Category: বিনোদন

  • প্রেমিক নয়, শেখ সাদী আমার ছোট ভাই: পরীমনি

    প্রেমিক নয়, শেখ সাদী আমার ছোট ভাই: পরীমনি

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি নিজের ব্যক্তিগত জীবনের নানা গুঞ্জনের মধ্যেও তার স্বাভাবিক জীবন চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে এসে তিনি নিজের সম্পর্কের ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা ব্যক্ত করেছেন। শুরুতে বিভিন্ন গুঞ্জন আর আলোচনা চললেও এখন তিনি নিজের মনোভাব পরিষ্কার করে বলেছেন, তার বন্ধু শেখ সাদী কোনও প্রেমিক নয়, বরং তিনি তাকে ছোট ভাইয়ের মতো মনে করেন।

    বছরের শুরুর দিকে শো বয়েজের গায়ক শেখ সাদীর সঙ্গে পরীমনি অনেক ঘনিষ্টতার খবর শোনা যায়। এমনকি একবার আদালতেও তাদের দেখা যায়, যেখানে শেখ সাদী পরীমনির জামিনদার ছিলেন। এরপর সামাজিক মাধ্যম ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের রোমান্টিক ছবি ও পোস্ট দেখা যায়। তবে দুই তারকার প্রেমের সম্পর্ক বেশি দিন টেকেনি এবং এপ্রিলে খবর আসে, তারা আলাদা হয়ে গেছে।

    তবে এতদিন কেউই সরাসরি কিছু বলেননি। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে উপস্থাপকের প্রশ্নে পরীমনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘শেখ সাদী আমার প্রেমিক নয়, ও আমার ছোট ভাই।’ তিনি যোগ করে বলেন, ‘সে আমার ছোট ভাইয়ের মতো। আমি ওকে ছোট ভাই বলেই ডাকি।’

    অন্য এক সাক্ষাৎকারে পরীমনি বলেছেন, ‘বিপদে পাশে থাকা মানুষটাই জীবনে আসলে আশীর্বাদ। আমি অনেক বিপদে প্রিয়জনের সাহচর্য পেয়েছি। এই সম্পর্কগুলো আমাকে মানসিকভাবে শক্তি দেয়।’

    শেখ সাদীও তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেছেন, ‘আমি দীর্ঘদিন এই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি। পরীমনির অনেক গুণ রয়েছে। সে সত্যিই মানুষের পাশে থাকেন। আমি সবসময় তার সুখ-দুঃখের সঙ্গী হতে চাই।’

    প্রসঙ্গক্রমে, যখন প্রত্যেককে জিজ্ঞেস করা হয়, ‘তুমি কি এখন সিঙ্গেল?’ পরীমনি হেসে উত্তর দেন, ‘না। আমাকে যদি কেউ বলে যে আমি সিঙ্গেল, আমি নিজের কথাও বিশ্বাস করতে পারি না। আমার মনে হয় প্রেমের মধ্যে থাকতেই ভালো’।

    বিয়ের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘আমি একবার বিয়ে করেছি’। আর যখন সঞ্চালক বলেন, ‘শরীফুল রাজের কথা বলছো, তাহলে অন্য বিয়ের কথা শুনে কি বলবে?’ পরীমনি হেসে বলেছিলেন, ‘ভালোই জানি না, ওরা হয়তো মনে করেন সৎস্বামী, যাদের সঙ্গে ডিভোর্স হয়নি।’

    এর আগে তার খালাতো ভাই ইসমাইলের সঙ্গে বিয়ের গুঞ্জন খুবই আলোচিত হয়। শোবিজে তার পথচলার সঙ্গী হয়ে তিনি তখনই বিয়ের কথাও শোনা যায়, যা গত বছর এক সড়ক দুর্ঘটনায় ইসমাইলের মৃত্যুতে আরও জোরালো হয়। এই প্রসঙ্গে, সঞ্চালক জানতে চান, ‘তুমি কি ওকে স্বামী বলো?’ উত্তরে পরীমনি বলেন, ‘হ্যাঁ, ও আমার সৎস্বামী ছিল।’

    এক পর্যায়ে সঞ্চালক মজা করে জিজ্ঞেস করেন, ‘তুমি কতবার বিয়ের পরিকল্পনা করো?’ পরীমনি হেসে বলেন, ‘আমার মনে হয়, ১২ বার বিয়ে করব! ছোটবেলা থেকেই বলতাম, এক ডজন বিয়ে করবো। তবে এখন মনে হয়, সে রুমারও বিশ্বাস ছিল না যে আমি এতো স্বপ্ন দেখছি। এখন আর আমি সেসব বলি না।’

    পরীমনি দীর্ঘ দশকের বেশি সময় ধরে ঢালিউডে কাজ করছেন। তার অভিনয় যেমন জনপ্রিয়, তেমনি তার ব্যক্তিগত জীবন, প্রেম, বিবাহ এবং বিচ্ছেদের খবর নিয়েও তিনি বেশ আলোচনায় থাকেন। তার কারো সঙ্গে প্রেম, বিয়ের সম্পর্ক বা বিচ্ছেদ—সবই হয়েছে নিয়মিত আলোচনার বিষয়। শরীফুল রাজের সঙ্গে সম্পর্ক থেকে শুরু করে সিয়াম আহমেদের সঙ্গে গুঞ্জন, সবই তার জীবনের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তিনি এসব সম্পর্কের ব্যাপারে স্পষ্টতা রেখে তার বক্তব্য ব্যক্ত করেছেন।

  • আমি ব্যর্থ হয়েছি: অভিনেত্রী বাঁধন

    আমি ব্যর্থ হয়েছি: অভিনেত্রী বাঁধন

    ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকে শুরু করে সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। তিনি সরাসরি রাজপথে নেমেছিলেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একত্রীকরণ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন। তার এই সরব উপস্থিতি এখনো অব্যাহত রয়েছে, যেখানে তিনি সময়ের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেন। এবার তিনি নিজের একজন ব্যক্তিগত উপলব্ধি শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি জানালেন তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।

    আজ রোববার তিনি নিজের ফেসবুকে এক দীর্ঘ পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি এমন এক মেয়েকে হতে চেয়েছিলাম, যে সবাইকে খুশি রাখতে পারে— যে অবাধ্য নয়, বাধ্যতামূলক, শান্তভাবে মানিয়ে নিয়ে চলতে পারে। কিন্তু আমি ব্যর্থ হয়েছি। আমি সেই মানুষটা হতে পারিনি, যেভাবে সবাই দেখতে চেয়েছিল। আমি সত্যিই চেষ্টা করেছি, সামর্থ্য দিয়ে চেষ্টা করেছি। পরিবার ও সমাজের প্রত্যাশিত ‘নারী’ হওয়ার জন্য সংগ্রাম করেছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমি ব্যর্থ হলাম। এই ব্যর্থতার জন্য আমি নিজেকে ধন্যবাদ জানাই।’

    তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমি অন্য কারও স্ক্রিপ্টে বাঁচার জন্য জন্মই নেই। আমার কথা অনেকের কাছে অস্বস্তিকর, আমি যা বলি বা করি তা অনেকের সান্ত্বনার সীমা ভেঙে দেয়। আমি সহজ মানুষ নই, তবে কঠোর নয়। আমি কাউকে আঘাত দিই না, অসম্মানও করি না— যদিও অনেকেই আমার প্রতি অশোভন আচরণ করে।

    বাঁধনের কথায়, চলতি মাসের শেষে তার জন্মদিন। তিনি ভাবছেন, এখন তিনি নিজেকে সুখি করে জীবন কাটাবেন— স্বচ্ছন্দে, সৎভাবে, কোনও ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজন ছাড়া। তিনি বলেন, ‘যদি কেউ আমার সঙ্গে অসন্তুষ্ট হন, কষ্ট পান বা আমাকে ভয় পান, ব্লক করে দেন বা ঘৃণ্য ভাবেন, তার জন্য আমার কিছু যায় আসে না। কারণ, যারা আমাকে যত না পছন্দ করে, তার চেয়েও অনেক বেশি মানুষ আমাকে ভালোবাসে, বুঝতে পারে, এবং আমার সত্যে শক্তি পায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমি নিজের প্রতি ভালোবাসি।’

    সবশেষে, তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘আমি ভাঙা নই। আমি শুধু এক পৃথিবীর কাছে অস্বস্তিকর, যেখানে আজও নারী হিসেবে আসল ভূমিকায় থাকতে ভয় পায়। আমি তোমায় ভালোবাসি, আজমেরী হক বাঁধন। তুমি যে নারী হতে চেয়ো, শেষ পর্যন্ত তুমি সেই নারীই হয়ে উঠেছেন।’

  • আপনার লেখায় আমার ভালো লাগে না, শাওনের পোস্টের পর গুলতেকিনের মন্তব্য

    আপনার লেখায় আমার ভালো লাগে না, শাওনের পোস্টের পর গুলতেকিনের মন্তব্য

    প্রয়াত খ্যাতিমান নাট্যকার ও লেখক হুমায়ূন আহমেদের আত্মজীবনীমূলক বই ‘নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ’ এর এক অংশ নিজের ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন। এই বইটি হুমায়ূন আহমেদ নিউইয়র্কে ক্যানসারে আক্রান্ত থাকার সময় লিখেছিলেন, যেখানে মানসিক অসুস্থতা ও বিকৃত মানসিকতার মানুষের নির্মমতা ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাও উঠে এসেছে।

    রোববার (৫ অক্টোবর) নিজের ফেসবুকে শাওন শেয়ার করেছেন, কিভাবে তাঁর স্বামী হুমায়ূন আহমেদের অসুস্থতার সময় এক ব্যক্তি ফেসবুকে বিদ্রূপমূলক মন্তব্য করেছিলেন। একজন কমেন্টারে লিখেছিল, ‘তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে আল্লাহ তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে তোমাকে শিক্ষা দিলেন।’

    শাওন উল্লেখ করেছেন, কীভাবে সেই সময় তিনি দেখলেন তার স্বামী কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাকিয়ে অশ্রু অঁকুর ফেলছিলেন। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কী সমস্যা। স্বামী বললেন, মন খারাপ। তিনি তাঁর পাশে বসে সহযোগিতা করার চেষ্টা করলেন, কিন্তু হুমায়ূন বললেন, ‘আমি চাই না, তুমি আমার মন খারাপটা বুঝো।’ এরপর তিনি জানতে চান, কী লিখেছিল সেই ব্যক্তি। শাওন পড়লেন, সেখানেই ঘোষণা ছিল, ‘তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে আল্লাহ তোমাকে শাস্তি দিলেন।’ এটি এমনই একটি বার্তা যা হুমায়ূনের বিরল সময়েও শুনতে হয়েছে, আর তার মেয়ে লীলাবতীর মৃত্যুর সময়ও এই ধরনের মন্তব্য তাকে হতবাক করেছিল। এই নোংরা মন্তব্যগুলোতে লেখা ছিল, ‘তোমার কঠিন শাস্তি হল, আরও শাস্তি হবে।’

    শাওন লেখেন, এই ধরনের তুচ্ছ মন্তব্যে তিনি খুবই ভেঙে পড়েন, কিন্তু স্বামীর জন্য তিনি শক্তি খুঁজে বের করেন। একজন লেখক এবং তার স্ত্রী হিসেবে তিনি তাঁদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করেন, যে মানুষের মানসিক অসুস্থতাকে তাঁদের চিন্তার যোগ্য মনে করেন, এবং এই সময়টিতে মানুষের ভাল ও সুন্দর দিকগুলোই দেখতে থাকেন। তিনি বলেন, “আমাদের আশেপাশে মানসিকভাবে বিকৃত অনেক মানুষ রয়েছে। তবে আমাদের মনোযোগ থাকা উচিত সুস্থ মানুষের দিকে। অনেক চমৎকার মানুষ প্রতিদিন নানা সুন্দর কথা লিখছেন। থাকলে তারাও জানাতে চান, তাদের সুস্থ দিকগুলো।”

    শেওন আরও বলেন, তাঁর একজন প্রিয় বন্ধু মক্কায় কাবা শরিফ থেকে জানিয়ে দিয়েছেন, ‘আমি আপনার জন্য দোয়া করছি। আপনি একটুও চিন্তা করবেন না। আপনি সুস্থ থাকবেন।’ তিনি এটাই তুলে ধরেছেন, এই কঠিন সময়ে মানুষের মানবিক গুণাবলী এবং শুভ আশা দেখার গুরুত্ব।

    বইয়ে হুমায়ূন আহমেদ আরও একটি অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেছেন, যেখানে তিনি বিকৃত মানসিকতার এক যুবকের মুখোমুখি হয়েছেন। এই যুবক তাকে দেখা করার জন্য প্রচণ্ড হাস্যরসিক কাণ্ডকারখানা করে, এবং শেষ পর্যন্ত গেটের সামনে এমন অবস্থা হয় যেন তারা ঝগড়া করছে। যুবকের বয়েস আনুমানিক ২৩-২৪ বছর, চোখ-মুখ কঠিন। হুমায়ূন তাকে জিজ্ঞেস করেন, কেন এত ব্যস্ত হয়ে তাকে দেখা করতে চাইছেন। যুবক তখন বলেছিলেন, ‘তোমার লেখাটা আমার জঘন্য লাগে।’ এই মন্তব্য শুনে হুমায়ূন অবাক হন এবং জিজ্ঞেস করেন, ‘এত ঝামেলা করে এই কথাটা বলার জন্য।’ যুবক উত্তরে জবাব দেয়, ‘হ্যাঁ, কারণ সরাসরি বলতে সাহস করে না, সবাই তো তোমার চামচা।’ এরপর যুবক ইংরেজিতে বলে, ‘আই ওয়ান্ট ইউ টু ডাই সুন’ অর্থাৎ, ‘আমি চাই তোমার দ্রুত মৃত্যু হোক’। হুমায়ূন শান্তভাবে উত্তর দেন, ‘আমি আশা করি, তোমার জীবন দীর্ঘ ও অর্থপূর্ণ হবে।’ এই ঘটনায় তিনি বোঝাতে চান, হিংসে ও বিদ্বেষের মানুষ নানা রকম অপ্রত্যাশিত কথা বলে যেতে পারে, তবে আমাদের মনোযোগ থাকা উচিত সুন্দর ও ইতিবাচক মানুষের দিকে।

  • শিল্পা শেঠিকে প্রতারণার মামলায় পাঁচ ঘণ্টা জেরা

    শিল্পা শেঠিকে প্রতারণার মামলায় পাঁচ ঘণ্টা জেরা

    প্রায় দুয়েক মাস আগে বিশাল অর্থের জালিয়াতির একটি মামলায় শিল্পা শেঠি এবং তার স্বামী রাজ কুন্দ্রার নাম উঠে এসেছে। বর্তমানে এই মামলার তদন্ত চলছে। মুম্বাইয়ের অর্থনৈতিক অপরাধ দফতর (ইকনমিক অর্ফেন্সেস উইং) শিল্পাকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসা করে।

    একটি সূত্র জানিয়েছে, তদন্তকারীরা শিল্পার মালিকানাধীন একটি সংস্থার অ্যাকাউন্টে ১৫ কোটি টাকা ট্রান্সফার সম্পর্কিত বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এখনো পর্যন্ত, এই মামলায় শিল্পা শেঠি ও আরও পাঁচজনের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে।

    এর আগে সেপ্টেম্বরে, মুম্বাই পুলিশ ওই অর্থনৈতিক অপরাধ শাখা রাজ কুন্দ্রার কথাও গ্রহণ করে। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়, ৬০ কোটি টাকার জালিয়াতির অভিযোগে শিল্পা ও তার স্বামী রাজ কুন্দ্রার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। পাশাপাশি, মুম্বাই পুলিশ রাজ কুন্দ্রার বিরুদ্ধে একটি সমনও জারি করেছে।

    অপরদিকে, গত ২ থেকে ৫ অক্টোবর, রাজ এবং শিল্পা থাইল্যান্ডের ফুকেটে পারিবারিক ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। এই বিস্তারিত বেড়াতে যাওয়ার জন্য তারা মুম্বাই হাইকোর্টের কাছ থেকে ছুটির অনুরোধও করেন। তবে, আদালত তাদের সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। তারা মুম্বাই পুলিশের অর্থনৈতিক অপরাধ শাখার জারি করা লুকআউট নোটিশ স্থগিত করার জন্য অপিল করেছিলেন।

    শিল্পা ও রাজের আইনজীবী নিরঞ্জন মুন্ডারগি ও কেরাল মেহতা আদালতকে জানান, ২০২১ সালে মামলার থাকা সত্ত্বেও দম্পতি অনেকবার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন। তারা বলেন, তদন্তে সহযোগিতা করতে তারা দেশে ফিরে এসেছেন। তাই, যুক্তি দেখানো হয়, চলমান তদন্তের সময় তাদের ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া উচিত।

  • নুসরাত ফারিয়া স্ক্রিনশট শেয়ার করে বললেন, ‘এটি সম্পূর্ণ প্রতারণা’

    নুসরাত ফারিয়া স্ক্রিনশট শেয়ার করে বললেন, ‘এটি সম্পূর্ণ প্রতারণা’

    প্রতারণার শিকার হয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। বিষয়টি তেমন সাধারণ নয়; তিনি গুরুতর প্রতারণার শিকার হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, তার নাম ও ছবির ব্যবহার করে একটি ভুয়া প্রোফাইল তৈরি করা হয়েছে এবং সেই আইডি থেকে মানুষদের কাছে টাকা চাওয়া হচ্ছে।

    সোমবার দুপুরে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ওই ভুয়া আইডির একটি স্ক্রিনশট প্রকাশ করে সবাইকে সতর্ক করেন নুসরাত ফারিয়া। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন, ‘কেউ আমার ছবি ও পরিচয় ব্যবহার করে ভুয়া নম্বর দিয়ে মানুষের কাছ থেকে টাকা চাইছে। এটা সম্পূর্ণ প্রতারণা। আমার সঙ্গে এর কোন সম্পর্কই নেই।’

    এছাড়াও, তিনি ভক্ত ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দেন, যেন কেউ ওই ভুয়া প্রোফাইলের পোস্টে প্রতিক্রিয়া না দেয়, কারো কথায় টাকা পাঠানো থেকে বিরত থাকেন। পাশাপাশি, সবাইকে আহ্বান জানান, এমন ভুয়া প্রোফাইল রিপোর্ট করে দ্রুত বন্ধ করে দেয়ার জন্য।

    চিত্রনায়কদের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি ও হোয়াটসঅ্যাপের ঘটনায় নতুন কিছু নয়। মাঝে-মধ্যে এরকম ঘটনা শোনা যায়, যা সাধারণ মানুষের জন্য উৎকণ্ঠাজনক। এই পরিস্থিতিতে নিজেকে সুস্থ, সুরক্ষিত ও সচেতন রাখার জন্য নুসরাত ফারিয়া সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

    এর আগে অন্যান্য তারকাদের যেমন অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা ও বরিষ্ঠ চিত্রনায়ক আলমগীরও ভুয়া আইডির বিড়ম্বনায় পড়েছিলেন। আলমগীরের ক্ষেত্রে তার মেয়ে আঁখি আলমগীর সতর্ক করেছিলেন, আর প্রভা নিজেই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছিলেন।

  • গোপনে বাগদান সারলেন রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা

    গোপনে বাগদান সারলেন রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা

    দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় তারকা জুটি রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা অবশেষে তাদের দীর্ঘ দিনের প্রেমের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে যে, এই দুই তারকা আনুষ্ঠানিকভাবে বাগদান সম্পন্ন করেছেন।

    এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবের উপস্থিতিতে গত শুক্রবার (৩ অক্টোবর) একান্তই পারিবারিক অনুষ্ঠানে এই বাগদান পর্ব সম্পন্ন হয়। তবে, এই সম্পর্কে তারা এখনো কোনো ব্যাপারে সরাসরি ঘোষণা দেননি।

    তবে জানা গেছে, এই প্রেমের সম্পর্কের এই শুভ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের আগামী পরিকল্পনা রয়েছে, যা হলো ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিবাহের প্রস্তুতি নেওয়া।

    ভক্তদের মধ্যে এই খবরের আনন্দ ও উত্তেজনা ইতিমধ্যে তুঙ্গে উঠেছে। এরই মধ্যে রাশমিকা মান্দানা একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে আলোচনাকে আরও উসকে দিয়েছেন। দশেরার দিনে তিনি ঐতিহ্যবাহী পোশাকে কপালে তিলক পরা একটি ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুভ দশেরা প্রিয়জন… এই বছর আমি অনেক কৃতজ্ঞ। কারণ, “তাম্মা” ট্রেলার এবং আমাদের গানের জন্য আপনারা যে ভালবাসা দেখাচ্ছেন, তা আমার জন্য খুবই প্রেরণাবহ। আপনারা যে ধরনের শুভেচ্ছা, উত্তেজনা এবং সমর্থন দিচ্ছেন, তা আমার প্রতিটা মুহূর্তকে আরও বড় ও আনন্দময় করে তোলে। শিগগিরই সিনেমা প্রচারে আসছি, আপনাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না।’

    এই পোস্ট থেকে বোঝা যায় যে, অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটে যাওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে ভক্তদের মনে।

    রাশমিকা মান্দানাকে পরবর্তী ছবি ‘তাম্মা’ তে দেখা যাবে, যেখানে তিনি পরিচালকের দৃষ্টিতে উপস্থাপন করেছেন ভৌতিক-কমেডি ধরনের এই চলচ্চিত্র। তাঁর বিপরীতে রয়েছেন আয়ুষ্মান খুরানা। নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী ও পরেশ রাওয়ালসহ আরও বেশ কয়েকজন অভিনেতা এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এই ছবি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে ২১ অক্টোবর।

    অন্যদিকে, বিজয় দেবেরাকোন্ডা সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল গৌতম তান্নানুরির পরিচালনায় তেলুগু স্পাই অ্যাকশন-থ্রিলার ‘কিংডম’ (২০২৫) সিনেমায়।

  • শাওনের ফেসবুক পোস্টে হুমায়ূন আহমেদের জীবনের কিছু ক্ষনিকের গল্প ও মনোভাব

    শাওনের ফেসবুক পোস্টে হুমায়ূন আহমেদের জীবনের কিছু ক্ষনিকের গল্প ও মনোভাব

    প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের আত্মজীবনীমূলক বই ‘নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ’ থেকে তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন একটি গভীর এবং ক্ষণিকের হৃদয়স্পর্শী অংশ নিজে ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। এই বইটি হুমায়ূন আহমেদ ক্যানসার আক্রান্ত অবস্থায় নিউইয়র্কে চিকিৎসা নিতে থাকাকালীন লেখেন, যেখানে তিনি মানসিক অসুস্থতা ও বিকৃত মানসিকতার মানুষের নির্মমতা ও মনোবল ভেঙে দেওয়ার দিকগুলো অকপটে তুলে ধরেছেন।

    রবিবার (৫ অক্টোবর) শাওন তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেছেন কীভাবে তার স্বামী হুমায়ূন আহমেদের অসুস্থতার সময় এক ব্যক্তি তাকে অপমানজনকভাবে প্রকাশ্যে বিদ্রুপ করেছিলেন। ওই ব্যক্তি লিখেছিলেন, ‘তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে আল্লাহ তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে তোমাকে শিক্ষা দিয়েছেন।’ এই ধরনের মন্তব্যের ফলে শাওন তার স্বামীর প্রতি দারুণ আলোচনার সৃষ্টি হয়।

    একদিন শাওন লক্ষ্য করেন, তার স্বামী চোখের পাতায় অশ্রু নিয়ে কম্পিউটারের ফেসবুক ফিডে তাকিয়ে আছেন। তিনি জিজ্ঞেস করেন, ‘এত সমস্যা কী?’ স্বামী বললেন, ‘কিছু না, মন খারাপ হয়েছে।’ শাওন বলেন, ‘আমি তোমার মন খারাপ অতিক্রম করতে পারি। বলো কী হয়েছে?’ স্বামী বললেন, ‘তুমি জানো না, কতজন আমাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য এই মন্তব্য করেছে। কেউ লিখেছিল, আমার জীবনে আগে এটি হয়েছে, হয়তো আরও হবে।’ এই মন্তব্যগুলো হুমায়ূন আহমেদকে ভেঙে দিয়েছিল, বিশেষ করে যখন তার মেয়ে লীলাবতী মৃত্যুর পরও তাকে এমন অপমানজনক মন্তব্যের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

    তবে, শাওন উল্লেখ করেছেন, তার স্বামী একবার তার মনোভাব পরিবর্তনে চেষ্টা করেছিলেন এবং তাকে বলেছিলেন, ‘পৃথিবীতে অনেক মানুষ মানসিক রোগে ভুগছে, তাদের নিয়ে চিন্তিত হবার কিছু নেই। আমরা তাদের বাইরে রাখতে পারি না। তবে আমাদের মনোবল রাখতে হবে। তোমার ফেসবুকে হাজারো মানুষ শুভকামনা ও সুস্থ মনোভাব প্রকাশ করছে। একবার এক ব্যক্তির সাথে তুলনা করে তিনি বলেছিলেন, তিনি কাবা শরিফে রয়েছেন এবং দোয়া করছেন যেন তার জন্য অনেক সুখ এবং শান্তি আসে।’

    শেষে, হুমায়ূন আহমেদ তাঁর জীবনের এক অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন যেখানে তিনি বিকৃত মানসিকতার একজন যুবকের মুখোমুখি হন। বইয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের আশপাশে বিকৃত মনোভাবাপন্ন মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। একবার আমি এক যুবকের সাথে দেখা করছিলাম, তার চোখে অপ্রতিরোধ্য এই ভাবনাটা ছিল যে, ‘তোমার লেখা আমার জঘন্য লাগে’। এই কথার জন্য সে যেহেতু সাহস করে কথা বলেছে, আমি খুশি হয়েছি। তিনি আরও বললেন, ‘আমি চাই আপনি শীঘ্রই মারা যান’। তখন, আমি তাকে বলি, ‘আমি আশা করি, এবং প্রার্থনা করি, আপনার জীবন দীর্ঘ ও অর্থপূর্ণ হোক’।’ এইভাবেই হুমায়ূন আহমেদের জীবন থেকে নানা স্মৃতি ও ভাবনা সংক্ষেপে লিপিবদ্ধ হয়েছে এই বইয়ে।

  • পরীমনি: প্রেমিক নয়, শেখ সাদী আমার ছোট ভাই

    পরীমনি: প্রেমিক নয়, শেখ সাদী আমার ছোট ভাই

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনির জীবন ঘিরে প্রেম ও বিয়ের গুঞ্জন যেন শেষ হওয়ার নাম নেয় না। একের পর এক সম্পর্কের খবর, আলোচনা ও সমালোচনার মাঝে তিনি নিজের মতো করে জীবন চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে তিনি তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন।

    বছরের শুরুর দিকে তরুণ গায়ক শেখ সাদীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়। এমনকি এক সময় আদালতেও একসঙ্গে দেখা যায় তাদের দুজনকে। শেখ সাদী তখন পরীমনির জামিনদার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। পরে বিভিন্ন জায়গায় তাদের একসঙ্গে দেখা যায় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোমান্টিক পোস্টে সেই গুঞ্জন আরো জোরদার হয়। তবে এসব সম্পর্ক বেশিক্ষণ টিকেনি। এপ্রিলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হয়, তাদের সম্পর্ক শেষ হয়েছে।

    তীব্র গুঞ্জনের মধ্যেও কেউই এই বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। এবার পরীমনি নিজেই এই নীরবতা ভাঙলেন। একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠান চলাকালে যখন উপস্থাপক প্রশ্ন করেন, ‘শেখ সাদী কি আপনার প্রেমিক?’ তখন তিনি হেসে জবাব দিয়েছেন, ‘ও আমার ছোট ভাই। ও আমার ছোট ভাইয়ের মতো।’

    পূর্ববর্তী এক সাক্ষাৎকারে পরীমনি বলেছিলেন, ‘বিপদের সময় যে পাশে থাকে, সে আসল জীবনের জন্য আশীর্বাদ। আমি এই জীবনে অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী পেয়েছি, যারা আমার সুখ-দুঃখের গল্প শেেয়ার করে মানসিকভাবে ভালো থাকি।’

    অন্যদিকে, শেখ সাদী বলেন, ‘আমি অনেক দিন ধরে শিল্পে কাজ করছি। পরীমনির মধ্যে অনেক ইতিবাচক গুণ রয়েছে। বিপদ-আপদে তিনি মানুষের পাশে থাকেন। আমি তার মঙ্গল কামনা করি সবসময়।’

    অনুষ্ঠানে যখন পরীমনিকে প্রশ্ন করা হয়, ‘আপনি কি এখন সিঙ্গেল?’ তিনি উত্তরে বলেন, ‘না।’ এরপর যোগ করেন, ‘শোনেন, আমি যদি নিজেকে সিঙ্গেল বলি, কেউ বিশ্বাস করবে না। আমি নিজে এটা বিশ্বাস করি না। আমার মন এখনও প্রেম প্রেম করে ভরপূর, এটা থাকা উচিত।’

    প্রেমের পর বিয়ের বিষয়টিও ওঠে আসে। সঞ্চালক জিজ্ঞেস করেন, ‘তুমি মোট কতবার বিয়ে করেছো?’ পরীমনি জানান, ‘একবার।’ তখন সঞ্চালক বলেন, ‘শরীফুল রাজের কথা বলছেন, তারপর শুনি অন্যান্য বিয়ের কথা?’ তিনি হেসে জবাব দেন, ‘জানি না। ওরা মনে হয় সৎস্বামী, যাদের সাথে ডিভোর্স হয়নি। ’

    পূর্বে তার খালাতো ভাই ইসমাইলের বিষয়েও গুঞ্জন উঠেছিল, যিনি তার শোবিজে পথচলার সঙ্গী ছিলেন। বলা হয়, তিনি তার সঙ্গে বিয়েও করেছিলেন। গত বছর নভেম্বরে এক সড়ক দুর্ঘটনায় ইসমাইলের মৃত্যু এই গুঞ্জন আরও বাড়িয়ে দেয়। সঞ্চালক জানতে চান, ‘ইসমাইল কি তোমার স্বামী ছিলেন?’ পরীমনি বিনা দ্বিধায় উত্তর দেন, ‘হ্যাঁ, তিনি আমার সৎস্বামী ছিলেন।’

    সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে সঞ্চালক মজা করে জিজ্ঞেস করেন, ‘তুমি কতবার বিয়ে করতে চাও?’ পরীমনি হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমার ইচ্ছে আছে রাজি হয়ে ১২টি বিয়ে করার। ছোটবেলা থেকেই এ গল্প বলতাম যে, আমি এক ডজন বিয়ে করব। এরকম রিউমার যাতে সত্যি হয়, সেটা আমি বুঝতে পারিনি। আগে বলতাম, এখন আর বলছি না।’

    দশ বছরের বেশি সময় ধরে ঢালিউডে কাজ করছেন পরীমনি। তার অভিনয় যেমন আলোচনায় থাকেন, তেমনি কখনো কখনো তার ব্যক্তিগত জীবন, প্রেম, বিয়ে এবং বিচ্ছেদের গল্প নিয়েও বেশ আলোচিত হন তিনি। শোবিজে তার প্রেমের সম্পর্কের বিষয়েও নানা আলোচনায় উঠে আসে, যেমন তার শরীফুল রাজের সাথে প্রেম ও বিয়ের খবর। তবে সেই সম্পর্কও স্থায়ী হয়নি। এরপর সিয়াম আহমেদের সঙ্গেও তার প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেল, যদিও তিনি সবসময় তা অস্বীকার করেছেন।

  • নুসরাত ফারিয়া স্ক্রিনশট ফাঁস করে বললেন, ‘এটা সম্পূর্ণ প্রতারণা’

    নুসরাত ফারিয়া স্ক্রিনশট ফাঁস করে বললেন, ‘এটা সম্পূর্ণ প্রতারণা’

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া সম্প্রতি ভয়ংকর এক প্রতারণার শিকার হয়েছেন। কেউ তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে একটি ভুয়া প্রোফাইল তৈরি করে মানুষের কাছ থেকে টাকা চাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা এতটাই গুরুতর যে, এটি শুধু সাধারণ প্রতারণা নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে প্রতারণার মারাত্মক কৌশল।

    সোমবার দুপুরে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সেই ভুয়া প্রোফাইলের স্ক্রিনশট প্রকাশ করে সকলকে সতর্ক করেছেন নুসরাত ফারিয়া। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, ‘কেউ আমার নাম ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া নম্বর দিয়ে মানুষকে টাকা দাবি করছে, যা সম্পূর্ণই প্রতারণা। এর সঙ্গে আমি সম্পৃক্ত নই।’

    অভিনেত্রী তার ভক্ত ও সাধারণ দর্শকদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দিয়েছেন, ‘দয়া করে ভুয়া প্রোফাইলটির কোন পোস্টে কমেন্ট করবেন না বা কেউ যদি টাকা চান, তবে তা বিশ্বাস করবেন না এবং দ্রুত রিপোর্ট করুন।’

    বিনোদন অঙ্গনে এমন ভুয়া আইডি, হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের খবর নতুন নয়। এটি মাঝেমাঝেই শোনা যায় এবং অভিনেতারা এর শিকার হন। এবার নুসরাত ফারিয়া নিজেও এই ধরনের বিড়ম্বনায় পড়েছেন। তার এই সতর্কবার্তা সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

    আগের বছরেই অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা ও বরেণ্য চিত্রনায়ক আলমগীরও ভুয়া আইডির শিকার হয়েছিলেন। আলমগীরের ক্ষেত্রে তার মেয়ে আঁখি আলমগীর সতর্ক করেছিলেন, আর প্রভা নিজেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। এই ঘটনাগুলোর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে বোঝা যায়, জনপ্রিয় তারকাদের নামে ভুয়া অ্যাকাউন্টের বাতাবরণ অনেক সময়ই ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।

  • অভিনেত্রী বাঁধন জানালেন, আমি ব্যর্থ হয়েছি

    অভিনেত্রী বাঁধন জানালেন, আমি ব্যর্থ হয়েছি

    অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। তিনি রাজপথে নেমেছিলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতার নিদর্শন হিসেবে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তিনি সক্রিয় থাকেন, বিভিন্ন বর্তমান ইস্যু নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করে থাকেন। সম্প্রতি তিনি নিজের ব্যর্থতার কথায় সবাইকে আশ্চর্য করে দেন।

    রবিবার নিজের ফেসবুক পেজে বাঁধন লিখেছেন, ‘আমি এমন একজন নারী হতে চেয়েছিলাম, যা সবাইকে খুশি রাখতে পারে— একনিষ্ঠ, বাধ্য, শান্তভাবে মানিয়ে নিতে শেখানো। কিন্তু আমি তা হয়ে উঠতে পারিনি। আমি চেষ্টা করেছিলাম, সত্যিই করেছি। পরিবারের প্রত্যাশিত মেয়ে এবং সমাজের উদ্ভাবিত নারী চরিত্রের সঙ্গে মানিয়ে চলার জন্য। কিন্তু আমি আমার এই চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছি। এই ব্যর্থতার জন্য আজ আমি নিজেকেই ধন্যবাদ জানাই।’

    তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমি অন্য কারও নিয়মে জীবন কাটানোর জন্য জন্মায়নি। আমার কথা অনেকের জন্য অস্বস্তির কারণ, আমার কাজ অনেকের জন্য সান্ত্বনার সীমা ভেঙে দেয়। আমি সহজ মানুষ না, তবে নির্মমও নয়। আমি কাউকে আঘাত দিই না, তাদের অসম্মানও করি না— যদিও অনেকেই আমার প্রতি আগ্রহ দেখায় বা দুর্ব্যবহার করে।’

    চলতি মাসের শেষে বাঁধনের জন্মদিন। এই বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চল্লিশের পর এসে আমি আমার সঙ্গে শান্তি পেয়েছি। এখন আমি নিজের মতো জীবন যাপন করি— স্বাধীনভাবে, সৎভাবে, কোনো ক্ষমাপ্রার্থনা না করে। যদি কেউ এতে কষ্ট পায়, কেউ আমাকে উপেক্ষা করুন, ব্লক করুন বা ঘৃণা করুন, আমি তাতে কিছু মনে করি না। কারণ, যাদের আমি অস্বস্তি দিয়েছি, তাদের পাশাপাশি অনেকের ভালোবাসা, বোঝাপড়া ও সমর্থন আছে। সবচেয়ে বড় কথা, আমি নিজেকে ভালোবাসি।’

    সর্বশেষ, তিনি বলেন, ‘আমি ভাঙা নই। আমি শুধু এক পৃথিবীর কাছে অস্বস্তিকর, যেখানে এখনও আসল নারীদের ভয় করে। তোমাকে ভালোবাসি, আজমেরী হক বাঁধন। তুমি যে নারী হওয়ার স্বপ্ন দেখছিলে, শেষ পর্যন্ত ঠিক সেটাই হয়েছো।’