Category: বিনোদন

  • অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তানজিন তিশার পক্ষ থেকে বিস্তারিত বিবৃতি

    অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তানজিন তিশার পক্ষ থেকে বিস্তারিত বিবৃতি

    সম্প্রতি তানজিন তিশা নতুন সিনেমায় নাম লিখিয়েছেন। তিনি ইতিমধ্যে তার প্রথম সিনেমার শুটিং শুরু করেছেন। তবে এর মধ্যেই তিনি নানা ধরনের অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন। দুটি ফ্যাশন হাউসের প্রতারণার অভিযোগের পর এবার ভারতীয় এক প্রযোজকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন তিশা। প্রযোজক শরীফ খানের দাবি, তিশা তার কাছ থেকে প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন। এই পরিস্থিতিতে সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তিশা একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছেন।

    তিশা ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, “সাম্প্রতিক সময়ে আমি ভারতের পরিচালক এম এন রাজের সঙ্গে ‘ভালোবাসার মরশুম’ সিনেমা করার পরিকল্পনা করি। তবে এই প্রসঙ্গে কিছু ভুল তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে। বিষয়টি আমার নজরে এসেছে এবং এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও রটানো হচ্ছে। আমি যখন এই সিনেমার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলাম, তখন আমি আমার আইনজীবীর মাধ্যমে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছিলাম। সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ ছিল, আমার বিদেশ ভ্রমণের সমস্ত দায়িত্ব ডিরেক্টর এবং প্রডিউসারের। এর মধ্যে ভিসা, ফ্লাইটের টিকিট, থাকা-খাওয়ার খরচ তাদের বহন করতে হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, তারা আমার ভিসা করানো সম্ভব করে না। আমি ব্যক্তিগতভাবেও প্রচেষ্টা করেছি, কিন্তু ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারেনি।

    ভিসা জটিলতার জন্য নির্মাতাদের দায়ী করে তিশা বলেন, ‘ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতা চুক্তিপত্র অনুযায়ী ডিরেক্টরের দায়িত্ব, তাই এ ব্যাপারে আমার কোনো দোষ হতে পারে না। এটি ডিরেক্টরের ব্যর্থতা। আমি দু’মাস ধরে ভিসার জন্য অপেক্ষা করেছি, কিন্তু ভিসা হয়নি। এর মধ্যে তারা অন্য একজনকে minha জন্য চুক্তিবদ্ধ করে অভিনয় করান। আমি অন্য একটি দেশের একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছি, যার শুটিং বর্তমানে চলছে। এই সিনেমা আমার পেশাগত সম্মানের বিষয়, যা আমি কখনোই নষ্ট করতে চাইনি। কিন্তু ডিরেক্টর শিডিউল অনুযায়ী কাজ শুরু করতে না পেরে এবং অন্য কাউকে চুক্তিবদ্ধ করে নেয়ার কারণে আমাকে সেখান থেকে সরে আসতে হয়েছে।

    প্রযোজক শরীফ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগে তিশা বলেন, ‘তিনি একবার আমাকে বলছেন, এক-তৃতীয়াংশ টাকা ফেরত দিন, আবার অন্য সময় বলছেন কিছু টাকা ফেরত দিলেই হবে। সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে আমার ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন, যা এক ধরণের অপচেষ্টা।’

    তিশা আরও লিখেছেন, ‘আমার চুক্তিপত্রে কোনও শর্ত নেই যে, ডিরেক্টরের দোষের কারণে আমি টাকা ফেরত দিতে বাধ্য থাকবো। আমি আইন মান্য মানুষ। যদি তারা প্রমাণ করতে পারেন যে আমাকে টাকা ফেরত দিতে হবে এবং আদালত এমন নির্দেশ দেয়, আমি অবশ্যই তা মানতে প্রস্তুত।’

  • পুরুষ বাউলরা বিছানায় ডাকে, সাড়া দিলে গান পাওয়া যায়: নারী বাউল শিল্পীর অভিযোগ

    পুরুষ বাউলরা বিছানায় ডাকে, সাড়া দিলে গান পাওয়া যায়: নারী বাউল শিল্পীর অভিযোগ

    ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের একটি মামলায় বাউলশিল্পী আবুল সরকারকে গ্রেফতারের পর তার মুক্তির প্রত্যাশায় মানিকগঞ্জে অর্ধশতাধিক বাউলজন তাদের আন্দোলন চালাচ্ছিলেন। এ সময় কিছু দুষ্কৃতকারী তৌহিদি জনতার পক্ষ থেকে হামলার শিকার হন, যা ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার সময় এক নারী বাউল শিল্পী গুরুতর এক অভিযোগ তুলে ধরেন, যেখানে তিনি বলেন, পুরুষ বাউলরা বিছানায় ডাকে। যদি নারীরা এই ডাকে সাড়া দেয়, তবে তারাই গানের প্রোগ্রামে অংশ নেয়। অন্যথায় তারা ডাকে না। তিনি স্পষ্ট করে কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি।

    এই বিস্ফোরক অভিযোগটি করেছেন বাউল শিল্পী হাসিনা সরকার। তিনি এক ভিডিও বার্তায় বাইরের দৃষ্টিকোণে এমন পরিস্থিতির কথা শেয়ার করেছেন, যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

    হাসিনা সরকার বলেন, আমি এক সময় বলতাম—আমার আর কিছু প্রোগ্রাম থাকছে না, তবে কিছু লোকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বলতাম। তখন তারা বলতেন—আমাদের কথা শুনতে হবে। আমি প্রশ্ন করতাম—কী হবে? তখন তারা বলে—‘এটা কি খুলে বলতে হবে?’ আমি তাদের বলতাম—মাফ চাই, দোয়া চিচ, তবে আমার এসব প্রোগ্রাম দরকার নেই। আমি চাই না আমার ইজ্জত বিক্রি করে এ ধরনের গান করতে। আমার মতে, এটি আর বাউল গান হিসাবে বিবেচিত হয় না।

    তিনি আরও বলেন, পুরুষ বাউলরা অবিবেচনাপ্রসূত প্রস্তাব দিচ্ছেন। তারা বিছানা নেয়, আর তার বদলে গান গাওয়ার সুযোগ দেয়। আমি একজন বাউল শিল্পী হিসেবে বলতে চাই, এখন বাউল সমাজে এরকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। আমাকে কেউ ডেকে না শোনানো, আমার কথা কারো কানে পৌঁছায় না—এ všetি কিছু আমার জন্য গুরুত্ব দাবী করে না। আমি স্বয়ং বলছি, অনেক পুরুষ বাউল এ ধরনের কুপ্রস্তাব দিয়েছেন। তারা বলেন—‘আমাদের কথা শুন, আর তুই বায়না করলেই তোর জন্য সুবিধা হবে।

  • হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস

    হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সাউদার্ন শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘ডিজনিল্যান্ড হ্যালোইন হাফ ম্যারাথন’।Customize এই দৌড় প্রতিযোগিতা শেষ করার কিছু সময়ের মধ্যেই হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস। গত ২৩ নভেম্বর তিনি দৌড় শেষ করার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে দ্রুতই স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে, সেখানে চিকিৎসকরা এক ঘণ্টার মধ্যেই তার মৃত্যু ঘোষণা করেন। তার বয়স ছিল মাত্র ৩৫ বছর।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিল ভোর ৫টায়। উষ্ণ তাপমাত্রা এবং চ্যালেঞ্জিং আবহাওয়ার মধ্যেও তিনি দৌড় চালিয়ে যান। ফিনিশিং লাইন পার করার পরপরই তিনি মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। অবলোকনকারী এক পর্যবেক্ষক দ্রুত তার জন্য মেডিকেল সুবিধার ব্যবস্থা করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ফায়ার ও রেসকিউ কর্মীরা প্রাথমিকভাবে তার হৃদরোগের আঘাত নিশ্চিত করেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু তোড়জোড়ের এক ঘণ্টার মধ্যে তার মৃত্যু হয়।

    ববি গ্রেভস এর আগে এক টিকটক ভিডিওতে জানান, তিনি আগামীদিনের দৌড় নিয়ে কিছুটা উদ্বিগ্ন ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আগামীকাল ডিজনিল্যান্ড হাল্ফ ম্যারাথনের জন্য আমি কিছুটা চিন্তিত।’ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বর্তমানে অর্চেঞ্জ কাউন্টি করোনারের কার্যালয় ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। আগামী সপ্তাহে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সঠিকভাবে জানা যাবে।

    ববি গ্রেভস এর জন্মজন্মের শিক্ষা ছিল জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি থেকে। সেখান থেকে তিনি আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি পেয়েছিলেন। তিনি ‘উইলসন সন্সিনি গুডরিচ অ্যান্ড রোসাটি’ নামক এক আইনি ফার্মের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। তার অকাল মৃত্যু সমগ্র সম্প্রদায়ের মধ্যে শোকের ছায়া পড়িয়েছে, তার অনুসারীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

  • নায়িকা পপি’কে আইনি নোটিশ পাঠানো হলো

    নায়িকা পপি’কে আইনি নোটিশ পাঠানো হলো

    চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভিন পপি বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে তার চাচাতো ভাই ও জামাই মো. তারেক আহমেদ চৌধুরী আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। এই নোটিশটি বুধবার (২৬ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মণ্ডলের মাধ্যমে খুলনা ও ঢাকার ঠিকানায় রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তারেক আহমেদ চৌধুরী নিজেই।

    তিনি বলেন, ‘আমার স্ত্রী ও পপির সম্পর্কের আত্মীয়তার সুবাদে, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে পপি বিভিন্ন সময় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছেন, যা খুবই দুঃখজনক। যদি তার কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে আমরা পারিবারিকভাবে বা আইনগতভাবে সমাধানে এগোতে পারি। কিন্তু সে না করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছে, যা আমার জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। আমি এ বিষয়গুলোতে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।

    তারেক আহমেদ চৌধুরী আরও উল্লেখ করেন, ‘পপি আগে ও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ও অভিযোগ ছড়িয়েছেন, এজন্য আমি থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) দিয়েছি।

    আইনি নোটিস পাঠানোর বিষয়ে আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মণ্ডল জানান, তার মক্কেল ঢাকায় একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে কাজ করছেন। জানা গেছে, সাদিকা পারভিন পপির প্রিয়দীপ্ত চাচা—প্রয়াত মিয়া কবির হোসেনের জামাই তারেক আহমেদ চৌধুরী। তাঁর অনুকূল সম্পর্কের ভিত্তিতেই এই পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

    নোটিশে আরও বলা হয়, ‘একটি পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। সেটি পপির প্রয়াত চাচার মালিকানাধীন ছিল, যা একটি বৈধ হেবা দলিলের মাধ্যমে তারেক আহমেদ চৌধুরীর স্ত্রী ও তার মাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা উক্ত সম্পত্তির আইনগত মালিক হন। আমার মক্কেল উক্ত সম্পত্তির কোনও উত্তরাধিকারী নন, তাঁর এতে কোনো দখল বা স্বার্থ নেই। সম্পত্তির হস্তান্তর ও বণ্টন সম্পূর্ণরূপে হেবা দলিল ও উত্তরাধিকার আইনের অধীনে হয়েছে।

    তবে, আমি বা আমার মক্কেল এই সম্পত্তির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখি না, তার পরেও গত ২১ নভেম্বর প্রচারিত টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অভিযোগকারী সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মানহানিকর মন্তব্য করেছেন এবং তা প্রকাশ করেছেন। এ সব অভিযোগের জন্য আমি আইনী পদক্ষেপ নিচ্ছি।

  • ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললেন হেমা মালিনী

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললেন হেমা মালিনী

    বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুতে তার স্ত্রী ও পাল্টা-অভিনেত্রী হেমা মালিনী প্রথমবারের মতো প্রত্যক্ষ করেন। ৮৯ বছর বয়সে ২৪ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন ধর্মেন্দ্র, যার শোকে চলচ্চিত্র জগতের সবাই শোকাহত। মৃত্যুর কয়েক দিন আগে তার শারীরিক অবস্থার নানা জল্পনা-কল্পনা চলছিল। eventuality এ, যখন তার জুহু বাসভবনের সামনে অ্যাম্বুলেন্স দেখা যায়, সকলের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। পরে নিশ্চিত হওয়া যায়, ওই দিনই তিনি চলে গেছেন। মুম্বাইয়ের পওন হানস শ্মশানে তার শেষকৃত্যে অংশ নেন প্রখ্যাত অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খানসহ অসংখ্য চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব।

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু নিয়ে দীর্ঘদিন কেউ কোনও কথা বলেননি পরিবারের পক্ষ থেকে। তবে অবশেষে সে নীরবতা ভেঙে, বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে এক আবেগপূর্ণ বার্তা প্রকাশ করেন হেমা মালিনী। সেই সঙ্গে তিনি অনেক অপ্রকাশিত ছবি শেয়ার করেন, যা ভক্তদের জন্য সত্যিই স্মরণীয়।

    হেমা লিখেছেন, ধর্মজি ছিলেন তার জীবনের প্রতিটি অঙ্গনের কেন্দ্রবিন্দু—প্রেমে ভরপুর স্বামী, দুই কন্যা ঈশা ও অহনার প্রেমপাত্র, বন্ধু, দর্শনশাস্ত্রের শিক্ষামূলক নেতা, পথপ্রদর্শক, কবি, এবং জীবনের সঙ্কটের সময় ভরসার জায়গা। তিনি আরও জানান, ধর্মেন্দ্র সবসময় পরিবারের সবাইকে স্নেহ, সৌহার্দ্য ও শুভেচ্ছায় ভরিয়ে রাখতেন।

    হেমা তার বার্তায় আরও বলেছেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে ধর্মেন্দ্রর প্রতিভা, তার জনপ্রিয়তা ও বিনয় মানুষকে গভীরভাবে আকর্ষণ করত। তার বিনয়, সবজনের জন্য গ্রহণযোগ্যতা তাকে কিংবদন্তির মাঝে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে, যা চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই ব্যক্তিগত ক্ষতি ভাষায় প্রকাশের বাইরে, তার শূন্যতা সারাজীবন অনুভব করতে হবে। এত দিনের সঙ্গের স্মৃতি এই সময়ের কাছে অমূল্য, এবং সেই স্মৃতি থেকেই তাকে খুঁজে পাবেন সবাই।

    প্রসঙ্গত, বলিউডের এই প্রখ্যাত জুটির প্রেম ও বিবাহের গল্প সব সময় আলোচনায় এসেছে। ধর্মেন্দ্র তার প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরসহ চারজন সন্তান—সানি, ববি, বিজেতা ও অজিতা দেওল—অন্তর্ভুক্ত পরিবারের সাথে আছেন। সিনেমায় অভিনয়ের সময় হেমা ও ধর্মেন্দ্রের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যার ফলে তাদের মধ্যে গভীর বন্ধন তৈরি হয়। এরপর তারা ১৯৮০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন, যা তখন ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করে। যদিও পরে তাদের দাম্পত্য জীবনে সুখ-শান্তি ফিরে আসে এবং চার দশকের বেশি সময় ধরে একে অন্যের প্রতি ভালোবাসা ও বিশ্বাসের বন্ধন অটুট থাকে।

    ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনী একসঙ্গে অন্তত ৪০টিরও বেশি সিনেমায় কাজ করেছেন, যার মধ্যে অন্যতম ‘শোলে’, ‘নসীব’, ‘আলিবাবা অউর ৪০ চোর’, ‘ছোট্ট সি বাত’, ‘তুম হাশিন ম্যায় জওয়ান’ প্রভৃতি।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

  • অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের জবাবে তানজিন তিশার বিবৃতি

    অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের জবাবে তানজিন তিশার বিবৃতি

    সম্প্রতি সিনেমায় নাম লেখিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। তিনি ইতিমধ্যেই তার প্রথম সিনেমার শুটিং শুরু করেছেন। তবে এর মধ্যেই সমসাময়িক নানা অভিযোগে তিনি কেবল কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন না, বরং তার অবস্থান পরিষ্কার করতে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছেন।

    আজ শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে তিশা জানান, সম্প্রতি তিনি ভারতের নির্মাতা এম এন রাজের সঙ্গে ‘ভালোবাসার মরশুম’ নামে এক সিনেমার কাজের জন্য চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। তবে সেখানে কিছু ভুল তথ্য প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাওয়ায় তিনি বিব্রত বোধ করছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন, সিনেমার চুক্তিপত্রে সব বিষয়ই তার আইনগত পরামর্শ অনুযায়ী স্বাক্ষরিত হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছিলো যে তার বিদেশ যাওয়া ও ভিসা সম্পৃক্ত সব দায়িত্ব নির্মাতা দলের। এতে উল্লেখ ছিলো, ভিসা, ফ্লাইট টিকিট এবং থাকা-খাওয়ার বিষয়গুলো তাদের দায়িত্ব।

    তিশা এও জানিয়েছেন, দুর্ভাগ্যক্রমে, নির্মাতা ভিসা নিয়ে জটিলতায় পড়ে পারেননি। তিনি নিজেও ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা চালিয়েছেন, কিন্তু ভিসাপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। এ কারণে, চুক্তি অনুযায়ী তার বদলে অন্য একজনকে চরিত্রে নেয়া হয় এবং সেই অভিনেত্রী অভিনয় করেন। এরপর তিনি বাংলাদেশের একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হন, যার শুটিং এখনো চলমান। তিনি বলেন, সিনেমাটি তার পেশাগত সম্মানের ব্যাপার, এই খাতিরে কোনও ভাবেই তিনি সেটি নষ্ট করতে চাননি। কিন্তু পরিচালক শিডিউল অনুযায়ী কাজ শুরু করতে ব্যর্থ হওয়ায় এবং নতুন অভিনেত্রীকে চুক্তিবদ্ধ করে নেওয়ায়, তাকে অবশ্যই সেখান থেকে সরে দাঁড়াতে হয়।

    অভিযোগের প্রসঙ্গে তিশা উল্লেখ করেন, প্রযোজক শরিফ খান একদিকে তাকে টাকা ফেরত দিতে বলছেন, আবার অন্য সময়ে টাকা ফেরত না দিয়ে ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, শরিফ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি আমার আইনি কাগজপত্রেও ভুল তথ্য দিয়ে আমার ক্যারিয়ার নষ্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

    তিশা স্পষ্ট করেছেন যে, তার চুক্তিপত্রে কোনও অবস্থায় এমন শর্ত নেই যে, ডিরেক্টরের দোষ হলে তাকে টাকা ফেরত দিতে হবে। তিনি বলেন, আমি আইনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রাখি। যদি কোনও প্রমাণ দেখাতে পারেন যে, আমি কোনও অর্থ ফেরত দেবার দায়ী, এবং আদালত এমন নির্দেশনা দেন, আমি অবশ্যই সম্মতি জানাব এবং প্রয়োজন হলে টাকা ফেরত দেব। তিনি পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত আছেন, তবে সব কিছু আইনি প্রক্রিয়া ও সততার ভিত্তিতে হবে বলে আশা করেন।

  • পুরুষ বাউলদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, ডাকার নামে কুপ্রস্তাবের দাবি

    পুরুষ বাউলদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, ডাকার নামে কুপ্রস্তাবের দাবি

    সম্প্রীতি ও মানবাধিকার প্রসঙ্গে আলোচনাকালে এক নারী বাউল শিল্পী বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন যে, কিছু পুরুষ বাউলরা ডাকা বলছি বলে নারী বাউলদের প্রভাবিত করে থাকেন। তিনি দাবি করেছেন, এই ডাকার মাধ্যমে নারী বাউলরা সাংগীতিক সুযোগ পেয়ে থাকেন; অন্যথায় তাদের কেউ ডাকে না। তবে তিনি কারো নাম উল্লেখ করেননি।

    বাউল শিল্পী হাসিনা সরকার এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে এক ভিডিওবার্তায় বলেন, কিছু পুরুষ বাউল শিল্পী তাদের মূল উদ্দেশ্য গোপন করে কুপ্রস্তাব ও অপকৌশল চালাচ্ছেন। তিনি জানান, যখন তিনি তাদের বলেন, আমার গানের প্রোগ্রাম নেই, আমার কোনও খেয়াল রাখতে হবে না, তখন তারা তাকে নানা রকম শর্তে প্রোচিত করেন এবং কুপ্রস্তাব দেন। হাসিনা বলেন, ‘অনেক সময় তারা বলে, তখন যেন আমাকে বিছানায় ডেকে গানে অংশ নিতে হবে। আমার ইজ্জত বিক্রি করে অযাচিত প্রোগ্রামে যোগ দিতে হবে – এই ধরনের প্রস্তাব তারা দেয়।’

    তিনি আরো জানান, এই ধরনের পরিস্থিতি বর্তমানে বাউল জগতে খুবই সাধারণ হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, ‘আমার কোনও প্রোগ্রাম না থাকলে ওকে ডেকে না বললেও আমি ঠিক আছি। আমার নিজেদের মূল্যবোধের সাথে কোনো আপোষ নেই। কিন্তু তারা বলছে, ‘তুমি আমাদের কথা শুনবে, তাহলে তোকে বায়না দেব’ – এমন ধরণের কুপ্রস্তাবও তারা করেছে।’ এই অভিযোগের মাধ্যমে তিনি পুরুষ বাউলদের আচরণের অবক্ষয় তুলে ধরেছেন এবং সমাজে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

  • হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস

    হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ডিজনি ল্যান্ড হ্যালোইন হাফ ম্যারাথনের শেষে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস। গত ২৩ নভেম্বর দৌড় প্রতিযোগিতা শেষ করার কিছুক্ষণ পরে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে তার আর জীবন রক্ষা হয়নি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর।

    আমেরিকা ভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় তীব্র গরম এবং অতিরিক্ত জলবায়ুর মধ্যে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দৌড়ের শেষ প্রান্তে পৌঁছানোর পরে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। দ্রুততার সাথে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এক ঘণ্টার চিকিৎসার পর কর্তৃপক্ষ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পুলিশের কর্মকর্তা ম্যাট সাটার পিপল ম্যাগাজিনকে জানান, রেসটি শুরু হয়েছিল ভোর ৫টায় এবং গ্রেভস সকাল ৭টার দিকে দুই ঘণ্টার কম সময়ে দৌড় শেষ করেন। কঠিন আবহাওয়া সত্ত্বেও তিনি রেসটি সফলভাবে সম্পন্ন করেন।

    অভিযানের সময় পুলিশ বলেছে, ‘ফিনিশিং লাইন পার হওয়ার সাথে সাথেই তিনি বুকের দিকে হাত দিয়ে ব্যথা অনুভব করেন। সেখানে উপস্থিত একজন কর্মী বিষয়টি লক্ষ্য করে তাকে দ্রুত শান্ত করতে চেষ্টা করেন। এর কয়েক মুহূর্তের মধ্যে তিনি মাটিতে পড়ে যান। ফায়ার এবং রেসকিউ দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলেই তাঁর চিকিৎসা শুরু করেন। ডাক্তারেরা নিশ্চিত করেন, তিনি কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে এক ঘণ্টার মধ্যে তার মৃত্যু হয়।’

    মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে গ্রেভস একটি টিকটক ভিডিওতে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন, “আগামীকাল ডিজনিল্যান্ড হাফ ম্যারাথন নিয়ে আমি কিছুটা চিন্তিত।”

    অরেঞ্জ কাউন্টি কোর্টের কর্মকর্তারা বর্তমানে ময়নাতদন্ত শুরু করেছেন। তামাদের জানানো হয়, আগামী সপ্তাহে মৃত্যুর কারণ বিস্তারিত জানা যাবে।

    ববি গ্রেভস জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি থেকে আইনসম্মত ডিগ্রি পাস করেন। তিনি উইলসন সন্সিনি গুডরিচ অ্যান্ড রোসাটি ল-ফার্মে একজন সহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যু প্রেমীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে।

  • নায়িকা পপি কে আইনী নোটিশ

    নায়িকা পপি কে আইনী নোটিশ

    চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভিন পপি কে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে তার চাচাতো বোন ও জামাই মো. তারেক আহমেদ চৌধুরী পক্ষ থেকে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এই নোটিশটি বুধবার (২৬ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মণ্ডল’র মাধ্যমে তার পপি’র দৃষ্টিগোচর হয়, যা রেজিস্টারড ডাকযোগে খুলনা ও ঢাকার ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন তারেক আহমেদ চৌধুরী নিজেই। তিনি জানিয়েছেন, আমার স্ত্রী ও তার আত্মীয় স্বরূপ পপি বিভিন্ন সময় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে যাচ্ছেন, যা খুবই দুঃখজনক। যদি তার কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে পারিবারিকভাবেই আলোচনা করা বা আইনি পথে মোকাবিলা করা উচিত, কিন্তু instead তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন। এজন্য আমি তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবার সঙ্গে সঙ্গে তাকে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আপত্তির বিষয়টি জানানোর জন্য এই নোটিশ পাঠিয়েছি। এর আগে পপি আমাকে দোষারোপ করে ভুল তথ্য ছড়িয়েছিল, যার কারণে আমি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি। আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মণ্ডল আরো জানান, তার মক্কেল ঢাকায় একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে শীর্ষ পদে আছেন এবং তিনি যে ব্যক্তি, তিনি তারেক আহমেদ চৌধুরী, তিনি পপি’র প্রয়াত চাচা মিয়া কবির হোসেনের জামাই। এই বৈবাহিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই তাদের মধ্যে আত্মীয়তা। আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, একটি পারিবারিক বিরোধের কারণে একটি সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ রয়েছে। এই সম্পত্তিটি পপি’র প্রয়াত চাচার মালিকানাধীন ছিল, যা একটি বৈধ হেবা দলিল অনুযায়ী তারেক ও তার মায়ের নামে উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়েছিল। ফলে, এই সম্পত্তির আইনগত মালিকানা তারেকের নয়, এবং এই সম্পত্তির উপর তার কোনও দখল বা স্বার্থ নেই। সম্পত্তির হস্তান্তর ও বন্টন সম্পন্ন হয়েছে সংশ্লিষ্ট হেবা দলিল ও উত্তরাধিকার আইনের আওতায়। তবুও, অভিযোগকারীর অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি এগুলো স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, তারেকের সঙ্গে এই সম্পত্তির কোনও আইনগত বা বাস্তবিক সম্পর্ক নেই। এবং যে ব্যক্তি এই ভার্চুয়াল মাধ্যমে 또는 অন্য মাধ্যমে মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগ উত্থাপনের মাধ্যমে তার সুনাম নষ্টের চেষ্টা করেছেন, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললো হেমা মালিনী

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললো হেমা মালিনী

    বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র ৮৯ বছর বয়সে ২৪ নভেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে গোটা চলচ্চিত্র জগতের মাঝে শোকের ছায়া ছড়িয়ে পড়ে। মৃত্যুকালীন সময় তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল, বিশেষ করে জুহু বাসভবনের সামনে যখন অ্যাম্বুলেন্স দেখানো হয়, তখন উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। পরে নিশ্চিত হয়, তিনি আর জীবিত নন। মুম্বাইয়ের পওন হানস শ্মশানে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে যোগ দেন অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খানসহ অনেক জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকা।

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু নিয়ে এখনও পর্যন্ত তার পরিবারের কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলেননি, কিন্তু অবশেষে এই নীরবতাকে ভেঙে প্রকাশ্যে এলেন তার স্ত্রী ও সহ-অভিনেত্রী হেমা মালিনি। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে তিনি হৃদয়স্পর্শী এক বার্তা শেয়ার করেন, সঙ্গে তার বিভিন্ন অদেখা ছবি প্রকাশ করেন।

    হেমা লিখেছেন, ধর্মেন্দ্র ছিলেন তার জীবনের নানা মুহূর্তের সমষ্টি—একজন স্নেহশীল স্বামী, দুই কন্যা ঈশা ও অহনার প্রিয় বাবা, বন্ধু, দার্শনিক, পথপ্রদর্শক, কবি ও সঙ্কটের মুহূর্তে ভরসার উৎস। তিনি আরও জানান, ধর্মেন্দ্র সবসময় পরিবারের সদস্যদের আন্তরিক ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যে বেঁধে রাখতেন।

    তিনি এও বলেছেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে ধর্মেন্দ্রর প্রতিভা ও জনপ্রিয়তার পাশাপাশি তাঁর বিনয় এবং সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা তাকে কিংবদন্তি করতে পেরেছিল। তার অবদান চিরকাল স্মরণীয় থাকবে। এই অপূরণীয় ক্ষত তার জন্য ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়; এত বছরের সঙ্গের স্মৃতি থেকেই তাকে উপলব্ধি করতে হবে।

    প্রসঙ্গত, বলিউডের কিংবদন্তি জুটি হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্রের প্রেম এবং বিবাহের কাহিনি ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। ধর্মেন্দ্র প্রথম স্ত্রীর নাম ছিল প্রকাশ কৌর, যাঁদের চার সন্তান—সানি, ববি, বিজেতা এবং অজিতা দেওল। সিনেমায় কাজের সময় হেমা ও ধর্মেন্দ্রর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ১৯৮০ সালে তারা বিবাহ করেন, যা তখন ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়। এর পর তাদের সংসারে দুটি কন্যা—ঈশা ও অহনা জন্মগ্রহণ করে। সময়ের পরিক্রমায় তারা চার দশক ধরে একসঙ্গে থাকেন, তাদের গভীর প্রেম ও বন্ধন অসাধারণ ছিল।

    ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনী একসঙ্গে কাজ করেন ৪০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো ‘শোলে’, ‘নসীব’, ‘আলিবাবা অউর ৪০ চোর’, ‘ছোট্ট সি বাত’, ‘তুম হাসিন ম্যায় জওয়ান’ ইত্যাদি।

    সুত্র: হিন্দুস্তান টাইমস