বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখন দেশের মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে আছেন। তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, বরং তিনি জাতির অভিভাবক হিসেবেও বিবেচিত। ২০১৩ সালের ৫ই আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পরে থেকে তিনি দলের নেতাকর্মীদের জন্য একজন উৎসাহের source হিসেবে এক অসাধারণ প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছেন। এতদূর তিনি দলের প্রধান নেতাদের পাশাপাশি সব শ্রেণীপেশার মানুষের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র। তবে সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় সবার মনোযোগ এখন তার সুস্থতার দিকে কেন্দ্রীভূত। তিনি বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সিসিইউ তে রয়েছেন, তার ওপর নিশীথে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
Category: জাতীয়
-

খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ দোয়া ও সভা
উপদেষ্টা পরিষদের এক বিশেষ সভায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও আরোগ্য কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। অনুষ্ঠানে ধর্ম উপদেষ্টা আলেম আফম খালিদ হোসেন মোনাজাত পরিচালনা করেন।
অন্যদিকে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপার্সনের শারীরিক অবস্থার অপ্রত্যাশিত অবনতি ঘটতে থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। তিনি দেশের জনগণের কাছে খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও রোগ মুক্তির জন্য দোয়া চেয়েছেন। আজ দুপুরে রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিবের মাধ্যমে এক বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়।
সভায় বৈদেশিক অনুদান সংক্রান্ত (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। এই সংশোধনের ফলে আইনটির কিছু ধারায় পরিবর্তন আনা হয়েছে, এনজিও নিবন্ধনের নিয়ম সহজ করা হয়েছে এবং অনুদান অনুমোদনের শর্তগুলোও সহজতর করা হয়েছে। এখন থেকে বছরে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদানের ক্ষেত্রে আর নির্ধারিত অনুমোদন নিতে হবে না। এতে আইন আরও অংশীজনবান্ধব করে তোলা হয়েছে।
এছাড়াও, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া আজকের সভায় উপস্থাপন করা হয়। সংশোধিত আকারে ও বিস্তারিতভাবে এই অধ্যাদেশ পরবর্তী সভায় উত্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সবশেষে, প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল একজন উল্লেখযোগ্য বিবৃতি দেন। তিনি জানালেন, আরব আমিরাতে জুলাইতে সংঘটিত গণআন্দোলনের জন্য অভিযুক্ত বিভিন্ন সময়ে আটক থাকা ২৪ জন প্রায় অচিরেই মুক্তি পাবেন এবং দুই-তিন দিনের মধ্যে তারা দেশে ফিরবেন।
-

চীন থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল পাঠানোর পরিকল্পনা খালেদা জিয়ার জন্য
বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সহায়তা দিতে চীনের একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল বাংলাদেশে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকের এক সদস্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ কয়েকটি দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ইতিমধ্যে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিচ্ছেন। এর মধ্যে চীন থেকে আসার এই বিশেষজ্ঞ দল ঢাকায় এসে তার চিকিৎসায় সহায়তা করতে আগ্রহি।
অন্যদিকে, খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ায় তাকে দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়টি এখন আলোচনা হচ্ছে। তবে চিকিৎসকরা জানান, তার বর্তমান অবস্থা এখনও সংকটময়। তিনি বিমান পথে চলাফেরা করার মতো শারীরিক স্থিতিতে এখনো আছেন না। চিকিৎসকেরা বলছেন, বর্তমানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা চালানো হচ্ছে, যার রিপোর্ট পাওয়ার পরে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
-

নির্বাচনে থাকবে সেনাবাহিনী: ম্যাজিস্ট্রেসি ও সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী, এছাড়া ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাও কার্যকর থাকবে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, নির্বাচনের সময় সশস্ত্র বাহিনী তাদের নির্ধারিত ভূমিকা পালন করবে, যা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত হবে। গত বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভার পর ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।
আখতার আহমেদ আরও জানান, ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যানের outline সাজানোর কাজ চলছে; সংশ্লিষ্ট বাহিনী বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করবেন। কেন্দ্রীয়ভাবে নিরাপত্তার জন্য স্ট্যাটিক (স্থায়ী) নিরাপত্তা কর্মী থাকবে, পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানেই মোবাইল চেকপোস্ট ও পর্যবেক্ষণে থাকবে মোবাইল কম্পোনেন্ট। তারা স্থান পরিবর্তন করে প্রয়োজন অনুযায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। এই ডেপ্লয়মেন্টের জন্য গাইডলাইন ও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব বাহিনী না থাকলেও, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত প্রচেষ্টায় কাজ চালানো হবে, এ ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছে কমিশন। তারা প্রথম দিন থেকেই মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করবে এবং আইনশৃঙ্খলার ওপর তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে।
সেনা বর্তমানে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে এই বাহিনী তাদের ম্যাজিস্ট্রিয়াল ক্ষমতা ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এসব ক্ষমতা আইন ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নাকি নয়, সেই বিষয়েও স্পষ্ট করেছেন ইসি সচিব।
ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যানের মূল অংশ তিন ভাগে বিভক্ত: কেন্দ্রভিত্তিক স্ট্যাটিক নিরাপত্তা, বিভিন্ন স্থানে স্থির বা মোবাইল চেকপোস্ট এবং গিরিং বা পর্যবেক্ষণে মোবাইল কম্পোনেন্ট। সংশ্লিষ্ট বাহিনী এই পরিকল্পনা অনুসারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলবে।
অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য ইসি ভবিষ্যতে সাইবার নিরাপত্তা সেল গঠন করবেন, যাতে অপপ্রচার ও ভুল তথ্য রোধে বিভিন্ন গণমাধ্যমের পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার হয়।
পর্যাপ্ত যোগাযোগের জন্য দ্বিমুখী ব্যবস্থা নেওয়া হবে—উপর থেকে নিচে এবং নিচ থেকে উপরে—এবং তথ্যের প্রবাহ সঠিকভাবে নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পরিচালনা করতে পারায়, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন বলে মনে করছে কমিশন।
বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলে নেটওয়ার্ক সেবা ও ইন্টারনেট নিশ্চিতের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, অপহরণ বা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে গোয়েন্দা কার্যক্রম বাড়ানো হবে ও সন্ত্রাসীদের নজরদারি চালানো হবে।
এছাড়া, বিদেশ থেকে আসা পোস্টাল ভোটের জন্য এয়ারপোর্ট ও ডাকবাছাই কেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। সব পর্যায়েই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে অপ্রয়োজনীয় সুবিধা নেওয়া হবে না, এই বিষয়েও স্পষ্ট নির্দেশনা বলেছে ইসি। যানবাহনের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও প্রয়োজনীয় সমাধানও চূড়ান্ত পরিকল্পনার অংশ।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, ডিএমপি কমিশনারসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
এদিকে, নভেম্বরের প্রথম দিকে সেনাবাহিনীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের ক্ষমতা ৩ মাসের জন্য বাড়ানো হয়। পাশাপাশি, দীর্ঘ মেয়াদে সেনা কর্মকর্তাদের এই ক্ষমতা থাকছে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। উল্লেখ্য, ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা কর্মকর্তাদের এই প্রশাসনিক ক্ষমতা মোতায়েন করা হয়েছিল।
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাঝামাঝি সময়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে নির্বাচন শেষে অন্তত ১৫ দিন পর্যন্ত সেনাবাহিনী তাদের ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা রাখবে, যাতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
-

টঙ্গীতে ৫ দিনের জোড় ইজতেমা শুরু আজ, আখেরি মোনাজাত মঙ্গলবার
গাজীপুরের টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে শুক্রবার চির proper ফজরের পর থেকেই আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হয়েছে চারপাশের বিশিষ্ট তাবলীগ জামাতের বাংলাদেশ শুরায়ী নেজামের আয়োজনে পাঁচ দিনের জোড় ইজতেমা। এই ইজতেমা সম্পন্ন হবে আগামী মঙ্গলবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তাবলীগ জামাত বাংলাদেশের শুরায়ী নেজামের গণমাধ্যম সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান। তিনি জানান, প্রতি বছর এই জোড় ইজতেমা হয় প্রস্তুতি হিসেবে, যাতে তাবলীগের শুরা সদস্যরা বছরের কাজের পরিকল্পনা পেশ করেন এবং মুরুব্বিদের থেকে রাহবারী গ্রহণের সুযোগ পান। এই উপলক্ষে দেশের পাশাপাশি বিদেশের প্রবীণ মুরুব্বিরা ইতিমধ্যে টঙ্গীতে জড়ো হয়েছেন। হাবিবুল্লাহ রায়হান বলেন, পাঁচ দিনের এই জোড় ইজতেমা তাবলীগ জামাতের ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান, যেখানে দাওয়াতের মূল ভাবনা ও লক্ষ্য স্পষ্ট করে তুলে ধরা হয়। এখান থেকে পরবর্তী সময়ের কার্যক্রমের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ হয়। এ সময় দাঈদের, দাওয়াতের তরিকা, আমল ও দেশের প্রেক্ষাপটে করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট আলেমরা। এই বয়ানগুলি একজন শূরা সদস্যের জীবনাচরণ ও দুনিয়া ও আখেরাতের জীবনে দিশা দেয়। হাবিবুল্লাহ রায়হান আরও জানিয়েছেন, জোড় ইজতেমায় অংশগ্রহণের জন্য কেবল ৩ চিল্লার এবং কমপক্ষে ১ চিল্লার আলেমরা অংশ নিতে পারেন, যাতে ইজতেমার মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় থাকে। তিনি আরও বলেন, এক সময় এই পাঁচ দিনের জোড়ে মাওলানা সাঈদ আহমদ খান পালংপুরী (রহঃ), মিয়াজী মেহরাব, মাওলানা উমর পালংপুরী (রহঃ), মাওলানা ওবাইদুল্লাহ বালিয়াভী (রহঃ), কারী জহির (রহঃ) সহ বহু মনীষী বয়ান করতেন। এখনো প্রতিবছর বিভিন্ন দেশের প্রবীণ আলেম ও হযরতজী মাওলানা ইউসুফ (রহঃ), হযরতজী মাওলানা এনামুল হাসান (রহঃ) এর সোহবতপ্রাপ্ত মুরুব্বিরা এসে বয়ান করেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই পাঁচ দিনব্যাপী জোড় থেকে দাঈরা সারা বছরের দাওয়াতি কাজের পরিকল্পনা ও দিক নির্দেশনা পাবেন।
-

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ২ বা ৩ জানুয়ারি হতে পারে
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা আয়োজনের সময়সূচি নির্ধারিত হয়েছে। আসন্ন বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি ইতিমধ্যে জোরদার করা হচ্ছে। আগামী ২ বা ৩ জানুয়ারি একযোগে ছয় বিভাগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি অ্যান্ড অপারেশন) এ কে মোহাম্মদ সামছুল আহসান এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আমরা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য চূড়ান্ত পরিকল্পনা তৈরি করেছি। সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের উপস্থিত আসন বিন্যাসসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও দ্রুত সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাখাওয়াত এরশাদ জানিয়েছেন, ২ বা ৩ জানুয়ারি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়টি নিশ্চিত করে তাদের প্রস্তুতি শুরু করেছেন। তিনি আরও বলেন, আগামি দিনগুলোর জন্য আসন বিন্যাস ও অন্যান্য কাজ দ্রুত এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম আনোয়ার হোসেনও একই নির্দেশনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৫ নভেম্বর প্রথম ধাপের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। এতে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের ১০ হাজার ২১৯টি সহকারী শিক্ষক পদে ৮ থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। এরপর, দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৪ হাজার ১৬৬টি পদে নিয়োগের জন্য ১২ নভেম্বর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এ ধাপের আবেদনের শেষ সময় ছিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। এখন নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার চূড়ান্ত তারিখ শিগগিরই প্রকাশ করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
-

শেখ হাসিনা, জয়, পুতুলসহ অন্যান্য ব্যক্তিদের সাজা: দুর্নীতির মামলার বিস্তারিত
ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দের মোট ৩টি মামলায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আদালত ২১ বছরের কারাদণ্ড দেন। এছাড়াও মামলায় তার ছেলে সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়কে পাঁচ বছর কারাদণ্ড, তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকেও একই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আরও ১৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত নিশ্চিত করেছেন যে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকারকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রায়ের এই খসড়া ঘোষণা করেন ঢাকার বিশেষ জজ-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, বৃহস্পতিবার।
প্রতিটি ব্যক্তির সাজা ও অর্থদণ্ডের বিবরণ如下:
শেখ হাসিনা: তিনটি মামলায় ৭ বছর করে মোট ২১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, প্রত্যেকটি মামলায় এক লাখ টাকার করে মোট ৩ লাখ টাকার অর্থদণ্ড, পাশাপাশি অনাদায়ে ৬ মাস করে ১৮ মাসের কারাদণ্ড।
সজীব ওয়াজেদ জয়: এক মামলায় ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকার অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড।
সায়মা ওয়াজেদ পুতুল: একই শাস্তি ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন: দুই মামলায় ৬ বছর করে মোট ১২ বছরের জেল, এক লাখ টাকার অর্থদণ্ড প্রতিটি মামলায়, সঙ্গে অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ: তিন মামলায় ৬ বছর করে মোট ১৮ বছরের সাজা, অর্থদণ্ড মোট ৩ লাখ টাকা ও অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড।
গৃহায়ণ ও গণপূর্তের সাবেক সচিব মো: শহীদ উল্লা খন্দকার: তিন মামলায় ৬ বছর করে মোট ১৮ বছর, একই অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ডের মাধ্যমে দণ্ডিত।
অন্য ঘটনাবলিতে, সাবেক অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো: আনিছুর রহমান মিঞা, সদস্য মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা এবং অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
রায় শেষে দুদক প্রকিউটর মইনুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, শেখ হাসিনাকে তিনটি মামলায় ৭ বছর করে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তিন মামলায় এক লাখ টাকা করে মোট তিন লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়েছে, যার অনাদায়ে আরও ১৮ মাসের কারাদণ্ড। তিনি আরও জানান, তাদের প্রত্যাশা ছিল maximale সাজা বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের, কিন্তু উচ্চ আদালতের এই রায় প্রত্যাশিত না হওয়ায় তারা আপিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি শেষ পর্যন্ত বলেন, আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাবার বিষয়টি চিন্তা করছি। অনেকে বলেন, এ রায়ে দোষী সাব্যস্ত হলেও সর্বোচ্চ সাজা না দেওয়ায় iç্যূত হয়নি তারা।
-

প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশ: ভবন নির্মাণের জন্য পৃথক কর্তৃপক্ষ গঠন প্রক্রিয়া শুরু
দেশের ভবন নির্মাণের মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ এ উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে দিয়েছেন আন্তঃসরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, ভবন নির্মাণের সময় নিরাপদ নির্মাণ বিধি মানা হয় কি না, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। সম্প্রতি রাতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর খসড়া অনুমোদনের সময় তিনি এ নির্দেশ দেন। এই সিদ্ধান্তের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদর্শীর প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে একটি স্বতন্ত্র কর্তৃপক্ষ গঠন হয়, যা দেশের সমস্ত ভবন ও নির্মাণ কাজের অনুমোদন দেবে। বর্তমানে রাজউক শুধুমাত্র নিজস্ব এলাকা গুলোতেই অনুমোদন দেয়। শফিকুল আলম আরও জানান, গ্রামাঞ্চলসহ সারাদেশে চার থেকে পাঁচতলা ভবন নির্মাণের সময় জাতীয় ভবন নির্মাণ কোড অনুসরণ হচ্ছে কি না, সেটি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এছাড়া, ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ড ও অন্যান্য ঝুঁকি মোকাবেলায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নতুন অধ্যাদেশে পুনর্বিকাশ, জমি পুনর্বিন্যাস, খেলার মাঠ, জলাশয় ও প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ সম্পর্কিত নানা বিধান যুক্ত হয়েছে। জমির মালিকের ৬০ শতাংশের সম্মতিক্রমে পুনর্বিকাশ প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তও হালকা হয়েছে। সেই সঙ্গে, নির্মাণ, জলাশয় খনন, নিচু জমি ভরাট, প্রাকৃতিক জলপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি এবং খেলার মাঠ ও উদ্যানের পরিবর্তন সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রণ চালু করা হয়েছে। এছাড়া অনুমোদিত নকশা ব্যতীত নির্মাণ, ঝুঁকিপূর্ণ বা বেআইনি নির্মাণের শাস্তি এবং রাজউকের চেয়ারম্যান, সদস্য বা কর্মচারীদের কোনও চুক্তি বা শেয়ারে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের ভবন নির্মাণের মান ও নিরাপত্তা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
-

বঙ্গোপসাগরে ৪ মাত্রার ভূমিকম্প সক্রিয়
মধ্যরাতে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এক শক্তিশালী ভূমিকম্প কক্সবাজার জেলার টেকনাফ শহরসহ আশেপাশের এলাকাগুলোকে কেঁপে উঠে। বুধবার রাত ৩টা ২৯ মিনিটি দিকে এই ভূমিকম্প ঘটে, যখন এর উৎপত্তি ছিল টেকনাফ থেকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার দূরে। বৈজ্ঞানিক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, এই কম্পনের কারণে টেকনাফে খুব অল্প ঝাঁকুনি অনুভূত হয়, ফলে বেশিরভাগ মানুষই তা হালকা মনে করেছেন। তবে, ইএমএসসি জানিয়েছে যে, এই ভূমিকম্প মাটির ১০ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছিল, যা এর শক্তি বোঝাতে সহায়ক। অবশ্য ভলকানো ডিসকভারি এই ভূমিকম্পের উৎপত্তির গভীরতা সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেনি। এদিকে, গত শুক্রবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ৫.৭ মাত্রার প্রবল ভূমিকম্প আঘাত হানে যা গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র বলে বিবেচিত। এই কম্পনের ফলে অনেক মানুষ আতঙ্কে ঘর থেকে রাস্তায় নামেন এবং বহু বিস্ময়কর দৃশ্য দেখা যায়—সহকর্ম, বাসাবাড়ি, অফিস ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতে ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে। ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে এই কম্পন অনুভূত হওয়ার পরে শতাধিক মানুষ আহত হন এবং কমপক্ষে ১০ জন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। ভূকম্পনের ধাক্কার কারণে বেশ কয়েকজন আহত হন। বিশেষ করে নরসিংদীতে এই ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি করে। এবারে এই ভূমিকম্পের ফলে বহু মানুষ আতঙ্কে ঘর ছাড়তে বাধ্য হন এবং জনগণ দ্রুত নিরাপদ স্থানে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।
-

শেখ হাসিনার সম্পদের প্রতি লোভ ছিল: রায়ে বিচারকের পর্যবেক্ষণ
রাজধানীর পূর্বাচলে রাজউকের প্লট বরাদ্দে অসৎ উদ্দেশ্যে জালিয়াতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুদকের তিনটি মামলায় দীর্ঘ ২১ বছরের কারাদণ্ডের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকাল ১১টা ২৩ মিনিটে ঢাকার বিশেষ জজ-৫-এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।
বিচারক রায়ের পর্যবেক্ষণে জানান, শেখ হাসিনার সম্পদের প্রতি লোভ ছিল। তিনি যদি বরাদ্দ না চান, তাহলে সহজেই কাগজপত্র ছুড়ে ফেলতে পারতেন বা প্লট না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে তিনি বরাদ্দের জন্য রাজউক, গৃহায়ন মন্ত্রণালয় এবং নিজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিদের আশ্রয় নেন। এর মাধ্যমে তিনি প্রতারণা করেছেন বলে উল্লেখ করেন বিচারক।
উল্লেখ্য, চার বার ক্ষমতায় থাকলেও কেন শেখ হাসিনার সম্পদ ও টাকাপয়সা এমনভাবে বাড়ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারক আরও বলেন, যদি তিনি কোটা ব্যবস্থার অপব্যবহার না করতেন, তাহলে দেশের সাধারণ নাগরিকেরা পর্যাপ্ত প্লট পেত. সরকারি এই অধিকার তিনি অপব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থের জন্য ব্যবহার করেছেন।
বিচারপতিদের নথিতে আরও জানা যায়, দুদকের মামলায় শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্য আসামিরা অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পেয়েছেন।
এর আগে ২৩ নভেম্বর যুক্তিতর্কশেষে রায়ের দিন ধার্য করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন প্রত্যাশা করলেও, শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না কারণ তারা পলাতক। মামলার তিনটি করে আসামি তালিকায় শেখ হাসিনাসহ মোট ১২, ১৭ ও ১৮ জন করে আছেন।
গত জানুয়ারিতে দুর্নীতির অভিযোগে দুদক পৃথকভাবে ছয়টি মামলা দায়ের করে। তদন্ত শেষে ৩১ জুলাই এই মামলাগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। অভিযোগনামায় জানা যায়, সরকারে থাকা অবস্থায় শেখ হাসিনা ও তার পরিবার ক্ষমতার অপব্যবহার করে, অসৎ উদ্দেশ্যে সরকারি সম্পদ বরাদ্দ নিয়েছেন। তারা গরীব বলে পরিচয় দিয়ে পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নম্বর রাস্তার সঙ্গে যুক্ত ছয়টি প্লট নিজের পরিবারের নামে বরাদ্দ করেন।
জয় ও পুতুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, জয় নিজের নামে থাকা আবাসিক সুবিধা গোপন করে আইন লঙ্ঘন করে পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দ নেন, পরে তা রেজিস্ট্রি করেন এবং সরকারি জমি আত্মসাৎ করেন। পুতুলও অবৈধভাবে মাকে প্রভাবিত করে প্লট বরাদ্দ পান। এছাড়া, শেখ হাসিনার একান্ত সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে আঁতাত করে দলিল গায়েব করেন বা নথি নষ্ট করেন।
উল্লেখ্য, শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ইতিমধ্যে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। এর আগে, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা বেগম খালেদা জিয়ার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় সাজা হয়েছিল, তবে তিনি অবশেষে খালাস পান। হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদও দুর্নীতির জন্য বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পান।
