়ার মতো। তারা অপমানের শিকার হওয়া উচিত নয়। আমরা ভাবছিলাম যে, পূনম এই চরিত্রটি যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন। কিন্তু কিছু গোষ্ঠীর প্রতিবাদ ও উষ্মা দেখে আমাদের পুনর্বিবেচনা করতে হয়।’

    পূনমকে অভিনয় থেকে সরিয়ে দিয়ে অন্য কোনও অভিনেত্রীকে এই চরিত্রের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে। আয়োজকদের মতে, রামচন্দ্রের জীবনী ও মৈত্রীর বার্তা সমাজে ছড়িয়ে দেওয়াই তাঁদের মূল লক্ষ্য। তারা এই অনুষ্ঠানে কোনও বিতর্ক চান না। প্রতি বছর দিল্লিতে এই রামলীলা উৎসব ব্যাপক মানুষের সমাগম হয়, যেখানে বিভিন্নবারই বিভিন্ন অভিনেতা ও অভিনেত্রীর অভিনয় দেখা যায়।

    দিল্লি বিজেপি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে। তারা মনে করছে, এই পরিবর্তন ধর্মীয় ভাবাবেগে সম্মান জানানোর জন্যই জরুরি ছিল।