Category: বিনোদন

  • সংগীত পরিচালকের বিরুদ্ধে নারীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ, গ্রেপ্তার পরে জামিনে মুক্তি

    সংগীত পরিচালকের বিরুদ্ধে নারীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ, গ্রেপ্তার পরে জামিনে মুক্তি

    বলিউডের পরিচিত সংগীত পরিচালক সচিন সাংঘভীর বিরুদ্ধে এক নারী যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছেন। ২৯ বছর বয়সি ওই নারী অভিযোগ করেন যে, সচিন তার প্রতি দুর্ব্যবহার এবং অশালীনভাবে স্পর্শ করেছেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর পুলিশ তৎপরতা দেখিয়ে সচিনকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে কিছু সময়ের মধ্যে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়, এবং বর্তমানে এই ঘটনায় তদন্ত চলছে।

    পুলিশের নিস্পত্তি সূত্র জানায়, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা অভিযান চালিয়ে সচিনকে হেফাজতে নেয়। এরপর আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।

    অভিযোগ সম্পর্কে সচিনের আইনজীবী আদিত্য মিঠে বলেন, ‘আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পুলিশ বেআইনিভাবে তাকে আটক করেছিল, এজন্যই তাকে দ্রুত মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আমরা সব অভিযোগের সঠিক ও যথাযথ উত্তর দেব।’

    উল্লেখ্য, সচিন সাংঘভী এবং জিগার সারইয়া একসঙ্গে সংগীত পরিচালনা করেন এবং তাদের জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘তারাস’, ‘এক জিন্দেগি’, ‘আপনা বানা লে’, ‘তেরে ওয়াস্তে’ এবং ‘ফির অউর কেয়া চাহিয়ে’। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির ‘থামা’তেও তারা সংগীত দিয়েছেন।

  • আসামিদের শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে: ওসি ওমর ফারুক

    আসামিদের শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে: ওসি ওমর ফারুক

    অসাধারণ জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান শাহের হত্যা মামলায় আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পর এখন অভিযান শুরু হয়েছে অপরাধীদের শনাক্তের জন্য। রমনা থানার ওসি ওমর ফারুক জানিয়েছেন, দ্রুতই আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর হৃদয়বিদারকভাবে মৃত্যুবরণ করেন সালমান শাহ। শুরুতে অনেকেরই ধারণা ছিল এটি আত্মহত্যা, তবে তার পরিবার এবং closely connected ব্যক্তিরা দাবি করেন, পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার তদন্তে দীর্ঘদিন ধরে নানা রহস্যবিরাজ্য চলে, কিন্তু এখন পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হচ্ছে।

    গত ২০ অক্টোবর আদালত সালমান শাহর অমৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে রূপান্তর করার নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে, সেদিনই রমনা থানায় এক হত্যা মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে ১১ জনকে আসামি করা হয়। প্রধান আসামি হিসেবে উঠে এসেছে সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, পাশাপাশি আরও কারা কারা জড়িত তা তদন্তে জানা যাচ্ছে।

    এ মামলার অন্যান্য আসামির মধ্যে প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেফিয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রেজভী আহমেদ ফরহাদ রয়েছেন।

    ওসি গোলাম ফারুক জানান, অনেক অভিযুক্ত এখন দেশের বাইরে থাকায় তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে সতর্কতা অবলম্বন করে চিঠি পাঠানো হয়েছে। দেশের ভেতরে থাকা আসামিদেরও দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, খুব দ্রুতই সংশ্লিষ্ট দের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

    সালমান শাহের মৃত্যুর রহস্য এখনও পুরোপুরি উন্মোচিত না হলেও, তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী, এসব ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আঙিনা এখন ত্বরিত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • সালমান শাহ হত্যা মামলার ১১ আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি

    সালমান শাহ হত্যা মামলার ১১ আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি

    বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শোবিজে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রিয় নায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের নতুন ধাপ এবার যুক্ত হয়েছে। গত ২১ অক্টোবর রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে তার প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা খানসহ মোট ১১ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে রমনা থানার পক্ষ থেকে ইমিগ্রেশন বিভাগকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত এখন আদালতের নির্দেশে পুনরায় চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, নিশ্চিত করতে যে অভিযুক্তরা কোনওভাবেই দেশের বাইরে যেতে না পারেন, সে জন্য সব বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরকে সতর্ক রয়েছে। রমনা থানার ওসি গোলাম ফারুক সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মামলার তদন্ত এখন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। তাই কোনও আসামি যেন দেশের বাইরে যেতে না পারেন, সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

    মামলার এজাহারে প্রথম অভিযুক্ত করা হয়েছে সালমান শাহের প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা খানকে। এ মামলাটি তার পরিবারের পক্ষ থেকে দায়ের করা হয়েছে, যেখানে মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে আছেন ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, অভিনেতা-খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আব্দুল ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফারহাদ। উল্লেখ্য, বেশ কয়েকজন অভিযুক্ত বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

    সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনা সত্যিই বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ এরিয়া। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপর দীর্ঘ তদন্ত চলতে থাকে, যা প্রায় তিন দশক পর্যন্ত চালিত হয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, সালমান শাহ হত্যাকাণ্ড ছিল আত্মহত্যা। তবে এই মামলার নতুন এপিসোডে সত্যতা ও অন্যান্য তথ্য উঠে আসায় তদন্তের অবস্থা নতুন মোড় নিচ্ছে।

  • সালমান শাহের মরদেহের ময়নাতদন্তে নিজ হাতে ছুরি চালিয়েছিলেন রমেশ

    সালমান শাহের মরদেহের ময়নাতদন্তে নিজ হাতে ছুরি চালিয়েছিলেন রমেশ

    ঢালিউডের কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্য এখনও ভেদ করা সম্ভব হয়নি। তার মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ বছর ধরে ধাাঁন্ধা বিতর্ক চলমান থাকলেও সম্প্রতি নতুন এক সংযোজন যুক্ত হয়েছে। অপমৃত্যুর মামলা তখনই রূপ নেয় হত্যা মামলায়, যার পরিপ্রেক্ষিতে তার মৃত্যুর পেছনে কী সত্য তা নতুন করে উঠছে প্রশ্নের মুখে।

    তারই ধারাবাহিকতায় একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে কাজ করা রমেশ নামের একজন জানান, তিনি সালমানের মরদেহের ময়নাতদন্তের সময় নিজ হাতে ছুরি চালিয়েছিলেন। রমেশ বলেন, সেই ভয়ঙ্কর মুহূর্তে তিনি বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে, তার প্রিয় নায়ক মারা গেছেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমার প্রিয় নায়কের বুকের মধ্যে আমি নিজেই ছুরি চালিয়েছিলাম। ফরেনসিক চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সব কিছু করতে হয়েছিল, তবে ক্রমশ বোঝা গেল যে সালমান আর ফিরবেন না।’

    বর্তমানে ধর্মান্তরিত হয়ে সেকান্দার নামে পরিচিত রমেশ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। তিনি বলেন, ‘সালমান শাহর ভক্ত এদেশের লাখো মানুষ। আমি নিজেও তাদেরই একজন। হঠাৎ শুনেছিলাম, সালমান শাহ মারা গেছেন, মরদেহ মর্গে আসছে। সে সময় হয়তো শুক্রবার ছিল—সরকারী ছুটি। মর্গের সামনে হাজারো মানুষ ভিড় করে অপেক্ষা করছিলেন, প্রিয় নায়কের শেষ দেখা পাবার আশায়।’

    রমেশ আরও জানান, ঢাকায় তখন মর্গের ব্যবস্থা ততোটা উন্নত ছিল না। পুরোনো মর্গে তার পাঠানো মরদেহ নিয়ে ময়নাতদন্ত করেন তিনি। লাশ কাটার সময় তিনি অনুভব করেছিলেন, যেন নিজের প্রিয় ব্যক্তিকে আঘাত করছেন। ৩৫ বছর ধরে চাকরি করে এখন অবসর নিয়েছেন এই অবসরপ্রাপ্ত মর্গকর্মী। তিনি বলেন, ‘হাজার হাজার লাশের মধ্যে সালমানের লাশে হাত দেওয়ার সেই ভয়ঙ্কর স্মৃতি আমি আজও ভুলতে পারিনি।’

    ১৯৯৬ সালে ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মারা যান সালমান শাহ। শুরুর দিকে তার মৃত্যুকে ‘আত্মহত্যা’ বলে দাবি করা হয়েছিল, তবে সালমানের পরিবার শুরু থেকেই দাবি করে আসছিল যে, এটি খুনের অপবাদ। দীর্ঘ ২৮ বছর পর, চলতি বছরের ২০ অক্টোবর আদালত তার মৃত্যুকে হত্যা হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দেয়।

    বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সালমান শাহর মৃত্যু এখনো এক অমোঘ রহস্য, যার উত্তর খুঁজে ফিরছে তার কোটি কোটি ভক্ত।

  • বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই

    বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই

    বলিউডের জনপ্রিয় এবং বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর জীবিত নেই। শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরের দিকে তিনি মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন এই অভিনেতা, যা শেষ পর্যন্ত তাঁর জীবনের শেষ মুহুর্তকে স্পর্শ করে।

    অভিনেতার মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা অশোক পণ্ডিত। এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, ‘আমাদের প্রিয় বন্ধু এবং অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই। আজ দুপুর ২টার দিকে তাঁর কিডনি বিকল হয়ে হ্রদয় বন্ধ হয়ে যায়। সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে দ্রুত হিন্দুজা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু চিকিৎসকের প্রচেষ্টায় জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়নি।’

    অশোক পণ্ডিত আরও বলেন, ‘এটা আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য এক বিশাল ক্ষতি। আমি তার সঙ্গে বহু কাজ করেছি। তিনি যেমন একজন খুব ভালো অভিনেতা ছিলেন, তেমনই একজন মানবিক মানুষও ছিলেন।’ জানা গেছে, শনিবারই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    সতীশ শাহ ১৯৮৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জানে ভি দো ইয়ারো’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশ করেন, যা তাকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দেয়। এর subsequent জনপ্রিয় ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ইয়ে জো হ্যায় জিন্দেগি’, ‘ম্যায় হুঁ না’, ‘কাল হো না হো’, ‘ফানা’, ‘ওম শান্তি ওম’ ইত্যাদি। দর্শকমনে তিনি স্থান করে নেন একাধারে অভিনেতা এবং কমেডি তারকার পরিচয়ে।

    তার জনপ্রিয়তা ছোট পর্দায়ও ছিল অত্যন্ত বেশি; বিশেষ করে ‘সারাভাই ভার্সেস সারাভাই’ শো তাকে ঘরে ঘরে পরিচিত করে তোলে।

    ২০১৪ সালে তিনি সাজিদ খান পরিচালিত ‘হামশকলস’ সিনেমায় শেষবারের মতো অভিনয় করেন। এর পাশাপাশি, ২০০৮ সালে ‘কমেডি সার্কাস’ অনুষ্ঠানে অর্চনা পুরন সিংয়ের সঙ্গে সহবিচারক হিসেবে কাজ করেছিলেন। ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে এই প্রিয় অভিনেতার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সহকর্মী ও ভক্তদের মধ্যে।

  • শিগগিরই আসামিদের গ্রেফতার করা হবে: ওসি ওমর ফারুক

    শিগগিরই আসামিদের গ্রেফতার করা হবে: ওসি ওমর ফারুক

    ঢালিউডের প্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামিদের দেশত্যागে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এখন তারা শনাক্তকরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। দ্রুতই অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রমনা থানার ওসি ওমর ফারুক।

    ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর আদালত সালমান শাহের মৃত্যুকে হত্যা মামলা হিসেবে রূপান্তর করার নির্দেশ দেন। এর একদিনের মধ্যেই, অর্থাৎ ২১ তারিখে, সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম রমনা থানায় একটি হত্যা মামলার আবেদন করেন। মামলায় মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম হলো নামের জন্য পরিচিত সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। অন্য আসামিরা হলেন প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, জনপ্রিয় খলনায়ক ডন, অভিনেত্রী লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেফিয়া বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রেজভী আহমেদ ফরহাদ।

    রমনা থানার ওসি গোলাম ফারুক জানান, সালমান শাহ হত্যা মামলার জন্য আসামিদের দেশের বাইরে যাওয়া বন্ধের জন্য তাদের কাছে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন অভিযুক্ত দেশের বাইরে অবস্থান করছেন, আবার কেউবা দেশে। দেশ থেকে তাদের বিদেশে সফর এড়াতে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখন প্রধান লক্ষ্য হলো দেশের মধ্যে থাকা আসামিদের সনাক্ত করে দ্রুত گرفتار করা। তিনি আরো জানান, তারেকেঅসর সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের মধ্যেই অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

    সালমান শাহ ছিলেন ১৯৯০ এর দশকের এক জনপ্রিয় চিত্রনায়ক। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তিনি রহস্যজনকভাবে মারা যান। মৃত্যুর বিষয়টি তখন আত্মহত্যা বলে দাবি করেছিলেন তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, তবে সালমান শাহর পরিবারের মতে, এটি এক পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। পরিবারের অভিযোগ, তাকে মনগড়াভাবে হত্যা করা হয়েছে।

    সূত্র : সময় সংবাদ

  • স্মৃতি ইরানির ধারাবাহিকে বিল গেটস ও উইল স্মিথের আগমন? ব্যাখ্যা হলো

    স্মৃতি ইরানির ধারাবাহিকে বিল গেটস ও উইল স্মিথের আগমন? ব্যাখ্যা হলো

    প্রিয় দর্শক, জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্মৃতি ইরানি আবার ফিরে এসেছেন টেলিভিশনের পর্দায়, দীর্ঘ ১৭ বছরের বিরতি শেষে। তিনি বর্তমানে একতা কাপুরের জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কিউঁ কি সাস ভি কভি বহু থি’তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করছেন এবং দর্শকদের মন জয় করছেন। কিন্তু এই ধারাবাহিকের নতুন প্রোমোতে এসেছে বেশ চমক! এতে দেখা যাচ্ছে মার্কিন ধনী ও প্রযুক্তি পরাশক্তি মাইক্রোসফ্টের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের উপস্থিতি। পাশাপাশি গুঞ্জন রয়েছে, অস্কারজয়ী হলিউড অভিনেতা উইল স্মিথও আসছেন এবার।

    এই নতুন প্রোমোতে দর্শকদের জন্য খুব শিগগিরই প্রচার হবে এই বিশেষ পর্ব। সংশ্লিষ্ট জানা গেছে, ধারাবাহিকের এই কল্পকাহিনী মূলত একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি, যা স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করছে। এ প্রচারটির পেছনে মূল মনোভাব হল বিশ্বজুড়ে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও নবজাতকের স্বাস্থ্য রক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টি। এই লক্ষ্য যাতে সফল হয়, সেই জন্য ‘বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন’-এর এই কার্যক্রম প্রসারে এটি ব্যবহার করা হয়েছে। এই উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্মৃতি ইরানি, যিনি নিজেও বহুবার বিল গেটসের সঙ্গে ভিডিও কলে আলোচনা করে তাঁকে রাজি করিয়েছেন।

    প্রশ্ন উঠছে, ধারাবাহিকে বিল গেটসকে দেখা যাবে কীভাবে? জানা গেছে, এই বিশেষ পর্বে তুলসী ও তাঁর মেয়ে পরিধির মধ্যে পরিবর্তন আসার গল্পে তিনি ভূমিকা রাখবেন। অর্থাৎ, এই দৃশ্যে গেটস তুলসীর পরিবারের সমস্যা ও সম্পর্কের পরিবর্তন দেখাবেন।

    স্মৃতি ইরানি এই ব্যাপারে বলেন, ‘ভারতীয় টেলি দুনিয়ার ইতিহাসে এটি গর্বের মুহূর্ত। দীর্ঘদিন ধরে এই দেশের বিনোদন জগতে নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য বিষয়ক আলোচনা প্রায়ই উপেক্ষিত হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ব স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা তৈরিতে আমাদের এগিয়ে যেতে পারছি, যা সত্যিই অতুলনীয়।’

    অন্যদিকে, গুঞ্জন রয়েছে যে, বিল গেটসের পর আরও একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব আসছেন এই ধারাবাহিকের ক্যামিও ভূমিকায়—স্বয়ং উইল স্মিথ। তিনি এখানে কাজ করবেন তুলসী ও তাঁর পরিবারের মধ্যে দূরত্ব কমানোর জন্য। শুনতে পাচ্ছি, এই ক্যামিওটির পিছনে রয়েছে তাদের অস্কারজয়ী এবং বিতর্কিত ‘চড়কাণ্ড’ ঘটানোর গল্প, যেখানে স্মিথ নিজের স্ত্রীর সম্মানের জন্য রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। এ কারণেই নির্মাতারা এই আবেগময় গল্পের সঙ্গে স্মিথের উপস্থিতি যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছেন।

    উল্লেখ্য, ওই বিশেষ পর্বটি ২৯ জুলাই থেকে স্টারপ্লাস ও জিও হটস্টারে প্রচারিত হচ্ছে, এবং ইতিমধ্যে মানুষের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা ও বিল গেটসের উপস্থিতি নিশ্চয়ই টিআরপি বাড়াতে বড় প্রভাব ফেলে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • সিয়ামের সঙ্গে অভিনয় করবেন না সাবিলা নূর, ছাড়লেন সিনেমা

    সিয়ামের সঙ্গে অভিনয় করবেন না সাবিলা নূর, ছাড়লেন সিনেমা

    গেল কোরবানি ঈদে মুক্তি পাওয়া অভিনেত্রী সাবিলা নূরের সিনেমা ‘বরবাদ’ দর্শকমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। এই সফলতার ফলে তিনি বেশ কয়েকটি নতুন প্রজেক্টের প্রস্তাব পেয়েছেন। তবে সম্প্রতি জানা গেছে, তিনি তার আগামী সিনেমা ‘রাক্ষস’ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছেন।

    প্রথমে খবর bija যে, ‘রাক্ষস’ ছবির পরিচালনা করবেন মেহেদী হাসান হৃদয়। এই সিনেমায় প্রধান চরিত্রে থাকবেন সিয়াম আহমেদ। পাশাপাশি একই মাসে শুরু হবে নির্মাতা তানিম নূরের নতুন ছবি ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ এর শুটিং। একই সময়ে দুই সিনেমার শুটিং দিন ও সময়ের মিল না থাকার কারণে, সাবিলা নূর সিদ্ধান্ত নেন ‘রাক্ষস’ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার।

    সাবিলা নূর বলেছেন, “তানিম ভাইয়ের সাথে আমার অনেক দিন ধরেই ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার কথা চলছিল। এর মধ্যে ‘রাক্ষস’ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু একই সময়ে দুটির শুটিং শুরু হবে জেনে আমি সিদ্ধান্ত নিই, কোনটি প্রথম করে করতে হবে। আমি চাই যে, আমি আলাদা করে মনোযোগ দিতে পারি, তাই একটির পরিবর্তে অন্যটি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলাম।”

    তিনি আরও বলেছিলেন, “আমার দুই প্রোজেক্টে কাজ করার ব্যাপারে তারা আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। তবে আমি বিশ্বাস করি, একই সময়ে দুটি কাজ করলে মনোযোগ বিভক্ত হয়ে যায়। তাই আমি চাই একজন চরিত্রে আমি বেশি মনোযোগ দিয়ে কাজ করব।”

    অভিনেত্রী সাবিলা নূরকে ছেড়ে দেওয়া হলেও, এর মধ্যে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমায় তার সহঅভিনেতা থাকবেন মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী এবং শরিফুল রাজ। এই সিনেমাটি আগামী ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাবে। সিনেমার গল্পটি নির্মিত হয়েছে হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় উপন্যাস ‘কিছুক্ষণ’ অবলম্বনে।

  • সামিরা-ডনসহ সালমান শাহ হত্যা মামলার ১১ আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    সামিরা-ডনসহ সালমান শাহ হত্যা মামলার ১১ আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহের মৃত্যু নিয়ে ঘটনার তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। গত ২১ অক্টোবর রমনা থানায় একটি হত্যা মামলার দায়ের করা হয়। এই মামলায় সালমান শাহের প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা খান, নাটকীয়ভাবে ডনসহ মোট ১১ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পুলিশ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি এখন আদালতের নির্দেশে পুনরায় তদন্তাধীন। তাই তদন্তের স্বার্থে আসামিদের যাতে দেশ ছেড়ে যেতে না পারে, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য রমনা থানার পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট বিমান ও স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে এবিষয়ে অবগত করা হয়েছে।

    ওসি গোলাম ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, “আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মামলার তদন্ত এখন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে। এ কারণে কেউ যেন অজাতীয় ভ্রমণে যেতে না পারে, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

    মামলার এজাহারে প্রথম অভিযুক্ত হিসেবে করার করা হয়েছে অভিনেতার প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা হককে। এছাড়াও এ মামলায় সালমান শাহর পরিবারের পক্ষ থেকে মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন—অভিনেতার প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবি, আব্দুল ছাত্তার, সাজু এবং রেজভি আহমেদ ফরহাদ। উল্লেখ্য, অভিযুক্তদের মধ্যে অনেকেরই বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

    সালমান শাহের জীবন ও মৃত্যু এখনো রহস্য সমাধান হয়নি। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপরই শুরু হয় তদন্তের দীর্ঘ পথচলা, যা প্রায় তিন দশক ধরে চলতে থাকে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যা বলে ঘোষণা করে। তবে এই মামলার তদন্ত এখনো চলমান এবং নতুন মোড় নেওয়া নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাই অপেক্ষা করে আছেন।

  • ২৯ বছরের নারীর অভিযোগে সংগীত পরিচালক গ্রেপ্তার

    ২৯ বছরের নারীর অভিযোগে সংগীত পরিচালক গ্রেপ্তার

    বলিউডের জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক সচিন সাংঘভীর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ ওঠার পর পরিস্থিতি স্বচ্ছ হয়েছে। অভিযোগকারিনী এক নারী জানান, তিনি সচিনের বিরুদ্ধে যৌন দুর্ব্যবহার ও হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন। এর ফলে পুলিশ তৎক্ষণাৎ সচিনকে গ্রেপ্তার করে, তবে কিছু সময়ের মধ্যেই তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। বর্তমানে এই ঘটনার তদন্ত চলছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগ পাওয়ার পরই দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হয় এবং সচিনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরে তাকে জামিনে মুক্ত করা হয়।

    সচিনের আইনজীবী আদিত্য মিঠে বলেছেন, আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কোনও প্রমাণের অভাবে পুলিশ বেআইনি ভাবে তাকে আটক করেছিল। তাদের এমন সিদ্ধান্তের কারণে তাকে দ্রুত মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলছেন, তারা সমস্ত অভিযোগের যথাযথ উত্তর দেবেন।

    উল্লেখ্য, সচিন সাংঘভী একজন সফল সংগীত পরিচালক। তিনি জিগার সারইয়াকে নিয়ে ‘সচিন-জিগার’ নামে সংগীতপ্রকল্প পরিচালনা করেন। তাঁদের গানের তালিকায় রয়েছে জনপ্রিয় কিছু গান, যেমন— ‘তারাস’, ‘এক জিন্দেগি’, ‘আপনা বুক’, ‘তেরে ওয়াস্তে’, ও ‘ফির অউর কেয়া চাহিয়ে’। সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তি পাওয়া ছবি ‘থামা’-তেও তারা সংগীত পরিচালনা করেছেন।