Category: বিনোদন

  • বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে জুবিনকে, দাবি ব্যান্ড সদস্যের

    বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে জুবিনকে, দাবি ব্যান্ড সদস্যের

    প্রখ্যাত ভারতীয় গায়ক জুবিন গার্গের মৃত্যু নিয়ে দেশের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এবার তার ব্যান্ডের সদস্য এবং প্রধান সাক্ষী শেখর জ্যোতি গোস্বামী অভিযোগ করেছেন, জুবিনকে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে তার ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা ও ইভেন্ট ম্যানেজার.sh্যামকানু মহন্ত।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, রিমান্ডের নোটে গোস্বামী দাবি করেছেন, জুবিনের মৃত্যু ছিল একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। এই হত্যাকাণ্ডের চেষ্টা ছিল যাতে এটিকে দুর্ঘটনা বলে চালানো যায়। এজন্য সিঙ্গাপুরের প্যান প্যাসিফিক হোটেলকে বেছে নেওয়া হয়েছিল, যেখানে এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ৫২ বছর বয়সি জুবিন গার্গ ভারতীয় ও আঞ্চলিক পর্যটন উদযাপনের সময় ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি আরেকটি দ্বীপের কাছাকাছি সাঁতার কাটার সময় ডুবে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন, যা প্রাথমিক ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    রিমান্ডের বরাতে নিউজ ১৮ জানিয়েছে, মূল সাক্ষী শেখর জ্যোতি গোস্বামী গুরুতর কিছু অভিযোগ করেছেন। তিনি আরও বলছেন, যখন জুবিনের মুখ ও নাক দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল, তখন তার ম্যানেজার শর্মাকে চিৎকার করে বলতে শুনেছেন, “যাব দে, যাব দে”। তখন শর্মা কোনও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না করে কেবল বলেছিলেন এটি ‘অ্যাসিড রিফ্ল্যাক্স’। সাক্ষীরা মনে করছেন, এই অবহেলা জুবিনের মৃত্যুর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    গোস্বামী আরও দাবি করেছেন, জুবিন একজন দক্ষ সাঁতারু ছিলেন, ফলে স্বাভাবিকভাবে ডুবে যাওয়ার কোনও কারণ ছিল না। তিনি আরও বলেছেন, শর্মা কিছু ভিডিও ফুটেজ শেয়ার করতে বারণ করেছিলেন যাতে ইয়টের দুর্ঘটনার প্রমাণ ধামাচাপা দেওয়া যায়।

    বর্তমানে এই ঘটনায় মোট চারজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জুবিনের ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা, ইভেন্ট ম্যানেজার শ্যামকানু মহন্ত, ব্যান্ডের একজন সদস্য ও প্রধান সাক্ষী শেখর জ্যোতি গোস্বামী এবং আরেকজন সহশিল্পী রয়েছেন।

  • ইয়াশ রোহানকে কটাক্ষের মুখে মেহজাবীন-আরশ খানের সমালোচনা

    ইয়াশ রোহানকে কটাক্ষের মুখে মেহজাবীন-আরশ খানের সমালোচনা

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ইয়াশ রোহান তার অভিনয় দিয়ে সবসময় দর্শকদের মন জয় করে আসছেন। সিনেমা আর নাটকে তার উপস্থিতি দর্শকদের মাঝে খুবই প্রশংসিত। সম্প্রতি তার এক পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। গত বৃহস্পতিবার, বিজয়া দশমির দিনে তিনি কপালে সিঁদুর তিলক দিয়ে দুর্গার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ছবি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘শুভ বিজয়া।’ এই ছবিটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং সেটি নিয়ে মন্তব্যের ঝড় শুরু হয়। অনেক নেটিজেন সেখানে তার ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং বিদ্রুপমূলক মন্তব্য করে, যেমন—‘মুসলমান ভেবে ভুল করেছি’, ‘আপনি এতদিন মুসলিম ভেবেছি নাটকগুলোও তাই ভাল লাগতো’, ‘তাহলে এখন থেকে আর দেখব না আপনার নাটক’। এই ধরনের অসংখ্য কটাক্ষপূর্ণ মন্তব্যে ভরপুর হয় তার পোস্ট। এমন পরিস্থিতি বিনোদন অঙ্গনের তারকাদের জন্য সহজ নয়। তারা এসব দেখে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং সমালোচকদের ঠেসে ধরেন। তার মধ্যে অন্যতম আছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও আরশ খান। মেহজাবীন নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, ‘কারো পোস্টে বাজে মন্তব্য করা, স্ল্যাং ব্যবহার করা কিংবা ভুয়া প্রোফাইল দিয়ে কথা বলা আপনাকে সাহসী না করে বরং আপনার মানসিকতার গভীরতা প্রকাশ করে। এই ঘৃণা ও অহেতুক বিদ্বেষ কীভাবে আপনি রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারেন?’ অন্য দিকে, অভিনেতা আরশ খান বলেছেন, ‘ইয়াশ রোহান বাংলাদেশের অন্যতম একজন স্বনামধন্য অভিনেতা। তার অভিনয় আর ব্যক্তিত্বই তার পরিচয়। তিনি তার ধর্ম বা কোন অঞ্চলের মানুষ হিসেবে পরিচিত নন। তিনি শুধুমাত্র তার শিল্পকর্মের মাধ্যমে এইদেশের মানুষ ও দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। ধর্ম তো সবারই, দেশ সবার।’ এই বিভাজনকে অতিক্রম করে ইয়াশ রোহান মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি খুবই সরল ও মানসিকতায় এগিয়ে থাকেন। তার মন্তব্যের ঘরে কটাক্ষের জবাবেও সরলতা ও শ্রদ্ধার ছাপ দেখা গেছে। তবে সব প্রতিক্রিয়া নেতিবাচক নয়, কিছু মানুষ তার জন্য ভালোবাসাও প্রকাশ করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘আজকে জেনেছি যে রোহান ভাই হিন্দু। ভাল লেগেছে, ভালোবাসা অবিরাম ভাই।’ আরেকজন বলেছেন, ‘কমেন্টগুলো দেখে বোঝা যায় মানুষের মানসিকতা কোথায় গিয়ে ঠেকেছে।’ ইয়াশ রোহান বরেণ্য অভিনেতা নরেশ ভূঁইয়া ও শিল্পী সরকার অপুর ছেলে। তিনি গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘স্বপ্নজাল’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সিনেমার জগতে পা রাখেন। তিনি বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় তারকা ও শক্তিশালী অভিনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

  • শাওনের ফেসবুক পোস্টে হুমায়ূনের জীবনের নানা স্মৃতি এবং মনোভাব প্রকাশ

    শাওনের ফেসবুক পোস্টে হুমায়ূনের জীবনের নানা স্মৃতি এবং মনোভাব প্রকাশ

    প্রয়াত জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের আত্মজীবনীমূলক বই ‘নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ’ থেকে এক হৃদয়স্পর্শী অংশ নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে প্রকাশ করেছেন তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন। নিউইয়র্কে ক্যানসারের চিকিৎসার সময়ে লেখক এই বইটি লিখেছিলেন, যেখানে তিনি তার মানসিক দুর্বলতা এবং বিকৃত মানসিকতার মানুষের নির্মমতা তুলে ধরেছেন।

    রোববার, ৫ অক্টোবর, নিজের ফেসবুক পেজে শাওন প্রকাশ করেছেন কিভাবে তার স্বামী হুমায়ূন আহমেদ অসুস্থতার সময় কিছু বিদ্রুপ মন্তব্যের শিকার হয়েছিলেন। একজন ব্যক্তি লিখেছিল, ‘তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে আল্লাহ তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে শিক্ষা দিলেন।’

    একদিন শাওন লক্ষ্য করেন, তার স্বামী কম্পিউটারে বসে ফেসবুকে দেখছিলেন, চোখে অশ্রু জমে রয়েছে। তিনি জানতে চান সমস্যা কী। স্বামী বলেন, মন খারাপ, কিছু বলতে চান না। পরে শাওন জানতে পারেন, ফেসবুকে একজন ব্যক্তির দেওয়া মন্তব্যে তার মন আঘাতপ্রাপ্ত। সেখানে লেখা ছিল, ‘তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে আল্লাহ তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে শিক্ষা দিলেন।’ এমন মন্তব্য শাওনের মেয়ের মৃত্যুর সময়ও বহু মানুষের কাছ থেকে এসেছিল। তাদের একটিতে লেখা ছিল, ‘তোমার কঠিন শাস্তি হওয়ায় আমরা খুশি। আরও শাস্তি হবে।’ এই ধরণের কথা শুনে শাওন ভেঙে পড়লেও, তার স্ত্রী তাকে সাহস দেন এবং বলেন, ‘আমরা মানসিক অসুস্থ অনেক মানুষকে বুঝতে পারি। তাদের নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। তোমার জন্য বিশ্বাস রাখো, অসংখ্য মানুষ তোমাকে ভালোবাসে ও শুভকামনা করে।’

    শাওনের লেখা অনুযায়ী, এক পর্যায়ে তিনি এই বোধের উন্নতি করেন যে, এই ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য সাধারণ মানুষের হয়তো অপ্রাপ্তি বা মানসিক অস্থিরতার ফল। তিনি বলেন, কেবল ইতিবাচক মানুষকেই গুরুত্ব দিতে হবে। একবার তিনি দেখলেন একজন ব্যক্তি কাবা শরিফ থেকে এসেছেন এবং বললেন, ‘আমি স্যারের জন্য দোয়া করতে এসেছি।’ এরপরই তিনি জানতে পারলেন, এই ব্যক্তি তার জন্য শুভকামনা জানিয়ে যাচ্ছেন। এভাবেই তিনি হাসি হাসতে শিক্ষিত হন।

    অতসার জীবনে হুমায়ূন আহমেদ বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষকে দেখেছেন, যারা বিকৃত মানসিকতার শিকার। তার একটি অভিজ্ঞতাও তিনি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, তখন গেটের সামনে এক যুবক হঠাৎ হঠাৎ বলে উঠল, ‘তোমার লেখা আমার জঘন্য লাগে’। এই কথা শুনে তিনি বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘এই কথাটা বলার জন্য এত ঝামেলা কেন?’ ওই যুবক জবাবে বলল, ‘কারণ কারোর সাহস নেই আপনাকে সরাসরি এসব বলতে। সবাই আপনার পিছনে চামচা’। সেই সময় একটি ইংরেজি কথাও বললেন যুবক, ‘আই ওয়ান্ট ইউ টু ডাই সুন’ (আমি চাই আপনি শিগগির মারা যান)। এর উত্তরে হুমায়ূন বলেন, ‘আমি আশা করি, তোমার জীবন দীর্ঘ ও meaning-full হবে।’ এই ঘটনা বর্তমান সমাজে বিকৃত মানসিকতার মানুষের বেড়ে ওঠার দিকটি ফুটিয়ে তোলে।

  • অভিনেত্রী বাঁধনের অনুভূতি: আমি ব্যর্থ হয়েছি

    অভিনেত্রী বাঁধনের অনুভূতি: আমি ব্যর্থ হয়েছি

    অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই সক্রিয় ছিলেন। তিনি সরব হয়ে রাজপথে নেমেছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি এখনও উঠে আসা বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি নিজের মনোকথাও শেয়ার করেন। হঠাৎ করে তিনি জানালেন, তিনি সত্যিই ব্যর্থ হয়েছেন।

    রোববার তিনি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি এমন এক মেয়ের স্বপ্ন দেখতাম, যে সবাইকে খুশি করতে পারে— যে অনুগত, বাধ্য এবং শান্তিপূর্ণভাবে সব কিছু মানিয়ে নিতে পারে। কিন্তু আমি সেই ধরণের মানুষ হতে পারিনি। আমি চেষ্টা করছিলাম, পরিবারের প্রত্যাশিত মেয়ে হওয়ার, সমাজের তৈরি ‘নারী’ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে। তবে আমি ব্যর্থ হয়েছি। এই ব্যর্থতার জন্য আমি নিজেকেই ধন্যবাদ জানাই।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি কারও নিয়ন্ত্রিত স্ক্রিপ্টে বাঁচার জন্য জন্মিনি। আমার কথা অনেকের জন্য অস্বস্তির কারণ হতে পারে, আমার কাজ অনেকের জন্য সান্ত্বনার সীমা ভেঙে দেয়। আমি সহজ মানুষ নই, তবে নির্মমও নই। আমি কাউকে আঘাত দেই না বা অসম্মান করি না, যদিও কেউ আমার প্রতি তা করে।’

    অভিনেত্রীর কথায়, এই মাসের শেষের দিকে তার জন্মদিন। তিনি বলেন, ‘চল্লিশের পর আমি নিজের সঙ্গে শান্তিতে আছি। এখন আমি নিজের মতো করে বাঁচি— স্বাধীনভাবে, সত্যি বলি, কোন ক্ষমাপ্রার্থনা না করেই। যদি কেউ এটা পছন্দ না করে, উপেক্ষা করুক, ব্লক করুক বা ঘৃণা করুক— আমার কিছু যায় আসে না। কারণ, যাদের আমি অস্বস্তিতে ফেলি, তাদের পাশাপাশি আমার অনেক ভালোবাসে, বোঝে এবং আমার সত্যে শক্তি খুঁজে পায়। সবচেয়ে বড় কথা, আমি নিজেকে ভালোবাসি।’

    শেষে তিনি বলেন, ‘আমি ভাঙা নই। আমি শুধু সেই পৃথিবীর বিরুদ্ধে আছি, যেখানে এখনো আসল নারীকে ভয় করে। তোমায় ভালোবাসি, আজমেরী হক বাঁধন। তুমি যে নারী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলে, শেষ পর্যন্ত সেই নারীই হয়ে উঠেছো।’

  • রুশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডার গোপন বাগদান

    রুশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডার গোপন বাগদান

    দক্ষিণ ভারতের বিখ্যাত অভিনেত্রী রুশমিকা মান্দানা এবং জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা শেষ পর্যন্ত তাঁদের বহু বছরের প্রেমের সম্পর্কের সম্পর্কে নতুন একটি পরিধি যোগ করলেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই দুই তারকা আনুষ্ঠানিকভাবে বাগদান সম্পন্ন করেছেন।

    এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুসারে, এই আবেগময় ঘটনার সময়ে তাঁদের পরিবারের নিকটজন এবং কিছু ঘনিষ্ঠ বন্ধু উপস্থিত ছিলেন। গত শুক্রবার (৩ অক্টোবর) এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে এই বাগদান সারেন তারা। তবে এখনো দম্পতি নিজ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেননি।

    আনুমানিক সংবাদ অনুযায়ী, এই প্রেমের জুটি আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পরিকল্পনা করছেন। ভক্তরা এই সংবাদে বেশ উচ্ছসিত ও উত্তেজিত হয়ে উঠছেন, কারণ এই সম্পর্কের দীর্ঘ দিনের গুঞ্জন বেশ দিন ধরেই চলছিল।

    সম্প্রতি রুশমিকা তার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি শেয়ার করে এই জল্পনাকে নতুন করে জোরদার করেছেন। দোলের দিন তিনি ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে, কপালে তিলক লাগানো একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবি ক্যাপশনে লেখেন, ‘শুভ দোলার প্রিয়জন… এই বছর আমি সত্যিই খুব কৃতজ্ঞ। কারণ, “তাম্মা” ট্রেলার এবং আমাদের গানের জন্য আপনি যে ভালোবাসা দেখাচ্ছেন, সেটা আমার জন্য অনেক বড় উৎসাহের। আপনারা যে উত্তেজনা এবং সমর্থন দেখাচ্ছেন, তা আমার কাজের অভিগমন আরও উজ্জ্বল করে তোলে। খুব শিগগিরই সিনেমার প্রচার শুরু হবে, আপনাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য আমি অপেক্ষা করতে পারছি না।’

    তিনি এই পোস্টের মাধ্যমে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে কিছু বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে মনে করছে অনুরাগীরা।

    শিল্পী হিসেবে রুশমিকা মান্দানাকে দেখা যাবে পরিচালক আদিত্য সারপোতদার পরিচালিত ভৌতিক-কমেডি ছবি “তাম্মা”য়। এটিতে তাঁর বিপরীতে রয়েছেন আয়ুষ্মান খুরানা। এই ছবিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী, পরেশ রাওয়ালসহ অন্যরা। ছবিটি ২১ অক্টোবর মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

    অন্যদিকে, বিজয় দেবেরাকোন্ডাকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল গৌতম তিন্নানুরির তেলুগু স্পাই অ্যাকশন-থ্রিলার “কিংডম” (২০২৫) ছবিতে।

  • ইয়াশ রোহানকে কটাক্ষের শিকার, নেটিজেনদের সমালোচনায় সরব মেহজাবীন ও আরশ খান

    ইয়াশ রোহানকে কটাক্ষের শিকার, নেটিজেনদের সমালোচনায় সরব মেহজাবীন ও আরশ খান

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ইয়াশ রোহান সবাইকে মুগ্ধ করে আসছেন সিনেমা ও নাটক উভয় ক্ষেত্রেই। তার অভিনয় দক্ষতা ও অভিনয়শৈলী দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। সম্প্রতি তার একটি পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার, বিজয়া দশমির দিন, কপালে সিঁদুর, তিলক লাগিয়ে দুর্গার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ছবি নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন, ‘শুভ বিজয়া।’ সেই ছবি মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়। তবে এর পর থেকে নেটিজেনদের একাংশ তার ধর্ম সম্পর্কে নানা কটূক্তি ও বিদ্রুপ মন্তব্য করতে শুরু করেন। কেউ কেউ লিখেছেন, ‘মুসলমান ভেবে ভুল করে ছিলাম!’, ‘আপনার নাটক আজ থেকে আর দেখা হবে না। কারণ আগে ভেবেছিলাম আপনি মুসলিম।’ এ ধরনের অহেতুক নেতিবাচক মন্তব্যে কিছু নেটিজেন মন খারাপ করেছেন, যাকে নিয়ে সরব হয়েছেন ব্যস্ত বিনোদন অঙ্গনের তারকারা। কোণঠাসা হয়ে দাঁড়িয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও অভিনেতা আরশ খান। মেহজাবীন তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘কারও পোস্টে বাজে মন্তব্য করা, স্ল্যাং ব্যবহার করা বা ভুয়া প্রোফাইল দিয়ে কথা বলা আপনাকে সাহসী করে তোলে না। বরং এটা আপনার মানসিকতার অবনতি ও ব্যক্তিত্বের দুর্বলতা প্রকাশ করে। এমন ঘৃণা ও অবজ্ঞা নিয়ে আপনি কীভাবে শান্তিতে ঘুমাতে পারেন?’ অন্যদিকে, আরশ খান নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘ইয়াশ রোহান বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় অভিনেতা। তার অভিনয় আর ব্যক্তিত্ব উভয়ই আমাকে প্রশংসা করেছে। তিনি তার ধর্ম বা জন্মস্থান দ্বারা কোনও ভাবে অপ্রকাশিত। বরং নিজস্ব প্রতাপ ও দক্ষতা দিয়ে তিনি দেশের মানুষকে এবং বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন। ধর্মের ব্যাপারটি মানুষের ব্যক্তিগত বিষয়, দেশের জন্য সব মানুষই সমান।’ ইয়াশ রোহান ধর্মীয় বিভাজন টপকে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি খুবই সরল ও স্বাভাবিক মানুষ। তার মন্তব্যে কটূক্তির জবাবেও তার সহজ ও সদাহাস্য পদচারণা চোখে পড়ে। তবে সবমিলিয়ে, নেতিবাচক মন্তব্যের সাথে সঙ্গে ভালোবাসাও পেয়েছেন এই তরুণ অভিনেতা। একজন লিখেছেন, ‘আজ বুঝলাম রোহান ভাই হিন্দু। ভালোবাসা অবিরাম ভাই।’ অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘কমেন্টগুলো দেখলে বোঝা যায় মানুষের মানসিকতা কত নিচে নেমে গেছে।’ ইয়াশ রোহান অনন্তপরিবারের বরেণ্য অভিনেতা নরেশ ভূঁইয়া ও শিল্পী সরকার অপুর সন্তান। তাঁকে প্রথম বড়পর্দায় অভিনয় করতে দেখা যায় গিয়াস উদ্দিন সেলিমের পরিচালিত ‘স্বপ্নজাল’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে। শোবিজে তার এই যাত্রা শুরু।

  • নব্বইয়ে নগরবাউল জেমস আজ বাষট্টিতে

    নব্বইয়ে নগরবাউল জেমস আজ বাষট্টিতে

    উপমহাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী শিল্পী ও জনপ্রিয় গায়ক মাহফুজ আনাম জেমসের জন্মদিন আজ। তিনি ১৯৬৪ সালের ২ অক্টোবর নওগাঁয় জন্মগ্রহণ করেন। তার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে চট্টগ্রামে। আজ তিনি বয়সের প্রথম বৃত্ত সম্পন্ন করে ৬২-এ পা রাখলেন।

    দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে এই রকবাদক এখন একটি শক্তিশালী অবস্থানে। জেমস শুধু একজন গায়ক নয়, বরং অনুভূতির এক দিগন্ত-প্রসারী নাম, যাঁর গায়কি ও সৃষ্টির জন্য বহু মানুষ তাকে ভালোবাসে। ভক্তরা তাকে সম্মান ও ভালোবাসায় গুরু হিসেবে ডাকে।

    বয়সের ধারকেও অতিক্রম করে, পুরোপুরি চির তরুণ এই শিল্পী এখনও তার ঝাকড়া চুলে গিটার হাতে গানে গানে শ্রোতাদের মাতিয়ে রাখেন। বয়স তার কাছে কেবল Zahlen, কারণ এই গায়ক এখনো গানের জাদুকর হিসেবে הפעולה চালিয়ে যাচ্ছেন।

    জেমসের জীবনযাত্রার গল্প বেশ রোমাঞ্চকর। তার বাবা একজন সরকারি কর্মচারী ছিলেন, পরে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ছোটবেলায় শৈল্পিক ঝোঁক থাকলেও পরিবারের অনিচ্ছাকেই অবজ্ঞা করে তিনি সংগীতের পথে এগিয়ে যান। বাবার সঙ্গে গানের প্রতি আবেগবিহ্বল হয়ে বাড়ি থেকে চলে যান। এরপর চট্টগ্রামের আজিজ বোর্ডিংয়ে থাকাকালীন তাঁর সংগীতের যাত্রা শুরু হয়।

    ১৯৮০ সালে তিনি একটি ব্যান্ড গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন, যার নাম ‘ফিলিংস’। এই ব্যান্ডের তিনি ছিলেন প্রধান গিটারিস্ট ও ভোকাল। ১৯৮৭ সালে তার প্রথম অ্যালবাম ‘স্টেশন রোড’ প্রকাশ পায়, যদিও তখন বেশ জনপ্রিয়তা পায়নি। পরবর্তী সময়ে ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত ‘অনন্যা’ অ্যালবামটি একের পর এক সুপারহিট হয়ে ওঠে।

    তারপরের বছর অর্থাৎ ১৯৯০ সালে ‘জেল থেকে বলছি’, ১৯৯৬ সালে ‘নগর বাউল’, ১৯৯৮ সালে ‘লেইস ফিতা লেইস’, ১৯৯৯ সালে ‘কালেকশন অব ফিলিংস’—এই সমস্ত অ্যালবামগুলো তার ব্যান্ডের জনপ্রিয়তা বাড়ায়। এছাড়াও তার অন্য অ্যালবামগুলো হলো ‘দুষ্টু ছেলের দল’, ‘বিজলি’, ও একক অ্যালবাম যেমন ‘অনন্যা’, ‘পালাবি কোথায়’, ‘দুঃখিনী দুঃখ করোনা’, ‘ঠিক আছে বন্ধু’, ‘আমি তোমাদেরই লোক’, ‘জনতা এক্সপ্রেস’, ‘তুফান’, এবং ‘কাল যমুনা’।

    অ্যালবামের গানের পাশাপাশি জেমস চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করেও অর্জন করেছেন ব্যাপক সফলতা। বাংলা সিনেমার পাশাপাশি হিন্দি গানে গলাপ গেয়েছেন, এবং সে গানের জন্য দিয়েছেন কোটি ভক্তের হৃদয়। বলিউডে তার গাওয়া ‘ভিগি ভিগি’ (গ্যাংস্টার), ‘চল চলে’ (ও লামহে), ‘আলবিদা’, ‘রিস্তে’ (লাইফ ইন অ্যা মেট্টো), ও ‘বেবাসি’ (ওয়ার্নিং) গানের চাহিদা অনেকে মানতে বাধ্য। এছাড়াও বাংলাদেশের ‘সত্তা’ সিনেমায় গাওয়া গান তার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও এনে দেয়।

  • প্রবাদপ্রতিম সংগীতজ্ঞ ছান্নুলাল মিশ্র আর নেই

    প্রবাদপ্রতিম সংগীতজ্ঞ ছান্নুলাল মিশ্র আর নেই

    উপমহাদেশের শাস্ত্রীয় সংগীতের একজন কিংবদন্তি শিল্পী ছান্নুলাল মিশ্র বুধবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর দ্রুত তাকে মির্জাপুরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মৃত্যু ঘোষণা করেন। তবে তার শেষ কৃত্য সম্পন্ন হয় বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) ভোর সাড়ে চারটার দিকে। এই শোকের খবর শুনে ভারত এবং বাংলাদেশের সংগীতজগৎ গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে।

    শিল্পীর কন্যা নম্রতা মিশ্র জানান, কয়েক মাস ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে বিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) রাতে তার শারীরিক পরিস্থিতির আরো খারাপের খবর পাওয়া যায়, এরপরই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি দেখে ১১ সেপ্টেম্বর মির্জাপুরের মেডিকেল কলেজের ১৫ জনের বিশেষ চিকিৎসকদের একটি দল তার চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছিল।

    ছান্নুলাল মিশ্র ১৯৩৬ সালের ৩ আগস্ট উত্তরপ্রদেশের হরুহরপুরে জন্মগ্রহণ করেন। সংগীতের প্রতি তার প্রেমের শুরু বাবার, বদ্রীনাথ মিশ্রের কাছ থেকে। ছোটবেলা থেকেই তিনি বাবার দেখাদেখি শাস্ত্রীয় সংগীতের প্রতি গভীর আগ্রহ দেখা দেয়। বাবার নির্দেশনায় সংগীতের ধারায় তিনি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রায় এক শ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে তিনি ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের নানা রাগ, ভজন ও ধারা সমৃদ্ধ করেছেন। তার কণ্ঠে রচিত রাগ ও ভজনের দলগুলো দেশ-বিদেশের শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রেখেছে। ভারতীয় সংগীতজগৎ তাকে ‘লেজেন্ড’ হিসেবে স্মরণ করবে।

    শাস্ত্রীয় সংগীতের ইতিহাসে তাঁর অবদান অসামান্য। তিনি অসংখ্য কনসার্ট ও অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন এবং ভারতীয় সংগীতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তুলে ধরেছেন। তাঁর অপ্রতিরোধ্য সঙ্গীত জীবন ও অবদানে বাংলা-বাংলাদেশ ও ভারতের সংগীতপ্রেমীরা গভীর শোক প্রকাশ করছে। তাঁর প্রয়াণে সংগীতের অঙ্গন এক গভীর শূন্যতার মুখোমুখি হয়েছে।

  • বিষপ্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে জুবিনকে, স্বজনের অভিযোগ বিস্ফোরক

    বিষপ্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে জুবিনকে, স্বজনের অভিযোগ বিস্ফোরক

    প্রখ্যাত ভারতীয় গায়ক জুবিন গার্গের মৃত্যু নিয়ে এখনো নানা জল্পনা-কল্পনা চলচ্ছে। নতুন করে এক বাবা-ভাবনা প্রকাশ করেছেন, যেখানে তিনি অভিযোগ করেছেন যে, জুবিনকে বিষপ্রয়োগ করে হত্যার অপচেষ্টা করা হয়েছে। তার ভাষায়, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছে তার ব্যান্ড সদস্য এবং মূল সাক্ষী শেখর জ্যোতি গোস্বামী।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির রিপোর্টে জানা গেছে, রিমান্ড নোটে সাক্ষী শেখর জ্যোতি গোস্বামী উল্লেখ করেছেন, জুবিনের মৃত্যু যা ঘটেছে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা। প্রচুর সন্দেহজনকভাবে এটি একটা দুর্ঘটনা নয় বলেও তিনি দাবি করেছেন। উল্লেখ্য, এই হত্যার ষড়যন্ত্রের জন্য সিঙ্গাপুরের প্যান প্যাসিফিক হোটেলকেই বাছাই করা হয়, যেখানে এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    প্রায় এক মাস আগে, ৫২ বছর বয়সী এই গায়ক রে জুবিন গার্গ, ভারতীয় কূটনৈতিক সম্পর্কের ৬০তম বার্ষিকী ও ভারত-আসিয়ান পর্যটনের উৎসবের অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুরে যাত্রা করেছিলেন। ১৯ সেপ্টেম্বর তিনি স্কুবা ডাইভিংয়ের জন্য একটি দ্বীপে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সময়ে ডুবে গিয়ে তার মৃত্যু হয়, যা প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্টে নিশ্চিত করা হয়।

    রিমান্ডের বরাত দিয়ে নিউজ ১৮ জানায়, মূল সাক্ষী তথা জুবিনের ব্যান্ড সদস্য শেখর জ্যোতি গোস্বামী বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, যখন জুবিনের মুখ ও নাক দিয়ে ফেনা বের হতে শুরু করে, তখন দেখানো হয় যেন তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু একেবারে চিকিৎসায় সাহায্য না করে, শুধুমাত্র ‘অ্যাসিড রিফ্ল্যাক্স’ বলে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়। এই অবহেলা, গোস্বামীর মতে, জুবিনের মৃত্যুর পথটা আরও ত্বরান্বিত করেছে।

    গোস্বামী আরও দাবি করেছেন, জুবিন একজন দক্ষ সাঁতারু ছিলেন, এরূপ পরিস্থিতিতে তার স্বাভাবিক ডুবে যাওয়ার কোনও কারণ ছিল না। তিনি অভিযোগ করেছেন, শ্যামকানু মহন্ত ও শর্মা এই ঘটনার প্রমাণ ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ইয়ট দুর্ঘটনার কোনও ভিডিও ফুটেজ শেয়ার করতে নাকোচ করেছিলেন।

    এ পর্যন্ত, এই ঘটনায় মোট চারজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার বা হেফাজতে নিয়েছে। তাদের মধ্যে জুবিনের ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা, ইভেন্ট ম্যানেজার শ্যামকানু মহন্ত, মূল সাক্ষী শেখর জ্যোতি গোস্বামী এবং অন্য এক শিল্পী রয়েছেন। এই ঘটনায় তদন্ত এখনো চলমান।

  • রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা গোপনে বাগদান সম্পন্ন

    রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা গোপনে বাগদান সম্পন্ন

    দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় ও আলোচিত চলচ্চিত্র জুটি রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা অবশেষে তাদের দীর্ঘ দিনের প্রেমের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে গেলেন। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই দুই তারকা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বাগদান সম্পন্ন করেছেন।

    এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শুক্রবার (৩ অক্টোবর) একটি পারিবারিক समारोहের মধ্যে ঘনিষ্ঠ পারিবারিক সদস্য ও কাছের বন্ধুদের উপস্থিতিতে এই দীর্ঘ প্রত্যাশিত বাগদান সম্পন্ন হয়। তবে, তারা এখনও নিজেদের বাগদান বা বিয়ের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি।

    শোনা যাচ্ছে, এই প্রেমের জুটি আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

    ভক্তরা তাদের সম্পর্কের এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক নিয়ে বেশ উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন। এর মধ্যেই সম্প্রতি রাশমিকা একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এই জল্পনায় ইন্ধন দিলেন। দশেরার দিন ঐতিহ্যবাহী পোশাকে কপালে তিলক পরা এক ছবি তিনি শেয়ার করেন। ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুভ দশেরা আমার প্রিয়জন… এই বছর আমি বিশেষ করে কৃতজ্ঞ। কারণ, ‘তাম্মা’ ট্রেলার এবং আমাদের গানের জন্য আপনারা যে ভালোবাসা দেখাচ্ছেন, তার জন্য আমি সত্যিই ধন্য। আপনাদের বার্তা, উৎসাহ ও সমর্থন আমার জন্য অনেক কিছু। শিগগিরই সিনেমার প্রচার শুরু হবে; আপনাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য আমি অপেক্ষা করতে পারছি না।’

    অভিনেত্রীর এই পোস্টে কিছু স্পষ্টভাবেই ব্যক্তিগত জীবনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটার ইঙ্গিত রয়েছে বলে মনে করছেন অনুরাগীরা।

    রাশমিকা মান্দানাকে খুব শিগগিরই পরিচালক আদিত্য সারপোতদার এর ভৌতিক-কমেডি সিনেমা ‘তাম্মা’ তে দেখা যাবে। সেখানে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করবেন আয়ুষ্মান খুরানা। এই ছবিতে আরও রয়েছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী, পরেশ রাওয়ালসহ অন্যান্য অভিনয়শিল্পীরা। এই ছবি আসছে ২১ অক্টোবর মুক্তির অপেক্ষায়।

    অন্যদিকে, বিজয় দেবেরাকোন্ডাকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল গৌতম তির্ণানুরির তেলুগু স্পাই অ্যাকশন-থ্রিলার ‘কিংডম’ (২০২৫) সিনেমায়।