Category: বিনোদন

  • রুনা লায়লার সাক্ষাৎকারে মোহাম্মদ রফির স্মৃতি

    রুনা লায়লার সাক্ষাৎকারে মোহাম্মদ রফির স্মৃতি

    উপমহাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার সুরের জালের অন্তরালে রয়েছে অসংখ্য কিংবদন্তির গল্প। সেই তালিকায় প্রথম থাকেন মোহাম্মদ রফি, যিনি একবার রুনাকে দেখে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন। তিনি সম্প্রতি এক বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যেখানে রুনা লায়লা তার স্মৃতিচারণা শোনান।

    উপস্থাপক জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘১৯৭৯ সালে জানে বাহার ছবিতে মোহাম্মদ রফির সঙ্গে আপনি প্লেব্যাক করেছেন। শুনেছি, তখন তিনি আপনাকে সম্মানসূচক দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন।’

    এর জবাবে রুনা লায়লা বলেন, ‘আমি এখনও ভাবতে পারি না, সেই মানুষটি কতই যেন অনন্য। আমি ছোটবেলা থেকে ওনার গান শুনে বড় হয়েছি। প্রথম বার যখন ওনার ছবি দেখেছিলাম, মনে হয়েছিল এই ভদ্রলোক প্রেম-বিরহের গান এত আবেগ দিয়ে কেমন করে করেন!’

    তিনি আরো বললেন, ‘একদিন বাপ্পি লাহিড়ী বললেন, একজন গায়ক আছে, রফি সাহেবের সঙ্গে গান করবেন। আমি উচ্ছ্বসিত হয়ে বললাম, ওরে বাপ রে! খুব আগ্রহ নিয়ে রিহার্সাল শুরু করলাম। স্টুডিওতে গিয়ে দেখলাম, রফি সাহেব ইতিমধ্যেই উপস্থিত, বসে রেওয়াজ করছেন। আমি এসে বললাম, দেরি হয়ে গেছে মনে হচ্ছে। উনি দাঁড়িয়ে গলেন, বললেন, “না, তুমি ঠিক সময়ে এসেছো। আমি আগে এসেছি। তোমার সঙ্গে গান গাইতে পারা আমার জন্য বড় গর্ব!” শুনে আমি কেঁদে ফেলি। উনি আমাকে বললেন, “অবশ্যই, আমি গাইলাম তোমার সঙ্গে। এটা আমার জন্য সম্মানের বিষয়।’’ আমার জন্য এটি ছিল অন্যতম এক স্বপ্নের বাস্তবতা।

    রুনা লায়লার মতে, মোহাম্মদ রফি সব সময়ই তার সম্মানের স্থান পেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘উনি আমাকে বসতে বলতেই আমি বললাম, আগে আপনি বসুন। উনি বললেন, না, আগে আপনি বসুন। আমি যখন বলছিলাম যে, আপনার সঙ্গে গাইয়া খুব সম্মানের বিষয় আমার, তখন উনি বললেন, “আমারও খুব সম্মান, কারণ আমি আপনাকে সঙ্গে গান করতে পারছি।’’

    সম্প্রতি সংগীতজীবনের ষাট বছর পূর্তি উদযাপন করেছেন রুনা লায়লা। তার সংগীত জীবন শুরু হয় ১৯৬৫ সালে উর্দু ছবি ‘জুগনু’তে গান করার মাধ্যমে। এরপর তিনি দশ হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন।

    তিনি বাংলা, হিন্দি ও উর্দু ভাষার চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করেছেন এবং অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। তার গানের গুণে উপমহাদেশে তার খ্যাতি আলোর মতো বিকশিত হয়েছে। তিনি দেশের অন্যতম উচ্চতম বেসামরিক পদক, স্বাধীনতা পদক পেয়েছেন। সাতবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন এবং দেশ-বিদেশের আরও অসংখ্য পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন।

  • জয়-মাহির ১৪ বছরের বিবাহিত জীবন শেষ হচ্ছে

    জয়-মাহির ১৪ বছরের বিবাহিত জীবন শেষ হচ্ছে

    ভারতের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি জয় ভানুশালী ও মাহি ভিজ আবার সবাইকে চমক দিতে চলেছেন। দীর্ঘ ১৪ বছরের প্রেম ও সংসারকে সমাপ্তি জানিয়ে তারা আলাদা হয়ে যাচ্ছেন। এই খবরটি চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে টেলিভিশন ও সিনেমা বিশ্বে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিংক ভিলার রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১১ সালে এই দুই তারকা একটি সংসার শুরু করেছিলেন। ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একসাথে থেকে তারা কাজের পাশাপাশি সংসারও ঠিকঠাক চালাতেন। প্রথম কয়েক বছর খুবই সুখে কেটেছিল তাদের। তবে ৬ বছর পরে বিবাহিত জীবনের মধ্যে কিছু সমস্যা শুরু হয়।

    ২০১৭ সালে সন্তান না হওয়ায় তারা দত্তক নেয় ছেলে রাজবীর ও খুশি নামে দুই সন্তান। এরপর ২০১৯ সালে পরিবারে আসে তাদের একমাত্র মেয়ে, নাম তারা। এই সময় পর্যন্ত সুখের সংসার চলছিল, এমনকি ২০২৪ সাল পর্যন্ত দম্পতি একসঙ্গে ছিলেন।

    তবে গত বছরের জুন থেকেই তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের পারিবারিক ছবি পোস্ট বন্ধ করে দেন। গত বছরের আগস্টে একমাত্র মেয়ের জন্মদিনে তারা আবার একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। এরপর দুজনের মধ্যে আলাদা বসবাস শুরু হয়। জানা গেছে, বিশ্বাসঘাতকতা এবং বিশ্বাসের ক্ষয়.main কারণ ছিল তাদের বিচ্ছেদের জন্য। দুই পক্ষই সম্পর্ক রক্ষা করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সব চেষ্টাই শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।

    অবশেষে চলতি বছরের জুলাইয়ে তারা আইনি বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। এই জুটি রিয়েলিটি শো ‘নাচ বালিয়ে ৫’ এর বিজয়ী। আবর্তনমূলকভাবে সিরিয়াল, উপস্থাপনা ও মডেলিংয়ে কাজ করেছেন তারা।

    জয় ভানুশালী সিনেমায়ও কাজ করেছেন, তার উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলির মধ্যে রয়েছে ‘হেট স্টোরি ২’, ‘দেশি কাট্টে’, ‘এক পেহেলি লীলা’ ইত্যাদি। মাহি ভিজ নিজেও হিন্দি সিরিয়াল ‘বালিকা বধূ’ ও ‘লাগি তুঝে লগন’-এ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। তাদের এই বিচ্ছেদ নতুন করে আলোচনায় আসছে কলাকুশলী ও দর্শকদের মাঝে।

  • শাবনূরের মন্তব্য সালমান শাহ মৃত্যু নিয়ে বিভ্রান্তি এড়ানোর আহ্বান

    শাবনূরের মন্তব্য সালমান শাহ মৃত্যু নিয়ে বিভ্রান্তি এড়ানোর আহ্বান

    ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তার রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বহু আলোচনা ও গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। অভিনেত্রীর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক আত্মহত্যার দাবি করলেও, বর্তমানে আদালতের নির্দেশে তার অপমৃত্যুর মামলা এবং হত্যা মামলা হিসেবে এটি গ্রহণ করা হয়েছে। গত ২০ অক্টোবর রাতেই সালমান শাহর পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়ের করেন তার মামা আলমগীর কুমকুম, যাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এরপরই বিভিন্ন অপপ্রচারে তার সাবেক সহ-অভিনেত্রী শাবনূরকে জড়িয়ে বিভিন্ন ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হয় বলে তিনি তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। সম্প্রতি (২৭ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে শাবনূর বললেন, ‘সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় আদালতের নির্দেশে ২১ অক্টোবর রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। আমি তখন বিদেশে থাকায় খবরে对此 জানিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘অবশ্যই আমি এই রহস্যের বিস্তারিত জানি না, তবে আমার পরম প্রত্যাশা সালমানের সঠিক তদন্ত ও ন্যায়বিচার। দোষী যেহেতু থাকুক, তাকে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হোক—এটাই আমার একান্ত প্রত্যাশা।’ শাবনূর আরও উল্লেখ করেন, ‘সালমান শাহ আমার জন্য একজন অত্যন্ত প্রিয় সহ-অভিনেতা ছিলেন। আমরা একসঙ্গে ১৪টি সিনেমায় কাজ করেছি। সালমান অভিনয়জগতে এক নতুন প্রতিভার নাম, যার সঙ্গে কাজ করে আমি আমার ক্যারিয়ারকে আরও পরিপূর্ণ ও উজ্জ্বল করে তুলেছি। তার অকাল মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে ব্যথিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমাদের সম্পর্কের ব্যাপারে অনেকের ঈর্ষার কারণ ছিল এবং তার মৃত্যুর পর কিছু অরাজনৈতিক গুঞ্জন বা বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়, যা আমাকে মানসিকভাবে গভীর আঘাত করে। তবে আমি আবার বলতে চাই—আমি সত্যিই জানি না সালমান কিভাবে মারা গেছেন। আমি শুধু তার মৃত্যুর সঠিক তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাইছি, এবং দোষীদের যথাযথ শাস্তি পেতে চাই।’ তিনি শেষের দিকে সালমানের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে বলেন, ‘সালমানের মা নীলা আন্টির কষ্টকর পরিস্থিতি দেখলে আমি অনুভব করতে পারি। আমি তাদের প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা জানাই, এবং সালমান শাহর আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করি।’ গত ২০ অক্টোবর মধ্যরাতে রাজধানীর রমনা থানায় সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে, যেখানে প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। অন্যান্য আসামির মধ্যে রয়েছেন—প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রিজভী আহমেদ ফরহাদ। সালমান শাহ ও শাবনূর প্রথম জুটি বাঁধেন ‘তুমি আমার’ সিনেমায়। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে তিনি ২৭টি সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ (১৯৯৩), ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘বিক্ষোভ’, ‘স্নেহ’, ‘প্রেম যুদ্ধ’ (১৯৯৪), ‘কন্যাদান’, ‘দেনমোহর’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘আঞ্জুমান’, ‘মহামিলন’, ‘আশা ভালোবাসা’ (১৯৯৫), ‘বিচার হবে’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘প্রিয়জন’, ‘তোমাকে চাই’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘জীবন সংসার’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’ (১৯৯৬), এবং ‘প্রেমপিয়াসী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘শুধু তুমি’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভেতর আগুন’ (১৯৯৭)। তার অকাল মৃত্যু, সিনেমার দর্শকদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

  • অভিনেতা হাসান মাসুদ গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    অভিনেতা হাসান মাসুদ গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন হাসান মাসুদ। সাত বছরের মাথায়, ১৯৯২ সালে ক্যাপ্টেন পদের থেকে অবসর নেন। এর পরে তিনি ক্রীড়া সাংবাদিকতা শুরু করেন এবং ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিবিসি বাংলার হয়ে কাজ করেছেন। সাংবাদিকতা ছাড়ার পরে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর প্রখ্যাত নির্মাণ ‘ব্যাচেলর’ দিয়ে তার অভিনয় শুরু। এরপর তিনি ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন এবং বিভিন্ন জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটকে অবদান রাখেন। তার উল্লেখযোগ্য নাটকগুলির মধ্যে রয়েছে – হাউসফুল, ট্যাক্সি ড্রাইভার, এফডিসি, বউ, খুনসুটি, গ্র্যাজুয়েট, রঙের দুনিয়া, আমাদের সংসার, গনি সাহেবের শেষ কিছুদিন, বাতাসের ঘর ও প্রভাতী সবুজ সংঘ।

  • পুণের ফ্ল্যাট থেকে তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের মৃতদেহ উদ্ধার

    পুণের ফ্ল্যাট থেকে তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের মৃতদেহ উদ্ধার

    ভারতের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘জামতারা’ খ্যাত তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের মরদেহ তার পুণের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা তার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে, যা খবর পেয়ে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে দুর্ভাগ্যবশত, চিকিৎসকদের প্রচেষ্টায় আবারো তার জীবন ফিরে আসেনি।

  • বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই

    বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই

    বলিউডের খ্যাতিমান ও বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই। এই দুঃখজনক খবরটি শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার সময় মুম্বাইয়ের একজন হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।

    অভিনেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা অশোক পণ্ডিত। তিনি এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, ‘আমাদের প্রিয় অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই। আজ দুপুর আড়াইটার সময় কিডনি বিকল হয়ে তিনি মারা যান। সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হিন্দুজা হাসপাতালে নেওয়া হয়, তবে চিকিৎসকরা তাকে আর ভোগান্তি থেকে উদ্ধার করতে পারেনি।’

    অশোক পণ্ডিত আরো বলেছেন, ‘এটি আমাদের ইন্ডাস্ট্রির জন্য এক বিশাল ক্ষতি। আমি তার সঙ্গে বহুবার কাজ করেছি। তিনি একজন অসাধারণ অভিনেতা ছাড়াও একটি ভালো মানুষও ছিলেন।’ জানা গেছে, শনিবারই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

    সতীশ শাহ ১৯৮৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জানে ভি দো ইয়ারো’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি ‘ইয়ে জো হ্যায় জিন্দেগি’, ‘ম্যায় হুঁ না’, ‘কাল হো না হো’, ‘ফানা’, ‘ওম শান্তি ওম’ जैसी বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে খ্যাতি পান। সিনেমার পাশাপাশি ছোট পর্দায়েও তার রয়েছে উল্লেখযোগ্য সাফল্য; বিশেষ করে কমেডি ধারার ‘সারাভাই ভার্সেস সারাভাই’ তাকে ঘরে ঘরে পরিচিত করে তোলে।

    ২০১৪ সালে সাজিদ খান পরিচালিত ‘হামশকলস’ ছিল তার শেষ সিনেমা। অভিনয়ের পাশাপাশি, ২০০৮ সালে অর্চনা পুরন সিংয়ের সঙ্গে ‘কমেডি সার্কাস’ অনুষ্ঠানেও তিনি সহ-অভিনেতা ও জজ হিসেবে কাজ করেছেন। বলিউডের এই জনপ্রিয় মুখের প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সহকর্মী ও ভক্তদের মনে।

  • রুনা লায়লার সামনে মোহাম্মদ রফির অবিশ্বাস্য সম্মান

    রুনা লায়লার সামনে মোহাম্মদ রফির অবিশ্বাস্য সম্মান

    উপমহাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার বৈচিত্র্যময় এবং সংকেতপূর্ণ গানের জগৎ আজও সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলেছে। এই সংগীতের জগতে তার অবদান কেবল সাধারণ শ্রোতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সংগীতজ্ঞরাও তাকে গভীর শ্রদ্ধায় দেখে থাকেন। এরই বাংলায় একবার দেখা গিয়েছিল, অন্যতম মহান এই গায়ক মোহাম্মদ রফি হঠাৎ করে দাঁড়িয়ে গেলেন রুনাকে দেখে। এটি ঘটে যখন তিনি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুনা লায়লার সঙ্গে। সেই স্মৃতি আজও যেন মানুষের মনে দমক সৃষ্টি করে।

  • শাবনূর: সালমান শাহর মৃত্যুর কারণ আমি জানি না

    শাবনূর: সালমান শাহর মৃত্যুর কারণ আমি জানি না

    ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অকাল মৃত্যুর কলঙ্কে আক্রান্ত হন। তার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা এতদিন আলাদা আলাদা গুঞ্জনের জন্ম দিচ্ছে, তবে এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কেউ কিছু জানেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন তার প্রিয় সহ-অভিনেত্রী শাবনূর।

    সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর, সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে তার অপমৃত্যু সংক্রান্ত মামলা এখন হত্যা মামলার পর্যায়ে রূপ নিয়েছে। ২০ অক্টোবর রাতেই সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম এই হত্যার দাবিতে মামলাটি দায়ের করেন। এতে শোনা যায়, মামলার সঙ্গে ‘অসৎ উদ্দেশ্য’ বা ভুল তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

    শাবনূর এই বিষয়টি নিয়ে সোমবার (২৭ অক্টোবর) তার ফেসবুক পেজে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেন, “২৯ বছর ধরে আমাদের প্রিয় সালমান শাহের অকাল মৃত্যু নিয়েই নানা গুঞ্জন চলে আসছে। ২১ অক্টোবর রমনা থানায় একজন অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে, যা আমি বিদেশে থাকাকালীন জানতে পেরেছি।

    তিনি আরও বলেন, “অসৎ উদ্দেশ্যে আমার নাম জড়িয়ে বিভিন্ন অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ করছি। আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন গুজব ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে কেউ যেনো বিভ্রান্তি না তৈরি করে, এ জন্য আমি সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আমি বলতে চাই, আমার জানা নাই সালমান শাহ কীভাবে মারা গেছে। আমি কেবলপ্রিয় তার সঠিক তদন্ত ও বিচার চাই, দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হোক—এটাই আমার একান্ত প্রত্যাশা।”

    শাবনূর সালমানের সঙ্গে কাজের স্মৃতি শেয়ার করে বলেন, “সে যেমন একজন শক্তিমান ও প্রতিভাবান অভিনেতা, তেমনি আমাদের এক সঙ্গে কাজ করে ক্যারিয়ারে বৈপ্লবিক উন্নতি হয়েছিল। আমি তার সঙ্গে ১৪টি সিনেমায় অভিনয় করেছি। তার মৃত্যু আমাদের জন্য এক বিরাট ক্ষতি, যা আমি আজও গ্লানি ও বিষাদে ভুগি।”

    অভিনেত্রীরা আরও স্পষ্ট করে বলেন, “সালমান শাহর মৃত্যুর কারণ জানি না। তার অকালপ্রয়াণে আমি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। আমাদের জন্য এটা এক অপূরণীয় ক্ষতি। আশা করি, সত্য কেউ আড়াল করবে না এবং দোষীর বিচার হবে।”

    শাবনূর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, “সালমানের মা নীলা আন্টির গ্লানি ও বিষাদ আমি দেখতে পেয়েছি। তাদের প্রতি আমি আন্তরিক সহমর্মিতা জানাচ্ছি। সালमान যে কতটা আপন ও প্রিয় ছিল, তা বলো যায় না। তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।”

    মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জানানো হয়েছে, ২০ অক্টোবর রাতের মধ্যরাতে রমনা থানায় গুরুতর এই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন তার মামা আলমগীর কুমকুম। এতে মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলার প্রধান আসামি হিসেবে রয়েছেন সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক।

    অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেকআপ শিল্পী রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রিজভী আহমেদ ফরহাদ।

    সালমান শাহ ও শাবনূর প্রথম একসঙ্গে জুটি বাঁধেন ‘তুমি আমার’ সিনেমায়। চার বছরের ক্যারিয়ারে তিনি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে ২৭টি সিনেমা উপহার দেন, যার মধ্যে অনেকগুলো ব্যবসা সফল ছিল। সালমান শাহের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিনেমা হলো—‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘তুমি আমার’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘বিক্ষোভ’, ‘স্নেহ’ এবং ‘প্রেম যুদ্ধ’, ‘কন্যাদান’, ‘দেনমোহর’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘আঞ্জুমান’, ‘মহামিলন’, ‘আশা ভালোবাসা’, ‘বিচার হবে’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘প্রিয়জন’, ‘তোমাকে চাই’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘জীবন সংসার’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘প্রেমপিয়াসী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘শুধু তুমি’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভেতর আগুন’ চলতি জীবনে তিনি তার এই সাফল্য ও এগিয়ে যাত্রা দিয়ে প্রমাণ করেছিলেন, কেন তিনি বাংলার দর্শকদের প্রিয় ছিলেন।

  • জয়-মাহির ১৪ বছরের সংসার ভাঙছে

    জয়-মাহির ১৪ বছরের সংসার ভাঙছে

    ভারতের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি জয় ভানুশালী ও মাহি ভিজ দীর্ঘ ১৪ বছরের বিবাহিতা জীবনের ইতি টানতে চলেছেন। এই দম্পতি এখন বিচ্ছেদের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম পিংক ভিলা এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছে। তাদের সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন জয় ও মাহি। ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবন এখন সমানভাবে এগিয়ে নিচ্ছিলেন দুজন।

    বিবাহের ছয় বছর পরে, সন্তান না থাকায় তারা ২০১৭ সালে রাজবীর ও খুশি নামের দুই সন্তান দত্তক নেন। এরপর ২০১৯ সালে তাদের জীবনে একমাত্র মেয়ে তারা আসে। ২০১৪ সাল পর্যন্ত সংসার ছিল খুবই সুন্দর ও সুখী। তবে, ২০২৩ সালের জুনের পরে তারা আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একসাথে পারিবারিক ছবি শেয়ার করেননি। সবশেষ দেখা গিয়েছিল আগের বছর আগস্টে, যখন তারা তাদের মেয়ের জন্মদিন উদযাপন করেছিলেন।

    তবে এর দুই মাসের মধ্যে, তারা আলাদা বসবাস শুরু করেন। জানা যাচ্ছে, পারিবারিক বিশ্বাসের ব্যাপারটি তাদের সম্পর্কের breakdown এর মূল কারণ। দুজনের পক্ষ থেকেই সম্পর্ক রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটাও অকার্যকর হয়। এজন্য, চলতি বছরের জুলাইয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহ বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

    জয় ভানুশালী ও মাহি ভিজ রিয়েলিটি শো ‘নাচ বালিয়ে ৫’ এর বিজয়ী। সিরিয়াল অভিনয়, উপস্থাপনা, ও মডেলিংসহ নানা রকম কাজে তারা সফল। জয় সিনেমা নিয়েও কাজ করতেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘হেট স্টোরি ২’, ‘দেশি কাট্টে’, ও ‘এক পেহেলি লীলা’। অন্যদিকে, মাহি মূলত হিন্দি সিরিয়াল ‘বালিকা বধূ’ ও ‘লাগি তুঝে লগন’ এর জন্য পরিচিত। তাদের এই বিচ্ছেদ নতুন একটি অধ্যায় শুরু করছে, যা অনেকের কাছেই গভীর আলোচনার বিষয়।

  • পুণের ফ্ল্যাটে তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    পুণের ফ্ল্যাটে তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    ভারতের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘জামতারা’ খ্যাত তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের মরদেহ তার পুণের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তিনি ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। মাত্র পঁচিশ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেছেন এই প্রতিভাবান অভিনেতা। শচীনের অকাল মৃত্যুসংবাদে শোকের ছায়া নেমে এসেছে হিন্দি ও মারাঠি শোবিজ অঙ্গনে। তিনি ‘জামতারা ২’ ওয়েব সিরিজে অভিনয় করে নবাগতদের মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

    ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, শচীন চাঁদওয়াড় শুধুমাত্র একজন অভিনেতা ছিলেন না, তিনি পেশায় ছিলেন একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারও। পুণের একটি পরিচিত আইটি পার্কে কাজ করতেন তিনি। পরিবার ও বন্ধুদের কাছে তিনি সদা হাসিখুশি ও প্রাণোচ্ছল মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে কেন তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন, সে বিষয়ে তার ঘনিষ্ঠরা স্পষ্ট কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

    গত ২৩ অক্টোবর সকালে পুণের তাঁর ফ্ল্যাটে শচীনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পরিবার। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও আপাতত কোনও সুফল হয়নি। শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয় পরিবার। কিন্তু সংক্ষিপ্ত চিকিৎসার পর ২৪ শে অক্টোবর দুপুরে মারা যান তিনি। এই অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে শোবিজ অঙ্গনসহ তার পরিবার, বন্ধু ও অনুসারীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।