Category: জাতীয়

  • আসিফ মাহমুদ ঢাকা-১০ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন

    আসিফ মাহমুদ ঢাকা-১০ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য ঢাকা-১০ আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন নাগরিক নেতা এবং সমাজকর্মী আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি ধানমন্ডি থানা নির্বাচন কর্মকর্তা অফিস থেকে এই ফরম গ্রহণ করেন। ঢাকা-১০ আসনটি ধানমন্ডি, কলাবাগান, নিউমার্কেট ও হাজারীবাগ অঞ্চল নিয়ে গঠিত, যেখানে এই অঞ্চলের ভোটাররা স্থানীয় উন্নয়ন ও রাজনৈতিক পরিবর্তন প্রত্যাশা করছেন।

    মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আসিফ মাহমুদ। তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দেড় বছর কাজের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী নির্বাচনি এলাকায় উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়ে তিনি মুখ খুলেছেন। পাশাপাশি তিনি জনসাধারণের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দেন।

    আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা, যার কারণে অন্যান্য প্রার্থীদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তিনি জানান, নিয়মিত গোয়েন্দা সংস্থা থেকে নিরাপত্তা ঝুঁকির সতর্কতা পাওয়া যাচ্ছে, যা তার নির্বাচনি প্রচারণায় বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।

    তিনি একথাও উল্লেখ করেন, একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সরকারের দায়িত্ব হলো প্রতিটি প্রার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এসময় তিনি অভিযোগ করেন, একটি গোষ্ঠী সরকারের বিরুদ্ধে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে নির্বাচন ঝামেলা করতে চাইছে।

    উল্লেখ্য, গত ১০ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের পর আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও তার সহকর্মী মাহফুজ আলম পদত্যাগ করেন।

    অপরদিকে, এই আসনে বিএনপি থেকে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ রবিউল আলম মনোনীত হয়েছেন। অন্যদিকে, জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজ্ঞ এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জসীম উদ্দিন সরকার। এখন পর্যন্ত দেশের অন্যান্য প্রার্থী হিসেবে এই আসনে কোনও ঘোষণা দেয়নি ұлттық নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

  • ভারত-বাংলাদেশ উত্তেজনা: রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের মন্তব্য

    ভারত-বাংলাদেশ উত্তেজনা: রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের মন্তব্য

    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক শুধু দুই দেশের জন্য নয়, বরং পুরো দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কথা বলেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন। আজ সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে রাশিয়ান দূতাবাসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন,আমরা বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট মন্তব্য করতে চাই না। তবে পরিস্থিতি গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করছি। কারণ, এটি শুধু দুই দেশের জন্য নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি একটি ভূরাজনৈতিক ব্যাপার, যার নেতিবাচক প্রভাব এলে ফলপ্রসূ সমাধান না হলে এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

    রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমান উত্তেজনা যত দ্রুত সম্ভব কমাতে হবে। এটা জোর দিয়ে তিনি বলেন, এটাই এখন অত্যন্ত জরুরি। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে খোজিন বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনে ভারতের বড় অবদান ছিল এবং তখন রাশিয়াও সমর্থন দিয়েছিল। সেই সময় আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছি, বিশেষ করে মাইন পরিষ্কারের ক্ষেত্রে। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, আমি মনে করি যত দ্রুত সম্ভব উত্তেজনা কমানো উচিত।

    আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার প্রসঙ্গে তিনি ইউক্রেন যুদ্ধের উদাহরণ টেনে বলেন, আমরা আমাদের প্রতিবেশী দেশ বেছে নিতে পারি না। ইউক্রেনের সাথে আমাদের অভিজ্ঞতা আমাদের উদ্বিগ্ন করে—আবার এখানকার পরিস্থিতি নিয়েও আমরা গভীর উদ্বেগে রয়েছি।

    এ সময় তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের বক্তব্যের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের এই অবস্থান লক্ষ্য করেছি যেখানে তিনি সব পক্ষের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সমাধানের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে উত্তেজনা কমানো যায়।

    নির্বাচন প্রসঙ্গে রাশিয়ার স্ট্র্যাটেজির কথা তুলে ধরে খোজিন বলেন, আমরা একটি ইতিবাচক, বন্ধুত্বপূর্ণ, অহিংস এবং সহিংসতামুক্ত পরিবেশে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেখতে আগ্রহী। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন, বলেন, বিভিন্ন অস্থিরতা ও সহিংসতার ঘটনাগুলি দেখা যাচ্ছে। তাই বাংলাদেশে উত্তেজনা কমাতে আমরা আগ্রহী, যা নির্বাচনের জন্য অপরিহার্য।

    আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক পাঠানোর বিষয়ে তিনি জানান, আমরা স্বাগত জানাই— তবে এর জন্য নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ আসা জরুরি। নির্বাচন কমিশনই এই বিষয়ে দায়িত্বশীল। তৎপরতার জন্য তিনি অপেক্ষা করছেন।

    পূর্বের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে খোজিন বলেন, রাশিয়া যখন অন্য দেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে, তখন আমাদের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি, সামাজিক সংস্থার সদস্যরা বা কখনো উচ্চ মাধ্যমিক দপ্তরের প্রতিনিধিরাও থাকেন। অতএব, নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ না এলে আমরা অপেক্ষা করব।

  • আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হবে যে কোনো মূল্যে

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হবে যে কোনো মূল্যে

    দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে। বৈঠকটি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল অনুষ্ঠিত হয় এবং আজ (সোমবার) সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ বিষয়টি জানিয়েছে।

    এই বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা দেশের আগামীর রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব—বিশেষ করে বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কীভাবে সাজানো হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

    প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখতে সকল বাধা-অবাধা উপায় অবলম্বন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ। বৈঠকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী জানানো হয়, সম্প্রতি দুদুটি জাতীয় দৈনিক এবং দুটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয়ে হামলার সাথে জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে ৩১ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযানের অংশ হিসাবে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে কমপক্ষে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. কাশেম ফারুকি, মো. সাইদুর রহমান, রাকিব হোসেন, মো. নাইম, মো. সোহেল রানা এবং মো. শফিকুল ইসলাম। এদের ছাড়াও আরও সন্দেহভাজনদের খুঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের বাসভবনের কাছে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি চেষ্টাকারীদের মধ্যেও তিনজনকে ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডসহ অন্যান্য বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রত গ্রেপ্তার করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। এই নির্দেশনা দেওয়া হয় দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কোনো অস্থিতিশীলতা এড়াতে।

    সংক্ষেপে, বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল, যেকোনো পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য শক্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা।

  • চট্টগ্রামে ভারতীয় ভিসা সেন্টার অল্প সময়ের জন্য বন্ধ

    চট্টগ্রামে ভারতীয় ভিসা সেন্টার অল্প সময়ের জন্য বন্ধ

    চট্টগ্রামের ভারতীয় ভিসা সেন্টার (আইভ্যাক) বর্তমানে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির জটিলতার কারণে রোববার (২১ ডিসেম্বর) থেকে এই সেন্টারের সব কার্যক্রম অস্থায়ীভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে, যতক্ষণ না পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া হয়। ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে চট্টগ্রামের আইভ্যাক অল্প সময়ের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যারা ইতিমধ্যে ভিসার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট করিয়েছিলেন, তাদের জন্য নতুন তারিখ পরে জানানো হবে।

    এর আগে, নিরাপত্তার অবনতির কারণে ১৭ ডিসেম্বর দুপুর ২টার পর রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রও বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে পরবর্তী দিন সকাল থেকে এই কেন্দ্র আবার স্বাভাবিকভাবেই কার্যক্রম চালু করে।

  • তারেক রহমানের ফ্লাইট থেকে কেবিন ক্রু সরানো হলো

    তারেক রহমানের ফ্লাইট থেকে কেবিন ক্রু সরানো হলো

    বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে লন্ডন পর্যন্ত যাওয়া আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকেন্দ্রিক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিমানের একটি নির্দিষ্ট ফ্লাইটের দায়িত্বে থাকা দুই কেবিন ক্রু বর্তমানে অপসারিত হয়েছে বলে জানা গেছে। এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে ওই ফ্লাইটের দায়িত্বপ্রাপ্ত জুনিয়র পার্সার মো. সওগাতুল আলম সওগাত এবং ফ্লাইট স্টুয়ার্ডেস জিনিয়া ইসলামকে সরিয়ে দিয়ে। সরকারি সূত্র মতে, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশের পরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। আগামী ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে ঢাকায় ফিরবেন তারেক রহমান। এর আগের দিন অর্থাৎ ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় তিনি নিজ পরিবার ও বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২০২ নম্বর ফ্লাইটে রওনা হবেন। তবে এ বিষয়ে বিমান সূত্র জানিয়েছে, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লিখিত রাজনৈতিক বিষয়বস্তুর কারণে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ছবি ছড়ানোর পরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিযোগ করা হয়েছে, এই দুই কেবিন ক্রু নিয়মিতভাবে সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সেলিমের ফ্লাইট পরিচালনা করতেন। ফলস্বরূপ, বিমানের ফ্লাইট সার্ভিস বিভাগ তাদের পরিবর্তে নতুন দুইজন—মোস্তফা পার্সার এবং আয়াত স্টুয়ার্ডেস—কে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এর আগে, এই বছরের ২ মে একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল যখন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার একটিকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রেও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দুই কেবিন ক্রু বাদ দেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য, এই ফ্লাইটের নিরাপত্তা বিষয়ে ও ভিআইপি ব্যক্তিদের যাত্রা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিদেশি গোয়েন্দারা সতর্কতা জারি করেছিল। এর মধ্যে, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও নিরাপত্তা অব্যাহত রাখার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • ছায়ানটে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মামলা, আসামি ৩৫০ জন

    ছায়ানটে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মামলা, আসামি ৩৫০ জন

    সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটের ভবনে দুর্বৃত্তদের হামলা, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং লুটপাটের ঘটনার প্রেক্ষিতে ধানমন্ডি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন রবিবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে ধানমন্ডি থানার ওসি সাইফুল ইসলাম। তিনি জানান, ২০ ডিসেম্বর রাতের ঘটনায় ওই থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা registers করা হয়, যেখানে দুলাল ঘোষ নামে ছায়ানটের প্রধান ব্যবস্থাপক ৩০০ থেকে ৩৫০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।

  • শেখ হাসিনা ও কাদেরসহ ১৭ জনের দেশত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা জারি

    শেখ হাসিনা ও কাদেরসহ ১৭ জনের দেশত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা জারি

    অর্থ আত্মসাৎ মামলায় তদন্তের সুবিধার্থে সরকার দেশের স্বনামধন্য নেতৃত্বের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৭ জনের দেশের বাইরে যেতে আপাতত অনির্দিষ্টকাল নিষেধ দেয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনকেই বিবেচনায় নিয়ে রোববার (২১ ডিসেম্বর) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এই আদেশ কার্যকর করেছেন। এ নির্দেশনা তদন্তের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত ঘটনাক্রম ও ভবিষ্যত পদক্ষেপ সম্পর্কে শীঘ্রই জানানো হবে।

  • সুদানে নিহত ৬ শান্তিরক্ষীর জানাজা সম্পন্ন

    সুদানে নিহত ৬ শান্তিরক্ষীর জানাজা সম্পন্ন

    সুদানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী সেনার জানাজা আজ রোববার ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শোকাবহ পরিবেশের মধ্যে ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে এই শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। এর কথা আজ আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে।

    নিহত সেনা সদস্যরা হলেন— কর্পোরাল মো. মাসুদ রানা (নাটোর), সৈনিক শামীম রেজা (রাজবাড়ী), সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম (কুড়িগ্রাম), সৈনিক শান্ত মন্ডল (কুড়িগ্রাম), মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (কিশোরগঞ্জ) এবং লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া (গাইবান্ধা)।

    অনুষ্ঠানে জানাজার আগে প্রতিটি সেনার জীবনী আলোচনা করে তাদের দেশপ্রেম ও ত্যাগের মহিমা সম্পর্কে উপস্থিত সবাইকে অবহিত করা হয়। এরপর তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া পাঠ হয়। পরে দেশের সামরিক ও রাজনৈতিক উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্বরূপ পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর তাদের মরদেহ বিভিন্ন জেলার উদ্দেশে রওনা হয় হেলিকপ্টার দ্বারা।

    জানাজায় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খানসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    এদিকে, গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের (ইউনিসেফ) আওতাধীন কাদুগলি โลজিস্টিকস বেসে একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর অপ্রত্যাশিত ড্রোন হামলায় এই ছয় সেনা নিহত হন। এতে আরও আটজন শান্তিরক্ষী আহত হন, যাদের মধ্যে আটজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কেনিয়ার নাইরোবি অবস্থানরত আগা খান ইউনিভার্সিটিতে স্থানান্তর করা হয়।

    আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় থাকা সৈনিক মো. মেজবাউল কবিরের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি এখন নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। অন্যরা এখন শঙ্কামুক্ত। আদতে, বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে মাত্র ১৫ জন সদস্য নিয়ে শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ শুরু করে, যা এখন বিশ্বের ১১৯টি দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে।

    এ পর্যন্ত বাংলাদেশে ১৬৮ জন সৈনিক, নৌ সেনা ও বিমান বাহিনী সদস্য জাতিসংঘের মিশনে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, যার মধ্যে এই ৬ প্রাণ দেশপ্রেমের অসামান্য চেতনা ও ত্যাগের অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার নিহতদের মরদেহ ঢাকা পৌঁছানোর পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম উপস্থিত সবাইকে সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন ও মরহুমদের জন্য দোয়া ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন।

  • শহীদ ওসমান হাদির জানাজা লাখো মানুষের উপস্থিতিতে সম্পন্ন

    শহীদ ওসমান হাদির জানাজা লাখো মানুষের উপস্থিতিতে সম্পন্ন

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে লাখো মানুষ অংশগ্রহণ করেন। তার বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক জানাজা পড়ান। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটার সময় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এই সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দেশের তিন বাহিনী বাহিনীর প্রধানরাও জানাজায় অংশ নেন। পাশাপাশি বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ ও অন্যান্য দলের নেতাকর্মীও উপস্থিত ছিলেন। সকাল থেকে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জড়ো হতে শুরু করেন। সকাল সাড়ে ১০টায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাধারণ মানুষকে দক্ষিণ প্লাজায় প্রবেশের অনুমতি দেয়। আর্চওয়ে গেট দিয়ে ছাত্র-জনতা নিরাপদে প্রবেশ করেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়াকড়ি থাকায় প্রতিটি প্রবেশপথে সতর্ক অবস্থান নেয় পুলিশ। দুপুরের দিকে জনস্রোত খামারবাড়ি থেকে আসাদ গেট পর্যন্ত পুরো এলাকা ঢেকে যায়। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকেও মানুষ জানাজায় উপস্থিত হন। তারা বলছেন, এ জনসভা সর্বকালের সবচেয়ে বিশাল গণসমাবেশ। দুপুর পৌনে ১১টার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে শহীদ হাদির মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এরপর মরদেহ কীভাবে রাখা হবে, তা সিদ্ধান্তের জন্য জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। মরদেহের গোসলের পরে দুপুর ২টার দিকে এটি সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নেওয়া হয়। বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ও ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্সের সদস্য সচিব ডা. মো. আব্দুল আহাদ জানিয়েছেন, শহীদ হাদির দাফন কার্যক্রম দেশের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য। তাকে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরে সমাধিস্থ করা হবে। ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগ করতে গিয়ে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হামলার শিকার হন হাদি। গুলিতে তার মাথা গুরুতর আঘাত পায়। প্রথমে ঢাকা মেট্রো মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সুস্থভাবে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মরদেহ বাংলাদেশ সময় ১৯ ডিসেম্বর দুপুর ২টা ৩ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিটে হাদির মরদেহ বহনকারী বিমানের ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

  • খুলনা ও তিন বিভাগের মধ্যে ঘন কুয়াশার আভাস

    খুলনা ও তিন বিভাগের মধ্যে ঘন কুয়াশার আভাস

    সারাদেশের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও দেশের তিন বিভাগে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

    আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা বলেন, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বিস্তৃতি পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় পতিত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

    তিনি আরও জানান, आज সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার জন্য আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশে শুষ্ক থাকাসম্ভাবনা রয়েছে। রাতের দিকে রংপুর, রাজশাহী এবং খুলনা বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা ও অন্যান্য অঞ্চলে হালকা কুয়াশার প্রত্যাশা। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে কিছুটা কমে যেতে পারে, অন্যত্র তাপমাত্রা বসবাসরত অবস্থায় থাকবে।

    আগামীকাল রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশে শুষ্ক আবহাওয়া থাকতে পারে। রাত ও ভোরে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যান্য অঞ্চলেও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা। রাতের তাপমাত্রা মোটামুটি অপরিবর্তিত থাকতে পারে, আর দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    পরের দিন সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে একই ধরণের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করবে। রাত ও ভোরের দিকে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে, অন্যান্য অঞ্চলেও হালকা কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রা মোটামুটি অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) ও বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শুষ্ক আবহাওয়া দীর্ঘস্থায়ী থাকবে। ভোরের দিকে উত্তরপশ্চিমাঞ্চল ও অন্যান্য অঞ্চলগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়ার প্রবণতা রয়ে যাবে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, বর্ধিত পাঁচ দিনের মধ্যে তাপমাত্রা আরও কমার আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দেখা দিতে পারে আরও শীতল ও কুয়াশাযুক্ত আবহাওয়া।