Category: বিনোদন

  • ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললেন হেমা মালিনী

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললেন হেমা মালিনী

    বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র ৮৯ বছর বয়সে দ্বিতীয় নিঃশ্বাস ত্যাগ করার পর প্রথমবার তার স্ত্রী ও সহ-অভিনেত্রী হেমা মালিনী মুখ খুলেছেন। ২৪ নভেম্বর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বেশ কয়েকদিন ধরে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা জল্পনা কল্পনা চলছিল। মৃত্যুর সময় তার জুহু বাসভবনের সামনে অ্যাম্বুলেন্স দেখা যাওয়ার পর উদ্বেগ বেড়েছিল, অবশেষে নিশ্চিত হওয়া যায় তিনি আর জীবিত থাকতে পারেন না। মুম্বাইয়ের পওন হানস শ্মশানে তার শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের মনীষীরা—অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খানসহ অন্যান্য প্রীয় তারকারা। 

    ধর্মেন্দ্রর এই অকাল প্রয়াণের খবরের ব্যাপ্তি যতই সোশ্যাল মিডিয়া ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে, ততই মানুষের মনে শোকের ছায়া কেঁপে উঠছে। তবে গেঁথে থাকা নীরবতাকে ভেঙে এবার মুখ খুললেন হেমা মালিনী। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) তিনি সামাজিক মাধ্যমে একটি আবেগঘন বার্তা শেয়ার করেন। সঙ্গে তার স্বামীর সাথে অজস্র অদেখা ছবি প্রকাশ করেন, যা দেখলে অন্তর কাঁৃপ ওঠে।

    হেমা লিখেছেন, ধর্মজি ছিলেন তার জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের অংশ। তিনি ছিলেন একজন প্রেমের স্বামী, তার দুই কন্যা ঈশা ও অহনার ভালোবাসার বাবা, স্নেহশীল বন্ধু, দার্শনিক, পথপ্রদর্শক, কবি এবং জীবনের কঠিন সময়গুলোয় ভরসার স্থির বিশ্বাস। হেমা ব্যক্ত করেন, ধর্মেন্দ্র সবসময় পরিবারের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা ও সৌহার্দ্য বজায় রেখেছিলেন।

    তিনি আরও জানান, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেও ধর্মেন্দ্রর প্রতিভা, জনপ্রিয়তা ও বিনয় তারকে জনমানসে এক অনন্য স্থান দিয়েছে। এর মাধ্যমে তাকে যেন চিরকাল স্মরণ করে রেখার প্রয়োজন রয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে এই শূন্যতা বহন করা কঠিন হলেও, স্মৃতি ও ভালোবাসার আলোর মধ্যে তিনি আপামর শান্তি খুঁজে পাবেন বলে বিশ্বাস করেন।

    প্রসঙ্গত, বলিউডের এই কিংবদন্তি জুটি হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্রর প্রেম ও বিবাহের গল্প ছিল সিনেমার মতো রোমাঞ্চকর ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। ধর্মেন্দ্র প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর থেকে সন্তানেরা—সানি, ববি, বিজেতা ও অজিতা দেওল। সিনেমায় কাজ করতে গিয়েই ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে হেমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে, যা পরে গভীর বন্ধনে পরিণত হয়।

    ১৯৮০ সালে তারা বিবাহ সম্পর্কে আবদ্ধ হন। এ ঐতিহাসিক বিয়ে তখন ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করে, তবে তার পরেও তাদের সম্পর্কের গভীরতা ও ভালোবাসা কখনো কমেনি। তাদের সংসারে জন্ম নেয় দুই কন্যা—ঈশা ও অহনা। বিতর্কের শেষ নেই, কিন্তু চার দশক ধরে নিজেদের দাম্পত্য জীবনে প্রেম ও বিশ্বাসের বন্ধন অটুট রেখেছেন তারা। একসঙ্গে কাজ করেন ৪০টিরও বেশি সিনেমায়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য

  • জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভসের হৃদরোগে মৃত্যু

    জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভসের হৃদরোগে মৃত্যু

    বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভসের আকস্মিক মৃত্যুয় সৃষ্টি হয়েছে শোকের ছায়া। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সাউদার্ন অঞ্চলে অনুষ্ঠিত ‘ডিজনিল্যান্ড হ্যালোইন হাফ ম্যারাথন’ শেষ করার কিছুক্ষণ পরই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এই ঘটনাটি ঘটে ২৩ নভেম্বর, যখন দৌড় প্রতিযোগিতা শেষে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বয়স ছিল মাত্র ৩৫ বছর।

    প্রত্রিবেদনে জানানো হয়, তীব্র তাপপ্রবাহের মাঝে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ফিনিশিং লাইন পার করার পরপরই ববি গ্রেভস মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এক ঘণ্টার চিকিৎসার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

    স্থানীয় পুলিশ বলেছে, রেস শুরু হয়েছিল ভোর ৫টায়, এবং গ্রেভস সকাল ৭টার মধ্যে দৌড় শেষ করেন, যা খুবই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও সম্ভব হয়। ফিনিশিংয়ের ঠিক পরেই তিনি বুকের দিক দিয়ে অস্বস্তির অনুভূতি জানান। উপস্থিত একজন কর্মী নজর দেন এবং তাকে মাটিতে পড়ার পূর্বেই গ্রেভসকে ধরা হয়। ফায়ার সার্ভিস এবং রেসকিউ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

    মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে, গ্রেভস একটি টিকটক ভিডিওতে বলেছিলেন, ‘আগামীকাল ডিজনিল্যান্ড হাফ ম্যারাথন নিয়ে আমি কিছুটা চিন্তিত।’ তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার অরেঞ্জ কাউন্টির একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি। এই হতাশাজনক খবরের পর তার পরিবার ও অনুরাগীদের মধ্যে শোকের ছায়া পড়েছে।

    জানা গেছে, জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি থেকে আইনাঙ্গে স্নাতক গ্রেভস ‘উইলসন সন্সিনি গুডরিচ অ্যান্ড রোসাটি’ আইনী ফার্মে সহকারীর কাজ করতেন। বর্তমানে তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে ময়নাতদন্ত চলছে, ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছে পরিবার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • নায়িকা পপি’র বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠালো আত্মীয়স্বজন

    নায়িকা পপি’র বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠালো আত্মীয়স্বজন

    চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভিন পপি’কে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে তার চাচাতো বোন ও জামাই মো. তারেক আহমেদ চৌধুরী একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। বুধবার (২৬ নভেম্বর) এর মাধ্যমে খুলনা ও ঢাকার ঠিকানায় রেজিস্টার্ড ডাকের মাধ্যমে এই নোটিশ পাঠানো হয়, যা নিশ্চিত করেছেন তারেক আহমেদ চৌধুরী নিজে। তিনি বলেন, আমার স্ত্রী এবং তার আত্মীয় সাদিকা পারভিন পপি বিভিন্ন সময় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছেন, যা খুবই দুঃখজনক। অভিযোগ থাকলে পারিবারিকভাবে বা আইনগতভাবে সমাধান করা উচিত, কিন্তু তিনি তা না করে বিভিন্ন মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছেন। আমি এই বিষয়গুলো বিষদে জানিয়ে আইনিভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছি। এর আগে তিনি আমাকে দোষারোপ করে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছিলেন, যার জন্য আমি থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) দিয়েছি। তবে, এই আইনি নোটিশে স্পষ্ট করা হয়, আমার মক্কেল ঢাকায় একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে উচ্চ পদে কর্মরত। এর সঙ্গে পপির সম্পর্কের সূত্রপাত তার চাচা প্রয়াত মিয়া কবির হোসেনের জামাই হিসেবে। তারা পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে লিপ্ত, যা মূলত একটি বৈধ হেবা দলিলের মাধ্যমে আমার মক্কেলের স্ত্রী ও মাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। এই সম্পত্তির কোনও উত্তরাধিকার বা দখল আমার মক্কেলের নেই, কারণ সব লেনদেন ও বিতরণ কিসের দ্বারা হয়। তবে, ২১ নভেম্বর ঘোষিত একটি টিভি অনুষ্ঠানে পপি বিষয়টি নিয়ে অহেতুক মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগ করেন যা তারা সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ও অসত্য। এই পরিস্থিতিতে, আইনিভাবে সকল দিক স্পষ্ট করে আইনত কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

  • জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন আর নেই

    জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন আর নেই

    নব্বই দশকের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন (গালীব আহসান মেহদী) আর নেই। তিনি শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন শিল্পীর ঘনিষ্ঠজন ঈশা খান।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দুপুরে হঠাৎ করে বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন জেনস সুমন। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে কিছু পরই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    জেনস সুমনের প্রথম জনপ্রিয় গান ছিল ‘একটা চাদর হবে’, যা নব্বই দশকে রাতারাতি তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ঠেলে দেয়। ইথুন বিংবুসহ অন্যান্য শিল্পীদের সাথে তার গাওয়া এই গান শ্রোতাদের মন জয় করে। এরপর তিনি একাধিক অ্যালবাম প্রকাশ করেন, যার মধ্যে মিক্সড অ্যালবামও রয়েছে। দীর্ঘ এক যুগের বিরতির পরে চলতি বছর আবার তিনি সংগীতের সঙ্গে যুক্ত হন। সম্প্রতি প্রকাশিত হয় তার গাওয়া ‘আমি চাইব না’ গান। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, আরও নতুন কিছু গান নিয়ে ফিরছেন। কিন্তু তার আগেই তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।

    শিল্পীর প্রথম একক অ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’ ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর আরও কয়েকটি জনপ্রিয় অ্যালবাম প্রকাশিত হয়, যেমন- ‘আকাশ কেঁদেছে’, ‘অতিথি’, ‘আশাবাদী’, ‘একটা চাদর হবে’, ‘আয় তোরা আয়’, ‘চেরী’সহ অন্যান্য। তার সর্বশেষ অ্যালবাম ছিল ২০০৮ সালে প্রকাশিত ‘মন চলো রূপের নগরে’। তাঁর মৃত্যু বাংলা সংগীতজগতে এক গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে।

  • শাকিবের ‘পাইলট’ লুকে নতুন চমক সোশ্যাল মিডিয়ায়

    শাকিবের ‘পাইলট’ লুকে নতুন চমক সোশ্যাল মিডিয়ায়

    মেগাস্টার শাকিব খান বর্তমানে ঢালিউডে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন। তার কার্যক্রম আর নতুন লুকগুলো যেন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলে দিয়েছে। তিনি এখন যেকোনো চরিত্র বা বিজ্ঞাপনে থাকলেই তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। সম্প্রতি তিনি একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশ নিয়েছেন, যা বেশ ચર્ચার কেন্দ্রবিন্দুতে। সেই বিজ্ঞাপনটির জন্য প্রকাশিত এক পাইলটের নানা ছবি নিজ ফেসবুক পেজে শেয়ার করেন শাকিব। এই ছবিগুলোতে দেখা যায়, সাধারণ চেহারার বাইরে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক শাকিব খানকে, যার গ্ল্যামার এবং নতুন স্টাইল সবাইকে মুগ্ধ করে তুলছে। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘আকাশটা সীমা নয়, এটি শুরু করার স্থান!’ এই ছবি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় সামাজিক মাধ্যমে। ভক্তরা তাদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ, কেউ বলছেন, ‘এটাই আমাদের ক্যাপ্টেন শাকিব!’ কেউ আবার মন্তব্য করেছেন, ‘চলচ্চিত্রের আসল পাইলট।’ তবে কিছু নেটজনতা মনে করছেন, এগুলো সম্ভবত এআই-নির্মিত ছবি, যদিও মেটা এআই বা চ্যাটজিপিটি এই ছবিগুলোকে এআই-জেনারেটেড বলে স্বীকার করেনি। অন্যদিকে, শাকিবের আসন্ন সিনেমা ‘সোলজার’ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স প্রযোজিত এই সিনেমায় তাকে একজন দেশপ্রেমিক চরিত্রে দেখা যাবে, যিনি একাই যুদ্ধ করবেন দুর্নীতি, সিন্ডিকেট এবং ক্ষমতার অপব্যবহার বিরুদ্ধে। এই সিনেমা দিয়ে আবারও প্রমাণিত হয়, শাকিব খান তার অভিনয়ে নতুনত্ব ও চমক দিয়ে দর্শকদের মনে দাগ কেটে যাচ্ছেন।

  • জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন

    জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ডিজনি ল্যান্ড হ্যালোইন হাফ ম্যারাথনের সমাপ্তির কিছুক্ষণ পরই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস। গত ২৩ নভেম্বর ওই দৌড় প্রতিযোগিতা শেষে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং দ্রুত তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, চিকিৎসকের সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয় এবং এক ঘণ্টা পরে তার মৃত্যু ঘোষণা করা হয়। তার বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর।

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার তীব্র গরমের মাঝে অনুষ্ঠিত এই দৌড়ের শেষে ফিনিশিং লাইনে পৌঁছানোর পরই গ্রেভস মাটিতে লুফিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলে থাকা ফায়ার ও রেসকিউ দল দ্রুত তার পাশে এসে উদ্ধার কাজ শুরু করে। চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষা নিশ্চিত করে যে তিনি কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত হয়েছেন।

    পুলিশ জানিয়েছে, ভোর ৫টায় শুরু হওয়া এই রেসটি প্রথমে আটটার পর শেষ হলেও, অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও গ্রেভস পুরো রেসটি সম্পন্ন করেন। তবে শেষ মুহূর্তে তার সমস্যা শুরু হলে উপস্থিতরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। তার সুস্থ হয়ে ওঠার অপক্ষো করতেও পারেনি।

    ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি একটি টিকটক ভিডিওতে বলেন, ‘আগামীকাল ডিজনি ল্যান্ড হাফ ম্যারাথন নিয়ে আমি কিছুটা চিন্তিত।’ এর মাধ্যমে তিনি গরমের কারণে নিজের উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

    অরেঞ্জ কাউন্টি করোনার বিভাগ এখন ময়নাতদন্ত পরিচালনা করছে, এবং আগামী সপ্তাহে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

    জনপ্রিয় আইনজীবী ও সংগীতপ্রেমী গ্রেভস জর্জটাউন ইউনিভার্সি থেকে আইনশিক্ষা নেন এবং উইলসন সন্সিনি গুডরিচ অ্যান্ড রোসাটি নামে একটি লিগ্যাল ফার্মে একজন সহযোগী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর অকাল মৃত্যু তার অনুসারীদের মধ্যে শোকের ছায়া ফেলেছে।

  • ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললেন হেমা মালিনী

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললেন হেমা মালিনী

    বলিউডের সুপরিচিত অভিনেতা ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুতে প্রথমবারের মতো কথা বললেন তাঁর স্ত্রী ও সহ-অভিনেত্রী হেমা মালিনী। বর্ষীয়ান এই অভিনেতা ৮৯ বছর বয়সে ২৪ নভেম্বর জীবনাবসান করেন। কয়েক দিন ধরেই তার শারীরিক অবস্থার জন্য নানা জল্পনা ছিল। মৃত্যুর দিন তার জুহু বাসভবনের সামনে অ্যাম্বুলেন্স দেখাকেই নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরে নিশ্চিত করা হয়, তিনি আর ছিলেন না।মুম্বাইয়ের পওন হানস শ্মশানে তার শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের বড় বড় তারকা যেমন অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খানসহ আরও বহু নির্মাতা-অভিনেতা।

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু নিয়ে এখনও পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ কোনও মন্তব্য করেননি। তবে অবশেষে সেই নীরবতা ভেঙেছেন হেমা মালিনী। তিনি বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে এক আবেগপূর্ণ বার্তাশেয়ার করেন, যেখানে তারা স্বামীর সঙ্গে বহু অদেখা ছবি প্রকাশ করেন।

    হেমা লিখেছেন, ধর্মজি ছিলেন তার জীবনের সকল পরিচয়ের উৎস—স্নেহশীল স্বামী, দুই কন্যা ইশা এবং অহনার ভালোবাসার বাবা, বন্ধুবর, দার্শনিক, পথপ্রদর্শক, কবি এবং সঙ্কটের সময় ভরসার আশ্রয়। তিনি উল্লেখ করেছেন, ধর্মেন্দ্র সবসময় পরিবারের সদস্যদের আন্তরিক ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যে আবদ্ধ রাখতেন।

    হেমা আরও লিখেছেন, একজন সাধারণ মানুষ হয়েও ধর্মেন্দ্রর প্রতিভা, জনপ্রিয়তা আর তার বিনয় ও সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা তাকে কিংবদন্তির মধ্যে এক অনন্য উচ্চতায় উপনীত করেছে। তার অবদান চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ব্যক্তিগতভাবে এই শূন্যতা ভাষায় প্রকাশের বাইরে; এই ক্ষতি সারাজীবন তার মনে থাকবে। এখন যাবতীয় স্মৃতি নিয়ে তাকে খুঁজে নিতে হবে।

    প্রসঙ্গত, বলিউডের অন্যতম লাইফটাইম জুটি হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্রর প্রেমকাহিনী এবং বৈবাহিক জীবন ছিল সিনেমার মতোই অনুরাগের। ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী ছিল প্রকাশ কৌর ও তাদের চার সন্তান—সানি, ববি, বিজেতা এবং অজিতা দেওল। সিনেমার জগতে কাজ করতে গিয়েই হেমা আর ধর্মেন্দ্রর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে, ১৯৮০ সালে তারা বিবাহ করেন, যা তখন বেশ বিতর্কের সৃষ্টি করে। সেই সময়ের সামাজিক প্রেক্ষাপটে এটি বড় চর্চায় আসে।

    সংসারে জন্ম নেয় দুই কন্যা—ঈশা ও অহনা। সময়ের পালাবদলে সব বিতর্ক পেরিয়ে যুগ যুগ ধরে তাদের সম্পর্কের ভিত আরও শক্তিশালী হয়; প্রেম এবং আন্তরিকতার বন্ধন অটুট থাকে। ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনী একসঙ্গে কাজ করেন ৪০টিরও বেশি সিনেমায়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘শোলে’, ‘নসিব’, ‘আলিবাবা অউর ৪০ চোর’, ‘ছোট্ট সি বাত’, ‘তুম হা’সিন মে’জয়ান’ ইত্যাদি।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

  • নায়িকা পপিকে আইনি নোটিশ পাঠালেন চাচাতো ভাই

    নায়িকা পপিকে আইনি নোটিশ পাঠালেন চাচাতো ভাই

    চিত্রনায়িকা পপি–এর বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ায় তার চাচাতো ভাই ও জামাই মো. তারেক আহমেদ চৌধুরী ইতিমধ্যে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছেন। বুধবার (২৬ নভেম্বর), সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবীর মাধ্যমে পপির বর্তমান ঠিকানা—খুলনা ও ঢাকায়—রেজিস্টার্ড ডাকযোগে একটি নোটিশ পাঠানো হয়। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন তারেক আহমেদ চৌধুরী নিজেই।

    তারেক আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘আমার স্ত্রী ও আমার কাছের আত্মীয় সাদিকা পারভিন পপি বিভিন্ন সময় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছেন, যা আমার জন্য খুবই দুঃখজনক। যদি তিনি কোনো অভিযোগ করেন, তাহলে পারিবারিকভাবে বা আইনি পথে আলোচনা করতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেটা না করে বিভিন্ন মাধ্যমে আমার নামে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছেন। আমি এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।’

    অতীতে পপি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার করেছিলেন, যার জন্য তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছেন বলে জানান তারেক আহমেদ।

    আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মণ্ডল বলেন, পপি–এর প্রযোজ্য পরিবারের সঙ্গে তারেক আহমেদ চৌধুরীর সম্পর্ক রয়েছে। পপি–এর প্রিয়জন প্রয়াত মিয়া কবির হোসেনের জামাই তিনি। তাঁদের মধ্যে পরস্পর বৈবাহিক সম্পর্কের সূত্রে সম্পর্ক।

    আইনি নোটিশে বলা হয়, এককভাবে একটি পারিবারিক বিরোধের বিষয় রয়েছে যেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ দেখা দেয়। ঐ সম্পত্তিটি পপি–এর প্রিয়জনের সাবেক চাচার মালিকানা ছিল, যা একটি বৈধ হেবা দলিলের মাধ্যমে তারেক আহমед চৌধুরীর স্ত্রী ও তার মাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়। ফলে, এই সম্পত্তির আইনত মালিকানা ও দখল এই পরিবারটির। এই সম্পত্তির কোনো আইনগত উত্তরাধিকার বা স্বত্ব তারেক আহমেদ চৌধুরীর নেই।

    তবে, সম্প্রতি (২১ নভেম্বর) একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে পপি তার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগ করেছেন, যা এই নোটিশে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এই অভিযোগ অমূলক ও বিভ্রান্তিকর।

  • জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন আর নেই

    জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন আর নেই

    নব্বই দশকের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন (গালীব আহসান মেহদী) ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলেন। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন শিল্পীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ঈশা খান।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দুপুরে হঠাৎ জেনস সুমন গভীর বুকে ব্যথা অনুভব করেন, যা মারাত্মক আকার ধারণ করলে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। কিছুক্ষণ চিকিৎসা চলার পর কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    জেনস সুমন ১৯৯০-এর দশকে ‘একটা চাদর হবে’ গানটি গেয়ে রাতারাতি খ্যাতি অর্জন করেন। ইথুন বাবুর কথাগুলো সুর দিয়ে গাওয়া এই গান তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছাতে সাহায্য করে। এরপর বিভিন্ন মিশ্র অ্যালবাম ও গান দিয়ে শ্রোতাদের মন জয় করেন। দীর্ঘ এক যুগের বিরতির পরে তিনি আবার সংগীতের সঙ্গে যুক্ত হতে শুরু করেন, বিশেষ করে চলতি বছর প্রকাশিত তার ‘আমি চাইব না’ গানটি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তখন তিনি বলেছিলেন, আরও নতুন গান নিয়ে ফিরছেন, কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবেই তিনি জীবনের 마지막 সময়টি পার করলেন।

    জেনস সুমনের প্রথম একক অ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’ ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত হয়। এরপর তিনি আরও বেশ কিছু জনপ্রিয় অ্যালবাম প্রকাশ করেন, যেমন ‘আকাশ কেঁদেছে’, ‘অতিথি’, ‘আশাবাদী’, ‘একটা চাদর হবে’, ‘আয় তোরা আয়’, ‘চেরী’সহ। তার সর্বশেষ অ্যালবাম ছিল ২০০৮ সালে প্রকাশিত ‘মন চলো রূপের নগরে’।

    শিল্পী হিসেবে তার অবদান বাঙালি সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

  • শাকিবের ‘পাইলট’ লুকের ঝড় সোশ্যাল মিডিয়ায়

    শাকিবের ‘পাইলট’ লুকের ঝড় সোশ্যাল মিডিয়ায়

    এখন ঢালিউডের সর্বশেষ খবর হলো মেগাস্টার শাকিব খানকে কেন্দ্র করে বেশ উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি যা করছেন, সেটাই মুহূর্তের মধ্যে আলোচনায় আসছে। তার প্রতিটি লুক ও পোশাক সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে। সিনেমার চরিত্রের লুক বা কোনো বিজ্ঞাপনের জন্য তার রূপ কারোই অজানা নয়। আবার সম্প্রতি তিনি এক নতুন বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়েছেন। সেই বিজ্ঞাপনটি হঠাৎ করে ভিন্ন ধরনের আলোচনা তৈরি করে দেয়। বিজ্ঞাপনটির জন্য শুটিংয়ের সময় তোলা তার ‘পাইলট’ লুকের কিছু ছবি তিনি নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করেন, যা মুহুর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। ওই ছবিগুলোতে দেখা যায়, নেভি ব্লু রঙের ক্যাপ্টেন ইউনিফর্ম পরে একটি গম্ভীর ও পরিপাটি লুক। চোখে সানগ্লাস এবং পরিষ্কার গোঁফ দিয়ে তিনি যেন ভক্তদের নতুন করে মুগ্ধ করে তুলেছেন। ছবিগুলোর ক্যাপশনে শাকিব বলেছেন, ‘আকাশটা সীমা নয়, এটি শুরু করার স্থান!’ মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই লুকের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক চর্চায় আসে। ভক্তরা মন্তব্যে তার প্রশংসা করেছেন, কেউ লিখেছেন, “এটাই আমাদের ক্যাপ্টেন শাকিব!” অন্য একজন লিখেছেন, “চলচ্চিত্রের আসল পাইলট।” তবে অনেক নেটিজেন সন্দেহ প্রকাশ করেছেন, এই ছবি নাকি এআই-নির্মিত। যদিও মেটা এআই বা চ্যাটজিপিটি কোনোটিই এই ছবি এআই-জেনারেটেড বলে শনাক্ত করেনি। এর পাশাপাশি, শাকিব খান আসন্ন ছবি ‘সোলজার’ নিয়েও ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন। এই ছবিতে তাকে একজন দেশপ্রেমিক চরিত্রে দেখা যাবে, যিনি একাই লড়াই করবেন দুর্নীতি, সিন্ডিকেট ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে। সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্সের প্রযোজনায় এটি মুক্তি পাবে।