Category: বিনোদন

  • সালমান খানের শুরুর ৬০ বছর পূর্তি

    সালমান খানের শুরুর ৬০ বছর পূর্তি

    বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী তারকা সালমান খান আজ (২৭ ডিসেম্বর) জন্মদিন উদযাপন করেছেন, আর এ উপলক্ষে তিনি পা রাখলেন ৬০ বছর বয়সে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা রীতির মতোই তিনি এবারও ব্যক্তিগত ও ঘরোয়া পরিবেশে নিজের জন্মদিন উদযাপন করছেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকছেন পরিবার, ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব ও চলচ্চিত্রের কিছু নির্বাচিত নির্মাতা। আনন্দের এই মুহূর্ত উপভোগ করতে ফার্মহাউসটি ভরে উঠেছে স্বজন ও কাছের বন্ধুদের সংস্পর্শে। 

    জাঁকজমকপূর্ণ বড় আয়োজনের পরিবর্তে এবার সালমানের জন্মদিন উদযাপিত হচ্ছে খুবই অল্প জনের উপস্থিতিতে, যা তিনি নিজেই চেয়েছেন। এই অনুষ্ঠানে থাকছে পরিবার ও দীর্ঘদিনের সহকর্মী-বন্ধুদের সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ সময় কাটানোর উদ্দেশ্য। জানা গেছে, এই ছোট পরিসরে মূল লক্ষ্য হলো আড্ডা, স্মৃতিচারণা ও আন্তরিক আলাপচারিতা—বড় ধরনের ক্ষণিকের আয়োজন নয়।

    একটি বিশেষ ট্রিবিউট ভিডিও এদিনের উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ। এই ভিডিওতে সালমানের তিন দশকের ক্যারিয়ারে তার সঙ্গে কাজ করা বিভিন্ন পরিচালক ও কলাকুশলী তাদের ব্যক্তিগত বার্তা দিয়েছেন। তারা ভাগ করে নিয়েছেন কাজের অভিজ্ঞতা, স্মরণীয় মুহূর্ত ও তার অভিনয় জীবনের নানা গল্প, যা তুলে ধরেছে সালমানের অভিনয়জীবনের বিকাশ ও ভারতীয় সিনেমায় তার স্থায়ী প্রভাব।

    ভক্তরা তার জন্য affectionately তাকে ‘ভাইজান’ বলে ডাকে। এটি শুধুই একটি ডাকনাম নয়, বরং এক ধরনের সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ। যেমন বড় ভাই পরিবারকে আগলে রাখে, তেমনি সালমান খানও তার সহশিল্পী, নবীন অভিনেতা ও কর্মীর প্রতি দায়িত্ব ও ভালোবাসা দেখান। বহু নতুন অভিনয়শিল্পী তার হাত ধরেই বলিউডে পা রেখেছেন। ‘ভাইজান’ হওয়ার পেছনে রয়েছে কর্তৃত্ব নয়, বরং দায়িত্ববোধ। এই সুন্দর মনোভাবেই বয়স বাড়লেও তিনি কেবল একজন নায়কই remain করেন না, এক প্রজন্মের মতোই হয়ে উঠেছেন একজন অভিভাবকের মতো চরিত্র।

    বিশেষ করে এ বছরটি আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সালমান খান হলেন বলিউডের ‘খান’ ট্রায়েডির মধ্যে শেষ ব্যক্তি, যিনি ৬০ বছর বয়সে পা রাখলেন। এর আগে চলতি বছরই ৬০ পূর্ণ করেছেন অন্য দুই খান—আমির খান ও শাহরুখ খান। এই চিহ্নটি বলিউডের এক দীর্ঘ ও শক্তিশালী অধ্যায়ের সমাপ্তির সূচক, যেখানে তিনি তিন দশক ধরে ভারতীয় সিনেমার আধিপত্য বজায় রেখেছেন। একইসঙ্গে এটির মাধ্যমে প্রমাণ হয়, বয়স যতই বাড়ুক, সালমানের শিল্পপ্রতিষ্ঠা ও প্রাসঙ্গিকতা অটুট রয়ে গেছে।

  • প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    অভিনেতা ও TikTok তারকা প্রিন্স মামুন এখন সৌদি আরবে ওমরাহ হজ পালন করছেন। তবে তার দেশের মাটিতে ফিরে আসার পথে বড় ঝামেলা অপেক্ষা করছে। ঢাকার আদালত তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে নিতে আদেশ দিয়েছেন। কারণ, লায়লা আখতার ফরহাদকে বাসায় প্রবেশ করে মারধর ও ভয় দেখানোর মামলায় তার জামিন বাতিল করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সেফাতুল্লাহ এই আদেশ দেন।

    মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার ছিল অভিযোগ গঠনের দিন। যদিও মামুন ওমরা পালনের জন্য আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী আশিকুল ইসলাম সময়ের আবেদন করলে আদালত অপেক্ষা করেন। তবে বাদী লায়লা আখতার ফরহাদ আদালতে হাজির হয়ে তার জামিন বাতিলের আবেদন করেন। বাদীর আইনজীবী সরকার সাব্বির হোসেন (ফয়সাল) জানিয়েছেন, আসামির বিরুদ্ধে অন্য একটি ধর্ষণ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য মামুন তার বাসায় ঢুকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেছেন। তদন্তে এই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল হয়েছে।

    পরবর্তীতে, শুনানি শেষে আদালত মামুনের জামিন বাতিল করে তাকে গ্রেফতার করার আদেশ দেন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করার নির্দেশ দেন। আগামী ৫ মার্চ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ফেসবুকের মাধ্যমে প্রিন্স মামুনের সঙ্গে লায়লার পরিচয় হয়। গত ১০ মে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মামুন ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএসের বাসায় যান। সেখানে তিনি লায়লার করা আগের মামলা ও জিডি তুলে নেওয়ার হুমকি দেন। লায়লা অস্বীকৃতি জানালে মামুন ফেসবুক লাইভে এসে তাকে ও তার পরিবারের লোকজনকে গালিগালাজ করেন। এক পর্যায়ে লাইভ বন্ধ করে মারধর শুরু করেন। এমনকি ছুরি দিয়ে হত্যার চেষ্টা করলে লায়লা নিজের হাত দিয়ে রক্ষা করার সময় আহত হন। এ ঘটনায় ওই দিনই ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন লায়লা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আতিকুর রহমান সৈকত আদালতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

  • পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মোবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মোবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটে বর্ষবরণের রাতে এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুটি সাচেত ট্যান্ডন ও পরম্পরা ঠাকুর। ভক্তের অসংযত উন্মাদনাকে ছাপিয়ে পরিস্থিতি এক সময়ে উগ্র ‘মব’ বা উন্মত্ত জনতার তাণ্ডবে রূপ নেয়। সৌভাগ্যবশত, তারা প্রাণে বেঁচে গেলেও তাদের বহনকারী গাড়িটি জনতার হামলায় ব্যাপক ভাঙচুরের শিকার হয়।

    নতুন বছরকে ঘরে তুলতে বালুরঘাটের এক জমকালো কনসার্টে অংশ নিয়েছিলেন এই দুই শিল্পী। অনুষ্ঠান শেষের পর ফেরার পথে তাদের গাড়ি ঘিরে নেওয়া হয় শত শত উন্মাদ ভক্তের দ্বারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, জনতা চলন্ত গাড়ির ওপর হামলা চালায়, কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে। ফলে গাড়ির পেছনের কাঁচ ভেঙে যায় এবং ভেতর থেকে সাচেত ‘ওহ শিট’ বলে চিৎকার করেন। পাশেই থাকা পরম্পরা আতঙ্কিত হয়ে জনতাকে শান্ত করার জন্য চিৎকার করেন, ‘গাইজ রিল্যাক্স, শান্ত থাকো।’ কিন্তু উন্মত্ত জনতার চাপ আর হাত থেকে রক্ষা পাননি তাদের গাড়ি।

    হামলার এই আকস্মিকতার হতভম্ব হয়ে পড়লেও, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনো বলিউডের দুই শিল্পী কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা বিবৃতি দেননি। তবে তারা নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় নেটিজেনদের মধ্যে ক্ষোভের ঝড় বইছে। অনেকে মনে করছেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে বলিউডের তারকাদের ওপর এ ধরনের হামলা দেশের আইনশৃঙ্খলা ও শিল্পীদের নিরাপত্তার বিষয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগেও বিভিন্ন প্রান্তে এই ‘মব কালচার’ এর শিকার হতে দেখেছে জনপ্রিয় তারকারা। কিছুদিন আগে কৈলাস খেরের কনসার্টেও এমন উন্মত্ত জনতার তাণ্ডবের ঘটনা ঘটে, যখন মঞ্চ छोड़তে বাধ্য হন শিল্পীরা।

  • ফরিদপুরে কনসার্টে বিশৃঙ্খলা, জেমসের প্রতিক্রিয়া

    ফরিদপুরে কনসার্টে বিশৃঙ্খলা, জেমসের প্রতিক্রিয়া

    ফরিদপুরের জিলা স্কুলের ১৮৫ বছর পূর্তি এবং পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে প্রত্যাশা ছিল আনন্দের, কিন্তু তা পরিবর্তিত হয়ে হয়ে যায় দুঃখজনক ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেমসের গানের আসরে অংশ নিতে আসা হাজারো প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী অপেক্ষমাণ অবস্থায় ছিলেন। কিন্তু ঠিক তখনই হঠাৎ করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে, যা পুরো অনুষ্ঠানের প্রবল বাধা সৃষ্টি করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আয়োজকদের অব্যবস্থাপনা এবং পরিকল্পনার দুর্বলতাকেই দায়ী করছে উপস্থিতরা।

    অন্তত এই বিশৃঙ্খলার জন্য নগরবাউল বলিষ্ঠভাবে জেমসের ভক্ত ও আয়োজকদের অভিযুক্ত করেছেন। সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলে তারা জানান, জেমস ও তাঁর দল অনুষ্ঠানের জন্য সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ফরিদপুর পৌঁছান। গেস্ট হাউসে থাকার সময় সেখানে বিশৃঙ্খলার খবরে তারা অবগত হন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পরিস্থিতি এতই অবনতিশীল হয়ে ওঠে যে, আয়োজকদের তা বাতিলের ঘোষণা দিতে হয়, এবং জেমসসহ তাদের দল ঢাকায় ফিরে যান।

    জেমস নিজেও এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শক। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, “এটি পুরোপুরি আয়োজকদের অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থতা।”

    অপরদিকে, সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, জেমসকে কড়া মেজাজে অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হতে দেখা যাচ্ছে। তিনি উপস্থিত হয়রানির উত্তেজনায় দ্রুত গাড়িতে উঠে যান, সাথে থাকা নিরাপত্তা কর্মীরা তার নিরাপত্তার বিষয়টি দেখভাল করছেন।

    আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মূলত এই অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র নিবন্ধিত দর্শকদের জন্য নির্ধারিত ছিল। তবে, জেমসের আসার খবর শোনা মাত্রই হাজারো অনিবন্ধিত দর্শক ভিড় করেন। গেটে প্রবেশ বাধা দেওয়ায় তারা গেটের সামনে ও রাস্তায় অবস্থান নেয় এবং দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। এতে স্কুলের প্রাঙ্গণ ও মঞ্চে ইট-পাটকেল ছোড়া শুরু হয়। এর ফলে আয়োজকদের মুখপাত্র ও দলের প্রায় ২৫-৩০ জন আহত হন এবং বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যেতে হয়। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশও সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাধ্য হয়।

  • নতুন বছরে শাকিব খানের চারটি সিনেমা আসছে

    নতুন বছরে শাকিব খানের চারটি সিনেমা আসছে

    তুফান, বরবাদ, তাণ্ডব—এমনকি আরও কিছু ব্যবসা সফল সিনেমার মাধ্যমে নিজেকে বাংলার চলচ্চিত্রের একজন আলাদা উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন শাকিব খান। তার এই ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রাখতে তিনি নতুন বছরেও fourটি বড় বাজেটের সিনেমা নিয়ে উপস্থিত হচ্ছেন।

    অল্প কিছু দিন আগে শুটিং শুরু হয়েছে তার একজন অন্যতম আলোচিত সিনেমা ‘সোলজার’-এর। এই ছবি এখন মুক্তির অপেক্ষায় থাকা তালিকার শীর্ষে। সাকিব ফাহাদ পরিচালিত এই সিনেমা ডিসেম্বরের মধ্যে মুক্তির কথা ছিল, কিন্তু কিছু কারিগরির কারণে তা আর সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বিশেষ করে বাংলাদেশ অংশের শুটিং ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে শাকিবের ব্যস্ততা এই দুটি সিনেমা—’সোলজার’ এবং ‘প্রিন্স’-এর síos। ‘প্রিন্স’ সিনেমাটি আবু হায়াত মাহমুদ পরিচালনা করছেন, যেখানে শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করছেন তাসনিয়া ফারিণ। সিনেমার প্রি-প্রোডাকশন কাজ চলছে।

    এবারের ঈদুল আজহায় দর্শকদের জন্য বড় সুখবর হলো—চলতি বছরের রাইহান রাফীর নির্মাণাধীন সিনেমাটি হতে যাচ্ছে শাকিবের বিশেষ এক মজাদার উপস্থিতি। গত বছর তাঁর ‘তুফান’ সিনেমা দিয়ে বক্স অফিসে ঝড় তুলেছিলেন রাফী। তিনি আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, ২০২৬ সালেও শাকিব খানের সঙ্গে বড় পর্দায় ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তার। যদিও সিনেমার নাম এখনো প্রকাশ হয়নি, গুঞ্জন রয়েছে এই সিনেমাটি ঈদুল আজহায় মুক্তি পেতে পারে।

    আরও একটি সিনেমার বিষয়টি এখনো রহস্যের চাদরে মোড়ানো। চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে এই সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার কথা ছিল, যেখানে একজন নাট্য পরিচালকের উদ্যোগে সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে। তবে এই প্রকল্পের মুখপাত্র বা নির্মাতা কেউই এখনো বিস্তারিত জানাচ্ছেন না।

    গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের সিনেমা হলগুলোর প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছেন শাকিব খান। তার সিনেমা মুক্তির পর হলে দর্শকদের উপস্থিতি বেড়ে যায়, যা ব্যবসার চাঙ্গা বৈশিষ্ট্য দেখায়। হল মালিকরাও এ নিয়ে আশাবাদী, তারা বিশ্বাস করেন যে শাকিবের সিনেমার মাধ্যমে হলের ব্যবসা আবারো প্রাণ ফিরে পাবে। এ কারণে প্রযোজকেরাও শাকিবের ওপর ভরসা রাখছেন, যাতে করে সিনেমার ব্যয় এবং মুনাফা নিশ্চিত হয়।

  • সালমান খান ৬০ বছর বয়সে পা রাখলেন

    সালমান খান ৬০ বছর বয়সে পা রাখলেন

    বলিউডের অন্যতম তারকা এবং সিনেমাজগতের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব সালমান খানের জন্মদিন আজ (২৭ ডিসেম্বর)। এই বিশেষ দিনটি স্মরণীয় করে রাখছে তার ৬০তম জন্মবার্ষিকী। দীর্ঘদিন ধরে রীতিমতো এই দিনটি উদযাপন করে আসছেন তিনি, তবে এবার তিনি জন্মদিন পালন করছেন খুবই সহজ ও আন্তরিক পরিবেশে—নিজের পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং নির্বাচিত কিছু চলচ্চিত্র পরিচালকসহ কাছের মানুষদের নিয়ে, পানভেলের ফার্মহাউসে।

    বৃহৎ এবং জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের পরিবর্তে সালমানের ৬০তম জন্মদিনের উদযাপন হচ্ছে একান্ত পারিবারিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে। অতিথির তালিকা সচেতনভাবে সীমিত রাখা হয়েছে, যাতে কেবলমাত্র কাছের মানুষ এবং দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা অংশ নিতে পারেন। সূত্রের খবর, এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হলো একসঙ্গে বসে আড্ডা দেওয়া, স্মৃতিচারণা করা এবং আন্তরিক সময় কাটানো—বড় ধরনের কোনও আয়োজন নয়।

    অভিনয়জীবনের এই বিশেষ উপলক্ষ্যে সালমানের জন্য একটি বিশেষ ট্রিবিউট ভিডিও তৈরি করা হয়েছে, যেখানে তার তিন দশকের ক্যারিয়ারে তার সঙ্গে কাজ করা বিভিন্ন পরিচালক এবং প্রযোজকরা ব্যক্তি হিসেবে তাদের বার্তা দিয়েছেন। এই ভিডিওতে তারা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন কাজের অভিজ্ঞতা, বিভিন্ন রোমাঞ্চকর ঘটনা ও গল্প, যা সালমানের অভিনয়জীবনের বিবর্তন এবং ভারতের সিনেমায় তার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবকে ফুটিয়ে তুলেছে।

    ভক্তরা তাকে ‘ভাইজান’ বলে ডাকে, যা শুধুমাত্র ডাকনাম নয়, বরং এক ধরনের অপরিহার্য সম্পর্কের প্রতীক। যেমন বড় ভাই পরিবারকে আগলে রাখে, তেমনই সালমান খান তার সহশিল্পী, নতুন অভিনেতা এবং চলচ্চিত্রের কলাকুশলীদের পাশে দন্ডায়মান থাকেন। অনেক নতুন মুখ সালমানের হাত ধরে বলিউডে নিজের জায়গা যাত্রা করেছেন। এই ‘ভাইজান’ হিসেবে তার পরিচিতি কখনো শুধুই জনপ্রিয়তা নয়, বরং দায়িত্ববোধের প্রকাশ। বয়স বাড়লেও তিনি একজন সময়ের চেয়েও প্রাসঙ্গিক দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন।

    এবারের জন্মদিনটি আরও বিশেষ, কারণ সালমান খান হলেন বলিউডের ‘খান’ ত্রয়ীর মধ্যে শেষ ব্যক্তি, যিনি এই বয়সে পা রাখলেন। এর আগে এই বছরই চলতি বছরে ৬০ বছর পূর্ণ করেছেন আমির খান ও শাহরুখ খান। এই বিভিন্ন ঘটনাগুলো একদিকে বলিউডে দীর্ঘ দিনের আধিপত্যের চিহ্ন রেখে যায়, অন্যদিকে প্রমাণ করে যে, বয়স বাড়ার পাশাপাশি সালমানের প্রাসঙ্গিকতা এবং তার শিল্পের মান অটুট রয়েছে। এই বিশেষ দিনটি যেন এক দীর্ঘ এবং স্মরণীয় অধ্যায়ের সমাপ্তি, যেখানে ট্রেডিশন, শক্তি এবং নতুন সময়ের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার এক অনন্য গল্প লেখা হয়েছে।

  • প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    বর্তমানে সৌদি আরবে ওমরাহ হজ পালন করছেন প্রিন্স মামুন, যার মূল নাম আব্দুল্লাহ আল মামুন। তবে তার দেশের মাটিতে খুবই দুঃখজনক খবর অপেক্ষা করছে। ঢাকায় লায়লা আখতার ফরহাদকে বাসায় ঢুকে মারধরের মামলায় হাজির না হওয়ায় আদালত তার জামিন বাতিল করেন এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এই আদেশ দেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সেফাতুল্লাহ, বৃহস্পতিবার।

    মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য সেখানে শুনানি চলছিল। সাময়িক ওমরাহ পালন করায় মামুন আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে তার পক্ষে আইনজীবী আশিকুল ইসলাম সময়ের আবেদন করলে, বাদী লায়লা আখতার ফরহাদ নিজে উপস্থিত হয়ে জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী সরকারের সাব্বির হোসেন (ফয়সাল) বলেন, আসামির বিরুদ্ধে অন্য একটি ধর্ষণ মামলাও বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলার অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য মামুন তার বাসায় ঢুকে লাঞ্ছনা ও চুরির ঘটনা ঘটিয়েছেন এবং ছুরি দিয়ে আঘাতও করেন। তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল হয়েছে।

    শুনানির পর আদালত মামুনের জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করার নির্দেশ দেন। মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারিত হয়েছে আগামী ৫ মার্চ।

    প্রিন্স মামুনের সঙ্গে লায়লার পরিচয় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। ঘটনার শুরু হয় গত ১০ মে ভোর সাড়ে ৫টার সময়, যখন মামুন ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএসের লায়লার বাসায় যান। সেখানে তিনি লায়লার আগের একটি মামলা ও জিডি তুলে নেওয়ার হুমকি দেন। লায়লা তা অস্বীকার করায় মামুন ফেসবুক লাইভে গিয়ে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ করেন। এরপর লাইভ বন্ধ করে মারধর শুরু করেন মামুন, এমনকি ছুরি দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন। লায়লা তখন হাত দিয়ে রক্ষা করতে গেলে তিনি আহত হন। এরই মধ্যে ওই দিনই ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন লায়লা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরির্দশক আতিকুর রহমান সৈকত আদালতে মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

  • পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    বর্ষবরণের রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটে এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুটি সাচেত ট্যান্ডন ও পরম্পরা ঠাকুর। ভক্তদের অগণিত উন্মাদনায় পরিস্থিতি এক পর্যায়ে উগ্র ‘মব’ বা উন্মত্ত জনতার তাণ্ডবে রূপ নেয়। ওই ঘটনার জন্য তারা পুরোপুরি ভারসাম্য হারিয়ে যান, যদিও তারা জীবিত থাকলেও তাদের বহনকারী গাড়িটি ভাঙচুরের শিকার হয়।

    নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে এক জমকালো কনসার্টে অংশ নেন ‘কবীর সিং’খ্যাত এই দুজন। কনসার্টের আয়োজনের পর ফিরে যাওয়ার সময় ঘটে বিপত্তি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, শিল্পীদের গাড়িটি শত শত মানুষের হাতের উন্মাদনা ও অবাধ কৌতুকের কারণে ঘিরে রয়েছে। জনতা এতটাই বেপরোয়া হয়ে ওঠে যে, তারা চলন্ত গাড়ির ওপর কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে।

    এক পর্যায়ে প্রচণ্ড শব্দে গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে গুঁড়িয়ে যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ির অভ্যন্তর থেকে সাচেত ‘ওহ শিট’ বলে চেঁচিয়ে উঠছেন। পাশেই থাকা পরম্পরা আতঙ্কিত অবস্থায় জনতাকে শান্ত করার জন্য বলছেন, ‘গাইজ, রিল্যাক্স, শান্ত থাকো।’ কিন্তু উন্মত্ত জনতার হাতে তাদের গাড়িটিকে রক্ষা করতে পারেননি।

    এই অপ্রত্যাশিত হামলার অবস্থা দেখে হতভম্ব হয়ে পড়েন তারা। এরপর এটি এখনো পর্যন্ত তাদের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে, তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।

    এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় নেটিজেনরা ব্যাপক সমালোচনা শুরু করেন। অনেকেই মনে করছেন, পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে বলিউডের দুই তারকার ওপর এই ধরনের হামলা দেশের আইনশৃঙ্খলা ও শিল্পীদের নিরাপত্তার অবস্থা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। একসাথে, ভারতের অন্যান্য প্রান্তেও এ ধরনের ‘মব কালচার’ দিন দিন বাড়ছে। উল্লেখ্য, এর আগে কিছুদিন আগে কৈলাস খেরের কনসার্টেও জনপ্রিয়তার নামে উন্মত্ত জনতার তাণ্ডবের ঘটনা ঘটে, যেখানে মাঝপথেই অনুষ্ঠান বন্ধ করে শিল্পীরা মঞ্চ ত্যাগ করেন।

  • ব্রিটিশ কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ক্রিস রিয়া ইন্তেকাল করেছেন

    ব্রিটিশ কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ক্রিস রিয়া ইন্তেকাল করেছেন

    ব্রিটিশ কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ও গীতিকার ক্রিস রিয়া মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তার পরিবারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয় bahwa অল্প কিছুদিন অসুস্থতার পর তিনি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে জীবনযাত্রা শেষ করেছেন।

    ক্রিস রিয়া ১৯৫১ সালে ইংল্যান্ডের মিডলসবরোতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ব্লুজ, পপ ও সফট রক সংগীতের জাদুকর হিসেবে বিশ্বজোড়া পরিচিত ছিলেন। চার দশকের বেশি ক্যারিয়ারে তিনি মোট ২৫টি স্টুডিও অ্যালবাম রেকর্ড করেন, যা বিশ্বজুড়ে ৩০ মিলিয়নেরও বেশি কপি বিক্রি হয়েছে। তার কিছু কালজয়ী সংগীতের মধ্যে রয়েছে ‘দ্যা রোড টু হেল’, ‘অন দ্য বিচ’, ‘জোসেফিন’ এবং ‘লেটস ড্যান্স’।

    বিশ্বের শিরোনাম ছিলেন তার ক্রিসমাস সংগীত ‘ড্রাইভিং হোম ফর ক্রিসমাস’ এর জন্য। ১৯৮৬ সালে লেখা এই গানটি এখন বড়দিনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। যখন তিনি এটি লিখেছিলেন, তখন তার হাতে কোনো রেকর্ডিং চুক্তি ছিল না। এমনকি ট্রেনের টিকিটের জন্যও তার টাকা ছিল না, তবুও তিনি স্টেশন থেকে মিডলসবরো ফিরছিলেন স্ত্রীসহ গাড়ি চালিয়ে।

    ২০০১ সালে ক্যানসার ধরা পড়ার পর তিনি অসুস্থতাজনিত জীবন-মরণের সন্ধিক্ষণে পড়েন। পরে ২০১৬ সালে তিনি স্ট্রোকের শিকার হন। জীবনের নানা বাধা উপেক্ষা করে তার গানপ্রেম কখনো কমে যায়নি। শেষের দিকে তিনি পপ সংগীত থেকে সরে গিয়ে ‘ডেল্টা ব্লুজ’ ব্যান্ডে মনোযোগ দেন।

    তার মৃত্যুতে বিশ্ব সংগীত অঙ্গনে গভীর শোক প্রকাশ করা হচ্ছে। তিনি সুরের মাধ্যমে কোটি ভক্তের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবেন। তার পরিবারের সদস্যরা জানান, মৃত্যুকালে তিনি রেখে গেছেন একমাত্র স্ত্রী জোয়ান ও দুই মেয়ে জোসেফিন ও জুলিয়া।

  • ফরিদপুরে কনসার্টে বিশৃঙ্খলা, জেমসের প্রতিক্রিয়া আসলো

    ফরিদপুরে কনসার্টে বিশৃঙ্খলা, জেমসের প্রতিক্রিয়া আসলো

    ফরিদপুরের জিলা স্কুলের ১৮৫তম বার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের শেষ দিনে আনন্দের পরিবর্তে দেখা দেয় দারুণ অস্থিরতা। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশের অন্যতম জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেমসের গানের আসরটি দেখার জন্য স্কুলের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা হুমড়ি খেয়ে অপেক্ষা করছিলেন, ঠিক সে মুহূর্তেই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। এই অশান্তির জন্য আয়োজকদের পক্ষ থেকে দায়িত্বপ্রাপ্তরা অব্যবস্থাপনা ও দক্ষতার অভাবে দুষেছেন। জেমস নিজেও মনে করেন, এই সমস্যা পুরোপুরি আয়োজকদের অবহেলা ও ব্যর্থতার ফল।

    সংবাদমাধ্যমে রুবাইয়াৎ ঠাকুর রবিন নামের একজন মুখপাত্র জানালেন, তারা সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ফরিদপুরে পৌঁছান। তখনই তারা জানতে পারেন, পরিস্থিতি বেশ অস্থির। গেস্ট হাউসে থাকার সময়ই তারা বিশৃঙ্খলার খবর পান। রাত সাড়ে দশটার দিকে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠলে আয়োজকরা অনুষ্ঠান বাতিলের ঘোষণা দেন এবং তারা ঢাকায় ফিরে যান।

    জেমস নিজেও এই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেছেন, “এটি সম্পূর্ণই আয়োজকদের অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থতার ফল।” এক ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি কড়া মেজাজে অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হয়ে দ্রুত গাড়িতে ওঠেন। তার সঙ্গীদের মধ্যে অনেকেই শিল্পীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তার বিষয়টি দেখছেন।

    আয়োজক কমিটির সূত্রে জানা যায়, এই অনুষ্ঠানটি মূলত নিবন্ধিত দর্শকদের জন্য ছিল। কিন্তু জেমসের আসার খবর পেয়ে হাজারো অনিবন্ধিত দর্শক ছুটে যান। গেটে বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে তারা ভিড় করে, দেয়াল টপকে প্রবেশের চেষ্টা করে এবং স্কুলের প্রাঙ্গণ ও মঞ্চের দিকে ইট-পাটকেল ছুঁড়ে মারতে শুরু করে। এর ফলে আয়োজকদের ঘোষণা অনুযায়ী, প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হন এবং কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। কিছু দর্শক ও অতিথির নিরাপত্তার জন্য বিশৃঙ্খলায় আরও ব্যাপক ক্ষতি হয়, যা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আয়োজকদের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।