Category: বাংলাদেশ

  • সাতক্ষীরার চার আসনে ২০ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ

    সাতক্ষীরার চার আসনে ২০ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ

    সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে চুড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ২০ প্রার্থীর মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার মিজ আফরোজা আখতার তার সম্মেলন কক্ষে সব রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে প্রতীক বণ্টন করেন।

    প্রতীক বরাদ্দের আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং আচরণবিধি লঙ্ঘিত হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে বলে সতর্ক করেন। এ সময় পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, জেলার বিজিবি প্রধান ও আনসার কমান্ডান্টসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-গণও নির্বাচন সংক্রান্ত সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেন।

    বণ্টিত প্রতীকের মধ্যে বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বীরা ‘ধানের শীষ’, জামায়াতের প্রার্থীরা ‘দাড়িপাল্লা’, জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা ‘লাঙ্গল’ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা ‘হাতপাখা’ প্রতীক পেয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী ‘ডাব’, বাংলাদেশ জাসদের প্রার্থী ‘মটরগাড়ি’, স্বতন্ত্র প্রার্থী ‘ফুটবল’ এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির প্রার্থী ‘রকেট’ প্রতীকে লড়বেন।

    প্রতীক প্রাপ্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়নি বললে ভুল হবে—আসনভিত্তিক তালিকা হচ্ছে:

    সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া): বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ), জামায়াতের মো. ইজ্জত উল্লাহ (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের শেখ মো. রেজাউল করিম (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমান (লাঙ্গল) ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের ইয়ারুল ইসলাম (ডাব)।

    সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা): বিএনপির আব্দুর রউফ (ধানের শীষ), জামায়াতের মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আশরাফুজ্জামান (লাঙ্গল), বাংলাদেশ জাসদের ইদ্রিস আলী (মটরগাড়ি) এবং ইসলামী আন্দোলনের মুফতী রবিউল ইসলাম (হাতপাখা)।

    সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ): স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ডা. শহিদুল আলম (ফুটবল), বিএনপির কাজী আলাউদ্দীন (ধানের শীষ), জামায়াতের হাফেজ রবিউল বাশার (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আলিপ হোসেন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের ওয়েজ কুরনী (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির রুবেল হোসেন (রকেট)।

    সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর): বিএনপির ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ধানের শীষ), জামায়াতের জিএম নজরুল ইসলাম (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের এইচ এম মিজানুর রহমান (হাতপাখা) ও জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদ (লাঙ্গল)।

    প্রসঙ্গত, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে। জাতীয় পর্যায়ে মনোনয়নপত্র দাখিলের প্রক্রিয়ায় সাতক্ষীরায় ২৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ১৯টি বৈধ ও ১০টি বাতিল ঘোষণা করেন। এরপর নির্বাচন কমিশনে আপীল করলে চারজনের মনোনয়ন বৈধ হিসেবে গৃহীত হয়ে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২৩। পরে তিনজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ২০ জন প্রার্থী নির্ধারিত হন এবং বুধবার তাদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়।

    জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন সংক্রান্ত কর্মকর্তারা সব পক্ষকে শান্তিপূর্ণ, সুনামের সঙ্গে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনায় আহ্বান জানিয়েছেন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা reiterated করেছেন।

  • সাতক্ষীরার চার আসনে ২০ প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ

    সাতক্ষীরার চার আসনে ২০ প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ

    সাতক্ষীরায় চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ২০ জন প্রার্থীকে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ আফরোজা আখতার তার সম্মেলন কক্ষে সকল দলের প্রার্থী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীকের বরাদ্দ দেন।

    বরাদ্দকালে রিটার্নিং কর্মকর্তা উপস্থিত সবাইকে আচরণবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেন এবং আইনশৃঙ্খলায় কোনো হয়রানি বা বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কড়াভাবে হস্তক্ষেপ করবে বলে সতর্ক করেন। এসময় পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, জেলার বিজিবি প্রধান ও আনসার কমান্ডান্টসহ অন্যরা নির্বাচন-সংক্রান্ত সামগ্রিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বক্তব্য রাখেন।

    এবার সাতক্ষীরার চারটি আসনে মোট আট ধরনের প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে বরাদ্দকৃত প্রতীকগুলো হলো: বিএনপির ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর দাড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা। এছাড়া বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব, বাংলাদেশ জাসদের মটরগাড়ি, একটি স্বতন্ত্র প্রার্থীর ফুটবল ও বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির রকেট প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।

    আসনভিত্তিক প্রার্থীদের তালিকা বেশি পরিষ্কারভাবে এভাবে জানা যায়:

    – সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া): বিএনপি থেকে হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ), জামায়াত থেকে মো. ইজ্জত উল্লাহ (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. রেজাউল করিম (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমান (লাঙ্গল) ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের ইয়ারুল ইসলাম (ডাব)।

    – সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা): বিএনপির আব্দুর রউফ (ধানের শীষ), জামায়াতের মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আশরাফুজ্জামান (লাঙ্গল), বাংলাদেশ জাসদের ইদ্রিস আলী (মটরগাড়ি) ও ইসলামী আন্দোলনের মুফতী রবিউল ইসলাম (হাতপাখা)।

    – সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ): স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ডা. শহিদুল আলম (ফুটবল), বিএনপির কাজী আলাউদ্দীন (ধানের শীষ), জামায়াতের হাফেজ রবিউল বাশার (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আলিপ হোসেন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের ওয়েজ কুরনী (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির রুবেল হোসেন (রকেট)।

    – সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর): বিএনপির ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ধানের শীষ), জামায়াতের জিএম নজরুল ইসলাম (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের এইচ এম মিজানুর রহমান (হাতপাখা) ও জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদ (লাঙ্গল)।

    প্রসঙ্গত, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার বিভিন্ন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিল করেন। প্রথম দফায় ২৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেয়ায় যাচাই-বাছাই করা হয়; রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে ১৯ জনকে বৈধ ও ১০ জনকে বাতিল ঘোষণা করা হয়। পরে নির্বাচনী আপিলে চারজন বৈধ ঘোষিত হওয়ায় মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২৩। পরে ২০ জানুয়ারি তিনজন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় চূড়ান্তভাবে ২০ জন প্রার্থী প্রতীকে ছেদে লড়বেন বলে বিবেচিত হন। বুধবার দুপুর থেকে এসব চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বিতরণ করা হয়েছিল।

  • যশোরে ছয় আসনে ৩৫ প্রার্থীকে অনুষ্ঠিতভাবে প্রতীক বরাদ্দ, নির্বাচন প্রচার শুরু

    যশোরে ছয় আসনে ৩৫ প্রার্থীকে অনুষ্ঠিতভাবে প্রতীক বরাদ্দ, নির্বাচন প্রচার শুরু

    যশোরে ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৩৫ জন প্রার্থীর মধ্যে চূড়ান্ত প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে উৎসবমুখর পরিবেশে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান প্রার্থীদের হাতে তাদের প্রতীক তুলে দেন।

    যশোর-১ (শার্শা): এখানে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আজিজুর রহমান পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল লাঙ্গল, বিএনপির নুরুজ্জামান লিটন ধানের শীষ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বকতিয়ার রহমান হাতপাখা প্রতীক পেয়েছেন।

    যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা): এ আসনে মোট ৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী। বিএনপির মোছা. সাবিরা সুলতানা পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াতের মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দীন ফরিদ দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের ইদ্রিস আলী হাতপাখা, বাসদের ইমরান খান মই, বিএনএফের শামসুল হক টেলিভিশন এবং এবি পার্টির রিপন মাহমুদ ঈগল প্রতীক পেয়েছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জহুরুল ইসলাম ঘোড়া ও মেহেদী হাসান ফুটবল প্রতীক পেয়েছেন। যদিও জহুরুল ইসলাম এক সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা বলেন, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কথায় তিনি প্রত্যাহারের কাগজপত্র জমা দেননি।

    যশোর-৩ (সদর): এখানে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ধানের শীষ নিয়েছেন, ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন হাতপাখা, জামায়াতের আব্দুল কাদের দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির খবির গাজী লাঙ্গল, জাগপার নিজামুদ্দিন অমিত চশমা এবং সিপিবি’র রাশেদ খান কাস্তে প্রতীক পেয়েছেন।

    যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর): এ আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন। স্বতন্ত্র এম. নাজিম উদ্দীন-আল-আজাদ মোটরসাইকেল, ইসলামী আন্দোলনের বায়েজীদ হোসাইন হাতপাখা, বিএনপির মতিয়র রহমান ফারাজি ধানের শীষ, খেলাফত মজলিসের মাওলানা আশেক এলাহী দেওয়াল ঘড়ি, জামায়াতের গোলাম রসুল দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির জহুরুল হক লাঙ্গল এবং বিএমজেপির সুকৃতি কুমার মণ্ডল রকেট প্রতীক নিয়েছেন।

    যশোর-৫ (মণিরামপুর): এখানে পাঁচজন প্রার্থী লড়ছেন। জাতীয় পার্টির এম এ হালিম লাঙ্গল, জামায়াতের গাজী এনামুল হক দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের জয়নাল আবেদীন হাতপাখা, বিএনপির রশীদ আহমদ ধানের শীষ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদ মো. ইকবাল হোসেন কলস প্রতীক পেয়েছেন।

    যশোর-৬ (কেশবপুর): এই আসনেও পাঁচজন প্রার্থী প্রতীক নিয়েছেন। জাতীয় পার্টির জিএম হাসান লাঙ্গল, বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ ধানের শীষ, এবি পার্টির মাহমুদ হাসান ঈগল, জামায়াতের মোক্তার আলী দাঁড়িপাল্লা এবং ইসলামী আন্দোলনের শহিদুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীক রাখছেন।

    প্রতীক বরাদ্দের পর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুক হক সাবু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মানুষ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশায় আছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্ষার পর বাংলাদেশে ভোট ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ফিরে আসবে এবং বিএনপির প্রার্থীরা ধানের শীষ নিয়ে বিজয়ী হবে।

    অন্যদিকে বিভিন্ন প্রার্থীর অভিযোগও উঠেছে। সিপিবি প্রার্থী রাশেদ খান জানান, নির্দিষ্ট এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় নিষেধ থাকা সত্ত্বেও এখনও কিছু দলের পোস্টার-ফেস্টুন যানবাহনে দেখা যাচ্ছে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে বড় ব্যানার আছে; তিনি নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণের আর্জি করেন। যশোর-২-এর বাসদের প্রার্থী ইমরান খান বলেন, রাতের ভোট, ডামি ভোট ও ভোট কেড়ে নেওয়ার সংস্কৃতি থেকে বের হওয়ার জন্য প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন; বিশেষ করে অবৈধ অস্ত্র ও টাকার উপস্থিতি নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে।

    জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে প্রচারণা পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি জানান, যশোরের ছয় আসনে চূড়ান্তভাবে ৩৫ জন প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে যশোরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাকিবও উপস্থিত ছিলেন।

  • স্মৃতি-গান-আড্ডায় ঝালকাঠির হরচন্দ্র সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী

    স্মৃতি-গান-আড্ডায় ঝালকাঠির হরচন্দ্র সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী

    ঝালকাঠি হরচন্দ্র সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘আয় আরেকটিবার আয়রে সখা/ এই মিলনমেলায় হোক আবার দেখা/ পুরোনো সেই স্মৃতির পাতায়/ লিখব মোরা নতুন কথা’—এমন সূচনা সংগীতের মধ্য দিয়ে আজ সোমবার সকালে বিদ্যালয়টির মাঠে এই আয়োজন শুরু হয়।

    অনুষ্ঠানটি ঘিরে উৎসবে মেতে ওঠেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন পর পরিচিত মুখগুলো কাছে পেয়ে আপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকেই। সবাই যেন খুঁজে ফিরছিলেন পুরোনো সব স্মৃতি। গানে, আড্ডায়, স্মৃতিচারণায় মুখর হয়ে ওঠে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ।

    ঝালকাঠি সদর উপজেলায় হরচন্দ্র সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে বেলা ১১টার দিকে আকাশে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম। জেলা প্রশাসক বলেন, ‘সমাজকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সব সময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। আমার প্রত্যাশা, একটি বাসযোগ্য, সুস্থ, সুন্দর পৃথিবী গড়ে তুলতে তোমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

    প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা সততা ও শৃঙ্খলা দিয়ে জয় করেছে পুরো দেশ। তিনি আশা করেন, শিক্ষার্থীরা এই মূল্যবোধের চর্চা অব্যাহত রাখবে এবং অন্যদেরও উৎসাহিত করবে।

    ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া এ স্কুলের বয়স প্রায় ৭৬ বছর। পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে সাজানো হয় পুরো স্কুল। এতে অংশ নেন প্রায় ৯০০ প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী। আলোচনা সভা, স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন, স্মৃতিচারণা, খেলাধুলা, র‍্যাফল ড্র, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজনে সাজানো হয় পুরো অনুষ্ঠান।

    পুনর্মিলনীতে আসা সাবেক শিক্ষার্থী জাফরিন জেরিন বলেন, ‘সহপাঠী ও সিনিয়র আপুদের পেয়ে অন্য রকম একটি দিন কাটল। মনে হয়েছে, আবারও ছাত্রজীবনে ফিরে গেছি।’

  • এপ্রিল মাসে ভোট হলে নতুন সরকারকে বিশাল বিপদে পড়তে হবে: শামা ওবায়েদ

    এপ্রিল মাসে ভোট হলে নতুন সরকারকে বিশাল বিপদে পড়তে হবে: শামা ওবায়েদ

    এপ্রিল মাসে জনগণের ভোটের মাধ্যমে যে সরকারই গঠন হোক না কেন, নতুন সরকারকে বিশাল বিপদের মধ্যে পড়তে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, মাত্র এক মাস পরই সেই সরকারকে বাজেট ঘোষণা করতে হবে।

    নিজের নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুরের নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা বিএনপি নেতা-কর্মীদের নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন শামা ওবায়েদ। আজ দুপুরে নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া আতিকুর রহমান উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    সরকার ঘোষিত নির্বাচনের সময়সীমা প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেত্রী বলেন, ‘এপ্রিল মাসে নির্বাচন দিতে চাচ্ছেন, এটা বাস্তবসম্মত কি না, আমি ইউনূস সাহেব ও তাঁর টিমকে ভেবে দেখতে বলব। কারণ, ফেব্রুয়ারি মাস যদি রমজান মাস হয়, ওই সময় মানুষ রোজা নিয়ে থাকবেন। রমজান মাসে ইলেকশনের ক্যাম্পেইন করা কতটুকু বাস্তবসম্মত, সেটাও এই সরকারের ভেবে দেখতে হবে। তারপরে ঈদ। ঈদের পর আপনারা নির্বাচন দিচ্ছেন।’

    এপ্রিল মাসকে নির্বাচন আয়োজনের অনুপযোগী সময় বলে উল্লেখ করেন শামা ওবায়েদ। তাঁর ভাষ্য, ‘এপ্রিল ঝড়বৃষ্টি ও বিভিন্ন পরীক্ষার মাস। সুতরাং বিভিন্ন বাস্তবসম্মত কারণে এই মাস বাংলাদেশের জনগণ, ভোটার ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য, বিশেষ করে আমার মা-বোনদের জন্য ও ইয়ং জেনারেশনের জন্য সমীচীন হবে কি না, এটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আবার ভেবে দেখতে হবে। আপনারা যেই নির্বাচন এপ্রিল মাসে দিতে পারবেন, সেই নির্বাচন জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি মাসে রোজার আগেও দিতে পারবেন। ডিসেম্বর মাসেও দিয়ে দিতে কোনো সমস্যা নেই।’

    ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী, যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন, আফজাল হোসেন খান, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি বাবুল তালুকদার, আলিমুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান প্রমুখ।

  • মায়ের সামনে যমুনার স্রোতে ভেসে গেল স্কুলছাত্র

    মায়ের সামনে যমুনার স্রোতে ভেসে গেল স্কুলছাত্র

    পাবনার বেড়া উপজেলায় মা–সহ পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে যমুনা নদীতে গোসলে নেমে এক স্কুলছাত্র নিখোঁজ হয়েছে। আজ সোমবার বেলা দেড়টার দিকে হাটুরিয়া-নাকালিয়া ইউনিয়নের নতুন পেঁচাকোলা গ্রামের পেঁচাকোলা ঘাটে এ ঘটনা ঘটে। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, স্রোতের টানে ভেসে গেছে সে।

    নিখোঁজ উৎসব কর্মকার উপজেলার হাটুরিয়া-নাকালিয়া ইউনিয়নের নতুন পেঁচাকোলা গ্রামের উত্তম কর্মকারের ছেলে এবং রাজধানীর একটি স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে ঢাকায় মা-বাবার সঙ্গে থাকত। ঈদের ছুটিতে সম্প্রতি গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল সে।

    স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, আজ বেলা দেড়টার দিকে বাড়ির পাশের যমুনা নদীতে মা–সহ পরিবারের আরও কয়েকজনের সঙ্গে গোসল করতে যায় উৎসব। সে কিছুদিন ধরে সাঁতার শিখেছিল। গোসলের একপর্যায়ে মায়ের চোখের সামনে হঠাৎ সে স্রোতের টানে নদীর কিছুটা ভেতরের দিকে চলে যায়। এ সময় লোকজন তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে সে স্রোতের টানে তলিয়ে যায়।

    খবর পেয়ে কাশিনাথপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল আজ বেলা আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিকেল পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস স্টেশনটির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল হান্নান বলেন, নদীতে প্রবল স্রোত আছে। তাই তাঁকে আশপাশে খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা কম। আপাতত উদ্ধার অভিযান স্থগিত হলেও পরে অবস্থা বুঝে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • প্রধান উপদেষ্টা দুটি রাজনৈতিক দলের কথায় এপ্রিল মাসে নির্বাচন ঘোষণা করেছেন

    প্রধান উপদেষ্টা দুটি রাজনৈতিক দলের কথায় এপ্রিল মাসে নির্বাচন ঘোষণা করেছেন

    নাছির উদ্দিন আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পরে আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এই সরকার আমাদের সরকার। এই সরকারকে কোনোভাবে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। কিন্তু আমরা লক্ষ করছি, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে একটি রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যে গঠিত হয়েছে, সেই রাজনৈতিক দলকে কীভাবে প্রয়োরেটি দেওয়া যায়, অথবা কীভাবে সুযোগ-সুবিধা দেওয়া যায়, সে বিষয়ে তারা ব্যস্ত রয়েছে।’

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল কাইয়ুম মাসুদ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আয়োজক কমিটির কমিটির সদস্য সচিব বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক আবদুল আলিম বাছির, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর, সদস্যসচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, জেলা বিএনপির নেতা সহিদুল ইসলাম কিরণ। সঞ্চালনা করেন কৃষক দলের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল হাসান।