Category: বিনোদন

  • ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথম বার মুখ খুললেন হেমা মালিনী

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথম বার মুখ খুললেন হেমা মালিনী

    বলিউডের দাদাজি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রের স্বাভাবিক মৃত্যুতে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন তার স্ত্রী এবং সহ-অভিনেত্রী হেমা মালিনী। বর্ষীয়ান এই অভিনেতা ৮৯ বছর বয়সে ২৪ নভেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কিছুদিন ধরে তার শারীরিক অবস্থার নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছিল। মৃত্যুর দিন তার জুহু বাসভবনের সামনের রাস্তার পাশে অ্যাম্বুলেন্স দেখা গেলে চারদিকে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। পরে নিশ্চিত হয়, ধর্মেন্দ্র আর জীবিত নেই। মুম্বাইয়ের পওন হানস শ্মশানে তার শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের অনেক তারকা—অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খানসহ অন্যান্য শিল্পীদের দল।

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু নিয়ে এখনো পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ কোনো প্রকাশ্যে মন্তব্য করেনি, তবে অবশেষে নীরবতা ভেঙে পড়লেন হেমা মালিনী। তিনি সামাজিক মাধ্যমে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) তার স্বামীকে নিয়ে এক আবেগঘন বার্তা প্রকাশ করেন, সঙ্গে তাদের জীবনের অনেক ছবি শেয়ার করেন।

    হেমা লিখেছেন, ধর্মজি ছিলেন তার জীবনের এক উজ্জ্বল অধ্যায়—স্নেহশীল স্বামী, দুই কন্যা ঈশা ও অহনার আদর্শ বাবা, বন্ধু, দার্শনিক, পথপ্রদর্শক, কবি এবং সঙ্কটের সময় ভরসার উৎস। তিনি আরও জানিয়ে বলেন, ধর্মেন্দ্র সবসময় পরিবারের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে চলতেন।

    হেমা আরও বলছেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেও ধর্মেন্দ্রর প্রতিভা, জনপ্রিয়তা, বিনয় ও সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা তাকে কিংবদন্তির মধ্যেও আলাদা করে তোলে। তার অবদান চিরকাল স্মরণীয় থাকবে। ব্যক্তিগতভাবে এই ক্ষতি তার জন্য ভাষায় প্রকাশের বাইরে, এই শূন্যতা সারাজীবন বহন করতে হবে। এত দিনের সঙ্গে থাকায়, এখন শুধু স্মৃতিগুলোর মধ্যে থেকে তাকে খুঁজে নেওয়া নয়, বরং সেই স্মৃতিগুলোর жарыয়েই জীবন চালিয়ে যেতে হবে।

    প্রসঙ্গত, বলিউডের কিংবদন্তি জুটি হেমা মালিনী এবং ধর্মেন্দ্রর প্রেমকাহিনী এবং বিবাহবাহ্যিক জীবনের আলোচনা সিনেমা জগতে এতদিন আলোচিত। ধর্মেন্দ্র প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরকে বিয়ে করে চার সন্তান—সানি, ববি, বিজেতা ও অজিতা দেওল—들을 জন্ম দেন। সিনেমায় কাজের সূত্রে ধর্মেন্দ্র এবং হেমার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে, যা পরে পরিণতি পায়।

    ১৯৮০ সালে হেমা এবং ধর্মেন্দ্র বিবাহ করেন। এই বিবাহ তখন ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়, তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব বিতর্ক কেটে যায়। তাদের সংসারে দুটি কন্যা—ঈশা ও অহনা—জন্ম নেয়। চার দশক ধরে তাদের দাম্পত্যে ছিল অটুট ভালোবাসা ও গভীর বন্ধন। ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনী একসঙ্গে কাজ করেছেন ৪০টির বেশি চলচ্চিত্রে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছবি হলো ‘শোলে’, ‘নসীব’, ‘আলিবাবা অউর ৪০ চোর’, ‘ছোট্ট সি বাত’, ‘তুম হ্যাঁসিন ম্যায় জওয়ান’ ইত্যাদি।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

  • নায়িকা পপি বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠালেন তারেক আহমেদ চৌধুরী

    নায়িকা পপি বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠালেন তারেক আহমেদ চৌধুরী

    চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভিন পপি বিরুদ্ধে মানহানি ও মিথ্যা বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে তার চাচাতো বোন ও জামাই মো. তারেক আহমেদ চৌধুরী একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। বুধবার (২৬ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবীর মাধ্যমে খুলনা ও ঢাকায় রেজিস্টারড ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠানো হয়। এই খবর নিশ্চিত করেছেন তারেক আহমেদ চৌধুরী নিজেই।

    তিনি বলেন, আমার স্ত্রীর সঙ্গে সাদিকা পারভিন পপি সম্পর্কের ভিত্তিতে নানা সময় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও আপত্তিকর তথ্য প্রচার করে যাচ্ছেন, যা সত্যিই দুঃখজনক। যদি তার কোন অভিযোগ থাকে, তাহলে বিষয়টি পারিবারিকভাবে সমাধান করা উচিত অথবা আইনের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তিনি সাহস করে পারবেন। কিন্তু তিনি তা না করে বিভিন্ন মাধ্যমে আমার নামে মিথ্যা ও বানোয়াট খবর ছড়াচ্ছেন, যা আমি মানতে পারছি না। আমি এই ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছি।

    পূর্বেও তিনি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে খবর প্রচার করেছিলেন, যার ফলে আমি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি।

    আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মণ্ডল বলেন, তার মূল মক্কেল ঢাকায় একটি বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে থাকেন। সাদিকা পারভিন পপি তার প্রয়াত চাচা মিয়া কবির হোসেনের জামাই, আর তিনি তারেক আহমেদ চৌধুরীর স্বামী ও তার পরিবারের সম্পর্কের অংশ।

    আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয় যে, একটি পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। উক্ত সম্পত্তি তারেক আহমেদ চৌধুরীর স্ত্রীর পরিবারের মালিকানাধীন ছিল, যা বৈধ হেবা দলিলের মাধ্যমে তাদের উপহার হিসেবে দেয়া হয়। এজন্য তারা আইনি মালিকানা অর্জন করেন। আমার মক্খেল সংসর্গে উক্ত সম্পত্তির কোনো মালিকানা বা দখল নেই, কারণ এটি হেবা দলিল ও উত্তরাধিকারের নিয়ম অনুযায়ী হস্তান্তর হয়।

    তবুও, গত ২১ নভেম্বর তিনি একটি টিভি অনুষ্ঠানে আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগ প্রচার করেন। এইভাবে তিনি অবমাননাকর ও ভিত্তিহীন বক্তব্য ও অভিযোগ প্রকাশ করেছেন, যা আমি সম্পূর্ণ অস্বীকার করছি এবং আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছি।

  • প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী জেনস সুমন আর নেই

    প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী জেনস সুমন আর নেই

    নব্বই দশকের পরিচিত এবং জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন (জন্ম গালীব আহসান মেহদী) গত শুক্রবার বিকেলে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই খবর নিশ্চিত করেছেন শিল্পীর ঘনিষ্ঠজন ঈশা খান।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বিকেলে হঠাৎ করে তাঁর বুকে তীব্র ব্যথা শুরু হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন চিকিৎসকরা। শুনানিতে জানা যায়, তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ার আগে দুপুরে হঠাৎ করে অ্যাধ্যব্য ব্যথা অনুভব করেছিলেন।

    জেনস সুমন জনপ্রিয়তা পান ১৯৯০-এর দশকে, যখন প্রকাশিত হয় তার অসাধারণ গান ‘একটা চাদর হবে’। এই গানটি ইথুন বাবুর কথা, সুর ও সংগীতে গাওয়া হয়, এবং তা তাকে রাতারাতি জনপ্রিয়তা এনে দেয়। এরপর তিনি একের পর এক মিক্সড এ্যালবাম এবং গান প্রকাশ করে শ্রোতাদের মন জয় করেন। দীর্ঘ এক যুগের বিরতির পর তিনি আবার সংগীতে ফিরে আসেন।

    সম্প্রতি তার গাওয়া ‘আমি চাইব না’ গানটি প্রকাশিত হয়, যেখানে তিনি বলেছিলেন, আরো নতুন কিছু গান নিয়ে ফিরছেন। কিন্তু তার আগেই তিনি চলে যান এই বিশ্ব থেকে।

    জেনস সুমনের প্রথম একক এ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’ প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ সালে। এরপর আরও বেশ কিছু জনপ্রিয় এ্যালবাম প্রকাশিত হয়, যেমন ‘আকাশ কেঁদেছে’, ‘অতিথি’, ‘আশাবাদী’, ‘একটা চাদর হবে’, ‘আয় তোরা আয়’, ‘চেরী’। ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় তার শেষ এ্যালবাম ‘মন চলো রূপের নগরে’। এই শিল্পীর অমূল্য অবদান বাংলা সংগীত জগতে আজও স্মরণীয় ও প্রয়োজনে অম্লান।

  • শাকিবের ‘পাইলট’ লুকে ঝড় সোশ্যাল মিডিয়ায়

    শাকিবের ‘পাইলট’ লুকে ঝড় সোশ্যাল মিডিয়ায়

    ঢালিউডের অন্যতম বড় তারকা শাকিব খান এই সময়ে আলোচিত ব্যক্তিত্ব। তার অভিনয়, লুক এবং বিভিন্ন পোশাকের স্টাইল প্রতিনিয়ত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে উঠে। সিনেমার শুটিং হোক কিংবা বিজ্ঞাপন—শাকিবের প্রতিটি উপস্থিতিই দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। সম্প্রতি তিনি এক বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেন, যা বেশ দ্রুতই সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে জনপ্রিয়তা লাভ করে। সেই বিজ্ঞাপনের জন্যই তিনি একটি পাইলটের লুকের ছবি নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেন, যা নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে।

  • শুটিং শেষে সালমানের নতুন লুক দেখে অবাক ভক্তরা

    শুটিং শেষে সালমানের নতুন লুক দেখে অবাক ভক্তরা

    বলিউডের জনপ্রিয় তারকা সালমান খান সর্বদা তার স্বতন্ত্র ও নির্দিষ্ট স্টাইলের জন্য আলোচনায় থাকেন। সম্প্রতি তিনি মুম্বাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত হলে তার ভক্তরা একেবারেই চমকে উঠেছেন। দীর্ঘদিন ধরে গোঁফ ও কিছু বিশেষ স্টাইল ধরে রাখার পর তিনি সম্প্রতি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি চেহারা নিয়ে জনসমক্ষে হাজির হয়েছেন, যা সামাজিক মাধ্যমে ঝড় তোলছে।

    সূত্রের খবর, সালমান খান তারআর আসন্ন সিনেমা ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’-এর শুটিং শেষ করেছেন। এই সিনেমার জন্য দীর্ঘ সময় তিনি গোঁফ ও অন্য একটি নির্দিষ্ট লুক ধরে রেখেছিলেন। তবে লাদাখের কঠিন পরিবেশে শুটিং শেষে তিনি নিজের চেহারা পাল্টে ফেলেছেন। বিমানবন্দরে তাকে কালো টি-শার্ট, ডেনিম জিন্স এবং জ্যাকেট পরা অবস্থায় দেখা গেছে, তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে তার পরিষ্কার ও ক্লিন শেভড চেহারা।

    ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ সিনেমার শুটিং হয়েছে লাদাখের চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে, যেখানে তীব্র ঠাণ্ডা ও অক্সিজেনের অভাব ছিল। এই কঠিন শিডিউল শেষে সালমানের এই নতুন লুক অনেককে তার স্বাভাবিক ফ্যাশনের ফিরতি সংকেত হিসেবে মনে করছেন। সাধারণত ‘দাবাং’ সিনেমার চরিত্র দুর্বার চোর ও গোঁফে মানিয়ে নেওয়া দর্শকদের জন্য এটি ছিল এক নতুন ও চমকপ্রদ পরিবর্তন।

    বলেন এক ঘনিষ্ঠ সূত্র, বহুদিনের শুটিং শেষে সালমান এখন কিছুটা বিশ্রাম নিচ্ছেন। এরপর তিনি মুম্বাইতে নতুন কাজের দিকে মনোযোগ দেবেন। এই বয়সে এসে তার এই চেহারা পরিবর্তনের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করে দিচ্ছেন যে, তার গ্ল্যামার তো হারায়নি, বরং আরও জোরালো এসেছে। সামাজিক মাধ্যমগুলোতে তার নতুন চেহারার ছবি ভাইরাল হতেই ভক্তরা প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। এখন তার পরবর্তী প্রজেক্টের জন্য সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

  • হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভসের মৃত্যু

    হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভসের মৃত্যু

    যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সাউদার্নে ‘ডিজনিল্যান্ড হ্যালোইন হাফ ম্যারাথন’ শেষ করার খুব কাছাকাছি সময়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন জনপ্রিয় টিকটকর ববি গ্রেভস। ২৩ নভেম্বর দৌঁড়ের প্রতিযোগিতা শেষে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তার জীবন রক্ষা হয়নি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৫ বছর।

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, তীব্ৰ তাপপ্রবাহের মধ্যে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দৌঁড়ের শেষ সীমানা পেরিয়ে মাত্র কিছুক্ষণ পরই তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থল থেকে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একটি ঘন্টা চিকিৎসার পর হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    অবস্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাট সাটার পিপল ম্যাগাজিনকে বলেন, রেসের সূচনালগ্ন ভোর ৫টায় শুরু হয়। গ্রেভস সকাল ৭টার দিকে দৌঁড় শেষ করেন, অর্থাৎ দুই ঘণ্টার কম সময়ে তিনি প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করেন। এমন কঠিন আবহাওয়ার মধ্যেও তিনি দৌড়োতে সাহস দেখিয়েছেন।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ফিনিশিং লাইন পার হতেই তিনি হঠাৎ বুকের দিকে হাত দিয়ে কিছুটাই অনুভব করেন। সেই সময় উপস্থিত এক কর্মী তার পরিস্থিতি লক্ষ্য করে দ্রুত তাকে থামান এবং পড়ার আগে উদ্ধার কাজে লেগে যান। ফায়ার ও রেসকিউ দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ডাক্তারের তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে দেখা যায় তিনি কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে এক ঘণ্টার মধ্যে তিনি মারা যান।

    মৃত্যুর আগের কিছু সময় আগে গ্রেভস একটি টিকটক ভিডিওতে বলেছিলেন, “আগামীকাল ডিজনিল্যান্ড হাফ ম্যারাথন নিয়ে আমি কিছুটা চিন্তিত”। তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার অত্যন্ত গরম আবহাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।

    অরেঞ্জ কাউন্টির কোর্টের ময়নাতদন্ত চলছে এবং আগামী সপ্তাহে মৃত্যুর নির্দিষ্ট কারণ জানা যাবে।

    জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি নেওয়া গ্রেভস ‘উইলসন সন্সিনী গুডরিচ অ্যান্ড রোসাটি’ আইনী সংস্থায় একজন সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর অপ্রত্যাশিত মৃত্যু সব হৃদয়কে শোকাবহ করে তুলেছে, অনুরাগীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া পড়েছে।

  • ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললেন হেমা মালিনী

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললেন হেমা মালিনী

    বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুতে তার স্ত্রী ও সহ-অভিনেত্রী হেমা মালিনী প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন। বর্ষীয়ান এই অভিনেতা ৮৯ বছর বয়সে ২৪ নভেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি নিয়ে কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন জল্পনা চলছিল। মৃত্যুকালে তাঁর জুহু বাসভবনের সামনে যখন অ্যাম্বুলেন্স দেখা যায়, তখন চারদিকে চূড়ান্ত উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। পরে নিশ্চিত হয় যে, তিনি আর বেঁচে নেই। মুম্বাইয়ের পওন হানস শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের শীর্ষ এই তারকার অনেকে—अমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খানসহ অনেকে। 

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এখন পর্যন্ত তার পরিবার থেকে কেউ কোনো মন্তব্য করেননি, তবে অবশেষে সেই নীরবতা ভাঙ্গলেন হেমা মালিনী। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তা শেয়ার করেন, যেখানে তার স্বামীকে নিয়ে বহু অদেখা ছবি এবং স্মৃতিচারণা থাকলো।

    হেমা লিখেছেন, ধর্মজি ছিলেন তার জীবনের নানা দিকের সম্মিলিত প্রতিভা—স্নেহশীল স্বামী, দুই কন্যা ঈশা ও অহনার ভালোবাসার বাবা, বন্ধু, দার্শনিক, পথপ্রদর্শক, কবি এবং এক সময়ের সঙ্কটের মাঝে ভরসার নিরাপদ আশ্রয়। তিনি আরও জানান, ধর্মেন্দ্র সবসময় পরিবারের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা, স্নেহ ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতেন।

    তিনি আরো লিখেছেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে জনসাধারণের মধ্যে তার প্রতিভা, জনপ্রিয়তা কেবল নয়, বরং তাঁর বিনয় এবং সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা তাকে কিংবদন্তির মধ্যেও অসাধারণ করে তুলেছিল। তার অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ব্যক্তিগতভাবে এই শূন্যতা তাকে ভাষায় প্রকাশের বাইরে অনেক বেশি ক্ষতি বয়ে আনবে। এতদিনের সঙ্গ ছেড়ে এখন সেই স্মৃতিময় মুহূর্তগুলোর মাঝেই থাকতে হবে তাকে।

    বলা প্রয়োজন, বলিউডের এই কিংবদন্তি জুটি হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্রর প্রেম ও বিবাহের গল্প ছিল নানা বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু। ধর্মেন্দ্র আগে ছিলেন প্রকাশ কৌর-এর স্বামী, এবং তাদের চার সন্তান—সানি, ববি, বিজেতা ও অজিতা দেওল। তবে সিনেমার কাজে গিয়ে ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে হেমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা এক সময় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবন্ধু হয়ে দাঁড়ায়।

    হেমা ও ধর্মেন্দ্র ১৯৮০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এই বিবাহের ফলে তখন অনেক বিতর্কের জন্ম হলেও, দীর্ঘ১৮ বছর পরে তাঁদের সংসারে দুই কন্যা—ঈশা ও অহনা জন্ম নেয়। সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে, চার দশকের বেশি সময় ধরে তাদের দাম্পত্য জীবনে প্রেম ও গভীর বন্ধন অটুট ছিল।

    ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনী একসঙ্গে মোট ৪০টিরও বেশি সিনেমায় কাজ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু ছবি হলো ‘শোলে’, ‘নসীব’, ‘আলিবাবা অউর ৪০ চোর’, ‘ছোট্ট সি বাত’, ‘তুম হাসিন মায় জওয়ান’ ইত্যাদি।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

  • নায়িকা পপি বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠালো পরিবার

    নায়িকা পপি বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠালো পরিবার

    বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে সম্পর্কের জটিলতায় সাদিকা পারভিন পপি নামে চিত্রনায়িকা জনপ্রিয় এই তারকার বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার চাচাতো বোনজামাই মো. তারেক আহমেদ চৌধুরী তার বিরুদ্ধে একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন।

    বুধবার (২৬ নভেম্বর) এই নোটিশটি খোলা হুকুমে রেজিস্টার্ড ডাকের মাধ্যমে পাঠানো হয়। এই তথ্য নিশ্চিত করেন তারেক আহমেদ চৌধুরী নিজেই। তিনি জানান, তার স্ত্রী সম্পর্কের আত্মীয় পপি বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে আসছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, ‘প্রযোজ্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি এই বিষয়গুলো অবগত করেছি। তবে তিনি নীতি ও নৈতিকতার ঊর্ধ্বে থেকে নানা মাধ্যমে আমার নামের অপপ্রচার চালাচ্ছেন।’

    এর আগে, পপির বিরুদ্ধে গোপন তথ্য ও মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশের জন্য থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছেন তারেক আহমেদ চৌধুরী।

    আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মণ্ডল জানান, তার মক্কেল ঢাকায় একটি বিশিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে কর্মরত। তারেক আহমেদ চৌধুরী তার চাচার জামাতা, যার সঙ্গে পপির বৈবাহিক সম্পর্ক রয়েছে।

    নোটিশে আরও বলা হয় যে, একটি পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। সেই সম্পত্তি, যা পপি’র প্রিয় চাচার মালিকানাধীন ছিল, তারেক আহমেদ চৌধুরীর স্ত্রীর মাধ্যমে এবং হেবার মাধ্যমে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়। এই কারণে তারা আইনি মালিক। তবে, তারেক আহমেদ চৌধুরীর সঙ্গে সম্পত্তির কোনো সম্পর্ক নেই এবং তিনি এতে কোন দখল বা স্বার্থও রাখেন না।

    নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২১ নভেম্বর সম্প্রচারিত টিভি অনুষ্ঠানে পপি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগ করেন এবং তা প্রকাশ করেন।

  • প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী জেনস সুমন আর নেই

    প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী জেনস সুমন আর নেই

    নব্বই দশকের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন (গালীব আহসান মেহদী) বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় না ফেরার দেশে চলে গেলেন। তিনি রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন থাকাকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন তার ঘনিষ্ঠজন ঈশা খান।

    প্রাথমিক খবরে জানা যায়, দুপুরে হঠাৎ তীব্র বুক ব্যথা অনুভব করেন জেনস সুমন। এরপর দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ১৯৯০ এর দশকে ‘একটা চাদর হবে’ গান দিয়ে সমালোচকদের মোহন করে প্রথম আলোচনায় আসেন জেনস সুমন। ইথুন বাবুর কথা, সুর ও সংগীতে রচিত এই গান তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে যায়। এরপর বিভিন্ন মিক্সড অ্যালবামসহ একাধিক জনপ্রিয় গান প্রকাশ করে শ্রোতাদের মনে ঠাঁই করেন তিনি। দীর্ঘ এক যুগের বিরতির পর চলতি বছর আবার সংগীতে সক্রিয় হন জেনস সুমন। সম্প্রতি প্রকাশিত হয় তার গাওয়া ‘আমি চাইব না’ গান, যেখানে তিনি জানান, নতুন কিছু গানে তিনি ফিরছেন। তবে তার ফিরে আসার আগেই তিনি চলে গেলেন।

    জেনস সুমনের প্রথম একক অ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’ প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ সালে। এরপর ঊনিশ শতকের শেষের দিকে বের হয় ‘আকাশ কেঁদেছে’, ‘অতিথি’, ‘আশাবাদী’, ‘একটা চাদর হবে’, ‘আয় তোরা আয়’, ‘চেরী’সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় অ্যালবাম। তার সর্বশেষ অ্যালবাম ছিল ২০০৮ সালে প্রকাশিত ‘মন চলো রূপের নগরে’।

  • শাকিবের ‘পাইলট’ লুক সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলছে

    শাকিবের ‘পাইলট’ লুক সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলছে

    মেগাস্টার শাকিব খান আবারো আলোচনায় আসছেন ঢালিউডের ভেতর। এই সময়ে তার প্রতিটি নতুন লুক ও পোশাক সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে জনপ্রিয়তা পান। শাকিবের বিভিন্ন প্রোজেক্টের লুক বা বিজ্ঞাপনের চরিত্র যা-ই হোক না কেন, তা তুমুল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।

    সম্প্রতি, তিনি একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে অভিনয় করেছেন, যা প্রকাশের পরে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেই বিজ্ঞাপনের জন্য শাকিবের কিছু নতুন লুকের ছবি নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করেন তিনি। সেসব ছবিতে দেখা যায়, সম্পূর্ণ ভিন্ন একজন শাকিব খানকে—একটি নেভি ব্লু ক্যাপ্টেন ইউনিফর্ম পরা, গম্ভীর ও পরিপাটি লুক, চোখে সানগ্লাস এবং পরিচ্ছন্ন গোঁফে তিনি ভক্তদের মন জয় করেছেন। ছবিগুলোর ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘আকাশটা সীমা নয়, এটি শুরু করার স্থান!’

    একই সঙ্গে এই ছবি প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেটি ভাইরাল হয়ে যায় নেটদুনিয়ায়। ভক্তরা প্রশংসায় ভাসিয়ে বলেছেন তাকে। কেউ লিখেছেন, “এটাই আমাদের ক্যাপ্টেন শাকিব!” অন্যজন মন্তব্য করেছেন, “চলচ্চিত্রের পাইলট।” তবে অনেক নেটিজেন বিশ্বাস করছেন, এই লুকগুলো এআই বা কম্পিউটার জেনারেটেড হতে পারে, যদিও কোনো টেকনিক্যাল প্ল্যাটফর্ম এটি নিশ্চিত করেনি।

    অন্যদিকে, শাকিব খান এখন আলোচনায় আরও আছেন তার আসন্ন সিনেমা ‘সোলজার’ নিয়ে। এই সিনেমায় তাকে একজন দেশপ্রেমিক চরিত্রে দেখা যাবে, যিনি একা লড়াই করবেন দুর্নীতি, সিন্ডিকেট ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স এই সিনেমাটি পরিচালনা করছে। বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত সেই খবরের উপর ভিত্তি করে শাকিবের নতুন নাটকীয় বিরুপিশ্রুতি ও প্রত্যাশা ব্যাপক বাড়ছে।