Category: বাংলাদেশ

  • রকিবুল বকুলের আহবান: ১২ ফেব্রুয়ারি সতর্ক থাকুন — খুলনার উন্নয়ন ও ভোটাধিক্য রক্ষায়

    রকিবুল বকুলের আহবান: ১২ ফেব্রুয়ারি সতর্ক থাকুন — খুলনার উন্নয়ন ও ভোটাধিক্য রক্ষায়

    কেন্দ্রীয় বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রার্থীর সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচনের সময় স্থানীয় ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বিগত দিনের মতো পবিত্র ভোটের অধিকার আর কেউ কেড়ে নিতে পারবে না।

    রবিবার যোগীপোল ইউনিয়নের ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজিত ধারাবাহিক পথসভা ও গণসংযোগে এসব বক্তব্য দেন বকুল। একই দিনে খানজাহান আলী থানার আয়োজনে অনুষ্ঠিত দোয়া ও আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন; সেখানে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করা হয়।

    বকুল বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের জন্য এক অগ্নিপরীক্ষা। কোনো অশুভ শক্তি বা স্বার্থান্বেষী মহল সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার হরণ করতে পারবে না—এ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পাড়া-পাড়া অতন্দ্র প্রহরীর মতো সতর্ক থাকতে হবে।’ তিনি আরো বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘদিন গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল; এবার সেই অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার সময় এসেছে।

    খুলনার সার্বিক উন্নয়ন ও শান্তি-শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বকুল বলেন, খুলনা ঐতিহ্যবাহী শিল্প-ব্যবসায়িক শহর; এর সমৃদ্ধি স্থিতিশীল পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে খুলনার মানুষ নিরাপত্তাহীনতা ও অস্থিরতা থেকে মুক্তি চায়—তারা নিরাপদ পরিবেশে বসবাস, বিনিয়োগ ও জীবিকা নির্বাহে সক্ষম হতে চায়।

    তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফিরিয়ে আনার কাজ করা হবে। ‘শহর নিরাপদ থাকলে ব্যবসা-বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে,’ বলেও মন্তব্য করেন বকুল। খুলনার খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানার শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য হবে। তিনি বলেন, তারা এমন এক খুলনা চান যেখানে কেউ কারো অধিকার হরণ করতে পারবে না এবং আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন খানজাহান আলী থানা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মীর কায়ছেদ আলী। সভার সভাপতি ছিলেন ৮নং ওয়ার্ড নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ক মোসাদ্দেক আলী বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, খানজাহান আলী থানা বিএনপির সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস।

    এর পাশাপাশি ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শেখ তৈয়েবুর রহমান, ইমাম হাফেজ মাওলানা মফিজুর রহমান, ৯নং ওয়ার্ড সদস্য সচিব মোঃ মাহবুব শেখ, ৮নং ওয়ার্ড সদস্য সচিব মোজাফ্‌ফর হোসেনসহ থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের অনেক নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আয়োজিত দোয়া-মাহফিল ও পথসভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন; তারা ধানের শীষের পক্ষে স্লোগান দিয়ে এলাকাকে মুখরিত করে তোলে এবং ১২ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় পাহারা রেখে ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার করে।

  • ঝিনাইদহে মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

    ঝিনাইদহে মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

    ঝিনাইদহের একটি আদালতে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের জামায়াত প্রার্থী ও ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন অ্যাডভোকেট আব্দুল আলীম। অভিযোগ সূত্রে বলা হয়েছে, আমির হামজা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তার সন্তান আরাফাত রহমান কোকোসহ কিছু ব্যক্তিকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন।

    আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে ঝিনাইদহ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সদর আমলি আদালতে মানহানির অভিযোগে মামলার আবেদন করে অভিযোগকারী আইনজীবী আব্দুল আলীম। আদালতের বিচারক মোখলেসুর রহমান অভিযোগ আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    মামলার বাদী আব্দুল আলীম বলেন, মুফতি আমির হামজা বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তাদের সন্তান আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে আপত্তিকর, অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তার বক্তব্য জিয়া পরিবারের সম্মানসহ বিএনপি ও তাদের সমর্থকদের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছে—এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং ন্যায়বিচার প্রত্যাশায় মামলাটি করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই আইনগতভাবে আমির হামজার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

    প্রসঙ্গত, মুফতি আমির হামজার বিবাদিত মন্তব্যের একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত ভাইরাল হয়। ক্লিপটি ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই বিব্রতবোধ করলে মুফতি আমির হামজা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দুঃখ প্রকাশ করে একটি স্ট্যাটাস দেন এবং একই সঙ্গে আরাফাত রহমান কোকোর জন্য জান্নাত কামনা করেন।

    মামলা দায়ের হওয়ায় পিবিআই এর তদন্ত এবং পরবর্তী স্তরে আদালতের কার্যক্রম কী হবে—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও তদন্তের ফল প্রাপ্ত হলে তা অনুসরণ করে জানা যাবে।

  • মানুষ আমাদের হাস্যোজ্জ্বল মুখে স্বাগত জানাচ্ছে: মঞ্জু

    মানুষ আমাদের হাস্যোজ্জ্বল মুখে স্বাগত জানাচ্ছে: মঞ্জু

    খুলনা-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক ও সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল; মানুষের মনে দলের প্রতি আস্থা অটুট আছে। দীর্ঘদিন ভোট না হওয়ায় এবার নির্বাচনী পরিবেশকে কেন্দ্র করে ভোটারদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রচারণায় দল ব্যাপক সাড়া পাচ্ছে এবং মানুষ নেতাকেই হাস্যোজ্জ্বল মুখে গ্রহণ করছে — তারা চান জনবিচারে প্রমাণিত জনপ্রিয় দল বিএনপির প্রার্থীরা জিতুক।

    রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের রূপসা স্ট্যান্ড রোড, চানমারী বাজার, খ্রিস্টান পাড়া ও অন্যান্য স্থানে গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, ‘‘বিএনপি ১৬ বছর ধরে জনগণের দাবি আদায়ের সংগ্রামে রাজপথে ছিল। এখনও আমরা উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পাশাপাশি মানুষের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছি।’’

    মঞ্জু আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং তার অনুপস্থিতি নিয়ে এখনো জনগণের মধ্যে শোক कायम আছে। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের নেতা তারেক রহমান ১৭ বছর পর দেশে ফিরে এসেছেন এবং একটি সুপরিকল্পিত কর্মসূচি নিয়ে কাজ শুরু করেছেন।’’ মঞ্জু জানান এবারের নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে, উৎসবমুখর থাকবে এবং ভোট গ্রহণে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ভাবনা থাকার কথা নয়।

    গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসুচীতে উপস্থিত ছিলেন— অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মহিবুজ্জামান কচি, হাসানুর রশিদ মিরাজ, মাহবুব হাসান পিয়ারু, একরামুল হক হেলাল, শের আলম সান্টু, অ্যাডভোকেট মাসুম রশিদ, কেএম হুমায়ুন কবির, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, কামরান হাসান, আলমগীর কবির, মীর কবির হোসেন, সালাউদ্দিন বুলবুল, সওগাতুল ইসলাম, আলম হাওলাদার, নূরুল ইসলাম লিটন, মেহেদী হাসান লিটন, হাসিনা আকরাম, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, রোকেঢা ফারুক, সেলিম বড় মিয়া, স্বপন হাওলাদার, মাসুদ খান বাদল, সমির সাহা, আবু তালেব, এসএম আব্দুর রব, শাহআলম, ইয়াকুব আলী, মোহাম্মদ আলী, পারভেজ আলম খান, সিরাজ মোল্লা, মহিউদ্দিন মঈন, জাহান আলী, শাহাদাৎ গাজী, ফেরোজ আহমেদ, আল আমিন হক পাপ্পু, জিএম মুজিবর রহমান, মো. মুন্না, খালেক গাজী, খায়রুল আলম, হানিফ ফরাজী, শামসুর রহমান নিশান, মামুনুর রহমান, ফারুক হোসেন খান, ইউনুচ মোল্লা, আব্দুর রশিদ, আব্দুল করিম, আলাউদ্দিন আলম, শাহনাজ পারভীন রিক্তা, মামুন রেজা, নাজমা করিমসহ বিএনপি থানা, ওয়ার্ড ও অঙ্গদলের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ।

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আইসিএমএবির সিএমএ প্রোগ্রামে কোর্স মওকুফ সুবিধা পাবে

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আইসিএমএবির সিএমএ প্রোগ্রামে কোর্স মওকুফ সুবিধা পাবে

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন (বিএ) ডিসিপ্লিন এবং হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (এইচআরএম) ডিসিপ্লিনের সঙ্গে দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)-এর পৃথক দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। রবিবার, ২৫ জানুয়ারি বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    সমঝোতা স্মারকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী এবং আইসিএমএবির পক্ষে স্বাক্ষর করেন ভাইস-প্রেসিডেন্ট এস এম জহির উদ্দিন হায়দার। স্বাক্ষরের পর উভয় পক্ষ সমঝোতা স্মারক বিনিময় করেন।

    ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী অনুষ্ঠানে বলেন, স্বাক্ষরিত এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও আইসিএমএবি বাংলাদেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং উচ্চমানের পেশাদার কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট তৈরিতে কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তুলবে। তিনি বলেন, সময়োপযোগী যৌথ কার্যক্রম গ্রহণ, একাডেমিক ও পেশাদার সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার মাধ্যমে লক্ষ্যটি অর্জন করা হবে।

    দুইটি পৃথক এমওইউ শিক্ষার্থীদের পেশাদার হিসাবরক্ষণ শিক্ষায় নতুন সুযোগ খুলে দেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এর ফলে দেশে দক্ষ, যোগ্য ও মানসম্পন্ন ব্যবস্থাপনা হিসাবরক্ষক তৈরিতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. রুমানা হক, ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ নূর আলম, প্রফেসর শেখ মাহমুদুল হাসান, এইচআরএম ডিসিপ্লিনের প্রধান মোঃ মেহেদী হাসান, আইসিএমএবির ভাইস-প্রেসিডেন্ট এস এম জহির উদ্দিন হায়দার, সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম উদ্দিন এবং খুলনা ব্রাঞ্চের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ এনামুল হক। দুই ডিসিপ্লিনের শিক্ষক ও আইসিএমএবির কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    সমঝোতা স্মারকে বলা হয়েছে, উভয় প্রতিষ্ঠান অডিট ও হিসাবরক্ষণ শিক্ষার মানোন্নয়নে যৌথ গবেষণা, প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করবে। একই সঙ্গে কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং শিক্ষার প্রসারে একাডেমিক ও পেশাদার সম্পর্কের একটি শক্ত ভিত্তি গড়ে তোলার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।

    এমওইউর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আইসিএমএবির সিএমএ প্রোগ্রামে কোর্স মওকুফ সুবিধা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিন থেকে বিবিএ ডিগ্রি প্রাপ্তরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে সিএমএ প্রোগ্রামে একাধিক কোর্সে মওকুফ পাবেন। একইভাবে এইচআরএম ডিসিপ্লিন থেকে বিবিএ ইন এইচআরএম শেষ করা শিক্ষার্থীরাও নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আইসিএমএবির সিএমএ প্রোগ্রামে কোর্স মওকুফ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

    আরও এক সুবিধা হলো, যারা বিবিএ অধ্যয়নের পাশাপাশি সিএমএ প্রোগ্রাম অনুসরণ করতে চান, তারা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে বিষয়ভিত্তিক বা ‘সাবজেক্ট টু সাবজেক্ট’ ভিত্তিতে মওকুফ সুবিধা পাবে। উদাহরণস্বরূপ, বিবিএ অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য ন্যূনতম ৩.০০ সিজিপিএ অর্জন করতে হবে; একইভাবে এইচআরএম ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীদের জন্য ৪.০০ স্কেলে ন্যূনতম ৩.০০ গড় জিপিএ থাকা সাপেক্ষে তালিকাভুক্ত আইসিএমএবি বিষয়গুলোতে বিষয়ভিত্তিক মওকুফ দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

    এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পেশাদার যোগ্যতা অর্জনে দ্রুততা পাবেন এবং আইসিএমএবির সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ হিসাবরক্ষক হিসেবে গড়ে ওঠার পথ সুগম হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ও আইসিএমএবি দুপক্ষই এই অংশীদারিত্বকে দীর্ঘমেয়াদি ও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • মানুষ আমাদেরকে হাস্যোজ্জ্বল মুখে গ্রহণ করছে: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    মানুষ আমাদেরকে হাস্যোজ্জ্বল মুখে গ্রহণ করছে: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    খুলনা-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক ও সর্বাধিক জনপ্রিয় দল; মানুষের কাছে এটি অত্যন্ত প্রিয়। দীর্ঘসময় মানুষ ভোট দিতে না পারায় এবার নির্বাচনী উত্তেজনা তীব্র হওয়ায় ভোটের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা প্রচারণায় ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি এবং মানুষ আমাদেরকে হাস্যোজ্জ্বল মুখে গ্রহণ করছেন—তারা চান জনপ্রিয় দল বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হোক। মঞ্জু মনে করেন জনগণের আস্থা থাকায় বিএনপি প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জিতবে।

    তিনি বলেন, বিএনপি বিগত ১৬ বছর ধরে জনগণের দাবি আদায়ে রাজপথে ছিল এবং উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

    রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নগরীর ৩০ নং ওয়ার্ডের রূপসা স্ট্যান্ড রোড, চানমারী বাজার, খ্রিস্টান পাড়া ও অন্যান্য এলাকায় গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন তিনি। সেই সময় দলের পক্ষে লিফলেট বিতরণও করা হয়।

    মঞ্জু আরও বলেন, জাতির প্রিয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া সর্বোচ্চ জনপ্রিয়তায় আছেন এবং তার অনুপস্থিতির শোক মানুষ এখনও ভুলতে পারেনি। আমাদের নেতা তারেক রহমান ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন এবং একটি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এসেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন এবারের নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবপরায়ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে এবং নিরাপত্তার কোন শঙ্কা নেই।

    গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মহিবুজ্জামান কচি, হাসানুর রশিদ মিরাজ, মাহবুব হাসান পিয়ারু, একরামুল হক হেলাল, শের আলম সান্টু, এডভোকেট মাসুম রশিদ, কেএম হুমায়ুন কবির, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, কামরান হাসান, আলমগীর কবির, মীর কবির হোসেন, সালাউদ্দিন বুলবুল, সওগাতুল ইসলাম, আলম হাওলাদার, নূরুল ইসলাম লিটন, মেহেদী হাসান লিটন, হাসিনা আকরাম, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, রোকেঢা ফারুক, সেলিম বড় মিয়া, স্বপন হাওলাদার, মাসুদ খান বাদল, সমির সাহা, আবু তালেব, এসএম আব্দুর রব, শাহআলম, ইয়াকুব আলী, মোহাম্মদ আলী, পারভেজ আলম খান, সিরাজ মোল্লা, মহিউদ্দিন মঈন, জাহান আলী, শাহাদাৎ গাজী, ফিরোজ আহমেদ, আল আমিন হক পাপ্পু, জিএম মুজিবর রহমান, মো. মুন্না, খালেক গাজী, খায়রুল আলম, হানিফ ফরাজী, শামসুর রহমান নিশান, মামুনুর রহমান, ফারুক হোসেন খান, ইউনুচ মোল্লা, আব্দুর রশিদ, আব্দুল করিম, আলাউদ্দিন আলম, শাহনাজ পারভীন রিক্তা, মামুন রেজা ও নাজমা করিমসহ বিএনপির থানা, ওয়ার্ড ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার সাধারণ মানুষ।

  • খুলনা-৪: বিএনপি প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

    খুলনা-৪: বিএনপি প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬কে সামনে রেখে খুলনা-৪ (রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল তার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, তিনি উপজেলার ভিত্তিতে মোট ৭৪টি উন্নয়ন পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি উপস্থাপন করেন।

    হেলাল তার বক্তব্যে বলেছিলেন, নদী ও প্রকৃতিবেষ্টিত এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অবহেলা দূর করে একটি সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও আধুনিক খুলনা-৪ গড়ে তোলা তার প্রধান লক্ষ্য। তাই অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শিল্প ও কৃষিসহ সামাজিক নিরাপত্তাকে তিনি অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    ইশতেহারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে রয়েছে: ভৈরব নদীর ওপর দ্বিতীয় সেতুর নির্মাণ, অসমাপ্ত নগরঘাট ও রেলিগেট সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করা, নদীভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ এবং রূপসা উপজেলায় ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে নিরাপদ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা। রূপসা ফেরিঘাটকে টোলমুক্ত করা ও সেখানে আধুনিক পরিবহন স্ট্যান্ড নির্মাণও তার পরিকল্পনার অংশ।

    স্বাস্থ্য খাতে তিনি দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপান্তর, রূপসায় ১০০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল এবং তেরখাদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    শিক্ষার ক্ষেত্রে যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি করণের প্রচেষ্টা, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও লাইব্রেরি স্থাপন এবং বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্র চালু করার পরিকল্পনা ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে তিনি ইপিজেড স্থাপন, আইটি ও ফ্রিল্যান্সিং ট্রেনিং সেন্টার, কোল্ড স্টোরেজ, দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ প্ল্যান্ট এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প গড়ে তোলার কথা বলেন। কৃষকদের জন্য বিনামূল্যে বীজ-সার, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি প্রচলন ও সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের প্রতিশ্রুতিও প্রদান করা হয়।

    অপরাধ ও অনিয়ন্ত্রিত কার্যকলাপ মোকাবিলায় তিনি মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা করেন। পাশাপাশি নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং পরিবেশ সংরক্ষণেও জোর দেওয়ার প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন।

    ইশতেহার ঘোষণা শেষে হেলাল বলেন, এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিনি খুলনা-৪ আসনকে একটি আদর্শ ও উন্নত জনপদে রূপান্তরিত করার কাজ করবেন।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য খান রবিউল ইসলাম রবি, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, অধ্যাপক মনিরুল হক বাবুল, শেখ আব্দুর রশিদ, আব্দুস সালাম, আছাফুর রহমান, আশরাফুল ইসলাম নুর, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রনু, গোলাম মোস্তফা তুহিন, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, তেরখাদা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক চৌধুরী কাওছার আলী, আবু সাঈদ, সেতারা সুলতানা, গোলাম ফারুক, শেখ আবু সাঈদ, ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, শরিফ নাইমুল ইসলাম, আবুল কাশেম, রেজাউল ইসলাম রেজা, মো. রয়েল, খালেদা পারভিন সিনথিয়া এবং শিহাবুল ইসলাম সিহাব।

  • ধর্মভেদ বাদে সকলের উন্নয়ন নিশ্চিত করবো: আজিজুল বারী হেলাল

    ধর্মভেদ বাদে সকলের উন্নয়ন নিশ্চিত করবো: আজিজুল বারী হেলাল

    খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী ও বিএনপি তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, ধর্মীয় ভেদাভেদ থেকে মুক্ত রেখে সকল ধর্মের মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। কে কোন ধর্মের প্রতিনিধি—তা বড় বিষয় নয়, সবাই সম অধিকার নিয়ে বাস করবে এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে সাদৃশ্য ও সৌহার্দ্য আরও দৃঢ় করা হবে। তিনি আরও বলেন, ধর্মের নামে কোনো বৈষম্য স্বীকার করা হবে না।

    এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়নের পালেরহাট মাঠে জনসভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল আই’র জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

    নারীর নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে হেলাল বলেন, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ রোধে এবং নারীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। ‘‘নারী সমাজকে সম্মান ও নিরাপত্তা ছাড়া বাস্তব উন্নয়ন সম্ভব নয়,’’ তিনি যুক্ত করেন।

    মাদক ও সন্ত্রাস দমন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে হেলাল বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ নয়—ধর্ম চর্চা ও ক্রীড়া সংস্কৃতির প্রসারও অপরাধ দমন ও সুস্থ সামাজিকতা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিটি পরিবারকে বাল্যকাল থেকে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং খেলাধুলাকে বাড়িয়ে যুবসমাজকে অপরাধ থেকে দূরে রাখা হবে। তিনি আশ্বাস দেন, বিএনপি সরকার গঠিত হলে তিনটি উপজেলায় তিনটি আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে।

    নাগরিক সেবায় স্বচ্ছতা ও ভূমি অফিসের দুর্নীতির প্রসঙ্গ উঠে আসলে তিনি বলেন, ইউনিয়নসহ উপজেলার ভূমি অফিসগুলোতে কোনো অনৈতিক আর্থিক লেনদেন ছাড়াই সেবা নিশ্চিত করা হবে এবং দালালমুক্ত ভূমি দফতর গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। আগামীতেও এমন ধরনের অভিযোগ পেলে সাংবাদিক ও জনগণকে নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি হুমকি উচ্চারণ করেন।

    নিজের বিরুদ্ধে প্রায়ই মিথ্যা মামলা ও কারাবরণ সংক্রান্ত প্রশ্নে হেলাল বলেন, ‘‘চ্যালেঞ্জ মেনে না নিলে নেতৃত্ব গড়ে ওঠে না। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যে কোনো ত্যাগ স্বীকার করতে আমি প্রস্তুত।’’ তিনি অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানই নিজের রাজনীতির মূল আদর্শ হিসেবে অভিহিত করেন।

    প্রশ্ন-উত্তর পর্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল ফজল হেলাল, মেডিকেল শিক্ষার্থী রাহুল, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি জয় নোটন বাড়ই, ফিফা রেফারি মনির ঢালী, সাংবাদিক কৃষ্ণ গোপাল সেন, বাকির হোসেন, প্রধান শিক্ষক বিউটি পারভিন, হাফিজুর রহমান, আঃ কুদ্দুসসহ শতাধিক সাধারণ জনগণ অংশ নেন।

    অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব আবু হোসেন বাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, এনামুল হক সজল, রূপসা উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, তেরখাদা আহ্বায়ক চৌধুরী কাউসার আলী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু, উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, আনিসুর রহমান, জেলা বিএনপি নেতা শেখ আলী আজগর, এম এ সালাম, মোল্লা রিয়াজুল ইসলাম, আছাফুর রহমান, জেলা যুবদল নেতা গোলাম মোস্তফা তুহিন, তাঁতিদল নেতা মাহমুদুল আলম লোটাসসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণজনে আনন্দের পরিবেশ বজায় ছিল এবং সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট শিল্পী কুদ্দুস বয়াতী।

  • ধর্মীয় ভেদাভেদ ছাড়াই সকলের উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে

    ধর্মীয় ভেদাভেদ ছাড়াই সকলের উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে

    খুলনা-৪ আসনে ধানের শীষ প্রার্থী ও বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, ধর্মীয় ভেদাভেদের ভিত্তিতে কাউকে ভাগ করা হবে না; সব ধর্মের মানুষ সমানভাবে উন্নয়নের অধিকার পাবে। তিনি বলেন, ‘‘কে কোন ধর্মের — তা বড় বিষয় নয়। সবাই সমান অধিকারভোগী হিসেবে বসবাস করবে এবং সাম্প্রদায়িক বন্ধন আরও দৃঢ় করা হবে। ধর্মের নামে কোনো বৈষম্য বরদাস্ত করা হবে না।’’

    এই প্রতিশ্রুতিগুলো তিনি রূপসার শ্রীফলতলা ইউনিয়নের পালেরহাট মাঠে আয়োজিত জনসংযোগ অনুষ্ঠানকালে দিয়েছেন। অনুষ্ঠানটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আই-এর উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরীর সার্বিক উপস্থাপনায় শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

    নারীর নিরাপত্তা বিষয়ে হেলাল বলেন, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ রোধ করে নারী অধিকার নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে। ‘‘নারীকে সম্মান ও নিরাপত্তা না দিলে কোনো সমাজের উন্নয়ন সম্ভব নয়,’’ তিনি উল্লেখ করেন। মেয়েদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং প্রতিটি পরিবারকে সচেতন ভূমিকা নিতে অনুরোধ জানান।

    মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত প্রশ্নে তিনি বলেন, কেবল আইন-শৃঙ্খলা নয়, পারিবারিকভাবে ধর্মীয় জীবনচর্চা ও ক্রীড়া-সংস্কৃতির প্রচারও জরুরি। তাই উপজেলার সব স্তরের খেলার মাঠ আধুনিককরণ করে তরুণদের খেলাধুলার দিকে আকৃষ্ট করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তরুণ সমাজকে খেলাধুলা ও সংস্কৃতির মাধ্যমে সুস্থ পথে ফেরানোর ওপর বিশেষ জোর থাকবে।

    ফিফা রেফারি মনির ঢালীর প্রশ্নে হেলাল আশ্বস্ত করেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনটি উপজেলায় তিনটি আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে। তিনি বলেন, খেলাধুলা যুব সমাজকে অপরাধ থেকে দূরে রেখে সুস্থ জাতি গঠনে বড় ভূমিকা রাখে।

    নির্বাচনী হটলাইন চালু রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি জানান, তিনি নির্বাচিত হন বা না হন তাঁর হটলাইন নম্বর সক্রিয় থাকবে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ চলবে। রূপসার সাংবাদিকদের জন্য আধুনিক প্রেসক্লাব গঠন ও উন্নয়নে তিনি সহযোগিতা করবেন এবং সাংবাদিকদের স্বাধীন ও নিরাপদ পরিবেশে কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

    ভূমি অফিসে দুর্নীতির বিষয়ে অভিযোগ এলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান। উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোকে দালাল-মুক্ত করে কোনো আর্থিক লেনদেন ছাড়াই জনগণের সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে ভবিষ্যতে অভিযোগমুলক ঘটনার বিরুদ্ধে জনগণের সঙ্গে নিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

    নিজের বিরুদ্ধে আগের মিথ্যা মামলা ও কারাবরণের প্রসঙ্গে হেলাল বলেন, ‘‘চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ছাড়া নেতৃত্ব গড়ে ওঠে না।’’ তিনি আরও বলেন, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যে কোনো ত্যাগ স্বীকার করতে তিনি প্রস্তুত এবং অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থাই তার রাজনীতির মূল আদর্শ।

    অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল ফজল হেলাল, মেডিকেল শিক্ষার্থী রাহুল, খ্রিস্টান সমাজের জয় নোটন বাড়ই, ফিফা রেফারি মনির ঢালী, সাংবাদিক কৃষ্ণ গোপাল সেন, বাকির হোসেন, প্রধান শিক্ষক বিউটি পারভিন, হাফিজুর রহমান, আঃ কুদ্দুসসহ প্রায় শতাধিক জনতা।

    বিএনপি’রস্থানীয় নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব আবু হোসেন বাবু, যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, এনামুল হক সজল, রূপসা উপজেলা আহবায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, তেরখাদা আহবায়ক চৌধুরী কাউসার আলী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, উপজেলা সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, আনিসুর রহমান, জেলা বিএনপি নেতা শেখ আলী আজগর, এম এ সালাম, মোল্লা রিয়াজুল ইসলাম, আছাফুর রহমান, জেলা যুবদল নেতা গোলাম মোস্তফা তুহিন, তাঁতিদল নেতা মাহমুদুল আলম লোটাসসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে শেষ অংশে স্থানীয় শিল্পী কুদ্দুস বয়াতী সাংস্কৃতিক পরিবেশন করেন।

  • ধর্মীয় অপব্যাখ্যা ও মিথ্যা ফতোয়া দিয়ে ভোট কেনা যাবে না: রকিবুল ইসলাম

    ধর্মীয় অপব্যাখ্যা ও মিথ্যা ফতোয়া দিয়ে ভোট কেনা যাবে না: রকিবুল ইসলাম

    বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ ধানের শীষ প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে মিথ্যা ফতোয়া বা ধর্মীয় অপব্যাখ্যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভোট কেনা সম্ভব না। তিনি বলেন, আজকের ভোটাররা বেশ সচেতন; তারা প্রকৃত উন্নয়ন ও তাদের অধিকার রক্ষায় নিজেদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।

    বকুল বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মকে ঢাল বানিয়ে বিভ্রান্ত কল্পনা ছড়ানো আর কাজ করবে না। যারা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে, জনগণ তাদের ভোটের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি অভিযোগ করেন, একটি দল তাদের পরাজয় নিশ্চিত বুঝে নানা রকম বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে, যা গণতন্ত্রের মূল ধারার বিরুদ্ধে।

    গতকাল শুক্রবার ১৪নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে বেগম খালেদা জিয়া ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সৈয়দ জহর মীরের রুহের মাগফিরাত কামনায় বায়তুল নাজাত জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় বকুল এসব মন্তব্য করেন।

    দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বায়তুল নাজাত জামে মসজিদের সভাপতি আবু সুফিয়ান নান্নু। প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী। সভায় বক্তব্য দেন সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মো. চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, প্রবীণ রাজনীতিবিদ স ম আব্দুর রহমান, খালিশপুর থানা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ আলী বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস এবং থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আলাউদ্দিন তালুকদার।

    অন্যান্য উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ১৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হায়দার আলী তরফদার, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক লুৎফর রহমান, জংশন বাজারের সভাপতি মো. কোরবান মীর, সমাজসেবক মীর আব্বাস আলী, বিএল কলেজের সাবেক প্রভাষক অধ্যাপক আনোরুল ইকবাল, অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক ম্যানেজার খন্দকার কামাল উদ্দিন আহমেদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহিন আজাদ। স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও এলাকার বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষও উপস্থিত ছিলেন।

    বকুল উল্লেখ করেন, খুলনাবাসী সততা ও সাহসিকতার পক্ষে একজোট এবং তারা তাদের হকৰ রক্ষায় সচেষ্ট। তিনি প্রশাসন ও সাধারণ জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, খোলা ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

    অনুষ্ঠান শেষে বায়তুল নাজাত জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুস সাত্তার বিশেষ মোনাজাতে বেগম খালেদা জিয়া ও সৈয়দ জহর মীরের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের কল্যাণ কামনা করেন।

  • শান্তি, উন্নয়ন ও নিরাপদ খুলনা গড়াই আমাদের লক্ষ্য: মঞ্জু

    শান্তি, উন্নয়ন ও নিরাপদ খুলনা গড়াই আমাদের লক্ষ্য: মঞ্জু

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী ও সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, খুলনাকে শান্তি, উন্নয়ন ও নিরাপদ করে গড়তে চান। তিনি বললেন, খুলনা এক সময় ছিল শিল্প-সমৃদ্ধ—a বন্দর ও শিল্পনগরীর পরিচয়ে খ্যাত। কিন্তু বর্তমানে শিল্পবন্ধের ফলে শহরটি ঐতিহ্যহীন হয়ে পড়েছে। সেই হারানো মর্যাদা ফিরে এনে খুলনাকে পুনরায় উন্নয়নমুখী বানানোই তাদের উদ্দেশ্য।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘‘তরুণদের জন্য আমাদের নানা কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প কল-কারখানাগুলো পুনরায় চালু করে আমরা সমৃদ্ধ খুলনা গড়তে চাই। শান্তির, উন্নয়নের এবং নিরাপদ খুলনা তৈরি করা সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।’’

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় খুলনা নিউ মার্কেট কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে এসব কথা বলেন তিনি। সেই সময় তিনি বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের গতানুগতিক নয়, নির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে দেশে ফেরার কথাও উল্লেখ করেন। মঞ্জু জানান, ১৭ বছর পর দেশে এসে তিনি জানান ‘‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’’—এমন উন্নয়ননীতিই তারা সামনে এগিয়ে নিতে চায়।

    তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের কাছে একটি স্বনির্ভর অর্থনীতি উপহার দেবে। নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডসহ স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য সকল খাতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাই তাদের লক্ষ্যমাত্রা। ভবিষ্যতে আরও নানা নির্বাচনী উদ্যোগ নিয়ে দলের নেতৃত্ব নেতৃত্ব দেবে বলে তিনি জানান।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, ‘‘আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ চাই। জুলাই অভ্যুত্থানের পর যে যাত্রা শুরু হয়েছে, সেই যাত্রায় মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য। আমাদের নেতা তারেক রহমান উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা নিয়ে দেশে ফিরে কয়ের কাজ করছেন এবং মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসছেন।’’ তিনি যুক্ত করেন, বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দল; অতীতের অভিজ্ঞতা ও জনসমর্থনের ভিত্তিতে আগামী নির্বাচনে ভালো ফল হবে এটাই জনগণের প্রত্যাশা।

    গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে স্থানীয় কয়েকজন নেতা-কর্মীর নামের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাহবুব হাসান পিয়ারু, আলমগীর হোসেন আলম, আব্দুল হাকিম, শামীম খান, সুলতান মাহমুদ সুমন, সাইফুল বকসি, দাউদ বকসি, রাজিব খান রাজু, শহিদুল বেল্লাল, মোস্তফা সাব্বির, খোন্দকার সোহেল, শেখ মেহেদী হাসান, সিদ্দিক মাতবর, শামীম রেজা ও নাঈম ইসলাম। এছাড়া এলাকাবাসীও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।